Blog

  • Seva Teerth: প্রধানমন্ত্রীর নতুন কার্যালয় ‘সেবা তীর্থ’ উদ্বোধন করলেন মোদি, রইল না ঔপনিবেশিকতার ছাপ

    Seva Teerth: প্রধানমন্ত্রীর নতুন কার্যালয় ‘সেবা তীর্থ’ উদ্বোধন করলেন মোদি, রইল না ঔপনিবেশিকতার ছাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর নতুন কার্যালয় ‘সেবা তীর্থ’ (Seva Teerth)। কর্তব্য পথে নতুন অফিস কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। স্বাধীনতার পর এই স্থানান্তর প্রথমবারের মতো একটি আধুনিক স্থানান্তরের চিহ্ন। প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এই পরিমণ্ডল তৈরি করা হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপ ভারতের প্রশাসনিক শাসন স্থাপত্যের রূপান্তরমূলক একটি মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি ১০০ টাকার একটি স্মারক মুদ্রাও প্রকাশ করেছেন।

    প্রধানমন্ত্রী মোদি দুপুর ২টার দিকে ‘সেবা তীর্থ’ নামটি উন্মোচন করেন। এখানে আনুষ্ঠানিকভাবে সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবন ১ এবং ২ উদ্বোধন করেন মোদি। সেই সঙ্গে রাখা থাকবে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক। প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর আধুনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (PMO) ব্রিটিশ আমলের সাউথ ব্লক থেকে আধুনিক ও অত্যাধুনিক এই নতুন ভবনে স্থানান্তরিত হল।

    সেবা তীর্থ ও কর্তব্য ভবন

    এই চত্বরের নাম রাখা হয়েছে ‘সেবা তীর্থ’ (Seva Teerth), যা প্রধানমন্ত্রীর ‘সেবা’ বা জনসেবার প্রতি অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। এর পাশাপাশি তিনি ‘কর্তব্য ভবন-১’ এবং ‘কর্তব্য ভবন-২’ উদ্বোধন করেন, যেখানে অর্থ, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রকগুলো অবস্থিত থাকবে।

    প্রশাসনিক একীকরণ

    আগে বিভিন্ন মন্ত্রক ও সরকারি দফতর সেন্ট্রাল ভিস্তা এলাকার বিচ্ছিন্ন ও পুরনো ভবনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয় (NSCS) এবং ক্যাবিনেট সচিবালয় একই ছাদের নিচে সেবা তীর্থ কাজ করবে, যা প্রশাসনিক গতিশীলতা ও সমন্বয় বৃদ্ধি করবে।

    প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

    নতুন কার্যালয়ে কার্যভার (Seva Teerth) গ্রহণের পরই প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের কল্যাণ, নারী ক্ষমতায়ন যথা লাখপতি দিদি লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণ করা এবং স্টার্ট-আপ ইন্ডিয়া সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইলে স্বাক্ষর করেন।

    আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব

    নতুন এই কমপ্লেক্সগুলো ‘৪-স্টার গৃহ’ (4-Star GRIHA) মান অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে। এতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, নবায়নযোগ্য শক্তি, জল সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং উচ্চমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

    ঔপনিবেশিকতার অবসান

    ২০১৪ সাল থেকে সরকার ব্রিটিশ আমলের নাম ও প্রতীক পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে মোদি সরকার (Narendra Modi)। রাজপথ এখন ‘কর্তব্য পথ’, রেস কোর্স রোড হয়েছে ‘লোক কল্যাণ মার্গ’ এবং সাউথ ব্লক সংলগ্ন এই নতুন চত্বর হল ‘সেবা তীর্থ’ (Seva Teerth)। পুরানো সাউথ ব্লক ভবনটিকে এখন একটি জাতীয় জাদুঘরে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    কেন প্রয়োজন?

    কয়েক দশক ধরে, মন্ত্রণালয়গুলি সেন্ট্রাল ভিস্তা জুড়ে পুরানো, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ভবনগুলি থেকে পরিচালিত হয়েছিল, যার ফলে সমন্বয়ের ঘাটতি, লজিস্টিক বাধা এবং উচ্চ রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় তৈরি হয়েছিল। নতুন কমপ্লেক্সগুলির লক্ষ্য ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত অবকাঠামোতে নিরবচ্ছিন্ন সমন্বয়ের জন্য কাঠামো গঠন করা এবং মূল প্রশাসনিক বাহিনীকে একত্রিত করে এই সমস্যাগুলি সমাধান করা।

  • T20 World Cup 2026: টি২০ বিশ্বকাপে বড় অঘটন! অস্ট্রেলিয়াকে হারাল জিম্বাবোয়ে, এই নিয়ে ২ বার

    T20 World Cup 2026: টি২০ বিশ্বকাপে বড় অঘটন! অস্ট্রেলিয়াকে হারাল জিম্বাবোয়ে, এই নিয়ে ২ বার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ প্রথম অঘটন। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে হেরে গেল অস্ট্রেলিয়া। একের পর এক তারকার চোটে শুরু থেকেই সমস্যায় ছিল অজিরা। শুক্রবার অস্ট্রেলিয়াকে কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলে দিলেন সিকন্দর রাজারা। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে কলম্বোতে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ট্রাভিস হেডের দল। প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবোয়ে করে ২ উইকেটে ১৬৯। জবাবে অস্ট্রেলিয়া করল ১৯.৩ ওভারে ১৪৬। পুরো ২০ ওভার ব্যাটই করতে পারলেন না অজিরা। ২৩ রানে জিতল জিম্বাবোয়ে। এ দিন ম্যাচের কোনও সময়ই অস্ট্রেলিয়ার চেনা দাপট দেখা যায়নি।

    অস্ট্রেলিয়ার খটকা জিম্বাবোয়ে

    অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী বোলিং লাইনআপের বিপক্ষে জিম্বাবোয়ের ব্যাটাররা অসাধারণ পারফর্ম করে। জবাবে ১৪৬ রানে শেষ হয় অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। শুক্রবার ১৭০ রান তাড়া করতে নেমে ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবোয়ের বোলিং আক্রমণের সামনে কলম্বোর ২২ গজে দাঁড়াতেই পারেননি অস্ট্রেলিয়ার প্রথম চার ব্যাটার। জশ ইংলিস (৮), ট্রেভিস হেড (১৭), ক্যামেরন গ্রিন (০) এবং টিম ডেভিড (০) পর পর ফিরে যান। খাতায়-কলমে দুর্বল হলেও জিম্বাবোয়ে যে কোনও মুহূর্তে যে চমকে দিতে পারে, সে কথা অজানা নয় ৷ অন্য়দিকে প্রথম ম্য়াচ সহজে জিতলেও চোট-আঘাতে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে একটা খটকা ছিলই ৷ শুক্রবারের কলম্বোয় সেই খটকাই যেন বাস্তব রূপ নিল ৷ এর আগেও বিশ্বকাপে জিম্বাবোয়ের কাছে হারতে হয়েছিল অস্ট্রেলিয়াকে। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচেও অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল জিম্বাবোয়ে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দু’দেশ এখনও পর্যন্ত মুখোমুখি হয়েছে এই দু’বারই। সেই হিসাবে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল আফ্রিকার দেশটি। সব মিলিয়ে দু’দেশ চারটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে। ফল ২-২।

    নেপালকে হারিয়ে নজির ইটালির

    প্রথম বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে এসে নজির গড়ল ইটালি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তারা শুধু প্রথম ম্যাচই জিতল না, নেপালকে ১০ উইকেটে হারাল আজুরিরা। ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলে দিয়ে নজর কেড়েছিল নেপাল। অথচ ইটালির বিরুদ্ধে অসহায় দেখাল রোহিত পৌড়েলের দলকে। ওয়াংখেড়ের ২২ গজে প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না নেপাল। ধারাবাহিক ব্যবধানে উইকেট হারিয়েছে তারা। ১৯.৩ ওভারে ১২৩ রানে শেষ হয় যায় নেপালের ইনিংস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে কোনও উইকেট না হারিয়ে ১২.৪ ওভারে ১২৪ রান ইটালির। দুই ওপেনার ম্যাচ শেষ করে মাঠ ছাড়েন। বেশি আগ্রাসী ছিলেন অ্যান্টনি মোস্কা। তিনি ৩২ বলে অপরাজিত ৬২ রান করেন ৩টি চার এবং ৬টি ছক্কার সাহায্যে। তাঁর তিন বছরের ছোট ভাই জাস্টিন মোস্কা ৪৪ বলে ৬০ রান করে অপরাজিত থাকেন। তিনি ৫টি চার এবং ৩টি ছয় মেরেছেন। নেপালের কোনও বোলারই ইটালির দুই ওপেনিং ব্যাটারের আগ্রাসন থামাতে পারেননি। প্রথম বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেয়েই জয়ের স্বাদ পেল ইউরোপের দেশটি।

  • SIR: সম্পর্কের যোগসূত্র প্রমাণে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট! সেটা আবার কী? তাজ্জব রোল অবজার্ভাররা

    SIR: সম্পর্কের যোগসূত্র প্রমাণে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট! সেটা আবার কী? তাজ্জব রোল অবজার্ভাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর (SIR) শুনানি শেষ হয়েছে। বৈধ ভোটাররা নিজেদের নথিপত্র জমা দিয়েছেন। এবার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের অপেক্ষা মাত্র। সব নথি ভালো করে খতিয়ে দেখার জন্য আরও এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে চলছে সুপার চেকিং (Election Commission)। আর তাতেই উঠে এসেছে বিরাট চাঞ্চল্যকর তথ্য। বাবা অথবা মায়ের সঙ্গে ছেলে-মেয়ের সম্পর্কের যোগসূত্র প্রমাণের জন্য জমা নেওয়া হয়েছে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট বা রক্তের সম্পর্কের শংসাপত্র!

    রোল অবজার্ভাররা তাজ্জব (SIR)

    একজন বললেন, “বার্থ সার্টিফিকেটর নাম শুনেছি আমরা, তবে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট আবার কী?” এই নিয়ে ওয়াকিবহাল মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। এবার এই সার্টিফিকেট ইস্যু করে এসআইআর–এর তালিকায় গ্রহণ করার কথা জানা গিয়েছে। সুপার চেকিং করতে গিয়ে এই তথ্য সম্পর্কে জানা গিয়েছে। রোল অবজার্ভাররা (SIR) তাজ্জব। ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট কী? উত্তর খুঁজছেন অবজার্ভাররা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে এক ব্যাক্তিকে দেওয়া হয়েছে এই ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট। এই ধরনের সার্টিফিকেটের কোনও বৈধতা আদৌ রয়েছে কিনা? না থাকলে কেন জমা নেওয়া হয়েছে এই সার্টিফিকেট। তবে এখানেই নয়, সুপার চেকিং করতে গিয়ে এমন কিছু কিছু তথ্য এসেছে যার কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। কোথাও বার্থ সার্টিফিকেট ইস্যুর (Election Commission) মতো অনেক ঘটনা সামনে এসেছে। কোথাও দেখা যাচ্ছে ভাই-বোনের বয়সের ফারাক মাত্র ১ মাস।

    দুই সন্তানের বয়সের ফারাক ২৭ দিন

    উল্লেখ্য সরকারি সংবাদ মাধ্যম ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’র একটি প্রতিবেদনে এসআইআর (SIR)  নিয়ে কিছু অসঙ্গতির তথ্য সামনে এসেছে। যেমন মেটিয়াবুরুজে ১০ জন ভোটার নিজের বাবার নাম হিসেবে আবদুল হায় নামে এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন। ফর্ম খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে, দুই সন্তানের বয়সের ফারাক ২৭ দিন, আর দুজনেরই বাবা-মায়ের নাম আব্দুল হায় ও আনোয়ারা বিবি।

    এসআইআরের শুনানিতে কমিশনের বেঁধে দেওয়া নথির তালিকায় রয়েছে জন্মের শংসাপত্র, পাসপোর্ট, মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, জাতিগত শংসাপত্রের মতো নথি। অনেক নথিতে অনেক গরমিল খুঁজে পাচ্ছেন কমিশন নিযুক্ত পর্যবেক্ষকেরা। কোথাও দেখা যাচ্ছে, জন্মের আগেই জন্মের শংসাপত্র দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার এনুমারেশন ফর্মে (Election Commission) জন্মের তারিখই লেখেননি ভোটার। কী ভাবে সেই ফর্ম জমা নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

  • India Brazil Relations: ভারত–ব্রাজিল সম্পর্ক নয়া উচ্চতায়, ২৬০ কোম্পানি ও ১৪ মন্ত্রী নিয়ে দিল্লি সফরে আসছেন লুলা

    India Brazil Relations: ভারত–ব্রাজিল সম্পর্ক নয়া উচ্চতায়, ২৬০ কোম্পানি ও ১৪ মন্ত্রী নিয়ে দিল্লি সফরে আসছেন লুলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরে আসছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা (Luiz Inácio Lula da Silva)। আগামী ১৮ থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (President Lula PM Modi Meet) সঙ্গে দেখা করার জন্য দিল্লি আসছেন লুলা। তাঁর সঙ্গে থাকছে ব্রাসিলিয়ার ২৬০টি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির প্রতিনিধিদল ও ১৪ জন মন্ত্রিসভার সদস্য। ভারত সফরে এটাই হবে ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ প্রতিনিধিদল, যা এই সফরের শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও কৌশলগত দিকটি তুলে ধরছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ২১ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং প্রেসিডেন্ট লুলার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি এই সফরের মূল আকর্ষণ হতে চলেছে। দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের (President Lula in India) সমস্ত দিক পর্যালোচনা করবেন এবং ভারত-ব্রাজিল কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার উপায় খুঁজবেন। সঙ্গে থাকা মন্ত্রীরা তাঁদের ভারতীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    ব্রাজিল প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কী নিয়ে আলোচনা

    ২১ ফেব্রুয়ারি নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রেসিডেন্ট লুলার মধ্যে শীর্ষ বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে। সেখানে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে। আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, শক্তি (নবায়নযোগ্য সহ), কৃষি, স্বাস্থ্য ও ওষুধ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, বিরল খনিজ পদার্থ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন, ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ডিপিআই) ও এআই-এর ক্ষেত্রে সহযোগিতা, মহাকাশ এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে সংযোগের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। দুই নেতা পারস্পরিক স্বার্থের আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়, বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতা, সংস্কারকৃত বহুপাক্ষিকতা, বিশ্বব্যাপী শাসন এবং গ্লোবাল সাউথের সমস্যা নিয়েও মতবিনিময় করবেন। রাষ্ট্রসংঘ সংস্কার, জলবায়ু পরিবর্তন এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয়ে দুই দেশের মতামত একই।

    কূটনৈতিক গুরুত্ব ও প্রেক্ষাপট

    এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন বৈশ্বিক ভূরাজনীতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। গত জুলাই ২০২৫-এ ব্রাসিলিয়ায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র সঙ্গে প্রেসিডেন্ট লুলার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও কৌশলগত সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে ঐকমত্য গড়ে ওঠে। সেই ধারাবাহিকতায় দিল্লি সফরকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে ব্রাজিল সরকার। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সফরে প্রেসিডেন্ট লুলা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক দ্বিতীয় শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেবেন। প্রসঙ্গত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শীর্ষ বৈঠকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, নীতিনির্ধারক এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন। বৈঠকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নৈতিক ব্যবহার, তথ্য সুরক্ষা, উদ্ভাবন এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য প্রযুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। ভারত এই ক্ষেত্রকে ভবিষ্যতের বৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছে। দিল্লিতে নিরাপত্তা ও প্রোটোকল সংক্রান্ত প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশগ্রহণ

    সফরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ১৯–২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় “এআই ইমপ্যাক্ট সামিট”-এ প্রেসিডেন্ট লুলার অংশগ্রহণ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উদ্ভাবন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল উন্নয়নে দুই গণতান্ত্রিক দেশের অভিন্ন আগ্রহ এই অংশগ্রহণে প্রতিফলিত হবে। ব্রাজিলের শীর্ষস্থানীয় সংস্থাগুলির সিইও-রা এই সফরে আয়োজিত একটি বিজনেস ফোরামে অংশ নেবেন, যা ভারত ও ব্রাজিলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে প্রতিফলিত করে। বর্তমানে লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে ব্রাজিল ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও রেয়ার আর্থ, প্রতিরক্ষা উৎপাদন, ওষুধশিল্প এবং ডিজিটাল অবকাঠামো খাতে বিপুল সম্ভাবনা দেখছেন দুই দেশের নীতিনির্ধারকরা।

    দ্রৌপদী মুর্মু-র সঙ্গেও সাক্ষাৎ লুলার

    এটি হবে প্রেসিডেন্ট লুলার ষষ্ঠ ভারত সফর এটি। তিনি প্রথমবার ২০০৪ সালে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভারত সফর করেন এবং শেষবার ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের জন্য ভারতে এসেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট লুলা প্রায়শই সাক্ষাৎ করেছেন। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী মোদি ২০২৫ সালের ৭-৮ জুলাই ব্রাসিলিয়ায় রাষ্ট্রীয় সফরে গিয়েছিলেন, যা ছিল ৫৭ বছরের মধ্যে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। দুই নেতা ২০২৫ সালের নভেম্বরে জোহানেসবার্গে জি২০ সম্মেলনের সময়ও দেখা করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট লুলা ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু-র সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন। তাঁর সম্মানে রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের আয়োজন করা হবে।

    কাছে আসছে ভারত ও ব্রাজিল

    আমেরিকার শুল্ক বসানোর পর থেকেই পৃথিবীতে নতুন অক্ষ তৈরি হতে শুরু করেছে। আর এমন পরিস্থিতিতেই কাছে এসেছে ভারত এবং ব্রাজিল। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা জানান, ভারত এবং ব্রাজিলের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান রয়েছে। ব্রাজিলিয়ানরা ভালোবাসে ভারতীয়দের। আর ভারতীয়রা ভালোবাসে ব্রাজিলকে। তাই একটা শক্ত পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে উঠতেই পারে বলে তিনি মনে করেন। গত বছরে ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকায় দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সাক্ষাতের পরে সিদ্ধান্ত হয়েছিল বিনিয়োগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষার পাশাপাশি কৃষি, জ্বালানি, স্বাস্থ্য ও দুই দেশের জনগণের মধ্যে সুসম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার। সেই সমস্ত ক্ষেত্রে অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হবে লুলা ও মোদির। বিদেশ মন্ত্রকের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘ভারত ও ব্রাজিলের সম্পর্ক বহু দশকের। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি গবেষণা, স্বাস্থ্য এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রেও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে। এই সফর সেই সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।’

  • Bangladesh: “বাংলাদেশে হিন্দুরা আর এক দশকও বাঁচবে না”, চরম আশঙ্কা প্রকাশ মার্কিন হিন্দু সংগঠনগুলির

    Bangladesh: “বাংলাদেশে হিন্দুরা আর এক দশকও বাঁচবে না”, চরম আশঙ্কা প্রকাশ মার্কিন হিন্দু সংগঠনগুলির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুরা আর এক দশকও টিকবে না বাংলাদেশে (Bangladesh)। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতা (US Lawmakers Hindu Group) ও হিন্দু সংগঠনগুলোর উদ্বেগ প্রকাশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হিন্দু সংগঠন এবং মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলি বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের জীবন এবং সম্পত্তির সুরক্ষা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশে নির্বাচনের পর নতুন সরকারের কাছে সংখ্যালঘুর সুরক্ষার আবেদন করেছে। এই নিয়ে একটি বিক্ষোভ হয় আমেরিকাতে।

    অস্তিত্ব রক্ষার সংকট (Bangladesh)

    ওয়াশিংটন ডিসির রোবার্ন হাউস অফিসের সামনে কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলি হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর যে ভাবে আক্রমণ করছে তার তীব্র বিরোধিতা করে। এদিন এই বিক্ষোভের কর্মসূচিতে কংগ্রেসনাল ব্রিফিং কোয়ালিশন অফ হিন্দুস অফ নর্থ আমেরিকা, হিন্দু অ্যাকশন এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলি ছিল। মার্কিন আইনপ্রণেতা (US Lawmakers Hindu Group) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক হিন্দু সংগঠন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, বাংলাদেশে (Bangladesh) বর্তমান পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।

    মার্কিন কংগ্রেসের উদ্বেগ

    গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে (Bangladesh) জাতীয় নির্বাচনের পর যে নতুন সরকার গঠন হবে তারা যেন সংখ্যালঘু এবং হিন্দুদের সুরক্ষার বিষয়ে দায়িত্বশীল হন। গত দুই বছরে বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন চরম আকার নিয়েছে। বেশ কয়েকজন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য (US Lawmakers Hindu Group) বাংলাদেশ সরকারকে হিন্দু এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হওয়া হিংসাকে বন্ধ করতে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    নিপীড়নের অভিযোগ

    প্রতিবেদনে বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের মন্দির ভাঙচুর, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং শারীরিক নির্যাতনের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী তুলে ধরা হয়েছে। কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে তরফে এদিন বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে হাসিনাকে বিতারিত করার পর যেদিন থেকে মহম্মদ ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সেই দিন থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু নির্যাতন মারাত্মক আকার নিয়েছে। হিন্দুদের বাড়ি ঘর, লুট, ধর্ষণ, খুন, হত্যা, মন্দির ভাঙচুর সহ একাধিক বহু ঘটনায় হিন্দু জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় মার্কিন মানবাধিকার সংগঠন মানবাধিকার রক্ষায় ব্যাপক ভাবে সক্রিয় হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের দাবি

    হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন (HAF) সহ বিভিন্ন গোষ্ঠী জোরালো দাবি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং বিশেষ করে মার্কিন প্রশাসন বাংলাদেশে (Bangladesh) মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। উত্তর আমেরিকার হিন্দু জোটের সদস্য জগন্নাথ (US Lawmakers Hindu Group) বলেন, “বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন ভাবে আরও তথ্য গ্রহণ করতে হবে। হিন্দুদের সম্পর্কে নীরবতা পালন করলে আগামীদিনে অস্তিত্ব রাখা নিয়েই প্রশ্ন চলবে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, কট্টরপন্থীরা হিন্দুদের বেঁচে থাকার সব অধিকার কেড়ে নিয়েছে। কট্টর ইসলামি সগঠন অতিসক্রিয় ভাবে হিন্দুদের উপর দমন নিপীড়ন চালাচ্ছে।”

    জনসংখ্যার হ্রাস

    আলোচনায় উঠে এসেছে যে, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যার হার আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ অস্তিত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক স্তরে চাপ বাড়াতে আমেরিকায় (US Lawmakers Hindu Group) এই প্রতিবাদ বলে মনে করা হচ্ছে। সংখ্যালঘুর অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশের উপর চাপ বৃদ্ধি করতে মার্কিন আইন প্রণেতারা সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জীবন সম্পত্তি রক্ষায় যাতে কাজ করেন সেই কথাই এদিনে আলচানায় উঠে আসে।

     

  • T20 World Cup 2026: লক্ষ্য পাকিস্তান ম্যাচ! নামিবিয়াকে রেকর্ড ৯৩ রানে হারিয়ে কলম্বোর পথে সূর্যরা

    T20 World Cup 2026: লক্ষ্য পাকিস্তান ম্যাচ! নামিবিয়াকে রেকর্ড ৯৩ রানে হারিয়ে কলম্বোর পথে সূর্যরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) প্রথম দুই ম্যাচে তুলনামূলক সহজ দুই প্রতিপক্ষকে দুরমুশ করে রবিবারের ভারত-পাক মহারণের প্রস্তুতি সেরে ফেললেন সূর্যকুমাররা। নামিবিয়াকে ৯৩ রানে হারিয়ে ভারত পয়েন্ট টেবিলের প্রথম স্থানে চলে এল। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ই ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবথেকে বেশি ব্যবধানে জয়। শুক্রবারই শ্রীলঙ্কা রওনা হবে ভারতীয় দল। রবিবার কলম্বোয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মহাযুদ্ধে নামবেন সূর্যরা। অনেক টালবাহানার পর অবশেষে ভারত ম্যাচে খেলতে রাজি হয়েছে পাকিস্তান। তারাও এই মুহূর্তে গ্ৰুপের দ্বিতীয় পজিশনে। রবিবার পাক বধ করতে পারলেই সুপার এইটের রাস্তা অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যাবে গুরু গম্ভীরের দলের কাছে। তার আগে নামিবিয়াকে হারিয়ে পাক ম্যাচের প্রস্তুতি নিয়ে রাখলেন ঈশানরা।

    রেকর্ড রানে জয় ভারতের

    বৃহস্পতিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ১৮তম ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে ব্যাট হাতে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন ভারতের ওপেনার ঈশান কিষাণ। মাত্র ২৪ বলে ৬১ রান করেন, যার মধ্যে ছয়টি চার ও পাঁচটি ছক্কা ছিল। ইশান শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে উপস্থিত হন এবং নামিবিয়ার বোলারদের হতাশ করেন। ইশান মাত্র ২০ বলে তার পঞ্চাশ রান করেন। এদিন ২৮ বলে ৫২ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন হার্দিক। তাঁদের দাপটে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান তোলে ভারত। ২১১ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় নামিবিয়া। বল হাতে ভারতকে এগিয়ে দেন তারকা স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী। অসাধারণ বোলিং করে মাত্র ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। হার্দিক পান্ডিয়াও বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন, তাঁর ঝুলিতে যায় ২ উইকেট। শেষ পর্যন্ত ১১৬ রানে গুটিয়ে যায় নামিবিয়ার ইনিংস। নামিবিয়াকে ৯৩ রানে হারিয়ে রেকর্ড গড়েন সূর্যরা।

    ভারত-পাক মহারণই আসল পরীক্ষা

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম দু’ম্যাচে জয় এলও দলের পারফরম্যান্স প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না। নামিবিয়াকে ৯৩ রানে হারানোর পর মেনে নিলেন সূর্যকুমার যাদব। সূর্য মেনে নিলেন, সব কিছু ঠিকমতো হচ্ছে না। ম্যাচের পর তিনি বললেন, ‘‘ভালো ম্যাচ হল। ঈশান কিশন আর সঞ্জু স্যামসন দারুণ শুরু করেছিল। ৬-৭ ওভারে মনে হচ্ছিল ২৪০-২৫০ রান হয়ে যাবে। সেটা হল না। উইকেটে বল একটু থেমে আসছিল। নামিবিয়ার বোলারেরাও খুব ভালো বল করল। ওদের কৃতিত্ব কেড়ে নিতে চাই না। ক্রিকেট এই জন্যই অনিশ্চয়তার খেলা।’’ ভারতীয় দলের অধিনায়ক খুশি বুমরা, হার্দিকের পারফরম্যান্সে। সূর্য বললেন, ‘‘বুমরাহ পুরো ৪ ওভার বল করল। এটা আমাদের বড় পাওনা। অক্ষর প্যাটেলের সঙ্গে জুটিতে বরুণ চক্রবর্তীও খুব ভালো বল করল।’’ আলাদা করে বললেন হার্দিকের কথা। সূর্য উচ্ছ্বসিত তাঁকে নিয়ে, ‘‘হার্দিক দুর্দান্ত। ভালো ব্যাট করল। নতুন বলে বল করল। শেষের দিকের ওভারগুলোতেও বেশ ভালো বল করল। যখন প্রয়োজন হচ্ছে, তখনই কিছু না কিছু করছে। আমাদের কাছে প্রতিটা ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। শুরুটা হয়তো আমরা নিখুঁত করতে পারিনি। তবে দল ঠিক পথেই এগোচ্ছে।’’ আসলে রবিবার ভারত-পাক মহারণই যে আসল পরীক্ষা, তা ভালোই জানেন সূর্য।

  • Bangladesh Election: একসঙ্গে কাজ করার কৌশলী বার্তা! বাংলাদেশে বিপুল জয়ের জন্য তারেককে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Bangladesh Election: একসঙ্গে কাজ করার কৌশলী বার্তা! বাংলাদেশে বিপুল জয়ের জন্য তারেককে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথা মেনেই প্রতিবেশী দেশের ভাবী প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে (Bangladesh Election) বড় ব্যবধানে জয়ী হতে চলেছে বিএনপি। গণনায় এমন ইঙ্গিত স্পষ্ট হতেই বিভিন্ন দেশ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছোচ্ছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে। শুক্রবার সকালে সমাজমাধ্যমে প্রথমে ইংরেজি এবং পরে বাংলায় একটি পোস্ট করে তারেককে ‘আন্তরিক অভিনন্দন’ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আবার একসঙ্গে কাজ করার বার্তাও দিয়েছেন মোদি। দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের নতুন রেকর্ড গড়তে চলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) ও তার মিত্ররা। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ইতিমধ্যেই ২১১টি আসনে জয়লাভ করে জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (Two-thirds Majority) নিশ্চিত করেছে।

    অভিনন্দন বার্তায় কী লিখলেন মোদি

    শুক্রবার সকালে সমাজ মাধ্যমে এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদি লিখেছেন, “বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপি-র নির্ণায়ক জয়ে নেতৃত্বে দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।” ভারত-বাংলাদেশ বহুমুখী সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে তারেককে একসঙ্গে কাজ করারও আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি লেখেন, “আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ককে মজবুত করার জন্য এবং অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যগুলি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমি আপনার সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।” একই সঙ্গে মোদি লেখেন, “গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে ভারত তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।” ‘ঐতিহাসিক বিজয়ে’র জন্য তারেককে ধন্যবাদ জানিয়েছে আমেরিকাও। শুক্রবার সকালে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের তরফ থেকে সমাজমাধ্যমে বাংলা এবং ইংরেজিতে একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে লেখা হয়েছে, “একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি এবং তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা।”

    কৌশলী পদক্ষেপ মোদির

    ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হাসিনা সরকারের পতন হওয়ার পর থেকেই আওয়ামি লিগ নেত্রী শেখ হাসিনা দিল্লিতে ‘রাজনৈতিক আশ্রয়ে’ রয়েছেন। গণহত্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত। বারবার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার তাঁকে প্রত্যর্পণের দাবি করলেও এ বিষয়ে নয়াদিল্লি একেবারে নিশ্চুপ। এমনকী বাংলাদেশে নির্বাচনী আবহেও দিল্লি থেকে নানা রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন হাসিনা। এসবের পর নির্বাচনে বিএনপি-র জয়ের আভাস পেয়েই মোদির বার্তা কৌশলী পদক্ষেপ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিএনপি-র

    প্রত্যাশিতভাবেই বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের পথে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৯৯টি আসনের সংসদে জাদুসংখ্যা পেরিয়েছে খালেদা জিয়ার দল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে। আর বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন তারেক। সংসদে বিরোধী দলের আসনে জামাত-ই-ইসলামি। শুক্রবার ভোররাতে নির্বাচন কমিশন এই ফল ঘোষণা করেন।নিষেধাজ্ঞা থাকায় এবারের ভোটে অংশ নিতে পারেনি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগ।

    বিপুল ভোটে জয়ী তারেক

    বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে নির্বাচন হয়েছে বৃহস্পতিবার। শেরপুর-৩ আসনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত রয়েছে। সরকার গঠনের জন্য কোনও দল বা জোটকে ১৫১টি আসনে জিততে হতো। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান দু’টি আসনেই (ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬) জয়ী হয়েছেন। ৭৭ হাজার ভোটে বগুড়া-৬ আসনে বিপুল জয় খালেদা-পুত্র তারেক রহমানের। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান পেয়েছেন ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৯১৩ ভোট। এই আসনে তারেকের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতের প্রার্থী মহম্মদ আবিদুর রহমান। ইতিমধ্যেই বিএনপি-র তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে ‘বিপুল সংখ্যক আসনে’ নির্বাচিত করার জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। শুক্রবার প্রয়াত খালেদা জিয়ার স্মৃতিতে, দেশবাসীর প্রতি শুভকামনায় বিএনপি-র তরফে বিভিন্ন মজসিদে প্রার্থনা করা হবে। তাদের তরফে বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষকে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করার অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিএনপি-র তরফে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, তারা জয় উপলক্ষে কোনও বিজয়মিছিল বা সভা করছে না।

    ভারত-বিরোধিতা কাজে এল না

    লাগাতার ভারত-বিরোধিতা অস্ত্র কাজে এল না। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হুমকি, বিরোধী মন্তব্যের পরও বাংলাদেশ ভোটে জিততে পারলেন না ছাত্রনেতা সারজিশ আলম। নিজের কেন্দ্র পঞ্চগড়-১ আসনে গোহারা হারলেন তিনি। এই আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। এবারের ভোটে জামাতের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করেছে জুলাই আন্দোলন থেকে উঠে আসা ছাত্রদের দল এনসিপি। তাঁদের প্রার্থীরা মোটের উপর ভালো ফল করলেও সারজিশের হারে প্রমাণ, তাঁর আগাগোড়া ভারত বিরোধী মনোভাব অন্তত জনসমর্থন টানতে পারেনি।

    গণভোটের গণনা

    দীর্ঘ দেড় দশকের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সারা দেশ থেকে আসা বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, দলটি ইতিমধ্যেই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় আসন নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশে চলছে গণভোটের গণনা। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা’র (বাসস) খবর অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৭টা পর্যন্ত গণভোটে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ৮ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৭টি এবং না ভোট পড়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৫৬টি। এ বারই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি ঘোষণা না হলেও সংসদ নির্বাচনের ফল স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ক্ষমতা আসতে চলেছে বিএনপি। এ বার গণভোটের যে ইঙ্গিত মিলছে তাতে স্পষ্ট, হ্যাঁ ভোট এগিয়ে অনেকটাই।

  • Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজের সরবরাহ নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক তৎপরতা জোরদার করা প্রয়োজন। তাই ব্রাজিল, কানাডা, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে যৌথভাবে অনুসন্ধান, উত্তোলন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পুনর্ব্যবহারের চুক্তি নিয়ে আলোচনা (India) করছে ভারত (Critical Minerals Deals)। খনন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিশ্বের বহু গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহে আধিপত্য এবং উন্নত খনন ও প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির কারণে চির-প্রতিদ্বন্দ্বী চিনের ওপর ভারতের অতিরিক্ত নির্ভরতা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তাঁদের মতে, এই পরিস্থিতি কার্বন নিঃসরণ কমাতে ভারতের জ্বালানি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

    কোন কোন দেশের সঙ্গে আলোচনা (Critical Minerals Deals)

    তবে আবিষ্কার থেকে উৎপাদন পর্যায়ে পৌঁছতে খনিশিল্পে সময় লাগে বিস্তর। শুধু অনুসন্ধান কাজই পাঁচ থেকে সাত বছর পর্যন্ত চলে এবং অনেক ক্ষেত্রেই তা খনি প্রতিষ্ঠায় গিয়ে শেষ হয় না। সূত্রের খবর, “অনুরোধ এসেছে এবং আমরা ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও ব্রাজিলের সঙ্গে আলোচনা করছি। অন্যদিকে কানাডার সঙ্গে চুক্তিটি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।” সূত্রের মতে, এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারতের খনিমন্ত্রক। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মার্চের শুরুতে ভারত সফর করতে পারেন এবং ইউরেনিয়াম, জ্বালানি, খনিজ এবং এআই সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন। কানাডার প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগ জানুয়ারি মাসে এক বিবৃতির দিকে ইঙ্গিত করে জানিয়েছে, উভয় পক্ষ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ে সহযোগিতা করার বিষয়ে রাজি হয়েছে (India)।

    মন্তব্য করেনি কোনও দেশই

    নয়াদিল্লিতে ব্রাজিলের দূতাবাস, ভারতের খনিমন্ত্রক ও বিদেশমন্ত্রক সংবাদ মাধ্যমে এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। নেদারল্যান্ডসের দূতাবাসের তরফেও কোনও মন্তব্য করা হয়নি। মন্তব্য করতে চায়নি ফ্রান্সের দূতাবাসও। ভারত বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সন্ধান জোরদার করেছে এবং ইতিমধ্যেই আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পেরু ও চিলির সঙ্গে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে, যার আওতায় গুরুত্বপূর্ণ খনিজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে (Critical Minerals Deals)। ভারতের এই আন্তর্জাতিক তৎপরতা এমন একটা সময়ে বাড়ছে, যখন গত মাসে ওয়াশিংটনে জি-৭ ও অন্যান্য বড় অর্থনীতির অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে চিন থেকে ‘রেয়ার আর্থ’ নির্ভরতা কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে (India)। ২০২৩ সালে ভারত লিথিয়াম-সহ ২০টির বেশি খনিজকে “গুরুত্বপূর্ণ” বলে চিহ্নিত করেছে, যা তার জ্বালানি রূপান্তর এবং শিল্প ও পরিকাঠামো খাতে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য অপরিহার্য (Critical Minerals Deals)।

     

  • BJP: “ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত”! রাহুলের সাংসদ পদ খারিজের দাবি বিজেপির নিশিকান্ত দুবের

    BJP: “ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত”! রাহুলের সাংসদ পদ খারিজের দাবি বিজেপির নিশিকান্ত দুবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে সাবস্ট্যান্টিভ মোশন (Substantive Motion) জমা দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। বৃহস্পতিবার এ কথা জানান তিনি। এতে তিনি রাহুলের সাংসদ পদ বাতিল করার এবং তাঁকে আজীবনের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছেন। বুধবার (BJP) কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন রাহুল। তার পরেই বিজেপি সাংসদের এই পদক্ষেপ। তিনি ভারত-আমেরিকা অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে “দেশ বিক্রি করে দেওয়ার” অভিযোগ করেন। রাহুলের দাবি, এই চুক্তি কৃষকদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে, বস্ত্র শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সুবিধা দিয়ে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করে।

    কিরেন রিজিজুর বক্তব্য (BJP)

    এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু মন্তব্য করেছিলেন যে সরকার রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে সংসদকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগে একটি প্রিভিলেজ মোশন (Privilege Motion) আনবে। যদিও দুবে জানান, এই ধরনের কোনও প্রিভিলেজ মোশন দাখিল করা হয়নি। তিনি বলেন, “এটি কোনও প্রিভিলেজ মোশন নয়। আমি একটি সাবস্ট্যান্টিভ মোশন জমা দিয়েছি, যেখানে উল্লেখ করেছি যে তিনি নাকি সোরোস ফাউন্ডেশন, ফোর্ড ফাউন্ডেশন, ইউএসএইডের সঙ্গে যুক্ত এবং তাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম ও আমেরিকা সফর করেছেন। তিনি ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত।”

    দুবের বক্তব্য

    দুবে বলেন, “এটি সর্বজনবিদিত যে আমাদের দেশের কোনও নাগরিক বা জনপ্রতিনিধি কিংবা উচ্চপদস্থ কর্তা এমন কিছু করেন না যা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে। দলীয় ভেদাভেদ নির্বিশেষে সাংসদদের মধ্যে একটি নীরব সমঝোতা রয়েছে যে সাময়িক রাজনৈতিক লাভের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বা তার আধিকারিকদের টেনে আনা হবে না। কিন্তু রাহুল গান্ধীর ক্ষেত্রে এই নৈতিক মানদণ্ড প্রযোজ্য নয়। ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে লোকসভায় তাঁর ভাষণে স্পষ্ট, যেখানে তিনি কৌশলে প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানের নাম নিয়েছেন (Rahul Gandhi)।” দুবে বলেন, “সময়ের দাবি হল জরুরি ও কাঠামোবদ্ধ তদন্ত পরিচালনা করা, যাতে একজন সাংসদ ও বিরোধী দলনেতা হিসেবে তাঁর কথিত অনৈতিক আচরণ পরীক্ষা করা যায় এবং তাঁকে অবিলম্বে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা যায় (BJP)।”

    রাহুলের সদস্যপদ বাতিলের দাবি

    তিনি রাহুলের সদস্যপদ বাতিল ও স্থায়ীভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। তবে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও লোকসভার প্রাক্তন মহাসচিব পিডিটি আচার্য দুবের পদক্ষেপের প্রক্রিয়াগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “দুবে কোন নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনে মোশন জমা দিয়েছেন তা উল্লেখ করেননি (Rahul Gandhi)।” আচার্য বলেন, “সব মোশনই সাবস্ট্যান্টিভ। তিনি কোন নিয়ম উদ্ধৃত করছেন? নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী মোশন জমা দিতে হয়। যদি কেউ সংসদের অবমাননা করে, তাহলে অবমাননার নোটিশ দেওয়া যেতে পারে। তা প্রিভিলেজেস কমিটি পরীক্ষা করবে এবং রিপোর্ট বা সুপারিশ করবে। এরপর হাউস ব্যবস্থা নেবে, এটাই প্রক্রিয়া। এর বাইরে অন্য কোনও পথ নেই (BJP)।” তিনি আরও বলেন, “সংসদের কোনও সদস্যকে বহিষ্কার করার ক্ষমতা হাউসের থাকলেও অযোগ্য ঘোষণা করার ক্ষমতা নেই। অযোগ্য ঘোষণা কেবলমাত্র দলত্যাগ বিরোধী আইন (Anti-Defection Law) এবং জন প্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People’s Act) অনুযায়ী হতে পারে।”

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    এদিকে, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল বলেন, “দল এসব পদক্ষেপে বিচলিত নয়। আমরা কোনও মোশন নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। আমাদের ফাঁসি দিতে চাইলে তাতেও প্রস্তুত আছি।” তাঁর অভিযোগ, লোকসভায় রাহুলের কিছু বক্তব্য বুধবার রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। লোকসভার স্পিকারকে অপসারণের নোটিশ দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বেণুগোপাল বলেন, “আমরা চেয়ার থেকে ন্যায়বিচার পাচ্ছি না (BJP)।” রাহুলের বক্তব্যের বিরুদ্ধে শাসক দলের পদক্ষেপ সম্পর্কে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “রাহুল গান্ধী কোন বিশেষাধিকার ভঙ্গ করেছেন? আগেও তাঁর সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছিল। তারপর জনগণ আরও বেশি ভোট দিয়ে তাঁকে জয়ী করেছেন।” তিনি বলেন, “আমরা সত্য বলা বন্ধ করব না (Rahul Gandhi)।” রাহুলের বক্তব্য রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার চেয়ারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে যাতে বিরোধী সদস্যরা কথা বলার সুযোগ না পান।” তিনি বলেন, “রাহুলজি যা বলেছেন, তা সম্পূর্ণভাবে রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নির্মলা সীতারামনের অনুরূপ মন্তব্য রেকর্ডে রাখা হয়েছে। সরকারের দ্বৈত মানদণ্ড রয়েছে। এই সংসদ চালাচ্ছে সরকার, তবে বিরোধীদের জন্য নয় (BJP)।”

    রিজিজুর বক্তব্য

    মন্ত্রী রিজিজু বলেন, “আমি রাহুল গান্ধীকে কোনও পাঠ শেখাতে পারি না। তিনি কোন জগতে বাস করেন, তা আমি বুঝতে পারি না।
    কোন আদর্শ তাঁর কাজকর্ম পরিচালিত করে? কংগ্রেসের প্রবীণ নেতাদের উচিত তাঁকে বোঝানো যে সংসদ এভাবে চলতে পারে না। এখানে শিশুদের মতো আচরণ করবেন না। আমাদের দেশ বিশাল, এবং নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (BJP)।”

     

  • Heart Health in Spring: বসন্তে কি বাড়ে হৃদরোগের ঝুঁকি? কেন বাড়তি খেয়াল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Heart Health in Spring: বসন্তে কি বাড়ে হৃদরোগের ঝুঁকি? কেন বাড়তি খেয়াল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শীত আর বেশি দিন নেই। পলাশ ফুল জানান দিচ্ছে বসন্ত প্রায় দোড়গোড়ায়। বছরের এই সময়ে প্রকৃতি নানান রঙে সেজে ওঠে। শীতের আমেজ সরে গিয়ে, গরমের আভাস দেয় বসন্ত! তবে কবির লেখায় বসন্ত নিয়ে নানান রঙিন শব্দ চয়ন থাকলেও বসন্ত কিন্তু বিপজ্জনক! অন্তত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, বসন্তে শরীরের দিকে বাড়তি নজরদারি জরুরি। না হলেই বড় বিপদ হতে পারে। বিশেষত হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয় বসন্ত।

    বসন্তে কেন বাড়তে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে তাপমাত্রার পারদ কিছুটা কমে। আর বসন্ত এলেই হঠাৎ করেই আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটে। তাপমাত্রার পারদ ঊর্ধ্বমুখী হয়। আর আবহাওয়ার এই পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে রক্তচাপে। শরীরের রক্তচাপ হঠাৎ করেই ওঠানামা করতে থাকে। পেশির সংকোচন ও প্রসারণের ক্ষেত্রেও জটিলতা তৈরি হয়। আর তার জেরেই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। রক্তচাপ ঘন ঘন ওঠানামা করলে কিংবা পেশি সংকোচন-প্রসারন ঠিকমতো না হলে হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতার উপরেও প্রভাব পড়ে। তার ফলেই হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও বাড়ে। তাই বসন্ত ঋতুতে হৃদপিণ্ডের বাড়তি যত্ন প্রয়োজন।

    কাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে ভারতে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বয়স আর সীমারেখা মানছে না। বয়স তিরিশের চৌকাঠ পেরনোর পরেও হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছে। তাই বয়স নয়, শরীর কেমন আছে, সেদিকে সকলের খেয়াল রাখা জরুরি। বিশেষত পুরুষদের এই বিষয়ে বাড়তি যত্ন প্রয়োজন। কারণ এ দেশে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, মহিলাদের তুলনায় ছেলেরাই হৃদরোগে বেশি আক্রান্ত হন। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে রক্তচাপ স্বাভাবিক কিনা, তা যাচাই করা জরুরি। বয়স কুড়ি হোক বা পঞ্চাশ, বছরের এই সময়ে অন্তত পনেরো দিন অন্তর রক্তচাপ যাচাই জরুরি। রক্তচাপ ঘন ঘন ওঠানামা করলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন বলেই পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

    খাদ্যাভ্যাসে বাড়তি নজর থাকুক

    বসন্তে হঠাৎ করেই তাপমাত্রা বেড়ে যায়। তাই খাবারে বাড়তি নজরদারি জরুরি। এই সময়ে অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। হজমের সমস্যা রক্তচাপকেও বাড়িয়ে দেয়। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এই সময়ে কম তেল মশলা জাতীয় হালকা খাবার খাওয়া উচিত। যাতে সহজেই হজম হয়। চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, বাদাম জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়া উচিত। এতে পেশির সংকোচন প্রসারণ ঠিকমতো হয়। হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা ঠিক হয়। তাছাড়া নিয়মিত সব্জি খাওয়া জরুরি। সবুজ সব্জি একদিকে হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আবার পালং শাক, পটল, ঝিঙের মতো ভিটামিন ও খনিজ সম্পদ ভরপুর সব্জি হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা স্বাভাবিক রাখে। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। তাই যাদের কোলেস্টেরল বেশি, এই সময়ে তাঁদের বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

    নিয়মিত যোগাভ্যাসের পরামর্শ

    হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত যোগাভ্যাসের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে। দেহের হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে। স্নায়ু ও পেশির সক্রিয়তা বজায় রাখে। এর ফলে হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা ঠিক থাকে। তাই হৃদরোগ এড়াতে যোগাভ্যাস জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

LinkedIn
Share