Blog

  • Bangladesh Election: ভক্তকে চড় মেরে বিতর্কে! বাংলাদেশের ভোট ময়দানে ছক্কা হাঁকালেন শাকিব

    Bangladesh Election: ভক্তকে চড় মেরে বিতর্কে! বাংলাদেশের ভোট ময়দানে ছক্কা হাঁকালেন শাকিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদ নির্বাচনে (Bangladesh Election) বিপুল ভোটে জয় পেলেন বাংলাদেশের ক্রিকেট অধিনায়ক শাকিব আল হাসান (Shakib Al Hasan)। বাইশ গজের পর এবার ভোটের ময়দানেও ছক্কা হাঁকালেন শাকিব। বাংলাদেশে মাগুরা-১ থেকে আওয়ামী লিগের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। ভোটে জিতলেন বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও।

    বিপুল ভোটে জয়ী শাকিব

    প্রথম বার ভোটে (Bangladesh Election) দাঁড়িয়ে বিপুল ভোটে জিতে সাংসদ হলেন শাকিব (Shakib Al Hasan)। তিনি পেয়েছেন ১,৮৫,৩৮৮টি ভোট। তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়ানো আইনজীবী কাজী রেজাউল হোসেন পেয়েছেন ৫,৯৯৪ ভোট। শাকিব বাংলাদেশের তৃতীয় ক্রিকেটার, যিনি সাংসদ হলেন। এর আগে নৈমুর এহসান দুর্জয় এবং মাশরফি মোর্তাজা সাংসদ হয়েছিলেন। শাকিব এখনও ক্রিকেট থেকে বিদায় নেননি। তিনি ক্রিকেট এবং রাজনীতি, দু’টি ময়দানই একসঙ্গে সামলাবেন। ১৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ। রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক শাকিব। সেই দলের হয়ে মাঠে নামবেন তিনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও ভোটে জিতেছেন। প্রায় দুই লাখ ভোট পেয়ে জয়ী হন তিনি।

    আরও পড়ুন: “আমরা ভাগ্যবান যে ভারতের মতো বন্ধুরাষ্ট্র পেয়েছি”, ভোটের দিন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ হাসিনার

    বিতর্ক সঙ্গী শাকিবের

    বাইশ গজের মতোই রাজনীতির (Bangladesh Election) পিচেও বিতর্ক সঙ্গী হল শাকিব-আল-হাসানের (Shakib Al Hasan)। বাংলাদেশে নির্বাচনের দিনেই মেজাজ হারাতে দেখা গেল তাঁকে। এক ভক্তকে সপাটে চড় মেরে বসলেন ক্রিকেট বিশ্বের জনপ্রিয় অলরাউন্ডার। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, শাকিব হাঁটছেন। তাঁকে ঘিরে অনেকে রয়েছেন। তাঁকে দেখতেই অনেক লোক জড়ো হয়ে গিয়েছে এলাকায়। এক যুবক প্রিয় তারকার একেবারে কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন। ভিড়ের মধ্যেই তিনি পিছন দিক থেকে শাকিবকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করেন। তাঁর কাঁধে তুলে দেন হাত। এর পরেই মেজাজ হারাতে দেখা গিয়েছে শাকিবকে। তিনি পিছন দিকে ঘুরে যুবকের গালে চড় মারেন। আচমকা চড় খেয়ে হতভম্ব হয়ে যান ওই ভক্ত। আশপাশের বাকিরাও অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন। মনে করা হচ্ছে, ভিডিওটি রবিবার ভোট গ্রহণের দিনের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Maldives Relations: মোদির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের জেরে ৩ মন্ত্রীকে সাসপেন্ড মলদ্বীপের

    India Maldives Relations: মোদির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের জেরে ৩ মন্ত্রীকে সাসপেন্ড মলদ্বীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের জেরে তিন মন্ত্রীকে সাসপেন্ড করল মলদ্বীপ (India Maldives Relations) সরকার। প্রধানমন্ত্রী লাক্ষদ্বীপ সফরের ছবি আপলোড করার পর ওই তিন মন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে তাঁর বিরুদ্ধে অবমাননারকর মন্তব্য করেন।

    প্রধানমন্ত্রীকে অপমানের তীব্র প্রতিবাদ ভারতের

    বিদেশমন্ত্রকের নির্দেশে সেখানকার ভারতীয় হাইকমিশন, প্রধানমন্ত্রীকে অপমানের বিষয়টি মালে প্রশাসনের কাছে তুলে ধরে এবং এর তীব্র নিন্দা করে৷ ভারত যে মালে সরকারের মন্ত্রী এবং তাদের আধিকারিকদের আচরণে ক্ষুব্ধ তা বুঝিয়ে দেওয়া হয় ৷ এমনকী, মালদ্বীপের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ মালদ্বীপের রাজনীতিকদের অবমাননাকর মন্তব্যের নিন্দা করেন৷ এর পরেই নড়েচড়ে বসে সে দেশের প্রশাসন৷ যুব ক্ষমতায়ন-তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উপমন্ত্রী মালশা শরিফ, যুব ক্ষমতায়ন, তথ্য ও সংস্কৃতি উপমন্ত্রী মারিয়ম সিউনা এবং পরিবহণ ও অসামরিকর বিমান চলাচল উপমন্ত্রী হাসান জিহানকে মন্ত্রিসভা থেকে সাসপেন্ড করে মলদ্বীপের মহম্মদ মুইজুর সরকার।

    ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে পড়ে মলদ্বীপ সরকার

    দ্বীপরাষ্ট্রের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ‘মন্ত্রী মারিয়ম সিউনা বা অন্যান্যরা মোদির বিরুদ্ধে যে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন তা তাঁদের ব্যক্তিগত। এতে প্রশাসনের কোনও যোগ নেই। মলদ্বীপ সরকারে মোটেও তাতে মদত নেই।’ মলদ্বীপের (India Maldives Relations) বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভারতের প্রতি বিদ্বেষমূলক মন্তব্যে কখনওই প্রশাসনের মদত নেই। যেসব মন্ত্রীরা এই অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন তাঁদের নিজ নিজ পদ থেকে সাসপেন্ড করা হল।’ 

    মলদ্বীপের বর্তমান প্রশাসকের চিন ঘনিষ্ঠতা

    সাম্প্রতিককালে চোখে পড়ছে মলদ্বীপের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। মলদ্বীপের আগের সরকার ছিল ভারত ঘেঁষা। সোলি-সরকারকে হারিয়েই মহম্মদ মুইজু সরকার গঠন করে। এরপরই মলদ্বীপ এবং ভারতের সম্পর্কে বদলের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পরে ভারতের সেনাকে মলদ্বীপ থেকে সরে যেতে বলেন প্রেসিডেন্ট মুইজু। বিষয়টি নিয়ে কূটনৈতিক স্তরে উত্থাপন করে ভারত। ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের সম্পর্কে তিক্ততা প্রকাশ্যে আসে তখনই৷ এখন মোদিকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের মধ্যেই ফের একবার প্রকাশ পেল মলদ্বীপ প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ মনোভাব।

    আরও পড়ুন: “আমরা ভাগ্যবান যে ভারতের মতো বন্ধুরাষ্ট্র পেয়েছি”, ভোটের দিন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ হাসিনার

    মলদ্বীপের পর্যটন ভারতের ওপর নির্ভরশীল

    উল্লেখ্য মলদ্বীপের (India Maldives Relations) পর্যটন শিল্প অনেকটাই নির্ভরশীল ভারতের উপর। সাম্প্রতিককালে চোখে পড়ছে মলদ্বীপের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লাক্ষাদ্বীপ ভ্রমণের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। তারপর নেটিজেনদের অনেকেই লাক্ষাদ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁদের মতে, বিদেশের সমুদ্রসৈকতে না গিয়ে লাক্ষাদ্বীপেই ছুটি কাটাতে পারেন দেশবাসী। এর পরই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন মলদ্বীপের মন্ত্রীরা। বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা শুরু হতেই তড়িঘড়ি সেই ট্যুইট মুছেও দেন তাঁরা। কিন্তু, ক্ষতি যা হওয়ার হয়েই গিয়েছিল।

    মলদ্বীপ ট্যুর বাতিল ভারতীয় ভ্রমণ সংস্থার

    মলদ্বীপের সরকারি কর্তাদের মোদি-বিরোধী মন্তব্যের জেরে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মলদ্বীপ বয়কট করার আহ্বান জানিয়েছেন। মলদ্বীপকে বয়কটের ডাক ট্রেন্ডিং করতে শুরু করে সোশ্যাল সাইটে। ইতিমধ্যেই ভারতের জনপ্রিয় একটি ভ্রমণ সংস্থা মলদ্বীপ যাওয়ার সমস্ত বিমানের বুকিংও বাতিল করে দিয়েছে। ওই সংস্থার মালিক জানিয়েছেন, দেশের প্রতি আনুগত্য এবং সহানুভূতি থেকে এই সিদ্ধান্ত তাঁরা নিয়েছেন। ওই ট্যুর সংস্থার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে মলদ্বীপ যাওয়ার সমস্ত বিমানের বুকিং স্থগিত দেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Purba Bardhaman: খোদ পুলিশের বাড়িতেই ডাকাতি, ভোজালির কোপ, নিরাপত্তা কোথায়?

    Purba Bardhaman: খোদ পুলিশের বাড়িতেই ডাকাতি, ভোজালির কোপ, নিরাপত্তা কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র দু সপ্তাহের ব্যবধানে পরপর দুইবার ডাকতির ঘটনা ঘটল এলাকায়। এবার ঘটেছে খোদ পুলিশের বাড়িতেই। ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) আউস গ্রামে। পাশের বাড়ির লোকজন চিৎকার শুনে পালানোর সময় দুষ্কৃতীরা ভোজালি চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশ এখনও পর্যন্ত কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি বলে জানা গিয়েছে। 

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Purba Bardhaman)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ছোড়া কলোনিতে (Purba Bardhaman) ওই পুলিশ কর্মীর বাড়ি। নাম সুশান্ত বিশ্বাস, হাওড়া কমিশনারেট এলাকায় কাজ করেন তিনি। গতকাল শনিবার রাত আড়াইটার সময় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হানা দেয় একদল ডাকাত। বাড়তে ঢুকে বাড়ির লোকজনকে ব্যাপক মারধর করা হয়। এরপর চলে লুটপাট। বাড়ির লোকজনের চিৎকারে আশেপাশের মানুষেরা ছুটে আসেন। এরপর দুষ্কৃতীদের ধরতে গেলে পাশের এক প্রতিবেশী যুবককে ভোজালি দিয়ে কোপ মেরে চম্পট দেয়। এরপর জখম যুবককে সঙ্কট জনক অবস্থায় হাসপাতাল নিয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে আজ রবিবার সকালে ছুটে আসে আউস গ্রামের পুলিশ। জেলা পুলিশ আমিনদীপও ঘটনা স্থলে পৌঁছান। তবে ডাকাতির কিনারা বিষয়ে কোনও তথ্য উদ্ধার করতে পারেনি।

    পরিবারের বক্তব্য

    পুলিশ কর্মী সুশান্ত বিশ্বাসের স্ত্রী জয়ন্তী বিশ্বাস বলেন, “রাত তখন অনেক দেড়টা বাজে, বাড়ির (Purba Bardhaman) দরজায় বাইরে থেকে শব্দ এল কিন্তু তখন দরজা খুলিনি। এরপর আবার রাত্রি ২ টোর সময় শব্দ হয়। এবার স্বামী দরজা খুলতেই বেশ কিছু মুখঢাকা লোক আচমকা ঘরে ঢুকে পড়ে। ওদের হাতে অনেক অস্ত্র ছিল। সকলকে হাত পা বেঁধে ফেলে। এরপর সোনা-গয়না বের করার কথা বলে। নগদ ৭০ হাজার টাকা এবং তিন ভরি সোনার গহনা লুট করে নেয়। আমাদের চিৎকার শুনে পাশের বাড়ির নরোত্তম বিশ্বাস ছুটে আসেন। কিন্তু আচমকা এলো পাথাড়ি অস্ত্র চালানোর জন্য মারাত্মক আহত হন তিনি। এরপর ডাকতেরা জঙ্গলের মধ্যে পালিয়ে যায়।”

    আগেও হয়েছে ডাকতি!

    গত দুই সপ্তাহ আগে আউসগ্রাম (Purba Bardhaman) থানার কাছেই পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে বেঁধে নগদ কয়েক লক্ষ টাকা, গহনা এবং বিদেশি মুদ্রা লুট করে পালায় ডাকাত দল। সেই ঘটনায় পুলিশ এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে ফের ডাকতি হল এবার পুলিশের বাড়িতেই। এলাকায় মানুষ তীব্র আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।   

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: যে কোনও সময় ভেঙে পড়তে পারে স্কুলবিল্ডিং! আতঙ্কে ক্লাস চলছে গাছতলাতেই

    Hooghly: যে কোনও সময় ভেঙে পড়তে পারে স্কুলবিল্ডিং! আতঙ্কে ক্লাস চলছে গাছতলাতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কোনও মুহূর্তে স্কুলবিল্ডিং ভেঙে পড়ার আতঙ্কে! গাছতলাতেই চলছে ক্লাস। বাড়ছে আতঙ্ক! স্কুলে কমছে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা। যখন তখন ভেঙে পড়ছে দেওয়ালের অংশ বিশেষ। খসে খসে পড়ছে স্কুল ছাদের চাঙর। বিপজ্জনক ও ভগ্নপ্রায় স্কুলবিল্ডিংয়ের জেরে বাড়ছে আতঙ্ক। তাই এবার বাধ্য হয়েই পড়াশোনা চলছে গাছের তলায়। এমনই ছবি হুগলির (Hooghly) আরামবাগের মলয়পুর দক্ষিণপাড়া বামাপদ দত্ত নিম্নবুনিয়াদি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।

    শিক্ষকদের বক্তব্য (Hooghly)

    জানাগেছে, আরামবাগ (Hooghly) মহকুমার মলয়পুরের এই স্কুল ভবনের একাংশ বহু পুরাতন। বেশ কয়েকবার মেরামতি করার চেষ্টা করা হলেও তাতে কোনও কাজ হয়নি। উল্টে চাঙর খসে আহত হয় বেশ কয়েকজন পড়ুয়া। তারপর থেকেই দুটি শ্রেণির পড়ুয়াদের বাধ্য হয়েই স্কুল মাঠের গাছের তলায় পড়াশোনা চালাতে হচ্ছে শিক্ষকদের। শিক্ষকেরা বলেন, “বর্ষার সময় অথবা বৃষ্টি হলে বাধ্য হয়ে বিপদজনক সেই স্কুলের ভাঙা ক্লাস রুমের মধ্যেই পড়াশোনা চালাতে হয়।” শুধু শিক্ষক-শিক্ষিকারা নয়, ছাত্র-ছাত্রীরাও বলে, “প্রতিটা মুহূর্তে আতঙ্কে ও ভয়ে ভয়ে স্কুলে ভাঙা ক্লাস রুমে পড়াশোনা করতে হয়।” শিক্ষক সহ অভিভাবকদের অভিযোগ, বারেবারে সরকারি বিভিন্ন দফতরে জানানো হলেও কোনও ফল হয়নি।

    অভিভাবকের বক্তব্য

    স্থানীয়(Hooghly) স্কুল পড়ুয়াদের অভিভাবকেরা বলেছেন, “এই স্কুলে ছেলে-মেয়েদের পঠন-পাঠন খুবই ভালো হয়। তাই এই স্কুলে অনেক দূর থেকেও ছেলে-মেয়েরা আসে। কিন্তু স্কুলের এমন ভগ্নদশার জেরে একদিকে যেমন ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে এসে বিপদের আশঙ্কা নিয়ে পড়াশোনা করছে, অন্যদিকে আমরাও সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে থাকি।” অনেক অভিভাবকই এই স্কুল থেকে ছেলেমেয়েদের অন্য স্কুলে ভর্তি করতে বাধ্য হয়েছেন। যার ফলে প্রত্যেক বছরই কমে যাচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা।

    স্কুল পরিদর্শকের বক্তব্য

    তবে স্কুলের এমন জীর্ণ অবস্থার কথা স্বীকার করে নেন স্কুল পরিদর্শক। আরামবাগ (Hooghly) পূর্ব চক্রের স্কুল পরিদর্শক অবন্তি পোড়েল বলেন, “সমস্ত তথ্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আবেদন করা হয়েছে তিনটি রুমের নতুন ভবনের জন্য। খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হয়ে যাবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সুকান্তর বাইক মিছিলে পুলিশি বাধা! ব্যাপক ধস্তাধস্তি, প্রতিবাদে অবরোধ

    Sukanta Majumdar: সুকান্তর বাইক মিছিলে পুলিশি বাধা! ব্যাপক ধস্তাধস্তি, প্রতিবাদে অবরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) বাইক মিছিলে পুলিশের বাধা। কিন্তু নিজেদের কর্মসূচিতে অনড় থাকে বিজেপি। সড়কে বসে প্রতিবাদে পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ জানায় বিজেপি। সেই সঙ্গে চলে ব্যারিকেডকে ঘিরে পুলিশের সঙ্গে তীব্র ধস্তাধস্তি। এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি যুবমোর্চার রাজ্য সভাপতি নেতা ইন্দ্রনীল খাঁ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তিনি তৃণমূলকে আক্রমণ করে হিরণ বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে এগিয়ে যাচ্ছিলাম কিন্তু মমতার গুন্ডাদের পুলিশের পোশাক পরিয়ে এখানে পাঠিয়ে অশান্তির চেষ্টা করেছে। সন্দেশখালিতে পুলিশ নেই আর এখানে পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ। এভাবে বিজেপিকে আটকানো যাবে না।” ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।

    ঠিক কোথায় মিছিল চলছিল (Sukanta Majumdar)?

    আজ রবিবার হুগলির ডানকুনি থেকে ১২ কিমি পর্যন্ত হাওড়ার ডোমজুড় থানা পর্যন্ত বিজপির বাইক মিছিলের মাধ্যমে সংকল্প যাত্রা চলছিল। এই যাত্রা আয়োজন করা হয়েছিল শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি যুব মোর্চার পক্ষ থেকে। এই যাত্রায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। উল্লেখ্য এই বাইকের মিছিল পুলিশ আটকাবে আগেই জানিয়েছিল। কিন্তু পুলিশের বাধাকে অতিক্রম করে যাত্রা করা হয়েছিল। আর তার ফলেই বাধে গোলমাল। প্রথমে এস এন মুখার্জি রোডে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে আটকায়। এরপর বিজেপির কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যায়। তারপর আবার ডানকুনি হাউজিং মোড়ে পুলিশ আটকালে রাস্তায় নেমে অবরোধ করে বিজেপি কর্মীরা। এরপর ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়।

    কী বললেন সুকান্ত?

    বিজেপি রাজ্যসভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “পুলিশ কোনও রকম প্ররোচনা ছাড়া আমাদের কয়েকজন কর্মীকে আটক করে ভ্যানে তুলে নেয়। তবে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে ছাড়িয়ে নিয়ে আসি। পুলিশের দুই কর্মী আমার মাথায় আঘাত করেছে। কার্যত পুলিশ এখন তৃণমূলের গুন্ডায় পরিণত হয়েছে। আমরা কখনও জাতীয় সড়ক অবরোধ করতে চাইনি। কিন্তু পুলিশদের আজ অহেতুক অত্যাচারে আমরা বাধ্য হয়েছি। আমাদের যে কর্মীদের মারধর করা হয়েছে, পুলিশ সেই বিষয়ে তদন্ত করবে বলে আমাদের জানিয়েছে। আমাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালন না করলে এরপর আমরা এবার থানা ঘেরাও করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: ২২ বছর পরে ভারতের প্রথম কোনও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ব্রিটেন সফরে

    Rajnath Singh: ২২ বছর পরে ভারতের প্রথম কোনও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ব্রিটেন সফরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) তিন দিনের ব্রিটেন সফর শুরু করছেন আগামী সোমবার থেকে। ২২ বছর পরে প্রথম কোনও ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এই সফর করছেন বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, এটাই প্রথম নয় গত ২০২২ সালের জুন মাসেও ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর ব্রিটেন সফর চূড়ান্ত হয় কিন্তু কিছু প্রটোকলের কারণে তা শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়। পরবর্তীকালে, আবার ৮ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে এই সফর। ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা সচিব গ্রান্ড শাপস  জানিয়েছেন যে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) এর এই সফরে তাঁকে গার্ড অফ অনারও দেওয়া হবে। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এই সফরে মহাত্মা গান্ধী এবং ডঃ বি আর আম্বেদকরের স্মৃতিসৌধতেও যাবেন লন্ডনে।

    প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও আলাপচারিতায় সামিল হবেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী

    এর পাশাপাশি প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও আলাপচারিতায় সামিল হবেন রাজনাথ সিং, সূত্রের খবর এমনটাই মিলেছে। লন্ডনের ‘ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিস’-এর তরফ থেকে রাহুল রায় চৌধুরী জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর এই সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ ২২ বছর পরে কোনও ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী (Rajnath Singh) পুনরায় ব্রিটেনের সফর করছেন। শেষবারের মতো সফর করেছিলেন এনডিএ জমানার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জর্জ ফার্নান্ডেজ। ২০০২ সালের ২২ জানুয়ারি তিনি লন্ডনে এসেছিলেন।

    আরও পড়ুন: “গোয়া নয়, মানুষজন ঘুরতে আসছেন অযোধ্যায়”, উচ্ছ্বসিত রামনগরীর হোটেল ব্যবসায়ী

    ভারত-ব্রিটেন কূটনৈতিক সম্পর্কের বেশ উন্নতি ঘটাবে এই সফর

    প্রতিরক্ষা বিষয়ের একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে রাহুল রায়চৌধুরীর মত হল, ‘‘রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)-এর এই সফর ভারত এবং ব্রিটেনের কূটনৈতিক সম্পর্কে যথেষ্ট উন্নতি ঘটাবে। ভারত-ব্রিটেনের সম্পর্ক বেশ ভালো। কারণ ইতিপূর্বে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক গত বছরের সেপ্টেম্বরে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে ভারতে এসেছিলেন।’’ প্রসঙ্গত, খালিস্তানপন্থীদের বিক্ষোভে দিন কয়েক আগেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় লন্ডনে। তারপরেই হতে চলেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর এই সফর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: অযোধ্যায় প্রতিদিন চলছে সরযূ বন্দনা, পঞ্চপ্রদীপ, বৈদিক শ্লোকে এ যেন সত্যিই দেবভূমি

    Ram Mandir: অযোধ্যায় প্রতিদিন চলছে সরযূ বন্দনা, পঞ্চপ্রদীপ, বৈদিক শ্লোকে এ যেন সত্যিই দেবভূমি

    রামনগরী অযোধ্যা-পাঁচ

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অযোধ্যা থেকে ফিরে: বারাণসীর গঙ্গা-আরতির প্রসিদ্ধি দেশজুড়ে রয়েছে। দশাশ্বমেধ ঘাটে গঙ্গা-আরতির সময় তিল ধারণের জায়গাটুকুও থাকে না। কপালে তিলক এঁকে ভক্তরা সমবেত হন গঙ্গার ঘাটে। রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হতেই অযোধ্যার সরযূ নদীর আরতিও বিপুল জনপ্রিয় হয়েছে। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ নাগাদ অযোধ্যায় (Ram Mandir) পৌঁছাতেই তা বোঝা গেল। সরযূ অবশ্য অযোধ্যাবাসীর কাছে শুধু নদী নয়, সরযূকে মাতা সম্বোধন করা হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, অযোধ্যায় কোনও নদী না থাকার কারণে বশিষ্ঠর প্রার্থনায় ব্রহ্মা সরযূ নদীকে সৃষ্টি করেন। সরযূর ধারে যখন পৌঁছালাম সূর্য তখন সবেমাত্র অস্তমিত হয়েছে। ভক্ত ও সাধুসন্তদের ভিড়ে সরযূর ধারে তখন পা রাখারও জায়গা নেই। প্রশাসনের ব্যস্ততাও তুঙ্গে। কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়েছে ভাসমান ঘাট। তবে সেখানে শুধুমাত্র সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদেরই যাওয়ার অনুমতি রয়েছে। সরযূ নদীর ওই ঘাটের ওপরেই সম্পন্ন হয় আরতি। পঞ্চপ্রদীপের আলোর প্রতিফলন সরযূর (Ram Mandir) জলে। সঙ্গে বৈদিক শ্লোক উচ্চারণ। সন্ধ্যার আলো-আঁধারি পরিবেশে মনে হচ্ছিল, এ যেন সত্যিই দেবভূমি। রাম মন্দিরের পাশাপাশি সরযূ নদীর আরতিও যে ভক্তদের গুরুত্বপূর্ণ তীর্থকেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে, তা বোঝাই যাচ্ছে।

    তরুণ-তরুণীদের ঘোরার জায়গা সরযূর পাড়

    স্মার্ট ফোন হাতে তরুণ-তরুণীদের সন্ধ্যার আড্ডারস্থলও হয়ে উঠেছে সরযূর ধার। যুব প্রজন্ম এখন কপালে দীর্ঘ হলুদ টিকা লাগিয়ে সামিল হচ্ছে সরযূর বন্দনায়। ভারতের প্রাচীন শাশ্বত সংস্কৃতিতেই যে আস্থা রয়েছে তরুণ প্রজন্মের তা বোঝা যায় সরযূর ধারে। হোটেল ব্যবসায়ী ধর্মেন্দ্র মিশ্র তাই কথায় কথায় জানালেন, ‘‘গোয়া নয়, মানুষজন এখন অযোধ্যাতেই আসছেন ঘুরতে।’’ সরযূ নদীর আরতির পরে দীর্ঘক্ষণ আমাদের সঙ্গে আলাপচারিতা করলেন আরতির মূল দায়িত্বপ্রাপ্ত সন্ত শশীকান্ত দাস। স্থানীয় একটি আশ্রমের মহন্তের দায়িত্বও রয়েছে তাঁর ওপরে। তিনিই জানালেন, অযোধ্যা বদলে যাচ্ছে। আমাদের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়লেন, ‘‘আগে আপনারা অযোধ্যায় এসেছেন কখনও?’’ আমরা তিনজন ছিলাম। প্রত্যেকেই সমবেতভাবে উত্তর দিলাম ‘না’।

    কী বলছেন সরযূ নদীর আরতি কমিটির প্রধান?

    শশীকান্ত দাস বললেন, ‘‘আগে ঝামেলা অশান্তির ভয়ে কেউই সেভাবে অযোধ্যা আসতে চাইতেন না। অপপ্রচারও চলত, অযোধ্যা (Ram Mandir) এলেই অশান্তি হতে পারে। রামনগরী তাই হয়ে উঠেছিল উদাসী। কিন্তু এখন আপনাদের মতো লাখো মানুষ আসছেন অযোধ্যায়। মন্দির উদ্বোধনের পরে এই সংখ্যা কততে গিয়ে ঠেকবে তা বলা যাচ্ছে না। সামগ্রিকভাবে বদলে গিয়েছে অযোধ্যার চিত্র। ’’শশীকান্ত দাসের কথায় ঝরে পড়ল নরেন্দ্র মোদি ও যোগী আদিত্যনাথের ভূয়সী প্রশংসাও। তাঁর মতে, ‘‘অযোধ্যাকে বদলে দেওয়ার কারিগর নরেন্দ্র মোদি। তিনি ছিলেন বলেই রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি হল অযোধ্যায়। বদলে গেল অযোধ্যার চিত্র। তার সঙ্গে নগরীর সর্বাঙ্গীণ বিকাশ করছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীও।’’ সরযূর ঠিক পাশেই বিশালাকার পার্ক। সেখানে প্রত্যহ সন্ধ্যায় আরতির পরে লেজার শো-এর মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে সম্পূর্ণ রামায়ণ। রাম মন্দির থেকে সরযূ যাওয়ার সড়ক রামপথ নামে পরিচিত। মন্দির-সড়ক-নদী সবই যেন রামচন্দ্রময় হয়ে উঠেছে অযোধ্যায়। শুধু তীর্থকেন্দ্র নয়, পর্যটনস্থল হিসেবেও ঘুরে আসা যেতেই পারে অযোধ্যা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vegetables: সবুজ শাক-সব্জিতেই রয়েছে দাওয়াই! কোন সব্জির গুণে কমবে কোন সমস্যা?

    Vegetables: সবুজ শাক-সব্জিতেই রয়েছে দাওয়াই! কোন সব্জির গুণে কমবে কোন সমস্যা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কোনও কৃত্রিম পদ্ধতি নয়। বরং সবুজ শাক-সব্জি (Vegetables) নিয়মিত খেলেই একাধিক রোগের মোকাবিলা করা সম্ভব। বিশ্ব জুড়ে এমন হাজার হাজার সব্জি আর শাক রয়েছে, যা থেকে একাধিক জটিল রোগ মোকাবিলা করা যেতে পারে। তবে, এগুলোর অধিকাংশ পাওয়া যায় ভারতে। এমনই কথা সম্প্রতি জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আধুনিক জীবন যাপনের জন্য যে সমস্ত রোগের দাপট বাড়ছে, তাদের রুখতে দাওয়াই রয়েছে ভারতেই। এমনই জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

    কী বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা? (Vegetables)

    সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কোলেস্টেরল,‌ উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতার সমস্যা রুখতে পারে ভারতীয় সব্জি এবং শাক। সংস্থার তরফে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সব্জির কথা বলা হয়েছে। যা নিয়মিত খেলে রোগ মোকাবিলা সম্ভব। আর সেখানেই রয়েছে ভারতের ২১০০ শাক ও সব্জির তালিকা (Vegetables)। যা ‘লাইফস্টাইল ডিজিজ’ রুখতে বিশেষ সাহায্য করে।

    কোন সব্জির গুণে কোন‌ রোগ কমবে? (Vegetables)

    বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, আধুনিক ব্যস্ত জীবন যাপনের জেরে নানান রোগ বাড়ছে‌। কাজের চাপ, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় চটজলদি খাবারে অভ্যস্ত হওয়ার জেরেই ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, স্থূলতা, হৃদরোগ, বন্ধ্যাত্বের মতো সমস্যা বাড়ছে। 
    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এমন কিছু শাক-সব্জি (Vegetables) রয়েছে, যেগুলো নিয়মিত খেলে এই ধরনের সমস্যা কমবে। আর সেই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে মেথি শাক। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত মেথি শাক খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে। মেথি শাকে থাকে ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন।‌ একদিকে এই শাক ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে, আরেকদিকে শরীরের ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। অর্থাৎ স্থূলতার সমস্যা কমাতেও বিশেষ‌ সাহায্য করে এই শাক। 
    যে কোনও রান্নায় এলাচ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ভারতীয় এই মশলা একাধিক রোগের প্রতিরোধে বিশেষ সাহায্য করে বলে জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। একদিকে হজমের সমস্যা কমায়। আবার এলাচ ফুসফুসের জন্য বিশেষ উপকারী বলেও‌ জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 
    নিয়মিত করলা খেলেও পাওয়া যাবে বিশেষ উপকার। এমনই জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, করলায় (Vegetables) থাকে ফ্রুক্টোসামিন, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। তাছাড়া করলায় আছে ভিটামিন এ। যা দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে বিশেষ উপকারী। এছাড়া করলায় রয়েছে ফাইবার। এটা স্থূলতা রুখতে বিশেষ সাহায্য করে‌। 
    এছাড়া ফুলকপি, পালং শাক এবং পুঁই শাক হৃদরোগ রুখতে বিশেষ সাহায্য করে বলে জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই সব সবুজ সব্জি এবং শাকে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার। তাই কোলেস্টেরল কমাতে এবং হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে এই ধরনের সব্জি উপকারি। 

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়মিত বাড়িতে তৈরি কম তেলমশলার সবুজ সব্জি খেলে সুস্থ জীবনযাপন সম্ভব।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Aditya L1 Solar Mission: জানা যাবে সূর্যরহস্য! ইসরোর মুকুটে নয়া পালক, ‘হ্যালো’ পয়েন্টে আদিত্য

    Aditya L1 Solar Mission: জানা যাবে সূর্যরহস্য! ইসরোর মুকুটে নয়া পালক, ‘হ্যালো’ পয়েন্টে আদিত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরেও ইতিহাস ইসরোর। সূর্যকে কাছ থেকে পরখ করতে আজ, শনিবার বিকেলে চূড়ান্ত অবস্থানে পৌঁছে গেল ভারতের প্রথম সৌর মিশন আদিত্য এল ১ (Aditya-L1)। পৃথিবী থেকে ১৫ লাখ কিলোমিটার দূরে এদিন বিকেল ৪টে নাগাদ হ্যালো অরবিটের নির্দিষ্ট বিন্দুতে পৌঁছেছে আদিত্য এল ১। এই প্রথম সূর্যের এতটা কাছে পৌঁছতে পারল ভারত। 

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    ইসরোর এই সাফল্যে খুশি হয়ে ট্যুইট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বললেন, “আরও এক ইতিহাস সৃষ্টি করল ভারত। ভারতের প্রথম সৌর পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ আদিত্য এল ১ (Aditya L1 Solar Mission) তার গন্তব্যে পৌঁছল। সবচেয়ে কঠিন এবং জটিল মহাকাশ মিশনে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের নিরন্তর সাধনার প্রমাণ এই ঘটনা। এই অসাধারণ কীর্তিতে কুর্নিশ জানাতে গোটা দেশের সঙ্গী আমি। মানবতার সুবিধার্থে বিজ্ঞানের কঠিন বাধা পেরনো চালিয়ে যাব।”

    স্বপ্ন পূরণ ইসরোর

    সৌর গবেষণার জন্য ৪ মাস আগেই অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে সূর্যের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল ভারতের প্রথম সৌরযান আদিত্য এল ১। ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১৫০০ কেজি ওজনের এই স্যাটেলাইটটি আজ ইসরোর (ISRO) স্বপ্নপূরণ করল। এখান থেকেই আদিত্য ৫ বছর ধরে সূর্যকে অধ্যয়ন করবে এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করবে। তবে এই কাজ সহজ ছিল না। আদিত্য-এল১-কে ধাক্কা দিয়ে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছে দেওয়াই ছিল ইসরোর সামনে চ্যালেঞ্জ। নাসা আর ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির (ইএসএ বা ‘এসা’) পর ভারতই প্রথম পাড়ি দিল সৌর-মুলুকে। 

    গত বছর, ২৩ অগাস্ট ভারতের মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক দিন ছিল। সেদিন চাঁদের মাটি স্পর্শ করেছিল ইসরোর চন্দ্রযান ৩। আজ ৬ জানুয়ারি আরও এক ঐতিহাসিক দিন। এদিন আদিত্য এল ১ যে অবস্থানে বসল তাকে বলা হয় ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্ট ১ (Lagrange Point 1)। এই জায়গা থেকে নিরন্তর সূর্যের উপর নজর রাখা যাবে, এমনকী গ্রহণও অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মুসলিম মন্ত্রীদের বার করে দিয়ে সাজছে মমতার অর্থনৈতিক উপদেষ্টার ঘর, দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: মুসলিম মন্ত্রীদের বার করে দিয়ে সাজছে মমতার অর্থনৈতিক উপদেষ্টার ঘর, দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ৩ সংখ্যালঘু মন্ত্রীকে ঘরছাড়া করে সেই বাড়ি সাজানো হচ্ছে সদ্য অবসরপ্রাপ্ত মুখ্যসচিব তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর জন্য। সোশ্যাল সাইটে সম্প্রতি এমনই অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে শুভেন্দু দাবি করেছেন, এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসল চরিত্র। তৃণমূলের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তিকে আরও চকচকে করতে ও মুসলিম ভোট টানতে মুসলিম নেতারা তাদের কাছে নিছকই মুখ। ক্যামেরা বন্ধ হলেই তাদের সঙ্গে অবমাননাকর ও অসম্মানজনক আচরণ করা হয়।

    শুভেন্দুর দাবি

    কলকাতার পার্ক সার্কাসের কাছে সরকারি পালাটিয়াল বাংলো সম্প্রতি সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। ৭০০০ স্কোয়ার ফিটের এই বাংলোয় রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিব তথা মুখ্যমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী থাকবেন। বাংলো সংস্কার, সাজানো ও আসবাব কিনতে ২ কোটি টাকা খরচ করছে সরকার। এই বাংলোর বর্তমান বাসিন্দারা হলেন রাজ্যের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জনাব আখতারুজ্জমান, প্রাক্তন সংখ্যালঘু প্রতিমন্ত্রী গিয়াসউদ্দিন মোল্লা। সেচ দফতরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন।

    গত ৩০ ডিসেম্বর অবসর নিয়েছেন বিদায়ী মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব ভগবতী প্রসাদ গোপালিকা। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) প্রশ্ন, যে বিধায়ক ও মন্ত্রীদের কলকাতায় বাড়ি নেই তাদের ঘরছাড়া করে কেন কলকাতায় ২টি বাড়ির মালিক হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর জন্য সরকারি বাংলো বরাদ্দ হল? সঙ্গে শুভেন্দুবাবু মনে করিয়েছেন, মুখ্যসচিব থাকাকালীন সরকারি বাংলোয় থেকেও এইচআরএ নিয়েছেন হরিকৃষ্ণবাবু। যেজন্য সরকারের ১৬.৪ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত খরচ হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share