Blog

  • Santanu Bandopadhyay: ২০১৮ সালে বিজেপি প্রার্থীর ‘কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে’ মনোনয়ন প্রত্যাহার করিয়েছিলেন শান্তনু!

    Santanu Bandopadhyay: ২০১৮ সালে বিজেপি প্রার্থীর ‘কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে’ মনোনয়ন প্রত্যাহার করিয়েছিলেন শান্তনু!

    মাধ্যম নিউজ: সামান্য মোবাইলের দোকান চালাতেন! শাসক দলের রাজনীতির সৌজন্যে কয়েক কোটি টাকার মালিক হয়েছিলেন তৃনমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় (Santanu Bandopadhyay)। নিয়োগ দুর্নীতিতে আপাতত তাঁকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এর মধ্যেই উঠে এল শান্তনুর (Santanu Bandopadhyay) লাগামছাড়া সন্ত্রাসের কথা। তৃনমূল ক্ষমতায় আসার পরে যুব তৃনমূলের সঙ্গে আরও একটি সংগঠন সমান্তরালভাবে কাজ শুরু করে।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে চলা ওই সংগঠনের নাম ছিল তৃণমূল যুবা। বর্তমানে যা অস্ত্বিত্বহীন। এই তৃণমূল যুবার নেতা ছিলেন শান্তনু। সেখান থেকে হুগলি জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ। বছর পাঁচেক আগে তারকেশ্বর থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভোটে জিতে জেলা পরিষদের আসন পাকা করেন শান্তনু। কিন্তু কীভাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি ভোটে জিতলেন! তবে কি কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেয়নি? নাকি কাউকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হয়নি?

    বিরোধীরা বলছেন, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হলেও মাথায় বন্দুক ধরে তাঁদের মনোনয়নপত্র তুলে নিতে বাধ্য করেন শান্তনু। এমনটাই অভিযোগ বিজেপি সমেত বাকি বিরোধী দলগুলির। এমনকি শাসক দলের লোকেরাও তাঁর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন।

    কী বলছেন বিজেপি প্রার্থী সুনীল পাঁজা

    ২০১৮ সালে বিজেপির হয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়া সুনীল পাঁজা জানিয়েছেন, ভোটের আগে শান্তনুর (Santanu Bandopadhyay) গুন্ডাবাহিনী তাঁর বাড়িতে গিয়ে পৌঁছায়। বাড়ির ভেতরে তাঁর দুই বাচ্চার সামনে মাথায় বন্দুক ধরে মনোনয়ন তুলে নেওয়ার জন্য ভয় দেখায় শান্তনু ও তার গুন্ডা বাহিনী। তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি অবধি দেয়। এক প্রকার বাধ্য হয়েই মনোনয়নপত্র তুলে নিতে বাধ্য হন তাঁরা।

    প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটে তারকেশ্বর ৩৪ নম্বর আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন শান্তনু। ওই বছরে সারা রাজ্য জুড়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ ওঠে। এখন নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ইডির হাতে গ্রেফতার তিনি। শান্তনু গ্রেফতার হতেই একের পর এক বিতর্কিত তথ্য সামনে আসতে শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচল ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ, প্রস্তাব পাশ মার্কিন সেনেটে

    Arunachal Pradesh: অরুণাচল ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ, প্রস্তাব পাশ মার্কিন সেনেটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal Pradesh) চিনা (China) আগ্রাসনের নিন্দা মার্কিন সেনেটে। অরুণাচল প্রদেশ ভারতেই (India) অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এমন দাবি ভারতের তরফে করা হয়েছে বারবার। এবার অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এমন প্রস্তাব পাশ হল মার্কিন (America) সেনেটেও। ভারত-চিন সীমান্তে ম্যাকমোহন লাইন নিয়ে চিন বারংবার আপত্তি জানালেও, এই প্রসঙ্গে আমেরিকার মত, আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত এই সীমান্তরেখাকে মেনে নেওয়া উচিত চিনের।

    অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal Pradesh) আগ্রাসনের নিন্দা…

    সম্প্রতি মার্কিন সেনেটে সর্বসম্মতিক্রমে একটি প্রস্তাব পাশ করিয়ে বলা হয়েছে, ভারত-চিন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় একতরফাভাবে স্থিতাবস্থা নষ্ট করছে চিন। লাদাখ সীমান্তে চিনের সামরিক আগ্রাসন নিয়েও নিন্দা জানানো হয় এই প্রস্তাবে। কিছু দিন ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বার্ষিক রিপোর্টেও চিনের বিরুদ্ধে সীমান্তে স্থিতাবস্থা নষ্ট করার অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই আমেরিকার চিন সংক্রান্ত প্রস্তাবে শোনা গেল ভারতেই সুর। অরুণাচলে (Arunachal Pradesh) চিনা আগ্রাসনের সমালোচনা করে বৃহস্পতিবার মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষে প্রস্তাবটি পেশ করেন ওরেগনের ডেমোক্র্যাটিক সেনেটর জেফ মার্কলে, টেক্সাসের রিপাবলিকান সেনেটর জন করনিন ও টেনেসির রিপাবলিকান সেনেটর বিল হ্যাগার্টি।

    আরও পড়ুুন: মুখ্যমন্ত্রী সবাইকে নিজের মতো প্রতিভাবান ভাবছেন! কেন একথা বললেন সুকান্ত?

    প্রস্তাবে বলা হয়, আমেরিকা সব সময় স্বাধীনতাকে সমর্থন করে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমেরিকা প্রতিটি দেশের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বকে মান্যতা দেয়। কিন্তু চিন ঠিক এর উল্টো পথে হাঁটছে। সেনেটে চিন বিষয়ক কমিটির প্রধান জেফ মার্কেলের মতে, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি জানান, এ নিয়ে আমেরিকার কোনও দ্বিধা নেই। মার্কেলে জানান, চিন যেভাবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর আগ্রাসন চালাচ্ছে, তা কখনওই সমর্থনযোগ্য নয়। অরুণাচলের (Arunachal Pradesh) অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে ভারতের পাশে থাকার বার্তাও দেন মার্কিন সেনেটর। ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও বলেন তিনি।

    ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বেজিংয়ের একাধিপত্য নিয়েও সরব হয়েছে ওয়াশিংটন। কৌশলগত সম্পর্কে থাকা যে কোনও দেশের পাশে আমেরিকা দাঁড়াবে বলেও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ওই প্রস্তাবে। প্রসঙ্গত, এমন একটা সময় সেনেটে ওই প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, যখন পূর্ব লাদাখ সেক্টরে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ভারত ও চিনের সীমান্ত সংঘাত তিন বছর পূর্ণ করতে চলেছে। ২০২০ সালের এপ্রিল ও মে মাসে পূর্ব লাদাখ সীমান্তে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। এহেন আবহে গত বছর অরুণাচল প্রদেশে আগ্রাসী হওয়ার চেষ্টা করে চিন। সেই চেষ্টা রুখে দেওয়া হয় ভারতীয় সেনার তরফে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: রাজ্যে মিটিং-মিছিল নিয়ে নয়া নির্দেশ হাইকোর্টের! কী বিধি দিলেন বিচারপতি মান্থা?

    Calcutta High Court: রাজ্যে মিটিং-মিছিল নিয়ে নয়া নির্দেশ হাইকোর্টের! কী বিধি দিলেন বিচারপতি মান্থা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে  মিছিল, মিটিং, রাজনৈতিক কর্মসূচির (Political Rally) ব্যাপারে বিধি বেঁধে দিলেন হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। কলকাতা হাই কোর্ট জানিয়ে দিল, এখন থেকে থানা নয় পুলিশ সুপার বা কমিশনারেটদের কাছে আবেদন করতে হবে রাজনৈতিক দলগুলিকে। একইসঙ্গে শাসকদলের মতো বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সভা, মিছিলের অনুমতির ক্ষেত্রে পুলিশ সুপার বা কমিশনারেট সমান নীতি বজায় রাখবে এবং কোনও বাছবিচার করবে না বলেও আশা প্রকাশ করেছেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

    মিছিল-মিটিং নিরপেক্ষ থাকতে হবে পুলিশকে

    ভাঙড়ে মিছিল করার অনুমতি না পেয়ে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা দায়ের করেছিল সিপিএম। সেই মামলার শুনানি শেষে শুক্রবার  এ ব্যাপারে একটি সার্বিক নীতি তৈরি করে দিয়েছেন বিচারপতি মান্থা। বিচারপতি বলেছেন, ‘‘আশা করছি, রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর মধ্যে বাছবিচার বা পক্ষপাতিত্ব না করে কোনও কর্মসূচি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে পুলিশ।’’ কোন দল, কোন তারিখ কোথায় কর্মসূচি করার জন্য আবেদন করল তা নথিবদ্ধ করে রাখতে হবে পৃথক রেজিস্টারে। কে কখন আবেদন জমা দিচ্ছে তারও উল্লেখ থাকতে হবে। ক্রমিক সংখ্যা ধরে সেইসব আবেদন বিবেচনা করে অনুমতি দেবে পুলিশ। কতজন যোগ দিতে পারে তার আনুমানিক সংখ্যা, কোথায় করতে চায় সেই জায়গা বা মিছিলের রুট জানতে হবে পুলিশকে। স্থানীয় থানা শান্তিশৃঙ্খলার বিষয়টি নিশ্চিত করবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের আবেদন অনলাইনে যাতে সবাই দেখতে পায় তাও সুনিশ্চিত করতে হবে জেলা পুলিশ সুপারের অফিসকে।

    আরও পড়ুন: বনির পর কুন্তলের থেকে নেওয়া টাকা ফেরালেন সোমাও ! ইডির নজরে আর কোন টলি-তারকা?

    রাজ্যে বিরোধী দলগুলি বরাবরের অভিযোগ মিটিং-মিছিলের অনুমতি মেলে না পুলিশের তরফে। সম্প্রতি ভাঙড়ে সিপিএমের সভার অনুমতি নিয়ে তৈরি হয় জটিলতা। শেষে আদালতের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয় সিপিএম। আদালতের হস্তক্ষেপে কাটল সভা সংক্রান্ত জট। ২৮ মার্চ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর মিছিলে অনুমতি দিতে পুলিশের আপত্তি নেই বলে এদিন আদালতে জানান রাজ্যের আইনজীবী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Piyus Goyal: চলতি আর্থিক বছরে ভারতের রফতানি ৬১ লক্ষ কোটি টাকা ছোঁবে, বললেন পীযুষ গোয়েল

    Piyus Goyal: চলতি আর্থিক বছরে ভারতের রফতানি ৬১ লক্ষ কোটি টাকা ছোঁবে, বললেন পীযুষ গোয়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী পীযুষ গোয়েল (Piyus Goyal) মতে, চলতি আর্থিক বছরে ভারতের পণ্য ও পরিষেবা সংক্রান্ত রফতানি ৭৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৬১ লক্ষ কোটি টাকাতে পৌঁছাবে। তিনি আরও বলেন ২০২১-২২ সালে এটর পরিমান ছিল ৫৫ লক্ষ কোটি টাকার মতো। বিশ্বব্যাপী আর্থিক মন্দার কারণে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে রফতানির পরিমান কিছুটা কমেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। জানুয়ারি মাসে পণ্য রফতানি ৬.৫ শতাংশ কমেছে বলে জানান তিনি। চলতি আর্থিক বছরে মানে গত বছরের এপ্রিল মাস থেকে এই বছরের জানুয়ারি মাস অবধি মোটের ওপর রফতানি ৮.৫ শতাংশ বেড়েছে বলেও জানান তিনি।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে লাগাতার চলছে হিন্দু মেয়েদের ওপর নির্যাতন ও ধর্মান্তকরণ

    তিনি আরও বলেন, সারা বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যে দেশ প্রতিনিয়ত এগিয়ে চলেছে। বিশ্বের অর্থনৈতিক মানচিত্রে আমরা একদিন নিশ্চিত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করব। যে সামিটে দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী বক্তব্য রাখেন সেখানে হাজির ছিলেন কানাডার বাণিজ্য মন্ত্রী মেরি এনজি। তিনি বলেন যে কানাডায় ভারতীয় সংস্থাগুলির বিনিয়োগ বেড়েই চলেছে। তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ হল দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করা।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে পরবর্তী এসসিও-র বৈঠকের জন্য পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ মোদির, কী করবে ইসলামাবাদ?

    চিনের সঙ্গে বাণিজ্য বেড়েছিল ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে বলেও জানান তিনি

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেন এই বিষয়টি নিয়ে আমি কোনও রাজনীতি করতে চাইনা। তবে পরিসংখ্যান বলছে চিন ও ভারতের মধ্যে সবথেকে বেশি বাণিজ্য বেড়েছিল ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে। এই সময়কালের পরিসংখ্যান তুলে ধরে আদতে তিনি কংগ্রেসকে নিশানা করলেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কথায় এই সময়কালে বাণিজ্য ২৫ শতাংশ বেড়েছিল।

    আরও পড়ুন: কাল পাপমোচিনী একাদশী, কখন লাগছে তিথি? এক নজরে তাৎপর্য, পুজো-বিধি

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

     

  • Anubrata Mondal: গরু পাচারের টাকায় সুকন্যার নামে ১৬ কোটির এফডি! মণীশ ‘মুখ খোলায়’ মহাবিপদে কেষ্ট-কন্যা?

    Anubrata Mondal: গরু পাচারের টাকায় সুকন্যার নামে ১৬ কোটির এফডি! মণীশ ‘মুখ খোলায়’ মহাবিপদে কেষ্ট-কন্যা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে ধৃত অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। ইডি হেফাজতে রয়েছেন কেষ্টর হিসেবরক্ষক মণীশ কোঠারি। অন্যদিকে কেষ্ট কন্যা সুকন্যাকে তলব করা হলেও এড়িয়ে যান তিনি। তবে তাঁকে আবার ২০ মার্চ তলব করেছে ইডি, সূত্রের খবর। এই পরিস্থিতিতে অবশেষে মণীশ কোঠারি কেষ্ট-সুকন্যার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। আবার জানা গিয়েছে, এদিন দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে হাজিরা দিলেন অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ির পরিচারক তথা রাঁধুনি বিজয় রজক। শুক্রবার বেলার দিকে লাভপুর কলেজের অস্থায়ী কর্মী বিজয়কে ইডি দফতরে ঢুকতে দেখা যায়।

    অনুব্রতের বিরুদ্ধে সরব মণীশ কোঠারি

    ইডির জেরার মুখে চাপে পড়েন মণীশ কোঠারি। প্রথমে তিনি মুখ না খুললেও পরে তিনি সরব হন কেষ্টর (Anubrata Mondal) বিরুদ্ধে। তিনি জানিয়েছেন, গরু পাচারের কালো টাকাতেই অনুব্রত মণ্ডলের কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের নামে ১৬ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট করা হয়। মণীশ কোঠারি তদন্তকারীদের আরও জানিয়েছেন, অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশেই বিভিন্ন জায়গায় টাকা আমানত করেছেন তিনি। কোথায়, কার অ্যাকাউন্টে টাকা রাখা হবে, সেই নির্দেশ দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলই।

    ইডি সূত্রের খবর, মণীশ ইডি আধিকারিকদের জানিয়েছেন, পেশাদার চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে তিনি অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশ পালন করেছেন মাত্র এবং তাঁর কোনও কালো টাকা নেই। নিজেকে নির্দোষ বলেই দাবি করেছেন মণীশ কোঠারি। সুকন্যার নামে ১৬ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট কীভাবে? এই ফিক্সড ডিপোজিটের উৎস কী? তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছিল এতদিন। এরপর মণীশের বয়ান থেকেই জানা গেল, কালো টাকাতেই এই ফিক্সড ডিপোজিট।

    সুকন্যার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ ইডির

    অন্যদিকে জানা যাচ্ছে, সুকন্যাকে এর আগে দিল্লিতে তলব করা হলেও হাজিরা দেননি তিনি। এবারে কিছুদিনের সময় দিয়ে ফের ২০ মার্চ তলব করা হয়েছে তাঁকে। কিন্তু ২০ মার্চও তাঁর দিল্লিতে ইডি দফতরে হাজিরার সম্ভাবনা কম বলেই জানাচ্ছে ঘনিষ্ঠ মহল। অসুস্থতার কথা বলে সেইদিনও তিনি যদি হাজিরা এড়িয়ে যান তাহলে বাবা ও মেয়েকে মুখোমুখি বসিয়ে ইডির জেরা করতে পারার সম্ভাবনা কমে যাবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। কারণ, পরের দিনই অর্থাৎ ২১ মার্চ অনুব্রতর ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এরপর তাঁকে ফের আদালতে পেশ করা হবে। তারপর যদি জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত, তাহলে কেষ্ট মণ্ডল যেতে পারেন তিহাড়ে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, বাবার (Anubrata Mondal) মুখোমুখি বসিয়ে যাতে সুকন্যাকে জেরা করতে না পারে ইডি, তাই তাঁর এমন কৌশল? তবে, সুকন্যার বিরুদ্ধে এবারে নোটিশ জারি করল ইডি। আগামী সোমবারের মধ্যে দিল্লিতে ইডি অফিসে হাজিরা না দিলে সুকন্যা মণ্ডলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে বার্তা দিয়েছেন তদন্তকারীরা। সুকন্যার আইনজীবী মারফত তাঁর কাছে এই মর্মে একটি চিঠিও পাঠানো হয়েছে বলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সূত্রে খবর।

    হাজিরা দিলেন কেষ্টর বাড়ির পরিচারক

    ইডি সূত্রে খবর, শুধু সুকন্যা নন, গরু পাচার মামলার তদন্তে অনুব্রতের (Anubrata Mondal) মুখোমুখি বসিয়ে তাঁর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি-সহ মোট ১২ জন সন্দেহভাজন এবং সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রেরই দাবি, ওই ১২ জনের তালিকাতেই ছিলেন কেষ্টর বাড়ির পরিচারক বিজয়। বোলপুর হাটতলা এলাকার বাসিন্দা বিজয় অনুব্রতের অত্যন্ত বিশ্বস্ত বলে পরিচিত। ইডি সূত্রের দাবি, অনুব্রতের বাড়ির পরিচারকদের অ্যাকাউন্টে নানা সময় বহু টাকার লেনদেন হয়েছে। সেই সূত্রে বিজয়ের একাধিক অ্যাকাউন্টের হদিশও মিলেছে। সেই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তাঁকে তলব করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে আজ তিনি ইডি দফতের হাজিরা দেন। এনাকেও জেরা করার পর কী কী তথ্য প্রকাশ্যে আসে, এটাই এখন দেখার।

  • Pakistan: সংকটে পাকিস্তানের সংখ্যালঘুরা! লাগাতার চলছে হিন্দু মেয়েদের ওপর নির্যাতন, ধর্মান্তকরণ

    Pakistan: সংকটে পাকিস্তানের সংখ্যালঘুরা! লাগাতার চলছে হিন্দু মেয়েদের ওপর নির্যাতন, ধর্মান্তকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাগাতার হিন্দু নির্যাতন চলছে পাকিস্তানে (Pakistan)। হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণ করে জোর পূর্বক ধর্মান্তকরণের অভিযোগও পাওয়া গেছে। চলতি বছরে প্রথম দুমাসেই এ রকম ১৯টি ঘটনা সামনে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে জোর করে ধর্ম পরিবর্তন, অপহরণ করে ধর্ষণের মতো ঘটনাগুলি রয়েছে। এর পরই পাকিস্তানে (Pakistan) সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নে উঠেছে। আর্থিক সঙ্কটে বিদ্ধ পাকিস্তানে হিন্দু মহিলাদের উপর অত্যাচারের ঘটনায় বিরাম নেই। জানা গিয়েছে, সিন্ধু প্রদেশের বিভিন্ন জেলায় হিন্দু মেয়েদের জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও বিয়ের প্রসঙ্গ ২০১৯ সালে বিধানসভায় তোলা হয়েছিল। সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে এই অত্যাচার রুখতে একটি বিল পাশ করানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু সেই বিল আজও পাশ হয়নি।

    বর্তমানে ২২ লক্ষ হিন্দু বাস করেন পাকিস্তানে (Pakistan)

    পাকিস্তানে প্রায় ২২ লক্ষ হিন্দুর বাস। যা পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার মাত্র ১.১৮ শতাংশ। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে আগেও প্রশ্নের মুখে পড়েছে পাকিস্তান। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ৭০ শতাংশের বেশি নাবালিকার জোরপূর্বক ধর্মান্তর হয়। ২০২০ সালে সেখানে ১৫ জনের জোরপূর্বক ধর্মান্তর হয়েছিল। ২০২২ সালে সেটি বেড়ে হয় ৬০। প্রতি বছর এক হাজারেরও বেশি মেয়েকে অপহরণ করে ধর্মান্তর করা হয়। বিগত বছরগুলিতে সংখ্যালঘুদের প্রতি অত্যাচার অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। 

    সিন্ধ প্রদেশের সংসদের বাইরে বিক্ষোভ ৩০ মার্চ

    সিন্ধ প্রদেশের সংসদের বাইরে প্রতিবাদে সরব হবেন তাঁরা। ৩০ মার্চ সিন্ধ প্রদেশে একটি আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন সেখানকার হিন্দু  নেতারা। পাকিস্তান দারাওয়ার ইত্তেহাদ বা পিডিআই দ্বারা এই বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের (Pakistan) সংখ্যালঘুদের অধিকার পাইয়ে দিতে লড়াই করছে পিডিআই। হিন্দুদের বিরুদ্ধে হওয়া নানা অত্যাচারের বিরুদ্ধেই এই আন্দোলনটি হবে বলে জানানো হয়েছে। দলের সভাপতি শিব কুচি জানিয়েছেন, সচেতনতার প্রচারে এর আগেও গোটা প্রদেশজুড়ে মিছিল বের করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • WB School Service Commission: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এসএসসির আইন চ্যালেঞ্জ করে মামলা হাইকোর্টে

    WB School Service Commission: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এসএসসির আইন চ্যালেঞ্জ করে মামলা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় এবার এসএসসির (WB School Service Commission) আইন বদলের দাবি উঠল। কমিশনের ১৭ নম্বর ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা রুজু হল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। মামলাকারীদের দাবি, কমিশনের ১৭ নম্বর ধারা বাতিল করা হোক। এই বিষয়ে রাজ্য সরকার, এসএসসি (SSC) এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কাছে হলফনামা তলব করেছে হাইকোর্ট। ৩ এপ্রিলের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৩ এপ্রিল।

    এসএসসির (WB School Service Commission) আইন বদলের দাবি…

    সম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগে বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ২০১৬ সালের নবম-দশমে চাকরির পরীক্ষায় ব্যাপক গরমিল হয়েছে বলে অভিযোগ। সিবিআইয়ের দাবি, ৯৫২টি ওএমআর শিট বিকৃত করা হয়েছে। অনেকে সাদা খাতা জমা দিলেও, এসএসসির সার্ভারে কারও প্রাপ্ত নম্বর ৫০, কারও ৫২, কারও আবার ৫৩। গাজিয়াবাদ থেকে উদ্ধার হওয়া ওএমআর শিটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ৯৫২ জনের মধ্যে ১৩ জন। মামলায় (WB School Service Commission) যুক্ত হতে চেয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে আবেদন জানান তাঁরা। যদিও তাঁদের সেই আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    ৮ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু এঁদের সুপারিশপত্র বাতিলের নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের এই দুই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করে ৯৫২ জনের একাংশ। সেই সংক্রান্ত মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নির্দেশ বহাল রাখে ডিভিশন বেঞ্চও। তার পরেই কমিশন ১৭ নম্বর ধারা প্রয়োগ করে প্রথমে ৬১৮ জনের সুপারিশপত্র বাতিল করে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ বাতিল করে নিয়োগপত্র।

    আরও পড়ুুন: মুখ্যমন্ত্রী সবাইকে নিজের মতো প্রতিভাবান ভাবছেন! কেন একথা বললেন সুকান্ত?

    কমিশনের (WB School Service Commission) এই ১৭ নম্বর ধারা বাতিলের আবেদন জানিয়ে মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। কমিশনের এই ধারাকে অবৈধ ঘোষণার দাবি জানানো হয়। প্রসঙ্গত, এই ধারায়ই কোনও চাকরিপ্রার্থীর সুপারিশ বাতিলের ক্ষমতা দেওয়া আছে কমিশনকে। যদি কোনও চাকরি প্রার্থীকে দেওয়া সুপারিশপত্রে কোনও ভুল থাকে তবেই কমিশন এই ধারা প্রয়োগ করতে পারে। প্রসঙ্গত, ওই ৯৫২ জনের মধ্যে ৮০৫ জনের চাকরি বাতিল নিয়ে পদক্ষেপ শুরু করেছে এসএসসি। তাঁদের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৬১৮ জনের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করে স্কুল সার্ভিস কমিশন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: মুখ্যমন্ত্রী সবাইকে নিজের মতো প্রতিভাবান ভাবছেন! কেন একথা বললেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: মুখ্যমন্ত্রী সবাইকে নিজের মতো প্রতিভাবান ভাবছেন! কেন একথা বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক স্কুলে অঙ্ক এবং ইংরেজি পড়াবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা। এই মর্মে গত ১৮ জানুয়ারি, বাঁকুড়ার জেলাশাসককে চিঠি লিখেছিলেন পুলিশ সুপার। বাঁকুড়া পুলিশের (Police) এই সিদ্ধান্ত ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সিভিক কর্মীদের পড়ানোর ব্যবস্থা নিয়ে বাংলার শাসকদলকে কটাক্ষ করেছেন কেন্দ্রের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার। তিনি বলেন, ‘সিভিক ভলান্টিয়াররা বাচ্চাদের অঙ্ক-ইংরেজি শেখাবে এটা একবিংশ শতাব্দীতে পশ্চিমবাংলার লজ্জা’। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও (Sukanta Majumdar)। 

    সুকান্তের কটাক্ষ

    সুকান্ত বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী সবাইকে নিজের মতো প্রতিভাবান ভাবছেন। তিনি নিজে একাধারে শিল্পী, কবি, অধ্যাপক, বিজ্ঞানী। ঠিক তাঁর মতোই রাজ্যের সিভিক ভলান্টিয়াররাও নানা ভাবে পারদর্শী। তাঁরা শিক্ষকতার কাজটা ঠিকঠাক করে দেবেন।” সুকান্ত (Sukanta Majumdar) দিল্লিতে সাংবাদিকদের এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, “এই ধরনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ হওয়ার পর তা বন্ধ হয়েছে বলে শুনেছি। এই ধরনের উপদেশ কারা দেন বুঝতে পারি না।  তাদের মুখগুলো দেখতে ইচ্ছে করছে। পড়ানোর মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিয়ে কী করে এত ছেলেখেলা হয় বুঝতে পারি না।”

    পড়ুয়াদের দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘বিশেষ পাঠ’

    দেড়শো জন সিভিক ভলান্টিয়ারকে চিহ্নিত করে ফেলেছিল জেলা পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছিল, খাতড়া সাব ডিভিশনের ৫ টি থানার অন্তর্গত ৪৬টি স্কুলের প্রতিটিতে ২ জন করে সিভিক ভলান্টিয়ারকে পাঠানো হবে। কিন্তু বিতর্ক দানা বাঁধায় এই প্রকল্পে পরিবর্তন আনা হয়েছে। স্কুল নয়, আপাতত গ্রামের কোনও এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের ক্লাস নেবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা। স্কুলের ক্লাসের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। এটি ‘সাপ্লিমেন্টারি ক্লাস’। অর্থাৎ, স্কুলের নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে পড়ুয়াদের দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘বিশেষ পাঠ’ দেওয়ার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিতর্কের মধ্যে বৃহস্পতিবার বিবৃতি দিয়ে এমনটাই জানাল বাঁকুড়া জেলা পুলিশ। সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের ক্লাস নিতে ‘অঙ্কুর’ নামে যে কর্মসূচির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে ‘মানুষকে বিভ্রান্ত্র’ করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: মিড ডে মিলের হিসেব খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় অডিট দল, ট্যুইট শুভেন্দুর

    এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেছেন, ‘‘যদি এটা সত্যিই সাপ্লিমেন্টারি ক্লাস হয়, তাতে কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু, যদি এমনটা হয় যে, স্কুলে শিক্ষক নেই বলে সেখানে পড়ানো হচ্ছে (সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়ে), সেটা ঠিক নয়। নির্দেশে তেমনটাই রয়েছে ঠিকই, বাস্তবে কী হচ্ছে সেটা দেখা উচিত। রাজ্য সরকারের উচিত পুরো শ্বেতপত্র পাঠানো।’’ তিনি আরও জানিয়েছেন, যে কেউ শিক্ষক হতে পারেন। তবে তাঁর পড়ানোর যোগ্যতা থাকা উচিত। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Economic Crisis: চরম খাদ্য সংকটের মধ্যেই পাকিস্তানে এবার ১০০ কোটি টাকার গম চুরি!

    Pakistan Economic Crisis: চরম খাদ্য সংকটের মধ্যেই পাকিস্তানে এবার ১০০ কোটি টাকার গম চুরি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরতে চলল। সংকট কাটেনি পাকিস্তানের। অর্থনৈতিক সংকট (Pakistan Economic Crisis) কাটাতে আইএমএফের (IMF) কাছে হাত পাতছে ইসলামাবাদ। তবে কতটা সাহায্য মিলবে, সংকটই বা কাটিয়ে ওঠা যাবে কি না, তা নিয়ে চিন্তিত পাকিস্তানের (Pakistan) অর্থনীতিবিদদের একাংশ। এদিকে, দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম লাগামছাড়া। বৈদেশিক মুদ্রার ভাঁড়ারে টান পড়ায় আমদানি করা যাচ্ছে না জিনিসপত্র। তার জেরে ক্রমেই উর্ধমুখী নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম।

    পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকট (Pakistan Economic Crisis) চরমে…

    আটা, পেঁয়াজের মতো জিনিসপত্রও সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। দেশে এক কেজি পেঁয়াজের দাম ১৫০ টাকা ছাড়িয়েছে। ৯ মার্চ পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে কেজি প্রতি ১৫৭ টাকায়। অথচ এক বছর আগেও এক কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩৯ টাকা কেজি দরে। ২০ কেজি গম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭৭৫ টাকায়। দেশের অর্থনৈতিক সংকট (Pakistan Economic Crisis) মোকাবিলায় শাহবাজ শরিফের সরকার দ্বারস্থ হয়েছে আইএমএফের। ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্য চেয়েছে। কিন্তু আইএমএফ এখনও বেলআউট প্যাকেজ অনুমোদন করেনি। তার জেরেই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে পেট্রল-ডিজেলের দাম। চড়চড়িয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের দামও।

    আরও পড়ুুন: ‘৬০০ মাদ্রাসা বন্ধ করেছি, বাকিগুলোও করব’, ঘোষণা অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

    খাদ্য সংকটের জেরে বাড়ছে চুরির ঘটনাও। সিন্ধ প্রদেশে প্রায় ৪০ হাজার টন গম চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এই পরিমাণ গমের বাজার মূল্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা। চুরির দায়ে অন্তত ৬৭ জন পদস্থ সরকারি কর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, খাদ্য দফতরের কর্মীদের যোগসাজশে দেশের ১০ জেলার সরকারি গোডাউন থেকে মোট ৪০ হাজার ৩৯২ টন গম চুরি গিয়েছে। চুরির দায়ে যাঁদের বরখাস্ত করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ৪৯ জন খাদ্য তত্ত্বাবধায়ক। বাকি ১৮ জন খাদ্য পরিদর্শক।

    পাকিস্তানের বাসিন্দাদের প্রধান খাদ্য গম। এই গমের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে ফারাক বিস্তর। যার জেরে পাকিস্তানের বিভিন্ন বাজারে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে। সিন্ধ, বেলুচিস্তান প্রদেশে এ জাতীয় ঘটনার খবর জায়গা করে নিয়েছে সংবাদ মাধ্যমে। বর্তমানে রাশিয়া সহ বিভিন্ন দেশ থেকে গম আমদানি করতে বাধ্য হয়েছে ইসালামাবাদ। দেশের অর্থনৈতিক সংকট (Pakistan Economic Crisis) কাটাতে আইএমএফের কাছে ৬৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ প্রকল্প চালু করার অনুরোধ জানিয়েছে শাহবাজ শরিফের সরকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: নিয়োগ খারিজ করার হুঁশিয়ারি! এসএসসির চেয়ারম্যানকে আদালতে তলব বিচারপতির

    Calcutta High Court: নিয়োগ খারিজ করার হুঁশিয়ারি! এসএসসির চেয়ারম্যানকে আদালতে তলব বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে এসএসসির চেয়ারম্যানকে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা (Calcutta High Court)। আগামী শুক্রবার রিপোর্ট নিয়ে হাজির থাকার নির্দেশ দিলেন তিনি। এদিন ২০১১ সালের প্রাথমিক টেটে প্রশ্ন ভুলের অভিযোগ ঘিরে একটি মামলায় কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। তিনি কমিশনের উদ্দেশ্যে বলেন, “আদালতের সঙ্গে খেলবেন না। আপনারা নিয়োগ করছেন,আবার আপনারাই ভুল প্রশ্ন করছেন? সব পরিকল্পিত। বলতে দ্বিধা নেই, একটা গোটা প্রজন্মের ভবিষ্যত নিয়ে খেলছে কমিশন।”

    কোন মামলায় এমন মন্তব্য বিচারপতির?

    ২০১১ সালের আপার প্রাইমারি প্রার্থীদের পরীক্ষায় ভুল ও সিলেবাসের বাইরের প্রশ্ন করেছিল এসএসসি (SSC)। এমনটাই অভিযোগ তুলে মামলা করেছিলেন ৮৩ জন। মামলাকারীদের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী শামিম আহমেদ। গত বছর জুন মাসে মামলাকারীদের নম্বর দিতে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট (Calcutta High Court। কিন্তু কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে সেই নম্বর না দেওয়ায় এসএসসি-কে চরম ভর্ৎসনা করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

    আরও পড়ুন: মিড ডে মিলের হিসেব খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় অডিট দল, ট্যুইট শুভেন্দুর

    আর কী বললেন বিচারপতি?

    এদিন তিনি (Calcutta High Court হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আপনাদের প্রতিটি পদক্ষেপ সন্দেহজনক। আপনাদের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। প্রয়োজনে সব নিয়োগ খারিজ করে দেব। আমি সব নিয়োগে সন্দেহ করছি। আমাকে বাধ্য করবেন না আরও কড়া পদক্ষেপ করতে। আপনারা ভেবেছেন কী? আপনারা কোর্টের নির্দেশের উপরে খবরদারি করছেন! আগেও এই মামলায় আমি বলেছিলাম, দুর্নীতি হয়েছে। কিন্তু আজও দেখছি সেই একই পথে হাঁটছে এসএসসি।”

    ভর্ৎসনার শেষে এদিন আদালত (Calcutta High Court স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে জানায়, এই মামলায় এসএসসি-র চেয়ারম্যান যে হলফনামা দিয়েছেন, তা গ্রহণযোগ্য নয়। এরপরেই  আগামী শুক্রবার, ২৪ মার্চ রিপোর্ট নিয়ে কমিশনের চেয়ারম্যানকে সশরীরে হাজির থাকার নির্দেশ দেন বিচারপতি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

     

LinkedIn
Share