Blog

  • Tripura Election: ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মানিক সাহা

    Tripura Election: ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মানিক সাহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরায় (Tripura Election)পরপর দুবার সরকার গড়ল বিজেপি। সাত মাস আগে আগরতলার কুর্সিতে বসেছিলেন বিশিষ্ট দন্ত চিকিৎসক ড.মানিক সাহা। এবারের বিধানসভা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে ফের তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী করল গেরুয়া শিবির। বুধবার তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে শপথ গ্রহণ করলেন।

    ত্রিপুরায় শপথ গ্রহণ

    বুধবার আরও আটজন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন। আগরতলায় স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। উপস্থিত ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। যিনি উত্তর–পূর্বে বিজেপির এই জয়ের কারিগর। এছাড়াও হাজির ছিলেন অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্দা, মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং ও সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী পিএস তামাং। ত্রিপুরার (Tripura Election) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবও হাজির ছিলেন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে। এদিন যে আটজন মন্ত্রী বুধবার শপথ নিলেন, তার মধ্যে চারজন আগেও ক্যাবিনেটে ছিলেন। তাঁদের মধ্যে আছেন রতনলাল নাথ, প্রাঞ্জিত সিংহ রায়, সান্ত্বনা চাকমা ও সুশান্ত চৌধুরী। এছাড়া নতুনদের মধ্যে শপথ নিয়েছেন টিঙ্কু রায়,  বিকাশ দেববর্মা ও সুধাংশু দাস। বিজেপির সহযোগী দল আইপিটিএফের শুক্লা চরণ নেওটিয়া মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। সূত্রের খবর, তিপ্রা মোথার তিনজন জয়ী প্রার্থী ক্যাবিনেটে জায়গা পেতে পারেন। 

    আরও পড়ুন: চিনা মোবাইল-অ্যাপ ব্যবহার নয়, ভারতীয় সেনাকে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা

    মানিকেই ভরসা

    ২০১৮ সালে বিধানসভা নির্বাচনে বাম জমানায় ইতি টেনে গেরুয়া শাসন শুরু হয় ত্রিপুরায়। এরপর ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়ার জেরে মুখ্যমন্ত্রী বদল করে বিজেপি। বিপ্লব দেবের জায়গায় মুখ্যমন্ত্রী করা হয় মানিক সাহাকে। সেই মানিকের নেতৃত্বেই বাম নেতা মানিক সরকার এবং তিপ্রা মোথার প্রদ্যোত্‍ মাণিক্য দেববর্মার চ্যালেঞ্জ সামলে জয় পায় বিজেপি। তবে এর মাঝেও মুখ্যমন্ত্রী মুখ নিয়ে শুরু হয়েছিল জল্পনা। কারণ এবারের নির্বাচনে লড়েছিলেন প্রতিমা ভৌমিক। মানিক সাহা নাকি কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর গদি পাবেন, তা নিয়েই চলছিল চাপা উত্তেজনা। এই নির্বাচনে (Tripura Election) প্রতিমাকে সিপিএম-র প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের গড় ধানপুর কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়তে বলা হয়। সিপিএম প্রার্থীকে হারিয়ে জয়ী হন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত মানিকেই ভরসা রাখল বিজেপি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: এখন থেকে মৈত্রী-বন্ধন এক্সপ্রেসের নিরাপত্তার দায়িত্বে আরপিএফ

    Indian Railways: এখন থেকে মৈত্রী-বন্ধন এক্সপ্রেসের নিরাপত্তার দায়িত্বে আরপিএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজেদের পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও মৈত্রী এবং বন্ধন এক্সপ্রেসের নিরাপত্তার দায়িত্ব ভারতীয় রেল (Indian Railways) তুলে দিয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ওপর। কিন্তু তার বিপুল খরচ বহন করতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছিল তাদের। তাই এবার দুই আন্তর্জাতিক ট্রেনের সুরক্ষার ভার নিজেদের কাঁধেই তুলে নিল রেল। আগামী এপ্রিল থেকে ভারতের অংশে ওই ট্রেনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে রেল নিরাপত্তা বাহিনী। ইতিমধ্যেও আরপিএফকে প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করবে রেল।  

    ছবছর ধরে কলকাতা স্টেশন থেকে গেদে সীমান্ত পর্যন্ত মৈত্রী এক্সপ্রেসের এবং বেনেপোল সীমান্ত পর্যন্ত বন্ধন এক্সপ্রেসের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে আসছিল বিএসএফ। কলকাতা স্টেশনে শুল্ক দফতরের সঙ্গে অভিবাসন সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং যাত্রীদের মালপত্র পরীক্ষার দায়িত্বেও ছিল তারাই। এর জন্য রেলের তরফে একটা বড় অঙ্কের টাকা দিতে হত স্বরাষ্ট্র দফতরকে।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে এড়িয়ে ইরানের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানে গম পাঠাচ্ছে ‘বন্ধু’ ভারত

    ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে বিএসএফের হাত থেকে ওই দায়িত্ব সরিয়ে নেওয়ার চিঠি দিয়েছে রেল (Indian Railways) । নতুন ব্যবস্থায় আরপিএফ ও জিআরপি পারস্পরিক সমন্বয়ের ভিত্তিতে ট্রেনের  নিরাপত্তার দেখভাল করার পাশাপাশি অভিবাসন সংক্রান্ত দায়িত্বও সামলাবে। উত্তরবঙ্গে মিতালি এক্সপ্রেসের দায়িত্ব ইতিমধ্যেই পালন করছে রেলের এই দুই বাহিনীই।

    নতুন দায়িত্ব সামলাতে প্রশিক্ষণ চলছে আরপিএফ ও জিআরপি-তে। নাশকতা ঠেকাতে পৃথক স্কোয়াড তৈরি করা হচ্ছে। নিজস্ব ডগ স্কোয়াড তৈরি করছে ভারতীয় রেল। শিয়ালদহ ডিভিশনের রেলওয়ে ম্যানেজার শীলেন্দ্র প্রতাপ সিংহ বলেন, “এপ্রিল থেকে নতুন দায়িত্ব নিতে পারে আরপিএফ।”

    আধিকারিকরা বলেন, বাংলাদেশ থেকে অনেকেই ভারতে এসে অতিরিক্ত সময় ধরে থেকে যান। তার জন্য তাঁদের জরিমানাও দিতে হয় (Indian Railways)। সেই কারণেই এবার স্টেশনেই  একটি ভিসা এক্সটেনশন সেন্টার স্থাপন করা হবে।

    শীলেন্দ্র প্রতাপ সিং আরও জানান, স্টেশনে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র  স্থাপনের জন্যও সম্প্রতি একটি টেন্ডার পাঠানো হয়েছে। শীঘ্রই সেই কাজ শুরু করে  দেওয়া যাবে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

     

  • Afghanistan: পাকিস্তানকে এড়িয়ে ইরানের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানে গম পাঠাচ্ছে ‘বন্ধু’ ভারত

    Afghanistan: পাকিস্তানকে এড়িয়ে ইরানের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানে গম পাঠাচ্ছে ‘বন্ধু’ ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চরম খাদ্য সঙ্কটে তালিবান শাসিত আফগানিস্তান (Afghanistan)। ২০২১ সালে তালিবানের (Taliban) কাবুল দখলের পর থেকে ক্রমশই খারাপ হয়েছে পরিস্থিতি। এই অবস্থায় আফগানিস্তানের (Afghanistan) পাশে দাঁড়াল নয়াদিল্লি। পাকিস্তানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আফগানিস্তানকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল ভারত। মঙ্গলবার দিল্লিতে পাঁচ দেশের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, আফগানিস্তানে ২০ হাজার মেট্রিক টন গম পাঠানো হবে। তবে পাকিস্তান হয়ে নয়, এই গম যাবে ইরানের চাবাহার বন্দর দিয়ে। এর পাশাপাশি সেদেশের মহিলা ও সংখ্যালঘু-সহ সমস্ত মানুষের অধিকার রক্ষা করতে রাজনৈতিক পরিকাঠামোর উন্নতির দাবিও জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

    তালিবান দখলের পর ভারতের সহায়তা

    ২০২০ সালে, ভারত আফগানিস্তানে ৭৫,০০০ মেট্রিক টন গম পাঠানোর জন্য চাবাহার বন্দর ব্যবহার করেছিল। এরপর এবারে ফের ইরানের বন্দর ব্যবহার করে আফগানিস্তানে পাঠাতে চলেছে গম। একটি সরকারী বিবৃতি অনুসারে, আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য চাবাহার বন্দরের মাধ্যমে “আফগান জনগণের” জন্য ২০ হাজার মেট্রিক টন গম বিতরণের জন্য জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (UNWFP) সঙ্গে অংশীদারিত্ব ঘোষণা করেছে ভারত।

    মঙ্গলবার কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান এবং তুর্কমেনিস্তানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে ভারত। ভারত-মধ্য এশিয়ার যৌথ ওই বৈঠকেই নয়াদিল্লি ঘোষণা করে ভারতের তরফে ২০ হাজার মেট্রিক টন গম পাঠানো হবে আফগানিস্তানে। সেই সঙ্গেই আফগানিস্তানের প্রশাসনের আরও উন্নতি ঘটানোরও ডাক দিয়েছে ভারত। এর পাশাপাশি ভারত জোর দিয়েছে কোনওভাবেই যেন আফগানিস্তানকে জঙ্গিদের আশ্রয়, প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা কিংবা অন্য কোনও রকম কাজে ব্যবহার না করা হয়।

    পাকিস্তান হয়ে কেন পাঠানো হচ্ছে না গম?

    এর আগে পাকিস্তান হয়ে আফগানিস্তানে ত্রাণ পাঠাতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয় ভারতকে। শোনা যায়, হাজার হাজার কেজি গম চুরি করছে পাকিস্তান। ভারত থেকে গম বোঝাই ট্রাকগুলি পাকিস্তান হয়ে আফগানিস্তানে প্রবেশ করে। কিন্তু নির্দেশ মত সেখানে গমের বস্তা না নামিয়ে ফেরার পথে অবৈধভাবে পাকিস্তানে প্রবেশ করে সেগুলি। আর সেখান থেকেই গম চুরি করে পাকিস্তান। পাকিস্তানের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। দেশটিতে খাদ্যসামগ্রী ও জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া। এই পরিস্থিতিতে ভারতের গম চুরি করছে দেশটি। এই খবর নয়াদিল্লির কাছেও পৌঁছেছিল।  তাই এবার পাকিস্তান হয়ে না গিয়ে ইরানের চাবাহার বন্দর দিয়ে আফগানিস্তানে গম পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।

    ভারতের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে তালিবানরা

    ভারত সেদেশের জনগণের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় তালিবানরা এর প্রশংসা করেছে। তালিবানের মুখপাত্র সুহেল শাহীন বলেছেন, “চাবাহার বন্দরের মাধ্যমে আফগান জনগণের জন্য ২০,০০০ মেট্রিক টন গম সরবরাহের জন্য আমরা এর প্রশংসা করি। এই ধরনের মানবিক পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে আস্থা বাড়ায় যা পারস্পরিক ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তুলবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ABVP: মদ্যপানের প্রতিবাদ করায় এবিভিপি নেতার বাড়িতে তৃণমূলীদের হামলা, জখম প্রাক্তন সেনাকর্মী সহ ৩

    ABVP: মদ্যপানের প্রতিবাদ করায় এবিভিপি নেতার বাড়িতে তৃণমূলীদের হামলা, জখম প্রাক্তন সেনাকর্মী সহ ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ হোলির দিনে পাড়ার মধ্যে মদ্যপ যুবকরা অভব্য আচরণ করছিল। অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজের জেরে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন  বারাকপুরে শিউলি গ্রাম পঞ্চায়েতের কলেজ পল্লির এলাকার মানুষ। কিন্তু, সাহস করে কেউ মদ্যপদের প্রতিবাদ করতে এগিয়ে আসেনি। প্রাক্তন সেনা কর্মী জন্মেঞ্জয় মাহাতোর দুই ছেলে জগদীশ ও সমীরণ বেরিয়ে এসে প্রতিবাদ করেন। জগদীশবাবু বারাকপুরের অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক (Abvp)। আর জন্মেঞ্জয়বাবু কার্গিল যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সেনা অফিসার ছিলেন। তাদের বাধায় দুপক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। পরে, মদ্যপরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে, দলবল নিয়ে এসে মদ্যপরা প্রাক্তন সেনা কর্মীর বাড়ির ভিতরে ঢুকে হামলা চালায়। হামলাকারীরা সকলেই তৃণমূল কর্মী হিসেবেই পরিচত। বাড়ির ভিতরে দুই ছেলের উপর হামলা হতে দেখে প্রাক্তন সেনা কর্মী বাধা দিয়ে এগিয়ে আসেন। তাঁর উপরও হামলাকারীরা চড়াও হন। হামলার জেরে প্রাক্তন সেনা কর্মীসহ তিনজন জখম হন। স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে তাঁরা চিকিত্সা করেন। পরে, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    এলাকায় তৃণমূলের দাপট দেখাতেই কী দলবল নিয়ে হামলা? Abvp

    শিউলি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা তৃণমূলের খাস তালুক। এই এলাকায় প্রাক্তন সেনা কর্মীর ছেলে প্রকাশ্যেই এবিভিপি-র (Abvp) নেতৃত্ব দেন। ফলে, স্থানীয় তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের আগে থেকে প্রাক্তন সেনা কর্মীর বাড়ির দিকে নজর ছিল। মদ্যপদের পাড়া থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল নেতারা সুযোগ পেয়ে যায়। দলবল নিয়ে তারা এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। প্রাক্তন সেনা কর্মী জন্মেঞ্জয় মাহাত বলেন, পাড়ার মধ্যে ওরা চরম অভব্য আচরম করছিল। গালিগালাজ দিচ্ছিল। তাই, প্রতিবাদ করা হয়েছিল। সকলেই তৃণমূল কর্মী (Tmc) হিসেবে পরিচিত। নিজেদের দাপট দেখাতেই এভাবে বাড়ির ভিতরে ঢুকে ওরা হামলা চালায়। হামলার জেরে বড় ছেলের কলার বোন ভেঙে যায়। ছোট ছেলের পা ভাঙে। আমার মাথা ফেটে যায়। ওরা হামলা চালানোর সময় তৃণমূলের স্থানীয় প়ঞ্চায়েতের প্রধানের  নাম নিয়েছিল। হামলার বিষয় নিয়ে শিউলি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান অরুণ ঘোষ বলেন, এটা নিজেদের ব্যক্তিগত বিষয়। এরসঙ্গে দলের কোনও বিষয় নেই। আর আমি কাউকে এই ধরনের কাজে মদত দিই না।

    অন্যদিকে, বিজেপির নোয়াপাড়া যুব মোর্চার কনভেনার সুপ্রিয় দে-র উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সুপ্রিয়বাবু বলেন, দোল খেলে বাড়ি ফেরার পথে ওরা আমার পথ আটকায়। এরপর আমার উপর হামলা চালায়। ওরা দুষ্কৃতীকারী। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

     

     

     

  • Team India Holi: ভাইরাল ভিডিও! অনুশীলনেই হোলি পালন রোহিত-কোহলিদের

    Team India Holi: ভাইরাল ভিডিও! অনুশীলনেই হোলি পালন রোহিত-কোহলিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার থেকে আমদাবাদে শুরু হচ্ছে চতুর্থ টেস্ট। ছুটি কাটিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা। আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে চলছে অনুশীলনও। তার মধ্যেই রঙের উৎসব হোলি। সিরিজ চলায় পরিবারের সঙ্গে থাকার কোনও উপায় নেই। কিন্তু উৎসব তো আর ছাড়া যায় না। অনুশীলনেই হোলি পালন করল মেন ইন ব্লু।

    ভাইরাল ভিডিও

    বিরাটকে আবির মাখিয়ে দিলেন গিল। রোহিত বা বাদ যাবেন কেন। তাঁকেও আবির মাখিয়ে দিলেন সতীর্থরা। ড্রেসিংরুমের পরিবেশ তখন আর পাঁচটা ম্যাচের আগে যেমন থাকে তেমন নয়। পুরো অন্য মুডে ক্রিকেটার এবং সাপোর্ট স্টাফরা। প্রস্তুতির পর পুরো রঙিন হয়েই টিম হোটেলে ফিরলেন টিম ইন্ডিয়ার সদস্যরা। শুভমন গিল ইন্সটাগ্রামে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন। রং খেলায় মেতেছেন বিরাট কোহলি থেকে শুরু করে রোহিত, শুভমন। কেউই বাদ নেই। শুভমনের এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। আর সেই ভিডিয়োর ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘প্রত্যেককে শুভেচ্ছা ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে।’ 

    আরও পড়ুুন: কাটল জট, অনুব্রতকে নিয়ে কলকাতার পথে আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ

    টিম বাসেও হোলি

    প্রস্তুতি শেষে ড্রেসিংরুমে কিছুটা রং খেলা হলেও তার রেশ থাকলো টিম বাসেও। ফেরার পথে টিম বাসে রং খেলার ভিডিয়ো দিয়েছেন শুভমন গিল। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, শুভমন গিল সহ সকলেই হোলিং রঙে মেতে উঠেছেন। ব্য়াকগ্রাউন্ড মিউজিক, অমিতাভ বচ্চনের সিলসিলা ছবির সেই বিখ্যাত গান ‘রং বরসে’। ভাঙড়াও নাচলেন বিরাট কোহলি। রোহিত শর্মা রং ছিটিয়ে দেন কোহলির দিকে। শ্রেয়স আইয়ার থেকে শুরু করে সকলেই অংশ নিলেন। গত ম্যাচের হারের ধাক্কা কাটিয়ে ফুরফুরে মেজাজে ভারতীয় দল। সিরিজের শেষ টেস্ট জিতে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে জায়গা করে নেওয়াই আশু লক্ষ্য রোহিত-কোহলিদের।

     

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Ꮪhubman Gill (@shubmangill)

  • Chinese Mobile: চিনা মোবাইল-অ্যাপ ব্যবহার নয়, ভারতীয় সেনাকে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা

    Chinese Mobile: চিনা মোবাইল-অ্যাপ ব্যবহার নয়, ভারতীয় সেনাকে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনা জওয়ান ও তাঁদের পরিবারের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই বড় সতর্কতা জারি করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। সেনাকর্মীদের চিনে তৈরি মোবাইল ফোন (Chinese Mobile) ব্যবহার করতে নিষেধ করা হল। চিনের তৈরি মোবাইল এবং অ্যাপ ব্যবহার করবেন না। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (লাইন অফ অ্যাকচ্যুয়াল কন্ট্রোল বা এলএসি) বরাবর মোতায়েন সেনা জওয়ানদের এমনই নির্দেশিকা দিল গোয়েন্দা বিভাগ।

    কেন এমন নির্দেশিকা?

    গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, চিনা বা বিদেশি মোবাইলগুলি ম্যালওয়্যার, বা স্পাইওয়্যার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। বহু ক্ষেত্রেই ম্যালওয়্যার, বা স্পাইওয়্যার পাওয়া যাচ্ছে চিনা মোবাইলে (Chinese Mobile), যা সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ নিয়ে আগেও সেনাকে সতর্ক করা হয়েছে। এবার সরাসরি চিন সীমান্তে যাতে এই মোবাইলগুলি ব্যবহার না করা হয় সেদিকে নজর দেওয়ার বার্তা এল। মোবাইলের পাশাপাশি চিনা অ্যাপ ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চাইছেন গোয়েন্দারা। এবারে শুধুমাত্র সেনাকর্মীরাই নন, তাঁদের পরিবারের সদস্যদেরও চিনা ফোন ও অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে বারণ করা হয়েছে।

    নির্দেশিকায় সেনাকর্তাদের উদ্দেশে বলা বয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বা এলএসি-তে যে সমস্ত সেনাকর্মীরা মোতায়েন রয়েছেন, তারা যেন কোনও চিনা মোবাইল ফোন বা চিনা অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার না করেন। প্রতিরক্ষা বিভাগকে ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিভাগকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, বিভিন্ন মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে। সেনাকর্মীদের এই বিষয়ে সতর্ক হতে হবে, চিনা মোবাইল ফোন (Chinese Mobile) ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

    চিনা ফোন ব্যবহারে না…

    জানা গিয়েছে, ভিভো, ওপো, শাওমি, ওয়ান প্লাস, হনর, রিয়েলমি, জিওনি, আসুস ও ইনফিনিক্সের মত মোবাইল ফোন, যা চিনে তৈরি হয় (Chinese Mobile), তা ব্যবহার করতে বারণ করা হয়েছে। এই ফোনগুলি ছাড়া বর্তমানে ভারতীয় বাজারে অন্যান্য যে ফোন রয়েছে, তা ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা ঘিরে ভারত ও চিনের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। জুন মাসে গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষও হয়। এরপর থেকেই দুই দেশের মধ্যে চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিভিন্ন মাধ্যমে ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপর নজরদারি চালানোর চেষ্টা করছে লাল ফৌজ। ফলে এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে চলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dhaka Blast: ঢাকার গুলিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! মৃতের সংখ্যা ১৮, আহত শতাধিক

    Dhaka Blast: ঢাকার গুলিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! মৃতের সংখ্যা ১৮, আহত শতাধিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ঢাকার গুলিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৮। আহত শতাধিক।  তাঁদের মধ্যে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন কয়েক জনের অবস্থা ‘গুরুতর’। ফলে মৃত্যুমিছিল দীর্ঘতর হওয়ার আশঙ্কা। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার নাজমুল হক জানিয়েছেন, আহতদের দেহে স্‌প্লিন্টারের ক্ষত রয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৪টে ৫০ নাগাদ গুলিস্তানের সিদ্দিকিবাজার এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটে।

    ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে আতঙ্ক

    সিদ্দিকি বাজারের ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে আতঙ্ক গোটা বাংলাদেশ জুড়ে। বুধবার সকাল থেকেও চলছে উদ্ধার কাজ। বিস্ফোরণস্থলে চাপা পড়া আর কারুর বেঁচে থাকার আশা নেই বললেই চলে। গোটা বাণিজ্যিক বিল্ডিং ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। ভেঙে পড়তে পারে বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত বিল্ডিংটি। এই আশঙ্কাতেই ঢাকার ওই বিল্ডিংয়ের বেসমেন্টে প্রবেশ করতে পারছে না দমকল বাহিনী। ভবনটির কলামগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ভিতরে ঢুকতে পারছে না দমকল। দমকল বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবনটি একটু স্থিতিশীল না করতে পারলে ভিতরে প্রবেশ করাটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যেতে পারে। সদা ব্যস্ত ঢাকার গুলিস্তানে এই ভয়াবহ ঘটনায় সবাই হতচকিত। গুলিস্তান হলো ঢাকার সবথেকে পুরোনো বাস স্ট্যান্ড। রাজধানীর মধ্যে ইন্টার সিটি এবং দূর পাল্লার বাস চলাচল করে এখান থেকে। এর জন্য এই এলাকায় প্রায় ২৪ ঘন্টাই হাজার হাজার লোকের ভিড় থাকে।

    আরও পড়ুন: জিনপিংয়ের একান্ত ঘনিষ্ঠ লি কিয়াংই হচ্ছেন চিনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী

    ঢাকা বিস্ফোরণের ঘটনায় ক্ষতিপূরণের কথা ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। নিহতদের পরিবার পিছু ৫০ হাজার টাকা ও আহতদের ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পক্ষ থেকে স্বেচ্ছায় রক্তদানের জন্য হাসপাতালে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে বিস্ফোরণের কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। জঙ্গি হামলার সম্ভাবনার পাশাপাশি উঁকি দিচ্ছে, সিদ্দিকি বাজারের ৭তলা বাড়িটির নীচের একটি দোকানে নিষিদ্ধ বিস্ফোরক মজুত রাখার সম্ভাবনাও। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)-এর কমিশনার খোন্দকার গোলাম ফারুক মঙ্গলবার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পরে সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘‘সিদ্দিকবাজারের বিস্ফোরণ নাশকতা না কি দুর্ঘটনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’’ তবে প্রত্যক্ষ্যদর্শীদের অনেকেই দাবি করেছেন, একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রক যন্ত্রেই এই বিস্ফোরণ ঘটেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adenovirus: অ্যাডিনো-আতঙ্ক! শিশু চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত সকল স্বাস্থ্য কর্মীর ছুটি বাতিল

    Adenovirus: অ্যাডিনো-আতঙ্ক! শিশু চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত সকল স্বাস্থ্য কর্মীর ছুটি বাতিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখন আতঙ্কের আর এক নাম অ্যাডিনো ভাইরাস (Adenovirus)। ক্রমেই বাড়ছে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এবার সরকারি হাসপাতালে শিশু চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত সকল স্বাস্থ্য কর্মীর ছুটি বাতিল করা হল। এর সঙ্গেই জানানো হয়েছে, অ্যাডিনো (Adenovirus) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারি হাসপাতালগুলিতে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে ফিভার ক্লিনিক। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য দফতরের তরফে এই নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়। 

    পরিস্থিতি ভয়াবহ

    গত ২ মাসে অ্যাডিনো ভাইরাস, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টে, রাজ্যে ১১২ শিশুর মৃত্যুর হয়েছে। শুধুমাত্র রবিবার রাত থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৭ শিশুর! যে ৭ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ৪ জন নিউমোনিয়া ও ২ জন অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত ছিল, বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। পার্ক সার্কাসের ইন্সটিটিউট অফ চাইল্ড হেলথে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বেসরকারি মতে,শুধুমাত্র বি সি রায় শিশু হাসপাতালেই মৃত্যু হয়েছে ৪৫ শিশুর।  এই পরিস্থিতে স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করে ছুটি বাতিল করা হয়েছে সব সরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে অনুব্রত মণ্ডল কেমন থাকবেন জানালেন দিলীপ ঘোষ

    বিরোধীদের অভিযোগ

    হাসপাতালে যাতে অক্সিজেনের অভাব না থাকে তার জন্য ইতিমধ্যেই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতালের ক্লিনিকগুলিতে সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত শিশুদের জন্য ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার কথা বলা হয়েছে। যে হাসপাতালগুলিতে শিশুবিভাগ আছে সেখানে আলাদা আউটডোর চালু করার কথা বলা হয়েছে। যাতে সাধারণ বহির্বিভাগে এই রোগীদের অপেক্ষা করতে না হয়। এই রোগটির সম্পর্কে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার কথাও বলা হয়। বেসরকারি হাসপাতালগুলিকেও প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে, নবান্ন থেকে ১০ দফার পরামর্শ দেওয়া হলেও রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার কতটা উন্নতি হয়েছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সন্দেহ প্রকাশ করেছে বিরোধীরা। শহরের উপরে পরিষেবা যেটুকু বা মেলে গ্রামাঞ্চলে অবস্থা ভয়াবহ। সেখানকার হাসপাতালগুলির পরিকাঠামোর অভাবেই শহরে ভিড় জমাচ্ছে অসুস্থ শিশুর পরিবার। চাপ বাড়ছে শহরের হাসপাতালগুলিতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: মধ্যরাতে নাটকীয় শুনানি! ১০ মার্চ পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ অনুব্রতকে

    Anubrata Mondal: মধ্যরাতে নাটকীয় শুনানি! ১০ মার্চ পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ অনুব্রতকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে নাটকীয় শুনানি পর্বের শেষ হল মঙ্গলবার মধ্যরাতে। গতকাল গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) রাজধানীতে নিয়ে যাওয়া এবং শুনানি নিয়ে টানটান নাটক চলে। এই মামলার এবং হেভিওয়েট নেতার গুরুত্ব অনুধাবন করেই রাতে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতির ভার্চুয়াল শুনানি করা হয়। কিন্তু পরে রাত দেড়টা নাগাদ সশরীরে দিল্লির বিচারকের বাড়িতেই হাজিরা দিতে হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। তার পর বিচারকের বাড়িতেই মাঝরাত অবধি চলে শুনানি পর্ব। দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের বিচারক রাকেশ কুমার রায় দেন আগামী ১০ মার্চ অবধি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর হেফাজতেই থাকবেন কেষ্ট। তবে ৩ দিন ইডি হেফাজতের নির্দেশের পরেও এ প্রসঙ্গে নিরুত্তর থেকেছেন অনুব্রত মণ্ডল।

    বিচারকের বাড়িতে অনুব্রতের শুনানি

    গতকাল অনুব্রতকে নিয়ে রাজধানী পৌঁছে যাওয়ার পরেই বিচারক রাকেশ কুমারের এজলাসে শুনানির আবেদন জানায় ইডি। কিন্তু বুধবার হোলি উপলক্ষে আদালত ছুটি। তাই মঙ্গলবার রাতেই তারা রাকেশ কুমারের এজলাসে ভার্চুয়ালি হাজির করায় অনুব্রতকে। রাত ১১টা ২০ নাগাদ শুরু হয় সেই শুনানি। কিন্তু আধঘণ্টার মধ্যেই সেই শুনানি মাঝপথে স্থগিত হয়ে যায়। সিদ্ধান্ত হয়, দু’পক্ষই যাবে বিচারকের বাড়ি। শেষে রাত ১টা নাগাদ অশোকবিহারে বিচারক রাকেশ কুমারের বাড়িতে অনুব্রতকে নিয়ে ইডি আধিকারিকেরা যান। অনুব্রতের আইনজীবীও সঙ্গে ছিলেন। বিচারকের সামনে সশরীরে হাজির করানো হয় অনুব্রতকে। প্রথমে অনুব্রতকে ১৪ দিনের হেফাজতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন কেন্দ্রীয় সংস্থার আইনজীবী। তাতে আপত্তি জানান অনুব্রতের আইনজীবী মুদিত জৈন। শেষপর্যন্ত তাঁকে আগামী ১০ মার্চ ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সকাল ১০টায় আবার ইডিকে রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে অনুব্রতকে হাজির করাতে হবে।

    ইডির আইনজীবীর বক্তব্য

    ১১টা ২০ নাগাদ ভার্চুয়ালি শুনানির শুরুতেই বিচারক রাকেশ কুমার বলেন, “অনেক দিন পরে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দিলাম। তাই একটু সমস্যা হচ্ছে।” তবে অনুব্রতের আইনজীবী মুদিত বলেন, “এই মামলায় ভার্চুয়াল হাজিরা হওয়া উচিত নয়। সশরীরে হাজিরা দেওয়ার কথা।” ওই আইনজীবীর অভিযোগ, মক্কেলের সঙ্গে তাঁর কোনও কথা বলা হয়নি। তিনি কথা বলার সুযোগই পাননি। অনুব্রতের আইনজীবী এ-ও জানান, মঙ্গলবার টানা সফর করতে হয়েছে তাঁর মক্কেলকে। তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। অনুব্রত অসুস্থ। তাঁকে সময় দেওয়া হোক। এখন হাজিরা বাতিল করা হোক বলে আর্জি জানান মুদিত।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে অনুব্রত মণ্ডল কেমন থাকবেন জানালেন দিলীপ ঘোষ

    এরপরেই ইডির আইনজীবীর সওয়াল, “করোনা পরিস্থিতিতে অনেক সময় ভার্চুয়াল পদ্ধতি কাজে লাগানো হয়েছে। অনুব্রতের আইনজীবীই তো সশরীরে হাজির হননি!” বিচারকের উদ্দেশে ইডির আইনজীবী বলেন, “তা হলে ৩০ মিনিট সময় দিন। অনুব্রতকে নিয়ে আপনার বাড়ি আসছি।” এর পরেই ঠিক হয় অনুব্রতকে নিয়ে বিচারক রাকেশ কুমারের বাড়িতে যাবে ইডি। শেষ হয়ে যায় ভার্চুয়াল শুনানি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Li Qiang: জিনপিংয়ের একান্ত ঘনিষ্ঠ লি কিয়াংই হচ্ছেন চিনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী

    Li Qiang: জিনপিংয়ের একান্ত ঘনিষ্ঠ লি কিয়াংই হচ্ছেন চিনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমিউনিস্ট চিনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের অধিবেশন শুরু হয়েছে রবিবার। ভারতের প্রতিবেশী দেশের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে এই অধিবেশনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অধিবেশনে মন্ত্রিপরিষদে বড় ধরনের রদবদল হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, সাংহাইয়ে দলীয় প্রধান লি কিয়াং (Li Qiang) হতে চলেছেন চিনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।

    সাংহাইয়ে কোভিড সংক্রমণ বাড়বাড়ন্তের সময় ব্যাপক কড়াকড়ি শুরু করেছিল চিনের প্রশাসন। কঠোর নীতি প্রণয়নের নেপথ্যে ছিলেন ছিলেন লি কিয়াং (Li Qiang)। এবার তিনিই চিনের প্রধানমন্ত্রীর পদে বসতে চলেছেন। শি জিনপিং- এর অত্যন্ত ঘনিষ্ট এই নেতা। যদিও এই নেতাকে নিয়ে অসন্তুষ্ট চিনা নাগরিকদের একাংশ। কারণ সাংহাইয়ের আর্থিক অবস্থার অবনতির নেপথ্যে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল লির।     

    চিনের বার্ষিক এই অধিবেশনে প্রায় তিন হাজার প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। এতে ঘোষিত হওয়া নতুন প্রধানমন্ত্রীকে (Li Qiang) বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির হাল ধরতে হবে। জিনপিংয়ের পরে তিনিই হবেন দেশটির দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি। করোনাভাইরাস সংক্রমণের সময় গত বছর দেশটির বাণিজ্যিক কেন্দ্র সাংহাইয়ে লকডাউন তদারকির দায়িত্বে ছিলেন তিনি। লকডাউনের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ধসে সমালোচিতও হয়েছিলেন লি। তারপরও তাঁর কমিউনিস্ট পার্টির দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে যাওয়ার খবরে অনেকেই বিস্মিত।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে অনুব্রত মণ্ডল কেমন থাকবেন জানালেন দিলীপ ঘোষ

    লি কিয়াংয়ের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, চিনের নিয়মকে পাশ কাটিয়ে অনৈতিক ভাবে প্রিমিয়ার পদে বসতে চলেছেন তিনি। শুধুমাত্র জিনপিংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্টতার সুবাদেই দেশের অন্যতম শীর্ষ পদে বসছেন, এমনটাই মনে করছেন অনেকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাঙ্কার বলেছেন, এই নিয়োগ ঘিরে একেবারেই অখুশি চিনের ব্যবসায়ী মহল। যদিও কোনও সংস্থার তরফে নয়া প্রিমিয়ারের বিরুদ্ধে সরকারি ভাবে কিছু বলা হয়নি। 

    আজ বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং মঞ্চের কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন। এরপর নতুন প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং সেই জায়গা দখল করবেন। চিনের প্রিমিয়ার হিসাবে দেশের আর্থিক নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছেন লি (Li Qiang)। বিশেষজ্ঞদের মতে, শি-লির সুসম্পর্কের চিনা প্রশাসনে একটা নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ দুই নেতার মধ্যে বোঝাপড়ার কারণে উন্নতি হতে পারে চি্নের। কিন্তু অপর একাংশের দাবি, নয়া প্রিমিয়ারের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীল জিনপিং। তাঁকে খুশি রাখতে ভুল নীতি প্রণয়ন করার সম্ভাবনা রয়েছে চিনা রাষ্ট্রপতির।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share