Blog

  • Calcutta High Court: ইডির সহকারী ডিরেক্টরকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের, কেন জানেন?

    Calcutta High Court: ইডির সহকারী ডিরেক্টরকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ইডির তদন্তে সন্তুষ্ট নয় কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। তদন্তে যুক্ত রয়েছেন ইডির সহকারী ডিরেক্টর মিথিলেশকুমার মিশ্র। শুক্রবার তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

    ইডিকে নির্দেশ আদালতের

    আদালত জানিয়েছে, ইডির তদন্তকারী অফিসার মিথিলেশকুমার মিশ্র শুনানিতে হাজির হয়ে যে জবাব দিয়েছেন, তাতে সন্তুষ্ট নয় আদালত। ইডিকে বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ, অবিলম্বে সব রকম তদন্ত থেকে অব্যাহতি দিতে হবে মিথিলেশকে। তাঁর জায়গায় যোগ্য অফিসারকে বহাল করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গে তিনি কোনও মামলার তদন্ত করতে পারবেন না। তিনি ইডিকে জানান, আত্মবিশ্বাসের অভাব থাকায় মিথিলেশকুমারকে সরিয়ে ৩ অক্টোবর তদন্তে উপযুক্ত অফিসারকে পদক্ষেপ করতে হবে।

    ‘তদন্ত করার যোগ্যতাই নেই’

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় নাম জড়িয়েছে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার। এই সংস্থার সিইও তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩ অক্টোবর সিজিও কমপ্লেক্সে তাঁকে তলব করেছে ইডি। এই মামলার তদন্তে ছিলেন মিথিলেশ (Calcutta High Court)। নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তির খতিয়ান আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। সেই রিপোর্ট দেখে সোমবার বিচারপতি সিনহা বলেছিলেন, “মনে হচ্ছে, ইডির এই ধরনের তদন্ত করার যোগ্যতাই নেই। এই গতিতে তদন্ত করে কি আপনারা আসলে তথ্য লোপাটের সুযোগ করে দিতে চাইছেন? আদালত কিন্তু অন্য কিছুর গন্ধ পাচ্ছে।”

    আরও পড়ুুন: “পশ্চিমবঙ্গ থেকে চোরেদের লিডার দিল্লি যাচ্ছেন” অভিষেককে তীব্র আক্রমণ সুকান্তর

    এই মামলার তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন মিথিলেশ। এদিন এজলাসে ইডির জমা দেওয়া রিপোর্টের পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য জানতে চান বিচারপতি সিনহা। তাঁর প্রশ্ন, “এই ধরনের তদন্ত করার প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ কি ইডি অফিসারদের আদৌ রয়েছে? আদালতের যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। মনে হচ্ছে, আপনারা কিছু গোপন করতে চাইছেন।”

    অভিষেকের সম্পত্তির খতিয়ান দেখে বিচারপতি সিনহা মিথিলেশকে প্রশ্ন করেন, “সম্পত্তির খতিয়ানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাত্র তিনটি বিমা রয়েছে বলে দেখা যাচ্ছে। বিমাগুলি কত টাকার, তাও উল্লেখ নেই। উনি একজন সাংসদ। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের কোনও উল্লেখ নেই। এসব আপনাদের চোখে পড়েনি?” ইডির আধিকারিক (Calcutta High Court) বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী যে তথ্য দিয়েছেন, সেটাই আদালতে পেশ করা হয়েছে।” এর পরেই ক্ষুব্ধ বিচারপতির প্রশ্ন, “আপনারা কি পোস্ট অফিস? যা দেওয়া হল, সেটাই পাঠিয়ে দিলেন? কীভাবে তদন্ত করতে হয়, আদালতকেই কি সেটা বলে দিতে হবে?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Abhishek Banerjee: প্রসঙ্গ অভিষেক, তদন্তের স্বার্থে যে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Abhishek Banerjee: প্রসঙ্গ অভিষেক, তদন্তের স্বার্থে যে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পারলে আমাকে আটকান”, শুক্রবার ইডির তলব প্রসঙ্গে কথাগুলি বলেছিলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এমতাবস্থায় ইডিকে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ, ৩ অক্টোবরের তদন্ত বা অনুসন্ধান যেন কোনওভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। তার জন্য যে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে। এই তদন্তে যুক্ত ইডির সহকারী ডিরেক্টর মিথিলেশকুমার মিশ্রকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারপতি। তিনি ইডিকে জানান, আত্মবিশ্বাসের অভাব থাকায় মিথিলেশকুমারকে সরিয়ে ৩ অক্টোবর তদন্তে উপযুক্ত অফিসারকে পদক্ষেপ করতে হবে।

    ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় নাম জড়িয়েছে নিউ আলিপুরের ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ নামে একটি সংস্থার। এই সংস্থার সিইও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক (Abhishek Banerjee)। ডিরেক্টর পদে ছিলেন অভিষেকের মা ও বাবা। এই তিনজনকেই তলব করা হয়েছে আগামী সপ্তাহে। অভিষেককে সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয়েছে ৩ অক্টোবর, বেলা সাড়ে ১০টায়। ঘটনাচক্রে ওই দিন দলীয় এক কর্মসূচিতে তাঁর দিল্লিতে থাকার কথা।

    “পারলে আমাকে আটকান”

    অভিষেক জানান, ঘোষিত কর্মসূচি ধরে ধরে তাঁকে ডেকে পাঠাচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এদিন এ নিয়ে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টও করেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক। শেষে লেখেন, “স্টপ মি ইফ ইউ ক্যান।” বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, “পারলে আমাকে আটকান।” অভিষেক লেখেন, “আমি আগামী ২ এবং ৩ অক্টোবর দিল্লিতে থাকব বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার জন্য।” আদালতে প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। এর পরেই বিচারপতি সিনহা বলেন, “৩ অক্টোবরের মধ্যে তদন্ত বা অনুসন্ধান যেন কোনওভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। তদন্তের স্বার্থে যে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি।”

    আরও পড়ুুন: “পশ্চিমবঙ্গ থেকে চোরেদের লিডার দিল্লি যাচ্ছেন” অভিষেককে তীব্র আক্রমণ সুকান্তর

    এই মামলায়ই ২৫ সেপ্টেম্বর ইডিকে ভর্ৎসনা করেছিলেন বিচারপতি সিনহা। ইডি আদালতকে অভিষেকের সম্পত্তির যে খতিয়ান দিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ নিয়ে গত আট মাস ধরে ইডি যে তদন্ত করেছে, তার নিট ফল শূন্য। এ বিষয়ে ইডিকে বিশদে তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশও দেন বিচারপতি সিনহা। অভিষেকের (Abhishek Banerjee) মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি, সে প্রশ্নও তোলেন। এর পরেই অভিষেকের মা ও বাবাকে তলব করে ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • MS Swaminathan: ‘সবুজ বিপ্লবে’র জনক! কৃষিবিজ্ঞানী এম এস স্বামীনাথন ছিলেন উদ্ভাবনী ক্ষমতার ভরকেন্দ্র

    MS Swaminathan: ‘সবুজ বিপ্লবে’র জনক! কৃষিবিজ্ঞানী এম এস স্বামীনাথন ছিলেন উদ্ভাবনী ক্ষমতার ভরকেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে দুর্ভিক্ষ রোখার জন্য এবং কৃষিক্ষেত্রে দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে ছয়ের দশকের শেষ দিক থেকে ভারত সরকার যে ‘সবুজ বিপ্লব’-এর সূচনা করে, তার মূল উদ্যোক্তা ছিলেন এম এস স্বামীনাথন। ষাটের দশকে ভারতে উদ্ভূত খাদ্য সঙ্কট এবং খাদ্যশস্যের জন্য বিদেশি রাষ্ট্রনির্ভরতা যে অনেকাংশে কমানো গিয়েছিল, তার পিছনে বড় অবদান ছিল প্রখ্যাত কৃষিবিজ্ঞানী এম এস স্বামীনাথনের। বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ের বাড়িতে জীবনাবসান হয় তাঁর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। 

    প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা

    স্বামীনাথনের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল সাইটে শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “কৃষিতে বৈপ্লবিক অবদানের বাইরেও ডক্টর স্বামীনাথন ছিলেন উদ্ভাবনী ক্ষমতার ভরকেন্দ্র। বহু মানুষের পথপ্রদর্শক ছিলেন তিনি। গবেষণার প্রতি তাঁর সঙ্কল্প বহু বিজ্ঞানী এবং গবেষককে অনুপ্রাণিত করেছিল।”

    স্বামীনাথনের বড় হওয়া

    স্বামীনাথনের জন্ম ১৯২৫ সালের ৭ অগস্ট, তামিলনাড়ুর তাঞ্জাভুর জেলায়। ১১ বছর বয়সে হারিয়েছেন বাবাকে। জেনারেল সার্জেন এমকে সাম্বসিবনের ছেলে স্বামীনাথন ১৫ বছর বয়সে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন। তাঁর উচ্চশিক্ষা শুরু হয় জুলজির হাত ধরে কেরলে। পরবর্তীতে তিনি মাদ্রাজ, দিল্লি ও আরও পরে নেদারল্যান্ডস, ইউকে, আমেরিকা থেকে একের পর এক ডিগ্রি সঞ্চয় করেন ও উচ্চশিক্ষা এগিয়ে নিয়ে যান।

    স্বামী বিবেকানন্দের ভক্ত 

    বিদেশে পড়াশোনায় একটা বড় সময় কাটালেও স্বামী বিবেকানন্দের ভক্ত স্বামীনাথনকে নাড়িয়ে দিয়েছিল ১৯৪৩ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষ। দেশের মানুষের মুখে খাবার যোগাতে তিনি কৃষি গবেষণায় মন দেন। উন্নত বীজ, জলসেচের মাধ্যমে দেশের পশ্চিম অংশ, মূলত পাঞ্জাবে তিনি আমূল পরিবর্তন আনেন। কৃষিবিজ্ঞানী হিসাবে উচ্চফলনশীল ধান উৎপাদনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। 

    স্বামীনাথনের গবেষণা

    দীর্ঘদিন কৃষি গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এম এস স্বামীনাথন। মূলত মিশ্র চাষ, চাষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার, ফসলে শংকর প্রজাতির ব্যবহার নিয়ে বিস্তৃত গবেষণা করেছেন তিনি। ধানের নতুন নতুন প্রজাতি আবিষ্কারের জন্য গোটা বিশ্বে স্বীকৃত স্বামীনাথন। তিনি আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা সংস্থার ডিরেক্টর হিসাবেও দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন যোজনা কমিশনের সঙ্গেও। প্ল্যান্ট জেনেটিক্সের ক্ষেত্রে তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজই ভারতের কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছিল। টেকসই কৃষি ব্যবস্থার মাধ্যমে খাদ্য সুরক্ষা বাস্তবায়িত হয়েছিল দেশে। এই সাফল্য তাঁকে এনে দিয়েছিল বিশ্বব্যাপী পরিচিতি। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত তিনি ভারতীয় কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের প্রধান পদে ছিলেন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি গবেষণা এবং শিক্ষা দফতরের সচিবের দায়িত্বও সামলান।

    আরও পড়ুন: কম বয়সেও হার্ট অ্যাটাক! বিশ্ব হার্ট দিবসে জানুন হৃদযন্ত্র ভাল রাখার সহজ কিছু উপায়

    স্বামীনাথনকে সম্মান

    কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ১৯৭১ সালে রমন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারে সম্মানিত করা হয় স্বামীনাথনকে। পদ্মশী, পদ্মভূষণ এবং পদ্মবিভূষণ পুরস্কারেও ভূষিত হন তিনি। ২০০৭ এবং ২০১৩ সালে পর পর দু’বার রাজ্যসভায় মনোনয়ন দেওয়া হয় তাঁকে। ১৯৮৬ সালে পেয়েছেন অ্যালবার্ট আইস্টাইন অ্যাওয়ার্ড। কর্মজীবন থেকে অবসরগ্রহণের পরেও দেশ-বিদেশের একাধিক পরিবেশগত এবং কৃষি সংক্রান্ত সংস্থায় পরামর্শদাতা কিংবা সদস্য হিসাবে কাজ করেছেন তিনি। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Maneka Gandhi: ইসকনের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য মানেকার, দায়ের ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা

    Maneka Gandhi: ইসকনের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য মানেকার, দায়ের ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সাংসদ মানেকা গান্ধীর (Maneka Gandhi) বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করল ইসকন। শুক্রবার এই মামলা করা হয়েছে। মানেকা গান্ধীর মন্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছে ধর্মীয় এই সংগঠন।

    মানেকার বিতর্কিত মন্তব্য

    ইসকন সম্পর্কে বুধবার বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন মানেকা। তিনি বলেছিলেন, “দেশের সব চেয়ে বড় প্রতারক ইস্কন। ওরা গোশালা চালায় এবং সুবিধা নেয় সরকারের থেকে।” তিনি (Maneka Gandhi) বলেন, “অন্ধ্রপ্রদেশে ইসকনের অনন্তপুর গোশালা পরিদর্শন করতে গিয়েছিলাম। সেখানে যতগুলি গরু দেখেছিলাম সবকটি দুগ্ধবতী। তাদের মধ্যে এমন কোনও গরু ছিল না, যারা দুধ দেয় না। বাছুরও ছিল না কোনও। অর্থাৎ খুব সহজেই অনুমেয়, বাছুরগুলিকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। কসাইদের কাছে গরুগুলিকে বিক্রি করে দেয় ইসকন। এরপর রাস্তায় গিয়ে ওরা হরে রাম হরে কৃষ্ণ গাইতে থাকে।”

    মানেকা পশুরক্ষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত

    মানেকা এও বলেছিলেন, “তারা (ইসকন) বলে তাদের গোটা জীবন দুধের ওপর নির্ভর। সম্ভবত তারা যা গরু বিক্রি করেছে, তার মতো গরু আর কেউ বিক্রি করেনি। এরা যদি এসব করতে পারে, তাহলে বাকিদের কী অবস্থা?” বিতর্কিত এই মন্তব্যের জেরেই মানেকার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় মানহানির মামলা। প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের সাংসদ মানেকা দীর্ঘদিন ধরেই বন্যপ্রাণ ও পশুরক্ষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত।

    ইসকনের কলকাতার সহ সভাপতি রাধারমণ দাস বলেন, “আজ আমরা শ্রীমতি মানেকা গান্ধীকে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলার নোটিশ পাঠিয়েছি। ইসকনের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন মন্তব্য করেছেন তিনি। বিশ্বব্যাপী ইস্কনের ভক্ত, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীরা ছড়িয়ে রয়েছেন। এতে সকলেই ব্যথিত। মানহানিকর এই অপবাদ কাম্য নয়। ইসকনের বিরুদ্ধে যে ভুয়ো প্রচার করা হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে ন্যায় পেতে আমরা শেষ বিন্দু পর্যন্ত লড়ব।”

    আরও পড়ুুন: কম বয়সেও হার্ট অ্যাটাক! বিশ্ব হার্ট দিবসে জানুন হৃদযন্ত্র ভাল রাখার সহজ কিছু উপায়

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: “পারলে আমাকে আটকান”, ইডিকে চ্যালেঞ্জ তৃণমূল নেতা অভিষেকের

    Abhishek Banerjee: “পারলে আমাকে আটকান”, ইডিকে চ্যালেঞ্জ তৃণমূল নেতা অভিষেকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির তলব উপেক্ষা করে দিল্লিতে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়াই স্থির করলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ৩ অক্টোবর সিজিও কমপ্লেক্সে তাঁকে তলব করেছে ইডি। এই সপ্তাহেই ইডি ডেকে পাঠিয়েছে অভিষেকের বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। শুক্রবার অভিষেক জানান, ঘোষিত কর্মসূচি ধরে ধরে তাঁকে ডেকে পাঠাচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এদিন এ নিয়ে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টও করেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক। শেষে লেখেন, “স্টপ মি ইফ ইউ ক্যান।” যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, “পারলে আমাকে আটকান।”

    অভিষেককে তলব ইডির

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় নাম জড়িয়েছে নিউ আলিপুরের ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ নামে একটি সংস্থার। এই সংস্থার সিইও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক। ডিরেক্টর পদে ছিলেন অভিষেকের মা ও বাবা। এই তিনজনকেই তলব করা হয়েছে আগামী সপ্তাহে। অভিষেককে সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয়েছে ৩ অক্টোবর, বেলা সাড়ে ১০টায়। ঘটনাচক্রে ওই দিন তাঁর দিল্লিতে থাকার কথা। কারণ বাংলার বকেয়া পাওয়া চেয়ে দিল্লিতে ২-৩ অক্টোবর দু’ দিনের যে ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করেছে তণমূল, তাতে যোগ দিতে যাওয়ার কথা তাঁর। অথচ ৩ তারিখে তাঁকে ইডি হাজিরা দিতে বলেছে সিজিও কমপ্লেক্সে।

    তৃণমূল নেতার চ্যালেঞ্জ

    তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক (Abhishek Banerjee) সমাজ মাধ্যমে লিখেছেন, “বাংলাকে বঞ্চনা ও বাংলার ন্যায্য পাওনার বিরুদ্ধে লড়াই সমস্ত বাধা উপেক্ষা করে অব্যাহত থাকবে। বাংলার মানুষের মৌলিক অধিকারের জন্য আমার এই লড়াই পৃথিবীর কোনও শক্তিই দমাতে পারবে না। আমি আগামী ২ এবং ৩ অক্টোবর দিল্লিতে থাকব বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার জন্য।” নাম না করে কেন্দ্রকেও একহাত নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো। তিনি লিখেছেন, “ঠিক যখন বাংলার পাওনা চেয়ে আমাদের দিল্লিতে যাওয়ার কথা, সেই সময়ই তলব করা হল আমাকে। অতএব বোঝা যাচ্ছে কারা আসলে ভীত এবং সন্ত্রস্ত। কারা ভয়ে কাঁপছে।”

    আরও পড়ুুন: কম বয়সেও হার্ট অ্যাটাক! বিশ্ব হার্ট দিবসে জানুন হৃদযন্ত্র ভাল রাখার সহজ কিছু উপায়

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • World Heart Day: কম বয়সেও হার্ট অ্যাটাক! বিশ্ব হার্ট দিবসে জানুন হৃদযন্ত্র ভাল রাখার সহজ কিছু উপায় 

    World Heart Day: কম বয়সেও হার্ট অ্যাটাক! বিশ্ব হার্ট দিবসে জানুন হৃদযন্ত্র ভাল রাখার সহজ কিছু উপায় 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর ২৯ সেপ্টেম্বর পালিত হয় বিশ্ব হার্ট দিবস (World Heart Day)। সারা বিশ্বে মানুষকে কার্ডিওভাস্কুলার নানা সমস্যা নিয়ে সচেতন করার জন্যই আলাদা করে একটা দিনের উদযাপন। ২০২৩-এর বিশ্ব হার্ট দিবসের থিম হল, “Use Heart, Know Heart” অর্থাৎ, হৃদযন্ত্র শুধু ব্যবহার করবেন না, আপনার হৃদযন্ত্রকে জানুন।

    কম বয়সেই হার্ট অ্যাটাক

    এখন ২০ বছর বয়সেও হার্টের অসুখ দেখা যাচ্ছে। এর ফলে হার্টের অসুখের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির গুরুত্ব আরও বাড়ছে। সেই উপলক্ষ্যেই এই দিবসটির (World Heart Day) গুরুত্বও বাড়ছে। হৃদরোগ এবং হৃদরোগের কারণে মৃত্যু ঠেকাতে মানুষকে সতর্ক করে দেওয়াই বিশ্ব হার্ট দিবসের লক্ষ্য। চিকিৎসকদের কথায়  হাই ব্লাড প্রেসার মহামারীর থেকে কম কিছু নয়! শুধু বয়স্করা নয়, কমবয়সীরাও রীতিমতো ঘায়েল হচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায়। আর তার ফলস্বরূপ কমবয়সেই হচ্ছে হার্ট অ্যাটাক!

    দিনটির গুরুত্ব কেন বাড়ছে

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী, ফি বছর সারা পৃথিবীর প্রায় ১ কোটি ৭৯ লক্ষ মানুষ হার্ট অ্যাটাক এবং হার্ট ফেলিওরের মতো কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান। তাই দীর্ঘায়ু হওয়ার ইচ্ছে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব হার্টের দিকে নজর ফেরান। শেষ এক দশকে হার্টের রোগে আক্রান্তের সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়েছে। তাই এই দিনটির (World Heart Day) গুরুত্বও এখন অপরিসীম।

    হার্ট সুস্থ রাখার উপায়

    হার্ট (World Heart Day) ভালো রাখতে চাইলে সব সময় অ্যাক্টিভ থাকুন। প্রতি সপ্তাহে ৭৫ থেকে ১৫০ মিনিট হালকা ব্যায়াম করুন। কিংবা হাঁটুন। শাকসবজি, বিনস, মাছের স্বাস্থ্যকর চর্বি যোগ করুন আপনার খাদ্যতালিকায়। এতে মিলবে উপকার। শরীরে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে এই সকল খাবার। স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত খাবার খান সীমিত। মাখন, চর্বি, চর্বিযুক্ত মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্য যতটা পারবেন কম খান। এমন খাবার হার্টের জন্য মোটেই ভালো নয়। হার্ট ভালো রাখতে চাইলে আপনার ওজন রাখুন নিয়ন্ত্রণে। হার্ট অ্যাটাক থেকে স্ট্রোকের মতো সমস্যার কারণ হতে পারে এই স্থূলতা। হার্ট ভালো রাখতে সঠিক লাইফস্টাইল মেনে চলুন। রোজ সঠিক সময় খাবার খান। রোজ সঠিক সময় ঘুমান। রোজ ৭ থেকে ৮ ঘন্টা বিশ্রাম নিন।  

    হার্ট অ্যাটাকের পিছনে

    হার্টের রোগের ফাঁদে পড়ার অন্যতম কারণ হল দীর্ঘদিনের হাই সুগার, প্রেশার ও কোলেস্টেরল। আসলে এই রোগগুলি সরাসরি বা পরোক্ষভাবে হার্টের বারোটা বাজাতে পারে। তাই হৃদরোগের ফাঁদ এড়াতে চাইলে আপনাকে ডায়াবিটিস, প্রেশার ও কোলেস্টেরলের মতো ঘাতক অসুখকে বাগে আনতেই হবে। আজকাল আমরা সকলেই দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাই। আর এই কারণেও হার্টের (World Heart Day) রোগের ফাঁদে পড়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই সুস্থ থাকতে নিয়মিত প্রাণায়াম বা যোগা করে স্ট্রেস কমান।

    আরও পড়ুন: কাজের চাপ আর অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসই কি বাড়াচ্ছে তরুণ প্রজন্মের হৃদরোগ?

    হাসিতেই সমাধান

    হার্টের সমস্যায় নানা ওষুধ তো আবিষ্কার হয়েছে, তবে হাসিতেই মিলবে হৃদযন্ত্রের সমস্যার সবচেয়ে বড় সমাধান! এমনই দাবি করছেন ব্রাজিলের একদল বিজ্ঞানী। তাঁর বলছেন ‘লাফটার থেরাপি’র মাধ্যমেই হৃদযন্ত্রকে ভালো রাখার পাশাপাশি হৃদযন্ত্রের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ইউরোপিয়ান সোসাইটি অফ কার্ডিওলজির মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার বার্ষিক বৈঠকে বলা হয়েছে, হৃদযন্ত্রের সমস্যা সমাধানে হাসি-চিকিৎসার বিকল্প নেই৷ হাসি একদিকে যেমন এন্ড্রোফিন রিলিজ করে, তেমনই ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখে। পাশাপাশি স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণে রেখে হৃদযন্ত্র ভালো রাখে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan  Blast: বালুচিস্তানে ধর্মীয় জমায়েতে মানববোমা বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৫২

    Pakistan  Blast: বালুচিস্তানে ধর্মীয় জমায়েতে মানববোমা বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৫২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের গোড়ায় জল দিয়ে যে বিষবৃক্ষকে বড় করে তুলেছে পাকিস্তান, তার ফল ফলতে শুরু করেছে। শুক্রবার বালুচিস্তানের মাস্তং জেলার সদর শহরে ধর্মীয় জমায়েতে ঘটে মানববোমা বিস্ফোরণ (Pakistan  Blast)। বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন অন্তত ৫২ জন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন এক ডিএসপি সহ বালুচিস্তান পুলিশের কয়েকজন কর্মীও। গুরুতর জখম হয়েছেন ১৫০-র কাছাকাছি। ঘটনার জেরে ত্রস্ত গোটা মাস্তং জেলা।

    এ মাসের শুরুতেও হয়েছিল বিস্ফোরণ

    এদিন যে এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটেছে, সেখানে বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মি, বালুচ ন্যাশনালিস্ট আর্মির পাশাপাশি সক্রিয় তেহরিক-ই-তালিবান। পাক সেনার বিরুদ্ধে লড়াই আরও জোরালো করতে সম্প্রতি বালুচদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে তেহরিক-ই-তালিবান। এ মাসের প্রথম দিকে একবার বিস্ফোরণ (Pakistan  Blast) ঘটেছিল মাস্তংয়ে। সেবার মৃত্যু হয়েছিল ইসলামাবাদপন্থী জমিয়ত উলেমা-ই-ইসলামের ফজল নেতা হাফিজ হামিদুল্লা। তাঁর মৃত্যুর জন্য কারা দায়ী, তা আজও জানা যায়নি। ঘটনার পরে পরেই বিস্ফোরণের দায় অস্বীকার করে বিবৃতি দেয় তেহরিক-ই-তালিবান।

    বিস্ফোরণের অভিঘাত

    এদিনের বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে মাস্তংয়ের সহকারি কমিশনার (এসি) আত্তাহুল মুনিম জানান, আলফালাহ রোডে মদিনা মসজিদের সামনে ঈদ-ই-মিলাদুন উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত জমায়েতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। হতাহতদের দ্রুত শহিদ নবাব ঘৌস বখশ রাইসানি মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বিস্ফোরণের অভিঘাতে বেশ কিছু যানবাহন এবং আশপাশের কয়েকটি দোকানেরও ক্ষতি হয়েছে। বালুচিস্তান এলাকাটি প্রাকৃতিকভাবে সম্পদশালী। ক্রমেই তা বেহাত হয়ে যাচ্ছে বালোচদের।

    দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে লোকজন এসে থাবা বসাচ্ছে বালোচদের সম্পদে। চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর তৈরির পরে গত কয়েক বছরে বেড়েছে প্রাকৃতিক সম্পদ লুঠের পরিমাণ। সেই কারণেই চড়ছে  বালোচদের ক্ষোভের পারদ।

    আরও পড়ুুন: বিজেপিকে জেতানোর অপরাধ! কেটে দেওয়া হল বাঁশের সাঁকো, অভিযুক্ত তৃণমূল

    ১৯৪৭ সালের ১১ অগাস্ট ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল দেশীয় রাজ্য কালাত। পরে নাম হয় বালুচিস্তান। তার পরের বছর ২৭ মার্চ পাকিস্তানি সেনা দখল নেয় বালুচিস্তানের। তার পর থেকে স্বাধীনতার দ্বিতীয় লড়াই লড়ছেন বালোচরা। ‘বালুচিস্তানের গান্ধী’ বলে পরিচিত স্বাধীনতাপন্থী নেতা আবদুল কাদির বালোচ বছর কয়েক আগে দিল্লি এসে বলেছিলেন, “আমরা চাই (Pakistan  Blast) একাত্তরে ভারত যেভাবে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল, সেভাবেই বালুচিস্তানের পাশে দাঁড়াক।” বালুচিস্তানের ওপর পাক নিপীড়িন বন্ধে আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাতে সরব হন, সেই আবেদনও জানিয়েছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: ডেঙ্গিতে মৃত্যু ৫০ ছুঁইছুই! সরকারি মতে, সব দোষ কোমর্বিডিটির 

    Dengue Update: ডেঙ্গিতে মৃত্যু ৫০ ছুঁইছুই! সরকারি মতে, সব দোষ কোমর্বিডিটির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গিতে মৃত্যুমিছিল। ফের কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু। ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল ১৭ বছরের কিশোরের। ২০ তারিখ শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিটের বাসিন্দা ওই কিশোরকে। পরে নিয়ে আসা হয় মিন্টো পার্কের (Minto Park) এক বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। ডেথ সার্টিফিকেটে মাল্টি অর্গান ফেলিওর, সেপসিস ও ডেঙ্গি হেমারেজিক ফিভারের উল্লেখ রয়েছে। সল্টলেকের দত্তাবাদেও ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল ৫২ বছরের গৃহবধূর। এই নিয়ে সল্টলেকে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর কত মৃত্যু? আর কত প্রাণহানি? ডেঙ্গির ভয়াবহ প্রকোপে (Dengue Scare) আর কত সহনাগরিকদের হারাতে হবে আমাদের? প্রশ্ন রাজ্যবাসীর।

    কী বলছে পরিসংখ্যান

    কার্যত পঞ্চাশ ছুঁইছুঁই ডেঙ্গিতে মৃতের সংখ্যা। স্বাস্থ্য দফতরের (Health Department) তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে ডেঙ্গি সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। জেলায় মোট আক্রান্ত ৮ হাজার ৪০২ জন। গ্রামাঞ্চলে সংখ্যাটা ২ হাজার ৯৫৬। আর শহরাঞ্চলে ৫ হাজার ৪৪৬ জন আক্রান্ত। এক সপ্তাহে ১ হাজার ৫৮৬ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। ২ দিন আগেই ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন, রাজারহাট নিউটাউনের তৃণমূল বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্য়ায় (Tapas Chatterjee)। বিধাননগর পুরসভা সূত্রে খবর, পুর এলাকায়, এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৯০০ জন। ডেঙ্গি ভয়াবহ চেহারা নেওয়ার পর, টনক নড়েছে পুরসভার। করুণাময়ী বাসস্ট্যান্ডে জমা জলে, ছড়ানো হচ্ছে ব্লিচিং পাওডার, মশা মারার তেল। চিন্তা আর উদ্বেগের প্রহর কাটাচ্ছে সাধারণ মানুষের। বিধাননগরবাসীর কথায়, বিধায়ক ডেঙ্গি আক্রান্ত হওয়ার পর টনক নড়েছে প্রশাসনের।

    আরও পড়ুন: মালদা জেলায় বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা, চিহ্নিত হটস্পট জোন, নামানো হল ড্রোন

    দোসর ম্যালেরিয়া

    রাজ্যে প্রায় প্রতি দিনই এক বা একাধিক মৃত্যু হচ্ছে। তার মধ্যেই দোসর ম্যালেরিয়া। ফলে চিন্তা আরও বাড়ছে। এরই মধ্যে সরকার তথ্য চাপা দিতে চাইছে। রাজ্যে গত জানুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গিতে মোট আক্রান্ত এবং মৃত্যু কত, সে বিষয়ে কোনও পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে দিতে নারাজ স্বাস্থ্য দফতর। যদিও বেসরকারি সূত্রের খবর, রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩৮ হাজার। মৃত ৪৫ জন। আর, ম্যালেরিয়াতে আক্রান্ত প্রায় তিন হাজারের কাছাকাছি। মৃতের সংখ্যা চার। চিকিৎসকদের একাংশ বলছেন, “কোভিডের সময়েও এমন কোমর্বিডিটির কথা বলে মৃত্যু গোপনের চেষ্টা চলেছিল। মশাবাহিত রোগের ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এটা খুবই স্বাভাবিক, যে কোনও সংক্রমণেই পুরনো রোগ মাথা চাড়া দেয়। তার জন্য সংক্রমণকে অস্বীকার করা যায় না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: পুজোয় এবার নবান্ন বনাম রাজভবন! ‘দুর্গা ভারত সম্মান’ দেবেন রাজ্যপাল, কারা পাবেন?

    CV Ananda Bose: পুজোয় এবার নবান্ন বনাম রাজভবন! ‘দুর্গা ভারত সম্মান’ দেবেন রাজ্যপাল, কারা পাবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজভবন-নবান্নর দ্বৈরথ ফের অন্য মাত্রা পেল। এবার দুর্গাপুজো নিয়েও মমতা-রাজ্যপালের লড়াই! সেটাই দেখতে চলেছে রাজ্যবাসী। দুর্গাপুজোর সময় হয়েছে। দুর্গাপুজোর জন্য বাংলার বিভিন্ন দুর্গাপুজোর আয়োজকদের বিশেষ সম্মান দিয়ে থাকে রাজ্য সরকার। মণ্ডপ সজ্জা থেকে প্রতিমা, বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দুর্গাপুজোর আয়োজকদের ‘বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান’ দেয় রাজ্য সরকার। এবার বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও (CV Ananda Bose) দেবেন ‘দুর্গাভারত’ সম্মান। তবে, উপলক্ষ বাংলার দুর্গাপুজো হলেও, এই সম্মান শুধু বঙ্গবাসীদের জন্য সীমিত নয়। গোটা দেশের যে কোনও রাজ্যের কৃতীরা এই সম্মান পেতে পারেন। শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান থেকে শুরু করে গবেষণা, তথ্য-প্রযুক্তি, সমাজসেবা, বাণিজ্য, চিকিৎসা, যে-কোনও ধরনের শিল্প এবং আর বিভিন্ন ক্ষেত্রের কৃতীরা এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হতে পারেন। স্বাভাবিক ভাবেই বিষয়টি নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

    রাজভবন থেকে কী কী পুরস্কার দেওয়া হবে?

    রাজভবন থেকে ইতিমধ্যেই মনোনয়নের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বিশেষ বা নাগরিক সমাজ বা কোনও প্রতিষ্ঠান রাজভবনের এই সম্মাননার জন্য মনোনয়ন করতে পারেন। মনোনয়ন পাঠানো শেষ দিন ৩০ সেপ্টেম্বর। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সমাজের বিকাশে বিশেষ উদ্যোগকে সম্মানিত করবেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। ‘দুর্গা ভারত সম্মানে’ বিভিন্ন ধরনের সম্মাননার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ‘দুর্গা ভারত পরম’ সম্মান, ‘দুর্গা ভারত’ সম্মান ও ‘দুর্গা ভারত’ পুরস্কার এই তিন ধরনের সম্মাননার ব্যবস্থা করেছে রাজভবন। পুরস্কার মূল্য হিসেবে দেওয়া হবে, এক লক্ষ,পঞ্চাশ হাজার ও ২৫ হাজার টাকা করে।

    রাজভবনের এই পুরস্কার নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা

    বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে নবান্ন-রাজভবনের দ্বন্দ্ব চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখানেই শেষ নয়, পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও রাজভবন-নবান্নের বিরোধ চরমে ওঠে। পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে বেলাগাম অশান্তি ও পঞ্চাশ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড় বয়ে যায়। তখন সরকারকে ধারাবাহিক ভাবে তীব্র আক্রমণ করেন। পালটা জবাব দেয় তৃণমূল। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নবান্নর সঙ্গে রাজভবনের মসৃণ সম্পর্ক দেখা গেলেও তা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। প্রসঙ্গত, এর আগেও একাধিক সেল চালু করেছে রাজ্যপাল রাজভবনে। কখনও ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ জানানোর জন্য ‘আমনে সামনে’ পদক্ষেপ, আবার কখনও গ্রিভান্স সেলও চালু করেছেন রাজ্যপাল। সম্প্রতি, আমেরিকা সফরে যাওয়ার কথা থাকলেও ডেঙ্গি পরিস্থিতি এবং রাজ্যের আর্থিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে সেই সফর বাতিল করেছিলেন রাজ্যপাল। আর এবার দুর্গাপুজোকে মাথায় রেখে এই বিশেষ সম্মান রাজনৈতিকভাবে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলার শ্রেষ্ঠ উৎসব উদযাপনে শামিল হতে চায় রাজভবনও। ফলে, বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব নিয়েও স্নায়ু যুদ্ধ শুরু হল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। কারণ, রাজভবনের তরফে এমন উদ্যোগ আগে কখনওই নেওয়া হয়নি। চলতি বছরের রাজভবনের এই উদ্যোগ নবান্ন টক্কর দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে। রাজভবনের এই পুরস্কার নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • 6G Technology: মোদির ৬জি প্রযুক্তির প্রস্তাবে স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক সংস্থার, কী লাভ হল জানেন?

    6G Technology: মোদির ৬জি প্রযুক্তির প্রস্তাবে স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক সংস্থার, কী লাভ হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উন্নত প্রযুক্তির সুবিধা নিতে হবে বলে বিভিন্ন সময় মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি নিজেও টেক-স্যাভি। ৬জি (6G Technology) টেলিকমিউনিকেশন পরিষেবা গড়ে তোলার বিষয়েও তিনি যে বিশেষ আগ্রহী, তাও বিভিন্ন সময় প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গীকে মান্যতা দিল রাষ্ট্রসংঘের অধীনস্ত সংস্থা আইটিইউ (ITU)। এই সংস্থার স্টাডি গ্রুপের বৈঠকে ভারতের ৬জি টেলিকমিউনিকেশন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার দৃষ্টিভঙ্গীকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আইটিইউয়ের স্টাডি গ্রুপের এই স্বীকৃতিতে ৬জি প্রযুক্তি স্থাপনের খরচ কমাতে এবং ভারতকে ৬জি মানের সংজ্ঞা নির্ধারণে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ করে দেবে।

    ৬জি ভিশন নথি

    তামাম বিশ্বের মোবাইল টেলিকমিউনিকেশনের মান নির্ধারণ করে থাকে আইটিইউ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে ৬জি (6G Technology) ভিশন নথি প্রকাশ করেছেন, তাতে ৬জি প্রযুক্তির বাস্তবায়ন সাশ্রয়ী, টেকসই এবং সর্বজনীন হওয়া উচিত বলে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। স্টাডি গ্রুপের আগের বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধি দল আইএমটি২০৩০ কাঠামোয় ৬জি সর্বজনীন সংযোগকে ব্যবহারের দৃশ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এই প্রস্তাবটি গৃহীত হয়েছে রাষ্ট্রসংঘের অধীনস্থ সংস্থা আইটিইউয়ের স্টাডি গ্রুপের বৈঠকে।

    এই স্বীকৃতির গুরুত্ব অপরিসীম

    ভারতের এই স্বীকৃতি কেবল একটি প্রযুক্তিগত সাফল্য নয়, কূটনৈতিক সাফল্যও। খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনে ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে কানাডার জাস্টিন ট্রুডো সরকার। যদিও এ ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কাউকে পাশে পায়নি ট্রুডোর দেশ। এহেন আবহে ভারতের এই স্বীকৃতির গুরুত্ব যে অপরিসীম, তা মানছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশও।

    ৬জি প্রযুক্তি (6G Technology) সূচনা করবে নয়া যুগের। এই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হলে সুবিধা মিলবে হাইস্পিডের ইন্টারনেটের। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অন্যান্য প্রযুক্তির জন্যও তৈরি হবে নয়া সুযোগ। ডিজিটাল অর্থনীতিতে ভারতের ভূমিকা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করবে এই প্রযুক্তি। আইটিইউয়ের স্টাডি গ্রুপের বৈঠকে ভারতের এই প্রস্তাব গৃহীত হওয়ায় মোদির দেশ যে ক্রমেই প্রযুক্তিগত আলোচনায় উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করছে, তা বলাই বাহুল্য।

    আরও পড়ুুন: জয়শঙ্কর-ব্লিঙ্কেন বৈঠকে উঠলই না নিজ্জর খুনের প্রসঙ্গ, হতাশ ট্রুডোর দেশ!

    আইটিইউয়ের এনজিএন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ গ্রুপের সদস্য সত্য গুপ্তা বলেন, “স্বীকৃত প্রস্তাবগুলি প্রযুক্তি কীভাবে বিবর্তন হবে, তা নির্ধারণ করে। ভারতের ৬জি প্রস্তাব গ্রহণ দেশের ভিশনকে একটি বিশ্বব্যাপী স্তরে নিয়ে এসেছে এবং ৬জি মান গঠনে অংশ নেওয়ার জন্য দেশকে সুযোগ দেয়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share