Blog

  • Abhishek Banerjee: অভিষেক সভা ছাড়তেই ব্যালট লুঠের চেষ্টা, তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি

    Abhishek Banerjee: অভিষেক সভা ছাড়তেই ব্যালট লুঠের চেষ্টা, তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের পর এবার করণদিঘিতে তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচিতে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। ভোটগ্রহণ কেন্দ্র থেকে ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, রবিবার করণদিঘিতে প্রার্থী বাছাইয়ে ভোটদান চলাকালীন দুটি ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে তুমুল ঝামেলা বাঁধে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে। চাকুলিয়া ব্লকের হপতিয়াগজ গ্রাম পঞ্চায়েত ও গোয়াগাঁও- ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোট দান কক্ষে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। করণদিঘির আগে ইসলামপুর কোর্ট ময়দানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সভা ছিল। সেই সভা শেষে ব্যালট বাক্সে প্রার্থীর নামের কুপন দিতে গিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। যদিও পরে দলীয় নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

    করণদিঘিতে ঠিক কী হয়েছিল?

    রবিবার চোপড়ায় অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সভা ছিল। পরে, সেখান থেকে তিনি ইসলামপুরে সভা করেন। সভা শেষে সেখানেও ব্যালটে ভোট দেওয়া নিয়ে গণ্ডগোল হয়। পরে, বিষয়টি মিটে যায়। সেখান থেকে যুবরাজ চাকুলিয়াতে সভা করেন। পরে, করণদিঘিতে তিনি রাতে থাকেন। করণদিঘিতে অভিষেক (Abhishek Banerjee) পৌঁছানোর পরই ভোটদানের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তিনি দাঁড়িয়ে থেকে ভোটদান শুরু করে সভাস্থল ছেড়ে চলে যান। এরপরই পুরানো এবং নব্য তৃণমূলের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। যে ব্যালট বাক্সে ভোটদান চলছিল তৃণমূল কর্মীদের একাংশ তা ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এমনিতেই অভিষেক (Abhishek Banerjee) সভা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর পরই তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে চলে যান। ভোটদান কেন্দ্রে গণ্ডগোল হচ্ছে শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। মন্ত্রী গোলাম রব্বানী, জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল ও করণদিঘির বিধায়ক গৌতম পাল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার জেরে ভোটদান পর্ব বন্ধ করে দেন তৃণমূল নেতৃত্ব।

    ভোটদান নিয়ে তৃণমূল কর্মীদের কী বক্তব্য?

    এক তৃণমূল কর্মী বলেন, পুরানো কর্মীদের নামের তালিকা দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের কোনও নাম নেই। নতুন যারা এসেছে তালিকায় তাঁদের নাম রয়েছে। আসলে তালিকা জমা পড়ার পর তালিকায় কাটছাঁট করা হয়েছে। চোখের সামনেই এসব হচ্ছে। অন্য এক তৃণমূল কর্মী বলেন, ব্যালটে ভোট দেওয়া চলছে। সেটা প্রকাশ্যে হচ্ছে। কোনও গোপনীয়তা নেই। আর তাতেই তৃণমূল কর্মীদের বড় অংশ আপত্তি জানান। ফলে, ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাই করতে অভিনব পদক্ষেপ করেছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। জেলায় জেলায় ঘুরছেন তিনি। সব সভা থেকেই অভিষেক একটাই বার্তা দিচ্ছেন, তৃণমূল পঞ্চায়েতের প্রার্থী বাছাই করবে না। পঞ্চায়েতের প্রার্থী বাছবে মানুষ। অভিষেকের এই উদ্যোগ কার্যকরী করতে গিয়েই বাঁধছে বিপত্তি। জায়গায় জায়গায় ব্যালট বাক্স ভাঙা থেকে লুঠপাটের ঘটনা সামনে আসছে। কোচবিহার ছাড়াও জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি, পাহাড়পুর, রাজগঞ্জ থেকে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি সব জায়গাতেই ব্যালট পেপার নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এবার উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘিতেও একই ঘটনা ঘটল। যা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TET: বিএড উত্তীর্ণরাও চলতি টেট নিয়োগে অংশ নিতে পারবেন! নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    TET: বিএড উত্তীর্ণরাও চলতি টেট নিয়োগে অংশ নিতে পারবেন! নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএড (B ed Training) উত্তীর্ণরা প্রাথমিকে চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। সোমবার  বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বরের আগে যে সব চাকরিপ্রার্থী বিএড প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করেছেন, তাঁরা চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। তাঁদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নতুন করে পোর্টাল খুলতেও নির্দেশ দেন বিচারপতি। ৩ সপ্তাহের মধ্যে পোর্টাল খুলে পরীক্ষার্থীদের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। যদিও আদালতের পরবর্তী নির্দেশ ছাড়া ওই প্রার্থীদের ফলপ্রকাশ করা যাবে না। তবে যাঁরা আগে আবেদন করেছিলেন, একমাত্র তাঁরাই চলতি টেটে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। নতুন করে আবেদন করা যাবে না। 

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    গত বছর প্রাথমিক স্কুলে প্রায় ১১ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কথা ঘোষণা পর্ষদের। গত ২৯ সেপ্টেম্বর তারা নিয়োগ-বিজ্ঞপ্তি জারি করে। সেখানে জানানো হয়, ডিএলএড প্রশিক্ষণরতরাও অংশ নিতে পারবেন এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায়। পরে এই পর্ষদের এই নির্দেশ খারিজ করে দেয় বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, প্রশিক্ষণরতরা নন, যাঁরা প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করেছেন একমাত্র তাঁরাই অংশ নিতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: মে মাসের গরমে বাংলা টেক্কা দেবে রাজস্থানকে! কবে থেকে শুরু তাপপ্রবাহ?

    চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুযোগ পাওয়ার জন্য মৃন্ময় সরকার-সহ ৫০ জন চাকরিপ্রার্থী কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন। তাঁদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের বক্তব্য, ডিএলএড প্রশিক্ষণ শুধুমাত্র প্রাথমিক স্কুলের জন্য। কিন্তু অনেকে বিএড সম্পূর্ণ করে আবার ডিএলএড-এর প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। পর্ষদের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ডিএলএড যোগ্যতায় আবেদন করেন তাঁরা। তখন প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করার কথা বাধ্যতামূলক বলা হলে বিএড উত্তীর্ণরা আবেদন করতে পারতেন। পর্ষদের ত্রুটির কারণে তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন। ওই মামলায় সোমবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, যাঁরা আবেদন করেছেন সেই সব বিএড উত্তীর্ণরা চলতি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। আগামী ১২ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lalan Sheikh: রক্ষাকবচ সিবিআই-কে, লালনকাণ্ডের তদন্তে আদালতের নির্দেশে গঠিত হল সিট

    Lalan Sheikh: রক্ষাকবচ সিবিআই-কে, লালনকাণ্ডের তদন্তে আদালতের নির্দেশে গঠিত হল সিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বগটুইকাণ্ডে অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত লালন শেখের (Lalan Sheikh) অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল সিবিআই (CBI) হেফাজতে। ওই ঘটনায় সোমবার সিট (SIT) গঠনের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। লালনের মৃত্যুর তদন্ত করবে আদালতের তৈরি এই সিট। এদিন আদালত লালন মামলায় সিবিআইয়ের ৭ আধিকারিককে রক্ষাকবচ দিয়েছে। তবে এও জানিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত করবে রাজ্যই। এদিন আদালতের নির্দেশে যে সিট গঠিত হবে, তার নেতৃত্ব দেবেন আইপিএস প্রণব কুমার। সঙ্গে থাকবেন হোমিসাইডের বীরেশ্বর চট্টোপাধ্যায়। এই দুই আধিকারিকই ঠিক করবেন, এই সিটে আর কারা থাকবেন।

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশনামা…

    এক সপ্তাহের মধ্যে টিম গঠন করতে হবে। তবে সিবিআই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিতে পারবে না সিট। আদালতের তৈরি করা সিট (Lalan Sheikh) আদালতকে না জানিয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট দিতে পারবে না। হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত এই সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। সিট কোন পথে তদন্ত করবে, সে সংক্রান্ত একটি নির্দেশনামাও জারি করেছেন বিচারপতি সেনগুপ্ত। সিবিআই হেফাজতে লালনের মৃত্যুর পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সাত আধিকারিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন তাঁর স্ত্রী। তার পরে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। এদিন হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত রাজ্য করলেও, তদন্তভার সিআইডির হাতে থাকবে না। তদন্ত করবে সিট।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চোখা-চোখা মন্তব্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, দেখুন এক ঝলকে

    নিম্ন আদালত ছাড়া আর কোথাও কোনও রিপোর্ট পেশ করতে হবে না সিটকে। রাজ্যের কাছেও কোনও রিপোর্ট পেশ করতে হবে না সিটকে (Lalan Sheikh)। সিট গঠন না হওয়া পর্যন্ত সিআইডি কোনও তদন্ত করতে পারবে না। সিবিআই রক্ষাকবচ পেলেও, তারা তদন্তে সিটকে সব রকম সহযোগিতা করবে। তদন্ত হবে আদালতের নজরদারিতে। প্রসঙ্গত, ১২ ডিসেম্বর বীরভূমের রামপুরহাটে সিবিআই ক্যাম্পের শৌচালয় থেকে উদ্ধার হয় লালন শেখের (Lalan Sheikh) ঝুলন্ত দেহ। সিবিআইয়ের সাত তদন্তকারী আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে রাজ্য পুলিশ। গরুপাচার মামলার দুই তদন্তকারী আধিকারিক সুশান্ত ভট্টাচার্য ও স্বরূপ দে-র বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। রাজ্য পুলিশের তদন্ত এবং এফআইআরকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয় সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
  • TRAI: বড় ঘোষণা ট্রাইয়ের! অযাচিত ফোন কল থেকে রেহাই পেল আমজনতা 

    TRAI: বড় ঘোষণা ট্রাইয়ের! অযাচিত ফোন কল থেকে রেহাই পেল আমজনতা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযাচিত ফোন কল বা মেসেজে জেরবার অনেকেই। আপনার ফোন নম্বর লটারিতে জিতেছে ১ কোটি টাকা! এমন মেসেজ প্রত্যেকেই পান। বোঝা যায় এগুলো ভুয়ো! তাই মেসেজ বা ফোন এড়াতে আমরা সাধারণত নম্বরগুলো ব্লক করে দিই। কিন্তু তাতে কী? প্রতারকরা আবার নতুন নম্বর থেকে মেসেজ করে। আবার ঋণের প্রলোভন দেখিয়েও ফোন আসে, কখনও বা আসে পণ্য পরিষেবার বিজ্ঞাপন। এবার এইসব ভুয়ো ফোন কল থেকে রেহাই পেতে চলেছেন গ্রাহকরা। অন্তত এমনটাই জানা যাচ্ছে ট্রাইয়ের (TRAI) সূত্রে। ১ মে, সোমবার থেকে নয়া নিয়ম চালু করল টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা ট্রাই। 

    কীভাবে মিলবে রেহাই?

    সমস্ত টেলিকম সংস্থাগুলিকে ট্রাইয়ের (TRAI) নির্দেশ, প্রতিটি ফোনকল এবং মেসেজে বাধ্যতামূলকভাবে বসাতে হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ছাঁকনি। শোনা যাচ্ছে, ভুয়ো কল রুখতে এয়ারটেল, ভোডাফোন, আইডিয়া এবং জিয়োর সঙ্গে হাত মেলাতে চলেছে ট্রুকলার। এতে ভুয়ো ফোনের উৎস শনাক্ত করতে সুবিধা হবে। এছাড়া, প্রোমোশনাল কলের জন্য ১০ সংখ্যার মোবাইল নম্বর ব্যবহার না করার কথা জানিয়েছে টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (TRAI)। এতে মোবাইল ব্যবহারকারীরা সহজেই চিনতে পারবেন অযাচিত কল। ফলে, সারাদিনের ব্যস্ততার মাঝে অগণিত মানুষ মুক্তি পাবেন এই ধরনের স্প্যাম কল থেকে।

    টেলিকম সংস্থাগুলি কী ভাবছে?

    ট্রাই (TRAI) সূত্রে খবর, এই AIML স্প্যাম ফিল্টারগুলি ইনস্টলিংয়ের ট্রায়াল এক্কেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তার জন্য ভোডাফোন আইডিয়া বা Vi ইতিমধ্যেই Tenla Platforms-এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। অন্যদিকে, ট্রাইয়ের (TRAI) নির্দেশ কার্যকর করতে ইতিমধ্যে রাজি হয়েছে এয়ারটেল এবং রিলায়েন্স জিয়োর মতো টেলিকম সংস্থাগুলি। গ্রাহকদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিশিষ্ট (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই) স্প্যাম ফিল্টার পরিষেবা চালুর কথা ঘোষণা করেছে এয়ারটেল। অন্য দিকে, জিয়োর গ্রাহকদের জন্য শীঘ্রই এই পরিষেবা চালু করা হবে বলে জানিয়েছে তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Belly Fat: ভুঁড়ির সমস্যায় জেরবার! পাতে রাখুন এই ৯ সুপারফুড আর দেখুন তফাত

    Belly Fat: ভুঁড়ির সমস্যায় জেরবার! পাতে রাখুন এই ৯ সুপারফুড আর দেখুন তফাত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুঁড়ি নিয়ে সমস্যার অন্ত নেই। শারীরিক সৌন্দর্য্য তো নষ্ট করেই, পাশাপাশি অতিরিক্ত মেদের কারণে দেখা দেয় নানা স্বাস্থ্য সমস্যা। ভুঁড়ি কমাতে (Belly Fat) চেষ্টার কসুর করেন না প্রায় কেউই। সকালে জিমে যাওয়া, ডায়েট মেনে খাওয়াদাওয়া সব কিছুই চলে। কিন্তু এতেও হতাশ হচ্ছেন অনেকে। কমছে না ভুঁড়ি।

    আজকে আমরা আলোচনা করব ৯টি সুপারফুড নিয়ে যা ভুঁড়ি কমাতে (Belly Fat) উপকারী

    ১) ডিম

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিম মেদ কমাতে সাহায্য করে। ডিম প্রোটিনে ভরপুর আর এতে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড মেদ কমাতে (Belly Fat) কাজে আসে। ডিমের কুসুমে থাকা কোলাইন মেদ জমার প্রবণতাকেও আটকায়, এমনটাই মত পুষ্টিবিদদের।

    ২) টক দই

    শরীর সুস্থ রাখতে টক দইয়ের জুড়ি মেলা ভার। অন্তত এমনটাই বিশ্বাস বিশেষজ্ঞদের। টক দই মেদ কমাতে উপকারি বলেই মানা হয়। পুষ্টিবিদদের মতে, দইয়ে থাকা ল্যাক্টোবেসিলাস মেদ (Belly Fat) জমার প্রবণতা কম করে। এছাড়া, টক দই হল প্রোবায়োটিক, অর্থাৎ, এটি পেটে ভাল ব্যাক্টেরিয়া তৈরি করে। যা, আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধি থেকে শুরু করে পেটের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

    ৩) সাইট্রাস জাতীয় ফল

    কমলালেবু, মুসাম্বি, বাতাবি, পাতিলেবু ইত্যাদিতে ভরপুর ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ এবং উদ্ভিদজাত যৌগ থাকে। পাশাপাশি এগুলি শরীরে জলের অভাব মেটায়। পুষ্টিবিদদের মতে, সাইট্রাস জাতীয় ফল খেলে কমে মেদও (Belly Fat)। 

    ৪) গ্রিন টি

    বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রিন টি-তে রয়েছে বেশ ভালো মাত্রায় ক্যাফেইন ও ফ্লেবেনয়েড ক্যাটেকিনস, যা শরীরে অতিরিক্ত চর্বি ঝরিয়ে (Belly Fat) ফেলতে সাহায্য করে বলেই উঠে এসেছে নানা গবেষণায়।

    ৫) শাক-সবজি

    মরশুমি সবজিও শরীরের জন্য খুব উপকারী। এটি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে থাকা ফাইবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে ও শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি প্রদান করে। ভুঁড়িও কমাতেও (Belly Fat) সাহায্য করে।

    ৬) বিনস 

    বিনস বলতে কিন্তু এখানে কিডনি বিনস বা রাজমার কথা বলা হচ্ছে। এই খাবারটি এখন সহজলভ্য। এমনকী উত্তর ভারতে এর প্রচলন অনেকটাই বেশি। সেখানকার বাসিন্দারা বিনসের তরকারি দিয়ে রুটি খান। তবে বাঙালিদের মধ্যে এই খাবারের এতটাও প্রচলন নেই। কিন্তু মেদ (Belly Fat) কমাতে চাইলে অবশ্যই বিনস খেতে হবে, এমনটাই বলছেন পুষ্টিবিদরা।

    ৭) ব্রকোলি 

    পুষ্টিবিদরা বলছেন, ব্রকোলির অনেক গুণ রয়েছে। এতে আছে ভিটামিন সি, ফাইবারের ভাণ্ডার। তাই নিয়মিত খেতেই পারেন ব্রকোলি। এই সবজি খেলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। ফলে খিদে পায় না। এই কারণে ওজন ও ভুঁড়ি (Belly Fat) দুইই কমে।

    ৮) ভিনিগার 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিনিগারের ভিতর থাকে অ্যাসিটিক অ্যাসিড, এই অ্যাসিড ফ্যাট মেটাবলিজম শুরু করে দেয়। ফলে দ্রুত ফ্যাট ঝরতে (Belly Fat) থাকে।

    ৯) ওটস এবং ডালিয়া

    পুষ্টিবিদদের মতে, এই দুই দানাশস্য ফাইবারে ভরপুর। আর এই ফাইবার শরীরের বিভিন্ন উপকার করে। তাই ভুঁড়ি কমাতে (Belly Fat) চাইলে অবশ্যই ওটস এবং ডালিয়া খেতে হবে।

       

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি/ডায়েট পরামর্শস্বরূপ। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন ও সেই মতো পরামর্শ মেনে চলুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Assembly Election: কর্নাটকে বিজেপির ইস্তাহারে জোর কর্মসংস্থান, এনআরসি ও মহিলা ক্ষমতায়নে

    Karnataka Assembly Election: কর্নাটকে বিজেপির ইস্তাহারে জোর কর্মসংস্থান, এনআরসি ও মহিলা ক্ষমতায়নে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ মে কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচন (Karnataka Assembly Election)। সেই উপলক্ষে সোমবার বেঙ্গালুরুতে ইস্তাহার প্রকাশ করল বিজেপি (BJP)। ইস্তাহারের (Manifesto) পোশাকি নাম ‘প্রজা প্রণালিকা’। পদ্ম শিবিরের ওই ইস্তেহারে যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানে জোর দেওয়ার পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে মহিলাদের ক্ষমতায়নেও। ইস্তেহার প্রকাশ করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা সহ কর্নাটক বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

    কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচনের (Karnataka Assembly Election) ইস্তাহার…

    নাড্ডা বলেন, রাজ্যের জন্য বিজেপির এই দৃষ্টিভঙ্গি হল সকলের প্রতি ন্যায়বিচার এবং কারও তুষ্টিকরণ নয়। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি এবং এনআরসি-রও (NRC) উল্লেখ রয়েছে এই ইস্তাহারে। গেরুয়া শিবির জানিয়েছে, উচ্চ পর্যায়ের কমিটির প্রস্তাব অনুসারে কর্নাটকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা হবে। ইস্তেহারে জানানো হয়েছে, রাজ্য থেকে অবৈধ নাগরিকদের দ্রুত দূর করতে কর্নাটকে এনআরসি নিয়ে আসা হবে। ইস্তেহারে বহু বিতর্কিত নন্দিনী মিল্ক ইস্যুও রয়েছে।

    প্রজা প্রণালিকায় বিপিএল তালিকাভুক্ত (Karnataka Assembly Election) পরিবারগুলির মন পেতে বছরে তিনটি গ্যাস সিলিন্ডার বিনামূল্যে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। গণেশ চতুর্থী, দীপাবলির মতো অনুষ্ঠানগুলিতে বিপিএল তালিকাভুক্ত পরিবারগুলিকে আধ লিটার করে নন্দিনী সরবরাহের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। বিজেপির দাবি, প্রজা প্রণালিকা তৈরির আগে রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা এলাকার বাসিন্দাদের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের ৬ লক্ষেরও বেশি মানুষের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে। বিজেপির দাবি, কেবল সাধারণ মানুষ নন, কর্নাটকের উন্নয়নে বিশেষজ্ঞদেরও পরামর্শ নেওয়া হয়েছে। ইস্তাহার প্রকাশের পর বিজেপির দাবি, কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাবে বিজেপি।

    আরও পড়ুুন: ‘মন কি বাত’-এর অনুষ্ঠানে মোদির মুখে ৪ অ-সাধারণের নাম, জানেন এঁরা কারা?

    ১০ মে ২২৪ আসন বিশিষ্ট কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনের (Karnataka Assembly Election) ফল বেরবে ১৩ মে। গৃহহীনদের জন্য ১০ লক্ষ বাড়ি। বিশ্বেশ্বরায়া বিদ্যা যোজনার আওতায় সরকারি স্কুলগুলির সামগ্রিক উন্নয়নে বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্ব করবে সরকার। আইএএস, কেএএস, ব্যাংকিং, সরকারি চাকরির প্রস্তুতির জন্য যুবদের আর্থিক সহায়তা করা হবে। কর্নাটকের সিনিয়র সিটিজেনদের বিনামূল্যে বার্ষিক হেল্থ চেক-আপ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: বিবাহ বিচ্ছেদের বিশেষ ক্ষেত্রে আর ৬ মাস অপেক্ষা নয়! অভিমত সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: বিবাহ বিচ্ছেদের বিশেষ ক্ষেত্রে আর ৬ মাস অপেক্ষা নয়! অভিমত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ছয় মাস বাধ্যতামূলকভাবে (Six Month Wait Mandatory) অপেক্ষা করতে হবে না। ক্ষেত্রবিশেষে এই নিয়ম বাতিল করাতে মত দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Courts Order On Divorce)। সোমবার ‘বাধ্যতামূলক’ সেই সময়সীমা কমে যাওয়ার ইঙ্গিত দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে যে সম্পর্ক তিক্ত, খাদের কিনারায় এসে ঠেকেছে, আর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব নয়, সে ক্ষেত্রে অপেক্ষা করা যুক্তিহীন। 

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    সোমবার শীর্ষ আদালতের বিচারপতি সঞ্জয় কিসান কউল, সঞ্জীব খান্না, এএস ওকা, বিক্রম নাথ এবং জেকে মাহেশ্বরীর পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ জানায়, কোনও ভেঙে যাওয়া বৈবাহিক সম্পর্ক যদি আর কোনও ভাবেই মেরামত করা সম্ভব না হয়, তবেই এই বিশেষ অধিকার প্রয়োগ করবে আদালত। আদালত এই বিশেষ অবস্থাকে এক কথায় বলছে, ‘পুনরুদ্ধারের অসাধ্য বৈবাহিক সম্পর্ক’। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের এই সাংবিধানিক বেঞ্চের কাছে হিন্দু বিবাহ আইনের ১৩বি ধারাটি নিয়ে পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়েছিল। যেখানে ডিভোর্সের নোটিশ প্রদানের দিন থেকে বাধ্যতামূলকভাবে ছয় মাস অপেক্ষার কথা বলা আছে। ওই সময়ের মধ্যে আদালতও ডিভোর্সের ব্যাপারে পদক্ষেপ করতে পারে না। 

    আরও পড়ুন: মে মাসের গরমে বাংলা টেক্কা দেবে রাজস্থানকে! কবে থেকে শুরু তাপপ্রবাহ?

    এদিন শীর্ষ আদালতের তরফে জানানো হয়, সংবিধানের ১৪২ নম্বর ধারা প্রয়োগ করে ৬ মাসের বাধ্যতামূলক ‘ওয়েটিং পিরিয়ড’ না দিয়েই বিবাহ ভেঙে দেওয়া যেতে পারে। তবে তা পারস্পরিক সম্মতিতে বিবাহ-বিচ্ছেদের ক্ষেত্রেই কেবলমাত্র প্রযোজ্য। কোন কোন ক্ষেত্রে বিচ্ছেদ ছাড়া কোনও গতি নেই বলে বিবেচিত হবে তা আদালত চিহ্নিত করেছে। পূর্ণাঙ্গ রায়ে তার উল্লেখ থাকবে। বিশেষ পরিস্থিতিটির ব্যাখ্যায় ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, বিবাহবিচ্ছেদের পর সন্তানের দায়িত্ব কে নেবেন, সম্পত্তির ভাগ কে পাবেন, এ সব কিছু খতিয়ে দেখে আদালতই ঠিক করবে বিবাহবিচ্ছেদের আর্জিটির দ্রুত মীমাংসা হওয়া প্রয়োজন কিনা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dev: সরকারি বাড়ি পেতে দেবের ভাইকে দিতে হল কাটমানি! পোস্টার দিয়ে প্রতিবাদ জানাল বিজেপি

    Dev: সরকারি বাড়ি পেতে দেবের ভাইকে দিতে হল কাটমানি! পোস্টার দিয়ে প্রতিবাদ জানাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল শহরের পাঁশকুড়া বাস স্ট্যান্ড, ঘাটাল কলেজ, এসডিও অফিস চত্বর সহ সমস্ত জায়গায় পড়েছে পোস্টার। আর এই পোস্টারকে ঘিরে রীতিমতো শোরগোল অভিনেতা দেবের (Dev) সাংসদ এলাকায়। শুধু পোস্টারই নয় দেবের (Dev) পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। এমনকী দেওয়াল লিখনে হাত লাগিয়েছেন খোদ বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট।

    কী লেখা রয়েছে পোস্টারে?

    পোস্টারে লেখা রয়েছে, নিজের দাদা সাংসদ (Dev) থাকা সত্ত্বেও কাটমানি দিতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে। ঘরের ছেলে সাংসদ থাকার সত্ত্বেও কেন টাকা নেওয়া হল? দীপক অধিকারী (Dev) জবাব দাও। বিক্রম অধিকারীর আবাস যোজনার টাকা নেওয়া  হল কেন? তৃণমূল বিধায়ক শিউলি সাহা জবাব দাও। আর ঘাটাল শহরের একাধিক জায়গায় পোস্টারে ছয়লাপ। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন এই পোস্টার?

    সাংসদ দেবের (Dev) জেঠতুতো ভাই বিক্রম অধিকারী। তিনি থাকেন কেশপুরের মহিষদায়। সরকারি আবাস যোজনায় কাটমানি দিতে হয়েছে তাঁকে। বিক্রম বলেন, আমি নিজে তৃণমূল করি। আমার দাদা সাংসদ বলে কোনও বাড়িতে সুবিধা পাইনি। এখানে তৃণমূল নেতাদের কাটমানি না দিলে বাড়ি মিলবে না। তাই, ওদের চাহিদা মতো আমি কাটমানি দিয়েছি। তিনি আরও বলেন, পারিবারিক সমস্যা সমাধানে তৃণমূল নেতাদের কাটমানি দিতে হয়। সাংসদের (Dev) ভাই বলে আমাকে অনেক জায়গায় তৃণমূল নেতারা নিয়ে গিয়ে কাটমানি নিয়েছে। আমার বাড়ি বেহাল হয়ে রয়েছে। আমফানে বাড়ির প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু, আমি ক্ষতিপূরণের টাকা পাইনি। আবাস যোজনার বাড়ি পাওয়ার জন্য দেবের (Dev) ভাইকে টাকা দেওয়ার খবর জানাজানি হতেই রীতিমতো তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এবার এই ইস্যুকে হাতিয়ার করেই মাঠে নামে বিজেপি। ঘাটাল শহর জুড়ে তারা পোস্টার দিয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    এই বিষয়ে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “দেবের ভাই বলে খবরটা হয়েছে। এরকম হাজার হাজার মানুষের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। কে অধিকার দিয়েছে ওদের? গরিবের কথা কেউ শোনেনি। আমরা নামগুলো খুঁজে খুঁজে দিল্লি পাঠিয়েছি।”

    পোস্টার নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    যদিও বিজেপিকে পাল্টা নিশানা করেছে শাসক দল তৃণমূল। জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতি বলেন, খেই হারিয়েছে বিজেপি। দেব (Dev) কুৎসার জবাব না দিয়ে নিশ্চুপ থাকাতেই পোস্টার রাজনীতি করছে বিজেপি। পোস্টার নিয়ে রাজনীতি না করে বিজেপি মাঠে নেমে রাজনীতি করুক। মানুষ কাদের সঙ্গে রয়েছে তা প্রমাণ হয়ে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mid Day Meal: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের খাবারে বিছে! না জেনে সেই খিচুড়িই খেয়ে নিল শিশুরা!

    Mid Day Meal: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের খাবারে বিছে! না জেনে সেই খিচুড়িই খেয়ে নিল শিশুরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শিশুদের খাবারে বিছে! এবার ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের গ্ৰামে। এর আগেও দেখা গিয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় শিশুদের খাবারে ও স্কুলের মিড ডে মিলে (Mid Day Meal) কোথাও সাপ, কোথাও ইদুর, কোথাও আবার পোকামাকড় উদ্ধার হয়েছিল। সেইসব ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও খাবের বিছে উদ্ধার হল। স্বাভাবিকভাবেই অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। উঠেছে নজরদারির অভিযোগও। বীরভূমের কীর্ণাহারের পরোটা গ্ৰামে ২২ নং কেন্দ্রের পরোটা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের এই ঘটনায় এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। আরও অভিযোগ, সেই বিছে পড়া খাবারই তুলে দেওয়া হয়েছে শিশুদের হাতে। যদিও খবর পাওয়া মাত্রই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে আসে কীর্ণাহার থানার পুলিশ। পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। কীর্ণাহার থানার পুলিশ আসতেই বাকি খাবার যেগুলি বেঁচে ছিল, সেগুলি ফেলে দেওয়া হয় প্রশাসনের নির্দেশমতো, যাতে আর এই খাবার (Mid Day Meal) কেউ না নিয়ে যেতে পারে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের তরফে গ্ৰামবাসীদের সচেতন করা হয়েছে, যাতে ওই খাবার কেউ যেন না খায়।

    কী অভিযোগ গ্রামবাসীদের?

    কোলে দুধের শিশুকে নিয়ে এক মা বললেন, আমরা খিচুড়ি নিতে এসেছি। এখানে এসে শুনছি, খাবারে (Mid Day Meal) বিছে ছিল। সৈকত নামে একটা ছেলে দেখেছে, সে দিদিমণিকেও বলেছে। কিন্তু দিদিমণি বলেছে, ওটা বরবটি কড়াই। বিছেটা পাশে রেখে দিয়ে আমাদের সেই খিচুড়ি দিয়েছে। আমরা সেই খাবারই ছেলেদের খাইয়েছি। যখন শুনলাম, তখন খাওয়ানো বন্ধ করেছি। দিদিমণি বিশ্বাসই করছে না। বারবার একই কথা বলছে, এটা বরবটি কড়াই। এরপর দিদিমণি ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়েছে। প্রশাসন এসেছিল। যারা খেয়েছে, তারা কান্নাকাটি করছে। ওদের যে কী হবে, জানি না। আমাদের একটাই দাবি, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার মধ্যে রান্না হোক। 

    আরও পড়ুন: মিড ডে মিলের চাল চুরি করতেই গরমের ছুটি ঘোষণা রাজ্যের! দাবি শুভেন্দুর

    অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খুললেন না

    গ্ৰামবাসীদের অভিযোগ, যেখানে রান্না (Mid Day Meal) করা হয়, সেই ঘরটি অপরিষ্কার। মাকড়সার ঝুলে ভর্তি ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। এমনকী বাইরে রয়েছে আবর্জনায় ভর্তি একটি জলাশয়। এমনকী ওই গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন, এই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী জেনেশুনেও এই খাবার দিয়েছেন। এই খাবার খেয়ে যদি কোনও শিশু অসুস্থ হয়, তাহলে তার ব্যবস্থা নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গ্রামবাসীরা। যদিও ওই কেন্দ্রের কর্মী কোনও মন্তব্যই করতে চাননি। বারবার তাঁকে ওই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চোখা-চোখা মন্তব্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, দেখুন এক ঝলকে

    Abhijit Ganguly: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চোখা-চোখা মন্তব্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, দেখুন এক ঝলকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় নানা সময় বিস্ফোরক একাধিক মন্তব্য করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। তাঁর এই সব মন্তব্য হইচই ফেলে দিয়েছে রাজ্যে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তাঁর মন্তব্যগুলি।

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) বিস্ফোরক মন্তব্য…

    দুর্নীতি দেখলে আমি রুখে দাঁড়াবই। মাথায় বন্দুক ঠেকালেও আমি থামব না। তিনি বলেন, সব আমলেই দুর্নীতি হয়। আমি কোনও রাজনীতি করছি না। আইনজীবীরা রাজনীতি করতে পারেন। অন্য একদিন বলেন (Abhijit Ganguly), ঢাকি সব বিসর্জন কীভাবে দিতে হয়, আমিও জানি। আসল অপরাধী কে বা কারা, তা সবাই জানে। আমার জীবদ্দশায় তারা ধরা পড়বে বলে মনে হয় না। আমি তো নিজে ধরতে যেতে পারব না। যা করার, পুলিশ, ইডি, সিবিআইকে করতে হবে। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ এমন একটা রাজ্য হয়েছে, যেখানে টাকা না দিলে চাকরি মেলে না। মুড়ি-মুড়কির মতো দুর্নীতি হয়েছে বলেই মুড়ি-মুড়কির মতো সিবিআই দিতে হয়েছে। আমি তো এটা জীবনে কল্পনাই করতে পারি না।

    আরও পড়ুুন: কর্নাটকে মোদির কনভয়ে উড়ে এল মোবাইল ফোন! প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে

    সিবিআইকে ভর্ৎসনা করে তিনি বলেন, আপনাদের থেকে তো ভাল জিজ্ঞাসাবাদ করতে আমি জানি। দুর্নীতি মামলায় তাঁর মন্তব্য, অনেক ধেড়ে ইঁদুর বেরবে। অন্য একটি মামলায় তিনি (Abhijit Ganguly) বলেছিলেন, দিদি একা সামলাতে পারছেন না। এত দুর্বৃত্ত চারপাশে থাকলে সামলাবেন কী করে? তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক ও অনুমোদন বাতিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংবিধান বিরোধী কাজের জন্য এই সরকারি দলের লোগো ও মান্যতা প্রত্যাহার করতে তিনি নির্বাচন কমিশনকে বলতে পারেন। অন্য একটি মামলায় তিনি বলেন, দুর্নীতির মহাসমুদ্রে আমি হাবুডুবু খাচ্ছি। আপনারা সাহায্য করছেন। তারপরও হাবুডুবু খাচ্ছি। ঠগ বাছতে তো গাঁ উজাড় হয়ে যাবে। এক জ্যাঠামশাই বলে বেড়াচ্ছেন আমি আইনের এবিসিডি জানি না। তিনি নিজে কি এবিসিডি জানেন?

    কিছু দালাল, যারা মুখপাত্র বলে পরিচিত এবং কিছু মন্ত্রীর নাম বলতে পারি আমি, যাঁরা প্রকাশ্যে বলেছেন কারও চাকরি যাবে না। মুখ্যমন্ত্রী ভাল কাজ করছেন। আমি কেন খারাপ কথা বলব? কবিতার প্রথম লাইন হল এপাং ওপাং ঝপাং। আমরা সবাই ড্যাং ড্যাং। এই যদি কবিতার বই হয়, তাহলে কেউ পড়বে? আমার (Abhijit Ganguly) মনে হয় কেউ পড়বে না। এই অখাদ্য জিনিসগুলো গ্রন্থাগারে রাখবেন না, এটা আজ বলার সময় এসেছে। অখাদ্য বই সরবরাহ হয় সরকারি গ্রন্থাগারে, তা পড়তে কোনও মনুষ্য সন্তান সেখানে যাবে না। বোমা বাঁধতে পারলে কি বাড়তি নম্বর পাওয়া যায়? বীরভূমে পেটো বাঁধলে কত নম্বর পাওয়া যায়?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share