Blog

  • Cow Smuggling Case: মেয়ে সুকন্যার বয়ানই হাতিয়ার! অনুব্রতের বিরুদ্ধে ২০৩ পাতার চার্জশিট পেশ ইডির

    Cow Smuggling Case: মেয়ে সুকন্যার বয়ানই হাতিয়ার! অনুব্রতের বিরুদ্ধে ২০৩ পাতার চার্জশিট পেশ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় (Cow Smuggling Case) অনুব্রত মণ্ডলের নামে চার্জশিট জমা দিল ইডি। গ্রেফতারির প্রা‍য় সাড়ে আট মাস বাদে অনুব্রতের নামে বৃহস্পতিবার দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দাখিল করেছে ইডি। ২০৩ পাতার চার্জশিটের সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে প্রায় তিন হাজার পাতার নথিও জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    সুকন্যার বয়ানই হাতিয়ার 

    ইডি সূত্রে খবর, অনুব্রতর বিরুদ্ধে তাঁর মেয়ে সুকন্যার বয়ানকেই হাতিয়ার করেছেন তদন্তকারীরা। চার্জশিটে ইডি দাবি করেছে, জিজ্ঞাসাবাদে সুকন্যা তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, বাবার কথা মতোই তিনি চেকে সই করে দিতেন। আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না। চার্জশিটে অনুব্রত এবং তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল সহ তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠদের নামে বিপুল সম্পত্তির উল্লেখ করেছে ইডি। 

    প্রভাবশালী তত্ত্ব

    অনুব্রত মণ্ডল কতটা প্রভাবশালী, তা বোঝাতে তাঁর দিল্লি যাত্রা আটকাতে দুবরাজপুরের এক তৃণমূল কর্মীকে খুনের চেষ্টার ঘটনায় এক বছর পর অনুব্রতকে পুলিশের গ্রেফতারির ঘটনাও চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে৷ আবার দিল্লি নিয়ে যাওয়ার সময় রাজ্য পুলিশের ঘেরাটোপে থাকা সত্ত্বেও যেভাবে শক্তিগড়ের একটি হোটেলে অনুব্রত প্রাতঃরাশের ফাঁকে ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন, সে বিষয়টিও চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

    নগদে লেনদেন

    ইডি-র দাবি, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নগদে অর্থ জমার পাশাপাশি গরু পাচারের টাকাতেই অনুব্রত ১.৫১ কোটি টাকা খরচ করে স্ত্রী-কন্যার নামে ভোলে বোম রাইস মিল কিনেছিলেন। সুকন্যা ও বাড়ির পরিচারক বিদ্যুৎবরণ গায়েনের নামে ২.৪২ কোটি টাকায় নীড় ডেভেলপার নামের সংস্থা কেনা হয়েছিল। সে টাকাও এসেছিল গরু পাচারের আয় থেকে। সুকন্যা ও বিদ্যুতের নামেই এএনএম অ্যাগ্রোকেম নামের আর একটি সংস্থা মাত্র ১ লক্ষ টাকায় কেনা হয়েছিল। বাকি টাকা গরু পাচারের আয় থেকে বেনামে লেনদেন হয়েছিল। 

    অনুব্রত-এনামুল যোগসূত্র

    ইডি দাবি করেছে, নিজের ‘রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব’ খাটিয়ে অনুব্রত এনামুল হককে গরু পাচারে (Cow Smuggling Case) সাহায্য করতেন। এনামুল ও তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতেন। তার বিনিময়েই গরু পাচারের আয়ের টাকা অনুব্রতের কাছে পৌঁছে যেত। তার সুবাদেই ২০১৫-১৬ থেকে মণ্ডল পরিবারের অর্থ-সম্পত্তি ফুলেফেঁপে উঠতে শুরু করে। এখনও পর্যন্ত অনুব্রত ও তাঁর পরিবারের ১১ কোটি ২৬ লক্ষ টাকার সম্পত্তি আটক করা হয়েছে। ইডি জানিয়েছে, অনুব্রত মূলত তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের মোবাইলে গরু পাচার কারবারি এনামুলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। সায়গলই অনুব্রত ও এনামুলের মধ্যে যোগসূত্র হিসেবে কাজ করত।

    বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি ও অর্থের ব্যাখ্যা 

    ইডি চার্জশিটে জানিয়েছে, অনুব্রত তাঁর বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি ও অর্থের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে জানিয়েছেন, মূলত জমির দালালি ও চালের ব্যবসা থেকে এই টাকা এসেছে। কিন্তু তার কোনও নথি দেখাতে পারেননি। চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট মণীশ ব্যাঙ্কে নগদ জমা থেকে ব্যবসায়িক লেনদেন, আয়কর রিটার্ন জমার বিষয়ে জানেন বলে অনুব্রত জানিয়েছেন। কিন্তু মণীশ নগদ টাকার কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

    আরও পড়ুুন: জ্বলছে মণিপুর, জারি কারফিউ, অশান্তির কারণ কী জানেন?

    গরু পাচারের (Cow Smuggling Case) মূল অভিযুক্ত এনামুল হক, বিএসএফ অফিসার সতীশ কুমার, অনুব্রতের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনরা আগে থেকেই তিহাড় জেলে ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ইডি আগেই চার্জশিট পেশ করেছে। অনুব্রত, সুকন্যা, মণীশও এখন তিহাড়ে। সব অভিযুক্তকে আগামী সোমবার, ৮ মে একসঙ্গে আদালতে তোলা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Mocha: ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’র মোকাবিলায় হল বৈঠক, প্রস্তুত থাকার নির্দেশ বিভিন্ন দফতরকে

    Cyclone Mocha: ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’র মোকাবিলায় হল বৈঠক, প্রস্তুত থাকার নির্দেশ বিভিন্ন দফতরকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোকা (Cyclone Mocha)। এই ঝড় যদি বাংলায় আঘাত হানে তাহলে কী করণীয়, তা নিয়ে ডায়মন্ড হারবারে হল বৈঠক। মহকুমা শাসকের দফতরে হয় এই বৈঠক। উপস্থিত ছিলেন মহকুমা শাসক অঞ্জন ঘোষ। যদিও বৈঠকের পোশাকি নাম প্রি-মনসুন প্রিপারেশান মিটিং। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সমস্ত লাইন ডিপার্টমেন্টের কর্মীরা। স্বাস্থ্য, পুলিশ, দমকল এবং সেচ দফতরের আধিকারিকরা এই সভায় উপস্থিত ছিলেন। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে।

    ঘূর্ণিঝড় মোকা (Cyclone Mocha)…

    জরুরি ভিত্তিতে দুর্বল নদীবাঁধের সংস্কার সহ প্রয়োজনীয় নানা পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় (Cyclone Mocha) (যদি হয়) সমস্ত লাইন ডিপার্টমেন্টকে সব রকম পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহকুমা শাসক বলেন, যে কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় মানুষকে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে অতি দ্রুত কীভাবে উদ্ধার করা যায়, সেদিকটি দেখা হয়েছে। কিছু প্রত্যন্ত এলাকা রয়েছে, যেখানে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেখানকার মানুষদের পরিষেবা কীভাবে পৌঁছে দেওয়া যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার মালদহের সভায় ঘূর্ণিঝড় প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ৭ তারিখে মোচা না মোটা কী যেন একটা আসছে। অনেকেই বলছে, পাথরের মতো কিছু একটা আসবে, আর সব নাকি দুমদাম করে ভেঙে দিয়ে চলে যাবে। নানা লোক নানা রকম বলছে। আমাদেরও একটা আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের দল রয়েছে। আমরা যদি আগে থেকে সতর্ক হতে পারি, তবে উপকূলবর্তী এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে।

    আরও পড়ুুন: জ্বলছে মণিপুর, জারি কারফিউ, অশান্তির কারণ কী জানেন?

    ২০২০ সালে আছড়ে পড়েছিল আমফান। সেটিই ছিল সব চেয়ে বিধ্বংসী। ২০২১ এবং তার পরের বছরও এই সময়ই আছড়ে পড়েছিল দুটি ঘূর্ণিঝড়। পরপর তিনটি ঘূর্ণিঝড়ের রেশ এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি বাংলা। তার মধ্যেই ধেয়ে আসছে মোচা (Cyclone Mocha)। সেটির অভিমুখও বাংলা হতে পারে বলে অনুমান করছেন আবহাওবিদরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • SCO Summit: এসসিও সম্মেলনে চিন, রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক জয়শঙ্করের

    SCO Summit: এসসিও সম্মেলনে চিন, রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোয়ায় চলছে দু দিন ব্যাপী সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO Summit) বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। এই বৈঠকের ফাঁকেই বৃহস্পতিবার রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এদিনের বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO Summit)…

    জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে উজবেকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বাখতিওর সাইদভেরও। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয় এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে। প্রসঙ্গত, সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের সভাপতির দায়িত্ব চলতি বছর ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য নয়াদিল্লির হয়ে সওয়াল করেছিল উজবেকিস্তান।

    জয়শঙ্করের (SCO Summit) সঙ্গে এদিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে চিনা বিদেশমন্ত্রী কুইন গ্যাংয়েরও। অমীমাংসিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে ওই বৈঠকে। দুই দেশই সীমান্তে শান্তি এবং স্থিতাবস্থার পক্ষে একমত হয়েছে। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে জি-২০ সদস্যভুক্ত দেশগুলির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হয় দিল্লিতে। ওই সময় চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন রাজনাথ। সেবারও সীমান্তে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছিলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: জ্বলছে মণিপুর, জারি কারফিউ, অশান্তির কারণ কী জানেন?

    বিভিন্ন দেশের বিদেশমন্ত্রীদের নিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রীর (SCO Summit) দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হলেও, পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে জয়শঙ্করের ওই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশই পাক বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির সঙ্গে জয়শঙ্করের আলোচনার পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।

    সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠক হচ্ছে গোয়ায়। এই সাংহাই কো-অপারেশনের পূর্ণাঙ্গ সদস্য আট দেশ। এই দেশগুলি হল, ভারত, চিন, রাশিয়া, পাকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান। পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছে আফগানিস্তান, বেলারুশ, ইরান এবং মঙ্গোলিয়া। ডায়লগ পার্টনার হিসেবে রয়েছে মিশর, কাতার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, তুরস্ক, কম্বোডিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান এবং সৌদি আরব, এই ৯টি দেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: জ্বলছে মণিপুর! দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ, অশান্তির কারণ ঠিক কী?

    Manipur Violence: জ্বলছে মণিপুর! দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ, অশান্তির কারণ ঠিক কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিংসায় জ্বলছে মণিপুর (Manipur Violence)। দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ। শর্তসাপেক্ষে এই নির্দেশ জারি করেছেন মণিপুরের রাজ্যপাল। সমস্ত জেলাশাসক, সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে এই নোটিশ ইস্যু করার জন্য অনুমোদন করা হয়েছে। রাজ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতেই এই পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যপাল। ইম্ফল উপত্যকায় মৈতেই (Meitei) জনজাতির তরফে দাবি তোলা হয়েছে, তাদের তফশিলি উপজাতির তকমা দিতে হবে। যদিও মৈতেইদের এই দাবি মানতে পারছেন না স্থানীয় কুকি সম্প্রদায়ের আদিবাসীরা। তা থেকেই বিরোধের সূত্রপাত। তার জেরে ক্রমেই ছড়াচ্ছে হিংসা।

    মণিপুরে হিংসার (Manipur Violence) কারণ…

    মণিপুরে এথনিক গোষ্ঠী মৈতেই। আর কুকি হল অন্যতম একটি বৃহত্তম উপজাতি। বুধবারের হিংসা নিয়ন্ত্রণে আনতে মণিপুরের বিভিন্ন জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে সেনা এবং অসম রাইফেল পার্সোনাল। হিংসায় (Manipur Violence) রাশ টানতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। বিভিন্ন জেলায় জারি করা হয়েছে কারফিউ। মণিপুরে ১৬টি জেলা রয়েছে। ইম্ফল উপত্যকায় মৈতেইরা সংখ্যা গরিষ্ঠ। এঁরা হিন্দু। উপত্যকার পাঁচটি জেলায়ই এঁদের আধিপত্য রয়েছে। যদিও পাহাড়ি জেলাগুলিতে নাগা এবং কুকি উপজাতিদের আধিপত্য।এই কুকি এবং নাগারা হলেন খ্রিস্টান। পাহাড়ের চার জেলায় কুকিরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। মণিপুরের মোট জনসংখ্যার ৫৩ শতাংশ মৈতেই। যদিও গোটা রাজ্যের মাত্র ১০ শতাংশ এলাকায় বাস তাদের। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে ৩৫টি উপজাতি সম্প্রদায়ের বাস। এদের সিংহভাগই নাগা ও কুকি সম্প্রদায়ের। রাজ্যের ১০ শতাংশ এলাকা বাদে বাকি অংশে বাস করেন এই ৩৫টি উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ।

    আরও পড়ুুন: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

    অল মণিপুর ট্রাইবাল ইউনিয়নের (Manipur Violence) সাধারণ সম্পাদক কেলভিন নেইশিয়াল বলেন, এই প্রতিবাদের নেপথ্যে প্রধান কারণ হল মৈতেইরা তফশিলি উপজাতির মর্যাদা চাইছে। তারা এগিয়ে থাকলেও কীভাবে তাদের এসটির মর্যাদা দেওয়া হবে? তিনি বলেন, ওরা যদি এসটির মর্যাদা পায়, তাহলে আমাদের সব জমি কেড়ে নেবে। কেলভিন বলেন, কুকিরা খুব গরিব। তাই তাদের নিরাপত্তা প্রয়োজন। তাদের জন্য কোনও স্কুল নেই। ঝুম চাষের ওপর জীবিকা নির্বাহ করে তারা। যদিও মৈতেইদের দাবি, এটা কোনও ইস্যুই নয়। আসল কারণটা হচ্ছে, রাজ্য সরকার যে রিজার্ভ ফরেস্ট এলাকা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে চাইছে, তাতেই ভয় পেয়েছে কুকিরা। তার জেরেই অশান্তির সূত্রপাত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: প্রায় দেড় কোটি টাকার বিনিময়ে বিক্রি ২৬টি চাকরি! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিস্ফোরক ইডি

    SSC Scam: প্রায় দেড় কোটি টাকার বিনিময়ে বিক্রি ২৬টি চাকরি! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিস্ফোরক ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) কাণ্ডেও কালো টাকা সাদা করার জন্য দিন মজুরদের ভুল বুঝিয়ে চেকে সই করানো হতো। নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে ধৃত হুগলির যুব তৃণমূল নেতা (এখন বহিষ্কৃত) শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলায় আদালতে বিস্ফোরক দাবি করল ইডি। আদালতে ইডির আইনজীবীরা বলেছেন, একটি ২৬ জনের তালিকা তাঁদের হাতে এসেছে। এই ২৬ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। তার বিনিময়ে এক কোটি ৪০ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন শান্তনু। ইডির দাবি, হুগলির আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতি গুণধর খাঁড়ার কাছ থেকেই চাকরি বিক্রি করতে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা নেন শান্তনু। ২৬ জন প্রার্থীর জন্য গুণধর ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা শান্তনুকে দিয়েছিলেন বলে ইডির তদন্তে উঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার নথি নিয়ে ইডি দফতরে আবার গুণধরকে তলব করা হয়।

    ইডির দফতরে গুণধর

    ইডি সূত্রে খবর, প্রায় দেড় কোটি টাকা নিয়েও শান্তনু চাকরি করে দেননি বলে গুণধরের অভিযোগ। শান্তনু গ্রেফতার হওয়ার আগে থেকেই নাকি গুণধরের দেওয়া তালিকায় অনেকের চাকরি না হওয়ার বিষয়ে শান্তনুর সঙ্গে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন গুণধর। কিন্তু তাতেও কোনও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ গুণধরের। যদিও শান্তনু টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন এবং তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন। ইডির এই দাবি নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ‘এবার ভাবুন, শান্তনু যদি এক কোটি ৪০ লক্ষ টাকা পান তাহলে ওর প্রভুদের কাছে কত টাকা গিয়েছে!’

    আরও পড়ুুন: এবার শুভেন্দুর দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মান্থা

    গুণধর প্রাইমারিতে চাকরির জন্য ৭ জন এবং আপার প্রাইমারিতে ১৯ জন প্রার্থীর জন্য শান্তনুকে টাকা দিয়েছিলেন বলে ইডি সূত্রে খবর। একটি সূত্রের দাবি, গুণধর তাঁর আত্মীয় এবং ঘনিষ্ঠ কয়েক জনের চাকরির জন্য শান্তনুকে টাকা দিয়েছিলেন। পরে কলকাতা হাই কোর্ট ২৬৯ জনের নিয়োগ বাতিলের যে নির্দেশ দেন, তাতে গুণধরের দুই মেয়ের নাম রয়েছে বলেও শোনা যায়। 

    দিনমজুরের অ্যাকাউন্টে টাকা

    ইডির তরফে বলা হয়, “৩০০ জনের থেকে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছেন শান্তনু। এর বাইরে আরও ২৬ জন চাকরিপ্রার্থীর তালিকা হাতে এসেছে গত। এদের প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা প্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা আদায় করেছেন। এবং সেই কালো টাকা সাদা করার জন্য একটি নির্মাণ সংস্থার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার পাশাপাশি এলাকার বেশ কিছু দিনমজুরদের অ্যাকাউন্টকেও কাজে লাগিয়েছেন শান্তনু।”এমনকী, প্রয়োজনে যাতে টাকা তুলতে পারেন সেজন্য দিন মজুরদের দিয়ে আগাম চেকবুকে সই করিয়ে নেওয়াও হয়েছিল। এধরনের অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক কর্মীদের হাত রয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: অভিষেক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে সিবিআই হানা, কী মিলল?

    CBI: অভিষেক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে সিবিআই হানা, কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে বারাকপুর পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর জয়দীপ দাসের বাড়িতে বৃহস্পতিবার সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা অভিযান চালান। জয়দীপ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ নেতা হিসেবে পরিচিত। টানা প্রায় ৬ ঘণ্টা ধরে তাঁর বাড়িতে চলে তল্লাশি। জানা গিয়েছে, সকাল ন’টায় ওই নেতার বাড়িতে আসে সিবিআই (CBI)। বিকেল তিনটে নাগাদ তাঁরা বেরিয়ে যান। তবে, সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁরা কোনও কথা বলতে চাননি।

    কী বললেন তৃণমূলের কাউন্সিলর?

    সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা চলে যাওয়ার পর জয়দীপ দাস বলেন, ঘুম থেকে উঠেই দেখি বাড়িতে সিবিআই (CBI) এসেছে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত সূত্র ধরেই তারা এদিন আমার বাড়িতে এসেছিল। আসলে তৃণমূল করি বলেই এসব হচ্ছে। আমি সমস্তরকমভাবে তাদের সহযোগিতা করেছি। আমার বাড়িতে এবং অফিসে ওরা তল্লাশি চালায়। সমস্ত কাগজপত্র খতিয়ে দেখেন। আমার দুটি ফোন আর আমার স্ত্রীর একটি ফোন তারা খতিয়ে দেখেছে। আর বাড়ি থেকে দুটি কাগজ নিয়ে গিয়েছে। তাতে পাড়ার দুজনের বায়োডেটা ছিল। এর বেশি কিছু তারা নিয়ে যায়নি।

    পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রাক্তন আপ্ত সহায়কের বাড়িতে সিবিআই (CBI) হানা

    অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সকালে নিউ বারাকপুরের দক্ষিণ মাসুন্দার জগদীশ বসু রোডে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক সুকান্ত আচার্যের বাড়িতেও সিবিআই (CBI) হানা হয়। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআইয়ের এই হানা বলে এই সূত্রে জানা গিয়েছে। সিবিআই বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় সুকান্তবাবু বাড়িতেই ছিলেন। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সুপারিশ নথি সহ বিভিন্ন কাগজপত্র সিবিআই আধিকারিকরা খতিয়ে দেখেন। সকাল থেকে তাঁকে ম্যারাথন জেরা করা হয়। সকাল ৯ টা থেকে দুপুর আড়াইটে পর্যন্ত সিবিআই তল্লাশি চালায়। তাঁর আয়-ব্যয়ের হিসাব সম্পত্তির পরিমাণ সহ একাধিক বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির অন্যতম সদস্য সুকান্ত আচার্যকে। এর আগেও দুর্নীতিকাণ্ডে নিজাম প্যালেসে ইডি হেফাজতে একাধিকবার জেরা করা হয়েছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রাক্তন এই আপ্ত সহায়ককে। সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা সুকান্তবাবুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চলে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সামনে কোনও কিছু বলতে চাননি। সুকান্তবাবুর পরিবারের এক সদস্য বলেন, সিবিআইকে (CBI) সবরকম সহযোগিতা করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় বড় অগ্রগতি, রেকর্ড করা হল গোপন জবানবন্দি

    SSC Scam: এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় বড় অগ্রগতি, রেকর্ড করা হল গোপন জবানবন্দি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি (SSC Scam) মামলায় তদন্তের গতি নিয়ে বারংবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে সিবিআইকে (CBI)। দিন কয়েক আগেই বিচারক প্রশ্ন করেছিলেন, কোথায় ডেভেলপমেন্ট? শেষমেশ মিলল সেই ডেভেলপমেন্ট। নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় এই প্রথম কারও গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, নাইসার আধিকারিক পঙ্কজ বনশলের গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করানো হয়েছে।

    এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি (SSC Scam) মামলায় অগ্রগতি…

    ওএমআর শিট কারা নষ্ট করার নির্দেশ দিল, মূলত তা জানতেই রেকর্ড করানো হয়েছে গোপন জবানবন্দি। কোন সিন্ডিকেটে কারা, কারা কাদের কাছে নির্দেশ পাঠাত, তাও জানার চেষ্টা করা হয়। জানা গিয়েছে, বুধবার আদালতে ওই ব্যক্তির গোপন জবানবন্দি করানোর জন্য আবেদন করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করলে নাইসার ওই আধিকারিকের গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করা হয় আদালতে। এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি (SSC Scam) তদন্তের গতি নিয়ে দিন কয়েক আগে বিচারক সিবিআইকে প্রশ্ন করেছিলেন, তিনজনকে গ্রেফতারের পর শুধু আবেদন জমা পড়ছে। এই বিষয়ে যা প্রয়োজনীয়, তা করার কথাও জানান বিচারক। পরে হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেন, আজ আমি কিছু বলব না, যা করার তা কলম দিয়ে করে দেব।

    আরও পড়ুুন: পার্থ ‘ঘনিষ্ঠ’ একাধিক নেতা, আমলার বাড়িতে তল্লাশি সিবিআইয়ের, কেন জানেন?

    সিবিআইয়ের আইনজীবীর উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, মিডলম্যান নীলাদ্রি ঘোষকে কবে গ্রেফতার করেছেন? এর পর তদন্তে কী অগ্রগতি হয়েছে? ভর্ৎসনার সুরে বিচারক বলেন, নীলাদ্রি-কুন্তল-তাপস কাকে টাকা দিলেন, তিনি তো পিকচারেই নেই। সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসারের জমা করা কেস ডায়েরি দেখে বিচারক বলেন, প্রসেস বলছেন শুধু, এভাবে কতদিন আটকে রাখব। তিনি বলেন, এটা তো সিভিল কেস হচ্ছে? নিশ্চিতভাবে তদন্তে কিছু পজিটিভ অগ্রগতি থাকতে হবে। মিসিং লিঙ্ক থাকলে কারও কিছু করার থাকবে না। চার্জশিট হয়ে অভিযুক্তরা ছাড়া পেয়ে যাবে।

    সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিককে বিচারক বলেন, গতি বাড়ান। যাঁরা প্রতারিত (SSC Scam) তাঁদের গোপন জবানবন্দি নিতে বলা হয়েছিল। এতদিন সিবিআই চুপ করে বসে ছিল। আদালত একাধিক প্রশ্ন করলেও, সিবিআইয়ের কাছে সদুত্তর নেই। তিনি বলেন, সিবিআইয়ের তদন্তকারীদের বলছি, তদন্ত দ্রুত শেষ করুন। তদন্ত যেহেতু প্রসেসের মধ্যে রয়েছে, তাই জামিন দিলাম না। প্রসঙ্গত, শনিবার, কুন্তল ঘোষ, তাপস মণ্ডল ও নীলাদ্রি ঘোষকে ১২ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের কনভয় আটকে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের, কেন জানেন?

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের কনভয় আটকে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবজোয়ার যাত্রায় উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সভায় ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এমনকী যুবরাজের সামনেও ব্যালট লুঠ হওয়ার সাক্ষী রয়েছেন উত্তরবঙ্গবাসী। তার জের কাটতে না কাটতেই এবার গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন অভিষেক। তৃণমূলের প্রধান, উপপ্রধান এবং ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে অভিষেকের কনভয় আটকে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। কনভয় থেকে নেমে দলীয় নেতাদের অপকর্মের কথা যুবরাজকে হজম করতে হল। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে ইংলিশবাজার থানার বিনোদপুর অঞ্চলের সাতটারি এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রীর মালদা সফরের মধ্যেই অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কনভয় আটকে বিক্ষোভের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কনভয় ঘিরে বিক্ষোভ?

    বৃহস্পতিবার মোথাবাড়িতে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সভা ছিল। এদিন দুপুরে ইংলিশবাজার ব্লকের সাতটারি এলাকা দিয়ে তাঁর কনভয় মোথাবাড়ির জনসভার উদ্দেশে যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় সাতটারি এলাকায় অভিষেকের কনভয় আটকে এলাকাবাসীরা বিক্ষোভ দেখান। গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে অভিষেক (Abhishek Banerjee) গাড়ি থেকে নেমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। কী কারণে তাঁরা রাস্তায় নেমে এভাবে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তা তিনি জানতে চান। মূলত জেলা পরিষদের সদস্যা, ব্লক তৃণমূলের সভাপতি, পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে, এই অভিযোগ তুলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অভিষেকের কাছে বিক্ষোভকারীরা দরবার করেন।

    কী বললেন বিক্ষোভকারীরা?

    এলাকাবাসী বিক্ষোভ দেখানোর সময় অভিষেক (Abhishek Banerjee) এক গ্রামবাসীর সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন। পরে, অভিষেক চলে যাওয়ার পর ওই গ্রামবাসী জানান, ১০০ দিনের কাজে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। তৃণমূলের প্রধান, উপপ্রধান, অঞ্চল সভাপতি, ব্লক সভাপতি এর সঙ্গে জড়িত। জেলা পরিষদের সদস্যা প্রতিভা সিংহ এলাকায় এসে আমাদের পুলিশের ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করে রেখেছেন। এলাকায় ৬ কোটি টাকার কাজ হয়েছে। এলাকাবাসী কাজ করেও কোনও টাকা পাননি। এলাকায় কোনও উন্নয়ন হচ্ছে না। প্রতিভা সিংহ সহ সব পঞ্চায়েতের পদাধিকারীদের এবার টিকিট দেওয়া যাবে না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) সব কিছু শুনে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IRCTC: ভারত গৌরব এক্সপ্রেসে উত্তর ভারতের একাধিক তীর্থস্থান ভ্রমণের সুযোগ, কবে ছাড়ছে এই ট্রেন?

    IRCTC: ভারত গৌরব এক্সপ্রেসে উত্তর ভারতের একাধিক তীর্থস্থান ভ্রমণের সুযোগ, কবে ছাড়ছে এই ট্রেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গবাসীর জন্য খুশির খবর। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকেই ট্রেনে চ়ড়ে উত্তর ভারতের একাধিক ধর্মীয় স্থান ভ্রমণ করতে পারবেন পর্যটকরা। এমনই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রেল মন্ত্রক। ভারত গৌরব এক্সপ্রেস নামে বিশেষ এই ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মূলত ধর্মীয় পর্যটনের ভাবনা থেকেই এই প্যাকেজ ট্যুরের আয়োজন করা হয়েছে। আইআরসিটিসি (IRCTC) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৭ মে আসামের ডিব্রুগড় থেকে ভারত গৌরব পর্যটন নামক ওই ট্রেনের যাত্রা শুরু হবে। উত্তরবঙ্গে দুটি স্টেশনে দাঁড়াবে এই ট্রেন। আগামী ৬ জুন পর্যটকরা ফিরে আসবেন।  

    কোন কোন তীর্থস্থান ঘুরে দেখানো হবে ?

    আইআরসিটিসি (IRCTC) সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটরা বৈষ্ণোদেবী মন্দির অযোধ্যার রাম জন্মভূমি, প্রয়াগ ত্রিবেনী সঙ্গম এবং আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখানো হবে। সঙ্গে আলোপি দেবী মন্দিরও পরিদর্শন করানো হবে পর্যটকদের। একইসঙ্গে ভ্রমণ তালিকায় রয়েছে বেনারসের কাশী বিশ্বনাথ মন্দির।

    উত্তরবঙ্গের কোন কোন স্টেশনে দাঁড়াবে এই ট্রেন?

    মূলত ট্রেনটি আসামের ডিব্রুগড় থেকে ছাড়ার কথা রয়েছে। আপাতত ঠিক রয়েছে, উত্তরবঙ্গে দুটি স্টেশনে এই বিশেষ ট্রেন দাঁড়াবে। সেগুলি হল, নিউ জলপাইগুড়ি এবং নিউ কোচবিহার স্টেশন। আলিপুরদুয়ার স্টেশনে বিশেষ এই ট্রেনের কোনও স্টপেজ নেই। তবে, টিকিট কাটার হার বেশি হলে এই স্টেশনে অতিরিক্ত স্টপেজ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    এই ট্রেনের ভাড়া কত?

    আইআরসিটিসি (IRCTC) সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৪ কামরার ওই ট্রেনে ৭৮০টি আসন থাকবে। এরমধ্যে নন এসি ৫৮০ টি আসন এবং থার্ড এসি ২০০ টি আসন থাকছে। প্যাকেজ ট্যুরে স্লিপার ক্লাসের জন্য মাথাপিছু খরচ ধার্য করা হয়েছে ২০,৮৫০ টাকা। থার্ড এসির ভাড়া রাখা হয়েছে- ৩১,১৩৫ টাকা। বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে ট্যুরিস্টদের রাতে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। একইসঙ্গে এসি ও নন এসি হোটেলে রাখারও ব্যবস্থা রয়েছে। বিভিন্ন পর্যটন স্থল ঘুরে দেখার জন্য বাসের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। তবে, ট্রেনের ওই যাত্রা পথে সমস্ত খাবারই থাকছে নিরামিষ। বয়স্ক পর্যটকরা যদি কেউ অসুস্থতা বোধ করেন তারজন্য ট্রেনেই থাকবে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা। প্রয়োজনে তারা বিভিন্ন রেল হাসপাতালেরও সহযোগিতা নিতে পারবেন।

    কী বললেন আইআরসিটিসি-র (IRCTC) আধিকারিক?

    আইআরসিটিসির গুয়াহাটি-র রিজিওনাল অফিসের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ বিশ্বরঞ্জন সাহা বলেন, এই ট্রেনের টিকিট রেলের কোনও কাউন্টার থেকে পাওয়া যাবে না। আইআরসিটিসির পোর্টালে আইআরসিটিসি ট্যুরিজম ডট কমে গিয়ে টিকিট কাটতে হবে। অথবা কোন আইআরসিটিসির এজেন্ট যারা ট্রেনের টিকিট কেটে দেন তাঁদের থেকেও টিকিট কাটা যেতে পারে। ধর্মীয় পর্যটন ছাড়াও অদূর ভবিষ্যতে ওই ট্রেনে বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমণের জন্য প্যাকেজ ট্যুরের আয়োজন করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: মমতা-অভিষেকের পাড়াতেই মিছিল ডিএ আন্দোলনকারীদের! অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    DA Protest: মমতা-অভিষেকের পাড়াতেই মিছিল ডিএ আন্দোলনকারীদের! অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ-র (DA Protest) দাবিতে কলকাতার রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। আজ, বৃহস্পতিবার একদিকে নবান্ন অভিযানে সামিল হয় কো-অর্ডিনেশন কমিটি (Coordination Committee)। মিছিল করে নবান্নর পথে যান আন্দোলনকারীরা। অন্যদিকে, আজ খুশির খবর মিলল হাইকোর্ট থেকে। আগামী ৬ তারিখ হরিশ মুখার্জি রোড দিয়ে ডিএ-আন্দোলনকারীদের মিছিল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিল বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ।

    মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে মিছিলের অনুমতি

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতার দাবিতে আগামী ৬ মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পাড়াতেই মহামিছিলের ডাক দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। কিন্তু সেই মিছিলের অনুমতি না মেলায় হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হন আন্দোলনকারীরা। রাজ্যের রুট বদলের আবেদনে সাড়া দেননি আন্দোলনকারীরা। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বৃহস্পতিবার, মিছিল নিয়ে রাজ্যের আপত্তিতে প্রশ্ন তোলেন। আন্দোলনকারীদের পূর্ব প্রস্তাবিত রুটেই মিছিলের অনুমতি দেয় হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ, শান্তি বজায় রেখে ওই রাস্তা দিয়ে মিছিল করা যাবে। কিন্তু মিছিল থেকে কোনও রকম কুমন্তব্য করা যাবে না। 

    আদালতের যুক্তি

    কলকাতা পুলিশের তরফে ডিএ আন্দোলনকারীদের তিনটি বিকল্প রুটে মিছিলের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তাতে রাজি ছিলেন না তাঁরা। অন্য দিকে, হরিশ মুখার্জি রোড নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল পুলিশ। রাজ্যের দাবি ছিল, শহরের অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা ওই রাস্তা। বিচারপতি এদিন রাজ্যকে প্রশ্ন করেন, ‘প্রতি একদিন অন্তর হাজরা মোড়ে ধর্না বিক্ষোভ হয়। হঠাৎ হরিশ মুখার্জি রোড নিয়ে আপত্তি কেন?’ বিচারপতির প্রশ্নে রাজ্যের আইনজীবী জানান, ওই এলাকা খুবই স্পর্শকাতর। ওই এলাকায় মিছিল করতে গিয়ে যদি ভিড় ছাড়িয়ে যায় তবে তার দায়িত্ব কে নেবে? ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা রয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: এবার শুভেন্দুর দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মান্থা

    আন্দোলনকারীদের পক্ষের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমরা আদালতে আবেদন করার পরই ওই এলাকার কিছু জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।’ তখন বিচারপতি মান্থা বলেন, ‘‘তা হলে তো মিছিল ওই রুটে হলে বলতে হবে, শহরের সবচেয়ে শান্ত এলাকা দিয়ে মিছিল যাচ্ছে।’’এর পরে বিকাশরঞ্জনের উদ্দেশে বিচারপতি মান্থা বলেন, ‘‘সকলে যে আশঙ্কা করছে, আদালত তা বুঝতে পেরেছে। ওই এলাকায় কোনও রকম অশান্তি হবে না সেই ভাবে মিছিল করতে হবে। দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টের মধ্যে ওই এলাকায় শান্তিপূর্ণ ভাবে কর্মসূচি শেষ করতে হবে।’’

    নবান্ন অভিযান

    এদিন নবান্ন (Nabanna) অভিযান করে কো-অর্ডিনেশন কমিটি (Coordination Committee)। হাওড়া স্টেশন থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত মিছিল করছে তারা। নেতৃত্বদের দাবি, প্রতিটা জেলা থেকে সরকারি চাকুরিজীবী, এমনকী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরিজীবীরা মিছিলে পা মিলিয়েছেন। সব মিলিয়ে কয়েক হাজার মানুষ মিছিলে পা মিলিয়েছেন। তবে নির্দিষ্টভাবে জমায়েতের সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে সরকারি কর্মীরা রয়েছেন মিছিলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share