Blog

  • Ram Mandir: রামের ‘দরবারের’ নির্মাণ শুরু খুব শীঘ্রই, ঘোষণা রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির

    Ram Mandir: রামের ‘দরবারের’ নির্মাণ শুরু খুব শীঘ্রই, ঘোষণা রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের নির্মাণকাজ। রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণ কমিটির তরফে জানানো হয়েছে রামের দরবার-এর প্রথম এবং দ্বিতীয় তলের নির্মাণকাজ খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে।

    জানা গিয়েছে, প্রভু রামের দরবারে এই কাজ শেষ হয়ে যাবে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাস নাগাদ। নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র শনিবারই মন্দির চত্বর (Ram Mandir) পরিদর্শন করেন। তিনি জানিয়েছেন, গত ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন নির্মাণ কাজ শুরু হবে। একইসঙ্গে, ‘পরকোটা’-র কাজও শেষ করতে হবে। ৭৯৫ মিটার দীর্ঘ পরিক্রমা প্রাচীরের কাজও তাড়াতাড়ি সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেদিন ৮ হাজার অতিথি সামিল হয়েছিলেন এই অনুষ্ঠানে। তারপর থেকেই ভক্তদের ঢল নেমেছে অযোধ্যায়। হিসাব বলছে, শুক্রবার পর্যন্ত ২৫ লাখ ভক্তের পা পড়েছে রাম জন্মভূমিতে এবং মোট প্রণামী সংগৃহীত হয়েছে ১১ কোটি টাকা। যার মধ্যে ৮ কোটি টাকা এসেছে শুধু প্রণামী বাক্স থেকেই এবং অনলাইনের মাধ্যমে প্রণামী পাঠানো হয়েছে সাড়ে তিন কোটি টাকা।

    রাম মন্দিরে প্রত্যহ সন্ধ্যায় গোনা হয় প্রণামী

    তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের অন্যতম সদস্য প্রকাশ গুপ্তা জানিয়েছেন, প্রতিদিনই গড়ে দু’লাখেরও বেশি রামভক্ত (Ram Mandir) আসছেন মন্দির দর্শনে। তিনি আরও জানিয়েছেন, মন্দিরের গর্ভগৃহের সামনে চারটি বড় আকারের প্রণামী বাক্স রাখা হয়েছে। এগুলি রয়েছে দর্শন পথের সামনেই। যেখানে ভক্তরা তাঁদের দান করছেন। এর পাশাপাশি দশটি কম্পিউটারাইজ কাউন্টারও খোলা হয়েছে প্রণামীর জন্য। জানা গিয়েছে, রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট ইতিমধ্যে কর্মী নিয়োগও করেছে এই ডোনেশন কাউন্টারগুলির জন্য। প্রণামী থেকে প্রাপ্ত অর্থ ট্রাস্টের অফিসে জমা পড়ে প্রত্যহ সন্ধ্যায়। জানা গিয়েছে, প্রতিদিন রুটিন মাফিক প্রণামী বাবদ প্রাপ্ত অর্থ গোনা হয় রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের (Ram Mandir) অফিসে। এ কাজে লেগে রয়েছেন ১৪ জন। যাঁদের মধ্যে ১১ জনই হলেন ব্যাঙ্ক কর্মী এবং ৩ জন হলেন ট্রাস্টের সদস্য। প্রণামী গোনার কাজ সম্পন্ন হয় সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতেই।

    পর্যটকরা ব্যয় করেছেন ৪ হাজার ৮২৫ কোটি টাকারও বেশি

    উত্তরপ্রদেশের স্টেট ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ইতিমধ্যে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের সময় থেকে ৪ হাজার ৮২৫ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করেছেন পর্যটকরা। এর মধ্যে যেমন দেশীয় পর্যটক রয়েছে, তেমনি বিদেশের পর্যটকরাও রয়েছেন। তাই স্বাভাবিকভাবে আধ্যাত্মিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে রাম মন্দির যথেষ্ট সফল, তা বলাই যায়। প্রসঙ্গত আধ্যাত্মিক পর্যটনের কথা গতকাল উঠে এসেছে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের বাজেট ভাষণেও। তিনি বলেন যে সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে দেশের আধ্যাত্মিক পর্যটন কেন্দ্রগুলিকে উন্নত করার জন্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: অযোধ্যায় জমি কেনার আগ্রহ বাড়ছে প্রবাসী ভারতীয়দের, কেন জানেন?

    Ram Temple: অযোধ্যায় জমি কেনার আগ্রহ বাড়ছে প্রবাসী ভারতীয়দের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Temple)। গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন বালক রাম। দেব-দর্শনে ফি-দিন আসছেন হাজার হাজার পুণ্যার্থী। স্বাভাবিকভাবেই খুলে গিয়েছে বিশাল বাজার। লোভনীয় এই বাজার ধরতেই মরিয়া বিশ্বের বিক্রেতারা। ক্রেতাদেরও গন্তব্য হয়ে উঠছে অযোধ্যা ধাম।

    ডেস্টিনেশন রামক্ষেত্র

    প্রবাসী ভারতীয়দের কাছেও এই মুহূর্তে প্রধান গন্তব্য হয়ে উঠছে রামক্ষেত্র। ইতিমধ্যেই তাইল্যান্ডে বসবাসকারী এমনই তিন প্রবাসী ৫ একর জমি কিনতে চেয়ে আবেদন করেছেন অযোধ্যা ডেভেলপমেন্ট অথরিটির কাছে। অযোধ্যায় জমি কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মেক্সিকো, দক্ষিণ কোরিয়া এবং শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধিরাও। ব্যবসায়ীদের এই আগ্রহের (Ram Temple) কারণ অযোধ্যাকে গ্লোবাল ডেস্টিনেশন বানানোর পরিকল্পনা। অযোধ্যা ডেভেলপমেন্ট অথরিটির সম্পাদক সত্যেন্দ্র সিং বলেন, “তাইল্যান্ডের তিনজন আমার কাছে এসেছিলেন অন্তত পাঁচ একর জমি নেবেন বলে। হাউসিং ও ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের কাছে তাঁদের সেই আবেদনপত্র পাঠিয়ে দিয়েছি।”

    নব অযোধ্যা

    অযোধ্যায় (Ram Temple) জমির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় আড়েবহরে বাড়ছে শহরও। যেহেতু মূল শহরে চাহিদা অনুযায়ী জমি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, তাই যাঁরা জমি খুঁজচ্ছেন, তাঁদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে নব অযোধ্যায়। এখানে জমি রয়েছে ১৪০৭ একর। আবাস বিকাশ পরিষদ উন্নয়ন করছে এই জমির। আবাস বিকাশ পরিষদের সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার পিকে সিং বলেন, “জমি বরাদ্দ করার ক্ষেত্রে যেসব নিয়ম ও গাইডলাইন রয়েছে, সেগুলি যাতে ঠিকঠাক মেনে চলা হয়, তার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। আবেদনপত্রগুলি বিবেচনার ব্যাপারেও ভাবনাচিন্তা চলছে।”

    আরও পড়ুুন: বুথ জ্যাম, ছাপ্পা রুখতে লোকসভা ভোটে নির্বাচন কমিশনের হাতিয়ার এআই প্রযুক্তি

    আবাস বিকাশ পরিষদের সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার বলেন, “প্রাইভেট সেক্টর ও রিয়েল এস্টেট সেক্টর সক্রিয় রয়েছে। সরকারি প্রকল্পে যাঁরা আগ্রহ দেখাচ্ছেন, তাঁদের সিংহভাগই বিদেশি। বিদেশিদের জমি পেতে গেলে দূতাবাসের মাধ্যমে উপযুক্ত ক্লিয়ারেন্স জোগাড় করতে হবে (Ram Temple:)।” জমি দেওয়ার ব্যাপারেও যথেষ্ঠ সতর্ক সরকারি আধিকারিকরা। যাঁরা আনঅথরাইজড কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের জমি দেওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট সতর্ক অথরিটি। অযোধ্যা শহরটি গ্লোবাল ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক হাবে পরিণত হয়েছে। তাই এই শহরে যে কেবল তীর্থযাত্রীদের ভিড় বাড়ছে তা নয়, ভিড় বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের (Ram Temple)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ওড়িশা ও অসমে ৭৯ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনায় প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: ওড়িশা ও অসমে ৭৯ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনায় প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব ভারতের ২ রাজ্যে মোট ৭৯ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আজ, শনিবার ৩ ফেব্রুয়ারি ওড়িশাতে ৬৮ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা করেন তিনি এবং আগামিকাল, রবিবার অসমে ১১ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    শনিবার ওড়িশার সম্বলপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন বিভিন্ন প্রকল্পের। এই প্রকল্পগুলি মূলত দেশের শক্তি সম্পদ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যেই বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাবে রয়েছে ধামরা থেকে আঙ্গুল পর্যন্ত পাইপলাইন বসানোর কাজ। এই প্রকল্পের অংশ হিসেবেই জগদীশপুর থেকে হলদিয়া এবং বোকারো থেকে ধামরা পর্যন্ত এই নতুন পাইপলাইন বসানোর কাজ চলবে যার জন্য খরচ হবে আনুমানিক ২,৪৫০ কোটি টাকা। ‘প্রধানমন্ত্রী উর্জা গঙ্গা’র আওতায় এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন হবে বলে জানা গিয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন হবে ওড়িশার সঙ্গে ন্যাশনাল গ্যাস গ্রিডের।

    সম্বলপুরে আইআইএম-এর নয়া ক্যাম্পাসের উদ্বোধন

    এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ভিত্তিপ্রস্থ স্থাপন করেন ৬৯২ কিলোমিটার দীর্ঘ নাগপুর থেকে ঝরসুগুডা পাইপলাইন প্রকল্পের। এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২,৬৬০ কোটি টাকা। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি ‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট’ এর সম্বলপুরের ক্যাম্পাসেরও উদ্বোধন করেন। বিভিন্ন রেলওয়ে প্রকল্পেরও সূচনা করেন তিনি। এগুলির খরচ ধরা হয়েছে ২,১৪৬ কোটি টাকা।

    অসমে নতুনভাবে সেজে উঠবে কামাক্ষ্যা মন্দির

    অন্যদিকে রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি,  গুয়াহাটিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন ‘মা কামাক্ষ্যা অ্যাক্সেস করিডরে’র। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমেই এটির বাস্তবায়ন হবে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি ঘোষণা করে জানানো হয়েছে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিশ্বমানের আধ্যাত্মিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে কামাক্ষ্যা মন্দির। গুয়াহাটিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন বিভিন্ন সড়ক প্রকল্পেরও। বাজেট বরাদ্দ ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। মোট ৪৩টি সড়ক যোজনা এর আওতায় আসছে যার মধ্যে রয়েছে ৩৮টি সেতু নির্মাণের প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অসমের ক্রীড়াক্ষেত্রের পরিকাঠামো নির্মাণেরও কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। আন্তর্জাতিক মানের একটি স্টেডিয়াম চন্দ্রপুরে নির্মাণ হবে। জানা গিয়েছে, গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজেরও পরিকাঠামো বৃদ্ধি করা হবে। পাশাপাশি করিমগঞ্জের মেডিক্যাল কলেজও নবরূপে গড়ে উঠবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Poonam Pandey: ‘‘বেঁচে আছি…’’! ভিডিও-বার্তা ‘মৃত’ পুনমের, দিলেন মিথ্যে নাটকের ব্যাখ্যাও

    Poonam Pandey: ‘‘বেঁচে আছি…’’! ভিডিও-বার্তা ‘মৃত’ পুনমের, দিলেন মিথ্যে নাটকের ব্যাখ্যাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মৃত্যুর’ একদিন পর নিজের মারা যাওয়ার খবর ভুয়ো বলে শনিবার সোশ্যাল মিডিয়াতে হাজির হয়ে নিজেই জানালেন মডেল-অভিনেত্রী পুনম পাণ্ডে (Poonam Pandey)। ইনস্টগ্রামে পুনম বার্তা দিয়েছেন, সারভাইক্যাল ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোই ছিল তাঁর ভুয়ো মৃত্যুর ঘোষণার কারণ। এরপরই সোশ্যাল সাইটে ওঠে সমালোচনার ঝড়। কেউ বলেন, প্রচারের অন্য অনেক রাস্তা ছিল, এটাই পথ নয়। অনেকের মতে, এতে বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়। অনেকে বলেছেন, এটা নিজের প্রচার ছাড়া আর কিছুই নয়।

    কী বললেন পুনম

    শুক্রবার পুনম পাণ্ডের মৃত্যুর ভুয়ো খবর ছড়াতেই সমবেদনা জানিয়েছিলেন কঙ্গনা রানাউত থেকে অনুপম খেরের মতো ব্যক্তিত্ব। পুনম বেঁচে নেই, বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তাঁর বন্ধু মুনাওয়ার ফারুকিও। অবশেষে নাটকে যবনিকা পতন। নিজেই প্রকাশ্যে এলেন পুনম (Poonam Pandey)। জানালেন তিনি ‘বেঁচে আছেন’। শনিবার বেলায় নিজের ইনস্টাগ্রাম থেকে ছোট্ট ভিডিওয় পুনম জানান, তিনি বেঁচে আছেন। নিজের মৃত্যুর ‘ফেক নিউজ’ ছড়ানোর জন্য সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করলেন ৩২ বছর বয়সি পুনম। 

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Poonam Pandey (@poonampandeyreal)

    মৃত্যু নিয়ে তাঁর এই লুকোচুরির নেপথ্যে কারণ ছিল, বলে জানান পুনম (Poonam Pandey)। জরায়ু-মুখের ক্যানসার নিয়ে মহিলাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। মহিলাদের এই টিকার কী প্রয়োজনীয়তা সেটাই জানান পুনম। সম্প্রতি অন্তর্বতী বাজেট পেশের দিন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও কিশোরী মেয়েদের জরায়ু-মুখের ক্যানসারে নিরাময়ের টিকার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। যদিও পুনমের এই আচরণে মিশ্র প্রতিক্রিয়া মিলেছে সমাজ মাধ্যমে। সারভাইক্যাল ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা প্রচারের তাঁর এই পথকে সমর্থন করেনি কেউ। 

    আরও পড়ুন: দিঘার কাছে জুনপুটে হবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, শুরু হয়েছে তৎপরতা

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Junput: দিঘার কাছে জুনপুটে হবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, শুরু হয়েছে তৎপরতা

    Junput: দিঘার কাছে জুনপুটে হবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, শুরু হয়েছে তৎপরতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘার কাছে জুনপুটে (Junput) ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ হতে চলেছে। ওড়িশার চাঁদিপুর বা অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ হলেও এ রাজ্যে এমন উদ্যোগ এই প্রথম। পূর্ব  ফেব্রুয়ারির শেষে বা মার্চের গোড়াতেই এখান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করার কথা কেন্দ্রীয় সংস্থা ডিআরডিও-র (ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন)। তবে গোড়ায় কিছুই জানতেন না বাসিন্দারা। কয়েক দিন ধরে লঞ্চিং প্যাড তৈরি হচ্ছে, বসেছে বোর্ড।

    এলাকাবাসীদের সরানোর উদ্যোগ (Junput)

    কাঁথি থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে জুনপুট (Junput)। জুনপুটে তৈরি হয়েছে নতুন বোল্ডারের রাস্তা। টিনের ছাউনি দেওয়া লঞ্চিং প্যাডের পাশে বসেছে জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থার বোর্ড। তার এক দিকে চলছে উপকূলরক্ষী বাহিনীর রেডার স্টেশন তৈরির কাজ। এখান থেকে দু’কিলোমিটারের মধ্যেই হরিপুর। ২০০৬ সালে সেখানে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির ঘোষণা হয়েছিল। স্থানীয় মৎস্যজীবীরা তখন কমিটি গড়ে আন্দোলনে নামেন। পাশে ছিল তৎকালীন বিরোধী দল তৃণমূল। শেষে পিছু হটেছিল তদানীন্তন বাম সরকার। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জুনপুটে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের জন্য কাঁথি-১ ব্লকের বিরামপুট এবং দেশপ্রাণ ব্লকের চেচড়াপুট গ্রামে এর মধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে এই নিয়ে। সংশ্লিষ্ট দুই ব্লক প্রশাসন এবং ভূমি দফতর সমীক্ষা করে রিপোর্ট কাঁথির মহকুমাশাসকের দফতরে জমা দিয়েছে। ওই দুই গ্রাম থেকে ১৫৫০ জন পূর্ণবয়স্ক এবং ৩৭০ জন নাবালককে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। গবাদি পশুর ক্ষতির আশঙ্কায় সাড়ে ১২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    মৎস্যজীবীরা কী বললেন?

    পূর্ব মেদিনীপুর মৎস্যজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিস শ্যামলের মতে, “জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হতে বসেছে। ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ হলে সামুদ্রিক মাছের ঘাটতি হবেই।” জুনপুটে (Junput) মৎস্যজীবী প্রধান এলাকার বাসিন্দাদের আশঙ্কা, এতে দূষণ বাড়বে। বিপন্ন হবে জীবন-জীবিকা।

    জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের কী বক্তব্য?

    পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক তনবীর আফজল মানছেন, “ফেব্রুয়ারি শেষে বা মার্চের গোড়ায় ডিআরডিও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করবে। একটা রকেট ছাড়া হবে বালেশ্বর থেকে। আর একটা জুনপুট থেকে। কীভাবে মাঝ-আকাশে একটা ক্ষেপণাস্ত্র কী করে আরেকটাকে ধ্বংস করে, সেই সংক্রান্ত গবেষণার জন্য জেলার এই জায়গাটি বেছেছে ডিআরডিও। এ জন্য রাজ্য সরকার জমি দিয়েছে। সব রকম সহযোগিতা করা হয়েছে।” মহকুমাশাসক শৌভিক ভট্টাচার্য বলেন, “ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সময় সাময়িকভাবে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সব নিয়ন্ত্রণ করবে ডিআরডিও। কিছু মানুষকে কয়েক ঘণ্টার জন্য সরে যেতে হবে। ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও রয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sahajahan Sheikh: বেপাত্তা শাহজাহানকে ফের তলব ইডির, শনিবারই বিশেষ আদালতে শুনানি

    Sahajahan Sheikh: বেপাত্তা শাহজাহানকে ফের তলব ইডির, শনিবারই বিশেষ আদালতে শুনানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি তৃণমূল নেতা শেখ শাহাজাহান (Sahajahan Sheikh) বর্তমানে বেপাত্তা রয়েছেন। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি তাঁকে ফের একবার সল্টলেকে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে বলা হল। নিঁখোজ তৃণমূল নেতা যাবেন কিনা তা নিয়ে কিছু জানা যায়নি। প্রসঙ্গত এটাই নতুন নয়, এর আগেও একবার তাঁকে তলব করা হয়েছে। ২৯ জানুয়ারি তাঁকে তলব করে ইডি। তবে তিনি সেবার তা এড়িয়ে গিয়েছেন। এ নিয়ে তাঁকে দ্বিতীয় বার ডাকল ইডি। অন্যদিকে আজ শনিবার শেখ শাহজাহানের আগাম জামিনের মামলার শুনানি হবে ইডির বিশেষ আদালতে।

    ইমেইল মারফত পাঠানো হল সমন

    জানা গিয়েছে, ইমেইল মারফত সন্দেশখালির ওই নেতাকে সমন পাঠানো হয়েছে। সন্দেশখালি ইডির উপর হামলার ঘটনা পর থেকেই নিখোঁজ রয়েছেন শেখ শাহজাহান (Sahajahan Sheikh)। তিনি কোথায় রয়েছেন, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে। বেপাত্তা হওয়ার দিন কয়েক পরেই ইডি সন্দেহ করে জলপথে বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন এই নেতা।  তবে তাঁর মোবাইল লোকেশন জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ নাগাদ সন্দেশখালিরই বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতে পাওয়া গিয়েছে । এরই মধ্যে বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছে, পুলিশের সহায়তায় লুকিয়ে রয়েছেন শেখ শাহজাহান। অন্যদিকে, রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি বেফাঁস মন্তব্য করে বলেন যে চিকিৎসার জন্য শাহজাহান সম্ভবত রাজ্যের বাইরে রয়েছেন। আবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কটাক্ষ করে বলেন যে গর্তেই ঢুকে রয়েছেন শাহজাহান। প্রশ্ন একটাই কোথায় শাহজাহান।

    ঘটনার দিন পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান শাহজাহান

    রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের থেকে পাওয়া নামের সূত্র ধরে শাহজাহানের (Sahajahan Sheikh) বাড়িতে পৌঁছায় ইডি। কিন্তু প্রথমেই সেখানে বাধা পায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। অভিযোগ, গত ৫ জানুয়ারি যে দিন সন্দেশখালিতে ইডি মার খায়, সে দিন নাকি শাহজাহান বাড়ির ভিতরেই ছিলেন। তিনিই ফোন করে বাইরে অনুগামীদের জড়ো করেছিলেন বলে দাবি করে ইডি। ৩ মিনিটের মধ্যে ২৮টি ফোন করেন শাহজাহান। শাহজাহান সে দিন পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে গিয়েছেন বলে দাবি ইডির।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mallikarjun Kharge: “আব কি বার ৪০০ পার…”! খাড়্গের মুখে বিজেপির স্লোগান শুনে কী করলেন মোদি?

    Mallikarjun Kharge: “আব কি বার ৪০০ পার…”! খাড়্গের মুখে বিজেপির স্লোগান শুনে কী করলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আব কি বার ৪০০ পার হো রহা।” বিজেপির এই স্লোগানই শোনা গেল কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) গলায়। যা শুনে হাসির রোল ওঠে রাজ্যসভায়। বিজেপিকে আক্রমণ করতে গিয়ে খাড়্গের এহেন বেফাঁস মন্তব্যের জেরে বিব্রত কংগ্রেসের পাশাপাশি ইন্ডি জোটের সাংসদরাও।

    বিজেপির স্লোগান!

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে প্রাপ্ত আসনের চেয়েও বেশি কেন্দ্রে জিতে এবার দিল্লির তখতে ফিরতে চাইছে বিজেপি। মাস দুয়েক আগে দিল্লিতে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, “এবার চারশোর বেশি আসন নিয়ে কেন্দ্রে ফিরতে হবে।” এর পরেই বিজেপির তরফে স্লোগান বাঁধা হয়, “আব কি বার ৪০০ পার”। বিজেপিকে খোঁচা দিতে গিয়ে পদ্ম শিবিরের সেই স্লোগানকে হাতিয়ার করতে গিয়ে দলকেই অস্বস্তিতে ফেললেন খাড়্গে।

    বেফাঁস খাড়্গে

    রাজ্যসভায় মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে কংগ্রেস সভাপতি বলেন, “আপনাদের এত প্রতিনিধি, আগে ৩০০-৩৩৪ ছিল, এখন তো ৪০০ পার হয়ে যাবে।” তিনি বলেন, “তাদের (বিজেপিকে) প্রথম স্থান নিতে দিন। যাঁরা এখানে উপস্থিত রয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কৃপা রয়েছে।” খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) এহেন মন্তব্যে হাসির রোল ওঠে সংসদে। হেসে ফেলেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। হাসতে থাকেন ট্রেজারি বেঞ্চের সদস্যরা। হেসে ফেলেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়ও।

    আরও পড়ুুন: ভারতরত্ন পাচ্ছেন লালকৃষ্ণ আডবাণী, ঘোষণা করলেন নরেন্দ্র মোদি

    পীযূষ গয়াল বলেন, “আজ, খাড়্গেজি অবশেষে সত্যি কথাটা বললেন। ধনখড়ও বলেন, আমার মনে হয়, বিরোধী নেতার আগে কখনও এত প্রশংসা করা হয়নি। এটা একটা রেকর্ড। আপনার (মল্লিকার্জুন খাড়্গে) বক্তব্যের প্রশংসা করছে সবাই।” অপ্রস্তুত অবস্থা কাটাতে খাড়্গে বলেন, “আমি জানি কেন প্রশংসা করা হচ্ছে। ওরা (বিজেপি) নিজের ঢাক নিজেই বাজাচ্ছে, বলছে যে বিজেপি ৪০০ থেকে ৫০০ আসনে জয়ী হবে। বিজেপি ১০০ আসনও পার করবে না। ইন্ডি-জোট যথেষ্ট শক্তিশালী।”

    খাড়্গের বেফাঁস মন্তব্যকে হাতিয়ার করার সুযোগ হাতছাড়া করেনি বিজেপি। বক্তব্যটি (Mallikarjun Kharge) পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মোদি ভাবছেন— আমার নতুন নিন্দুকের প্রয়োজন, পুরানোরা আমার ফ্যান হয়ে গিয়েছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • LK Advani Bharat Ratna: ভারতরত্ন পাচ্ছেন লালকৃষ্ণ আডবাণী, ঘোষণা করলেন নরেন্দ্র মোদি

    LK Advani Bharat Ratna: ভারতরত্ন পাচ্ছেন লালকৃষ্ণ আডবাণী, ঘোষণা করলেন নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতরত্ন পাচ্ছেন প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণী (LK Advani)। শনিবার ঘোষণাটি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে আডবাণীর দুটি ছবি পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে যোঘণা করছি যে শ্রী লালকৃষ্ণ আডবাণীজিকে ভারতরত্ন প্রদান করা হচ্ছে। তাঁর সঙ্গে কথাও বলেছি আমি। ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত হওয়ার জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছি। আমাদের সময়ের অন্যতম শ্রদ্ধেয় রাষ্ট্রনায়ক। ভারতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে তিনি যে অবদান রেখেছেন, তা অভাবনীয়। তৃণমূল স্তরে কাজ করার মাধ্যমে তাঁর জীবন শুরু করেছিলেন। সেই তিনিই উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমাদের দেশের সেবা করেছেন। আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী হিসেবে উনি (LK Advani) নিজের পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    তিনি লিখেছেন, “ওঁকে ভারতরত্ন প্রদান করতে পারা আমার কাছে অত্যন্ত আবেগের একটি মুহূর্ত। আমি যে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার এবং তাঁর কাছ থেকে শেখার অশেষ সুযোগ পেয়েছি, তার জন্য আমি সর্বদাই এটিকে আমার সাফল্য বলে মনে করব।” ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্ন। সেই সম্মানেই ভূষিত হতে চলেছেন বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আডবাণী (LK Advani Bharat Ratna)। তিনি ছিলেন দেশের সপ্তম উপ-প্রধানমন্ত্রী। ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত অটলবিহারী বাজপেয়ী সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

    এলকে আডবাণী

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের সদস্যও ছিলেন আডবাণী। দেশের সর্বাধিক সময় ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এই সৎ রাজনীতিবিদ। রাম জন্মভূমি আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন আডবাণী। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, “আডবাণীজি দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সাধারণ জনগণকে যে পরিষেবা দিয়েছেন স্বচ্ছতা ও সততা বজায় রেখে, তা রাজনীতিতে মানদণ্ড তৈরি করেছে। দেশের অখণ্ডতা ও সংস্কৃতির পুনরুত্থানে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। ওঁর সঙ্গে আলাপচারিতা করতে পারা ও ওঁর থেকে পাওয়া শিক্ষাকে আমি বরাবরই নিজের সৌভাগ্য (LK Advani Bharat Ratna) বলে মনে করেছি।”

    আরও পড়ুুন: ‘লোকসভার ফল বেরলেই রাজ্যে বিজেপি সরকার’, বললেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Yashasvi Jaiswal: তৃতীয় কনিষ্ঠতম ব্যাটার হিসেবে টেস্টে দ্বিশতরান, যশস্বীর যাদুতে মুগ্ধ সচিন

    Yashasvi Jaiswal: তৃতীয় কনিষ্ঠতম ব্যাটার হিসেবে টেস্টে দ্বিশতরান, যশস্বীর যাদুতে মুগ্ধ সচিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সচিন থেকে জাফর, ইয়ান বিশপ থেকে কেভিন পিটারসন যশস্বীর যাদুতে মুগ্ধ ক্রিকেট দুনিয়া। জীবনের প্রথম দ্বিশতরান, সঙ্গে একা হাতে দলকে টেনে নিয়ে যাওয়া শেষ পর্যন্ত তৃপ্তির হাসি যশস্বীর মুখে। গরিব ঘর থেকে উঠে এসে ক্রিকেট জগতের রাজপুত্র এখন যশস্বী। ২২ বছরের যশস্বীর ডাবল সেঞ্চুরি এখন ক্রিকেট মহলে আলোচনার বিষয়। মূলত তাঁর ব্যাটে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৩৯৬ রানে অল-আউট হয়ে যায় ভারত।

    যশস্বীর রেকর্ড

    ২০১৯ সালের পর তিনি হলেন প্রথম ভারতীয় যিনি টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করলেন। অভিষেক টেস্টে করেছিলেন শতরান। ২০০৭ সালের পর ভারতীয় ক্রিকেট দলে কোনও বাঁহাতি ব্যাটার এই প্রথম ডবল সেঞ্চুরি করলেন। শনিবার ২৭৭ বলে ২০০ রান করেন যশস্বী। গৌতম গম্ভীরের পর প্রথম কোনও বাঁহাতি ভারতীয় ব্যাটার টেস্টে দ্বিশতরান করলেন। ২০০৮ সালে গম্ভীর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ২০৬ রান করেছিলেন। যশস্বী থামলেন ২০৯ রানে। কাম্বলি এবং গম্ভীর দু’বার দ্বিশতরানের মাইলফলক পার করেছিলেন। দ্বিশতরান আছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের। এই তিন বাঁহাতি ব্যাটারের পর চতুর্থ ভারতীয় হিসাবে দ্বিশতরান যশস্বীর। ভারতের তৃতীয় কনিষ্ঠতম ব্যাটার হিসেবে টেস্টে দ্বিশতরান যশস্বীর। তার চেয়ে কম বয়সে ভারতের হয়ে টেস্টে দ্বিশতরান করার নজির গড়েন সুনীল গাভাসকার ও বিনোদ কাম্বলি।

    প্রশংসা সচিনের

    সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ট্রেন্ডিং যশস্বী। তাঁর ডাবল সেঞ্চুরির পর সচিন লিখলেন, ‘অসাধারণ খেললে যশস্বী। দারুণ প্রয়াস।’ ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার ওয়াসিম জাফর সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে যশস্বীর ডাবল সেঞ্চুরির পর লেখেন, ‘রানের প্রতি এই তরুণ ক্রিকেটারের খিদে আমাকে বিরাট আকর্ষণ করেছে। এই সিরিজে একটা অসাধারণ ইনিংস খেলল যশস্বী জয়সওয়া। দারুণ’।


    ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক কেভিন পিটারসেন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি নীল রংয়ের হৃদয়ের ইমোজি দিয়ে যশস্বীর ডাবল সেঞ্চুরির পর লিখেছেন, ‘জয়সওয়াল – বিশ্ব ক্রিকেটের একখানা অসাধারণ গল্প।’ যশস্বীর ডাবল সেঞ্চুরির পর ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি ইয়ান বিশপ লিখেছেন, ‘ভারতের তৃতীয় তরুণ ক্রিকেটার যশস্বী জয়সওয়াল, যে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করল।’ 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • U19 World Cup: সচিন, উদয়ের শতরানে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিতে ভারত, শেষ চারে সামনে কে?

    U19 World Cup: সচিন, উদয়ের শতরানে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিতে ভারত, শেষ চারে সামনে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতের জয়ের ধারা অব্যাহত। গ্রুপ লিগের ৩টি ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে চলতি যুব বিশ্বকাপের সুপার সিক্স রাউন্ডে প্রবেশ করে ভারত। এবার সুপার সিক্সের ২টি ম্যাচেও জয়ের ধারা বজায় রাখে অনূর্ধ্ব-১৯ ভারতীয় দল। টানা ৫ ম্য়াচ জিতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলেন উদয় সাহারানরা।

    সেমি ফাইনালে সামনে কে

    শুক্রবার ব্লুমফন্টেনে নেপালকে ১৩২ রানে হারিয়ে দেয় ভারত। শতরান করেন সচিন ধাস এবং উদয় সাহারান। সুপার সিক্স রাউন্ডের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ভারত সেমিফাইনালের পথে এক পা বাড়িয়ে রেখেছিল। নেপালকে হারিয়ে শেষ চারের টিকিট পাকা হয়ে যায় ভারতীয় যুব দলের। সেমিফাইনালে আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে খেলতে চলেছে তারা। সুপার সিক্স গ্রুপ ১-এ এক নম্বরে শেষ করেছে ভারত। গ্রুপ ২-এর দ্বিতীয় স্থানাধিকারী দল দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে খেলবে তারা। ভারতের গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করতে পারে পাকিস্তান। তারা শনিবার খেলবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। অতএব সেমিতে ভারত-পাক দ্বৈরথ না হলেও ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    উদয়-সচিনের শতরান

    নেপালের বিরুদ্ধে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক উদয়। তবে প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে ভারতের শুরুটা ভাল হয়নি। ২৬ রানে প্রথম উইকেট হারায় তারা। ফিরে যান আদর্শ সিং (২১)। ১৪তম ওভারে পর পর দু’টি উইকেট হারায় ভারত। আকাশ চন্দ শেষ দুই বলে ফিরিয়ে দেন প্রিয়াংশু মোলিয়া (১৯) এবং আর্শিন কুলকার্নিকে (১৮)। ভারত শেষমেশ নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ২৯৭ রানের বড়সড় ইনিংস গড়ে তোলে। সৌজন্যে সচিন ধাস ও ক্যাপ্টেন উদয় সাহারানের জোড়া শতরান। সচিন ৬টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৫০ বলে ব্যক্তিগত হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তিনি ১০টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৯৩ বলে শতরানের গণ্ডি টপকে যান। শেষমেশ ১১টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ১০১ বলে ১১৬ রান করে মাঠ ছাড়েন সচিন। উদয় ৯টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১০৬ বলে শতরানের গণ্ডি টপকে যান। জবাবে নয় উইকেট খুইয়ে ৫০ ওভারে ১৬৫ রান তুলতে সক্ষম হয় নেপাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share