Blog

  • Shaliza Dhami: ভারতীয় বায়ুসেনার কমব্যাট ইউনিটের দায়িত্বে প্রথম মহিলা, ইতিহাস গড়লেন শালিজা

    Shaliza Dhami: ভারতীয় বায়ুসেনার কমব্যাট ইউনিটের দায়িত্বে প্রথম মহিলা, ইতিহাস গড়লেন শালিজা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথম কোনও মহিলা অফিসার ভারতীয় বায়ুসেনার কমব্যাট ইউনিটের দায়িত্ব পেলেন। ভারতীয় বায়ুসেনার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। ভারতীয় বায়ুসেনা এবার গ্রুপ ক্য়াপ্টেন শালিজা ধামিকে (Shaliza Dhami) ওয়েস্টার্ন সেক্টরের একেবারে ফ্রন্টলাইন কমব্যাট ইউনিটের কমান্ডের দায়িত্ব দিল। এর আগেও বায়ুসেনার বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন মহিলারা। কিন্তু ফ্রন্টলাইন কমব্যাট ইউনিটের কমান্ডের দায়িত্বে এই প্রথম। 

    কে এই শালিজা ধামি? 

    ২০০৩ সালে তিনি (Shaliza Dhami) হেলিকপ্টার পাইলট হিসাবে ভারতীয় বায়ুসেনায় যোগ দেন। প্রায় ২৮০০ ঘণ্টা হেলিকপ্টার চালানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। পারদর্শী এই ফ্লাইং ইনস্ট্রাক্টর ওয়েস্টার্ন সেক্টরে একের পর এক অপারেশন দক্ষতার সঙ্গে করেছেন। ওয়েস্টার্ন সেক্টরে হেলিকপ্টার ইউনিটের ফ্লাইট কমান্ডারের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।  

    শালিজা (Shaliza Dhami) বর্তমানে ফ্রন্টলাইন কমান্ড হেডকোয়ার্টারের অপারেশন ব্রাঞ্চে রয়েছেন। এবার তিনিই পেলেন কমব্যাট ইউনিটের কমান্ডিং এর দায়িত্ব। নারীশক্তির জয়জয়াকার প্রতিরক্ষা বিভাগে।

    আরও পড়ুন: অনুব্রত বেরোতেই গোবরজল ছিটিয়ে জেল চত্বর ‘শুদ্ধিকরণ’ আসানসোলে, আবীর খেলে উদযাপন বিজেপির 

    একটা সময় ছিল, যখন প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে একেবারে সামনের সারিতে থাকতেন পুরুষরাই। ধীরে ধীরে মহিলারা প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে সামনে আসতে শুরু করলেন। এবার বায়ুসেনাতে একেবারে কমব্যাট ইউনিটের একেবারে কমান্ডিং অফিসারের দায়িত্বে এলেন কোনও লেডি অফিসার। তবে বর্তমানে তাৎপর্যপূর্ণভাবে দেশের সমস্ত ফোর্সে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসছেন লেডি অফিসাররা। একেবারে পুরুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করছেন মহিলারা।   

    তিনি এয়ারফোর্সের প্রথম কোয়ালিফায়েড ফ্লাইং ইনস্ট্রাক্টর। এয়ার মার্শাল অনিল চোপরা (অবসরপ্রাপ্ত), ডিরেক্টর জেনারেল সেন্টার ফর এয়ার পাওয়ার স্টাডিজ জানিয়েছেন, কমব্যাট ও কমান্ডিংয়ের দায়িত্বে মহিলা আধিকারিকদের রাখার ক্ষেত্রে এই ঘটনা নজির তৈরি করল। সশস্ত্র বাহিনীতে কমান্ডিংয়ের দায়িত্বে থাকছেন লেডি অফিসার।

    মহিলারা যে কোনও অংশেই পিছিয়ে নেই তা আরও একবার প্রমাণিত হল। তাঁরা  যুদ্ধ বিমান চালাচ্ছেন, তাঁরা যুদ্ধ জাহাজে থাকছেন, পার্মানেন্ট কমিশনের যোগ্যতাও তাঁরা অর্জন করেছেন। কোনও ক্ষেত্রেই তাঁরা পিছিয়ে নেই। নারী শক্তির ক্ষমতায়ন গোটা দেশজুড়ে।  

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Hemant Soren: ‘ছোট ভাই’ সাংমাকে  মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর অভিনন্দন জানালেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী

    Hemant Soren: ‘ছোট ভাই’ সাংমাকে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর অভিনন্দন জানালেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেঘালয়ের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছে আঞ্চলিক দল ন্যাশনাল পিপলস পার্টি। শুরু থেকেই মেঘালয়ে ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তবে এনপিপিকে সমর্থন করে গেরুয়া শিবির। পরে আরও দুটি আঞ্চলিক দলের সমর্থন পেয়ে যায় কনরাড সাংমার দল। আজকে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী পদে দ্বিতীয়বার শপথ নিলেন কনরাড সাংমা। এই বিশেষ দিনে তাঁকে অভিনন্দন জানালেন ‘দাদা’ হেমন্ত সোরেন। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী এবং মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। দিনটিকে ‘আনন্দের দিন’ হিসাবে উল্লেখ করেছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)। মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমাকে শপথ নেওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি।

    ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার এই নেতাও শিলংয়ে শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren) বলেন, “এটি একটি আনন্দের দিন। আমিও এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছি, সাংমা পরিবারের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। একজন ছোট ভাই যখন শপথ নেয় তখন আপনি আনন্দের কথা কল্পনা করতে পারেন। আমি তাকে শুভকামনা জানাই।” 

    এদিন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রধান কনরাড সাংমা শিলংয়ে (Hemant Soren) দ্বিতীয় মেয়াদে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তিনি বলেন, “রাজ্যের উন্নয়নের জন্য আমরা গত পাঁচ বছরে যে ভিত্তি স্থাপন করেছি তার ওপর আমরা কাজ করে যাব। আমরা যুব সমাজ ও কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দিচ্ছি। সামগ্রিক দক্ষতার সঙ্গে বিভিন্ন প্রকল্পের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছেছে।”

    শিলংয়ের রাজভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Hemant Soren) এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার উপস্থিতিতে আজ শপথ নিলেন কনরাড সাংমা। জানা গিয়েছে, কনরাড সাংমার উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়ে নিয়েছেন প্রিস্টন তিনসোং এবং স্নিয়াভালাং ধর। পাশাপাশি বিজেপির আলেকজান্ডার লাল্লু হেক, ইউডিপির পল লিংদো এবং কিরমেন শাইলা, এইচএসপিডিপির শাকলিয়ার ওয়াজ্রি মন্ত্রী পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন আজ।

    আরও পড়ুন: অনুব্রত বেরোতেই গোবরজল ছিটিয়ে জেল চত্বর ‘শুদ্ধিকরণ’ আসানসোলে, আবীর খেলে উদযাপন বিজেপির

    ফল প্রকাশের আগেই অবশ্য কনরাড সাংমা গুয়াহাটি গিয়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গে নৈশভোজ সেরে এসেছিলেন। জল্পনা তখন থেকেই ছিল। এরপর ফল প্রকাশ হতেই ফের বিজেপির সঙ্গে হাত মেলায় এনপিপি। মাঝে কংগ্রেস ও তৃণমূল ইউডিপিকে সঙ্গে নিয়ে সব ছোট দলগুলিকে একজোট করার চেষ্টা করেছিল। তবে সেই সব চেষ্টা ফলপ্রসূ হয়নি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • India-Sri Lanka: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি! অর্থনৈতিক লেনদেনে ভারতীয় মুদ্রা ব্যবহার করতে চলেছে শ্রীলঙ্কা

    India-Sri Lanka: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি! অর্থনৈতিক লেনদেনে ভারতীয় মুদ্রা ব্যবহার করতে চলেছে শ্রীলঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থনৈতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ভারতীয় মুদ্রা ব্যবহার করবে শ্রীলঙ্কা (India-Sri Lanka)। বিষয়টি এখন চূড়ান্ত হওয়ার পথে। শ্রীলঙ্কায় থাকা ভারতীয় হাইকমিশন থেকে জানানো হয়েছে, ভারতের মুদ্রা দিয়ে কীভাবে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য হবে তা নিয়ে ভারত ও শ্রীলঙ্কার ব্যাংকগুলোর মধ্যে আলোচনা হয়েছে। এই প্রস্তাবের পক্ষে মত দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার অর্থমন্ত্রী শেহান সেমাসিংহে। 

    প্রতিবেশী রাষ্ট্রের পাশে ভারত

    প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাহায্যে ভারত চিরকাল এগিয়ে এসেছে। গত বছর যখন শ্রীলঙ্কা চরম অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে ছিল তখন ভারত খাদ্য, ওষুধ এবং জ্বালানীর জরুরি ক্রয়ের জন্য মুদ্রার অদলবদল এবং ক্রেডিট লাইন সহ প্রায় 4 বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনৈতিক সহায়তা করে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে কলম্বোকে 2.9 বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেলআউট প্যাকেজ পেতেও সাহয্য করে নয়া দিল্লি। এই প্যাকেজের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-কে গ্যারান্টি প্রদান করে ভারত। এবার নতুন করে শক্তিশালী ও ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব গড়ে তোলার কথা ভাবছে দুদেশ।

    হাইকমিশনের তরফে জানানো হয়, ভারত ও শ্রীলঙ্কার (India-Sri Lanka) মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা অর্থনৈতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ভারতীয় রুপির ব্যবহার নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে দুই দেশ। বাণিজ্য ও বিনিয়োগনির্ভর এই পদক্ষেপ দুদেশের মাঝে শক্তিশালী ও ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন উভয় দেশের কর্মকর্তারা। 

    আরও পড়ুুন: কাটল জট, অনুব্রতকে নিয়ে কলকাতার পথে আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ

    শ্রীলঙ্কার ভারতীয় হাইকমিশন (India-Sri Lanka) এক বিবৃতিতে জানায়, ব্যাংক অব সিলন, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং ইন্ডিয়ান ব্যাংকের প্রতিনিধিরা এক বৈঠকে নিজেদের মধ্যে ভারতীয় রুপি ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করেছেন। বৈঠকে ভারতীয় রুপি ব্যবহারের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি সংক্ষিপ্ত সময়ে লেনদেন, তুলনামূলক কম বিনিময় ব্যয় ও বাণিজ্যিক ঋণ প্রাপ্তির মতো বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। এ বিষয়ে দুদেশের কর্মকর্তারা আরও জানান, উভয় দেশের (India-Sri Lanka) মধ্যে ভারতীয় রুপির ব্যবহার শুরু হলে তা পর্যটন শিল্পের ওপর গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক ভূমিকা নেবে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Hindu: পাকিস্তানে হোলি পালন করতে গিয়ে আক্রান্ত হিন্দু ছাত্ররা, জখম অন্তত ১৫

    Pakistan Hindu: পাকিস্তানে হোলি পালন করতে গিয়ে আক্রান্ত হিন্দু ছাত্ররা, জখম অন্তত ১৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ম্লান হল হোলির উৎসব। পাকিস্তানে হোলি (Holi) উৎসব পালন করতে গিয়ে আক্রান্ত হিন্দু (Pakistan Hindu) ছাত্ররা। লাহোরের পঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের (Punjab University) ঘটনা। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে হোলি উৎসব পালন করতে যান সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কয়েকজন পড়ুয়া। উৎসব পালনে বাধা দেয় কট্টরবাদী ছাত্র সংগঠন। ঘটনায় জখম হন অন্তত ১৫ জন পড়ুয়া। ঘটনায় মর্মাহত সে দেশের হিন্দু সমাজ। ফের একবার বেআব্রু হয়ে পড়ল পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের অবস্থা।

    হিন্দু (Pakistan Hindu) ছাত্ররা…

    জানা গিয়েছে, লাহোরের পঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত ল’ কলেজে হোলি উৎসব পালন করতে জড়ো হয়েছিলেন ৩০ জন পড়ুয়া (Pakistan Hindu)। কাশিফ ব্রোহি নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী পড়ুয়া সংবাদ মাধ্যমকে জানান, শিক্ষার্থীরা ল’ কলেজের লনে জড়ো হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইসলামি জমিয়ত তুলবা কর্মীরা জোর করে তাঁদের হোলি পালনে বাধা সৃষ্টি করে। যার জেরে সংঘর্ষ বাঁধে। এর জেরেই ১৫ জন হিন্দু ছাত্র জখম হন। তিনি জানান, নিরাপত্তা রক্ষীরা চার-পাঁচজন হিন্দু পড়ুয়াকে জোর করে তাদের ভ্যানে তোলে। তাদের শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করতে দেয়নি। কাশিফের দাবি, হোলি উৎসব পালনের জন্য হিন্দু ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আগাম অনুমতি নিয়ে রেখেছিলেন।

    ঘটনার প্রতিবাদে উপাচার্যের অফিসের সামনে গেলে ফের এক প্রস্ত পড়ুয়াদের (Pakistan Hindu) মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। হামলায় জখম হয়েছেন ক্ষেত কুমার নামে এক হিন্দু ছাত্র। তিনি বলেন, উপাচার্যের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে গেলে নিরাপত্তারক্ষীরা আমাদের ওপর লাঠি নিয়ে চড়াও হয়। তিনি জানান, ঘটনার প্রেক্ষিতে ইসলামি জমিয়ত তুলবা ও নিরাপত্তারক্ষীদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগপত্র পুলিশকে জমা দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, পুলিশ কোনও এফআইআর দায়ের করেনি।

    আরও পড়ুুন: কাটল জট, অনুব্রতকে নিয়ে কলকাতার পথে আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ

    ইসলামি জমিয়ত তুলবার মুখপাত্র ইব্রাহিম শাহিদ হিন্দু ছাত্রদের যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর সংগঠন জড়িত নয়। পঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র খুররম শাহজাদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কলেজের লনে হোলি উদযাপনের অনুমতি দেয়নি। তিনি বলেন, কোনও এক ঘরে হোলি উদযাপন করলে এই ঘটনা ঘটত না। উপাচার্য পুরো ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত বেরোতেই গোবরজল ছিটিয়ে জেল চত্বর ‘শুদ্ধিকরণ’ আসানসোলে, আবীর খেলে উদযাপন বিজেপির

    Anubrata Mondal: অনুব্রত বেরোতেই গোবরজল ছিটিয়ে জেল চত্বর ‘শুদ্ধিকরণ’ আসানসোলে, আবীর খেলে উদযাপন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোল জেল ছেড়ে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। কেষ্ট জেল ছাড়তেই গোবর জল দিয়ে জেল চত্বর পরিষ্কার করলেন বিজেপি সমর্থকরা। ঢাকঢোল বাজিয়ে, আবির খেলে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন তাঁরা। অনুব্রতকে নিয়ে পুলিশের গাড়ি কলকাতা রওনা হতেই, জেল চত্বরে নেমে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। ঝাঁটা, গোবরজল দিয়ে সংশোধনাগার চত্বর ‘শুদ্ধিকরণ’ করলেন তাঁরা। খেললেন গেরুয়া আবির, বিলি করলেন লাড্ডুও।    

    এদিন সকালে পৌনে সাতটা নাগাদ আসানসোল সংশোধনাগার থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) নিয়ে কলকাতা রওনা হয় পুলিশ। এরপরেই সংশোধনাগারে ঢোকার রাস্তা, চত্বর গোবর জল, গঙ্গাজল দিয়ে সাফ করেন বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের বক্তব্য, দিল্লি না যাওয়ার চেষ্টা করেও পারলেন না অনুব্রত। আদালতের নির্দেশই চূড়ান্ত হল।   

    বিজেপির আসানসোল জেলা সম্পাদক বাপ্পা চট্টোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেসের এই ধরনের গরু চোরদের বাঁচানোর জন্য বহু চেষ্টা করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) আদালতের নির্দেশে দিল্লি যেতেই হল। সেই জন্য আসানসোল সংশোধনাগারের সামনে গঙ্গা এবং গোবর জল দিয়ে শুদ্ধকরণ করা হল।’’

    বিজেপির আরও এক জেলা সম্পাদক অভিজিৎ রায়ের কথায়, ‘‘দোলযাত্রার শুভ দিনে অনুব্রতকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেই আনন্দ ধরে রাখতে পারলাম না। আর সেই জন্যই বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা আসানসোল সংশোধনাগারের সামনে আবির খেলায় মেতেছে।’’

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে হোলি পালন করতে গিয়ে আক্রান্ত হিন্দু ছাত্ররা, জখম অন্তত ১৫

    প্রসঙ্গত, এদিন সকাল ৬.৪৪ নাগাদ অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) নিয়ে কলকাতার জোকা ইএসআই হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হয় পুলিশের গাড়ি। অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আসানসোল কারাগার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে একজন কন্ট্রোলার কৃশানু গাঙ্গুলী ও তার সহযোগী গিয়েছেন। তাঁকে নিরাপত্তা দেবে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিসের একজন ইন্সপেক্টর, তিনজন সাব-ইন্সপেক্টর ও ১২ জন সশস্ত্র পুলিশবাহিনী। একইসঙ্গে থাকবে দুটি পাইলট কার। একটি কনভয়ের সামনে অন্যটি পিছনে থাকবে। একটি অ্যাম্বুলেন্স আসানসোল জেলা হাসপাতালের থেকে সঙ্গে এসেছে। জেলা হাসপাতালের একজন ফিজিসিয়ান চিকিৎসক অমিও সিন্ধু দাস ও তার একজন সহযোগীও রয়েছেন কনভয়ে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • India Summer: কাঠফাটা গরম, কীভাবে মোকাবিলা? উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    India Summer: কাঠফাটা গরম, কীভাবে মোকাবিলা? উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাতায়-কলমে বসন্তকাল। তবে মার্চের শুরুতেই তাপমাত্রা ছাড়িয়েছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘর। এপ্রিল-মে মাসে তাপমাত্রার পারদ কোথায় চড়বে, তা নিয়ে চিন্তিত আবহবিদরা। উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (PM Modi)। তীব্র গরমের (India Summer) মোকাবিলা কীভাবে করা যাবে, তা নিয়ে সোমবার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি সানস্ট্রোক সহ তীব্র গরমে অসুস্থদের তড়িঘড়ি চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য হাসপাতালে সব রকম ব্যবস্থা রাখা এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে প্রস্তুত রাখা নিয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।

    তীব্র গরমের (India Summer) মোকাবিলা…

    এদিনের বৈঠকে আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে আগামী দু মাস কী ধরনের আবহাওয়া থাকতে পারে, তাও জানানো হয়েছে। তীব্র গরমে কী ধরনের প্রভাব রবি শস্যের ওপর পড়েছে, আগামিদিনে ফসলের ক্ষেত্রে কী ধরনের প্রভাব পড়বে, তা নিয়েও জানানো হয়েছে। ব্লুমবার্গের রিপোর্ট অনুযায়ী, ৩১ মে পর্যন্ত তাপমাত্রার (India Summer) পারদ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকবে এবং তাপপ্রবাহ হবে। উষ্ণ আবহাওয়ার প্রভাব কৃষিকাজেও পড়বে। যার জেরে সাধারণ মানুষ থেকে কৃষক দুর্দশার শিকার হবেন সবাই। সমস্যা কীভাবে মেটানো যায়, তা ঠিক করতেই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সেচের জল সরবরাহ ঠিকঠাক রাখা, পশুখাদ্য ও জল সরবরাহ যাতে যথাযথ থাকে, সেটা দেখা হয়েছে। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে গরমকালে হাসপাতালে কী ধরনের ব্যবস্থা করা থাকছে, সে ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে। গরমকালে কোনও দুর্যোগ হলে তার মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: কাটল জট, অনুব্রতকে নিয়ে কলকাতার পথে আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ

    প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রচণ্ড গরমে (India Summer) মানুষ কী করবেন, আর কী করবেন না, তা যেন জানিয়ে দেওয়া হয়। জিঙ্গল, সিনেমা, প্রচারপত্র এসবের মাধ্যমে এ বিষয়ে মানুষের কাছে প্রচার করা দরকার। আবহাওয়া দফতরকে তিনি জানান, প্রতিদিন যাতে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ইস্যু করা হয়। সেটা যাতে সাধারণ মানুষও জানতে পারেন, তার ব্যবস্থাও করতে হবে। টিভিতে, এফএমে অন্তত অল্প সময় যাতে আবহাওয়ার জন্য ব্যয় করা হয়, সে ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ফুড কর্পোরেশনের হাতে যাতে পর্যাপ্ত শস্য মজুত থাকে, তাও দেখতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ১৯০১ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত এবারের ফেব্রুয়ারি মাস সব থেকে গরম।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: কচুরি, স্পেশাল ল্যাংচা, রাজভোগ, শক্তিগড়ে রাজকীয় প্রাতরাশ অনুব্রতর

    Anubrata Mondal: কচুরি, স্পেশাল ল্যাংচা, রাজভোগ, শক্তিগড়ে রাজকীয় প্রাতরাশ অনুব্রতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কচুরি, ছোলার ডাল, স্পেশাল ল্যাংচা এবং রাজভোগ পুলিশ পরিবৃত হয়ে শক্তিগড়ে এভাবেই প্রাতরাশ সারলেন তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। এদিন তাঁকে বেশ মনমরা দেখাচ্ছিল। মঙ্গলবার দোলের দিন সকালে জেল থেকে বেরনো, শক্তিগড়ে (shaktigarh) হোটেলে দোকানে জলখাবার খেতে ঢোকা পুরো পর্বটাই সংবাদ মাধ্যমের কোনও প্রশ্নের কোনও জবাব দেননি অনুব্রত। বরং খাবার সময় সংবাদ মাধ্যমকে দেখে বিরক্তিই প্রকাশ পায় অনুব্রতর চোখেমুখে।

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)…

    এদিন সকালে অনুব্রতকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ। পাইলট কার সহযোগে তাঁকে নিয়ে কলকাতার পথে রওনা দেন জেল কর্তৃপক্ষ। পথে শক্তিগড়ের একটি খাওয়ার দোকানে দাঁড়িয়ে যায় অনুব্রতর গাড়ি। পুলিশি নিরাপত্তায় দোকানের ভিতরে চলে যান তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি। এর পরেই অনুব্রতর টেবিলে চলে আসে চারটি কচুরি, ঘন ছোলার ডাল, ল্যাংচা এবং রাজভোগ। খাবার শেষে জল খেয়ে মুখ মুছে পুলিশের গাড়িতে গিয়ে বসেন অনুব্রত। গাড়ি রওনা দেয় কলকাতার উদ্দেশে। ওই দোকানের কর্মী শেখ আমরুল হক বলেন, অনুব্রতকে চারটি কচুরি ও ছোলার ডাল দেওয়া হয়েছিল। তার পর স্পেশাল ল্যাংচা ও রাজভোগ। তিনি বলেন, আমাদের দোকানে উনি (Anubrata Mondal) আগেও এসেছেন। ঝালমুড়ি আর লাল চা খেতে ভালবাসেন। কিন্তু আজ আর চা খাননি।

    আরও পড়ুুন: ফের বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট বিজেপির, একাধিক ইস্যুতে সরব শুভেন্দু

    চারটি কচুরি দেওয়া হলেও, অনুব্রত খেয়েছেন তিনটি। খাওয়ার সময় দুই যুবকের সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায় তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতিকে। একজনের পরনে ছিল সবুজ পাঞ্জাবি, অন্যজন পরেছিলেন গেঞ্জি। তিনটি কচুরি খাওয়ার পর একটি তুলে দেন সবুজ পাঞ্জাবি পরা যুবকের হাতে। অনুব্রতদের খাবারের মোট বিল হয়েছিল ৯৯৫ টাকা। সেই বিল কে মেটালেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। সবুজ পাঞ্জাবি যুবকটিই বা কে, তা নিয়েও ঘনিয়েছে রহস্য।

    এদিন সকাল ৬টা বেজে ৪০ মিনিটে কড়া পুলিশি প্রহরায় আসানসোল জেল থেকে বের করা হয় অনুব্রতকে (Anubrata Mondal)। তাঁকে নিয়ে ছটি গাড়ির কনভয় রওনা দেয় কলকাতার দিকে। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হবে জোকায় ইএসআই হাসপাতালে। সেখানে ফিটনেস সার্টিফিকেট মিললে, দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন অনুব্রত। আসানসোল জেল থেকে অনুব্রতকে এসকর্ট করছে আসানসোল দুর্গাপুর কমিশনারেটের পুলিশ। জোকার ইএসআই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতিকে। সেখানে ফিট সার্টিফিকেট মিললে তাঁকে ইডির হাতে তুলে দেবেন জেল কর্তৃপক্ষ। তার পরেই বিমানে করে অনুব্রতকে নিয়ে যাওয়া হবে দিল্লি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: কাটল জট, অনুব্রতকে নিয়ে কলকাতার পথে আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ

    Anubrata Mondal: কাটল জট, অনুব্রতকে নিয়ে কলকাতার পথে আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচারকাণ্ডে (Cattle Smuggling Scam) অভিযুক্ত তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হলেন আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার সকাল ৭টা নাগাদ তাঁকে আসানসোল জেল থেকে বের করে নিয়ে আসা হয়। অনুব্রতকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আসানসোল জেলা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কন্ট্রোলার কৃশানু গঙ্গোপাধ্যায় ও তাঁর একজন সহযোগীকে পাঠানো হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের এক ইন্সপেক্টর, তিনজন সাব ইন্সপেক্টর ও ১২ জন সশস্ত্র পুলিশের একটি বিশেষ বাহিনী। সঙ্গে রয়েছে দুটি পাইলট কার। পাইলট কারের একটি কনভয়ের সামনে ও অন্যটি পিছনে রয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সে করে পাঠানো হয়েছে জেলা হাসপাতালের একজন চিকিৎসক ও তাঁর একজন সহযোগীকে।

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)…

    এদিন আসানসোল জেলের সামনে কিছু মানুষ জমায়েত করেছিলেন। অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা যায় তাঁদের। অনেকে আবার কটাক্ষও ছুড়ে দেয়। কেষ্টদা দিল্লি যাচ্ছেন নাকি? এই ধরনের টিপ্পনিও ভেসে আসতে শোনা গিয়েছে। জেলের সামনে উপস্থিত রাজা মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি বলেন, অনুব্রত মণ্ডল যাওয়ার পর আসানসোল পবিত্র হল। আমরা শুদ্ধিকরণ করব।

    গত বছর অগাস্ট মাসে গ্রেফতার করা হয় অনুব্রতকে। গরু পাচার মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তার পর থেকে আদালতের নির্দেশে আসানসোল জেলেই ছিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি। সম্প্রতি তাঁকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয় আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কলকাতায় নিয়ে গিয়ে কোনও কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতাল থেকে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষার কথা বলা হয়েছিল। সে কারণে কলকাতা পর্যন্ত তাঁকে সুরক্ষা কে দেবে, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

    আরও পড়ুুন: লাল পাহাড়ির দেশে শ্বেত পলাশেই মজেছে পর্যটকরা, একটি গাছের দাম জানেন?

    প্রথমে আসানসোল পুলিশ কমিশনারেটের তরফে সুরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সাড়া না পাওয়ায় ফের আসানসোল বিশেষ আদালতের দ্বারস্থ হয় জেল কর্তৃপক্ষ। সেখানেই পুলিশকে সুরক্ষা দিয়ে অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) কলকাতায় নিয়ে আসার অনুমতি দেওয়া হয়। সেই মতো তাঁকে নিয়ে আসা হচ্ছে কলকাতায়। সেখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর অনুব্রতকে ইডির হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

    এই মামলায় দিল্লিতে আগে থেকেই জেলবন্দি রয়েছেন অনুব্রতর দেহরক্ষী সহগল হোসেন এবং গরু পাচারকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত এনামুল হক। অনুব্রতকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার পর তাঁকে এবং সহগলকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Manik Bhattacharya: জামিনের আবেদন খারিজ, ফের জেল হেফাজতে মানিকের স্ত্রী-পুত্র

    Manik Bhattacharya: জামিনের আবেদন খারিজ, ফের জেল হেফাজতে মানিকের স্ত্রী-পুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গেল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) স্ত্রী শতরূপা ভট্টাচার্য ও ছেলে শৌভিকের। এদিন বিচারক তাঁদের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন। আদালতের নির্দেশে ফের পাঠানো (Primary TET Scam) হয় জেল হেফাজতে। হেফাজতের মেয়াদ শেষে সোমবার শতরূপা ও শৌভিককে তোলা হয় আদালতে। তাঁদের জামিনের বিরোধিতা করেন ইডির (ED) আইনজীবী।

    মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya)…

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষে আইনজীবী বলেন, মানিক ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে হাওয়ালা চক্রের যোগ রয়েছে। ২০১২ সাল থেকে নিয়োগ দুর্নীতির টাকায় বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন মানিকের পরিবার। ইডি জানিয়েছে, ২০১২ সাল থেকে মানিকের হাতে আসতে থাকে শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারির টাকা। এর পরেই স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে বিদেশ ভ্রমণে যেতে শুরু করেন মানিক। বিশ্বের অন্তত ১২টি দেশ ভ্রমণ করেছেন মানিকের পরিবার। ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, আমেরিকা, চিন, সাউথ আফ্রিকা, মালয়েশিয়া ও মালদ্বীপের মতো দেশও ঘুরেছেন মানিকের পরিবার। ইডির হিসেব অনুযায়ী, বছর দশেক ধরে মানিকের পরিবার কেবল বিদেশ ভ্রমণের জন্যই অন্তত ৫ কোটি টাকা খরচ করেছেন।

    মানিকের (Manik Bhattacharya) পরিবারের সদস্যদের পাসপোর্ট সংক্রান্ত নথিপত্র দেখে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছেন তদন্তকারীরা। তবে বিদেশ ভ্রমণের তথ্য গোপন রাখতে চেষ্টার কসুর করেননি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি। ইডি জানিয়েছে, প্রত্যেকবার মানিকের পরিবারের বেড়ানোর খরচ আসত যে দেশ যেতেন, সেই দেশের হাওয়ালা চক্রের মাধ্যমে। সে ক্ষেত্রে কলকাতায় হাওয়ালা চক্রকে আগাম টাকা দিয়ে দিতেন মানিক। সেই হাওয়ালা চক্রের চাঁইরা মানিককে জানিয়ে দিতেন, কোন শহরে হাওয়ালা চক্রের নেটওয়ার্কে কে রয়েছেন। তাঁদের ঠিকানাও জানিয়ে দেওয়া হত। সেই মতো বিদেশে গিয়ে হাওয়ালা অপারেটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন মানিক। আগাম দিয়ে দেওয়া কোড নম্বর জানালেই হাওয়ালা চক্রের মাধ্যমে টাকা চলে যেত মানিকদের হাতে।

    আরও পড়ুুন: ফের বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট বিজেপির, একাধিক ইস্যুতে সরব শুভেন্দু

    তদন্তকারীরা মানিকের (Manik Bhattacharya) পরিবারের সদস্যদের পাসপোর্ট অনুযায়ী ভ্রমণের তারিখ খতিয়ে দেখেন। সেই তারিখগুলিতে মানিকদের ব্যাঙ্ক লেনদেনের তথ্যও খতিয়ে দেখা হয়। তখনই স্পষ্ট হয় হাওয়ালার বিষয়টি। দেখা যায়, বিদেশ ভ্রমণ চলাকালীন এটিএম কার্ড দিয়ে কোনও টাকা মানিকরা তোলেননি। আবার প্রচুর নগদ টাকা নিয়ে তাঁরা বেড়াতে গিয়েছিলেন, এমন প্রমাণও মেলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dol Utsab 2023: দোলের মিষ্টিমুখ মানেই মট-ফুটকড়াই, জানেন এই মিঠাইয়ের উৎস কোথায়?

    Dol Utsab 2023: দোলের মিষ্টিমুখ মানেই মট-ফুটকড়াই, জানেন এই মিঠাইয়ের উৎস কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছু দিন আগ অবধিও দোলের মিষ্টি (Dol Utsab 2023) মানেই ছিল মট। এখন যদিও অনেক রকম মিষ্টির সমাগম হয়েছে বাঙালি সংস্কৃতিতে। কিন্তু আগে বাঙালির দোল মট ছাড়া অপূর্ণ থাকত। সঙ্গে থাকত ফুটকড়াই ও তার সঙ্গে সাদা মুড়কি। দেবতার পায়ে ‘আবির’ দিয়ে পরিবারের সকল বয়স্কদের পায়ে আবির মাখিয়ে শুরু হত বাঙালির দোল উৎসব। দুদিন ধরেই চলত সেই দোল। 

    মট আদতে চিনির মণ্ড। চিনিকে গলিয়ে বিভিন্ন ছাঁচে, বিভিন্ন আকার দিয়ে তৈরি হয় এই মিষ্টি। মোমবাতি, ফুল, পাখি-সহ বিভিন্ন আকারের হয়। বিভিন্ন রঙও দেওয়া হয় এই মিষ্টিতে। রঙ খেলার ফাঁকে একে অপরের মুখে মট ও ফুটকড়াই গুঁজে দেওয়া ছিল বাংলার রেওয়াজ। একটি বড় থালায় প্রচুর মট সাজানো থাকত আর পাশে থাকত ফুটকড়াই। দোল খেলার সময়ে এগুলি ছিল আবশ্যিক।

    আরও পড়ুন: শান্তিনিকেতনে বন্ধ দোল উৎসব, আর কোথায় কাটাতে পারেন এই বিশেষ দিনটি?

    কিন্তু জানেন কি বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে অঙ্গাঅঙ্গিকভাবে (Dol Utsab 2023) মিশে যাওয়া এই মিষ্টি আদেও বাঙালি সংস্কৃতির অংশই ছিল না। মটের ইতিহাস বেশ পুরোনো। মট মূলত পর্তুগিজ মিষ্টি। হুগলির ব্যান্ডেল চার্চে প্রথম এই মিষ্টি প্রভু যিশুর প্রসাদী থালায় দেওয়া হত। পরে বাঙালি ময়রারা মটকে আপন করে নেন। তাকে গোলাপি, হলুদ, লাল নানান রঙে রাঙিয়ে দোলের অঙ্গ করে তোলেন।

    কীভাবে তৈরি হয় মঠ

    চিনির কড়া পাক দিয়ে সেই সান্দ্র তরল কাঠের ছাঁচে (Dol Utsab 2023) জমিয়ে বা ফুটো পাত্রের ভিতর দিয়ে ফোঁটা ফোঁটা ফেলে এই মট প্রস্তুত করা হয়। এটি ৫-৬ সেন্টিমিটার উঁচু একটি শুকনো ও অত্যন্ত পরিচিত মিষ্টি। এই মট তৈরির এই ধারা আজও বর্তমান রেখেছেন হাওড়ার উনসানি শিউলি পাড়ার স্বপন মণ্ডল ও তাঁর পরিবার।

    কিন্তু এখন এই মিষ্টিগুলি শুধুই নস্ট্যালজিয়া। অনেকে জানেনও না মট-ফুটকড়াই-কদমা-সাদা মুড়কির নাম। দোকানে অনেক খুঁজলে তবেই মিলবে নানা আকৃতির মঠ। অবশ্য স্বাস্থ্যের কথা ভেবেও অনেকে মিষ্টি খান না। যাই হোক বছরের এই একটা দিনে সেই মট, কদমা, ফুটকড়াই দেবতার প্রসাদ হয়ে কোনওক্রমে বেঁচে আছে বাঙালির নসট্যালজিয়ায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

      

LinkedIn
Share