Blog

  • Rail line: ভাবাদিঘিকে বাঁচাতে একজোট গ্রামবাসীরা, থমকে তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর রেলপথ সংযোগের কাজ

    Rail line: ভাবাদিঘিকে বাঁচাতে একজোট গ্রামবাসীরা, থমকে তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর রেলপথ সংযোগের কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ভাবাদিঘি। গোঘাটের এই এলাকার মানুষের কাছে এটা শুধু দিঘি নয়, একটি সেন্টিমেন্ট। কারণ, এই ভাবাদিঘিতে মাছ চাষ করে বহু পরিবারের মুখে দুবেলা অন্ন ওঠে। এলাকার বহু পরিবার এখনও দিঘির জল ব্যবহার করেন। তাই, এই দিঘি এলাকাবাসীর কাছে অন্নদাতা মায়ের মতো। প্রস্তাবিত রেলের প্রকল্প অনুযায়ী, তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর রেল (Railline) যোগাযোগের জন্য ভাবাদিঘি দিয়ে রেলপথ নিয়ে যাওয়ার কথা। বিষয়টি জানতে পেরেই এক জোট বাসিন্দারা। দিঘি বাঁচানোর লক্ষ্য নিয়ে তাঁরা পথে নামেন। দিঘি রক্ষা করার বার্তা পৌঁছে দেন রেল কর্তাদের কাছে।

    ভাবাদিঘি রক্ষা করতে কী উদ্যোগ নিলেন এলাকাবাসী? Railline

    পথে নেমে লোক দেখানো আন্দোলন নয়। রীতিমতো ভাবাদিঘি বাঁচাও কমিটি গড়ে গঠনমূলক আন্দোলন গড়ে তোলেন এলাকাবাসী। তাঁদের বক্তব্য, রেল (Railline) প্রকল্প হোক। তবে, ভাবাদিঘিকে বাঁচিয়ে এই প্রকল্প করতে হবে। এটাই গ্রামের একমাত্র দিঘি, এর জল‌ই ভরসা সকলের। সেইসঙ্গে এলাকার পরিবেশ ঠিক রাখতে দিঘির বিন্দুমাত্র ক্ষতি হতে দিতে রাজি নয় আমরা। ভাবাদিঘি বাঁচাও কমিটির সভাপতি সুকুমার রায় বলেন,   কমিটি গঠনের আগে রেলের ইঞ্জিনিয়াররা এই এলাকায় রেল পথ তৈরির জন্য মাপজোক করা শুরু করেন। সেই সময় আমরা গুগল এ একটি ম্যাপ দেখতে পেয়েছিলাম। ভাবাদিঘি থেকে ৫০০ মিটার দূর দিয়ে রেল লাইন নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, সেখানে অবস্থাপন্ন পরিবার এবং রাজ্যের শাসকদলের বেশ কিছু নেতার জমি ছিল। আচমকাই রাতারাতি সেই লাইনের এলাইমেন্ট চেঞ্জ হয়ে যায়। সেই প্রস্তাবিত পথ বদলে গিয়ে একেবারে দিঘির মাঝখান দিয়ে নতুন ম্যাপ তৈরি হয়। আমাদের প্রাণ থাকতে এই দিঘির উপর দিয়ে রেললাইন (Railline) যেতে দেব না। সরকার যেখানে আইন তৈরি করেছে, সংবিধান সবাইকেই মানতে হবে। পরিবেশ রক্ষার্থে জলাশয়ের অবশ্যই দরকার। আর এই দিঘির জল আমরা গোটা গ্রামের প্রত্যেকটি পরিবার ব্যবহার করি। আমরা কোনওভাবে দিঘির উপর দিয়ে রেলপথ (Railline) নিয়ে যেতে দেব না। এর শেষ দেখে ছাড়ব। বহু মানুষকে মিথ্যে মামলা দিয়ে ফাঁসানো হয়েছে। তবু, আমাদের আন্দোলন থেমে নেই। আমরা রেলের বিরুদ্ধে নয়। রেলপথ হোক। তবে, এই ভাবাদিঘিকে বাঁচিয়ে দূর দিয়ে রেল পথ তৈরি হোক। কারণ, দিঘির পাড়ে অনেক জায়গা আছে।

     ভাবাদিঘি আন্দোলনের এক সদস্য মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, দিদি তো সব জায়গায় হেলিকপ্টার চড়ে যান। ভাবাদিঘিতে সব হয়ে গিয়েছে বলে রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে তিনি অনেক কথা বলেছেন। এখানে কী হয়েছে তিনি নিজে এসে চাক্ষুস করে যান। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার ঠিক  আগে ভাবাদিঘির বাসিন্দারা নিজেদের দাবি বজায় রাখতে আন্দোলনের পারদ চড়াচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • H3N2: করোনার পর নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা, কী বললেন প্রাক্তন এইমস প্রধান?

    H3N2: করোনার পর নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা, কী বললেন প্রাক্তন এইমস প্রধান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার পর রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে অ্যাডিনো ভাইরাসের প্রকোপ। এবারে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে ইনফ্লুয়েঞ্জা (H3N2)। কোভিডের মতই দ্রুত হারে বেড়ে চলেছে ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্তের সংখ্যা। আর এই সংক্রমণের পিছনে রয়েছে H3N2 ভাইরাস। এই ভাইরাস কোভিডের মতই ছড়িয়ে পড়ছে। আর এর জেরেই ভাইরাল ফিভারে কাবু হচ্ছে আট থেকে আশি সকলেই। সর্দি-কাশি ও জ্বরের রোগী দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এ নিয়ে দেশের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারাও চিন্তিত। আইসিইউতে ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে এবং স্বাস্থ্য কর্তারা পরীক্ষা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। আর এর থেকে নিস্তার পেতে উপায় দিলেন প্রাক্তন এইমস প্রধান ডা. রণদীপ গুলেরিয়া।

    কী বললেন রণদীপ গুলেরিয়া?

    ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারনাল মেডিসিন অ্যান্ড রেসপিরেটরি অ্যান্ড স্লিপ মেডিসিনের চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন এইমস প্রধান ডা. রণদীপ গুলেরিয়া বলেন, “এই H3N2 ভাইরাসটি প্রতি বছর এই নির্দিষ্ট সময়ে রূপ পরিবর্তন করে। এটিও কোভিডের ন্যায় ড্রপলেটের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আমরা ইনফ্লুয়েঞ্জার কেসের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পেতে দেখছি। এর উপসর্গ মূলত জ্বর, গলা ব্যথা, গা হাত পায়ে ব্যথা এবং সর্দি। এই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস রূপ পরিবর্তন করে অ্যান্টিজেনিক ড্রিফ্ট তৈরি করছে। ভাইরাসের ক্ষতি করার ক্ষমতাও বেড়েছে। আমাদেরও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়েছে। ফলে ভাইরাল ফিভার দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।”

    আরও পড়ুন:ফের শিশুমৃত্যু! অ্যাডিনো সংক্রমণ রুখতে এবার বড়দের পরামর্শ স্বাস্থ্য দফতরের

    H3N2 প্রতিরোধের উপায় কী?

    দিল্লি এইমস-এর প্রাক্তন প্রধান ডা. রণদীপ গুলেরিয়া জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার পরিবর্তন ইনফ্লুয়েঞ্জায় (H3N2) আক্রান্ত হওয়ার একটি প্রধান কারণ। এছাড়া কোভিড-পরবর্তী সময়ে জনগণ আর মাস্ক পরছেন না। ফলে সংক্রমণ বাড়ছে। তাই সংক্রমণ ঠেকাতে কোভিডের মতই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন ডা. রণদীপ গুলেরিয়া। তিনি বলেন, “আমাদের বারবার হাত ধোওয়া এবং ভিড় এড়িয়ে চলা উচিত।” বয়স্ক এবং যাঁদের ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি বেশি, তাঁদের ভ্যাকসিন নেওয়ারও পরামর্শ দিচ্ছেন ডা. গুলেরিয়া।

    কতটা ভয়ঙ্কর এই ভাইরাস?

    ভারতে ইনফ্লুয়েঞ্জা (H3N2) বৃদ্ধি আরও আক্রমনাত্মক ও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, জ্বর সেরে গেলেও কাশি তিন সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তবে জ্বর ও কাশি সাধারণত পাঁচ থেকে সাত দিন স্থায়ী হয়। আর এই ভাইরাসটি প্রথম থেকেই দ্রুত ছড়াচ্ছে। ফলে এখন থেকেই বিভিন্ন সতর্কতা মেনে চলা উচিত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: মানিকের শপথের দিনেই প্রদ্যোৎ-শাহ বৈঠক, বিজেপি-তিপ্রা মোথা জোটের ইঙ্গিত?

    Amit Shah: মানিকের শপথের দিনেই প্রদ্যোৎ-শাহ বৈঠক, বিজেপি-তিপ্রা মোথা জোটের ইঙ্গিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরায় বিজেপি-আইপিএফটি জোট সরকারের শপথের দিনেই বৈঠক করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এবং টিপ্রা মোথার সুপ্রিমো প্রদ্যোৎকিশোর দেববর্মা। এই বৈঠক কি তবে বিজেপি, টিপ্রা মোথার বৈঠকের দিকে ইঙ্গিত করছে? তাহলে কি এবার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার সরকারে তিপ্রা যোগ দিতে চলেছে? সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ এবং বিজেপি সভাপতি জেপি নড্ডার উপস্থিতিতে জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন মানিক সাহা। তাঁর সঙ্গেই বিজেপির ৭ এবং সহযোগী  আইপিএফটির এক বিধায়ক শুক্লাচরম নোয়াতিয়াও মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। এর পর তিপ্রা প্রধান প্রদ্যোত বিক্রম মাণিক্য দেব বর্মনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন শাহ।   

    বুধবার এই বৈঠকের পরেই টিপ্রা সুপ্রিমো জানান, আদিবাসীদের জন্য সাংবিধানিক সমাধানের ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বুধবার বিজেপির সঙ্গে জোট আলোচনার কথা ছিল টিপ্রামোথার। কিন্তু তা শুরুর আগে টিপ্রামোথা সুপ্রিমো প্রদ্যোৎকিশোর মাণিক্য দেববর্মা ট্যুইটে জানান, তিনি আপোশ করেননি। অনুগামীদের উদ্দেশে প্রদ্যোত বিক্রম বলেন, অপেক্ষা করুন, দেখতে পাবেন। তিনি আবার সেই ট্যুইটের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেছেন।

    আরও পড়ুন: কেষ্টকে জেরা করতে গঠন ৬ সদস্যের বিশেষ দল! কী কী প্রশ্ন করবে ইডি?

    সেই ছবিতে টিপ্রা সুপ্রিমো প্রদ্যোৎকিশোরের সঙ্গে দেখা যায় পার্টির সভাপতি বিকে হ্র্যাংখাওলকে। এরপরেই অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক হয় টিপ্রার দুই শীর্ষ নেতার (Amit Shah)। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও ত্রিপুরার সদ্য নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। 

    জানা গিয়েছে, এদিন বৈঠকে টিপ্রা সুপ্রিমো প্রদ্যোৎকিশোর দেববর্মা ত্রিপুরার জনজাতি-আদিবাসীদের জন্য সাংবিধানিক সমাধান চেয়ছিলেন। সেই দাবি নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয় এদিন। বিজেপি এদিন জানায়, তাঁরা ত্রিপুরার মতো ছোট রাজ্যের মধ্যে এই বিভাজন চায় না। তাই ত্রিপুরা উপজাতি স্বায়ত্তশাসিত কাউন্সিলকে আরও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, আর্থিক ও নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়া হবে।   

    তবে এদিন টিপ্রামোথার সঙ্গে বিজেপি জোটের বিষয়ে বিশেষ কিছু আলোচনা হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তবে টিপ্রামোথার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বিজেপি। টিপ্রামোথাও ত্রিপুরার আদিবাসী মানুষদের উন্নতির জন্যে বিজেপিকেই ভরসা করছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Malviya: ভেঙে পড়ছে সাম্রাজ্য! অনুব্রত প্রসঙ্গে মমতাকে খোঁচা অমিত মালব্যর

    Amit Malviya: ভেঙে পড়ছে সাম্রাজ্য! অনুব্রত প্রসঙ্গে মমতাকে খোঁচা অমিত মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলকে দাগি অপরাধীর তকমা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধলেন  বিজেপির (BJP) আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য (Amit Malviya)। অনুব্রতর দিল্লি যাত্রার পর এদিন সামাজিক মাধ্যমে বিজেপি নেতা অমিত লেখেন, “মানুষের রক্ত শোষণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাম্রাজ্য তৈরি করেছেন । তার সাম্রাজ্য অপরাধের উপর দাঁড়িয়ে আছে। শেষমেশ, তা ভেঙে পড়তে শুরু করেছে।” 

    কী বললেন অমিত মালব্য

    দীর্ঘ টানাপড়েন শেষে গরু পাচার মামলার তদন্তে দোলের দিনই তৃণমূলের (Trinamool Congress) অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) ইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তারপরই বিন্দুমাত্র সময় ব্যয় না করেই ‘বীরভূমের বাঘ’ কে নিয়ে দিল্লির উদ্দেশে পাড়ি দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এখন দিল্লিতে কেষ্ট। মুখ্যমন্ত্রীর কাছের লোক অনুব্রত। তাঁকে ‘কেষ্ট’ বলেই ডাকেন মমতা (Mamata Banerjee)। সম্প্রতি সাগরদিঘি উপনির্বাচনে হারের পরও সাংবাদিক সম্মেলনে অনুব্রতর দিল্লি যাত্রা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাই অনুব্রত বিপাকে পড়াতেই অমিত মালব্য নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রীকে। অমিত মালব্য আরও লেখেন, “অনুব্রত মণ্ডল একজন ভয়ঙ্কর অপরাধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডান হাত। তাকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একাধিক অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তিনি (অনুব্রত) তার (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের) আশ্রয়েই এতদিন বেড়ে উঠেছেন।”

    অমিতের মতে, এই রাজ্যে অপরাধীদের পৃষ্ঠপোষতা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে, মমতার নজরদারিতে যারা অপরাধ ও তোলাবাজি সিন্ডিকেট পরিচালনা করেন তাদের রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা দেন। প্রসঙ্গত, গত বছরের রাখি পূর্ণিমার দিন সিবিআই এর হাতে গ্রেফতার হন তৃণমূলের অনুব্রত মণ্ডল। এরপর এই দাপুটে নেতার ঠাঁই হয় আসানসোলের বিশেষ সংশোধনাগারে।

    আরও পড়ুন: চিনা মোবাইল-অ্যাপ ব্যবহার নয়, ভারতীয় সেনাকে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: কেষ্টকে জেরা করতে গঠন ৬ সদস্যের বিশেষ দল! কী কী প্রশ্ন করবে ইডি?

    Anubrata Mondal: কেষ্টকে জেরা করতে গঠন ৬ সদস্যের বিশেষ দল! কী কী প্রশ্ন করবে ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার গভীর রাতে অনুব্রত মণ্ডলকে ইডি হেফাজতে নেওয়ার পরই আজ সকাল থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে জেরা। আবার সেই জেরার মাঝেই তাঁকে আজ আধ ঘণ্টার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সরকারি হাসপাতালে। এর পর ফের শুরু হয়েছে জেরা। সূত্রের খবর, কেষ্টকে জেরায় এবার বিশেষ দল গড়েছে ইডি। ৬ সদস্যের বিশেষ দল তৈরি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দলের নেতৃত্বে দুঁদে আইপিএস, ইডির স্পেশাল ডিরেক্টর সনিয়া নারাং। তবে সরকারিভাবে কেউই এই খবরের সত্যতা স্বীকার করেননি। দিল্লি অফিসে অনুব্রত মণ্ডলকে জেরা করবেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, অনুব্রতর জন্য প্রশ্নবাণ তৈরি করেছে ইডি। 

    কী কী প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হবে অনুব্রতকে?

    জানা গিয়েছে, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হবে এনামুল হকের সঙ্গে পরিচয় কীভাবে? গরু পাচারে প্রোটেকশন মানি পেয়েছেন কি না? আয়ের উত্‍স কী? একাধিক রাইস মিল কার টাকায় কেনা? বিরাট অঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটের উত্‍স কী ইত্যাদি। জানা যাচ্ছে, গোটা জেরাপর্বের ভিডিও রেকর্ডিং করা হবে। এছাড়াও এনামুল হক, সায়গল হোসেন, হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি ও আরও বেশ কয়েকজন সাক্ষীর বক্তব্যের ভিত্তিতে অনুব্রতকে প্রশ্ন করবে ইডি। সবথেকে প্রথমে যে প্রশ্নটা করা হতে পারে, তা হল এনামুল হককে কীভাবে চেনেন অনুব্রত? সিবিআইও আগে এই প্রশ্ন করেছিল। দ্বিতীয় প্রশ্নটি সায়গল হোসেনের কল রেকর্ড নিয়ে। দেখা গিয়েছে, এনামুল হকের সঙ্গে ২০১৭-১৮ সালে সায়গল হোসেনের ৭৫ বার কথা হয়েছে। সায়গলের মোবাইল ব্যবহার করে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে একাধিকবার এনামুল হকের কথা হয়েছে। ফলে প্রশ্ন, এতবার কী নিয়ে কথা হয়েছে? এরপর অনুব্রত মণ্ডলের কাছ থেকে তাঁর গত পাঁচ বছরের আয়করের হিসাব চেয়ে ছিলেন তদন্তকারীরা। সেই থেকে তাঁর আয়বৃদ্ধির ব্যাপারে প্রশ্ন করা হবে তাঁকে। এছাড়াও অন্যের পাওয়া লটারিও নিজে মোটা টাকায় কিনে নিয়েছেন অনুব্রত, সেটা জানতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা।পাশাপাশিই রাইস মিল-সহ বিভিন্ন সম্পত্তি নিয়েও জেরা করা হবে অনুব্রতকে।  

    আরও পড়ুন: ভেঙে পড়ছে সাম্রাজ্য! অনুব্রত প্রসঙ্গে মমতাকে খোঁচা অমিত মালব্যর

    হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কেষ্টকে

    বুধবার ‘হোলি’ তথা ছুটির দিন হলেও ইডির অফিসারেরা অনুব্রতকে তাঁদের সদর দফতরে জেরা করা শুরু করেছেন। তবে বিচারক অনুব্রতের দৈনিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তাই সকালের কিছু পরে তাঁকে রামমনোহর লোহিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে আধঘণ্টা ধরে স্বাস্থ্যপরীক্ষার পরে আবার অনুব্রতকে ইডির সদর দফতরে এনে জেরা করা শুরু হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs Australia: রেকর্ড সংখ্যক দর্শক গ্যালারিতে! অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টে জয়ই লক্ষ্য ভারতের

    India vs Australia: রেকর্ড সংখ্যক দর্শক গ্যালারিতে! অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টে জয়ই লক্ষ্য ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর রয়েছে মাত্র একটি টেস্ট। নাগপুরে এবং দিল্লিতে পরপর দুটি টেস্ট জিতে সিরিজ জয়ের অত্যন্ত কাছাকাছি চলে এসেছিল ভারতীয় দল (Team India)। কিন্তু ইনদওরের টেস্ট (Indore Test) ম্যাচটি জিতে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির (Border-Gavaskar Trophy) লড়াই জমিয়ে দিয়েছে স্টিভ স্মিথের (Steve Smith) অস্ট্রেলিয়া (India vs Australia)। এখন ভারতীয় দলকে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল (WTC) নিশ্চিত করতে গেলে আহমেদাবাদের টেস্টটি (Ahmedabad Test) জিততেই হবে। ওই ম্যাচ হারলে বা ড্র করলে তাকিয়ে থাকতে হবে নিউজিল্যান্ড বনাম শ্রীলঙ্কা সিরিজের ফলাফলের দিকে।

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্যে ভারত

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের টিকিট ইতিমধ্যে ‘কনফার্ম’ করে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া (India vs Australia)। আহমেদাবাদে শেষ টেস্ট জিতে স্মিথরা চায় সিরিজে সমতা ফেরাতে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের যা অবস্থা, তাতে ফাইনালের দ্বিতীয় দলে হিসেবে ভারত এবং শ্রীলঙ্কার মধ্যে লড়াই চলছে। সেই লড়াইয়ে ভারত কিছুটা এগিয়ে থাকলেও দ্বীপরাষ্ট্রের সামনেও ফাইনালে ওঠার সুযোগ আছে। ভারত আমদবাদ টেস্টে জিতলেই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছে যাবে। শ্রীলঙ্কা-নিউজিল্যান্ড সিরিজের উপর নির্ভরশীল হতে হবে না। ভারত-অস্ট্রেলিয়ার চতুর্থ টেস্ট ড্র হলেই অঙ্কের মারপ্যাঁচ চলে আসবে। সেক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কা যদি ২-০ ব্যবধানে জিতে যায়, তাহলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে চলে যাবে ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। যদি শ্রীলঙ্কা একটা জেতে আর একটা ম্যাচ হারে তাহলেও ভারতের রাস্তা খোলা। শ্রীলঙ্কা একটা ড্র করলেও ফাইনালে উঠবে ভারত (India vs Australia)।

    আরও পড়ুন: ভাইরাল ভিডিও! অনুশীলনেই হোলি পালন রোহিত-কোহলিদের

    ভারত-অস্ট্রেলিয়া চতুর্থ টেস্টে রেকর্ড দর্শক সংখ্যা

    আহমেদাবাদ টেস্টে (India vs Australia) রেকর্ড সংখ্যক দর্শক মাঠে উপস্থিত হবে, বলে মনে করছেন গুজরাটের ক্রিকেট কর্তারা। ২০১৩-১৪ মরশুমে অ্যাশেজের বক্সিং ডে টেস্টটি হয়েছিল মেলবোর্নে। এমসিজিতে প্রথম দিন মাঠে বসে খেলা দেখেছিলেন ৯১,১১২ জন। নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে চলা ভারত-অস্ট্রেলিয়া টেস্টের প্রথম দিন সেই রেকর্ড ভেঙে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এই স্টেডিয়ামে দর্শকসংখ্যা ১ লক্ষ ৩২ হাজার। এদিন মাঠে থাকবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি অ্যালবানিজ। তাঁদের সুরক্ষার স্বার্থে কিছু দর্শকাসন ফাঁকা রাখা হবে। নিয়ন্ত্রিত হবে দর্শকদের গতিবিধি। তবুও টেস্টের টিকিট বিক্রি হয়েছে ভালোই। সেই সঙ্গে স্কুলপড়ুয়ারাও মাঠে আসবে। ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পাশাপাশি আসতে পারেন অভিভাবকরাও। সবমিলিয়ে গুজরাটের ক্রিকেট কর্তারা আশাবাদী, এমসিজির দর্শকসংখ্যার রেকর্ড অবলীলায় ভেঙে দেবে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম। ১ লক্ষ ১০ হাজার দর্শক ভারত-অস্ট্রেলিয়া টেস্টের (India vs Australia) প্রথম দিন মাঠে থাকবেন বলেও মনে করা হচ্ছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • K Kavitha: সিবিআই-এর পর আবগারি দুর্নীতি মামলায় কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের মেয়েকে তলব ইডির

    K Kavitha: সিবিআই-এর পর আবগারি দুর্নীতি মামলায় কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের মেয়েকে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি আবগারি দুর্নীতি মামলায় এবার তেলেঙ্গানার শাসকদল বিআরএসের এমএলসি এবং মুখ্যমন্ত্রী কেসিআরের মেয়ে কবিতাকে (K Kavitha) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট৷ আগামী ৯ মার্চ তাঁদের দিল্লির দফতরে তাঁকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ গত কয়েকদিনে আবগারি দুর্নীতি মামলায় তদন্তের গতি বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা৷ কবিতার পাশাপাশি ইডি আধিকারিকরা তেলেঙ্গানার ব্যবসায়ী অরুণ রামচন্দ্রন পিল্লাইকেও করবেন। মঙ্গলবার হায়দরাবাদের ওই ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ইডি। কবিতা জাতীয় স্তরের মদের চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ উঠেছে৷ জানা গিয়েছে, ‘দ্য সাউথ গ্রুপ’ নামে চলছে চোরাচালান সংস্থাটি ৷ যার সঙ্গে অরুণ রামচন্দ্রনও যুক্ত বলে ইডির সন্দেহ।    

    ইডির তরফে জানা গিয়েছে, এই সাউথ গোষ্ঠীই আম আদমি পার্টির নেতাদের প্রায় একশো কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছে (K Kavitha)। আরও এক মদ ব্যবসায়ী আমনদীপের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে গতকাল অরুণকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ আমনদীপকে এর আগেই গ্রেফতার করেছে ইডি। ইডি্র দাবি, অরুণ পিল্লাই, অভিষেক বোইনপালি এবং অন্যান্য সহযোগীরা আপ নেতাদের সঙ্গেভাত মিলিয়েছিলেন। কবিতার অনেক ব্যবসা বেনামে এই অরুণই করতেন বলে জানা গিয়েছে। গতকাল অরুণের গ্রেফতারি ও কবিতাকে ইডির তলবের খবরে উত্তাল জাতীয় রাজনীতি। ইডি দিল্লি আবগারি দুর্নীতি মামলায় কোটি কোটি টাকা পাচারের অভিযোগও করেছে অরুণের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে প্রধানমন্ত্রীর গলায় নারী শক্তির জয়গান, কী বললেন তিনি?

    ভারত রাষ্ট্র সমিতির নেত্রী কবিতা (K Kavitha) সাউথ গ্রুপ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান। দিল্লির আবগারি নীতি তৈরি এবং মদের ডিলার বাছাইয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রভাব খাটায় বলে অভিযোগ। এই প্রতিষ্ঠানই প্রভাব খাটিয়ে তেলেঙ্গানার বেশ কয়েকজন মদ ব্যবসায়ীকে দিল্লিতে বড় ব্যবসা পাইয়ে দিয়েছিল। এমনই অভিযোগ পেয়েছে ইডি এবং সিবিআই। তদন্তকারীদের দাবি, বিনিময়ে ঘুষ বাবদ একশো কোটির বেশি ঢোকে এই প্রতিষ্ঠানের কর্তাদের কাছে। তাদের আরও দাবি, সেখান থেকে ঘুষের টাকা যায় দিল্লির শাসক দল আপ আদমি পার্টির তহবিলে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছে কবিতার হাত হয়ে টাকার ভাগ ভারত রাষ্ট্র সমিতির তহবিলেও জমা হয়েছে কিনা।

    ওই মামলায় ইডি সোমবার অরুণ রামচন্দ্রন পিল্লাই নামে হায়দরাবাদের এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। ইডি সূত্রের খবর, অরুণের মুখোমুখি বসিয়ে কবিতাকে জেরা করতে চায় তারা। এর আগে কবিতার এক প্রাক্তন অডিটরকে দু-দফা জেরার পর গ্রেফতার করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Erosion: মুর্শিদাবাদে গঙ্গা ভাঙনে তলিয়ে যাচ্ছে একের পর এক গ্রাম, হুঁশ নেই প্রশাসনের, আতঙ্কে বাসিন্দারা

    Erosion: মুর্শিদাবাদে গঙ্গা ভাঙনে তলিয়ে যাচ্ছে একের পর এক গ্রাম, হুঁশ নেই প্রশাসনের, আতঙ্কে বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নিজ ভূমে পরবাস। চোখের সামনে বিঘার পর বিঘা জমি গঙ্গার ভাঙনে (Erosion) তলিয়ে গিয়েছে। এবার গ্রাস করতে শুরু করেছে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ ব্লকের নিমতিতা গ্রাম পঞ্চায়েতের কামালপুর, ধানঘরা, শিবপুর সহ একাধিক গ্রামের বাড়ি। একটি বা দুটি নয়। গত আড়াই বছরের মধ্যে এই সব গ্রাম থেকে হাজারের বেশি বাড়ি গঙ্গায় তলিয়ে গিয়েছে। এটা গ্রামবাসীদের মন গড়া কোনও তথ্য নয়। খোদ ব্লক প্রশাসনের দেওয়া রিপোর্টে এই তথ্য সামনে এসেছে। ফলে, জমি, বাড়ি হারিয়ে নিজের ভিটে ছেড়ে কেউ খোলা আকাশের নীচে রয়েছেন। কেউ আবার আত্মীয়ের বাড়িতে ঠাঁই নিয়েছেন। কেউ আবার স্কুলের পাশে জমিতে মাথা গোঁজার ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়়া গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছে বহু পরিবার। গত তিন দিনের মধ্যে নতুন করে এই সব গ্রামে ফের ভাঙন শুরু হয়েছে। চার-পাঁচটি বাড়ি ফের গঙ্গায় তলিয়ে গিয়েছে। ভাঙন (Erosion) কবলিত গ্রামের বাসিন্দারা চরম আতঙ্ক এবং অনিশ্চতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

    ভাঙন প্রতিরোধে আসা ঠিকাদারকে কেন বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা? Erosion

    এই জেলায় গঙ্গা ভাঙন (Erosion) নতুন কোনও ঘটনা নয়। কিন্তু, ভাঙন কবলিত এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভাঙন (Erosion) প্রতিরোধে গঠনমূলক কোনও উদ্যোগ চোখে পড়ে না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। আগের বাম শাসনের আমলেও এই বিষয়ে কেউ কোনও উদ্যোগ নেয়নি। আর ২০১১ সাল থেকে তৃণমূল এই রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে। এই জেলায় জেলা পরিষদের ত্রিস্তরে বহু বছর ধরে তৃণমূল ক্ষমতায় রয়েছে। কিন্তু, ভাঙন (Erosion) প্রতিরোধে স্থায়ী সমাধান করার বিষয়ে কারও কোনও হেলদোল নেই। এমনটাই অভিযোগ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের। স্থানীয় বাসিন্দা ছবি খাতুন বলেন, চোখের সামনে একের পর এক বাড়ি গঙ্গায় তলিয়ে গিয়েছে। গ্রামের সকলে মিলে প্রশাসনের কাছে দরবার করেছে। কিন্তু, পাথর দিয়ে গঙ্গা বাঁধানোর কারও উদ্যোগ নেই। তাই, গ্রামের বাসিন্দারা ক্ষোভে ফুঁসছেন। তাঁদের বক্তব্য, লোক দেখানো করে বালির বস্তা দিয়ে ভাঙন (Erosion) মোকাবিলা করা হয়। তাতে ঠিকাদারদের পকেট ভরে। কিন্তু, গঙ্গার ভাঙন (Erosion) রোধে কোনও কাজ হয় না। বহুবার প্রশাসনের কর্তাদের কাছে সে কথা জানিয়েছেন বাসিন্দারা। কিন্তু, টনক নড়েনি প্রশাসনের। ফলে, নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসনের কর্তারা। এলাকায় ঠিকাদার পাঠিয়ে বালি বোঝাই বস্তা দিয়ে ভাঙন (Erosion) প্রতিরোধের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। কিন্তু, গ্রামবাসীরা তা মানতে রাজি হননি। লোক দেখানো কাজ নয়। ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী সমাধান করতে হবে। যদিও  পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। বিক্ষোভকারীদের একটাই অভিযোগ, এভাবে বালির বস্তা দিয়ে গঙ্গা বাধা হয় না। পাথর দিয়ে ভালো করে গঙ্গা ভাঙন প্রতিরোধে  ব্যবস্থা না নেওয়া হলে  আমরা কাজ করতে  দেব না। এই বিষয়ে ব্লক প্রশাসনের আধিকারিক শ্রীকৃষ্ণ চন্দ্র মুন্ডা বলেন, আমার পক্ষ থেকে যেটুকু সাহায্য করা সম্ভব তা আমি করেছি। ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের চাল- ত্রিপল সহ কিছু আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনের সব স্তরে জানানো হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • International Women’s Day: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে প্রধানমন্ত্রীর গলায় নারী শক্তির জয়গান, কী বললেন তিনি?

    International Women’s Day: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে প্রধানমন্ত্রীর গলায় নারী শক্তির জয়গান, কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে (International Women’s Day) দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নারীদের বিকাশে সরকারের পক্ষ থেকে আরও বেশি উদ্যোগের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। বুধবার সকালে একটি ট্যুইট করে দেশের সব নারীদের আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ট্যুইটারে একটি ভিডিও-ও পোষ্ট করেন তিনি। ট্যুইটে নারী শক্তি ফর নিউ ইন্ডিয়া হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করেছেন তিনি। বুধবার সকাল ৮টা ১৩ মিনিট নাগাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে ভিডিওটি টুইট করা হয়। সভারতের অগ্রগতিতে নারীর ভূমিকার গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি মহিলাদের স্বনির্ভরতার কথাও বলেছেন। মেয়েদের স্বনির্ভর করে তুলতে সরকার আগামী দিনে মহিলাদের ক্ষমতায়ণের উপর বিশেষ জোর দেবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: এখন থেকে মৈত্রী-বন্ধন এক্সপ্রেসের নিরাপত্তার দায়িত্বে আরপিএফ   

    ট্যুইটারে ভিডিওটি পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী (International Women’s Day) লেখেন, “আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। নারী শক্তির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। ভারতের অগ্রগতিতে আমরা নারীদের ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আমাদের সরকার আগামী দিনে নারীকে স্বনির্ভর করে তুলতে আগামী দিনে আরও পদক্ষেপ নেবে।”

     

    নারীদের সম্মান জানাল গুগল ডুডল 

    এদিকে নারী দিবসের (International Women’s Day) শুভেচ্ছা জানিয়ে বিশেষ ডুডল প্রকাশ করেছে গুগল। ২০০৫ সাল থেকে এই দিনে নারীদের প্রতি সম্মান জানাতে ডুডল প্রকাশ করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। একজন নারী অন্য নারীকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে থাকেন, এমনই একটি আবহ তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। ডুডলটি তৈরি করেছেন ডুডল শিল্পী ‘অ্যালিসা উইনান্স’।

     

    ডুডলের প্রতিটি ‘গুগল’ লেখা ইংরেজি অক্ষরের ভিগনেটগুলো এমন করে সাজানো হয়েছে, যাতে দেখানো হয়েছে-বিশ্বজুড়ে নারীরা একে অপরের উন্নতিতে একে অপরের পরিপূরক। ডুডলটিতে সেই সব নারীদের কথা বলা হয়েছে যারা মাতৃত্বের সময় একে অপরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এটিতে এমন নারীদের কথাও তুলে ধরা হয়েছে যাঁরা তাঁদের অধিকারের লড়াইয়ে একত্রিত হন। যাঁরা জীবনের সব স্তরের মানুষের যত্ন নেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: তাপপ্রবাহের সতর্কতা দেশজুড়ে, দহন থেকে বাঁচতে আগাম নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    Heatwave: তাপপ্রবাহের সতর্কতা দেশজুড়ে, দহন থেকে বাঁচতে আগাম নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা দেশজুড়ে জারি হয়েছে তাপপ্রবাহের (Heatwave) সতর্কতা। দেশের বিভিন্ন তাপমাত্রা ছুঁয়েছে ৫০ ডিগ্রির কাটা। ইতিমধ্যেই তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। এই ফেব্রুয়ারিতে সিমলায় তাপমাত্রা রেকর্ড উচ্চতায় গিয়েছে। অন্যদিকে গুজরাট-মহারাষ্ট্র এবং গোয়ার কিছু জায়গায় তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি উপস্থিত হয়েছে। এরই মাঝে নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। 

    তাপপ্রবাহ নিয়ে ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি জানিয়েছে, ২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে তাপপ্রবাহ কবলিত রাজ্যের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে ২৩-এ পৌঁছেছে। গত এক শতাব্দীর মধ্যে ২০২২-এর মার্চ ছিল উষ্ণতম। তাপপ্রবাহের কারণে নষ্ট হচ্ছে ফসল, ঘটছে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মতো ঘটনাও। 

    নির্দেশিকায় কী বলেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক? 

    তাপপ্রবাহের জেরে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বহু মানুষ। লু থেকে বাঁচতে নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। সেখানে বলা হয়েছে, তৃষ্ণা না থাকলেও প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে। ব্যবহার করতে হবে ওআরএস। লবন দিয়ে ঘরে তৈরি লেবুর জল, লস্যি, ফলের রস খেতে হবে। অন্যদিকে অ্যালকোহল, চা, কফি, ঠাণ্ডা পাণীয় এবং প্রচুর চিনি থাকা পাণীয় খাওয়া যাবে না। এছাড়াও এই সময় উচ্চ প্রোটিন যুক্ত খাবার এবং বাসি খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। পার্ক করা গাড়িতে কোনও শিশু কিংবা পোষ্যকে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে তীব্র গরমের সময় রান্না করা এড়িয়ে চলতে হবে। রান্নার জায়গায় পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

    আরও পড়ুন: ১২২ বছরে উষ্ণতম ফেব্রুয়ারি কাটাল দেশ! ২০২৩-এর গ্রীষ্মকাল কেমন হতে চলেছে?

    স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে আরও বলা হয়েছে, সূর্যের আলোর সংস্পর্শে এলে পাতলা, ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরতে হবে। এছাড়া ছাতা, টুপি, তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢাকার বন্দোবস্ত করতে হবে। সরকারের তরফে আবহাওয়ার খবর শুনতে বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের রেডিও-র খবর শোনার, সংবাদপত্র পড়ার এবং টিভি দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও যাঁরা পারবেন, তাঁরা আবহাওয়া দফতরের ওয়েবসাইটও দেখতে পারেন।

    আরও পড়ুন: এখন থেকে মৈত্রী-বন্ধন এক্সপ্রেসের নিরাপত্তার দায়িত্বে আরপিএফ

    হাওয়া বাতাস যেখানে বেশি খেলে সেখানেই থাকা বাঞ্ছনীয় (Heatwave)। এছাড়াও বাড়িতে ভিতরে শীতল জায়গায় থাকতে হবে। সরাসরি সূর্যের তাপ কিংবা তাপপ্রবাহ এড়িয়ে যেতে হবে। দিনের বেলায় বাড়ির যেসব দিকে রোদ আসে, সেইসব দিকের জানলা এবং পর্দা বন্ধ রাখতে হবে। সন্ধে কিংবা রাতের দিকে যেসব বাইরের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে, সেই সময় এইসব জানলা-পর্দা খুলে দিতে হবে। যাঁদেরকে বাইরে বেরোতেই হয়, তাঁরা সকাল ও সন্ধেয় কাজ সারার চেষ্টা করতে হবে, কিংবা সেইরকমের পরিকল্পনা করতে হবে। দুপুর ১২ টা থেকে ৩ টের মধ্যের সময়কে এড়িয়ে চলতেও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ছোট শিশু, গর্ভবতী মহিলা, যাঁরা বাইরে বেরিয়ে কাজ করেন, যাংদের মানসিক রোগ রয়েছে এবং যাঁরা হৃগরোগ কিংবা উচ্চরক্তচাপে ভুগছেন, তাঁদের বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share