Blog

  • Electoral Bonds Case: পাঁচ বছর কত নির্বাচনী বন্ড, হলফনামা দিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জানাল এসবিআই

    Electoral Bonds Case: পাঁচ বছর কত নির্বাচনী বন্ড, হলফনামা দিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জানাল এসবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচনী বন্ড (Electoral Bonds Case) প্রকল্প বাতিল করেছিল উনিশের এপ্রিল মাসে। সেই থেকে চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী বন্ড কেনা হয়েছে ২২ হাজার ২১৭টি। বুধবার দেশের শীর্ষ আদালতে একথা জানাল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।

    এসবিআইয়ের হলফনামা

    এদিন হলফনামা দিয়ে এসবিআই জানিয়েছে, গত পাঁচ বছরে নির্বাচনী বন্ড কেনা হয়েছে ২২ হাজার ২১৭টি। এর মধ্যে ২২ হাজার ৩০টি বন্ড ক্যাশ করেছে রাজনৈতিক দলগুলি। বাকি ১৮৭টি বন্ড জমা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিলে। উল্লেখ্য, নির্বাচনী বন্ড পাওয়ার পক্ষকালের মধ্যে সেটি ভাঙানো না হলে বন্ডের (Electoral Bonds Case) অর্থ জমা হয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে।

    পেনড্রাইভ

    আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় স্টেট ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, একটি পেনড্রাইভে করে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত তথ্যাবলী জমা দেওয়া হয়েছে। দুটি পিডিএফ ফাইলে করে এ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দেওয়া হয়েছে বলে শীর্ষ আদালতে জানিয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক। স্টেট ব্যাঙ্ক এও জানিয়েছে, সঠিক পাসওয়ার্ড ছাড়া ফাইলগুলি খোলা যবে না।

    হলফনামায় এসবিআই জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনে ১২ মার্চ ব্যবসায়িক সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই বন্ড সম্পর্কিত বিশদ তথ্য তারা দিয়েছে নির্বাচন কমিশনে। প্রতিটি বন্ড কেনার তারিখ, ক্রেতার নাম এবং বন্ডের মূল্য-সহ বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: অরুণাচল সীমান্তে নয়া সড়কপথের পরিকল্পনা, ভারতের প্রয়াসে ভয় পাচ্ছে চিন?

    গত ১৫ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় সরকারের নির্বাচনী বন্ড প্রকল্পকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। এই বন্ডের মাধ্যমেই এতদিন রাজনৈতিক দলগুলিকে চাঁদা দিতেন বিভিন্ন কর্পোরেট সংস্থার মালিক ও বড় বড় শিল্পপতিরা। সে সংক্রান্ত তথ্য গোপন রাখা হত। এটি দেশের সংবিধানের পরিপন্থী বলে জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে এসবিআইয়ের দেওয়া তথ্য প্রকাশিত হওয়ার কথা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে (Electoral Bonds Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • CAA: সিএএ-র প্রভাব পড়বে ৮ আসনে! রাজ্যের উদ্বাস্তু ভোট যাবে বিজেপির ঝুলিতে, দাবি রিপোর্টে

    CAA: সিএএ-র প্রভাব পড়বে ৮ আসনে! রাজ্যের উদ্বাস্তু ভোট যাবে বিজেপির ঝুলিতে, দাবি রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব আইন বরাবরই পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। গত ১১ মার্চ থেকে কার্যকর হয়েছে সিএএ। নাগরিকত্ব আইনের (CAA) বাস্তবায়নের প্রয়োজন ঠিক কতটা— এনিয়ে একাধিক সমীক্ষা করা হয় কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিজেপির পক্ষ থেকে। প্রতিটি সমীক্ষাতেই উঠে আসে নাগরিক আইনের বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা। সম্প্রতি, একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তরফে একটি সমীক্ষা চালানো হয়। তাতে উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য। সমীক্ষা অনুযায়ী, কেন্দ্রের মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের ৮ লোকসভা আসনে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে এবং তা বিজেপিকে বিপুল অক্সিজেন জোগাবে।

    কেন সিএএ-র প্রয়োজন ছিল?

    এই আইনকে বাস্তবায়নের প্রয়োজন কেন হল? তার কারণ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বিভিন্ন সমীক্ষা চালায় পশ্চিমবঙ্গের শরণার্থী অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে। ওই সমীক্ষায় উঠে আসে বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয়ভাবে অত্যাচারিত হয়ে আসা সেদেশের সংখ্যালঘু শরণার্থীরা অসম এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাস করছেন। তাঁদের কাছে সবচেয়ে অগ্রাধিকার পায় নিজেদের নাগরিকত্বের বিষয়টি। মতুয়া-নমঃশূদ্র-রাজবংশী, মূলত এই তিন উদ্বাস্তু সমাজের কাছে জীবন-জীবিকার মতোই গুরুত্বপূর্ণ নাগরিকত্ব (CAA)।

    মতুয়া-নমঃশূদ্র-রাজবংশীরা সমর্থন করবে বিজেপিকে

    গেরুয়া শিবিরের আভ্যন্তরীণ সমীক্ষা অনুযায়ী, নদিয়া এবং উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে প্রভাব ফেলবে মোদি সরকারের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের ২টি লোকসভার আসনে বিপুল প্রভাব পড়বে এই আইনের বাস্তবায়ন। এর প্রতিফলন ভোট বাক্সে যে দেখা যাবে তাও ওই অভ্যন্তরীণ সমীক্ষায় উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী মতুয়া-নমঃশূদ্র-রাজবংশীরা ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে দু’হাত তুলে ভোট দেবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার ১০ থেকে ১৫ শতাংশই মতুয়া

    দেশভাগের সময় থেকে ধর্মীয়ভাবে অত্যাচারিত হয়ে দলে দলে মতুয়া সমাজ এবং নমঃশূদ্র সমাজ পশ্চিমবঙ্গে আসতে শুরু করে। ভিটেমাটি ছেড়ে আসা মানুষগুলোর জন্য বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সহযোগিতায় প্রমথ রঞ্জন ঠাকুর তৈরি করেন ঠাকুরনগর। সে সময় উদ্বাস্তু হয়ে আসা মানুষজনদেরকে সীমান্ত অঞ্চলগুলিতে থাকার জায়গার বন্দোবস্ত করতেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন (CAA) প্রমথ রঞ্জন ঠাকুর এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। কিন্তু নির্দিষ্ট কোনও তথ্য এখনও পর্যন্ত নেই যে কত সংখ্যায় মতুয়া ও নমঃশূদ্ররা পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান জনসংখ্যার ১০ থেকে ১৫ শতাংশই হল মতুয়া সমাজের। ৫টি লোকসভা আসনে মতুয়া ভোট নির্ণায়ক শক্তি বলে মনে করা হয়। এর প্রত্যেকটিই দক্ষিণবঙ্গে অবস্থিত। যার মধ্যে ২০১৯ সালে রাণাঘাট ও বনগাঁ আসন ২টি জিততে সমর্থ হয় বিজেপি। অন্যদিকে, মতুয়াদের সাপেক্ষে কম সংখ্যায় বাংলাদেশ থেকে অত্যাচারিত হয়ে এসেছিলেন রাজবংশী এবং নমঃশূদ্র সমাজ। বিগত নির্বাচনগুলিতে এই দুই সমাজও বিজেপিকে দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করেছে। মূলত শরণার্থীদের সমর্থনে ভর করেই উত্তরবঙ্গের তিনটি মতুয়া-নমঃশূদ্র-রাজবংশী অধুষ্যিত লোকসভা আসন জেতে বিজেপি। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং বালুরঘাট এই তিন লোকসভা কেন্দ্রে উদ্বাস্তুদের মোট জনসংখ্যা হল ৪০ লাখ।

    ২০২৪ সালে বাংলার উদ্বাস্তু ভোট যাবে বিজেপির ঝুলিতে

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী,  তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাব থাকা সত্ত্বেও লোকসভা ভোটে উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ব্যাপক ফলাফল করে বিজেপি। এবং যার কারণ একটাই ছিল, নাগরিকত্ব আইনের প্রতিশ্রুতি। দক্ষিণবঙ্গের নদিয়া জেলাতেও মতুয়া ভোট (CAA) হল বড় ফ্যাক্টর। তৃণমূল কংগ্রেস এই জেলার ১৭টি বিধানসভা আসনের মধ্যে মাত্র ৬টিতে এগিয়ে থাকতে পেরেছিল। অন্যদিকে, বিজেপি বাকিগুলিতে এগিয়ে যায়। এর পাশাপাশি মতুয়ারা উত্তর চব্বিশ পরগনার এবং নদিয়া মিলিয়ে মোট ছ’টি লোকসভা আসনে নির্ণায়ক শক্তি। মনে করা হচ্ছে, ২০২৪ সালের বেশিরভাগ মতুয়া ভোট বিজেপির ঝুলিতেই যেতে চলেছে।

    কী বলছেন কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আধিকারিক

    এই ৩ উদ্বাস্তু সমাজই দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের নাগরিকত্বের দাবি তুলে আসছিল। বলে রাখা প্রয়োজন, ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে কে নাগরিক তা ঠিক করা হয় ভারতের সংবিধান এবং ১৯৫৫ সালের নাগরিক আইন অনুসারে। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড কিংবা রেশন কার্ড- এর কোনওটাই নাগরিকত্বের পরিচয় বহন করে না। একজন শীর্ষ বিজেপি নেতা উদ্বাস্তু অধ্যুষ্যিত (CAA) এই আসনগুলিতে সমীক্ষা চালান। তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গের ৩০ থেকে ৩৩টি বিধানসভার এমন আসন রয়েছে, যেগুলোতে মতুয়া ভোট ৪০ শতাংশের উপরে রয়েছে। এর বেশিরভাগটাই উত্তর ২৪ পরগনা এবং নদিয়াতে। এই বিধানসভার আসনগুলিকে যোগ করলে মোট পাঁচ থেকে ছয়টি লোকসভার আসন হয়। কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের এক শীর্ষ আধিকারিকের মতে, ‘‘মাঝখানে অনেকটা সময় কেটে গিয়েছে কিন্তু তবুও নির্বাচনী ইস্তাহারে বিজেপি সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ২০১৯ সালে, তা বাস্তবায়ন করেছে।’’ 

    করোনা মহামারীর কারণে বাস্তবায়নে দেরী

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসেই সংসদের উভয়কক্ষে পাশ হয় নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ওই আইনে স্বাক্ষরও করেন। কিন্তু তার পরবর্তীকালে করোনা মহামারী চলে আসে। এ কারণে বাস্তবায়ন হতে বেশ কিছুটা বিলম্ব হয় এই আইনের। চলতি সপ্তাহের সোমবারই নাগরিকত্ব আইনকে কার্যকর করা হয়েছে। প্রত্যাশা মতোই এই আইন বাস্তবায়িত হতেই বিরোধিতা শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং উত্তরপ্রদেশের বিজেপি বিরোধী শক্তি। নাগরিক আইনের সঙ্গে নাগরিকত্ব হারানোর কোনও সম্পর্ক না থাকলেও, সেকথাই বারবার উঠে আসছে বিরোধীদের ভাষণে। যদিও আইন (CAA) অনুযায়ী, ৩ প্রতিবেশী দেশ – আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয়ভাবে অত্যারিত হয়ে আসা ৬ সংখ্যালঘু (হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি এবং খ্রিস্টান) সম্প্রদায়কে নাগরিকত্ব প্রদানের কথা বলা হয়েছে এখানে।

    ২০১৯ সালে বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহারে ছিল নাগরিকত্ব আইন

    ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের ইস্তাহারে ভারতীয় জনতা পার্টি নাগরিকত্ব আইন চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। মনে করা হচ্ছে সেই প্রতিশ্রুতিতেই ভর করে পশ্চিমবঙ্গের মতুয়া-নমঃশূদ্র-রাজবংশী অধ্যুষিত আসনগুলিতে বিজেপি ব্যাপক ভোট পায়। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় তৎকালীন বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদি আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আগত শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। সেই প্রতিশ্রুতিই পূরণ হল নাগরিকত্ব আইন কার্যকর হওয়ার মধ্য দিয়ে। ২০১৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ‘পাসপোর্ট আইন’ ও ‘বিদেশি আইন’ সংশোধন করে। এর ফলে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে উদ্বাস্তু হয়ে আসা সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব লাভের পথ অনেকটাই প্রশস্ত হয়ে যায়। উদ্বাস্তু মানুষরা যাতে ভারতের নাগরিকত্ব পেতে পারেন তার প্রচেষ্টা করে বিজেপি।

    ২০১৬ সালে সংসদে পেশ হয় সিএএ

    ২০১৬ সালের ১৯ জুলাই ভারতের সংসদে ‘নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ২০১৬’ পেশ করে মোদি সরকার। লোকসভায় এই বিল পাশ হলেও তা রাজ্যসভায় আটকে যায়। এরই মাঝে বিজেপি সরকার আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আগত ৬ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদান করার সুবিধার্থে একটি ‘অধ্যাদেশ’ জারি করে। যদিও ছয় মাস পরে নিয়ম অনুসারে ওই ‘অধ্যাদেশ’-এর কার্যকাল শেষ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে বিলটিকে আলোচনার জন্য সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো হয়। ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি সংসদে কমিটির রিপোর্ট জমা পড়ে। পরে ২০১৯ সালের ৮ জানুয়ারি লোকসভায় ফের পাশ হয় ওই বিল। কিন্তু তা থমকে যায় রাজ্যসভায়। এরই মাঝে ১৬তম লোকসভা ভেঙে যায় এবং দেশে নির্বাচন ঘোষণা হয়। নির্বাচনে ফের ক্ষমতায় আসে বিজেপি সরকার এবং পাশ করে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। অর্থাৎ ২০১৯ সালের নির্বাচনে লড়তে যাওয়ার আগে বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা নির্বাচনে জেতার পরেই পূরণ করতে সক্ষম হয় মোদি সরকার। প্রয়োজন ছিল নাগরিকত্ব আইনের বাস্তবায়নের এবং ঠিক সেই মতো ২০২৪ সালের লোকসভা ভোট ঘোষণার আগেই তা কার্যকর করল বিজেপি সরকার (CAA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: চ্যালেঞ্জের মুখে চিন! দেশে ৩ সেমি-কন্ডাক্টর প্রকল্পের সূচনা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: চ্যালেঞ্জের মুখে চিন! দেশে ৩ সেমি-কন্ডাক্টর প্রকল্পের সূচনা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেমি-কন্ডাক্টর শিল্পে চিনের একচেটিয়ায় থাবা বসাল মোদির (PM Modi) ভারত! বুধবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশে তিনটি সেমি-কন্ডাক্টর প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এশিয়ায় এতদিন সেমি-কন্ডাক্টর শিল্পে একচেটিয়া ব্যবসা করে যাচ্ছিল বেজিং। প্রকল্প তিনটি রূপায়িত হলে ড্রাগনের দেশকে মোকাবিলা করতে হবে ভারতের সেমি-কন্ডাক্টর শিল্পের। এদিন যে তিনটি সেমি-কন্ডাক্টর শিল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হল, তার দুটি হবে গুজরাটে, আর একটি হবে অসমে।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi) 

    এদিন ‘টেক চিপস ফর ডেভেলপড ইন্ডিয়া’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ভারত ইতিমধ্যেই মহাকাশ, পারমাণবিক ও ডিজিটাল শক্তিতে সেরা হয়ে উঠেছে। অদূর ভবিষ্যতে সেমি-কন্ডাক্টর সেক্টরেও বিশ্বের অন্যতম শক্তি হিসেবে উঠে আসবে ভারত। এই সেক্টরে ভারতের বৃদ্ধি থেকে সব চেয়ে বেশি লাভ পেতে চলেছে দেশের যুবকরা।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একবিংশ শতক হবে প্রযুক্তি চালিত। ইলেকট্রনিক চিপ ছাড়া এই সময়কে ভাবাও যাবে না। মেড ইন ইন্ডিয়া চিপ, ভারতে ডিজাইন করা চিপ দেশকে নিয়ে যাবে স্বনির্ভরতা ও আধুনিকতার দিকে।”

    লাভবান হবে দেশের তরুণ প্রজন্ম

    তিনি (PM Modi) বলেন, “যোগাযোগ থেকে শুরু করে পরিবহণ, অনেক খাতেই সেমি-কন্ডাক্টর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেশে সেমি-কন্ডাক্টর প্ল্যান্ট তৈরি ও চিপ উৎপাদনের মাধ্যমে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।” তাঁর মতে, এই প্রকল্পে সব চেয়ে বেশি লাভবান হবে দেশের তরুণ প্রজন্ম। এই প্রকল্পের সূচনার নেপথ্যেও কাজ করছে তাদের মস্তিষ্ক। গত মাসে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা এই সেমি-কন্ডাক্টর প্রকল্পের অনুমোদন দেয়। ‘ডেভেলপমেন্ট সেমি-কন্ডাক্টরস অ্যান্ড ডিসপ্লে ম্যানুফ্যাকচারিং ইকোসিস্টেমস ইন ইন্ডিয়া’র অধীনে এই প্রকল্প তৈরি হবে। নির্মাণ কাজ শুরু হবে আগামী ১০০ দিনের মধ্যেই।

    আরও পড়ুুন: আসন্ন ভোটে বাংলায় আসন সংখ্যায় বৃহত্তম দল হবে বিজেপি, ভবিষ্যদ্বাণী পিকে-র

    জানা গিয়েছে, গুজরাটে সেমি-কন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন প্ল্যান্ট খুলবে টাটা ইলেকট্রনিক্স প্রাইভেট লিমিটেড। বিনিয়োগ করা হবে ৯১ হাজার কোটি টাকা। এখানেই আরও একটি সেমি-কন্ডাক্টর প্ল্যান্ট খুলবে সিজি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল সলিউশন লিমিটেড। তারা লগ্নি করবে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা। আর অসমে যে প্ল্যান্টটি গড়ে উঠবে, সেখানে বিনিয়োগ করা হবে ২৭ হাজার কোটি টাকা (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচল সীমান্তে নয়া সড়কপথের পরিকল্পনা, ভারতের প্রয়াসে ভয় পাচ্ছে চিন?

    Arunachal Pradesh: অরুণাচল সীমান্তে নয়া সড়কপথের পরিকল্পনা, ভারতের প্রয়াসে ভয় পাচ্ছে চিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন সীমান্ত ঘেঁষা অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলির বিকাশের জন্য, সড়ক যোগাযোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মোদি সরকার এই অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ বিকাশের জন্য বেশ কয়েকটি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত মহাসড়ক হিসেবে মনোনীত জাতীয় মহাসড়ক-৯১৩ নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যেই ৬ হাজার ৬২১ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। অরুণাচল প্রদেশের ফ্রন্টিয়ার হাইওয়ের বিভিন্ন অংশের জন্য মোট ১৭,০০০ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র।

    কোন কোন জায়গা দিয়ে যাবে এই সড়ক

    এই প্রকল্পের অন্তর্গত মহাসড়কের মোট দৈর্ঘ্য ১৭০০ কিলোমিটার। অরুণাচল প্রদেশের জনবসতিহীন বা অল্প জনবসতিপূর্ণ এলাকার মধ্য দিয়ে এই রাস্তা যাবে। এতে ভারত-চিন সীমান্তে নতুন টানেল এবং সেতু ছাড়াও ৮০০ কিলোমিটার গ্রিনফিল্ড সেকশন থাকবে। এটি বোমডিলা থেকে শুরু হয়ে নাফরা, হুরি ও মনিগং হয়ে যাবে। কিছু পয়েন্টে, রাস্তাটি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছাকাছি— চিন সীমান্ত থেকে ২০ কিলোমিটারেরও কম দূরত্ব দিয়ে যাবে। রাস্তাটি শেষ হবে বিজয়নগরে— ভারত-মায়ানমার সীমান্তের কাছে। এই সড়ক তৈরি হলে যেমন একদিকে চিনের সীমান্তবর্তী অরুণচলে ভারতীয় (India-China Border) সেনা জওয়ানদের যাতায়াতে সুবিধা হবে। তেমনি পর্যটন শিল্পেরও প্রসার ঘটবে। অঞ্চলের আর্থ সামাজিক উন্নতি হবে।

    কবে শেষ হবে এই রাস্তা

    ২০২৭ সালের মধ্যে এই রাস্তা তৈরির কাজ শেষ করা যাবে বলে আশা করছে কেন্দ্র। রাজ্যের কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান— তাওয়াং, মেচুকা, টুটিং, কিবিথু এবং ডং-কে সংযুক্ত করবে এই নতুন রাস্তা। এটা তৈরি করতে মোট খরচ হবে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। গত কয়েক সপ্তাহে, সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক এই মহাসড়কের ৭৭০ কিলোমিটারের জন্য তহবিল অনুমোদন করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি বলেছেন এখনও পর্যন্ত হুরি-তালিহা বিভাগ, বিলে-মিগিং বিভাগ, খারসাং-মাইও-গান্ধীগ্রাম-বিজয়নগর বিভাগ এবং বোমডিলা-নাফরা-লাদা বিভাগের জন্য ছয়টি প্যাকেজের জন্য তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে। 

    চিনকে ঠেকাতে এই প্রকল্পের গুরুত্ব

    গালওয়ানকাণ্ডের পরে লাদাখ, সিকিম, অরুণাচল প্রদেশের এলএসি-তে চিনা ফৌজের সক্রিয়তার কথা মাথায় রেখে জরুরি ভিত্তিতে পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু করেছে ভারত। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত সেনা এবং সামরিক সরঞ্জাম চিন সীমান্তে পাঠানোর জন্য বিশেষ ভাবে সড়কপথ (Arunachal Pradesh) নির্মাণে গুরুত্ব দিতে চাইছে নয়াদিল্লি। কিছুদিন আগেই, অরুণাচলেই সেলা টানেলের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। জওয়ানরা যাতে সীমান্তের কাছে অতি দ্রুত পৌঁছে যেতে পারেন, যাতে অস্ত্রশস্ত্র তাড়াতাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়, তার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হবে এই সেলা টানেল।  ঠিক একইভাবে, নতুন সড়ক পথও কেন্দ্রের সেই ভাবনার প্রতিফলন ঘটাবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 

    সামরিক সরঞ্জাম এবং রসদ পরিবহণের পাশাপাশি এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য হল স্থানীয় পর্যটন শিল্পে উন্নতি আনা। এই সড়ক পথের ফলে বহু দুর্গম জায়গায় সহজে পৌঁছনো যাবে। প্রকৃতির কোলে লুকিয়ে থাকা দূরবর্তী গ্রামগুলির যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে পর্যটন শিল্পও প্রসার পাবে।

    আরও পড়ুন: ‘ওয়ান মিশন টু রকেট’! একযাত্রায় দু’দফায় উৎক্ষেপণ, চন্দ্রযান ৪ নিয়ে কী জানাল ইসরো?

    চিনকে গুরুত্ব নয়

    সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal Pradesh) সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেখানে তিনি ৮২৫ কোটি টাকার সেলা টানেল উদ্বোধন করেন। ভারতের অরুণাচল প্রদেশ দক্ষিণ তিব্বতের অংশ বলে বরাবর দাবি করে আসছে চিন। ফলে অরুণাচল প্রদেশে যে কোনও ভারতীয় কর্মকাণ্ডকে নিশানা করে বেজিং। তবে চিনের সমস্ত কৌশল, সওয়ালকে বারংবার নস্যাৎ করেছে কেন্দ্র। দিল্লির তরফে বলা হয়েছে, বাস্তব অবস্থার কোনও পরিবর্তন হবে না অরুণাচল, ভারতের অংশ ছিল ও থাকবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Narendra Modi: মোদির ভূয়সী প্রশংসা মার্কিন কংগ্রেসের ২ সদস্যের, কী বললেন জানেন?

    PM Narendra Modi: মোদির ভূয়সী প্রশংসা মার্কিন কংগ্রেসের ২ সদস্যের, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) প্রশংসায় পঞ্চমুখ মার্কিন কংগ্রেসের দুই সদস্য। তাঁদের দাবি, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে পুনর্নির্বাচিত হয়ে ফের দিল্লির কুর্সিতে ফিরতে চলেছেন মোদি। তাঁর তুঙ্গ জনপ্রিয়তা ও দক্ষ নেতৃত্বই তাঁকে ক্ষমতায় ফেরাবে বলে মনে করেন তাঁরা।

    কী বললেন রিচ ম্যাককর্মিক? (PM Narendra Modi)

    জর্জিয়া থেকে জয়ী হয়েছেন রিপাবলিকান পার্টির রিচ ম্যাককর্মিক। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা অবিশ্বাস্য। আমি ভারতে সম্প্রতি গিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কংগ্রেসের লোকজনের সঙ্গে আমি মধ্যাহ্নভোজ করেছিলাম। তাঁর জনপ্রিয়তাও প্রত্যক্ষ করেছি। মোদি এমন একজন মানুষ, যাঁর জনপ্রিয়তা ৭০ শতাংশ। তিনি ফের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন।” ম্যাককর্মিক বলেন, “অর্থনীতির ওপর তাঁর (PM Narendra Modi) প্রোগ্রেসিভ দৃষ্টিভঙ্গী, উন্নয়ন সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গী, মানব কল্যাণে তাঁর নজর, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী ভারতীয়দের সম্পর্কে তাঁর সদর্থক দৃষ্টিভঙ্গী এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে তার প্রভাব, তাদের কৌশলগত সম্পর্ক এসবই আমরা দেখছি। ভারতের রাজনীতিতে তাঁর প্রভাবও আমি চাক্ষুষ করেছি।” মার্কিন কংগ্রেসের এই সদস্য বলেন, “আপনারা যদি তাঁদের কাজ করার ইচ্ছের দিকে তাকান, তাহলে আমি বলব, আমি সেখানে একটা ক্যাভিয়েট দাখিল করব। চিন যেটা করেছে, মনে হবে, তারা যেন তাদেরই প্রতিলিপি। ব্যবসায়ীদের জন্য ভারতের বাজার প্রসারিত করতে তারা অবিশ্বাস্যভাবে কাজ করছে।”

    ‘ভারতের অগ্রগতি চোখ ধাঁধানো’

    মার্কিন কংগ্রেসের আর এক সদস্য ইন্দো-মার্কিন শ্রী থানেদারও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “মোদির নেতৃত্বেই ভারত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার দশম স্থান থেকে চলে এসেছে পঞ্চম স্থানে।” মিচিগান থেকে জয়ী হয়ে মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য হয়েছেন থানেদার। তিনি বলেন, “গত দশ বছরে (এই দশ বছরই কেন্দ্রে ক্ষমতায় রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি) ভারতের অগ্রগতি চোখ ধাঁধানো। আমি যখন ভাবি মোদি যখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, তখন ভারত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার দশ নম্বরে ছিল। এখন চলে এসেছে পাঁচে। অচিরেই দেশটি চলে আসবে ওই তালিকার তিন নম্বরে। তাই ভারত যে বিস্ময়করভাবে উন্নতি করছে, সে ব্যাপারে কোনও সন্দেহই নেই।”

    আরও পড়ুুন: মমতার পরিবারে ‘বিদ্রোহ’! ‘‘নির্দল হয়ে লড়ব’’, টিকিট না পেয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর ভাই

    থানেদার বলেন, “ভারত প্রযুক্তিকে আলিঙ্গন করেছে। অর্থনীতির ক্ষেত্রে, ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রে ডিজিটাইজেশন দেখছি। প্রযুক্তির এই প্রয়োগ শহর ছাড়িয়ে প্রত্যন্ত গ্রামেও পৌঁছে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “ভারতে একটা বিপ্লব চলছে (PM Narendra Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

      

  • Murshidbad: স্কুলের মিড-ডে মিলে নয়ছয়! প্রতিবাদ করায় পড়ুয়াদের পুলিশ দিয়ে মারধর, অভিযুক্ত ওসি

    Murshidbad: স্কুলের মিড-ডে মিলে নয়ছয়! প্রতিবাদ করায় পড়ুয়াদের পুলিশ দিয়ে মারধর, অভিযুক্ত ওসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলের মিড-ডে মিলে নয়ছয়, ছাত্রদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চনা নিয়ে মঙ্গলবার স্কুলে আন্দোলন শুরু করেছিল পড়ুয়ারা। প্রতিবাদ জানিয়ে স্কুল তালাবন্ধ করে বিক্ষোভ দেখায় পড়ুয়ারা। আর সেই ঘটনায় পড়ুয়াদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidbad) জলঙ্গি থানার ওসি কৌশিক পালের বিরুদ্ধে। ছাত্রদের দাবি “স্কুলে আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে আন্দোলন করছিলাম। সেই সময় স্কুলে পুলিশ ডেকে আমাদের উপর অত্যাচার চালানো হয়।” এই ঘটনায় স্কুলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    ছাত্রদের অভিযোগ (Murshidbad)

    স্কুলের (Murshidbad) পড়ুয়াদের দাবি, “আমরা শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখেই অবরোধ চালাচ্ছিলাম। সেই সময় প্রধান শিক্ষক পুলিশ ডেকে বেধড়ক মারধর করায়। ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ওসি। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বহুদিন ধরে টাকা-পয়সা নিয়ে দুর্নীতি করছিলেন। ছাত্রছাত্রীদের মিড-ডে মিলের খাবার না দিয়ে বঞ্চনা করা হচ্ছিল। অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছিল। আমরা প্রতিবাদ জানিয়ে আন্দোলন করলে আমাদের উপর পুলিশ দিয়ে আক্রমণ করা হয়। আমাদের অনেককে ব্যাপক মারধর করা হয়। আমরা যাতে বাইরে এই মারধরের কথা না জানাই, তাই আমাদের দিয়ে সাদা কাগজে সই করিয়ে নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে কোনও মারধর করা হয়নি বলে বক্তব্যকে ভিডিও করে নেওয়া হয়।” এরপর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আহত ছাত্রদেরকে চিকিৎসার জন্য গ্রামীণ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

    অভিভাবকের বক্তব্য

    স্কুল পড়ুয়াদের এক অভিভাবক বলেন, “গতকাল আমাদের ছাত্ররা স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে স্কুলের প্রকল্পের টাকা নিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করে। এরপর সন্ধ্যায় তিন গাড়ি পুলিশ আসে। ছাত্রদের ঘরের মধ্যে ঢুকিয়ে মারধর করা হয়। ছাত্রদের উপর এই পুলিশি অত্যাচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানাই। স্কুলের প্রধান শিক্ষক একজন দুর্নীতিগ্রস্থ লোক। পুলিশ ঘটনার তদন্ত না করে উল্টে ছাত্রদের ভয় দেখায়। এটা রক্ষকের ভক্ষক সুলভ আচরণ। দুর্নীতির কথা যাতে বাইরে না যায়, তাই ছাত্রদের উপর অত্যাচার করে আন্দোলনকে দমন করতে চাইছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: বৃহস্পতিবারই শহরে আসছেন নাইটরা, শুক্রবার থেকে ইডেনে অনুশীলন কেকেআর-এর

    IPL 2024: বৃহস্পতিবারই শহরে আসছেন নাইটরা, শুক্রবার থেকে ইডেনে অনুশীলন কেকেআর-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র ১০ দিন বাকি। শুরু হতে ক্রিকেট ও বিনোদনের ককটেল আইপিএল (IPL 2024)। বৃহস্পতিবার, অর্থাৎ ১৪ মার্চই শহরে চলে আসছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের (KKR) ক্রিকেটারেরা। সব ঠিক থাকলে ১৫ মার্চ থেকে ইডেনে তাদের অনুশীলন শুরু হয়ে যাবে।

    কারা কারা আসছেন

    শ্রেয়স আইয়ার ছাড়া বাকি সব স্বদেশি ক্রিকেটার বৃহস্পতিবার শহরে চলে আসবেন বলে কেকেআর সূত্রে জানানো হয়েছে। শ্রেয়স মুম্বইয়ে রঞ্জি ফাইনাল খেলছেন। সেটি শেষ হলেই কলকাতায় এসে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। কেকেআরের অনেক বিদেশি ক্রিকেটারেরাই বিদেশের বিভিন্ন লিগে খেলেন। কেউ কেউ এখন খেলছেন পাকিস্তান সুপার লিগে। আবার কেউ ব্যস্ত রয়েছেন দেশের হয়ে। সেই সব দায়িত্ব মিটিয়ে তার পরে যোগ দেবেন শিবিরে। তাই তাঁরা কে কবে আসবেন তা জানায়নি কেকেআর কর্তৃপক্ষ।

    ট্রফির আশা

    ২ বারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)৷ কিন্তু নাইট ফ্যানদের হৃদয় বহু বছর ধরে খেতাবের অপেক্ষায় থেকে থেকে ক্লান্ত৷ এবার গৌতম গম্ভীর দলের দায়িত্ব নিয়েছেন। দুবারের চ্যাম্পিয়ন ক্যাপ্টেনকে ফিরে পেয়ে ফের একবার  ট্রফি জয়ের স্বপ্ন দেখছে নাইটরা৷ স্টার্ককে প্রচুর টাকায় কেনার স্ট্র্যাটেজি থেকেই বোঝা গিয়েছিল যে এবার কেকেআর সব মাঠেই আগ্রাসী খেলা খেলবে৷

    আইপিএল ২০২৪-এ কেকেআর দল বেশ শক্তিশালী। ওপেনার স্লটে পাওয়া যাচ্ছে ভেঙ্কটেশ আইয়ার, ফিলিপ সল্ট, রহমানুল্লাহ গুরবাজকে৷  শ্রেয়স আইয়ার, নীতীশ রানা, রিঙ্কু সিং, আন্দ্রে রাসেল- কাগজে কলমে, আইপিএল ২০২৪ এ কেকেআর-এর মিডল-অর্ডার শক্তিশালী। বোলারদের মধ্যে চেতন সাকারিয়া, বরুণ চক্রবর্তী, হর্ষিত রাণা, সুয়শ শর্মা তো রয়েছেন। সবার উপরে রয়েছেন বিশ্বজয়ী অস্ট্রেলিয়ার তারকা পেসার মিচেল স্টার্ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murder Case: ভবানীপুরের ব্যবসায়ী খুন নিমতায়, জলের ট্যাঙ্কের নীচে দেহ লুকিয়ে গাঁথা হচ্ছিল ইট!

    Murder Case: ভবানীপুরের ব্যবসায়ী খুন নিমতায়, জলের ট্যাঙ্কের নীচে দেহ লুকিয়ে গাঁথা হচ্ছিল ইট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার নিমতায় জলের ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার ভবানীপুরের বাসিন্দা এক ওষুধ ব্যবসায়ীর দেহ। তাঁকে খুন (Murder Case) করে জলের ট্যাঙ্কের মধ্যে রেখে ইট গাঁথা হচ্ছিল। আর এই দৃশ্য দেখে ফেলেন এলাকার এক ব্যক্তি। এরপর নিমতা থানায় খবর দিলে পুলিশ তদন্তে নামে। হাজার চেষ্টা করেও ধামাচাপা দেওয়া গেল না। প্রতিবেশীদের তৎপরতায় উঠে এল খুনের ঘটনার চিত্র। পুলিশ তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে দেহ উদ্ধার করেছে এবং ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে অনির্বাণ গুপ্তা, সুমন দাস নামে দু’জন। এলাকায় তীব্র শোরগোল পড়েছে।

    কীভাবে করা হল খুন (Murder Case)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১০ মার্চ ভবানীপুরের বাসিন্দা ভব্য লাখানিয়া তাঁর সহযোগী ব্যবসায়ী নিমতার বাসিন্দা অনির্বাণ গুপ্তার সঙ্গে দেখা করতে নিমতারই প্রমোদ মিত্র লেনের বাড়িতে গিয়েছিলেন। ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথাবার্তা চলার সময় বিবাদ হয়। এরপর আচমকাই অনির্বাণ, ভব্য লাখানিয়ার ওপর হামলা চালায়। একটি উইকেট দিয়ে মাথায় বাড়ি মারে ভব্যের। সেই ঘটনাতেই মৃত্যু (Murder Case) হয় ভব্য লাখানিয়া নামে ওই ব্যবসায়ীর। এরপরে তাঁর দেহ লোপাট করতে মৃতদেহকে বস্তায় বন্দি করে বাড়ির জলের ট্যাঙ্কের নীচে দেহ লুকিয়ে দেওয়া হয়। তারপরেই সেখানে দেওয়াল তুলে প্লাস্টার করা হচ্ছিল বলে জানা যায়।

    জলের ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার দেহ

    এদিকে ভব্য লাখানিয়া বাড়ি না ফেরায় তাঁর পরিবারের তরফ থেকে ভবানীপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। অপরে নিমতা থানার পুলিশ তদন্ত নেমে পুলিশ অনির্বাণ গুপ্তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এরপর জেরায় সে স্বীকার করে নেয় খুন (Murder Case) করেছে। তার কাছে নিমতার প্রমোদ মিত্র লেনের ঠিকানা পায় পুলিশ। সেখানে হানা দিয়ে জলের ট্যাঙ্ক নীচে থেকে ভব্য লাখানিয়ার দেহ উদ্ধার করে। পাশাপাশি খুনে ব্যবহৃত উইকেট উদ্ধার করা হয়। এর সাথেই বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ডাম্পিং গ্রাউন্ডের কাছ থেকে রক্ত মাখা জামা সহ বেশ কিছু সামগ্রী উদ্ধার করে পুলিশ। সেগুলো সব ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ভব্য লাখানিয়ার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য কামারহাটির সাগর দত্ত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই খুনের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: মমতার পরিবারে ‘বিদ্রোহ’! ‘‘নির্দল হয়ে লড়ব’’, টিকিট না পেয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর ভাই 

    Lok Sabha Election 2024: মমতার পরিবারে ‘বিদ্রোহ’! ‘‘নির্দল হয়ে লড়ব’’, টিকিট না পেয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর ভাই 

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: টিকিট না পেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণা করলেন তাঁরই ছোট ভাই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে বাবুন। হুঁশিয়ারি দিলেন, নির্দল প্রার্থী হয়ে হাওড়াতে দাঁড়াবেন। আগেই মুখ্যমন্ত্রীর ভাই অভিযোগ করেছিলেন, বারবার তাঁকে টিকিটের (Lok Sabha Election 2024) বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হলেও দল তাঁকে গুরুত্ব দেয়নি। বাবুনের মতে, ‘‘দিদির যাঁরা বেশি কান ভাঙায় তাঁদের মধ্যে অনেকেই টিকিট পেয়েছেন।’’ বাবুনের গলায় ক্ষোভ শোনা গিয়েছে হাওড়ার তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও। বিজেপির নেতাদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে বলেও জানিয়েছেন বাবুন। এই মুহূর্তে তিনি দিল্লিতে রয়েছেন তাঁর দাদার অসুস্থতার কারণে। তবে তাঁর এও দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থাকাকালীন তিনি দলবদল করবেন না।

    বিস্ফোরক বাবুন

    বুধবার এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘‘আমি হাওড়া থেকে নির্দল হয়ে দাঁড়াতে চাইছি। তাও আমি দিদির সঙ্গে আলোচনা করব। দিদি যা বলবেন আমি অক্ষরে-অক্ষরে পালন করব।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘প্রথম দিন থেকে যারা দলের পাশে ছিল, তাঁদের ভাল জায়গা দিলে আমি আরও খুশি হতাম। হাওড়ায় অনেক লোক ছিল, অরূপ রায়, কল্যাণ ঘোষ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, রানা চট্টোপাধ্যায়, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌতম চৌধুরীর মতো ভাল প্রার্থী ছিল। তাঁদের মধ্যে কাউকে বেছে নেওয়া যেত (Lok Sabha Election 2024)। আপত্তি থাকত না আমার। কারণ ওঁরা রাজনৈতিক লোকজন।’’

    ২০২২ সালেই হাওড়ার ভোটার হন বাবুন

    বাবুনের অভিযোগ, প্রসূনের (Lok Sabha Election 2024) সঙ্গে হাওড়ার সাধারণ মানুষের কোনও যোগাযোগই নেই। সাধারণ মানুষ থেকে মন্ত্রী– সকলেই নাকি ফোন করে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর ভাইয়ের। স্বপন বলেন, ‘‘২০১৯ সাল থেকে চেয়েছিলাম উনি যেন হাওড়ায় প্রার্থী না হন। অন্য যে কেউ হতে পারেন। ওখানে তো অনেক ভালো ভালো মানুষ রয়েছেন। জনসংযোগ বিহীন সাংসদ না হওয়াই পার্টির পক্ষে ভালো। আমরা তৃণমূল কংগ্রেস দলটা করি তো তাই বুঝি।’’ বাবুনের দাবি, বারবার এ নিয়ে দলকেও আপত্তির কথা জানিয়েছিলেন, কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। 

    আগামী দিনে হাওড়ায় নির্দল প্রার্থী হয়ে দলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য তিনি প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন বাবুন। উল্লেখ্য, ২০২২ সালেই কালীঘাট ছেড়ে হাওড়ার শিবপুরের ভোটার তালিকায় নাম তোলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: অভিযোগ জানাতে লম্বা লাইন, জমি কি আদৌ ফেরত পাবেন সন্দেশখালির সর্বহারারা?

    Sandeshkhali: অভিযোগ জানাতে লম্বা লাইন, জমি কি আদৌ ফেরত পাবেন সন্দেশখালির সর্বহারারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি ফিরে পেতে বিএলআরও অফিসে শত শত মানুষ অভিযোগ নিয়ে লাইনে। আন্দোলনের চাপে সময় বদলাচ্ছে সন্দেশখালির (Sandeshkhali)। আগে এলাকার মানুষের কোনও অভিযোগ প্রশাসনের কর্তারা শুনতেন না। এমনকী বিএলআরও অফিসের আধিকারিকের কাছে জমি নিয়ে অভিযোগ জানালে সেসব গ্রাহ্যই করা হত না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ ছিল। এবার বিএলআরও অফিসে অভিযোগ জানাতে লম্বা লাইন পড়তে শুরু করেছে। ফলে এখন মানুষের অভিযোগ-সমস্যা জানানোর অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ। সন্দেশখালির ত্রিমণি বাজার সংলগ্ন এলাকায় ভূমি রাজস্ব দফতরে জমিহারা মানুষ জমি ফেরত পেতে অভিযোগপত্র জমা করছেন। ফলে রাজস্ব দফতরের অফিসের পাশে থাকা ফটোকপির দোকানে ব্যাপক ভিড়।

    এলাকার মানুষের বক্তব্য (Sandeshkhali)

    এলাকার জমিহারা এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, “প্রত্যেক বছর যতবার দুয়ারে সরকার করা হয়েছে, তাতে হাঁটু পরিমাণ ধূলো জমে গিয়েছে কিন্তু একটাও ফাইল খুলে কাজ করেনি সরকারের আধিকারিকেরা। কোনও পাট্টা দেওয়া হয়নি। এমনকী টাকা দিয়েও কোনও কাজ করা যায়নি।” এলাকার আরও এক ভুক্তভোগী বলেন, “বিএলআরও নিজেই ঠিক করে কাজ করে না। ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কোনও খাজনার রশিদ দেওয়া হয়নি আমাদের। আমি নিজে ২ বিঘা জমি বিক্রি করেছি। কিন্তু আমার রেকর্ডে দেখা যাচ্ছে ৪ বিঘা জমি বাদ দেওয়া হয়েছে। আসলে সরষের মধ্যেই ভূত রয়েছে।”

    জমি ফিরে পাওয়ার আশা!

    একই ভাবে এলাকার (Sandeshkhali) আরও এক ব্যক্তি বলেন, “বিরাট দুর্নীতি এবং জবরদখল হয়েছে এলাকায়। ১৪৩ বিঘা জমির মালিক আলমগীর কীভাবে হলেন? শেখ শাহজাহান এবং তাঁর মেয়ে সুমায়ার নামে কীভাবে বিপুল পরিমাণ জমি রেকর্ড হল? ঝুপখালি এবং বেড়মজুর এলাকার অনেক মানুষের জমির রেকর্ড বদলে গিয়েছে। অভিযোগ জানালেও কোনও লাভ হত না। কিন্তু এখন কিছুটা হলেও বদল ঘটছে। ফলে জমি ফিরে পাওয়ার একটা আশা রয়েছে।”

    বিডিও-র বক্তব্য

    ত্রিমণি বাজারে গেলেই দেখা যাচ্ছে বিএলআরও অফিসের পাশে বসে এলাকার মানুষেরা নিজেদের অভিযোগ জানাচ্ছেন। জমি ফিরে পাওয়ার আশা দেখতে পাচ্ছেন এলাকার একাংশের মানুষ। কিন্তু কবে এই প্রক্রিয়ার কাজ শেষ হবে তা এখনও প্রশাসন জানায়নি। অপর দিকে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বিডিও বলেছেন, “বিএলআরও অন্যায় করেছেন। এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমি সব রিপোর্ট করে দিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share