Blog

  • Weather Updates: সকাল থেকে কলকাতায় মেঘলা আকাশ! ভিজতে পারে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা

    Weather Updates: সকাল থেকে কলকাতায় মেঘলা আকাশ! ভিজতে পারে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। বইছে শিরশিরে হাওয়া। শনিবার রাজ্যের কয়েকটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, জানাল আলিপুর হাওয়া অফিস (Weather Updates)। আজ পশ্চিমের বেশ কয়েকটি জেলায়  বৃষ্টি হতে পারে। ভিজতে পারে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, দুই দিনাজপুরের কিছু অংশে। কলকাতার আকাশে সকাল থেকেই মেঘের আনাগোনা।

    শহরের আবহাওয়া

    কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ (Weather Updates)। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম তাপমাত্রা ।

    আবহাওয়া দফতর (Weather Office) আগেই জানিয়েছিল চলতি সপ্তাহেই বৃষ্টিতে ভিজবে বাংলা। বসন্তের ঝকঝকে আকাশে বাড়বে মেঘের আনাগোনা। সত্যি হল পূর্বভাস। শুক্রবার সন্ধ্যা নামতেই ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি দেখা গেল বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমানের মতো জেলাগুলিতে। কোথাও কোথাও আবার শিলাবৃষ্টির দেখা মিলল। বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝড়ো হাওয়াও বইছে। গত কয়েকদিনের গরম থেকে এই বৃষ্টি খানিকটা স্বস্তি দিয়েছে পশ্চিমের বাসিন্দাদের। ঝড়, বৃষ্টি ও হালকা শিলা বৃষ্টির জেরে হঠাৎ করে তাপমাত্রা নেমে যাওয়ায় ফের শীত শীত ভাব বাঁকুড়া, বীরভূম, দুর্গাপুরে।

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যভবন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার, টেনে হিঁচড়ে বিজেপি কর্মীদের প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ

    মার্চের শেষ লগ্ন পর্যন্ত মেঘাচ্ছন্ন আকাশ দেখা যাবে গোটা বাংলাতেই। ১৭ ও ১৮ মার্চ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা। বৃষ্টির জেরে ১৫ তারিখের পর থেকে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা একটু কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়। বৃষ্টিতে ভিজছে উত্তরবঙ্গও। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকবে উল্লেখযোগ্য কোনও পরিবর্তন হবে না। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: বার্গার, কোল্ড কফি থেকে মাছের ঝোল-ভাত! ইডি হেফাজতে কেমন কাটছে অনুব্রতর?

    Anubrata Mondal: বার্গার, কোল্ড কফি থেকে মাছের ঝোল-ভাত! ইডি হেফাজতে কেমন কাটছে অনুব্রতর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রতর রসনাতৃপ্তিতে কসুর করছেন না ইডি আধিকারিকেরা। দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে ম্যাকডোনাল্ডস থেকে বার্গার, সুগার ফ্রি কোল্ড কফি আসে কেষ্ট-র জন্য। দুপুরের আহারে অনুব্রতর আব্দার মেনে মাছের ঝোল, ভাতের সঙ্গে শেষ পাতে রাখা হয় সন্দেশের ব্যবস্থাও। বাংলা থেকে বহু দূরে ভোজন রসিক অনুব্রতের জন্য বেশ ভাল ব্যবস্থাই করছে ইডি।

    শুক্রবার গরু-পাচার মামলায় অনুব্রতকে আরও ১১ দিনের ED হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সবুজ রঙের একটি পাঞ্জাবিতে দেখা যায় অনুব্রত মণ্ডলকে। কোনও কথা বলেননি তিনি। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার ম্যারাথন জেরা করা হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। তবে রাতে তাঁর পাতে পড়েছিল বাঙালি খাবার। তিনি খেয়েছিলেন ভাত, ডাল, মাছের ঝোল, আলু পোস্ত। শুক্রবার সকালে উঠেই তিনি কফি এবং বাটার টোস্ট খেয়েছিলেন।

    হিন্দি জানেন অনুব্রত!

    এদিন আদালতে ইডি-র আইনজীবী নীতেশ রানা জানান, গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল হিন্দি, ইংরেজি কিছুই বোঝেন না। শুধুই বাংলা বোঝেন। তিনি লিখতেও পারেন না। তাই জিজ্ঞাসাবাদ করতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। তখন বিচারক রঘুবীর সিং অনুব্রতকে প্রশ্ন করেন, ‘আপকো হিন্দি নহি আতি?’ অনুব্রত উত্তর দেন ‘নহি!’ বিচারক ফের প্রশ্ন করেন, ‘আপকো স্রিফ বাংলা আতি হ্যায়?’ অনুব্রত উত্তর দেন,‘হ্যাঁ।’ বিচারকের হিন্দি প্রশ্নের উত্তর অনুব্রত ঠিকঠাক দেওয়ায় আদালতে ওঠে হাসির রোল। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন অনুব্রতের আইনজীবী মুদিত জৈন।

    আরও পড়ুন: গ্রুপ সি- র বাতিল হওয়া তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝি!  

    আপাতত অনুব্রতের ঠিকানা

    প্রসঙ্গত, আসানসোল সংশোধনাগারে থাকাকালীন নিজের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক উল্লেখযোগ্য মন্তব্য করেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। এদিন তাঁর শরীর কেমন রয়েছে জানতে চায় আদালত।  ইডি-র আইনজীবী রানা বলেছেন, অনুব্রত ‘ফিট অ্যাজ় এ ফিডল’ এবং ‘হেল অ্যান্ড হার্টি’ রয়েছেন। রামমনোহর লোহিয়া হাসপাতালে তাঁকে ডাক্তাররাও ‘ফিট’ বলে জানিয়েছেন। আপাতত, আগামী ১১ দিন দিল্লিতে ইডির সদর দফতরই অনুব্রতের ঠিকানা। বীরভূমের একসময়ের এই দাপুটে নেতার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে একটি সিঙ্গল রুম। ঘরে রয়েছে একটি ছোট খাট, এসি এবং ফ্যান। ঘরের সঙ্গেই রয়েছে শৌচালয়। এমনকি, ঘর লাগোয়া একটি কেবিনও রয়েছে। সেই কেবিনেই অনুব্রত মণ্ডলকে জেরা করছেন তিন আধিকারিক। তাঁদের মধ্যে বাংলা জানা একজন দোভাষী ব্যাঙ্ককর্মীও রয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • India-China: আকসাই অঞ্চলে নয়া রেলপথ চিনের! নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে এই প্রকল্প নিয়ে কী ভাবছে ভারত?

    India-China: আকসাই অঞ্চলে নয়া রেলপথ চিনের! নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে এই প্রকল্প নিয়ে কী ভাবছে ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনিভাবে দখল করে রাখা অঞ্চলে রেললাইন বানাচ্ছে চিন (India-China)। সূত্রের খবর,প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছ দিয়ে আকসাই চিন (Aksai Chin) এলাকায় ওই রেললাইনটি তৈরি করতে চলেছে চিন সরকার। যা আগামীদিনে চিনের বৃহত্তর যুদ্ধ পরিকল্পনার অংশ হতে পারে, বলে অনুমান কূটনৈতিক মহলের।

    কোন জায়গা দিয়ে যাবে এই লাইন

    তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল (TAR) সরকারের জারি করা একটি নতুন রেলওয়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মধ্যে নতুন করে প্রায় ১৬০০ কিলোমিটার লাইন তৈরি করতে চাইছে তিব্বত প্রশাসন। এর একটা বড় অংশ আকসাই চিনের উপর দিয়ে যাবে। এই প্রকল্প অনুযায়ী, নয়া লাইন ভারত ও নেপাল থেকে চিনের (India-China) সীমান্তে নতুন রুট কভার করবে। এই নতুন রেললাইনটি তিব্বতের শিগাৎসে থেকে শুরু হয়ে উত্তর-পশ্চিমে নেপাল সীমান্তের কাছে যাবে। এর পরে, এটি আকসাই চিনের উত্তর হয়ে জিনজিয়াংয়ের হোতানে শেষ হবে। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে এই প্রস্তাবিত রেললাইনটি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে চিনের দখলকৃত রুটোগ এবং প্যাংগং লেকের মধ্য দিয়েও যাবে। শিগাতসে থেকে পাখুকতসো পর্যন্ত প্রথম বিভাগটি ২০২৫ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে, বাকিটি হোতান পর্যন্ত শেষ হতে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে। 

    আরও পড়ুন: বাণিজ্যিক উদ্দেশে ২৯টি কয়লা খনির নিলাম করছে কেন্দ্র, খুশি শিল্পমহল

    সেনা টহলদারি বাড়িয়েছে চিন

    এই রেললাইন নির্মাণের আগে লাদাখ সীমান্তে সেনা টহলদারিও বাড়িয়েছে চিনারা। কিছুদিন আগেই ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে সেকথা স্বীকার করেছেন। এই নতুন রেল লাইন তৈরি হলে খুব সহজেই ভারতের সীমান্তের কাছে চলে আসতে পারবে চিন সেনা। প্রসঙ্গত, আকসাই চিন (Aksai Chin) ইস্যুতে শুরু থেকেই ভারত সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। ওই ভূখণ্ড ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলেই মনে করে নয়াদিল্লি। সেই আকসাই চিনের উপর দিয়েই রেললাইন বানাচ্ছে চিন সরকার। স্বাভাবিকভাবেই নয়াদিল্লি উদ্বিগ্ন। যদিও প্রকাশ্যে এই ইস্যুতে এখনও কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Women’s Portal: মহিলা গবেষকদের জন্যে বিশেষ পোর্টালের ঘোষণা কেন্দ্রের, কার্যকর ১ এপ্রিল থেকে

    Women’s Portal: মহিলা গবেষকদের জন্যে বিশেষ পোর্টালের ঘোষণা কেন্দ্রের, কার্যকর ১ এপ্রিল থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র গবেষণা অনুদান এবং তহবিলের জন্য শুধু মহিলাদের জন্য একটি বিশেষ পোর্টালের (Women’s Portal) ঘোষণা করেছে। ১ এপ্রিল থেকে পোর্টালটি কার্যকর হওয়ার কথা৷ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ কাউন্সিল কর্তৃক আয়োজিত আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময়, কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানান যে, সিএসআইআর সিদ্ধান্ত নিয়েছে CSIR-ASPIRE-এর অধীনে নারী বিজ্ঞানীদের জন্য একটি বিশেষ গবেষণা অনুদান শুরু করা হবে এবং এই বিষয়ে একটি এক্সক্লুসিভ পোর্টাল ১ এপ্রিল থেকে চালু করা হবে। 

    বৃহস্পতিবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রক এক (Women’s Portal) বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, মহিলা বিজ্ঞানীদের কাছ থেকে বিশেষ কল আমন্ত্রণ প্রস্তাব একই দিনে খোলা হবে।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করল ইডি 

    উল্লেখ্য যে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং-এর সভাপতিত্বে ২০২২ সালের ১৭ ডিসেম্বর সিএসআইআরের (Women’s Portal) গভর্নিং বডির ২০০-তম বৈঠকে বহির্মুখী গবেষণা প্রকল্পের অধীনে মহিলা   বিজ্ঞানীদের জন্যে গবেষণা অনুদান প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: গ্রুপ সি- র বাতিল হওয়া তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝি!

    এই পোর্টালের মারফৎ লাইফ সায়েন্সেস, কেমিক্যাল সায়েন্সেস, ফিজিক্যাল সায়েন্সেস, ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্সেস এবং ইন্টার/ট্রান্স ডিসিপ্লিনারি সায়েন্স সহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির (Women’s Portal) প্রধান শাখাগুলিতে গবেষণার জন্য সারা দেশে শুধুমাত্র মহিলা বিজ্ঞানীরা আবেদন করতে পারবেন। কন্টিনজেন্সি এবং ছোটখাটো যন্ত্রপাতির জন্য তহবিল সরবরাহ করা হবে। মন্ত্রক জানিয়েছে, রিসার্চ ফেলোদের মোট বাজেট সাধারণভাবে ২৫-৩০ লক্ষ টাকা হবে।

    জিতেন্দ্র সিং এ বিষয়ে বলেন, “আমরা অমৃত কালের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এটি ভারতের উন্নয়ন যাত্রার অগ্রভাগে নারী শক্তিকে রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদির এক প্রয়াস এবং  অন্যতম দূরদর্শী পদক্ষেপ।”

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেন, “সাম্প্রতিক কালে সিএসআইআর নারীর ক্ষমতায়নের জন্যে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। যার মধ্যে CSIR-সেন্ট্রাল লেদার রিসার্চ ইনস্টিটিউট কর্তৃক প্রদত্ত নারী উদ্যোক্তাদের জন্য CSIR প্রযুক্তির উপর ১৫ শতাংশ ছাড় অন্যতম। এছাড়াও CSIR ডোমেনের পুরো স্পেকট্রাম জুড়ে বেশ কয়েকটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি রয়েছে।” উল্লেখ্য গত বছরের অগাস্টে সিনিয়র ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল বিজ্ঞানী নাল্লাথাম্বি কালাইসেলভি প্রথমবার কোনও মহিলা বিজ্ঞানী হিসেবে সিএসআইআরের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হয়ে ইতিহাস তৈরি করেন। তিনি আপাতত ৩৮টি গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিয়ে গঠিত এই প্রধান বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার সুপ্রিমো। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Santanu Banerjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করল  ইডি

    Santanu Banerjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Santanu Banerjee) মামলায় নয়া মোড়। এবার এই মামলায় হুগলির যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। হুগলি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেফতার করেছে ইডি। ২০ জানুয়ারি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বলাগড়ের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি।

    শুক্রবার সকালে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরা দেন তৃণমূল নেতা তথা হুগলি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় (Santanu Banerjee) । ইডি সূত্রে খবর, তাঁর কাছ থেকে সম্পত্তির হিসাব সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে পাঠায় ইডি। শুক্রবার দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ এর পর শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে করেছে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

    জানা গিয়েছে, শান্তনুর (Santanu Banerjee) বক্তব্যে বেশ কিছু অসঙ্গতি পেয়েছেন গোয়েন্দারা। হেফাজতে নিয়ে তাঁকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি। সেই কারণে তাঁকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত। শান্তনুর মাধ্যমেই তাপস মণ্ডল ও কুন্তল ঘোষের মধ্যে যোগাযোগ হয়েছিল জানতে পেয়েছেন গোয়েন্দারা।

    আরও পড়ুন: গ্রুপ সি- র বাতিল হওয়া তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝি!  

    গত ২০ জানুয়ারি শান্তনুর (Santanu Banerjee) হুগলির বলাগড়ের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। এর আগেও তাঁকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কুন্তল ঘোষকে গ্রেফতার এবং তাঁর বাড়িতে তল্লাশির দিনই শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুগলির বাড়িতেও তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা।

    প্রসঙ্গত, ৪০ বছরের এই যুবনেতা হুগলি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষও। গত জানুয়ারির ২০ তারিখে বলাগড়ের বাড়ি থেকে বেশ কিছু অ্যাডমিট কার্ড ও ৩০০ চাকরিপ্রার্থীর নথি পাওয়া গিয়েছিল। ৬-৭ বার ইডি তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকেও পাঠায়। 

    শুক্রবারও সকাল ১১টা ৪০ মিনিট নাগাদ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় (Santanu Banerjee) সিজিও কমপ্লেক্সে আসেন। প্রায় ৭ ঘণ্টা ধরে চলে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ। ইডি সূত্রে খবর, এদিনই তাঁর শারীরিক পরীক্ষার জন্য সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বের করা হবে। ইতিমধ্যেই শান্তনুকে নিয়ে বেশ কিছু তথ্য উঠে আসছে ইডির হাতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Adeno Virus: ভয় ধরাচ্ছে নাইসেডের সমীক্ষা! অ্যাডিনো সংক্রমণে শীর্ষে বাংলা

    Adeno Virus: ভয় ধরাচ্ছে নাইসেডের সমীক্ষা! অ্যাডিনো সংক্রমণে শীর্ষে বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিএমআর নাইসেডের সমীক্ষা ভয় ধরাচ্ছে বাংলায়। ওই সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে, অ্যাডিনোর (Adeno Virus) প্রকোপে শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ। প্রতিদিনই জ্বর-শ্বাসকষ্টে রাজ্যে শিশু মৃত্যুর খবর মিলেছে। এই সব শিশুর মৃত্যুর ক্ষেত্রে অ্যাডিনো ভাইরাসই দায়ী কিনা তা স্পষ্ট নয়। রাজ্যের তরফে দেওয়া রিপোর্টেও অ্যাডিনোয় আক্রান্ত মৃ্ত্যুর সংখ্যা কম। বরং কোমর্ডিবিটি ও রেফার জনিত সমস্যায় অধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে, আইসিএমআর নাইসেডের সমীক্ষা বলছে রাজ্যে অ্যাডিনো (Adeno Virus) আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ভয়াবহ। এমনকী গোটা দেশের মধ্যে প্রথম বলেও দাবি করা হয়েছে। বাংলায় অ্যাডিনোর প্রকোপ যেভাবে বাড়ছে, তাতে ধারে কাছে নেই বাকি রাজ্যগুলি।

    সংক্রমণ জানুয়ারি থেকেই

    নাইসেডের সমীক্ষা অনুযায়ী, জানুয়ারির প্রথম দিন থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত, একমাত্র বাংলাতেই ৩৮ শতাংশ আক্রান্ত অ্যাডিনো ভাইরাসে (Adeno Virus)। কেরল তারপরে। সাধারণত, শ্বাসনালিতে সংক্রমণ ঘটায় এই ভাইরাস। শিশু মৃত্যুর পিছনে কোন ভাইরাস তা জানতে সারা দেশ জুড়ে আইসিএমআর-এর ভাইরাল রিসার্চ ডায়গনেস্টিক ল্যাবরেটরিগুলিতে একটি সমীক্ষা করা হয়। তাতেই উঠে আসে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। পরিসংখ্যান বলছে, অ্যাডিনোর কবলে প্রথম পাঁচ রাজ্যের মধ্যে প্রথমেই বাংলা। অ্যাডিনো (Adeno Virus) আক্রান্ত ৩৮ শতাংশ। তামিলনাড়ু ১৯ শতাংশ। কেরল ১৩ শতাংশ। দিল্লি ১১ শতাংশ। মহারাষ্ট্র ৫ শতাংশ। কেন্দ্রের সমীক্ষার জেরেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে স্বাস্থ্য ভবন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় আতঙ্কিত হওয়ার কিছু না থাকলেও, ভয় ধরাচ্ছে সমীক্ষা।

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যভবন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার, টেনে হিঁচড়ে বিজেপি কর্মীদের প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ

    এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার,  বিসি রায় হাসপাতালে আরও ৪ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বেসরকারি মতে, শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হল ১৩৬। অ্যাডিনো আতঙ্কে (Adeno Virus) কার্যত কাঁটা শিশুর অভিভাবকরা। অ্যাডিনো-আতঙ্কের আবহে দিনকয়েক আগে নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে হাসপাতালগুলিকে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তারপরও সরকারি হাসপাতালের অবস্থা এতটুকুও পাল্টায়নি বলে অভিযোগ উঠছে। প্রতিদিন সামনে আসছে শিশু মৃত্যুর খবর। তার সঙ্গেই অভিযোগ উঠছে পরিষেবা নিয়েও। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • India vs Australia: তৃতীয় দিনে বড় রানই লক্ষ্য রোহিত-কোহলিদের! প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া করল ৪৮০

    India vs Australia: তৃতীয় দিনে বড় রানই লক্ষ্য রোহিত-কোহলিদের! প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া করল ৪৮০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বর্ডার-গাভাস্কর ট্রফির চতুর্থ ও শেষ টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়া থামল ৪৮০ রানে। ব্যাট করতে নেমে ভারত কোনও উইকেট না হারিয়ে তুলল ৩৬ রান। ক্রিজে রয়েছেন রোহিত শর্মা ও শুভমন গিল। এখনও ভারত ৪৪৪ রানে পিছিয়ে। ভারতের হয়ে প্রথম ইনিংসে অজিদের ৬ উইকেট নেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

    অশ্বিনের ৬ উইকেট

    এদিন ৪ উইকেটে ২৫৫ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। সকাল থেকে উইকেটের খোঁজে হাহুতাশ করে ভারতীয় বোলাররা। প্রথম সেশনে কোনও উইকেটই নিতে পারেননি শামিরা। ৪২২ বল খেলে ১৮০ রান করেন উসমান খোয়াজা। খোয়াজাকে সঙ্গ দিলেন ক্যামেরন গ্রিন। ১৭০ বলে ১১৪ রান করেন অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার।  দ্বিতীয় সেশনে ভারতকে প্রথম আশার আলো দেখান অভিজ্ঞ অশ্বিন। এ দিন তিনি ভারতীয়দের মধ্যে বর্ডার-গাভাস্কর ট্রফিতে সব থেকে বেশি উইকেটের মালিক হলেন। দ্বিতীয় সেশনে এক ওভারে গ্রিন এবং অ্যালেক্স ক্যারিকে ফিরিয়ে দেন অশ্বিন। শেষ চার উইকেটে ১০২ রান তুলে নেয় অস্ট্রেলিয়া। নাথান লায়ন করেন ৩৪ এবং টড মারফি করেন ৪১ রান। তাঁদের দু’জনকেই ফেরান অশ্বিন। প্রথম দিনে ট্রেভিস হেডের উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। দ্বিতীয় দিনে নিলেন আরও পাঁচ উইকেট।

    আরও পড়ুন: ক্রিকেটীয় পিচে কূটনৈতিক সম্পর্ক মজবুত করার পথ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    প্যাট কামিন্সের মা প্রয়াত

    এদিন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা কালো ব্যান্ড পরে খেলতে নেমেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের মা মারিয়া প্রয়াত হয়েছেন। দীর্ঘ দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন মারিয়া। মায়ের পাশে থাকতে দ্বিতীয় টেস্টের পর দেশে ফিরে গিয়েছিলেন কামিন্স। খেলতে পারেননি তৃতীয় টেস্ট। আহমেদাবাদ টেস্টের আগেও ভারতে আসতে পারেননি। কামিন্সের বদলে স্টিভ স্মিথ নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

    বৃহস্পতিবার রাতে মারা যান কামিন্সের মা। সিডনিতে সেই সময় তাঁর পাশেই ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক। ২০০৫ সালে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হন মারিয়া। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তরফে বলা হয়, “মারিয়া কামিন্সের প্রয়াণে আমরা শোকাহত। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তরফে কামিন্স এবং তাঁর পরিবারের সকলকে আমরা সমবেদনা জানাই। অস্ট্রেলিয়া দল এই কারণে কালো ব্যান্ড পরে মাঠে নামবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: গ্রুপ সি- র বাতিল হওয়া তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝি!

    Recruitment Scam: গ্রুপ সি- র বাতিল হওয়া তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। আজই ৮৪২ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বাতিল হওয়া চাকরির তালিকায় নাম রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝির। অভিযোগ রয়েছে, গ্রুপ সি পদে অবৈধভাবে চাকরি পেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝি বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়।  

    এই বৃষ্টি মুখোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে। বৃষ্টির বাড়ি রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত কুসুম্বা গ্রামে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে স্কুল সার্ভিস কমিশন চাকরি বাতিলের যে তালিকা প্রকাশ করেছে তাতে ১৫৫ নম্বরে রয়েছে বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের নাম। এ বিষয়ে বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের (Recruitment Scam) বাবা নীহার মুখোপাধ্যায় দাবি করেছেন, আগেই মেয়ে চাকরি থেকে ইস্তাফা দিয়েছিল। জানা গিয়েছে, চাকরিতে নিযুক্ত হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে চাকরি থেকে ইস্তাফা দিয়েছিলেন বৃষ্টি। তিনি বলেন, “কদিন মাত্র চাকরিতে গিয়েছিল মেয়ে। বেতন বাবদ একটা টাকাও নেয়নি। শারীরিক ভাবে আমার মেয়ে অসুস্থ। নিজেই আমাকে বলেছিল যে সে চাকরি করতে পারবে না।”

    আরও পড়ুন: গ্রুপ সি- র ৮৪২ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়  
      
    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বোলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লার্ক পদে চাকরি পেয়েছিলেন বৃষ্টি (Recruitment Scam)। কলকাতা হাইকোর্ট বেআইনিভাবে চাকরি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার তার চাকরি বাতিল করে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে শুক্রবার স্কুল সার্ভিস কমিশন তাদের ওয়েবসাইটে চাকরি বাতিলের যে তালিকা প্রকাশ করে সেই তালিকায় বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের নাম দেখা যায়।   

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়ি হল রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত চাকাইপুর। চাকাইপুরের পাশেই রয়েছে কুসুম্বা, যা হলো মুখ্যমন্ত্রীর মামার বাড়ি (Recruitment Scam)। মুখ্যমন্ত্রীর মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে বৃষ্টির বিয়ে হয় রামপুরহাট থানার অন্তর্গত আয়াস গ্রামে। যদিও বর্তমানে তিনি কলকাতায় থাকেন বলে জানা গিয়েছে।

    কীভাবে বৃষ্টি চাকরি পেয়েছিলেন সেই প্রশ্ন করা হলে, তাঁর বাবা বলেন, “আমি সেটা জানি না। আবেদন করেছিল। তাই চাকরি পেয়েছিল।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

            

  • Calcutta High Court: গ্রুপ সি-র ৮৪২ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Calcutta High Court: গ্রুপ সি-র ৮৪২ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার গ্রুপ সি- তে ৮৪২ জনের অবৈধ চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আগামী কাল বিকাল ৩টের মধ্যে করতে হবে চাকরি বাতিল। পর্ষদকে সময় বেঁধে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তিনি গ্রুপ সি পদে কর্মরত ৭৮৫ জনের চাকরির সুপারিশপত্র বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া সুপারিশপত্র ছাড়া নিয়োগ পাওয়া ৫৭ জনের চাকরিও বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতির আরও নির্দেশ, ৮৪২ জনের চাকরি যাওয়ার পর যে শূন্যপদ তৈরি হবে, তা দ্রুত পূরণ করতে হবে এসএসসিকে। আগামী দশ দিনের মধ্যে ওয়েটিং লিস্ট থেকে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে কমিশনকে।  

    এদিন বিচারপতি স্কুল সার্ভিস কমিশনকে(Calcutta High Court) প্রশ্ন করেন, ‘সুপারিশ করা হয়েছে, এমন কতজনের ওএমআর শিটে কারচুপি হয়েছে?’ উত্তরে এসএসসি-র আইনজীবী বলেন, সুপারিশ করা হয়েছে এমন ৭৫৮ জনের ওএমআর শিটে কারচুপি রয়েছে।’ এরপরই বিচারপতির প্রশ্ন, ‘তাহলে এই প্রার্থীরা কি চাকরি করতে পারেন?’

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যভবন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার, টেনে হিঁচড়ে বিজেপি কর্মীদের প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ

    এরপরেই বিচারপতি নির্দেশ দিয়ে বলেন, “যাঁদের নাম এই বাতিলের তালিকায় রয়েছে, তাঁরা শুক্রবার থেকে স্কুলে ঢুকতে পারবেন না। আগামী কাল অর্থাৎ শনিবার দুপুর তিনটের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এসএসসিকে চাকরি বাতিলে কথা জানাতে হবে।” ওই ব্যক্তিরা স্কুলের কোনও কাজে যুক্ত থাকতে পারবেন না বলেও নির্দেশ দেন বিচারপতি। তবে বেতন ফেরত দেওয়ার বিষয়ে এদিন কোনও নির্দেশ দেয়নি হাইকোর্ট।

    গ্রুপ ডির পর কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নজরে এবার গ্রুপ সি! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এসএসসিকে কড়া নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। এসএসসির সুপারিশ ছাড়াই চাকরি করছেন ৫৭ গ্রুপ সি কর্মী! এসএসসিকে তাঁদের নামের তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    প্রসঙ্গত, গ্রুপ সি কর্মীদের ক্ষেত্রে বাগ কমিটি রিপোর্টে বলা হয়েছে ৩৮১ জন প্রার্থীকে সুপারিশ না দিলেও তাঁরা চাকরি করছে। সিবিআই- ও এই একই পরিসংখ্যান দিয়েছে। যদিও এসএসসির দাবি সুপারিশ না পাওয়া প্রার্থীর সংখ্যা ৫৭।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BJP Rally: স্বাস্থ্যভবন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার, টেনে হিঁচড়ে বিজেপি কর্মীদের প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ

    BJP Rally: স্বাস্থ্যভবন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার, টেনে হিঁচড়ে বিজেপি কর্মীদের প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বাড়ছে অ্যাডিনো আতঙ্ক। বাড়ছে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা। টনক নড়ছে না রাজ্য সরকারের (BJP Rally)। রাজ্যে শিশু মৃত্যু মিছিল থামাতে ব্যর্থ রাজ্য সরকার, এই অভিযোগে শুক্রবার স্বাস্থ্যভবন অভিযান করে বিজেপি। দুপুরে সল্টলেকের করুণাময়ী মোড়ে বিজেপি কর্মীরা জমায়েত করেন। বিজেপি কর্মীদের প্রতিবাদ মিছিলকে গায়ের জোড়ে থামাল পুলিশ। বিজেপি কর্মীদের দাবি, পুলিশ জোর করে তাদের থামিয়ে দেয়। টেনে হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলার অভিযোগও ওঠে। প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হয়েছিলেন বিজেপি মহিলা মোর্চার কর্মীরাও। তাঁদেরও জোর করে বেসরকারি বাসে তোলা হয়। সল্টলেক করুণাময়ী মোড়ে বিজেপি-পুলিশে বচসাও হয়।

    শুক্রবার কোলে প্রতীকী শিশু নিয়ে মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, তা সত্ত্বেও স্বাস্থ্য দফতর উদাসীন (BJP Rally)। আইসিইউ-র সঠিক পরিকাঠামো নেই বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

    অগ্নিমিত্রার আরও বলেন, রাজ্য সরকারে হাতে শুধু পুলিশ আছে। সেই পুলিশকে দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে বিরোধীদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি (BJP Rally)। অভিযান ঠিক স্বাস্থ্য ভবনের সামনে পৌঁছতেই বাধা দেয় পুলিশ। টেনে হিঁচড়ে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের প্রিজন ভ্যানে তোলার চেষ্টা হয়। মহিলা কর্মীদের ঠেলে ফেলে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশের বিরুদ্ধে।

    অগ্নিমিত্রা পালের সঙ্গেও ধস্তাধস্তি হয় পুলিশের। মাটিতে বসে বিক্ষোভ খাতে দেখা যায় তাঁকে। তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোভিডের সময়ও কোমর্বিডিটির কথা বলেছিলেন। এবারও একই কথা বলছেন। অ্যাডিনো ভাইরাসে শিশু মৃত্যু হচ্ছে। এই অবস্থায় কেন উনি কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছেন না?’     

    আজ অ্যাডিনো ভাইরাস প্রাণ কেড়েছে আরও এক শিশুর। বিসি রায় হাসপাতালে সেই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে রাত থেকে দুপুর পর্যন্ত বিসি রায় হাসপাতালে ৪ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বেসরকারি মতে, এখন অবধি ১৩৬ জন শিশুর মৃত্যুর হয়েছে। অ্যাডিনো আতঙ্কে কাঁপছেন শিশুর বাবা- মায়েরা।

    আরও পড়ুন: আরও ১১ দিন ইডি হেফাজতে অনুব্রত, এবার দিল্লিতে তলব কন্যা সহ ১২ জনকে 

    গতকাল রাত থেকে, আজ ভোর ৬টার মধ্যে বিসি রায় শিশু হাসপাতালে ৩ শিশুর মৃত্য়ুর খবর এসেছে (BJP Rally)। ফের আরও একটি মৃত্যুর খবর এল। বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৪৫-এ বিসি রায় হাসপাতালে মৃত্যু হয় চুঁচুড়ার বাসিন্দা, ১১ মাসের শিশুপুত্রের। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শিশুর জ্বর ও সর্দিকাশির মতো উপসর্গ ছিল। এরপর রাত আড়াইটে নাগাদ মৃত্যু হয় বনগাঁর বাসিন্দা, দেড় বছরের আরও এক শিশুর। আজ ভোর রাতে মৃত্যু হয় উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরের ২ বছরের শিশুর। হাসপাতাল সূত্রে খবর, দুই শিশুরই জ্বর ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা  ছিল। 

    অ্যাডিনো-আতঙ্কের আবহে দিনকয়েক আগে নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে হাসপাতালগুলিকে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী (BJP Rally)। কিন্তু তারপরও সরকারি হাসপাতালের অবস্থা এতটুকুও পাল্টায়নি বলে অভিযোগ উঠছে। প্রতিদিন বাড়ছে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা। তার সঙ্গেই অভিযোগ উঠছে পরিষেবা নিয়েও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
LinkedIn
Share