Blog

  • Suvendu Adhikari: ফের বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট বিজেপির, একাধিক ইস্যুতে সরব শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ফের বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট বিজেপির, একাধিক ইস্যুতে সরব শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থবিল নিয়ে আলোচনার আগে ফের বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করলেন বিজেপি (BJP) বিধায়করা। বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়েছে সোমবার থেকে। স্পিকারের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা নিয়ে আলোচনা করতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলে হই হট্টগোল শুরু করে বিজেপি। পরে বিধানসভা কক্ষে কাগজ ছিঁড়ে প্রতিবাদ দেখানোর পর ওয়াকআউট করেন গেরুয়া শিবিরের বিধায়করা। 

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)… 

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, ১৬টি নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বিধানসভার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিলাম। স্পিকার জানালেন, ওঁর পক্ষে প্রস্তাব জমা পড়েছে। কিন্তু এটা নিয়মবিরুদ্ধ। আমরা আইন মেনে পরবর্তী পদক্ষেপ যা নেওয়ার আমরা নেব। বিধানসভায় বেআইনি কার্যকলাপের প্রতিবাদ করেছি আমরা।    

    কেন স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র নিয়ে কোনও আলোচনা নয়?

    এদিন অধিবেশনের শুরুতে অধিবেশন কক্ষে প্রশ্ন তোলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর প্রশ্ন, কেন স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র নিয়ে কোনও আলোচনা নয়? এটা কি গণতন্ত্র? এর পাশাপাশি তাঁরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য দফতরের বাজেট নিয়ে আলোচনার দাবি তোলেন। শুভেন্দুর অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলির বাজেট নিয়ে ১২ বছর কোনও আলোচনা হয়নি। বাজেট আলোচনায় এই দফতরগুলোকেও রাখতে হবে বলে জানান তিনি।

    প্রসঙ্গত, ৬ মার্চ থেকে ১৩ মার্চ পর্যন্ত বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব চলবে। সেখানে মোট ৬টি দফতরের বাজেট প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। এদিন বিধানসভা থেকে হেঁটে শহিদ মিনারে ডিএ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করতে যান শুভেন্দু সহ বিজেপি বিধায়করা। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আন্দোলনকারী ও অনশনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা।

    বিধানসভায় পুলিশবাহিনী কেন?

    বিধানসভায় বিনা অনুমতিতে পুলিশবাহিনী কেন? এ প্রশ্ন তোলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন দাবি মঞ্চ থেকে হেঁটেই বিধানসভায় ফেরেন শুভেন্দু। বিধানসভায় প্রবেশের পরেই দেখতে পান কয়েকজন উর্দিহীন পুলিশ কর্মীকে। হাতে লাঠি থাকা ওই পুলিশকর্মীদের উদ্দেশে শুভেন্দু প্রশ্ন করেন, আপনারা কারা? তৃণমূলের ক্যাডার বাহিনী? বিধানসভায় ঢোকার অনুমতি কে দিয়েছে আপনাদের? যদিও তার সঙ্গে কথা না বাড়িয়ে ওই পুলিশকর্মীরা বিধানসভা চত্বর ছেড়ে বেরিয়ে যান। শুভেন্দুর অভিযোগ, এভাবে কোনওরকম পরিচয়পত্র ছাড়া কেউ বিধানসভায় প্রবেশ করতে পারে না। অথচ ওখানে যাঁরা দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁদের কাছে কোনওরকম পরিচয়পত্র ছিল না। আর গুন্ডাদের পেটানোর লাঠি ছিল তাদের হাতে।

    আরও পড়ুুন: সারদাকাণ্ডে মমতাকে ডাকতে ‘অনীহা’ সিবিআইয়ের! মোদিকে চিঠি শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • DA Protest: প্রাপ্য ডিএ দিতেই হবে! ধর্নামঞ্চে গিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পাশে থাকার বার্তা শুভেন্দুর

    DA Protest: প্রাপ্য ডিএ দিতেই হবে! ধর্নামঞ্চে গিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পাশে থাকার বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্যভাতা ফেরানোর আন্দোলন আরও জোরদার হল। সরকারি কর্মচারীদের প্রাপ্য মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ দিতেই হবে। সোমবার বিধানসভা থেকে বেরিয়ে ধর্মতলায় অনশনরত কর্মচারীদের ‘সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ’-এ গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিনই আন্দোলনকারীদের সমর্থন জানাতে ধর্মতলার ধর্নামঞ্চে হাজির হলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিও। 

    ডিএ- নিয়ে শুভেন্দুর বার্তা

    সোমবার বিধানসভা অধিবেশন থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু-সহ বিজেপি বিধায়করা হেঁটেই চলে যান ধর্মতলার শহিদ মিনারের কাছে অনশন মঞ্চে। সেখানে আন্দোলনরত কর্মচারীদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, ‘‘অনেকের মতো আমরাও আপনাদের পাশে আছি। হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ, ডিভিশন বেঞ্চে আপনারা মামলা জিতেছেন। আজ না হোক, কাল প্রাপ্য ডিএ দিতে হবে। শর্ত ছাড়া আমরা আপনাদের পাশেই রয়েছি।’’শুভেন্দু এ-ও বলেন, ‘‘আমরা রাজ্য বিধানসভায় প্রধান বিরোধী দল। আন্দোলনকারীদের ন্যায্য অধিকারের লড়াই জয়যুক্ত হোক। সেটাই চাই। আমাদের নৈতিক সমর্থন ওঁদের সঙ্গে থাকবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমাদের কর্মচারি এবং শিক্ষক সংগঠনও এঁদের সঙ্গে যুক্ত আছেন। রাজনীতির বাইরে থেকে এই আন্দোলনকে আমরা সমর্থন জানাচ্ছি।’’

    আরও পড়ুন: রাজ্যের মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ভিজিল্যান্স কমিশনে অভিযোগ শুভেন্দুর, কেন জানেন?

    ডিএ আন্দোলন ছড়ানোর কথা নওশাদের মুখে

    কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার দাবি জানিয়ে শহিদ মিনার চত্বরে আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। ৩৯ দিনে পড়েছে ধর্মতলায় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের অনশন। এদিন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিও গেলেন সেখানে।  আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বেশ কিছু ক্ষণ কথা বলেন তিনি। জানান, এই আন্দোলন কলকাতা থেকে ছড়িয়ে দিতে হবে বাংলার গ্রামাঞ্চলেও। তাঁর কথায়, ‘‘ওঁরা শিক্ষিত এবং প্রতিষ্ঠিত। ওঁদের পরামর্শ দেওয়ার মতো কিছুই নেই। তবে বলব, নিজেদের দাবি বুঝে নিতে হবে। সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ভাবে এবং গণতান্ত্রিক ভাবে আন্দোলন করুন।’’নওশাদ আরও বলেন, ‘‘এখন শুধু কলকাতায় এই আন্দোলন চলছে। আগামিদিনে বাংলার গ্রামাঞ্চলেও এই আন্দোলন ছড়িয়ে দিতে হবে। বৃহত্তর আন্দোলন করতে হবে। তবে সেটা কোন উপায়ে হবে, সেটা আমার থেকে ভাল মাস্টারমশাইরা জানেন। আন্দোলনরত সরকারী কর্মচারীরা ভালই জানবেন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sevoke-Rangpo Rail Line: এবারে রেলপথেই যাওয়া যাবে সিকিম! সেবক থেকে রংপো রেলপথ পরিদর্শনে রেলমন্ত্রী

    Sevoke-Rangpo Rail Line: এবারে রেলপথেই যাওয়া যাবে সিকিম! সেবক থেকে রংপো রেলপথ পরিদর্শনে রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য সুখবর! খুব শীঘ্রই চালু হতে চলেছে সেবক-রংপো রেলপথ (Sevoke-Rangpo Rail Line)৷ এবারে রেলপথেই সরাসরি পৌঁছে যাওয়া যাবে সিকিম। নরেন্দ্র মোদি সরকারের উদ্যোগে সেবক-রংপো রেললাইনের কাজ ইতিমধ্যে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। এবার সেই কাজ পরিদর্শনে গেলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। রবিবার তিনি সরাসরি সেবকে যান এবং সেখানে জংশন রেলস্টেশনের কাজের অগ্রগতি কতদূর হল, তা খতিয়ে দেখেন। সেবকের ওই জংশন স্টেশনকেই সিকিমের গেটওয়ে করার ব্যাপারেও আধিকারিকদের নির্দেশ দেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। এর পাশাপাশি এই রেলপথে জুড়তে চলেছে ইন্দো-চিন নাথুলা সীমান্ত। রবিবার শিলিগুড়ির বাগডোগরা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে সেটাই স্পষ্ট করেছেন দেশের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    সেবক-রংপো রেললাইন পরিদর্শনে অশ্বিনী বৈষ্ণব

    সিকিমের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “উত্তর-পূর্ব ভারতের জন্য রেলে এই মুহুর্তে সবচেয়ে বেশি বাজেট বরাদ্দ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি দেখছেন।” মন্ত্রী জানান, সেবক থেকে রংপো পর্যন্ত রেল সুড়ঙ্গ (Sevoke-Rangpo Rail Line) প্রায় তৈরি। সেখান থেকে গ্যাংটক এবং গ্যাংটক থেকে নাথুলা পর্যন্ত যাতায়াত শুরু করবে রেল দফতর। 

    বাংলার সঙ্গে সিকিমের যোগাযোগ রেলপথে

    বর্তমানে সরাসরি সিকিম যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম সড়কপথ। ৩১এ জাতীয় সড়ক দিয়েই বাংলার সঙ্গে সিকিমের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। কিন্তু, বর্ষার সময় এই জাতীয় সড়কের বেহাল দশা হয়। ফলে পর্যটক থেকে স্থানীয়দের চরম সমস্যায় পড়তে হয়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতেই বাংলা-সিকিমের মধ্যে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। এই রেলপথ (Sevoke-Rangpo Rail Line) চালু হলে ইতিহাসে প্রথম সিকিমের সঙ্গে গোটা দেশের রেল যোগাযোগ শুরু হয়ে যাবে। সূত্রের খবর, ২০২৪-এর শুরুতেই সিকিমের সঙ্গে সংযোগকারী সেবক-রংপো রেলপথের কাজ শেষ হয়ে যাবে। তারপরই এই রেলপথ রেল মন্ত্রকের হাতে তুলে দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, মোট ৪ হাজার ৮৬ কোটি টাকা বরাদ্দে সেবক থেকে রংপো পর্যন্ত মোট ৪৪.৯৮ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ হচ্ছে।

    রেলপথেই যাওয়া যাবে নাথুলায়!

    এই রেলপথের মাধ্যমে সরাসরি গ্যাংটকের সঙ্গে যেমন যোগাযোগ করা যাবে, তেমনই ভারত-চিন সীমান্ত নাথুলা পাসেও পৌঁছে যাওয়া যাবে। ফলে যে কোনও পরিস্থিতিতে সহজেই সেনাদের কাছে রসদ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। রেলমন্ত্রী বলেন, “দেশের সামরিক সুরক্ষার স্বার্থে নাথুলার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও আগে উন্নত করা জরুরি ছিল৷ প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে সেটা হতে চলেছে৷ নাথুলা পর্যন্ত এই রেলপথ যুক্ত হলে সেনাবাহিনীর রসদ সংগ্রহে অত্যন্ত সুবিধা হবে।”

    মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ রেলমন্ত্রীর

    একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বাংলার সরকারের তীব্র সমালোচনা করে রেলমন্ত্রী বলেন, “বাংলার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে উন্নত করতে মোদিজি বিপুল বরাদ্দ করেছেন৷ কিন্তু বাংলার আইন শৃঙ্খার সমস্যা, কোথাও জবর দখল- এই সব কারণে আটকে রয়েছে রেলের বহু প্রকল্পের কাজ৷”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: কুন্তলের সঙ্গে লেনদেন হয়েছে ৫০ লক্ষেরও বেশি! ফের ইডির তলব সোমাকে

    Recruitment Scam: কুন্তলের সঙ্গে লেনদেন হয়েছে ৫০ লক্ষেরও বেশি! ফের ইডির তলব সোমাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিনে একাধিকবার শিরোনামে উঠে এসেছেন ‘রহস্যময়ী নারী’ সোমা চক্রবর্তী (Recruitment Scam)। যাঁর দক্ষিণ কলকাতা ও বিধাননগরে রয়েছে পার্লার। নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত তৃণমূলের যুব নেতা কুন্তল ঘোষের সঙ্গে এই সোমার যোগ রয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, সোমার সঙ্গে ৫০ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে কুন্তলের। কিন্তু ফের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে, এই ৫০ লক্ষ ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বহু লেনদেন হয়েছে তাঁদের মধ্যে। কী কারণে সেই লেনদেন? কীসের এই টাকা? তা জানতেই সোমা চক্রবর্তীকে ফের তলব ইডির। আগামী শুক্রবার ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে সোমাকে।

    ইডির কী দাবি?

    ইডি সূত্রে খবর, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) অন্যতম অভিযুক্ত কুন্তলের সঙ্গে একটি অভিজাত ক্লাবে আলাপ হয়েছিল সোমার। কুন্তল সোমাকে চেনেন না বলে দাবি করলেও তথ্য উঠে এসেছে যে, ২০১৫ সাল থেকেই একে অপরকে চেনেন তাঁরা। ইডির তদন্তকারীরা এ-ও জানতে পেরেছেন যে, সোমা এবং কুন্তলের মধ্যে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ ৫০ লক্ষ টাকারও বেশি। তবে এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে সোমার ব্যাঙ্কের নথি খতিয়ে দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা। আর তাই দ্বিতীয়বার তলব করা হয়েছে সোমাকে, সঙ্গে আনতে বলা হয়েছে ব্যাঙ্কের নথিও।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে নয়া মোড়! টানা সাড়ে ৬ ঘণ্টা জেরা নতুন ‘রহস্যময়ী নারী’ সোমাকে

    কুন্তল ও সোমা কী জানিয়েছেন?

    গত শুক্রবার আদালত থেকে বেরোনোর মুখে কুন্তল দাবি করেছিলেন যে, তিনি সোমাকে চেনেন না। কিন্তু ইডি সূত্রে খবর, জেরায় সোমার সঙ্গে ‘বন্ধুত্বের’ কথা স্বীকার করেন কুন্তল। অন্য দিকে সোমাও জানান যে, কুন্তল তাঁর ‘বন্ধু’। সোমা তদন্তকারীদের কাছে দাবি করেছেন, ২০১৫ সাল থেকে তাঁর পার্লারের ব্যবসা। ২০১৯ সাল থেকে কুন্তলের কাছ থেকে ঋণ নেন তিনি। ব্যবসা বাড়ানোর জন্য বিনা সুদে ঋণ নিয়েছিলেন বলেও তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। তবে এখনও সেই টাকা ফেরত দিতে হয়নি (Recruitment Scam)।

    অন্যদিকে ইডি মনে করছে, কোথাও কোনও সত্যি লুকনোর চেষ্টা করছেন সোমা। কুন্তল নিয়োগ দুর্নীতির টাকাই তাঁর কাছে পাঠিয়েছেন। কুন্তলের যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, সেখানে প্রায় ৬.৫ কোটি টাকা ছিল। সেই অ্যাকাউন্ট থেকেই টাকা গিয়েছিল বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। ফলে এই সব নয়া তথ্য হাতে আসতেই ইডি ফের তলব করেছে সোমাকে। এখন এটাই দেখার, পরবর্তীতে আর কী কী তথ্য বেরিয়ে আসে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে (Recruitment Scam)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Poster: কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচিকে সামাজিক বয়কট! কারা দিল পোস্টার?

    Poster: কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচিকে সামাজিক বয়কট! কারা দিল পোস্টার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে অশালীন ও কুরুচিকর মন্তব্য করে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচি। রাতারাতি রাজ্যবাসীর কাছে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন কৌস্তভবাবু। জামিনে বাড়ি ফিরে আসার পর তাঁর ব্যারাকপুরের বাড়িতে বিজেপি, সিপিএম নেতা থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষদের শুভেচ্ছার বন্যা বয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় ব্যারাকপুর শহরে বেশ কয়েকটি এলাকায় রাস্তার ধারে একটি পোস্টার (Poster) ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। কারণ, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হওয়া এই কংগ্রেস নেতাকে সামাজিক বয়কটের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    কৌস্তভ বাগচিকে কারা সামাজিক বয়কটের ডাক দিল? Poster

    গ্রেপ্তার হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জামিন পেয়ে নিজের মস্তক মুণ্ডন করে তৃণমূল সরকারকে উত্খাত করার তিনি শপথ নেন। তাঁর এই জেদ দেখে স্বাভাবিকভাবে কংগ্রেসের নীচুতলার কর্মীরা চাঙা হয়ে ওঠেন। সঙ্গে বিরোধীরাও তাঁর বাড়়ি বয়ে এসে প্রশংসা করে যান। একদিকে তাঁর নামে সর্বত্র জয়জয়কার করছে বিরোধীরা, সেই অবস্থা রবিবার তাঁর ব্যারাকপুরে বাড়়ির আশপাশের এলাকায় রাস্তার ধারে তাঁকে সামাজিক বয়কটের ডাক দেওয়ার পোস্টার (Poster) দেওয়া হয়েছে। পোস্টারে লেখা রয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে অশালীন ও কুরুচিকর মন্তব্য করে আমাদের এলাকার সাংস্কৃতিকে সারা বাংলার কাছে হেয় প্রতিপন্ন করেছে কৌস্তভ বাগচি, তাকে সামাজিক বয়কট করা হোক। পোস্টারের (Poster) নীচে কোনও রাজনৈতিক দলের নাম নেই। শুধু লেখা রয়েছে বারাকপুরবাসীর পক্ষ থেকে। তবে, কে বা কারা এই পোস্টার (Poster)   দিয়েছে তা পরিষ্কার নয়। তবে, কংগ্রেস নেতা মাথা ন্যাড়া নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। কামারহাটির পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর নির্মলা রায় কংগ্রেস নেতাকে কটাক্ষ করে বলেন, ওই নেতার মাথায় উকুন ছিল। তাই, তিনি মাথা ন্যাড়া হয়েছেন। আর দলীয় নেত্রীর বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য করছেন। এরপর নিজের ওয়ার্ডে এক মাথা ন্যাড়া যুবকের মাথায় গোল ঢেলে কৌস্তভ বাগচিকে ওই কাউন্সিলর কটাক্ষ করেন।

    বারাকপুর শহরে সামাজিক বয়কটের পোস্টার নিয়ে কৌস্তভবাবু বলেন, এই ধরনের পোস্টার দেওয়ার কাজ তৃণমূলের। নিজেরা সামনে নাম দিতে ভয় পাচ্ছে। কিন্তু, পোস্টার (Poster) দিয়ে সামাজিক বয়কটের ডাক দিলেই তো হল না। আমাকে এলাকার মানুষ ভালোবাসেন। বাড়ির বাইরে বের হলেই প্রচুর মানুষ এসে কথা বলে যাচ্ছে। বারাকপুর পুরসভার তৃণমূলের চেয়ারম্যান উত্তম দাস বলেন, বাংলার একটি নিজস্ব সংস্কৃতি রয়েছে। তিনি একজন আইনজীবী হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে যে অশালীন মন্তব্য করেছেন তা নিন্দার ভাষা নেই। তবে, সামাজিক বয়কটের পোস্টার (Poster) দেওয়ারও আমরা তীব্র নিন্দা করছি। এসব তৃণমূলের কাজ নয়। ওরা আমাদের দলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kashi Vishwanath: কাশী বিশ্বনাথ ধামে এবার থেকে মিলবে বিশেষ লাড্ডু, কী দিয়ে তৈরি জানেন?

    Kashi Vishwanath: কাশী বিশ্বনাথ ধামে এবার থেকে মিলবে বিশেষ লাড্ডু, কী দিয়ে তৈরি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ (Kashi Vishwanath) ধামে এবার বিশ্বনাথের প্রসাদ হিসেবে মিলবে মিলেটের লাড্ডু। মন্দির চত্বরে যেখানে পুজো দেওয়ার দোকানগুলো রয়েছে, সেখানেই কিনতে পাওয়া যাবে এই কোর্স গ্রেইনের লাড্ডু (Laddu)। ভক্তরা সেগুলি কিনে ভগবান বিশ্বনাথকে নিবেদন করে প্রসাদ (Prasadam) হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন। এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ স্বয়ং। তার পরেই চালু হতে চলেছে এই ব্যবস্থা।

    কাশী বিশ্বনাথ (Kashi Vishwanath)…

    খাদ্য শস্য হিসেবে মিলেটের পুষ্টিগুণ প্রচুর। অথচ সিংহভাগ মানুষ একে রাখেন না দৈনন্দিন খাবারের তালিকায়। এর পুষ্টিগুণের কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর কাছে আবেদন করেছিলেন, মিলেটকে যেন খাবারের তালিকায় রাখা হয়। তিনি এর নাম দেন শ্রী-অন্ন। প্রধানমন্ত্রীর এই ইচ্ছেকে মর্যাদা দিয়ে চলতি বছর বাজেটে একে গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। সেই মতো বিশ্বনাথের প্রসাদ হিসেবে মিলেটের লাড্ডুর কথা ভাবা হয়। সরকারের কথা মেনে ইতিমধ্যেই কাশীধামে বিক্রি হচ্ছে শ্রী-অন্নের লাড্ডু। এদিকে, ২০২৩ সালকে রাষ্ট্রসংঘ কোর্স সেরেয়ালস ডে হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করেছে।

    আরও পড়ুুন: ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে ব্রিটিশরা, বললেন মোহন ভাগবত

    চিফ ডেভেলপমেন্ট অফিসার হিমাংশু নাগপাল বলেন, শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধামের (Kashi Vishwanath) জন্য মিলেটের লাড্ডু বানিয়েছেন স্বয়ং সাহাত্য গোষ্ঠী। এর নাম দেওয়া হয়েছে শ্রী-অন্ন প্রসাদম। মিলেটের তৈরি এই লাড্ডু প্রসাদের বিক্রি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। সেল্ফ এমপ্লয়মেন্ট ডেপুটি কমিশনার দিলীপ সোনকর বলেন, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা যাঁরা ন্যাশনাল রুরাল লিভলিহুড মিশনের সঙ্গে যুক্ত তাঁরা ইতিমধ্যেই কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের জন্য লাড্ডু তৈরি করছেন। তাঁরা বর্তমানে শ্রী-অন্ন প্রসাদম বানাচ্ছেন। যে প্রসাদ আগে বিক্রি হত, সেই প্রসাদের দরেই বিক্রি হচ্ছে মিলেটের তৈরি এই লাড্ডু। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর প্রেসিডেন্ট সুনীতা জয়সওয়াল বলেন, মিলেট, গুড়, তিল, কাজু বাদাম, আমন্ড, খাঁটি ঘি এবং খোয়া দিয়ে বানানো হচ্ছে শ্রী-অন্ন প্রসাদম। তিনি জানান, বর্তমানে ১০০ ও ২০০ গ্রাম লাড্ডুর প্যাকেট প্রসাদ (Kashi Vishwanath) হিসেবে বিক্রির জন্য রাখা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Holi: দোল উৎসবকে কেন বলা হয় বসন্ত মহোৎসব, জানেন?

    Holi: দোল উৎসবকে কেন বলা হয় বসন্ত মহোৎসব, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোলকে রঙের উৎসব বলা হয়, যা ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে উদযাপিত হয়। এই বছর দোল ৭ মার্চ। দোল হল অশুভ শক্তির ওপর শুভ শক্তির জয়। হিন্দু ধর্মের বিভিন্ন পৌরাণিক আখ্যান তাই বলছে। কিন্তু আপনি কি জানেন দোল বা হোলির ইতিহাস কী এবং কেন একে বসন্ত মহোৎসব বা কাম মহোৎসবও বলা হয়।

    দোল (Holi) বা হোলির ইতিহাস

    প্রাচীন ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে হোলি বা দোলের উল্লেখ পাওয়া যায়। জৈমিনীর পূর্ব মীমাংসা সূত্র এবং কথা গড়্য-সূত্র, নারদ পুরাণ, ভবিষ্য পুরাণ এবং বহু গ্রন্থে এর বর্ণনা পাওয়া যায়। ঐতিহাসিক দিক থেকেও হোলির গুরুত্ব কম কিছু নয়। সম্রাট হর্ষবর্ধন রচিত রত্নাবলী নাটকে এর উল্লেখ মেলে। আবার রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন নামটির সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে প্রাচীন ভারতের হোলি খেলা। দোল একটি প্রাচীন উত্সব হিসাবে বিবেচিত হয়।

    পৌরাণিক আখ্যান

    পুরাণ মতে, বিষ্ণুর ভক্ত প্রহ্লাদকে হত্যা করতে হিরণ্যকশিপুর পরামর্শ মতো তার বোন হোলিকা অগ্নিকুণ্ডে বসেন। হোলিকার শরীর ছিল ব্রহ্মার বরে প্রাপ্ত চাদর দিয়ে ঢাকা। এই রক্ষাকবচের ফলে হোলিকা অগ্নিদগ্ধ হবেনা কিন্তু প্রহ্লাদ জ্বলে যাবে এই ছিল পরিকল্পনা। কিন্তু শেষে ভগবান বিষ্ণুর কৃপায় চাদর উড়ে গিয়ে পড়ে প্রহ্লাদের গায়ে এবং অগ্নিদগ্ধ হন হোলিকা। তাই দোলের আগেরদিন অশুভ শক্তির পরাজয়ের প্রতীক হিসেবে হোলিকা দহনের রীতি সারা ভারতজুড়ে দেখা যায়।

    কেন দোল (Holi) পূর্ণিমাকে বসন্ত মহোৎসব বলা হয় 

    দোল উৎসব বসন্ত কালে পালিত হয়। এটা বিশ্বাস করা হয় যে বসন্তে পালিত হওয়ার কারণে এটিকে বসন্ত মহোৎসব এবং কাম মহোৎসব বলা হয়েছে। কামদেব সম্পর্কিত কাহিনী অনুসারে, সত্যযুগে এই দিনে, ভগবান শিব কামদেবকে ধ্বংস করার পর, রতিকে শ্রীকৃষ্ণের স্থানে কামদেব রূপে জন্মগ্রহণ করার বর দিয়েছিলেন। তাই দোলকে ‘বসন্ত মহোৎসব’ বা ‘কাম মহোৎসব’ও বলা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Holi: দোল মানেই দেদার খাওয়া সঙ্গে ভাঙের নেশা! জানুন এরপর নিজেকে ঠিক রাখতে কী কী করবেন?

    Holi: দোল মানেই দেদার খাওয়া সঙ্গে ভাঙের নেশা! জানুন এরপর নিজেকে ঠিক রাখতে কী কী করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোল মানেই রঙের বাহার। বন্ধুবান্ধব-আত্মীয়দের সঙ্গে হইচই আর ভূরিভোজ। আবার অনেকের কাছে ভাঙের নেশা ছাড়া দোলের রঙ ফিকে। কিন্তু সাবধান দু-একদিনের ছুটির পরই ফিরতে হবে কাজে। তাই উৎসবের আনন্দে শরীরের যত্ন নিতে ভুলবেন না। হ্যাংওভার কাটিয়ে পরের দিন অফিস যেতে যআতে ঝামেলায় পড়তে না হয় তার জন্য রইল কয়েকটি টিপস 

    প্রচুর জল পান

    দোলের দিন নানা উল্টো পাল্টা খাওয়ার পর শরীরে প্রচুর জলের প্রয়োজন হয় এবং মানুষ অনেক সময় কম জল পান করে তাদের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। জল আপনার শরীরকে ডিটক্সিফাই করে। এমন অবস্থায় যেন জলের অভাব না হয়। তবে একসঙ্গে অনেকটা জল খাবেন না। বারেবারে অল্প করে জল খান। যাঁরা ভাঙ খাবেন, তাঁরা সম্ভব হলে হালকা গরম জলতে লেবু মিশিয়ে পান করুন। 

    দই 

    দোলের দিন মিষ্টি, গুজিয়া, লাড্ডু থেকে নমকিন, ফুচকা সবই চলে তাই এরপর পেটে গোলমাল হলে, আমাদের বোঝা উচিত পেটের কিছুটা বিশ্রাম দরকার। এমন অবস্থায় হালকা ও হজমযোগ্য খাবার খাওয়া উচিত। এমন অবস্থায় মুগ ডালের খিচড়ি ও দই খাওয়া যেতে পারে। এতে পেটে আরাম মিলবে। তাহলে বদহজম বা গ্যাসের মতো সমস্যায় উপশম হবে।

    আদা চা

    আদার অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। পেটে গ্যাস ও বদহজমের সমস্যা দূর করতে এটি কার্যকর বলে বিবেচিত হয়। এমন অবস্থায় আদা চা পান করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। তবে এই চায়ে দুধ ব্যবহার করতে হবে না। জলতে আদা সিদ্ধ করার পর সামান্য লেবু ও মধু মিশিয়ে এই চা পান করুন। এটি দিনে দুই থেকে তিনবার পান করুন। এতে শরীরও গরম থাকবে।

    ভাজা জিরা

    পেট খারাপের ক্ষেত্রেও ভাজা জিরা খুব উপকারী। কুসুম গরম জলতে ভাজা জিরা খেলে খুব উপশম হয়। আপনি চাইলে জিরা জল ফুটিয়ে পান করতে পারেন। এটিও খুব উপকারী বলে মনে করা হয়।

    কলা

    লুজ মোশনের সমস্যা থাকলে কলা খাওয়া উচিত। কলাতে পেকটিন নামক উপাদান পাওয়া যায়। এটি লুজ মোশনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও আপনার বাড়িতে যদি তুলসী গাছ থাকে তবে এর তাজা পাতার নির্যাস নিন। তুলসী পাতার নির্যাস খেলে পাকস্থলী ভালো হয়। 

    লেবু জল-জোয়ান জল

    যাঁরা অ্যালকোহল খেয়েছেন বা ভাঙ খেয়েছেন, নেশা কাটাতে তাঁদের জন্য অব্যর্থ লেবুজল। সামান্য বিটনুন মিশিয়ে নিতে পারলে আরও ভাল। খুব আইঢাই অবস্থা হলে বা অস্বস্তি হলে সামান্য জোয়ান মুখে দিতে পারেন। এতে গা গোলানো বা বমি ভাব হবে না।

    ভাজাভুজি এড়িয়ে যান

    ভাঙ খেলে ভাজাভুজি খাবেন না।  ভাজাভুজি এড়িয়ে চলুন। মশলাদার খাবার একেবারেই খাবেন না। পরিমিত জল খান। একটু জোলো বা রসালো ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন। সাধারণ বাড়ির খাবার খান লাঞ্চ এবং ডিনারে। 

    আরও পড়ুন: হার্ট ভাল রাখে সঙ্গে স্ট্রেসও কমায়! জানুন ডার্ক চকোলেটের ১০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

    খালি পেটে ভাঙ না

    খালি পেটে ভাঙ খাবেন না। ভাঙ খাওয়ার আগে ওট্‌স খেতে পারেন। পেট ভরা থাকলে পানীয়ের প্রভাব শরীরে ততটাও পড়ে না। ওট্‌সের কুকিজ়, গ্র্যানোলা বার, স্মুদি খেয়ে নিতে পারেন। এই দুই ধরনের খাবারের পাশাপাশি একমুঠো চিনাবাদাম বা আমন্ড খেয়ে নিলেও ঝরঝরে থাকে শরীর। 

    স্নান করুন

    শরীর অতিরিক্ত খারাপ লাগলে ভাল করে স্নান করুন। তারপর কোনও এসেন্সিয়াল অয়েল বা বাম লাগিয়ে একটু ঘুমানোর চেষ্টা করুন। নজর দিন ঘুমের সময়ের উপর। পরিমিত ঘুম খুবই প্রয়োজন। শরীর ঠিকভাবে বিশ্রাম পেলেই চাঙ্গা হয়ে উঠবেন আপনি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Forecast: দোলের আগেই হাঁসফাঁস কলকাতায়, কেমন কাটবে রঙের উৎসব?

    Weather Forecast: দোলের আগেই হাঁসফাঁস কলকাতায়, কেমন কাটবে রঙের উৎসব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত কাটলেই রঙের উৎসব। তার আগে তাপে পুড়ছে তিলোত্তমা। আনন্দোৎসবের মাঝেই অস্বস্তি বাড়াচ্ছে আবহাওয়া (Weather Forecast)। মার্চের শুরুতেই হাঁসফাঁস গরম। ক্রমশ বাড়ছে পারদ। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। আগামিকাল তাপমাত্রার পারদ ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলার তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি থাকবে। বাঁকুড়াতে সবচেয়ে বেশি চড়বে পারদ। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব বর্ধমানের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। আপাতত সমগ্র দক্ষিণবঙ্গের কোথাও বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই।   

    তবে দোলের সময় বৃষ্টিপাত হতে পারে উত্তরবঙ্গের কিছু। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে সোমবার সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ (Weather Forecast)। আজ ও আগামিকাল বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে পাহাড়ে। দক্ষিণবঙ্গে বেড়েছে দিনের তাপমাত্রা। জেলায় জেলায় হাওয়ার বদল। পশ্চিমের শুকনো ও গরম বাতাস ঢুকছে এরাজ্যে। এর ফলেই পশ্চিমের জেলা সহ সংলগ্ন জেলাগুলিতে বাড়ছে তাপমাত্রা।

    আরও পড়ুন: কাটল জট! কেষ্টকে কলকাতায় আনার দায়িত্ব রাজ্য পুলিশেরই, নির্দেশ সিবিআই আদালতের

    ঝাড়খন্ড ও ওড়িশায় বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা (Weather Forecast)। এর ফলে ঝাড়খন্ড এবং ওড়িশা সংলগ্ন জেলাগুলিতে আংশিক মেঘলা আকাশ। কোথাও কোথাও মেঘলা আকাশ। বুধবার পুরুলিয়ায় এবং বৃহস্পতি ও শুক্রবার পুরুলিয়া বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রামে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ খুব হালকা বৃষ্টি দু এক জায়গায় সম্ভাবনা রয়েছে বলেই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।

    উত্তরবঙ্গে আগামী কয়েক দিন বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টি চলবে দার্জিলিং ও কালিম্পংএ। সিকিম ও অরুণাচল প্রদেশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি।  উঁচু পার্বত্য এলাকায় হালকা তুষারপাতের সম্ভাবনা থাকছে আগামী ৪/৫ দিন।

    বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৩৪ থেকে ৭৮ শতাংশ। আগামী ২৪ ঘন্টায় কলকাতা শহরে তাপমাত্রা থাকবে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে (Weather Forecast)। একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা রয়েছে উত্তর পশ্চিম ভারতে। আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা নতুন করে আসবে আগামীকাল মঙ্গলবার। একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে গুজরাট থেকে রাজস্থান ও সংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত। আরও একটি অক্ষরেখা রয়েছে দক্ষিণ কঙ্কন থেকে মধ্য মহারাষ্ট্র পর্যন্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BrahMos Missile: সফল উৎক্ষেপণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের, ট্যুইট নৌসেনার

    BrahMos Missile: সফল উৎক্ষেপণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের, ট্যুইট নৌসেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌসেনার মুকুটে জুড়ল নয়া পালক। রবিবার সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি একটি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের (BrahMos Missile) সফল উৎক্ষেপণ করেছে ভারতীয় নৌসেনা। আরব সাগরে কলকাতা ক্লাস ডেস্ট্রয়ার থেকে এই ব্রহ্মোস অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এটি তৈরি করেছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গনাইজেশন বা ডিআরডিও। রবিবার একটি ট্যুইট করে ভারতীয় নৌসেনা এই মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণের বিষয়ে জানায়। ট্যুইট বার্তায় লিখেছে, “আরব সাগরে যুদ্ধজাহাজ থেকে একেবারে সঠিকভাবে একটি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে ভারতীয় নৌসেনা। আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে ডিআরডিও সম্পূর্ণ ভারতীয় প্রযুক্তিতে এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে।”

    ব্রহ্মোস মিসাইল (BrahMos Missile)…

    ব্রহ্মোস (BrahMos Missile) হল একটি মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে এই মিসাইল তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। এখন ভারত নিজের প্রযুক্তি ব্যবহার করেই এই মিসাইল তৈরি করতে শুরু করেছে। ভারত এখন ব্রহ্মোস মিসাইল বিদেশেও রপ্তানি করছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিবেগ শব্দের গতিবেগের থেকেও দ্রুত। যুদ্ধজাহাজ ছাড়াও ডুবোজাহাজ, বিমান এবং স্থলভাগ থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষপণ করা সম্ভব।

    আরও পড়ুন:চিনকে কড়া বার্তা! ভারতীয় সেনায় প্রথম মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল রেজিমেন্ট

    উল্লেখ্য, যখন প্রথম এই ক্ষেপণাস্ত্রের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল, সেই মুহূর্তে এই ব্রহ্মোসই ছিল বিশ্বের দ্রুততম সুপারসোনিক (শব্দের থেকেও বেশি দ্রুত গতিসম্পন্ন) ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। শব্দের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ বা ২.৮ মাখ গতিতে ছুটতে পারে ব্রহ্মোস মিসাইল (BrahMos Missile)। সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলের অ্যান্টি-শিপ সংস্করণ গত বছরের এপ্রিলে ভারতীয় নৌসেনা এবং আন্দামান ও নিকোবর কমান্ড যৌথভাবে সফলভাবে পরীক্ষা করেছিল।

    ভারতের সঙ্গে চুক্তি ফিলিপিন্সের

    সূত্রের খবর, অন্য দেশেও ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাচ্ছে ভারত। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ফিলিপিন্সের সঙ্গে ৩৭৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি হয় ভারতের। এই চুক্তি অনুযায়ী ফিলিপিন্সকে মিসাইল পাঠাবে ভারত। এই প্রথম ভারতে তৈরি অস্ত্র বিদেশে রপ্তানি করা হবে। দক্ষিণ চিন সাগরে বেজিংয়ের আগ্রাসনের মধ্যে ফিলিপিন্সের কাছে এই মিসাইলগুলি গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share