Blog

  • Nabanna: গোটা রাজ্যে ফের বাধ্যতামূলক হচ্ছে মাস্ক ও স্যানিটাইজার, মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত

    Nabanna: গোটা রাজ্যে ফের বাধ্যতামূলক হচ্ছে মাস্ক ও স্যানিটাইজার, মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা রাজ্যে ফের মাস্ক আর স্যানিটাইজার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমনটাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন, আর গাফিলতি করা যাবে না। তাই শীঘ্রই মুখ্যসচিব এক নির্দেশিকা প্রকাশ করতে চলেছেন বলে নবান্ন (Nabanna) সূত্রে খবর।

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়

    একদিকে যেভাবে গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহ সকলকে রীতিমতো বিপাকে ফেলেছে, অন্যদিকে করোনা ফের ব্যাট হাতে নেমে পড়েছে। আর শুধু নামাই নয়, ভালো পারফরম্যান্সের সঙ্গে ব্যাটিংটাও করতে শুরু করেছে। যার ফলে প্রতিদিন রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। নবান্ন (Nabanna) সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালে একরকম প্রস্তুতি নিয়ে ফেলা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও যেভাবে করোনা ফের ভাবাচ্ছে, তাতে সকলের কপালেই ভাঁজ পড়তে শুরু করেছে। একে গরম অসহনীয় হয়ে পড়েছে, তার সঙ্গে আবার নতুন করে মাস্ক আর স্যানিটাইজার বাধ্যতামূলক হতে চলেছে।

    করোনা নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তাই সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। সোমবার ওই বৈঠকে তিনি বলেছেন, ফের সবাইকে মাস্ক পরতে হবে এবং ভালো করে হাত ধুতে হবে। সরকারি অফিসে ও অন্যত্র নিয়মিত স্যানিটাইজ করতে হবে। নবান্ন (Nabanna) সূত্রে খবর, তিনি মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদীকে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করতে বলেছেন। বৈঠকে উপস্থিত মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, সবাই মাস্ক পরুন। হাত নিয়মিত স্যানিটাইজ করুন। পুরসভাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, তারা যেন নিয়মিত বাজার ও অন্যান্য জনবহুল এলাকায় স্যানিটাইজ করে। 

    হাসপাতালকে বলা হয়েছে প্রস্তুত থাকতে

    সারা দেশেই করোনা সংক্রমণ ফের বাড়ছে। তাই এই সতর্কতা। করোনা ঠেকাতে হাসপাতালগুলি প্রস্তুত কিনা, তা নিয়ে সম্প্রতি দেশ জুড়ে মক ড্রিল করা হয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর থেকেও সব হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। তাদের বলা হয়েছে, পরিকাঠামোর দিক থেকে কোনও খামতি যেন না থাকে। বিশেষত, অক্সিজেন যেন থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: আপাতত তিহাড়েই কেষ্ট! বাড়ল জেল হেফাজতের মেয়াদ, পরবর্তী শুনানি কবে?

    Anubrata Mondal: আপাতত তিহাড়েই কেষ্ট! বাড়ল জেল হেফাজতের মেয়াদ, পরবর্তী শুনানি কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজত অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)। পরবর্তী শুনানি রয়েছে ১ মে। দু’দফায় জেল হেফাজত শেষে সোমবার ফের অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে তোলা হয়। তৃণমূল নেতার হিসেব রক্ষক মণীশ কোঠারিকেও পেশ করা হয় আদালতে। এদিন বিচারক রঘুবীর সিং ফের দু’জনকেই জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। সাংবাদিকদের সামনে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি জানান, শরীর মোটেই ভাল নেই তাঁর। তাছাড়া প্রচণ্ড গরমে রীতিমতো কাহিল হয়ে পড়েছেন তিনি। যদিও তার পরও আদালতে স্বস্তি পেলেন না গোরু পাচার মামলায় ধৃত অনুব্রত মণ্ডল। ফলে আপাতত তিহাড়েই থাকতে হবে কেষ্টকে (Anubrata Mondal)।

    তিহাড়ে স্নানের জন্য পর্যাপ্ত জল মিলছে না বলে অভিযোগ কেষ্টর

    হুইল চেয়ারে করে সোমবার শুনানিতে পৌঁছন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের ফুল ছাপ টি-শার্ট। হুইল চেয়ারে করে এদিন তাঁকে হতাশ মুখে বেরোতে দেখা যায়। সাংবাদিকদের দেখে তিনি শুধু বলেন,’শরীর ভালো নেই।’ আদালতেও তিনি বিচারককেও সেই একই কথা বলেছেন। তাঁর শরীরের হালহকিকত বোঝার জন্য বিচারক রঘুবীর সিং অনুব্রতর মেডিক্যাল ফাইল আনতে বলেন।

    অন্যদিকে তিহাড় জেলে স্নানের জন্য পর্যাপ্ত জল পাচ্ছেন না বলেও তিনি অভিযোগ করেন এদিন। সূত্রের খবর, স্নানের জন্য বন্দিদের নির্দিষ্ট পরিমাণ জল ব্যবহারের অনুমতি দেয় তিহাড় জেল কর্তৃপক্ষ। ওই জলে একজন বন্দির দিনে একবার স্নান করা সম্ভব। তাপমাত্রার পারদ চড়তে থাকায় দিনে একাধিক বার স্নানের অনুমতি জানিয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। যা খারিজ করে দেওয়া হয়েছে বলে সূত্র মারফৎ খবর মিলেছে।

    চলতি মাসে ফের তলব অনুব্রত (Anubrata Mondal) কন্যাকে

    অন্যদিকে চলতি মাসেই অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যাকে ফের তলব করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ED। দিল্লিতে হাজিরা দেওয়ার জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছে তাঁকে। প্রসঙ্গত, এর আগে অনুব্রত কন্যাকে দু’বার তলব করেছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। কিন্তু দু’বারই হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি। ফের তলব করায় সুকন্যার উপর চাপ বাড়ল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মিড ডে মিলের চাল চুরি করতেই গরমের ছুটি ঘোষণা রাজ্যের! দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: মিড ডে মিলের চাল চুরি করতেই গরমের ছুটি ঘোষণা রাজ্যের! দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র তাপপ্রবাহের জেরে রাজ্যের স্কুলগুলিতে সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এর মধ্যে অন্য চক্রান্তের গন্ধ পাচ্ছে বিজেপি নেতৃত্ব। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) মতে, আসলে মিড ডে মিলের চাল চুরি করার জন্যই এই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের মতে, ছুটি কোনও সমাধান নয়, ক্ষতিকারক সংস্কৃতি।

    কী অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা?

    মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি মনে করেন, এই ঘোষণা আসলে মিড ডে মিলের চাল চুরি করার জন্যই করা হয়েছে। যেসব স্কুলে সকালে ক্লাস হয়, সেগুলিও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এদের টাকা কামানোর কোনও সীমা-পরিসীমা নেই। ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি ধরা পড়ার পরও তাই এরা থেমে থাকতে চায় না। আরও টাকা কামানোর লক্ষ্যেই এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এইভাবে পড়াশোনা বন্ধ করে দেওয়ার কোনও অর্থই হয় না। তাছাড়া বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবা যেতেই পারত। সকালে স্কুল খুলে পঠন-পাঠন চালু রাখা যেতেই পারত। আসলে এই সরকারের কাছে শিক্ষাটা বড় ব্যাপার নয়, বড় ব্যাপার হল দলের নেতা-কর্মীদের চুরির ব্যবস্থা করে কিছু পাইয়ে দেওয়া।

    ছুটি কোনও সমাধান নয়, বললেন সুকান্ত

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) মতোই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ট্যুইটবার্তায় বলেছেন, গরমের ছুটি যেন আরামের না হয়। বেসরকারি স্কুলে অনলাইন বা মর্নিং ক্লাস হলে সরকার পারবে না কেন? বাংলার আগামী প্রজন্মকে পিছিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত সফল হতে দেবেন না। ছাত্র-ছাত্রীদের বলব, বাড়িতে লেখাপড়া যেন বন্ধ না হয়। অভিভাবকরা নজর রাখুন, না হলে বড্ড ক্ষতি হয়ে যাবে। রাষ্ট্রবাদী শিক্ষকরা যতটা, যেভাবে সম্ভব পড়ুয়াদের পাশে থাকুন। ছুটি কোনও সমাধান নয়, ক্ষতিকারক সংস্কৃতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Same Sex Marriage: নাগরিকদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে! সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপত্তি জানাল কেন্দ্র

    Same Sex Marriage: নাগরিকদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে! সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপত্তি জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমলিঙ্গ বিবাহকে (Same Sex Marriage) স্বীকৃতি দিলে দেশের প্রতিটি নাগরিকের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, বলে মনে করে কেন্দ্র সরকার। সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্রীয় সরকারের যুক্তি, শহুরে অভিজাত শ্রেণির কিছু মানুষ সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা পেতে সমলিঙ্গ বিবাহকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন। 

    কেন্দ্রের অভিমত

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্রের দাখিল করা হলফনামায় আরও জানানো হয়েছে যে, বিয়ে এমন একটা বিষয় যে তার সঙ্গে গ্রামীণ, আধা গ্রামীন এবং শহরের মানসিকতা ভিন্ন ভিন্ন। দেশে বিয়ে নিয়ে ভিন্ন ধর্মের ভিন্ন আইনও রয়েছে। সেখানে এই ধরনের বিয়ের কোনও স্থান ও স্বীকৃতি নেই। আদালত এই বিয়েকে আইনি স্বীকৃতি দিলে প্রচলিত আইনগুলি ধাক্কা খাবে। গোটা বিষয়টি দেশের ক্ষতিসাধন করবে। তাই সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ তাঁরা যেন এই বিষয়টি সংসদের হাতেই ছেড়ে দেয়। আদালত এই নিয়ে যেন কোনও সিদ্ধান্ত না নেয়। সমলিঙ্গের (Same Sex Marriage) মানুষদের অধিকার, সম্পর্কের স্বীকৃতি, সেই স্বীকৃতির আইনি অধিকার এই সব কিছু দেখা ও তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একমাত্র দেশের সংসদের। সংবিধানের সপ্তম তপশিলের ৩ নম্বর তালিকার পঞ্চম স্থানে এই বিষয়ে সংসদকে পূর্ণ অধিকার দেওয়া আছে। সুপ্রিম কোর্ট সেই ধারাও লঙ্ঘণ করছে। সমলিঙ্গের বিয়ের বৈধতা বা স্বীকৃতির দাবি কখনওই মৌলিক অধিকার হতে পারে না, বলে মত কেন্দ্রের।

    বিবাহ একটি ‘অসমকামী প্রতিষ্ঠান’

    বিবাহকে চরিত্রগত দিক থেকে একটি ‘অসমকামী প্রতিষ্ঠান’ বলেও উল্লেখ করেছে কেন্দ্র। তাদের যুক্তি ভিন্ন দুই লিঙ্গের মানুষের মধ্যে বিবাহই এ দেশ সামাজিক ভাবে স্বীকৃত। এর অন্যথা কাম্য নয়। সুপ্রিম কোর্টে আসা সমলিঙ্গের বিবাহ (Same Sex Marriage) নিয়ে একাধিক পিটিশনের নিরিখে বিরোধিতার রাস্তায় হেঁটে নিজের অবস্থান জানিয়েছে জমিয়ত- উলেমা-ই-হিন্দ-ও। একটি ইন্টারভেনশন আর্জিতে এই ধর্মীয় সংগঠন জানিয়েছে, সমলিঙ্গের বিবাহ পরিবারের ব্যবস্থাপনাকে হামলা করে। এটি পশ্চিমী সংস্কৃতির আমদানি বলেও উল্লেখ করে সংগঠন।

    সুপ্রিম কোর্টের অবস্থান

    প্রসঙ্গত, এর আগে, সুপ্রিম কোর্ট, ঐতিহাসিক রায়ে জানিয়েছে দেশে সমলিঙ্গের সম্পর্ক বৈধ। সেই সূত্র ধরেই এই বিবাহ যাতে মান্যতা পায়, সেই নিরিখেই আর্জি জমা পড়েছে। সমলিঙ্গ বিবাহকে স্বীকৃতি জানানোর দাবিতে শীর্ষ আদালতে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। সব মামলাগুলিকে একত্র করে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে মতামত জানাতে বলে সুপ্রিম কোর্ট। এই বিষয়ে আগেই নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়েছিল কেন্দ্র। সোমবারও তারা জানায়, এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত আইনবিভাগের, বিচারবিভাগের নয়। 

    আরও পড়ুন: মঙ্গলবার নিজাম প্যালেসে তলব! অভিষেককে নোটিস পাঠাল সিবিআই

    ইতিমধ্যেই এই মামলা শুনতে পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শীর্ষ আদালত। এই বেঞ্চে রয়েছেন দেশের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি এসকে কউল, বিচারপতি রবীন্দ্র ভাট, বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি পিএস নরসীমহা। আগামী কাল, মঙ্গলবার মামলাটি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: মঙ্গলবার নিজাম প্যালেসে তলব! অভিষেককে নোটিস পাঠাল সিবিআই

    Abhishek Banerjee: মঙ্গলবার নিজাম প্যালেসে তলব! অভিষেককে নোটিস পাঠাল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি মিললেও নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস ধরাল সিবিআই। আগামী কাল, মঙ্গলবার সকাল ১১টায় অভিষেককে নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। দরকারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) জেরা করা যেতে পারে বলে সম্প্রতি তাঁর পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সোমবার সকালে সুপ্রিম কোর্ট সেই নির্দেশের উপর অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে। তার পরেও সোমবার দুপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস ধরাল সিবিআই।

    কী রয়েছে নোটিসে

    কুন্তল ঘোষের চিঠি স‌ংক্রান্ত বিষয়ে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদককে(Abhishek Banerjee) জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। সিবিআই সূত্রের খবর, দুপুর দেড়টা নাগাদ ইমেল মারফত নোটিস পৌঁছয় অভিষেকের কাছে। শীর্ষ আদালতের (Supreme Court) নির্দেশেই সোমবারই স্বস্তি পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সম্প্রতি হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশনামায় উল্লেখ ছিল, কুন্তল ঘোষের চিঠির বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা যদি মনে করে, তাহলে অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। সেটিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন অভিষেক। এদিন শীর্ষ আদালত ওই মামলায় অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের উপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ (Interim Stay) দিয়েছে। শীর্ষ আদালতের তরফে জানানো হয়,  কুন্তলের চিঠির বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এখনই জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে না সিবিআই। মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ২৪ এপ্রিল।

    সুপ্রিম স্থগিতাদেশ নিয়ে সুকান্তের মত

    এখন প্রশ্ন উঠছে, সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে অভিষেককে (Abhishek Banerjee) নোটিস পাঠাল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। সূত্রের খবর, স্থগিতাদেশ থাকার পরেও এই নোটিসের কারণে আগামী কয়েকদিনের মধ্য়েই অভিষেকের আইনজীবীরা আদালত অবমাননার মামলা করতে চলেছেন। এ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘বড় বড় উকিলদের ধরে সুপ্রিম কোর্টে স্থগিতাদেশ পেয়েছেন তিনি। প্রচুর টাকাও খরচ করেছেন। আমাদের প্রশ্ন এখানেই… এই সামান্য সামান্য ব্যাপারে সিবিআই বা ইডি যদি প্রশ্ন করতে চায়, তাতে ভয়ের কী আছে? সাময়িকভাবে তিনি স্বস্তি পেয়েছেন, কিন্তু এই স্বস্তি চিরস্থায়ী নয়।’

    আরও পড়ুন: উদ্ধার বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের দ্বিতীয় মোবাইল, কীসের খোঁজে ফের তল্লাশি পুকুরে?

    কুন্তল-অভিষেকের কথায় মিল

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত তৃণমূলের বহিষ্কৃত যুবনেতা কুন্তল ঘোষ দীর্ঘ দিন ধরেই অভিযোগ করছেন যে, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা তাঁকে অভিষেকের নাম বলার জন্য চাপ দিচ্ছেন। জেল থেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে সে প্রসঙ্গে নিম্ন আদালতের বিচারককে চিঠিও লিখেছিলেন কুন্তল। গত বুধবার কুন্তলের অভিযোগের বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টে তুলেছিল ইডি। গত ২৯ মার্চ শহিদ মিনারের সভা থেকে অভিষেকও (Abhishek Banerjee) দাবি করেছিলেন, সারদা মামলায় হেফাজতে থাকার সময় মদন মিত্র এবং কুণাল ঘোষকে তাঁর নাম নিতে বলেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ঘটনাচক্রে, কুন্তলও তার পরে একই অভিযোগ করেন। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, ওই সভায় অভিষেকের মন্তব্যের সঙ্গে কুন্তলের চিঠির কোথায় সাযুজ্য রয়েছে, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। সেই প্রসঙ্গেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা বলেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Piyali Basak: বাইশে এভারেস্ট জয়ের পরে তেইশে অন্নপূর্ণার শৃঙ্গে বঙ্গতনয়া পিয়ালি, উচ্ছ্বসিত চন্দননগর

    Piyali Basak: বাইশে এভারেস্ট জয়ের পরে তেইশে অন্নপূর্ণার শৃঙ্গে বঙ্গতনয়া পিয়ালি, উচ্ছ্বসিত চন্দননগর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সকালে পৃথিবীর দশম উচ্চতম (৮,০৯১ মিটার) অন্নপূর্ণা শৃঙ্গে আরোহণ করেন চন্দননগরের পিয়ালি বসাক (Piyali Basak)। এলাকার মেয়ের এই কৃতিত্বে খুশি গোটা শহর। এভারেস্ট, ধৌলগিরির পর এবার তাঁর ঝুলিতে যুক্ত হল অন্নপূর্ণা। অক্সিজেন ছাড়াই অন্নপূর্ণা জয়ের আশা ছিল পিয়ালীর (Piyali Basak)। তবে জানা গেছে, আবহাওয়া প্রচণ্ড প্রতিকূল থাকায় সেটা সম্ভব হয়নি। সোমবার সকাল ৮.৫০ মিনিটে এই কৃতিত্বের অধিকারী হন তিনি। চলতি বছরের ৯ মার্চ অন্নপূর্ণা ও মাকালু পর্বত শৃঙ্গ জয় করার লক্ষে বেরিয়ে ছিলেন চন্দননগরের এভারেস্ট জয়ী পর্বত আরোহী পিয়ালী বসাক।

    বিগত রেকর্ড 

    ২০২১ সালে সপ্তম উচ্চতম শৃঙ্গ ধৌলগিরি জয় করেন তিনি। ২০১৯ সালে এভারেস্টের কাছাকাছি গিয়েও ফিরতে হয়েছিল তাকে খারাপ আবহাওয়ার জন্য। ২০২২ সালের ২২ মে অক্সিজেন ছাড়াই পৃথিবীর সর্বোচ্চ শিখরে ওঠেন পিয়ালী (Piyali Basak) এবং তার দুই দিন পরেই পৃথিবীর চতুর্থ উচ্চতম শৃঙ্গ লোৎসে জয় করেন। এবার সেই আরও এক আট হাজারী শৃঙ্গ জয় করলেন।

    কী বলছে পরিবার

    পিয়ালীর বোন তমালি বসাক জানান, নেপালের এজেন্সির থেকে খবর পেয়েছেন অক্সিজেন নিয়ে আজ সকালে অন্নপূর্ণা সামিট করেছেন পিয়ালী। বিনা অক্সিজেনে চেষ্টা করেছিলেন শৃঙ্গ জয়ের। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার জন্য তা সম্ভব হয়নি। যদিও বিশ্বের পঞ্চম ও দশম পর্বতশৃঙ্গ মাকালু ও অন্নপূর্ণা শৃঙ্গ বিনা অক্সিজেনে জয় করবে বলে মন বেঁধেছিলেন তিনি। কিন্তু খারাপ আবহাওয়া সে পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

    উল্লেখ্য, গত বছর ১১ জুন এভারেস্ট জয় করে করেছিলেন তিনি। তার দু’দিন পরই আবার লোৎসে জয় করেন তিনি। শৃঙ্গ জয় করার পর বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে তাঁকে চন্দননগরে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়াই পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গে পৌঁছন চন্দননগরের পিয়ালি (Piyali Basak)। যদিও তাঁর এই যাত্রাপথ একেবারেই সুগম ছিল না। একাধিক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাঁকে। এবারও চন্দননগর অপেক্ষায় রয়েছে তাদের পর্বত কন্যার ঘরে ফেরার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই-এর নজরে আরও ১২ তৃণমূল বিধায়ক! ট্যুইট করে তালিকা পেশ শুভেন্দুর

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই-এর নজরে আরও ১২ তৃণমূল বিধায়ক! ট্যুইট করে তালিকা পেশ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়ঞার তৃণমূল (TMC) বিধায়ক (MLA) জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jiban Krishna Saha) একা নন তাঁকে জেরা করে রাজ্যের আরও ১২জন তৃণমূল বিধায়কের নাম উঠে এসেছে যারা এই নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) জড়িত। সিবিআই সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ট্যুইট করে একটি তালিকাও পেশ করেন।

    শুভেন্দুর পেশ করা তালিকা

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ট্যুইট করেন, ‘ঠিক যেমন, মাননীয় কলকাতা হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে পশ্চিমবঙ্গে সরকারি চাকরির নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস কুমার সাহার ভূমিকা স্ক্যানারে রয়েছে, একইভাবে বেশ কয়েকজন তৃণমূল সাংসদ, মন্ত্রী ও বিধায়কদের বিরুদ্ধেও তদন্ত করা উচিত।’ এজন্য একটি তালিকাও পেশ করেন শুভেন্দু।

    শুভেন্দু আগেই  বলেছিলেন, ‘‘নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) তৃণমূলের ১০০ জন বিধায়ক এজেন্টের কাজ করেছে। অসংখ্য এমএলএ এজেন্টের কাজ করেছে। নিজের পরিবারের লোককে চাকরি দিয়েছে এবং চাকরি বেচেছে। মেধা চুরি হয়েছে। যে দিকে যাচ্ছে, আমার তো মনে হয়, বিধানসভাতে আগামী ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে তোলামুলের এমএলএ সংখ্যা ১০০-তে নেমে যাবে।’’ 

    সিবিআই-এর নজরে কারা

    সোমবার সকালেই নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। তবে, জীবনেই থেমে থাকছে না গ্রেফতারি পর্ব। রাজ্যের আরও ১২জন বিধায়ক এখন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরে। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, জীবনকে জিজ্ঞাসাবাদের সময়েই বেশ কিছু চাকুরীপ্রার্থী, এজেন্ট, মিডলম্যানদের জেরাতেও এই সব বিধায়কের নাম উঠে এসেছে। মনে করা হচ্ছে এই ১২জন বিধায়ককে খুব শীঘ্রই জেরা করতে ডাকবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এমনকি এক্ষেত্রে জীবনের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। অর্থাৎ কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে হুট করে বাড়িতে গিয়ে হানাদারি এবং তারপর জেরা, পরিশেষে গ্রেফতারি। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগকাণ্ডে এপর্যন্ত গ্রেফতার ৩, ‘‘তৃণমূলের ১০০ বিধায়ক এজেন্টের কাজ করেছে’’! দাবি শুভেন্দুর

    জানা গিয়েছে যে ১২জন তৃণমূল বিধায়কের নাম এই ঘটনায় উঠে এসেছে তাঁদের মধ্যে কলকাতার ১জন, হাওড়ার ১জন, হুগলির ১জন, দুই ২৪ পরগনা জেলার ২ জন করে, পূর্ব বর্ধমান জেলার ২জন, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ১জন এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ২জন বিধায়ক রয়েছেন। প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC Scam) বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের আগে কেন্দ্রীয় এজেন্সির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন শাসকদলের আরও দুই বিধায়ক। গতবছরের ২৩ জুলাই, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূলের প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এরপর ১১ অক্টোবর, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি ও নদিয়ার পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করে ইডি। জীবনকৃষ্ণকে নিয়ে ইতিমধ্যে নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূলের তিনজন বিধায়ককে গ্রেফতার করা হল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bhatinda Military Station Firing: চার সহকর্মীকে গুলি করে হত্যা! ভাটিন্ডা সেনা ছাউনি কাণ্ডে গ্রেফতার জওয়ান

    Bhatinda Military Station Firing: চার সহকর্মীকে গুলি করে হত্যা! ভাটিন্ডা সেনা ছাউনি কাণ্ডে গ্রেফতার জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের ১২ তারিখ পঞ্জাবের ভাটিন্ডার সেনা ছাউনিতে (Bhatinda Military Station Firing) গোলন্দাজ বাহিনীর মেসে গুলি চলে। সেই ঘটনায় প্রাণ হারায় ৪ জওয়ান। ওই গুলিকাণ্ডে এক জওয়ানকে গ্রেফতার করল পঞ্জাব পুলিশ। প্রসঙ্গত, ১২ তারিখ ঘটনার পর সেনার তরফে মেজর পদমর্যাদার এক অফিসার স্থানীয় থানায় FIR দায়ের করেন। FIR-এ দু’জন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।

    ধৃত সেনা জওয়ানের নাম মোহন দেশাই

    পঞ্জাব পুলিশ সোমবার সেনা জওয়ানকে গ্রেফতার করার পরেই সাংবাদিক সম্মেলন করেন ভাটিন্ডার SSP গুলনীত সিং খুরানা। ধৃত সেনা জওয়ানের নাম মোহন দেশাই। ব্যক্তিগত আক্রোশের জেরে এই খুন বলে অনুমান তদন্তকারীদের। উল্লেখ্য, অভিযুক্তের হদিশ পেতে রবিবার ছাউনির চার জওয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

    গুলি কাণ্ডের পূর্ণ বিবরণ 

    ওই মেসে গুলি চলার পর সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তি মুখে মাস্ক বাঁধা অবস্থায় কুর্তা-পাজামা পরে সেনা ছাউনি (Bhatinda Military Station Firing) থেকে বেরিয়ে যান। এমনটাই দাবি সেনা অফিসারদের। দু’জনের মধ্যে একজনের কাছে একটি INSAS অ্যাসল্ট রাইফেল ও একটি কুড়ুল ছিল বলেও পুলিশকে জানায় ফৌজ। সেনার তরফে দায়ের করা FIR-এ আরও বলা হয়, ঘটনার পর সন্দেহভাজন ওই দু’জনকে ছাউনি সংলগ্ন জঙ্গলের দিকে চলে যেতে দেখা গিয়েছিল। উল্লেখ্য, ঘটনার পর থেকেই ভাটিন্ডা জুড়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ। ১২ তারিখের ঘটনায় সাগর বান্নে, যোগেশ কুমার জে, সন্তোষ এম নগরাল ও কমলেশ আর নামের চার জওয়ানের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে সাগর ও সন্তোষের বয়স ২৫। বাকি দু’জন ২৪ বছর বয়সী বলে জানিয়েছে সেনা। প্রাথমিক তদন্তে সেনার দাবি, ঘুমন্ত অবস্থায় এই চার জওয়ানের উপর গুলি চালানো হয়েছিল। একটি ঘরে সাগর ও যোগেশ এবং অপর ঘরে সন্তোষ ও কমলেশকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta-Mamata: ‘‘উত্তর প্রদেশে মাফিয়া খুন লজ্জার, আর বাংলায় হিন্দু খুন গর্বের?’’ মমতাকে ট্যুইট-খোঁচা সুকান্তর

    Sukanta-Mamata: ‘‘উত্তর প্রদেশে মাফিয়া খুন লজ্জার, আর বাংলায় হিন্দু খুন গর্বের?’’ মমতাকে ট্যুইট-খোঁচা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের কুখ্যাত গ্যাংস্টার আতিক আহমেদকে অতর্কিতে খুন করে দুষ্কৃতীরা। পুলিশের সামনে এই ঘটনা ঘটায় উত্তরপ্রদেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়ে ট্যুইট করেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Mamata Banerjee)। মমতার সেই ট্যুইটকে কটাক্ষ করে পাল্টা ট্যুইট করলেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder)। ট্যুইট বার্তায় সুকান্ত লিখেছেন, যদি উত্তর প্রদেশে মাফিয়াদের খুন করা হয় তবে এটা আপনার কাছে লজ্জার। পশ্চিমবঙ্গে রোজ হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে। সেটা আপনার কাছে গর্বের। এটাই প্রমাণ করছে কোনটা আপনার অগ্রাধিকার ও কোনটা আপনার হিপোক্রেশি। 

    কোন ঘটনায় ট্যুইট

    উত্তরপ্রদেশে দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হয় গ্যাংস্টার থেকে রাজনৈতিক নেতা হয়ে ওঠে আতিক আহমেদের। তার ছেলে আসাদকে সম্প্রতি এনকাউন্টারে মেরেছিল পুলিশ। শনিবার ছিল আসাদের শেষকৃত্যের দিন। সেদিন মেডিক্যাল টেস্ট করার জন্য নিয়ে আসা হচ্ছিল আতিককে। চারদিকে পুলিশের ঘেরাটোপের মধ্যেই আচমকা আতিকের মাথা লক্ষ্য করে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সেই ভয়াবহ ঘটনার ছবি। ঘটনাস্থলেই দুষ্কৃতীরা ধরা পড়লেও প্রশ্ন উঠেছে যোগী-রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে।

    আরও পড়ুন: নিয়োগকাণ্ডে এপর্যন্ত গ্রেফতার ৩, ‘‘তৃণমূলের ১০০ বিধায়ক এজেন্টের কাজ করেছে’’! দাবি শুভেন্দুর

    দুই পক্ষের ট্যুইট-যুদ্ধ

    বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ট্যুইট করে লিখেছিলেন,’আমি এই নৈরাজ্য দেখে আঘাত পেয়েছি। উত্তর প্রদেশে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরো ভেঙে পড়েছে। এই ধরনের বেআইনী কাজের কোনও জায়গা আমাদের সাংবিধানিক গণতন্ত্রে নেই।’ এরপরই অবশ্য মমতাকে উদ্দেশ্য করে পাল্টা ট্যুইট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর প্রশ্ন, পশ্চিমবঙ্গের নৈরাজ্য় ও আইন শৃঙ্খলার অবনতি দেখে আপনি কবে স্তম্ভিত হবেন? এবার মমতার ট্যুইটকে তুলে ধরে পালটা ট্যুইট করলেন সুকান্ত মজুমদার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Health Card: স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে মিলছে না পরিষেবা! নতুন কার্ড করতেও অনীহা, কোথায় জানেন?

    Health Card: স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে মিলছে না পরিষেবা! নতুন কার্ড করতেও অনীহা, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্যসাথী কার্ড (Health Card) ফিরিয়ে দিচ্ছে নার্সিংহোম। এই প্রকল্প চালু হওয়ার পর থেকেই এমনই অভিযোগ। স্বাস্থ্যসাথী (Health Card) কার্ড নার্সিংহোমগুলি না নেওয়ার কারণেই কী সাধারণ মানুষ আর এই কার্ড করতে চাইছেন না? সদ্য সমাপ্ত ১০ দিনের দুয়ারে সরকার শিবিরে দার্জিলিং জেলায় স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের জন্য আবেদন কম পড়ায় এই প্রশ্ন জোরালো হয়ে উঠেছে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে মানুষ আর প্রতারিত হতে চাইছেন না বলেই কী আর নতুন করে কেউ আবেদন করছেন না?

    কী বলছেন স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের (Health Card) উপভোক্তারা?

    সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের (Health Card)  সুবিধা পাচ্ছেন না গরিব মানুষ। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে চিকিৎসার সুবিধা না পাওয়ারও অনেক অভিযোগ রয়েছে। মেডিক্যাল মোড়ের বাসিন্দা বিজয় ছেত্রীর পা ভেঙেছিল। সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর পায়ে অস্ত্রোপচার হয়। তার মা মীনা ছেত্রী বলেন, আমরা গরিব। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নেয়নি। ধারদেনা করে ৩৩ হাজার টাকা দিয়ে বাইরে থেকে প্লেট, স্ক্রু কিনে দেওয়ার পর আমার ছেলের অস্ত্রোপচার হয়। বাগডোগরার আমির ওরাওঁয়েরও একই অভিযোগ। তিনি বলেন, আমার বাবার স্পাইনালকর্ডে অস্ত্রোপচার হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে না নেওয়ায় বাইরে থেকে ৫৮ হাজার টাকার প্লেট, স্ক্রু সহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনে দিতে হয়েছে আমাকে। কার্ডে কোনও পরিষেবা মেলেনি।

    খোদ সরকারি হাসপাতালেও কেন মিলছে না এই কার্ডের (Health Card) সুবিধা ?

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, যে ওষুধের দোকান এবং এজেন্সির মাধ্যমে আমরা স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সুবিধা গরিব মানুষকে দিতাম তাদের প্রচুর টাকা বকেয়া পড়ে রয়েছে। তাই, সেই এজেন্সি এবং ফার্মাসি আমাদের আর ওষুধ দিচ্ছে না। এ কারণেই স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সুবিধা আমরা দিতে পারছি না। নার্সিংহোমগুলিরও একই বক্তব্য।

    টক টু মেয়র ফোন ইন অনুষ্ঠানেও স্বাস্থ্যসাথী কার্ড (Health Card)  নিয়ে কী অভিযোগ করা হল মেয়রকে?

    প্রতি শনিবার টক টু মেয়র ফোন ইন অনুষ্ঠান হয়। আর সেই অনুষ্ঠানে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবকেও স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে এমন অভিযোগ প্রায়শই শুনতে হচ্ছে। ১৫ এপ্রিল শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের গৃহবধূ পায়েল দে মেয়র গৌতম দেবকে ফোনে জানান, মাটিগাড়ার একটি নার্সিংহোমে তাঁর স্বামীর হৃদরোগের ব্যয়বহুল চিকিৎসা চলছে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিচ্ছে না নার্সিংহোম।

    কী বললেন জেলাশাসক?

    দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক এস পন্নমবালম বলেন, পয়লা এপ্রিল থেকে দার্জিলিং জেলায় ১০ দিনের দুয়ারে সরকার শিবিরে প্রথম ন’দিনে মোট প্রায় ৬৫ হাজারের কিছু বেশি আবেদন জমা পড়েছে। তারমধ্যে মাত্র ১০ হাজারের কিছু বেশি স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের আবেদন জমা পড়েছে। গতবারের তুলনায় এই সংখ্যাটা অনেকটাই কম।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিধায়ক আনন্দময় বর্মন বলেন, রাজনৈতিক কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প এরাজ্য গ্রহণ করেনি। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প চালু করলেও রাজ্য সরকারের চরম আর্থিক সঙ্কটের কারণে সেই টাকা দিতে পারছেন না। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড (Health Card) নিয়ে মানুষ চিকিৎসা করাতে গিয়ে প্রতারিত হচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী টাকার জন্য কেন্দ্রের কাছে দরবার করেন, ধর্নায় বসেন। তাহলে গরিব মানুষকে আয়ুষ্মান ভারত কার্ডে বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ থেকে কেন বঞ্চিত করছেন? মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন সাধারণ ও গরিব মানুষকে কেন্দ্রর প্রাপ্য সুবিধা থেকে আর বঞ্চিত করবেন না। আয়ুষ্মান ভারত কার্ডে গরিব মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ নিতে দিন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব

    তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ বলেন, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড (Health Card) নার্সিংহোম ফিরিয়ে দিচ্ছে এমন অভিযোগ আমরা পেয়েছি। শিলিগুড়ি শহর সহ জেলার বেশকিছু নার্সিংহোম স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড গ্রহণ করছে না। আমাদের সঙ্গে যেসব মানুষ যোগাযোগ করেন তাদের সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নিই। কিন্তু, তারজন্য এবারের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে আবেদনপত্র কম জমা পড়েছে এটা ঠিক নয়। আসলে সকলেরই প্রায় স্বাস্থ্যসাথী কার্ড (Health Card) হয়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share