Blog

  • The Kerala Story: বক্স অফিসে বাজিমাত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র! প্রথম দিনে আয় কত?

    The Kerala Story: বক্স অফিসে বাজিমাত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র! প্রথম দিনে আয় কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দিনেই বক্স অফিসে ছক্কা হাঁকাল ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story)। সুদীপ্ত সেন পরিচালিত এই ছবিকে বিদ্বেষমূলক বলে তোপ দেগেছিল কংগ্রেস সহ বামপন্থীরা। একধাপ এগিয়ে কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন বলেন, এই ছবি সঙ্ঘ পরিবারের তৈরি। কিন্তু যাবতীয় অপপ্রচারকে পিছনে ফেলে প্রথম দিনেই বাজিমাত করল ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। কর্নাটকে নির্বাচনী প্রচারে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story)-এর প্রসঙ্গ উঠে আসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণেও। ছবি নিয়ে কংগ্রেসের অপপ্রচারকে একহাত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছেন ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) ছবিকে। এদিন তরণ আদর্শ ট্যুইট করে লেখেন, প্রথম দিনেই বাউন্ডারির বাইরে বল পাঠাল ‘দ্য কেরালা স্টোরি’।

    ২০২৩ সালে সর্বাধিক আয় করা প্রথম পাঁচটি ছবির তালিকায় নথিভুক্ত হল ‘দ্য কেরালা স্টোরি’

    পরিসংখ্যান বলছে, প্রথম দিনের আয়ের নিরিখে কাশ্মীর ফাইলস-কেও পিছনে ফেলে দিয়েছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। কাশ্মীর ফাইলসের প্রথম দিনের আয় ছিল ৩.৫ কোটি টাকা, অন্যদিকে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) আয় ৭.৫ কোটি টাকা। চলতি বছরে প্রথমদিনে সর্বাধিক আয় করা প্রথম ৫টি ছবির তালিকায় নথিভুক্ত হল ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-এর নাম। প্রথম দিনের আয়ের নিরিখে ‘পাঠান’ সবার আগে। এই ছবির আয় ছিল ৫৫ কোটি। তার পর ‘কিসি কা ভাই কিসি কা জান’। তার আয় ১৫.৮১ কোটি, তৃতীয় ‘তু ঝুটি ম্যায় মক্কার’ প্রায় ১৫.৭ কোটি আয় করে। চতুর্থ অজয় দেবগনের ‘ভোলা’, যার প্রথম দিনের আয় ছিল প্রায় ১১ কোটির উপরে। জানা গেছে, হিন্দি সহ মোট ৪টি ভাষায় মুক্তি পেয়েছে এই ছবি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • DA: ‘শান্তিনিকেতনে’র উঠোন দিয়ে গেল ডিএ-র দাবিতে মিছিল, উঠল ‘চোর, চোর’ স্লোগান

    DA: ‘শান্তিনিকেতনে’র উঠোন দিয়ে গেল ডিএ-র দাবিতে মিছিল, উঠল ‘চোর, চোর’ স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে বিগত কয়েক মাস ধরেই আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। ডিএ সংক্রান্ত মামলা এখন সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। অতীতে, ডিএ-র দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছেন তাঁরা। এবার আন্দোলনের শততম দিনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পাড়া তথা তৃণমূল (TMC) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে দিয়ে করলেন এক কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ মিছিল। আদালতের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনেই হয়েছে মিছিল। কেবল অভিষেকের প্রাসাদোপম বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় উঠেছে ‘চোর’, ‘চোর’ স্লোগান।

    মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির রাস্তা— হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের দু’ধারে ঠায় দাঁড়িয়ে সাদা পোশাকের কলকাতা পুলিশ। এঁদের মধ্যে যেমন রয়েছেন পুলিশের পদস্থ কর্তারা, তেমনি রয়েছেন ছোট কর্তারাও। ব্যারিকেড করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ওই রাস্তায় আসা-যাওয়ার যাবতীয় বাই-লেন, বিশেষ করে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট ও হরিশ মুখার্জি রোড সংযোগকারী গলি। এহেন নিরাপত্তা বলয়ের পাশ দিয়ে শনিবার দুপুরে হরিশ মুখার্জি রোড ধরে গেল বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীদের মিছিল। 

    ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলন…

    এদিন দুপুর ১টা নাগাদ হাজরা মোড় থেকে শুরু হয় মিছিল। হরিশ মুখার্জি রোড ধরে এগোতে শুরু করে মিছিল। শঙ্খধ্বনি, স্লোগানে গমগম করতে থাকে গোটা এলাকা। কলকাতার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা থেকেও সরকারি কর্মীরা যোগ দিয়েছিলেন এদিনের মিছিলে। মিছিলের মধ্যে একটি শববাহী-খাটিয়াও বয়ে নিয়ে যেতে দেখা যায় আন্দোলনকারীদের। সেই খাটিয়ার গায়ে লেখা, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিবেক’। খাটিয়ায় শোয়ানো হয়েছিল একটি পুতুল। তার গলায় দেওয়া মালা। জ্বালানো হয় ধূপও। মিছিল এগিয়ে চলে ঢিমেতালে। মিছিলের (DA) পথে পড়েছে তৃণমূলের পার্টি অফিস। মিছিল সেখানে পৌঁছতেই ঝড় ওঠে করতালির। আচমকাই বেড়ে যায় স্লোগানের মাত্রাও।

    আরও পড়ুুন: গরুপাচার করে কেষ্টর আয় ৭৭ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা! চার্জশিটে উল্লেখ ইডির

    কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে গত ১০০ দিন ধরে চলছে আন্দোলন। আন্দোলন হচ্ছে যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের ব্যানারে। দাবি আদায়ে বন্‌ধ পালন করেছেন আন্দোলনকারীরা। করেছেন কর্মবিরতিও। মহামিছিলও হয়েছে বার কয়েক। গোটা দেশের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে দিল্লির যন্তরমন্তরেও ধর্নায় বসেছিলেন তাঁরা (DA)। বেশ কিছুদিন ধর্মতলায় অনশনও করেছিলেন আন্দোলনকারীরা। আদালতের নির্দেশে সরকারের সঙ্গে আলোচনায়ও বসেছিলেন তাঁরা। তার পরেও সুরাহা হয়নি। শেষমেশ হরিশ মুখার্জি রোডে মিছিল করার পরিকল্পনা করেন আন্দোলনকারীরা (DA)। ঠিক ছিল, ৬ মে ডিএর দাবিতে মিছিল হবে মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায়। যদিও প্রথমে পুলিশ এই মিছিলের অনুমতি দেয়নি। তার পরেই আন্দোলনকারীরা দ্বারস্থ হন কলকাতা হাইকোর্টের। মামলার শুনানি হয় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে। তৃণমূলের ‘আঁতুড়ঘরে’ মেলে মিছিলের অনুমতি। তবে আদালত এই অনুমতি দিয়েছে শর্ত সাপেক্ষে। হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মিছিল করতে হবে সুশৃঙ্খলভাবে। এমন কোনও স্লোগান সেখানে দেওয়া যাবে না, যাতে উত্তেজনা ছড়ায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue-Malaria: ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ায় শীর্ষে বাংলা! উদ্বেগজনক রিপোর্ট স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

    Dengue-Malaria: ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ায় শীর্ষে বাংলা! উদ্বেগজনক রিপোর্ট স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় ২০২২ সালে ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের পরিসংখ্যান প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। আক্রান্তের নিরিখে ২০২২ সালে, দেশের মধ্যে প্রথম স্থান পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal)। রিপোর্টে প্রকাশ, ২০২২ এ পশ্চিমবঙ্গে ডেঙ্গি (Dengue) ও ম্যালেরিয়া (Malaria) মিলিয়ে ১ লক্ষেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছিলেন।

    উদ্বেগজনক রিপোর্ট

    গত বছর রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৭ হাজার ২৭১ জন। যা আগের বছরের তুলনায় আক্রান্তর সংখ্যা ৮ গুণেরও বেশি। পাশাপাশি সরকারি মতে ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনের। মোট ম্যালেরিয়া আক্রান্তের নিরিখেও দেশের মধ্যে পয়লা নম্বরে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে গত বছর মোট ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪০ হাজার ৫৬৩ জন। ডেঙ্গিতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ। তবে বাংলার থেকে সংখ্যার নিরিখে অনেকটা পিছিয়ে ইউপি। সেখানে ২০২২ সালে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ হাজারের কিছু বেশি মানুষ। ম্যালেরিয়ায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বিহার। পড়শি রাজ্যে গত বছর ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ হাজারের বেশি মানুষ। পশ্চিমবঙ্গের ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়া রিপোর্টে উদ্বিগ্ন বাঙালি। 

    আরও পড়ুন: চার্জশিট পেশের পরেও দলীয় পদে কেন অনুব্রত? প্রশ্ন সুকান্তর

    তথ্য গোপনের অভিযোগ

    এর আগে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক অভিযোগ করেছিল, বাংলার স্বাস্থ্য দফতর ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার তথ্য কেন্দ্রকে দিচ্ছে না। ফলে বার্ষিক রিপোর্ট তৈরি করা যাচ্ছে না। ফেব্রুয়ারি মাসে এই অভিযোগ তুলেছিল কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রক। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগও উঠেছিল গত বছর। বিতর্কের পর বাংলার স্বাস্থ্য ভবন সেই রিপোর্ট পাঠায় দিল্লিকে। তারপরই দেখা যায় বাংলা এই দুই মশাবাহিত রোগে সবার উপরে রয়েছে। গত বছর ডেঙ্গি আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বাংলায় উদ্বেগ তৈরি করেছিল। তরুণ-তরুণীদের মৃত্যু পরিস্থিতিকে বিপর্যয়ের জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল রাজ্যে। সেই আঁচ গিয়ে পড়েছিল বিধানসভাতেও। বিধানসভার অধিবেশনের মাঝেই একদিন প্রথমার্ধ্বে ডেঙ্গি নিয়ে মুলতুবি প্রস্তাব আনেন বিজেপি বিধায়করা। মুলতুবি প্রস্তাব পাঠের অনুমতি দিলেও, এনিয়ে আলোচনার অনুমতি দেননি অধ্যক্ষ । 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • MGNREGA: গ্রামীণ রাস্তায় বোর্ড লাগানো হলেও হয়নি রাস্তা, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

    MGNREGA: গ্রামীণ রাস্তায় বোর্ড লাগানো হলেও হয়নি রাস্তা, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনরেগা প্রকল্পে গ্রামীণ রাস্তা (MGNREGA) ঢালাইয়ের জন্য একবছর আগে টেন্ডার ডেকে কাজের খতিয়ান সম্পর্কিত বোর্ড লাগানো হলেও শুরু হয়নি রাস্তার কাজ। প্রধানের অভিযোগ কনট্রাক্টর কাজ করছেন না। রাস্তা না হওয়ায় ভীষণ ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

    অভিযোগ ঠিক কি!

    ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর-১ ব্লকের বাসুদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খাটবাড়ুই এলাকার। জানা যায়, খাটবাড়ুই থেকে হরেকৃষ্ণপুর পর্যন্ত একটি মোরাম রাস্তা দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল অবস্থায় রয়েছে। এই রাস্তার (MGNREGA) উপর দিয়ে যাতায়াত একাধিক গ্রামের মানুষের। অভিযোগ, একবছর আগে এই রাস্তার ঢালাইয়ের জন্য উদ্যোগ নেয় দাসপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতি। কাজের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এমনকী কাজের খতিয়ান উল্লেখ করে রাস্তার ধারে প্রকল্পের বোর্ডও বসানো হয়, কিছু মালপত্রও ফেলা হয়। কিন্তু এরপরে একবছর কেটে গেলেও ঢালাই রাস্তার কাজ শুরু হয়নি। রাস্তা না করে কেন সাইনবোর্ড এটাই এলাকাবাসীর প্রশ্ন!

    স্থানীয় প্রশাসনের বক্তব্য

    স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থ বর্ষে খাটবাড়ুই গ্রামে আব্দুল হালিমের বাড়ি থেকে হরেকৃষ্ণপুর গণেশ খানের বাড়ি পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার বেহাল মোরাম রাস্তার জন্য ৪৩,০২,৫১৪ টাকা মোট ব্যয় ধার্য ধরা হয়। ২০২১-২২ অর্থ বর্ষের রাস্তার কাজের নির্ধারিত সময় অতিক্রম করলেও এখনও শুরুই হয়নি প্রকল্পের কাজ (MGNREGA)। গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, কন্টাক্টর চাইলে কাজ শুরু করতে পারতো, চাইলে কাজটা ঠিক সময়ে শেষও করে দিতে পারত। অনেকবার বলা হয়েছে তাকে কিন্তু সে ইচ্ছে কাজ শুরু করেনি। পঞ্চায়েত প্রধান আরও বলেন প্রথমে কন্টাক্টর বলেছে জব কার্ডের টাকা মিলছে না তাই কাজ করা সম্ভবপর হচ্ছে না। কিন্তু যখন জব কার্ড রানিং ছিল তখন ইচ্ছে করেই কাজটি করেননি কন্ট্রাক্টর এমনটাই বক্তব্য প্রধানের। এনিয়ে আমরা ব্লকের বিডিওকে জানিয়ে ছিলাম। কিন্তু বর্তমানের কন্টাক্টরের মোবাইল বন্ধ। আবার তৃণমূল পরিচালিত দাসপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি তৃণমূল নেতা সুনীল ভৌমিক বলেন কেন্দ্রীয় সরকার মনরেগা প্রকল্পে টাকা বন্ধ করে দিয়েছে তাই কাজ বন্ধ।

    স্থানীয়দের বক্তব্য

    স্থানীয় দীপঙ্কর স্যানাল বলেন এই রাস্তা (MGNREGA) হল রাজ্য সড়কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার গ্রামের রাস্তা। রাস্তায় প্রচণ্ড খানা খন্দে ভরা। অসুস্থ রোগীদের নিয়ে যেতে খুব অসুবিধা হচ্ছে। প্রশাসন কেন বন্ধ করল কাজ বুঝতে পারছি না। আরেক বাসিন্দা স্বপন সাহা বলেন, প্রায় রোজ দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষ যাতায়াত করেন এই রাস্তায়, কিন্তু প্রশাসন রাস্তার বিষয়ে কিছু সদর্থক ভূমিকা পালন করছেন না।  শাসকদল ও তার সরকারকে কটাক্ষ করে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছে দাসপুরের সিপিএম নেতা গুণধর বোস। সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারির কাছে বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন। এই রাস্তা এখন কবে সম্পন্ন হয় তাই এখন দেখার।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: গরুপাচার করে কেষ্টর আয় ৭৭ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা! চার্জশিটে উল্লেখ ইডির

    Anubrata Mondal: গরুপাচার করে কেষ্টর আয় ৭৭ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা! চার্জশিটে উল্লেখ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু গরুপাচার করেই অনুব্রত (Anubrata Mondal) করেছেন ৭৭ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকার সম্পত্তি যা চার্জশিটে উল্লেখ করেছে ইডি। যা শুনে কপালে চোখ উঠেছে অনেকেরই। চার্জশিটে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। অনুব্রতর (Anubrata Mondal) বাড়ির পরিচারকের বেতন ১৫ হাজার টাকা। মাসিক এই বেতন নিয়ে বিদ্যুৎবরণ গায়েনের সম্পত্তির পরিমাণ ছাড়িয়েছে ৭ কোটিরও বেশি। তাঁর নমিনির নাম আবার সুকন্যা মণ্ডল। বাড়ির ধোপা বিজয় রজকের নামেও অনুব্রত অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। সেখানেও চলত বিপুল আর্থিক লেনদেন। অনুব্রতর জামাকাপড় কাচা ছাড়াও ধোপার কাজ ছিল বীরভূম জেলা সভাপতির গা’ হাত মালিশ করে দেওয়া। এমনটাও উল্লেখ রয়েছে চার্জশিটে। বছরখানেক আগে কোটি টাকার লটারি জেতার খবর চাউর হয় কেষ্ট মণ্ডলের নামে। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, আসল বিজেতাকে ভয় দেখিয়ে নিজের নামে তা করেছিলেন অনুব্রত। উদ্দেশ্য কালো টাকা সাদা করা। ইডির চার্জশিটে আরও দাবি, বোলপুরের বিভিন্ন তৃণমূল নেতা-কর্মীদের নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন অনুব্রত। সেখানে জমা পড়ত গরুপাচারের টাকা। বীরভূম জেলা সভাপতি নিজের নামে, কন্যার নামে, পরিচারকের নামে একাধিক জমি কিনেছিলেন। এছাড়াও ভোলে বোম চালকল, শিব শম্ভু চালকল, কালীমাতা ট্রেডার্স, মা দুর্গা ট্রেডার্সের মতো সংস্থাও কিনেছিলেন কেষ্ট। ইডির দাবি, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে গরুপাচারে অনুব্রত মণ্ডল সাহায্য করতেন এনামূল হককে। যার বিনিময়ে মোটা টাকা জমা পড়ত কেষ্টর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। সবটাই অনুব্রত (Anubrata Mondal) করতেন তাঁর দেহরক্ষী সায়গলের ফোন ব্যবহার করে। 

    কালো টাকা সাদা করার দায়িত্ব কেষ্ট দিয়েছিলেন মণীশ কোঠারিকে

    জানা গেছে, কালো টাকা সাদা করার দায়িত্বভার ছিল মণীশ কোঠারির উপর। তিনি কেষ্ট মণ্ডলের কাছ থেকে নগদে ২৮ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। প্রতিমাসে মণীশ কোঠারিকে বেতন বাবদ ৫০ হাজার টাকা করে দিতেন অনুব্রত। অন্যদিকে আজ শনিবারই দেখা হওয়ার কথা কেষ্ট ও সুকন্যার। জানা গিয়েছে, তিহাড় জেলের পাশাপাশি সেলে রয়েছেন তাঁরা। ইডি সূত্রে খবর, অনুব্রত-মণীশ-সুকন্যার বিবৃতি একেবারেই পরস্পর বিরোধী। অনুব্রত (Anubrata Mondal) বলছেন, মণীশের পরিকল্পনা মাফিক ব্যবসা সাজিয়েছেন তিনি, মণীশ বলছেন সুকন্যার নির্দেশে কাজ করতেন তিনি, সুকন্যা বলছেন, সবটাই বাবা জানে। তাঁর কাজ ছিল শুধু বাবার নির্দেশ মতো সই করা। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে অনুব্রতর আসানসোল জেলে ফেরার আর্জি খারিজ করে দিয়েছে দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালত। আপাতত বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতিকে থাকতে হবে তিহাড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CCTV Camera: দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে জোরদার করা হল নিরাপত্তা, কীভাবে?

    CCTV Camera: দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে জোরদার করা হল নিরাপত্তা, কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের নিরাপত্তাকে আরও জোরদার করতে সিসিটিভি ক্যামেরায় (CCTV Camera) মুড়ে দেওয়া হল। মূলত মন্দিরে ঢোকার প্রবেশপথে এই ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। আগে ভবতারিণী মন্দির এবং মন্দির চত্বরে সিসিটিভি (CCTV Camera) ছিল। তবে, মন্দিরে ঢোকার রাস্তায় কোনও সিসি ক্যামেরা ছিল না। বিশেষ করে স্কাইওয়াকের আশপাশের এলাকায় এতদিন কোনও সিসি ক্যামেরা ছিল না। এদিন থেকে সেখানেও সিসি ক্যামেরা লাগানো হল। সেই সঙ্গে যাত্রীদের সুবিধার্থে তৈরি হল একটি যাত্রী প্রতীক্ষালয়।

    কী বললেন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার?

    এমনিতেই দক্ষিণেশ্বর মন্দির রাজ্যের অন্যতম তীর্থস্থান। রাজ্যের পাশাপাশি ভিন রাজ্যের বহু ভক্ত এই মন্দিরে পুজো দিতে আসেন। বছরের বিশেষ বিশেষ দিনে এই মন্দিরে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়। এক সময় বেলঘরিয়া থানার পক্ষ থেকে এই মন্দিরের নিরাপত্তা দেখভাল করা হত। মন্দির চত্বরেই ছোট্ট ফাঁড়ি ছিল। মন্দিরে আসা ভক্তদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের উদ্যোগে শুধু মন্দির চত্বর ও আশপাশের এলাকার জন্য নতুন দক্ষিণেশ্বর থানা তৈরি করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে নিরাপত্তা অনেকটাই জোরদার করা হয়েছে। এমনিতেই মন্দির চত্বরে সিসি ক্যামেরা ছিল। বাইরে কোনও ক্যামেরা ছিল না। এবার থেকে মন্দিরের ভিতর এবং বাইরে সিসিটিভি (CCTV Camera) ক্যামেরায় মুড়ে দেওয়া হল। দক্ষিণেশ্বর মন্দির চত্বরে দর্শনার্থীদের ভিড় দিন দিন বাড়ছে, যাতে কোনো অঘটন না ঘটে তার জন্য গোটা রাস্তাকে সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে নিয়ে আসা হলো। ডানলপ মোড়ে আগেই লাগানো হয়েছিল এই ক্যামেরা। পুলিশ কমিশনারেট সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্দিরে ঢোকার রাস্তার পাশাপাশি বনহুগলি এবং সবেদা বাগান মোড়েও লাগানো হল সিসি ক্যামেরা। সবমিলিয়ে ১৬ টি সিসিটিভি ক্যামেরা (CCTV Camera) লাগানো হল। বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া বলেন, এমনিতেই পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব সময় নজরদারি চালানো হয়। এবার সিসিটিভি ক্যামেরা (CCTV Camera) লাগানোর পর নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হল। এতে কেউ অপরাধ করলে আমাদের কাছে রেকর্ড থাকবে। ভিডিও ফুটেজ দেখে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India China: “ভারত-চিন সম্পর্ক স্বাভাবিক নয়,” কিনকে সাফ জানালেন জয়শঙ্কর

    India China: “ভারত-চিন সম্পর্ক স্বাভাবিক নয়,” কিনকে সাফ জানালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-চিন (India China) সম্পর্ক স্বাভাবিক নয়। এটা স্বাভাবিক হবে না যতক্ষণ সীমান্তে শান্তি এবং স্বস্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। চিনা বিদেশমন্ত্রীকে এ কথাই জানিয়ে দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO Summit) সদস্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হয় গোয়ায়। বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া ওই বৈঠক চলে দুদিন ধরে। এই বৈঠকের পাশাপাশি হয়েছে পার্শ্ববৈঠকও। বৃহস্পতিবার চিনের বিদেশমন্ত্রী কিন গ্যাংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। সেখানেই জয়শঙ্কর কিনকে সাফ জানিয়ে দেন, ডিসএনগেজমেন্ট প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমি এটা খুব স্পষ্ট করে দিয়েছি। জনসমক্ষেও বলেছি। ভারত-চিন সম্পর্ক স্বাভাবিক নয়। এটা স্বাভাবিক হবে না, যতক্ষণ সীমান্তে শান্তি ও স্বস্তি বিঘ্নিত হচ্ছে।

    ভারত-চিন (India China) সম্পর্ক নিয়ে বার্তা…

    এদিন পূর্ব লাদাখ সীমান্ত সমস্যা মিটিয়ে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর শান্তি ফিরিয়ে ভারত ও চিনের সম্পর্ক (India China) স্বাভাবিক করার বার্তা দিয়েছিলেন চিনের বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্কর তারই জবাব দিলেন বলে দাবি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। তাজ এক্সোটিকা রিসর্টে বৈঠকে বসেন ভারত ও চিনের বিদেশমন্ত্রীরা। বৈঠক চলে আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে। বৈঠক শেষে ট্যুইটও করেন জয়শঙ্কর। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, কিছু পড়ে থাকা বিষয়ে সমাধান ও সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখা নিয়ে তিনি আলোচনা করেছেন কিনের সঙ্গে। জয়শঙ্কর বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের মধ্যে খোলাখুলি আলোচনা হয়েছে। আমরা সেই বিচ্ছিন্ন প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

    আরও পড়ুুন: শনিবারের বারবেলায় ডিএ আন্দোলনকারীদের মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায়, প্রস্তুতি শুরু

    চিনের বিদেশমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ভারত-চিন সীমান্তের পরিস্থিতি স্থিতিশীল। তিনি বলেন, উভয় পক্ষের উচিত দুই দেশের নেতাদের দ্বারা উপনীত গুরুত্বপূর্ণ (India China) ঐকমত্য বাস্তবায়ন করা। তিনি আরও বলেছিলেন, প্রাসঙ্গিক চুক্তিগুলি কঠোরভাবে মেনে চলা, সীমান্ত পরিস্থিতি আরও শীতল ও সহজ করার জন্য জোর দেওয়া। যাতে সীমান্তে শান্তি বজায় থাকে। এর পরে পরেই জয়শঙ্কর বলেন, ইস্যু হল সীমান্ত এলাকায়, সীমানা বরাবর অস্বাভাবিক অবস্থান রয়েছে। আমরা এটা নিয়ে খুব খোলামেলা আলোচনা করেছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Army Encounter: বাহিনীর প্রত্যাঘাত! রাজৌরি, বারামুল্লায় সেনা এনকাউন্টারে খতম ২ জঙ্গি

    Army Encounter: বাহিনীর প্রত্যাঘাত! রাজৌরি, বারামুল্লায় সেনা এনকাউন্টারে খতম ২ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত হয়েছিল ভূস্বর্গ। জঙ্গিদমন অভিযানে গিয়ে গতকাল সকালে আইইডি বিস্ফোরণে শহিদ হয়েছিলেন ৫ ভারতীয় জওয়ান। গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও এক সেনা অফিসার। তার ২৪-ঘণ্টার মধ্যেই প্রত্যাঘাত করল বাহিনী। শনিবার জম্মু ও কাশ্মীরের ২টি জায়গায় পৃথক এনকাউন্টারে (Army Encounter) ২ জঙ্গিকে খতম করে বদলা নিল সেনা। 

    আরও পড়ুন: দুমাসও বিয়ে হয়নি! রাজৌরিতে জঙ্গি হামলায় প্রাণ গেল বাংলার সিদ্ধান্তর

    এদিন বারামুল্লা ও রাজৌরি সেক্টরে বিশেষ অভিযানে গিয়ে এনকাউন্টারে (Army Encounter) দুই জঙ্গিকে নিকেশ করলেন নিরাপত্তারক্ষীরা। বাকি জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বারামুল্লার এসএসপি আমোদ অশোক নাগপুরে বলেছেন, “জঙ্গিদের সন্দেহজনক গতিবিধি সম্পর্কে পাওয়া নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বাহিনী তল্লাশি অভিযান শুরু করে। গোপন সূত্র মতে সেনাবাহিনীর জওয়ানরা খবর পায় যে, বারামুল্লার কারহামা কুঞ্জের গ্রামের দুই জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে। তল্লাশির সময় বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় জঙ্গিরা। বাহিনী পাল্টা গুলি চালালে দুই জঙ্গি নিহত হয়। 

    সেনার তরফে জানানো হয়েছে, নিহত ২ জঙ্গির নাম আবিদ ওয়ানি এস এবং মহম্মদ রফিক ওয়ানি। দুজনেই লস্করের সক্রিয় সদস্য। রাজৌরিতে জঙ্গিদের থেকে প্রচুর পরিমাণে অস্ত্র উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী (Army Encounter)। সেগুলির মধ্যে রয়েছে একটি একে৫৬, একে-র চারটি ম্যাগজিন, ৫৬ রাউন্ড গুলি, ৯ এমএম পিস্তল, সহ তিনটি গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: চলতি মাসেই কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক, বানচাল করতেই কি লাগাতার জঙ্গি হামলা?

    সেনার নর্দার্ন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীও ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন (Army Encounter)। অন্যদিকে, শনিবার সেনা অভিযান খতিয়ে দেখতে কাশ্মীরে যাবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। একথা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন কাশ্মীর পুলিশের ডিজিপি। সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে গতকালের ঘটনা সম্পর্কে বিশদে খোঁজ খবর নেওয়ার পাশাপাশি সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন তিনি।

  • DA: শনিবারের বারবেলায় ডিএ আন্দোলনকারীদের মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায়, প্রস্তুতি শুরু

    DA: শনিবারের বারবেলায় ডিএ আন্দোলনকারীদের মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায়, প্রস্তুতি শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও তৃণমূল (TMC) নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়ায় মিছিলে অনুমতি দেয়নি পুলিশ। শেষমেশ আদালতের দ্বারস্থ হন বকেয়া ডিএর (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীরা। আজ, শনিবার বহু চর্চিত সেই মিছিলই হতে যাচ্ছে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে। এখানেই রয়েছে মমতার বাড়ি আর অভিষেকের ‘প্রাসাদ’।

    ডিএর দাবিতে মিছিলের ডাক…

    কেন্দ্রীয় হারে ডিএর দাবিতে গত ১০০ দিন ধরে চলছে আন্দোলন। আন্দোলন হচ্ছে যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের ব্যানারে। দাবি আদায়ে বন্‌ধ পালন করেছেন আন্দোলনকারীরা। করেছেন কর্মবিরতিও। মহামিছিলও হয়েছে বার কয়েক। গোটা দেশের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে দিল্লির যন্তরমন্তরেও ধর্নায় বসেছিলেন তাঁরা। বেশ কিছুদিন ধর্মতলায় অনশনও করেছিলেন আন্দোলনকারীরা। আদালতের নির্দেশে সরকারের সঙ্গে আলোচনায়ও বসেছিলেন তাঁরা। তার পরেও সুরাহা হয়নি। শেষমেশ হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে মিছিল করার পরিকল্পনা করেন আন্দোলনকারীরা (DA)। ঠিক ছিল, ৬ মে ডিএর দাবিতে মিছিল হবে মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায়।

    আরও পড়ুুন: চার্জশিট পেশের পরেও দলীয় পদে কেন অনুব্রত? প্রশ্ন সুকান্তর

    যদিও প্রথমে পুলিশ এই মিছিলের অনুমতি দেয়নি। তার পরেই আন্দোলনকারীরা দ্বারস্থ হন কলকাতা হাইকোর্টের। মামলার শুনানি হয় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে। আদালতের প্রশ্ন, শান্তিপূর্ণ মিছিল হলে অসুবিধা কোথায়? এর পরেই তৃণমূলের ‘আঁতুড়ঘরে’ মেলে মিছিলের অনুমতি। তবে আদালত এই অনুমতি দিয়েছে শর্ত সাপেক্ষে। হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মিছিল করতে হবে সুশৃঙ্খলভাবে। এমন কোনও স্লোগান সেখানে দেওয়া যাবে না, যাতে উত্তেজনা ছড়ায়। আদালতের রায় আন্দোলনকারীদের পক্ষে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। ডিসি পদমর্যাদার বেশ কয়েকজন আধিকারিককে এদিন সকাল থেকেই মোতায়েন করা হয়েছে হাজরা মোড়ে।

    আন্দোলনকারীদের (DA) মিছিল শুরু হবে হাজরা মোড় থেকে। পরে তা হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট, হরিশ মুখার্জি রোড দিয়ে আশুতোষ কলেজের পাশের রাস্তা দিয়ে বেরবে। এই রাস্তায় মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি পড়ে না। কারণ তাঁর বাড়ি গলির ভিতরে। তবে অভিষেকের বাড়ির উঠোন দিয়ে যাবে ডিএর দাবিতে আন্দোলনকারীদের মিছিল। আন্দোলনকারীদের তরফে যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, শনিবার রেকর্ড জমায়েত হতে চলেছে। আদালত যা নির্দেশ দিয়েছে, তা মেনেই হবে মিছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সুকান্তের দত্তক নেওয়া গ্রামের বেহাল রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগ নেই তৃণমূলের, সরব বিজেপি

    Sukanta Majumdar: সুকান্তের দত্তক নেওয়া গ্রামের বেহাল রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগ নেই তৃণমূলের, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামে যাওয়ার বেহাল রাস্তার কারণে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। বালুরঘাট ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের চকরামপ্রসাদ গ্রামের বেহাল রাস্তা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামতে চলেছেন এলাকাবাসী। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা সংস্কারে প্রশাসনের কোনও উদ্যোগ নেই। ফলে, বহু জায়গায় রাস্তার পিচ উঠে পাথর বেরিয়ে গিয়েছে। বারবার প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে দরবার করেও রাস্তা সংস্কার হয়নি। অপরদিকে, বিজেপির অভিযোগ, গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপি হ‌ওয়ায় এবং বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) গ্রামটি দত্তক নেওয়ায় তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত এবং জেলা পরিষদ ইচ্ছাকৃতভাবে বেহাল রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগ গ্রহণ করছে না।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    গ্রামবাসীদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বেহাল অবস্থার জন্য সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ভাঙা রাস্তায় টোটো না আসায় আমাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এখন এক কিলোমিটার পথ হেঁটে গিয়ে টোটো, অটো ধরতে হয়। ছাত্র ছাত্রীদের অসুবিধায় পড়তে হয়। ভোটের আগে নেতারা এসে রাস্তা সংস্কারের আশ্বাস দিয়ে যান, ভোটপর্ব মিটলে আর কারও দেখা মেলে না। এবার এই বেহাল রাস্তা সংস্কার না হলে আমরা ভোট বয়কট করব।

    বেহাল রাস্তা নিয়ে শুরু হয়েছে শাসক-বিরোধী তরজা

    বিজেপির স্থানীয় নেতা সুবিমল হেমব্রম জানান, সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) দত্তক নেওয়ার পর গ্রামে প্রায় চল্লিশটি সোলার লাইটের ব্যবস্থা করেছেন। ছাত্র ছাত্রীদের জন্য স্থানীয় স্কুলের উন্নয়নে আর্থিক সহায়তা করেছেন। আরও উন্নয়নমূলক কাজ তিনি করবেন। কিন্তু, রাস্তাটি জেলা পরিষদের। ফলে, তিনি চাইলেও রাস্তাটি করতে পারেননি। স্থানীয় বিজেপি বুথ সভাপতি অজয় দেবনাথ জানান, জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত তৃণমূলের দখলে রয়েছে। আর এই এলাকায় পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপির এবং বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) গ্রামটি দত্তক নেওয়ার জন্য জেলা পরিষদ বেহাল রাস্তা সংস্কারে কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করছে না। তৃণমূলের ভাটপাড়া অঞ্চল যুব তৃণমূল সভাপতি পুলক দেবনাথ জানান, সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) দত্তক নিলেও কোনও কাজ করেননি। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের বিষয়ে দল থেকে চেষ্টা চলছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share