Blog

  • Indian Railways: বর্ধমান স্টেশনে জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রেলের

    Indian Railways: বর্ধমান স্টেশনে জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান স্টেশনে দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করল ভারতীয় রেল (Indian RailWay)। মৃতদের পরিবার পাবে পাঁচ লাখ টাকা, গুরুতর আহতরা পাবেন পঞ্চাশ হাজার টাকা। একথা সংবাদমাধ্য়মকে জানিয়েছেন মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র। গত বুধবার বেলা বারোটা নাগাদ বর্ধমান স্টেশনে দুই এবং তিন নম্বর প্লাটফর্মের উপরে থাকা জলের ট্যাঙ্ক ফেটে যায়। উপরের জলের স্রোত এবং ট্যাঙ্কের একাংশ ভেঙে পড়ে প্লাটফর্মের (Indian RailWay) সেটের ওপর। সেই সেটের নিচে অসংখ্য যাত্রীর দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁদের মাথার ওপরেই ভেঙে পড়ে সেই শেড। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। জানা গিয়েছে তিনজন মৃত ব্যক্তি হলেন সোনারাম টুডু, কান্তি বাহাদুর এবং মফিজা খাতুন। সোনারাম টুডুর বাড়ি ঝাড়খণ্ডে, বাকি দুজনে পূর্ব বর্ধমান জেলার বাসিন্দা। মোট আহতের সংখ্যা ২৭ জন।

    ১৮৯০ সালে তৈরি ট্যাঙ্ক পরিষ্কার হতো নিয়মিত

    এই ঘটনা নিয়ে পূর্ব রেল আরও জানিয়েছে যে, ১৮৯০ সাল নাগাদ দুই এবং তিন নম্বর প্ল্যাটফর্মের (Indian RailWay) উপরে এই জলের ট্যাঙ্ক নির্মাণ করা হয়েছিল। রেলওয়ে সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগেও এই ট্যাঙ্কটিকে পরিষ্কার করা হয়েছে। রেলের জনসংযোগ আধিকারিক এও জানিয়েছেন যে নিয়মিত জলাধারকে রক্ষণাবেক্ষণ করা হতো। কিন্তু তারপরও কেন এই ঘটনা ঘটলো তা বোঝা যাচ্ছে না। এ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে রেলের তরফে একটি তদন্ত কমিটিও গড়া হয়েছে।

    ২ লাখ লিটার জল ধরতো ট্যাঙ্কটিতে

    রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জলের ট্যাঙ্কটিতে ৫৩ হাজার ৮০০ গ্যালন পরিমাণ জল ধরতো। অর্থাৎ ২ লাখ লিটারেরও বেশি জল থাকতো ওই ট্যাঙ্কে। রেল (Indian RailWay) সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ২ তারিখেও ওই ট্য়াঙ্ক পরিষ্কার করা হয়েছে। অর্থাৎ দুঃখজনক এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল যেভাবে রাজনীতি করছে, এটা যে সঠিক নয়, তার প্রমাণ মিলল রেলের দেওয়া তথ্যে। নিয়মিতভাবেই রক্ষণাবেক্ষণ করা হতো ট্যাঙ্ক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর নিরাপত্তায় বিস্তর ত্রুটি! রাজ্যের থেকে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

    Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর নিরাপত্তায় বিস্তর ত্রুটি! রাজ্যের থেকে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তায় ফাঁক রাখছে রাজ্য সরকার। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের থেকে রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। রিপোর্ট জমা দেওয়ার ডেডলাইনও বেঁধে দিয়েছে আদালত। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর নির্দেশ, আগামী ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রাজ্য সরকারকে এই বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে আদালতে।

    শুভেন্দুর অভিযোগ

    তাঁর নিজের নিরাপত্তায় ফাঁক থাকার অভিযোগে রাজ্যকে কাঠগড়ায় তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে সেই মামলা ওঠে। উল্লেখ্য, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জেড ক্যাটাগরির সুরক্ষা দিয়ে থাকে। শুভেন্দু অধিকারীরর আইনজীবীরা অভিযোগ জানিয়েছেন, বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে রাজ্য সরকার। প্রসঙ্গত, বিরোধী দলনেতার পদ ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমতুল্য। সেক্ষেত্রে শুভেন্দুর আইনজীবীদের বক্তব্য, বিরোধী দলনেতার পাইলট কার পাওয়ার কথা। কিন্তু অভিযোগ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা দেওয়া হচ্ছে না। উল্টে নানাভাবে পুলিশি হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকী বিরোধী দলনেতার কনভয়ে থাকা সিআরপিএফ জওয়ানদের সঙ্গেও কোনওরকম সহযোগিতা করা হয় না বলেও অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: ৩০ হাজারের বিনিময়ে সদ্যোজাতকে হস্তান্তর! কলকাতায় শিশুপাচার চক্রের হদিশ

    কী বলল আদালত

    আদালত (Calcutta High Court) বিষয়টি শুনে রাজ্য সরকারের থেকে রিপোর্ট তলব করেছে। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত তাঁর নির্দেশে জানিয়েছেন, আাগামী ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এব্যাপারে রাজ্য সরকারকে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বিধানসভার বিরোধী দলনেতার কী কী নিরাপত্তা পাওয়ার কথা এবং বর্তমানে তাঁকে কী কী নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে? সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আদালতে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৮ নভেম্বর রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs South Africa: সূর্য-যশস্বীর দুরন্ত ব্যাটিং! কুলদীপ-জাদেজার ঘূর্ণিতে কাহিল দক্ষিণ আফ্রিকা

    India vs South Africa: সূর্য-যশস্বীর দুরন্ত ব্যাটিং! কুলদীপ-জাদেজার ঘূর্ণিতে কাহিল দক্ষিণ আফ্রিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সূর্যকুমার যাদবের দুরন্ত সেঞ্চুরি আর বল হাতে স্পিনার কুলদীপ যাদবের ৫ উইকেট, জোড়া ফলায় ছারখার দক্ষিণ আফ্রিকা। তৃতীয় টি-২০ ম্যাচে এডেন মার্করামদের ১০৬ রানে হারিয়ে টি-২০ সিরিজ ১-১ ব্যবধানে ড্র করল ভারত।

    চেনা ছন্দে ভারত

    টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ২০১ রান তোলে টিম ইন্ডিয়া। তবে শুরুটা ভালো হয়নি। কেশব মহরাজ তৃতীয় ওভারে পর পর তুলে নেন শুভমান গিল ও তিলক ভার্মার উইকেট। তবে সেই ধাক্কা সামলে যশস্বী জয়সওয়ালের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে বড় পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন অধিনায়ক সূর্যকুমার। তাঁর হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে লেগেছে ৩২টি বল। আর ৩৪ বলে অর্ধশতরান করেন যশস্বী। তবে বাঁহাতি ওপেনার ৬০ রানে আউট হলেও সূর্য ছিলেন চেনা মেজাজে। ৫৫ বলে টি-২০ কেরিয়ারের চতুর্থ শতরান করেন। যদিও পরের বলেই আউটন হয়ে যান তিনি। তবে এদিন রিঙ্কু সিংকে ফর্মে পাওয়া যায়নি। ১৪ রান করেই মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। ব্যর্থ জিতেশ শর্মা ও রবীন্দ্র জাদেজাও।

    আরও পড়ুন: “সাজঘরে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি মনোবল ফিরিয়ে দেয়”, মোদি-তে মুগ্ধ শামি

    কুলদীপের পাঁচ উইকেট

    গত ম্যাচে ঝড়ের গতিতে রান তুলে ম্যাচ জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। মনে করা হয়েছিল, বৃহস্পতিবারও সেভাবেই শুরু করবেন রেজা হেনরিকরা। কিন্তু ভুল শুধরে ভারতীয় পেসাররা এদিন দুর্দান্ত পারফর্ম করেন। পর পর উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই সুযোগ কাজে লাগান স্পিনার কুলদীপ যাদব ও রবীন্দ্র জাদেজা। মাত্র ২.৫ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৭ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন কুলদীপ। জাদেজার সংগ্রহ ৩ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ২ উইকেট। তার ফলে ১৩.৫ ওভারে ৯৫ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

    এই জয় শুধু ভারতকে সিরিজ বাঁচাতে সাহায্য করল না, সেই সঙ্গে ওয়ান ডে এবং টেস্ট সিরিজের আগে মনোবল অনেকটাই বাড়িয়ে দিল। এমন পারফরম্যান্স মেলে ধরতে পারলে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট সিরিজ জিততে না পারার আক্ষেপ হয়তো এবার দূর হবে ভারতীয় দলের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Child Trafficking Case: ৩০ হাজারের বিনিময়ে সদ্যোজাতকে হস্তান্তর! কলকাতায় শিশুপাচার চক্রের হদিশ

    Child Trafficking Case: ৩০ হাজারের বিনিময়ে সদ্যোজাতকে হস্তান্তর! কলকাতায় শিশুপাচার চক্রের হদিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মায়ের কোল থেকে চুরি করে মাত্র ২৮ দিনের কন্যা সন্তানকে বিক্রি (Child Trafficking Case) করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তার দাদু-দিদার বিরুদ্ধে। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে আনন্দপুর থানা (Anandapur Child Traffing) এলাকায়। তদন্তে নেমে এখনও পর্যন্ত ওই ঘটনায় পুলিশ সদ্যজাতের দাদু চুন্নু ও দিদা অলোকা ছাড়াও শিখা মুখোপাধ্যায়, পূর্ণিমা মণ্ডল, চৈতালি চক্রবর্তী-সহ মোট পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে। এরা তিনজনই মিডলম্যান বা দালাল। এদিনই ধৃতদের আলিপুর কোর্টে তোলা হয়। ধৃতদের ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    তদন্তে পুলিশ

    বুধবার রাতেই শিশুসন্তান নিখোঁজ বলে আনন্দপুর থানায় (Anandapur Police Station) অভিযোগ দায়ের করেন ওই শিশু কন্যার মা ১৯ বছরের নীলম কুমারী। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামেন আনন্দপুর (Anandapur) থানার পুলিশ। তদন্তে নেমে জেরার সময় ওই শিশু-কন্যার দাদুর কথায় অসঙ্গতি লক্ষ্য করে পুলিশ। তারা বুঝতে পারে, শিশুটিকে কোথাও বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। আর এই ব্যাপারে জড়িত অভিযোগকারিণীর বাবা ও সৎ মা। শেষ পর্যন্ত পুলিশি জেরার মুখে ভেঙে পড়ে তারা। পুলিশ জানতে পারে, গত মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযুক্ত চুন্নু দাস এবং তাঁর স্ত্রী অলকা সরদার ২৩ দিনের সদ্যজাত শিশুকন্যাকে মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন।

    আরও পড়ুন: গীতা পাঠে আসছেন মোদি, শনিবার শুরু মঞ্চ বাঁধার কাজ, নজরুলগীতি দিয়ে সূচনা অনুষ্ঠানের

    উদ্ধার সদ্যজাত

    নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার পাঁচপোতার বিশ্বাসপাড়া থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে পুলিশ। বছর ৪০-এর চৈতালি চক্রবর্তীর কাছ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্যে তাকে হোমে পাঠানো হয়। এরপর যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয় সদ্যজাতকে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন জন মিডলম্যানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনজনই মহিলা। বৃহস্পতিবার ধৃতদের আদালতে তোলা হয়েছে। এই ঘটনার পিছনে যে আরও বড় চক্রের যোগ আছে, তা পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। আনন্দপুরে এই শিশু বিক্রির (Child Trafficking Case) ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও আনন্দপুর থানা এলাকায় শিশু পাচারের অভিযোগ ওঠে। গত ১ অগাস্ট ২২ দিনের শিশুকন্যার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় মা-সহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Elections 2024: ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বিজেপি, কেন্দ্র ফের গেরুয়াময়! বলছে ফিচ রেটিং

    Parliament Elections 2024: ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বিজেপি, কেন্দ্র ফের গেরুয়াময়! বলছে ফিচ রেটিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দশ বছরে দেশে বইয়েছেন উন্নয়নের জোয়ার। বিশ্ব বাজারে দেশকে নিয়ে গিয়েছেন অকল্পনীয় এক উচ্চতায়। প্রত্যাশিতভাবেই আগামী লোকসভা নির্বাচনে (Parliament Elections 2024) তিনিই ফিরছেন ক্ষমতায়। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি যে ক্ষমতায় ফিরছে, নানা সময় তা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। এবার একই কথা জানাল বহুজাতিক ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি ফিচ রেটিং। পাঁচ রাজ্যের মধ্যে তিনটিতে জয় পেয়েছে বিজেপি। তার পর আরও জোরাল হয়েছে বিজেপির প্রত্যাবর্তনের ধারণা।

    ফিচ রেটিংয়ের দাবি

    ফিচ রেটিংয়েরও দাবি, আসন্ন নির্বাচনে কেন্দ্রে ফের উড়বে গৈরিক নিশান। সেক্ষেত্রে অর্থনীতি এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত নিয়ম-নীতির বিশেষ হেরফের হবে না বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞ মহলের। তাই দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতির সামনে থাকা বাধার প্রাচীর পার হওয়া যাবে অবলীলায়। নতুন বছরের মার্চে লোকসভা নির্বাচন (Parliament Elections 2024) হওয়ার কথা। ফিচ রেটিংয়ের মতে, ক্ষমতায় ফিরতে পারে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারই। আর যদি তা হয়, তাহলে নীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলির ক্ষেত্রেও বাধা আসবে না। তবে বিজেপি কতগুলি আসনে জয়ী হবে, তার ওপর নির্ভর করবে শাসকের সংস্কারের সিদ্ধান্তের ওপর কী প্রভাব পড়বে।

    কী বলছেন অর্থনীতিবিদ?

    এমকে গ্লোবালের মুখ্য অর্থনীতিবিদ মাধবী অরোরা সংবাদমাধ্যমকে জানান, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় ফিরলে কেবল যে দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতিই নিশ্চিত হবে তা নয়, জারি থাকবে নীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়াও। ভারতের পাশাপাশি পড়শি বাংলাদেশের রাজনৈতিক চিত্র নিয়েও ভবিষ্যদ্বাণী করেছে ফিচ রেটিং। তাদের অনুমান, বাংলাদেশেও ক্ষমতায় ফিরছে বর্তমান শাসক দলই। ভারত কিংবা বাংলাদেশ নয়, ফিচ রেটিংয়ের দাবি, গোটা এশিয়া মহাদেশেই রাজনৈতিক উত্থান-পতন খুব একটা দেখা যাবে না।

    আরও পড়ুুন: লোকসভার অন্দরে হানাদার, সংসদের সুরক্ষা নিয়ে বৈঠক উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রীর

    ফিচ রেটিংয়ের পাশাপাশি বিজেপির অপ্রতিরোধ্য গতি সম্পর্কেও ভবিষ্যদ্বাণী করেছে জাপানের বৃহত্তম বিনিয়োগ ও আর্থিক সংস্থা নোমুরা। তাদেরও অনুমান, আগামী সাধারণ নির্বাচনে ভারতের চালকের আসনে বসবে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি। নোমুরা বলছে, “এটা (তিন রাজ্যের ফল) ইঙ্গিত দিচ্ছে, বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির পক্ষে বিপুল জনসমর্থন রয়েছে। সাধারণ নির্বাচনে (Parliament Elections 2024) বিজেপি যে ফের ক্ষমতায় ফিরছে, তার ইঙ্গিত মিলেছে বিভিন্ন জনমত সমীক্ষাতেও। প্রসঙ্গত, তিন রাজ্যে বিজেপির বিপুল জয়ের পরেই ভারতের শেয়ার বাজারের লেখচিত্র দ্রুত ওপরে উঠেছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “সাজঘরে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি মনোবল ফিরিয়ে দেয়”, মোদি-তে মুগ্ধ শামি

    PM Modi: “সাজঘরে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি মনোবল ফিরিয়ে দেয়”, মোদি-তে মুগ্ধ শামি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপে টানা ১০টি ম্যাচ জেতার পর ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারতে হয়েছিল ভারতকে। দুমাসের কঠিন পরিশ্রম বৃথা হয়ে যায়। মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন সিরাজ। থমথমে মুখ নিয়ে কোনওরকমে মাঠ ছাড়েন রোহিত-কোহলিরা।  সেই যন্ত্রণার কথা ২৫ দিন পরেও ভুলতে পারেননি শামি। তিনি বলেন, ‘‘আমরা কী করব বুঝতে পারছিলাম না। কয়েক ঘণ্টায় সব বদলে গিয়েছিল। সবাই ভেঙে পড়েছিলাম। সেই সময় সাজঘরে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এসে দলের সবাইকে উজ্জীবিত করেছিলেন। তিনি আসায় খুব সুবিধা হয়েছিল।’’

    মন বোঝেন মোদি

    গোটা টুর্নামেন্ট ভালো খেলেও শেষ অবধি বিশ্বকাপ জিততে পারেনি টিম ইন্ডিয়া। ব্যাট হাতে বোলারদের আক্রমণ করা থেকে শুরু করে বল হাতে বিপক্ষ দলের ব্যাটিং অর্ডার গুঁড়িয়ে দেওয়া, সবকিছুই স্বাচ্ছন্দে করেছে ‘মেন ইন ব্লু’। কিন্তু দুই বিভাগই দাগ কাটতে পারেনি ফাইনালে। ভেঙে পড়েছিল ভারত। ক্রিকেটারদের মনের অবস্থা বুঝেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেদিনের ঘটনা সম্পর্কে এক সাক্ষাৎকারে শামি বলেন, “বিশ্বকাপ হারার পর সকলের মানসিক পরিস্থিতি যেমন হয়, আমাদেরও তাই ছিল। আমরা পুরোপুরি মানসিক দিক থেকে ভেঙে পড়ে ছিলাম। যেন মনে হচ্ছিল সবকিছু শেষ হয়ে গিয়েছে। যেন মনে হচ্ছিল আমাদের দুই মাসের পরিশ্রম পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গিয়েছে।” 

    চমকে দেন মোদি

    ফাইনালে হারলেও ক্রিকেটাররা কেউ কাউকে দোষারোপ করেননি। কারণ, তাঁরা জানতেন দলের প্রত্যেকে নিজের সেরাটা দিয়েছেন। শুধু বাস্তবটা মেনে নিতে পারছিলেন না। শামি জানান,”দলের সকল ক্রিকেটারদের মনের অবস্থা ভালো ছিল না। পুরো দিনটাই আমাদের জন্য খারাপ যায়। কিন্তু সেই সময় হঠাৎ ড্রেসিংরুমে হাজির হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উনি এসে আমাদের বোঝান। আমাদের সকলের সঙ্গে হাত মেলান এবং আমাকে জড়িয়ে ধরেন। আমরা জানতামই না যে প্রধানমন্ত্রী আসবেন। কিন্তু হঠাৎ উনি এসে আমাদের চমকে দেন। আমরা তখন চুপ করে সবাই বসেছিলাম। কারও কথা বলতে ইচ্ছা করছিল না। কিছু খেতে ইচ্ছা করছিল না। সাজঘরে এসে আমাদের সকলের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরই আমরা সবাই একে অপরের সঙ্গে কথা বলা শুরু করি।”

    আরও পড়ুন: “আমি গর্বিত ভারতীয়”! সজদা-বিতর্কে পাকিস্তানি ট্রোলারদের কড়া জবাব শামির

    দক্ষিণ আফ্রিকায় অনিশ্চিত শামি

    বিশ্বকাপের পর ভারতীয় দল এখন দক্ষিণ আফ্রিকায়। গোড়ালির চোট থেকে ধীরে ধীরে সেরে উঠছেন শামি। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তাঁকে ঘিরে অনিশ্চয়তা রয়েছে। টেস্টে সিরিজের স্কোয়াডের প্রায় সমস্ত তারকা দক্ষিণ আফ্রিকা পৌঁছে গেলেও এখনও যাননি শামি। শেষ ল্যাপে রোহিত শর্মা ১৫ ডিসেম্বর রওনা দেবেন। রোহিতের সঙ্গেই দক্ষিণ আফ্রিকায় পা রাখবেন জসপ্রীত বুমরা, বিরাট কোহলি, রবিচন্দ্রন অশ্বিন। সকলেই দুবাই থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় রওনা দেবেন। এঁদের সঙ্গেই প্রোটিয়া সফরে যাওয়ার কথা ছিল শামির। তবে আপাতত তা হচ্ছে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: জন্মদিনে নিমন্ত্রণ করা হয়নি! বাড়িতে এসে তাণ্ডব চালালেন তৃণমূল নেতার ছেলে

    Malda: জন্মদিনে নিমন্ত্রণ করা হয়নি! বাড়িতে এসে তাণ্ডব চালালেন তৃণমূল নেতার ছেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কাউন্সিলারের ছেলের দাদাগিরি। আর সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া ভাইরাল হতেই শোরগোল মালদা (Malda) জেলা জুড়ে। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। প্রতিবেশী আইনজীবীর বাড়িতে ঢুকে সদ্য প্রসূতিকে মারধর ও ভাঙচুর করার অভিযোগ। বাবার ক্ষমতার অপব্যবহার করে এলাকায় দলবল নিয়ে হামলা করার অভিযোগে নাম জড়াল মালদার পুরাতন মালদা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার বশিষ্ঠ ত্রিবেদীর ছেলে সুতিম ত্রিবেদীর বিরুদ্ধে।

    কেন হামলা? (Malda)  

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরাতন মালদা (Malda) পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পেশায় আইনজীবী অমরেশ দত্তের ছোট ছেলে অভিষেক দত্তের জন্মদিনের অনুষ্ঠান ছিল। সেই অনুষ্ঠানে স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলারের ছেলেকে নিমন্ত্রণ করা হয়নি। এটাই অপরাধ।  সেই জন্মদিনে অনুষ্ঠানে আইনজীবীর বড় ছেলে অর্কপ্রভ দত্ত ও তার স্ত্রী এবং অন্যান্য আত্মীয়রা আসেন। হঠাৎ অতর্কিতভাবে তৃণমূল কাউন্সিলারের ছেলে সুতিম ত্রিবেদী দলবল নিয়ে বাড়িতে চড়াও হয়। অভিষেক দত্ত নামে আক্রান্ত যুবক বলেন, আমার জন্মদিনে কেন নিমন্ত্রণ করা হয়নি তা জানতে চান। আমি নিমন্ত্রণ করিনি বলে ঝামেলা করা শুরু করে। বাড়িতে থাকা সমস্ত খাবার ফেলে দেয়। আমাদের উপর চড়াও হয়। তৃণমূল নেতার ছেলে বলে যা খুশি করবে। জানা গিয়েছে, আইনজীবীর বড় ছেলে অর্কপ্রভ দত্ত ও তাঁর স্ত্রী মৌসুমী মন্ডলকে বাবার বাড়িতে রেখে আসলে, সেখানে গিয়ে রাত্রি ১ টা নাগাদ প্রথমে পেটে লাথি ও চুলের মুঠি ধরে তাঁর স্ত্রী কে মারধর করার অভিযোগ ওঠে। আরে এই গোটা ঘটনা নিয়ে মালদা থানায় দারস্থ হয়েছেন আইনজীবীর পরিবার।  অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলারের ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও ঘটনার তদন্তে নেমেছে মালদা থানার পুলিশ।

    তৃণমূল কাউন্সিলার কী সাফাই দিলেন?

     এদিকে এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল কাউন্সিলার বশিষ্ঠ ত্রিবেদী বলেন, মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে আমার ছেলের বিরুদ্ধে। এরকম কোনও ঘটনায় ঘটেনি। ওইদিন রাতে সেখানে একজন পুরসভার অস্থায়ী কর্মী মারা গিয়েছিল, সে কারণে গোটা এলাকা শোকোস্তব্ধ ছিল। যারা অভিযোগ করছে তারাই মাইক বাজিয়ে সেখানে পার্টি করছিল। আর তাতেই স্থানীয়রা বাধা দিতে যায় এবং গন্ডগোল হয়। এখন আমার ছেলের বিরুদ্ধে যারা অভিযোগ করছে, অভিযোগ যদি সত্য প্রমাণিত হয় তাহলে আইন আইনের পথে চলবে।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

     যদিও পাল্টা সাফাই জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি শুভময় বসুর, ঘটনাটি শুনেছি। প্রশাসনিক যদি কোনও অভিযোগ হয়ে থাকে, তাহলে দলের যে কোনও স্তরের নেতা কর্মী যাই হোক না কেন প্রশাসন সঠিক ঘটনার তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই ঘটনাকে নিয়ে কড়া ভাষায় নিন্দা করেছে মালদা (Malda)  বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক গোপাল চন্দ্র সাহা। তিনি বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। অনুষ্ঠানে কে কাকে ডাকবে সে তার ব্যক্তিগত ব্যাপার, সেখানে গিয়ে তৃণমূলের কাউন্সিলার এর ছেলের এই সমস্ত করাটা ঠিক হয়নি। আসলে তৃণমূলের এটাই কালচার। সারা রাজ্য জুড়ে চলছে। অভিযোগ হয়েছে পুলিশ তদন্ত করবে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: লোকসভার অন্দরে হানাদার, সংসদের সুরক্ষা নিয়ে বৈঠক উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: লোকসভার অন্দরে হানাদার, সংসদের সুরক্ষা নিয়ে বৈঠক উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের সুরক্ষা নিয়ে মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার ওই বৈঠক হয়। বুধবার লোকসভায় দর্শক গ্যালারি থেকে অধিবেশন কক্ষে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুই হানাদার। এদিন মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিসগড়ে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ছিল দুই মুখ্যমন্ত্রীর। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ায় লোকসভায় গরহাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    উদ্বেগে প্রধানমন্ত্রী

    তাই এদিন বুধবারের ঘটনা সম্পর্কে বিশদে অবহিত হন তিনি। বিষয়টিকে তিনি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে বলেছেন মন্ত্রীদের। তিনি বলেছেন, “বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করার সময় নয়। আমাদের সকলকে এক সঙ্গে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।” মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বিরোধীদের চাপের মুখে রণকৌশল স্থির করার বিষয়েও পরামর্শ করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বিষয়টি নিয়ে তিনি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গেও আলোচনা করেন।

    সাসপেন্ড ১৫ সাংসদ

    এদিকে, লোকসভাকাণ্ডের জেরে বিরোধীদের বিক্ষোভের জেরে বৃহস্পতিবার দফায় দফায় মুলতুবি হয় সংসদের দুই কক্ষের অধিবেশন। ঘটনার জেরে সাসপেন্ড হয়েছেন দুই কক্ষের ১৫ জন সাংসদ। অন্যদিকে, সুরক্ষা ব্যবস্থায় গাফিলতির অভিযোগে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আট রক্ষীকে সাসপেন্ড করেছে লোকসভার সচিবালয়। বুধবার যে সময় লোকসভায় ঘটনাটি ঘটে, সেই সময় সংসদ ভবনের মূল প্রবেশপথ সহ গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলিতে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন ওই আটজন।

    ২৮ মে উদ্বোধন হয় নয়া সংসদ ভবনের। উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সংসদ ভবনের নিরাপত্তায় রয়েছে ত্রিস্তরীয় সুরক্ষা বলয়। সেই বেড়া ভেঙে কীভাবে চার হানাদার ‘স্মোক গ্রেনেড’ নিয়ে সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকায় ঢুকে পড়ল, কীভাবেই বা তাদের মধ্যে দুজন দর্শক গ্যালারি থেকে ঝাঁপ মারল অধিবেশন কক্ষে, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। এই প্রশ্নগুলোকে হাতিয়ার করছে বিজেপি-বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।

    আরও পড়ুুন: মথুরার শাহি মসজিদে সমীক্ষায় সায় আদালতের, হদিশ মিলবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থানের?

    এদিন যাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেসের ৯জন, সিপিএমের ২জন, ডিএমকের ২জন এবং সিপিআইয়ের একজন সাংসদ। লোকসভাকাণ্ডে বাংলা যোগ নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। সন্দেহভাজনের তালিকায় যে ললিত ঝায়ের নাম রয়েছে, সেই ললিতের বাড়ি কলকাতায়। ঘটনার (PM Modi) ভিডিও রেকর্ডিং করেছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: সংসদ হানার মাথা ললিত ভিডিও পাঠায় হালিশহরের নীলাক্ষকে! কে এই যুবক?

    Parliament Security Breach: সংসদ হানার মাথা ললিত ভিডিও পাঠায় হালিশহরের নীলাক্ষকে! কে এই যুবক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে (Parliament Security Breach) স্মোক গ্রেনেড হামলার ঘটনায় যোগ মিলল বাংলার। এই হামলার ঘটনায় অন্যতম সন্দেহভাজন ললিত ঝা নামে এক যুবকের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। সে কলকাতার বড়বাজারে থাকত। তার সঙ্গে নীলাক্ষ আইচ নামে এক কলেজ পড়ুয়ার  আলাপ ছিল। ঘটনার পর পরই ললিত তার মোবাইলে স্মোক গ্রেনেড হামলার ছবি পাঠিয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই বৃহস্পতিবার পুলিশ হালিশহরে নীলাক্ষর বাড়িতে পৌঁছে যায়। দিনভর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। প্রশ্ন উঠছে. ললিতের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে তো অনেকেরই যোগাযোগ। তাহলে হঠাৎ তাকেই কেন ভিডিও পাঠানো হল? তবে কি লোলিতের হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট হিস্ট্রিতে প্রথমেই নাম ছিল নীলাক্ষর? সবই বিচারাধীন বিষয়।

    কে এই নীলাক্ষ? ললিতের সঙ্গে তাঁর আলাপ কী করে? (Parliament Security Breach) 

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নীলাক্ষ আইচের বাড়ি হালিশহরের জেটিয়া এলাকায়। বিধাননগর কলেজের ইংরাজি বিভাগে স্নাতকের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। ‘সাম্যবাদী সুভাষ সভা’ নামে একটি এনজিও করেন নীলাক্ষ। তিনি আদিবাসী ছেলেমেয়েদের পড়াশুনা করাতেন বলে জানা গিয়েছে। এনজিও-র সূত্রেই ললিত ঝা’র সঙ্গে আলাপ। চলতি বছরে এপ্রিল মাসে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে একটি অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত হয়ে গিয়েছিলেন নীলাক্ষ। সেখানেই ললিতের সঙ্গে নীলাক্ষর আলাপ হয়েছিল। নীলাক্ষ তাঁদের এনজিওতে যোগ দেওয়ার জন্য বলেছিলেন। ললিত তাতে যোগ দিয়েছিল। সেই সূত্রে দুজনের মধ্যে মোবাইল আদানপ্রদান হয়েছিল। সংসদের (Parliament Security Breach) হামলার ভিডিও নীলাক্ষর মোবাইলে পাঠিয়েছিল ললিত। সেই সূত্র ধরে দিল্লি পুলিশ যোগাযোগ করে। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কর্তারা তাঁর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের এক আধিকারিক নীলাক্ষর বাড়়িতে যান। তাঁর সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে কথা বলেন। রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিক বলেন, দিল্লি পুলিশ এই বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে নীলাক্ষকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। দিল্লি পুলিশও আসবে।

    কী বললেন নীলাক্ষ?

    নীলাক্ষ বলেছেন, ‘আমি তখন কলেজে ছিলাম। কলেজ থেকে বেরনোর পরে হোয়াটসঅ্যাপে দেখি একটি ভিডিও এসেছে। ললিত ঝা পাঠিয়েছিলেন। সংসদের (Parliament Security Breach) বাইরে রাস্তায় যেটা হয়েছিল, স্মোক টর্চ নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন দুই জন। ওই ভিডিও পাঠিয়েছিলেন। আমি তখন পুরোটা দেখিনি। তখন জানতামও না সংসদে এমন ঘটে গিয়েছে। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম এটা কোথায় হয়েছে? তারপর থেকে কোনও উত্তর পাইনি। শুধু আমাকে মিডিয়া কভারেজ দেওয়ার জন্য বলেছিল। আমি আর ভিডিও দেখিনি।’

    নীলাক্ষর বাবার কী বক্তব্য?

    নীলাক্ষর বাবা নীলয় আইচ বলেন, ছোট থেকেই ছেলের নেতাজির প্রতি ভালোবাসা ছিল। ও কোনও রাজনীতি করে না। ছেলের সঙ্গে দিল্লি পুলিশ কথা বলেছে। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ছেলে একটি এনজিও করত। পিছিয়ে পড়া ছেলেমেয়েদের পড়াত। ললিত ঝাকে চিনি না। সংসদ হামলার অন্যতম চক্রী ললিতের সঙ্গে পাড়ার ছেলে নীলাক্ষর নাম জড়িয়ে যাওয়ার কারণে এলাকার লোকজন হতবাক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দিরের উদ্বোধনে অযোধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেশ-বিদেশের শিল্পীদের

    Ram Mandir: রাম মন্দিরের উদ্বোধনে অযোধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেশ-বিদেশের শিল্পীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের (Ram Mandir)। সেই দিনই অযোধ্যাতে হাজির থাকবেন দেশ-বিদেশের শিল্পীরা। সেখানে একাধিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তাঁরা। এমনটাই জানা গিয়েছে ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’ সূত্রে। প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনটিকে একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে উপহার দিতে চাইছে। জানা গিয়েছে, সরকার চাইছে যে ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের আদর্শ এবং মূল্যবোধ সম্পর্কে দেশ-বিদেশের সকল স্তরের মানুষ জানুক। এজন্যই জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন। ইতিমধ্যে দেশের বিশিষ্টজনদের কাছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছাতেও শুরু করেছে। উদ্বোধনের দিন দেশের প্রধানমন্ত্রী রামলালাকে কোলে নিয়ে ৫০০ মিটার হেঁটে গর্ভগৃহে রাম মূর্তি প্রতিষ্ঠা করবেন।

    কোন কোন দেশের শিল্পীরা যোগ দেবেন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে?

    প্রসঙ্গত, প্রায় ৫০০ বছর আগে রাম মন্দির (Ram Mandir) ভেঙে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন বাবরের সেনাপতি মীর বাকি। তারপরে ৫০০ বছর ধরে লড়াই-আন্দোলন। অবশেষে তৈরি হতে চলেছে রাম মন্দির। তাই এই দিনটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখতে চায় না যোগী সরকার। জানা গিয়েছে, নেপাল, কম্বোডিয়া, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, তাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া থেকে শিল্পীরা আসবেন।

    সাংস্কতিক অনুষ্ঠানের বাজেট ধরা হয়েছে ২ কোটি

    এছাড়াও ভারতবর্ষের মধ্যে মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা, কর্নাটক, সিকিম, কেরল, ছত্তিসগড়, জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ এবং চণ্ডীগড়ের শিল্পীরা অংশ নেবেন রামলীলা অনুষ্ঠানে। মঞ্চস্থ হবে রামচন্দ্রের আদর্শ ও জীবনীর ওপর নানা অনুষ্ঠান। এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য বাজেট ধরা হয়েছে দু কোটি টাকারও বেশি। আগামী বছরে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হতে রামনগরীতে (Ram Mandir)। অযোধ্যার বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হবে বিভিন্ন মঞ্চও। যেমন রামকথা পার্কে পুরুষোত্তম মঞ্চ তৈরি হচ্ছে, ভজন সন্ধ্যাতলে তৈরি হচ্ছে সরযূ মঞ্চ। তুলসী উদ্যানে তৈরি হচ্ছে কাকভুষণ্ডি মঞ্চ, তুলসী স্মারক ভবনে তৈরি হচ্ছে তুলসী মঞ্চ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share