Blog

  • Rajnath Singh: সীমান্ত নিয়ে চিনকে কড়া হুঁশিয়ারি রাজনাথ সিংয়ের

    Rajnath Singh: সীমান্ত নিয়ে চিনকে কড়া হুঁশিয়ারি রাজনাথ সিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন সীমান্তে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে ভারতীয় সেনা, তারা যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। বুধবার ভারতীয় সেনার একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় এমনই মন্তব্য করলেন রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। শান্তি আলোচনার মধ্যে চিনের বিরুদ্ধে সীমান্তে উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগও আনেন তিনি। কয়েকদিন আগে অরুণাচল প্রদেশের বেশ কয়েকটি স্থানের নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম দেয় বেজিং। নতুন নামের স্থানগুলি তিব্বতে অংশ বলে দাবি করে শি জিনপিংয়ের দেশ। যদিও চিনের এই চেষ্টার তীব্র নিন্দা করে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। অরুণাচল ভারতের অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে বলে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছিল। আবার ডোকলাম নিয়েও বিবাদ কম নয়। এই আবহে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর (Rajnath Singh) এই হুঁশিয়ারি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী বললেন রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)?

    চিনের আগ্রাসন বারবার চললে, ভারত মুখ বুজে থাকবে না বলেও হঁশিয়ারি দেন। রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে আগ্রহী ভারত। আর সেই লক্ষ্যে সীমান্তে শান্তি আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh)। প্রসঙ্গত, গালওয়ানে সেনা সংঘর্ষের পর সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে দুই দেশের সামরিক পর্যায়ে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এখনও পর্যন্ত ১৭টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। লাদাখ সীমান্তে বেশ কয়েকটি অঞ্চল থেকে দুই দেশের সেনা প্রত্যাহারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, এখনও বেশ কয়েকটি অঞ্চলের রফাসূত্র বের হয়নি।

    যুদ্ধ কখনও সমস্যা সমাধানের পথ নয় বলে মনে করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। সেনার প্রশংসা করে তিনি বলেন, দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় এবং প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও ভারতীয় জওয়ানরা দৃঢ়তার সঙ্গে তাঁদের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। সে কোনও আগ্রাসনের মোকাবিলায় সেনাদের হাতে সেরা অস্ত্র, সরঞ্জাম তুলে দেওয়াই কেন্দ্রের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: পার্থ-অর্পিতার জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়ল! পরবর্তী শুনানি কবে?

    ED: পার্থ-অর্পিতার জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়ল! পরবর্তী শুনানি কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়ল প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার। ১৯ জুন পরবর্তী শুনানি বলে জানিয়েছে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। প্রসঙ্গত গত বছরের জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। বান্ধবী অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৫০ কোটি টাকা। চাকরি প্রার্থীদের নথিও পাওয়া যায়। অন্যদিকে ৩ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়ল নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের। জেলবন্দি আসামি আংটি পড়তে পারেন না। কিন্তু প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী কতটা প্রভাবশালী ভাবুন! এখনও হাতে রয়েছে আংটি। ইডির (ED) আইনজীবির এই সওয়ালের ভিত্তিতে প্রেসিডেন্সির জেলসুপারকে চলতি মাসের ২৬ তারিখে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দিল আদালত।

    আরও পড়ুন: আজও চলবে তাপপ্রবাহ! বৃষ্টি শুরু হচ্ছে কবে?

    আংটি তত্ত্ব…..

    বুধবার পার্থর একটি মামলায় ব্যাঙ্কশাল কোর্টে ভার্চুয়াল শুনানি ছিল। শুনানি চলাকালীন ইডির (ED) আইনজীবী পার্থর আঙুলের দিকে বিচারকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। দেখা যায় পার্থর আঙুলে বেশ কিছু আংটি। বিচারক পার্থর উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, “আপনি তো জেলবন্দি। আপনার হাতে এতগুলো আংটি কেন? আপনি জানেন না যে, জেলবন্দিদের হাতে আংটি রাখা যায় না?” জবাবে তৃণমূলের প্রাক্তন মহাসচিব বলেন, ‘এগুলো সোনার আংটি নয়। আমি স্বাস্থ্যের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই এগুলো ধারণ করি।

    ইডি-র (ED) আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারক এ নিয়ে প্রশ্ন করেন। জবাবে আইনজীবী বলেন, পার্থকে যখন নাকতলার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করানো হয়েছিল তখন এগুলো খোলা হয়নি। কারণ জেলার ও ডেপুটি জেলারের দায়িত্ব এগুলো দেখার। আঙুলে থাকা আংটিগুলিকে অস্ত্র করে আদালতের সামনে পার্থর প্রভাবশালী হওয়ার তত্ত্ব ফের তুলে ধরেন ইডির (ED) আইনজীবী।

    আরও পড়ুন: মিশনারিদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ! পৃথিবীর মধ্যে দ্রুত খ্রিস্টান জনসংখ্যা বাড়ছে নেপালে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amartya Sen: ১৫ দিনের মধ্যে অমর্ত্য সেনকে জমি ছাড়ার নির্দেশ দিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ

    Amartya Sen: ১৫ দিনের মধ্যে অমর্ত্য সেনকে জমি ছাড়ার নির্দেশ দিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) জমি নিয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে সকলের নজর ছিল। উচ্ছেদ নোটিশ দেওয়ার পর থেকে নোবেলজয়ীর জমি নিয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে বলে জল্পনা চলছিল। সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার ১৫ দিনের মধ্যে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে (Amartya Sen) জমি ছাড়তে বলে বুধবার নোটিশ দিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।

    নোবেলজয়ীকে (Amartya Sen) দেওয়া বিশ্বভারতীর নোটিশে কী রয়েছে?

    বিশ্বভারতীর দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, অনুমোদিত দখলদার উচ্ছেদ আইন ১৯৭১ ধারা ৫-এর উপধারা ১-এর অধীনে ক্ষমতা প্রয়োগ করে ফেরানো হবে বিতর্কিত ১৩ ডেসিমেল জমি। ৬ মের মধ্যে বিশ্বভারতীর প্লট নম্বর ২০১ উত্তর পশ্চিম কোণে ১৯০০/২৪৮৭ সুরুল মৌজার ১৯০০ জেএল নম্বর ১০৪ পাবলিক সম্পত্তির উপর অনুমোদিত দখল জমি খালি করার নির্দেশ দিয়েছেন বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত যুগ্ম কর্মসচিব ও এস্টেট অফিসার। ওই সময়সীমার মধ্যে জমি খালি করা না হলে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারির পাশাপাশি প্রয়োজনে বল প্রয়োগের মাধ্যমেও খালি করার নির্দেশ দিয়েছেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। এর আগে ‘প্রতীচী’র গেটে উচ্ছেদের নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়েছিল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছিল, ১৯ এপ্রিল এই জমি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। বুধবারই সেই দিন ছিল। এবার তারা কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করল।

    বিশ্বভারতীকে জবাবি চিঠিতে কী  লিখেছিলেন অমর্ত্য সেন (Amartya Sen)?

    ১৭ এপ্রিল বিশ্বভারতীকে জবাবি চিঠি দিয়েছিলেন অমর্ত্য সেন (Amartya Sen)। অমর্ত্য সেন চিঠিতে লিখেছিলেন, লিজের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত কেমন করে কেউ এই জমি দাবি করতে পারেন? পাশাপাশি নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ আরও জানান, ‘প্রতীচী’–র জমির আইনশৃঙ্খলা এবং শান্তিরক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক। এই জমি তাঁর বাবার। ১.৩৮ একর জমি অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) নামে মিউটেশন করা হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়ে দিয়েছে। মিউটেশন করার কথা জানানো হলেও বিশ্বভারতী তাঁদের নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীতে কলকাতায় অমিত শাহ! নববর্ষের পর ফের জনসভা বাংলায়

    Amit Shah: রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীতে কলকাতায় অমিত শাহ! নববর্ষের পর ফের জনসভা বাংলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশাখেই ফের একবার বাংলায় আসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। নববর্ষের পর ২৫ বৈশাখ। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ৮ মে বঙ্গ সফরে আসতে পারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রবীন্দ্রনাথের জন্মজয়ন্তীতে শাহ থাকতে পারেন কলকাতায়। যোগ দিতে পারেন রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে। 

    বাংলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    সাম্প্রতিক সফরে এসেই অমিত শাহ (Amit Shah) জানিয়েছিলেন লাগাতার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা এরাজ্যে আসবেন। বিজেপি সূত্রে খবর, ৮ মে রাজ্যে এসে একটি জনসভাও করবেন শাহ। তবে কোথায় সেই জনসভা হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তবে মুর্শিদাবাদ এবং কৃষ্ণনগর দুই লোকসভা কেন্দ্রকে জুড়বে এ রকম কোনও স্থানেই এই জনসভা হওয়ার কথা। কর্নাটক থেকে এসে সরাসরি এই জনসভায় যোগ দেবেন শাহ। পরের দিন অবশ্য তাঁর সমস্ত কর্মসূচি থাকবে কলকাতায়। ৯ মে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। ওই দিন সকালে অমিত শাহ যাবেন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। সেখানে রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। বিকালে সায়েন্স সিটিতে রবীন্দ্র জয়ন্তীর অপর এক অনুষ্ঠানেও শাহ উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: পাখির চোখ কর্নাটক বিধানসভার ভোট, তারকা প্রচারকের তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    লাগাতার কর্মসূচি বাংলায়

    নববর্ষের দিন বীরভূমের সভা থেকে ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে বাংলায় ৩৫ আসনের টার্গেট বেঁধে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাই বাঙালি ভাবাবেগকে প্রাধান্য দিয়ে ভোটবাক্সে জয় নিশ্চিত করতেই বিশ্বকবির জন্মদিনে শাহের ফের বাংলায় আগমন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটও। শাহের কথা অনুযায়ী, বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব ও রাজ্যের কর্মীদের সর্বশক্তি নিয়েই পঞ্চায়েত নির্বাচনে লড়াই করতে হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মাধ্যমে লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরু করতেও বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তরফে। দলীয় সূত্রে খবর, তাঁর সাফ নির্দেশ, লাগাতার কর্মসূচি রাখুন। রাজ্য সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করুন। সেই লক্ষ্যেই বাংলায় আবার আগমন শাহের। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে এখনও এই সফর নিয়ে কোনও কথা জানানো হয়নি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Archery World Cup: রেকর্ড গড়লেন ভারতীয় তীরন্দাজ জ্যোতি সুরেখা ভেনাম

    Archery World Cup: রেকর্ড গড়লেন ভারতীয় তীরন্দাজ জ্যোতি সুরেখা ভেনাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীরন্দাজি বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে তুরস্কের আন্টালিয়ায় রেকর্ড করলেন ভারতীয় তীরন্দাজ জ্যোতি সুরেখা ভেনাম।মহিলাদের কম্পাউন্ড ইভেন্ট যোগ্যতা অর্জন পর্বে ব্যক্তিগত বিশ্ব রেকর্ডের সমান পয়েন্ট অর্জন করেন জ্যোতি। ৭১৩ পয়েন্ট অর্জন করে ভারতীয়দের মধ্যে রেকর্ড করেন তিনিয প্রতিযোগিতায় শীর্ষ বাছাই জ্যোতি। এর আগে ২০১৫ সালে কলম্বিয়ার সারা লোপেজ আর্চারি বিশ্বকাপে ৭১৩ পয়েন্ট অর্জন করেন।

    সেরা স্কোর

    প্রতিযোগিতায় জ্যোতির থেকে ২ পয়েন্ট কম পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ড্যাফনে কুইন্টেরোর, সারা লোপেজ তৃতীয়। ৭২টি শটে, জ্যোতি সুরেখা ভেন্নাম ৬৬ বার টার্গেট হিট করেছেন। যার মধ্যে টানা ৩৬টি টার্গেট হিট করে 360 পয়েন্ট অর্জন করেছেন জ্যোতি। ঢাকায় ২০১৭ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে কোরিয়ার সো চাওনের ৭০৯ পয়েন্টের এশিয়ান রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছেন জ্যোতি। ভারত এই প্রতিযোগিতায় ১৬ সদস্যের একটি দল পাঠিয়েছে।

    জ্যোতির লক্ষ্য

    জ্যোতি ভারতীয় মহিলা দলকে কম্পাউন্ড মহিলা দলের ইভেন্টে বাছাইপর্বের শীর্ষে উঠতে সাহায্য করেছেন। সতীর্থ অবনীত কৌর এবং অদিতি গোপীচাঁদ স্বামীর সঙ্গে জ্যোতির মিলিত পয়েন্ট মোট ২১১২। জ্যোতি বলেন, “বিশ্ব রেকর্ডের সমান হওয়াটা ছিল অপ্রত্যাশিত। আমি এটা  ভাবতে পারিনি। এর আগে, কোনও প্রতিযোগিতায় আমার ব্যক্তিগত সেরা ছিল ৭১০ পয়েন্ট। এখন এটিই আমার সেরা স্কোর।” ভারতীয় তীরন্দাজের কথায়, “শীর্ষ বাছাই হয়ে খুব ভালো লাগছে। শেষ তীর পর্যন্ত আমি মনোনিবেশ করছিলাম। আপাতত, আমি আমার ফোকাস থেকে সরতে চাই না। আমার স্কোর ধরে রাখাই এখন একমাত্র লক্ষ্য।”

    আরও পড়ুুন: জনসংখ্যার নিরিখে চিনকে টপকে গেল ভারত, বলছে রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shaista Parveen: আতিকের অনুপস্থিতিতে গ্যাং চালাতেন তাঁর স্ত্রী শইস্তা!

    Shaista Parveen: আতিকের অনুপস্থিতিতে গ্যাং চালাতেন তাঁর স্ত্রী শইস্তা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছিলেন পুলিশ (Police) কনস্টেবলের মেয়ে। পরে হন কুখ্যাত গ্যাংস্টার প্রয়াত আতিক আহমেদের (Atiq Ahmad) স্ত্রী। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, স্বামীর মৃত্যুর ঢের আগেই আতিকের সাম্রাজ্যের রাশ হাতে তুলে নিয়েছিলেন শাইস্তা পারভিন (Shaista Parveen)। তাঁকে ধরিয়ে দিতে পারলেই মিলবে ৫০ হাজার টাকা। আতিকের গ্রেফতারির পর থেকে বছর একান্নর এই মহিলাই সামলাচ্ছেন মাফিয়ারাজ।

    শাইস্তা পারভিন (Shaista Parveen)…

    শাইস্তার বাবা ছিলেন পুলিশের কনস্টেবল। নাম মহম্মদ হারুন। পরিবার নিয়ে তিনি থাকতেন প্রয়াগরাজের দামুপুর গ্রামে। প্রয়াগরাজের স্কুল থেকেই উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন শাইস্তা। ১৯৯৬ সালে আতিকের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। গ্যাংস্টার স্বামীর সঙ্গে থাকতে থাকতেই অন্ধকার জগতে ঢুকে পড়েন শাইস্তা (Shaista Parveen)। ২০২৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রয়াগরাজে নিজের বাড়ির সামনে খুন হন আইনজীবী উমেশ পাল। বিধায়ক রাজু পাল খুনের প্রধান সাক্ষী ছিলেন তিনিই। রাজু খুনে নাম জড়ায় আতিক ও তাঁর ভাই আসরফের।

    আরও পড়ুুন: ‘অপেক্ষা করুন, সব ফাঁস করব’, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    জানা যায়, উমেশ খুনের কয়েক দিন আগে গুজরাটের সবরমতী জেলে আতিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন শাইস্তা। সেখানেই উমেশ খুনের ষড়যন্ত্র করা হয় বলে অভিযোগ। বর্তমানে শাইস্তার বিরুদ্ধে চারটি মামলা রয়েছে। এর একটি উমেশ হত্যা সংক্রান্ত। বাকিগুলি দায়ের হয়েছিল ২০০৯ সালে। মামলাগুলি প্রতারণা সংক্রান্ত। এর ঢের পরে রাজনীতিতে আসেন শাইস্তা। ২০২১ সালে তিনি যোগ দেন আসাদউদ্দিন ওয়াইসির দল এআইএমআইএমে। ২০২৩ সালে করেন দলবদল। যোগ দেন মায়াবতীর বহুজন সমাজবাদী পার্টিতে। প্রয়াগরাজের মেয়র নির্বাচনে শাইস্তার দাঁড়ানোর জল্পনা ছড়িয়েছিল। যদিও উমেশ হত্যায় নাম জড়ানোয় সেই জল্পনায় জল ঢেলে দেন বিএসপি নেতৃত্ব।

    উমেশ খুনের পর মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে লেখা চিঠিতে শাইস্তা জানিয়েছিলেন, ওই খুনের মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে তাঁর পরিবারকে। ছেলে আসাদের মৃত্যুর পর থেকেই আর দেখা যাচ্ছে না শাইস্তাকে। তাঁর খোঁজে রাজ্য চষে বেড়াচ্ছে উত্তর প্রদেশ পুলিশ। প্রসঙ্গত, আতিকের এক আত্মীয় মহম্মদ জিশান জানান, একবার আতিক তাঁর ছেলেকে ২৫ জন শ্যুটার সহ জিশানের কাছে পাঠিয়েছিলেন। জিশানের জমি শাইস্তার (Shaista Parveen) নামে লিখে দিতে বলেছিলেন তিনি। চেয়েছিলেন ৫ কোটি টাকাও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
  • Rain Forecast: ধেয়ে আসছে ঝড়বৃষ্টি, কবে মিলবে গরম থেকে রেহাই?

    Rain Forecast: ধেয়ে আসছে ঝড়বৃষ্টি, কবে মিলবে গরম থেকে রেহাই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমবেশি সব জেলাতেই পারদ ৪০ পেরিয়েছে। হাঁসফাস অবস্থা রাজ্যবাসীর। এরমধ্যেই বৃষ্টি নিয়ে সুখবর এল। তবে তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে শনিবার পর্যন্ত। আগামী শনিবার দক্ষিণবঙ্গের আট জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গের কপাল অবশ্য আজ থেকেই খুলছে। এই বৃষ্টির ফলে তাপমাত্রাও অনেকটাই কমবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। প্রসঙ্গত, অত্যধিক গরমে রাজ্যজুড়ে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে স্কুল-কলেজে। তবে বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও, এখনই কালবৈশাখী বা ঝেঁপে বৃষ্টির মতো আশার আলো দেখাতে পাচ্ছেন না আবহাওয়াবিদরা। ছিটেফোঁটা হালকা বৃষ্টি হবে (Rain Forecast) সপ্তাহের শেষে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা রয়েছে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। বেলা বাড়লেই লু বইবে। গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকতে পারে শুক্রবার পর্যন্ত। আপাতত ২ দিন বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় দুই থেকে পাঁচ ডিগ্রি পর্যন্ত বেশি থাকবে।

    কোন কোন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা (Rain Forecast), দেখুন একনজরে

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা
    উত্তর ২৪ পরগনা
    পূর্ব মেদিনীপুর
    ঝাড়গ্রাম
    বাঁকুড়া
    পশ্চিম মেদিনীপুর
    নদিয়া
    কলকাতা

    তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বৃষ্টির (Rain Forecast) তালিকায় কলকাতার নাম থাকলেও শনিবার কলকাতার মাটি ভিজবে না। বরং রবিবার থেকে কলকাতা ও তার আশপাশের অঞ্চলে দু’দফায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের বৃষ্টি আজ থেকেই

    পাশাপাশি, আজ উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং ও কালিম্পংয়েও ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু উত্তরবঙ্গের নীচের দিকের তিন জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    আজও সারাদিন তাপপ্রবাহ অব্যাহত, রাতেও থাকবে অস্বস্তি 

    বুধবার সকাল থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে রোদের তাপ অব্যাহত ছিল। সকাল থেকে পারদ ঊর্ধ্বমুখী। বেলা বাড়তে গরমের দাপট বৃদ্ধি পেয়েছে। লু-ও বয়েছে। রাতের দিকেও গরমজনিত অস্বস্তি থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balochistan: চিন-পাকিস্তানের ৬টি মোবাইল টাওয়ারে আগুন বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্টের

    Balochistan: চিন-পাকিস্তানের ৬টি মোবাইল টাওয়ারে আগুন বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (China) এবং পাকিস্তানের (Pakistan) বিভিন্ন কোম্পানির ৬টি মোবাইল টাওয়ারে আগুন লাগিয়ে দিল বালুচিস্তান (Balochistan) লিবারেশন ফ্রন্ট। টাওয়ারগুলি ছিল বালুচিস্তান প্রদেশের কেচা জেলার তহশিল দস্ত এলাকায়। বুধবার এমনই দাবি করেছে বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট। বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট পাকিস্তানি মোবাইল কোম্পানি ইউফোন এবং চিনা কোম্পানি জংয়ের মোবাইল টাওয়ারে হামলাও চালিয়েছে। এই টাওয়ারগুলি রয়েছে কেচা জেলার দস্ত ক্যাম্বেল, জান মহম্মদ বাজার, প্রিন্ট বাজার এবং জরিনবাগ এলাকায়। বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্টের দাবি, ওই টাওয়ারগুলির সমস্ত মেশিনারি জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। চিন পাকিস্তান ইকনোমিক করিডরে থাকা ইউফোনের একটি টাওয়ার এবং সাংগাই বাজার এলাকায় জং কোম্পানির একটি মোবাইল টাওয়ারও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্টের।

    বালুচিস্তান (Balochistan)…

    বালুচিস্তানের (Balochistan) বিভিন্ন এলাকায় যৌথভাবে মোবাইল নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চাইছে চিন ও পাকিস্তান। গোয়েন্দা ও সৈন্যদের স্বার্থেই এটা করতে চাইছে দুই প্রতিবেশী দেশ। বালুচিস্তানের বাসিন্দাদের ওপর নজরদারি চালানোর জন্যও ওই টাওয়ারগুলি ব্যবহার করা হয়। চিন পাকিস্তান ইকনোমিক করিডর রক্ষা করা ও মোবাইল টাওয়ারগুলি বসানোর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। বালুচিস্তান ও বালুচদের উন্নতি প্রকল্পেই এই টাওয়ারগুলি বসানো হয়েছিল। প্রশাসন এও প্রচার করেছিল, এলাকায় লুঠতরাজ রুখতে এবং বালুচবাসীর সম্পদ রক্ষার স্বার্থেই বসানো হয়েছিল টাওয়ার।

    আরও পড়ুুন: জনসংখ্যার নিরিখে চিনকে টপকে গেল ভারত, বলছে রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট

    ২০২১ সালের জুন মাসেও বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট দাবি করেছিল, এলাকায় মোবাইল টাওয়ার বসাতে যাওয়ায় মার্গেটস চোখবি ওয়াধা কোম্পানি মোবাইল টাওয়ারে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল তাদের যোদ্ধারা। ধরে নিয়ে গিয়েছিল ওই মোবাইল কোম্পানির ৬ জন সদস্যকেও। বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্টের মুখপাত্র আজাদ বালুচ জানিয়েছিলেন তাঁরা যাঁদের ধরে নিয়ে গিয়েছিলেন, তাঁরা হলেন গুল শাহ খান, আবদুল আদি এবং কোয়েট্টার বাসিন্দা মেহরাজ, জোব কুইলা সইফুল্লা, কোয়েট্টারই মহম্মদ ইউসুফ, গুজরাটের আমানত আলি এবং কুইলা সফিউল্লার রহমতউল্লা। বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট এও জানিয়েছিল দখলিকৃত বালুচিস্তানে (Balochistan) চিন এবং পাকিস্তানের কোনও কোম্পানি যেন মোবাইল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা না করে। তা সত্ত্বেও পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে মোবাইল টাওয়ার বসাচ্ছে চিন। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, তারই প্রতিশোধ নিতে এদিন জ্বালিয়ে দেওয়া হল ৬টি মোবাইল টাওয়ার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CPM: দুর্নীতির সমস্ত পরিকল্পনা করেছেন মমতা, তিন ঘণ্টা জেরা করলেই সব বেরিয়ে আসবে, বললেন বিকাশ

    CPM: দুর্নীতির সমস্ত পরিকল্পনা করেছেন মমতা, তিন ঘণ্টা জেরা করলেই সব বেরিয়ে আসবে, বললেন বিকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ-দুর্নীতি নিয়ে তোলপাড় গোটা রাজ্য। দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর মানিক ভট্টাচার্য এবং সবশেষে জীবনকৃষ্ণ সাহা গ্রেফতার হয়েছেন। ইতিমধ্যেই তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বিরুদ্ধে সিবিআই-এর তদন্ত শুরু হতে চলেছে। এই দুর্নীতির সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। এরইমধ্যে বুধবার দুপুরে বারাসত জেলা আদালতে একটি মামলার সূত্রে এসে বিশিষ্ট আইনজীবী তথা সিপিএম (CPM) নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য দুর্নীতির জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) সরাসরি দায়ী করলেন। তিনি বলেন, গোটা দুর্নীতিটাই পরিকল্পনা করে করা হয়েছে। আর সেই পরিকল্পনা করা হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) এবং রাজ্যের সচিবালয় থেকে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় তো দু-নম্বরে ছিলেন। আমরা বারবার সওয়াল করেছি, সমস্ত কিছুর জন্যই দায়ী হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করলেই সবকিছু বেরিয়ে আসবে। নিয়োগ-দুর্নীতি নিয়ে বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের হয়ে আদালতে মামলা করেছিলেন বিকাশবাবু। ফলে, তাঁর এই বক্তব্য যথেষ্ট তাত্পর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    মুকুল রায়ের দিল্লি যাত্রা নিয়ে কী বললেন বর্ষীয়ান সিপিএম (CPM) নেতা?

    মুকুল রায়কে জোর করে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে তাঁর ছেলে শুভ্রাংশু রায় অভিযোগ করেছিলেন। এর পিছনে বড় টাকার খেলা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছিলেন। যদিও দিল্লিতে গিয়ে সেই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেছেন বিধায়ক মুকুল রায়। তিনি বলেছেন, কেউ জোর করেনি। আমি স্বেচ্ছায় দিল্লি এসেছি। বিজেপিতে থেকে রাজনীতি করারও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। এসব নিয়ে যখন তর্ক-বিতর্ক চলছে, তখন তাঁর দিল্লি যাত্রাকে কটাক্ষ করলেন সিপিএম (CPM) নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। বিকাশবাবু আরও বলেন, মুকুল রায় কি এমনি এমনি দিল্লি গিয়েছেন। মুকুলকে মমতা (Mamata Banerjee) পাঠিয়েছেন। শরীর খারাপের যে কথা বলা হচ্ছে তা সবটাই নাটক। মমতাই তাঁকে পাঠিয়েছেন। আসলে তিনি চেষ্টা করছেন নিজেকে এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাঁচাতে। কারণ, তদন্ত যে জায়গায় গিয়েছে, সেখান থেকে তাঁদের বাঁচার কোনও রাস্তা নেই, একমাত্র অমিত শাহ আর নরেন্দ্র মোদির পায়ে ধরা ছাড়া। সেইজন্যই মুকুলকে এজেন্ট করে পাঠানো হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Nepal President: বুকের সংক্রমণ বেশ জটিল! দিল্লি এইমসে ভর্তি নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল

    Nepal President: বুকের সংক্রমণ বেশ জটিল! দিল্লি এইমসে ভর্তি নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুকের সংক্রমণ আরও জটিল আকার ধারণ করায় নেপালের (Nepal) প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেলকে (Ram Chandra Poudel) দিল্লি নিয়ে আসা হল। বুধবার এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে তুলে কাঠমান্ডু থেকে দিল্লির এইমসে আনা হয়েছে তাঁকে। এক মাসের মধ্যে প্রেসিডেন্ট (Nepal President) পাউডেলকে দু’বার হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। কিন্তু তাতেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে দিল্লিতে (Delhi) আনা হল।

    জটিল সংক্রমণ

    সূত্রের খবর, মঙ্গলবার নেপালের টিইউ টিচিং হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন প্রেসিডেন্ট পাউডেল (Nepal President)। কিন্তু সেখানে তাঁর বুকে জটিল সংক্রমণ পাওয়া যায়। তারপরেই তাঁকে দিল্লি নিয়ে আসার তোড়জোড় শুরু হয়। বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ দিল্লিতে পৌঁছয় নেপালের প্রেসিডেন্টের বিমান অ্যাম্বুল্যান্স। তার পর সেখান থেকে সোজা এইমস। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে রয়েছেন তাঁর ছেলে চিন্তুন এবং আরও কয়েক জন ঘনিষ্ঠ।

    আপাতত দিল্লিতেই চিকিৎসা

    পয়লা এপ্রিল প্রেসিডেন্ট (Nepal President) প্রথম বুকে ব্যথা অনুভব করেন। তৈরি করা হয় একটি মেডিক্যাল টিম। সেই টিম খতিয়ে দেখে প্রেসিডেন্টের শারীরিক অবস্থা। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অসুস্থ প্রেসিডেন্টকে দেখতে আসেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহাল, উপপ্রধানমন্ত্রী পূর্ণবাহাদুর খাদকা এবং অন্যান্যরা। কিছু দিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। যদিও সমস্যা পিছু ছাড়েনি। গত মঙ্গলবার তাঁকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।

    আরও পড়ুন: ভারতের সবথেকে সুখী রাজ্য মিজোরাম! কেন জানেন?

    উল্লেখ্য, নেপালের প্রেসিডেন্টের (Nepal President) শারীরিক অবস্থা নিয়ে মঙ্গলবারই নেপালে মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক আয়োজিত হয়েছে। সেখানেই জানানো হয়েছে যে, সেদেশের স্বাস্থ্যসচিব এই চিকিৎসা পদ্ধতির তত্ত্বাবধান করবেন। একটি বিশেষ টিমও গঠিত হয়েছে রাষ্ট্রপতির শারীরিক দেখভালের জন্য। তাঁর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা নিয়ে পরবর্তীতে কোন পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা স্থির করা হবে টিমের রিপোর্ট আসার পরই। তবে, আপাতত দিল্লিতেই তাঁর চিকিৎসা চলবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share