Blog

  • Tiljala Murder Case: তিলজলায় শিশুকন্যাকে যৌন নির্যাতন করে খুনের ঘটনায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় শিশুসুরক্ষা কমিশন

    Tiljala Murder Case: তিলজলায় শিশুকন্যাকে যৌন নির্যাতন করে খুনের ঘটনায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় শিশুসুরক্ষা কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলজলায় (Tiljala murder case) সাত বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতন করে খুনের ঘটনায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় শিশুসুরক্ষা কমিশন। সোমবার রাতে কেন্দ্রীয় শিশুসুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো ট্যুইট করে একথা জানান। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, ‘‘কলকাতায় সাত বছরের শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় কমিশন উদ্বিগ্ন। ওই রাজ্যের ডিজিপি এবং মুখ্যসচিবের কাছে আমরা নোটিস পাঠাচ্ছি। আমাদের একটি প্রতিনিধি দল এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ জানবেন।’’

    কেন্দ্রীয় শিশুসুরক্ষা কমিশনের নোটিস

    মঙ্গলবার রাজ্যকে পাঠানো কমিশনের ওই নোটিসে বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিলজলার (Tiljala murder case) ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। শুধু রিপোর্ট তলবই নয় কলকাতায় টিম পাঠানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটস (NCPCR)। সূত্রের খবর, আগামী ৩১শে মার্চ কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো নিজেই আসছেন কলকাতা। মৃত শিশুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। কথা বলবেন রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গেও। তিলজলা ছাড়াও মালদায় স্কুলে শিশু নিগ্রহের ঘটনায় প্রতিনিধিদল পাঠানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিপিসিআর।

    অগ্নিগর্ভ এলাকা

    তিলজলায় (Tiljala murder case) শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ওই শিশুটি রবিবার সকালে আবাসনের নীচে আবর্জনা ফেলতে গিয়েছিল। সেই সময় তাকে দোতলার ফ্ল্যাটে টেনে নিয়ে যান প্রতিবেশী যুবক অলোক কুমার। শিশুর হাত, পা, মুখ বেঁধে তার উপর অত্যাচার চালানো হয়। তার পর শিশুটিকে খুন করেন অলোক। রবিবার সন্ধ্যায় ওই ফ্ল্যাট থেকে নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার করা হয়। এর পরেই এলাকা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। 

    আরও পড়ুন: সন্তান পেতে তান্ত্রিকের নির্দেশে ‘শিশু-বলি’! নাবালিকা হত্যাকাণ্ডের জেরে ধুন্ধুমার তিলজলায়

    স্থানীয় সূত্রে খবর, শিশুকন্যা খুনে পুলিশ প্রথমে নিষ্ক্রিয় ছিল। তাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে তিলজলা (Tiljala murder case), পার্ক সার্কাস, বন্ডেল রোড, পিকনিক গার্ডেন এবং তপসিয়ার একাংশ। সকাল থেকে শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। থানায় সে খবরটি জানানোও হয়। তারপরও পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করেনি। অনেক পরে তল্লাশি শুরু করে। তিলজলাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে সোমবার পার্ক সার্কাসে রেল অবরোধ করা হয়। স্থানীয়েরা বিক্ষোভ দেখান এবং পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেন। সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া এবং পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তারপর রাতভর তল্লাশি চালিয়ে এলাকা থেকেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: শহিদ মিনারেই অভিষেকের সভা, কী কী শর্ত দিল কলকাতা হাইকোর্ট?

    Abhishek Banerjee: শহিদ মিনারেই অভিষেকের সভা, কী কী শর্ত দিল কলকাতা হাইকোর্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার ধর্মতলার শহিদ মিনারেই হবে তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সভা। মঙ্গলবার এ ব্যাপারে অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এদিন দুপুরে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে শুনানি হয় এই মামলার। সেখানেই শর্তসাপেক্ষে মেলে অনুমতি। বিচারপতি মান্থা বলেন, আদালত প্রত্যাশা করে তৃণমূল ছাত্র-যুবর তরফে কোনও রকম অশান্তিতে উসকানি দেওয়া হবে না। যদি তা করা হয়, তাহলে তার ফল ভাল হবে না। কলকাতা পুলিশের উদ্দেশে বিচারপতি মান্থার মন্তব্য, ভবিষ্যতে যাতে এই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না হয়, পুলিশ কমিশনারকে সে দিকে নজর রাখতে হবে। একই জায়গায় দুটি কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া যাবে না। শহরে আরও অনেক জায়গা রয়েছে। সামলাতে পারলে রেড রোডে অনুমতি দিয়ে দিন। তাতে তো আরও প্রচার পাবে।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সভায় শর্ত…

    এদিন আদালত যে পাঁচটি শর্ত আরোপ করেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সভার ওপর, সেগুলি হল, সভা এলাকার প্রবেশদ্বার ও বাহিরদ্বার-সহ সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে মুড়ে ফেলতে হবে। করতে হবে ভিডিওগ্রাফি। সভায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে পুলিশকে। যেখানে ডিএ আন্দোলনকারীদের অবস্থান, সেই এলাকায় দ্বিস্তরীয় ব্যারিকেড থাকবে। বাঁশের পাশাপাশি টিন দিয়েও ব্যারিকেড করতে হবে। আন্দোলনকারীদের যাতে কেউ বিরক্ত না করে, তা নিশ্চিত করতে হবে। অভিষেকের ওই সভা থেকে উসকানিমূলক কোনও বক্তব্য পেশ করা যাবে না। গোটা কর্মসূচি পালন করতে হবে শান্তিপূর্ণভাবে। সব পক্ষকেই শান্তি বজায় রাখতে হবে। সভা হয়ে গেলে ব্যারিকেড খুলে ফেলতে হবে। সভাস্থল পরিষ্কার করে দিতে হবে।

    আরও পড়ুুন: নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    বিচারপতি বলেন, শর্ত মেনে সভা করার জন্য ব্যক্তিগতভাবে দায়বদ্ধ থাকবে কলকাতার যুগ্ম কমিশনার। শহরে আর কোনও জায়গা নেই সভার করার? কেন পুলিশ এমন আশঙ্কা আঁচ করেও অনুমতি দিল। পুলিশের আমন্ত্রিত সমস্যা এটা। পর্যবেক্ষণ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। তিনি বলেন, অন্যত্র কি এই সভা করা যায় না। ঘটনা ঘটলে নিয়ন্ত্রণ করার কি দরকার? আগে থেকেই তো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। অযথা সমস্যা তৈরি করার কি দরকার? গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রত্যেকের সভা, মিছিল করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু মামলাকারীদের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না, মন্তব্য বিচারপতির।

    প্রসঙ্গত, ডিএর (DA) দাবিতে শহিদ মিনার চত্বরে ৪২টি সংগঠনের যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের আন্দোলন মঙ্গলবার পড়ল ৬১ দিনে। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে বুধবার অভিনব অনশন কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা করেছেন আন্দোলনকারীরা। পালন করা হবে কর্মবিরতিও। ৩০ মার্চ যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের তরফে মহা সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। বুধবার শহিদ মিনার চত্বরে সভা রয়েছে অভিষেকের। অশান্তির আশঙ্কায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। সেই মামলার শুনানিতেই শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেওয়া হল অভিষেকের সভার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Juice Shop: “জবলেশ জুসওয়ালা”-ভাইরাল নেট দুনিয়ায়! জানেন কী শরবতের এই দোকান গড়ে ওঠার কাহিনী?

    Juice Shop: “জবলেশ জুসওয়ালা”-ভাইরাল নেট দুনিয়ায়! জানেন কী শরবতের এই দোকান গড়ে ওঠার কাহিনী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ মনের মধ্যে অদম্য জেদ আর নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক থাকলে কোনও বাধা চলার পথকে থামিয়ে রাখতে পারে না। আর সে কথা প্রমাণ করেছেন বর্ধমান শহরের দুই যুবক অভিজিৎ গুহ এবং তাঁর বন্ধু অপু সরকার। তাঁরা দুজনে মিলেই বর্ধমান পুলিশ লাইনের কাছে ঘোড়দৌড়চট্টিতে রাস্তার ধারে খুলে ফেললেন একটি শরবতের দোকান (Juice Shop)। আর দোকানের নাম রাখলেন “জবলেশ জুসওয়ালা”। এম বি এ চায়েওয়ালার মতো তাঁদের দোকানের নামের জাদুতেই নজর কাড়বে সকলের। অল্প সময়ের মধ্যেই দুই বন্ধুর অক্লান্ত পরিশ্রমে বর্ধমান শহরে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই দোকান (Juice Shop)। গরম পড়তেই শরবতের চাহিদা এখন তুঙ্গে। রাজ্যে চাকরির অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে সাধারণ যুবকরা অসহায়, সেখানে এধরনের উদ্যোগে প্রশংসায় মেতেছেন শহরবাসী থেকে নেট জগত্। শহর জুড়ে ভাইরাল হয়েছে তাঁদের এই শরবতের দোকান (Juice Shop)। তাঁদের দুজনের এই সাহসিকতাকে কুর্ণিশ জানিয়েছেন সকলে।

    “জবলেশ জুসওয়ালা”- দোকানের নামকরণ এরকম কেন ? Juice Shop

    প্রায় ১৪ বছর ধরে দু’জনেই বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেছেন। কিন্তু, মাসখানেক আগে তাঁদের সংস্থা ছাঁটাই শুরু করে। চাকরি যায় দুজনের। সদ্য বেসরকারি সংস্থায় চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়া দুই কর্মী অভিজিৎ গুহ এবং তাঁর বন্ধু অপু সরকার নতুন করে আর বেসরকারি সংস্থায় চাকরি খোঁজ করেননি। কারণ, সারা মাস হাড় ভাঙা পরিশ্রম করার পর যা বেতন পেতেন তাতেও মাসের শেষে টানাটানি চলত। তবুও, দাঁতে দাঁত চেপে তাঁরা মুখ বুঝে সংস্থায় কাজ করে গিয়েছেন। সংস্থার শ্রীবৃদ্ধির জন্য তাঁরা চেষ্টা করেছেন। বিনিময়ে আচমকা বরখাস্ত হওয়ার জ্বালা তাঁরা মেনে নিতে পারেননি। দুই বন্ধু অভিজিৎ গুহ এবং অপু সরকার বলেন, গত ১৪ বছর ধরে বেসরকারি সংস্থার জন্য শ্রম দিয়েছি। এবার ব্যবসা করে নিজেদের জন্য শ্রম দেব। আমাদের বিশ্বাস, আমাদের পরিশ্রম বিফলে যাবে না। আর চাকরি হারিয়ে ব্যবসা শুরু করেছি বলেই তালমিলিয়ে দোকানের (Juice Shop) নামকরণ করেছি। আগামিদিনে এই দোকানকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    শরবতের দোকানে কী কী পাওয়া যায়? Juice Shop

    নতুন তৈরি এই শরবতের দোকানে (Juice Shop) গেলেই মিলবে, মোজিতো, মশালা সোডা, মশালা কোল্ড ড্রিঙ্কস, ম্যাঙ্গো জুস সহ নিত্যনতুন জুসের আইটেম। দামও রয়েছে ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে। এক ঝলকে জেনে নিন, শরবতের বিভিন্ন আইটেমের দাম কত? যেমন, মোজিতো জুসের দাম ৪০ টাকা, ম্যাঙ্গো জুস ও মশালা সোডা ৩০ টাকার মধ্যে রাখা হয়েছে। সপ্তাহের প্রতিদিনই দোকান খোলা থাকে। সকাল ৯ টা থেকে রাত্রি ৯ টা পর্যন্ত দুই বন্ধু হাতে হাত মিলিয়ে শরবতের দোকান (Juice Shop) এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nisith Pramanik: নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Nisith Pramanik: নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনহাটায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের (Nisith Pramanik) কনভয়ে হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ রায় দিয়েছে, নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে এই ঘটনার তদন্ত করবে সিবিআই। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “আদালত যাবতীয় অভিযোগ খতিয়ে দেখেছে। নথিপত্র খতিয়ে দেখে আদালত মনে করছে, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের জন্য সিবিআইকে দায়িত্ব দেওয়া উচিত।” ঘটনার পিছনে কোনও গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে বলে জানিয়েছে আদালত।

    কী ঘটেছিল

    গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কোচবিহারের দিনহাটায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ডেপুটি নিশীথের কনভয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। বিজেপির অভিযোগ, বোমা, গুলি এবং পাথর ছুড়ে হামলা চালানো হয়। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ওই দিন দিনহাটায় গিয়েছিলেন নিশীথ। বুড়িরগ্রামের কাছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের (Nisith Pramanik) কনভয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। এই পুরো ঘটনায় তৃণমূলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছিল বিজেপি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন নিশীথ প্রামাণিক। এমনকী, ঘটনায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেছিলেন তিনি। অন্য দিকে, পুরো ঘটনার দায় নিশীথের ঘাড়েই চাপিয়েছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ।

    বিজেপির দাবি

    উল্লেখ্য, বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের (Nisith Pramanik) কনভয়ের হামলার ঘটনা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতার দাবি ছিল, ঘটনার সিবিআই তদন্ত করানো হোক। আদালতের কাছে তিনি আবেদন করেছিলেন, একজন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর গাড়িতে যদি এভাবে আক্রমণ হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে? সেই যুক্তিতে সিবিআই-এর আবেদন জানানো হয়েছিল। কারণ, মামলাকারীর বক্তব্য ছিল, রাজ্য পুলিশ যদি তদন্ত করে, তাহলে সঠিকভাবে কারা অভিযুক্ত তা বোঝা যাবে না।

    সিবিআই তদন্তের নির্দেশ

    ঘটনা নিয়ে (Nisith Pramanik) সরব হন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও। হামলার ঘটনাকে ‘শোচনীয়’ আখ্যা দিয়ে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজ্যপাল। এর পরেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল বিজেপি। তাদের তরফে আইনজীবী সূর্যনীল দাস প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বিচারপতি শ্রীবাস্তবের বেঞ্চ সেই মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছিলেন। এদিন সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল আদালত।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভাইপো গুঁতো দিচ্ছে, পিসি উপরে না উঠতে পারলে…’’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    এই বিষয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হচ্ছে, জায়গায় জায়গায় বোমা-বন্দুক পাওয়া যাচ্ছে। তারপর যদি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও সুরক্ষিত না থাকেন, তাহলে তো ধরে নিতে হবে আফগানিস্তানের থেকেও খারাপ অবস্থা। স্বাভাবিকভাবেই এটির সমাধান হওয়া উচিত এবং আদালত এটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। আশা করি রাজ্য সরকারও এবার থেকে সাবধান থাকবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: ‘‘আমরা হলাম ছোট চোর, ইনি বড়’’! দুই ছিঁচকের বিদ্রুপে অতিষ্ট পার্থ, জানালেন নালিশ

    Partha Chatterjee: ‘‘আমরা হলাম ছোট চোর, ইনি বড়’’! দুই ছিঁচকের বিদ্রুপে অতিষ্ট পার্থ, জানালেন নালিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেখ আমরা হলাম ছোট চোর আর ইনি বড়ো চোর! দুই ছিঁচকে চোরের এমন বিদ্রুপে রেগে লাল প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। গত ফেব্রুয়ারিতেই তাঁকে ‘মোটা টুকি’ বলে বিদ্রুপ করার অভিযোগ উঠেছিল দুই ছিঁচকে চোরের বিরুদ্ধে। ফের আবার তাঁকে জেলের ভিতর উত্যক্ত করা শুরু করেছে ছোটখাটো চোরেরা। এমনকী এই অভিযোগও উঠেছিল যে পার্থর দিকে মলভর্তি মগ ছুড়ে মেরেছিল জঙ্গি মুসা। আর এবার ফের তাঁকে লক্ষ্য করে টিপ্পনি কাটল ছিঁচকে চোরের দল। অভিযোগ, পার্থকে ‘বড় চোর’, ‘চাকরি চোর’ বলে কটাক্ষ করা হয়েছে।

    জেলের ভিতরে বাইরে কটাক্ষ শুনে যাচ্ছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী

    জেল কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁকে ঘিরে এহেন অত্যাচার দ্রুত বন্ধ করার আর্জি জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে শুধু কটাক্ষই শুনতে হচ্ছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। আদালতের এজলাসে ইডি অথবা সিবিআইয়ের কটাক্ষ, আদালতের বাইরে সাধারণ মানুষের চোর চোর স্লোগান তো রয়েছেই। এবার জেলের ভিতরেও যেন ব্যঙ্গবিদ্রুপ তাঁর নিত্যসঙ্গী হয়ে যাচ্ছে। যা নিয়ে রীতিমতো অতিষ্ঠ পার্থ (Partha Chatterjee)। যদিও বিষয়টি নিয়ে জেল কর্তৃপক্ষ কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।

    প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে এবার থেকে পাহারা দেবে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী যতীন

    জেল সূত্রে খবর, বাঁশদ্রোণীর এক কুখ্যাত আসামী এবার থেকে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর (Partha Chatterjee) সেলের সামনে পাহারা দেবে। ছিঁচকে চোরদের উপদ্রব ঠেকাবে। সূত্রের খবর, যতীনের সঙ্গে তার এক আত্মীয় কয়েকদিন আগেই দেখা করতে জেলে এসেছিল। সেসময় যতীন তাকে নিজের মুখেই বলেছে একথা।

    কয়েকদিন আগেই ইডি বলেছিল উনি হলেন দুর্নীতির মাস্টার 

    দিনকয়েক আগেই আদালতে পার্থকে (Partha Chatterjee) উদ্দেশ্য করে ইডি বলেছিল, “উনি হচ্ছেন দুর্নীতির মাস্টার। আর কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়রা ছাত্র।” এবার আদালতে ইডির পাশাপাশি জেলেও অন্যান্য চোরদের কাছে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের শিকার হতে হচ্ছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। জানা গেছে, গত সপ্তাহেই পার্থকে ‘বড় চোর’ বলে ডেকে খেপিয়ে দেয় দুই ছিঁচকে। শুধু তাই নয়, ওঁর সেলের সামনে গিয়ে ‘চাকরি চোর’ বলেও ডাকা হয়। যদিও এই ঘটনায় সেইসময় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী কিছুই বলেননি বলে খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদি নন, আজ শাহি দরবারে বাংলার বিজেপি সাংসদরা, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে হবে কথা?

    PM Modi: মোদি নন, আজ শাহি দরবারে বাংলার বিজেপি সাংসদরা, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে হবে কথা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল বাংলার বিজেপি (BJP) সাংসদদের। সেই মতো দিল্লি গিয়েছেন তাঁরা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে দিল্লি গিয়েছেন বিজেপি সাংসদরা। তবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এদিন বাংলার সাংসদদের ওই বৈঠক হচ্ছে না। তবে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক বাতিল হওয়ার পরেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বাংলার বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মঙ্গলবার রাত ৯টায় শাহি সাক্ষাৎ হতে পারে বিজেপির বঙ্গ সাংসদদের। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বিশেষ কারণেই মঙ্গলবার রাতে বাংলার সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারছেন না প্রধানমন্ত্রী।

    নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)…

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন, বাংলার সাংসদরা বারবার বলছিলেন তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান। আমাদের প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার সময় দিয়েছেন। আমরা তাঁর সামনে জবকার্ডের দুর্নীতি, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, সড়ক যোজনার দুর্নীতির বিষয় সহ নানা বিষয় বিশদে তুলে ধরব।

    দোরগোড়ায় রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। বছর ঘুরলেই রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তৃতীয়বার মোদির নেতৃত্বে সরকার গড়তে ইতিমধ্যেই নানা পরিকল্পনা করেছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা। সেই মতো পদক্ষেপও করছেন তাঁরা। বিভিন্ন লোকসভার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের। মোদিকে (PM Modi) মুখ করে কেন্দ্রীয় সরকারের জনমুখী বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েও জোর কদমে প্রচারে নামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে। বুথস্তরের সংগঠন কীভাবে সাজাতে হবে, তারও দিশা দিয়েছেন পদ্ম শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এসব নিয়েই আলোচনা হওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে। তবে শাহের সঙ্গে বৈঠক হবে স্থির হওয়ায় এগুলো নিয়েই আলোচনা হতে পারে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের রণনীতি নিয়েও হতে পারে আলোচনা।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভাইপো গুঁতো দিচ্ছে, পিসি উপরে না উঠতে পারলে…’’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    প্রসঙ্গত, সোমবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে নানা বিষয়ে আলোচনা হয় দুজনের। রাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার আশঙ্কা নিয়েও আলোচনা হয় শাহ-শুভেন্দু বৈঠকে। এদিকে, ২৯ মার্চ বুধবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ধর্নায় বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই দিনে পাল্টা ধর্নায় বসতে চলেছে রাজ্য বিজেপিও। শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে ধর্নায় বসবে পদ্ম শিবির। ধর্নায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা সুকান্ত ও শুভেন্দুর। তাই শাহের সঙ্গে বৈঠক শেষে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কলকাতায় ফিরে আসবেন বিজেপি সাংসদরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid: চোখরাঙানি করোনার নতুন প্রজাতি এক্সবিবি.১.১৬-এর, দেশে কি ফের মাস্কযুগ ফিরছে?  

    Covid: চোখরাঙানি করোনার নতুন প্রজাতি এক্সবিবি.১.১৬-এর, দেশে কি ফের মাস্কযুগ ফিরছে?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের চোখ রাঙানি করোনার (covid)। মাথাচাড়া দিয়ে সোমবার দৈনিক আক্রান্ত ২ হাজারে ঠেকেছে। করোনার পজিটিভিটি রেট বা সংক্রমণের হারও ফের বেড়েছে। করোনার এই নতুন প্রজাতির নাম XBB.1.16. করোনা মোকাবিলায় ফের কিছু পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক হয় নীতি আয়োগের। সেই বৈঠকে কোভিড ঠেকাতে রাজ্যগুলিকে গাইডলাইন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কী জানালেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব

    স্কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ জানিয়েছেন, করোনা মোকাবিলায় রাজ্যগুলির স্বাস্থ্য পরিকাঠামো এখন কেমন আছে তা খতিয়ে দেখা হবে। বাংলা সহ রাজ্যে রাজ্যে শুরু হবে মকড্রিল। ফের টিকাকরণে জোর দেওয়া হবে। কোভিড টেস্ট, আরটি-পিসিআর টেস্ট শুরু হবে। এলাকা ভিত্তিক সংক্রমণের হার কত তা খতিয়ে দেখা হবে। আগামী ১০ ও ১১ এপ্রিল কোভিড হাসপাতালগুলির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে দেশজুড়ে মহড়া চলবে বলে জানানো হয়েছে।

    নতুন ভ্যারিয়েন্টের প্রকোপ দেশের ১১টি রাজ্যে সবথেকে বেশি

    জানা গিয়েছে নতুন এই ভ্যারিয়েন্টের প্রকোপ দেশের ১১টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পাওয়া গিয়েছে। সরকারি তথ্য অনুসারে, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটে করোনার এই রূপের সর্বাধিক সংখ্যক নমুনা পাওয়া গেছে। ১৬৪ টি নমুনার মধ্যে ১৬৪ টিই  XBB.1.16  ভ্যারিয়েন্টের।

    ফের কী ফিরছে মাস্ক যুগ

    কোন রাজ্যে আক্রান্তের হার কেমন তা খতিয়ে দেখার জন্য পাঠানো হবে বিশেষজ্ঞের দল। কারও শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ আরটি-পিসিআর টেস্ট করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট পজিটিভ এলে সেই নমুনা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হবে। ফের নতুন কোনও প্রজাতির উপদ্রপ হয়েছে কি না, সেটা জানা জরুরি বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি ভ্যাকসিনেশন প্রক্রিয়ার উপরও জোর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আগের মতোই টেস্ট-ট্র্যাক, ট্রিট এবং ভ্যাকসিনেশন ফর্মুলার উপরই জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। 
    স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে, করোনার আচরণবিধি ফিরিয়ে আনতে হবে। অর্থাৎ ভিড় এড়িয়ে চলা, জনবহুল স্থানে মাস্ক পরা, বারবার হাত ধোওয়ার ব্যাপারে পুনরায় জনসচেতনা গড়ে তোলার পরামর্শ দিচ্ছে কেন্দ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • University: গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে থার্ড সেমেস্টারের ৩০ হাজার পরীক্ষার্থীর রেজাল্ট অনিশ্চিত! কেন জানেন?

    University: গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে থার্ড সেমেস্টারের ৩০ হাজার পরীক্ষার্থীর রেজাল্ট অনিশ্চিত! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এক পরীক্ষকের কাছ থেকে বিএ থার্ড সেমেস্টারের বাংলা বিভাগের ১০ জন পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। আর তার জেরে বিএ থার্ড সেমেস্টারের ৩০ হাজার পরীক্ষার্থীর রেজাল্ট বের হওয়া প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। কারণ, ১০ জনের উত্তরপত্র না পাওয়া গেলে বাকীদের রেজাল্ট বের করা সম্ভব হচ্ছে না। আর এই বিষয়টি জানাজানি হতে মালদহের গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় (University) জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে। পরীক্ষার্থীরাও চরম ক্ষুব্ধ। তাঁদের বক্তব্য, একজন পরীক্ষকের ভুলের মাশুল ৩০ হাজার পরীক্ষার্থীকে কেন দিতে হবে? এটা মেনে নেওয়া যায় না। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় সঠিক সময়ে রেজাল্ট বের করার উদ্যোগ গ্রহণ করুক।

    ঠিক কী হয়েছিল? (University)

    গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের (University) পক্ষ থেকে তার অধীনে থাকা সব কলেজ কর্তৃপক্ষকে ১৭ মার্চের মধ্যে থার্ড সেমেস্টারের উত্তরপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু, সাতজন অধ্যাপক সময় মতো খাতা জমা দেননি। পরে, বিশ্ববিদ্যালয়ের (University) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে অন্যান্য কলেজের অধ্যাপকরা খাতা জমা করেন। কিন্তু, মালদহ কলেজের এক অধ্যাপক খাতা জমা করেননি বলে অভিযোগ। ২৩ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ওই অধ্যাপকের সঙ্গে ফের যোগাযোগ করা হয়। ওই অধ্যাপক ২৪ মার্চ খাতা জমা করার কথা বলেন। সেই মতো ওই অধ্যাপক বিশ্ববিদ্যালয়ে (University) আসেন। কিন্তু, খাতা জমা করার সময় দেখা যায়, ১০ জন পরীক্ষার্থীর খাতা উধাও। যা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে (University) কয়েকজন অধ্যাপকদের মধ্যে একটি গোলমালের ঘটনা ঘটে। সেখানে মালদহ কলেজের ওই অধ্যাপককে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। তারপরে সেই অধ্যাপক গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের (University) উপাচার্যের ঘরের সামনে বেশ কিছুক্ষণ ধর্নায় বসেন। ওই অধ্যাপকের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে।

    কী বললেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ামক? University

    গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের (University) অধীনস্থ মালদহ কলেজের ওই অধ্যাপক তথা পরীক্ষকের উদাসীনতার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের (University) পরীক্ষা নিয়ামক বিশ্বরূপ সরকার বলেন, একজন পরীক্ষকের ভুলের মাশুল এখন ৩০ হাজার পরীক্ষার্থীকে দিতে হচ্ছে। আর ওই অধ্যাপকের সঙ্গে কোনও খারাপ ব্যবহার করা হয়নি। কীভাবে থার্ড সেমেস্টারের দশটি উত্তরপত্র উধাও হয়ে গেল সে ব্যাপারে পরিষ্কার করে কিছু জানা যাচ্ছে না। ওই অধ্যাপককে উত্তরপত্র খুঁজে বের করার জন্য বলা হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সামিনেশন মনিটরিং কমিটি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সমস্ত বিষয়টি জানানো হয়েছে। এখন তাদের সিদ্ধান্তের উপরই অপেক্ষা করে থাকতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bank Holidays: এপ্রিল মাসে ৩০ দিনের মধ্যে পনেরো দিন বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক! জানেন কেন?

    Bank Holidays: এপ্রিল মাসে ৩০ দিনের মধ্যে পনেরো দিন বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক! জানেন কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিল মাসে সব মিলিয়ে প্রায় ১৫ দিন বন্ধ (Bank Holidays) থাকছে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ছুটির তালিকা অনুসারে নির্দিষ্ট স্থান বিশেষে ছুটি প্রযোজ্য। তাই যাঁরা নানা কাজে নিয়মিত ব্যাঙ্কে যান, তাঁরা জেনে রাখুন কোন কোন দিন বন্ধ থাকছে ব্যাঙ্ক। প্রসঙ্গত, ব্যাঙ্কের কোনও শাখা বন্ধ থাকলেও, গ্রাহকরা নেট ব্যাঙ্কিং, ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং, এটিএম এবং অন্য পরিষেবা পেয়ে থাকেন। এবার জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন দিন বন্ধ (Bank Holidays) থাকছে ব্যাঙ্ক। উপলক্ষই বা কী।  

    ছুটির (Bank Holidays) দিন…

    ১ এপ্রিল, শনিবার অ্যাকাউন্ট ক্লোজিং।

    ২ এপ্রিল, রবিবার

    ৪ এপ্রিল, মঙ্গলবার মহাবীর জয়ন্তী।

    ৫ এপ্রিল, বুধবার, বাবু জগজীবন রামের জন্মতিথি (কেবল হায়দ্রাবাদ)

    ৭ এপ্রিল, শুক্রবার, গুড ফ্রাইডে (আগরতলা, আমেদাবাদ, জয়পুর, জম্মু, সিমলা ও শ্রীনগর ছাড়া সর্বত্র)

    ৮ এপ্রিল, শনিবার (সেকেন্ড স্যাটারডে)

    ৯ এপ্রিল, রবিবার

    ১৪ এপ্রিল, শুক্রবার, আম্বেদকর জয়ন্তী, বোহাগ বিহু, বৈশাখি, তামিল নববর্ষ, মহা বিষুব সংক্রান্তি। (ভোপাল, আইজল, নয়া দিল্লি, রায়পুর, শিলং এবং সিমলা ছাড়া সর্বত্র)

    ১৫ এপ্রিল, শনিবার, বাংলা নববর্ষ (আগরতলা, গুয়াহাটি, কোচি, কলকাতা, সিমলা ও তিরুবনন্তপুরমে ছুটি)

    ১৬ এপ্রিল, রবিবার।

    ১৮ এপ্রিল, মঙ্গলবার, শব-ই-কদর (জম্মু, শ্রীনগর)

    ২১ এপ্রিল, শুক্রবার, ইদ-উল-ফিতর (আগরতলা, জম্মু, শ্রীনগর, কোচি এবং তিরুবনন্তপুরম)

    ২২ এপ্রিল, শনিবার রমজান ইদ (আগরতলা, আমেদাবাদ, আইজল, বেঙ্গালুরু, ভুবনেশ্বর, চণ্ডীগড়, গ্যাংটক, কোচি, সিমলা ও তিরুবনন্তপুরম ছাড়া সর্বত্র)

    ২৩ এপ্রিল, রবিবার।

    ৩০ এপ্রিল, রবিবার।

    প্রসঙ্গত, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ছুটির দিনকে জাতীয় ও আঞ্চলিক হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। জাতীয় ছুটির ক্ষেত্রে সারা দেশেই ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকে। আর আঞ্চলিক ছুটির ক্ষেত্রে বন্ধ (Bank Holidays) থাকে কেবল সেই নির্দিষ্ট অঞ্চলের শাখাগুলি। এপ্রিল মাসের প্রথম দিনটি ছাড়াও মহাবীর জয়ন্তী, গুড ফ্রাইডে, বিভিন্ন রাজ্যে নববর্ষ এবং ইদ এই দিনগুলিতে এক সঙ্গে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকে। রবিবার এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবারও ছুটি থাকে ব্যাঙ্কে।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর অভিযোগকে মান্যতা দিয়েও পঞ্চায়েত নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • IPL 2023: ভারতীয় বোলারদের দিয়ে অতিরিক্ত বল করানো যাবে না! আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিদের নির্দেশ বোর্ডের

    IPL 2023: ভারতীয় বোলারদের দিয়ে অতিরিক্ত বল করানো যাবে না! আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিদের নির্দেশ বোর্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল, বছর শেষে বিশ্বকাপ, তাই আইপিএলে (IPL 2023) ভারতীয় বোর্ডের চুক্তির আওতায় থাকা বোলারদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল বিসিসিআই। তাঁদের যাতে বেশি চাপ না দেওয়া হয়, ফ্র্যানচাইজিদের সেই নির্দেশ দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ও এক দিনের বিশ্বকাপ, এই দুই প্রতিযোগিতায় যাতে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় বোলারদের পাওয়া যায়, তার জন্য এই নির্দেশ দিয়েছে বিসিসিআই।

    সুস্থ প্লেয়ার চাই বোর্ডের

    ৩১ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে ১৬ তম আইপিএল (IPL 2023)। এবার হোম ও অ্য়াওয়ে ফর্ম্যাটে আইপিএল হওয়ায় উন্মাদনাটা আরও বেশি। সমর্থকদের মধ্যে দেখা গেছে টিকিট নিয়ে টানাটানি। তবে বিশ্বকাপের বছরে বোর্ডের চিন্তা বাড়াচ্ছে প্লেয়ারদের ফিটনেস। এই মর্মে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাছে কড়া নির্দেশ দিল বোর্ড। বর্তমানে ঠাসা ক্রীড়াসূচি রয়েছে ভারতীয় দলের। ২০২৩ সালের তিন মাসের মধ্যে তিনটে দেশের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলা হয়ে গিয়েছে। তিনটে হোম সিরিজ হওয়ায় সুবিধা পেয়েছে ভারত। এবার দু মাস ব্যাপী আইপিএলের আসর। তাই বিসিসিআই-এর পক্ষ থেকে প্রতিটা ফ্র্যাঞ্চাইজিকে জানানো হয়েছে ভারতীয় বোলারদের দিয়ে অতিরিক্ত বল না করাতে। না হলে বিশ্বকাপের আগে প্লেয়াররা চোট আঘাতে জর্জরিত হতে পারে।

    বোর্ডের বারণ

    আইপিএলের (IPL 2023) সব ফ্র্যাঞ্চাইজির ফিজিওদের সঙ্গে কথা বলেছেন জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির ফিজিও নীতিন প্যাটেল ও ভারতীয় দলের ফিজিও সোহম দেশাই। সেখানে তাঁরা জানিয়েছেন, ১২ জন ভারতীয় বোলারের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের সাবধানে ব্যবহার করতে হবে। আইপিএলের সাতটি দলে খেলেন এই ১২ বোলার। তাঁরা হলেন, গুজরাট টাইটান্সের মহম্মদ শামি, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের মহম্মদ সিরাজ, কলকাতা নাইট রাইডার্সের উমেশ যাদব ও শার্দুল ঠাকুর, চেন্নাই সুপার কিংসের দীপক চাহার, দিল্লি ক্যাপিটালসের কুলদীপ যাদব ও অক্ষর প্যাটেল, রাজস্থান রয়্যালসের রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও যুজবেন্দ্র চহাল এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ভুবনেশ্বর কুমার, উমরান মালিক ও ওয়াশিংটন সুন্দর। 

    আরও পড়ুন: রানাতেই ভরসা পণ্ডিতের! নীতীশকেই অধিনায়ক বাছল নাইটরা, প্রথম ম্যাচ কবে?

    এক বোর্ড কর্তা বলেন, “ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে বলা হয়েছে ভারতীয় বোলারদের আলাদা করে দেখতে। আইপিএল (IPL 2023) দলগুলোকে বলা হয়েছে বোলারদের নেটে বল না করাতে। ওদের শক্তি বাড়ানো এবং বাকি জিনিসের দিকে নজর দেওয়া উচিত। প্লেয়ারদের ফিল্ডিং ড্রিল করানো যাবে, তবে সেটা মে মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত। কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি ওদের পুশ করতে পারবে না। মে মাসের প্রথম সপ্তাহের পর ওদের বলের সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। বিসিসিআই পরের আপডেট নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share