Blog

  • Land For Jobs Case: ইডির চার্জশিটে স্ত্রী ও দুই মেয়ের নাম, লোকসভা ভোটের আগে বিপাকে লালু

    Land For Jobs Case: ইডির চার্জশিটে স্ত্রী ও দুই মেয়ের নাম, লোকসভা ভোটের আগে বিপাকে লালু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের মুখে বিপাকে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদের দল আরজেডি। লালুর স্ত্রী তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর রাবড়ি দেবী এবং মেয়ে মিসা ভারতীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল ইডি। রেলে জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় (Land For Jobs Case) রাবড়ি ও মিসার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।

    ইডির চার্জশিটে কারা?

    ইডির চার্জশিটে নাম রয়েছে লালুর আর এক মেয়ে হেমা যাদব, লালু পরিবারের ঘনিষ্ঠ অমিত কাত্যাল, রেলের কর্মী এবং সুবিধাভোগী (অভিযোগ) হৃদয়ানন্দ চৌধুরী, একে ইনফোসিস্টেম প্রাইভেট লিমিটেড ও এক্সপোর্টস প্রাইভেট লিমিটেড নামে দুই সংস্থা এবং ওই দুই সংস্থার ডিরেক্টর শরিকুল বারীর নামও। লালু ও তাঁর ছেলে তথা বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবের বিরুদ্ধেও ওই মামলায় তদন্ত করছে ইডি। প্রথম ইউপিএ সরকারে রেলমন্ত্রী ছিলেন লালু। অভিযোগ, ওই সময় বিহারের বহু যুবককে জমি ও টাকার বিনিময়ে (Land For Jobs Case) রেলে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। কাঠগড়ায় তোলা হয় রাবড়ি ও তাঁর দুই মেয়ে মিসা ও হেমাকে।

    ‘অযোগ্য’ ব্যক্তিকে রেলে চাকরি

    সিবিআইয়ের দাবি, লালুপ্রসাদ রেলমন্ত্রী থাকার সময় বহু ‘অযোগ্য’ ব্যক্তিকে মুম্বই, জব্বলপুর, কলকাতা সহ রেলের বিভিন্ন জোনে চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, এজন্য তাঁদের কাছ থেকে জমি বা মোটা টাকা নিয়েছিলেন লালুর পরিবার ও ঘনিষ্ঠ নেতারা। অভিযোগ পেয়ে জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় বেআইনি আর্থিক লেনদেনের মূলে পৌঁছতে তদন্তে নামে ইডি।

    আরও পড়ুুন: “রাজ্যের হাতে ধরা দিলে পুলিশ শাহজাহানকে লাশ বানিয়ে দিতে পারে”, আশঙ্কা শুভেন্দুর

    ইডির আগে তদন্ত করেছিল সিবিআই-ও। ২০২২ সালের ২০ মে সিবিআই হানা দেয় দিল্লি, পাটনা-সহ দেশের ১৫টি জায়গায়। লালুর দল আরজেডির একাধিক নেতার বাড়িতেও হানা দেয় সিবিআই। ওই বছরেরই ২২ অক্টোবর লালুপ্রসাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে সিবিআই। ওই চার্জশিটে লালু-পত্নী রাবড়ি এবং দুই কন্যা মিসা ও হেমার নামও ছিল। এই চারজন বাদে আরও ১২ জনের নামও ছিল সিবিআইয়ের পেশ করা চার্জশিটে। এবার ইডির চার্জশিটেও নাম রয়েছে রাবড়ি, মিসা এবং হেমার। মঙ্গলবার দিল্লির পিএমএলএ আদালতে চার্জশিট (Land For Jobs Case) পেশ করেছে ইডি। ১৬ জানুয়ারি এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    পদ্ম শিবিরকে ধরাশায়ী করতে গঠিত হয়েছে বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ইন্ডি। এই জোটে রয়েছে লালুর দলও। সপরিবারে অভিযুক্ত লালুর দলকে নিয়ে ইন্ডি জোটের নেতারা কী করেন, এখন সেটাই দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Super Cup 2024: ক্লেটনের জোড়া গোল, সুপার কাপে জয় দিয়ে শুরু ইস্টবেঙ্গলের

    Super Cup 2024: ক্লেটনের জোড়া গোল, সুপার কাপে জয় দিয়ে শুরু ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয় দিয়ে সুপার কাপে (Super Cup 2024) যাত্রা শুরু করল ইস্টবেঙ্গল। মঙ্গলবার ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে হায়দ্রাবাদ এফসিকে ৩-২ গোলে হারাল লাল-হলুদ। গোটা ম্যাচে দাপট দেখাল ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদের হয়ে জোড়া গোল করলেন ইস্টবেঙ্গলের অধিনায়ক ক্লেটন সিলভা। একটি গোল সউল ক্রেসপোর। ম্য়াচের সেরা হন ক্লেটন। 

    দুরন্ত ইস্টবেঙ্গল

    তবে এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) যতগুলো সুযোগ নষ্ট করেছে সেগুলো থেকে গোল করতে পারলে সংখ্যাটা আরও বাড়ত। ম্য়াচ জিতে সুপার কাপ শুরু হলেও গোলের সুযোগ নষ্ট করাটা চিন্তায় রাখবে কুয়াদ্রাতকে। ক্লেটন, নন্দকুমাররা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক শুরু করেন। ম্যাচের ৮ মিনিটের মাথায় নন্দকুমারের শট পোস্টে লেগে ফেরে। নইলে প্রথমেই এগিয়ে যেতে পারত ইস্টবেঙ্গল। দু’মিনিট পরে ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে পারেননি ক্লেটন। ৩৩ মিনিটের মাথায় সেই ক্লেটনের গোলেই এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। রাকিপের ক্রসে শরীর ছুড়ে ডান পায়ের টোকায় গোল করেন ক্লেটন। ৪৪ মিনিটের মাথায় গোল শোধ করে হায়দ্রাবাদ। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৩ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে ফের গোল করে ক্লেটন। ৭৭ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি পায় হায়দরাবাদ। সেখান থেকে গোল করে সমতা ফেরান নিম। ৭৯ মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া দুর্দান্ত বলে হেড দিয়ে গোল করে স্কোর ৩-২ করেন সাউল ক্রেস্পো। 

    নামছে মোহনবাগানও

    শ্রীনিধি ডেকানের বিরুদ্ধে আজ, মঙ্গলবার মুখোমুখি হবে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। ম্যাচ শুরু সন্ধ্যে ৭.৩০। সরাসরি সম্প্রচার ও টিভিতে স্ট্রিমিং হবে স্পোর্টস ১৮-এ। এ ছাড়াও ম্যাচটি লাইভ স্ট্রিমিং হবে জিও সিনেমায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ustad Rashid Khan: জীবনসফর শেষ পঞ্চান্নতেই, প্রয়াত শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী উস্তাদ রশিদ খান

    Ustad Rashid Khan: জীবনসফর শেষ পঞ্চান্নতেই, প্রয়াত শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী উস্তাদ রশিদ খান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র পঞ্চান্ন বছর বয়সেই থেমে গেল কণ্ঠের জাদু। প্রয়াত হলেন ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের জনপ্রিয় শিল্পী উস্তাদ রশিদ খান (Ustad Rashid Khan)। গত কয়েক বছর ধরে ভুগছিলেন প্রস্টেট ক্যান্সারে। বাড়াবাড়ি হওয়ায় বেশ কিছুদিন আগে ভর্তি করা হয়েছিল দক্ষিণ কলকাতার একটি হাসপাতালে। চিকিৎসা চলাকালীনই স্ট্রোক হয় শিল্পীর। মঙ্গলবার বিকেল ৩টে ৪৫ মিনিটে প্রয়াত হন এই শিল্পী। অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পীর অকাল প্রয়াণে শোকের ছায়া শিল্পীমহলে।  

    উত্তরপ্রদেশ থেকে কলকাতায় রাশিদ

    রশিদের জন্ম উত্তরপ্রদেশের বদায়ুঁতে, ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই। ইনায়েত হুসেন খাঁ সাহিব প্রতিষ্ঠিত রামপুর-সাসওয়ান ঘরানার শিল্পী ছিলেন রশিদ। তালিম নিয়েছিলেন উস্তাদ নিশার হুসেন খাঁ সাহিবের কাছে। ইনি ছিলেন রশিদের দাদু। মামা উস্তাদ গুলাম মুস্তাফা খাঁ সাহিবের কাছেও সঙ্গীতের পাঠ নিয়েছেন রশিদ। কৈশোরে পা দেওয়ার আগেই রশিদ চলে আসেন কলকাতায়। তার পর থেকে এই শহরই হয়ে ওঠে তাঁর ঘরবাড়ি। জীবনে বহু পুরস্কার পেয়েছেন রশিদ। এর মধ্যে রয়েছে সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কার, বঙ্গবিভূষণ এবং পদ্মশ্রী সম্মান। বলিউড এবং টলিউডের বহু ছবিতেই গান গেয়েছে রশিদ (Ustad Rashid Khan)।

    “শিল্পীদের প্রতি ঈশ্বরের ইঙ্গিত থাকে”

    রশিদের কণ্ঠের জাদুতে মজেছিল কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী। প্রয়াত চলচ্চিত্রকার ঋতুপর্ণ ঘোষ তাঁর সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছিলেন, “ভূমণ্ডলের দীপ্যতম সুরগন্ধর্ব”। ভীমসেন জোশী বলেছিলেন, “ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত তার ভবিষ্যৎ পেয়ে গিয়েছে।” এই ভীমসেনের বাড়িতেই গান গেয়ে ১০ হাজার টাকা নজরানা পেয়েছিলেন রাশিদ। তিনি টাকা নিতে চাননি। একপ্রকার জোর করেই রশিদকে টাকা দিয়েছিলেন ভীমসেন। ঈশ্বরে বিশ্বাসী রশিদ বিশ্বাস করতেন, “শিল্পীদের প্রতি ঈশ্বরের ইঙ্গিত থাকে।” সেই ইঙ্গিতেই গানবাজনা করেন তাঁর মতো শিল্পীরা।

    আরও পড়ুুন: চালকল মালিকদের থেকে নিজেই কমিশন নিতেন জ্যোতিপ্রিয়! দাবি ইডি-র

    রশিদ বলতেন, “আমার গুরু উস্তাদ নিসার হুসেন সব সময় বলতেন, আর যাই করো, ভুলেও কাউকে কোনও দিন হিংসে কোরো না। হিংসে করলে সঙ্গীতের মৃত্যু অনিবার্য। সাধনা করতে করতেই গায়কি তৈরি হয়। সঙ্গীত দিল আর দিমাগের কাজ। ওখান থেকেই একটা সোচের জন্ম হয়। ওই সোচই আমায় দিয়ে নানারকম কাজ করিয়ে নেয়।” রশিদ সত্যিই ছিলেন ‘সুরগন্ধর্ব’। এহেন গন্ধর্বই অকালে চলে গেলেন সুরলোকে। ভূমণ্ডল নয়, তিনি চিরতরে হয়ে গেলেন নভঃমণ্ডলের বাসিন্দা (Ustad Rashid Khan)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: চালকল মালিকদের থেকে নিজেই কমিশন নিতেন জ্যোতিপ্রিয়! দাবি ইডি-র

    Ration Scam: চালকল মালিকদের থেকে নিজেই কমিশন নিতেন জ্যোতিপ্রিয়! দাবি ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিতে (Ration Scam) সরাসরি যুক্ত রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। ইডির দাবি, নিজেই কাটমানি নিতেন মন্ত্রী। বন দফতরে বসে কৃষকদের সঙ্গে ধান কেনার চুক্তি করেছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। এমনকী চালকল মালিকদের থেকে নিয়মিত ‘কাটমানি’ নিতেন তিনি। প্রতি কুইন্টালে ২০ টাকা করে ‘কাটমানি নেওয়া হত’ বলে ইডির দাবি। 

    ধান কেনার চুক্তিপত্র

    ইডি সূত্রে খবর, প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বনমন্ত্রীর পদে আসার পরও সমানভাবেই দুর্নীতি (Ration Scam) চালিয়ে যেতেন। বন দফতরে বসে কৃষকদের সঙ্গে ধান কেনার চুক্তি করেছিলেন তিনি। বন দফতরের তল্লাশি চালিয়ে কৃষকদের থেকে সরাসরি ধান কেনার প্রায় ১০০টি চুক্তিপত্র মিলেছে, বলে দাবি ইডির। ধান কেনাবেচায় মন্ত্রী নিজেই কমিশন নিতেন। সমস্ত রাইস মিল মালিকদের এই কমিশন দিতে হত। প্রতি কুইন্টালে ২০ টাকা কমিশন নিতেন জ্যোতিপ্রিয়। কৃষি সমবায় সমিতির মাধ্যমে মন্ত্রীর কাছে পৌঁছে যেত কমিশন। আদালতের রিপোর্টে বিস্ফোরক দাবি করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    নিয়মিত ‘কাটমানি’ সংগ্রহ

    খাদ্যমন্ত্রীর পদে বসে থেকে চালকল মালিকদের কাছ থেকে নিয়মিত ‘কাটমানি’ নিতেন জ্যোতিপ্রিয়। রেশন বণ্টন (Ration Scam) মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারির পরেই জানা গিয়েছিল এই খবর। আদালতের শুনানিতেও এই দাবিই বহাল রাখল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। খাদ্যমন্ত্রী হিসাবে পদাধিকার বলে ওই দফতরেরই অধীনস্থ ‘পশ্চিমবঙ্গ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ সংস্থা’র চেয়ারম্যান ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। ওই সংস্থার মাধ্যমেই চলত কাটমানি দেওয়া-নেওয়া। কুইন্টাল পিছু খাদ্যশস্যে এই ‘কাটমানি’ জ্যোতিপ্রিয় এবং তাঁর সঙ্গীরা নিয়মিত নগদে নিয়ে থাকতেন বলেও আদালতে দাবি করেছে ইডি।

    আরও পড়ুন: সহায়ক মূল্যে চাষিদের পরিবর্তে ব্যবসায়ীদের থেকে ধান কেনা হচ্ছে! চাঞ্চল্য

    মূল চাঁই বাকিবুর

    এক দশকেরও বেশি সময় ধরে উত্তর ২৪ পরগনা এবং নদিয়ার বহু চাল এবং আটাকলে রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) সিন্ডিকেট চলেছে বলে প্রথম থেকেই সন্দেহ ছিল ইডির। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির তদন্তকারীরা তখনই দাবি করেছিলেন, এই সিন্ডিকেটের অন্যতম চাঁই ছিলেন ধৃত ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান। এ বার সেই সম্পর্কিত একাধিক তথ্য জমা করল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ২০২১ সালের পয়লা ডিসেম্বর থেকে গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর— এই ২২ মাসের সময়কালে বাকিবুরের ‘মেসার্স এনপিজি রাইস মিল প্রাইভেট লিমিটেড’ একাই তার ডিস্ট্রিবিউটর বা সরবরাহকারীদের কাছে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৫০০ কুইন্টালেরও বেশি আটা (১,৪২,৫০০.৯৯৯৫ কুইন্টাল) কম সরবরাহ করেছে। যা মোট নির্ধারিত পরিমাণের ২৫.৫৫ শতাংশ। অর্থাৎ, যত আটা সরবরাহ করার কথা, তার চার ভাগের এক ভাগ আটা সরবরাহই করা হয়নি। অথচ, সেই বাবদ টাকা কিন্তু সরকার দিয়েছে। ইডির তদন্তে উঠে এসেছে যে, বাকিবুর চাল এবং আটার দুর্নীতির মাধ্যমে নগদে ৯০০ কোটিরও বেশি অর্থ কামিয়েছেন। যে দুর্নীতিলব্ধ অর্থের একটি অংশ তিনি পাঠিয়েছিলেন তৎকালীন খাদ্য এবং সরবরাহ মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কাছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • AMU Uttar Pradesh: আইএস যোগে যোগী রাজ্যে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ ছাত্র গ্রেফতার

    AMU Uttar Pradesh: আইএস যোগে যোগী রাজ্যে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ ছাত্র গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএস মডিউলের দুজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করল উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এটিএস। ধৃতদের নাম আমাজ ওরফে ফরজ আহমেদ এবং আব্দুল সামাদ মল্লিক। জানা গিয়েছে ধৃত ২ জঙ্গি যোগী রাজ্যের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে (AMU Uttar Pradesh) আইসিস জঙ্গি সংগঠনের কাজ করত। গত বছরের নভেম্বর মাস থেকেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের কাছে খবর পৌঁছায় যে বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ কিছু বেআইনি কার্যকলাপ এবং ভারত-বিরোধী পরিকল্পনার নকশা তৈরি হচ্ছে। যা আইএসআইএস জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    সন্ত্রাস দমন শাখার বিবৃতি 

    উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখার তরফে উল্লেখ করা হচ্ছে যে, গত  ২ মাস ধরে পালিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে সোমবার আমাজকে গ্রেফতার করা হয়। আব্দুল সামাদ মল্লিক অবশ্যই আগেই কোর্টের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। সন্ত্রাস দমন শাখা আরও উল্লেখ করেছে তাদের বিবৃতিতে যে, ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে (AMU Uttar Pradesh) বেশ কয়েক মাস ধরেই চলছে। এ বিষয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্যও উঠে আসে গোয়েন্দাদের কাছে। বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনাও তারা জানতে পারে।

    দুই জঙ্গিই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র

    সন্ত্রাস দমন শাখা গত বছরের ৩ নভেম্বর একটি এফআইআর করে। সেখানে সেই এফআইআর-এর ভিত্তিতে তারা সাত জনকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে,  আমাজ আহমেদ এবং আব্দুল সামাদ মল্লিক দুজনেই আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের (AMU Uttar Pradesh) ছাত্র এবং তারা আইএসআইএস জঙ্গি সংগঠনের অতি বড় সমর্থক। কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনাও তারা বেশ কিছুদিন ধরে করছিল বলে অনুমান। জানা যাচ্ছে, আমাজ আহমেদ ২০২২ সালে সাইকোলজি বিভাগ থেকে স্নাতক ঊত্তীর্ণ হয় এবং এমবিএ পরীক্ষায় বসার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে। অন্যদিকে, আব্দুল সামাদ মল্লিক বর্তমানে সমাজসেবা বিভাগের স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনা করছে। সন্ত্রাস দমন শাখা সূত্রে জানা গিয়েছে, তদন্ত যত এগোবে আরও তত নতুন তথ্য উঠে আসবে।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বিহার থেকে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করবেন মোদি, কবে সভা জানেন?

    PM Modi: বিহার থেকে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করবেন মোদি, কবে সভা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে লোকসভা নির্বাচন। ছন্নছাড়া দশা বিরোধীদের। তবে আস্তিন গুটিয়ে ইতিমধ্যেই লড়াইয়ের ময়দানে নেমে পড়েছে বিজেপি। এটা অবশ্য আন-অফিশিয়ালি। অফিশিয়ালি পদ্ম-শিবিরের প্রচার শুরু হবে ১৩ জানুয়ারি, বিহার থেকে। নীতীশ কুমারের রাজ্যের চম্পারণ থেকেই প্রচার শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    টার্গেট ৪০

    গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, এদিন বেত্তাই শহরের রামান ময়দানে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই সভার আগে প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাসও করতে পারেন তিনি। এই প্রকল্পগুলির সবই বিহার কেন্দ্রিক। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ৪০০-র বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে বিজেপি। এজন্য বিভিন্ন রাজ্য নেতৃত্বকে লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বাংলার ক্ষেত্রে এই লক্ষ্যমাত্রা ৩৫। আর নীতীশের রাজ্যে ৪০ আসনেই জিততে চাইছে গেরুয়া শিবির। সেই কারণেই জানুয়ারি মাসজুড়ে বিহারে সভা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

    বিহারে সভা করবেন কারা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) তো রয়েইছেন। জানুয়ারির ১৫ তারিখ থেকে বিহারে প্রচারে ঝড় তুলবেন পদ্ম-সেনানীরা। বিহারের তিন জনসভায় সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এগুলি হল বেগুসরাই, বেত্তাই এবং অওরঙ্গাবাদ। জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নীতীশের রাজ্যে সভা করবেন তিনটি। এগুলি হল সীতামারি, মাধেপুরা এবং নালন্দা। আর বিহারের সীমাঞ্চল এবং ইস্টার্ন রিজিয়নে একাধিক সভা করবেন জেপি নাড্ডা। এক সময় বিজেপির সঙ্গ ধরেছিল নীতীশের দল জনতা দল ইউনাইটেড। পরে নীতীশ বেরিয়ে আসেন গেরুয়া ছত্রছায়া থেকে। মহাগটবন্ধন করে টিকিয়ে রেখেছেন সরকার।

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তান নয়, রত্নগর্ভা লাক্ষাদ্বীপ এল ভারতেই, লৌহমানবের কীর্তিতে অবাক বিশ্ব

    লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে মাত দিতে জোট বেঁধেছে বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছে ‘ইন্ডি’। এই জোটে শামিল হয়েছে নীতীশের দলও। বিহারে লোকসভার আসন রয়েছে ৪০টি। গত লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ-র দখলে ছিল ৩৯টি আসন। একটিতে জিতেছিল কংগ্রেস। এবার এনডিএ জোট থেকে বেরিয়ে ইন্ডি জোটে শামিল হয়েছে নীতীশের দল। তাই নীতীশকে শিক্ষা দিতে রাজ্যের ৪০টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে চাইছেন বিজেপির (PM Modi) ভোট ম্যানেজাররা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Rashid Khan: অত্যন্ত সঙ্কটজনক শিল্পী উস্তাদ রশিদ খান, রাখা হয়েছে ভেন্টিলেশনে

    Rashid Khan: অত্যন্ত সঙ্কটজনক শিল্পী উস্তাদ রশিদ খান, রাখা হয়েছে ভেন্টিলেশনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সঙ্গীতশিল্পী উস্তাদ রশিদ খানের খুবই আশঙ্কাজনক। স্বাস্থ্যের গুরুতর অবনতি হওয়ায় ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ)-এর ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়েছে গায়ককে। রাখা হয়েছে অক্সিজেনের সাহায্যে। বছরের শেষে কিছুটা চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছিলেন শিল্পী (Rashid Khan)। কিন্তু নতুন বছর শুরু হতেই আচমকা মঙ্গলবার সকালে তাঁর অবস্থার অনেকটা অবনতি হয়। প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকদিন হয়ে গেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন শিল্পী। বছরের শেষে যদিও তাঁর স্বাস্থ্যের অনেকটাই উন্নতি হয়েছিল। এই খবর শুনে চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল তাঁর ভক্ত মহলও। সেসময় হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, চিকিৎসায় ভালোই সাড়া দিচ্ছেন গায়ক। এর মধ্যে তাঁকে রাইলস টিউব দিয়ে তাঁকে খাওয়ানোও শুরু হয়। তবে তখনই হাসপাতালের তরফে  শোনা গিয়েছিল, স্ট্রোকের ফলে তাঁর বাঁ দিক পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও ছিল।

    মাসখানেকের বেশি সময় ধরে হাসপাতালে ভর্তি রশিদ খান

    মাসখানেকেরও বেশি সময় ধরে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের নামকরা শিল্পী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছেন। পরিবার সূত্রে খবর, অতীতে তাঁর প্রস্টেটে ক্যানসারও হয়েছিল। সেখান থেকে ধীরে ধীরে তিনি বেশ সুস্থও হয়ে উঠছিলেন। তার মধ্যেই তাঁর মস্তিষ্কে একাধিক বার রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক) হয় তাঁর।  এর পরই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় পরিবারের তরফে। সেই থেকে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন হাসপাতালে। তাঁর (Rashid Khan) ভক্তরাও এখন উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। তার মধ্যেই ফের স্বাস্থ্যের অবনতির খবর মিলল। হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছিল, ‘‘শিল্পীর (Rashid Khan) অবস্থা অতি সঙ্কটজনক। তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।’’ হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁকে স্নায়ুচিকিৎসকেরা দেখছেন। মেডিসিন এবং ক্যানসারের চিকিৎসকদের একটি দলও তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছে সর্বক্ষণ।

    সংক্ষিপ্ত পরিচয়

    উস্তাদ রশিদ খানের জন্ম আদতে উত্তরপ্রদেশের বাদাউনে। অল্পবয়স থেকেই তিনি সঙ্গীত পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। উস্তাদ গুলাম মুস্তাফা খানের ভাইপো তিনি। তাঁর কাকাই প্রথম শিল্পীকে (রশিদ খান) মুম্বই নিয়ে যান। সেখানে গানের তালিম নেন রশিদ খান। জানা যায় পরবর্তীকালে উস্তাদ নিসার হুসেন খানের কাছে বাড়িতেই গানের তালিম নিতে থাকেন তিনি। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Maldives Relation: আত্মনির্ভর ভারতের জয়গান, মলদ্বীপকে জবাব অমিতাভ-সেওয়াগের

    India Maldives Relation: আত্মনির্ভর ভারতের জয়গান, মলদ্বীপকে জবাব অমিতাভ-সেওয়াগের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারতের কথা বলে মলদ্বীপের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan)। লাক্ষাদ্বীপের একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে মলদ্বীপকে (India Maldives Relation) মোক্ষম জবাব দিলেন অমিতাভ। ঘটনার সূত্রপাত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লাক্ষাদ্বীপ সফর থেকে। লাক্ষাদ্বীপের সৈকতে প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেখে মলদ্বীপের নেতা-মন্ত্রীরা কটাক্ষ করতে শুরু করেন। শুধু তাই নয়, ভারতের সমুদ্র সৈকতগুলোকে নোংরা, দুর্গন্ধে ভরা বলেও বিদ্রুপ করেন। ওই মন্ত্রীদের বরখাস্ত করা হলেও ভারতীয়দের রাগ কমছে না। মলদ্বীপ বয়কটের ডাক দেওয়া হচ্ছে।

    অমিতাভের জবাব 

    দেশ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অপমানের বদলায় অমিতাভ বচ্চন এক ঢিলে দুই পাখি মেরেছেন। আত্মনির্ভর ভারতের কথা বলে একইসঙ্গে দেশের জয়গান গেয়েছেন আর অন্যদিকে প্রতিপক্ষকে কড়া জবাব দিয়েছেন। মলদ্বীপ নিয়ে বীরেন্দ্র সেওয়াগের প্রতিবাদী ট্যুইটের প্রেক্ষিতে বিগ বি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “এটা খুবই প্রাসঙ্গিক। আমাদের নিজেদের দেশেই সবথেকে ভালো জায়গা রয়েছে ঘোরার। আমি নিজেও লাক্ষাদ্বীপ এবং আন্দামানে গিয়েছি। এবং লোকেশন হিসেবে দারুণ অভূতপূর্ব জায়গা। অসাধারণ নীল জলরাশি, সমুদ্র সৈকত এবং সমুদ্র গভীরে জলের তলায় যে অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার, তা এককথায় অবিশ্বাস্য‍! আমরা ভারত। আমরা আত্মনির্ভর। আর আমাদের আত্মনির্ভরতাকে হুমকি দেবেন না। জয় হিন্দ।”  

    সেওয়াগের বার্তা

    প্রসঙ্গত, বীরেন্দ্র সেওয়াগ, তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে চারটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে সেই জায়গাগুলির নাম ও তাঁর বিশেষত্ব তুলে ধরেন। প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার লিখেছেন, ‘উদুপির সৈকত, পুদুচেরির প্যারাডাইস বিচ, আন্দামানের নীল দ্বীপ ও হ্যাভলক আরও অনেক সুন্দর সৈকত রয়েছে আমাদের দেশে। ভারতে এমন অনেক অজানা জায়গা রয়েছে। সামান্য পরিকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা গড়ে তুললে, এই জায়গাগুলিতে পর্যটন শিল্পের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।’ সেওয়াগ আরও জানান, ভারত প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে নতুন সম্ভাবনার জন্ম দেয়। তিনি লেখেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রীর অপমান আমাদের জেদ বাড়াবে। আমরা দেশের অনেক অজানা জায়গাকে আরও সুন্দর করে পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাব। যা আমাদের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।’ তিনি সকলকে অনুরোধ করেন দেশের এমন অনেক অজানা জায়গাগুলির খোঁজ দেওয়ার জন্য।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  •  Lakshadweep Tourism: লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ-ঝড়, গুগলে সার্চ বৃদ্ধি ৩৪০০ শতাংশ!

     Lakshadweep Tourism: লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ-ঝড়, গুগলে সার্চ বৃদ্ধি ৩৪০০ শতাংশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় আছড়ে পড়েছে  ‘লাক্ষাদ্বীপ ট্যুরিজম’ ও ‘ভিজিট লাক্ষাদ্বীপ’ ঝড়। গত এক সপ্তাহে, ভ্রমণ সংক্রান্ত অনলাইন সার্চে সকলকে ছাপিয়ে গিয়েছে একটাই নাম— লাক্ষাদ্বীপ।

    গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লাক্ষাদ্বীপে (Lakshadweep Tourism) গিয়েছিলেন একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কথা ঘোষণা করতে। সেইসঙ্গে এই দ্বীপের সমুদ্র সৈকতে স্নরকেলিং করেছেন। সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক মনোরম ছবি বিনিময় করে পর্যটকদের ছুটি কাটানোর জন্য উৎসাহ দেন তিনি। এরপর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেন মলদ্বীপের ৩ মন্ত্রী। অভিযোগ করে বলা হয়, মলদ্বীপের পর্যটন থেকে নজর ঘোরাতে লাক্ষাদ্বীপের পর্যটনকে প্রচার করছেন মোদি।

    এরপর থেকেই ভারতের বহু পর্যটক মলদ্বীপের ভ্রমণসূচি বাতিল করছেন। বাতিল হয়েছে হাজার-হাজার বিমান টিকিট। বাতিল হয়েছে শয়ে-শয়ে রুমের বুকিং। শুধু সাধারণ পর্যটক নন, ভারতের পর্যটন ব্যবসায় জড়িত একটি ভ্রমণ সংস্থাও মালদ্বীপের ট্যুর বাতিল করেছেন। সমাজিক মাধ্যমে ‘বয়কট মলদ্বীপ’ এবং ‘লাক্ষাদ্বীপ ট্যুরিজম’ লিখে ব্যাপাক প্রচার চলছে। সেই প্রচারে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছেন বলি তারকা থেকে শুরু করে ভারতের ক্রিকেটাররা। সমাজমাধ্যমে লাক্ষাদ্বীপের ছবি ভাইরাল হতেই সেখানে বেড়াতে যাওয়ার জন্য পর্যটকদের ঝোঁক হু হু করে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনলাইনে সার্চ করার আগ্রহও প্রচুর বেড়ে গিয়েছে।

    কী বলছে মেক মাইট্রিপ (Lakshadweep Tourism)?

    অনলাইনে ট্র্যাভেল এজেন্সি মেক মাইট্রিপ পরিসংখ্যান দিয়ে বলেছে, এই লাক্ষাদ্বীপ (Lakshadweep Tourism) নিয়ে অনলাইনে সার্চ বেড়ে গিয়েছে ৩৪০০ শতাংশ। সামজিক মাধ্যমে একাধিক ট্রেন্ড এবং হ্যাশট্যাগ চলছে প্রচুর পরিমাণে। মোদিকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের কারণে শুধু ভারতেই নয় এশিয়া, ইউরোপ, অ্যামেরিকা থেকেও বাড়ছে সার্চের পরিমাণ। লাক্ষাদ্বীপে ভ্রমণের চাহিদা এখন পর্যটকদের কাছে প্রচুর।

    ৩৬টি ছোট ছোট দ্বীপের সমূহ লাক্ষাদ্বীপ

    লাক্ষা, আমিনদিভি, মনিকয় দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ৩২ বর্গ কিলোমিটার জায়গা নিয়ে গড়ে উঠেছে এই লাক্ষাদ্বীপ (Lakshadweep Tourism)। এখানে ছোট বড় মিলিয়ে মত ৩৬টি দ্বীপ রয়েছে। লাক্ষা পর্যটন বিভাগ থেকে অনুমতি নিয়ে এই দ্বীপে বেড়াতে যেতে হয়। বছরের অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সময় হল ভ্রমণ করার আদর্শ সময়। এই দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং মনোরম পরিবেশ ভীষণ ভাবে পর্যটকদের মনকে মুগ্ধ করবে। এখানে ঘুরে দেখার সুন্দর জায়গাগুলি হল-

    আগাত্তি দ্বীপপুঞ্জ

    লাক্ষাদ্বীপের (Lakshadweep Tourism) প্রবেশদ্বার হল এই আগাত্তি দ্বীপ। বিশ্বের অন্যতম সুন্দর লেগুন (নোনা জলের উপহ্রদ) রয়েছে এখানে। এখানে সুইমিং, স্বরকেলিং, কায়াকিংয়ের মতো ওয়াটার স্পোর্টস করার সুযোগ রয়েছে।

    বাঙ্গারাম দ্বীপপুঞ্জ

    আগাত্তি দ্বীপের খুব কাছেই হল বাঙ্গারাম দ্বীপ। এখানে মানুষ বসবাস করে না। ফসফোরেসেন্ট প্লাঙ্কটনের জন্য বাঙ্গারাম দ্বীপ আসেন পর্যটকরা। এই সৈকত রাতে নীলাভ হয়। ডলফিন, অক্টোপাস, ফ্রগফিস দেখা যায়।

    মিনিকয় দ্বীপ

    উত্তর দ্বীপপুঞ্জের ২০০ কিমি দক্ষিণে অবস্থিত এই দ্বীপ। এই দ্বীপ অন্যতম বড় লেগুন। এখানে ১১ গ্রামের ক্লাস্টার রয়েছে। এইগুলিকে আভাহ নামে পরিচিত।

    কালপেনি দ্বীপপুঞ্জ

    স্বচ্ছ এবং নীল জলের জন্য বিখ্যাত এই দ্বীপ। এখানে সুইমিং, স্নরকেরিং করার ব্যবস্থা রয়েছে।

    কাভারাত্তি দ্বীপপুঞ্জ

    এই দ্বীপ পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় জায়গা। স্থানীয় বাজার বেশ দর্শনীয় স্থান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lakshadweep: পাকিস্তান নয়, রত্নগর্ভা লাক্ষাদ্বীপ এল ভারতেই, লৌহমানবের কীর্তিতে অবাক বিশ্ব

    Lakshadweep: পাকিস্তান নয়, রত্নগর্ভা লাক্ষাদ্বীপ এল ভারতেই, লৌহমানবের কীর্তিতে অবাক বিশ্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরব সাগরের বুকে ইতিউতি ছড়িয়ে বেশ কয়েকটি দ্বীপ। সাগরের নীল জলরাশির মধ্যে এখানে ওখানে মাথা তুলে রয়েছে ঘন সবুজ বনানী। জলের নীচে গেলেই ধাঁধিয়ে যায় চোখ। রং-বেরংয়ের প্রবাল প্রাচীরের সৌন্দর্য মনোমুগ্ধকর। এই হল লাক্ষাদ্বীপের (Lakshadweep) অপার সৌন্দর্যের নির্যাস।

    শিরোনামে লাক্ষাদ্বীপ

    মলদ্বীপের তিন মন্ত্রীর (অ)সৌজন্যের জেরে বর্তমানে ভারতের যে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল খবরের শিরোনামে। এহেন সৌন্দর্যের আধার দখল করে নিচ্ছিল পাকিস্তান। পারেনি। কারণ যে সময় পাক সেনা দখল করার চেষ্টা করেছিল লাক্ষাদ্বীপ, সেই সময় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। বিষয়টি তাহলে খুলেই বলা যাক। স্বাধীনতার পরে পরে দেশের সর্বত্র পতপত করে উড়ছে তিরঙ্গা পতাকা। দেশের যেসব অঞ্চল রাজা কিংবা রানির শাসনাধীন ছিল, সেই সব রাজা-রানিকে বুঝিয়ে ভারতের অন্তর্ভু্ক্ত করে ফেলেছেন দেশের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। যেহেতু ধর্মের ভিত্তিতে দেশ ভাগ হয়েছিল, তাই মুসলমান অধ্যুষিত লাক্ষাদ্বীপের রাশ যাওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের হাতে। কারণ তখনও লাক্ষাদ্বীপ ছেড়ে যায়নি ব্রিটিশরা।

    লৌহমানবের কৌশলে কুপোকাত পাকিস্তান

    এমতাবস্থায় আরব সাগরের বুকে মুসলমান অধ্যুষিত লাক্ষাদ্বীপের (Lakshadweep) গুরুত্ব অনুধাবন করে দখল নিতে ছোটে পাক বাহিনী। সে খবর কানে পৌঁছে যায় লৌহমানবের। সঙ্গে সঙ্গে তিনি লাক্ষাদ্বীপের উদ্দেশে রওনা করিয়ে দেন ভারতীয় রণতরী। পাক বাহিনী লাক্ষাদ্বীপে পা রাখার ঢের আগেই সেখানে ইউনিয়ন জ্যাক (ব্রিটেনের পতাকা) নামিয়ে ভারতীয় সেনা তুলে দেয় তিরঙ্গা পতাকা। ভারত লাক্ষাদ্বীপের দখল নিয়েছে শুনে আর এগোনোর সাহস দেখায়নি পাক বাহিনী। লাক্ষাদ্বীপ অন্তর্ভুক্ত হয় ভারতের মানচিত্রে। যার পুরো ক্রেডিটই বর্তায় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্যাটেলের ওপর।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সম্পত্তির হিসেব কি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে পারবেন অভিষেক?’’ প্রশ্ন বিচারপতির

    ৩৬টি দ্বীপের সমাহার লাক্ষাদ্বীপ। কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলের আয়তন ৩২.৬৯ বর্গ কিলোমিটার। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং কৌশলগত অবস্থানের কারণেই এই দ্বীপপুঞ্জের দখল নেওয়ার স্বপ্নে পাড়ি জমিয়েছিল পাক সেনা। পাকিস্তানের যে স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিলেন ভারত গৌরব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। প্রসঙ্গত, মালাবার উপকূলের কাছেই লাক্ষাদ্বীপ। ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপলব্ধি করেছিলেন এই দ্বীপপুঞ্জের কৌশলগত অবস্থানের গুরুত্ব। তার জেরেই আজও রত্নগর্ভা এই দ্বীপপুঞ্জ (Lakshadweep) জ্বলজ্বল করছে ভারতের মানচিত্রে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share