Blog

  • Partha Chatterjee: ‘‘৯ মাসেও পারলেন না…’’! পার্থর আংটি বিতর্কে হাইকোর্টের রোষে জেল সুপার

    Partha Chatterjee: ‘‘৯ মাসেও পারলেন না…’’! পার্থর আংটি বিতর্কে হাইকোর্টের রোষে জেল সুপার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) আংটি বিতর্কে সংশোধনাগারের উত্তরে অসন্তুষ্ট আদালত। একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়লেন সংশোধনাগার সুপার। জেলে ঢোকার সময় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আঙুল ফোলা ছিল। আর সেই কারণেই তাঁর আঙুল থেকে আংটি খোলা সম্ভব হয়নি! প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর আংটিকাণ্ড নিয়ে বুধবার আদালতে হাজিরা দিয়ে এমনটাই দাবি করলেন প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার দেবাশিস চক্রবর্তী। জেল সুপারের জবাব শুনে কলকাতা নগর দায়রা আদালতের বিচারকের প্রশ্ন, ৯ মাসেও কেন সেই আংটি খোলা গেল না। বিচারক বলেন, ‘‘৯ মাসে আপনি যেটা করতে পারলেন না আদালতের তরফে ৯ মিনিটে তা করে ফেলা গেল।’’

    সওয়াল ইডির

    আংটি বিতর্কে আদালতে জোরালো সওয়াল করে ইডি। ইডির আইনজীবীর দাবি, ‘রাজ্যে কারা আইনে বলা আছে এই ধরনের অভিযোগ উঠলে আইজি কারা বা এডিজি কারা অভিযুক্তকে রাজ্যের মধ্যে বা ভিন রাজ্যের জেলে স্থানান্তরিত করা যায়’। একজন বন্দীর আঙুলে আংটি (Partha Ring) থাকে কী করে? সম্প্রতি আদালতে প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শরীর স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই আংটিগুলি আঙুলে ধারন। সাফাই দিয়েছিলেন পার্থ (Partha Chatterjee)। প্রশ্ন ওঠে কারা আইনের বিরুদ্ধে গিয়ে পার্থর আঙুলে আংটি রাখার অনুমতি কীভাবে দিল জেল কর্তৃপক্ষ? এই ঘটনায় আদালতে প্রেসিডেন্সি জেল সুপারকে তলব করেন বিচারক। সেই নির্দেশ মেনে বুধবার আদালতে হাজির হন জেল সুপার। 

    আরও পড়ুুন: ‘মোদি’ পদবী মামলায় গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ রাহুল, শুনানি শীঘ্রই

    অসন্তোষ আদালতের

    সংশোধনাগারের উত্তরে অসন্তুষ্ট আদালত জেল সুপারকে মাত্র ১০ মিনিট সময় দিলেন উত্তর লিখতে। জেলারের উদ্দেশে বিচারকের প্রশ্ন, “আপনি কি নিজেই কারা আইন (Partha Ring) তৈরি করছেন?” আংটিকাণ্ড নিয়ে জেল সুপারের দেওয়া জবাবে অসন্তোষ প্রকাশ করে পার্থের জেলে প্রবেশের সময়ের রেজিস্ট্রার খাতা খতিয়ে দেখেন বিচারক। প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের জেল সুপার প্রসঙ্গে ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজির দাবি, ‘‘উনি এমন একজন জেল সুপার, যাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশও অমান্য করেন উনি। ২০০০ টাকা জরিমানাও করা হয়। একটা অদৃশ্য হাত কাজ করছে। যার জেরে ওঁকে অন্যত্র বদলি করা যায় না।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: ঝাঁঝ বাড়ছে ডিএ আন্দোলনের! নবান্ন অভিযান ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে সভার ডাক

    DA Protest: ঝাঁঝ বাড়ছে ডিএ আন্দোলনের! নবান্ন অভিযান ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে সভার ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় মহার্ঘ ভাতা (DA Protest)-র দাবিতে শহিদ মিনারে অবস্থান করছেন রাজ্য সরকারী কর্মচারীরা। আগামী ৬ মে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আন্দোলন ১০০ দিন পূর্ণ করবে। ওই দিন কলকাতায় এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করবেন তাঁরা। পাশাপাশি, ওই দিনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা এলাকায় জনসভা করবে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।

    নবান্ন অভিযান

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সরকারি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল সরকার। তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়ে দেন, ডিএ-র (DA Protest) সমস্যা তাতে মেটেনি। নিষ্ফল বৈঠকের পরই চরম পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন সরকারি কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে আগামিকাল থেকে রাস্তায় নামছেন কো-অর্ডিনেশন কমিটির সদস্যরা। বাংলার সরকারি কর্মচারীরা ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় ছয় শতাংশ ডিএ পান। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা  ৪২ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন। কেন্দ্রের থেকে রাজ্য সরকারের কর্মীদের ডিএ-র ফারাক ৩৬ শতাংশ। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীরাই দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন হারে মহার্ঘ ভাতা পেয়ে থাকেন। এই নিয়েই চলছে আন্দোলন।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে চালু হবে দ্বিতীয় বন্দে ভারত! ছুটবে কোন রুটে?

    বকেয়া ডিএ (DA Protest) মেটানোর দাবিতে আগামী ৪ মে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে কো-অর্ডিনেশন কমিটি। সেই অভিযানে শামিল হতে চলেছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরাও। তার আগে আগামিকাল, ২৭ এপ্রিল থেকে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে কো-অর্ডিনেশন কমিটির। উল্লেখ্য, এর আগে ডিএ ইস্যুতে সরকারের সঙ্গে মঞ্চের বৈঠকে উপস্থিত হননি কো-অর্ডিনেশন কমিটির কোনও সদস্য। তাঁদের দাবি ছিল, মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন, তাই মামলাকারী হিসেবে সরকাররে সঙ্গে বৈঠকের প্রশ্নই ওঠে না। 

    হাজরা মোড়ে সভা

    অন্যদিকে, এত দিন কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় এবং ডিএ-র (DA Protest) দাবিতে দিল্লির যন্তরমন্তরে ধর্না দিয়েছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। এবার একেবারে  মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে হাজরা মোড়ে সভা করার কথা জানালেন তাঁরা। হাজরা মোড় এলাকাটি মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের অন্তগর্ত। ৬ মে কলকাতায় মিছিলের পর ডিএ-র দাবিতে সেখানেই সমবেত হবেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। তবে, হাজরা মোড় থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির দূরত্ব এক কিলোমিটারও নয়। তাই এখানে পুলিশ সভার অনুমতি দেবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ বলেন, ‘‘হাজরা মোড়ে তো বিভিন্ন সভা হয়। তাই আমরা আমাদের দাবি নিয়ে সভা করব। সেক্ষেত্রে পুলিশ যদি আমাদের সভা করার অনুমতি না দেয়, তাহলে আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অনুমতি এনে সভা করব।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WhatsApp New Feature: এবার থেকে এক সঙ্গে ৪টি ডিভাইসে চলবে এক নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ!

    WhatsApp New Feature: এবার থেকে এক সঙ্গে ৪টি ডিভাইসে চলবে এক নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্ক জুকেরবার্গের হোয়াটসঅ্যাপ টিম একের পর এক নতুন ফিচার (WhatsApp New Feature) এনেই চলেছে। ব্যবহারকারীরাও খুশি এতে। কারণ, নতুন ফিচারগুলির (WhatsApp New Feature) ফলে তাঁদের কাজ আরও সহজ হয়ে উঠছে। হোয়াটসঅ্যাপ এখন আর ব্যক্তিগত চ্যাটিং এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। প্রায় সবরকমের অফিসিয়াল কাজেই এখন হোয়াটসঅ্যাপ দরকার পড়ে। এবার হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে এল এমন একটি নতুন ফিচার যেখানে একসঙ্গে ৪টি ডিভাইসে খোলা যাবে একই নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ। অর্থাৎ একটি ডিভাইসে একটি হোয়াটসঅ্যাপ! এটা এখন পুরনো তত্ত্ব হয়ে গেল। অর্থাৎ এখন থেকে এই মাল্টি ডিভাইস ফিচারের মাধ্যমে আপনি চাইলে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটি আপনার প্রধান ফোন বাদ দিয়ে অতিরিক্ত কোনও ফোন থাকলে তাতে খুলে রাখতে পারেন। আবার চাইলে কোনও ট্যাব,  কম্পিউটারেও সেই একই নম্বরের অ্যাকাউন্ট খুলে রাখতে পারবেন।

    কী বললেন মেটার কর্ণধার

    মঙ্গলবার এমনটাই ঘোষণা করলেন মেটার কর্ণধার মার্ক জুকেরবার্গ। তিনি তাঁর সমাজমাধ্যমে এই ঘোষণা করেন। জুকেরবার্গ লিখেছেন, “এখন থেকে চারটি ফোনে একই সঙ্গে একটি হোয়াটস্‌অ্যাপ অ্যাকাউন্টে লগ ইন করা যাবে।”

    আগামী সপ্তাহের মধ্যেই চালু হবে পরিষেবা (WhatsApp New Feature)

    হোয়াটসঅ্যাপ সূত্রে খবর, এই পরিষেবাটি আগামী সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত ব্যবহারকারীদের জন্য চালু হবে। এখনও পর্যন্ত, ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র একটি ফোন এবং একাধিক ডেস্কটপ ডিভাইসে তাঁদের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট লগ ইন করতে পারেন। নতুন এই পরিষেবার মাধ্যমে, ব্যবহারকারী তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের তথ্য মূল ফোন ছাড়াও অন্য ফোনগুলিতেও একই সঙ্গে দেখেতে পারবেন। তাই একটি ডিভাইস বন্ধ থাকলেও তাঁরা অন্য ডিভাইসে হোয়াট্‌সঅ্যাপ (WhatsApp New Feature) ব্যবহার করতে পারবেন। জানা গিয়েছে, নতুন ফোনে অ্যাকাউন্ট সেটআপের সময় ফোন নম্বর দেওয়া এবং  সাধারণভাবে লগ ইন করার বদলে, ‘link to existing account’ অপশনে যেতে  হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Maoist Attack: ছত্তিসগড়ের দান্তেওয়াড়ায় আইইডি বিস্ফোরণ মাওবাদীদের, শহিদ ১১ জওয়ান

    Maoist Attack: ছত্তিসগড়ের দান্তেওয়াড়ায় আইইডি বিস্ফোরণ মাওবাদীদের, শহিদ ১১ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাওবাদী (Maoist Attack) হামলায় রক্তাক্ত ছত্তিসগড়ের (Chhattisgarh) দান্তেওয়াড়া (Dantewada)। আইইডি (IED) বিস্ফোরণের জেরে শহিদ হয়েছেন ১১ জন জওয়ান। ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল। গত সপ্তাহেই চিঠি পাঠিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীকে আক্রমণের হুমকি দিয়েছিল মাওবাদীরা। তার পর বুধবার ঘটে গেল এই ঘটনা।

    মাওবাদী (Maoist Attack) হামলায় ঝরল রক্ত…

    সূত্রের খবর, এদিন মাও দমন অভিযান সেরে ফিরছিলেন জওয়ানরা। তাঁরা যখন আরানপুর এলাকায়, তখনই আইইডি বিস্ফোরণ ঘটায় মাওবাদীরা (Maoist Attack)। বিস্ফোরণের অভিঘাতে উড়ে যায় জওয়ানদের গাড়িটি। ছিটকে পড়েন জওয়ানরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁদের। বিস্ফোরণের জেরে মৃত্যু হয়েছে গাড়িটির চালকেরও। ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, দান্তেওয়াড়ার আরানপুরে মাওবাদী দমন অভিযানে যোগ দিতে আসা ডিআরজি বাহিনীর বিরুদ্ধে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে মাওবাদীরা (Maoist Attack)। ১০ ডিআরজি জওয়ান ও একজন চালক মারা গিয়েছেন। এই ঘটনা দুঃখজনক। আমরা, রাজ্যের বাসিন্দারা তাঁদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জানাই। তাঁদের পরিবারের প্রতি রইল সমবেদনা।

    ওঁদের আত্মার শান্তি কামনা করি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মাওবাদীদের রেহাই দেওয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই শেষ পর্যায়ে। তিনি বলেন, মাওবাদকে পরিকল্পিতভাবে নির্মূল করা হবে। সূত্রের খবর, মাওবাদীদের হামলার (Maoist Attack) পরে পরেই এলাকা ঘিরে ফেলেছে পুলিশ। দু পক্ষের গুলির লড়াই এখনও চলছে। মাওবাদীদের ধরতে আরও ফোর্স তলব করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, মাওবাদী হামলায় সেনাবাহিনীকে সবরকমভাবে সাহায্য করা হবে।

    আরও পড়ুুন: ‘মোদি’ পদবী মামলায় গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ রাহুল, শুনানি শীঘ্রই

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সাল থেকে ২০২০ পর্যন্ত ছত্তিসগড়ে ৩ হাজার ৭২২টি মাওবাদী হামলার (Maoist Attack) ঘটনা ঘটেছে। এই হামলায় শহিদ হয়েছেন ৪৮৯ জওয়ান। সরকারি সূত্রেই জানা গিয়েছে, ওই রাজ্যের ৮টি জেলা মাওবাদী প্রভাবিত। এর মধ্যে রয়েছে বিজাপুর, সুকমা, দান্তেওয়াড়া, বস্তার, কাঙ্কের, নারায়ণপুর, রাজনন্দগাঁও এবং কোন্ডাগাঁও। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহ বলেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত রাজ্যগুলির সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে, ততদিন এই সমস্যা মিটবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mango Side Effects: গরমে দেদার আম খাচ্ছেন? অজান্তেই নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

    Mango Side Effects: গরমে দেদার আম খাচ্ছেন? অজান্তেই নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমসাগর, আম্রপালি, ল্যাংড়া, গোলাপখাস আরও কত গোত্র তার। পুরাণ থেকে ইতিহাস সবেতেই ঠাঁই মিলেছে আমের। গ্রীষ্মকাল মানেই আমের মরসুম শুরু। গোটা আম খোসা ছাড়িয়ে খাওয়াতো আছেই, পাশাপাশি আমের সরবত, আমের জুশ, আম ডাল, আমের চাটনি, আমের আচার এখনও সমান জনপ্রিয় বাঙালি বাড়িতে। আম রসনা মেটায়, তাছাড়া আমের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু পুষ্টিগুণও। আমে থাকে ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা স্ট্রেস কমায়। এছাড়া আম হল ভিটামিন সি-এর ভাল উৎস। নিয়ন্ত্রিতভাবে আম খেলে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত আম (Mango Side Effects) খেতে মানা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কোন কোন ক্ষেত্রে আম এড়িয়ে (Mango Side Effects) চলা উচিত

    ১) ওবেসিটিতে ভুগলে নিয়ন্ত্রিতভাবে আম খান 

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমে ভিটামিন সি ও ক্যালোরি দুই-ই ভরপুর মাত্রায় থাকে। মাঝারি সাইজের আমে থাকে ১৩৫ ক্যালোরি। কিন্তু যাঁরা স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন এবং ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাঁরা বেশি আম খেলে ওজন তো কমবেই না বরং বাড়বে।

    ২) ডায়াবেটিস রোগীরা আম (Mango Side Effects) থেকে দূরে থাকুন 

    আম রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এটি ফ্রুকটোজ়ে ভরপুর। তাই যাঁরা ডায়াবিটিসের রোগী, তাঁদের পক্ষে আম বড় বিপদ হয়ে দেখা দিতে পারে। রক্তে শর্করার মাত্রা আয়ত্তে রাখতে তাই নিয়ম-নীতি ভেঙে ও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আম একেবারেই নয়। খেলেও নিয়ন্ত্রণ রেখে খান।

    ৩) অতিরিক্ত আম খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে 

    অতিরিক্ত আম খেলে আরও বড় যে সমস্যা হয়, সেটি হল হজমের সমস্যা। গরমের দিনে এমনিতেই অনেকে হজমের সমস্যায় ভোগেন। রোজ বেশি পরিমাণে আম (Mango Side Effects) খেলে হজমশক্তির উপর তার প্রভাব পড়ে। শুধু তা-ই নয়, দিনের পর দিন অতিরিক্ত আম গ্যাসটাইট্রিসের সমস্যাকেও উস্কে দেয়। তাই হজমের ক্ষমতাকে ঠিক রাখতে চাইলে ঘন ঘন আম খাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

    ৪) বাতের ব্যাথায় ভুগলে আম এড়িয়ে চলুন 

    আর্থারাইটিস বা বাতের ব্যথায় যাঁরা ভোগেন, তাঁরা আম এড়িয়ে (Mango Side Effects) চলুন। আম খেলে এই ধরনের ব্যথা বাড়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। একান্তই আম খেতে চাইলে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিন।

    ৫) অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে নিয়ন্ত্রিতভাবে আম খান 

    যাঁদের ত্বকে অ্যালার্জির প্রবণতা আছে, তাঁরাও আম খাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ আনুন। আম খেলে চোখ জ্বালা, হাঁচি, পেটে ব্যথা, ঠান্ডা লেগে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। তাই আম খাওয়ার আগে সচেতন থাকুন।

    ৬) বেশি আম খেলে হতে পারে ব্রণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, আম বেশি খেলে মুখে দেখা দিতে পারে ব্রণ। আমের রসনার স্বাদ নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন। কিন্তু মনে রাখবেন স্বাস্থ্যের কারণে তা নিয়ন্ত্রিত রাখতেই হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Operation Kaveri: যুদ্ধ বিধ্বস্ত সুদান! আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারকাজে বায়ুসেনা ও নৌসেনা

    Operation Kaveri: যুদ্ধ বিধ্বস্ত সুদান! আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারকাজে বায়ুসেনা ও নৌসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে বিধ্বস্ত সুদান থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারকাজ (Operation Kaveri) চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা বাহিনী। তৃতীয় দফায় ভারতীয়দের উদ্ধারকাজ সম্পন্ন করেছে সেনা। বুধবার ভোরে সুদানে আটকে থাকা মোট ১৩৫ জন ভারতীয়কে উদ্ধার করে বায়ুসেনার আইএএফ সি-১৩০জে বিমানে করে সৌদি আরবের জেদ্দায় আনা হয়।

    অপারেশন কাবেরী

    সোমবারই সুদানে আটকে পড়া ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়ে দেন গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত সুদান থেকে ভারতীয়দের সরিয়ে আনার সিদ্ধান্তের কথা। প্রথম পর্যায়ে সেই কাজ শুরুও হয়েছে। এবার ‘অপারেশন কাবেরী’-র (Operation Kaveri) দ্বিতীয় পর্যায়ে সুদান বন্দরের বাকি ২৫০ জন ভারতীয়কে বিমান বাহিনীর দুটি আইএ এফ সি-১৩০ জে ( IAF C-130 J) হারকিউলিস বিমানের সাহায্যে ফিরিয়ে আনা হয়। তাদের স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী ভি মুরলীধরন। মঙ্গলবারই বিদেশ প্রতিমন্ত্রী সৌদি আরবের জেদ্দায় ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়ান স্কুল, যেখানে ভারতীয়দের সাময়িকভাবে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখেন।

    চলছে উদ্ধারকাজ

    ভারতীয় দূতাবাসের প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত প্রায় ৭০০ ভারতীয় সুদানের বন্দরে এসে পৌঁছেছেন। আরও অন্তত পাঁচশো ভারতীয় বন্দরে পৌঁছনোর চেষ্টা করছেন। এদের মধ্যে একটি অংশকে নিয়েই প্রথম উদ্ধার অভিযান শুরু করে আইএনএস সুমেধা। ভারতীয় নৌ-সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, আইএনএস সুমেধা কমপক্ষে তিনবার সুদান থেকে জেদ্দা যাতায়াত করবে। যত সম্ভব ভারতীয়দের নিয়ে সুদানের বন্দর থেকে রওনা দেবে আইএনএস সুমেধা। উত্তর ও দক্ষিণ সুদানে আটকে থাকা ভারতীয়দের উদ্ধারে অবশ্য অন্য রাস্তা ভাবতে হয়েছে বিদেশমন্ত্রককে। সৌদি আরব, ফ্রান্স, আমেরিকা, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি মতো বন্ধু দেশগুলির মাধ্যমে তাঁদের উদ্ধার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই উত্তর সুদান থেকে বেশ কয়েকজন ভারতীয়কে উদ্ধার করেছে সৌদি আরব, আমেরিকা ও ফ্রান্স।

    সুদানের সেনাপ্রধান আবদেল ফতাহ আল-বুরহান এবং আধাসেনা আরএসএফ বাহিনীর প্রধান মহম্মদ হামদান ডাগলো ওরফে হেমেত্তির বাহিনীর লড়াইয়ে নিহতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই হাজার ছুঁতে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে শুধু বিদেশি নাগরিকেরাই নয়, রাজধানী খার্তুম এবং তার ‘যমজ শহর’ ওমদুরমান-সহ সুদানের বিভিন্ন শহর থেকে সাধারণ মানুষও পালাতে শুরু করেছেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: রাজ্যে চালু হবে দ্বিতীয় বন্দে ভারত! ছুটবে কোন রুটে?

    Vande Bharat: রাজ্যে চালু হবে দ্বিতীয় বন্দে ভারত! ছুটবে কোন রুটে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা পেল আরও একটি বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেস। কিন্তু দ্বিতীয় বন্দে ভারত (Vande Bharat) ছুটবে কোন রুটে? শোনা যাচ্ছে, হাওড়া-পুরী ও হাওড়া-রাঁচী রুটে বন্দে ভারত চালানোর বিষয়ে আগ্রহের কথা বোর্ডকে জানিয়েছিল দক্ষিণ-পূর্ব রেল। নিউ জলপাইগুড়ি-গুয়াহাটিও সম্ভাব্য রুট। জানা গিয়েছে, প্রথম শ্রেণির সেই ট্রেনের রেক ইতিমধ্যে হাওড়া অভিমুখে রওনা হয়ে গিয়েছে।

    রেলের চিঠি

    বেশ কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল বাংলার ভাগ্যে আসতে চলেছে আরও একটি বন্দে ভারত। এবার সেই সম্ভাবনাই সত্যি হল। সূত্রের খবর, চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি বা আইসিএফ-কে পঞ্চদশ ও ষোড়শ বন্দে ভারতের রেক দক্ষিণ-পূর্ব রেল এবং উত্তর-সীমান্ত রেলের জন্য বরাদ্দ রাখার নির্দেশ দেয় রেল বোর্ড। সরকারি নির্দেশ অনুসারে ওই দু’টি রেক রেলের এই দুই জোন বা বিভাগের কাছে আসার কথা। রেল বোর্ডের তরফে চেন্নাইয়ের আইসিএফ এবং দুই বিভাগের কাছে ২৪ এপ্রিল পাঠানো চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই এই নিয়ে জল্পনা ছড়ায়। তার পরেই নতুন রেকের রওনা হওয়ার খবর মেলে।

    হাওড়া-রাঁচী রুটের প্রধান অন্তরায়…

    হাওড়া-রাঁচী রুটে শতাব্দী এক্সপ্রেসের গড় গতিবেগ ঘণ্টায় মাত্র ৫৯ কিলোমিটার। ধানবাদের পরে বোকারো-চন্দ্রপুরা শাখায় খনি এলাকায় ভূগর্ভস্থ আগুনের জন্য ট্রেনটি ঘণ্টায় মাত্র ৩০ কিলোমিটার গতিবেগে ছোটে। রেলপথের সমস্যা ওই রুটে বন্দে ভারত চালু করার অন্তরায়। খড়্গপুর, টাটানগর, পুরুলিয়া হয়ে রাঁচী যাওয়ার পথও বিবেচনায় আছে। অভিজ্ঞ মহলের মতে, হাওড়া-পুরী রুটে যাত্রী বেশি। রেললাইনের সমস্যাও কম। তীর্থক্ষেত্র ও পর্যটনের নিরিখে পুরীর গুরুত্ব সমধিক।

    কী বলছেন রেল আধিকারিকরা

    রেল আধিকারিকরা বলছেন, বন্দে ভারত কোথায় কী ভাবে চলবে, সেই সিদ্ধান্ত নেয় রেল মন্ত্রক তথা রেল বোর্ড। দুই বিভাগের জন্য ১৬ কোচের পূর্ণাঙ্গ বন্দে ভারত বরাদ্দ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • LGBT: সমলিঙ্গ বিবাহের স্বীকৃতি চেয়ে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি অভিভাবকদের

    LGBT: সমলিঙ্গ বিবাহের স্বীকৃতি চেয়ে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি অভিভাবকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমলিঙ্গ বিবাহের (Same Sex Marriage) দাবি উঠেছে দীর্ঘদিন ধরেই। এবার এই বিবাহকে স্বীকৃতি দেওয়ার আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দিলেন এলজিবিটিকিউআইএ (LGBT) গোষ্ঠীভুক্তদের ৪০০-রও বেশি বাবা-মা। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়কে তাঁরা লিখেছেন, তাঁদের সন্তানরা যাতে স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্টের আওতায় বিবাহের বৈধতা পায়, সেই বিষয়টি দেখে যেতে চান তাঁরা। সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এদিনের শুনানিতেও এই ধরনের বিবাহের পক্ষে সওয়াল করেছেন এই গোষ্ঠীর পক্ষের আইনজীবীরা।

    সমলিঙ্গের বিবাহ নিয়ে শুনানি…

    সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে চলছে সমলিঙ্গের বিবাহ নিয়ে শুনানি। মঙ্গলবার শুনানি পড়ল চতুর্থ দিনে। এদিন দেশের শীর্ষ আদালত বলেছে, যদি সমলিঙ্গের বিবাহকে আইনে রূপান্তরিত করতে হয়, তাহলে বহু আইন বদলাতে হবে। তার জন্য কি সুপ্রিম কোর্ট বসে রয়েছে? প্রশ্ন আদালতের। এদিন আইনজীবী গীতা লুথরা বলেন, জি-২০ গোষ্ঠীর ১২টি দেশ ইতিমধ্যেই সমলিঙ্গ বিবাহকে স্বীকৃতি দিয়েছে। তাই ভারতেরও পিছিয়ে থাকা উচিত নয়।

    প্রধান বিচারপতিকে লেখা চিঠিতে এলজিবিটিকিউআইএ (LGBT) গোষ্ঠীভুক্তদের বাবা-মায়েরা লিখেছেন, সন্তানদের জীবন ও যৌনতার ভাবনার কথা অনুভব করে একে গ্রহণ করেছেন তাঁরা। এখন এই বিবাহের আইনি বৈধতা চাইছেন। চিঠিতে লেখা হয়েছে, যাঁরা এই ধরনের বিবাহের বিরোধিতা করছেন, তাঁদের প্রতি আমাদের সহানুভূতি রয়েছে। কারণ এক সময় আমাদের মধ্যে অনেকে ওই পক্ষেই ছিলাম। তাঁরা লিখেছেন, কিন্তু শিক্ষা, আলোচনা আর ধৈর্যের মধ্যে দিয়ে আমরা বুঝেছি, আমাদের সন্তানদের ভাবনা ও অনুভূতি যথার্থ। আজ যাঁরা সমলিঙ্গ বিবাহের বিরোধিতা করেছেন, একদিন তাঁরাও আমাদের শরিক হবেন।

    আরও পড়ুুন: সিবিআই তলবে নিজাম প্যালেসে তাপস! জিজ্ঞাসাবাদে কী কী বিষয় উঠে এল?

    মোদি সরকার সমলিঙ্গ বিবাহকে অভিজাত শ্রেণির ভাবনা বলেছে। এদিন শুনানি চলাকালীন বিচারপতি রবীন্দ্র ভাট এলজিবিটিকিউআইএ (LGBT) গোষ্ঠী পক্ষের আইনজীবী মিনাক্ষী গুরুস্বামীকে প্রশ্ন করেন, ভারতে অনেক বৈচিত্র রয়েছে। আপনারা কি এই গোষ্ঠীর সবার কথা তুলে ধরছেন? হয়তো অনেকের কথা শোনা হচ্ছে না। মিনাক্ষীর জবাব, সম্পর্কের নতুন সংজ্ঞায় যাঁরা যোগ দিতে চান, তাঁরা যোগদান করবেন। যাঁরা চান না, তাঁদের এই পথে আসার প্রয়োজন নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: বিয়ের জন্য চাপ দিতেই কালিয়াচকে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন, দাবি পুলিশের

    Malda: বিয়ের জন্য চাপ দিতেই কালিয়াচকে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন, দাবি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদহের (Malda) কালিয়াচক থানার উজিরপুরে নাবালিকা খুনের কিনারা করল পুলিশ। খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম বিশ্বজিৎ মণ্ডল। তার বয়স ৩০ বছর। তার বাড়ি কালিয়াচক থানার রামনগর এলাকায়। সে দিনমজুরের কাজ করে। যে জায়গায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়েছে, সেখান থেকে ধৃত যুবকের বাড়ি প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে। ইতিমধ্যেই ধৃত যুবককে ১৪ দিনের হেফাজতে নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

    নাবালিকাকে কেন খুন করা হল?

    নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। মালদহ (Malda), গাজোল, কালিয়াচক এবং ইংরেজবাজার থানার আধিকারিকদের নিয়ে একটি টিম তৈরি করা হয়। নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পর বিভিন্ন সূত্র পেয়ে পুলিশ তল্লাশি শুরু করে। দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পরে, একজন খুনের কথা স্বীকার করে। পরে, তাকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, ৯ দিন আগে মিসডকল থেকেই ওই নাবালিকার সঙ্গে আলাপ হয়। ফোনেই দুজনের মধ্যে কথাবার্তার সূত্র ধরে সম্পর্ক গভীর হয়। এরপরই ওই নাবালিকা দেখা করার জন্য জোরাজুরি করে। ধৃত যুবক ফোনে তাকে একটি ঠিকানা বলে দেয়। সোমবার বাসে করে ওই কিশোরী সেখানে আসে। এরপর তারা দুজনে হাঁটতে হাঁটতে ঘটনাস্থল উজিরপুরে আসে। সেখানে দুজনের মধ্যে শারীরীক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে, ওই কিশোরী তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেয়। আর ধৃত যুবক বিবাহিত। তার দুই সন্তান রয়েছে। তার পরিবারের অবস্থা বোঝানোর পর সে তা মানতে চায়নি। বরং, বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। এরপরই তার গলায় ওড়না জড়িয়ে ওই যুবক তাকে খুন করে বলে অভিযোগ।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    মালদহের (Malda) পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, ভিডিওগ্রাফি করে ময়না তদন্ত করা হয়েছে। ৯ দিন আগে আলাপ হলেও সোমবারই তাদের দুজনের প্রথম দেখা হয়। ওই নাবালিকা বিয়ের পাশাপাশি ধৃত যুবকের বাড়ি যাওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। তারপরই সে শ্বাসরোধ করে খুন করেছে বলে জানিয়েছে। আমরা সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এই ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 19: রাজ্যে করোনা পরীক্ষায় গাফিলতি ও উপসর্গহীন রোগীরাই বিপদ বাড়াচ্ছে প্রবীণদের

    Covid 19: রাজ্যে করোনা পরীক্ষায় গাফিলতি ও উপসর্গহীন রোগীরাই বিপদ বাড়াচ্ছে প্রবীণদের

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    করোনার নতুন প্রজাতি শক্তি বাড়ালেও, স্বাস্থ্য দফতরের পরীক্ষা প্রক্রিয়ার শক্তি বাড়ছে না। আর তাতেই রাজ্যবাসীর বিপদ বাড়ছে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা। দিন কয়েক হল করোনা সংক্রমণ (Covid 19) বাড়ছে। রাজ্যে করোনার পজিটিভিটি রেট ১৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে। কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলি জেলায় মাস্ক পরার উপর গুরুত্ব দিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু, করোনা রুখতে সবচেয়ে জরুরি প্রক্রিয়াতেই ঢিলেঢালা মনোভাব। অভিযোগ, করোনা পরীক্ষা পর্যাপ্ত হচ্ছে না।

    বিপদ ঠিক কোথায়? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, করোনার (Covid 19) নতুন প্রজাতি আর্কটুরাসে আক্রান্তের অধিকাংশ কিন্তু উপসর্গহীন। আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগের বয়স ২০-৪৫ বছরের মধ্যে। আর উপসর্গহীন রোগী হওয়ার জেরে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা আরও বেড়ে যাচ্ছে। এর ফলেই বিপদ বাড়ছে প্রবীণদের। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পরিবারের কম বয়সী সদস্যরা বাইরে থেকে আক্রান্ত হচ্ছেন। উপসর্গহীন হওয়ার জেরে তাঁরা বুঝতেও পারছেন না। কিন্তু তাঁদের থেকেই রোগ সংক্রমিত হচ্ছে পরিবারের প্রবীণ সদস্যদের মধ্যে। আর বয়স্কদের নানান কো-মরবিডিটি থাকার জেরে শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে উঠছে! 

    স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য কী বলছে? 

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক সপ্তাহে রাজ্যে যে ৭ জন করোনা (Covid 19) আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ৬ জনের বয়স ৭০ বছরের বেশি। সোম ও মঙ্গলবার, এই দুদিনে রাজ্যে যে নতুন করে ৩০ জন করোনা রোগী ভর্তি হয়েছেন, তার মধ্যে ১৮ জন রোগীই ৬০-র চৌকাঠ পেরিয়েছেন। তাই করোনার এই নতুন প্রজাতির উপসর্গহীন রোগীরা বিপদ বাড়াচ্ছে প্রবীণদের।

    ব্যাপক হারে করোনা পরীক্ষা জরুরি

    রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাপক হারে করোনা (Covid 19) পরীক্ষার ব্যবস্থা করা জরুরি বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। গত দু’সপ্তাহে কিন্তু সেই পরীক্ষা একেবারেই হয়নি। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের শুরুতেও পরীক্ষা ঠিকমতো না হওয়ার জেরে সমস্যা বেড়ে গিয়েছিল। উপসর্গহীন রোগীদের থেকে ব্যাপক হারে সংক্রমণ ছড়িয়েছিল। কিন্তু পরে করোনা পরীক্ষা বাড়ানোর জেরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এবারেও প্রথম থেকে সেই একই রকম ঢিলেঢালা মনোভাব দেখাচ্ছে রাজ্য। অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে করোনা পরীক্ষার কিট পর্যাপ্ত নেই। কোনও রোগীকে হাসপাতালে ভর্তির সময়ও আবশ্যিকভাবে করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে না। যা বিপদ বাড়াচ্ছে। ব্যাপক হারে করোনা পরীক্ষা না হলে এই সংক্রমণ আটকানো কঠিন হয়ে উঠবে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা। 

    বিশেষজ্ঞ মহলের পরামর্শ কী? 

    বয়স্কদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ষাটোর্ধ্ব নাগরিকরা যতটা সম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলুন। মাস্ক ব্যবহার অপরিহার্য। শারীরিক দূরত্ববিধি বজায় রাখতে হবে। বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস রাখতে হবে। তবে শুধু প্রবীণরাই নন, কম বয়সীদেরও সচেতন থাকতে হবে। তারা বাইরে যেমন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে, তেমনি বাড়িতেও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে। বাইরে থেকে এসে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, কিংবা স্যানিটাইজার ব্যবহারে নজর দিতে হবে। সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ সামান্য দেখা দিলেও অবহেলা করা চলবে না। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। দেরি করলেই সংক্রমণ ছড়িয়ে যাবে। তাই দ্রুত করোনা (Covid 19) পরীক্ষা করাতে হবে।

    স্বাস্থ্যকর্তারা কী বলছেন? 

    রাজ্যের স্বাস্থ্যকর্তারা অবশ্য বলছেন, তাঁরা করোনা (Covid 19) মোকাবিলায় তৎপর। প্রয়োজনমতো পরীক্ষা করানো হচ্ছে। তবে, করোনার টিকা না থাকার জেরেই পরিস্থিতি জটিল হতে পারে বলে তাঁদের আশঙ্কা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি/ডায়েট পরামর্শস্বরূপ। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন ও সেই মতো পরামর্শ মেনে চলুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share