Blog

  • TET OMR sheets: ২০১২ সালের টেট পরীক্ষার ওএমআর শিট পরিণত হয়েছে কাগজের ঠোঙায়

    TET OMR sheets: ২০১২ সালের টেট পরীক্ষার ওএমআর শিট পরিণত হয়েছে কাগজের ঠোঙায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১২ সালের টেট পরীক্ষার ওএমআর শিট (TET OMR sheets) এখন কাগজের ঠোঙায় পরিণত হয়েছে তেলেভাজার দোকানে। মিলেছে ১০০ টির বেশি রোল নম্বর যুক্ত ছেড়া উত্তরপত্র। স্কুল শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতিকাণ্ডে এই নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়েছে বর্ধমান শহরে।

    রাজ্যজুড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ইতি মধ্যেই রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্য, তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা সহ আরও একাধিক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। তৃণমূল সরকার এই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ব্যাপক চাপে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ২০১২ সালে টেট উত্তীর্ণরা চাকরি পাননি (TET OMR sheets)

    রাজ্যে টেট পাশ করা প্রার্থীরা স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগের জন্য আন্দোলন করছেন। ২০১২ সাল থেকে টেটে পাশ করে এই রাজ্যের মোট ১ লক্ষ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী। তাঁরা লাগাতার নিজেদের প্রাপ্র্য চাকরি থেকে বঞ্চনার শিকার হয়েছেন বলে আন্দোলন করছেন। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ, মিছিল, ধরনা, অনশন সবরকম চেষ্টা করে সরকারের কাছে নিজেদের দাবি রাখছেন। কিন্তু সরকারের মনোভাব অত্যন্ত কঠোর। নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এর মধ্যেই বর্ধমান শহরের তেলেভাজা দোকানে ঠোঙায় করে দেওয়া হচ্ছে চপ বেগুনি। এমনই একটি ঠোঙায় দেখা গেল টেটের ওএমআর (TET OMR sheets) শিটের চিত্র। এটি ২০১২ সালের টেটের শিটের একটি ছেড়া অংশ। সেখানে লেখা রয়েছে ১১০৫২৩০০ নম্বরের একটি রোল নম্বর। প্রশ্নের বুকলেটের জায়গায় রয়েছে সেই নম্বর।

    প্রায় ১০০ জন প্রার্থীর পরীক্ষার্থীর শিট কাগজের ঠোঙা

    এই ওএমআর (TET OMR sheets) শিটের নম্বর দেখে জানা গিয়েছে এই শিটের পরীক্ষার্থীর নাম স্বপন বেরা। একই রকম আরও অনেক ওএমআর শিট পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে রোল নম্বর ১১০৫২৪১৩, প্রার্থী হলেন কলকাতা নিবাসী সুরজিৎ দে। এছাড়াও আরও একাধিক প্রার্থী রয়েছেন, যাঁদের নাম শেখ সেলিম আহম্মদ, রোল নম্বর ১১০৫২২৯৯, মিলি বেহেরা তাঁর রোল নম্বর ছিল ৩৩০৫৯৯০৫, শত্রুঘ্ন দাশ তাঁর রোল নম্বর ছিল ১২০৩৬২০৯, শুভেন্দু মিশ্র, রোল নম্বর ১১০৫২৪১৬, এরকম পাওয়া গিয়েছে। প্রায় ১০০ টির বেশি উত্তরপত্রের ওএমআর শিট এখন কাগজের ঠোঙা হিসাবে দোকানে দোকানে ঘুরছে। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। সরকার প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবশ্য এখনও পর্যন্ত কোনও উত্তর মেলেনি।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: দুয়ারে লোকসভা ভোট, মোদিকে দিয়ে শতাধিক সভা করাতে চাইছে বিজেপি

    PM Modi: দুয়ারে লোকসভা ভোট, মোদিকে দিয়ে শতাধিক সভা করাতে চাইছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে বিজেপি। বিরোধীদের অবশ্য ছন্নছাড়া দশা। এমতাবস্থায় আরও বেশি করে আসন নিয়ে এবারও কেন্দ্রের রশি হাতে নিতে চাইছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) দিয়ে ১৪০টিরও বেশি জনসভা করাতে চাইছে পদ্মশিবির।

    ‘গাঁও চলো অভিযান’

    জনগণের দোরে পৌঁছতে বিজেপি হাতে নিয়েছে ‘গাঁও চলো অভিযান’। ফেব্রুয়ারির ৪ থেকে ১১ তারিখের মধ্যে বিজেপির অন্তত একজন কর্মী দেশের সাত লাখ গ্রাম এবং শহরের বুথগুলিতে উপস্থিত থাকবেন। নরেন্দ্র মোদি সরকারের আমলে কী কী উন্নয়নমূলক এবং জনকল্যাণমূলক কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে, ভোটারদের কাছে তা তুলে ধরতেই ‘গাঁও চলো অভিযান’ পালন করবেন বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি সূত্রে খবর, জনসংযোগ করতে প্রধানমন্ত্রী যোগ দিতে পারেন ১৪০টিরও বেশি কর্মসূচিতে। এর মধ্যে যেমন জনসভা রয়েছে, তেমনি রয়েছে মিছিল, রোড-শোও।

    ক্লাস্টার নেতাদের সঙ্গে কথা মোদির

    বিজেপির (PM Modi) একটি সূত্রের খবর, সাত থেকে আটটি লোকসভা নিয়ে একটি ক্লাস্টার গঠন করা হয়েছে। এই ক্লাস্টারগুলির দায়িত্বে রয়েছেন বিজেপির স্থানীয় নেতারা। এই নেতারা নির্বাচনে লড়বেন না। ক্লাস্টারগুলির অন্তত একটি লোকসভা কেন্দ্রে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যোগ দেবেন জনসভা কিংবা রোড-শোয়ে। কথা বলবেন ক্লাস্টার ইনচার্জের সঙ্গে। স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও কথা বলবেন। ক্লাস্টারের যে কেন্দ্রটিতে তিনি যাবেন, সেটি বাদে ওই ক্লাস্টারের বাকি আসনগুলির নেতাদের সঙ্গেও কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: পরাক্রম দিবসে সন্ধ্যায় লালকেল্লার অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    পদ্মশিবির সূত্রে খবর, বিভিন্ন কেন্দ্রের বর্তমান সাংসদ এবং যাঁরা প্রার্থী হতে চাইছেন একটি কমিটির মাধ্যমে তাঁদের ওপর নজর রাখছেন ক্লাস্টার ইনচার্জ। এই কমিটিতে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ এবং জাতীয় সম্পাদক (সাংগঠনিক) বিএল সন্তোষ। গেরুয়া শিবিরের এক প্রবীণ নেতা জানান, দিল্লি নিজেই একটি ক্লাস্টার। আবার উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থানের বিভিন্ন লোকসভা কেন্দ্রে দলের তরফে আয়োজন করা হয়েছে ‘খেল স্পর্ধা’র (ক্রীড়া প্রতিযোগিতা)। এই ‘খেল স্পর্ধা’ হবে দেশের বাছাই করা কিছু লোকসভা কেন্দ্রে। এভাবেই ভোটারদের কাছে পৌঁছতে চাইছে পদ্ম শিবির (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Antibiotics Misuse: কেন দিচ্ছেন অ্যান্টিবায়োটিক্স? প্রেসক্রিপশনে কারণ জানাতে চিকিৎসকদের নির্দেশ কেন্দ্রের

    Antibiotics Misuse: কেন দিচ্ছেন অ্যান্টিবায়োটিক্স? প্রেসক্রিপশনে কারণ জানাতে চিকিৎসকদের নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বর-জ্বালা, সর্দি-কাশি, পেটের গণ্ডগোল, দাঁতে ব্যাথা ফটাফট অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotics Misuse) খেয়ে নেওয়ার দিন শেষ। অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধের অপব্যবহার রোধ করতে বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্রীয় সরকার। নয়া সরকারি নির্দেশিকা অনুসারে, ডাক্তাররা যখন প্রেসক্রিপশনে এই ওষুধগুলি লিখবেন, তখন ঠিক কী কারণে এবং কোন পরিস্থিতিতে তিনি এই ওষুধগুলি দিচ্ছেন, তা লেখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই বিষয়ে একটি ‘জরুরি আবেদন’ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের শাখা, ডিরেক্টরেট জেনারেল অব হেলথ সার্ভিসেস।

    সরকারি নির্দেশিকায় কী বলা হয়েছে

    স্বাস্থ্য অধিকর্তা অতুল গোয়েল মেডিক্যাল কলেজগুলির কাছে চিঠি লিখে আর্জি জানিয়েছেন, যাতে প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়ালগুলির নাম লেখার সময় বাধ্যতামূলক ভাবে সঠিক ইঙ্গিত, কারণ এবং যৌক্তিকতা উল্লেখ করা হয়। শুধু চিকিৎসকদেরই নয়, ওষুধ বিক্রেতাদেরও সতর্ক করা হয়েছে, যাতে কোনও রকম বৈধ প্রেসক্রিপশন ছাড়া গ্রাহকদের কোনও অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ না দেওয়া হয়। চিকিৎসকেদের নির্ধারণ করা ডোজ ও কারণ দেখে তবেই দিতে হবে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ। মেডিকেল কলেজের ডাক্তারদের আলাদা চিঠি পাঠানো হয়েছে। বলা হয়েছে, মেডিকেল কলেজগুলো শুধু স্বাস্থ্য পরিষেবা দেয় না, তরুণ প্রজন্মের চিকিৎসকদের শিক্ষাও দেয়। পরবর্তী প্রজন্মের ডাক্তাররা যাতে বিবেচনা করে অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল ওষুধগুলি ব্যবহার করেন, মেডিকেল কলেজের ডাক্তারদের সেই শিক্ষা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    কেন এই নির্দেশ

    কেন্দ্রীয় সরকারের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ব্যাক্টেরিয়াল এএমআর-এর কারণে ২০১৯ সালে বিশ্বব্যাপী প্রায় ১০ লক্ষ ২৭ হাজার রোগীর মৃত্যু হয়েছে। যখন-তখন ইচ্ছেমতো ওষুধ সেবনে ‘অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স’ বা ‘অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স’ (এএমআর) তৈরি হতে পারে। যা আগামী দিনে মারাত্মক বিপদের আশঙ্কা বাড়িয়ে তোলে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর মতে অ্যান্টিবায়োটিকের এই যথেচ্ছ ব্যবহার ২০৫০ সাল নাগাদ  এক কোটিরও বেশি মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাই এখন থেকেই এর বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলা জরুরি বলে অভিমত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cheetah: কুনো ন্যাশনাল পার্কে ‘জোয়ালা’ চিতা জন্ম দিল ৩টি শাবকের

    Cheetah: কুনো ন্যাশনাল পার্কে ‘জোয়ালা’ চিতা জন্ম দিল ৩টি শাবকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের কুনো ন্যাশনাল পার্কে নামিবিয়া থেকে আনা ‘জোয়ালা’ চিতা (Cheetah), ৩টি শাবকের জন্ম দিয়েছে। কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী ভুপেন্দ্র যাদব এই চিতার বাচ্চা প্রসবের কথা জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন। একই ভাবে বন্য প্রাণী ও পশু প্রেমীদের অভিনন্দন জানান।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Cheetah)?

    তিনটি চিতা (Cheetah) শাবকের কথা জানিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভুপেন্দ্র যাদব বলেন, “কুনো ন্যাশনাল পার্কে চিতার নতুন তিনটি শাবক জন্মগ্রহণ করেছে। নামিবিয়া থেকে নিয়ে আসা চিতা যার নাম ‘জোয়ালা’, তার তিনটি বাচ্চার জন্ম হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগেই নামিবিয়া থেকে আনা আশা নামে আরও একটি চিতা বাচ্চাদের জন্ম দিয়েছে। সমস্ত বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে নিযুক্ত সকল যোদ্ধা এবং সারা দেশে বন্যপ্রাণী প্রেমীদের অভিনন্দন জানাই। ভারতের বন্যপ্রাণীরা আরও সমৃদ্ধ হোক এই কামনা করি।”

    ১৯৫২ থেকে ভারতে চিতা বিলুপ্তি

    ১৯৫২ সালে ভারতে চিতার (Cheetah) বিলুপ্তির কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০২২ সালে একটি বিশেষ প্রকল্পের ঘোষণা করে তাকে পুনরায় চালু করা হয়। এই সময় নামেবিয়া থেকে মোট ৮টি চিতা আনা হয় ভারতে। পরবর্তীকালে, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আরও ১২টি চিতা এনে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কুনো ন্যাশনাল পার্কেই ছাড়া হয়েছিল। এর ফলে দেশের বন্যপ্রাণী ও পশু প্রেমীরা ব্যাপক ভাবে উৎসাহ পেয়ছিলেন। উল্লেখ্য গত সপ্তাহে একটি চিতার মৃত্যু ঘটেছে। এখন পর্যন্ত ২০২৩ সালের মার্চ থেকে ভারতে জন্ম নেওয়া মোট সাতটি প্রাপ্তবয়স্ক চিতা এবং তিনটি শাবকের মৃত্যু ঘটেছে। এই নিয়ে ২০২৩ সালের মে মাসে কেন্দ্র সরকারের কাছে হলফনামা দিয়ে চিতা মৃত্যুর কারণ জানতে চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: পরাক্রম দিবসে সন্ধ্যায় লালকেল্লার অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: পরাক্রম দিবসে সন্ধ্যায় লালকেল্লার অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২৩ জানুয়ারি। নেতাজির জন্মদিন। দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে পরাক্রম দিবস। এদিন দেশের সব চেয়ে বড় অনুষ্ঠানটি হবে লালকেল্লায়। সন্ধেবেলায় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রীর অফিস সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী ‘ভারত পর্ব’ লঞ্চ করবেন জানুয়ারির ২৩ থেকে ৩১ এর মধ্যে।

    ট্যাবলো

    প্রজাতন্ত্র দিবসের ট্যাবলোর মাধ্যমে দেশের বৈচিত্র ও সাংস্কৃতিক ভিন্নতা তুলে ধরা হবে। এই ট্যাবলোগুলি তৈরি করেছেন কেন্দ্রের ২৬টি মন্ত্রক। এই ট্যাবলোগুলির মাধ্যমেই তুলে ধরা হবে ভোকাল ফর লোকাল, সিটিজেন সেন্ট্রিক ইনিসিয়েটিভস এবং বিভিন্ন ট্যুরিস্ট আকর্ষণগুলি। লালকেল্লার সামনে মাধব দাস পার্ক ও রামলীলা ময়দানে এই ট্যাবলোগুলি প্রদর্শিত হবে। নেতাজি যেভাবে জনগণমনে ছিলেন, সেভাবেই তাঁকে তুলে ধরা হবে। তুলে ধরা হবে তাঁর আজাদ হিন্দ ফৌজকেও। এই দিনগুলিতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস ও তাঁর আজাদ হিন্দ ফৌজের আর্কাইভ, পুরোনো (PM Modi) বিরল ছবি এবং ঐতিহাসিক নথিপত্র তুলে ধরা হবে প্রদর্শনীর মাধ্যমে।   

    পরাক্রম দিবস

    ২০২১ সালে নেতাজির জন্মদিনটিকে পরাক্রম দিবস হিসেবে পালনের কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারপর থেকে দিনটি পরাক্রম দিবস বা বীরত্বের দিন হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। ১৮৯৭ সালের ২৩ জানুয়ারি দুপুর ১২টা বেজে ১০ মিনিটে ওড়িশার কটকে জন্ম হয়েছিল সুভাষের। তাঁর বাবা আইনজীবী জানকীনাথ বসু ও মা প্রভাবতী থাকতেন কটকেই। যেহেতু কর্মসূত্রে জানকীনাথ থাকতেন কটকে, তাই কলকাতার এলগিন রোডে নয়, সুভাষ জন্মেছিলেন কটকে।

    আরও পড়ুুন: “নবান্ন অভিযান ডাকুন, আমি সঙ্গে থাকব”, ডিএ আন্দোলনকারীদের আশ্বাস শুভেন্দুর

    কটকেই কেটেছে সুভাষের শৈশব-বাল্যকাল। সেখানকার প্রোটেস্ট্যান্ট ইউরোপিয়ান স্কুলে ভর্তি করা হয়েছিল ছোট্ট সুভাষকে। এখানকারই একটি স্কুল থেকে পাশ করেন ম্যাট্রিক। এরপর সুভাষ চলে আসেন কলকাতায়। ভর্তি হন স্কটিশ চার্চ কলেজে। পরে প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা করেন দর্শন নিয়ে। অনুপ্রাণিত হন স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শেই। এই আদর্শের বলেই ছাত্রাবস্থায় সুভাষ জড়িয়ে পড়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামে। দেশমাতৃকার পরাধীনতার শৃঙ্খল মোচন করতে গড়ে তোলেন আজাদ হিন্দ ফৌজ। স্বাধীনতা আন্দোলনে যে ফৌজের অবদান কম নয় (PM Modi)।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Suvendu Adhikari: “নবান্ন অভিযান ডাকুন, আমি সঙ্গে থাকব”, ডিএ আন্দোলনকারীদের আশ্বাস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নবান্ন অভিযান ডাকুন, আমি সঙ্গে থাকব”, ডিএ আন্দোলনকারীদের আশ্বাস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নবান্ন অভিযান ডাকুন, আমি সঙ্গে থাকব।” মঙ্গল-সকালে ডিএর দাবিতে আন্দোলনকারীদের মঞ্চে গিয়ে এই আশ্বাস দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বকেয়া ডিএর দাবিতে কর্মচারী সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ব্যানারে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করছেন সরকারি কর্মীরা। সম্প্রতি আন্দোলনকারীদের একাংশ শুরু করেছেন আমরণ অনশন।

    নবান্ন অভিযানের পরামর্শ

    এদিন সাত সকালে সটান এই মঞ্চেই হাজির হন শুভেন্দু। আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়ার পরামর্শ দেন। কড়া সমালোচনা করেন রাজ্য সরকারের। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “এঁদের যদি কিছু হয়, আগুন জ্বলবে বাংলায়। রাজ্য সরকারের দুর্নীতিতে এঁরা প্রশ্রয় দেননি বলেই ডিএ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বিরুপ আচরণ করা হচ্ছে। সরকারি কর্মীদের এই আন্দোলনে বিজেপির নিঃশর্ত সমর্থন রয়েছে।”

    রাজ্য সরকারের দুর্নীতির খতিয়ান

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এই সরকারি কর্মীরা দেখেছেন আবাস যোজনায় ঘর না দিয়ে তৃণমূলের নেতা নিজের গোয়াল ঘর দেখিয়ে বাড়ি নিয়ে নিয়েছেন। এই সরকারি কর্মীরা দেখেছেন শৌচালয়ের টাকা গরিব মানুষকে না দিয়ে হাজার হাজার টাকা নিজেদের পকেটে ঢুকিয়েছেন তৃণমূল নেতারা। এই সরকারি কর্মীরা দেখেছেন চুরি, এই সরকারি কর্মীরা দেখেছেন স্থায়ী ছ’ লক্ষ পোস্ট অবলুপ্ত করেছে সরকার। অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করছেন চার থেকে বারো হাজার।”

    আরও পড়ুুন: ‘রামের আলো’ থেকে বিদ্যুৎ! ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্যোদয় যোজনা’র ঘোষণা মোদির

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “তৃণমূল নেতারা কীভাবে বেকার ভাতার নামে ধাপ্পাবাজি করছেন, নিয়োগ পরীক্ষায় কারচুপি হয়েছে, পিএসসির কর্মচারিরা আমায় সে তথ্য দেন। বামপন্থী কর্মীরা আমায় জানিয়েছেন মিড-ডে মিলের টাকা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি অনুষ্ঠানে কম্বল বিতরণ করেছেন।” তিনি বলেন, “এ সবের জন্য মুখ্যমন্ত্রী আতঙ্কিত। এই সরকারি কর্মীদের তিনি যে পাশে পাবেন না, তা আগেই বুঝে গিয়েছেন। তাই এঁদের ডিএ আটকে রয়েছে।” এর পরেই আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “ডাকুন নবান্ন অভিযান। আমি সঙ্গে থাকব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Mohan Bhagwat: ২ দিনের সফরে ফের বঙ্গে এলেন মোহন ভাগবত, রয়েছে কী কী কর্মসূচি?

    Mohan Bhagwat: ২ দিনের সফরে ফের বঙ্গে এলেন মোহন ভাগবত, রয়েছে কী কী কর্মসূচি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২ দিনের কর্মসূচি নিয়ে ফের বঙ্গ সফরে এলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। সোমবার, অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনে অংশ নিয়েছিলেন সরসঙ্ঘচালক। গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পুজোয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশেই দেখা গিয়েছিল তাঁকে। সঙ্গে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। সেখান থেকেই সরাসরি রাতের বিমান ধরে কলকাতায় আসেন সঙ্ঘ প্রধান। জানা গিয়েছে, ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত থাকবেন তিনি।

    ২ দিনের সফরে কলকাতায় মোহন ভাগবত

    সোমবার রাতে কলকাতায় আসেন মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। রাত্রিবাস করেন কেশব ভবনে। জানা গিয়েছে, আজ ও আগামিকাল— বঙ্গে তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। যদিও, সূত্রের খবর, তাঁর এই সফর সাংগঠনিক নয়, ব্যক্তিগত। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার, উত্তর কলকাতায় শোভাবাজার এলাকায় এক সঙ্ঘকর্তার (RSS) মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এর পাশাপাশি, এদিনই বারাসাতে ‘নেতাজি লহ প্রণাম’ সংক্রান্ত একটি কর্মসূচিতে তিনি যোগ দেবেন। এদিন তিনি কলকাতায় সঙ্ঘের দফতর কেশব ভবনে থাকবেন। আগামিকাল তিনি ফিরে যাবেন।

    ২ মাসে ২ বার রাজ্যে এলেন মোহন ভাগবত

    ২ মাসে ২ বার রাজ্যে এলেন আরএসএস (RSS) প্রধান। এর আগে, ডিসেম্বরের গোড়ায় তিনি এসেছিলেন মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। সেবার তিনি দেখা করেন প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাসের সঙ্গে। এছাড়া, প্রবীণ অভিনেতা ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান তিনি। সেখান থেকে বিশিষ্ট তবলা বাদক বিক্রম ঘোষ ও তাঁর স্ত্রী জয়া শীলের বাড়িতে যান। শেষে বিজেপি নেতা কল্যাণ চৌবের বাড়িতেও গিয়েছিলেন তিনি। সঙ্ঘ প্রধানের বঙ্গ সফর নিয়ে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ জানিয়েছিলেন, উনি বছরে বেশ কয়েকবারই এ রাজ্যে আসেন। আরএসএসের কাজের কিছু ধরন রয়েছে। প্রচারে আসে না বলে অনেকে তা জানতে পারেন না।

    রাম মন্দিরের অনুষ্ঠানে কী বলেছেন ভাগবত?

    সোমবার, রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে সরসঙ্ঘচালক (RSS) বলেন, “আজ ৫০০ বছর পরে, রামলালা এখানে ফিরে এসেছেন এবং তাঁর প্রচেষ্টার ফলে আমরা আজ এই সোনালী দিন দেখতে পাচ্ছি, আমরা তাঁকে আমাদের অশেষ শ্রদ্ধা জানাই। এই যুগের ইতিহাসে এতই শক্তি আছে যে, যেই রামলালার গল্প শুনবে তাঁর সব দুঃখ-বেদনা মুছে যাবে।” ভাগবত (Mohan Bhagwat) আরও বলেন, “আজকের অনুষ্ঠান এক নতুন ভারতের প্রতীক। যা সমগ্র বিশ্বকে সাহায্য করবে। সর্বত্র রাম আছেন জেনে আমাদের নিজেদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে হবে। একত্রে থাকাই ধর্মের যথার্থ অনুশীলন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Virat Kohli: ব্যক্তিগত কারণ! ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দুই টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন কোহলি 

    Virat Kohli: ব্যক্তিগত কারণ! ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দুই টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন কোহলি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে বড় ধাক্কা ভারতীয় শিবিরে। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে প্রথম দু’টি টেস্টে বিরাট কোহলিকে পাবেন না রোহিত শর্মারা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কাছে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ছুটি চেয়েছিলেন কোহলি। বোর্ড তাঁর আবেদন মঞ্জুর করেছে।  বোর্ড কর্তাদের পাশাপাশি, অধিনায়ক রোহিত, কোচ রাহুল দ্রাবিড় এবং জাতীয় নির্বাচকদেরও ব্যক্তিগত সমস্যার কথা জানিয়েছেন কোহলি (Virat Kohli)।

    কী কারণে ছুটি নিলেন কোহলি

    সোমবার হায়দ্রাবাদে প্রথম টেস্টের প্রস্তুতি শুরু করেছে ভারত। এ দিনই কোহলির না খেলার কথা জানিয়েছে বিসিসিআই। ঠিক কী কারণে কোহলি হঠাৎ সরে দাঁড়ালেন, তা জানানো হয়নি বোর্ডের পক্ষ থেকে। মনে করা হচ্ছে তাঁর স্ত্রী অনুষ্কা শর্মা সন্তানসম্ভবা। হয়তো সেই কারণেই তিনি ভারতীয় টিম থেকে ছুটি নিয়েছেন। বিসিসিআই যে বিবৃতি জারি করেছে, তাতে এই খবর জানানোর পাশাপাশি বিরাটের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকেও সম্মান জানিয়েছে। যার পর মোটামুটি পরিষ্কার, এই সময়ই আবার বাবা হবেন বিরাট। ভারতীয় বোর্ডের সচিব জয় শাহ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ব্যক্তিগত কারণে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দুটো টেস্ট খেলবেন না বিরাট কোহলি। ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা আর টিম ম্যানেজমেন্টকে এ ব্যাপারে জানিয়েছেন তিনি। বিসিসিআই বিরাটের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছে।’

    ভারত-ইংল্যান্ড টেস্টের গুরুত্ব

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রেক্ষাপটে এই সিরিজ ভারত ও ইংল্যান্ড দুই দলের কাছেই খুব গুরুত্বপূর্ণ। পয়েন্ট টেবলের দুইয়ে রয়েছে ভারত। সেখান থেকে একে উঠতে গেলে এই সিরিজ জিততেই হবে রোহিতদের। ইংল্যান্ড রয়েছে সাতে। অনেক দিন ভারতের মাটিতে ৫ টেস্টের সিরিজ খেলতে এসেছে ইংল্যান্ড। ২৫ জানুয়ারি হায়দরাবাদ টেস্ট দিয়ে সিরিজ শুরু। ২-৬ বিশাখাপত্তনমে দ্বিতীয় টেস্ট। ওই টেস্ট পর্যন্ত খেলবেন না বিরাট। সিরিজের বাকি তিনটে টেস্টে হয়তো খেলবেন, কিং কোহলি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে বাংলার ‘রাম রঘুনাথের বাড়ি’ যেন অযোধ্যাধাম

    Murshidabad: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে বাংলার ‘রাম রঘুনাথের বাড়ি’ যেন অযোধ্যাধাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার বহরমপুরের খাগড়া এলাকাতেও রামের পুজো হয়। এখানে দীর্ঘ প্রায় ৮০০ বছর ধরে পূজিত হয়ে আসছেন শ্রীরাম। তবে এই রাম, রঘুনাথ নামে পরিচিত। বাংলা যে রামনবমীর ঐতিহ্য রয়েছে তা অনেকেরই অজানা। খাগড়ায় রাম রঘুনাথের বাড়িতেও রাম নবমীর দিনে ব্যাপক উচ্ছ্বাসের সঙ্গে পালিত হয় ধর্মীয় উৎসব। অযোধ্যায় প্রাণ প্রতিষ্ঠার মাহেন্দ্রক্ষণে পূজিত হলেন এই মন্দিরের রাম রঘুনাথ। তাই বাংলার এই ‘রাম রঘুনাথের বাড়ি’ যেন অযোধ্যাধামে পরিণত হল। 

    মন্দিরে কাঠের মূর্তি শ্রীরাম (Murshidabad)

    খাগড়ার (Murshidabad) রাম রঘুনাথের বাড়িতে রাম, লক্ষ্মণ ও সীতার মূর্তি হল কাঠের মূর্তি। আগে যে মন্দিরটি ছিল সেটি বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থায় পাশে স্মৃতি বহন করে চলেছে। যখন থেকে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন হওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, তখন থেকেই এই রাম রঘুনাথের বাড়ির সদস্য নমিতা মজুমদার কাউন্টডাউন শুরু করে দিয়েছেন। আজকে অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক দিনে প্রধানমন্ত্রী যখন রাম মন্দিরের দ্বার উন্মোচন করবেন, ঠিক সেই সময় এই মন্দিরে রাম রঘুনাথের কাঠের মূর্তির বিশেষ পুজো করলেন বাড়ির সদস্যরা। 

    কী বলেন বাড়ির সদস্য?

    বাড়ির (Murshidabad) সদস্য নমিতা মজুমদার তিনি জানান, “আমাদের বাড়ি রাম রঘুনাথের বাড়ি বলে পরিচিত। প্রত্যেক বছর রামনবমীর দিনে আমাদের বাড়ির মন্দিরে শ্রীরামের পূজা এবং উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু আজ দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধন করছেন এবং রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করছেন, তাই আমারাও রাম রঘুনাথের পুজো করলাম। এই রাম রঘুনাথ আমাদের কুলদেবতা। আমরা ৮০০ বছরের এই বিগ্রহের পুজো করে আসছি। আজ রাম লালার অভিষেকের দিনে রঘুনাথকে আরতি করে পূজা-অর্চনা করা হয়েছে। রামের জন্মভূমিতে আজ প্রাণ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বাড়িতও যেন একটা অযোধ্যাধামে পরিণত হয়েছে। আজকের পুজোপাঠ, প্রসাদ বিতরণ, রামকথা পাঠ সব মিলিয়ে এক বড় উৎসবের আকার ধারণ করেছে। আমরা ভীষণ খুশি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee Sanghati Rally: ‘ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি’, সংহতি যাত্রা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ বিজেপির

    Mamata Banerjee Sanghati Rally: ‘ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি’, সংহতি যাত্রা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতির তুষ্টিকরণ করে বাংলার দশ কোটি মানুষকে আলাদা করার চেষ্টা করছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার, রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিনে তৃণমূলের সংহতি যাত্রাকে কটাক্ষ করল বিজেপি। ৫০০ বছর লড়াইয়ের পর রাম এদিন তাঁর নতুন গৃহে প্রবেশ করেন। রাম সর্বদাই সর্বত্র বিরাজমান। তাই এদিন মমতার এই মিছিল বিজেপির মতে, ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি ছাড়া আর কিছুই নয়। এই রাজনীতি করে তিনি বাংলাকে আলাদা করতে চাইছেন বলে অভিমত গেরুয়া শিবিরের।

    শুভেন্দু যা বললেন

    এই মিছিল প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া, অন্য কোনও রাজ্যে এইভাবে প্রকাশ্যে রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন পাল্টা কর্মসূচি ডেকে, পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করা হয়নি। যেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করছেন।’ শুভেন্দু বলেন, ‘উনি ২টো কারণে মিছিল করছেন, মুসলিম ভোটকে লোকসভা ভোটের আগে একজোট করার জন্য। কারণ ওনার কাছ থেকে মুসলিম ভোট সরে গেছে। হিন্দু মুসলিম নির্বিশেষে সবাই ওনাকে চোর বলে ডাকে। তাই তিনি মুসলিম ভোট ফেরাতে চান। দ্বিতীয় তিনি, রাজ্যে দাঙ্গা লাগিয়ে যারা গেরুয়া ধ্বজ নিয়ে রাস্তায় বেরিয়েছেন তাদেরকে জেলে পুরতে চান। রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে একাধিক অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের তরফে ফোন করে ‘না’ বলা হয়েছে। হাজার হাজার জায়গায় তৃণমূলের কাউন্সিলররা রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে বাধা সৃষ্টি করছে’।

    সুকান্তর তোপ

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘রাম নিজেই সম্প্রীতির প্রকৃষ্ট উদাহরণ। রাম সবার। সেজন্যই তৃণমূল কংগ্রেস সহ যারা এই ধরণের সম্প্রীতি যাত্রা, সম্প্রীতি সভা যা করার চেষ্টা করছেন, এগুলো আসলে উস্কানিমূলক কাজকর্ম তার বেশি কিছু না।’ এদিন সিঙ্গুর স্টেশন সংলগ্ন রাম মন্দিরে পূজো দিয়ে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘উনি শুধুমাত্র ভোটের পলিটিক্সের জন্য রামের মধ্যে ধর্ম ঢোকাচ্ছে আর পশ্চিমবঙ্গটাকে দেশ থেকে আলাদা করতে চাইছেন। ১৪০ কোটি মানুষ আজ রাম নাম করছেন, আর আজকে মুখ্যমন্ত্রী রামের বিরুদ্ধে গিয়ে মিছিল করছেন। উনার কোনওদিন ভালো হতে পারে না।’ 

    আরও পড়ুন: ‘রাম সিয়া রাম’-এর সুরে ভাসল সরযূতীর, রামভজনে মগ্ন অযোধ্যা

    সংহতি কোথায়?

    সোমবার দুপুর ৩টেয় কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে সংহতি যাত্রার সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর হাজরা মোড় থেকেই মিছিল শুরু করেন তিনি। পার্ক সার্কাস ময়দানে মিছিল শেষ হবে। এরইমাঝে একটি গির্জা ও একটি মসজিদেও যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। এই মিছিলকে কটাক্ষ করে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘এই সংহতির নামে পশ্চিমবাংলায় সব জায়গায় গান গাওয়া হয়েছে। সেই দেশভাগের পর থেকে সংহতির আয়োজন আগেও ছিল। কেন সংহতি হয়নি? যাঁরা সংহতি মিছিলের নামে সংহতি নষ্ট করেন, তাঁরা আবার রাস্তায় নেমেছেন। কেবল যাঁরা টিএমসির উচ্ছিষ্টভোগী, তাঁদের আমলে করে খাচ্ছে সেরকম কিছু দোকলা লোক যাবে।’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share