Blog

  • Mohun Bagan vs East Bengal: মোহনবাগানকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে সুপার কাপের শেষ চারে ইস্টবেঙ্গল

    Mohun Bagan vs East Bengal: মোহনবাগানকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে সুপার কাপের শেষ চারে ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলিঙ্গ সুপার কাপে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে ৩-১ গোলে গুঁড়িয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল। পৌঁছে গেল সুপার কাপের সেমিফাইনালে। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিল মোহনবাগান। লাল-হলুদ মশালে পুড়ে খাক হয়ে গেল পালতোলা নৌকা। ০-১ থেকে ৩-১ গোলে জিতলেন কার্লেস কুয়াদ্রাতের ছেলেরা। জোড়া গোল করেন ক্লেইটন সিলভা। একটি গোল করেন নন্দকুমার।

    মশাল জ্বলল সুপার কাপে

    এদিন চলতি মরসুমের তৃতীয় ও বছরের প্রথম ডার্বিতে মুখোমুখি হয়েছিল মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। ডুরান্ড কাপে দুটো ডার্বি হয়েছিল। ডুরান্ডে গ্রুপ পর্বের ডার্বি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। টানা আটটি ডার্বি হারের পর অবশেষে জয়ের স্বাদ পেয়েছিল লাল-হলুদ শিবির। ডুরান্ড ফাইনালেও মুখোমুখি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান (East Bengal vs Mohun Bagan)। বদলা নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল সবুজ মেরুন। এ বার যেন ইস্টবেঙ্গলের বদলার পালা ছিল। মরসুমে তিনটির মধ্যে দুটো ডার্বি জিতল ইস্টবেঙ্গল।

    প্রথম সারির সাত ফুটবলার না থাকার ফল টের পেল সবুজ-মেরুন। সব বিদেশি থাকা সত্ত্বেও ইস্টবেঙ্গলকে টেক্কা দিতে পারল না তারা। অগস্টে ডুরান্ড কাপের গ্রুপ পর্বের পর সেই প্রতিযোগিতারই ফাইনালে মোহনবাগানের কাছে হেরেছিল ইস্টবেঙ্গল। আবার ডার্বিতে জিতল তারা। ইস্টবেঙ্গলের জয়ের নায়ক ক্লেটন সিলভা। জোড়া গোল করলেন তিনি। অপর গোলটি করেন নন্দকুমার। মোহনবাগানের গোলদাতা হেক্টর ইয়ুস্তে। ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট দেখাতে থাকে মোহনবাগান। প্রথম গোলও দেয় সবুজ মেরুন। কিন্তু তারপর থেকেই যেন বদলে যায় ইস্টবেঙ্গল। গোল শোধ করতে মাত্র পাঁচ মিনিট নেয় তারা। গোল পেয়ে আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠে ইস্টবেঙ্গলের খেলা। মোহনবাগানের মাঝমাঠ ক্রমশ ছন্নছাড়া হয়ে পড়ে। আর খেলায় ফিরতে পারেনি তারা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Thailand’s Ayutthaya: তাইল্যান্ডের আয়ুথায় যেন ভারতের অযোধ্যা, দুই নগরের সেতুবন্ধনে রামচন্দ্র

    Thailand’s Ayutthaya: তাইল্যান্ডের আয়ুথায় যেন ভারতের অযোধ্যা, দুই নগরের সেতুবন্ধনে রামচন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যা ও আয়ুথায় (Thailand’s Ayutthaya) দুই শহর। একটি অবস্থিত ভারতে এবং অপরটি তাইল্যান্ডে। এই দুটি স্থানের মধ্যে ভৌগলিক দূরত্ব অনেকটাই কিন্তু দুই শহরকে জুড়েছে আধ্যাত্মিকতা এবং ধর্ম বিশ্বাস। ভারতের রাম জন্মভূমির প্রতিধ্বনি যেন শোনা যাচ্ছে সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বিদেশি শহর আয়ুথায়তে। রাম মন্দিরের উদ্বোধন ঘিরে সাজসাজো রব চলছে অযোধ্যায়। ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের। অন্যদিকে তাইল্যান্ডের আয়ুথায়তেও চলছে সেই মুহূর্তের উদযাপনের প্রস্তুতি।

    আয়ুথায় থেকে মাটি ও জল এসেছে অযোধ্যায় 

    শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফ থেকে ইতিমধ্যে আয়ুথায় থেকে মাটি ও জল আনা হয়েছে। তাইল্যান্ডের ৩ নদীর জল এসেছে রাম মন্দিরের নির্মাণে। এই নদীগুলি হল চাও ফ্রায়া, লোপ বুড়ি, এবং পা সাক। নদীর তীরে অবস্থিত প্রাচীন শহর আয়ুথায় (Thailand’s Ayutthaya) ব্যাংকক থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং তা ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের তকমাও পেয়েছে, শহরে গৌরবময় সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের জন্য।

    কী বলছেন হিন্দু সংগঠনগুলির নেতৃত্ব

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ব্যাংকক শাখার সদস্যরা বলছেন, আয়ুথায়তে (Thailand’s Ayutthaya) অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু মন্দিরগুলিতে বড় স্ক্রিন লাগানো হবে ২২ জানুয়ারি এবং সরাসরি সম্প্রচারিত হবে রাম মন্দিরের উদ্বোধন অনুষ্ঠান। জানা গিয়েছে, রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন মাটির প্রদীপ সেখানে জ্বালানো হবে সন্ধ্যা বেলায়। রামায়ণ পাঠ এবং তার সঙ্গে রাম ভজনও চলবে দিনভর। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই বলছেন, “আয়ুথায় হল তাইল্যান্ডের অযোধ্যা। আমরা সেখান থেকে পবিত্র মাটি এবং জল পেয়েছি রাম মন্দিরের উদ্বোধনের জন্য।” স্বামী বিজ্ঞয়ানন্দ হলেন ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, “অযোধ্যার নামকরণ থেকেই আয়ুথায় নামটি এসেছে। ভগবান রামের জন্মস্থান এবং হিন্দু ধর্মের সঙ্গে সম্পর্ক বোঝাতেই এমন নামকরণ আয়ুথায়।” তিনি আরও জানান, রাজা রামাথিবোদি ছিলেন আয়ুথায়ের প্রথম শাসক। তিনিই এই শহরের নামকরণ করেন। এবং এই নামকরণেই বোঝা যায় যে রামায়ণের প্রভাব ঠিক কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত। তাঁর পরবর্তী চক্র রাজ বংশের রাজারাও রামকে গ্রহণ করেন বলে জানা যায়। প্রসঙ্গত, আয়ুথায়ের রামায়ণ বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা প্রচার করেছিলেন। তাইল্যান্ডের স্থানীয় ভাষায় যার নাম হয়েছিল রামাকিয়েন। ফ্রা নাখোন সি  হল আয়ুথায়ের সরকারি নাম। এই শহর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দে এবং এটি ছিল সিয়ামিজ রাজ্যের দ্বিতীয় রাজধানী।

    ১৭৬৭ সালে বর্মা সেনার আক্রমণে ধ্বংস হয় আয়ুথায় 

    সিয়ামিজ বংশের রাজা কিং ইউথং তিনি পরবর্তীকালের জনপ্রিয় হয়েছিলেন রামাথিবোদি নামে।  জানা যায়, ১৪ থেকে ১৮ শতকের মধ্যে খুবই  দ্রুত বেড়ে উঠেছিল এই শহর এবং পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম বৃহত্তম নগর হয়ে উঠেছিল। জানা যায়, ১৭৬৭ খ্রিস্টাব্দে বর্মা সেনা আক্রমণ করে এই শহর এবং লুটপাট চালায় প্রচুর। এখানকার বাসিন্দারা শহর ছাড়তে বাধ্য হন। কার্যত বর্মার সেনারা এই শহরকে জ্বালিয়ে দেয়। পরবর্তীকালে তা নতুনভাবে আর গড়ে ওঠেনি সেই একই স্থানে এবং এটি একটি আর্কিওলজিক্যাল সাইট হিসেবেই থেকে গিয়েছে। আয়ুথায় (Thailand’s Ayutthaya) এখন একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আর্কিওলজিক্যাল ধ্বংসাবশেষ হিসেবে থেকে গিয়েছে।

    তাইল্যান্ডের রামায়ণ হল রামাকিয়েন

    সংস্কৃতের পণ্ডিত পদ্মভূষণ পুরস্কারপ্রাপ্ত সত্যব্রত শাস্ত্রী তাই ভাষায় রামাকিয়েনকে সংস্কৃততে অনুবাদ করেন। রামাকিয়েন বাল্মিকী রচিত রামায়ণকে অনুসরণ করে গড়ে ওঠেনি অথবা অন্য কোনও ভারতীয় রামায়ণকে অনুসরণও এখানে করা হয়নি। তাইল্যান্ডের (Thailand’s Ayutthaya) অন্যতম অধ্যাপক সুরেশ পাল গিরি বলেন, “বর্মার সৈন্যরা যখন এই শহরকে ধ্বংস করেছিল, তখন একজন নতুন রাজার উত্থান হয়েছিল।” তিনি নিজেকে প্রথম রাম বলে অভিহিত করেছেন। ওই রাজা একটি শহরকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যা বর্তমানে ব্যাংকক নামে পরিচিত। তিনি রামাকিয়েন লেখেন যা কিনা স্থানীয় ভাষায় রামায়ণ বলেই পরিচিত। এই রামায়ণ বর্তমানে সে দেশের জাতীয় মহাকাব্য হিসেবে উঠে এসেছে এবং বৌদ্ধ মন্দিরগুলোতেও রামাকিয়ানের বিভিন্ন বাণী নজরে পড়ে। জানা যায়, ওই রাজা একজন বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ছিলেন তবুও তিনি ভগবান রামের আরাধনা করতেন।

    হিন্দু সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র তাইল্যান্ড

    তাইল্যান্ডে এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্ক শুধুমাত্র রামচন্দ্র বা অযোধ্যাকেন্দ্রিক নয়। এর প্রতিফলন বিভিন্ন উৎসবেও মেলে। যেমন ভারতের দীপাবলি তাইল্যান্ডে পালিত হয় লয় কার্থং নামে। তাইল্যান্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দেখা মেলে শিব, পার্বতী, গণেশ, ইন্দ্র এই সমস্ত মূর্তির। হিন্দু সংস্কৃতির অন্যতম কেন্দ্র বলা চলে এই দেশকে। ব্যাংককের সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরের দেওয়ালে নজরে পড়ে সমুদ্র মন্থনের বিভিন্ন দৃশ্য যা বিষ্ণু পুরাণ থেকে নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, আয়ুথায় ছাড়াও তাইল্যান্ডের প্রায় প্রত্যেক মন্দিরেই ২২ জানুয়ারি মহাসমারোহে পালন করা হবে রাম মন্দিরের উদ্বোধন উৎসব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India-Maldives Relationship: ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্ক নিয়ে বড় বার্তা বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের

    India-Maldives Relationship: ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্ক নিয়ে বড় বার্তা বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই উগান্ডার কাম্পালায় জোট নিরপেক্ষ গোষ্ঠীর (ন্যাম) বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে মলদ্বীপের (India-Maldives Relationship) বিদেশমন্ত্রী মুসা জমিরের সঙ্গে বৈঠক করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সাম্প্রতিক ঘটনা পরম্পরার নিরিখে এই বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। আর বৈঠক বেশ ফলপ্রসুও হয়েছে। মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর এস জয়শংকর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে ‘খোলামেলা আলোচনা’ হয়েছে তাঁদের মধ্যে। 

    জয়শঙ্করের বার্তা

    নিজের এক্স হ্যান্ডলে বৈঠকের ছবি দিয়ে জয়শঙ্কর জানালেন, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। আলোচনা হয়েছে ‘ন্যাম’ সম্পর্কিত বিষয় নিয়েও।” কূটনৈতিক শিবিরের মতে, সে দেশের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর সচিবালয় ১৫ মার্চের মধ্যে ভারতীয় সেনাদের মলদ্বীপ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়ার প্রেক্ষাপটে জয়শঙ্করের আজকের পার্শ্ববৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কূটনৈতিক দ্বৈরথের পাশাপাশি ভারতের পক্ষ থেকে মলদ্বীপবাসীর সঙ্গে যোগাযোগ অক্ষুণ্ণ রাখার চেষ্টাও করা হচ্ছে। প্রজাতন্ত্র দিবসে সামরিক কুচকাওয়াজে আমন্ত্রিত দেশ হিসাবে উপস্থিত থাকবেন মলদ্বীপের (India-Maldives Relationship) যুবা ক্যাডেটরা। পাশাপাশি ওই রাষ্ট্রের এক ঝাঁক যুবা আমলা হায়দরাবাদে ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব রুরাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড পঞ্চায়েত রাজ’-এ কয়েক সপ্তাহ প্রশিক্ষণ নেবেন।

    শুক্রবার থেকেই উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় শুরু হচ্ছে নন-অ্যালাইনড মুভমেন্ট (NAM) অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির সম্মেলন। দু’দিন ধরে চলবে এই সম্মেলন। সেই সম্মেলনে যোগ দিতেই কাম্পালায় গিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। মলদ্বীপ বনাম লাক্ষাদ্বীপ সোশ্যাল মিডিয়ার লড়াই চলছে। মলদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহার করার কথাও বলেছে সে দেশের সরকার। এমন পরিস্থিতিতে ভারত ও মলদ্বীপের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকে নজর ছিল গোটা বিশ্বের কূটনৈতিক মহলে। তখনই দুই দেশের মধ্যে আলাচনা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “পরেশ অধিকারী ও তাঁর কন্যাকে জেলের ভিতরে দেখতে চাই”, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “পরেশ অধিকারী ও তাঁর কন্যাকে জেলের ভিতরে দেখতে চাই”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পরেশ অধিকারী এসএসসি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর নাম এসএসসির প্রাথমিক অভিযোগের তালিকায় রয়েছে। তাঁর  এবং কন্যার নাম আমরা চার্জশিটে দেখতে চাই। তাঁকে বিজেপির মঞ্চে নয়, জেলের ভিতরে দেখতে চাই।” ঠিক এই ভাবেই জলপাইগুড়ির মেখলিগঞ্জে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    মেখলিগঞ্জের দলীয় সভায় নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “তৃণমূলের কাছে বিজেপির বিরোধী দলনেতা আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজ্যে তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে সোচ্চার হয়েছি আমরা। বিজেপি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে বিরোধী দলের ভূমিকা কী তা পালন করছে। রাজ্যে ২০১১ থেকে সিপিএম বিরোধী দল ছিল আবার ২০১৬ থেকে কংগ্রেস ছিল বিরোধী দল, কিন্তু কংগ্রেস-সিপিএম বিরোধী দলের ভূমিকা কী হওয়া উচিত তা সেই সময়ে পালন করেনি। তাঁরা কেবলমাত্র ফিস ফ্রাই খেয়েছেন। কিন্তু বিজেপির বিধায়ক-সাংসদেরা তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তাঁদের দুর্নীতি, চুরি, মানুষের প্রাপ্য অধিকার নিয়ে লড়াই সংঘর্ষ করছে। গণতন্ত্র লুটের জন্য নবান্ন অভিযান করেছি আমরা। আবার রাজ্যে বাঞ্চিতদের অধিকারের দাবিকে সুরক্ষিত করতে রাজপথে নেমে আন্দোলন করেছে বিজেপি। রেশন দুর্নীতি, স্কুল নিয়োগে দুর্নীতি, মিড-ডে-মিল, পুরনিয়োগ র্দুনীতি, কয়লা, বালি, গরু পাচার নিয়ে মানুষের কাছে গিয়ে তৃণমূল সরকারের ষড়যন্ত্রের কথা পৌঁছে দিয়েছি।”  

    সন্দেশখালি প্রসঙ্গে কী বলেন?

    সন্দেশখালির ঘটনা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয় যে ওই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত জিয়াউদ্দীন অভিযোগ করছে ইডি সম্পূর্ণ ভাবে শুভেন্দুর নির্দেশেই সেখানে গিয়েছিলো। এর জবাবে জলপাইগুড়িতে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এটা আতঙ্ক থেকে এইসব কথা চোরেরা বলছে। চোরেদের জেলে ভরা হবে আর এই আতঙ্ক থাকা ভালো। রাজ্যের দুর্নীতি নিয়ে বিজেপি সমস্ত চোরেদের বিরুদ্ধে লড়াই করবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিষেকের মামলা পত্রপাঠ খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    Abhishek Banerjee: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিষেকের মামলা পত্রপাঠ খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। পাশাপাশি বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ থেকে মামলা সরানোর আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের সেই আবেদন শুনানির আগেই খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কোনও যুক্তির ওপর নির্ভর করে মামলা দায়ের করা হয়নি বলে জানিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    কেন খারিজ মামলা

    সম্প্রতি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের অপসারণ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দেন এক যুব তৃণমূল নেতা। তার প্রতিক্রিয়ায় পালটা প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর সম্পত্তির তালিকা প্রকাশের চ্যালেঞ্জ ছোড়েন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতির সেই মন্তব্যকে হাতিয়ার করে আদালতে গিয়ে অভিষেক দাবি করেন, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য যেন তদন্তকে প্রভাবিত না করে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে মন্তব্য করছেন। তাই বিচারপতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দিক সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার এই মামলা প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের অভিমত, অভিষেকের (Abhishek Banerjee) আবেদনে কোনও যুক্তি নেই। মামলাটি খারিজ করা হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: গাজিয়াবাদ থেকে উদ্ধার হার্ড ডিস্ক পাঁচদিনে পেশ করতে হবে, সিবিআইকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    কী বলল আদালত

    অভিষেকের (Abhishek Banerjee) আরও আবেদন, কলকাতা হাইকোর্টে তাঁর বিরুদ্ধে বিচারাধীন মামলাগুলিকে (যেগুলি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় ও বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে বিচারাধীন) তৃতীয় বেঞ্চ গঠন করে সেখানে স্থানান্তর করা হোক। এই আর্জিও এদিন শীর্ষ আদালতে খারিজ হয়ে যায়। অভিষেকের আইনজীবী সঞ্জয় বসু জানিয়েছেন, অভিষেককে নতুন করে মামলা দায়ের করতে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। উল্লেখ্য, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংক্রান্ত একটি মামলার প্রেক্ষিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তির হিসাব জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। প্রসঙ্গত এর আগে অভিষেকের আবেদনের ভিত্তিতে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির বেশ কয়েকটি মামলা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরিয়ে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই মামলা এখন বিচারপতি সিনহার এজলাসে বিচারাধীন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: দুর্গাপুরে অযোধ্যার রাম মন্দিরের ছোঁয়া, ২০ কেজি বিস্কুটে নির্মিত হল মন্দির

    Durgapur: দুর্গাপুরে অযোধ্যার রাম মন্দিরের ছোঁয়া, ২০ কেজি বিস্কুটে নির্মিত হল মন্দির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় নব নির্মিত রাম মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে রাম লালার। তার আগে দেশজুড়ে চরম উৎসাহ উদ্দীপনা। ইতিমধ্যে আমন্ত্রণপত্র এবং অক্ষত চালের প্রসাদ বাংলার ঘরে ঘরে বিতরণ চলছে। মন্দির উদ্বোধনের আর মাত্র ২ দিন বাকি, ঠিক তার আগে ২০ কেজি বিস্কুট দিয়ে রাম মন্দির তৈরী করে নজির গড়লেন দুর্গাপুরের (Durgapur) ছোটন ঘোষ। এলাকায় তাঁর এই নির্মিত মন্দির দেখার জন্য ব্যাপক ভিড় জমিয়েছে এলাকার মানুষ।

    সাড়ে তিন ফুট উচ্চতা মন্দিরের (Durgapur)

    কী থাকছে ছোটনের রাম মন্দিরে? সাড়ে তিন ফুট উচ্চতা এবং তিন ফুট চওড়া-লম্বায়। রাম মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে বিস্কুটের রাম মন্দির। তাতে থার্মোকলের ওপর পার্লে-জি, মেরি, টপ, নোনতা বিস্কুট দিয়ে নকশা করা হয়েছে। গত চারদিন ধরে ছোটন ও তাঁর সহপাঠীরা সেই কাজ করেছেন। মন্দির নির্মাণ করে ছোটন বলেন, “গোটা দেশ রাম মন্দির তৈরির আনন্দে মাতেয়ারা। তারই এক প্রতিফলন স্বরূপ আনন্দ প্রকাশ করতে বিস্কুট দিয়ে রাম মন্দির তৈরী করার পরিকল্পনা। আমার এই রাম মন্দির দূর্গাপুর (Durgapur) ইসকন মন্দিরে রাখা হবে।”

    আগে সৌরবিদ্যুত চালিত বাইক তৈরি করেছিলেন

    দুর্গাপুরের (Durgapur) ধুবচুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা ছোটন ঘোষ। পেশায় ফুলের সাজসজ্জার কাজ করেন তিনি। মাধ্যমিক পাশ করার পর শুরুতে বাবার সঙ্গে গ্যারেজে কাজ শুরু করেন। সেখান থেকে কারিগরি শিক্ষার হাতেখড়ি। মাস কয়েক আগে ১০ সিটের সৌরবিদ্যুত চালিত বাইক তৈরী করে নজির গড়ে ছিলেন। প্যাডেল ছাড়া সূর্যালোকে ওই বাইকে চড়ে অনায়সে যাওয়া আসা করা যাবে। সেটা তৈরীতে খরচ হয়েছিল তাঁর কুড়ি হাজার টাকা। ওই বাইকে লোহার টুকরোকে জোড়া লাগিয়ে তার সঙ্গে টায়ারের চাকা, সোলার প্লেট, ব্যাটরি বসানো হয়েছিল। পরীক্ষামূলকভাবে সফল হয়। জ্বালানিতেল মূল্যবৃদ্ধির জেরে, কম খরচে সেটা সহকর্মীদের সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় কাজের সুবিধায় যাওয়া আসার জন্য তৈরী করেছিলেন ছোটোন।

    মনোরঞ্জনের জন্য চন্দ্রযান

    বিজ্ঞানীদের সম্মান জানাতে ছোটোনও সদৃশ্য চন্দ্রযান তৈরী করেছিলেন। তবে সেটা মনোরঞ্জনের জন্যই মাত্র। প্ল্যাস্টিকের বোতলের সাড়ে ছ’ফুটের সিলিন্ডার তৈরী করা হয়। তাতে আর্ডিনো ডিভাইস বোর্ড লাগানো ছিল। সঙ্গে ছিল ৯ ভোল্টের ব্যাটরী। মোবাইল দ্বারা অপারেটিং সিস্টেম ছিল। প্রায় ৪০ ফুট ওপরে উড়েছিল তার কৃত্রিম চন্দ্রযান। এছাড়াও সদৃশ্য রোভার প্রজ্ঞান তৈরী করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন ছোটোন (Durgapur)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: গাজিয়াবাদ থেকে উদ্ধার হার্ড ডিস্ক পাঁচদিনে পেশ করতে হবে, সিবিআইকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    SSC Scam: গাজিয়াবাদ থেকে উদ্ধার হার্ড ডিস্ক পাঁচদিনে পেশ করতে হবে, সিবিআইকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি (SSC Scam) মামলায় গাজিয়াবাদ থেকে উদ্ধার হওয়া ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস, হার্ড ডিস্ক এবং তার মধ্যে থাকা ওএমআর-সহ সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রসিদির বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে অর্থাৎ ২৪ জানুয়ারির মধ্য়ে ওই সমস্ত নথি আদালতে জমা দিতে হবে। যদি পরবর্তী শুনানির দিন কোনও কারণে ইলেকট্রনিক ডিভাইস পেশ করা সম্ভব না হয়, তাহলে মামলা চলাকালীন তা পেশ করতে হবে।

    কী বলল আদালত

    এদিনের শুনানিতে বিচারপতি এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস পেশ করা সম্ভব না হলেও তার মধ্যে থাকা নথির কপি পেশ করতে হবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-কে। এদিন সিবিআই-এর পাশাপাশি এসএসসি-র (SSC Scam) কাছে থাকা এই সংক্রান্ত সমস্ত নথিও পেশ করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই সংক্রান্ত তথ্য স্কুল সার্ভিস কমিশনের সার্ভারে রয়েছে। আদালতে উত্তরপত্র জমা দেওয়ার বিষয়ে চাকরিপ্রাপকদের মধ্যে মতানৈক্য তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ চাইছেন, উত্তরপত্র আদালতের সামনে আসুক। একাদশ-দ্বাদশে চাকরিপ্রাপকদের দু’জন ওএমআর শিট দেখতে চেয়েছেন। তাঁরা নিজেরা ওই উত্তরপত্র পরীক্ষা করে দেখতে চান। তবে বাকি চাকরিপ্রাপকেরা উত্তরপত্র আদালতে জমা দেওয়ার বিপক্ষে। তাঁরা জানিয়েছেন, ডিজিটাল এই নথির সত্যতা নিয়েই তাঁদের সন্দেহ রয়েছে।

    আরও পড়ুন: আদালতে খারিজ আবেদন, সরকারি বাংলো খালি করলেন বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া

    আদালতে সওয়াল-জবাব

    সিবিআই-এর আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য সওয়াল করেন, “এই মামলার তদন্তে আমরা যে যে নথি এবং তথ্য উদ্ধার করেছি তার সবগুলিই স্কুল সার্ভিস কমিশনকে (SSC Scam) দিয়েছি। তারা সেগুলি খতিয়ে দেখে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।” বিচারপতি দেবাংশু বসাক সওয়াল করেন, “এসএসসি র ওপর আমরা কীভাবে বিশ্বাস করব? এসএসসি বারবার তার অবস্থান বদল করেছে। কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে তারা ভিন্ন অবস্থান নিয়েছেন এই এজলাসেও এসএসসি সর্বশেষ যে হলফনামা দাখিল করেছে সেখানেও তারা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেনি।” এরপরই আদালত সিবিআইকে নথি পেশ করার নির্দেশ দেয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Iran Pakistan Conflict: ফের আকাশপথে হামলা চালাতে পারে ইরান! পাকিস্তানে জারি ‘হাই-অ্যালার্ট’

    Iran Pakistan Conflict: ফের আকাশপথে হামলা চালাতে পারে ইরান! পাকিস্তানে জারি ‘হাই-অ্যালার্ট’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আকাশপথে হামলা করতে পারে ইরান (Iran Pakistan Conflict)। সেই আশঙ্কায় পাকিস্তানে জারি হয়েছে হাই-অ্যালার্ট (Pakistan on High Alert)। যদি দুদেশের মধ্যে যুদ্ধে বাঁধে, তাই আগাম পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শুক্রবার সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ আধিকারিক এবং গোয়েন্দাকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসলেন পাকিস্তানের তদারকি সরকারের প্রধানমন্ত্রী আনওয়ার-উল-হক কাকর। নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখছে পাক সেনাও। দুদেশের মধ্যে থাকা প্রায় ৯০০ কিলোমিটার সীমান্তে সেনা-অস্ত্র মোতায়েন বৃদ্ধি পেয়েছে।

    ইরান-পাকিস্তান সংঘাত (Iran Pakistan Conflict)

    ইরান-পাকিস্তানের এই সাম্প্রতিকতম সংঘাতের সূচনা হয় বুধবার। পাকিস্তানের বালোচিস্তান প্রদেশে হামলা চালায় ইরান। পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জয়েশ অল-আদাল গোষ্ঠী বা ‘আর্মি অফ জাস্টিস’-এর ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল তেহরান। ইরানের দাবি, এই জঙ্গি সংগঠন তাদের মাটিতে বেশ কয়েকটি হামলা চালিয়েছে। 

    এর ‘প্রতিশোধ’ নিতে ২৪-ঘণ্টার মধ্যে পাল্টা হামলা চালায় পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার ইরানের মাটিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে পাকিস্তান। পাক সেনার তরফ থেকে দাবি করা হয়েছিল, বিচ্ছিনতাবাদী সংগঠনের ঘাঁটিতে এই হামলা চালিয়েছে তারা। পাকিস্তান দাবি করছে, এই অভিযানে তারা জঙ্গিদের খতম করেছে। তবে তেহরানের পাল্টা দাবি, পাক এয়ারস্ট্রাইকে চার শিশু এবং তিনজন মহিলার মৃত্যু হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে ফের পাক ভূমে ইরান নতুন করে হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা (Pakistan on High Alert) করছে পাক প্রশাসক ও সেদেশের সেনা। 

    নতুন হামলার আশঙ্কায় পাকিস্তান

    ইসলামাবাদের এই আশঙ্কাযে অমূলক নয়, তার আভাস মিলেছে একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেই। ওই সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানের হামলার জবাব দেওয়ার জন্য জোর প্রস্তুতি চালাচ্ছে তেহরান (Iran Pakistan Conflict)। খুব শীঘ্রই পাক-ভূমে নতুন হামলা হতে পারে পারে সংবাদমাধ্যমটি তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা  উড়িয়ে দিচ্ছেনা তারা। এই পরিস্থিতিতে ৯০৯ কিলোমিটার দীর্ঘ দু’দুদেশের সীমান্তে তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে (Pakistan on High Alert)। ইরান-পাকিস্তান সীমান্তের দুদিকে সেনা ও অস্ত্রের সমাগমে জোর দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। সীমান্তের একদিকে ইরানের সিস্তান প্রদেশ। সীমান্তের ওপারে রয়েছে পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশ।

    আরেকটা যুদ্ধের ভ্রুকুটি

    ২০২২ সালের ফ্রেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালায় রাশিয়া। প্রায় দু’বছর পরেও যুদ্ধ থামেনি। তারই মধ্যে গত ৭ অক্টোবর গাজা ভূখণ্ড থেকে ইজরায়েলকে লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালিয়েছে হামাস গোষ্ঠী। এরপর শুরু হয় সংঘর্য। এখনও সেই সংঘর্ষ চলছে। এবার ইরান-পাকিস্তান (Iran Pakistan Conflict) পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে আন্তর্জাতিক মহলে।

  • North Bengal Weather: তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরবঙ্গ, তুষারপাত দার্জিলিঙে

    North Bengal Weather: তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরবঙ্গ, তুষারপাত দার্জিলিঙে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতে দক্ষিণবঙ্গে যেখানে পারদ ঊর্ধ্বমুখী অপর দিকে উলটো দিকে কাঁপছে গোটা উত্তরবঙ্গ (North Bengal Weather)। আবহাওয়া দফতর থেকে ইতি মধ্যে এই পরিস্থিতিতে ‘কোল্ড ডে’ ঘোষণা করেছে। অপর দিকে দার্জিলিঙের তাপমাত্রা নামল শূন্যের নিচে। দার্জিলিং, কালিম্পং, সিকিমের পাহাড় মেঘাচ্ছন্ন। মাঝে মধ্যে শিলাবৃষ্টি এবং আংশিক বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সেই সঙ্গে রয়েছে তুষারপাতের প্রবল সম্ভাবনা।

    উত্তরবঙ্গে তীব্র ঠান্ডা (North Bengal Weather)

    সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এবার মেঘে ঢাকা কালিম্পংকে পেছনে ফেলে দিল কোচবিহার (North Bengal Weather)। বৃহস্পতিবার কালিম্পংকে থেকে ২ ডিগ্রি তাপমাত্রা কম নামল কোচবিহার। কালিম্পংয়ের তাপমাত্রা ছিল ৯.৫ ডিগ্রি এবং কোচবিহারের তাপমাত্রা ছিল ৭.৯ ডিগ্রি তাপমাত্রা। অপর দিকে দার্জিলিঙের তাপমাত্রা ছিল শূন্য ডিগ্রির নিচে। বছরের সব থেকে শীতলতম দিন ছিল এই দিন। এই পরিস্থিতি আরও ২ থেকে ৩ দিন থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আকাশ কুয়াশা এবং আংশিক মেঘলা থাকবে বলে জানা গিয়েছে। রোদের দেখা মিলবে না বললেই হয়। বিক্ষিপ্ত ভাবে দুই এক জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। গত বেশ কিছু দিন ধরে কোচবিহারে গত কয়েক দিন থেকেই কুয়াশা এবং মেঘে ঢাকা, সূর্য ওঠেনি। প্রবল শীতের প্রভাব চলছে জেলাগুলিতে। আবার সিকিমের তাদং এলাকার তুলনায় থেকেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কম ছিল কোচবিহারে। কোচবিহারের সঙ্গে গ্যাংটকের তাপমাত্রার পার্থক্য ছিল দু’ডিগ্রিরও কম।

    হাওয়া অফিসের বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের সিকিমের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক গোপীনাথ রাহা বলেন, “কালিম্পংয়ে (North Bengal Weather) মেঘ রয়েছে। সমতলের আরও কিছু জায়গায় কোচবিহার সহ কয়েকটি জেলায় মেঘলা থাকবে। বিকেলের পর থেকে আসামের দিকে সরে যাবে মেঘ। রাতে মেঘ মুক্ত হলে তাপমাত্রা নিচে নামবে।”

    কেমন থাকবে দার্জিলিংয়ের আবহাওয়া?

    দার্জিলিং (North Bengal Weather) এবং উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর। সেই সঙ্গে শুক্র ও শনিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে পার্বত্য এলাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং সিকিমের পাহাড় মেঘাচ্ছন্ন। মাঝে মধ্যে শিলাবৃষ্টি, বৃষ্টিও চলছে। একই ভাবে সান্দাকফু, নাথুলার মতো উঁচু পাহাড়ে চলছে তুষারপাত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Railway: দেশের ৩০০টিরও বেশি রেল স্টেশন নামাঙ্কিত হবে রাম-নামে, পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে ক’টি?

    Railway: দেশের ৩০০টিরও বেশি রেল স্টেশন নামাঙ্কিত হবে রাম-নামে, পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে ক’টি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে প্রভু শ্রী রামের নামে নামকরণ করা হবে ৩০০টিরও বেশি রেল স্টেশন (Railway)। বাংলায় ৫০টি রেল স্টেশনের নতুন নামকরণ হবে রামের নামে। এই কথা রেলমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ভারতের কোটি কোটি মানুষের মনে প্রভু শ্রীরামেকে ঘিরে ঐতিহাসিক, পৌরাণিক, সাহিত্যিক এবং মহাকাব্যিক রাম চরিত্রের প্রতি ধর্মীয় আস্থা, বিশ্বাস রয়েছে। প্রভু শ্রীরামের ‘রাম নাম ছাড়া জগতের উদ্ধার নেই’ এই কথা শত শত বছর ধরে ভারতীয়দের মনের গভীরে গেঁথে রয়েছে। এবার দেশের রেল ব্যবস্থার যোগাযোগ মাধ্যমে অত্যাধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেশ কিছু স্টেশনের নব পরিচয় হবে রামচন্দ্রের নামে।

    কী জানা গিয়েছে(Railway)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৪৩টি রেল স্টেশনের (Railway) নতুন নামকরণ করা হবে। জায়গা বা স্থানের নামের সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছে পরম্পরায় বাহিত এবং নান্দনিক গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে এই রেল স্টেশনগুলির নতুন নামকরণ করা হবে। স্টেশনগুলিকে নানা বর্ণের আর্ট, শিল্পকলা, প্রতিচ্ছবি এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ সাজে সাজানো হবে।

    রেলের তরফ থেকে আরও জানা গিয়েছে, আগামী ২২ তারিখ রামমন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে ৮০০০টি রেল স্টেশনে প্রদীপ জ্বালিয়ে দীপাবলি উৎসব পালন করা হবে। একই সঙ্গে ৯০০০টি স্টেশনের এলইডি পর্দায় রেলযাত্রীদের জন্য মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার দেখানো হবে।

    কোন প্রদেশে কটা স্টেশনের নাম হবে?

    দেশের যে যে রাজ্যের যতগুলি রেল স্টেশনকে (Railway) রামের নামে নামাঙ্কিত হবে তা হল— অন্ধ্রপ্রদেশে ৫৫টি, অসমে ১০টি, বিহারে ২৮টি, ছত্তিশগড়ে ৪টি, গুজরাটে ৭টি, হারিয়ানাতে ১টি, হিমাচল প্রদেশে ১টি, জম্মু-কাশ্মীরে ২টি, ঝাড়খণ্ডে ৯টি, কর্নাটকে ১৫টি, কেরলে ১৫টি, মধ্যপ্রদেশে ১৬টি, মহারাষ্ট্রে ৫টি, ওড়িশায় ৭টি, পাঞ্জাবে ৪টি, রাজস্থানে ১৫টি, তামিলনাড়ুতে ৫৪টি, তেলঙ্গানায় ১৭টি, ত্রিপুরায় ১টি, উত্তরপ্রদেশে ২৬টি, উত্তরাখণ্ডে ১টি এবং পশ্চিমবঙ্গে ৫০টি। রাম ভক্তদের কাছে এই খবর আরও উচ্ছ্বাস এবং আবেগের।

    পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক আদান প্রদানের

    সূত্রে জানা গিয়েছে, রেল (Railway) ব্যবস্থা এই স্টেশনের নামকরণে আগামী দিনে পর্যটন শিল্প বিকাশের একটি বিরাট ক্ষেত্রের সম্ভবনা তৈরি করবে। ভারতের হাজার বছরের পুরাতন সমৃদ্ধশীল সংস্কৃতিকে বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি বড় মাধ্যম হবে। পর্যটকরা রেলপথে ভ্রমণের সময় ভারতের বৈচিত্রময় সংস্কৃতির নানা ভাবনার কথা জানতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share