Blog

  • Primary Recruitment Scam: গৌতম পালের রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, জেরা করতে পারবে সিবিআই?

    Primary Recruitment Scam: গৌতম পালের রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, জেরা করতে পারবে সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি সুপ্রিম কোর্টে পেলেন না রক্ষাকবচ। এবার শিক্ষক দুর্নীতি (Primary Recruitment Scam) নিয়োগের তদন্তে সিবিআইয়ের মুখোমুখি হতে হবে সভাপতিকে। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল এবং উপ সচিব পার্থ কর্মকার। সোমবার তাঁদের আবেদন খারিজ হয়। এবার কি হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা?

    খারিজ হল পর্ষদ সভাপতির রক্ষাকবচ

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Primary Recruitment Scam) গত ১৮ অক্টোবর পর্ষদের সভাপতি গৌতম পালকে (Gautam Pal) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রয়োজনে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাবাদ করার কথাও বলেছিলেন বিচারপতি। আর হাইকোর্টের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে বিশেষ রক্ষাকবচ চেয়ে সুপ্রিমকোর্টে আবেদন করেছিলেন গৌতম পাল। কিন্তু আজ এই আবেদনকে খারিজ করে দেন বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস এবং বেলা এম ত্রিবেদীর ডিভিশন বেঞ্চ। পরবর্তী শুনানি হবে আগামী শুক্রবার।

    পর্ষদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কী

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার উত্তরপত্র স্বরূপ ওএমআরশিট দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ‘এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানিকে’। ইতিমধ্যে সংস্থার কর্ণধার কৌশিক মাজিকে নিজাম প্যালেসে ডেকে দুর্নীতি (Primary Recruitment Scam) তদন্তের জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। এরপর মামলাকারীর আইনজীবী জানান, উত্তরপত্র শিটের ডিজিটাল ফরম্যাটের তথ্যে অনেক ভুল রয়েছে। আদালতে যে নথি উত্তরপত্রের শিট বলে জমা করেছে পর্ষদ, তা আদতে ত্রুটিপূর্ণ। ওএমআর শিট রূপে যা দেখানো হয়েছে, তা কার্যত ডিজিটাল ফরম্যাট নয়, হাতে টাইপ করা শিট। আর এতেই দুর্নীতির বিষয়কে অনুমান করা হচ্ছে। এরপরেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে টেটে পরীক্ষার উত্তরপত্রের রিপোর্ট জমা করে পর্ষদ।

    পর্ষদ আইনজীবীর বক্তব্য

    পর্ষদ সভাপতি গৌতম পালের (Gautam Pal) আইনজীবীর বক্তব্য, “২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল সময় পর্বের নিয়োগ প্রক্রিয়ার তদন্ত চলছে। কিন্তু বর্তমান পর্ষদ সভাপতির কাজ কী?”  এই প্রেক্ষিতে, সিবিআইয়ের বক্তব্য জানতে চেয়ে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে, গৌতম পালের রক্ষাকবচের আবেদন গ্রাহ্য করেনি বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, যদি তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করা হয় তাহলে গ্রেফতারের আশঙ্কা কেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: কাতারে মৃত্যুদণ্ড ৮ ভারতীয়র, “ওঁদের মুক্তির জন্য যথাসাধ্য করব”, আশ্বাস জয়শঙ্করের   

    S Jaishankar: কাতারে মৃত্যুদণ্ড ৮ ভারতীয়র, “ওঁদের মুক্তির জন্য যথাসাধ্য করব”, আশ্বাস জয়শঙ্করের   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাতারে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন আট ভারতীয়। তাঁদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। “ওঁদের মুক্তির জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা হবে”, আশ্বাস বিদেশমন্ত্রীর। জানা গিয়েছে, ওই ভারতীয়দের সাজা মকুব ও দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই।

    বিদেশমন্ত্রীর ট্যুইট-বার্তা 

    ট্যুইট-বার্তায় বিদেশমন্ত্রী লিখেছেন, “সকালে কাতারে আটক ৮ ভারতীয় নৌসেনা আধিকারিকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছি। তাঁদের মুক্তির জন্য সরকার সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। ওই পরিবারগুলির উদ্বেগ ও বেদনা বুঝতে পারছি। এ ব্যাপারে আমরা তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে নিবিড়ভাবে কাজ করছি। এই বিষয়ে ওঁদের পরিবারকে অবগত করা হবে।”

    মৃত্যুদণ্ড দেয় কাতারের আদালত

    সোমবার জয়শঙ্কর ও বিদেশমন্ত্রকের উচ্চ পর্যায়ের আধিকারিকদের সঙ্গে দণ্ডাজ্ঞাপ্রাপ্ত ওই আট ভারতীয় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ঘণ্টা তিনেক ধরে আলোচনা হয়। প্রসঙ্গত, গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গত বছর নৌবাহিনীর ওই প্রাক্তন আধিকারিকদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। সম্প্রতি তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেয় কাতারের একটি আদালত। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি তাঁদের গ্রেফতারির কথা জানতে পারে ভারতীয় দূতাবাস। ৩০ সেপ্টেম্বর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে টেলিফোনে সংক্ষিপ্ত যোগাযোগ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল ধৃতদের।

    প্রসঙ্গত, গত (S Jaishankar) বছর ৩০ অগাস্ট রাতে কাতারের গোয়েন্দা সংস্থা গ্রেফতার করে ওই আট ভারতীয়কে। এঁরা হলেন ক্যাপ্টেন নভতেজ সিং গিল, ক্যাপ্টেন সৌরভ বশিষ্ট, কমান্ডার পূর্ণন্দু তিওয়ারি, ক্যাপ্টেন বীরেন্দ্রকুমার ভার্মা, কমান্ডার সুগুনাকর পাকাল, কমান্ডার সঞ্জীব গুপ্ত, কমান্ডার অমিত নাগপাল ও নাবিক রাগেশ গোপাকুমার। নৌবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর এঁরা দাহরা গ্লোবাল টেকনোলজিস অ্যান্ড কনসার্ট সার্ভিসেসে চাকরি করছিলেন।

    আরও পড়ুুন: জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী ও কন্যার ব্যাঙ্কের লকারের চাবি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    গ্রেফতারির পরে পরেই ওই (S Jaishankar) আট ভারতীয়কে নিভৃত কারাবাসে রাখা হয়েছিল। ভারত কিংবা কাতার সরকারের তরফে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে কাতার আদালত মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরেই ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের তরফে ওই রায়কে অপ্রত্যাশিত বলা হয়েছিল। কাতার সরকারের সঙ্গে ওই আট ভারতীয়ের মুক্তির ব্যাপারে কথা বলা হবে বলেও জানিয়েছিল ভারত সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: “বালুর হস্ত করে সমস্ত…” রেশন দুর্নীতিতে রাজ্যের মন্ত্রীর যোগ নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: “বালুর হস্ত করে সমস্ত…” রেশন দুর্নীতিতে রাজ্যের মন্ত্রীর যোগ নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘দুই বিঘা জমি’ কবিতার আঙ্গিকে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোশ্যাল মিডিয়ায় ফের একবার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে (Jyotipriya Mallick) নিয়ে সরব হলেন তিনি। এদিন এক কল্পিত ভাব সম্প্রসারণের কথা উল্লেখ করেন তিনি। শুভেন্দু লেখেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, ভবিষ্যতে পরীক্ষার খাতায় ভাব সম্প্রসারণ আসতে পারে, “এ জগতে, হায়, সেই বেশি চায়, আছে যার ভুরি ভুরি; বালুর হস্ত করে সমস্ত রাজ্যবাসীর রেশন চুরি।’

    কী লিখলেন শুভেন্দু

    এই ভাব সম্প্রসারণের সারমর্মও তুলে ধরেন শুভেন্দু। রাজ্যোর বিরোধী দলনেতার কথায়, ‘বালুর সম্পদের প্রাচুর্য আছে, তাই সে চায় তার সম্পদের পরিমাণ আরও বাড়াতে। এতে সে নীতি নৈতিকতা বিসর্জন দিতেও কুণ্ঠাবোধ করে না। পশ্চিমবঙ্গে তোলামূল নেতাদের বে-আইনি অর্থের তৃষ্ণা কখনও মেটে না। চুরি করে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েও তাদের বে-আইনী অর্থ স্পৃহার অবসান হয় না। তাদের ‘যত পাই, তত চাই’ অবস্থা। তারা সম্পদ বাড়ানোর নেশায় দুর্দমনীয় হয়ে ওঠে। ভাল-মন্দ, হিত-অহিত, সত্য-মিথ্যা, নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে নিজেদের নামে, আত্মীয় স্বজনদের নামে, “বান্ধবীদের” নামে কেবলই ধন-সম্পদ, সোনা হীরা, ফ্ল্যাট, খামার বাড়ি ইত্যাদি আহরণ করতে থাকে। 

    এদিন বিধাননগরে ইডি দফতরে দেখা যায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick)  দাদা দেবপ্রিয়কে। তাঁকে নিয়ে প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘পাবলিক সার্ভিস কমিশনটা লুট করেছে তো। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের দীর্ঘদিনের সদস্য দেবপ্রিয় মল্লিক। উনি দু’নম্বরির মাস্টার।’ শুভেন্দু জানান ইডির তদন্তে উঠে এসেছে দিঘায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বেনামে বিলাসবহুল ৪টি হোটেল রয়েছে। হোটেলের নাম, ছবি এবং লিজ হোল্ডারদের নাম প্রকাশ করে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সম্পত্তির খতিয়ানও তুলে ধরেন শুভেন্দু।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kerala Blasts: কেরল বিস্ফোরণে মৃত আরও এক, তদন্ত শুরু এনআইএ, এনএসজি-র

    Kerala Blasts: কেরল বিস্ফোরণে মৃত আরও এক, তদন্ত শুরু এনআইএ, এনএসজি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের এর্নাকুলাম জেলার কালামাসেরি এলাকায় প্রার্থনা সভায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের (Kerala Blasts) ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের। সোমবার ভোরে মৃত্যু হয়েছে বছর বারোর লিবিনার। এ নিয়ে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওই প্রার্থনা সভায় বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩। জখম হয়েছেন ৫০ জনেরও বেশি। তদন্তকারীদের পাশাপাশি কেরল পুলিশেরও দাবি, ওই প্রার্থনা সভায় আইইডি ব্যবহার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সংক্ষেপে এনআইএ।

    একাধিক সংস্থার তদন্ত

    ঘটনার নেপথ্যে হামাসের উসকানি রয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির। তিনদিনের এই প্রার্থনা সভা শুরু হয়েছিল শুক্রবার। সেদিনই মুসলিম জঙ্গি সংগঠন হামাসের প্রাক্তন নেতা ভার্চুয়ালি প্যালেস্তাইনের পক্ষে ভাষণ দিয়েছিল। বিস্ফোরণ ঘটে রবিবার। সেদিনই ছিল প্রার্থনাসভার শেষ দিন। বিস্ফোরণের নেপথ্যে কার হাত রয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে একাধিক সংস্থা। এনআইএ-র পাশাপাশি তদন্ত করছে এনএসজিও। এই সংস্থা ব্ল্যাক ক্যাট নামেই পরিচিত। কেরল সরকারের নির্দেশে ২০ সদস্যের একটি দলও তদন্ত করছে।

    নাড্ডার নিশানায় কেরল সরকার

    ঘটনায় (Kerala Blasts) কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে একহাত নিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি বলেন, “আমূল রাজনৈতিক পরিবর্তনের পক্ষপাতী হওয়ায় কেরলে এমন বিস্ফোরণ ঘটছে।” সোমবার কালামাসারি হাসপাতালে ভর্তি থাকা আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর। তিনি বলেন, “মৌলবাদ ও মৌলবাদীদের সঙ্গে বারংবার আপোস করছে কেরল সরকার। তার জেরে এমন ঘটনা ঘটছে।”

    আরও পড়ুুন: কেরল বিস্ফোরণের নেপথ্যে হামাসের উসকানি! তদন্ত দাবি বিজেপির

    কেরলের ঘটনার দায় স্বীকার করে রবিবারই স্থানীয় থানায় আত্মসমর্পণ করেছে এক ব্যক্তি। ডমিনিক মার্টিন নামের ওই ব্যক্তির দাবি, সে জিহোবা সাক্ষী (এই গোষ্ঠীই প্রার্থনা করছিল) নামে খ্রিস্টানদেরই একটি গোষ্ঠীর সদস্য। তবে তার বক্তব্য কতটা সত্য, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

    এদিকে, ঘটনার (Kerala Blasts) জেরে দিল্লি এবং বাণিজ্য নগরী মুম্বইয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। দেশজুড়ে জারি হয়েছে সতর্কতা। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের আশঙ্কায় জনবহুল এলাকাগুলিতে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। বাজার সহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। গোয়েন্দা বাহিনীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে মুম্বইও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: নথি হাতে সিজিও কমপ্লেক্সে জ্যোতিপ্রিয়ের দাদা দেবপ্রিয়! কী নিয়ে গেলেন তিনি?

    Jyotipriya Mallick: নথি হাতে সিজিও কমপ্লেক্সে জ্যোতিপ্রিয়ের দাদা দেবপ্রিয়! কী নিয়ে গেলেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রী-কন্যা প্রিয়দর্শিনীর পর সিজিও কমপ্লেক্সে নথি নিয়ে হাজির হলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) দাদা দেবপ্রিয় মল্লিক। সকাল পৌনে ১০টা নাগাদ ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। দেবপ্রিয় পেশায় চিকিৎসক। ইডির তরফে তাঁর কাছে বেশ কিছু তথ্য চাওয়া হয়। সেই সব বিভিন্ন নথি নিয়েই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন মন্ত্রীর দাদা। 

    এক ঘণ্টা ইডির দফতরে 

    ইডি সূত্রে খবর, সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে ইডিকে একটি এক পাতার চিঠি জমা দিয়ে এসেছেন দেবপ্রিয়। সোমবার সকাল ১০টা নাগাদ তিনি ইডি দফতরে যান। ১১টার পর বেরিয়ে আসেন। সিজিও থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন দেবপ্রিয়। তিনি জানান, একটি চিঠি ইডি দফতরে তিনি জমা দিয়েছেন। আগেও এই চিঠি জমা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। রবিবার তা নিয়ে সিজিওতে এসেছিলেন মন্ত্রী-কন্যা (Jyotipriya Mallick) প্রিয়দর্শিনী। তদন্তকারী অফিসার না থাকায় রবিবার ইডিকে চিঠি দেওয়া যায়নি। তাই সোমবার দেওয়া হয়।

    কী আছে চিঠিতে

    কী আছে সেই চিঠিতে? এ প্রসঙ্গে দেবপ্রিয় বলেন, ‘‘সেটা বলতে পারবে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আর ইডি। ইডিকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করুন।’’জ্যোতিপ্রিয়ের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কোনও বিষয়েও মুখ খুলতে রাজি হননি দেবপ্রিয়। তাঁর ভাই কেমন আছেন, তাঁকে সোমবারই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে কি না, সে সব প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রীর দাদা বলেন, ‘‘সেটা হাসপাতালকে জিজ্ঞাসা করলে ভাল হয়।’’ আর কোনও কথা না বলে গাড়িতে উঠে পড়েন তিনি। সোমবার ইডি দফতরে গিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়ের (Jyotipriya Mallick) আপ্তসহায়ক অমিত দে-ও। নথি নিয়ে সিজিওতে ঢোকেন তিনি। ঢোকার আগে বলেন, ‘‘আমার কাছ থেকে একটা নথি চেয়েছিল। আমার বাড়ির দলিলের একটা কাগজ দিতে এসেছি।’’ 

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট স্বাভাবিক! আজই কি ইডি হেফাজতে জ্যোতিপ্রিয়?

    রেশন ‘দুর্নীতি’র অভিযোগে শুক্রবার গ্রেফতার করা হয়েছে জ্যোতিপ্রিয়কে (Jyotipriya Mallick)। তার আগে বৃহস্পতিবার তাঁর সল্টলেকের দু’টি ফ্ল্যাটে চলে ম্যারাথন তল্লাশি। ইতিমধ্যেই ইডি দাবি করেছে, শ্রী হনুমান রিয়েলকন প্রাইভেট লিমিটেড, গ্রেসিয়াস ইনোভেটিভ প্রাইভেট লিমিটেড এবং গ্রেসিয়াস ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেড, এই ৩টি কোম্পানি নিয়ন্ত্রণ করতেন স্বয়ং জ্যোতিপ্রিয়। তাঁর স্ত্রী মণিদীপা, মেয়ে প্রিয়দর্শিনী, প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাস ও তাঁর পরিবার, মন্ত্রীর শ্যালক অশোক সেন, বাকিবুরের শ্যালক অভিষেক বিশ্বাস-সহ অন্তত ১০ জন এই ৩টি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন দুর্নীতির উৎসে পৌঁছতে ইডির নজরে ২৫টি মোবাইলের তথ্য, কী আছে তাতে?

    Ration Scam: রেশন দুর্নীতির উৎসে পৌঁছতে ইডির নজরে ২৫টি মোবাইলের তথ্য, কী আছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশনের (Ration Scam) খাদ্য বণ্টন দুর্নীতির ছকের মূল কাণ্ডারি কে? এই তথ্য সন্ধান করতে, এবার ইডির নজরে ২৫টি মোবাইল। সূত্রের খবর, কীভাবে দুর্নীতির ছক কষা হয়েছিল? প্রকৃত মাথা কে? সেই সম্পর্কে জানতেই মোবাইলে থাকা তথ্যের খোঁজ করা হচ্ছে। এই মোবাইলগুলি হল, ধৃত প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমানের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তিদের। ইডির আরও দাবি, এই দুর্নীতির মাধ্যমেই কোটি কোটি কালো টাকা সাদা করা হয়েছে।

    নজরে ২৫ টি মোবাইল (Ration Scam)

    ইডি সূত্রের দাবি, দুর্নীতির (Ration Scam) বড় পরিকল্পনা, উৎসের মাথা সন্ধানে এই মোবাইলগুলির চ্যাট এবং কলগুলি বেশ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হতে পারে। তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের সময়, প্রশ্ন-উত্তর পর্বে, ব্যবহারকারীর মোবাইলগুলির কথোপকথন পরীক্ষা করা হবে। ইতিমধ্যে বাকিবুরের মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট বিষয়ে ফরেনসিক পরীক্ষার কথা আদালতে আগেই জানিয়েছে ইডি। চ্যাটে স্পষ্ট ভাবে লেখা ছিল, “এমআইসিকে পেমেন্ট করা হয়ে গিয়েছে।” টাকার অঙ্ক ছিল ৬৮ লাখ। সেই সঙ্গে আরও একটি মোবাইলের চ্যাটে ১২ লাখ টাকা পাঠানোর কথা বলা হয়ছে, বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই জ্যোতিপ্রিয়র আপ্তসহায়ক অমিত দে এবং প্রাক্তন পিএ অভিজিৎ দে-কে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়, তাঁদের মোবাইলগুলির চ্যাট এবং কলের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে ইডি। সেই সঙ্গে মন্ত্রী বালুর মোবাইলও বাজেয়াপ্ত করছে ইডি। তাঁর মোবাইল থেকেও দুর্নীতির তথ্য মিলতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

    বিস্ফোরক শুভেন্দু

    রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Scam) কাণ্ডে, মমতার ক্যাবিনেট মন্ত্রী গ্রেফতার হওয়ার পর, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তীব্র আক্রমণ করেছেন তৃণমূলকে। তিনি বলেন, “এই রেশন দুর্নীতির সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে। জ্যোতিপ্রিয় রোজ নিজের রক্ষীর মোবাইল থেকে মমতাকে ফোন করতেন। আর তাই আমি বলবো, ইডি যেন এই মোবাইলগুলিকে বাজেয়াপ্ত করে পরীক্ষা করে এবং দুর্নীতির মাথাকে খোঁজ করে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kerala Blast: কেরল বিস্ফোরণের নেপথ্যে হামাসের উসকানি! তদন্ত দাবি বিজেপির  

    Kerala Blast: কেরল বিস্ফোরণের নেপথ্যে হামাসের উসকানি! তদন্ত দাবি বিজেপির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ভার্চুয়ালি ভাষণ দিয়েছিলেন প্রাক্তন হামাস নেতা খালেদ মাশাল। তার আগে আগেই কেরলের মলপ্পুরমে মিছিল বের হয় প্যালেস্তাইনের সমর্থনে (Kerala Blast)। মিছিলের আয়োজক জামাত-ই-ইসলামির যুব সংগঠন। পরে আয়োজন হয় সভার। সেই সভায়ই ভার্চুয়ালি ভাষণ দেন খালেদ।

    খালেদের বক্তব্যের সঙ্গে বিস্ফোরণের যোগ!

    সেখানে প্যালেস্তিনীয় যোদ্ধাদের পক্ষে সমর্থন জোগাড় করতে বলা হয় শ্রোতাদের। ইহুদি সন্ত্রাসের হাত থেকে আল আকসা মসজিদ উদ্ধারের কথা বলেন এই মুসলমান নেতা। এর ঠিক দুদিন পরে রবিবার করলের একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত প্রার্থনা সভায় আইইডি বিস্ফোরণ ঘটে। প্রার্থনা সভাটিতে অংশ নিয়েছিলেন খ্রিষ্টানদের একটি সম্প্রদায়। খালেদের বক্তব্যের সঙ্গে এই বিস্ফোরণের যোগ রয়েছে কিনা, তা জানতে চেয়ে তদন্ত দাবি করেছে বিজেপি, কংগ্রেস এবং বামেরা।

    প্যালেস্তাইনে হামলা হামাসের 

    ৭ অক্টোবর ইহুদিদের দেশ ইজরায়েলে হামলা চালায় মুসলমানের দেশ প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস (Kerala Blast)। ইহুদিদের ধরে ধরে কার্যত কচুকাটা করে হামাসের জঙ্গিরা। এর পরেই প্রতিরোধ গড়ে তোলে ইজরায়েল। তেল আভিভের পাশে দাঁড়ায় ভারত, আমেরিকা, কানাডা সহ বিশ্বের বহু দেশ। ইজরায়েলের হামলায় আক্ষরিক অর্থেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছে হামাসের জঙ্গিরা। আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের মতে, তাই চলছে হামাসের পক্ষে সমর্থন জোগাড়ের কাজ।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভাই-ভাইপো, বাড়ির কুকুর-বিড়াল দুর্নীতিতে যুক্ত’’, মমতাকে নিশানা দিলীপের

    শুক্রবার কেরলে যে জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল, তার আয়োজক ছিলেন জামাত-ই-ইসলামি সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সদস্য আবুসালেম আহমেদ। প্যালেস্তাইনে বর্ণবিদ্বেষী শক্তি সংগঠিতভাবে গণহত্যা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয় সভায়। ভারতও ওই সংগঠিত শক্তির অংশ বলেও দাবি করা হয়। এর পরেই দেশজুড়ে শুরু হয় বিতর্ক। সভা ও মিছিলের অনুমতি দিয়ে বিপাকে পড়ে কেরলের বাম সরকার। কেরলের বিজেপি সহ সভাপতি ভিটি রেমা বলেন, “ভারতের মতো ধর্মনিরপেক্ষ দেশে ইসলামি সন্ত্রাসবাদীরা নিজেদের আসল চেহারা দেখাচ্ছে। সবাই জানে, হামাসই প্রথম ইজরায়েলকে আক্রমণ করেছিল।” কেরল বিজেপির সভাপতি কে সুরেন্দ্রণ বলেন, “মলপ্পুরমের সভায় হামাস নেতা খালেদ মাশালের ভাষণ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পিনারাই বিজয়নের কেরল পুলিশ কোথায়? প্যালেস্তাইন বাঁচাওয়ের নামে সন্ত্রাসীদের যোদ্ধা হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।” পুরো ঘটনায় (Kerala Blast) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সুরেন্দ্রণ।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর ঘটনাটিকে কংগ্রেস এবং সিপিএমের তুষ্টিকরণের রাজনীতি বলে অভিহিত করেছেন। কেরলে হিংসা এবং জিহাদ ছড়ানোর জন্য ইন্ডি জোট ভারতে হামাস জঙ্গিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “মিছিল হয়েছিল কেরলে। আইন-শৃঙ্খলা রাজ্যের বিষয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করবে বক্তৃতাটি লাইভ না রেকর্ড করা। রেকর্ড করা হলে কে এবং কীভাবে ভিডিওটি পেল তা তদন্ত করা হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Train Accident: মানুষের ভুলেই রেল দুর্ঘটনা অন্ধ্রপ্রদেশে? প্রকাশ্যে এল আসল সত্য

    Train Accident: মানুষের ভুলেই রেল দুর্ঘটনা অন্ধ্রপ্রদেশে? প্রকাশ্যে এল আসল সত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের দুর্ঘটনার কবলে ট্রেন (Train Accident)। এবার অকুস্থল অন্ধ্রপ্রদেশের ভিজিয়ানগরম। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা, তা নিয়ে চলছিল চুলচেরা বিশ্লেষণ। এবার সামনে এল দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ। ইস্ট কোস্ট রেলওয়ের তরফে জানানো হয়েছে, মানুষের গাফিলতির জেরেই অন্ধ্রপ্রদেশে এই দুই প্যাসেঞ্জার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে।

    দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ

    ইস্ট কোস্ট রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক বিশ্বজিৎ সাহু বলেন, “এই রেল দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ মানুষের গাফিলতি। আর সেই ত্রুটির জন্যই গন্তব্য ছাড়িয়ে দ্রুতগতিতে ছুটে গিয়ে বেলাইন হয়ে যায় বিশাখাপত্তনম-রায়গড় প্যাসেঞ্জার স্পেশাল ট্রেনটি।” তিনি জানান, মুখোমুখি সংঘর্ষের জেরে বিশাখাপত্তনম-পলাসা প্যাসেঞ্জার ট্রেনটির দুটি কামরা ও বিশাখাপত্তনম-রায়গড়ের লোকো পাইলটের কোচটি লাইনচ্যুত হয়। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে বিশাখাপত্তনম-পালাসা ট্রেনটির ১১টি বগি ও বিশাখাপত্তনম-রায়গড় ট্রেনের ৯টি বগি সরানো হয়েছে। বাকিগুলি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেগুলি এখনও ঘটনাস্থল থেকে সরানো যায়নি। 

    কেন্দ্রের তৎপরতা 

    দুর্ঘটনার (Train Accident) পরে পরেই রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পর্যালোচনা করেন পরিস্থিতি। দুর্ঘটনায় মৃতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন তিনি। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছেন রেলমন্ত্রী। রেল দুর্ঘটনায় প্রাণহানি নিয়ে শোক প্রকাশ করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগন রেড্ডি। সোশ্যাল মিডিয়ায় রেলমন্ত্রী জানান, মৃত ও আহতদের ক্ষতিপূরণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। মৃতদের ক্ষেত্রে ১০ লক্ষ টাকা, গুরুতর আহতদের ক্ষেত্রে ২ লক্ষ টাকা এবং যাঁরা অল্পস্বল্প জখম হয়েছেন, তাঁদের ৫০ হাজার করে টাকা দেওয়া হবে। রেড্ডি সরকারের তরফেও মৃতদের নিকট আত্মীয়দের ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার করে টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভাই-ভাইপো, বাড়ির কুকুর-বিড়াল দুর্নীতিতে যুক্ত’’, মমতাকে নিশানা দিলীপের

    এদিকে, দুর্ঘটনার (Train Accident) জেরে রবিবার রাতেই বাতিল করা হয় বেশ কিছু ট্রেন। সোমবার সকালেও বিশাখাপত্তনম থেকে ছাড়া এবং বিশাখাপত্তনমগামী বহু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। বদল করা হয়েছে বেশ কিছু ট্রেনের যাত্রাপথ। এগুলি হল ০৩৩৫৭ কোয়েম্বাটোর স্পেশাল ফেয়ার, ১৮১৮৯ এর্নাকুলাম এক্সপ্রেস, ১১০২০ কোনারক এক্সপ্রেস, ১২৭০৩ হাওড়া-সেকেন্দ্রাবাদ ফলকনুমা এক্সপ্রেস ও ১২২৪৫ হাওড়া-যশবন্তপুর দুরন্ত এক্সপ্রেস।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICC World Cup 2023: পাকিস্তান ক্রিকেটে গৃহযুদ্ধ! পরপর হার, বিশ্বকাপ থেকে কার্যত বিদায়, বাবরের মেয়াদ কি শেষ?

    ICC World Cup 2023: পাকিস্তান ক্রিকেটে গৃহযুদ্ধ! পরপর হার, বিশ্বকাপ থেকে কার্যত বিদায়, বাবরের মেয়াদ কি শেষ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তের দুই পারে দুই চিত্র। কলকাতায় বাবরদের দাওয়াতে বিরিয়ানি তো করাচিতে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কাটাছেঁড়া। আগামী কাল, মঙ্গলবার ৩১ অক্টোবর কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে বাংলাদেশে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। কাগজে কলমে, অঙ্কের বিচারে বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তান টিকে থাকলেও কার্যত সেমিফাইনালে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব বাবরদের। ৬ টি ম্যাচের মধ্যে চারটি ম্যাচে হেরে তাদের সংগ্রহ এই মুহূর্তে মাত্র ৪ পয়েন্ট। তাই সেমিফাইনালে যাওয়ার আশা জিইয়ে রাখতে হলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পরবর্তী ম্যাচ জিততেই হবে। 

    কলকতা ঘুরলেন বাবররা

    শহরে বাবরদের ম্যাচ নিয়ে খুব একটা উত্তেজনা না থাকলেও মাঠ প্রায় ভর্তি থাকবে বলেই, আশা সিএবি কর্তাদের। সোমবার ইডেনে অনুশীলনও রয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেটারদের। তার আগে, রবিবার রাত আটটা নাগাদ ইমাম-উল-হককে সঙ্গে নিয়ে পাক অধিনায়ক বাবর ঘুরে আসেন ইকো পার্ক। দুপুরেই যেমন বান্ধবী ও পরিবারের সদস্যদের জন্য গয়না কিনতে ক্যামাক স্ট্রিটের অলঙ্কারের দোকানে গিয়েছিলেন আবদুল্লা শফিক ও সৌদ শাকিল। তবে, সকালের দিকে কলকাতার একটি জনপ্রিয় শপিং মল ঘুরে দেখার অনুমতি খারিজ হয় শাদাব খান ও ইফতিখার আহমেদের। কলকাতার বিরিয়ানির স্বাদ নিতেও ভুলল না বাবরের দল। ক্রিকেটাররা হোটেলের খাবারের বদলে যে যার পছন্দের বিরিয়ানি অর্ডার করে খেয়েছেন। 

    বাবর বনাম শাহিন

    কলকাতা ঘুরলেও,  অধিনায়ক বাবর আজমের এসএমএস কিংবা হোয়াটস্যাপের জবাব দিচ্ছেন না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান জাকা আশরফ। সূত্রের খবর, পাকিস্তান ড্রেসিংরুম কার্যত দুই শিবিরে বিভক্ত। একদিকে বাবর আজম শিবির। অন্যদিকে শাহিন শাহ আফ্রিদির শিবির। বাবর প্রকাশ্যেই বলছেন, শাহিন তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করে অধিনায়ক হতে চাইছেন। তাই তিনি দলবাজি করছেন। শাহিনও চুপ করে বসে নেই। তিনি প্রকাশ্যে বলছেন, পাকিস্তানের এই বিপর্যয়ের জন্য দায়ী বাবরের খারাপ নেতৃত্ব। পাক অধিনায়ক এবং দলের সেরা বোলারের এই সংঘাত ছুঁয়ে যাচ্ছে দলের বাকিদের। 

    আরও পড়ুন: জিততে মরিয়া সকলে! প্রয়োজনে ধরে খেলবেন, ম্যাচ শেষ আর কী বললেন রোহিত?

    ব্যর্থতার কাটাছেঁড়া

    পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার রশিদ লতিফ আবার আগুনে ঘৃতাহুতি দেন। তিনি বলেন, ‘পাঁচ মাস মাইনে না পাওয়া একটি দলের কাছে আর কি পারফরমেন্স আশা করা যায়!’ চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলার মধ্যে পাকিস্তান ক্রিকেট দল বিশ্বকাপে তাঁদের পরের ম্যাচ বাংলাদেশের সঙ্গে খেলতে নামবে। কিস্তান দলের সব খবর বাইরে চলে যাচ্ছে। এই অভিযোগে পাক মিডিয়া ম্যানেজার ইফতিকার নাগিকে ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। কলকাতাতেই যোগ দিচ্ছেন নতুন মিডিয়া ম্যানেজার ওমর ফারুখ কালসন। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • ICC World Cup 2023: জিততে মরিয়া সকলে! প্রয়োজনে ধরে খেলবেন, ম্যাচ শেষে আর কী বললেন রোহিত?

    ICC World Cup 2023: জিততে মরিয়া সকলে! প্রয়োজনে ধরে খেলবেন, ম্যাচ শেষে আর কী বললেন রোহিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনওদিন রোহিত তো কোনওদিন বিরাট! কখনও বুমরাহ-সামি তো কখনও কুলদীপ-জাদেজা! দলগত সাফল্যেরই উদাহরণ বিশ্বকাপের (ICC World Cup 2023) প্রথম ছটি ম্যাচের ছটিতেই অপ্রতিরোধ্য ভারত। দলে আত্মতুষ্টিরও কোনও জায়গা নেই। সকলেই প্রতিটি ম্যাচই জিততে মরিয়া মানলেন অধিনায়ক রোহিত। প্রথম পাঁচ ম্যাচে পরে ব্যাট করে জিতেছে ভারত। এদিন প্রথমে ব্যাট করে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে ভারতীয় ব্যাটাররা।‌ তাই পরের ম্যাচ থেকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার কথাও বললেন হিট-ম্য়ান।

    সতর্ক রোহিত

    রবিবার, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করতে গিয়ে বেকায়দায় পড়েন রোহিতরা। দ্রুত ফিরে যান গিল-কোহলি। চতুর্থ উইকেটে রোহিত এবং রাহুলের জুটিতে ৯১ রান যোগ না হলে দল সমস্যায় পড়ে যেত, মেনে নেন রোহিত। তিনি জানান, চোখ বন্ধ করে মোটেও আক্রমণাত্মক খেলবেন না। বরং পরিস্থিতি অনুযায়ী আক্রমণাত্মক খেলবেন। প্রয়োজনে ইনিংস গড়ে তোলার কাজ করবেন। রোহিত বলেন, ‘প্রথম ১০ ওভারের পর পার্টনারশিপ গড়ার প্রয়োজন ছিল। শুধুমাত্র নিজের শট খেললে চলত না, পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাট করতে হত। সেই অভিজ্ঞতা থাকলে কাজে লাগানো উচিত। তাও আমার মনে হয়েছিল ২০-৩০ রান কম হয়েছে। নতুন বলে ব্যাট করা চ্যালেঞ্জিং ছিল। ম্যাচের বয়স বাড়ার সঙ্গে বল কিছুটা নরম হয়ে যায়। তাই স্ট্রাইক রোটেট করা সহজ ছিল না।’

    দুরন্ত বোলিং

    লখনউয়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৪০ রানে তিন উইকেট পড়ে গিয়েছিল ভারতের। সেখান থেকে রাহুলের সঙ্গে জুটি বেঁধে ভারতের ইনিংসের হাল ধরেন রোহিত। সেইসময় একেবারে দেখেশুনে খেলতে থাকেন। সেরকম ঝুঁকি নিচ্ছিলেন না। ১০১ বলে ৮৭ রানে আউট হয়ে যান। তিনি থাকলে ভারতের রানটা ২২৯ থেকে বেড়ে অত্যন্ত ২৫০-২৬০ হতে পারত বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা। তবে এত অল্প রানের পুঁজি নিয়েও যে এতো সহজে ম্যাচ জেতা যায় তা দেখিয়ে দেয় রোহিত-ব্রিগেড। ম্যাচের শেষে তাই আলাদা করে বোলারদের প্রশংসা করলেন ভারতের নেতা। রোহিত বলেন, ‘এত কম রানের পুঁজিতে এইধরনের বোলিং প্রতিদিন দেখা যায় না। আমাদের পেসাররা পিচের কন্ডিশন ব্যবহার করেছে। উইকেট থেকে সুইং এবং মুভমেন্ট পেয়েছে। পেসাররা এবং স্পিনাররা নিজেদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগায়। এরকম বোলিং আক্রমণ থাকলে ব্যাটারদের কর্তব্য ওদের লড়াইয়ের জন্য ন্যূনতম রানটুকু করা। তারপর ওদের ম্যাজিকের অপেক্ষা করা।’ 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share