Blog

  • Best Place to Work: কাজ করার জন্য সেরা কোম্পানির তালিকায় পিছিয়ে গেল গুগল, মাইক্রোসফট

    Best Place to Work: কাজ করার জন্য সেরা কোম্পানির তালিকায় পিছিয়ে গেল গুগল, মাইক্রোসফট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের জনপ্রিয় তিন কোম্পানি গুগল, মাইক্রোসফট এবং মেটা। এমন কেউ নেই যাঁরা এই কোম্পানিগুলির উপভোক্তা নন। প্রত্যেক মানুষকে প্রতিদিনই এই তিনটে কোম্পানির সাহায্য (Best Place to Work) নিতে হয়।  কিন্তু, সম্প্রতি গ্লাসডোরের সমীক্ষায় সেরা কোম্পানির তালিকায় পিছিয়ে গেল এই তিন কোম্পানি। গুগল, মেটা পিছিয়ে গেলেও তালিকায় ৩৯ তম স্থান পেয়েছে অ্যাপল।

    ১৮ ধাপ পিছিয়ে গেল মাইক্রোসফট

    ‘টপ ১০০ কোম্পানি টু ওয়ার্ক ইন ২০২৪ ’ অর্থাৎ ২০২৪ সালে কাজ করার জন্য সেরা ১০০ কোম্পানির তালিকায় (Best Place to Work) বর্তমানে ১৮ ধাপ পিছিয়ে গিয়েছে গুগল। অষ্টম স্থান থেকে পিছিয়ে বর্তমানে ২৬ নম্বরে নেমে গিয়েছে সার্চ জায়েন্ট। সমীক্ষা বলছে অবস্থা ভালো নয় মাইক্রোসফটেরও। বিল গেটসের সংস্থা ১৩ থেকে নেমে ১৮-তে চলে গিয়েছে। অন্যদিকে জুকেরবার্গের মেটার মতো বিখ্যাত টেক কোম্পানি টানা দ্বিতীয় বছর এই তালিকায় জায়গা করতে পারেনি। গ্লাসডোরের এই সমীক্ষা বলছে, এই কোম্পানিগুলো কাজ করার জন্য সেরা জায়গা নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনের সেরা ১০০টি কোম্পানির তালিকাও তুলে ধরেছে গ্লাসডোর।

    পিছিয়ে যাওয়ার কারণ কী

    পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর ২,৬০,০০০ কর্মী ছাঁটাই (Best Place to Work) করেছে বিভিন্ন টেক সংস্থাগুলো। ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি এই সমীক্ষা প্রকাশ হয়েছে। দেখা যাচ্ছে ২০২৪ সালের প্রথম ৯ দিনেই, ইতিমধ্যে ২,০০০ কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গ্লাসডোরের সমীক্ষা অনুযায়ী, কর্মী ছাঁটাই, একটানা কাজ, এবং খারাপ ম্যানেজমেন্টের কারণে পিছিয়ে গিয়েছে গুগল, মেটা, জুমের মতো সংস্থাগুলি। গ্লাসডোরের প্রধান ইকোনমিস্ট ড্যানিয়েল হাও সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, “বড় স্থিতিশীল কোম্পানির কর্মীরাও তাদের কোম্পানির ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে উদ্বিগ্ন।” 

    গ্লাসডোরের সমীক্ষা অনুযায়ী কাজ করার জন্য বিশ্বের সেরা ২০ কোম্পানি

    ১. ব্রেন অ্যান্ড কোম্পানি
    ২. এনভিডিয়া
    ৩. সার্ভিসনাও
    ৪. ম্যাথওয়ার্কস
    ৫. প্রোকোর টেকনলোজিস
    ৬. ইন-অ্যান-আউট বার্গার
    ৭. ভিএমওয়্যার
    ৮. ডেলটেক
    ৯. ২০২০ কোম্পানিস
    ১০. ফিডেলিটি ইনভেস্টমেন্ট
    ১১. ক্রিউ কারওয়াশ
    ১২. কেলার উইলিয়ামস
    ১৩. ডেল্টা এয়ার লাইন
    ১৪. রেমন্ড জেমস ফিনান্সিয়াল
    ১৫. অ্যাডোবে
    ১৬. হিলটি নর্থ আমেরিকা
    ১৭. টোস্ট ইন্ক
    ১৮. মাইক্রোসফট
    ১৯. প্রোটিভিটি
    ২০. অটোডেস্ক

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lashkar-e-Taiba: পাকিস্তানে এ বার মৃত হাফিজ ঘনিষ্ঠ ২৬/১১ সন্ত্রাসের চক্রী ভুট্টভি

    Lashkar-e-Taiba: পাকিস্তানে এ বার মৃত হাফিজ ঘনিষ্ঠ ২৬/১১ সন্ত্রাসের চক্রী ভুট্টভি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে ২৬/১১ হামলার অন্যতম ষড়যন্ত্রী এবং লস্কর-ই-তৈবার নেতা হাফিজ আবদুল সালাম ভুট্টভির মৃত্যুর খবর মিলেছে পাকিস্তানে। রাষ্ট্রপুঞ্জ নিরাপত্তা পরিষদের তরফে বৃহস্পতিবার এ নিয়ে এক বিবৃতি দিয়েছে। লস্করের প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সঈদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিল ওই নেতা। সালাম ভুট্টভির মৃত্যু লস্করের (Lashkar-e-Taiba) কাছে বড় ধাক্কা বলেই মনে করা হচ্ছে। এক এক করে ২৬/১১-র মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড তথা লস্কর গোষ্ঠীর প্রধান হাফিজ সইদের দলের লোকজনের মৃত্যু হচ্ছে। এবার সেই তালিকায় নাম উঠেছে হাফিজের ডান হাত এবং লস্কর গোষ্ঠীর সহ-প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ আবদুল সালাম ভুট্টভির। ২০১৯ সাল থেকেই অবশ্য পাক কারাগারে বন্দি ছিল ভুট্টভি (Lashkar-e-Taiba)। লস্কর প্রধান হাফিজ সঈদ বর্তমানে পাক কারাগারে রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: পাক জেলে বন্দি মুম্বই হামলার চক্রী হাফিজ সঈদ, জানাল রাষ্ট্রসংঘ

    ১ বছরে পাকিস্তানে ১২ জন ভারত বিরোধী জঙ্গি খুন

    গত এক বছরে মোট ১২ জন ‘ভারত-বিরোধী চক্রী’ খুন হয়েছে পাকিস্তানে। কয়েকজনের মৃত্যু বেশ রহস্যজনক। কখনও বিষক্রিয়াতে কখনও বা অজ্ঞাত পরিচয়তেদর গুলিতে মৃত্যু হয়েছে। lভুট্টভির মৃত্যু এখন নয়, গত বছরের মে মাসে হয়েছে। যদিও, সেই রিপোর্ট এখন প্রকাশিত হচ্ছে। নিরাপত্তা পরিষদের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভুট্টভির মৃত্যুর কারণ হৃদ্‌যন্ত্র বিকল হওয়া। রিপোর্টে লেখা হয়েছে, “২০২৩ সালের ২৯ মে পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের মুরিদকেতে মৃত্যু হয়েছে ভুট্টভির। তিনি সে সময় পাকিস্তান সরকারের হেফাজতে ছিলেন।” পাক পঞ্জাবের মুরিদকেতেই রয়েছে লস্করের (Lashkar-e-Taiba) সদর দফতর। সাম্প্রতিককালে, হাফিজের ছেলে ও ঘনিষ্ঠ সহযোগীর মৃত্যু হয়েছে পাকিস্তানে।

    আরও পড়ুন: মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজকে চেয়ে পাকিস্তানকে চিঠি ভারতের

    ভারত বিরোধীদের ওপর আঘাত চলছেই

    প্রসঙ্গত, ২৬/১১ মুম্বই হামলার এক অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী (Lashkar-e-Taiba) সাজিদ মির পাকিস্তানের ডেরা গাজি খানের সেন্ট্রাল জেলে মারা যায় সম্প্রতি। তখন তদন্তে জানা যায়, তাকে কেউ বা কারা খাবারে বিষ দিয়েছিল। গত বছরের ডিসেম্বরে করাচিতে নিজের বাড়ির সামনেই অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীরা গুলি চালিয়ে খুন করে ২০১৫ সালে জম্মু-কাশ্মীরের উধমপুরে বিএসএফের কনভয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলার মূল চক্রী, লস্কর নেতা আদনান আহমেদকে। অন্যদিকে চলতি মাসের প্রথমেই জইশ-ই-মহম্মদের প্রধান মৌলানা মাসুদ আজহার পাকিস্তানে বিস্ফোরণে নিহত হয়েছে বলে জল্পনা ছড়িয়েছিল। তবে এ এই ঘটনার কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি মেলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন দুর্নীতির দায়ে ধৃত তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যর পরিবারকে তলব ইডি-র 

    Ration Scam: রেশন দুর্নীতির দায়ে ধৃত তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যর পরিবারকে তলব ইডি-র 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) তদন্তে ধৃত তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যর পরিবারের সদস্যদের তলব করেছিল ইডি। শুক্রবার তাঁর মা, মেয়ে ও ভাইয়ের স্ত্রী ইডি-র তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন।  সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় এজেন্সির (Central Agency) অনুমান, সপরিবারে রেশন দুর্নীতিতে জড়িত বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য (Shankar Adhya)। 

    কেন তলব ইডি-র

    শঙ্কর আঢ্য তাঁর মা, স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও ভাইয়ের নামে বিদেশি মুদ্রা বিনিময় সংস্থা খুলেছিলেন , বলে দাবি ইডি-র। রেশন দুর্নীতির তদন্তে ইতিমধ্যেই ৯৫ বিদেশি মুদ্রা বিনিময় সংস্থার হদিশ মিলেছে। ৬টি বিদেশি মুদ্রা বিনিময় সংস্থা শঙ্কর ও তাঁর পরিবারের নামে, বাকি সংস্থা ছিল ‘ভুয়ো নামে’, আদালতে জমা দেওয়া তালিকায় এই তথ্য জানিয়েছে ইডি (ED)। কেন্দ্রীয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সূত্রে দাবি, যে সব মুদ্রা বিনিময় বা ফোরেক্স সংস্থার মাধ্যমে দুবাই ও বাংলাদেশে টাকা পাচার করা হয়েছে, তার মধ্যে একাধিক সংস্থা রয়েছে শঙ্কর আঢ্য ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, শঙ্কর আঢ্যর নিজের নামে যেমন রয়েছে এস আর আঢ্য ফিনান্স প্রাইভেট লিমিটেড, তেমনই তাঁর স্ত্রী জ্যোৎস্না আঢ্যর নামে রয়েছে অর্পণ ফোরেক্স প্রাইভেট লিমিটেড।

    আরও পড়ুন: ‘‘ব্যাগ গোছাতে শুরু করুন’’, ইডি হানায় খোঁচা শুভেন্দুর, ‘‘খেলা শুরু হয়েছে’’, কটাক্ষ দিলীপের

    কোন কোন সংস্থা পরিবারের নামে

    এদিন শঙ্কর আঢ্যকে মেডিক্যালের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। বেরোনোর সময় শঙ্কর তাঁর পরিবারের সদস্যদের তলব প্রসঙ্গে বলেন, ‘তদন্তের স্বার্থে যাকে খুশি ডাকতেই পারে এজেন্সি।’ তদন্তকারীদের অনুমান, কালো টাকা কীভাবে সাদা করা হবে, সেই ষড়যন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল শংকর আঢ্যর। যাতে পরিবারের সদস্যদেরও যুক্ত করেছিলেন তিনি। শঙ্কর আঢ্যর পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী জ্যোৎস্না আঢ্যও এস আর আঢ্য ফিনান্স প্রাইভেট লিমিটেডের অংশীদার। শঙ্কর আঢ্যর ছেলে শুভ আঢ্য ও শ্যালক অমিত ঘোষের নামে রয়েছে শঙ্কর ফোরেক্স প্রাইভেট লিমিটেড। মেয়ে ঋতুপর্ণা আঢ্যর নামে রয়েছে অর্পণ ফোরেক্স প্রাইভেট লিমিটেড। ভাই মলয় আঢ্য ও মা শিবানী আঢ্যর নামে রয়েছে আঢ্য ফোরেক্স প্রাইভেট লিমিটেড। ইডি সূত্রে দাবি, এভাবেই নিজের মা, স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও ভাইয়ের নামে বিদেশি মুদ্রা বিনিময় সংস্থা খুলে বিদেশে টাকা পাচারের কারবার ফেঁদে বসেছিলেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সহ সভাপতি। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ranji Trophy 2024: চালকের আসনে বাংলা! শামির ভাইয়ের দাপটে ৬০ রানে অল আউট উত্তরপ্রদেশ

    Ranji Trophy 2024: চালকের আসনে বাংলা! শামির ভাইয়ের দাপটে ৬০ রানে অল আউট উত্তরপ্রদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দাদা ভারতের অত্যন্ত সফল পেসার। বিশ্বকাপে প্রথম চারটে ম্যাচে টিমে সুযোগ পাননি। পরের ম্য়াচে নেমে ইতিহাস তৈরি করে ফেলেছিলেন। সেই মহম্মদ শামির ভাই মহম্মদ কাইফ (Mohammed Kaif) রীতিমতো চমকে দেওয়া পারফর্ম করছেন রঞ্জি ট্রফিতে (Ranji Trophy)। দাদার মতো দুরন্ত বোলিংয়েই উত্তর প্রদেশকে ৬০ রানে শেষ করে দিলেন কাইফ। কানপুরের সবুজ পিচে শুক্রবার দাপট দেখাল বাংলার পেসাররা। 

    দুরন্ত বোলিং বাংলার

    কানপুরের গ্রিন পার্কে উত্তরপ্রদেশের বিরুদ্ধে নেমেছে বাংলা। অন্ধ্র প্রদেশের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ১ পয়েন্ট নিয়েই থামতে হয়েছে মনোজ তিওয়ারির টিমকে। তাই উত্তরপ্রদেশের বিরুদ্ধে ৭ পয়েন্টের লক্ষ্য রয়েছে লক্ষ্মীরতন শুক্লার টিমের। সেই লক্ষ্যে পৌঁছনোর প্রথম ধাপ পূরণ করে ফেলল বাংলা। উত্তরপ্রদেশকে মাত্র ৬০ রানে অল আউট করে দিলেন বাংলার ছেলেরা। গ্রিন পার্কের গ্রিন টপ উইকেটে মহম্মদ কাইফ, সুরজ সিন্ধু জয়সওয়াল আর ঈশান পোড়েলরা দুরন্ত পারফর্ম করলেন। এদিন কুয়াশার কারণে ম্যাচ দেরিতে শুরু হয়।  টসে জিতে বোলিং নিয়েছিলেন মনোজ।  হতাশ করেননি তাঁর সতীর্থরা। অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা সূরজ সিন্ধু জয়সওয়াল এবং ঈশান পোড়েল নতুন বলে পর পর উইকেট তুলে নেন। সেই সঙ্গে যোগ দেন মহম্মদ কাইফ। তাঁরা তিন জনে মিলে ২০.৫ ওভার করে ৬০ রানে অলআউট করে দেন উত্তরপ্রদেশকে। বাংলার বোলারদের মধ্যে দুরন্ত পারফরম্যান্স শামির ভাইয়ের। ওপেনার সমর্থ সিংকে (১৩) ফিরিয়ে প্রথম উইকেট নিয়েছিলেন কাইফ। তারপর আর রোখা যায়নি তাঁকে। মাত্রা ৫.৫ ওভার বল করেছেন। ১৪ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট। 

    আরও পড়ুন: দেশের মাটিতেই হবে সপ্তদশ আইপিএল! লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই চলবে খেলা?

    ভুবনেশ্বরের ভেলকি

    উত্তরপ্রদেশের বিরুদ্ধে সবুজ উইকেটে বাংলার পেসারদের দাপটের পর এবার শুরু ভুবি-ম্যাজিক। উত্তরপ্রদেশ দলে ফিরেছেন অভিজ্ঞ পেসার ভুবনেশ্বর কুমার। সবুজ পিচে বাংলার ব্যাটাররা তাঁর সুইং সামলাতে পারলেন না। দিনের শেষে মাত্র ৯৫ রানেই পাঁচ উইকেট হারিয়েছে বাংলা। পাঁচটি উইকেটই নিয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার।  লাল বলের ক্রিকেটে ফিরে নিজের জাত চেনাচ্ছেন ৩৩ বছরের পেসার। উত্তরপ্রদেশের বিরুদ্ধে প্রথম দিনের শেষে ৩৫ রানে লিড নিল বাংলা। নীতীশদের তোলা ৬০ রান টপকাতে বাংলা নেয় ২১ ওভার। বাংলার ব্যাটারদের মধ্যে ওপেনার শ্রেয়াংশ ঘোষ শুরু থেকেই ক্রিজে ধরে খেলার চেষ্টা করেন। তবে উল্টো দিক থেকে একের পর এক উইকেট হারায় বাংলা। দিনের শেষে ক্রিজে রয়েছেন ওপেনার শ্রেয়াংস (অপরাজিত ৩৭)। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন করণ লাল (অপরাজিত ৮)।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Swami Vivekananda: বেলুড় মঠে পালিত হল স্বামীজির ১৬২ তম জন্মদিন, প্রচুর ভক্ত সমাগম

    Swami Vivekananda: বেলুড় মঠে পালিত হল স্বামীজির ১৬২ তম জন্মদিন, প্রচুর ভক্ত সমাগম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার বেলুড় মঠে পালিত হল স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) ১৬২ তম জন্মদিন। সকাল থেকেই ব্যাপক ভক্ত সমাগম হয়েছে। ভোর থেকেই প্রতিদিনের মতো মঙ্গলারতি দিয়ে শুরু হয় স্বামীজির আরাধনা। এরপর শুরু হয় নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। একই ভাবে কলকাতার সিমলায় জন্মস্থানে পালিত হয় নগর পরিক্রমার অনুষ্ঠান। অগণিত ভক্ত এসে স্বামীজির মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান।

    নানা অনুষ্ঠান স্বামীর জন্মদিন ঘিরে (Swami Vivekananda)

    স্বামীজির (Swami Vivekananda) ১৬২ তম জন্মদিনে বেলুড়ে সকাল থেকেই উদ্বোধনী সঙ্গীত দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। চলে স্বামীজিকে শ্রদ্ধা নিবেদন। এরপর বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ, স্বদেশ মন্ত্র পাঠ, গীতি আলেখ্য, যোগব্যায়াম প্রদর্শন সহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মঠের ব্রহ্মচারী, মহারাজ, মঠ ও মিশনের ছাত্ররা উপস্থিত হয় অনুষ্ঠানে। একটি শোভাযাত্রারও আয়োজন করা হয়। স্বামীজির বাসভবন, মূল মন্দির প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করা হয়। এরপর সারা দিন চলে ধর্মশাস্ত্র পাঠ, হোমযজ্ঞ। দূরদূরান্ত থেকে আগত ভক্তদের জন্য করা হয় প্রসাদের ব্যবস্থা।

    জীবন দর্শন নিয়ে আলোচনা সভা

    মূল মন্দিরের পাশে একটি অস্থায়ী মন্দির নির্মাণ করে শুরু করা হয় ধর্মীয় অনুষ্ঠান। সকাল আটটা থেকে শুরু হয় ধর্মীয় অনুষ্ঠান। স্বামীজির (Swami Vivekananda) ছবিতে মালাদানের সঙ্গে চলে ঠাকুর রামকৃষ্ণ এবং মাতা সারদা দেবীর ছবিতেও মাল্যদান, পুষ্পাঞ্জলি। এরপর শুরু হয় স্বামী বিবেকানন্দের জীবন দর্শনের উপর আলোচনাচক্র। উপস্থিত ভক্তদের সামনে ভারতীয় ধর্ম পরম্পরা এবং সংস্কৃতি নিয়ে বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ভক্তিগীতি, পদাবলি, নাম সংকীর্তন দিয়ে যুগনায়ককে স্মরণ করা হয়।

    সকাল থেকে বেলুড়ে অনুষ্ঠান সূচি

    • বেলুড় মঠের বিবেকানন্দ বেদ বিদ্যালয়ের ছাত্রদের বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ
    • সালকিয়া মৃগেন্দ্র দত্ত স্মৃতি বালিকা বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীদের উদ্বোধনী গান
    • প্রস্তাব (বাংলায়) স্বামী মহাপ্রজ্ঞানন্দ, রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দির
    • রামকৃষ্ণ মিশন শিল্প বিদ্যালয়ের ছাত্রদের স্বদেশ মন্ত্রের আবৃত্তি
    • বেলুড় গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রীদের গান
    • রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দিরের ছাত্রদের গান
    • প্রখ্যাত জাতীয় বাঁশি শিল্পী শ্রী অনির্বাণ রায়ের বাঁশি আবৃত্তি
    • পালঘাট গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রীদের গান
    • স্বামী তত্ত্বসারানন্দের সভাপতির ভাষণ
    • রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষামন্দিরের শিক্ষার্থীদের সমাপনী গান
    • রামকৃষ্ণ মিশন জনশিক্ষামন্দিরের ছাত্রদের যোগা প্রদর্শন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nishith Pramanik: রক্ষাকবচ নিশীথের, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এখনই পদক্ষেপ নয়, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Nishith Pramanik: রক্ষাকবচ নিশীথের, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এখনই পদক্ষেপ নয়, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্বস্তিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nishith Pramanik)। কলকাতা হাইকোর্টে মামলার শুনানি না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।  সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ ২২ জানুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চে শুনানি পর্যন্ত নিশীথের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করতে পারবে না রাজ্য পুলিশ।

    স্বস্তিতে নিশীথ

    কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ নিশীথের (Nishith Pramanik) রক্ষাকবচ খারিজ করে দিয়েছিল। এর পরেই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী। শুক্রবার মামলার শুনানিতে নিশীথের আইনজীবী আবেদন করেন, সার্কিট বেঞ্চে আগামী ২২ জানুয়ারি শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তত দিন পর্যন্ত তাঁর মক্কেলকে রক্ষাকবচ দেওয়া হোক। এর বিরোধিতা করেন রাজ্যের আইনজীবী। তিনি জানান, মৌখিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে যে, মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হবে না। কিন্তু এর জন্য রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

    আরও পড়ুন: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রের নতুন আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত

    কী বলল শীর্ষ আদালত

    দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, হাইকোর্টে মামলার শুনানি না হওয়া পর্যন্ত নিশীথের (Nishith Pramanik) বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। সেই সঙ্গে বেঞ্চ জানায়, তারা এখনই মামলার ভিতরের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে ইচ্ছুক নয়। তবে হাইকোর্টের কাছে শীর্ষ আদালতের আবেদন, সব দিক ভাল করে খতিয়ে দেখে উচ্চ আদালত যেন আগামী শুনানিতে এই মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেন। প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে দিনহাটায় এক ব্যক্তিকে গুলি করার ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল নিশীথের। নিশীথের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেছিল পুলিশ। যুক্ত হয়েছিল ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৭, ২২৬ ধারা। অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্বস্তিতে কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • SKAO: তৈরি হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেডিও টেলিস্কোপ, গুরুত্বপূর্ণ অবদান ভারতের

    SKAO: তৈরি হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেডিও টেলিস্কোপ, গুরুত্বপূর্ণ অবদান ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৈরি করা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেডিও টেলিস্কোপ। এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে ভারতও। গবেষকদের অনুমান, এর ফলে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের অনেক গুরুত্বপূর্ণ জটিল রহস্যের সমাধান সম্ভব হবে। এত শক্তিশালী টেলিস্কোপ আগে বানানো হয়নি। ব্রহ্মাণ্ডের প্রাচীনতম ছায়াপথগুলি কীভাবে কোটি কোটি বছর ধরে তৈরি হয়েছিল এবং সময়ে সঙ্গে সঙ্গে কোটি কোটি বছর ধরে সেগুলি কেমনভাবে বিবর্তিত হয়েছে সেই সম্পর্কে তথ্য সন্ধান করবে এই রেডিও টেলিস্কোপ। এর ফলে, ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টি নিয়ে বিজ্ঞানীদের স্বচ্ছ ধারণা দিতে সক্ষম হবে এই টেলিস্কোর। এই যন্ত্রের প্রকল্পের নাম হয়েছে ‘স্কোয়ার কিলোমিটার অ্যারে অবজারভেটরি’ (SKAO)। 

    নক্ষত্রপুঞ্জ অধ্যয়ন করবে (SKAO)

    জানা গিয়েছে, ব্রহ্মাণ্ডের সমস্ত পরিদৃশ্যমান জগতের নক্ষত্রপুঞ্জ সম্পর্কে অধ্যয়ন করবে এই রেডিও টেলিস্কোপ। সেই সঙ্গে গবেষণার নানা সহযোগিতা করবে এই দূরবীক্ষণযন্ত্র। এই প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে ভারত। এই বৃহৎ যন্ত্র নির্মাণে ভারত ১২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে। ‘স্কাও’ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল এক বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিশ্বের বৃহত্তম রেডিও দূরবীক্ষণ যন্ত্র তৈরি করা।

    বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্র

    স্কাও- মহাবিশ্বে সমস্ত দৃশ্যমান নক্ষত্রপুঞ্জকে নিয়ে গবেষণা করবে বলে জানা গিয়েছে। এই টেলিস্কোপটি অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিস্তৃত দূরত্বের মধ্যে থাকা হাজার হাজার সংখ্যক রেডিও অ্যান্টেনার সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করব। যদি ঠিকঠাক ভাবে সফল ভাবে তৈরি করা যায় তাহলে এটি হবে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্র। এই যন্ত্রের কাজ দুই ধাপে প্রস্তুত করা হবে। প্রথম ধাপের কাজ ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে শুরু হয়েছিল। তবে আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে এই কাজ শেষ হবে বলে জানা গিয়েছে। এই যন্ত্রের কার্যক্ষমতা অন্যান্য রেডিও দূরবীক্ষণ যন্ত্রের তুলানয় ৫০ গুণ বেশি।

    কোন কোন দেশ অংশ গ্রহণ করছে

    স্কাও প্রকল্পটি ১৬টি দেশ যৌথ ভাবে তৈরি করছে। এই দেশগুলি হল- ভারত, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, কানাডা, চিন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেন, পর্তুগাল, স্পেন, সুইৎজারল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন এবং ইতালি। তবে স্কাও (SKAO) টেলিস্কোপের নির্মাণ হবে মূলত অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi High Court: বিদেশি নাগরিকরা ভারতে বসবাসের দাবি জানাতে পারেন না, পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের

    Delhi High Court: বিদেশি নাগরিকরা ভারতে বসবাসের দাবি জানাতে পারেন না, পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও বিদেশি নাগরিক ভারতবর্ষে বসবাস করার দাবি করতে পারেন না। নাগরিকত্ব আইন নিয়ে যখন জোর চর্চা চলছে দেশজুড়ে, ঠিক সেই সময় এমন গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ শুক্রবার শোনাল দিল্লি হাইকোর্ট। দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ভারতের সংবিধানের ২১ নম্বর ধারা অনুযায়ী জীবন এবং স্বাধীনতার অধিকার পাওয়া যায়। তবে বিদেশিদের ক্ষেত্রে এই মৌলিক অধিকারের বেশ কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। প্রসঙ্গত, সংবিধানের ২১ নম্বর ধারা অনুযায়ী ভারতে আসা বিদেশি নাগরিকদেরও জীবন ও স্বাধীনতার অধিকার প্রদান করা হয়েছে।

    কেন বিদেশি নাগরিকরা ভারতে বসবাসের দাবি করতে পারেন না?

    এদিন দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) ডিভিশন বেঞ্চে বিচারপতি সুরেশ কুমার কাইত এবং বিচারপতি মনোজ জৈন আরও বলেন যে বিদেশি নাগরিকরা ভারতবর্ষে বসবাসের দাবি রাখতে পারেন না। কারণ এটা সংবিধানের ১৯ (১) (ই) ধারার পরিপন্থী। প্রসঙ্গত, সংবিধানের ১৯ নম্বর ধারায় বিভিন্ন স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বাক স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণভাবে জমায়েত করার স্বাধীনতা ইত্যাদি। ১৯ (১) (ই) ধারাতে বলা রয়েছে, যে কোন ভারতীয় নাগরিক ভারতবর্ষের যে কোনও রাজ্যে বসবাস করতে পারেন। তবে এই অধিকার কখনই বিদেশি নাগরিকদের দেওয়া হয়নি।

    মামলার খুঁটিনাটি

    মামলা হয়েছিল বাংলাদেশি নাগরিক আজল চাকমাকে নিয়ে। এই বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করার পরে তাঁর হয়ে রিট পিটিশন দাখিল করেন তাঁর মামা। প্রসঙ্গত, নাগরিকদের মৌলিক অধিকার যখন রাষ্ট্র লঙ্ঘন করেছে বলে মনে করা হয় তখনই রিট পিটিশন দাখিল করা যায়। তবে এই রিট পিটিশন দিল্লির আদালত খারিজ করে দেয় এদিন। হাইকোর্ট (Delhi High Court) জানায়, ভারত সরকার ওই বাংলাদেশি নাগরিককে চিহ্নিত করে বেআইনি কিছু করেনি। ওই বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করার অভিযোগ ওঠে। ২০২২ সালের অক্টোবর মাস নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দর হয়ে সে বাংলাদেশে ফিরতে চাইলে তার জালিয়াতি ধরা পড়ে। দেখা যায় ভারতের বেআইনি পাসপোর্টও রয়েছে তার কাছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রের নতুন আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত

    Election Commission: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রের নতুন আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের নতুন আইনে নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) নিয়োগ সংক্রান্ত প্যানেলে দেশের প্রধান বিচারপতিকে রাখা হয়নি।  কেন্দ্রের এই আইনকে চ্যালেঞ্জ করে একাধিক আবেদন জমা পড়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেই আইনে স্থগিতাদেশ দেওয়ার আর্জি জানিয়ে মামলা হয়েছিল। তবে শুক্রবার ওই আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত। এ বিষয়ে কেন্দ্রের বক্তব্য জানতে চেয়েছে শীর্ষ আদালত।

    শীর্ষ আদালতের অভিমত

    বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত’র বেঞ্চ শুক্রবার প্রাথমিক শুনানি শেষে বলে আইনটির উপর স্থগিতাদেশ জারি জরুরি বলে আদালত মনে করে না। তবে মামলাকারীদের উত্থাপিত বিষয়গুলি নিয়ে আদালত কেন্দ্রীয় সরকারে বক্তব্য জানতে আগ্রহী। সেই মতো শুক্রবারই কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে ২০ এপ্রিল।  

    কী এই আইন

    কেন্দ্রের নতুন আইনে বলা হয়েছে, দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের বাছাই করতে যে তিন সদস্যের প্যানেল আছে, তার সদস্য হবেন প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা মনোনীত এক জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এই কমিটি যে নাম কিংবা নামগুলি প্রস্তাব করবে, তাঁকে বা তাঁদের নিয়োগ করবেন দেশের রাষ্ট্রপতি। 

    আরও পড়ুন: কনকনে কলকাতা! পৌষের শেষে ঝোড়ো ব্যাটিং শীতের, কত নামবে তাপমাত্রা?

    স্থগিতাদেশ নয়

    জানা গিয়েছে, কংগ্রেস নেত্রী জয়া ঠাকুর কেন্দ্রের আনা এই আইনের উপরে স্থগিতাদেশ জারির আর্জি জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। তাঁর তরফে উপস্থিত আইনজীবী বিকাশ সিং বলেন, “এই আইন ক্ষমতার বিভাজনের ভাবনার সম্পূর্ণ বিরুদ্ধ”। তবে বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চের তরফে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের (Election Commission) এই আইনের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করতে অস্বীকার করে। শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়, এই আইনে স্থগিতাদেশ জাকি করা যাবে না। পিটিশনের একটি কপি কেন্দ্রের কাউন্সিলকে পাঠানো হচ্ছে। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না বলেন, “আমরা সংশোধিত আইনের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করতে পারি না। কেন্দ্রকে নোটিস দেওয়া হচ্ছে। এপ্রিল মাসের মধ্যে এই নোটিসের জবাব দিতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: প্রত্যেক রাম নবমীতে রামলালার কপালে পড়বে ‘সূর্য তিলক’, কীভাবে জানেন?

    Ram Mandir: প্রত্যেক রাম নবমীতে রামলালার কপালে পড়বে ‘সূর্য তিলক’, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) শুভ উদ্বোধন হবে। দেশজুড়ে এখন রাম ভক্তদের তীব্র উন্মাদনা। সেই সঙ্গে এই মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার (Ramlala) মূর্তি স্থাপন করে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। গর্ভগৃহের নির্মাণ এবং মূর্তিকে এমন ভাবে বসানো হবে, যাতে প্রত্যেক রাম নবমীর দিনে সূর্যের আলো রামলালার কপালে বর্ষিত হয়। এই সূর্যের আলো দিয়ে হবে রামের ‘সূর্য তিলক’। এর জন্য মন্দিরের নির্মাণ করার সময় মহাকাশ বিজ্ঞানীদের প্রযুক্তির সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে।

    ‘রঘুকুল তিলক’ হবে ‘সূর্য তিলক’

    রাম নবমীতে শ্রী রামের (Ramlala) কপালে সূর্যের আলো দিয়ে তিলক কাটা হবে। তুলসীদাস তাঁর ‘রামচরিত মানস’ কাব্যে বলেছেন, “রঘুকুল তিলক সুজন সুখ দাতা/আয়ু কুসল দেব মুনি ত্রতা”। রঘু রামের এই তিলক হবে রামের মহিমান্বিত তিলক। ধার্মিক মানুষকে এই তিলক আনন্দ দেবে। জগৎ সংসারকে মঙ্গলময়, সুস্থ রাখবে। দেব, মুনিঋষিদের একমাত্র ত্রাতা হবেন শ্রীরাম। তাই তাঁর তিলক ভীষণ তাৎপর্যবাহী। রাম নবমীতে রামলালার ‘রঘুকুল তিলক’ হবে ‘সূর্য তিলক’। মন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহকে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের পরামর্শে অষ্টভুজাকৃতির ডিজাইন করা হয়েছে। ফলে এই অষ্টভুজে সূর্যের আলোর বিচ্ছুরণ হয়ে রাম লালার কপালে তিলক কাটবে। একই ভাবে গর্ভগৃহকে আলোকিত করবে সূর্যরশ্মি। সূর্যের আলো ‘সূর্য তিলক’ হিসাবে শ্রী রামের কপালকে উজ্জ্বল করবে।

    কোনারকের সূর্য মন্দিরের আদলে নকশা

    কর্ণাটকের কষ্টি পাথর থেকে ৫১ ইঞ্চির একটি লম্বা রামলালার (Ramlala) মূর্তি নির্মাণ করেছেন মহীশূরের ভাষ্কর অরুণ যোগীরাজ। রামলালার কপালে সূর্যের আলো বর্ষণের গোটা নকশাকে পরিকল্পনা করা হয়েছে ত্রয়োদশ শতকের ওড়িশার কোনারকের সূর্য মন্দিরের প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে। প্রত্যেক রাম নবমীতে সূর্যের আলো রামলালার মূর্তিতে কীভাবে পড়বে সেই বিষয়ে সূর্যের আলো নিয়ে গাণিতিক হিসাব করে মতামত দিয়েছে সিএসআইআর, সিবিআইআর রুরকি এবং আইআইএ বেঙ্গালুরুর বিশিষ্ট বিজ্ঞানীদের একটি দল। হিসেব করে বলা হয়েছে, সূর্য যখন মধ্যে গগনে থাকবে সেই সময় সূর্যের আলোক রশ্মি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন লেন্সের মাধ্যমে গর্ভগৃহে প্রবেশ করবে। এরপর সেই রশ্মি গিয়ে পড়বে সোজা রামলালার কপালে (Ram Mandir) ।

    বিশেষজ্ঞদের মতামত

    সিবিআরআই রুরকির বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এসকে পানিগ্রাহি বলেছেন, “ছোট একটি যন্ত্রের প্রক্রিয়ায় সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে ভগবান রামের (Ramlala) কপালে তিলক প্রদান করা হবে। একটি ৭৫ মিমি পরিমাপের বৃত্তাকার রশ্মির ‘তিলক’ দিয়ে শ্রী রাম সেজে উঠবেন। এটা চৈত্র মাসের রাম নবমীতেই রামলালার উপর তিন থেকে চার মিনিট স্থায়ী হবে। পিতলের পাইপের মধ্যে দিয়ে সূর্যের আলোক রশ্মিকে মন্দিরের (Ram Mandir) তিনতলা থেকে পরপর চারটি লেন্সের মাধ্যমে ঘুরিয়ে ফেলা হবে রামলালার কপালে।” আবার বিশিষ্ট স্থাপত্য শিল্পী আশিস সোমপুরা বলেছেন, “সূর্য দেবের জন্মের সময় রামলালার সূর্যাভিষেক করার মধ্যে বিশেষ তাৎপর্য আছে। সূর্যের সঙ্গে ঐশ্বরিক সংযোগকে তুলে ধরার একটা ভাবনা এখনে স্থাপন করা হয়েছে।”   

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share