Blog

  • Koustav Bagchi Joins BJP: বিজেপিতে যোগ দিলেন কৌস্তভ, জানালেন কেন ছাড়লেন কংগ্রেস? 

    Koustav Bagchi Joins BJP: বিজেপিতে যোগ দিলেন কৌস্তভ, জানালেন কেন ছাড়লেন কংগ্রেস? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিতে যোগ দিলেন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী (Koustav Bagchi)। বৃহস্পতিবার বিজেপি কার্যালয়ে গিয়ে পদ্মপতাকা হাতে নেন তিনি। একদিন আগেই কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দেন কৌস্তভ। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগ দিলেন বিজেপিতে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে হাতে তুলে নিলেন পদ্ম-পতাকা। 

    কেন বিজেপিতে

    বিজেপিতে যোগ দিয়েই কৌস্তভ বাগচী বলেন, “মানুষের চাহিদা পূরণ না করলে তো রাজনীতি করার কোনও অর্থ নেই। যেখানে প্রদেশ কংগ্রেসের গুরুত্ব নেই। সেখানে সে দলের সঙ্গে থাকার কোনও অর্থ নেই। সন্দেশখালি নিয়ে কংগ্রেসের উচ্চ নেতৃত্ব চুপ। আমার মনে হচ্ছে দিনের পর দিন কংগ্রেস যেভাবে তৃণমূল নিয়ে নরম মনোভাব দেখাচ্ছে, সেখানে আত্ম মর্যাদা নিয়ে সেই দলে থাকা যায় না।” কৌস্তভের বক্তব্য, “সন্দেশখালিকাণ্ডে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পর্যন্ত প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। অথচ কংগ্রেসের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। দলের মধ্যেও এ নিয়ে অসন্তোষের জায়গা আছে। কেউ বলছে কেউ বলছে না। আমার মনে হয় এখানে থাকাটা নিজের আত্মমর্যাদার সঙ্গে সমঝোতা করা। এই তৃণমূলের প্রতি নরম অবস্থান নিয়ে রাজ্যে তৃণমূলকে উৎখাত করা যাবে না।” সেই লড়াই লড়তেই তিনি বিজেপিতে যোগ দিলেন বলে জানান।

    কংগ্রেস ছাড়লেন কেন

    কৌস্তভ বলেন, “কংগ্রেস কেউই ছাড়ে না, ছাড়তে বাধ্য করা হয়। কংগ্রেস হাইকমান্ডের কাছে রাজ্য তৃণমূলই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রদেশ কংগ্রেসের কোনও গুরুত্ব নেই। কংগ্রেস তার রাজনৈতিক সত্তা হারিয়েছে। সেই কারণেই পদত্যাগ বলে দাবি করেছেন কৌস্তভ। অনেক দিন ধরেই দলে কিছু জিনিস ঠিক চলছিল না। বার বার সেগুলি তুলে ধরেছিলাম। কিন্তু দল যে কোনও পরামর্শ চায় না, তা স্পষ্ট হয়ে যায়।” কৌস্তভের প্রশংসা করে এদিন শুভেন্দু বলেন, “গত দু’আড়াই বছরে জ্বলন্ত ইস্যুগুলির ক্ষেত্রে, দলের বাইরে গিয়ে, বাংলার মানুষের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন। সশরীরে বিভিন্ন এলাকাতেও গিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার তাঁকে গ্রেফতার করে, অনেক আইনি লড়াইও করতে হয় তাঁকে। মোদিজি-কে ৪০০-র বেশি আসন দিয়ে তৃতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী করব আমরা। গৃহমন্ত্রী যে ৩৫ আসনের লক্ষ্য দিয়েছেন বাংলা থেকে, বাংলার একটা বড় অবদান থাকবে। সেই লক্ষ্যে অবিচল থেকে, দায়িত্বশীল কর্মী হিসেবে কাজ করব আমরা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: ইডি অফিসে শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী! কোন পথে এগোচ্ছে তদন্ত?

    Sheikh Shahjahan: ইডি অফিসে শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী! কোন পথে এগোচ্ছে তদন্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহাজাহান। গত ৫ জানুয়ারি তাঁকে ধরতে গিয়েই আক্রান্ত হয় ইডি। সে থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। টানা ৫৫ দিন গা ঢাকা দিয়েছিলেন শাহজাহান। অবশেষে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও ইডির দাবি, তথ্য লোপাটের চেষ্টা করা হবে। এমনকী শাহজাহানকে আড়াল করবে রাজ্য পুলিশ। তাই দ্রুত শাহজাহানকে ঘিরতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। চলছে তারই প্রস্তুতি। এরইমধ্যে ইডি ডেকে পাঠিয়েছে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী অরুণ সেনগুপ্ত,  অরূপ সোমকে।

    অরূপ সোমকে তলব

    শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হতেই তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ব্যবসায়ী অরূপ সোমকে ডেকে পাঠাল এনফোরেসমেন্ট ডিরেক্টরেট। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ইডি’র সমন পেলেন তিনি। অনুমান, শাহজাহানের বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড় করতেই এই তলব। চলতি সপ্তাহেই অরূপের দক্ষিণ কলকাতার বিজয়গড়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, শেখ শাহজাহানের চিংড়ি মাছের ব্যবসা সংক্রান্ত মামলায় তলব করা হয়েছে ব্যবসায়ীকে। এই ব্যবসায়ী শাহজাহানের থেকে চিংড়ি মাছ নিয়ে অন্যান্য কোম্পানিদের বিক্রি করত বলে জানা গিয়েছে। এই কোম্পানির সঙ্গেই শেখ শাহজাহানের ব্যবসায়িক যোগাযোগ ছিল। তদন্তকারীরা মনে করছেন যে, রেশন দুর্নীতির সঙ্গে যেহেতু শেখ শাহজাহান ওতপ্রোতভাবে যুক্ত, ফলে তাঁর অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি কালো টাকা আসত ৷ সেই কালো টাকা অরূপ সোমের কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা হত মাছের ব্যবসার নামে। ফলে কতবার কত কোটি টাকা তাঁদের মধ্যে লেনদেন হয়েছে, সেই সমস্ত বিশদে জানার জন্যই ফের অরূপ সোমকে ডেকে পাঠিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

    আরও পড়ুন: ইডি থেকে বাঁচতেই কি ইডি’র ওপর হামলার দায় স্বীকার শাহজাহানের?

    অরুণ সেনগুপ্তকে জেরা

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠ বিরাটির ব্যবসায়ী অরুণ সেনগুপ্তও হাজির হলেন ইডির দফতরে। সোমবারই তাঁর মেয়ে এসেছিলেন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে। সূত্রের খবর, বেশ কিছু নথি নিয়ে সোমবার তদন্তকারী সংস্থার দফতরে যান অরুণ-কন্যা। এরপরই এদিন যান অরুণ নিজে। আমদানি-রফতানির সংস্থা রয়েছে তাঁরও। চিংড়ি মাছের আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত কাজ করে তাঁর সংস্থা। শেখ শাহজাহান সম্পর্কে দ্বিতীয় যে ইসিআইআর হয়েছে, মূলত তা অরুণ সেনগুপ্তের সংস্থার একটি পুরনো এফআইআরের ভিত্তিতে। অরুণ সেনগুপ্ত সি ফুড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনেরও সদস্য। ইডি সূত্রে খবর, শেখ শাহজাহানের সঙ্গে অরুণ সেনগুপ্তের সংস্থার লেনদেন সংক্রান্ত যোগ ছিল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে দেড় বছরের ছেলেকে খুন  করেছিল মা, ফাঁসির সাজা দিল আদালত

    Howrah: প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে দেড় বছরের ছেলেকে খুন করেছিল মা, ফাঁসির সাজা দিল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের পুত্র খুনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত মাকে ফাঁসির সাজা শোনাল আদলাত। একই সঙ্গে ফাঁসির শাস্তি ঘোষণা হয়েছে মায়ের প্রেমিকের বিরুদ্ধেও। এই রায় দিয়েছেন হাওড়া (Howrah) ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের বিচারপতি। ঘটনায় তীব্র শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

    ফলকনামা এক্সপ্রেসে ট্রলি ব্যাগে ছিল দেহ (Howrah)

    ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল, ২০১৬ সালে। জানুয়ারি মাসের শুরুতেই হাওড়া (Howrah) রেল স্টেশনের ফলকনামা এক্সপ্রেসের ট্রলি ব্যাগের মধ্যে থেকে একটি শিশুর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে হাওড়া জিআরপি পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছিল। এরপর জিআরপি পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এরপর আজ দোষীদের শাস্তি ঘোষণা করে আদালত।

    স্বামীকে ছেড়ে শ্বশুর বাড়ি ত্যাগ করছিল মা

    স্থানীয় (Howrah) সূত্রে জানা গিয়েছিল, নিজের স্বামীকে ছেড়ে শ্বশুর বাড়ি ত্যাগ করেছিলেন হাসিনা সুলতানা। অন্ধ্রপ্রদেশের গুনটুর থেকে পালিয়ে প্রেমিক ভানু শাহর সঙ্গে চলে গিয়েছিলেন হায়দ্রাবাদের বানজারা হিলসে। এরপর দুই জনেই ঘর ভাড়া করে একসঙ্গে থাকছিলেন। কিন্তু এই প্রেমিক-প্রেমিকার কাছে পথের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল হাসিনার ছেলে জিশান। এরপর জানা যায় প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে নিজের ছেলেকে খুন করে ফলকনামা ট্রেনে ব্যাগের মধ্যে রাখা হয় দেহ। অপর দিকে মেয়ের খোঁজ পেতে হাসিনার বাড়ির লোক ছবি দিয়ে থানায় নিখোঁজের রিপোর্ট লেখায়। এরপর সেই সূত্র ধরে শুরু হয় রেল পুলিশের তদন্ত। আবার ট্রেনের মধ্যেই জিশানের মৃত দেহের সঙ্গে মেলে ছবিও। এরপর অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে হাওড়া জিআরপি পুলিশ গ্রেফতার করে হাসিনা এবং তাঁর প্রেমিককে। এরপর মামলা চলে কোর্টে এবং অবশেষে আজ ফাঁসির শাস্তি দেয় আদালত।

    সরকারি আইনজীবীর বক্তব্য

    হাওড়া (Howrah) কোর্টের সরকারি আইনজীবী অরিন্দম মুখোপাধ্যায় বলেন, “সমস্ত সাক্ষ্য প্রমাণ এবং তথ্যের ভিত্তিত্বে আজ দুই জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে কোর্ট। বিচারপতি সন্দীপ চক্রবর্তী, মা এবং তাঁর প্রেমিককে ফাঁসির নির্দেশ দিয়েছেন।” অপর দিকে কোন্নগরে মাত্র ৮ বছরের শিশুকে নির্মম ভাবে হত্যার ঘটনায় মা এবং বান্ধবীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সূত্রে জানা গিয়েছে, মা শান্তা এবং বান্ধবী ইফ্ফাত পারভিনের মধ্যে সমকামী সম্পর্ক ছিল। কিন্তু শিশু কি তাঁদের সম্পর্কের কাঁটা ছিল? কে খুন করল? এই সব বিষয়ে এখন তদন্ত চলছে। যদিও খুনের কথা এখনও কেউ স্বীকার করেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: “বিজেপির আন্দোলনের চাপে শাহজাহানকে ধরতে বাধ্য হল সরকার”, বললেন সুকান্ত

    Sheikh Shahjahan: “বিজেপির আন্দোলনের চাপে শাহজাহানকে ধরতে বাধ্য হল সরকার”, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিজেপির লাগাতার আন্দোলনের কারণে এই সরকার শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হল।” বৃহস্পতিবার তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার হওয়ার পর এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তাঁর মতে, বিজেপি ও সন্দেশখালির মহিলাদের লাগাতার আন্দোলনের জেরে শাহজাহান শেখকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছে রাজ্য সরকার।

    কী বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত বলেন, “বিজেপির ক্রমাগত আন্দোলনের জেরে এই সরকার শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হল। সরকার অস্বীকার করছিল। এমনকি তারা স্বীকারও করছিল না যে এরকম কিছু ঘটেছে। আমি আগেই বলেছি, যে আমরা শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে সরকারকে বাধ্য করব। আজ বিজেপি ও সন্দেশখালির মহিলাদের আন্দোলনের কারণে সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছেন (Sheikh Shahjahan)।”

    দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া

    বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া, “একটা ছিঁচকে মস্তানকে ধরতে এতদিন সময় লাগল। তাহলে যারা বড় বড় রাঘব বোয়াল ঘুরে বেড়াচ্ছে, তাঁদের তো কোনওদিনই ধরতে পারবে না। তৃণমূলের নেতারাই তো বলে দিচ্ছে কাকে কবে ধরা হবে। সন্দেশখালির মানুষ নিরন্তর লড়াই করছেন।” তিনি বলেন, “সর্বভারতীয় চাপের জন্যই পুলিশ বাধ্য হয়েছে এই গ্রেফতার করতে। দেশজুড়ে সংবাদ মাধ্যমগুলিতে ডিবেট পর্যন্ত হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দেশখালি, শেখ শাহজাহান হচ্ছে টপিক। সবাই জানতাম, ওখানেই আছে। পুলিশই ধরছিল না। কোর্টের কানমলা খেয়ে এখন এই কাজ করছে।”

    আরও পড়ুুন: “শাহজাহান শেখের জন্য আমার কোনও সমবেদনা নেই”, বললেন প্রধান বিচারপতি

    বুধবার রাতেই এক্স হ্যান্ডেলে তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি লিখেছিলেন, “সন্দেশখালির শয়তান শেখ শাহজাহানকে এতদিন মমতা সরকারের পুলিশ নিরাপদে রেখেছিল। মমতা সরকারের পুলিশের সঙ্গে রফা হওয়ার পরেই তাঁকে বেড়মজুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, পুলিশ হেফাজতেও তাঁকে একাধিক সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রাখা হবে। ঠিক যেমন ফাইভ স্টার হোটেলে দেওয়া হয়। তাঁকে মোবাইল ব্যবহার করার সুযোগও দেওয়া হবে। যেখানে তিনি ভার্চুয়ালি তাঁর দলের সদস্যদের নেতৃত্ব দিতে পারবেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, এমনকী উডবার্ন হাসপাতালে শাহজাহানের জন্য একটা বেড তৈরি রাখা হয়েছে। যদি শাহজাহান সেখানে কিছুদিন সময় কাটাতে চান, তার জন্য (Sheikh Shahjahan)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BCCI: শাস্তি ঈশান, শ্রেয়সকে! বিসিসিআই-এর বার্ষিক চুক্তিতে বাংলার মুকেশ ও কেকেআরের রিঙ্কু

    BCCI: শাস্তি ঈশান, শ্রেয়সকে! বিসিসিআই-এর বার্ষিক চুক্তিতে বাংলার মুকেশ ও কেকেআরের রিঙ্কু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের বার্ষিক চুক্তি থেকে বাদ দেওয়া হল ঈশান কিশন এবং শ্রেয়স আয়ারকে। ২০২৩-২৪ মরশুমের বিসিসিআইয়ের (BCCI Annual Retainership) বার্ষিক চুক্তির তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের বার্ষিক চুক্তিতে রয়েছেন ৩০ জন ক্রিকেটার। বাংলার হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা ও জাতীয় দলের জার্সিতেও নজর কাড়া পারফর্ম করা মুকেশ কুমার (Mukesh Kumar) এবং আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলা রিঙ্কু সিং বোর্ডের চুক্তির আওতায় ঢুকে পড়েছেন।

    কারা কারা চুক্তির আওতায়

    বেতনের ভিত্তিতে চারটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে ক্রিকেটারদের। সর্বাধিক ১৫ জন প্লেয়ার রয়েছেন গ্রেড সি ক্যাটাগরিতে। বোর্ডের যে চুক্তি প্রকাশিত হয়েছে তাতে এ প্লাস ক্যাটাগরিতে রয়েছেন চারজন। তাঁরা হলেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, যশপ্রীত বুমরা ও রবীন্দ্র জাদেজা। এ ক্যাটাগরিতে রয়েছেন ৬ জন ক্রিকেটার। তাঁরা হলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন, মহম্মদ শামি, মহম্মদ সিরাজ, কে এল রাহুল, শুভমন গিল ও হার্দিক পান্ডিয়া। বি ক্যাটাগরিতে রয়েছেন- সূর্যকুমার যাদব, ঋষভ পন্থ, কুলদীপ যাদব, অক্ষর প্যাটেল ও যশস্বী জয়সওয়াল। তালিকায় সবার শেষে সি ক্যাটাগরিতে রয়েছেন- রিঙ্কু সিং, ঋতুরাজ গায়কোয়াড, তিলক ভার্মা, শিবম দুবে, রবি বিষ্ণোই, জিতেশ শর্মা, ওয়াশিংটন সুন্দর, মুকেশ কুমার, সঞ্জু স্যামসন, অর্শদীপ সিং, কে এস ভরত, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, আবেশ খান, রজত পাতিদার।

    বোর্ডের বিবৃতি

    বোর্ডের তরফে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে দেশের জার্সিতে ১ অক্টোবর ২০২৩ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত মেয়াদকালের মধ্যে যে যে ক্রিকেটার তিনটি টেস্ট অথবা আটটি ওয়ান ডে অথবা ১০টি টি-টোয়েন্টিতে খেললেই বোর্ডের বার্ষিক চুক্তির আওতায় ধরা হবে সেই ক্রিকেটারকে। সেক্ষেত্রে গ্রেড সি-তে ঢুকে পড়বেন তাঁরা। ধ্রুব জুড়েল, সরফরাজ খানরা দুটো টেস্ট খেলেছেন। সেক্ষেত্রে ধর্মশালায় ভারত-ইংল্যান্ড শেষ টেস্টে খেলতে নামলেই চুক্তির আওতায় চলে আসবেন এই দুই তরুণ ক্রিকেটার। 

    বাদ কারা

    মোট সাত জন ক্রিকেটারকে বার্ষিক চুক্তি থেকে বাদ দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তাঁদের মধ্যে সব থেকে উল্লেখযোগ্য নাম ঈশান কিশন ও শ্রেয়স আয়ার। সম্প্রতি বোর্ড ও ম্যানেজমেন্টের কথা না শোনায় দল থেকে বাদ পড়েছেন তাঁরা। ‘অবাধ্য’ দুই ক্রিকেটারকে শাস্তি দিয়েছে বিসিসিআই। কিন্তু তাঁরা বাদে আরও পাঁচ ক্রিকেটার রয়েছেন তালিকায়। বোর্ডের বার্ষিক চুক্তি থেকে বাদ পড়েছেন শিখর ধাওয়ান, যুজবেন্দ্র চহাল, চেতেশ্বর পুজারা, উমেশ যাদব ও দীপক হুডাও। গত বার্ষিক চুক্তিতে তাঁরা ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: এ কেমন গ্রেফতার শাহজাহান! কোমরে দড়ি পরানো দূর, গায়ে হাত পর্যন্ত দিতে পারল না পুলিশ

    Sheikh Shahjahan: এ কেমন গ্রেফতার শাহজাহান! কোমরে দড়ি পরানো দূর, গায়ে হাত পর্যন্ত দিতে পারল না পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুখ্যাত দুষ্কৃতী শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) সঙ্গে পুলিশের আচরণ দেখে হতবাক রাজ্যবাসী। সাধারণত দাগী অপরাধীদের আদালতে তোলার সময় কোমড়ে দড়ি বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেক সময় কোমড় ধরে বা হাত ধরে আদালতে তোলা হয়। কিন্তু, সন্দেশখালির বাদশা শাহজাহানকে কোমরে দড়ি পরানো তো দূরের কথা পুলিশ হাত পর্যন্ত দেওয়ার সাহস দেখাল না। আদালতের এজলাসে তোলার সময় কোনওভাবে মনে হচ্ছিল না শাহজাহানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বরং, তাঁর পিছনে যেভাবে পুলিশ ছিল তাতে তাকে এসকর্ট করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এমনই অভিযোগ বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী থেকে সাধারণ মানুষের। যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    সন্দেশখালির বাসিন্দারা কী বললেন? (Sheikh Shahjahan)

    সাদা জামা, সাদা প্যান্ট, ম্যাচিং করে ধূসর রঙের কোর্ট। পায়ে সাদা স্নিকার্স। ৫৫ দিন পর শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) এই সাজেই ধরা দিলেন। তবে গ্রেফতার হওয়ার পরও তাঁর শরীরে কার্যত দেখা গেল না কোনও উত্তাপ। তাঁর হাতে দেখা গেল না কোনও হ্যান্ডকাফ, কোমরে নেই দড়িও। আঙুল উঁচিয়ে এমন ভাবে আদালতে প্রবেশ করলেন যেন ‘জামাই’। তাহলে কি নিয়ম সবার জন্য আলাদা? এমনই প্রশ্ন তুলেছে সন্দেশখালিবাসী। তাঁদের বক্তব্য, শাহজাহান কোনও বীর পুরুষ নন। তিনি একজন ধর্ষণকারী। তাঁর বিরুদ্ধে জমি লুট, একাধিক খুন, বাড়ি ভাঙচুর, শ্লীলতাহানির মতো গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ রয়েছে। এরকম একজন কুখ্যাত দুষ্কৃতীর সঙ্গে পুলিশের আচরণ মেলানো যাচ্ছে না। পুলিশের সামনেই খোশ মেজাজেই রয়েছে শাহজাহান। গ্রেফতার হওয়ার পর আদালতে তাঁকে জামাই আদর করে নিয়ে যাওয়া হল। তাহলে পুলিশ হেফাজতে শাহজাহান বহাল তবিয়তে থাকবে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি তাপস ঘোষ বলেন, আসলে ইডি-র হাত থেকে শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan)  রক্ষা করতেই মরিয়া পুলিশ। তাঁকে লোকদেখানো গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে, পুলিশ এতদিন জামাই আদর দিয়ে, ভালো-মন্দ খাইয়ে রেখেছিল। আজ যখন লোক দেখানো গ্রেফতারের পর আদালতের উদ্দেশ্যে তাঁকে বার করা হচ্ছে, পুলিশ তাঁর হাতটুকু ধরার সাহস দেখাতে পারিনি। সিপিএমের জেলা নেতৃত্ব জোনাল কমিটির সদস্য কিংকর কান্তি রায় বলেন, পুলিশের ক্ষমতা নেই শাহজাহানের কোমরে দড়ি পরানোর। বারবার বিভিন্ন কেস দিয়ে শুধু পিসি টানবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Avtar Saini: মহারাষ্ট্রে পথ দুর্ঘটনায় নিহত অবতার সাইনি, তিনি কে ছিলেন জানেন?

    Avtar Saini: মহারাষ্ট্রে পথ দুর্ঘটনায় নিহত অবতার সাইনি, তিনি কে ছিলেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের নভি মুম্বইয়ে ক্যাবের ধাক্কায় নিহত অবতার সাইনি (Avtar Saini)। মুম্বই শহরতলির চেম্বুরের বাসিন্দা অবতার সাইনি ইন্টেলের সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িত ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা নাগাদ সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন অবতার। সেই সময় একটি দ্রুত গতিতে আসা ট্যাক্সির ধাক্কায় ছিটকে পড়েন ইন্টেল ইন্ডিয়ার প্রাক্তন প্রধান অবতার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী তাঁর ছেলে এবং মেয়েকে এই মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছে। তাঁরা ইতিমধ্যে ভারতে আসছেন বলে জানা গিয়েছে।

    কে ছিলেন অবতার সাইনি?

    ইন্টেল সংস্থার পেন্টিয়াম ৩৮৬ এবং ৪৮৬ মাইক্রোপ্রসেসরের ওপর কাজ করেছেন অবতার। পাশাপাশি, প্রসেসরের ডিজাইনেও নেতৃত্ব দেন অবতার সাইনি (Avtar Saini)। ৬৮ বছর বয়সী এই প্রবাসী ভারতীয় একজন উৎসাহী সাইকেল আরোহী ছিলেন তিনি। কয়েক বছর আগে অসুস্থতার কারণে তাঁর স্ত্রীবিয়োগ ঘটেছিল এবং তারপর থেকে মুম্বইতে এসে চেম্বুরে একাই থাকতেন। তিনি একটি সাইক্লিং গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই সঙ্গে তিনি ট্রেকিং বা সাইকেল চালানোর সময় সর্বদা নিরাপত্তা এবং সাবধানতা অবলম্বন করতেন। তিনি ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে ইন্টেল ছেড়ে দেন। তার পর মন্টালভো সিস্টেমের মতো বেশ কয়েকটি তথ্যপ্রযুক্তির কোম্পানির সঙ্গে কাজ করেছিলেন। যেখানে তিনি ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে ভারতে ওই সংস্থার শীর্ষতম কর্তা ছিলেন।

    আটক চালক

    অবতার সাইনি (Avtar Saini) মৃত্যু প্রসঙ্গে ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় ওই ট্যাক্সি চালকের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে মুম্বই পুলিশ। যার মধ্যে রয়েছে ২৭৯, ৩৩৭ এবং ৩০৪ নম্বর ধারা। একই ভাবে মোটরযান আইনে চালককে গ্রেফতার করে হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan Arrest: ‘‘ধরতে পারবে ইডি-সিবিআইও’’, আদালতের নির্দেশ দেখেই কি গ্রেফতারে তৎপর পুলিশ?

    Sheikh Shahjahan Arrest: ‘‘ধরতে পারবে ইডি-সিবিআইও’’, আদালতের নির্দেশ দেখেই কি গ্রেফতারে তৎপর পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) গিয়ে শেখ শাহজাহানের দলবলের হাতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিগৃহীত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে ৫ জানুয়ারি। আর রাজ্য পুলিশের হাতে ‘সন্দেশখালির ত্রাস’ শাহজাহান গ্রেফতার (Sheikh Shahjahan Arrest) হলেন ২৮ ফেব্রুয়ারি। মাঝে কেটে গিয়েছে ৫৬ দিন। প্রশ্ন হচ্ছে, এতদিন সময় লাগল কেন পুলিশের?

    ‘ক্রোনোলজি’-তেই বিষয়টা পরিষ্কার

    বিরোধীরা দাবি করে আসছিলেন, শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) সন্দেশখালিতেই (Sandeshkhali) রয়েছেন। বিরোধীদের কথা যদি বাদই দেওয়া হয়, স্থানীয় বাসিন্দারাও দাবি করছিলেন, সেখানেই দিব্যি বহাল তবিয়তে রয়েছেন তৃণমূলের দাপুটে নেতা। অথচ, পুলিশের দাবি, ‘ফেরার’ শেখ শাহজাহান কোথায় আছেন, তার হদিস মিলছে না। অন্যদিকে, শাসক দলের দাবি, আদালতের জন্যই নাকি পুলিশ গ্রেফতার করতে পারছে না তাঁকে ধরতে। তাহলে, কী এমন ঘটল, যে পুলিশ তড়িঘড়ি গ্রেফতার করল? পুলিশ-প্রশাসনের অবশ্য দাবি যে, আদালত তরফে অনুমতি মেলার পরই শাহজাহানকে গ্রেফতার (Sheikh Shahjahan Arrest) করা হয়েছে। যদিও, এর মাঝে কলকাতা হাইকোর্টে ঘটে গিয়েছে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ‘ক্রোনোলজি’-টা একবার দেখলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে গোটা বিষয়টা—

    আরও পড়ুন: “এটা গ্রেফতার নয়, মিউচুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট”, শাহজাহান প্রসঙ্গে তোপ শুভেন্দুর

    সোমবার কী বলেছিল কলকাতা হাইকোর্ট?

    সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, সন্দেশখালি (Sandeshkhali) মামলায় শেখ শাহজাহানকে নিয়ে বড় নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট করে দেয়, সন্দেশখালি মামলায় শেখ শাহজাহানকে যুক্ত করা হল। ওই একই দিন, ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট করে এ-ও জানিয়ে দেয় যে, শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে পুলিশকে কখনই আটকানো হয়নি। এমন কোনও স্থগিতাদেশ নেই। স্রেফ, পুলিশ ও ইডি-তে নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চ যে সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল, তাতে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল। এটা সোমবারের ঘটনা। তার পরও কিন্তু, সেদিন বা পরের দিন অর্থাৎ, মঙ্গলবার গোটা দিন চলে গেলেও শাহজাহান গ্রেফতার (Sheikh Shahjahan Arrest) হয়নি।

    হাইকোর্টের বুধবারের নির্দেশই বদলে গেল খেলা!

    এর পর বুধবার, অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে, ওই একই মামলার শুনানিতে, হাইকোর্ট আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয়। তা হলো, শুধু পুলিশ নয়। চাইল শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে পারবে ইডি-সিবিআইও। অর্থাৎ, যে আগে পাবে, ‘ফেরার’ শাহজাহানকে সেই গ্রেফতার করতে পারবে। আদালতের এই ছোট্ট নির্দেশই যে ঘুম উড়ে যায় শাসক দলের। কেন? এর কারণ, শাসক দল বুঝে যায়, যদি একবার শাহজাহানকে খুঁজে পেয়ে ইডি-সিবিআই তুলে নেয়, তাহলে প্রমাদ গোনা ছাড়া উপায় নেই। অথএব, আগে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নেওয়াই শ্রেয়। ফলস্বরূপ, ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতেই পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan Arrest)।

    আরও পড়ুন: সাদা পোশাক, সাদা স্নিকার্স পরে আদালতে শাহজাহান, ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ

    কেষ্টর ক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছিল পুলিশের ‘সক্রিয়তা’

    এর আগে, বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা তথা দলের তৎকালীন জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ক্ষেত্রেও অনেকটা একই পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছিল। লক্ষ্য, ইডি-সিবিআইয়ের হাতে পড়া থেকে কেষ্টকে বাঁচানো। তাই কোনও একটি ‘আষাঢ়ে’ অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছিল কেষ্টকে। যদিও, কিছুদিন পরই সেই কেন্দ্রের হাতেই সঁপে দিতে হয়েছিল কেষ্ট মণ্ডলকে। সেটাও ছিল এক বড় দুর্নীতি— গরু পাচার মামলা। এবারেও বড় দুর্নীতির তদন্তে ইডি-সিবিআই রেডারে এসেছে শেখ শাহজাহানের নাম। রেশন বণ্টন দুর্নীতির মামলায় তদন্ত করছে ইডি। সেই প্রেক্ষিতেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) অভিযানে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। 

    সন্দেশখালির কোন অজ্ঞাতস্থানে গিয়েছিলেন রাজীব?

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে, পুলিশকে দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে কতদিন শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) ইডি-সিবিআইয়ের হাতে পড়া থেকে ঠেকাতে পারবে মমতা-প্রশাসন? কতদিন এভাবে শেষ শাহজাহানকে ‘বাঁচানো’ সম্ভব হবে? সপ্তাহখানেক আগেই সন্দেশখালি গিয়েছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। একটা গোটা রাত কাটিয়ে সেখান থেকে ফেরেন। লঞ্চে চেপে কোনও এক অজানা গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন রাজীব কুমার। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন দক্ষিণবঙ্গের অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ সুপ্রতিম সরকার এবং পুলিশের একাধিক শীর্ষকর্তা। বিরোধীদের কটাক্ষ, শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan Arrest) সঙ্গে বসে ‘ডিল’ করতে গিয়েছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তা।

    ইডি-সিবিআইয়ের হাত থেকে বাঁচাতেই ‘গ্রেফতার’

    শুধু বিরোধী নয়, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তো খোদ হাইকোর্টও প্রশ্ন তুলেছে। শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) রাজ্যের পুলিশ রক্ষা করছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানম বলেন, ‘‘এমন ব্যক্তিকে রক্ষা করা হচ্ছে কি না আমরা জানি না। তবে মনে হচ্ছে, হয় রাজ্য পুলিশ তাঁকে রক্ষা করছে, না হলে তিনি পুলিশের আওতার বাইরে চলে গিয়েছেন।’’ এখানেই শেষ নয়। বুধবারের শুনানিতে ভরা এজলাসে রাজ্যের কৌঁসুলির উদ্দেশে বিচারপতি প্রশ্ন করেন— ‘‘তার মানে আপনি জানেন উনি কোথায়?’’ এর সঙ্গেই, হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়, চাইলে ইডি-সিবিআইও গ্রেফতার (Sheikh Shahjahan Arrest) করতে পারে। হাইকোর্টের এই নির্দেশেই কি ‘সক্রিয়’ হয়ে উঠল মমতা-পুলিশ? এই নির্দেশের পরই কি তড়িঘড়ি গ্রেফতার করা হল সন্দেশখালির (Sandeshkhali) শেখ-কে? উঠছে প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shahjahan Sheikh: পুলিশি হেফাজতে শাহজাহান, তথ্য লোপাটের আশঙ্কায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ ইডি

    Shahjahan Sheikh: পুলিশি হেফাজতে শাহজাহান, তথ্য লোপাটের আশঙ্কায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখকে (Shahjahan Sheikh) ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির আশঙ্কা, এর জেরে রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় যে তদন্ত ইডি করছে, তার অনেক তথ্য ও নথি নষ্ট হতে পারে। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে ইডি। ইডির আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী বলেন, “রাজ্য পুলিশ শাহজাহানকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন তিনি। তাই ইডি যে মামলার তদন্ত করছে, তার অনেক তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করে দেওয়া হতে পারে।”

    শাহজাহানের পুলিশি হেফাজত

    টানা ৫৫ দিন লুকিয়ে থাকার পরে বৃহস্পতিবার কাকভোরে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এদিন তোলা হয় আদালতে। তাঁকে ১৪ দিন নিজেদের হেফাজতে রাখার আবেদন করে পুলিশ। যদিও আদালত তাঁকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়। আদালতে জমা দেওয়া নথিতে শাহজাহানকে (Shahjahan Sheikh) অত্যন্ত প্রভাবশালী বলে উল্লেখ করেছে পুলিশ। তাঁকে জামিন দিলে সন্দেশখালি ও ন্যাজাট থানা এলাকার পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা পুলিশের। এদিনই শাহজাহানকে কলকাতার ভবানী ভবনে রাজ্য পুলিশের সদর দফতরে নিয়ে আসে পুলিশ।

    দ্রুত শুনানি হোক

    সিট গঠন সক্রান্ত যে মামলা ছিল, এদিন মূলত তা নিয়েই আদালতে হাজির হন ইডির কর্তারা। তাঁরা চান, দ্রুত শুনানি হোক মামলাটির। প্রধান বিচারপতির কাছে এ নিয়ে চিঠিও দেওয়া হয়েছে ইডির তরফে। এদিন ইডির আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমকে চিঠি দিয়ে বলেন, “সিট গঠন সংক্রান্ত ডিভিশন বেঞ্চের মামলাটি ৬ মার্চ শুনানির জন্য রাখা হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: “এটা গ্রেফতার নয়, মিউচুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট”, শাহজাহান প্রসঙ্গে তোপ শুভেন্দুর

    প্রসঙ্গত, সন্দেশখালির ঘটনায় রাজ্য পুলিশকে নিয়ে সিট গঠনের নির্দেশের ওপর অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এই তদন্তে রাজ্য পুলিশকে নিয়ে সিট গঠন করা হয়েছিল। ইডি এর বিরোধিতা করেছিল। ইডির আধিকারিকদের ওপর হামলার পরে পরেই গা ঢাকা দেন শাহজাহান। তখনই তথ্য লোপাটের আশঙ্কা করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তৃণমূলের এই অত্যন্ত প্রভাবশালী নেতার পুলিশি হেফজত হওয়ায় আরও একবার তথ্য ও নথি লোপাটের আশঙ্কা করল ইডি (Shahjahan Sheikh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Reliance-Disney: রিলায়েন্সের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধল ডিজনি, যৌথভাবে ৭০,৪৭২ কোটির বিনোদন ব্যবসা

    Reliance-Disney: রিলায়েন্সের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধল ডিজনি, যৌথভাবে ৭০,৪৭২ কোটির বিনোদন ব্যবসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিলায়েন্সের সঙ্গে এবার গাঁটছড়া বাঁধছে ডিজনি (Reliance-Disney)। ৭০,৪৭২ কোটি টাকার বিনোদন ব্যবসা এবার এক সঙ্গে হবে। মুকেশ আম্বানির অংশই এই যৌথ ব্যবসায়ী সংস্থার মধ্যে বেশি পরিমাণে থাকবে। তাঁদের শেয়ার ৬৩ শতাংশ। একই ভাবে ডিজনির ভাগ থাকবে ৩৭ শতাংশ। এই প্রসঙ্গে মুকেশ আম্বানি বলেন, “দেশের বিনোদন জগতের জন্য এই চুক্তি ইতিহাস তৈরি করবে। ডিজনিকে রিলায়েন্স সব সময় সম্মান দিয়েছে এবং আশা করি আগামী দিনে আমরা সঙ্গে আরও কাজ করতে পারব।”

    ওটিটি প্লাটফর্ম আরও বেশি শক্তপোক্ত (Reliance-Disney)

    এবার দেশের ওটিটি প্লাটফর্ম আরও বেশি শক্তপোক্ত হল। ভারতে (Reliance-Disney) ব্যবসা করতে গেলে এবার থেকে আর ডিজনিকে কাঠখড় পোড়াতে হবে না। বিনোদনের ব্যবসায় বিগত কয়েক বছরে খুব একটা লাভ করতে পারেনি ডিজনি। সরাসরি ক্রিকেট সম্প্রচার দেখানোর স্বত্ব কেনার ক্ষেত্রেও ডিজনিকে বেগ পেতে হয়েছিল। বিশেষ করে ওটিটির ব্যবসায় মার খাচ্ছিল ডিজনি। তবে ওয়াকিবহল মহল মনে করছেন, এশিয়ার মধ্যে সবথেকে ধনী ব্যক্তি মুকেশ অম্বানির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধায় ডিজনির পক্ষে অনেকটাই ভালো কাজ হয়েছে। তাঁদের শেয়ার কম হলেও ব্যবসায় ব্যাপক লাভ হবে।

    শীর্ষে থাকবেন মুকেশের স্ত্রী নীতা আম্বানি

    এই গাঁটছড়া বাঁধার কথা ডিজনি (Reliance-Disney) এবং রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ দুই সংস্থার পক্ষ থেকেই জানানো হয়েছে। দুই সংস্থা যৌথভাবে নতুন যে সংস্থা তৈরি করবে তার মাথায় থাকবেন মুকেশের স্ত্রী নীতা আম্বানি। এই গাঁটছড়ার মোট আর্থিক ব্যবসা প্রায় ৭০ হাজার ৪৭২ কোটি টাকার। মুকেশ আম্বানির সংস্থা এখন ১১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা খরচ করবে। তবে ডিজনি কত টাকা খরচ কড়া হবে সেই কথা এখনও  প্রকাশ করেনি তারা। তবে দুই কোম্পানির এক সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার ফলে ১২০টি টিভি চ্যানেল এবং দুটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম এক সঙ্গে কাজ করবে বলে জানা গিয়েছে। এই ব্যবসায়িক চুক্তির কথা ঘোষণা করে একসঙ্গে বিবৃতি দেয় ডিজনি এবং রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। উভয় পক্ষের তরফ থেকে বলা হয়, ‘‘ভারতে বিনোদন ও খেলার সবচেয়ে বড় ওটিটি মাধ্যম হিসাবে গড়ে উঠবে এই সংস্থা।’’ 

            

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share