Blog

  • GST Reforms: মোদি সরকারের জিএসটি সংস্কার, লাভবান হবে মধ্যবিত্ত, কোন কোন পণ্যের দাম কমতে পারে?

    GST Reforms: মোদি সরকারের জিএসটি সংস্কার, লাভবান হবে মধ্যবিত্ত, কোন কোন পণ্যের দাম কমতে পারে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির আগেই জিএসটি সংস্কারের ইঙ্গিত মিলেছে। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই ইঙ্গিত দিয়েছেন। এক্ষত্রে উল্লেখ করা দরকার বর্তমানে জিএসটি-র (GST Reforms) পাঁচটি স্তর রয়েছে। এগুলি হল ০, ৫, ১২, ১৮ এবং ২৮ শতাংশ। সূত্রের খবর, এই পাঁচ স্তর প্রধানত দু’টিতে কমিয়ে আনা হতে পারে। থাকতে পারে কেবল ৫ শতাংশ এবং ১৮ শতাংশ জিএসটি। জানা যাচ্ছে, সিগারেট, পানমশলার মতো ক্ষতিকর পণ্যে ৪০ শতাংশ জিএসটি প্রযোজ্য হতে পারে। এই একই জিএসটি লাগু হতে পারে অনলাইন গেমিং-এর ক্ষেত্রেও। এই পদক্ষেপ সরকারের তরফে কর হারগুলিতে স্থিতিশীলতা আনতে এবং ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট সংক্রান্ত জটিলতা দূর করার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছে।বর্তমানে ১০ লক্ষেরও বেশি পণ্য জিএসটি-র আওতায় রয়েছে। নতুন এই জিএসটি সংস্কার সাধারণ মানুষের জন্য সরাসরি উপকার বয়ে আনবে।

    কোন কোন পণ্যের দাম কমতে পারে (GST Reforms)?

    বর্তমানে ছোট গাড়ি ও ২৫০ সিসি পর্যন্ত দু’চাকার গাড়ির উপর ২৮ শতাংশ হারে জিএসটি বসে। নতুন প্রস্তাবে তা কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হতে পারে। এছাড়াও, এয়ার কন্ডিশনার, ৩২ ইঞ্চি পর্যন্ত টেলিভিশন, ডিশওয়াশার প্রভৃতি পণ্যের দামও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। সিমেন্টের উপরও কর কমিয়ে ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনা যেতে পারে, যেখানে বর্তমানে ২৮ শতাংশ কর আরোপিত হয়। এর ফলে নির্মাণ খরচ হ্রাস পেতে পারে। স্বাস্থ্য ও জীবন বিমার প্রিমিয়ামের ওপরও জিএসটি (GST Reforms) হ্রাসের চিন্তাভাবনা করছে সরকার। ১৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে তা ৫ শতাংশ করা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে কর হার শূন্য করার সম্ভাবনাও রয়েছে।

    ১২ শতাংশ জিএসটি নামবে ৫ শতাংশে, ২৮ শতাংশ নামবে ১৮ শতাংশে

    বর্তমানে যেসব পণ্যে ১২ শতাংশ জিএসটি প্রযোজ্য, সেগুলির ৯৯ শতাংশই ৫ শতাংশ করের আওতায় আসতে পারে। আর যেসব পণ্যে বর্তমানে ২৮ শতাংশ কর বসে, তার ৯০ শতাংশেই করহার কমে ১৮ শতাংশে নামবে। এর ফলে, একদিকে যেমন জিনিসপত্রের দাম কমবে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের কাছে কর কাঠামো আরও সহজবোধ্য হয়ে উঠবে। যেমন, সিমেন্ট, এসি, টিভি, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিনের মতো প্রায় ৯০ শতাংশ পণ্য, যেগুলির উপর এখন ২৮ শতাংশ জিএসটি প্রযোজ্য, সেগুলি ১৮ শতাংশ করস্ল্যাবে স্থান পাবে। অর্থাৎ, এই পণ্যগুলির দাম প্রায় ১০ শতাংশ কমে যেতে পারে (GST Reforms)।

    উদহরণস্বরূপ বলা যায়-

    • ৩৫০ টাকার সিমেন্টের ব্যাগ ২৮ টাকা সস্তা হতে পারে
    • ৮০ হাজার টাকার টিভি ৮ হাজার টাকা কমে যেতে পারে
    • ৪০ হাজার টাকার ফ্রিজ ৪ হাজার টাকা কমবে
    • প্রতি কেজি ১০০০ টাকার মিষ্টির দাম ৭০ টাকা কমে যেতে পারে

    ৭ শতাংশ পর্যন্ত সস্তা হয়ে যাবে এই সমস্ত পণ্য

    ড্রাই ফ্রুট, ব্র্যান্ডেড নোনতা খাবার, টুথ পাউডার, টুথপেস্ট, সাবান, চুলের তেল, সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যথানাশক, প্রক্রিয়াজাত খাবার, হিমায়িত শাকসবজি, কনডেন্সড মিল্ক, কিছু মোবাইল ও কম্পিউটার, সেলাই মেশিন, প্রেসার কুকার, গিজার, নন-ইলেকট্রিক ওয়াটার ফিল্টার, ইলেকট্রিক ইস্ত্রি, ভ্যাকুয়াম ক্লিনার, এক হাজার টাকার উপরের তৈরি পোশাক, ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার জুতো, বেশিরভাগ টিকা, এইচআইভি/টিবি ডায়াগনস্টিক কিট, সাইকেল, বাসনপত্র, জ্যামিতি বক্স, মানচিত্র, গ্লোব, গ্লাসড টাইলস, প্রি-ফ্যাব্রিকেটেড ভবন, ভেন্ডিং মেশিন, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট যানবাহন, কৃষিযন্ত্রপাতি, সোলার ওয়াটার হিটার ইত্যাদির উপর জিএসটি ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হবে। ফলে, এই সব পণ্যও গড়ে ৭ শতাংশ পর্যন্ত সস্তা হয়ে যাবে।

    ‘ক্ষতিকর’ বিভাগের পণ্য, সামাজিক নীতি মেনেই করা হয়েছে

    কেন্দ্রীয় সরকারের সূত্রে জানা যাচ্ছে, ‘ক্ষতিকর’ বিভাগে কোন কোন পণ্য থাকবে, তা দেশের সামাজিক নীতির কথা চিন্তা করে স্থির করেছে সরকার। সূত্রের খবর, অনলাইন গেমিং ছাড়াও এই বিভাগে রাখা হতে পারে পানমশলা, সিগারেট, বিলাসবহুল গাড়ি, এসইউভি-কে। এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার, বর্তমানে অনলাইন গেম থেকে সরকার ২৮ শতাংশ শুল্ক নেয়, যা সর্বোচ্চ। অর্থাৎ নয়া নিয়ম কার্যকর হলে, অনলাইন গেমিংয়ের মাধ্যমে যাঁরা অর্থ রোজগার করেন, তাঁদের ৪০ শতাংশ কর দিতে হতে পারে।

    জিএসটি সংস্কার নিয়ে কী বলছেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত, জিএসটি কাঠামো সংস্কারের উদ্দেশ্যে গত ছ’মাস ধরেই কাজ করে চলেছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। জানা যাচ্ছে, সব ঠিক থাকলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে নতুন জিএসটি কাঠামো চালু করে দিতে পারে মোদি সরকার। নতুন নিয়ম চালু হলে নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক জিনিস সস্তা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেও সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন (Good Governance)। তিনি গত শুক্রবার লালকেল্লা থেকে স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে বলেছেন, ‘‘এ বারের দীপাবলি আমি আপনাদের জন্য দ্বিগুণ আনন্দের করে দিচ্ছি। এই দীপাবলিতে দেশবাসী একটি বড় উপহার পাবেন। আমরা নতুন প্রজন্মের জিএসটি সংস্কার আনছি। এর ফলে সারা দেশে করের বোঝা কমবে। দীপাবলির আগে এটাই হবে উপহার (Good Governance)।” নতুন জিএসটি কাঠামোর খসড়া ইতিমধ্যে রাজ্যগুলির কাছেও পাঠিয়ে দিয়েছে মোদি সরকার। রাজ্য সরকারগুলিকে এ বিষয়ে সহযোগিতা করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

  • Sukanta Majumdar: মেডিক্যালে ভর্তি বন্ধের বিজ্ঞপ্তি রাজ্যের, বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতেই এই সিদ্ধান্ত? প্রশ্ন সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: মেডিক্যালে ভর্তি বন্ধের বিজ্ঞপ্তি রাজ্যের, বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতেই এই সিদ্ধান্ত? প্রশ্ন সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে রাজ্যে এমবিবিএস-এর প্রথম বর্ষে ভর্তি প্রক্রিয়া (West Bengal)। একই সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ডেন্টালে ভর্তি। এ নিয়ে সামনে এসেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তার বিজ্ঞপ্তি। জানা যাচ্ছে, ওবিসি জটের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ দেগেছেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। নিজের সামাজিক মাধ্যমে সুকান্তবাবু লিখেছেন, রাজ্যে মেডিক্যালে ভর্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। হঠাৎ করেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার একটি ‘জরুরি বিজ্ঞপ্ত’রি করে অনির্দিষ্টকালের জন্য মেডিক্যাল-ডেন্টাল কাউন্সেলিং ও ভর্তি প্রক্রিয়া বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে রাজ্যের হাজার হাজার মেডিক্যালপ্রার্থী ও তাঁদের অভিভাবকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের প্রশ্ন (Sukanta Majumdar), রাজনীতির জন্য এক নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে তুষ্ট করতেই কি কাউন্সেলিং বন্ধ করে দেওয়া হল? সংরক্ষণের নামে কোনও বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা পাইয়ে দিতে কি এই পদক্ষেপ? তাঁর কটাক্ষ, এই সিদ্ধান্ত নিয়ে পরীক্ষায় সফল ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ কার্যত অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

    মমতা সরকারকে আক্রমণ শুভেন্দুর (West Bengal)

    সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়া বন্ধ এবং জয়েন্ট ফল না প্রকাশ করার ইস্যুতে রাজ্যকে তীব্র আক্রমণ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগে তিনি বলেন, এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যবসা চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী! যত সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়বে, তত মমতার ঘনিষ্ঠদের প্রাইভেট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়বে, ব্যবসা ফুলেফেঁপে উঠবে।” তাঁর দাবি, এইভাবে ১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করার সুযোগ দিচ্ছে তৃণমূল সরকার। নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়কের কথায়, জাতীয় ওবিসি (OBC) তালিকার বাইরে থাকা ৭৬টি মুসলিম জনগোষ্ঠীকে ভোটব্যাঙ্কের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এই তালিকায় ঢোকাতে চায়। একই সঙ্গে ভর্তি প্রক্রিয়াতেও যাতে এরা বঞ্চিত না হয়, সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। ফলত, সকল পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ জলাঞ্জলির পথে।

    উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবক এবং ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে (Sukanta Majumdar)

    প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের এমন বিজ্ঞপ্তির ফলে উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবক এবং ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে। কতদিন এভাবে চলবে, এনিয়েও উঠছে প্রশ্ন, এবং তাদের বছর নষ্ট হবে কিনা, সে আশঙ্কাও করছেন তাঁরা। তবে এখনও পর্যন্ত কী কারণে স্বাস্থ্য ভবন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা অবশ্য স্পষ্ট করে বলা হয়নি। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, সপ্তাহখানেক আগেই এমবিবিএস ও বিডিএস (বিডিএস মানে ডেন্টাল)-এর কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের কাজ রবিবার রাতেই মিটে গিয়েছিল। বুধবারেই এর ফল প্রকাশের কথা ছিল, অর্থাৎ ২০ অগাস্ট। জানা যাচ্ছে, এ রাজ্যে পাঁচ হাজারের বেশি আসন রয়েছে, যেখানে পছন্দের ভিত্তিতে নাম দাখিলের হিসেবে যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন ইতিমধ্যে ১১ হাজার পড়ুয়া। কিন্তু এর ঠিক পরেই স্থগিত করে দেওয়া হয় কাউন্সেলিং।

    অনেক মেধাবী পড়ুয়া রাজ্যের বাইরে পা বাড়াবেন?

    এর ফলে একেবারে অনিশ্চয়তা শুরু হয় ১১ হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে। মেডিকেল পড়ুয়াদের ভর্তি থেকে শুরু করে বার্ষিক যে পরীক্ষা—সেটা সমস্তটাই সারাদেশের এনএমসির একটি গাইডলাইন মেনে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে পিছিয়ে যাচ্ছেন পড়ুয়ারা। এর জন্য দায়ী স্বাস্থ্য ভবন, কারণ গোটা দেশের সঙ্গে অন্যান্য রাজ্যগুলির তুলনায় পিছিয়ে পড়ছে বাংলার মেডিক্যাল পড়ুয়ারা। ভর্তি প্রক্রিয়াতে অচলাবস্থা। এই আবহে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অনেক মেধাবী পড়ুয়া রাজ্যের বাইরে পা বাড়াবেন, এবং রাজ্যের বাইরে কোনও জায়গায় তারা ভর্তি হবেন। অন্যদিকে জয়েন্টের ফল কবে প্রকাশ হবে? সে প্রশ্নেরও উত্তর মিলছে না। কারণ, ওবিসি জটিলতা এমন পর্যায়ে গিয়েছে যে পুরোটাই এখন অন্ধকারে চলছে।

  • Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুর-এ ভারতের প্রত্যাঘাতের ভয়ে করাচি বন্দর ফাঁকা করে দিয়েছিল পাকিস্তান! বলছে উপগ্রহ চিত্র

    Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুর-এ ভারতের প্রত্যাঘাতের ভয়ে করাচি বন্দর ফাঁকা করে দিয়েছিল পাকিস্তান! বলছে উপগ্রহ চিত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ফাঁকা কলসির আওয়াজ বেশি’! মুখে যতই তর্জন-গর্জন করুক না কেন, অপারেশন সিঁদুর-এ (Operation Sindoor) ভারতের প্রত্যাঘাতে পাকিস্তানের পিলে যে চমকে উঠেছিল, তার আরও একটা অকাট্য প্রমাণ মিলল। সম্প্রতি, প্রকাশিত হওয়া উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে যে, অপারেশন সিঁদুরের সময় করাচি বন্দর থেকে রণতরীগুলিকে সরিয়ে ইরান সীমান্তের কাছে গ্বদর বন্দরের কাছে রেখে দেয় পাকিস্তান। অর্থাৎ, কার্যত পালিয়ে নিজেদের প্রাণ বাঁচায় পাক নৌসেনা (Pakistan Navy)। ফের প্রমাণিত হল পাকিস্তানের ওই তর্জন-গর্জন শুধুই ছিল ‘মুখেন মারিতং জগৎ’।

    লেজ গুটিয়ে পালিয়েছিল পাক নৌসেনা

    অপারেশন সিন্দুরের (Operation Sindoor) সময়ে পাকিস্তান কীভাবে লেজ গুটিয়ে পালিয়েছিল, তা প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয়েছে। সেই সময়কার স্যাটেলাইট ছবির কিছু ভিজ্যুয়াল প্রকাশ করেছে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম। সবগুলি ৬-৭ মে তারিখের বলে দাবি। ঠিক যে সময় পাকিস্তানে অপারেশন সিঁদুর শুরু করেছিল ভারত। যা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, সংঘাত যখন শীর্ষে ছিল তখনই পাক সেনার পগারপার হওয়ার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলেছে। ওই উপগ্রহ চিত্রগুলিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, করাচি বন্দর কার্যত ফাঁকা। অন্যদিকে, গ্বদর বন্দরে সারি সারি দাঁড়িয়ে রয়েছে পাক নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজগুলি। তাও আবার কিনা বাণিজ্যিক টার্মিনালে নোঙর করা হয় রণতরীগুলিকে!

    পগারপার পাক নৌবাহিনির ‘বীরপুঙ্গব’রা

    ৭ মে’র রাতে যখন ভারত (Operation Sindoor) একের পর এক পাক জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছিল, তখন আরব সাগরে পাকিস্তানের করাচি বন্দরের ওপর ব্রহ্মোস দিয়ে নিশানা করে রেখেছিল ভারতীয় নৌবহর। অপেক্ষা ছিল শুধু নির্দেশের। যদিও শেষ পর্যন্ত সেখানে ভারত কোনও হামলা করেনি। কিন্তু হামলা হতে পারে আশঙ্কায়, ভারতের মিসাইলের ভয়ে আগেভাগেই জাহাজ নিয়ে পগারপার পাক নৌবাহিনির ‘বীরপুঙ্গব’রা। এক কথায় ‘চাচা, আপন প্রাণ বাঁচা’-র মতো নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে তৎপর হয় পাক নৌসেনা। প্রকাশিত হওয়া ছবিগুলি অনুযায়ী, করাচি থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে ইরানের কাছে গ্বদর বন্দরে গিয়ে লুকোয় পাকিস্তান নৌবাহিনী। এর মধ্যে একটি ছিল জুলফিকার-ক্লাসের ফ্রিগেট। যা চিনের তৈরি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধজাহাজ। কারণ বেজিং পাকিস্তানকে এই উন্নত জাহাজগুলির মধ্যে মাত্র চারটি দিয়েছে। অপারেশন সিন্দুরের মাত্র ছ’মাস আগে, ইসলামাবাদ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিল, যেখানে ফ্রিগেটটিকে জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে দেখা গিয়েছিল।

    ১৯৭১-এর যুদ্ধের ছায়া…

    ভারত-পাক যুদ্ধে পাকিস্তানের করাচি বন্দরে শেষবার ১৯৭১-এর যুদ্ধের সময় হামলা চালিয়েছিল ভারত। সেই সময় কার্যত গুঁড়িয়ে যায় করাচি বন্দর। সে কথা মনে রেখেই, আগেই পালিয়ে যায় পাকিস্তানের নৌবহর। পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ভারতের দক্ষিণ নৌ কমান্ডের প্রাক্তন প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল এসসি সুরেশ বাঙ্গারা, যিনি ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের করাচি বন্দরে ভারতের হামলার সময়ও অংশ নিয়েছিলেন। তাঁর মতে, ভারত আক্রমণ চালাতে পারে এ বিষয়ে পাকিস্তানের তিনটি বাহিনীরই পূর্ণ সতর্ক থাকা উচিত ছিল। কিন্তু পাকিস্তানের প্রথম সারির যুদ্ধজাহাজগুলিকে তখনও বন্দরে দেখতে পাওয়া তাদের নিম্নমানের অপারেশনাল প্রস্তুতির ইঙ্গিত দেয়।

    ভারতের ভয়ে কাঁটা…

    বিগত কয়েক মাস ধরে অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) সম্পর্কে পাকিস্তান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন গল্প বানিয়ে শুনিয়েছে। অস্ত্রের লড়াইয়ে এঁটে উঠতে না পারলেও মুখের লড়াইয়ে কোনও খামতি ছিল না পাকিস্তানের। ভারতের সঙ্গে সংঘাত চলাকালীন একাধিকবার পরমাণু হামলার হুঁশিয়ারি শোনা গিয়েছে পাকিস্তানের নেতা-মন্ত্রীদের মুখে। ভারতের সেনাঘাঁটি ধ্বংসের মিথ্যে দাবিও করা হয়েছিল। এমনকি সংঘর্ষবিরতির পর মিথ্যে যুদ্ধ জয়ের বিজয় উৎসবও করেছে। কিন্তু ভারতের হামলাতেই যে পাল্টা পাকিস্তানের সেনাঘাঁটি ধ্বংস হয়েছিল তা স্পষ্ট। এবার উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে ফের একবার প্রমাণ হল অপারেশন সিঁদুর-এর সময় কতটা ভয়ে কাঁটা হয়ে ছিল পাক নৌসেনা (Pakistan Navy)।

  • PM Modi Meet Shubhanshu: কখনও হাসি-কখনও কৌতূহল! শুভাংশুর থেকে মহাকাশের ‘অজানা কথা’ এক মনে শুনলেন মোদি

    PM Modi Meet Shubhanshu: কখনও হাসি-কখনও কৌতূহল! শুভাংশুর থেকে মহাকাশের ‘অজানা কথা’ এক মনে শুনলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা প্রজন্মকে মহাকাশ নিয়ে স্বপ্ন দেখতে উৎসাহিত করেছেন শুভাংশু শুক্লা। তাঁর পিঠে হাত রেখে এমনই অভিমত ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Meet Shubhanshu)। সোমবার সন্ধ্যায় ৭ নম্বর লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে দেশপ্রেমে ভরপুর এক আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হল। শুভাংশু (Shubhanshu Shukla) প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিলেন সেই জাতীয় পতাকা, যা তিনি নিজে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (ISS)-এ নিয়ে গিয়েছিলেন। এই পতাকা দেশের মানব মহাকাশযাত্রার নতুন যুগে প্রবেশের প্রতীক হয়ে উঠল। এই প্রতীকী উপহার গ্রহণ করে গভীর আবেগে ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    গগনযান অভিযান নিয়ে কথা

    আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে মাসেক খানেক আগে পৃথিবীতে ফিরেছেন। তবে ভারতের মাটিতে পা রেখেছেন দুদিন হল। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর লোককল্য়াণ মার্গের বাসভবনে গিয়ে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন নভশ্চর শুভাংশু শুক্লা। শুভাংশুর পরনে তখন ইসরোর অ্যাস্ট্রোনটের জ্যাকেট। এক গাল হাসি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে এলেন তিনি। এদিন শুভাংশুর সঙ্গে শুধু করমর্দনেই থেমে থাকলেন না প্রধানমন্ত্রী, করলেন আলিঙ্গন। শুভাংশুর কাঁধে রাখলেন হাত। হাঁটলেনও একইসঙ্গে। শুভাংশু শুক্লার সঙ্গে সাক্ষাতের পর এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “শুভাংশু শুক্লার সঙ্গে দারুণ আলাপচারিতা হল। মহাকাশে তাঁর অভিজ্ঞতা-সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারতের গগনযান অভিযান নিয়েও কথা হয়েছে। তাঁর সাফল্যে ভারত গর্বিত।” স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে ভাষণেও শুভাংশুর ঐতিহাসিক এই সফরের কথা তুলে ধরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    গবেষণার খুঁটিনাটি বিবরণ

    রাকেশ শর্মার ৪১ বছর পর, দ্বিতীয় ভারতীয় হিসাবে মহাকাশ ছুঁয়েছেন শুভাংশু শুক্লা। ১৮ দিন ধরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে করেছেন ৬০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক গবেষণা। ফিরে এসে প্রধানমন্ত্রীকে তারই খুঁটিনাটি বিবরণ দিলেন ভারতের এই মহাকাশচারী। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে তাঁর অভিজ্ঞতার কথা প্রধানমন্ত্রীকে শোনান শুভাংশু। দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে গত ২৫ জুন ফ্লোরিডা থেকে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিলেন শুভাংশু। ১৮ দিন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ছিলেন। গত ১৫ জুলাই পৃথিবীর মাটিতে পা রাখেন। পৃথিবীর মাটিতে পা রাখার পর গত এক মাস আমেরিকায় ছিলেন তিনি। রবিবার ভোরে ভারতে ফেরেন। দিল্লি বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ও ইসরোর আধিকারিকরা।

    কখনও হাসি, কখনও কৌতুহল

    সোমবার সংসদেও শুভাংশু শুক্লার এই ঐতিহাসিক মিশনকে ঘিরে একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়জন করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং, শুভাংশু শুক্লার কৃতিত্বকে তুলে ধরে বলেন, এটি ভারতের মহাকাশ অভিযানের এক মাইলফলক, যা ভবিষ্যতের মানব মহাকাশযাত্রার স্বপ্ন পূরণে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদিও সেই গল্প শুনেছেন শুভাংশুর থেকে। সেসব শুনে কখনও মুখে হাসি মোদির, কখনও চোখে-মুখে কৌতূহল।

    সংসদে আলোচনায় না বিরোধীদের

    সোমবার মহাকাশ অভিযান নিয়ে সংসদে আলোচনা চেয়েছিল এনডিএ। কিন্তু অধিবেশন শুরু হতেই কমিশনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করেন বিরোধী সাংসদরা। তাতেই ভেস্তে যায় এনডিএ-র আলোচনা প্রস্তাব। সোমবার অধিবেশনের শুরুতে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, শুভাংশুর মহাকাশ যাত্রার উপর একটি বিশেষ আলোচনার মাধ্যমে সম্মান জানানো হবে। সেই আলোচনায় বিরোধীদের সহযোগিতা চেয়ে আবেদন করেন রিজিজু। রাজনৈতিক মতপার্থক্য দূরে রেখে আলোচনায় যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু অধিবেশন শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে শুরু করে বিরোধীরা। বিক্ষোভ দেখানো হয়। শুভাংশু নিয়ে আলোচনা না করেই সংসদ ছাড়েন বিরোধী সাংসদেরা।

  • Putin Modi Talk: আলাস্কার বৈঠকে ট্রাম্পের সঙ্গে কী কথা হয়েছে, ফোনে বন্ধু মোদিকে বললেন পুতিন

    Putin Modi Talk: আলাস্কার বৈঠকে ট্রাম্পের সঙ্গে কী কথা হয়েছে, ফোনে বন্ধু মোদিকে বললেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলাস্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin)। সেই বৈঠকে ঠিক কী কথা হয়েছে, ফোন করে তা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকে জানালেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের এই বিষয়টি নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একইসঙ্গে এই বিষয়টি জানানোর জন্য পুতিনকে  ধন্যবাদ দিয়েছেন মোদি। অন্যদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথাও প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    সমাজ মাধ্যমে পোস্ট মোদির (PM Modi)

    এক্স পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) পুতিনকে বন্ধু হিসাবে উল্লেখ করে লেখেন, ‘‘সম্প্রতি আলাস্কায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর (পুতিন) বৈঠকের বিষয়বস্তু আমার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।’’ মোদি আরও জানিয়েছেন, ভারত ধারাবাহিক ভাবে ইউক্রেন যুদ্ধে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়ে এসেছে। যুদ্ধ বন্ধের সকল প্রচেষ্টাকে ভারত সমর্থন করে বলেও জানিয়েছেন মোদি।

    কথা দুই দেশের সম্পর্ক নিয়েও

    জানা যাচ্ছে, আলাস্কার বৈঠক বা ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গই নয়, মোদি এবং পুতিনের (Putin) মধ্যে এই কথোপকথনের মধ্যে উঠে এসেছে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়েও একাধিক প্রসঙ্গ। ভ্লাদিমির পুতিন এবং নরেন্দ্র মোদি রাশিয়া ও ভারতের সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছেন বলেও জানা যাচ্ছে।

    ১৫ অগাস্ট আলাস্কায় পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার, গত ১৫ অগাস্ট আলাস্কায় পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই বৈঠকের দিকে নজর ছিল ভারতেরও, কারণ সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হুঁশিয়ারি দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারতের ওপর শুল্কও বৃদ্ধি করেন তিনি।

    বৈঠক নিয়ে কী জানিয়েছিলেন ট্রাম্প

    বৈঠকের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছিলেন যে, এই বৈঠক হতে চলেছে মূলত রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের সংঘাত থামানোর বিষয়ে। কিন্তু অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকই মনে করেছিলেন যে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনার প্রসঙ্গ উঠতে পারে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্টের এই বৈঠকে। প্রসঙ্গত, আলাস্কায় গত ১৫ অগাস্ট এই বৈঠক ৩ ঘণ্টা ধরে চলে। জানা যাচ্ছে, এই বৈঠকে রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধের কোনও সমাধানসূত্রই বের করা যায়নি। কিন্তু বৈঠকের পরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট দুজনেই বলেন বৈঠক ফলপ্রসূ।

    বৈঠককে স্বাগত জানিয়েছে ভারত

    অন্যদিকে, গত শনিবারে ভারত আলাস্কায় রাশিয়া এবং আমেরিকার এই বৈঠকে স্বাগত জানায়। এ নিয়ে বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে বিবৃতি আসে যে, ভারত স্বাগত জানাচ্ছে আলাস্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Putin) এই বৈঠককে।

    ট্রাম্পের সুর নরম

    প্রসঙ্গত রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে শুল্ক চড়িয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের ওপরে। তবে রাশিয়ার সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্পের সুর কিছুটা নরম বলেই মনে করছেন অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক। কারণ, ওই বৈঠকের পরে তিনি বলেন, “আজ যা হল, আশা করি এর পর আর ওটা (শুল্ক) নিয়ে ভাবতে হবে না। তবে দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে হয়তো ওটা নিয়ে আমাকে আবার ভাবতে হবে। এখন কিছু নয়। আমার মনে হয়, বৈঠক খুব ভালো হয়েছে।’’

  • Suvendu Adhikari: জয়েন্টের ফল কেন বেরোচ্ছে না? মমতাকে ‘ডেডলাইন’ বেঁধে দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: জয়েন্টের ফল কেন বেরোচ্ছে না? মমতাকে ‘ডেডলাইন’ বেঁধে দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষার চার মাস পেরিয়ে গিয়েছে। এখনও বেরোয়নি রাজ্য জয়েন্টের ফল। আদালতে মামলা চলছে। সোমবার বিষয়টি নিয়ে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করার পথে হাঁটছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার (Mamata Banerjee Govt)। সোমবার রাজভবনের (Rajbhavan) বাইরে থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে কার্যত এমনটাই দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা। ইচ্ছে করে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়া বন্ধ রেখে বেসরকারি জায়গায় প্রক্রিয়া চালু রাখা হয়েছে। আদতে এমন কাজ করে বাংলার পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, দাবি শুভেন্দুর।

    ৫ লক্ষ ছাত্র ছাত্রীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে সাক্ষাত করে রাজভবনের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান রাজ্যপালের কাছে বিজেপির ১৫ জন বিধায়ক এসেছিলাম আমরা। বিধায়কদের যারা শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত তাঁরা আজ এসেছিলেন। ছাত্রছাত্রী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠান সবটাই বাংলায় বিপন্ন। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতর যা করছে এধরনের শিক্ষা বিপর্যয় স্বাধীনতার পর দেশে হয়নি। বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার উপর চলছে রাজ্য। তিন মাস আগে বাংলায় উচ্চ মাধ্যমিক এর রেজাল্ট বেরিয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পর ভর্তির প্রক্রিয়া সরকারি প্রতিষ্ঠানে এখনও শুরু হয়নি। জয়েন্ট এন্ট্রান্সের রেজাল্ট এখনও প্রকাশ পায়নি। জয়েন্ট এন্ট্রান্সের পর ভর্তির প্রক্রিয়া শেষ হয়ে ক্লাস শুরু হয়ে গিয়েছে অন্য রাজ্যে। এই ঘটনায় রাজ্যের ৫ লক্ষ ছাত্র ছাত্রীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত।’’

    ১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করার সুযোগ

    এতদিন আইনি জটিলতা থাকলেও সম্প্রতি জয়েন্টের ফলপ্রকাশে বাধা নেই বলেই জানায় আদালত। তারপরও সেই ফল প্রকাশ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিজেপি। কেন জয়েন্টের ফলপ্রকাশ হচ্ছে না, এর দুটি কারণ ব্যাখ্যা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি বিধায়কের কথায়, জাতীয় ওবিসি (OBC) তালিকার বাইরে থাকা ৭৬টি মুসলিম জনগোষ্ঠীকে ভোটব্যাঙ্কের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এই তালিকায় ঢোকাতে চায়। একই সঙ্গে ভর্তি প্রক্রিয়াতেও যাতে এরা বঞ্চিত না হয়, সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। ফলত, সকল পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ জলাঞ্জলির পথে। এই প্রসঙ্গে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে শুভেন্দু আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন। বিরোধী দলনেতার কথায়, ‘‘বিগত কয়েক বছরে চিটফান্ড (Chitfund) উঠে গেছে ইডি-সিবিআইয়ের চাপে। তাই এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যবসা চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী! যত সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়বে, তত মমতার ঘনিষ্ঠদের প্রাইভেট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়বে, ব্যবসা ফুলেফেঁপে উঠবে।’’ তাঁর দাবি, এইভাবে ১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করার সুযোগ দিচ্ছে তৃণমূল সরকার।

    রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি

    শুভেন্দু বলেন, ‘‘এব্যাপারে আমরা রাজ্যপালের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছি। বিকাশ ভবনে গেলে মেরে তুলে দেবে। নবান্ন তো যেতেই দেবে না। তাই আমরা রাজ্যপালের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছি। আমরা অনুরোধ করেছি এব্যাপারে রাজ্যপাল আমাদের যেন রিপোর্ট দেন যে রাজ্য কী করল।’’ মুখ্যমন্ত্রীকে (Suvendu Attacks Mamata) হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু জানান, এই সপ্তাহের মধ্যে সমস্যা সমাধান না হলে সামনের সপ্তাহে সবাইকে নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে ধর্নায় বসবেন। কারা থাকবে এই ধর্নায় তাও স্পষ্ট করেছেন শুভেন্দু। জানিয়েছেন, বিজেপি বিধায়করা তো থাকবেনই, একই সঙ্গে অভিভাবক, শিক্ষাবিদদের নিয়ে ধর্না কর্মসূচি করা হবে। আর এক্ষেত্রেও যদি পুলিশি অনুমতি না মেলে তাহলে হাইকোর্টে যাওয়ার কথাও বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

  • Child Stubbornness: শিশুর মারাত্মক জেদ সামলাতে হিমশিম! কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখবেন?

    Child Stubbornness: শিশুর মারাত্মক জেদ সামলাতে হিমশিম! কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সময় মতো খেতে বসা কিংবা ঘুমোনোর জন্যও হয়রানি হচ্ছে। মনোযোগের অভাবে সাধারণ জিনিসেও ভুল হচ্ছে। আবার মনের মতো কিছু না হলেই বিপত্তি! পরিবারের একরত্তি সদস্যের মারাত্মক জেদ আর খিটখিটে‌ মেজাজ সামলাতে অনেক বাবা-মা হিমশিম খাচ্ছেন। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের এই মেজাজ হারানোর সমস্যায় অধিকাংশ অভিভাবক নাজেহাল। অতিরিক্ত জেদ এবং খিটখিটে মেজাজের জন্য অনেক সময়েই তাদের পড়াশোনায় ক্ষতি হচ্ছে। এমন অনেক আচরণ তারা করছে, যা একেবারেই কাম্য নয়। ফলে বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আট থেকে বারো বছর বয়সি ছেলেমেয়েদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা দিচ্ছে। তবে অনেক সময় এর থেকেও কম বয়সিদের মধ্যেও এই ধরনের অস্থিরতা দেখা দিচ্ছে।

    কেন সন্তান জেদি এবং খিটখিটে হয়ে উঠছে?

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তান যেকোনও সামান্য বিষয়েও মারাত্মক জেদ করলে কিংবা দিনের অধিকাংশ সময়ে খুব খিটখিটে মেজাজে থাকলে তার প্রতি বাড়তি যত্ন ও নজরদারি জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, সন্তানের লাগাতার জেদ আর খিটখিটে স্বভাবের জন‌্য অভিভাবকেরা তাকে অতিরিক্ত শাসন করেন‌। এর ফল হয় উল্টো। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত চাপ এবং ক্লান্তিবোধ শিশুকে খিটখিটে স্বভাবের করে তুলতে পারে। এর ফলেই তৈরি হয় একগুঁয়ে আর জেদি মনোভাব। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ শিশু খুব কম বয়স থেকেই স্কুলে ভর্তি হয়ে যায়। পড়াশোনার পাশাপাশি একাধিক বিষয় তারা তালিম নেয়। অর্থাৎ, দিনের অধিকাংশ সময় নানান প্রশিক্ষণের মধ্যেই কাটে। একটা মানসিক চাপ সব সময় কাজ করে। এর ফলে তারা শারীরিক ও মানসিক ভাবে যথেষ্ট ক্লান্ত হয়ে থাকে। তার উপরে যেকোনও বিষয় নিয়ে আরো বাড়তি চাপ দিলে মানসিক অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তান দিনের কতটা সময় স্ক্রিন টাইম কাটায় সে দিকে নজর দেওয়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক বাড়িতেই বিনোদন হিসাবে সন্তানের হাতে‌ মোবাইল ধরিয়ে দেওয়া হয়‌। কিন্তু মোবাইল কখনোই শিশুর অবসর যাপনের মাধ্যম হতে পারে না। এতে মস্তিষ্কে বাড়তি চাপ তৈরি করে। চোখের পক্ষে ক্ষতিকারক। আবার শিশু মোবাইলে কী দেখছে, সেটাও নজরে রাখা প্রয়োজন। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এমন একাধিক বিষয় শিশু মোবাইল থেকে শেখে, যা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। আর তার থেকেই তৈরি হয় খিটেখিটে স্বভাব।

    তবে সন্তানের অতিরিক্ত জেদের কারণ একাকিত্ব বলেও মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ শিশু নিউক্লিয়ার পরিবারে বড় হচ্ছে। তাই ভাগ করে নেওয়া, অপেক্ষা করা কিংবা অন্যকে ভালো বলার মতো স্বাভাবিক গুণ ঠিকমতো বিকশিত হচ্ছে না। আধুনিক জীবনে অধিকাংশ পরিবারে বাবা এবং মা দুজনেই কাজে ব্যস্ত থাকেন। অনেক সময়েই শিশু দিনের একটা বড় অংশ মা-বাবার সঙ্গে থাকার সুযোগ পায় না। এর ফলে তাদের মধ্যে একটা একাকিত্ব গ্রাস করে। আবার নানান সামাজিক বিনিময় ও ঠিকমতো হয় না। এই সবকিছুর প্রভাব তাদের আচরণে পড়ে।

    কীভাবে পরিস্থিতি সামলাবেন?

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, শিশুর খুব সামান্য জিনিস নিয়ে জেদ করা কিংবা পরিবারের যেকোনও সদস্যের সঙ্গে আচরণে কোনো সমস্যা দেখা দিলে প্রথম থেকেই বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন।‌ তাহলে পরিস্থিতি জটিল হবে না।‌ তবে কখনোই অতিরিক্ত বকাবকি চলবে না। তাঁদের পরামর্শ, শিশুর পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার জন্য নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রাখতেই হবে। নিজের মতো কিছুটা সময় খেলাধুলা করা জরুরি। এতে সারাদিনের ক্লান্তি এবং মানসিক চাপ কমে। অন্যান্য বিভিন্ন বিষয়ে তালিম দেওয়ার পাশপাশি যাতে শিশুর খেলার সময় থাকে, সেটা সন্তানের দৈনন্দিন রুটিন তৈরির সময় অবশ্যই নজর দিতে হবে।

    পাশাপাশি শিশুর বিশ্রামের দিকে নজরদারি জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দীর্ঘদিন বিশ্রামে ঘাটতি হলে শরীর ও মন ক্লান্ত হয়ে যায়। ফলে খিটখিটে মেজাজ দেখা যায়। রাগ, জেদ বাড়ে। শরীরে হরমোনের ভারসাম্যের অভাব ঘটে। আর তার ফলেই এই মানসিক অস্থিরতা তৈরি হয়। সন্তান নিয়মিত আট ঘণ্টা ঘুমোতে পারছে কিনা সেদিকে নজরদারি জরুরি। ঠিকমতো পর্যাপ্ত ঘুম হলে সন্তানের মস্তিষ্কের বিকাশ ঠিকমতো হবে। ক্লান্তি কমবে। মানসিক অস্থিরতাও থাকবে না।

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুর বিনোদন মানে কখনোই স্ক্রিন টাইম নয়। সন্তানকে ছাদে ঘুড়ি ওড়ানো, সাইকেল চালানো, রঙ করা কিংবা গল্পের বই পড়ার মতো বিষয়ে অভ্যস্ত করে তোলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের অভ্যাসে শরীর ও মন সুস্থ থাকে। মস্তিষ্কে বাড়তি উত্তেজনা তৈরি হয় না। বরং মানসিক চাপ কমে।

    পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোতে অভ্যস্ত করা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত রাগ, জেদ নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় সন্তানের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ তৈরি। তাই ছুটির দিনে একসঙ্গে বসে দাবা, লুডো খেলা কিংবা একসঙ্গে মাঠে যাওয়া অথবা গান শোনার জন্য সময় বরাদ্দ জরুরি। এতে সন্তানের মনে কি চলছে সে সম্পর্কে সহজেই হদিশ পাওয়া যায়। আবার অনেক আচরণ সম্পর্কে তাদের সহজেই শেখানো‌ যায়। এতে জটিলতা কমে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 19 August 2025: অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 19 August 2025: অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) অফিসে কোনও বরিষ্ঠ আধিকারিকের সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না, লোকসান হতে পারে।

    ২) রাগ ও বাণী নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ৩) সামাজিক সম্মান পেতে পারেন।

    বৃষ

    ১) অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হবে।

    ২) সাফল্য লাভ করবেন আজ।

    ৩) চাকরিতে কোনও আধিকারিকের বিরাগভাজন হতে পারেন।

    মিথুন

    ১) সন্ধ্যাবেলা পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    ২) বিদেশি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত জাতকদের উন্নতিযোগ।

    ৩) মায়ের প্রতি বিশেষ স্নেহ থাকবে।

    কর্কট

    ১) সাফল্য আপনার হাতের মুঠোয় থাকবে।

    ২) ধনবৃদ্ধির ক্ষেত্রে জীবনসঙ্গীর পরামর্শে লাভ হবে।

    ৩) সন্তান কিছু সমস্যার মুখোমুখি হবে, তাই সতর্ক থাকুন।

    সিংহ

    ১) শত্রু প্রবল হবে আজ, তবে তাঁরা আপনার কোনও ক্ষতি করতে পারবে না।

    ২) সাফল্যলাভের জন্য কঠিন পরিশ্রম করতে হবে।

    ৩) সামাজিক কাজে সন্তানের রুচি বাড়বে।

    কন্যা

    ১) পরিবারে শুভ অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে পারে।

    ২) পরিবারের সদস্যরা ব্যস্ত থাকবেন আজ।

    ৩) বিবাদ হতে পারে নিজের বাণী নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    তুলা

    ১) পদ-প্রতিষ্ঠা ও সম্মান বৃদ্ধি পাবে।

    ২) কাছের ও দূরের ভ্রমণ যাত্রার আয়োজন করে থাকলে, তা স্থগিত হতে পারে।

    ৩) সন্ধ্যাবেলা পরিজনদের সঙ্গে সময় কাটাবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনায় মগ্ন থাকবেন।

    ২) অর্থাভাবের কারণে চিন্তিত থাকবেন এই রাশির জাতকরা।

    ৩) শ্বশুরবাড়ির তরফে ধনলাভ।

    ধনু

    ১) সাবধানে গাড়ি চালান।

    ২) গাড়ি খারাপ হওয়ায় অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) সন্তানের জন্য উপহার কিনতে পারেন।

    মকর

    ১) দাম্পত্য জীবনে মাধুর্য থাকবে।

    ২) জীবনসঙ্গীর পূর্ণ সহযোগিতা অর্জন করবেন।

    ৩) চাকরি ও ব্যবসায় বরিষ্ঠদের দ্বারা লাভান্বিত হতে পারেন এই রাশির জাতকরা।

    কুম্ভ

    ১) নিজের জীবনসঙ্গীর জন্য কোনও উপহার কিনতে পারেন।

    ২) মা-বাবার স্নেহ পাবেন।

    ৩) ভাই-বোনের স্বাস্থ্য দুর্বল হবে, তাই সতর্ক থাকুন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল।

    ২) পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে থাকলে ভালো ফল করতে পারবেন।

    ৩) বিশেষ অভিজ্ঞতা অর্জনের ফলে মনে আনন্দ থাকবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না

  • Ramakrishna 445: ঈশ্বরচিন্তা করতে গেলেই আর তাঁর নাম জপ করতে গেলেই চোখ দিয়ে জল পড়ে, রোমাঞ্চ হয়

    Ramakrishna 445: ঈশ্বরচিন্তা করতে গেলেই আর তাঁর নাম জপ করতে গেলেই চোখ দিয়ে জল পড়ে, রোমাঞ্চ হয়

    শ্রীরামকৃষ্ণ: ওদের বইয়ে অনেক কথা আছে বটে, কিন্তু যারা বই লিখেছে তারা ধারণা করতে পারে না। সাধু সংঘ হলে তবে ধারণা হয়। ঠিক ত্যাগী যদি, সাধু যদি উপদেশ দেয়, তবেই লোকে সে কথা শোনে। শুধু পণ্ডিত যদি বই লিখে বা মুখে উপদেশ দেয়, সে কথা তত ধারণা হয় না। যার কাছে গুড়ের নাগরী আছে, সে যদি রোগীকে বলে গুড় খেও না, রোগী তার কথা তত শোনে না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ: আচ্ছা, পূর্ণের অবস্থা কীরকম দেখেছো? ভাব-ধাব কি হয়?

    মাস্টার: ওই ভাবের অবস্থা বাইরে সেরকম দেখি, দেখতে পাই না। আপনার সেই কথাটি তাকে বলেছিলাম।

    শ্রীরামকৃষ্ণ: কোন কথাটি?

    মাস্টার: সেই যে আপনি বলেছিলেন, সামান্য আধার হলে ভাব সংবরণ করতে পারে না; বড় আধার হলে ভিতরে খুব ভাব হয়, কিন্তু বাইরে প্রকাশ থাকে না। যেমন বলেছিলেন—সাইয়ের দিঘিতে হাতি নামলে টের পাওয়া যায় না, কিন্তু ডোবাতে নামলে তোলপাড় হয়ে যায় আর পাড়ের উপর জল উপচে পড়ে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ:
    – “বাহিরে ভাব হলেই তো হবে না। তার আকর আলাদা চাই। আর সব লক্ষণ ভালো, তা ঠিক, কিন্তু…”

    মাস্টার:
    – “চোখদুটো বেশ উজ্জ্বল — যেন ঠেলে বেরিয়ে আসছে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ:
    – “চোখ উজ্জ্বল হলেই হয় না। তবে ঈশ্বরীয় চোখ আলাদা। আচ্ছা, তাকে কিছু জিজ্ঞাসা করেছিলে?”

    মাস্টার:
    – “আজ্ঞে হ্যাঁ, কথা হয়েছিল। সে ৪–৫ দিন ধরে বলছে, ‘ঈশ্বরচিন্তা করতে গেলেই আর তাঁর নাম জপ করতে গেলেই চোখ দিয়ে জল পড়ে, রোমাঞ্চ হয়’ — এইসব লক্ষণ দেখা যায়।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ:
    – “তবে আর কী?”

    ঠাকুর চুপ করে থাকেন।
    মাস্টার কিছুক্ষণ পরে আবার বলতে শুরু করেন —

    মাস্টার:
    – “সে দাঁড়িয়ে আছে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ:
    – “কে?”

    মাস্টার:
    – “পূর্ণ — তার বাড়ির দরজার কাছেই বোধহয় দাঁড়িয়ে আছে। আমরা কেউ গেলে দৌড়ে আসবে, এসে আমাদের নমস্কার করবে — তারপর চলে যাবে।”

LinkedIn
Share