Blog

  • ABVP: মদ্যপানের প্রতিবাদ করায় এবিভিপি নেতার বাড়িতে তৃণমূলীদের হামলা, জখম প্রাক্তন সেনাকর্মী সহ ৩

    ABVP: মদ্যপানের প্রতিবাদ করায় এবিভিপি নেতার বাড়িতে তৃণমূলীদের হামলা, জখম প্রাক্তন সেনাকর্মী সহ ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ হোলির দিনে পাড়ার মধ্যে মদ্যপ যুবকরা অভব্য আচরণ করছিল। অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজের জেরে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন  বারাকপুরে শিউলি গ্রাম পঞ্চায়েতের কলেজ পল্লির এলাকার মানুষ। কিন্তু, সাহস করে কেউ মদ্যপদের প্রতিবাদ করতে এগিয়ে আসেনি। প্রাক্তন সেনা কর্মী জন্মেঞ্জয় মাহাতোর দুই ছেলে জগদীশ ও সমীরণ বেরিয়ে এসে প্রতিবাদ করেন। জগদীশবাবু বারাকপুরের অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক (Abvp)। আর জন্মেঞ্জয়বাবু কার্গিল যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সেনা অফিসার ছিলেন। তাদের বাধায় দুপক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। পরে, মদ্যপরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে, দলবল নিয়ে এসে মদ্যপরা প্রাক্তন সেনা কর্মীর বাড়ির ভিতরে ঢুকে হামলা চালায়। হামলাকারীরা সকলেই তৃণমূল কর্মী হিসেবেই পরিচত। বাড়ির ভিতরে দুই ছেলের উপর হামলা হতে দেখে প্রাক্তন সেনা কর্মী বাধা দিয়ে এগিয়ে আসেন। তাঁর উপরও হামলাকারীরা চড়াও হন। হামলার জেরে প্রাক্তন সেনা কর্মীসহ তিনজন জখম হন। স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে তাঁরা চিকিত্সা করেন। পরে, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    এলাকায় তৃণমূলের দাপট দেখাতেই কী দলবল নিয়ে হামলা? Abvp

    শিউলি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা তৃণমূলের খাস তালুক। এই এলাকায় প্রাক্তন সেনা কর্মীর ছেলে প্রকাশ্যেই এবিভিপি-র (Abvp) নেতৃত্ব দেন। ফলে, স্থানীয় তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের আগে থেকে প্রাক্তন সেনা কর্মীর বাড়ির দিকে নজর ছিল। মদ্যপদের পাড়া থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল নেতারা সুযোগ পেয়ে যায়। দলবল নিয়ে তারা এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। প্রাক্তন সেনা কর্মী জন্মেঞ্জয় মাহাত বলেন, পাড়ার মধ্যে ওরা চরম অভব্য আচরম করছিল। গালিগালাজ দিচ্ছিল। তাই, প্রতিবাদ করা হয়েছিল। সকলেই তৃণমূল কর্মী (Tmc) হিসেবে পরিচিত। নিজেদের দাপট দেখাতেই এভাবে বাড়ির ভিতরে ঢুকে ওরা হামলা চালায়। হামলার জেরে বড় ছেলের কলার বোন ভেঙে যায়। ছোট ছেলের পা ভাঙে। আমার মাথা ফেটে যায়। ওরা হামলা চালানোর সময় তৃণমূলের স্থানীয় প়ঞ্চায়েতের প্রধানের  নাম নিয়েছিল। হামলার বিষয় নিয়ে শিউলি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান অরুণ ঘোষ বলেন, এটা নিজেদের ব্যক্তিগত বিষয়। এরসঙ্গে দলের কোনও বিষয় নেই। আর আমি কাউকে এই ধরনের কাজে মদত দিই না।

    অন্যদিকে, বিজেপির নোয়াপাড়া যুব মোর্চার কনভেনার সুপ্রিয় দে-র উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সুপ্রিয়বাবু বলেন, দোল খেলে বাড়ি ফেরার পথে ওরা আমার পথ আটকায়। এরপর আমার উপর হামলা চালায়। ওরা দুষ্কৃতীকারী। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

     

     

     

  • Team India Holi: ভাইরাল ভিডিও! অনুশীলনেই হোলি পালন রোহিত-কোহলিদের

    Team India Holi: ভাইরাল ভিডিও! অনুশীলনেই হোলি পালন রোহিত-কোহলিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার থেকে আমদাবাদে শুরু হচ্ছে চতুর্থ টেস্ট। ছুটি কাটিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা। আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে চলছে অনুশীলনও। তার মধ্যেই রঙের উৎসব হোলি। সিরিজ চলায় পরিবারের সঙ্গে থাকার কোনও উপায় নেই। কিন্তু উৎসব তো আর ছাড়া যায় না। অনুশীলনেই হোলি পালন করল মেন ইন ব্লু।

    ভাইরাল ভিডিও

    বিরাটকে আবির মাখিয়ে দিলেন গিল। রোহিত বা বাদ যাবেন কেন। তাঁকেও আবির মাখিয়ে দিলেন সতীর্থরা। ড্রেসিংরুমের পরিবেশ তখন আর পাঁচটা ম্যাচের আগে যেমন থাকে তেমন নয়। পুরো অন্য মুডে ক্রিকেটার এবং সাপোর্ট স্টাফরা। প্রস্তুতির পর পুরো রঙিন হয়েই টিম হোটেলে ফিরলেন টিম ইন্ডিয়ার সদস্যরা। শুভমন গিল ইন্সটাগ্রামে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন। রং খেলায় মেতেছেন বিরাট কোহলি থেকে শুরু করে রোহিত, শুভমন। কেউই বাদ নেই। শুভমনের এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। আর সেই ভিডিয়োর ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘প্রত্যেককে শুভেচ্ছা ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে।’ 

    আরও পড়ুুন: কাটল জট, অনুব্রতকে নিয়ে কলকাতার পথে আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ

    টিম বাসেও হোলি

    প্রস্তুতি শেষে ড্রেসিংরুমে কিছুটা রং খেলা হলেও তার রেশ থাকলো টিম বাসেও। ফেরার পথে টিম বাসে রং খেলার ভিডিয়ো দিয়েছেন শুভমন গিল। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, শুভমন গিল সহ সকলেই হোলিং রঙে মেতে উঠেছেন। ব্য়াকগ্রাউন্ড মিউজিক, অমিতাভ বচ্চনের সিলসিলা ছবির সেই বিখ্যাত গান ‘রং বরসে’। ভাঙড়াও নাচলেন বিরাট কোহলি। রোহিত শর্মা রং ছিটিয়ে দেন কোহলির দিকে। শ্রেয়স আইয়ার থেকে শুরু করে সকলেই অংশ নিলেন। গত ম্যাচের হারের ধাক্কা কাটিয়ে ফুরফুরে মেজাজে ভারতীয় দল। সিরিজের শেষ টেস্ট জিতে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে জায়গা করে নেওয়াই আশু লক্ষ্য রোহিত-কোহলিদের।

     

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Ꮪhubman Gill (@shubmangill)

  • Chinese Mobile: চিনা মোবাইল-অ্যাপ ব্যবহার নয়, ভারতীয় সেনাকে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা

    Chinese Mobile: চিনা মোবাইল-অ্যাপ ব্যবহার নয়, ভারতীয় সেনাকে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনা জওয়ান ও তাঁদের পরিবারের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই বড় সতর্কতা জারি করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। সেনাকর্মীদের চিনে তৈরি মোবাইল ফোন (Chinese Mobile) ব্যবহার করতে নিষেধ করা হল। চিনের তৈরি মোবাইল এবং অ্যাপ ব্যবহার করবেন না। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (লাইন অফ অ্যাকচ্যুয়াল কন্ট্রোল বা এলএসি) বরাবর মোতায়েন সেনা জওয়ানদের এমনই নির্দেশিকা দিল গোয়েন্দা বিভাগ।

    কেন এমন নির্দেশিকা?

    গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, চিনা বা বিদেশি মোবাইলগুলি ম্যালওয়্যার, বা স্পাইওয়্যার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। বহু ক্ষেত্রেই ম্যালওয়্যার, বা স্পাইওয়্যার পাওয়া যাচ্ছে চিনা মোবাইলে (Chinese Mobile), যা সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ নিয়ে আগেও সেনাকে সতর্ক করা হয়েছে। এবার সরাসরি চিন সীমান্তে যাতে এই মোবাইলগুলি ব্যবহার না করা হয় সেদিকে নজর দেওয়ার বার্তা এল। মোবাইলের পাশাপাশি চিনা অ্যাপ ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চাইছেন গোয়েন্দারা। এবারে শুধুমাত্র সেনাকর্মীরাই নন, তাঁদের পরিবারের সদস্যদেরও চিনা ফোন ও অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে বারণ করা হয়েছে।

    নির্দেশিকায় সেনাকর্তাদের উদ্দেশে বলা বয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বা এলএসি-তে যে সমস্ত সেনাকর্মীরা মোতায়েন রয়েছেন, তারা যেন কোনও চিনা মোবাইল ফোন বা চিনা অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার না করেন। প্রতিরক্ষা বিভাগকে ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিভাগকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, বিভিন্ন মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে। সেনাকর্মীদের এই বিষয়ে সতর্ক হতে হবে, চিনা মোবাইল ফোন (Chinese Mobile) ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

    চিনা ফোন ব্যবহারে না…

    জানা গিয়েছে, ভিভো, ওপো, শাওমি, ওয়ান প্লাস, হনর, রিয়েলমি, জিওনি, আসুস ও ইনফিনিক্সের মত মোবাইল ফোন, যা চিনে তৈরি হয় (Chinese Mobile), তা ব্যবহার করতে বারণ করা হয়েছে। এই ফোনগুলি ছাড়া বর্তমানে ভারতীয় বাজারে অন্যান্য যে ফোন রয়েছে, তা ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা ঘিরে ভারত ও চিনের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। জুন মাসে গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষও হয়। এরপর থেকেই দুই দেশের মধ্যে চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিভিন্ন মাধ্যমে ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপর নজরদারি চালানোর চেষ্টা করছে লাল ফৌজ। ফলে এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে চলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dhaka Blast: ঢাকার গুলিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! মৃতের সংখ্যা ১৮, আহত শতাধিক

    Dhaka Blast: ঢাকার গুলিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! মৃতের সংখ্যা ১৮, আহত শতাধিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ঢাকার গুলিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৮। আহত শতাধিক।  তাঁদের মধ্যে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন কয়েক জনের অবস্থা ‘গুরুতর’। ফলে মৃত্যুমিছিল দীর্ঘতর হওয়ার আশঙ্কা। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার নাজমুল হক জানিয়েছেন, আহতদের দেহে স্‌প্লিন্টারের ক্ষত রয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৪টে ৫০ নাগাদ গুলিস্তানের সিদ্দিকিবাজার এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটে।

    ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে আতঙ্ক

    সিদ্দিকি বাজারের ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে আতঙ্ক গোটা বাংলাদেশ জুড়ে। বুধবার সকাল থেকেও চলছে উদ্ধার কাজ। বিস্ফোরণস্থলে চাপা পড়া আর কারুর বেঁচে থাকার আশা নেই বললেই চলে। গোটা বাণিজ্যিক বিল্ডিং ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। ভেঙে পড়তে পারে বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত বিল্ডিংটি। এই আশঙ্কাতেই ঢাকার ওই বিল্ডিংয়ের বেসমেন্টে প্রবেশ করতে পারছে না দমকল বাহিনী। ভবনটির কলামগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ভিতরে ঢুকতে পারছে না দমকল। দমকল বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবনটি একটু স্থিতিশীল না করতে পারলে ভিতরে প্রবেশ করাটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যেতে পারে। সদা ব্যস্ত ঢাকার গুলিস্তানে এই ভয়াবহ ঘটনায় সবাই হতচকিত। গুলিস্তান হলো ঢাকার সবথেকে পুরোনো বাস স্ট্যান্ড। রাজধানীর মধ্যে ইন্টার সিটি এবং দূর পাল্লার বাস চলাচল করে এখান থেকে। এর জন্য এই এলাকায় প্রায় ২৪ ঘন্টাই হাজার হাজার লোকের ভিড় থাকে।

    আরও পড়ুন: জিনপিংয়ের একান্ত ঘনিষ্ঠ লি কিয়াংই হচ্ছেন চিনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী

    ঢাকা বিস্ফোরণের ঘটনায় ক্ষতিপূরণের কথা ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। নিহতদের পরিবার পিছু ৫০ হাজার টাকা ও আহতদের ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পক্ষ থেকে স্বেচ্ছায় রক্তদানের জন্য হাসপাতালে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে বিস্ফোরণের কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। জঙ্গি হামলার সম্ভাবনার পাশাপাশি উঁকি দিচ্ছে, সিদ্দিকি বাজারের ৭তলা বাড়িটির নীচের একটি দোকানে নিষিদ্ধ বিস্ফোরক মজুত রাখার সম্ভাবনাও। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)-এর কমিশনার খোন্দকার গোলাম ফারুক মঙ্গলবার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পরে সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘‘সিদ্দিকবাজারের বিস্ফোরণ নাশকতা না কি দুর্ঘটনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’’ তবে প্রত্যক্ষ্যদর্শীদের অনেকেই দাবি করেছেন, একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রক যন্ত্রেই এই বিস্ফোরণ ঘটেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adenovirus: অ্যাডিনো-আতঙ্ক! শিশু চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত সকল স্বাস্থ্য কর্মীর ছুটি বাতিল

    Adenovirus: অ্যাডিনো-আতঙ্ক! শিশু চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত সকল স্বাস্থ্য কর্মীর ছুটি বাতিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখন আতঙ্কের আর এক নাম অ্যাডিনো ভাইরাস (Adenovirus)। ক্রমেই বাড়ছে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এবার সরকারি হাসপাতালে শিশু চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত সকল স্বাস্থ্য কর্মীর ছুটি বাতিল করা হল। এর সঙ্গেই জানানো হয়েছে, অ্যাডিনো (Adenovirus) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারি হাসপাতালগুলিতে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে ফিভার ক্লিনিক। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য দফতরের তরফে এই নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়। 

    পরিস্থিতি ভয়াবহ

    গত ২ মাসে অ্যাডিনো ভাইরাস, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টে, রাজ্যে ১১২ শিশুর মৃত্যুর হয়েছে। শুধুমাত্র রবিবার রাত থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৭ শিশুর! যে ৭ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ৪ জন নিউমোনিয়া ও ২ জন অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত ছিল, বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। পার্ক সার্কাসের ইন্সটিটিউট অফ চাইল্ড হেলথে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বেসরকারি মতে,শুধুমাত্র বি সি রায় শিশু হাসপাতালেই মৃত্যু হয়েছে ৪৫ শিশুর।  এই পরিস্থিতে স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করে ছুটি বাতিল করা হয়েছে সব সরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে অনুব্রত মণ্ডল কেমন থাকবেন জানালেন দিলীপ ঘোষ

    বিরোধীদের অভিযোগ

    হাসপাতালে যাতে অক্সিজেনের অভাব না থাকে তার জন্য ইতিমধ্যেই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতালের ক্লিনিকগুলিতে সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত শিশুদের জন্য ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার কথা বলা হয়েছে। যে হাসপাতালগুলিতে শিশুবিভাগ আছে সেখানে আলাদা আউটডোর চালু করার কথা বলা হয়েছে। যাতে সাধারণ বহির্বিভাগে এই রোগীদের অপেক্ষা করতে না হয়। এই রোগটির সম্পর্কে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার কথাও বলা হয়। বেসরকারি হাসপাতালগুলিকেও প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে, নবান্ন থেকে ১০ দফার পরামর্শ দেওয়া হলেও রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার কতটা উন্নতি হয়েছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সন্দেহ প্রকাশ করেছে বিরোধীরা। শহরের উপরে পরিষেবা যেটুকু বা মেলে গ্রামাঞ্চলে অবস্থা ভয়াবহ। সেখানকার হাসপাতালগুলির পরিকাঠামোর অভাবেই শহরে ভিড় জমাচ্ছে অসুস্থ শিশুর পরিবার। চাপ বাড়ছে শহরের হাসপাতালগুলিতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: মধ্যরাতে নাটকীয় শুনানি! ১০ মার্চ পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ অনুব্রতকে

    Anubrata Mondal: মধ্যরাতে নাটকীয় শুনানি! ১০ মার্চ পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ অনুব্রতকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে নাটকীয় শুনানি পর্বের শেষ হল মঙ্গলবার মধ্যরাতে। গতকাল গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) রাজধানীতে নিয়ে যাওয়া এবং শুনানি নিয়ে টানটান নাটক চলে। এই মামলার এবং হেভিওয়েট নেতার গুরুত্ব অনুধাবন করেই রাতে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতির ভার্চুয়াল শুনানি করা হয়। কিন্তু পরে রাত দেড়টা নাগাদ সশরীরে দিল্লির বিচারকের বাড়িতেই হাজিরা দিতে হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। তার পর বিচারকের বাড়িতেই মাঝরাত অবধি চলে শুনানি পর্ব। দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের বিচারক রাকেশ কুমার রায় দেন আগামী ১০ মার্চ অবধি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর হেফাজতেই থাকবেন কেষ্ট। তবে ৩ দিন ইডি হেফাজতের নির্দেশের পরেও এ প্রসঙ্গে নিরুত্তর থেকেছেন অনুব্রত মণ্ডল।

    বিচারকের বাড়িতে অনুব্রতের শুনানি

    গতকাল অনুব্রতকে নিয়ে রাজধানী পৌঁছে যাওয়ার পরেই বিচারক রাকেশ কুমারের এজলাসে শুনানির আবেদন জানায় ইডি। কিন্তু বুধবার হোলি উপলক্ষে আদালত ছুটি। তাই মঙ্গলবার রাতেই তারা রাকেশ কুমারের এজলাসে ভার্চুয়ালি হাজির করায় অনুব্রতকে। রাত ১১টা ২০ নাগাদ শুরু হয় সেই শুনানি। কিন্তু আধঘণ্টার মধ্যেই সেই শুনানি মাঝপথে স্থগিত হয়ে যায়। সিদ্ধান্ত হয়, দু’পক্ষই যাবে বিচারকের বাড়ি। শেষে রাত ১টা নাগাদ অশোকবিহারে বিচারক রাকেশ কুমারের বাড়িতে অনুব্রতকে নিয়ে ইডি আধিকারিকেরা যান। অনুব্রতের আইনজীবীও সঙ্গে ছিলেন। বিচারকের সামনে সশরীরে হাজির করানো হয় অনুব্রতকে। প্রথমে অনুব্রতকে ১৪ দিনের হেফাজতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন কেন্দ্রীয় সংস্থার আইনজীবী। তাতে আপত্তি জানান অনুব্রতের আইনজীবী মুদিত জৈন। শেষপর্যন্ত তাঁকে আগামী ১০ মার্চ ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সকাল ১০টায় আবার ইডিকে রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে অনুব্রতকে হাজির করাতে হবে।

    ইডির আইনজীবীর বক্তব্য

    ১১টা ২০ নাগাদ ভার্চুয়ালি শুনানির শুরুতেই বিচারক রাকেশ কুমার বলেন, “অনেক দিন পরে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দিলাম। তাই একটু সমস্যা হচ্ছে।” তবে অনুব্রতের আইনজীবী মুদিত বলেন, “এই মামলায় ভার্চুয়াল হাজিরা হওয়া উচিত নয়। সশরীরে হাজিরা দেওয়ার কথা।” ওই আইনজীবীর অভিযোগ, মক্কেলের সঙ্গে তাঁর কোনও কথা বলা হয়নি। তিনি কথা বলার সুযোগই পাননি। অনুব্রতের আইনজীবী এ-ও জানান, মঙ্গলবার টানা সফর করতে হয়েছে তাঁর মক্কেলকে। তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। অনুব্রত অসুস্থ। তাঁকে সময় দেওয়া হোক। এখন হাজিরা বাতিল করা হোক বলে আর্জি জানান মুদিত।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে অনুব্রত মণ্ডল কেমন থাকবেন জানালেন দিলীপ ঘোষ

    এরপরেই ইডির আইনজীবীর সওয়াল, “করোনা পরিস্থিতিতে অনেক সময় ভার্চুয়াল পদ্ধতি কাজে লাগানো হয়েছে। অনুব্রতের আইনজীবীই তো সশরীরে হাজির হননি!” বিচারকের উদ্দেশে ইডির আইনজীবী বলেন, “তা হলে ৩০ মিনিট সময় দিন। অনুব্রতকে নিয়ে আপনার বাড়ি আসছি।” এর পরেই ঠিক হয় অনুব্রতকে নিয়ে বিচারক রাকেশ কুমারের বাড়িতে যাবে ইডি। শেষ হয়ে যায় ভার্চুয়াল শুনানি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Li Qiang: জিনপিংয়ের একান্ত ঘনিষ্ঠ লি কিয়াংই হচ্ছেন চিনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী

    Li Qiang: জিনপিংয়ের একান্ত ঘনিষ্ঠ লি কিয়াংই হচ্ছেন চিনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমিউনিস্ট চিনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের অধিবেশন শুরু হয়েছে রবিবার। ভারতের প্রতিবেশী দেশের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে এই অধিবেশনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অধিবেশনে মন্ত্রিপরিষদে বড় ধরনের রদবদল হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, সাংহাইয়ে দলীয় প্রধান লি কিয়াং (Li Qiang) হতে চলেছেন চিনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।

    সাংহাইয়ে কোভিড সংক্রমণ বাড়বাড়ন্তের সময় ব্যাপক কড়াকড়ি শুরু করেছিল চিনের প্রশাসন। কঠোর নীতি প্রণয়নের নেপথ্যে ছিলেন ছিলেন লি কিয়াং (Li Qiang)। এবার তিনিই চিনের প্রধানমন্ত্রীর পদে বসতে চলেছেন। শি জিনপিং- এর অত্যন্ত ঘনিষ্ট এই নেতা। যদিও এই নেতাকে নিয়ে অসন্তুষ্ট চিনা নাগরিকদের একাংশ। কারণ সাংহাইয়ের আর্থিক অবস্থার অবনতির নেপথ্যে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল লির।     

    চিনের বার্ষিক এই অধিবেশনে প্রায় তিন হাজার প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। এতে ঘোষিত হওয়া নতুন প্রধানমন্ত্রীকে (Li Qiang) বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির হাল ধরতে হবে। জিনপিংয়ের পরে তিনিই হবেন দেশটির দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি। করোনাভাইরাস সংক্রমণের সময় গত বছর দেশটির বাণিজ্যিক কেন্দ্র সাংহাইয়ে লকডাউন তদারকির দায়িত্বে ছিলেন তিনি। লকডাউনের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ধসে সমালোচিতও হয়েছিলেন লি। তারপরও তাঁর কমিউনিস্ট পার্টির দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে যাওয়ার খবরে অনেকেই বিস্মিত।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে অনুব্রত মণ্ডল কেমন থাকবেন জানালেন দিলীপ ঘোষ

    লি কিয়াংয়ের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, চিনের নিয়মকে পাশ কাটিয়ে অনৈতিক ভাবে প্রিমিয়ার পদে বসতে চলেছেন তিনি। শুধুমাত্র জিনপিংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্টতার সুবাদেই দেশের অন্যতম শীর্ষ পদে বসছেন, এমনটাই মনে করছেন অনেকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাঙ্কার বলেছেন, এই নিয়োগ ঘিরে একেবারেই অখুশি চিনের ব্যবসায়ী মহল। যদিও কোনও সংস্থার তরফে নয়া প্রিমিয়ারের বিরুদ্ধে সরকারি ভাবে কিছু বলা হয়নি। 

    আজ বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং মঞ্চের কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন। এরপর নতুন প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং সেই জায়গা দখল করবেন। চিনের প্রিমিয়ার হিসাবে দেশের আর্থিক নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছেন লি (Li Qiang)। বিশেষজ্ঞদের মতে, শি-লির সুসম্পর্কের চিনা প্রশাসনে একটা নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ দুই নেতার মধ্যে বোঝাপড়ার কারণে উন্নতি হতে পারে চি্নের। কিন্তু অপর একাংশের দাবি, নয়া প্রিমিয়ারের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীল জিনপিং। তাঁকে খুশি রাখতে ভুল নীতি প্রণয়ন করার সম্ভাবনা রয়েছে চিনা রাষ্ট্রপতির।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Holi Milan: আরএসএস-এর হোলি মিলন উদযাপনে এই প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের অংশগ্রহণ

    Holi Milan: আরএসএস-এর হোলি মিলন উদযাপনে এই প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের অংশগ্রহণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) এর সহযোগী সেবা ভারতীর বার্ষিক হোলি (Holi Milan) উদযাপনে এই প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের ৬ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কেন্দ্রীয় দিল্লি সদর দফতরে রবিবারের ঐতিহ্যবাহী ‘হোলি মিলন’ (Holi Milan) উদযাপনে আরএসএস এবং সেবা ভারতীর পক্ষ থেকে ছয়জন ট্রান্সজেন্ডারের একটি দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে তাঁদেরকে “হামারে শিখন্ডি ভাই এবং বেহেনে” বলে মঞ্চে স্বাগত জানানো হয়।

    ট্রান্সজেন্ডাররা সমাজের অঙ্গ

    পুরুষ ও নারী— এই দুই চেনা পরিসরের বাইরে একটি পরিসর আছে। সেই ‘তৃতীয় পরিসর’ আজ সমাজের একটি প্রতিষ্ঠিত সত্য। কিন্তু সমাজের মূলস্রোত এখনও ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ বিষয়টিকে অচ্ছুত করে রেখেছে। তাই বহু মানুষ তাঁদের সঠিক সত্তাকে প্রকাশ করতে সাহস পান না, বলে সম্প্রতি মত প্রকাশ করেছিলেন সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবত। আরএসএস সমাজের এই শ্রেণির পাশে রয়েছে, বলে জানিয়েছিলেন তিনি। ভাগবত বলেছিলেন, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদেরও আলাদা ব্যক্তিগত পরিসরের প্রয়োজন। যেদিন থেকে মানুষ পৃথিবীতে এসেছে, সেদিন থেকেই এই ধরনের প্রবৃত্তি দেখা গিয়েছে। এটা জৈবিক বিষয়। জীবনেরই একটা অংশ। বিষয়টা খুবই সাধারণ। এই দৃষ্টিভঙ্গির প্রচার দরকার। নাহলে অন্য পদক্ষেপগুলি নিরর্থক হয়েই থেকে যাবে। এরপরই এবছর আরএসএস-এর এই অভাবনীয় পদক্ষেপ।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে হোলি পালন করতে গিয়ে আক্রান্ত হিন্দু ছাত্ররা, জখম অন্তত ১৫

    এদিনের অনুষ্ঠানে (Holi Milan) মহাভারতের শিখণ্ডীর উদাহরণ তুলে ধরা হয়। সংগঠনের তরফে বলা হয়, আরএসএস দেখেছে যে অনেক ট্রান্সজেন্ডার সামাজিক এবং ধর্মীয় গ্রহণযোগ্যতার জন্য ইসলামে ধর্মান্তরিত হচ্ছেন, যা কাম্য নয়। “কেন তারা বিচ্ছিন্ন বোধ করবে? তারা বরাবরই হিন্দু ধর্মের অংশ। আমাদের সমস্ত আচার-অনুষ্ঠানে সমাজের এই শ্রেণিকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং তাদের বোঝাতে হবে যে তারা সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল।” অভিমত, সংগঠনের এক শীর্ষকর্তার।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রতকে নিয়ে দিল্লি উড়ে গেলেন ইডি আধিকারিকরা

    Anubrata Mondal: অনুব্রতকে নিয়ে দিল্লি উড়ে গেলেন ইডি আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) নিয়ে দিল্লির উড়ান ধরলেন ইডি আধিকারিকরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি বেসরকারি উড়ান সংস্থার বিমানে দিল্লি নিয়ে গেল ইডি। এর আগে বিমানবন্দরে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি দাবি করেন, তাঁর শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। তাঁকে ইনহেলারও নিতে দেখা যায়। যদিও এ ব্যপারে কোনও মন্তব্য করেনি ইডি (ED)।

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)…

    এদিনই অনুব্রতকে আদালতে পেশ করার কথা ছিল। কিন্তু যেহেতু তাঁকে নিয়ে দিল্লি যেতে রাত হবে, তাই এদিন অনুব্রতকে রাখা হবে ইডি দফতরে। বুধবার পেশ করা হবে আদালতে। তবে এদিন দিল্লি পৌঁছে ফের এক প্রস্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে অনুব্রতর। এ জন্য তাঁকে নিয়ে যাওয়া হতে পারে দিল্লির সফদরজং হাসপাতাল কিংবা রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে। সেখানে সুস্থতার শংসাপত্র মিললে নিয়ে যাওয়া হবে ইডি দফতরে।

    এদিন সকাল ৭টা নাগাদ গরু পাচারকাণ্ডে (Cattle Smuggling Scam) অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ। তাঁকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কন্ট্রোলার কৃশানু গঙ্গোপাধ্যায় ও তাঁর একজন সহযোগীকে পাঠানো হয়। নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন করা হয়েছিল আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের এক ইন্সপেক্টর, তিনজন সাব ইন্সপেক্টর ও ১২ জন সশস্ত্র পুলিশের একটি বিশেষ বাহিনীকে। সঙ্গে ছিল দুটি পাইলট কার। অ্যাম্বুলেন্সে করে পাঠানো হয়েছিল জেলা হাসপাতালের একজন চিকিৎসক ও তাঁর একজন সহযোগীকে।

    এদিন সকালে আসানসোল জেলের সামনে কিছু মানুষ জমায়েত করেছিলেন। অনুব্রতকে লক্ষ্য করে কটাক্ষও ছুড়ে দেন কেউ কেউ। কেষ্টদা দিল্লি যাচ্ছেন নাকি? এই ধরনের টিপ্পনিও ভেসে আসতে শোনা গিয়েছে। জেলের সামনে উপস্থিত রাজা মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি বলেন, অনুব্রত মণ্ডল যাওয়ার পর আসানসোল পবিত্র হল। আমরা শুদ্ধিকরণ করব।

    আরও পড়ুুন: কাঠফাটা গরম, কীভাবে মোকাবিলা? উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    গত বছর অগাস্ট মাসে গ্রেফতার করা হয় অনুব্রতকে। গরু পাচার মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তার পর থেকে আদালতের নির্দেশে আসানসোল জেলেই ছিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি। সম্প্রতি তাঁকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেন আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কলকাতায় নিয়ে গিয়ে কোনও কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতাল থেকে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষার কথা বলা হয়েছিল। সেই কারণে কলকাতা পর্যন্ত তাঁকে সুরক্ষা কে দেবে, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এদিন কলকাতায় নিয়ে গিয়ে তাঁকে তুলে দেওয়া হয় ইডির হাতে।

    এই মামলায় দিল্লিতে আগে থেকেই জেলবন্দি রয়েছেন অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন এবং গরু পাচারকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত এনামুল হক। অনুব্রতকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার পর তাঁকে এবং সায়গলকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Nagaland: পঞ্চমবারের জন্য নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেফু রিও! অভিনন্দন মোদি-শাহের

    Nagaland: পঞ্চমবারের জন্য নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেফু রিও! অভিনন্দন মোদি-শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নাগাল্যান্ডের (Nagaland) মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন এনডিপিপি নেতা নেফু রিও (Neiphiu Rio)। দোলের দিন, মঙ্গলবার দুপুরে পঞ্চমবারের জন্য নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী (Nagaland CM) হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন তিনি। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) উপস্থিতিতেই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন রিও। উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে.পি নড্ডা এবং অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। 

    শপথ অনুষ্ঠান

    এদিন ৭২-এর রিওকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল লা গণেশন। উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথবাক্য পাঠ করেন টিআর জেলিং ও ওয়াই প্যাটন। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুসারেই এদিন দুপুর ২টো নাগাদ কোহিমায় রাজভবনে নাগাল্যান্ডের (Nagaland) নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। রিও মন্ত্রিসভার অন্যান্যরাও শপথ নেন। সম্প্রতি ৬০ আসন বিশিষ্ট নাগাল্যান্ড বিধানসভায় ৩৭টি আসনে জয়লাভ করে এনডিপিপি-বিজেপি জোট। এর পাশাপাশি রাজ্যের অন্যান্য রাজনৈতিক দলও রিও-নেতৃত্বাধীন জোট সরকারকে চিঠি লিখে তাদের সমর্থন জানিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি! অর্থনৈতিক লেনদেনে ভারতীয় মুদ্রা ব্যবহার করতে চলেছে শ্রীলঙ্কা

    পঞ্চমবারের জন্য নাগাল্যান্ডের (Nagaland) দায়িত্বভার গ্রহণের পর করমর্দন করে রিও-কে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রসঙ্গত, বিরোধীদের প্রচার উপেক্ষা করে অভাবনীয় ফল করেছে BJP ও NDPP জোট। সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসাবে ফের নাগাল্যান্ডের (Nagaland) মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন NDPP বিধায়ক নিইফিউ রিও। এর আগে চারটি পর্যায়ের মধ্যে তিনবারই মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে পূর্ণ সময়ের মেয়াদ সম্পূর্ণ করেছেন তিনি। কেবল ২০০৮ সালে নাগাল্যান্ডে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হওয়ায় তিনি ৫ বছরের মেয়াদ সম্পূর্ণ করতে পারেননি। তবে পরের বছর বিধানসভা নির্বাচনে NDPP জোট জয়ী হয়ে সরকার গড়ে এবং পুনরায় মুখ্যমন্ত্রী হন রিও।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share