Blog

  • The Kerala Story: ‘‘আপনি ভয় পাচ্ছেন কেন?’’ ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিষিদ্ধ করায় মমতাকে প্রশ্ন বিবেকের

    The Kerala Story: ‘‘আপনি ভয় পাচ্ছেন কেন?’’ ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিষিদ্ধ করায় মমতাকে প্রশ্ন বিবেকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুদীপ্ত সেনের পরিচালনা এবং আদাহ শর্মা অভিনীত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) ছবিটি রাজ্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সোমবার নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, শান্তি-সৌহার্দ্য বজায় রাখতে এই রাজ্যে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিষিদ্ধ করা হল। এরপরই মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস্‌’-এর পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী।  

    বেঙ্গল ফাইলস

    সোমবার রাজ্যে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) ছবিটির প্রদর্শন প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘এই সিনেমায় যে সব দৃশ্য দেখানো হয়েছে, তা রাজ্যের শান্তিশৃঙ্খলার পক্ষে বিপজ্জনক হতে পারে। তাই এই ছবিকে নিষিদ্ধ করা হল।’’ এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কথায় উঠে এসেছে ‘দ্য দিল্লি ফাইল্‌স’ প্রসঙ্গও। দিন কয়েক আগেই ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ খ্যাত পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী এসেছিলেন বাংলায়। এসেছিলেন ওই ছবির অভিনেতা অনুপম খেরও। বাংলায় এসে তাঁরা জানিয়েছিলেন, খুব শীঘ্রই ‘দ্য দিল্লি ফাইল্‌স’ নামেও একটি ছবি করতে চলেছেন তাঁরা। সেখানে ‘বেঙ্গল ফাইলস’ অর্থাৎ বাংলার গোপন তথ্য প্রকাশ্যে আনবেন তাঁরা। 

    মমতার দাবি

    মমতা সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে বলেছেন, ‘‘বিজেপি মনোনীত কিছু তারকা এখানে এসেছিলেন। ওঁরা বলেছিলেন, ওঁরা ‘বেঙ্গল ফাইল্‌স’ খুলবেন। যদি এঁরা ‘দ্য কাশ্মীর ফাইল্‌স’ করে থাকেন কাশ্মীরের মানুষকে খাটো করে দেখানোর জন্য, এ বার কেরলের মানুষের ক্ষেত্রে একপেশে বক্তব্য দিয়ে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ করেছেন, বাংলাকে তা হলে এ ভাবেই দেখাবে।’’

    বিবেকের ট্যুইট

    এনিয়ে, বিবেকের ট্যুইট, ‘‘হ্যাঁ ঠিক কথাই। আমি দিন কয়েক আগে বাংলায় এসেছিলাম। গোপাল পাঁঠা ও খিলাফত দ্বারা সংগঠিত যে গণহত্যা হয়েছিল সেই সম্পর্কিত সাক্ষাৎকার নিতে। আপনি কেন এত ভয় পাচ্ছেন?’’ বিবেক মমতাকে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন, ‘‘কিসের ভিত্তিতে আপনি বলছেন ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস্‌’ ছবিতে সেখানকার মানুষদের ছোট দেখানো হয়েছে? এই ছবি কোনও একটি রাজনৈতিক দলের মদতে পুষ্ট— এমন তথ্যই বা পেলেন কোথা থেকে? এ বার আমি যদি একটি মানহানি ও গণহত্যা অস্বীকারের মামলা করি আপনার বিরুদ্ধে তা হলে কেমন হয়?’’

    বিবেকের খোলা চিঠি

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র (The Kerala Story)  মুক্তির প্রসঙ্গে ট্যুইটারে একটি খোলা চিঠিতে লেখেন, “প্রিয় বিপুল শাহ এবং সুদীপ্ত সেন। আদাহ্ এবং ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র সমগ্র দল, প্রথমে আমি আপনাকে সাহসী প্রচেষ্টার জন্য অভিনন্দন জানাই। একইসঙ্গে, আমি আপনাকে এই দুঃসংবাদটিও দিই যে এরপর থেকে আপনার জীবন আগের মতো হবে না। আপনি অকল্পনীয় ঘৃণা দেখতে পাবেন। আপনার দমবন্ধ লাগবে। অনেক সময় আপনি বিভ্রান্ত এবং হতাশ হয়ে পড়তে পারেন।” তিনি আরও বলেছেন, “কিন্তু মনে রাখবেন, ঈশ্বর সেই কাঁধকে পরীক্ষা করেন যার উপর তিনি পরিবর্তনের এজেন্ট হওয়ার দায়িত্ব দিতে পারেন। সিনেমা যদি আপনার ধর্মের পথ অনুসরণ করার একটি মাধ্যম হয়, তবে কখনওই থামবেন না। ভারতীয় গল্পকারদের সম্প্রদায় বৃদ্ধি পেতে দিন। নতুন, তরুণ প্রতিভাবান, ভারতীয় গল্পকারদের সাহায্য করুন। এই ভারতীয় রেনেসাঁ একটি নতুন ভারতের পথপ্রদর্শক আলো হয়ে উঠুক।”

    আরও পড়ুন: “মমতা কি আইএস-এর প্রতি সহানুভূতিশীল?”, ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    ফোনে হুমকি

    ফোন করে হুমকি দেওয়া হল বিতর্কিত বলিউড ছবি ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র (The Kerala Story) এক কুশলীকে। ছবির পরিচালক সুদীপ্ত সেন থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নেমেছে মুম্বই পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগ পাওয়ার পর ওই কলাকুশলীর জন্য পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে লিখিত অভিযোগ না করার কারণে কোনও এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে। ছবির পরিচালক সুদীপ্তর অভিযোগ, তাঁর ছবিতে কাজ করার জন্যই ওই কলাকুশলীকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। ফোনে হুমকি দিয়ে বলা হয়, এই ছবি তৈরি করে ভাল কাজ করেননি ছবির নির্মাতা এবং কলাকুশলীরা। ওই কলাকুশলীকে বাড়ি থেকে একা না বেরনোর হুমকি দেওয়া হয় বলেও সুদীপ্তের অভিযোগ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • N Biren Singh: “জ্বলেছে ১৭০০ ঘর, হিংসার বলি ৬০”, বললেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী

    N Biren Singh: “জ্বলেছে ১৭০০ ঘর, হিংসার বলি ৬০”, বললেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “৩ মে-র দুর্ভাগ্যজনক ঘটনায় অন্ততপক্ষে ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ২৩১ জন। সেই সঙ্গে ১৭০০-র কাছাকাছি ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য আমি রাজ্যবাসীর কাছে আবেদন করছি। আটকে পড়া মানুষদের তাদের নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কাজও শুরু করা হয়েছে।” সোমবার কথাগুলি বললেন মণিপুরের (Manipur) মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ (N Biren Singh)। তিনি বলেন, “মণিপুরের বিভিন্ন প্রান্তে যাঁরা ঘরছাড়া হয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন, তাঁদের সব রকম সাহায্য করছে সরকার। এখনও পর্যন্ত ২০ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠানো হয়েছে। আরও ১০ হাজার মানুষ আশ্রয়হীন”।

    এন বীরেন সিংহের (N Biren Singh) হুঁশিয়ারি…

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ (সোমবার) পর্যন্ত আমরা ২১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৪২৭৩ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছি। যাঁরা এখনও নিজেদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র রেখেছেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের তা সমর্পণ করতে বলেছি”। মণিপুরের এই পরিস্থিতির জন্য যাঁরা দায়ী, তাঁদের চিহ্নিত করতে উচ্চ পর্যায়ে তদন্ত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী (N Biren Singh)। যেসব সরকার ও প্রশাসনিক কর্তা পরিস্থিতি সামলাতে এবং নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন, তাঁদেরও কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে বলেও জানান এন বীরেন।

    আরও পড়ুুন: “মমতা কি আইএসআইএসের প্রতি সহানুভূতিশীল?”, ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    রাজ্যের হিংসা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ভূমিকার প্রশংসাও করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী (N Biren Singh) বলেন, “হিংসার প্রথম দিন থেকে শাহ এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন। রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়েছেন। এজন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ”। এদিকে, মণিপুরে প্রাণহানি এবং সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। হিংসায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসনের উদ্যোগের গতি বাড়াতে কেন্দ্র এবং মণিপুর সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ধর্মীয় উপাসনাস্থলগুলিকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    গত বুধবার মণিপুরের চূড়াচাঁদপুরে প্রথম হিংসার ঘটনা ঘটে। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা রাজ্যে। মণিপুরের সিংহভাগ বাসিন্দা মেইতেই সম্প্রদায়ভুক্ত। তফশিলি উপজাতি ঘোষণার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে তারা। এই দাবির বিরোধিতা করে বুধবার মিছিল বের করে ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর’। তার পরেই অশান্ত হয়ে ওঠে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মমতা কি আইএস-এর প্রতি সহানুভূতিশীল?”, ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মমতা কি আইএস-এর প্রতি সহানুভূতিশীল?”, ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ দেখানো নিষিদ্ধ করেছে তৃণমূল (TMC) পরিচালিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সরকার। রাজ্য সরকারের এহেন সিদ্ধান্তে মমতাকে কার্যত ধুয়ে দিল বিজেপি (BJP)। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সহ একাধিক পদ্ম-নেতা নিশানা করেছেন রাজ্য সরকারকে। ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু লেখেন, “আমি যতটুকু জানি, কেরলে কীভাবে মহিলাদের মগজ ধোলাই করেন কট্টরপন্থী ধর্মগুরুরা, তা-ই ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে। ছবিতে দেখানো হয়েছে, কীভাবে কেরলে মহিলাদের ধর্মান্তরিত করে আফগানিস্তান, ইয়েমেন, সিরিয়ায় আইএসআইএসের হয়ে যুদ্ধ করতে পাঠানো হয়ে থাকে। আইএসআই এবং তাদের কার্য পদ্ধতির বিরুদ্ধাচরণ করে তৈরি হয়েছে ছবিটি। তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি আইএসআইএসের প্রতি সহানুভূতিশীল?”

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ট্যুইট-বাণ…

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তাঁর ট্যুইটের সঙ্গে শাবানা আজমির একটি ট্যুইটের স্ক্রিন শট দিয়েছেন। যেখানে অভিনেত্রী এই ছবি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। শুভেন্দু লেখেন, “এই ছবি দেখানো হলে কেন আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হবে? ছবি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা উচিত।

    আর যদি মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে না পারেন, তাহলে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত”। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এই সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করে দিল তৃণমূল আসলে কাদের দল। আগেই মুখ্যমন্ত্রী তোষণের নির্লজ্জ নজির দেখিয়েছেন। এবার জেহাদিদের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন। শিল্পের স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা নিয়ে তৃণমূলের কোনও কথা বলার অধিকার নেই”।

    বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “আমরা রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ধিক্কার জানাচ্ছি। এই সিদ্ধান্ত ধর্মীয় মৌলবাদের কাছে আত্মসমর্পণের একটি নিদর্শন”। তিনি বলেন, “লাভ জিহাদ বিজেপির (Suvendu Adhikari) তৈরি করা নয়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সমগ্র সংখ্যালঘু সমাজকে আজ অপমান করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়”।

    শমীক বলেন, “ভারতবর্ষে বসবাসকারী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষজন নিজের দেশকে দেশ বলে মনে করেন না, এটা আমরা কখনও মনে করি না। কেবলমাত্র ভোটব্যাঙ্ক তৈরির স্বার্থে সমস্ত সংখ্যালঘুকে এক ছাতার তলায় নিয়ে এসে তাদের সর্বনাশ করার চেষ্টা করা হচ্ছে”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2023: শেষ বলে নাইটদের নায়ক রিঙ্কু! রাসেল থেকে রানা সকলেই দিলেন সার্টিফিকেট

    IPL 2023: শেষ বলে নাইটদের নায়ক রিঙ্কু! রাসেল থেকে রানা সকলেই দিলেন সার্টিফিকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল আকুতি ইডেনের জনতার। রিঙ্কু… রিঙ্কু…শব্দব্রহ্ম তখন গ্যালারি জুড়ে। জয়ের জন্য কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রয়োজন ১ বলে ২ রান। রিঙ্কু পারবেন, এই বিশ্বাস ছিল সমর্থকদের। কারণ, এই আইপিএলেই (IPL 2023) তিনি গুজরাটের বিরুদ্ধে অসাধ্য সাধন ঘটিয়েছিলেন শেষ পাঁচ বলে পাঁচটি ছক্কা হাঁকিয়ে। এবারও হতাশ করলেন না বাঁহাতি রিঙ্কু। শেষ বলে তিনি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ফের জেতালেন দলকে। পাঞ্জাব কিংসকে ৫ উইকেটে হারানোর সুবাদে জেগে রইল প্লে-অফে ওঠার আশাও।  ১১ ম্যাচ খেলে কেকেআরের সংগ্রহ ১০ পয়েন্ট। রয়েছে পঞ্চম স্থানে। 

    রিঙ্কুর বিশ্বাস

    ম্যাচ শেষে রিঙ্কু বলছিলেন, ‘আমি শেষ বল নিয়ে ভাবিনি। পাঁচ ছক্কার ম্যাচেও একইভাবে ব্যাট করেছিলাম। অর্শদীপের শেষ ডেলিভারিতে শট খেলেই দৌড়ে গিয়েছিলাম সিঙ্গলস নিতে। কারণ, মাথায় ছিল এক রান হলেও ম্যাচটা টাই হবে। তখন সুযোগ মিলবে আরও একবার। কিন্তু নন স্ট্রাইকার এন্ডে গিয়ে দেখলাম বলটা বাউরন্ডারি লাইন টপকে গিয়েছে। দলকে এমন একটা জয় এনে দিতে পেরে ভীষণই ভালো লাগছে। আসলে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য অনুশীলনে অনেক পরিশ্রম করি। তারই সুফল পাচ্ছি।’

    রাসেল-রানার সার্টিফিকেট

    দলকে জিতিয়ে কেকেআর (IPL 2023) সমর্থকদের হৃদয় জিতলেন রিঙ্কু সিং। আর ২৩ বলে ৪২ রানের ঝোড়ো ইনিংসের সুবাদে ম্যাচের সেরা হলেন রাসেল। তবে তাঁর সামনেও ম্যাচ শেষ করার সুযোগ ছিল। ২ বলে যখন ২ রান দরকার, তখন অহেতুক সিঙ্গলস নিতে গিয়ে রান আউট হন রাসেল। দল চাপে পড়ে যায়। কিন্তু কেন তিনি এমনটা করতে গেলেন? রাসেল জানিয়েছেন, ‘আমার ইচ্ছা ছিল রিঙ্কু ম্যাচটা ফিনিশ করুক। ও দুর্দান্ত এক ক্রিকেটার। ও ভালো ফিনিশারও। তাই সিঙ্গলস নিতে চেয়েছিলাম। তার আগে আমাদের মধ্যে আলোচনাও হয়েছিল। রিঙ্কু জিজ্ঞাসা করেছিল, তুমি যদি বলটা ব্যাটে লাগাতে না পারো, তাহলে কি দৌড়ে রান নেবে? আমি রাজি হয়েছিলাম। তবে জয়টা আমার ব্যাটেই আসা উচিত ছিল। কিন্তু অর্শদীপের ডেলিভারি ছিল অসাধারণ।’

    আরও পড়ুন: বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নিচ্ছে ‘মোকা’! দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহের ভ্রুকুটি

    কেকেআর অধিনায়ক নীতীশ রানাও প্রশংসায় ভরিয়েছে রিঙ্কু সিংকে। তিনি বলেছেন, ‘আগে ইডেনের গ্যালারি চিৎকার করত রাসেল, রাসেল বলে। এখন রিঙ্কু, রিঙ্কু করছে। একজন ক্রিকেটারের এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী-ই বা হতে পারে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: সই সংগ্রহ কর্মসূচি নিয়ে তৃণমূল বিধায়ক-প্রাক্তন বিধায়কের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Alipurduar: সই সংগ্রহ কর্মসূচি নিয়ে তৃণমূল বিধায়ক-প্রাক্তন বিধায়কের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুমন কাঞ্জিলাল ও সৌরভ চক্রবর্তী। প্রথমজন তৃণমূল বিধায়ক, দ্বিতীয়জন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক। আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) বিধানসভার সাংগঠনিক রাশ কার হাতে থাকবে তা নিয়ে শাসকদলের অন্দরেই দুই গোষ্ঠীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, দুই গোষ্ঠীর বিরোধ ততই বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    ঠিক কী নিয়ে তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে এল?

    আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) বিজেপি বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল কিছুদিন আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু বিজেপি দলের কোনও কর্মী-সমর্থক শাসক দলে যোগ দেননি। অপরদিকে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) বিধানসভা এলাকায় গত বিধানসভা নির্বাচনে সুমনবাবুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী সৌরভ চক্রবর্তী। সুমন তৃণমূলে নাম লেখালেও তাঁকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ সৌরভ অনুগামীরা। অপরদিকে সুমন কাঞ্জিলাল নিজের জমি শক্ত করতে সৌরভ বিরোধী তৃণমূল নেতাদের সঙ্গী করে ময়দানে নেমে পড়েছেন। ফলে বর্তমান এবং প্রাক্তন বিধায়কের জমি দখলের লড়াই কার্যত প্রকাশ্যেই চলে এসেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নিচু তলার নেতাকর্মীরা। তাঁরা বর্তমান, নাকি প্রাক্তন বিধায়কের সঙ্গে থাকবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গত কয়েকদিন আগেই আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) ১০০ দিনের কাজ করে টাকা না পাওয়া বঞ্চিত শ্রমিকদের সই সংগ্রহের কাজ শুরু করেছেন। আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের বিবেকানন্দ ১, বিবেকানন্দ ২, বঞ্চুকামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন বুথে সই সংগ্রহের জন্য দলের জেলা নেতাদের নিয়ে গিয়েছিলেন সুমনবাবু। তবে, সেখানে দেখা যায়নি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি পীযূষ কান্তি রায়কে। পীযুষবাবু সৌরভ ঘনিষ্ঠ নেতা বলেই পরিচিত। অন্যদিকে, সোমবার পরোরপার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পীযূষ বাবুর ডাকে সৌরভ চক্রবর্তী সই সংগ্রহ কর্মসূচিতে অংশ নেন। সেখানে সুমন অনুগামী কোনও নেতাকেই দেখা যায়নি। সোমবারই বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল নিজে উদ্যোগী হয়ে জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ রতন মহন্ত সহ জেলার কয়েকজন নেতাকে নিয়ে ওই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সই সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। একই অঞ্চলে কেন আলাদা আলাদাভাবে হবে দলের একই কর্মসূচি? এর ফলে বিভ্রান্তে রয়েছেন নিচু তলার নেতা কর্মীরা।

    সই সংগ্রহ নিয়ে শুরু হয়েছে তরজা

    তৃণমূল বিধায়ক সুমনবাবু বলেন, সবার আগেই আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) ওই কর্মসূচি শুরু করেছিলাম। তবে ওই কাজে অনেকেই এখন যুক্ত হয়েছেন। সেটা দলের পক্ষে ভালই হবে। অপরদিকে সৌরভ চক্রবর্তী তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে বিরোধের কথা স্বীকার করেননি। তিনি বলেন, দলের ওই কর্মসূচিতে নেতৃত্বের ডাকেই অঞ্চলে যাবেন। পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন প্রান্তেও ওই কর্মসূচিতে আমার অংশ নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah At Jorasanko: রবীন্দ্র জয়ন্তীতে জোড়াসাঁকোয় কবিপ্রণাম অমিত শাহের, ঘুরে দেখলেন ঠাকুরবাড়ি

    Amit Shah At Jorasanko: রবীন্দ্র জয়ন্তীতে জোড়াসাঁকোয় কবিপ্রণাম অমিত শাহের, ঘুরে দেখলেন ঠাকুরবাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে কবিপ্রণাম করে রবীন্দ্র জয়ন্তী অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন অমিত শাহ। আগেই স্থির ছিল, পঁচিশে বৈশাখ রাজ্যে আসবেন অমিত শাহ। যোগ দেবেন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির রবীন্দ্র জয়ন্তী অনুষ্ঠানে। সেই জন্য গতকাল মধ্যরাতেই শহরে চলে আসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে পৌঁছে যান জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। রবীন্দ্রনাথের মূর্তিতে মালা পরিয়ে তাঁকে প্রণাম করেন। এর পর কবিগুরুর বাড়ি ঘুরে দেখেন অমিত শাহ, সংগ্রহশালায় যান। জোড়াসাঁকোর ভিজিটার্স বুকে সইও করেন। কেমন লাগল জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, নিজের ভাব ব্যক্তও করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    আজ ২৫ বৈশাখ

    আজ রবীন্দ্রনাথের ১৬৩ তম জন্মদিন। এই দিনটিকে ঘিরে প্রতি বছরই উৎসবে মেতে ওঠে ঠাকুরবাড়ি। কথায়-গানে-কবিতায় দিনভর চলে রবি-স্মরণ। তবে, এবছর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসায় ঠাকুরবাড়ির নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনেও অন্য মাত্রা যোগ হয়েছিল। অমিত শাহের সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সহ বিশিষ্টজনরা। তাঁরাও এদিন রবি-মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

    ট্যুইটে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

    মঙ্গলবার সকালে, ট্যুইট করে কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ট্যুইটে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে গুরুদেবকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। শিল্প থেকে সঙ্গীত এবং শিক্ষা থেকে সাহিত্য, বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি ছাপ রেখে গিয়েছেন। সমৃদ্ধশীল, প্রগতিশীল, আলোকিত ভারতের যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’

    বাংলায় ট্যুইট অমিত শাহের

    অন্যদিকে, বাংলায় ট্যুইট করলেন অমিত শাহ। ট্যুইটে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেখেন, ‘‘বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রকৃতিবাদ তথা মানবতাবাদের আদর্শকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিয়ে ভারতীয় দর্শনকে এক পূর্ণ রূপ প্রদান করেন। তাঁর কালজয়ী রচনা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ভিত্তিকে আরও দৃঢ় করে। সদা প্রেরণাদায়ী, এমন দূরদর্শী কবিকে তাঁর জন্মবার্ষিকীতে জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি।’’

    এর আগে, বাংলায় আসার আগে সোমবার রাতেই ট্যুইটারে অমিত শাহ লেখেন, প্রত্যেক প্রজন্মের কাছে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ কবিগুরুর লেখনি।

    আরও পড়ুন: রবীন্দ্রনাথকে শ্রদ্ধা জানাতে কলকাতায় অমিত শাহ, জেনে নিন চূড়ান্ত কর্মসূচি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: স্টেশন চত্বরে গাড়ি-দোকান ভাঙচুর, প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল

    TMC: স্টেশন চত্বরে গাড়ি-দোকান ভাঙচুর, প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তাল হয়ে উঠল বর্ধমান স্টেশন চত্বর। রাতের অন্ধকারে বর্ধমান স্টেশন চত্বর জুড়ে তাণ্ডব চলে। ১০ থেকে ১২ টি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। পাশাপাশি  ১০টি গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। প্রকাশ্যে এই তাণ্ডব চালানোর ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূলের (TMC) সাধারণ সম্পাদক ইফতিকার আহমেদ ও তৃণমূল নেতা গোলাব সোনকারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব রয়েছে। এবার সেই কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। ৭ মে রাতে গোলাব সোনকারের অনুগামীরা এসে স্টেশন চত্বরে একাধিক দোকানে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। স্টেশনের গ্যারাজে রাখা ১০টি প্রাইভেট গাড়িতে ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। বর্ধমান স্টেশন চত্বরে ঢুকে স্থানীয় বিধায়কের নামে ও প্রাক্তন আই এন টি টি ইউসির সভাপতির নামে গালিগালাজও করে। হামলাকারীদের হাতে রড, লাঠি এবং তরোয়াল ছিল। এমনকী ইফতিকারসহ তাঁর কয়েকজন অনুগামীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। সোমবার এই ঘটনার প্রতিবাদে ইফতিকারের নেতৃত্বে এলাকায় প্রতিবাদ মিছিল করা হয়। এই ঘটনায় রাতে বর্ধমান স্টেশনে ব্যবসায়ী থেকে  গাড়িচালক সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে বর্ধমান থানা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    কী বললেন ব্যবসায়ীরা?

    স্থানীয় এক ব্যবসায়ী সেখ আলিউদ্দিন বলেন, আমরা অন্যদিনের মতো দোকানে বসেছিলাম। আচমকা কয়েকজন দুষ্কৃতী এসে হামলা চালায়। বিধায়কের নামে তারা গালিগালাজ করে। আমার দোকানে তাণ্ডব চালায়। লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি।

    স্টেশনে তাণ্ডব নিয়ে শুরু হয়েছে তরজা

    তৃণমূল নেতা ইফতিকার আহমেদ বলেন, গোলাব আগে সিপিএম করত। মধ্যে বিজেপিতে গিয়েছিল। এখন তৃণমূলে (TMC) রয়েছে। অকারণে এসে ওরা হামলা চালায়। স্টেশন চত্বরে তাণ্ডব চালায়। আমাদের ওপর চড়াও হয়। আমরা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। অন্যদিকে, তৃণমূল (TMC) নেতা গোলাব সোনকার বলেন, আমার ছেলে কয়েকজন বন্ধু নিয়ে চারচাকা গাড়ি করে ঘুরতে গিয়েছিল। উড়ালপুলের পাশে ছবি তোলার সময় তৃণমূল পার্টি অফিস থেকে কয়েকজন এসে হামলা চালায়। ইফতিকার আমার ছেলেকে গালিগালাজ করে। সেটার প্রতিরোধ করা হয়েছে। স্টেশনে কোনও তাণ্ডব চালানো হয়নি। ওরা ভাঙচুর করে আমাদের নামে দায় চাপাচ্ছে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক?

    তৃণমূল (TMC) বিধায়ক খোকন দাস বলেন, কে বা কারা তাণ্ডব চালিয়েছে তা জানতে পারিনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রয়েছেন। যে বা যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে বলা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নিচ্ছে ‘মোকা’! দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহের ভ্রুকুটি

    Weather Update: বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নিচ্ছে ‘মোকা’! দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহের ভ্রুকুটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’-র কারণে ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে তাপমাত্রা। হাওয়া অফিসের (Weather Update) তরফে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায় তাপপ্রবাহের পূর্বভাস জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার, সকাল থেকেই ঘামছে শহরবাসী। অস্বস্তিকর আবহাওয়া। সোমবার রাজ্যে ১৪টি জায়গায় তাপমাত্রা ছাড়াল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সল্টলেকেও তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গেল। মঙ্গলবারও, দিনের বেলা লু বইবে শহরে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনাই নেই।

    ফুটছে বাংলা

    হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তাপপ্রবাহ চলবে। যার রেশ চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া এবং বীরভূম— এই ৮ জেলায় তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে। তবে বুধবার তাপপ্রবাহ চলবে দক্ষিণবঙ্গের প্রতিটি জেলাতেই। বৃহস্পতিবার তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি তৈরি হবে পুরুলিয়া, দুই বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং বাঁকুড়ায়। শুক্রবার থেকে আবহাওয়ায় পরিবর্তন আসতে পারে বলেও হাওয়া অফিস সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুন: নারী শক্তির জয়! ২০২৪ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে কি শুধুই মেয়েরা?

    সাইক্লোন ‘মোকা’-র (Cyclone Mocha) জেরেই বাংলায়  ক্রমশ বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। আলিপুর সূত্রে খবর, আপাতত বাংলায় সাইক্লোন আছড়ে পড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। বরং বাংলাদেশ অভিমুখী এই ঘূর্ণিঝড় এ রাজ্য থেকে সমস্ত জলীয় বাষ্প শুষে নিয়ে পারদ পৌঁছে দিচ্ছে ৪০ ডিগ্রির উপরে। মৌসম ভবন জানাচ্ছে, গভীর নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। যা ইতিমধ্যেই শক্তি বাড়াতে শুরু করেছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। এই ঝড় মূলত উত্তর এবং উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর ল্যান্ডফল (Cyclone Mocha Landfall) হতে পারে বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের উপকূলভাগে। এই ঘূর্ণিঝড় গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গ এবং পশ্চিমাঞ্চল থেকে সমস্ত জলীয় বাষ্প শুষে নিচ্ছে। ফলে মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ডফল চলাকালীন বাংলায় তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হবে। শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে রাজ্য জুড়ে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: পার্থ-অয়নের মধ্যে সেতু কুন্তল! নিয়োগ দুর্নীতিতে দাবি ইডির

    SSC Scam: পার্থ-অয়নের মধ্যে সেতু কুন্তল! নিয়োগ দুর্নীতিতে দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এবং প্রমোটার অয়ন শীলের (Ayan Sheel) মধ্যে সেতু হিসেবে কাজ করেছেন বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর আদালতে পেশ করা চার্জশিটে এমনই দাবি করা হয়েছে। ইডি জানিয়েছে, বিভিন্ন এজেন্টের কাছ থেকে মোট ৪৫ কোটি টাকা তুলেছিলেন অয়ন। মোট পাঁচটি সংস্থার মাধ্যমে দুর্নীতির টাকা পাচার করা হত। 

    ইডির দাবি

    সোমবার বিশেষ আদালতে ১১৩ পাতার চার্জশিট পেশ করে ইডি জানিয়েছে, শুধুমাত্র ২০১৪ সালের টেট নয়, ২০১২ সালের টেট পরীক্ষার্থীদের অবৈধ ভাবে চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রেও, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ এবং অয়নের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করেছিলেন কুন্তল। চার্জশিটে ইডির দাবি, শিক্ষা দফতরে অযোগ্যদের চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে একা অয়ন শীলই ৪৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন। পরে টাকার ভাগ পান পার্থ ঘনিষ্ঠ বেহালার ব্যবসায়ী সন্তু গঙ্গোপাধ্যায় এবং হুগলির দুই বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ এবং শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডির দাবি, দুর্নীতির টাকা পাচারের উদ্দেশে অয়ন নিজেও নানা ফন্দি এঁটেছিলেন। এমনকী, খুলেছিলেন নির্মাণ সংস্থাও। পরিবারের সদস্যদের নামে সম্পত্তি, পেট্রোল পাম্প থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁর ব্যবসাও চালু করেছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: “রাজ্যে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হলে রাজ্যপাল বসে থাকবেন না”, বললেন আনন্দ বোস

    চার্জশিটে রয়েছে, চাকরিপ্রার্থীদের থেকে ৪৫ কোটি টাকা তোলার পরে অয়ন ২৬ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন পার্থ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী সন্তু গঙ্গোপাধ্যায়কে। ঘটনাচক্রে গত সপ্তাহেই বেহালার সরশুনায় সন্তুর ফ্ল্যাটে হানা দেয় সিবিআই। জানা গিয়েছে, অযোগ্যপ্রার্থীদের থেকে টাকা তুলে ১৮ কোটি টাকা অয়ন বিনিয়োগ করেন নির্মাণ ব্যবসায়। এবিএস ইনফোজেন প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মাধ্যমে ওই টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছিল হুগলির চুঁচুড়ার ‘এবিএস টাওয়ার’ প্রকল্পে। নিয়োগ দুর্নীতির টাকায় ‘শুক্লা সার্ভিস স্টেশন’ নামে একটি পেট্রোল পাম্প খোলা হয় দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের পাশে। অয়নের সম্পত্তির খতিয়ান তুলে ধরে ইডি জানিয়েছে, যে স্থাবর সম্পত্তির হদিশ মিলেছে, তার বাজার মূল্য ১০ কোটি ৪ লক্ষ টাকা। অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা। গাড়ি রয়েছে ৬৪ লক্ষ টাকার। শেয়ার রয়েছে ২৩ লক্ষ টাকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: রবীন্দ্রনাথকে শ্রদ্ধা জানাতে কলকাতায় অমিত শাহ, জেনে নিন চূড়ান্ত কর্মসূচি

    Amit Shah: রবীন্দ্রনাথকে শ্রদ্ধা জানাতে কলকাতায় অমিত শাহ, জেনে নিন চূড়ান্ত কর্মসূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালির প্রাণের উৎসব পয়লা বৈশাখ তিনি কাটিয়েছিলেন বাংলায়। বাঙালির আরও একটি উৎসব ২৫ বৈশাখ। এদিনও বাংলায় কাটাবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। যোগ দেবেন রবীন্দ্রজয়ন্তীর (Rabindra Jayanti) অনুষ্ঠানে। সোমবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখান থেকে সোজা নিউটাউনের হোটেলে। এই হোটেলেই বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে শাহের। মঙ্গলবার রবীন্দ্রজয়ন্তী। এদিন সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে শাহ যাবেন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। কবিগুরুর মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানাবেন বিশ্বকবিকে।

    অমিত শাহের (Amit Shah) সূচি…

    সেখান থেকে তিনি যাবেন ভারত-বাংলাদেশের পেট্রাপোল সীমান্তে। সেখানে একটি থানা উদ্বোধন সহ বেশ কিছু কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। কলকাতায় ফিরে বিকেল ৫টা নাগাদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যোগ দেবেন সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক আয়োজিত অনুষ্ঠানে। ওই অনুষ্ঠান শেষে এখানেই হবে আরও একটি অনুষ্ঠান। রবীন্দ্রনাথকে শ্রদ্ধা জানাতেই আয়োজন করা হচ্ছে এই অনুষ্ঠানের। তাতেও যোগ দেবেন শাহ। রাত পৌনে ৮টার বিমানে দিল্লি রওনা দেবেন তিনি।

    এদিকে, বিজেপি-বিরোধী যে জোট গড়তে উদ্যোগী হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এদিন তাকেও কটাক্ষ করেছেন শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “কাল যদি মমতাজি ইউপিতে সভা করতে যান, কটা লোক তাঁর কথা শুনতে যাবেন বলতে পারেন”। শাহ বলেন, “মমতাজির সেই সভা থেকে অখিলেশ যাদবের কী লাভ হবে? তিনি বলেন, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর কী লাভ হবে যদি তেলঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী কেজিআরজি তাঁর রাজ্যে প্রচারে যান”। তাঁর প্রশ্ন, “কর্নাটকে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী গিয়ে কংগ্রেসের হয়ে প্রচার করলেই কি লোকে হাত চিহ্নে ভোট দেবে”?

    আরও পড়ুুন: ‘দৌড়’ থেমে গেল ‘কালবেলা’র স্রষ্টার, প্রয়াত সমরেশ মজুমদার

    হিংসাদীর্ণ মণিপুর প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “মণিপুরের পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। যদিও এখনও মণিপুরে কারফিউ জারি রয়েছে”। একটি সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শাহ বলেন, “কোর্ট একটি নির্দেশ পাশ করে দিয়েছে। তবে এই নির্দেশনামার সঙ্গে জড়িতদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। আলাপ-আলোচনার পরেই মণিপুর সরকার যথোপযু্ক্ত সিদ্ধান্ত নেবে”। তিনি বলেন, “কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ভয় পাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share