Blog

  • India vs England: কুলদীপ-অশ্বিনের ঘূর্ণি, ব্যাটে যশস্বী-রোহিত, ধর্মশালা টেস্টে দাপট ভারতের

    India vs England: কুলদীপ-অশ্বিনের ঘূর্ণি, ব্যাটে যশস্বী-রোহিত, ধর্মশালা টেস্টে দাপট ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মশালা টেস্টের প্রথম দিনেই এগিয়ে ভারত (India vs England)। কুলদীপ, অশ্বিনের ঘূর্ণির পর ব্যাট হাতে রোহিত, যশস্বী ও শুভমনের দাপটে দিশেহারা ইংল্যান্ড। বৃহস্পতিবার পঞ্চম টেস্টের শুরুতে কার্যত ভারতের স্পিন আক্রমণের সামনেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল  ইংল্যান্ডের তারকাখচিত ব্যাটিং লাইনআপ। প্রথম দিনের শেষে ইংল্যান্ডের ২১৮ রানের জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে ভারতের রান ১ উইকেটে ১৩৫।  রোহিত ৫২ ও শুভমন ২৬ রানে ব্যাট করছেন। ইংল্যান্ডের থেকে ভারত এখনও ৮৩ রানে পিছিয়ে থাকলেও হাতে ৯ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করবে টিম ইন্ডিয়া।

    ভারতের স্পিনে বেহাল ইংল্যান্ড

    এদিন টস জিতে ভারতের (India vs England) বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক বেন স্টোকস। ভারতের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাটিং নিয়ে বড় রানের প্রত্যাশায় ছিল ইংল্যান্ড। শুরুটা ভালই হয়েছিল, কিন্তু কুলদীপের ধাক্কা সামলে উঠতে পারল না ব্রিটিশ ব্যাটাররা। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে একাই পাঁচ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন কুলদীপ যাদব। সেইসঙ্গে কেরিারের শততম টেস্টের মঞ্চে চার উইকেট শিকার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের। ১৭৫ রানের মাথায় তিনটি উইকেট পড়ে ইংল্যান্ডের। তারপর ছিল শুধু যআওয়া-আসার পালা।

    যশস্বীর যাদু

    ইংল্যান্ডের (India vs England) ২১৮ রানের জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে রোহিত ও যশস্বী শুরু থেকে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে খেলতে থাকেন।  কেউ তাড়াহুড়ো করেননি। বল দেখে খেলছিলেন। রোহিতকে বেশি আক্রমণাত্মক দেখাচ্ছিল। মার্ক উডের বলে ছক্কাও মারেন তিনি। ধীরে ধীরে দলের রানকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন দুই ওপেনার। খেলা যত গড়াচ্ছিল, তত হাত খুলছিলেন যশস্বী। অর্ধশতরান করেন তিনি। প্রতিটা ম্যাচে নিজের গুরুত্ব প্রমাণ করছেন যশস্বী  (Yashasvi Jaiswal)। টেস্ট কেরিয়ারে ১ হাজার রান করে ফেললেন তিনি। সেই সঙ্গে এক টেস্ট সিরিজে ৭০০র বেশি রানও হয়ে গেল তাঁর।

    দেশের মাটিতে ইংল্যান্ড (India vs England) সিরিজে খেলছেন না বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। এক সিরিজে সবচেয়ে বেশি রানের দিক থেকে কিং কোহলিকে টপকে গেলেন যশস্বী জয়সওয়াল। এ বার তাঁর সামনে শুধু কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকর। ৫৭ করে আউট হয়েছেন যশস্বী। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলতি সিরিজে এখনও অবধি করেছেন ৭১২ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৩ রান করলেই গাভাসকরকে টপকে যাবেন যশস্বী। এর আগে ১৯৭১ সালে ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে এক টেস্ট সিরিজে সুনীল গাভাসকর করেছিলেন ৭৭৪ রান।

    আরও পড়ুন: নারী দিবসে মহিলাদের অনন্য সম্মান, লিঙ্গভেদ দূর করতে সক্রিয় বিআরও

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ত্রিপুরায় কিস্তিমাত! বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে যোগ তিপ্রা মথার

    Lok Sabha Election 2024: ত্রিপুরায় কিস্তিমাত! বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে যোগ তিপ্রা মথার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) প্রাক্কালে ত্রিপুরায় কিস্তিমাত বিজেপির! রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল শরিক হল বিজেপি-আইপিএফটি জোট সরকারের। মন্ত্রী হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিধায়ক অনিমেষ দেববর্মণ। মন্ত্রগুপ্তির পাঠ পড়লেন তিপ্রা মথারই বিধায়ক বৃষকেতু দেববর্মণও। বৃহস্পতিবার রাজভবনে আয়োজিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, তিপ্র মথা সুপ্রিমো প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ প্রমুখ।

    তিপ্রাল্যান্ডের দাবি (Lok Sabha Election 2024)

    ত্রিপুরার জনজাতি অধ্যুষিত অংশকে আলাদা (Lok Sabha Election 2024) তিপ্রাল্যান্ড বলে ঘোষণার দাবি জানিয়ে ২০২১ সালে আত্মপ্রকাশ করে তিপ্রা মথা। দলের প্রধান হন ত্রিপুরা রাজপরিবারের সদস্য প্রদ্যোত। ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনের আগে মথা জনজাতিদের সমস্যার সাংবিধানিক সমাধানের দাবি জানায় প্রদ্যোতের দল। দাবিপূরণ না হলে কোনও দলের সঙ্গেই হাত মেলাবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন তিপ্রা মথার প্রধান।

    জোট সরকারের নেতৃত্ব দেয় বিজেপি

    তেইশের বিধানসভা নির্বাচনে ৬০ আসন বিশিষ্ট ত্রিপুরা বিধানসভায় ৩২টি আসনে জয়ী হয় বিজেপি। জোটসঙ্গী আইপিএফটি জেতে একটি আসন। তিপ্রা মথার ১৩ জন প্রার্থী জয়ী হন। ওই নির্বাচনে সিপিএম পেয়েছিল ১১টি আসন, কংগ্রেস ৩টি। প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পায় তিপ্রা মথা। বিরোধী দলনেতা হন অনিমেষ। ত্রিপুরায় দুটি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে। ইতিমধ্যেই পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। পূর্ব ত্রিপুরা আসনে অবশ্য এখনও কারও নাম ঘোষণা করেনি বিজেপি।

    আরও পড়ুুন: ‘বাঘের’ চোখে জল! কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের প্রশ্নবাণে কেঁদে ফেললেন শাহজাহান

    রাজনীতির কারবারিদের একাংশের মতে, পূর্ব ত্রিপুরা আসনটি জনজাতিদের জন্য সংরক্ষিত। এই আসনটি তিপ্রা মথাকে ছেড়ে দিতে পারে বিজেপি। অন্য অংশের মতে, রাজ্যের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দেওয়া হয়েছে তিপ্রা মথার দুই বিধায়ককে। তার বিনিময়ে পূর্ব ত্রিপুরা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থন করতে পারে তিপ্রা মথা। পদ্ম চিহ্নে রাজবাড়িরই কাউকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে অসমর্থিত সূত্রে খবর।

    তিপ্রা ল্যান্ড আন্দোলনের কী হবে?  এ প্রশ্নের উত্তরে তিপ্র মথার তরফে নয়া মন্ত্রী বৃষকেতু বলেন, “বৃহত্তর তিপ্রা ল্যান্ড আমাদের পার্টির অ্যাজেন্ডা। এখন কেউ জিজ্ঞাসা করতে পারে, এটি কখন হবে? দেখুন, পাঁচশো বছরের সংগ্রামের পর তৈরি হল রাম মন্দির। আমাদের আন্দোলন তো শুরু হয়েছে মাত্র তিন বছর আগে (Lok Sabha Election 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Navy: নৌসেনার হাতে এল সাবমেরিন ‘শিকারী’ কপ্টার এমএইচ-৬০আর ‘সি হক’

    Indian Navy: নৌসেনার হাতে এল সাবমেরিন ‘শিকারী’ কপ্টার এমএইচ-৬০আর ‘সি হক’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামরিক নিরাপত্তার দিক দিয়ে আরও শক্তিশালী হল ভারত। দেশের জলসীমাকে নিশ্ছিদ্র করতে নৌসেনার অস্ত্রাগারে অন্তর্ভুক্ত হলো নতুন অস্ত্র। বুধবার, শিকারী হেলিকপ্টার ‘এমএইচ-৬০ রোমিও’ (MH 60R Helicopter) মাল্টি-রোল হেলিকপ্টারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কোচিতে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নৌসেনা (Indian Navy) প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার। 

    কেন এই হেলিকপ্টার গুরুত্বপূর্ণ?

    আধুনিক যুগের যুদ্ধক্ষেত্রে ও রণকৌশলে সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সাবমেরিনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো, একে কেউ দেখতে পায় না। জলের ওপর ভাসমান জাহাজকে সকলে দেখতে পেলেও, ডুবোজাহাজ থেকে যায় আড়ালেই। ফলে, ডুবোজাহাজ থেকে গোপনে শত্রু কখন কোথায় কীভাবে হামলা করে দেবে, তার আগে সেই অদৃশ্য সাবমেরিন কোথায় আছে, তা চিহ্নিত করা ভীষণই জরুরি। বর্তমানে, আধুনিক ও অত্যাধুনিক বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা হয়ে থাকে, এমন সব গোপন অস্ত্রের খোঁজ চালানোর জন্য। ঠিক তেমন ভাবেই, সমুদ্রের অতলে শত্রুর সাবমেরিন ঠিক কোথায় ঘাপটি মেরে বসে আছে, সেই কাজে সিদ্ধহস্ত ‘এমএইচ-৬০ রোমিও’ (MH 60R Helicopter)।

    পোশাকি নাম ‘সি হক’ (Indian Navy)

    এই হেলিকপ্টারের পোশাকি নাম ‘সি হক’। অর্থ— সমুদ্রের বাজ। নামের মতোই কাজ এই কপ্টারের। জলের নীচে বহু গভীর পর্যন্ত যেতে পারে এর ‘দৃষ্টি’। এতটাই শক্তিশালী এর সেন্সর। আর শুধু নজর নয়। এই কপ্টারে মোতায়েন করা যায় টর্পিডো। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। একবার শত্রুর সাবমেরিন চিহ্নিত হলে, আকাশে উড়তে উড়তেই নির্ভুল লক্ষ্যে টর্পিডো দেগে তাকে গুঁড়িয়ে দিতে ওস্তাদ নৌসেনার নতুন ‘রোমিও’। বুধবার কেরলের কোচিতে নৌসেনার ঘাঁটি আইএনএস গরুড়-এ আনুষ্ঠানিক ভাবে মার্কিন সংস্থা সিকরস্কির তৈরি কপ্টারটির প্রথম স্কোয়াড্রন ‘কমিশন’ পেয়েছে। এখন থেকে এই কপ্টারগুলি নৌসেনার (Indian Navy) নবগঠিত ৩৩৪ নম্বর এভিয়েশন স্কোয়াড্রনে মোতায়েন থাকবে।

    বহু ক্ষেপণাস্ত্রে সমাদৃত রোমিও

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এমন ২৪টি ‘এমএইচ-৬০ রোমিও’ (MH 60R Helicopter) মাল্টি-রোল কপ্টার কিনেছে ভারত। ২০২০ সালে আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত সফরের সময় নৌসেনার (Indian Navy) জন্য সি হক কেনার বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি হয়েছিল। খরচ হবে ২৬০ কোটি ডলার। অর্থাৎ প্রায় ২১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা। শুধু টর্পিডো নয়। এই শিকারী হেলিকপ্টারটি একাধিক বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণান্ত্র বহনেও সক্ষম। ষার মধ্যে অন্যতম হল বিশ্বখ্যাত ‘হেলফায়ার’ বা (নরকের আগুন) মিসাইল। আল কায়দা প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরি এবং ইরানের জেনারেল কাশেম সোলেমানিকে নিধন করতে মার্কিন সেনা ব্যবহার করেছিল এই ক্ষেপণাস্ত্র। এছাড়া, এটি ৩৮ রকমের উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্রবাহী রকেট বহনেও সক্ষম। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ডেস্ট্রয়ার শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ থেকে শুরু করে ফ্রিগেট ও বিমানবাহী রণতরী থেকেও এটি সহজেই ব্যবহার করতে পারবে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India Economy: ২০৩১ সালের মধ্যেই ভারত হবে উচ্চ-মধ্যবিত্তের দেশ, বলছে সমীক্ষা

    India Economy: ২০৩১ সালের মধ্যেই ভারত হবে উচ্চ-মধ্যবিত্তের দেশ, বলছে সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০৩১ সালের মধ্যেই ভারত হবে উচ্চ-মধ্যবিত্তের দেশ। এই সুখবর শোনাল বিশ্বের আর্থিক রেটিং সংস্থা ক্রিসিল (India Economy)। সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০৩১ সালের মধ্যেই উচ্চ মধ্যবিত্তের দেশে পরিণত হবে ভারত। এ দেশের মাথাপিছু আয় হবে ৪৫০০ মার্কিন ডলার।

    ক্রিসিলের রিপোর্ট (CRISIL Survey)

    সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ক্রিসিল। তারা জানিয়েছে, ভারতীয় অর্থনীতি (India Economy) বর্তমান স্তর থেকে দ্বিগুণ হয়ে ৭ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে। তার পরেই এটি উচ্চ মধ্যবিত্তের বন্ধনীভুক্ত হবে। ভারতের এই অগ্রগতির কারণও জানিয়েছে ক্রিসিল। তাদের রিপোর্টে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত সংস্কার ও অন্যান্য পদক্ষেপগুলির কারণে অর্থনৈতিক অগ্রগতি দেখা যাবে ভারতে। বিশ্ব রেটিং এই সংস্থার অনুমান, ২০৩১ সালের মধ্যে ভারত ঠাঁই করে নেবে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকাতেও।

    ভারতের জিডিপি (India Economy)

    ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হারও যে ভালো হতে পারে, তারও ইঙ্গিত মিলেছে ক্রিসিলের ওই রিপোর্টে। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের মধ্যে এই বৃদ্ধির হার হতে পারে ৭.৬ শতাংশের চেয়ে ভালো। আগামী অর্থবর্ষে এটি কিছুটা কমে হতে পারে ৬.৮ শতাংশ।

    ক্রিসিলের রিপোর্ট (India Economy) অনুযায়ী, ২০৩১ সালের মধ্যে ভারতের জিডিপি গড়ে ৬.৭ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে। এর ফলেই ভারত পরিণত হবে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে। আর এই সময়সীমার মধ্যে এ দেশের মাথাপিছু আয় দেশটিকে নিয়ে যাবে উচ্চ মধ্যবিত্ত আয়ের শ্রেণিতে। ২০২৫-২০৩১ এই সময়সীমায় সাতটি অর্থবর্ষে ভারতীয় অর্থনীতি প্রথমে পেরোবে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের চৌকাঠ। তার পর পৌঁছবে ৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনীতির কাছাকাছি।

    আরও পড়ুুন: ‘বাঘের’ চোখে জল! কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের প্রশ্নবাণে কি কেঁদে ফেললেন শাহজাহান?

    বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় বর্তমানে ভারত (India Economy) রয়েছে পঞ্চম স্থানে। দেশটির অর্থনীতির বহর ৩.৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। তাই ওই তালিকায় ভারতের আগে রয়েছে আমেরিকা, চিন, জাপান এবং জার্মানি। বিশ্বব্যাঙ্কের মতে, হাজার থেকে ৪ হাজার ডলারের মাথাপিছু আয়ের দেশগুলি নিম্ন মধ্যবিত্ত আয়ের বিভাগে পড়ে। ৪ হাজার থেকে ১২ হাজার ডলারের মাথাপিছু আয়ের দেশগুলি পড়ে উচ্চ মধ্যবিত্ত আয়ের শ্রেণিতে। ২০৩১ সালের মধ্যে এই বন্ধনীতেই চলে আসবে ভারত। প্রসঙ্গত, বিভিন্ন সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও জানিয়েছিলেন, অচিরেই ভারত চলে আসবে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার তিন নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Sheikh Shahjahan: ‘বাঘের’ চোখে জল! কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের প্রশ্নবাণে কেঁদে ফেললেন শাহজাহান

    Sheikh Shahjahan: ‘বাঘের’ চোখে জল! কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের প্রশ্নবাণে কেঁদে ফেললেন শাহজাহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই-এর খাঁচায় কান্না শেখ শাহজাহানের! ইনিই কি সেই দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা! যার ত্রাসে ভয়ে কাঁটা হয়ে থাকত সন্দেশখালিবাসী! যাকে তার অনুগামীরা বলত ‘বাঘ’! এখন সিবিআইয়ের খাঁচাবন্দি হয়ে সব তেজ প্রায় উবে গিয়েছে শেখ শাহজাহানের। কদিন আগেও, পুলিশের সামনে আদালতে যে ভাবে তাঁকে ঢুকতে দেখা গিয়েছিল, তা নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। আজ কোথায় সেই প্রতাপ? কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের প্রশ্নবাণে ভয়ে কাঁটা হয়ে গিয়েছেন শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। তাঁকে কটাক্ষও করেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    শাহজাহানের চোখে জল

    সিবিআই সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা গতকাল শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) হেফাজতে পেতেই তাঁর চোখে জল চলে আসে। দু’দিনের টালবাহানা শেষে বুধবার শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) হেফাজতে পেয়েছে সিবিআই (CBI)। গতকাল প্রায় ঘণ্টা দুয়েক ভবানী ভবনে অপেক্ষা করার পর সন্দেশখালির ‘বাঘ’কে হাতে পায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, হস্তান্তরের আগে অবধি সন্দেশখালির (Sandeshkhali) নেতা বুঝতে পারেননি তাঁকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সিবিআই তাঁকে নিয়ে যাবে এটা বুঝতে পারার পর কার্যত ভেঙে পড়েন তিনি। 

    খাবার নিয়ে বায়না শাহজাহানের

    সিবিআই সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকালে গরম ভাত আর ঘি খেতে চেয়েছিলেন শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। অবশ্য শাহজাহানকে ভাত বা ঘি কোনওটাই দেওয়া হয়নি। শাহজাহানের শারীরিক পরীক্ষায় ডায়াবেটিসের ইঙ্গিত মিলেছে। তাই তাঁকে রুটি দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে দেওয়া হয়েছিল তরকারি। ভাত, ঘি, আলু সেদ্ধর বদলে এক প্রকার বাধ্য হয়ে সেই খাবার খান শাহজাহান। এর আগে গতরাতে নাকি শাহজাহানকে ভাত, ডাল, সব্জি দেওয়া হয়েছিল।

    সিবিআই-এর জেরায় কান্না!

    সিবিআই সূত্রে খবর, গতকাল প্রায় ২ ঘণ্টা জেরা করা হয়েছে তাঁকে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে ফের জেরা পর্ব শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, সন্দেশখালির ‘বাঘ’কে কী কী প্রশ্ন করা হবে তার জন্য ২৫০ প্রশ্নের একটি প্রশ্নমালা তৈরি করা হয়েছে। ইডির তল্লাশির সময় শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) কোথায় ছিলেন? কেন তল্লাশি চালানো যায়নি? তাঁর বাড়ির বাইরে এত লোক কীভাবে জড়ো হল? তাঁর ফোন কেন ব্যস্ত ছিল? তিনি কাকে ফোন করেছিলেন? গোলমাল থামানোর কোনও চেষ্টা কেন করেননি? তল্লাশি চালাতে না পেরে ইডি চলে যাওয়ার পর তিনি কোথায় যান? এতদিন অবধি কোথায় লুকিয়ে ছিলেন? এমনই একাধিক প্রশ্ন করা হবে বলে খবর। একইসঙ্গে মাছের ভেড়ি এবং ব্যবসা নিয়েও শাহজাহানকে একাধিক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। তাঁর কী কী ব্যবসা আছে? কোথায় কোথায় মাছের ভেড়ি আছে? কতদিন ধরে রাজনীতি করছেন? বর্তমান দলের সঙ্গে কতদিন ধরে যুক্ত? কার হাত ধরে যুক্ত হয়েছেন? এরকম শয়ে শয়ে প্রশ্ন রয়েছে। আর তদন্তকারী সংস্থার এই সব প্রশ্নবাণেই নাকি সন্দেশখালির শেখের নয়ন ছলছল করে ওঠে! 

    আরও পড়ুন: নারী দিবসে মহিলাদের অনন্য সম্মান, লিঙ্গভেদ দূর করতে সক্রিয় বিআরও

    শুভেন্দুর কটাক্ষ

    ইডির ওপর হামলার ৫৫ দিনের মাথায় মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করা হয় শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan)। তবে গ্রেফতারির পরেও তাঁর শরীরী ভাষায় ফুটে উঠছিল ‘ঔদ্ধত্য’। বিশেষত বসিরহাট আদালতে শাহজাহানের গটগট করে হাঁটা এবং তর্জনী নাড়ার দৃশ্য নিয়ে বিস্তর চর্চা হয়েছিল। তবে সিবিআই (CBI) হেফাজতে আসতেই বদলে গেল সেই চিত্র! এ নিয়ে সন্দেশখালির ‘বাঘ’কে ‘নেংটি ইঁদুর’ বলে আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    বৃহস্পতিবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করেন এই বিজেপি (BJP) নেতা। সেখানে ২৯ ফেব্রুয়ারি আদালত চত্বরে শাহজাহানের ‘মেজাজ’ এবং বুধবার সিবিআই হেফাজতে তাঁর মাথা নীচু করে হাঁটার দৃশ্য দেখা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে আসতেই যেন উধাও হয়ে গিয়েছে সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’র ঔদ্ধত্য!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: নবীনের বিজেডির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছে মোদি-শাহের বিজেপি!

    Lok Sabha Election 2024: নবীনের বিজেডির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছে মোদি-শাহের বিজেপি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীরা অগোছালো। সেই সুযোগে ক্রমেই পক্ষ বিস্তার করছে বিজেপি। বিহারে নীতীশ কুমার ফিরে এসেছেন এনডিএ জোটে। এবার পড়শি রাজ্য ওড়িশায় নবীন পট্টনায়েকের বিজু জনতা দলের সঙ্গে জোট গড়তে চলেছে বিজেপি (Lok Sabha Election 2024)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিরোধীদের সাফ করতেই সমমনস্ক দলগুলির সঙ্গে জোট গড়ছে বিজেপি।

    উনিশের নির্বাচনের ফল

    ওড়িশায় লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে ২১টি। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে এর মধ্যে ১২টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিল বিজেপি। ৮টি আসন গিয়েছিল কংগ্রেসের ঝুলিতে। মঙ্গলবারই ইন্ডিয়া টিভি-সিএনএক্সের প্রাক নির্বাচনী সমীক্ষায় জানা যায়, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ওড়িশায় বিজেপির সঙ্গে বিজেডির জোর টক্কর হবে (Lok Sabha Election 2024)। রাজ্যের শাসক দল বিজেডি পেতে পারে ১১টি আসন। বিজেপির ঝুলিতে যেতে পারে ১০টি আসন। মঙ্গলবার ওড়িশায় ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছিলেন, “বিজেপি চেষ্টা করছে ওড়িশাকে বিকশিত ভারত ও আত্মনির্ভর ভারতের গেটওয়ে বানানোর।”

    ওড়িশায় কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    জয়পুর জেলার চণ্ডীকোলে এলাকার ওই জনসভায় তিনি এও বলেছিলেন, “গত ১০ বছরে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ওড়িশায় প্রচুর বিনিয়োগ করেছে। আমরা ওড়িশাকে উন্নত ভারতের প্রবেশদ্বার বানানোর চেষ্টা করছি।” প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, গত ১০ বছরে ওড়িশায় কেবল পেট্রোকেমিক্যাল ক্ষেত্রে লগ্নি করা হয়েছে দু’লাখ কোটি টাকার মতো। ওড়িশা দ্রুত পলিয়েস্টার ইন্ডাস্ট্রির বড় কেন্দ্রে পরিণত হতে চলেছে। তিনি বলেছিলেন, “বেশি লগ্নি আসা মানে ওড়িশার যুবকদের আরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হওয়া।” ভিড়ে ভিড়াক্কার জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “এই বিশাল জনসভাই বলে দিচ্ছে পূর্ব ভারতের মুড। এটা স্পষ্ট জানান দিচ্ছে, ‘আব কি বার, ৪০০ পার’ সঙ্কল্প। এই সভাই বলে দিচ্ছে, ভারত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকার তিন নম্বরে উঠে আসবে।”

    আরও পড়ুুন: শাহজাহানকে হেফাজতে নিয়ে সন্দেশখালি, বসিরহাটে গিয়ে নথি সংগ্রহ করল সিবিআই

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই যে ‘আব কি বার ৪০০ পার’ সঙ্কল্প, এটা কৃষক, তরুণ, মহিলা এবং দরিদ্রদের জীবন বদলে দেবে। এক্ষেত্রে পূর্ব ভারত এবং বিশেষত ওড়িশা বিরাট ভূমিকা পালন করবে।” এই জনসভায় প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসের পাশাপাশি ইন্ডিয়া ব্লককে নিশানা করলেও, রাজ্যের শাসক দল বিজেডি সম্পর্কে একটি কথাও বলেননি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজ্যের শাসক দল সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর এই নীরবতাই জানান দিচ্ছে লোকসভা নির্বাচনে গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছে বিজেপি এবং বিজেডি (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • International Women’s Day: আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস, এই দিনটির বিশেষত্ব জানেন?

    International Women’s Day: আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস, এই দিনটির বিশেষত্ব জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ৮ মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস। প্রতিবছর এই দিনটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Women’s Day) হিসেবে পালিত হয়। এই দিনের মূল উদ্দেশ্য হল, সমাজে পুরুষ এবং নারীর বিভেদকে দূর করা। পুরুষের তুলায় নারীকে করুণার দৃষ্টিতে বা অবহেলিত না দেখে সামাজিক সাম্যের কথাকে প্রাধান্য দেওয়া হয় এই দিনে। প্রত্যেক নারীর অধিকারকে সুরক্ষিত করাই এই নারী দিবসের প্রধান ভাবনা।

    কীভাবে শুরু নারী দিবসের ভাবনা (International Women’s Day)?

    সালটা ১৯০৯। সেই সময় থেকেই সারা বিশ্বে পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা বিশেষ জায়গা তৈরি করতে শুরু করে। আমেরিকার সোশ্যালিস্ট পার্টির ঘোষণার পর রাষ্ট্রসংঘে আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Women’s Day) সম্পর্কে ঘোষণা হয়। এরপর থেকেই সমাজে নারীদের সমান অধিকার, ভোটের অধিকার এবং বৈষম্যকে দূরীকরণের বিষয়ে নানা স্তরে দাবি-দাওয়া উঠতে শুরু করে। পরে ১৯১১ সালের ৮ মার্চ অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, জার্মানি এবং সুইৎজারল্যান্ডে প্রথম আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপিত হয়। এরপর একই দিন থেকে পালিত হয় সারা বিশ্বে। 

    নারী দিবসের গুরুত্ব

    এই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের (International Women’s Day) বিরাট গুরুত্ব রয়েছে। সমাজে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে নারীদের গুরুত্বকে তুলে ধরা হয়ে থাকে। সমাজে নারীরা নিজেদের প্রতিবন্ধকতাকে কীভাবে অতিক্রম করে এগিয়ে চলেছে সেই বিষয়ে আলোকপাত করার একটা প্রয়াস থাকে এই দিনে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং আর্থিক ক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষমতায়ন এবং লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণের কথাও এই দিনে বলা হয়। সর্বত্র ৮ মার্চকে মাথায় রেখে নারীদের নিয়ে নানা রকম সম্মেলন এবং কর্মশালার আয়োজন করা হয়ে থাকে। একইসঙ্গে, নারী নির্যাতনের বিষয়কে সমাজের সকল স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং সচেতন করার প্রচেষ্টা করা হয়ে থাকে।

    এই বছরের থিম

    আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Women’s Day) প্রতি বছর একটি বিশেষ থিম নিয়ে পালিত হয়। এ বছর এই থিম হল ‘বিনিয়োগে নারী এবং দ্রুত অগ্রগতি।’ অর্থাৎ বিনিয়োগ ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিকে তুলে ধরা হয়েছে। থিমে মূলত অর্থনৈতিক দিকে নারী সমাজের স্বনির্ভরতার বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের নারী দিবসের প্রচারাভিযানে লিঙ্গ সমতা অর্জনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তাৎপর্য তখনই স্বার্থক, যখন এটি নারীদের সামনে থাকা সকল বাধাকে ভেঙে দিতে সক্ষম হবে। সমস্ত চ্যালেঞ্জ উপেক্ষা করে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করবে যেখানে সমস্ত নারীকে মর্যাদা ও সম্মান করার ভাবধারাকে সুরক্ষিত রাখবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • International Women’s Day: নারী দিবসে মহিলাদের অনন্য সম্মান, লিঙ্গভেদ দূর করতে সক্রিয় বিআরও

    International Women’s Day: নারী দিবসে মহিলাদের অনন্য সম্মান, লিঙ্গভেদ দূর করতে সক্রিয় বিআরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী, মহীয়সী, শক্তির আধার। ভারতীয় সমাজে নারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধার অনুভূতি রয়েছে। নারী দিবসের প্রাক্কালে (International Women’s Day) দেশে সব স্তরে নারী শক্তির জয়গান গাওয়া হচ্ছে। পিছিয়ে নেই দেশের বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন। বিআরও-এর (BRO) গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করছেন মহিলারা। প্রায় দুই দশক আগে, কয়েকজন মহিলা কর্মকর্তা বিআরওতে যোগদান করেছিলেন। কিন্তু প্রাথমিকভাবে ঝুঁকির কথা ভেবে তাঁদের কম গুরুত্বপূর্ণ কাজ দেওয়া হত। এখন সেই ভাবনায় বদল এসেছে। কেন্দ্রে মোদি সরকার নারীশক্তিকে সমান অধিকার দিতে প্রস্তুত।

    নারীর শক্তিকে গুরুত্ব (International Women’s Day)

    সংস্কৃতে এক শ্লোকে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘যেখানে একজন মহিলাকে সম্মান করা হয়, সেখানে সৎকর্ম, বিশেষ গুণাবলী, শান্তি এবং সম্প্রীতির সাথে ঈশ্বরের বাসস্থান হয়ে ওঠে। যদি তা করা না হয় তাহলে সমস্ত কাজকর্ম নিষ্ফল হয়ে যায়।’ সেই কথাকে মাথায় রেখেই এগিয়ে চলেছে বিজেপি সরকার। নারীর ক্ষমতায়নের (International Women’s Day) দিকে বিআরও-এর (Border Roads Organization) বহুমুখী দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে রয়েছে কর্মসংস্থানের বিভিন্ন ভূমিকা, উচ্চ শিক্ষার সুযোগ, সঠিক স্বাস্থ্যসেবার অ্যাক্সেস, অ্যাডভেঞ্চারের সুযোগ, খেলাধুলা এবং সামগ্রিকভাবে বিকাশের জন্য উৎসাহ দান, কারণ তারা জীবনের সমস্ত ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে। নারীর ক্ষমতায়ন, সত্যিকার অর্থে, একটি দৃষ্টিভঙ্গিগত পরিবর্তনকে সূচিত করে। 

    লিঙ্গভেদ দূরীকরণের নজর

    ২০২১ সালের ৮ মার্চ থেকেই বিআরও-তে নারী পুরুষের (International Women’s Day)  সমান পদ দেওয়ার কথা ভাবা হয়। জাতি গঠনের প্রচেষ্টায় মহিলারা সব সময়ই সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এই বিশ্বাসের ভিত্তিতেই এই সংস্থাটি মহিলাদের উচ্চতর নেতৃত্বের দায়িত্ব প্রদান করেছে। প্রথম মহিলা হিসেবে জেনারেল রিজার্ভ ইঞ্জিনিয়ার ফোর্স (জি আর ই এফ) আধিকারিক ইই (সিভিল) শ্রীমতি বৈশালী এস হাইওয়াসে ২০২১ সালের ২৮ এপ্রিল রাস্তা তৈরির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। যা মুন্সিয়ারি- বুকদিয়ার- মিলাম সংযোগকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ ইন্দো-চিন সড়ক পথে পড়েছে। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ওই মহিলা আধিকারিক চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে সঠিকভাবে নেতৃত্ব দিয়ে তাঁর দায়িত্ব সম্পন্ন করেছেন। এই মাইলফলক অনুসরণ করে, ইই (সিভি) ওবিন টাকিকেও অরুণাচল প্রদেশের সিয়াং উপত্যকার দুর্গম ভূখণ্ডে রাস্তা ও সেতু নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

    মেজর আয়নার নজির

    বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (Border Roads Organization) ২০২১-এর ৩০ অগাস্ট আরও একটি ইতিহাস সৃষ্টি করে। উত্তরাখণ্ডের চামুলি জেলার পিপল কোটিতে শিবালিক প্রকল্পের দায়িত্বভার দেওয়া হয় মেজর আয়নার ওপর। এই ধরনের ইউনিটের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনিই প্রথম মহিলা হিসেবে ইতিহাস তৈরি করেন। উল্লেখ্য, তার অধীনে থাকা তিন প্লাটুন কমান্ডারই ছিলেন মহিলা অফিসার। মেজর রানা ১৮,৪৭৮ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত ভারতের দ্বিতীয়-সর্বোচ্চ পাস মানা পাস পর্যন্ত রাস্তার উন্নয়নের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে ল্লেখযোগ্য সাফল্য মিলেছিল। তিনি প্রথম ভারতীয় মহিলা সেনা ইঞ্জিনিয়ার যিনি একটি রাস্তা নির্মাণ সংস্থাকে কমান্ড করেছেন। মহিলাদের নেতৃত্বে এরকম চারটি রাস্তা নির্মাণ করার পরিকল্পনা হয়েছে যার দুটি উত্তর-পূর্ব এবং দুটি পশ্চিমাঞ্চলে।

    আরও পড়ুন: বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জাতীয় মহিলা কমিশনেরও

    বিভিন্ন পদে মেয়েরা

    কর্নেল নবনীত দুগ্গাল, কাশ্মীর উপত্যকায় একটি ফিল্ড ওয়ার্কশপের অফিসার কমান্ডিং (OC) হিসাবে কাজ করছেন। লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বর্তমানে কর্নেল) স্নিগ্ধা শর্মা বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও) এর সদর দফতরে লিগ্যাল সেলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কর্নেল অর্চনা সুদকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে অরুণাচল প্রদেশের জিরোতে একটি টাস্ক ফোর্সের কমান্ডার হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। এভাবেকে ই বিআরও-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে এখন নেতৃত্বে রয়েছেন বহু মহিলা অফিসার। যা দেশে নারীশক্তিকে ক্রমশ জাগ্রত করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly Joins BJP: বিজেপিতে যোগ অভিজিতের, কী বললেন হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি?

    Abhijit Ganguly Joins BJP: বিজেপিতে যোগ অভিজিতের, কী বললেন হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীবারে বিজেপিতে যোগ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly Joins BJP)। এদিন বিজেপির সল্টলেকের অফিসে পৌঁছান তিনি। শঙ্খধ্বনি ও পুষ্পবৃষ্টির মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয় প্রাক্তন বিচারপতিকে। জয় শ্রীরাম ধ্বনিও দেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    অভিজিতের বাড়িতে বিজেপির প্রতিনিধি দল (Abhijit Ganguly Joins BJP)

    এদিন বেলা ১১টা নাগাদ অভিজিতের সল্টেলেকের বাড়িতে পৌঁছান বিধায়ক বিজেপির অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর সঙ্গে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষও। ১২টার কিছু পরে বাড়ি থেকে বের হন অভিজিৎ। বলেন, “আমি আজ বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছি। খুব ভালো লাগছে। সর্বভারতীয় দলে যোগ দিতে যাচ্ছি। আমায় যা দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা-ই করব।”

    কী বললেন অভিজিৎ?
    এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির এ রাজ্যের পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডে, রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রমুখ। পদ্ম ঝান্ডা হাতে নিয়ে অভিজিৎ (Abhijit Ganguly Joins BJP) বলেন, “আমি সর্ব ভারতীয় দলে যোগ দিলাম। এমন একটি দল যার মাথায় রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহরা। আমি দলের শৃঙ্খলাবদ্ধ সৈনিক হিসেবে কাজ করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য, পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যের একটি দুর্নীতিগ্রস্ত দলকে বিদায় দেওয়া। যাতে ২০২৬ সালে তারা ক্ষমতায় আসতে না পারে। এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর লড়াই যাতে শুরু করা যায়, তার জন্যই বিজেপিতে যোগ দিয়েছি।”

    বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডে বলেন, “তাপস রায় বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। আজ যোগ দিলেন অভিজিৎ। আবারও শক্তি বৃদ্ধি হল বিজেপির। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে প্রাক্তন বিচারপতিকে স্বাগত জানাচ্ছি।” সুকান্ত বলেন, “আগামিদিনে বিজেপি তাঁকে (অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে) নির্বাচনে ও অন্যান্য জায়গায় ব্যবহার করবে।” শুভেন্দু বলেন, “আমি এটুকুই বলব যে, রাজ্যের রাজনীতিতে এ রকম একজনের প্রয়োজন ছিল। তিনি তাঁর যে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছিলেন, তখন তাঁকে আক্রমণ করা হয়েছে। তাঁর কাজ করার ক্ষমতা কেড়েও নেওয়া হয়েছিল। যোগদানের আগে তিনি অমিত শাহের আশীর্বাদ গ্রহণ করেছেন। রাজ্য থেকে এবার পরিবারবাদী ও তোষণকারী সরকারকে ফেলতে পারব (Abhijit Ganguly Joins BJP)।”

    আরও পড়ুুন: ‘মোদির সভায় যাবেন না’, বিদেশ থেকে হুমকি-ফোন কাশ্মীরবাসীকে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Nadia: অনুব্রতর হাল দেখেও শিক্ষা হয়নি! নিমপাতা দিয়ে ভোট করানোর হুমকি দিলেন মহুয়া

    Nadia: অনুব্রতর হাল দেখেও শিক্ষা হয়নি! নিমপাতা দিয়ে ভোট করানোর হুমকি দিলেন মহুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডল এখন তিহার জেলে রয়েছে। কিন্তু, তাঁর বুলি এখনও আওড়াচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। এক সময় ভোটের আগে বীরভূমে ‘নকুলদানা’, ‘গুড়-বাতাসা’ আর ‘চড়াম চড়াম’-এর দাওয়াই দিয়েছিলেন কেষ্ট। সেই বুলি এবার শোনা গেল নদিয়ার (Nadia) প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্রের মুখে।

    নিমপাতা-র দাওয়াই দিলেন মহুয়া (Nadia)

    সংসদ থেকে বহিষ্কৃত মহুয়ার ওপরে আস্থা রেখে তাঁকে ফের প্রার্থী করা হবে নদিয়ায় (Nadia) এসে ঘোষণা করে গিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দল এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা না করলেও মহুয়াই ফের কৃষ্ণনগর কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন ধরে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে জেলা তৃণমূল। মহুয়া বিভিন্ন এলাকায় কর্মিসভাও করছেন। প্রকাশ্যে আসা ওই অডিও ক্লিপে তাঁকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘যে করেই হোক বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ভোটটা এ বার করতে হবে। এ বার কিন্তু যেখানে মধু দিয়ে, যেখানে নিমপাতা দিয়ে ভোটটা করতে হবে। সিম্পল কথা। প্রশাসনিক ব্যাকআপ আপনারা হান্ড্রেট পারসেন্ট পাবেন। এই কথা আমি দিয়ে যাচ্ছি।’ আর, জেলা প্রশাসনের ‘ব্যাকআপ’ প্রসঙ্গে নদিয়ার জেলাশাসক এস অরুণ প্রসাদ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির কিষাণ মোর্চার রাজ্য সভাপতি মহাদেব সরকার বলেন, “সংসদ থেকে বহিষ্কৃত হয়েও ওঁর শিক্ষা হয়নি। নিমপাতা বলতে উনি কী বোঝাতে চাইছেন সেটা সকলেই পরিষ্কার বুঝতে পারছে। আসলে জনমত বিপক্ষে রয়েছে বুঝতে পেরে এভাবে হুমকি দিচ্ছেন। উনি তো আসলে লেডি অনুব্রত!” তৃণমূলের কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা চেয়ারম্যান রুকবানুর রহমানের দাবি, এমন কোনও অডিও ক্লিপের কথা আমাদের জানা নেই। যদি তেমন কিছু আমার কাছে আসে তা হলে বিষয়টি নিয়ে মহুয়ার সঙ্গে কথা বলব।”  সিপিএম নেতা সুমিত বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share