Blog

  • S Jaishankar: “সন্ত্রাসবাদকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে”, পাকিস্তানকে নিশানা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “সন্ত্রাসবাদকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে”, পাকিস্তানকে নিশানা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্ত্রাসবাদকে রাষ্ট্রযন্ত্রের একটি অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।” শনিবার নাম না করে এই ভাষায়ই পাকিস্তানকে নিশানা করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। এদিন সিঙ্গাপুরে নিজেরই লেখা বই ‘হোয়াই ভারত ম্যাটারর্স’ সংক্রান্ত এক বক্তৃতায় পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদকে নিশানা করেন জয়শঙ্কর।

    প্রসঙ্গ সন্ত্রাসবাদ (S Jaishankar)

    ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুরের ইনস্টিটিউট অফ সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের ওই অনুষ্ঠানে বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “সন্ত্রাসবাদকে রাষ্ট্রযন্ত্রের একটি অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রতিবেশীর এই বিষয়টি যেখানে গোপন নেই, তখন আপনি সেই প্রতিবেশীর মোকাবিলা করবেন কীভাবে? এটি কোনও একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, তারা (পাকিস্তান) এটিকে একটি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে…সেক্ষেত্রে আমাদের কী করণীয়? আমাদের এর মোকাবিলার উপায় খুঁজে বের করতে হবে। কারণ সমস্যা এড়িয়ে যাওয়া কোনও সমাধান নয়, সেটা শুধু সমস্যাকে আরও ডেকে আনে।” তিনি বলেন, “প্রত্যেক দেশই চায় যাতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে একটি স্থিতিশীল সম্পর্ক থাকে। যদি আর কিছু নাও হয়, যাতে অন্তত প্রতিবেশীর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ভারতের ক্ষেত্রে সে রকম নয়।”

    ভারতের জিরো টলারেন্স নীতি 

    সন্ত্রাসবাদকে যে ভারত আর বরদাস্ত করবে না, এদিনও তাও স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে ভারত যে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। একদিকে সন্ত্রাসবাদীমূলক কার্যকলাপ চলবে, অন্যদিকে সমানতালেও চলতে থাকবে আলোচনা, এটা যে হতে পারে না, এদিন তাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “আমরা কখনওই তাদের বলতে যাব না যে, আচ্ছা, এরকম একটা ঘটনা ঘটেছে, আসুন আমরা আলোচনা করি।”

    আরও পড়ুুন: “এটাই হল মোদি কা গ্যারান্টি”, কেন বললেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী?

    পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ করেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “আমরা কোনও দেশকেই ফ্রি পাস দেব না। তারা বলবে, এ ব্যাপারে কিছু করার নেই। এটা কোনও কঠিন সমস্যাও নয়। আবার আমরা বিষয়টিকে উপেক্ষাও করতে পারি না।” পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার অভিযোগ ভারত করেছে আগেও। এবারও ফের সুযোগ পেয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানকে কার্যত ধুয়ে দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bullet Train: ভারতেও ছুটবে বুলেট ট্রেন, কবে থেকে জানেন?

    Bullet Train: ভারতেও ছুটবে বুলেট ট্রেন, কবে থেকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত হতে চলেছে অতীত। এবার দেশের লাইফ লাইনে বুলেট ট্রেন (Bullet Train) ছোটানোর ভাবনা মোদি সরকারের। ভাবনা রূপায়নের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে বছর তিনেক আগেই। জানা গিয়েছে, ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন চলবে মুম্বই থেকে গুজরাটের আমেদাবাদ পর্যন্ত।

    ইকোনমিক করিডর (Bullet Train)

    ভারতভূমে কবে ছুটবে বুলেট ট্রেন, একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সে কথা জানিয়ে দিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, “বুলেট ট্রেন প্রকল্পকে দেখতে হবে ইন্টিগ্রেটিং ইকোনমির দৃষ্টিকোণ থেকে। বুলেট ট্রেনের প্রথম করিডর হবে মুম্বই, ঠানে, ভাবি, বরোদা, সুরাট, আনন্দ ও আমেদাবাদে। এই সব জায়গার অর্থনীতি মিশে পরিণত হবে একটি অর্থনীতিতে।” মন্ত্রী বলেন, “তাই আপনি সুরাটে প্রতরাশ সেরে মুম্বইয়ে আপনার সব কাজ সেরে রাতে ফের পরিবারের কাছে চলে আসতে পারবেন।”

    টাকার সংস্থান 

    জাপানে বুলেট ট্রেন (Bullet Train) চলে বহু আগে থেকেই। তার জেরে বদলে গিয়েছে সে দেশের অর্থনীতি। ভারতেও বুলেট ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তার আগেই অবশ্য বন্দে ভারত চালিয়ে রেলকে গতিশীল করা হয়েছে। বন্দে ভারতের সাফল্য থেকেই দ্রুত বুলেট ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। বুলেট ট্রেন তৈরি করতে ১.০৮ লক্ষ কোটি টাকা খরচের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ভারতীয় রেল দেবে ১০ হাজার কোটি টাকা। মহারাষ্ট্র ও গুজরাট সরকার দেবে ৫ হাজার কোটি টাকা করে। বাকি টাকা ০.১ শতাংশ সুদে ধার দিচ্ছে জাপান।

    আরও পড়ুুন: “এটাই হল মোদি কা গ্যারান্টি”, কেন বললেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী?

    বুলেট ট্রেন প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে বলেও জানান রেলমন্ত্রী। একুশের নভেম্বর মাসে শুরু হয়েছিল বুলেট ট্রেন প্রকল্পের কাজ। সেই কাজ চলছে দ্রুত লয়ে। কাজ শুরুর প্রথম ছ’মাসেই এক কিলোমিটার ভায়াডাক্ট তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। ৫০ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট তৈরির কাজ শেষ হয়েছে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে। মুম্বই-আমেদাবাদ বুলেট ট্রেন করিডরে ৮টি নদীর ওপর ব্রিজ তৈরি করা হয়েছে। বুলেট ট্রেনের ভাড়া বিমানের ভাড়ার চেয়ে সস্তা হতে পারে বলে জানান রেলমন্ত্রী।

    বুলেট ট্রেনের কাজে দেরি হওয়ার জন্য মহারাষ্ট্রের পূ্র্বতন মহারাষ্ট্র বিকাশ আগাড়ি সরকারকে নিশানা করেন রেলমন্ত্রী। এই সরকারের প্রধান ছিলেন উদ্ধব ঠাকরে। মন্ত্রী বলেন, “বুলেট ট্রেন প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেয়নি ঠাকরে সরকার। জমি অধিগ্রহণে সমস্যা হয়েছিল (Bullet Train)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “এটাই হল মোদি কা গ্যারান্টি”, কেন বললেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: “এটাই হল মোদি কা গ্যারান্টি”, কেন বললেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মোদি কা গ্যারান্টি”। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) তৈরি এই শব্দবন্ধ এবার দেশ ছাড়িয়ে চর্চিত হচ্ছে বিদেশেও। কেবল তাই নয়, শব্দবন্ধটি যিনি প্রয়োগ করেছেন তিনি চায়ের দোকানের আড্ডাবাজ কেউ নন, তিনি একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী। আজ্ঞে, হ্যাঁ। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবের গলায়ই শোনা গিয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সৃষ্টি এই শব্দবন্ধ।

    কী বললেন শেরিং? (PM Modi)

    বিষয়টি তবে খোলসা করা যাক। শুক্রবার দু’দিনের সফরে ভুটান সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার ফিরেছেন দিল্লিতে। লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রচারের ব্যস্ত শিডিউল ছেড়ে মোদি ভুটান সফরে যাওয়ায় তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “আমার ভাই নরেন্দ্র মোদিজি (PM Modi) আমাদের দেশে আসার জন্য তোমায় একটা বড় ধন্যবাদ। ব্যস্ত কর্মসূচি কিংবা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া…কোনও কিছুই মোদিকে আটকাতে পারেনি তাঁর ভুটান সফরে আসার প্রতিশ্রুতি পূরণ করা থেকে। এটা নিশ্চয়ই মোদি কা গ্যারান্টি, যা নিয়ে এত চর্চা।”

    মোদির ভুটান সফর

    বুধবারই ভুটান সফরে যাওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার জন্য সফর পিছিয়ে করা হয় শুক্রবার। এদিন সকালে ভুটানের পারো বিমানবন্দরে নামেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন শেরিং স্বয়ং। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে এদিন ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছিল ভুটানের স্কুলগুলিতে। সেই পড়ুয়ারাও থিম্পুতে হাজির ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে। এই সফরে মোদিকে ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘অর্ডার অফ ড্রুক গ্যালপো’য় ভূষিত করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মোদিই হলেন প্রথম কোনও বিদেশি রাষ্ট্রনেতা, যাঁকে নিজেদের দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত করেছে ভুটান।

    চলতি বছরই সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ভারত সফরে এসেছিলেন শেরিং। সেই সময়ই তিনি আমন্ত্রণ জানিয়ে গিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। ভুটান সফরে যাবেন বলে কথাও দিয়েছিলেন মোদি। শেষমেশ শুক্রবার দু’দিনের জন্য ঘুরে এলেন ভুটান। চলতি সফরে ভুটানের উন্নয়নে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মোদি। আগামী পাঁচ বছরে ভুটানের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের বার্তাও দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।”

    আরও পড়ুুন: কৃষ্ণনগরের পর করিমপুরে মহুয়ার বাড়িতে হানা দিল সিবিআই

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bhojshala: ভোজশালার মন্দির ভেঙে মসজিদ! হাইকোর্টের নির্দেশে চলছে পুরাতত্ত্ব-সমীক্ষা

    Bhojshala: ভোজশালার মন্দির ভেঙে মসজিদ! হাইকোর্টের নির্দেশে চলছে পুরাতত্ত্ব-সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপীর পর মধ্যপ্রদেশের ভোজশালার (Bhojshala) সরস্বতী মন্দির। শুক্রবারের পর শনিবারও মধ্যপ্রদেশের ধার জেলার ভোজশালায় চলল পুরাতত্ত্ব বিভাগের বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা। প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের ইন্দোর বেঞ্চ গত ১১ মার্চ, সোমবার ভারতের পুরাতত্ত্ব বিভাগকে (এএসআই) ধার জেলার ভোজশালায় অবস্থিত মন্দির-মসজিদ বিতর্কের অবসান ঘটাতে সমীক্ষার নির্দেশ দেয়। উল্লেখ্য, হিন্দুদের বিশ্বাস এটি একটি সরস্বতী মন্দির।

    শনিবারও চলে সমীক্ষার কাজ

    শনিবার সকাল আটটা নাগাদ পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ টিম ভোজশালায় (Bhojshala) পৌঁছায়। তাদের সঙ্গে ছিলেন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা। এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরাও হাজির ছিলেন। সমীক্ষার কারণে গোটা চত্বর পুলিশি নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়। হিন্দু পক্ষের মামলাকারী আশিস গোয়াল এবং গোপাল শর্মা দুজনেই হাজির ছিলেন। অন্যদিকে, ‘কামাল মাওলা মসজিদ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’র সভাপতি আবদুল সামাদ এ নিয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তিনি অসুস্থ থাকার কারণে আজকে সেখানে হাজির হতে পারেননি। এর পাশাপাশি তিনি আরও জানিয়েছেন, আদালতের যে কোনও সিদ্ধান্তকে তাঁরা সম্মান করেন।

    আরও পড়ুন: ‘ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ভারত’! সুরবদল মলদ্বীপের, ঋণ মকুবের আর্জি প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর

    বাগদেবীর মন্দির

    ২০০৩ সালের ৭ এপ্রিল পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ একটি নির্দেশ জারি করে, ভোজশালার ওই চত্বরে প্রতি মঙ্গলবারে হিন্দুরা প্রার্থনা করতে পারবে। পুজো-অর্চনা করতে পারবে। এছাড়া মুসলিমরা শুক্রবারে ওই একই জায়গায় নামাজও পড়তে পারবে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই একটি হিন্দু সংগঠন মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। তারা বাগদেবীর মন্দির বলে উল্লেখ করে এই সৌধে এএসআইয়ের বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার আর্জি জানায়। আর্জি মেনে নেয় হাইকোর্ট। হিন্দুদের দাবি, ১০৩৪ খ্রিস্টাব্দে সংস্কৃত চর্চার জন্য সরস্বতীর মন্দির (Bhojshala) স্থাপিত হয় এখানে। কিন্তু পরে মুঘল সাম্রাজ্যের সময়ে তা দখল হয়। সমীক্ষা কাজের জন্য এএসআই কর্তৃপক্ষ ধার জেলা প্রশাসন ও পুলিশ কর্তাকে উপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে বলেছে। উল্লেখ্য, সমীক্ষা রিপোর্ট ২৯ এপ্রিলের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Lok Sabha Election 2024: সেলিম লড়বেন মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে, তৃতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ  বামেদের

    Lok Sabha Election 2024: সেলিম লড়বেন মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে, তৃতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বামেদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) আরেক দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল সিপিএম। মুর্শিদাবাদ থেকে লড়বেন দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। উল্লেখ্য প্রথম দফায় ১৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিলে বামেরা। এরপর শুধুমাত্র আলিপুরদুয়ার কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। আর ঠিক তারপর আজ শনিবার আরও চারটি আসনে লোকসভা প্রার্থী ঘোষণা করে বামেরা। আজ এই নাম ঘোষণা করেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। অবশ্য আগে থেকেই সেলিমের প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। আজ সিলমোহর পড়ল। মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের সংখ্যালঘু ভোটই যে সিপিএমের পাখির চোখ, সেলিমের নাম ঘোষণাই তার প্রমাণ বলে অভিমত রাজনৈতিক মহলের।

    কোন কোন আসেন প্রার্থীরা (Lok Sabha Election 2024)?

    আজ শনিবার বাম ফ্রন্টের বৈঠকের শেষে চেয়ারম্যান বিমান বসু লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) চারটি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। এই প্রার্থীদের মধ্যে হলেন— মুর্শিদবাদ কেন্দ্র থেকে রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, রাণাঘাট কেন্দ্রের প্রার্থী হলেন প্রাক্তন সাংসদ অলকেশ দাস, বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রে সুকৃতি ঘোষাল এবং বোলপুর কেন্দ্রের প্রার্থী হলেন প্রাক্তন বিধায়িকা শ্যামলী প্রধান। এখনও পর্যন্ত মোট এই রাজ্যে ২১টি আসনের নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বামেরা। এই দফায় শুধু সিপিএম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে এখনে অন্য শরীক দলের কোনও প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়নি।

    জোটে ভবিষ্যৎ?

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনে আইএসএফ, কংগ্রেস এবং বামেরা সংযুক্ত মোর্চার নামে নির্বাচনে জোট করে লড়াই করেছিল। ফল স্বরূপ ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকা বামেরা একটিও আসন পায়নি। পাল্টা কংগ্রেসের ঝুলিতেও দাঁড়িয়েছিল শূন্য। শুধু আইএসএফ একটি বিধানসভায় জয়ী হয়েছিল। এইবারেও লোকসভায় বাম এবং কংগ্রেসের মধ্যে সামঝোতা করেই প্রার্থী ঘোষণা হচ্ছে। বিমানবাবু জানিয়েছেন, অনেক আলোচনা করে তালিকা ঘোষণা করতে হচ্ছে। তবে এই রাজ্যে বিজেপির বিরোধিতা করতে গিয়ে ‘ইন্ডি’ জোটের বৈঠকে মমতা-অভিষেক এবং সীতারাম ইয়েচুরিকে এক মঞ্চে দেখা গিয়েছিল। ফলে রাজ্যের দুর্নীতি নিয়ে নির্বাচনে কতটা সরব হবেন বামেরা তা নিয়ে বিজেপি সন্দেহ প্রকাশ করেছে। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, তৃণমূল-সিপিএম-কংগ্রেসের মধ্যে অলিখিত জোট হয়েছে। গতকাল বলাগড়ের সভায় শুভেন্দু,অধিকারী অভিযোগ করেছিলেন, “সিপিএম, তৃণমূলকে সুবিধা করে দিতে ভোট (Lok Sabha Election 2024) কাটার জন্য প্রার্থী দিচ্ছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arunachal Pradesh: ‘‘চিনের দাবি অবৈধ’’, অরুণাচল প্রদেশ ভারতেরই অংশ, বলল আমেরিকা

    Arunachal Pradesh: ‘‘চিনের দাবি অবৈধ’’, অরুণাচল প্রদেশ ভারতেরই অংশ, বলল আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) ভারতেরই অংশ, এনিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই মত আমেরিকার। ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে অরুণাচল নিয়ে চিনের দাবি সম্পূর্ণ অবৈধ বলে জানাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যদিও আমেরিকার এই পদক্ষেপের নিন্দা করেছে চিন। বেজিংয়ের দাবি, ভারত-চিন সীমান্ত প্রশ্নে আমেরিকার মতদানের প্রয়োজন নেই। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক অবশ্য আগেই অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে চিনের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়ে দিয়েছিল।

    কী বলল আমেরিকা

    ভারতীয় ভুখন্ড হিসাবে অরুণাচল প্রদেশকে (Arunachal Pradesh) স্বীকৃতি দিয়েছে আমেরিকা। সম্প্রতি মার্কিন সরকারের (US State Department) মুখপাত্র ভেদান্ত প্যাটেল (Vedant Patel) জানান, সীমান্ত পেরিয়ে কোনও ধরনের উস্কানি কিংবা একতরফা সিদ্ধান্ত বরদাস্ত করা হবে না। আমেরিকা সবসময় ভারতের পাশে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওই মার্কিন আধিকারিক। বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে আমেরিকার এহেন দাবি চিনের কাছে বড় ধাক্কা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    চিনের দাবি

    আমেরিকা অরুণাচল (Arunachal Pradesh) নিয়ে ভারতের পাশে দাঁড়ানোর পরই চিন এর নিন্দা করে। চিনের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, “চিন-ভারত সীমান্ত প্রশ্ন দুই দেশের মধ্যে একটি বিষয় এবং মার্কিন পক্ষের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। চিন এর তীব্র নিন্দা ও দৃঢ় বিরোধিতা করে।” সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে চিন। শুধু তাই নয়, জায়গাটির নাম ‘জাংনান’ বলেও মন্তব্য করেন চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রকের মুখপাত্র কর্নেল জাং শিয়াওজাং।

    আরও পড়ুন: ‘ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ভারত’! সুরবদল মলদ্বীপের, ঋণ মকুবের আর্জি প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর

    ভারতের জবাব

    অরুণাচল (Arunachal Pradesh) নিয়ে চিনের দাবি কোনওভাবেই মানা হবে না বলে আগেই জানিয়ে দেয় ভারত। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘‘অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে চিন ক্রমাগত যুক্তিহীন কথাবার্তা বলে চলেছে। অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। অরুণাচলের জনগণ আমাদের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি এবং পরিকাঠামোগত প্রকল্প থেকে উপকৃত হতে থাকবেন।’’ গত ৯ মার্চ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অরুণাচল প্রদেশ সফরের বিরুদ্ধে বেজিং তীব্র আপত্তি জানিয়েছিল। সেই আপত্তিকে ভারত বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি। আর, তারপরই নানা রকম মন্তব্য করে চিন। ভারতও এর কড়া জবাব দেয়। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু জানান অরুণাচলবাসী ভারত সরকারের পাশে রয়েছে। ভারত অরুণাচলের উন্নতির চেষ্টা করছে। চিন শুধুই দখল করতে চায় । যা বরদাস্ত করবে না দিল্লি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ‘গনি খান চৌধুরী ঈশ্বর নন’, তৃণমূল প্রার্থীর মন্তব্যে অস্বস্তিতে দল

    Malda: ‘গনি খান চৌধুরী ঈশ্বর নন’, তৃণমূল প্রার্থীর মন্তব্যে অস্বস্তিতে দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার (Malda) তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শাহনাওয়াজ আলি রাইহান এবার গনি খান চৌধুরি সম্পর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন। তিনি বলেন, “গনি খান ঈশ্বর নন, মনে আছেন ঠিক আছে, তাঁকে দেবত্বের আসনে না বসালে অপমান হবে এমন কোনও ব্যাপার নেই।” মালদা দক্ষিণ কেন্দ্রে কংগ্রেস নেতা গনি খানের নামে আগের বারের তৃণমূল প্রার্থী মৌসন নুর জয়ী হয়েছিলেন। এই বিদায়ী সাংসদের পরিবারের নেতার নামে এই মন্তব্য, তৃণমূলের অন্দরে ফাটল নয় তো? রাজনৈতিক মহলে এই নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়েছে। যদিও মৌসুম নুর এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেননি। গনি খান আবগে ধাক্কা দিলেন না তো তৃণমূল প্রার্থী?

    ঠিক কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী (Malda)?

    মালদা (Malda) দক্ষিণ লোকসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শাহনাওয়াজ আলি রাইহান বলেন, “আমার কাছে গনি খান চৌধুরী ঈশ্বর নন। মালদায় আসলেই মাথা ঠেকাতে হবে। তিনি আমার মনে রয়েছেন। কিন্তু তাঁকে দেবত্ব বানিয়ে কেন তুমি মাজারে গেলে না, অপমান করলে, এই রকম যুক্তি মানি না।”

    তৃণমূলে কী ফাটল?

    বিগত নির্বাচনগুলিতে কংগ্রেস নেতা গনি খানের মৃত্যুর পর তাঁর নামেই পরিবারের সদস্যরা নির্বাচনে লড়াই করেছেন। গতবারের বিদায়ী লোকসভার (Malda) প্রার্থী ছিলেন এই পরিবারের সদস্যা মৌসম নূর বেনজির। যদিও তিনি মূলত কংগ্রেসের নেত্রী হলেও পরে দল বদল করে তৃণমূলে যোগদান করে নির্বাচনে লড়াই করে ছিলেন। এই বারে তাঁকে দলের তরফ থেকে টিকিট না দেওয়ায় এখনও নির্বাচনী প্রচারে দেখা মেলেনি। যদিও শারীরিক অসুস্থতার কথা বললেও দলের বিরুদ্ধে যে অভিমান করেছেন সে কথা রাজনীতির অনেক বিশ্লেষক মনে করেছেন। কিন্তু এই আবহে তৃণমূল প্রার্থীর মুখে গনি খান সম্পর্কে মন্তব্যে দলের অন্দরের ফাটল আরও চওড়া হল না তো? প্রশ্ন এখানেই।

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    মালদা (Malda) দক্ষিণ লোকসভার কংগ্রেস প্রার্থী ঈশা খান চৌধুরী বলেছেন, “তৃণমূল প্রার্থী মালদা সম্বন্ধে বেশি কিছু জানেন না। গনি খান একজন মানুষ। ভগবান নয়। কিন্তু সবাই ওঁকে শ্রদ্ধা করেন, ভালবাসেন। উনি মালদা জেলার জন্য অনেক কিছু করেছেন। চাকরি দিয়েছেন।”

    বিজেপির বক্তব্য

    জেলার বিজেপির নেতারা বলেছেন, “গনি খান মালদার (Malda) জন্য অনেক কাজ করেছেন। আমরা বিজেপি কর্মীরাও একই কথা বলব। তবে তাঁর উত্তরসুরীরা কোনও কাজ করেননি। রূপকার গনি খানকে মিথ করেছে কংগ্রেস। কাজের কাজ কিছু করেনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Air Force: চলতি মাসেই বায়ুসেনার হাতে আসছে এলসিএ তেজসের প্রথম ‘মার্ক-১এ’ যুদ্ধবিমান?

    Indian Air Force: চলতি মাসেই বায়ুসেনার হাতে আসছে এলসিএ তেজসের প্রথম ‘মার্ক-১এ’ যুদ্ধবিমান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসেই কি ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force) হাতে পেতে চলেছে নতুন দেশীয় লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট ‘তেজস মার্ক-১এ’ (LCA Tejas Mark-1A) সংস্করণের প্রথম যুদ্ধবিমান? এমন একটা সম্ভাবনা প্রবল রয়েছে বলে জানা গিয়েছে বায়ুসেনা সূত্রে। তেমনটা হলে নিঃসন্দেহে ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তি কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।

    প্রথম বিমানটি দুই-আসন বিশিষ্ট

    সম্পূর্ণ দেশীয় যুদ্ধবিমান তেজস-এর উন্নত মার্ক-১এ সংস্করণের যুদ্ধবিমানগুলি উৎপাদন হচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের কারখানায়। সূত্রের খবর, চলতি মাসের শেষেই এই সংস্করণের প্রথম বিমানটি হস্তান্তর করা হবে ভারতীয় বায়ুসেনাকে (Indian Air Force)। এই বিমানটি মূলত দুই-আসন বিশিষ্ট প্রশিক্ষণ বিমান হবে। 

    ৩১ মার্চ সম্ভাব্য হস্তান্তর

    বায়ুসেনা সূত্রে খবর, ৩১ মার্চ সম্ভবত এই হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তেমনটা হলে, স্বদেশীয় যুদ্ধবিমান প্রকল্পের জন্য তা হতে চলেছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এলসিএ তেজস মার্ক-১এ (LCA Tejas Mark-1A) মূলত হল চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান। তবে, বিশ্বের বাকি চতুর্থ প্রজন্ম তথা এই শ্রেণির যুদ্ধবিমানের তুলনায় তেজস মার্ক-১এ হতে চলেছে বেশি ক্ষমতাশালী ও উন্নত।

    আকাশে ওড়ার অপেক্ষা

    এমন ৮৩টি যুদ্ধবিমানের জন্য হ্যাল-এর সঙ্গে ৪৮ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। শুধু তাই নয়। ৮৩টির পর আরও অতিরিক্ত ৯৭টি যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ৬৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, হ্যালের কারখানায় ইতিমধ্যে নতুন যুদ্ধবিমানের গ্রাউন্ড ট্রায়াল ও ট্যাক্সি-রান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এবার আকাশে ওড়ার পালা। 

    ‘যুগান্তকারী ঘটনা’

    ২০১৬ সাল থেকেই ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে রয়েছে তেজসের মার্ক-১ সংস্করণ। বর্তমানে, বায়ুসেনায় তেজসের মার্ক-১ যুদ্ধবিমানের দুটি স্কোয়াড্রন রয়েছে— একটি ১৮ নম্বর এবং দ্বিতীয়টি ৪৫ নম্বর স্কোয়াড্রন। একবার  মার্ক-১এ সংস্করণ (LCA Tejas Mark-1A) অন্তর্ভুক্ত হলে বায়ুসেনার শক্তি ও সংখ্যা— দুটোই অনেকটা বেড়ে যাবে। বাহিনীতে মার্ক-১এ যুদ্ধবিমানের অন্তর্ভুক্তিকে ‘যুগান্তকারী ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন বায়ুসেনা (Indian Air Force) প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভিআর চৌধুরি। তিনি বলেন, ‘‘এখন ৪০টি এলসিএ মার্ক-১ রয়েছে। মার্ক-১এ সংস্করণ অন্তর্ভুক্ত হলে সংখ্যাটা বেড়ে ২২০ হবে। ফলে, ১০টি স্কোয়াড্রন গঠন করা যাবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Maldives: পর্যটকের পর শিক্ষক-সংকট মলদ্বীপে! তাই কি এখন মুইজ্জুর মুখে ভারত-স্তুতি?

    Maldives: পর্যটকের পর শিক্ষক-সংকট মলদ্বীপে! তাই কি এখন মুইজ্জুর মুখে ভারত-স্তুতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডিয়া আউট’ প্রচারকে সামনে রেখে, ভারত বিরোধী আবেগ তৈরি করে মলদ্বীপে (Maldives) ক্ষমতায় এসেছেন চিনপন্থী মহম্মদ মুইজ্জু। তাঁর ভারত বিদ্বেষের খেসারত প্রতিদিন দিচ্ছে দ্বীপরাষ্ট্র। ধাক্কা খেয়েছে মলদ্বীপের পর্যটন ব্যবসা। যা এই ছোট দ্বীপরাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি। এবার মুইজ্জুর ভুল নীতির খেসারত দিচ্ছে সেখানকার শিশু থেকে তরুণ প্রজন্ম। মলদ্বীপে (India Maldives Relation) এখন শিক্ষক-সংকট। মুইজ্জু সরকার আসার পর থেকে দলে দলে মলদ্বীপ ছাড়ছেন সেখানকার ভারতীয় শিক্ষকরা। বিষয়টি সেই দেশের সংসদেও তুলেছে মলদ্বীপের বিরোধী দল। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে মুইজ্জু সরকার।

    কেন এই শিক্ষক সংকট

    মূলত বেজিংকে খুশি করতেই ‘ইন্ডিয়া আউট’ নীতি অবলম্বন করেছে চীনপন্থী মুইজ্জু (Mohamed Muizzu) সরকার। আর যার ফল এখন ভুগছে দ্বীপরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ। মুইজ্জুর ঘৃণা সহ্য করতে না পেরে দেশ ছেড়েছেন একাধিক শিক্ষক। বিপুল সংখ্যক ভারতীয় শিক্ষক সেই দেশে যান শিশুদের পড়াতে। বলা যেতে পারে ভারতীয় শিক্ষকরাই সেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে চালান। কিন্তু, মুইজ্জু সরকার আসার পর থেকে, তাঁর ভারত বিরোধী প্রচারের কারণে, দলে দলে ভারতীয় শিক্ষকরা মলদ্বীপ ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ফলে, গভীর শিক্ষা সংকট তৈরি হয়েছে মলদ্বীপে।

    আরও পড়ুন: ‘ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ভারত’! সুরবদল মলদ্বীপের, ঋণ মকুবের আর্জি প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর

    দেশেই প্রশ্নের মুখে মুইজ্জু সরকার

    সংসদে ভারতীয় (India Maldives Relation) শিক্ষকদের মলদ্বীপ ছাড়ার প্রসঙ্গ তুলে মুইজ্জু সরকারের ব্যাখ্যা চেয়েছে সেই দেশের প্রধান বিরোধী দল, মলদ্বীপ ডেমোক্রেটিক পার্টি। ওই পার্টির (এমডিএম) সাংসদ মহম্মদ শহিদ প্রশ্ন করেন, “ইন্ডিয়া আউট প্রচারের কারণে বহু শিক্ষক দেশ ছেড়েছেন। এর ফলে দেশে শিক্ষকের ব্যাপক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। শিশুদের লেখাপড়ার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এই গুরুতর সমস্যা মোকাবিলায় সরকার কী পদক্ষেপ নিচ্ছে?” এই প্রশ্নের মুখে সংসদে কোণঠাসা হয়ে পড়ে মুইজ্জু সরকার। শিক্ষকের ঘাতটি আছে বলে মেনে নিলেও, মলদ্বীপের শিক্ষামন্ত্রী ড. ইসমাইল শফিফু শিক্ষা সংকটের দাবি মানেননি। তিনি বলেন, “ভারতীয় শিক্ষকরা অনেক সময়ই মলদ্বীপ ছেড়ে চলে যান। এতে কয়েক সপ্তাহের জন্য শিশুদের পড়াশোনায় সমস্যা হয়। এটা কোনও নতুন বিষয় নয়। এর আগেও আমাদের দেশে এমনটা ঘটেছে। গত ৩০ বছরের পরিসংখ্যান লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, ভারত থেকে এই ছোট্ট দ্বীপে অনেক সময় শিক্ষকরা এসে এক মাস থেকে আবার চলে যান। দেশে কোনো ধরনের শিক্ষা সংকট তৈরি হয়নি।” তবে মলদ্বীপের শিক্ষামন্ত্রী যতই বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চান না কেন সমস্যা রয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রে। হয়তো সেই কারণেই চিনের হাত ধরলেও ভারতকে ‘ঘনিষ্ঠ সহযোগী’বলতে বাধ্য হয়েছেন মলদ্বীপ প্রেসিডেন্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: এমবিবিএসদের সমান বেতন দিতে হবে আয়ুশ চিকিৎসকদের, রাজ্যকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: এমবিবিএসদের সমান বেতন দিতে হবে আয়ুশ চিকিৎসকদের, রাজ্যকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাক্তারিতে যে কোনও শাখার স্নাতককেই সমানভাবে দেখার নির্দেশ দিলো আদালত (Calcutta High Court)। বলা হয়েছে, এমবিবিএস চিকিৎসকদের সমান বেতন ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে আয়ুশ ডাক্তারদেরও। একটি মামলার প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট  এই নির্দেশ দিয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরকে এই নির্দেশ পালনের জন্য চার মাস সময় দেওয়া হয়েছে। 

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অধীনে নিয়োগ করা হয় এই আয়ুশ চিকিৎসকদের। অ্যালোপ্যাথি চিকিৎকদের পাশাপাশি চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসাবে এদের নেওয়া হয়। আয়ুশের অধীন রয়েছে বিএএমএস (আয়ুর্বেদ), বিএইচএমএস (হোমিয়োপ্যাথি) এবং বিইউএমএস (ইউনানি)। অ্যালোপ্যাথি এমও-দের বেতন ৪০ হাজার টাকা হলেও আয়ুশ এমওদের বেতন ছিল ২৫ হাজার টাকা। আয়ুশ এমওরা বার বার প্রতিবাদ জানিয়েছে বাড়েনি বেতন। এর পর ২০২০ সালে বেতন বাড়ে। অ্যালোপ্যাথ এমও-দের শুরুর বেতন করা হয়য় ৬০ হাজার টাকা। অন্যদিকে আয়ুশ চিকিৎসকদের মাসিক বেতন হয় ৩২ হাজার টাকা। সেই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ২০২১ সালে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা দায়ের করেন ছ’ জন আয়ুশ এমও। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভা, জয়নগর-মাজিলপুর পুরসভা, দক্ষিণ নারায়ণপুর ব্লক হাসপাতাল, নোয়াপাড়া ব্লক হাসপাতাল, রাধানগর গ্রামীণ হাসপাতল ও খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালে কর্মরত আয়ুশ এমও-রা। সম্প্রতি সেই মামলায় রায় দিয়েছেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। তখনই এই কথা বলে আদালত।

    আরও পড়ুন: প্রয়াত টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পার্থসারথী দেব

    শীর্ষ আদালতের পথেই রায়দান

    অ্যালোপ্যাথি-আয়ুশ বৈষম্য নিয়ে ২০২২-এই অবশ্য নৈনিতাল হাইকোর্টে একই ধরনের মামলা করেছিলেন উত্তরাখণ্ডের আয়ুশ এমও-রা। সেখানেও রায় গিয়েছিল আয়ুশ চিকিৎসকদেরই পক্ষে। সেই রায় চ্যালেঞ্জ করে উত্তরাখণ্ড সরকার সুপ্রিম কোর্টে গেলেও হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে দেশের শীর্ষ আদালত। ফলে কলকাতা হাইকোর্টও (Calcutta High Court) সেই রায়কেই উদ্ধৃত করে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন, চার মাসের মধ্যে চুক্তিভিত্তিক অ্যালোপ্যাথি এমও-দের সমমর্যাদা দিতে হবে চুক্তভিত্তিক আয়ুশ এমও-দেরও। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, এই রায়ে উপকৃত হবেন আরবিএসকে কর্মসূচিতে কর্মরত ১২১৯ জন আয়ুশ এমও। স্বাস্থ্যভবনের একাংশ মনে করছে, যেহেতু শীর্ষ আদালতের রায়েরই প্রতিফলন রয়েছে হাইকোর্টের এই রায়ে, তাই সুপ্রিম কোর্টে এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করার কথা সে ভাবে ভাবা হচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share