Blog

  • Anubrata Mondal: এবার গরু পাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা মণ্ডল

    Anubrata Mondal: এবার গরু পাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা মণ্ডল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবা গ্রেফতার হয়েছিলেন আগেই। এবার গ্রেফতার হলেন অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) মেয়ে সুকন্যা (Sukanya Mondal)। বুধবার সন্ধ্যায় ইডি (ED) গ্রেফতার করে তাঁকে। এই মামলায় আট মাস আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তার পর থেকেই সুকন্যাকে তলব করা হচ্ছিল। প্রথমবার হাজিরা দিলেও, পরে নানা অছিলায় হাজিরা এড়িয়ে যান সুকন্যা। বুধবার সকালেই ডেকে পাঠানো হয় অনুব্রত-কন্যাকে। চলে টানা জেরা। তার পর সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ইডি সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসহযোগিতা করছিলেন সুকন্যা।

    অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) মেয়েকে জেরা…

    কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিপুল সম্পত্তি সম্পর্কে সুকন্যাকে প্রশ্ন করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। যদিও তিনি কোনও সদুত্তর দেননি। সুকন্যা জানিয়ে দেন, ওই সব প্রশ্নের উত্তর তাঁর বাবা ও হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিই দিতে পারবেন। ইডি সূত্রে খবর, সেই কারণেই অনুব্রত (Anubrata Mondal) ও সুকন্যাকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার কথা ভাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    সুকন্যা পেশায় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষিকা। আয়ের সঙ্গে মিল নেই তাঁর বিপুল সম্পত্তির। এর পরেই প্রশ্ন ওঠে, তবে কি সুকৌশলে গরু পাচারের টাকা রাখা হচ্ছিল সুকন্যার ভাণ্ডারে? কেবল অনুব্রত নন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ওই মামলায় একে একে গ্রেফতার করে অনুব্রতর সঙ্গীদের। অনুব্রতর (Anubrata Mondal) দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকেও গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার করা হয় অনুব্রতর হিসাবরক্ষক মণীশকে। এবার গ্রেফতার করা হয় কেষ্ট-কন্যাকে।

    আরও পড়ুুন: অভিষেকের ‘এক রাতের তাঁবু তৈরির খরচ ৯২ লক্ষ টাকা’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    এদিকে, বাবা-মেয়ে দুজনেই গ্রেফতার হয়ে যাওয়ায় খাঁ খাঁ করছে বীরভূমে অনুব্রতর (Anubrata Mondal) বাড়ি। বাড়ির প্রহরায় রয়েছেন রাজ্য পুলিশের কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষী। কিছুদিন আগেই দলীয় কর্মীদের সুকন্যার খোঁজ-খবর নিতে বলেছিলেন খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও পার্টির কেউ পাশে না থাকায় ঘনিষ্ঠ মহলে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন সুকন্যা। এবার তিনিও চলে গেলেন গারদের অন্তরালে। পার্টির লোকজন কি তবে বিপদ আঁচ করে আগেই কেটে পড়ে ছিলেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: অভিষেকের ‘এক রাতের তাঁবু তৈরির খরচ ৯২ লক্ষ টাকা’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: অভিষেকের ‘এক রাতের তাঁবু তৈরির খরচ ৯২ লক্ষ টাকা’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক এক রাতের তাঁবু তৈরির খরচ ৯২ লক্ষ টাকা। বুধবার তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নবজোয়ার’ কর্মসূচি সম্পর্কে এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এই কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব যে বাস ব্যবহার করছেন, সে প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, বিলাসবহুল সেই বাস পাঁচতারা হোটেলকেও হার মানাবে। ওই বাসে যা যা ব্যবস্থা আছে, তা অনেক পাঁচতারা হোটেলেও থাকে না।

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দলীয় কর্মীদের ক্ষোভের আগুনে ধামাচাপা দিতে জনসংযোগ যাত্রায় বেরিয়েছেন অভিষেক। জনসংযোগ এই যাত্রার পোশাকি নাম নবজোয়ার। মঙ্গলবার কোচবিহার থেকে শুরু হয়েছে এই কর্মসূচি। সেই কর্মসূচি পালন করতে গিয়েই লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, এই টাকার সিংহভাগ অংশ খরচ করছে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতর। ফান্ডের অভাবে যেখানে সরকারি কর্মচারিদের বকেয়া ডিএ দেওয়া যাচ্ছে না, সেখানে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করে জনসংযোগ যাত্রা কর্মসূচি পালনের মানে কি? প্রশ্ন তাঁদের।

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কটাক্ষ…

    অভিষেকের নবজোয়ার কর্মসূচিকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ও (অভিষেক) যত ঘুরবে, ততই লাভ হবে বিজেপির। ভোট বাড়বে বিজেপির। অতীতেও হয়েছে, আগামী দিনেও হবে। তিনি বলেন, তাই এ ব্যাপারে বিচলিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। এদিন মুখ্যমন্ত্রীকেও কটাক্ষ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, খুব খেলা হবে, খেলা হবে বলছিলেন। এখন উল্টো খেলা হচ্ছে। এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী রাজ্য সরকার। তিনি বলেন, কালিয়াগঞ্জ যাবেন নাকি? আপনি তো পুলিশমন্ত্রী, যান না একবার ঘুরে আসুন।

    আরও পড়ুুন: মমতার ঘাড়ে দিল্লির ‘ভূত’! মালদহকাণ্ডে বিজেপির চক্রান্ত দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    এদিকে, শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) গড়ে নবজোয়ার কর্মসূচি পালন করতে আসছেন অভিষেক। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তিনি থাকবেন চারদিন। তার ঠিক আগে আগেই কার্যত ধস নামল ঘাসফুল শিবিরে। মঙ্গলবার সকালে পটাশপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে পদত্যাগ করেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান, অঞ্চল সভাপতি, বুথ সভাপতি সহ ৩০ জন পদাধিকারী। পটাশপুর ২ ব্লকের মথুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অমিত মণ্ডল বলেন, প্রধান হিসেবে আমি একা পদত্যাগ করিনি। অধিকাংশ পঞ্চায়েত সদস্যই পদত্যাগ করেছেন। ব্লকের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ও দ্বিচারিতার জন্যই পদত্যাগ করলাম। কোনও সিদ্ধান্ত আলোচনা না করেই আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ব্লক নেতৃত্বের নির্দেশে পুলিশকে দিয়ে আমাদের পদাধিকারীরাই দলের কর্মীদের গ্রেফতার করাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: মমতার ঘাড়ে দিল্লির ‘ভূত’! মালদহকাণ্ডে বিজেপির চক্রান্ত দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    Mamata Banerjee: মমতার ঘাড়ে দিল্লির ‘ভূত’! মালদহকাণ্ডে বিজেপির চক্রান্ত দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে (Mamata Banerjee) এখনও তাড়া করে চলেছে দিল্লির ভূত! রাজ্যে যে কোনও ঘটনা ঘটলেই বিরোধীদের চক্রান্ত, দিল্লির চক্রান্ত খুঁজে পান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনার দায়ভার অন্যের ঘাড়ে তুলে দিয়েই হাত ধুয়ে ফেলায় সিদ্ধহস্ত তিনি! এবারও অন্যথা হল তার। মালদহের (Malda) স্কুলে ঢুকে বন্দুকবাজের তাণ্ডবের ঘটনায়ও দিল্লির হাত দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, এর পিছনে দিল্লির চক্রান্ত রয়েছে। এদিন স্কুলগুলিকে দারোয়ান নিয়োগের পরামর্শও দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাজুড়ে যে চক্রান্ত করছে তার মধ্যে দিল্লি আছে আমি এখনও বিশ্বাস করি। কে বা কারা আছে, আমি জানি না। কিন্তু দিল্লির (Delhi) চক্রান্ত এ টু জেড আছে। যেখানেই বিরোধী দল ক্ষমতায় রয়েছে, সেখানেই ডিস্টার্ব করে। আমাকে তো প্রথম থেকেই করে। প্রসঙ্গত, বুধবার দুপুরে পুরাতন মালদার একটি স্কুলে বন্দুক নিয়ে ঢুকে পড়ে এক ব্যক্তি। ক্লাসে ঢুকে ছাত্রছাত্রীদের পণবন্দি করে সে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে গ্রেফতার করে ওই বন্দুকবাজকে।

    মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) দাবি…

    এদিন উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে নাবালিকার অস্বাভাবিক মৃত্যু প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। তিনি বলেন, এটা আত্মহত্যার ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি ওদের হোয়াটসঅ্যাপের কথোপকথন দেখেছি। হয়তো প্রণয়ঘটিত কোনও ব্যাপার। কিন্তু আমার এসব বলা উচিত নয়। কারণ পুলিশ তদন্ত করছে। আমি পুলিশকে কড়া পদক্ষেপ করতে বলেছি। আমরা অনেক তথ্য পাচ্ছি। তিনি বলেন, কিন্তু এটা আত্মহত্যার ঘটনা। চিকিৎসক জানিয়েছেন সে বিষপান করেছিল। ভিডিও, পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট সব রয়েছে। পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।

    আরও পড়ুুন: হাতে অ্যাসিড বোমা নিয়ে ক্লাসের মধ্যে দাপিয়ে বেড়াল বন্দুকবাজ, আতঙ্কিত পড়ুয়ারা

    মুখ্যমন্ত্রীর এহেন বেফাঁস মন্তব্যের জেরে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। তাঁরা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী একথা বলার পর কোন পুলিশ আধিকারিকের ঘাড়ে কটা মাথা আছে যে তিনি এর বাইরে অন্য কিছু প্রমাণ করবেন? বিরোধীদের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই পুলিশি তদন্তকে প্রভাবিত করা শুরু করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ভবানীপুর থানায় গিয়ে ছাড়িয়ে এনেছিলেন দুষ্কৃতীদের। পার্কস্ট্রিট ধর্ষণকাণ্ডে তাঁর মন্তব্যেও সৃষ্টি হয়েছিল বিতর্কের। এর আগে হাঁসখালির ঘটনার সময়ও একই রকম মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিরোধীদের প্রশ্ন, এর পরেও কি নিরপেক্ষ তদন্ত আশা করা যায়?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Primary TET: ২০১৪ সালে চাকরি পাওয়া প্রাথমিক শিক্ষকদের নথি তলব সিবিআইয়ের

    Primary TET: ২০১৪ সালে চাকরি পাওয়া প্রাথমিক শিক্ষকদের নথি তলব সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে টেট (Primary TET) পাশ করে যাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের সম্পর্কে সমস্ত তথ্য চেয়ে পাঠাল সিবিআই (CBI)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে মঙ্গলবার এই মর্মে নোটিশ পাঠানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে। নোটিশ পাঠিয়েছেন দুর্নীতি দমন শাখার ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ সঞ্জয় কুমার সামল। ওই নোটিশে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালে টেট উত্তীর্ণ হয়ে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের সিরিয়াল নম্বর সহ নাম, জন্মের শংসাপত্র, বাবার নাম, ঠিকানা, কোন স্কুলে তাঁরা চাকরি করছেন এবং তাঁদের মোবাইল নম্বর দ্রুত জানাতে হবে সিবিআইকে (CBI)।

    টেট (Primary TET) পাশ শিক্ষকদের তথ্য তলব…

    ২০২২ সালের ৮ জুন কলকাতা হাইকোর্টের দেওয়া একটি নির্দেশের ভিত্তিতে নিয়োগ কেলেঙ্কারির তদন্তের স্বার্থে এই তথ্য তলব করেছে সিবিআই। কেবল তাই নয়, ২০১৬, ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, সেই বিজ্ঞপ্তির প্রতিলিপিও জমা দিতে বলেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চিঠি পাওয়ার পরে পরেই এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (Primary TET)। মঙ্গলবারই একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারি পার্থ কর্মকার।

    সেই বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানকে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পর্ষদ। ওই শিক্ষকদের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জোগাড় করে সিবিআইয়ের কলকাতার নিজাম প্যালেসের অফিসের ১৪ তলায় জমা দিতে বলা হয়েছে। ওই শিক্ষকদের তথ্য দিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ যাতে কোনও বিলম্ব না করে, তাও বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

    আরও পড়ুুন: এবার অধ্যক্ষ নিয়োগেও অনিয়মের অভিযোগ! হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি রাজ্যপালকে

    বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির নেতা স্বপন মণ্ডল বলেন, সিবিআইয়ের এমন পদক্ষেপ করা দেখে বোঝা যাচ্ছে, টেট বা স্কুল সার্ভিস কমিশন মারফত যে সব শিক্ষক নিয়োগ হয়েছিল, তার সবেতেই দুর্নীতি রয়েছে। শুধু ২০১৪ সালের টেট (Primary TET) নয়, ২০১৭ সালের টেট পরীক্ষার ক্ষেত্রেও দুর্নীতি হয়েছে বলে আমরা জেনেছি। এই সরকার ক্ষমতায় আসর পর ২০১২ সালে যে টেট হয়েছিল, তাতেও নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। তাই আমরা চাই এই সমস্ত নিয়োগ নিয়ে তদন্ত করে দুর্নীতির পর্দা ফাঁস হোক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: ‘‘৯ মাসেও পারলেন না…’’! পার্থর আংটি বিতর্কে হাইকোর্টের রোষে জেল সুপার

    Partha Chatterjee: ‘‘৯ মাসেও পারলেন না…’’! পার্থর আংটি বিতর্কে হাইকোর্টের রোষে জেল সুপার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) আংটি বিতর্কে সংশোধনাগারের উত্তরে অসন্তুষ্ট আদালত। একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়লেন সংশোধনাগার সুপার। জেলে ঢোকার সময় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আঙুল ফোলা ছিল। আর সেই কারণেই তাঁর আঙুল থেকে আংটি খোলা সম্ভব হয়নি! প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর আংটিকাণ্ড নিয়ে বুধবার আদালতে হাজিরা দিয়ে এমনটাই দাবি করলেন প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার দেবাশিস চক্রবর্তী। জেল সুপারের জবাব শুনে কলকাতা নগর দায়রা আদালতের বিচারকের প্রশ্ন, ৯ মাসেও কেন সেই আংটি খোলা গেল না। বিচারক বলেন, ‘‘৯ মাসে আপনি যেটা করতে পারলেন না আদালতের তরফে ৯ মিনিটে তা করে ফেলা গেল।’’

    সওয়াল ইডির

    আংটি বিতর্কে আদালতে জোরালো সওয়াল করে ইডি। ইডির আইনজীবীর দাবি, ‘রাজ্যে কারা আইনে বলা আছে এই ধরনের অভিযোগ উঠলে আইজি কারা বা এডিজি কারা অভিযুক্তকে রাজ্যের মধ্যে বা ভিন রাজ্যের জেলে স্থানান্তরিত করা যায়’। একজন বন্দীর আঙুলে আংটি (Partha Ring) থাকে কী করে? সম্প্রতি আদালতে প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শরীর স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই আংটিগুলি আঙুলে ধারন। সাফাই দিয়েছিলেন পার্থ (Partha Chatterjee)। প্রশ্ন ওঠে কারা আইনের বিরুদ্ধে গিয়ে পার্থর আঙুলে আংটি রাখার অনুমতি কীভাবে দিল জেল কর্তৃপক্ষ? এই ঘটনায় আদালতে প্রেসিডেন্সি জেল সুপারকে তলব করেন বিচারক। সেই নির্দেশ মেনে বুধবার আদালতে হাজির হন জেল সুপার। 

    আরও পড়ুুন: ‘মোদি’ পদবী মামলায় গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ রাহুল, শুনানি শীঘ্রই

    অসন্তোষ আদালতের

    সংশোধনাগারের উত্তরে অসন্তুষ্ট আদালত জেল সুপারকে মাত্র ১০ মিনিট সময় দিলেন উত্তর লিখতে। জেলারের উদ্দেশে বিচারকের প্রশ্ন, “আপনি কি নিজেই কারা আইন (Partha Ring) তৈরি করছেন?” আংটিকাণ্ড নিয়ে জেল সুপারের দেওয়া জবাবে অসন্তোষ প্রকাশ করে পার্থের জেলে প্রবেশের সময়ের রেজিস্ট্রার খাতা খতিয়ে দেখেন বিচারক। প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের জেল সুপার প্রসঙ্গে ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজির দাবি, ‘‘উনি এমন একজন জেল সুপার, যাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশও অমান্য করেন উনি। ২০০০ টাকা জরিমানাও করা হয়। একটা অদৃশ্য হাত কাজ করছে। যার জেরে ওঁকে অন্যত্র বদলি করা যায় না।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: ঝাঁঝ বাড়ছে ডিএ আন্দোলনের! নবান্ন অভিযান ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে সভার ডাক

    DA Protest: ঝাঁঝ বাড়ছে ডিএ আন্দোলনের! নবান্ন অভিযান ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে সভার ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় মহার্ঘ ভাতা (DA Protest)-র দাবিতে শহিদ মিনারে অবস্থান করছেন রাজ্য সরকারী কর্মচারীরা। আগামী ৬ মে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আন্দোলন ১০০ দিন পূর্ণ করবে। ওই দিন কলকাতায় এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করবেন তাঁরা। পাশাপাশি, ওই দিনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা এলাকায় জনসভা করবে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।

    নবান্ন অভিযান

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সরকারি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল সরকার। তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়ে দেন, ডিএ-র (DA Protest) সমস্যা তাতে মেটেনি। নিষ্ফল বৈঠকের পরই চরম পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন সরকারি কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে আগামিকাল থেকে রাস্তায় নামছেন কো-অর্ডিনেশন কমিটির সদস্যরা। বাংলার সরকারি কর্মচারীরা ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় ছয় শতাংশ ডিএ পান। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা  ৪২ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন। কেন্দ্রের থেকে রাজ্য সরকারের কর্মীদের ডিএ-র ফারাক ৩৬ শতাংশ। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীরাই দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন হারে মহার্ঘ ভাতা পেয়ে থাকেন। এই নিয়েই চলছে আন্দোলন।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে চালু হবে দ্বিতীয় বন্দে ভারত! ছুটবে কোন রুটে?

    বকেয়া ডিএ (DA Protest) মেটানোর দাবিতে আগামী ৪ মে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে কো-অর্ডিনেশন কমিটি। সেই অভিযানে শামিল হতে চলেছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরাও। তার আগে আগামিকাল, ২৭ এপ্রিল থেকে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে কো-অর্ডিনেশন কমিটির। উল্লেখ্য, এর আগে ডিএ ইস্যুতে সরকারের সঙ্গে মঞ্চের বৈঠকে উপস্থিত হননি কো-অর্ডিনেশন কমিটির কোনও সদস্য। তাঁদের দাবি ছিল, মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন, তাই মামলাকারী হিসেবে সরকাররে সঙ্গে বৈঠকের প্রশ্নই ওঠে না। 

    হাজরা মোড়ে সভা

    অন্যদিকে, এত দিন কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় এবং ডিএ-র (DA Protest) দাবিতে দিল্লির যন্তরমন্তরে ধর্না দিয়েছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। এবার একেবারে  মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে হাজরা মোড়ে সভা করার কথা জানালেন তাঁরা। হাজরা মোড় এলাকাটি মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের অন্তগর্ত। ৬ মে কলকাতায় মিছিলের পর ডিএ-র দাবিতে সেখানেই সমবেত হবেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। তবে, হাজরা মোড় থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির দূরত্ব এক কিলোমিটারও নয়। তাই এখানে পুলিশ সভার অনুমতি দেবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ বলেন, ‘‘হাজরা মোড়ে তো বিভিন্ন সভা হয়। তাই আমরা আমাদের দাবি নিয়ে সভা করব। সেক্ষেত্রে পুলিশ যদি আমাদের সভা করার অনুমতি না দেয়, তাহলে আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অনুমতি এনে সভা করব।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WhatsApp New Feature: এবার থেকে এক সঙ্গে ৪টি ডিভাইসে চলবে এক নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ!

    WhatsApp New Feature: এবার থেকে এক সঙ্গে ৪টি ডিভাইসে চলবে এক নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্ক জুকেরবার্গের হোয়াটসঅ্যাপ টিম একের পর এক নতুন ফিচার (WhatsApp New Feature) এনেই চলেছে। ব্যবহারকারীরাও খুশি এতে। কারণ, নতুন ফিচারগুলির (WhatsApp New Feature) ফলে তাঁদের কাজ আরও সহজ হয়ে উঠছে। হোয়াটসঅ্যাপ এখন আর ব্যক্তিগত চ্যাটিং এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। প্রায় সবরকমের অফিসিয়াল কাজেই এখন হোয়াটসঅ্যাপ দরকার পড়ে। এবার হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে এল এমন একটি নতুন ফিচার যেখানে একসঙ্গে ৪টি ডিভাইসে খোলা যাবে একই নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ। অর্থাৎ একটি ডিভাইসে একটি হোয়াটসঅ্যাপ! এটা এখন পুরনো তত্ত্ব হয়ে গেল। অর্থাৎ এখন থেকে এই মাল্টি ডিভাইস ফিচারের মাধ্যমে আপনি চাইলে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটি আপনার প্রধান ফোন বাদ দিয়ে অতিরিক্ত কোনও ফোন থাকলে তাতে খুলে রাখতে পারেন। আবার চাইলে কোনও ট্যাব,  কম্পিউটারেও সেই একই নম্বরের অ্যাকাউন্ট খুলে রাখতে পারবেন।

    কী বললেন মেটার কর্ণধার

    মঙ্গলবার এমনটাই ঘোষণা করলেন মেটার কর্ণধার মার্ক জুকেরবার্গ। তিনি তাঁর সমাজমাধ্যমে এই ঘোষণা করেন। জুকেরবার্গ লিখেছেন, “এখন থেকে চারটি ফোনে একই সঙ্গে একটি হোয়াটস্‌অ্যাপ অ্যাকাউন্টে লগ ইন করা যাবে।”

    আগামী সপ্তাহের মধ্যেই চালু হবে পরিষেবা (WhatsApp New Feature)

    হোয়াটসঅ্যাপ সূত্রে খবর, এই পরিষেবাটি আগামী সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত ব্যবহারকারীদের জন্য চালু হবে। এখনও পর্যন্ত, ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র একটি ফোন এবং একাধিক ডেস্কটপ ডিভাইসে তাঁদের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট লগ ইন করতে পারেন। নতুন এই পরিষেবার মাধ্যমে, ব্যবহারকারী তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের তথ্য মূল ফোন ছাড়াও অন্য ফোনগুলিতেও একই সঙ্গে দেখেতে পারবেন। তাই একটি ডিভাইস বন্ধ থাকলেও তাঁরা অন্য ডিভাইসে হোয়াট্‌সঅ্যাপ (WhatsApp New Feature) ব্যবহার করতে পারবেন। জানা গিয়েছে, নতুন ফোনে অ্যাকাউন্ট সেটআপের সময় ফোন নম্বর দেওয়া এবং  সাধারণভাবে লগ ইন করার বদলে, ‘link to existing account’ অপশনে যেতে  হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Maoist Attack: ছত্তিসগড়ের দান্তেওয়াড়ায় আইইডি বিস্ফোরণ মাওবাদীদের, শহিদ ১১ জওয়ান

    Maoist Attack: ছত্তিসগড়ের দান্তেওয়াড়ায় আইইডি বিস্ফোরণ মাওবাদীদের, শহিদ ১১ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাওবাদী (Maoist Attack) হামলায় রক্তাক্ত ছত্তিসগড়ের (Chhattisgarh) দান্তেওয়াড়া (Dantewada)। আইইডি (IED) বিস্ফোরণের জেরে শহিদ হয়েছেন ১১ জন জওয়ান। ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল। গত সপ্তাহেই চিঠি পাঠিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীকে আক্রমণের হুমকি দিয়েছিল মাওবাদীরা। তার পর বুধবার ঘটে গেল এই ঘটনা।

    মাওবাদী (Maoist Attack) হামলায় ঝরল রক্ত…

    সূত্রের খবর, এদিন মাও দমন অভিযান সেরে ফিরছিলেন জওয়ানরা। তাঁরা যখন আরানপুর এলাকায়, তখনই আইইডি বিস্ফোরণ ঘটায় মাওবাদীরা (Maoist Attack)। বিস্ফোরণের অভিঘাতে উড়ে যায় জওয়ানদের গাড়িটি। ছিটকে পড়েন জওয়ানরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁদের। বিস্ফোরণের জেরে মৃত্যু হয়েছে গাড়িটির চালকেরও। ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, দান্তেওয়াড়ার আরানপুরে মাওবাদী দমন অভিযানে যোগ দিতে আসা ডিআরজি বাহিনীর বিরুদ্ধে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে মাওবাদীরা (Maoist Attack)। ১০ ডিআরজি জওয়ান ও একজন চালক মারা গিয়েছেন। এই ঘটনা দুঃখজনক। আমরা, রাজ্যের বাসিন্দারা তাঁদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জানাই। তাঁদের পরিবারের প্রতি রইল সমবেদনা।

    ওঁদের আত্মার শান্তি কামনা করি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মাওবাদীদের রেহাই দেওয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই শেষ পর্যায়ে। তিনি বলেন, মাওবাদকে পরিকল্পিতভাবে নির্মূল করা হবে। সূত্রের খবর, মাওবাদীদের হামলার (Maoist Attack) পরে পরেই এলাকা ঘিরে ফেলেছে পুলিশ। দু পক্ষের গুলির লড়াই এখনও চলছে। মাওবাদীদের ধরতে আরও ফোর্স তলব করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, মাওবাদী হামলায় সেনাবাহিনীকে সবরকমভাবে সাহায্য করা হবে।

    আরও পড়ুুন: ‘মোদি’ পদবী মামলায় গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ রাহুল, শুনানি শীঘ্রই

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সাল থেকে ২০২০ পর্যন্ত ছত্তিসগড়ে ৩ হাজার ৭২২টি মাওবাদী হামলার (Maoist Attack) ঘটনা ঘটেছে। এই হামলায় শহিদ হয়েছেন ৪৮৯ জওয়ান। সরকারি সূত্রেই জানা গিয়েছে, ওই রাজ্যের ৮টি জেলা মাওবাদী প্রভাবিত। এর মধ্যে রয়েছে বিজাপুর, সুকমা, দান্তেওয়াড়া, বস্তার, কাঙ্কের, নারায়ণপুর, রাজনন্দগাঁও এবং কোন্ডাগাঁও। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহ বলেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত রাজ্যগুলির সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে, ততদিন এই সমস্যা মিটবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mango Side Effects: গরমে দেদার আম খাচ্ছেন? অজান্তেই নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

    Mango Side Effects: গরমে দেদার আম খাচ্ছেন? অজান্তেই নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমসাগর, আম্রপালি, ল্যাংড়া, গোলাপখাস আরও কত গোত্র তার। পুরাণ থেকে ইতিহাস সবেতেই ঠাঁই মিলেছে আমের। গ্রীষ্মকাল মানেই আমের মরসুম শুরু। গোটা আম খোসা ছাড়িয়ে খাওয়াতো আছেই, পাশাপাশি আমের সরবত, আমের জুশ, আম ডাল, আমের চাটনি, আমের আচার এখনও সমান জনপ্রিয় বাঙালি বাড়িতে। আম রসনা মেটায়, তাছাড়া আমের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু পুষ্টিগুণও। আমে থাকে ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা স্ট্রেস কমায়। এছাড়া আম হল ভিটামিন সি-এর ভাল উৎস। নিয়ন্ত্রিতভাবে আম খেলে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত আম (Mango Side Effects) খেতে মানা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কোন কোন ক্ষেত্রে আম এড়িয়ে (Mango Side Effects) চলা উচিত

    ১) ওবেসিটিতে ভুগলে নিয়ন্ত্রিতভাবে আম খান 

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমে ভিটামিন সি ও ক্যালোরি দুই-ই ভরপুর মাত্রায় থাকে। মাঝারি সাইজের আমে থাকে ১৩৫ ক্যালোরি। কিন্তু যাঁরা স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন এবং ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাঁরা বেশি আম খেলে ওজন তো কমবেই না বরং বাড়বে।

    ২) ডায়াবেটিস রোগীরা আম (Mango Side Effects) থেকে দূরে থাকুন 

    আম রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এটি ফ্রুকটোজ়ে ভরপুর। তাই যাঁরা ডায়াবিটিসের রোগী, তাঁদের পক্ষে আম বড় বিপদ হয়ে দেখা দিতে পারে। রক্তে শর্করার মাত্রা আয়ত্তে রাখতে তাই নিয়ম-নীতি ভেঙে ও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আম একেবারেই নয়। খেলেও নিয়ন্ত্রণ রেখে খান।

    ৩) অতিরিক্ত আম খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে 

    অতিরিক্ত আম খেলে আরও বড় যে সমস্যা হয়, সেটি হল হজমের সমস্যা। গরমের দিনে এমনিতেই অনেকে হজমের সমস্যায় ভোগেন। রোজ বেশি পরিমাণে আম (Mango Side Effects) খেলে হজমশক্তির উপর তার প্রভাব পড়ে। শুধু তা-ই নয়, দিনের পর দিন অতিরিক্ত আম গ্যাসটাইট্রিসের সমস্যাকেও উস্কে দেয়। তাই হজমের ক্ষমতাকে ঠিক রাখতে চাইলে ঘন ঘন আম খাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

    ৪) বাতের ব্যাথায় ভুগলে আম এড়িয়ে চলুন 

    আর্থারাইটিস বা বাতের ব্যথায় যাঁরা ভোগেন, তাঁরা আম এড়িয়ে (Mango Side Effects) চলুন। আম খেলে এই ধরনের ব্যথা বাড়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। একান্তই আম খেতে চাইলে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিন।

    ৫) অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে নিয়ন্ত্রিতভাবে আম খান 

    যাঁদের ত্বকে অ্যালার্জির প্রবণতা আছে, তাঁরাও আম খাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ আনুন। আম খেলে চোখ জ্বালা, হাঁচি, পেটে ব্যথা, ঠান্ডা লেগে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। তাই আম খাওয়ার আগে সচেতন থাকুন।

    ৬) বেশি আম খেলে হতে পারে ব্রণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, আম বেশি খেলে মুখে দেখা দিতে পারে ব্রণ। আমের রসনার স্বাদ নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন। কিন্তু মনে রাখবেন স্বাস্থ্যের কারণে তা নিয়ন্ত্রিত রাখতেই হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Operation Kaveri: যুদ্ধ বিধ্বস্ত সুদান! আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারকাজে বায়ুসেনা ও নৌসেনা

    Operation Kaveri: যুদ্ধ বিধ্বস্ত সুদান! আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারকাজে বায়ুসেনা ও নৌসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে বিধ্বস্ত সুদান থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারকাজ (Operation Kaveri) চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা বাহিনী। তৃতীয় দফায় ভারতীয়দের উদ্ধারকাজ সম্পন্ন করেছে সেনা। বুধবার ভোরে সুদানে আটকে থাকা মোট ১৩৫ জন ভারতীয়কে উদ্ধার করে বায়ুসেনার আইএএফ সি-১৩০জে বিমানে করে সৌদি আরবের জেদ্দায় আনা হয়।

    অপারেশন কাবেরী

    সোমবারই সুদানে আটকে পড়া ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়ে দেন গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত সুদান থেকে ভারতীয়দের সরিয়ে আনার সিদ্ধান্তের কথা। প্রথম পর্যায়ে সেই কাজ শুরুও হয়েছে। এবার ‘অপারেশন কাবেরী’-র (Operation Kaveri) দ্বিতীয় পর্যায়ে সুদান বন্দরের বাকি ২৫০ জন ভারতীয়কে বিমান বাহিনীর দুটি আইএ এফ সি-১৩০ জে ( IAF C-130 J) হারকিউলিস বিমানের সাহায্যে ফিরিয়ে আনা হয়। তাদের স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী ভি মুরলীধরন। মঙ্গলবারই বিদেশ প্রতিমন্ত্রী সৌদি আরবের জেদ্দায় ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়ান স্কুল, যেখানে ভারতীয়দের সাময়িকভাবে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখেন।

    চলছে উদ্ধারকাজ

    ভারতীয় দূতাবাসের প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত প্রায় ৭০০ ভারতীয় সুদানের বন্দরে এসে পৌঁছেছেন। আরও অন্তত পাঁচশো ভারতীয় বন্দরে পৌঁছনোর চেষ্টা করছেন। এদের মধ্যে একটি অংশকে নিয়েই প্রথম উদ্ধার অভিযান শুরু করে আইএনএস সুমেধা। ভারতীয় নৌ-সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, আইএনএস সুমেধা কমপক্ষে তিনবার সুদান থেকে জেদ্দা যাতায়াত করবে। যত সম্ভব ভারতীয়দের নিয়ে সুদানের বন্দর থেকে রওনা দেবে আইএনএস সুমেধা। উত্তর ও দক্ষিণ সুদানে আটকে থাকা ভারতীয়দের উদ্ধারে অবশ্য অন্য রাস্তা ভাবতে হয়েছে বিদেশমন্ত্রককে। সৌদি আরব, ফ্রান্স, আমেরিকা, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি মতো বন্ধু দেশগুলির মাধ্যমে তাঁদের উদ্ধার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই উত্তর সুদান থেকে বেশ কয়েকজন ভারতীয়কে উদ্ধার করেছে সৌদি আরব, আমেরিকা ও ফ্রান্স।

    সুদানের সেনাপ্রধান আবদেল ফতাহ আল-বুরহান এবং আধাসেনা আরএসএফ বাহিনীর প্রধান মহম্মদ হামদান ডাগলো ওরফে হেমেত্তির বাহিনীর লড়াইয়ে নিহতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই হাজার ছুঁতে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে শুধু বিদেশি নাগরিকেরাই নয়, রাজধানী খার্তুম এবং তার ‘যমজ শহর’ ওমদুরমান-সহ সুদানের বিভিন্ন শহর থেকে সাধারণ মানুষও পালাতে শুরু করেছেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share