Blog

  • Weather Update: প্রবল ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস, কলকাতা-সহ ১৫ জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি

    Weather Update: প্রবল ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস, কলকাতা-সহ ১৫ জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, শুক্রবার রাত থেকে শহরে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানাল আলিপুর হাওয়া অফিস। উত্তরপ্রদেশ ও সংলগ্ন বিহারে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত (cyclone)। অমৃতসর, নাজিবাবাদ, দ্বারভাঙ্গা  থেকে জলপাইগুড়ির ওপর দিয়ে দক্ষিণ পূর্ব দিকে এগিয়ে মিজোরাম পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। এর প্রভাবেই জলীয় (Rain) বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে আর তার থেকেই বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শনিবার থেকে মৌসুমী অক্ষরেখা নিচের দিকে নামতে পারে বলে পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের। 

    দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা

    দক্ষিণবঙ্গে প্রায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে ঝড়-বৃষ্টির দাপট। রাজ্যের সমস্ত জেলাতেই কম-বেশি ঝড়-বৃষ্টি সম্ভাবনা, জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ঝড়বৃষ্টির কারণে দক্ষিণের জেলাগুলিতে তাপমাত্রার পারদ বেশ খানিকটা কমেছে। কলকাতায় শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের ২ ডিগ্রি কম। তবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বহাল রয়েছে। মূলত মেঘলা আকাশই থাকবে দক্ষিণবঙ্গে (West Bengal Weather Update) । ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকলেও বেশ কয়েক পশলা হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শুক্রবার কলকাতার আকাশ মূলত মেঘলা ছিল। শনিবার থেকে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির (Weather Update) পরিমাণ বাড়তে পারে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। 

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সরানোর নির্দেশ রাজ্যপালের

    উত্তরে ভারী বৃষ্টি

    মৌসুমী অক্ষরেখার অবস্থানের জেরে উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে আগামী ৪৮ ঘন্টায়। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি – এই পাঁচ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সর্তকতা জারি করা হয়েছে। শুক্রবার কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সর্তকতা। ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকছে মালদা এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। এমনকী পার্বত্য এলাকায় ধসও নামতে পারে। নদীর জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। অতি বৃষ্টির কারণে দৃশ্যমানতা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Luna 25: চাঁদের দেশে পাড়ি রুশ ল্যান্ডারের, ‘লুনা ২৫’ না ‘চন্দ্রযান ৩’, আগে নামবে কে?

    Luna 25: চাঁদের দেশে পাড়ি রুশ ল্যান্ডারের, ‘লুনা ২৫’ না ‘চন্দ্রযান ৩’, আগে নামবে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের কক্ষপথে চক্কর কাটছে ভারতের ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। আগামী ২৩ তারিখ তার চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করার কথা। এর মধ্যেই শুক্রবার, চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিল রুশ মহাকাশযান ‘লুনা ২৫’ (Luna 25)। গন্তব্য সেই এক— চাঁদের দক্ষিণ মেরু। ‘লুনা ২৫’-এর সম্ভাব্য অবতরণ সেই ২৩ তারিখেই। ফলত, এখনও পর্যন্ত অনাবিষ্কৃত চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে কে প্রথম অবতরণ করে, তা নিয়ে জোর কৌতুহল বিশ্বজুড়ে।

    স্বাধীন রাশিয়ার প্রথম চন্দ্রাভিযান

    ১৯৭৬ সালের ১৪ অগাস্ট মহাকাশে যাত্রা করেছিল ‘লুনা ২৪’। সেটিই ছিল সাবেক সোভিয়েত আমলের শেষ চন্দ্র অভিযান। তারপর ৪৭ বছর কেটে গিয়েছে। পতন হয়েছে সোভেয়েত সাম্রাজ্যের। এবার এতদিন পর অধুনা রাশিয়ার এটিই হচ্ছে প্রথম চন্দ্রাভিযান। শুক্রবার সকাল ৮টা ১০ মিনিটে (স্থানীয় সময়) মস্কো থেকে প্রায় ৫৫০০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত আমুর ওব্লাস্টের ভোস্টনি কসমোড্রোম থেকে সয়ুজ রকেটে চেপে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দেয় ‘লুনা ২৫’। পাঁচ দিনের মধ্যে অর্থাৎ আগামী ১৬ অগাস্ট এটি চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করবে। এর পর ২৩ তারিখ সম্ভবত সেটি চাঁদের বুকে অবতরণ করবে। যদিও, রুশ মহাকাশ সংস্থা রসকসমস দাবি করেছে, ‘চন্দ্রযান ৩’-এর অবতরণের ২ দিন আগেই, অর্থাৎ ২১ তারিখই চাঁদের মাটি ছুঁয়ে ফলবে ‘লুনা ২৫’ (Luna 25)।

    মহাকাশে প্রতিযোগিতা ভারত ও রাশিয়ার!

    গত ১৪ জুলাই দুপুর ২টো ৩৫ মিনিটে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টারের ‘লঞ্চিং প্যাড’ থেকে সফল উৎক্ষেপণ হয়েছিল মহাকাশযানটির। উৎক্ষেপণের ২২ দিন পর তা চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছেছে। ইসরো জানিয়েছে, আগামী ২৩ তারিখ বিকেল ৫টা ৪৭ মিনিটে রোভার প্রজ্ঞানকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদের দক্ষিণ মেরু ছোঁবে ল্যান্ডার বিক্রম। ভারতের ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3) কিংবা রাশিয়ার ‘লুনা ২৫’ (Luna 25), যে দেশের মহাকাশযানই প্রথমে অবতরণ করবে, তাদেরই নাম উঠবে ইতিহাসের পাতায়। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মহাকাশযান নামানোর পালক জুড়বে তাদের মুকুটে। ফলে, মহাকাশে এক প্রকার প্রতিযোগিতা চলছে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে। এদিনর সফল উৎক্ষেপণের জন্য রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থা রসকসমসকে অবশ্য শুভেচ্ছা জানিয়েছে ইসরো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shakib Al Hasan: সামনে বিশ্বকাপ! অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার শাকিবই বাংলাদেশের নয়া ওডিআই ক্যাপ্টেন

    Shakib Al Hasan: সামনে বিশ্বকাপ! অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার শাকিবই বাংলাদেশের নয়া ওডিআই ক্যাপ্টেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়া কাপ এবং বিশ্বকাপের জন্য অধিনায়ক বেছে ফেলল বাংলাদেশ। ফের শাকিব আল হাসানকে (Shakib Al Hasan) দায়িত্ব দেওয়া হল। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্তা নাজমুল হাসান পাপন অধিনায়ক হিসাবে শাকিবের নাম ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “এশিয়া কাপ এবং বিশ্বকাপের জন্য শাকিবকে অধিনায়ক করা হল। শনিবার দল ঘোষণা করা হবে। এশিয়া কাপের জন্য ১৭ জনের দল বেছে নেবেন নির্বাচকেরা।”

    শাকিবেই আস্থা

    মাশরাফি বিন মর্তুজার অবসরের পর বাংলাদেশের ওডিআই অধিনায়ক হন তামিম ইকবাল। গত মাসে হঠাৎ অবসর ঘোষণা করেছিলেন তামিম। পরে অবসর প্রত্যাহার করলেও জাতীয় দলের নেতৃত্বভার আর নিতে চাননি। শিয়রে এশিয়া কাপ। ওডিআই বিশ্বকাপ শুরু হতে মাত্র দু’মাস বাকি। এই পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি নতুন ক্যাপ্টেন খুঁজতে নেমেছিল বিসিবি। বাংলাদেশের কোচ চন্ডিকা হাথুরাসিংহ বুধবার দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ঢাকায় তাঁর সঙ্গে আলোচনায় বসেন নির্বাচকেরা। বোর্ড কর্তা পাপনের সঙ্গেও আলোচনা করা হয়। এরপর ৩৬ বছরের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার শাকিবের সঙ্গে কথা বলা হয়। শাকিব রাজি হওয়ায় তাঁকেই অধিনায়ক করা হল। তিনি রাজি না হলে শিকে ছিঁড়ত লিটন দাসের।

    আরও পড়ুন: ড্রেসিংরুমে বসানো হচ্ছে স্প্রিঙ্কলার, ইডেনের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে কী বললেন সিএবি সভাপতি?

    সামনে এশিয়া কাপ তারপরেই বিশ্বকাপ।  বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকার কাঁধেই গেল নেতৃত্বভার। বাংলাদেশ ক্রিকেট (Bangladesh Cricket) বোর্ডের ভাবনায় প্রথম থেকেই ছিলেন শাকিব।  টি ২০ ও টেস্ট ক্রিকেটে টাইগারদের অধিনায়কের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন সাকিব। এ বার ওডিআই ফরম্যাটের নেতৃত্বও তাঁর ঘাড়ে। বাংলাদেশের তিন ফরম্যাটেই এখন থেকে নেতৃত্ব দেবেন শাকিব। ওডিআইতে শাকিব আল হাসান যে নেতৃত্ব দেননি এমনটা নয়। এখনও পর্যন্ত ৫০টি ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। এমনকী ২০১১ সালে তাঁরই নেতৃত্বে ওডিআই বিশ্বকাপ খেলেছিল বাংলাদেশ। ফের তাঁর হাত ধরেই কাপ যুদ্ধে ঝাঁপাবে বেঙ্গল টাইগাররা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।  

  • Mera Mati Mera Desh: ‘অমৃত বাটিকা’য় থাকবে নেতাজির পৈত্রিক ভিটের মাটিও, কেন জানেন?

    Mera Mati Mera Desh: ‘অমৃত বাটিকা’য় থাকবে নেতাজির পৈত্রিক ভিটের মাটিও, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেতাজির পৈত্রিক ভিটের মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে দিল্লিতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে শুরু হয়েছে ‘আমার মাটি আমার দেশ’ (Mera Mati Mera Desh) নামের একটি প্রকল্প। এই প্রকল্পে দিল্লিতে তৈরি হচ্ছে ‘অমৃত বাটিকা’ নামে একটি উদ্যান। সেই উদ্যানেই রাখা হবে সুভাষের পৈত্রিক ভিটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুভাষগ্রামের কোদালিয়ার বাড়ির মাটি। বিজেপির তরফে দিল্লিতে পাঠানো হচ্ছে এই মাটি।

    ‘অমৃত বাটিকা’

    ‘অমৃত বাটিকা’য় রাখার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চলছে মাটি সংগ্রহের কাজ। স্বাধীনতা সংগ্রামীর পাশাপাশি দেশের জন্য যেসব সেনাকর্মী এবং পুলিশকর্মী শহিদ হয়েছেন, তাঁদের ভিটে থেকেই নিয়ে আসা হচ্ছে মাটি। এই মাটিই ঠাঁই পাবে ‘অমৃত বাটিকা’য়।

    ‘আমার মাটি আমার দেশ’

    বৃহস্পতিবার কোদালিয়ায় গিয়ে নেতাজির পৈত্রিক ভিটের মাটি সংগ্রহ করে আনেন বিজেপির যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার নবনিযুক্ত সভাপতি মনোরঞ্জন জোরদার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। মনোরঞ্জন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের অভিযান ‘আমার মাটি আমার দেশ’ (Mera Mati Mera Desh)। রাজধানী দিল্লিতে তৈরি হচ্ছে ‘অমৃত বাটিকা’। সারা দেশজুড়ে চলছে মাটি সংগ্রহের কাজ। আমরা নেতাজির বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা মাটি এ মাসের ২৮ তারিখের মধ্যে দিল্লিতে পৌঁছে দেব।”

    আরও পড়ুুন: বিএড নয়, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে সুযোগ কেবল ডিএড, ডিএলএড-দের, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    স্বাধীনতার ‘অমৃত মহোৎসব’ (৭৫ বছর পূর্তি)উপলক্ষে ‘মেরি মাটি মেরা দেশ’ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। এই কর্মসূচির মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হবে বীর সেনানিদের। ৩০ জুলাই এই প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সব শহিদ বীর সেনানিদের পৈত্রিক ভিটের মাটি সংগ্রহ করা হবে ‘অমৃত কলস যাত্রা’ কর্মসূচির মাধ্যমে। মাটি ভরা হবে প্রায় সাড়ে সাত হাজার পাত্রে। দিল্লির ওয়ার মেমোরিয়ালের কাছে গড়ে তোলা হবে ‘অমৃত বাটিকা’ নামের এই উদ্যান। সেখানেই রাখা হবে সেই মাটি। মাটিতে বসানো হবে গাছের চারা। সেই গাছের চারাই ক্রমে পরিণত হবে মহীরুহে। যে মহীরুহ জানান দেবে, এক সময় (Mera Mati Mera Desh) এ দেশের মাটিই জীবন দিয়ে আগলে রেখেছিলেন এই সব শহিদরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।  

     

  • Calcutta High Court: শিক্ষক পোস্টিং মামলায় তদন্ত চালিয়ে যাবে সিবিআই, নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Calcutta High Court: শিক্ষক পোস্টিং মামলায় তদন্ত চালিয়ে যাবে সিবিআই, নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত সিবিআই করছে, এর পাশাপাশি এবার পোস্টিং দুর্নীতি মামলাতেও তদন্ত চালাবে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। শুক্রবার এমনই নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, প্রাথমিক শিক্ষকদের পোস্টিং নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, এদিন সেই মামলার শুনানি চলছিল তখনই এই নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Calcutta High Court)। বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন যে পোস্টিং দুর্নীতির মাধ্যমে কয়েকজন শিক্ষকের চাকরি পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাই তাঁদের এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে সিবিআই।  

    দিনকয়েক আগেই মানিককে জেলে গিয়ে জেরা করে সিবিআই

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে পোস্টিং দুর্নীতি মামলায় প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে মানিক ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার ভিডিও আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) এই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যান প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। জিজ্ঞাসাবাদ ও ভিডিও ফুটেজ পেশের এই মামলায় শেষ পর্যন্ত স্থগিতাদেশ দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এদিনের পর্যবেক্ষণ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী সিবিআই তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে প্রাথমিক শিক্ষক পদে বেশ কিছু নিয়োগ হয়েছিল, সেই সময়ে কোন স্কুলে কার পোস্টিং হবে সে নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে মামলা করেন কয়েকজন শিক্ষক। চলতি বছরের ২৫ জুলাই এ বিষয়ে তদন্ত করার নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Calcutta High Court)। 

    বিচারপতির রায়ে ঘুম উড়েছে অনেকের

    অন্যদিকে, মানিক ভট্টাচার্যের ভিডিও ফুটেজ আদালতে পেশ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্ট যে স্থগিতাদেশ দিয়েছে, তা নিয়ে কিছুটা আক্ষেপ প্রকাশ করতে দেখা যায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। বিচারপতির এই নির্দেশের পর অনেক আইনজীবী (Calcutta High Court) তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং তাঁদের মতামত হল যে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায় অনেকের মনে ভয় ধরাতে পেরেছে। তাদের ঘুম উড়ে গিয়েছে। এ কথা শুনে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘সাধারণ মানুষের সঙ্গে কেউ দুষ্টুমি করলে তাকে তিনি রেয়াত করবেন না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • C V Ananda Bose: স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সরানোর নির্দেশ রাজ্যপালের

    C V Ananda Bose: স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সরানোর নির্দেশ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষাক্ষেত্রকে দুর্নীতিমুক্ত করতে একের পর এক কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। একের পর এক বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্য বদল করেছেন তিনি। এবার ইউজিসি’র নিয়ম মেনে নিয়োগ না হওয়ায় স্বাস্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুহৃতা পালকে অপসারিত করলেন রাজ্যপাল। ঠিক কারণে সুহৃতা পালকে সরানো হয়েছে, তার কারণও জানিয়েছে রাজভবন। 

    রাজভবনের যুক্তি

    উল্লেখ্য, সার্চ কমিটির দ্বারা নিয়োগ হয়েছিলেন স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য  সুহৃতা পাল। কিন্তু সেই কমিটিতে ইউজিসি’র কোনও সদস্য ছিলেন না। পদ্ধতি  না মেনে নিয়োগ হওয়ায় স্বাস্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সরিয়ে দেওয়া হবে না কেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে রাজভবন। এখন দেখার, সুহৃতা পাল কী পদক্ষেপ নেন। সূত্রর খবর, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধ আদালতে যেতে পারেন সুহৃতা পাল। এদিকে, সুহৃতা পাল যদি সরে যান, তাহলে কে আপাতত সেই পদ সামলাবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সূত্রের খবর, এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে কথা বলছে রাজভবন। প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে এ রাজ্যে স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয় । সেই সময় উপাচার্য নিয়োগের জন্য একটি সার্চ কমিটি গঠিত হয়েছিল। সেই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ীই নিয়োগ হত। তাতে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা UGC-র কোনও  প্রতিনিধি। ২০১৩ সালে আইন সংশোধন হয়। এরপর বাদ পড়ে ইউজিসির প্রতিনিধি। সেই নতুন সার্চ কমিটিই নিয়োগ করেছিল সুহৃতা পালকে।

    আরও পড়ুন: ক্যাম্পাসের ভিতরেও হিংসার প্রবেশ! ছাত্র মৃত্যুর পর যাদবপুরে উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

    কেন অপসারণ

    ঘটনার সূত্রপাত একটি চিঠি ঘিরে। চিকিৎসক সংগঠনগুলি সম্প্রতি স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধ চরম অরাজকতার অভিযোগ তুলে রাজ্যপালকে চিঠি দিয়েছিল। তারপর রাজভবনের পক্ষ থেকে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। তখনই সামনে আসে সুহৃতা পালের নিয়োগ নিয়ম মেনে হয়নি। তার কারণ জানতে চেয়ে একাধিকবার স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে চিঠি পাঠায় রাজভবন। আচার্যের যুক্তি সার্চ কমিটি দ্বারা নিয়োগ হলেও সেই সময় কমিটিতে থাকতেন না ইউজিসি-র কোনও প্রতিনিধি। এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের নির্দেশ রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। ইউজিসির নিয়ম না মেনে আদালত অবমাননা করা হয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছে রাজভবন। কিন্তু কোনও সদুত্তর মেলেনি। তাই সুহৃতা পালকে অপসারণের নিদের্শ জারি করেছেন রাজ্যপাল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।  
     

  • Bikash Sinha: প্রয়াত হলেন পদ্মভূষণ প্রাপ্ত বাঙালি পরমাণু বিজ্ঞানী বিকাশ সিনহা

    Bikash Sinha: প্রয়াত হলেন পদ্মভূষণ প্রাপ্ত বাঙালি পরমাণু বিজ্ঞানী বিকাশ সিনহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী বিকাশ সিনহা (Bikash Sinha)। শুক্রবার সকালে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে জানা গিয়েছে পরিবার সূত্রে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। শুক্রবার পরমাণু বিজ্ঞানীর পার্থিব শরীর তাঁর মিন্টো পার্কের বাড়িতে আনা হয়েছে।

    দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় 

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানান শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন এই পরমাণু বিজ্ঞানী (Bikash Sinha)। এবং বিগত কয়েকদিন ধরে তাঁর অসুস্থতা বেড়েই চলছিল। এমতো অবস্থায় তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। এই পরমাণু বিজ্ঞানীর (Bikash Sinha) প্রয়াণে বিভিন্ন মহল থেকে শোকবার্তা আসছে। বাঙালি বিজ্ঞানী কর্মরত ছিলেন ‘ভেরিয়েবল এনার্জি সাইক্লোট্রোন সেন্টারে’।

    আরও পড়ুন: বোর্ড গঠনের দিন বিজেপি বিধায়কের গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল, প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ

    সংক্ষিপ্ত জীবনী

    ১৯৪৫ সালে মুর্শিদাবাদে জন্ম হয় বিকাশ সিনহার (Bikash Sinha)। কান্দির রাজ পরিবারের সদস্য ছিলেন তিনি। তার বাবা বিমল চন্দ্র সিনহা ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। দাদা অতীশ সিনহাও মন্ত্রী ছিলেন। ছোট থেকেই মেধাবী এই ছাত্র বিজ্ঞান সাধনায় জীবন কাটিয়েছেন। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে পদার্থবিদ্যা বিষয়ে ১৯৬৪ সালে তিনি স্নাতক হন। এরপরই উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যান। পরবর্তীকালে ১৯৭৬ সালে মুম্বাইয়ের ‘ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টার’-এ কাজে যোগদান করেন। দুর্গাপুর এনআইটির সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি তিনি সায়েন্টেফিক অ্যাডভাইসারি কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে তিনি পদ্মশ্রী পুরস্কার পান। ২০১০ সালে তাঁকে পদ্মভূষণ পুরস্কার দেওয়া হয়।  ২০০২ সাল থেকেই তিনি (Bikash Sinha) বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন।  ২০০৫ সালে ‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ’ এর চেয়ারম্যান পদে নিযুক্তি পান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: বিএড নয়, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে সুযোগ কেবল ডিএড, ডিএলএড-দের, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: বিএড নয়, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে সুযোগ কেবল ডিএড, ডিএলএড-দের, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা নন, প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন কেবল ডিএড কিংবা ডিএলএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা। শুক্রবার এমনই রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, গোটা দেশেই এই নীতি কার্যকর করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে এও বলা হয়েছে, বিএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা উচ্চ বিদ্যালয়ে চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের জেরে বিপাকে পড়তে চলেছেন এ রাজ্যের আন্দোলনকারী বহু চাকরিপ্রার্থী। কারণ, ২০১৪ সালে টেট পাশ করে ধর্মতলায় যাঁরা গত কয়েক মাস ধরে আন্দোলন করছেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেরই বিএড রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকেই বাদ পড়তে চলেছেন এঁরা।

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ

    সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) পর্যবেক্ষণ, “যেহেতু ডিএড এবং ডিএলএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা প্রাথমিক স্তরে পড়ানোর জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, তাই তাঁদেরই প্রাথমিকে শিক্ষক পদে নিয়োগ করা উচিত। বিএড ডিগ্রিধারীদের নিয়োগ করা হোক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকস্তরে।” প্রসঙ্গত, গত বছর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ ছিল, “বিএড প্রশিক্ষিতরাও প্রাথমিকের চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন।” সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের জেরে খারিজ হয়ে গেল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের ওই নির্দেশ।

    রাজস্থান হাইকোর্টের নির্দেশ

    রাজস্থান হাইকোর্ট প্রথম নির্দেশ দিয়েছিল, “ডিএলএড প্রশিক্ষিতদেরই কেবল প্রাথমিকে চাকরির সুযোগ দেওয়া হবে।” সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন বা এনসিটিই। এদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কিষান ও বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, “বিএড প্রশিক্ষিতরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।”

    আরও পড়ুুন: সংসদের বক্তৃতায় মোদির মুখে শিলিগুড়ির ‘চিকেন্স নেক’ প্রসঙ্গ, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    এনসিটিইর নির্দেশিকা অনুযায়ী, এতদিন বিএড প্রশিক্ষিতরা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশাপাশি প্রাথমিকেও চাকরির সুযোগ পেতেন। ডিএলএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা কেবল প্রাথমিকেই শিক্ষকতার সুযোগ পেতেন। সেই কারণে বিভিন্ন রাজ্যের ডিএলএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা দাবি তুলেছিলেন, বিএড প্রশিক্ষিতদের প্রাথমিকে চাকরি দেওয়া যাবে না। এই দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থও হন তাঁরা। শীর্ষ আদালতের এই রায়ে তাঁদের সুযোগ একলপ্তে অনেকখানি বেড়ে গেল বলেই খুশি ডিএলএড প্রশিক্ষিতরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।  

  • PM Modi: সংসদের বক্তৃতায় মোদির মুখে শিলিগুড়ির ‘চিকেন্স নেক’ প্রসঙ্গ, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    PM Modi: সংসদের বক্তৃতায় মোদির মুখে শিলিগুড়ির ‘চিকেন্স নেক’ প্রসঙ্গ, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মুখে শিলিগুড়ির প্রসঙ্গ। বৃহস্পতিবার অনাস্থা বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। বক্তব্যের প্রথমাংশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিশানা করেন বিরোধীদের। পরের অংশে তাঁর মুখে শোনা যায় দেশের নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের কথা।

    ‘ভারত তেরে টুকরে হঙ্গে’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছু লোক (পড়ুন বিরোধীরা) রয়েছে যারা সব সময় দেশের সংবিধান-গণতন্ত্রকে হত্যার কথা বলে। ‘ভারত তেরে টুকরে হঙ্গে’ স্লোগান দেয়, যারা তাদের সমর্থন করে। ভারতের আত্মায় আঘাত লেগেছে। ভারতকে তিন টুকরো করা হয়েছে। এমনকি বন্দে মাতরম সঙ্গীতকেও টুকরো করা হয়েছে।” এর পরেই প্রধানমন্ত্রীর মুখে শোনা যায় শিলিগুড়ির প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “শিলিগুড়ির কাছে ‘চিকেন্স নেক’ করিডর ভারত থেকে আলাদা করতে চায় এরা। কচ্ছ তিবু কী? জিজ্ঞাসা করুন এদের। তামিলনাড়ুর কাছে ছোট অংশ কারা আলাদা করেছে? ইন্দিরা গান্ধীর সময় এটা হয়েছে।”

    ‘চিকেনস নেক’

    প্রসঙ্গত, শিলিগুড়ি করিডর (PM Modi) দেখতে অনেকটা মুরগির গলার মতো। তাই একে বলা হয় ‘চিকেন্স নেক’। লম্বায় এই করিডর ৬০ কিলোমিটার, চওড়ায় ২০ কিলোমিটার। এর এক দিকে রয়েছে নেপাল, অন্যদিকে ভুটান। আর এক দিকে রয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের সাতটি রাজ্যও রয়েছে। এই রাজ্যগুলির সঙ্গে গোটা দেশের যোগাযোগ হয় এই ‘চিকেন্স নেক’ করিডরের মাধ্যমে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রবেশদ্বার হিসেবেও পরিচিত এই এলাকা। পশ্চিমবঙ্গেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এটি। এলাকাটি খুবই সংবেদনশীল। নিরাপত্তার দিক থেকেও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। চিন সীমান্ত ঘেঁষে থাকা এই এলাকায় কড়া নজর রয়েছে সেনার।

    আরও পড়ুুন: প্রকাশ্যে গুলিতে ঝাঁঝরা বিজেপি নেতা, আততায়ীদের খোঁজে জোরদার তল্লাশি উত্তরপ্রদেশে

    ছোট্ট দেশ ভুটানে ক্রমেই শেকড় চারাচ্ছে চিন। স্বাভাবিকভাবেই তা ভারতের নিরাপত্তার পক্ষে ক্রমশই হয়ে উঠছে বিপজ্জনক। সেই কারণেই ‘চিকেন্স নেকে’ বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। জানা গিয়েছে, ‘চিকেন্স নেক’-এর নিরাপত্তায় অচিরেই মোতায়েন করা হবে সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্স। নিরাপত্তা (PM Modi) আরও আঁটোসাঁটো করতে মোতায়েন করা হবে বিএসএফ, ইন্দো টিবেটান বর্ডার পুলিশ এবং সশস্ত্র সীমা বল। সূত্রের খবর, শিলিগুড়ি করিডরে কেন্দ্র নিরাপত্তা আরও আঁটোসাঁটো করতে চাইছে কারণ ভুটান সীমান্তে চিন ক্রমেই সক্রিয় হচ্ছে। ভারত-চিন সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই অঞ্চলে কেন্দ্র চাইছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।  

  • Jadavpur University: ক্যাম্পাসের ভিতরেও হিংসার প্রবেশ! ছাত্র মৃত্যুর পর যাদবপুরে উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

    Jadavpur University: ক্যাম্পাসের ভিতরেও হিংসার প্রবেশ! ছাত্র মৃত্যুর পর যাদবপুরে উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম বর্ষের পড়ুয়া স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর মৃত্যুর পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) গেলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। সেখানে গিয়ে তিনি বলেন, ” রাজ্যপাল পদে দায়িত্ব পাওয়ার পর আমার জীবনের অন্যতম দুঃখের দিন। ক্যাম্পাসের ভিতরেও হিংসার প্রবেশ ঘটেছে। এটা খুব দুঃখের বিষয়। ক্যাম্পাসের ভিতরেও হিংসার প্রবেশ ঘটেছে। এটা তার বহিঃপ্রকাশ।”

    কী বললেন রাজ্যপাল

    সাংবাদিকের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল স্পষ্ট বলেন, হিংসা বর্জিত বাংলার পাশাপাশি হিংসা বর্জিত বিশ্ববিদ্যালয়ও চান তিনি। সূত্রের খবর, সে কারণেই আজকের দিনটিকে ক্যাম্পাসে অ্যান্টি-ভায়োলেন্স ডে হিসাবে পালন করার ঘোষণা করেন তিনি। শুধু তাই নয়, কী ভাবে স্বপ্নদীপের মৃত্যু হয়েছে তা জানার জন্য তাঁর বাবার সঙ্গেও কথা বলেন। ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে যে কমিটি তৈরি করা হয়েছে তার সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। কথা বলেন পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গেও। কথা বলেন স্বপ্নদীপের সহপাঠীদের সঙ্গে। কিন্তু, যেহেতু তদন্ত চলছে তাই তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি তিনি। তবে সাফ জানিয়ে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটির সঙ্গে মিনিটে মিনিটে যোগাযোগ রাখবে রাজভবন। 

    আরও পড়ুন: আজ আসছেন মোহন ভাগবত! ‘পঞ্চায়েত রাজ’ সম্মেলন সহ একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যে নাড্ডাও

    রাজ্যপালের দুঃখপ্রকাশ

    ইতিমধ্যেই ছাত্র-মৃত্যুর ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত করছে পুলিশ। সঠিক তদন্তের দাবিতে এদিন সকাল থেকেই দফায় দফায় অরবিন্দ ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখায়  একাধিক ছাত্র সংগঠন। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই সন্ধ্যাবেলা ক্যাম্পাসে আসেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপাল ক্যাম্পাসে ঢুকতেই পড়ুয়াদের স্লোগানের তীব্রতা আরও বাড়তে থাকে। ছাত্রের মৃত্যু নিয়ে রাজ্যপাল দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “একজন তরুণকে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ , সময়ে হারালাম আমরা। একটা গাছকে আমরা কেটে ফেললাম পুরোপুরি বড় হওয়ার আগেই। যে গাছটি খুব সুন্দর ফুল, ফল দিতে পারতো। আমাদের শপথ নিতে হবে, যে নতুন প্রজন্মের মধ্য হিংসার প্রবেশ ঘটতে দেব না আমরা।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।  

     

LinkedIn
Share