Blog

  • Asian Games 2023: মিলল কেন্দ্রের ছাড়পত্র! এশিয়ান গেমস খেলবেন সুনীলরা

    Asian Games 2023: মিলল কেন্দ্রের ছাড়পত্র! এশিয়ান গেমস খেলবেন সুনীলরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2023) ভারতের পুরুষ ও মহিলা দলের অংশগ্রহণের জন্য সবুজ সংকেত দিল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর ট্যুইট করে এ কথা ঘোষণা করেছেন। ফলে ভারতের পুরুষ ও মহিলা দল এবার এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণ করতে পারবে। স্বাভাবিক ভাবেই খুশির হাওয়া ভারতের ফুটবল মহলে।

    অনুরাগের ট্যুইট-বার্তা

    বুধবার, অনুরাগ ঠাকুর ট্যুইটে লেখেন, ‘আমাদের ফুটবল দল, পুরুষ ও মহিলা উভয়ই এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণ করবে। দেশের ক্রীড়ামন্ত্রক সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুই দলের এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণের জন্য নিয়ম শিথিল করা হবে। পুরনো নিয়ম অনুযায়ী, দুই দল এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। কিন্তু সেটা শিথিল করা হচ্ছে। বর্তমান সময়ে তাদের পারফরম্যান্স দেখে মন্ত্রক সিদ্ধান্ত নিয়েছে ছাড় দেওয়ার ব্যাপারে। আমি নিশ্চিত দল এবার নিজেদের সেরাটা দিয়ে দেশের নাম উজ্জ্বল করবে।’

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে স্টাম্প ভাঙার শাস্তি! দুই ম্যাচ নির্বাসিত হরমনপ্রীত

    বিশেষ অনুমতি

    সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের আবেদনের ভিত্তিতে বিশেষ অনুমতি দিল কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক। পরপর তিনটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সুনীলের দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় কেন্দ্র এশিয়ান গেমসে দল পাঠানোর অনুমতি দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের নীতি অনুযায়ী, কোনও দলগত খেলায় এশীয় ক্রমতালিকায় প্রথম আটে থাকলে তবেই দল পাঠানো হয়। অর্থাৎ, বিবেচনা করা হয় পদক পাওয়ার সম্ভাবনা কতটা। সেই নিরিখে ফুটবল দলের এশিয়ান গেমসের ছাড়পত্র পাওয়ার কথা ছিল না। কারণ এশীয় ক্রমতালিকায় সুনীলেরা রয়েছেন ১৯ নম্বরে। এই নিয়মের অবশ্য ব্যতিক্রম রয়েছে। নির্দিষ্ট কোনও খেলার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ভাল হলে সংশ্লিষ্ট খেলার বিশেষজ্ঞ এবং স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ চায় কেন্দ্র। তার ভিত্তিতে বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: ভোট ‘সন্ত্রাসের শিকার’! আক্রান্ত মহিলাদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে গেল বিজেপির পরিষদীয় দল

    Post Poll Violence: ভোট ‘সন্ত্রাসের শিকার’! আক্রান্ত মহিলাদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে গেল বিজেপির পরিষদীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগে পরে বাংলায় শাসকদলের সন্ত্রাসের হাত থেকে রেহাই পাননি মহিলারাও। বারবার এমনই অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ, ভোটপর্ব মিটে যাওয়ার পর এখনও অনেক জেলায় দলীয় সমর্থকদের উপর তৃণমূল অত্যাচার চালাচ্ছে। বিজয়ী এবং পরাজিত মহিলা প্রার্থীদের নানা ভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পঞ্চায়েত ভোটের সন্ত্রাসের শিকার মহিলাদের তাই এবার নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে গেল বিজেপি পরিষদীয় দল। 

    নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে

    বুধবার বিধানসভায় বিজেপি পরিষদীয় দলের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন পাঁচ জন ঘরছাড়া বিজেপি মহিলা প্রার্থী এবং কর্মী। সেখানেই তাঁরা বিজেপি পরিষদীয় দলের সদস্যদের জানান, তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা। আমতা-২ ব্লকে বিজেপির হয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২ জন প্রার্থী জানান তাঁদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের কান্নায় ভেঙে পড়তেও দেখা যায়। এই পাঁচ জনের দলে ছিলেন পাঁচলায় আক্রান্ত মহিলাও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর কথায়, পঞ্চায়েত ভোটের দিন শাসকদলের ছাপ্পা আটকাতে গিয়ে তাঁকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তিনি এবং তাঁর পরিবার বাড়ি ফিরতে ভয় পাচ্ছেন। ঘটনাচক্রে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা হয়নি আক্রান্তদের। বিজেপি পরিষদীয় দল সূত্রে খবর, ওই পাঁচ জন বিজেপির মহিলা কর্মীকে নিরাপদ আশ্রয় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যথা সময় তাঁদের আইনি প্রয়োজনে আদালতে পেশ করা হবে। 

    আরও পড়ুুন: মালদার ২ মহিলাকে নির্যাতন! রিপোর্ট তলব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের

    ভোট সন্ত্রাসে সন্ত্রস্ত মহিলারাও

    সম্প্রতি রাজ্যে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস প্রত্যক্ষ করে গিয়েছে মহিলা সাংসদদের নিয়ে গঠিত বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। বিজেপির ওই মহিলা সাংসদরা হিংসাদীর্ণ এলাকাগুলি ঘুরে দেখেছেন, কথা বলেছিলেন ভুক্তভোগী মহিলাকর্মী এবং জয়ী ও পরাজিত প্রার্থীদের সঙ্গেও। ফিরে গিয়ে তাঁরা দলের জাতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার কাছে রাজ্যের হিংসা পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট পেশ করেছেন। ভোটের দিন বাংলাতে মহিলাদের উপর মধ্যযুগীয় বর্বরতার ছবি তুলে ধরেছিলেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। বিজেপির মহিলা প্রার্থীকে বিবস্ত্র করে গ্রাম ঘোরানোর অভিযোগ করেন তিনি। হাওড়ায় বুথে বিজেপি প্রার্থীর উপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ শানিয়ে লকেট বলেছিলেন, ‘যেখানে মহিলাদের সুরক্ষা দেওয়ার কথা রাজ্যের মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর, সেখানে মহিলাদের অত্যাচার, শিশু পাচারে এগিয়ে বাংলা। বিজেপির লোকেরা মার খাচ্ছেন, এফআইআর করা যায় না, অনেক কষ্টে অনলাইলে অভিযোগ দায়ের করতে হয়। ‘                     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ‘‘অসুস্থ হলে বসে যান’’, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে ছুটিতে পাঠাল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: ‘‘অসুস্থ হলে বসে যান’’, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে ছুটিতে পাঠাল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশ মানেননি। বুধবার পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান তথা মেমারির তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্যকে ছুটিতে পাঠিয়ে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রথমে তাঁকে বরখাস্তের নির্দেশ দেয় আদালত। পরে তিনি অসুস্থতার কথা বলে আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এরপরই বরখাস্তের নির্দেশ বদলে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে ছুটিতে পাঠিয়ে দেন বিচারপতি।

    আদালতের নির্দেশ

    মঙ্গলবার প্রাথমিক সংক্রান্ত মামলা চলাকালীন আদালতের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। পূর্ব বর্ধমান জেলায় শিক্ষকের স্থানান্তর সংক্রান্ত একটি তথ্য চাওয়া হয়েছিল মধুসূদনের কাছে। তিনি পর্ষদের উচ্চপদস্থ কর্মচারীকে দিয়ে হলফনামা জমা দেন হাইকোর্টে। এতেই বেজায় ক্ষুব্ধ হন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। কারণ, আদালতের নির্দেশ ছিল, শিক্ষকের স্থানান্তরের বিষয়টি চেয়ারম্যানকেই হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে। পর্ষদের চেয়ারম্যানের উদ্দেশে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Calcutta High Court) বলতে শোনা যায়, ‘অসুস্থ হলে পদত্যাগ করুন, অন্য লোক কাজ করবেন। আমি মনে করি, আপনি শারীরিক ভাবে এই পদে কাজ করতে অপারগ।’ এরপরই চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের নির্দেশ দেন তিনি।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ-দুর্নীতিতে নজরে কৃষ্ণনগর, শান্তিপুর পুরসভা! সিবিআই তলবে হাজির আধিকারিকরা

    ক্ষমা চাইলেন চেয়ারম্যান

    মঙ্গলবার মধুসূদন আদালতে জানান, তিনি করোনা এবং ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ছিলেন। তাই নিজে সশরীরে এই কাজ না করে পদস্থ আধিকারিককে দিয়ে এই কাজ করিয়েছেন। এ জন্য তিনি ক্ষমাও চান আদালতের (Calcutta High Court) কাছে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার প্রাথমিকে ‘পোস্টিং দুর্নীতি’ নিয়ে জেলে গিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে জেরা করার নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত প্রায় দু’ঘণ্টা মানিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআইয়ের চার আধিকারিক। এর পর রাতেই মানিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kargil Vijay Diwas: শ্রদ্ধাজ্ঞাপন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর, দেশজুড়ে পালিত কার্গিল বিজয় দিবস

    Kargil Vijay Diwas: শ্রদ্ধাজ্ঞাপন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর, দেশজুড়ে পালিত কার্গিল বিজয় দিবস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্গিল যুদ্ধজয়ের ২৩ তম বর্ষপূর্তি হিসেবে দেশজুড়ে মহাধুমধামের সঙ্গে পালিত হচ্ছে কার্গিল বিজয় দিবস (Kargil Vijay Diwas)। ১৯৯৯ সালে আজকের দিনে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কার্গিল যুদ্ধে জয়ী (Victory Over Pakistan) ঘোষিত হয়েছিল ভারতীয় সেনা। ১৯৯৯ সালের ২৬ জুলাই, অপারেশন বিজয়ের সাফল্য ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী। প্রায় ২ মাস ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ভারতের অনেক বীর সন্তান দেশের জন্য প্রাণের বলিদান দিয়েছেন। প্রতি বছর এই দিনে ভারতের সেই যোদ্ধাদের বীরত্বকে স্মরণ, সম্মান ও শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশজুড়ে পালিত হয় কার্গিল বিজয় দিবস। 

    কী বললেন রাষ্ট্রপতি?

    এদিন কার্গিল যুদ্ধজয়ের ২৩ তম বর্ষপূর্তিতে ভারতীয় সেনাকে শ্রদ্ধঘা জানালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় সেনাবাহিনীর তরফেও। এদিন ট্যুইট করে দ্রৌপদী মুর্মু লেখেন, ‘‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অসাধারণ বীরত্ব, পরাক্রম ও দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক এই কার্গিল দিবস৷ ভারত মাতার রক্ষার জন্য প্রাণ বলিদান দেওয়া সব বীর সৈনিককে আমি প্রণাম জানাই৷ সব দেশবাসী, তাঁদের পরিবারের প্রতি সর্বদা ঋণী থাকবে৷ জয় হিন্দ!’’

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্যুইটে তিনি লেখেন, ‘‘কার্গিল বিজয় দিবস মা ভারতীর গৌরবের প্রতীক৷ মাতৃভূমিকে রক্ষা করার জন্য পরাক্রম দেখানো দেশের সাহসী সুপুত্রদের আমার শত শত প্রণাম৷ জয় হিন্দ!’’ 

    তিনি আরও লেখেন, ‘‘কার্গিল বিজয় দিবস (Kargil Vijay Diwas) ভারতের সেই অসাধারণ সাহসীদের বীরগাথাকে স্মরণে আনে, যাঁরা সর্বদা দেশবাসীর জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন। এই বিশেষ দিনে, আমি তাঁদের প্রতি আমার হৃদয়ের গভীর থেকে প্রণাম এবং অভিবাদন জানাচ্ছি। জয় হিন্দ!”

    অমিত শাহের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন

    কার্গিল দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ট্যুইট করে বলেছেন, ‘‘কার্গিল বিজয় দিবস কোটি কোটি দেশবাসীর কাছে সম্মানের এক মুহূর্ত। আমি কার্গিলের দুর্গম পাহাড়ে তেরঙ্গা উত্তোলন করে দেশের অখণ্ডতা অক্ষুণ্ন রাখার জন্য আপনার উৎসর্গকে সালাম জানাই।’’

    দ্রাসে কার্গিল যুদ্ধসৌধে শ্রদ্ধা রাজনাথের

    জম্মু ও কাশ্মীরের দ্রাস সেক্টরের কার্গিলে হওয়া এই যুদ্ধে শহিদ হয়েছিলেন ৫২৭ জন ভারতীয় জওয়ান। আহত হয়েছিলেন ১৩৬৩ জন। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও। এদিন লাদাখের দ্রাসে কার্গিল যুদ্ধের স্মৃতিসৌধে (Kargil Vijay Diwas) পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    রাজনাথ বলেন, ‘‘১৯৯৯ সালে ইসলামবাদ পিছন থেকে ভারতের পিঠে ছুরি মেরেছিল। ভারতের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়। যুদ্ধে ভারতীয় জওয়ানরা যে বীরত্ব দেখিয়েছিলেন, তাকে কুর্ণিশ।’’ একইসঙ্গে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়ে রাখেন, নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবার বেআইনি অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটছে। এ নিয়ে ভারত চুপ করে বসে থাকবে না।

    সংসদেও কার্গিল দিবস পালন

    ২৪ বছর আগে ওই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাজ্যসভা ও লোকসভার সাংসদরা। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বুধবার লখনউতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে কার্গিল যুদ্ধে নিহত সৈন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। বুধবার তিনি ট্যুইটে লেখেন, “কার্গিল বিজয় দিবসে রাজ্যের সমস্ত মানুষকে আন্তরিক অভিনন্দন। ভারত মাতার সমস্ত অমর পুত্রদের প্রতি শত শত প্রণাম যাঁরা দেশের সেবায় তাঁদের সর্বস্ব উৎসর্গ করেছেন!”

    মিগ-২৯ বিমানের ফ্লাই পাস্ট

    সেনাবাহিনীর তরফে এদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভিআর চৌধুরী কার্গিল বিজয় দিবস (Kargil Vijay Diwas) উপলক্ষে দ্রাস সেক্টরে কার্গিল যুদ্ধের স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। ভারতীয় সেনাবাহিনির তিনটি চিতাল হেলিকপ্টার দ্রাসের কার্গিল যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে ফুল বর্ষণ করা হয়। ফ্লাই পাস্ট করে নৌসেনার ৪টে মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান।

     

    ফোর্ট উইলিয়ামেও কার্গিল দিবস উদযাপন

    কলকাতাতেও পালিত হলো কার্গিল দিবস (Victory Over Pakistan)। এদিন সেনার পূর্বাঞ্চলীয় সদর দফতর ফোর্ট উইলিয়ামে শহিদবেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন পূর্বাঞ্চলীয় সেনা কমান্ডার জিওসি-ইন-সি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর পি কালিতা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: পকসো মামলায় নির্যাতিতার ছবি প্রকাশ, আইসি-আইওকে সাসপেন্ডের নির্দেশ হাইকোর্টের  

    Calcutta High Court: পকসো মামলায় নির্যাতিতার ছবি প্রকাশ, আইসি-আইওকে সাসপেন্ডের নির্দেশ হাইকোর্টের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পকসো (POCSO) আইনের মামলার কেস ডায়েরিতে নির্যাতিতার ছবি দিয়ে নাম লিখে দেওয়ার ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বুধবার ওই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, নাবালিকার পরিচয় প্রকাশ করে অত্যন্ত গর্হিত কাজ করেছে বিধাননগর কমিশনারেটের অন্তর্গত বাগুইআটি থানা।

    সাসপেন্ডের নির্দেশ

    এই মামলায় থানার আইসি ও তদন্তকারী অফিসারকে (IO) সাসপেন্ড করে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার জন্য বিধাননগরের কমিশনারকে নির্দেশও দিয়েছে আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে চার সপ্তাহ পরে। সেদিন বিধাননগর কমিশনারেটকে আদালতে জানাতে হবে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে। এদিন আদালতের ভর্ৎসনার মুখেও পড়ে পুলিশ। বেঞ্চের (Calcutta High Court) প্রশ্ন, “যিনি নাবালিকাকে পাচারকারীদের হাত থেকে বাঁচালেন, তাঁকেই অভিযুক্ত করে গ্রেফতার করার কারণ কী? তার মানে কি ওই যুবক পাচার চক্র ভাঙতে চাইছিলেন না? পাচার চক্র যাতে চলতে পারে, পুলিশ কি সেই রাস্তা করে দিচ্ছে? কেন পুলিশ নাবালিকার গোপন জবানবন্দি দেখল না? না কি দেখেও দেখল না! সেখানে স্পষ্ট লেখা, ওই যুবক তাকে উদ্ধারে সাহায্য করেছেন।”

    বিচারপতির প্রশ্ন 

    কেস ডায়েরিতে কীভাবে পাচার হওয়া নাবালিকার ছবি সহ পরিচয় প্রকাশ করা হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। এর পরেই বাগুইআটি থানার ইন্সপেক্টর ইনচার্জ শান্তনু সরকার ও তদন্তকারী অফিসার বিশ্বজিৎ দাসকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেয় আদালত। প্রসঙ্গত, ৩ মার্চ বন্ধুর বাড়ি যাবে বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় ওই নাবালিকা। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই নাবালিকার মা। পরে তিলজলা এলাকা থেকে ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: মালদার ২ মহিলাকে নির্যাতন! রিপোর্ট তলব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের

    পুলিশকে সাহায্য করে ওই নাবালিকার প্রেমিক অনল সর্দার। পরে তাঁকেই অভিযুক্ত ঠাউরে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই মামলায় আদালতের (Calcutta High Court) ভর্ৎসনার মুখে পড়ে পুলিশ। অনিলকে জামিনও দিয়েছে আদালত। এদিন থানার আইসি এবং তদন্তকারী অফিসারকেও তলব করেছিল হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Malda: মালদার ২ মহিলাকে নির্যাতন! রিপোর্ট তলব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের

    Malda: মালদার ২ মহিলাকে নির্যাতন! রিপোর্ট তলব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদায় দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধরের ঘটনায় এবার রিপোর্ট তলব করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। ২ সপ্তাহের মধ্যে জেলা পুলিশ সুপারকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  জেলার এসপি-র পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশকেও বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

    জামিনে মুক্ত দুই নির্যাতিতা

    গত ১৮ জুলাই মালদার বামনগোলার পাকুয়াহাটে চোর সন্দেহে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে জুতোপেটা করার অভিযোগ ওঠে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টে নালাগোলা ফাঁড়ি ভাঙচুরকাণ্ডে নির্যাতিতাদেরই গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও ঘটনার দিন তারা ফাঁড়ির এলাকায় যাননি, ভাঙচুরেও যুক্ত ছিলেন না বলে দাবি করেন তাঁরা। ৭দিন পর গতকাল জামিনে জেল থেকে ছাড়া পান ২ নির্যাতিতা। ওই ঘটনায় গত ২৩ জুলাই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি তথা মালদা জেলা আদালতের আইনজীবী উজ্জ্বল দত্ত। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এবার জেলা পুলিশ সুপারের কাছে রিপোর্ট তলব করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

    আরও পড়ুন: পিংলায় ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন! দোষীদের ফাঁসির সাজা ঘোষণা করল আদালত

    আজ, বুধবার সকালে জামিনে মুক্ত দুই নির্যাতিতাকে মুক্তি দেয় জেল কর্তৃপক্ষ। জেল থেকে বেরিয়েই দুই নির্যাতিতার দাবি, ১৮ জুলাই ভরা হাটে চুরির মিথ্যা অপবাদে তাঁদের মারধর করা হয়। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে দুই নির্যাতিতার পরিবার। তাঁদের দাবি, ঘটনার দিন হাটে লেবু বিক্রি করতে গিয়েছিলেন তাঁরা। অভিযোগ, সেই সময় চোর সন্দেহে তাঁদের মারধর ও জুতোপেটা করা হয়। ভিডিয়োতে অনেকে মিলে ওই দুই মহিলাকে মারধর করতে দেখা যায়। সেই মারধরের সময়ই ওই দুই মহিলার শরীর থেকে পোশাক খুলে যায়। কিন্তু তাতেও বন্ধ হয়নি শারীরিক হেনস্থা। পরে ওই দুই মহিলাকে মারধরে অভিযোগে ৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের নাম মনোরঞ্জন মন্ডল, বিজয় মন্ডল, মিনতি টুডু, বাসন্তী মার্ডি এবং রেবতী বর্মন। আদালতে পেশ করা হলে তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠান বিচারক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: রামনবমী হিংসা মামলা, তদন্তে সহযোগিতা করছে না রাজ্য, আদালতে এনআইএ

    Calcutta High Court: রামনবমী হিংসা মামলা, তদন্তে সহযোগিতা করছে না রাজ্য, আদালতে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তদন্তে সহযোগিতা করছে না রাজ্য সরকার। এই অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। বুধবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে এই অভিযোগ জানান এনআইএর আইনজীবী। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হবে বলে জানিয়েছে আদালত।

    রামনবমীর শোভাযাত্রায় হিংসার অভিযোগ

    রামনবমীর শোভাযাত্রাকে ঘিরে হিংসার অভিযোগ ওঠে হাওড়ার শিবপুর, হুগলির রিষড়া, চন্দননগর এবং উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলায়। এ নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলায় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয় এনআইএ তদন্তের। হাইকোর্টের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। তাদের যুক্তি ছিল, জনস্বার্থ মামলায় তদন্তের ভার এনআইএকে দেওয়া যায় না। দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা ছাড়া সাধারণ হিংসার মামলায় এনআইএ আইন প্রয়োগ করা যায় না।

    সুপ্রিম কোর্টের রায় 

    এনআইএ তদন্তের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে রাজ্য সরকারের তরফে যে আর্জি জানানো হয়েছিল, মে মাসে তা খারিজ করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারডিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চেও খারিজ হয়ে গিয়েছে ওই আর্জি। তার পরেই জোর কদমে তদন্ত শুরু করে এনআইএ।

    তবে এই প্রথম নয়, চলতি বছরের জুন মাসেও রামনবমীর শোভাযাত্রায় হিংসা সংক্রান্ত মামলার নথি হস্তান্তর না করায় রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালতের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিল এনআইএ। সেই সময় হাইকোর্টের বিচারপতি রাজা শেখর মান্থা নির্দেশে বলেন, “রায় চ্যালেঞ্জ করার মানে আগের নির্দেশ কার্যকর করা না হয়। রাজ্য বাধ্য ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ কার্যকর করতে। তাই আগে নথি হস্তান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এলে তখন আলাদা হবে। স্থগিতাদেশ পেয়ে যাব, এই ধারণা করে রাজ্য নথি চেপে বসে থাকতে পারে না।”

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ-দুর্নীতিতে নজরে কৃষ্ণনগর, শান্তিপুর পুরসভা! সিবিআই তলবে হাজির আধিকারিকরা

    এদিন হাইকোর্টে এনআইএর আইনজীবী জানান, আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশ মেনে রাজ্যের কাছে হাওড়ার শিবপুর, হুগলির রিষড়া-চন্দননগর, উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলায় হিংসার নথি রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দাদের কাছে চাওয়া হলেও, তারা এখনও দেয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal BJP: নারী সুরক্ষা ইস্যুতে উত্তাল রাজ্য বিধানসভা! প্রস্তাব পেশে ‘বাধা’, ওয়াকআউট বিজেপির

    West Bengal BJP: নারী সুরক্ষা ইস্যুতে উত্তাল রাজ্য বিধানসভা! প্রস্তাব পেশে ‘বাধা’, ওয়াকআউট বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী নির্যাতনের ইস্যুতে বুধবার উত্তাল রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন৷ রাজ্যে মহিলা নির্যাতনের ইস্যুতে এদিন বিধানসভায় অগ্নিমিত্রা পালের আনা দৃষ্টি আকর্ষণী প্রস্তাব পড়তে বাধা দেওয়া হলে স্লোগান তুলে ওয়াকআউট করেন বিজেপির (West Bengal BJP) বিধায়করা৷

    প্রস্তাব পেশ করতে বাধা বিজেপিকে!

    বুধবার অধিবেশন শুরু হতেই রাজ্যের নারীসুরক্ষা পরিস্থিতি নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণী প্রস্তাব আনে বিজেপি (West Bengal BJP)৷ তবে, সেই প্রস্তাব পাঠের অনুমতি মেলেনি বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের৷ এরপরেই উত্তপ্ত হয় বিধানসভা। অধিবেশন কক্ষে স্লোগান তুলে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখাতে দেখাতে ওয়াকআউট করে বিজেপি৷ বিধানসভার চত্বরেও স্লোগান দিতে থাকেন মহিলা বিজেপি বিধায়করা। অগ্নিমিত্রা পালদের অভিযোগ, রাজ্যে নির্যাতিত হচ্ছেন মহিলারা, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী কোনও পদক্ষেপ করছেন না! 

    কী বলছেন অগ্নিমিত্রা পাল?

    আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক বলেন, ‘‘একুশের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু মণিপুরের কথা বললেন৷ আমরাও ওই ঘটনার নিন্দা করি৷ কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুরে যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, সেটা নিয়ে কিছু বলা হচ্ছে না৷ ওঁরা কি বাংলার মেয়ে নয়? একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীই বাংলার মেয়ে?’’ এদিকে, আলোচনার সময়ে কেন স্লোগান তোলা হলো, বিরোধীদের এই আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বিজেপির ওয়াকআউট নিয়ে উষ্মাপ্রকাশ করেছেন তিনি৷

    বিজেপি মহিলা মোর্চার দুদিন ব্যাপী ধর্না

    এদিকে, পঞ্চায়েত ভোটে সন্ত্রাস ও হিংসার প্রতিবাদে ধর্নায় নামছে বিজেপি মহিলা মোর্চা (BJP Mahila Morcha)৷ আজ, বুধবার এবং আগামিকাল ধর্নায় বসতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি মহিলা মোর্চা৷ জানা যাচ্ছে, শ্যামবাজারের মোড়ে দু’দুদিন ব্যাপী এই ধর্না প্রদর্শন করবে মহিলা মোর্চা৷ সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে এই ধর্না কর্মসূচি। বঙ্গ বিজেপি মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র ধর্নার নেতৃত্ব দেবেন৷ তিনি জানান, রাজ্যে লাগাতার অশান্তি, মানুষের উপর হামলা, হত্যা চলছে৷ এমনকী ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে৷ ভোট সন্ত্রাসের প্রতিবাদে এই ধর্নার ডাক দেওয়া হয়েছে৷

    যোগ দেবেন শুভেন্দু-অগ্নিমিত্রারা?

    মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে ফাল্গুনী পাত্র (BJP Mahila Morcha) বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন স্বেচ্ছাচারী মানুষ৷ তিনি কোনও আইন মানেন না৷ তিনি রাজতন্ত্র কায়েম করতে চাইছেন৷ তিনি কাউকে তোয়াক্কা করেন না৷ আর এতে সন্ত্রাসবাদীরা আরও ইন্ধন পাচ্ছে৷ তিনি শুধুনিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে চাইছেন৷ তাই পশ্চিমবঙ্গে এমন জঙ্গলরাজ তৈরি হয়েছে৷’’ জানা যাচ্ছে, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল-সহ অন্য বিজেপি (West Bengal BJP) নেতারা এই ধর্না মঞ্চে উপস্থিত থাকতে পারেন৷ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: “৫ অগাস্টের দরকার নেই, আগেই মেরে মাথা ফাটিয়ে দে!” বলেই মাথায় লাঠির বাড়ি!

    Nadia: “৫ অগাস্টের দরকার নেই, আগেই মেরে মাথা ফাটিয়ে দে!” বলেই মাথায় লাঠির বাড়ি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ৫ অগাস্ট বিজেপির নেতা-কর্মীদের বাড়ি ঘেরাওয়ের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। এতো দেরি বোধহয় কর্মীদের সহ্য হল না। তার অনেক আগেই শুরু হয়ে গেল হামলা। নদিয়া (Nadia) জেলার গয়েশপুর পঞ্চায়েতের শ্রীরামপুরের ঘটনা। বিজেপির পঞ্চায়েত ভোটের এজেন্টকে রাস্তায় ঘেরাও করে ব্যাপক মারধর করল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ একটাই, কেন বিজেপি করেন?

    ঘটনা কী ঘটেছে (Nadia)?

    মঙ্গলবার রাতে বাড়ি ফেরার সময় শ্রীরামপুর (Nadia) গ্রামে বিজেপির বুথ এজেন্টের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, শ্রীরামপুর গ্রামের বাসিন্দা অজয় মাঝি এবার ভোটে তাঁর এলাকায় বিজেপির বুথ এজেন্ট হয়েছিলেন। মঙ্গলবার রাতে কাজ শেষে পূর্ব পাড়া থেকে বাড়ি ফেরার সময়, তাঁকে কিছু তৃণমূলের দুষ্কৃতী ঘিরে ধরে এবং ৫ই অগাস্টের আগেই ব্যবস্থা নেব বলে তাঁর ওপর হামলা চালায়। মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় ওই বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে শান্তিপুর হাসপাতালে নিয়ে আসে স্থানীয় মানুষজন। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর দাবি, এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে গয়েশপুর এলাকায় ভালো ফল করেছে বিজেপি। একদিকে তাঁর উপর তৃণমূলের হিংসাত্মক আক্রোশ এবং অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উস্কানিমূলক মন্তব্য, এই দুইয়ে মিলে তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    বিজেপি কর্মীর বক্তব্য

    আক্রান্ত বিজেপি কর্মী অজয় মাঝি (Nadia) বলেন, তৃণমূলের গুন্ডা তারকনাথ কবিরাজ বলে, ৫ অগাস্টের দরকার নেই, আগেই মেরে মাথা ফাটিয়ে দে! এই প্রসঙ্গে অজয়বাবু আরও বলেন, ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপির এজেন্ট ছিলাম। সেই সময় বিজেপি ১৩ টি ভোট পেয়েছিল। এই বছর ২০২৩ সালে আবার আমি বিজেপির এজেন্ট হই। এই বার আমাদের গ্রামের পঞ্চায়েতে ১১ টার মধ্যে ১০ টায় বিজেপি প্রার্থী দিয়ে জয়ী হয়েছে। আমি একজন সক্রিয় বিজেপি কর্মী বলেই আমায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India vs Pakistan: ১৫ অক্টোবর নবরাত্রি, বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের দিন বদল? 

    India vs Pakistan: ১৫ অক্টোবর নবরাত্রি, বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের দিন বদল? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মরশুমে ক্রিকেটের মহাযুদ্ধ। নিরাপত্তার কারণে বদলে যেতে পারে আসন্ন একদিনের বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan) ম্যাচের সময় সূচি। বিশ্বকাপে আগামী ১৫ অক্টোবর ভারত এবং পাকিস্তানের ম্যাচ হওয়ার কথা। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচটি আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে হওয়ার কথা। ওই দিন নবরাত্রি শুরু হচ্ছে। ফলে নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

    নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যা

    গুজরাট জুড়ে বেশ ধুমধাম করেই পালিত হয় নবরাত্রি। গুজরাটের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব নবরাত্রি। অনেকটা পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর মতোই। টানা দশ দিন ধরে চলা এই উৎসবে স্থানীয় মানুষের মাতামাতি থাকেই। ১৫ অক্টোবর নবরাত্রির প্রথম দিন। ফলে বিশ্বকাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের দিন পর্যাপ্ত পুলিশের ব্যবস্থা করা থেকে শুরু করে ক্রিকেটার ও দর্শকদের নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যা হতে পারে। ফলে ভারতের বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা বোর্ডকে অনুরোধ করেছে অন্য কোনও দিন এই ম্যাচ আয়োজন করতে। আগামী বৃহস্পতিবার বোর্ডের একটি বৈঠক রয়েছে। সেখানেই এই ম্যাচের নতুন তারিখ ঘোষণা করা হতে পারে। বিসিসিআই সচিব জয় শাহ সমস্ত হোস্টিং ভেন্যুগুলির সদস্যদের ২৭ জুলাই (বৃহস্পতিবার) নয়াদিল্লিতে এই বৈঠকের জন্য ডেকেছেন। 

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে স্টাম্প ভাঙার শাস্তি! দুই ম্যাচ নির্বাসিত হরমনপ্রীত

    বোর্ডের এক কর্তার কথায়, “আমাদের কাছে যে বিকল্প রয়েছে তা আলোচনা করে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নিরাপত্তা সংস্থার তরফে আমাদের জানানো হয়েছে, ভারত-পাকিস্তানের মতো হাইপ্রোফাইল ম্যাচে আমদাবাদে দেশ-বিদেশ থেকে হাজার হাজার সমর্থক আসবেন। নবরাত্রির কারণে ওই সময়ে সেই ম্যাচ আয়োজনে সমস্যা হতে পারে।” আইসিসি এই বিষয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করে দিয়েছে। যদি একান্তই এই ম্য়াচের সময়সূচি পরিবর্তিত হয়। তবে যারা ম্যাচ দেখতে আসছেন, তাঁদের জন্য সমস্যা হতে পারে। কারণ অনেকেই ট্রেন, বিমান, বাস বুক করে নিয়েছেন। হোটেল বুকিং চলছে। আমদাবাদে হোটেলর ভাড়াও বেড়েই চলেছে প্রতিনিয়ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share