Blog

  • HS Examination: উচ্চ মাধ্যমিকে চালু হচ্ছে সেমেস্টার সিস্টেম, জানুন বিশদে

    HS Examination: উচ্চ মাধ্যমিকে চালু হচ্ছে সেমেস্টার সিস্টেম, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলে গেল উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার (HS Examination) সিস্টেম। চালু হয়ে গেল সেমেস্টার সিস্টেম। এতদিন একবারই অন্য স্কুলে গিয়ে পরীক্ষা দিতে হত। এবার থেকে থেকে পরীক্ষা দিতে যেতে হবে দু’বার। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে যারা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে, তাদেরই পরীক্ষা দিতে হবে দু’বার।

    চলতি শিক্ষাবর্ষেই চালু নয়া ব্যবস্থা

    জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী, একাদশ ও দ্বাদশের পাঠ্যক্রমকে চারটি সেমেস্টারে ভাগ করা হয়েছে। এবার যারা মাধ্যমিক পাশ করে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হবে, তারা এই পদ্ধতিতেই পড়াশোনা করবে। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি পদে বসেছেন চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। সর্বভারতীয় স্তরের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে সেমেস্টার ভাবনা লাগুর কথা জানান। এজন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়। কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত হয় সেমেস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়ার। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে সেই পদ্ধতিই বিস্তারিত জানালেন সংসদ সভাপতি।

    পরীক্ষা ব্যবস্থার খুঁটিনাটি

    ১) একাদশ ও দ্বাদশ মিলিয়ে (HS Examination) চারটি সেমেস্টারে পরীক্ষা হবে। একাদশের পরীক্ষা নেবে স্কুল। দ্বাদশের দুটি পরীক্ষা নেবে সংসদ। উচ্চ মাধ্যমিকের মূল্যায়ন হবে শুধু শেষের দুটি সেমেস্টার থেকেই। 

    ২) দ্বাদশ শ্রেণিতে ওঠার পর তৃতীয় সেমেস্টারের আগেই দিয়ে দেওয়া হবে অ্যাডমিট কার্ড। সেই কার্ড নিয়েই পরীক্ষা দিতে যেতে হবে অন্য স্কুলে। 

    ৩) প্রথম ও তৃতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষা হবে নভেম্বর মাসে। দ্বিতীয় ও চতুর্থ সেমেস্টার হবে মার্চে। 

    ৪) প্রথম ও তৃতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষা হবে এমসিকিউ প্রশ্নে। তৃতীয় সেমেস্টার হবে ওএমআর শিটে। দ্বিতীয় ও চতুর্থ সেমেস্টারে পরীক্ষা দিতে হবে বড় প্রশ্নে। 

    আরও পড়ুুন: রামনবমীতে রেকর্ড ভিড়ের প্রত্যাশা, গুচ্ছ নিয়ম লাগু রাম মন্দির কর্তৃপক্ষের

    ৫) একাদশ ও দ্বাদশ দুই শ্রেণিরই পরীক্ষা দিতে হবে ১০০ নম্বরের। লিখিত ও প্রজেক্ট ধরেই একশো নম্বর। যাদের ল্যাব নির্ভর বিষয় রয়েছে, তাদের লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে ৭০ নম্বরের, ৩০ নম্বর বরাদ্দ প্র্যাক্টিক্যালের জন্য। বাকিদের লিখিত পরীক্ষার জন্য বরাদ্দ ৮০ নম্বর, বাকি ২০ প্রজেক্টের জন্য। যাদের ৭০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে, তাদের প্রথম সেমেস্টারে দিতে হবে ৩৫ নম্বরের পরীক্ষা। দ্বিতীয় সেমেস্টারে পরীক্ষা দিতে হবে বাকি ৩৫ নম্বরের। যাদের ৮০ নম্বরের পরীক্ষা, দুটি সেমেস্টারে তাদের দিতে হবে ৪০ নম্বর করে। প্র্যাক্টিক্যাল বা প্রজেক্টের নম্বর যোগ হবে বছরের শেষে।

    ৬) প্রথম তিনটি সেমেস্টারের পরীক্ষা হবে দেড় ঘণ্টার। চতুর্থ সেমেস্টারে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য বরাদ্দ থাকবে দু’ঘণ্টা। কোনও পরীক্ষার্থী প্রথম সেমেস্টারে কোনও বিষয়ে শূন্য পেলে পরের সেমেস্টারে ফের সেই বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে পাশ নম্বর তোলার সুযোগ পাবে। তবে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করেও যদি কোনও পরীক্ষার্থী প্র্যাক্টিক্যাল কিংবা প্রজেক্টে ফেল করে, তবে তাকে ফেল বলেই গণ্য করা হবে। এতদিন (HS Examination) ৬০টি বিষয়ের পরীক্ষা হত। এবার থেকে হবে ৬২টি। এর মধ্যে রয়েছে এআই, সায়েন্স অফ ওয়েল বিইয়িং এবং সাইবার সিকিউরিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Vicious Dogs Breeding: হিংস্র ২৩ প্রজাতির কুকুর পোষা নিষিদ্ধ! কেন্দ্রের নোটিস গেল সমস্ত রাজ্যে

    Vicious Dogs Breeding: হিংস্র ২৩ প্রজাতির কুকুর পোষা নিষিদ্ধ! কেন্দ্রের নোটিস গেল সমস্ত রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩টি ‘ভয়ঙ্কর’ প্রজাতির কুকুরের প্রজনন (Vicious Dogs Breeding) এবং বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল কেন্দ্র। নাগরিক সংগঠন, পশু প্রেমী সংগঠনগুলির সঙ্গে কথা বলে সরকার জানিয়েছে, হিংস্র জাতের কুকুর বিক্রি, প্রজনন ও আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারগুলিকে এই মর্মে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বেশ কয়েকটি হিংস্র প্রজাতি যেমন- পিটবুল, রটওয়েলার, টেরিয়ার, ম্যাস্টিফ এবং তাঁদের ক্রস প্রজাতিগুলির উপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

    কেন এই নির্দেশ

    দিল্লি হাইকোর্টে এই বিষয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল। সেই মামলার প্রেক্ষিতে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে জবাব চেয়েছিল আদালত। কোন কোন প্রজাতির কুকুর ‘ভয়ঙ্কর’ এবং সেগুলি নিষিদ্ধ করা উচিত তা চিহ্নিত করার জন্য আদালতের নির্দেশে একটি প্যানেল গঠন করে কেন্দ্র। সেই প্যানেল জানায় ২৩টি প্রজাতির কুকুর ভয়ঙ্কর। এই কুকুরের প্রজাতিগুলি যে কেবল বিপজ্জনক তাই-ই নয়, এঁদের আক্রমণে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। পিটবুল নিয়ে বার বারই নানা অভিযোগ ওঠে। পিটবুলের হানায় আহত হয়েছেন এমন নানা ঘটনা রয়েছে। 

    কী বলেছে কেন্দ্র

    কেন্দ্রীয় মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদ মন্ত্রক জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন নাগরিক মঞ্চ, নাগরিকগণ এবং পশুকল্যাণ সংস্থাগুলির থেকে তাদের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে যে, বেশ কিছু প্রজাতির পোষ্য কুকুরের (Pet Dogs) প্রজনন এবং বিক্রি বন্ধ করা প্রয়োজন। পশুপালন মন্ত্রকের তরফে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে এই মর্মে চিঠিও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনকে যেন এ জাতীয় কুকুর পোষার লাইসেন্স, বিক্রির অনুমতি এবং জন্মরোধে (Vicious Dogs Breeding) ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। যাঁদের কাছে এই প্রজাতির কুকুর পোষ্য হিসাবে রয়েছে, সেই সব কুকুরের নির্বীজকরণের ব্যবস্থাও করাতে হবে।

    আরও পড়ুন: গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটল মেট্রো, নীল আলো জানান দিল ট্রেন নদীর তলায়

    কোন কোন প্রজাতি ‘ভয়ঙ্কর’ 

    বিভিন্ন প্রজাতির কুকুরকে ‘ভয়ঙ্কর’ (Vicious Dogs Breeding) বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। কেন্দ্র যে তালিকা দিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে— পিটবুল টেরিয়ার, আমেরিকান বুলডগ, রটওয়েলার, তোসা ইনু, আমেরিকান স্ট্র্যাফোর্ডশায়ার টেরিয়ার, ফিলা ব্রাসিলেইরো, ডোগো আর্জেন্টিনো, বোয়ারবোয়েল কাঙ্গাল, সেন্ট্রাল এশিয়ান শেপার্ড, ককেশিয়ান শেপার্ড। এ ছাড়াও রয়েছে, সাউথ রাশিয়ান শেপার্ড, টর্নিয়াক, সারপ্ল্যানিনাচ, জাপানিজ তোসা, আকিতা, ম্যাস্টিফ, রোজেশিয়ান রিজব্যাক, উল্ফ ডগ, ক্যানারিয়ো, আকব্যাশ ডগ, মস্কো গার্ড ডগ, কেন করসো এবং ব্যানডগ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Basanti Puja 2024: চলতি বছরে বাসন্তী পুজো কবে? জেনে নিন পৌরাণিক আখ্যান

    Basanti Puja 2024: চলতি বছরে বাসন্তী পুজো কবে? জেনে নিন পৌরাণিক আখ্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্র মাসের দুর্গা পুজো নামে পরিচিত বাসন্তী পুজো (Basanti Puja 2024)। শ্রী শ্রী চণ্ডীতে দুর্গার প্রথম পুজারী হিসেবে রাজা সুরথের নাম পাওয়া যায়। চলতি বছরে চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের প্রতিপদ তিথি পড়ছে ৮ এপ্রিল বেলা ২টো ১১ মিনিট থেকে। কিন্তু উদয়া তিথি মেনে নবরাত্রির ঘট স্থাপন হবে ৯ এপ্রিল। সেই হিসেবে ২০২৪ সালে ৯ এপ্রিল থেকেই শুরু হয়েছে চৈত্র নবরাত্রি। নবরাত্রির অবসান হবে ১৭ এপ্রিল। পুরো ৯ দিন ধরে চলবে চৈত্র নবরাত্রি পালন।

    দেবীর আগমন ঘোটকে

    শাস্ত্র মতে, দেবীর আসা ও যাওয়ার বাহনের উপর নির্ভর করে গোটা বছর কেমন কাটতে চলেছে মর্ত্যবাসীর। দেবী দুর্গা কোনও বছর ঘোড়া, কোনও বছর হাতি, আবার কোনও বছর নৌকায় আসেন। চলতি বছরে চৈত্র নবরাত্রিতে দেবীর আগমন (Basanti Puja 2024) হবে ঘোটক বা ঘোড়ায়। ঘোড়ায় চড়ে দেবীর মর্ত্যে আগমন জ্যোতিষ অনুসারে শুভ লক্ষণ হিসাবে মানা হয় না। এর ফলে ক্ষমতার পরিবর্তন ও অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

    রামনবমীর তিথি 

    ২০২৪ সালে ১৬ এপ্রিল পড়ছে রামনবমীর তিথি। ওই দিন দুপুর ১টা ২৩ মিনিট থেকে শুরু হচ্ছে রামনবমীর তিথি। আর তিথি চলবে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত। ১৭ এপ্রিল দুপুর ৩টে ১৪ মিনিটে শেষ হচ্ছে রামনবমীর তিথি। হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে উদয়া তিথিতে এই উৎসব (Basanti Puja 2024) পালিত হয়। সেই নিয়মেই ১৭ এপ্রিল রামনবমীর তিথি পালিত হবে।

    দুর্গা পুজোর পৌরাণিক আখ্যান

    একবার রাজা সুরথ প্রতিবেশী রাজ্যের আক্রমণে পরাজিত হন, এই সুযোগে তাঁর সভাসদরা লুঠপাঠ চালায়। নিজের লোকেদের এমন আচরণে তিনি হতাশ হয়ে যান। এই সময় তিনি নিরাশ হয়ে ঘুরতে ঘুরতে ঘুরতে ঘুরতে ঋষি মেধসের আশ্রমে পৌঁছান। ঋষি তাঁকে সেখানেই থাকতে বলেন। কিন্তু রাজার মনে কোনও শান্তি ছিল না। এর মধ্যে একদিন তাঁর সঙ্গে সমাধি বলে একজন বৈশ্যর দেখা হয়। সুরথ জানতে পারেন সমাধিকেও তাঁর স্ত্রী ও ছেলে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে, তবুও তিনি বউ ছেলের ভালো-মন্দ এখনও ভেবে চলেছেন। এমন পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার পেতে কী করণীয়? ঋষির কাছে তা জানতে চান দুজনেই। ঋষি মহামায়ার আরাধনা করতে বলেন। সেই মতো রাজা বসন্তকালের শুক্লপক্ষে দেবী দুর্গার পুজো শুরু করেন। সেই সময় থেকে শুরু হয়েছিল বাসন্তী পুজো (Basanti Puja 2024)। এরপরেই রাজা সুরথ নিজের রাজ্য ফিরে পান। বৈশ্য সমাধি ফিরে পান নিজের পরিবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: রামনবমীতে রেকর্ড ভিড়ের প্রত্যাশা, গুচ্ছ নিয়ম লাগু রাম মন্দির কর্তৃপক্ষের

    Ram Temple: রামনবমীতে রেকর্ড ভিড়ের প্রত্যাশা, গুচ্ছ নিয়ম লাগু রাম মন্দির কর্তৃপক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় রামনবমী। তার আগেই অযোধ্যার রাম মন্দিরে ভক্তের ঢল। রামজন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট (মন্দিরের দায়িত্বে রয়েছে এই ট্রাস্টই) জানিয়েছে, প্রতিদিন এক থেকে দেড় লক্ষ মানুষ অযোধ্যায় আসছেন রাম মন্দির (Ram Temple) দর্শনে। রামনবমীতে সেই ভিড় ছাপিয়ে যাবে বলে ধারণা মন্দির কর্তৃপক্ষের। ফলে, আগাম কিছু নিয়ম লাগু করা হয়েছে রাম মন্দিরে। 

    ভিড় বাড়বে রামনবমীতে

    এপ্রিল মাসের ১৭ তারিখে রামনবমী। তাই এপ্রিল শুরু হলেই ভক্ত সংখ্যা বেড়ে ফি-দিন দু’লক্ষ বা তার বেশি হয়ে যাবে। ভক্তের ভিড় সামলাতে বেশ কিছু নিয়ম চালু করেছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। এগুলি হল, দেব দর্শন করা যাবে সকাল সাড়ে ছ’টা থেকে রাত সাড়ে ন’টা পর্যন্ত। মন্দিরে ঢোকার আগে ভক্তদের জুতো, মোবাইল ফোন, পার্স বাইরে রেখে আসতে হবে। ফুল-মালা কিংবা প্রসাদ নিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করা যাবে না। বিগ্রহের শৃঙ্গার আরতি হবে সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে। শয়ন আরতি রাত ১০টায়।

    জারি গুচ্ছ নিয়ম

    শৃঙ্গার আরতি দেখতে হলে সংগ্রহ করতে হবে এন্ট্রি পাস। অন্য আরতি (Ram Temple) দেখার জন্য কোনও পাস লাগবে না। ট্রাস্টের ওয়েবসাইট থেকে এন্ট্রি পাস সংগ্রহ করতে হবে। এই পাসের জন্য প্রয়োজন হবে নাম, মোবাইল নম্বর ও আধারকার্ড। দেব দর্শন করতে হবে লাইন দিয়ে। অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে কেউ আগেভাগে দর্শন করতে পারবেন না। দেব দর্শন করতে হবে ৬০ থেকে ৭৫ মিনিটের মধ্যে। শারীরিকভাবে অসুস্থরা হুইল চেয়ারে বসে বিগ্রহ দর্শন করতে পারবেন।

    প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিনই বিগ্রহে প্রাণপ্রতিষ্ঠাও করা হয়। তার পরের দিন থেকেই আমজনতার জন্য খুলে দেওয়া হয় মন্দিরের দ্বার। সেদিন থেকেই মন্দির প্রাঙ্গনে তিল ধারণের জায়গা নেই।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আমি ইস্তফা দেব, আপনি দেবেন তো?’’ সিএএ ইস্যুতে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    এদিকে, ভিড়ের কারণে যাঁরা অযোধ্যায় গিয়ে বালক রামের দর্শন করতে পারবেন না, তাঁদের জন্য সুখবর শুনিয়েছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, দূরদর্শনে অযোধ্যার রাম মন্দিরের আরতি লাইভ সম্প্রচার করা হবে। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ছ’টা থেকে আধঘণ্টা ধরে দেখানো হবে ওই আরতি। রামনবমীর দিন থেকেই দূরদর্শনে লাইভ সম্প্রচার শুরু হবে আরতির। তাই অযোধ্যায় সশরীরে না গিয়েও রামলালার শৃঙ্গার আরতি ঘরে বসেই দর্শন করতে পারবেন ভক্তরা (Ram Temple)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘‘আমি ইস্তফা দেব, আপনি দেবেন তো?’’ সিএএ ইস্যুতে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘আমি ইস্তফা দেব, আপনি দেবেন তো?’’ সিএএ ইস্যুতে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘সিএএ চালু হওয়ার পর কারোর নাগরিকত্ব গেলে আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেব। না হলে আপনি দেবেন তো?’’ নাগরিকত্ব আইন নিয়ে এভাবেই নন্দীগ্রাম থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সম্প্রতি, সিএএ কার্যকর হওয়ার পরেই হাবড়ার জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, এই আইন নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে। মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণে উঠে আসে ডিটেনশন ক্যাম্পের কথাও। যার সিএএ-র (CAA) সঙ্গে দূর দূরান্ত পর্যন্ত কোনও সম্পর্ক নেই। সিএএ নিয়ে মমতাকে রাজনীতি বন্ধ করার আর্জিও জানিয়েছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শরণার্থী এবং অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে ফারাকটাই বোঝেন না।’’

    কী বললেন শুভেন্দু?

    এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন এ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলেছেন যে, আপনারা দরখাস্ত করলে সব নাগরিকত্ব বাতিল করে দেবে। অধিকার বাতিল করে দেবে। এটা এনআরসি-র সঙ্গে যুক্ত। আপনাদের ডিটেনশান ক্যাম্পে নিয়ে যাবে। এই দরখাস্ত করার আগে বারবার ভাববেন বলে ভয় দেখাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’’ এর পরই মমতাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘আমি বিরোধী দলনেতা ও একজন বিধায়ক হিসাবে বলছি- সিএএ (CAA) চালু হওয়ার পর কারোর নাগরিকত্ব গেলে আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেব। না হলে আপনি দেবেন তো? সিএএ লাগু হলে কারোর নাগরিকত্ব যাবে না।’’

    মমতাকে তোপ শাহের

    এদিকে বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও সিএএ (CAA) ইস্যুতে মমতাকে তোপ দেগে বলেন, ‘‘জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত এমন একটি ইস্যুতে আপনি রাজনীতি করছেন। আপনি যদি এভাবে তোষণের রাজনীতি করতে থাকেন আর শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে না চান, তাহলে মানুষ আপনার পাশে আর থাকবে না।’’ প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সংসদে পাশ হয় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। সই করেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং পরেই তা আইনে পরিণত হয়। সিএএ আইনের মূল বিষয় হল ২০১৪ সালের মধ্যে পাকিস্তান, আফগানিস্তান কিংবা বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ ও পারসিদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • East West Metro: গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটল মেট্রো, নীল আলো জানান দিল ট্রেন নদীর তলায়

    East West Metro: গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটল মেট্রো, নীল আলো জানান দিল ট্রেন নদীর তলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। চালু হয়ে গেল ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো (East West Metro)। যাত্রী নিয়ে গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটে গেল এই রুটের প্রথম মেট্রো। শুক্রবার সকালেই সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল মেট্রোর প্রবেশদ্বার। ঐতিহাসিক সফরের সাক্ষী রইলেন বহু মানুষ।

    চালু ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো

    আগেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে রেল জানিয়েছিল, শুক্রবার সকাল ৭টায় এসপ্ল্যানেড থেকে দিনের প্রথম মেট্রো ছাড়বে হাওড়া ময়দানের উদ্দেশে। একই সময় হাওড়া ময়দান থেকেও প্রথম ট্রেন রওনা দেবে এসপ্ল্যানেডের উদ্দেশে। সেই মতোই প্রথম ট্রেনটি হাওড়া ময়দানের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করল। উল্টোদিক থেকেও এসপ্ল্যানেডের উদ্দেশেও রওনা দিল আরও একটি মেট্রো।

    এক টিকিটেই একাধিক রুটে যাত্রা 

    জানা গিয়েছে, হাওড়া স্টেশন থেকে এক টিকিটেই কবি সুভাষ বা দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত যাওয়া যাবে। হাওড়ার দিক থেকে যাঁরা অন্যত্র যাবেন, তাঁদের ট্রেন বদল করতে হবে এসপ্ল্যানেডে। এজন্য যাত্রীদের যেতে হবে এই স্টেশনের কমন প্যাসেজ দিয়ে। কার্ড বা টোকেন পাঞ্চ করে ভ্রমণ করা যাবে অন্য রুটের মেট্রোয়। ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর গেট দিয়ে ঢুকে যাত্রীরা ধরতে পারবেন নর্থ-সাউথ মেট্রো।

    এদিন গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো যাওয়ার সময় আনন্দে চিৎকার করে ওঠেন যাত্রীরা। গঙ্গার তলদেশ পেরোতে মেট্রোর (East West Metro) লাগল ৪৫ সেকেন্ড। গঙ্গার নীচে ট্রেন যেতেই জ্বলে উঠেছিল নীল আলো। এই সিগন্যালই বুঝিয়ে দেবে ট্রেন রয়েছে নদীর নীচে। হাওড়া ময়দান ছেড়ে ট্রেন আসে হাওড়া স্টেশনে। পরে নদী পার হয়ে পৌঁছায় মহাকরণে। তার পরের স্টেশনই এসপ্ল্যানেড। যেহেতু হাওড়ায় মেট্রো স্টেশনটি পুরানো ও নতুন কমপ্লেক্সের মাঝখানে রয়েছে, তাই সুবিধা হবে পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব রেলের যাত্রীদের।

    আরও পড়ুুন: “ভারতের গণতন্ত্রে ঐতিহাসিক দিন”, এক দেশ এক ভোট প্রসঙ্গে বললেন শাহ

    প্রসঙ্গত, ৬ মার্চ গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো চলাচলের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন তিনি আরও দুটি মেট্রো রুটের উদ্বোধন করেন। এর মধ্যে ছিল জোকা-তারাতলা ও নিউ গড়িয়া-রুবি মেট্রো। হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেডের দূরত্ব ৪.৮ কিলোমিটার। এর মধ্যে গঙ্গার নীচে রয়েছে ৫২০ মিটার পথ। এই পথেই ট্রেন যাওয়ার সময় জ্বলে উঠল নীল আলো। মেট্রো রেল সূত্রে খবর, ইস্ট-ওয়েস্ট রুটে কত যাত্রী হচ্ছে, তা দেখেই ঠিক হবে কতক্ষণ ছাড়া চালানো হবে ট্রেন (East West Metro)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mamata Banerjee: বাড়িতে পড়ে জখম মুখ্যমন্ত্রী, আরোগ্য কামনা করলেন সুকান্ত

    Mamata Banerjee: বাড়িতে পড়ে জখম মুখ্যমন্ত্রী, আরোগ্য কামনা করলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের বাড়িতেই এদিন কোনওভাবে পড়ে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ভর্তি হন এসএসকেএম হাসপাতালে। পরিবারের লোকজন থেকে দলীয় নেতারা প্রত্যেকেই আসেন হাসপাতালে। উডবার্ন ওয়ার্ডের সাড়ে ১২ নম্বর কেবিনে নিয়ে যাওয়া হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শেষে তাঁকে কপালে সেলাই করে ছেড়ে দেন ডাক্তাররা। রাত ৯.৪০ নাগাদ কালীঘাটের বাড়িতে ফেরেন মুখ্যমন্ত্রী৷ মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন রাজ্য় বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ও।

    ঠিক কী ঘটেছে মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee)

    বৃহস্পতিবার বিকেলে কালীঘাটের বাড়িতে  চোট পান মুখ্যমন্ত্রীজানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বাড়ির চত্বরে হাঁটছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেসময় সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে গিয়েই গুরুতর জখম হন তিনি। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) কপালে সেলাই করা হয়। এর পর তিনি কালীঘাটের বাড়িতে ফিরে যান। মুখ্যমন্ত্রীর চোট গুরুতর নয় বলে এসএসকেএম সূত্রে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী চিকিৎসকদের সঙ্গে কথাও বলেছেন। চিকিৎসকরা, তাঁকে বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন বারাকপুরের “বেতাজ বাদশা” অর্জুন সিং

    মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে ট্যুইট বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের

    মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) দ্রুত আরোগ্য কামনা করে ট্যুইট করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। নিজের ট্যুইটে সুকান্ত মজুমদার লেখেন, ‘‘আমরা প্রার্থনা করি তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।’’

    মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) আরোগ্য় কামনা করেন উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিয়েছেন তিনিও। সূত্রের খবর, তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: তৃণমূলের পর এবার প্রার্থী ঘোষণা করল বামেরাও, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    Lok Sabha Elections 2024: তৃণমূলের পর এবার প্রার্থী ঘোষণা করল বামেরাও, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) বিজেপিকে ধরাশায়ী করতে হয়েছিল জোট গঠন। ‘ইন্ডি’ নামের সেই জোটকে এড়িয়েই একতরফাভাবে রাজ্যের ৪২টি আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে কংগ্রেস। আর বৃহস্পতিবারের বারবেলায় প্রথম দফার ১৬টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল বামফ্রন্ট।

    প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা (Lok Sabha Elections 2024)

    এদিন বিকেলে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সাংবাদিক বৈঠক করে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। এদিন যে ১৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে, তার মধ্যে ১৩টিতে লড়বে সিপিএম। বাকি তিনটি আসনে লড়বেন বাম শরিকরা। তৃণমূলের পর বামেরাও প্রার্থী ঘোষণা করে দেওয়ায় বাংলায় প্রশ্ন উঠছে জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েই। লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) প্রথম দফায় ১৯৫জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে বিজেপি। তার পরেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে তৃণমূল। এদিন ১৬টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল বামেরাও। যে জেলাগুলির প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলি হল, কোচবিহার, বালুরঘাট, জলপাইগুড়ি, কৃষ্ণনগর, আসানসোল, বর্ধমান পূর্ব, হুগলি, শ্রীরামপুর, দমদম, যাদবপুর, বাঁকুড়া, কলকাতা দক্ষিণ, হাওড়া সদর।

    তালিকায় কারা?

    দমদমে সুজন চক্রবর্তী, যাদবপুরে সৃজন ভট্টাচার্য, কলকাতা দক্ষিণে সায়রা শাহ হালিম, কৃষ্ণনগরে এসএম সাদি, আসানসোলে জাহানারা খান, হাওড়া সদরে সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান পূর্বে নীরব খাঁ, তমলুকে আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, হুগলিতে মনোদীপ ঘোষ, শ্রীরামপুরে দীপ্সিতা ধর, বাঁকুড়ায় নীলাঞ্জন দাশগুপ্ত, বিষ্ণুপুরে শীতল কৈবদ্য, জলপাইগুড়িতে দেবরাজ বর্মনকে প্রার্থী করেছে সিপিএম। বালুরঘাটে দাঁড় করানো হয়েছে আরএসপির জয়দেব সিদ্ধান্তকে। মেদিনীপুর আসনে লড়বেন সিপিআইয়ের বিপ্লব ভট্ট। কোচবিহারে প্রার্থী হচ্ছেন ফরওয়ার্ড ব্লকের নীতীশচন্দ্র রায়।

    আরও পড়ুুন: “ভারতের গণতন্ত্রে ঐতিহাসিক দিন”, এক দেশ এক ভোট প্রসঙ্গে বললেন শাহ

    বামেদের প্রথম দফার প্রার্থিতালিকায় মহিলা রয়েছেন তিনজন। যে ১৬ জনের নাম এদিন ঘোষণা করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ১৪জনেরই ‘হাতেখড়ি’ হচ্ছে লোকসভা নির্বাচনে। যদিও এঁদের মধ্যে কয়েকজন প্রার্থী হয়েছিলেন গত বিধানসভা নির্বাচনে। এদিকে, রাজ্যের ৮টি আসনে লড়াই করবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন আইএসএফ সুপ্রিমো নওসাদ সিদ্দিকি। আগে জানিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবারে তিনি স্বয়ং প্রার্থী হবেন তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এদিন জানিয়ে দিলেন প্রার্থী হচ্ছেন না তিনি (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Nandigram dibas: নন্দীগ্রাম শহিদ দিবসে সন্দেশখালির নারী নির্যাতন প্রসঙ্গ টেনে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Nandigram dibas: নন্দীগ্রাম শহিদ দিবসে সন্দেশখালির নারী নির্যাতন প্রসঙ্গ টেনে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ১৪ মার্চ হল নন্দীগ্রামে শহিদ দিবস (Nandigram dibas)। ২০০৭ সালে তৎকালীন বাম শাসনের রক্তচক্ষুর প্রত্যক্ষ শিকার হতে হয়েছিল সাধারণ মানুষকে। খুন, ধর্ষণ, জমি লুট কী হয়নি। আজ এই দিনকে স্মরণ করে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে নন্দীগ্রামের নারী নির্যাতনের সঙ্গে সন্দেশখালির প্রসঙ্গ টেনে তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি। পাশপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামজিক মাধ্যমে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন।

    কী বলেন শুভেন্দু (Nandigram dibas)?

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “নন্দীগ্রামে (Nandigram dibas) সেই দিন মা-বোনের ভূমিকা দেখেছি। এখন তৃণমূলের শাসনে সন্দেশখালিতে মা-বোনদের অবস্থা দেখেছি। সেই দিনও জোর করে জমি দখল করা হয়েছিল। আজও জোর করে চাষের জমি দখল করে নিয়েছে। খেজুরি থানায় কয়েকশ মিথ্যা মামলা দিয়েছে পুলিশ। মমতা পুলিশ আর বামশাসনের পুলিশের মধ্যে কোনও আচরণ গত পার্থক্য নেই। নির্যাতনই তাঁদের শেষ কথা।”

    কী ঘটেছিল

    ২০০৭ সালে রাজ্যে বাম শাসন চরম শিখরে। এরপর কেটে গিয়েছে ১৬ টি বছর। নন্দীগ্রামে (Nandigram dibas) ভূমি উচ্ছেদ কমিটির আন্দোলনকারীদের উপর বামফ্রন্ট সরকারের পুলিশ নির্মম গুলি চালিয়েছিল। মারা গিয়েছে ১৪ জন মানুষ। কিন্তু ২০১১ সালের পর থেকে রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর এই দিনকে নন্দীগ্রাম শহিদ দিবস পালন করা হয়। কিন্তু রাজ্যের বিজেপি, তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলে, নন্দীগ্রামে যেমন বাম শাসকেরা অসহায় মা-বোনের উপর অত্যাচার, খুন, ধর্ষণ করেছে, ঠিক এক দশকের বেশি সময় ধরে মা-মাটি-সরকারও এই রাজ্যে একই আচরণ করে চলেছে। সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতনের ছবিটাও নন্দীগ্রামের চিত্রকেই উপস্থাপন করে।

    কী বললেন মমতা?

    আজ নন্দীগ্রামের শহিদ (Nandigram dibas) দিবসে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে বলেন, “সিপিআইএমের হার্মাদ বাহিনীর অত্যাচারে নিহত সকল শহিদদের প্রণাম জানাই। কৃষক ভাইবোন এবং তাঁদের পরিবারের প্রতি জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। নন্দীগ্রামের এই শহিদ দিবস, কৃষক দিবস হিসাবেও পালিত হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদে, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TikTok Ban:  ভারতের পথেই আমেরিকা, চিনা অ্যাপ টিকটক নিষিদ্ধ হতে চলেছে মার্কিন মুলুকে

    TikTok Ban: ভারতের পথেই আমেরিকা, চিনা অ্যাপ টিকটক নিষিদ্ধ হতে চলেছে মার্কিন মুলুকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের দেখানো পথেই এবার হাঁটতে চলেছে আমেরিকা। শর্ট ভিডিও তৈরির জনপ্রিয় চিনা অ্যাপ টিকটক আগেই নিষিদ্ধ হয়েছিল ভারতে। মার্কিন মুলুকেও এবার নিষিদ্ধ হবে চিনা অ্যাপ টিকটক। ইতিমধ্যেই এ নিয়ে বিল পাশ হয়েছে আমেরিকার সংসদে। ভারতে টিকটক (TikTok) অ্যাপ নিষিদ্ধ (TikTok Banned) হয়েছে প্রায় চার বছর হল।  ২০২০ সালে ভারত সরকার এই অ্যাপ নিষিদ্ধ করে। 

    বিপুল ভোটে বিল পাশ

    বিভিন্ন ইস্যুতে মার্কিন শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে মতানৈক্য থাকলেও টিকটককে নিষিদ্ধ ঘোষণার জন্য হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভে ঐক্যমত পোষণ করেছে। টিকটককে নিষিদ্ধ করতে যৌথভাবে এই বিল পেশ করেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ডেমোক্র্যাট সদস্য রাজা কৃষ্ণমূর্তি এবং রিপাবলিকান সদস্য মাইক গ্যালাহে। বুধবার ইউএস হাউস অভ রিপ্রেজেনটেটিভে টিকটককে (TikTok) নিষিদ্ধ করার বিল পাশ হয়। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সেই বিল পাশ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। টিকটককে নিষিদ্ধ ঘোষণার পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৩৫২ জন। এর বিরোধিতায় ভোট দিয়েছেন ৬৫ জন। যদিও হাউস অব রিপ্রেজেনটিভে এই বিল পাশ হয়ে গেলেও সেনেটে পাশ নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। সেনেটে পাশ হলেই তবে আমেরিকায় নিষিদ্ধ হবে টিকটক।

    ভারতে আগেই নিষিদ্ধ

    ভারতে মূলত জেনারেশন ওয়াই এবং জেড- এর কাছেই মারাত্মক ভাবে জনপ্রিয় হয়েছিল এই টিকটক অ্যাপ। তবে এই অ্যাপ ব্যান হওয়ার পর এর বেশ কিছু ফিচার ইনস্টাগ্রামে যুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হল রিলস। টিকটক (TikTok) ছাড়াও একাধিক চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ হয়েছে ভারতে। সেই তালিকায় রয়েছে উই চ্যাট, শেয়ারইট, হ্যালো, লাইক, ইউসি নিউজ, ইউসি ব্রাউজার, বিগো লাইভ ও আরও অনেক অ্যাপ। ইউজারদের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা বজায় রাখার খাতিরেই এইসব অ্যাপ ব্যান করা হয়েছিল। এ যাবৎ ৩০০-র বেশি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ হয়েছে ভারতে। 

    আরও পড়ুন: আহমেদনগর এখন থেকে অহল্যানগর, নয়া নামে সিলমোহর মহারাষ্ট্র মন্ত্রিসভার

    কেন এই পথে আমেরিকা

    ভারতে নিষিদ্ধ হলেও বিশ্বের অনেক দেশেই রমরমিয়ে এখনও ব্যবসা করছে টিকটক (TikTok) অ্যাপ। চিন, আমেরিকা, রাশিয়া- সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এক লক্ষেরও বেশি কর্মী রয়েছেন যাঁরা টিকটকে কর্মরত। প্রায় ১৭ কোটি আমেরিকান বর্তমানে টিকটক ব্যবহার করেন। আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্ন হচ্ছে এই অভিযোগেই টিকটক নিষিদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ শুরু হয়। এই অ্যাপ ইতিমধ্যেই গুগল এবং অ্যাপল স্টোর থেকে বাদ গিয়েছে।  চাইনিজ মালিকানা থেকে এই অ্যাপের মালিকানা অন্য হাতে গেলে তবেই তা অনুমোদিত হতে পারে মার্কিন মুলুকে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share