Blog

  • Anubrata Mondal: পুলিশ ইডি চাপান-উতোর, অনুব্রতর দিল্লিযাত্রা কবে?

    Anubrata Mondal: পুলিশ ইডি চাপান-উতোর, অনুব্রতর দিল্লিযাত্রা কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশ-ইডি (ED)-র ঠেলাঠেলি। তার জেরে তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) কবে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হবে, তা নিয়ে উঠে গেল বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন। গরু পাচার কেলেঙ্কারি মামলায় ধৃত অনুব্রতকে পুলিশ না ইডি-কে দিল্লি নিয়ে যাবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে চাপান-উতোর। পুলিশ আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, আসানসোল জেল থেকে নিরাপত্তা দিয়ে অনুব্রতকে তারা কলকাতায় নিয়ে যেতে পারবে না। পুলিশের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিও জানিয়ে দিল, নিরাপত্তা দিয়ে অনুব্রতকে তারাও দিল্লি নিয়ে যেতে পারবে না।

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)…

    তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চায় ইডি। দিল্লিযাত্রা ঠেকাতে জোড়া মামলা দায়ের করেন অনুব্রত। একটি কলকাতা হাইকোর্টে, অন্যটি দিল্লি হাইকোর্টে। শনিবার কলকাতা হাইকোর্ট অনুব্রতর আর্জি খারিজ করে দেয়। বিচারপতি বিবেক চৌধুরী নির্দেশ দেন, প্রয়োজন মনে করলে অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যেতে পারবে ইডি। তবে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার আগে কলকাতার কেন্দ্রীয় কোনও হাসপাতাল থেকে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পরেই অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়। ওই দিনই আসানসোল জেলে চিঠি পাঠায় ইডি।

    আরও পড়ুুন: আরজেডি-র সঙ্গ ছেড়ে ফের বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছেন নীতীশ?

    জানতে চাওয়া হয়, কখন জেল কর্তৃপক্ষ অনুব্রতকে রওনা করাবেন? সূত্রের খবর, আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ ইডিকে সাফ জানিয়ে দেয় তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতিকে নিরাপত্তা দিতে পারবে না পুলিশ। ইডি যেন নিজেই দায়িত্ব নেয়। রবিবার ইডিও হাত তুলে নেয়। তারা জানিয়ে দেয়, অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব তাদের নয়। পরে আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানায়, যেভাবে সায়গল হোসেনকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেভাবেই অনুব্রতকেও নিয়ে যেতে হবে। জটিল এই সমস্যার সমাধানে আইজি কারাকে চিঠি দিয়েছেন আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ। সোমবার এ ব্যাপারে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছে ইডি।

    প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন অনুব্রত (Anubrata Mondal)। তাঁর বিরুদ্ধে ১৯ ডিসেম্বর জারি হয় প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট। তার পরেও তা কেন কার্যকর করা হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে দিল্লি আদালত। হলফনামা দিয়ে পুরো বিষয়টি আদালতে জানানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয় ইডির আইনজীবীকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Allahabad High Court: ‘গো-হত্যাকারীরা নরকে পচে, গরুকে সংরক্ষিত জাতীয় পশু করা হোক’, মন্তব্য এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Allahabad High Court: ‘গো-হত্যাকারীরা নরকে পচে, গরুকে সংরক্ষিত জাতীয় পশু করা হোক’, মন্তব্য এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা দেশ জুড়ে গো-হত্যা নিয়ে রুখে দাঁড়িয়েছে বহু মানুষ। আর এবারে গো-হত্যা বন্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করল এলাহাবাদ আদালত (Allahabad High Court)। গো-হত্যা নিষিদ্ধ করার পক্ষে নিজের অভিমত ব্যক্ত করলেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চের বিচারপতি শামিম আহমেদ। এক মামলার রায় দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, “গরু পবিত্র, হত্যাকারীরা নরকে পচে। আশা করব কেন্দ্রীয় সরকার গো-হত্যা বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে এবং গরুকে ‘সংরক্ষিত জাতীয় পশু’ হিসেবে ঘোষণা করবে।”

    কোন মামলায় এমন বললেন বিচারপতি?

    সম্প্রতি গো-হত্যা প্রতিরোধ আইনে মহম্মদ আবদুল খালিক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। তাঁর কাছ থেকে গো-মাংস উদ্ধার করা হয়। এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চে জামিনের আবেদন করেন তিনি। খালিকের সেই আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি শামিম আহমেদ। তিনি বলেন, “গরুর প্রতি হিন্দুদের বিশ্বাস রয়েছে। তাঁরা এটিকে সবচেয়ে পবিত্র প্রাণী বলে মনে করেন। গরুকে হিন্দুরা ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবেও গণ্য করেন।” এছাড়াও বিচারপতি বলেন, “হিন্দু ধর্ম অনুসারে, গরুর মধ্যে ৩৩ ধরণের দেব-দেবীর অধিষ্ঠান রয়েছে। গরুর পা থেকে সমস্ত জ্ঞান আহরণ করেছিলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ।”

    আরও পড়ুন: সিঙ্গুরের মতো আবারও কী জমি আন্দোলন দেখতে চলেছে রাজ্যবাসী, কোথায় দেখে নিন?

    এর পর রায় দিতে গিয়ে বিচারপতি শামিম আহমেদ বলেছেন, “আমরা এক ধর্মনিরপেক্ষ দেশে বাস করি। আমাদের প্রত্যেকের উচিত সব ধর্মের প্রতি সম্মান দেখানো। হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসীদের গরুকে নিয়ে আলাদা আবেগ রয়েছে। তাঁরা মনে করেন, গরু ঈশ্বরের প্রতিনিধি। ভগবান শিব, কৃষ্ণ এমনকী দেবরাজ ইন্দ্রের সঙ্গেও গরুর বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। ফলে গরুকে অবশ্যই রক্ষা করা উচিত।” তিনি আরও বলেন, “যে কেউ গরুকে হত্যা করে বা অন্যকে হত্যা করার অনুমতি দেয়, তারা নরকে পচে যাবে বলে  মনে করা হয়।” এই সব মন্তব্য করেই এলাহাবাদ হাইকোর্টের বেঞ্চ আবদুলের জামিন খারিজ করেছেন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • America: ১৩ বছরের কিশোরকে যৌন নিগ্রহ করে মা হলেন ৩১ বছরের মহিলা, যেতে হচ্ছে না জেলেও! কিন্তু কেন?

    America: ১৩ বছরের কিশোরকে যৌন নিগ্রহ করে মা হলেন ৩১ বছরের মহিলা, যেতে হচ্ছে না জেলেও! কিন্তু কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ বছরের নাবালকের সঙ্গে ৩১ বছরের মহিলার অবাধ যৌনতা! শুধু তাই নয়, ওই নাবালকের সন্তানের জন্মও দেন তিনি। তার পরও যৌন হেনস্থার মামলায় জেলে যেতে হচ্ছে না অভিযুক্ত মার্কিন মহিলাকে। অবাক হচ্ছেন তো? তবে এটিই সত্যি। ঘটনাটি ঘটেছে আমেরিকার (America) কলোরাডোতে। ২০২২-এ যৌন হেনস্থার অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করে মার্কিন পুলিশ। কিন্তু বর্তমানে তিনি জেলের বাইরেই রয়েছেন। তবে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কেন জেলে যেতে হচ্ছে না তাঁকে?

    ঠিক কী ঘটেছে?

    জানা গিয়েছে, সেই ৩১ বছরের মহিলার নাম আন্দ্রেয়া সেরানো। তদন্তকারীদের দাবি, বছর ১৩-র এক নাবালকের বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে প্রথমে তার সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন অভিযুক্ত মহিলা। পরবর্তীকালে শুরু হয় যৌন নির্যাতন। নির্যাতিতর সঙ্গে জোর করে বহুবার যৌন মিলনে লিপ্ত হন তিনি। এরপরই এব্যাপারে জানতে পেরে নাবালকের মা পুলিশের দ্বারস্থ হন। আন্দ্রেয়ার বিরুদ্ধে মূলত দু’টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এক, বিশ্বাসভঙ্গ। দুই, নাবালকের উপরে যৌন নির্যাতন। গত জুনে তিনি গ্রেফতারও হন। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে ওই কিশোরের সঙ্গে যৌনতার কথা স্বীকারও করে নেন। এরপরই জানা যায়, তিনি অন্তঃসত্ত্বা ও জেলেই তিনি ছেলে সন্তানের জন্ম দেন (America)।

    আরও পড়ুন: আরজেডি-র সঙ্গ ছেড়ে ফের বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছেন নীতীশ?

    কেন তিনি জেলের বাইরে?

    সম্প্রতি জানা গিয়েছে, আন্দ্রেয়ার আইনজীবীরা সরকারি আইনজীবীদের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছেন। যার ফলস্বরূপ ‘যৌন অপরাধী’র তকমা আন্দ্রেয়াকে মেনে নিতে হবে ও এর জন্য তাঁকে হাজতবাস করতে হবে না। সেই হিসেবেই আপাতত বাইরে রয়েছেন অভিযুক্ত মহিলা। তবে মামলাটি এখনও চলছে। তাঁর শিশুটি তাঁর কাছেই রয়েছে।

    নাবালকের মা কী বললেন?

    অন্যদিকে এই চুক্তি মানতে নারাজ নাবালকের মা। তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছেন, “আমার ছেলের শৈশব কেড়ে নেওয়া হয়েছে। মাত্র ১৩ বছর বয়সেই তাঁকে বাবা হতে হয়েছে। গোটা জীবন ধরে এই ভার তাঁকে বয়ে যেতে হবে।” তিনি প্রশ্ন করেছেন, “নির্যাতিতর লিঙ্গ আলাদা হলে, অর্থাৎ ছেলের বদলে কোনও মেয়ে হলে কি অভিযুক্তকে এভাবে ছেড়ে দেওয়া হত?”

    উল্লেখ্য, আমেরিকার (America) আইন অনুযায়ী, কোনও নাবালক যৌন হেনস্থার শিকার হলে, অভিযুক্তের ১০ বা তার বেশি বছরের জেল হতে পারে। ফলে পরবর্তীতে আন্দ্রেয়ারও ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Farmers Protest: সিঙ্গুরের মতো আবারও কি জমি আন্দোলন দেখতে চলেছে রাজ্যবাসী, কোথায় দেখে নিন?

    Farmers Protest: সিঙ্গুরের মতো আবারও কি জমি আন্দোলন দেখতে চলেছে রাজ্যবাসী, কোথায় দেখে নিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ তিন বা চার ফসলা জমির উপর ঝাঁ চকচকে রাস্তা তৈরি করা হবে। তাই, সরকার জমি অধিগ্রহণ করার জন্য নোটিশ জারি করেছে। ক্ষতিপূরণ দিয়ে জমি অধিগ্রহণ করা হবে। উন্নয়নের জন্য জমি দিতে রাজি গোঘাট-২ ব্লকের চাষিরা। তাঁরা শুধু চান, উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ। কিন্তু, সরকারের দেওয়া ক্ষতিপূরণের টাকায় চার ফসলা জমি ছাড়তে নিমরাজি গোঘাট -২ ব্লকের হাজার হাজার চাষি। সিঙ্গুরের চাষিদের মতো নিজেদের দাবি আদায়ে জোটবদ্ধ হচ্ছেন এই ব্লকের চাষিরা (Farmers protest)।

    বিঘা প্রতি জমির কত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে? Farmers protest

    কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ এবং হাইওয়ে মন্ত্রক এই রাস্তা তৈরির জন্য ছাড়পত্র দিয়েছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার কৃষকদের জমির মূল্য দেওয়ার জন্য রাজ্যকে টাকাও দিয়ে দিয়েছে। বর্তমান রেজিস্ট্রি অফিসে যে মূল্যে ওই এলাকার জমি রেজিস্ট্রি হচ্ছে, তার দ্বিগুণ এর একটু বেশি দাম পাবেন চাষিরা। যেদিন থেকে নোটিফিকেশন জারি হয়েছে সেদিন থেকে টাকা নেওয়ার দিন পর্যন্ত আরও ১০ শতাংশ সুদ পাবেন চাষিরা। একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে, এই এলাকার জমির বর্তমান সরকারি মূল্য যদি ৫ লক্ষ টাকা বিঘা হয়, তাহলে চাষিরা এক বিঘা জমি দিয়ে ১০ লক্ষ টাকা পাবেন। চাষিদের (Farmers protest) বক্তব্য,সিঙ্গুরের জমির যদি ক্ষমতা একগুণ হয়ে থাকে, তাহলে এই এলাকার জমির ক্ষমতা তার থেকে অনেক গুণ বেশি। সিঙ্গুরের জমি যদি দু- তিন ফসলি হয়ে থাকে,গোঘাট-২ ব্লকের চাষিদের জমি চার ফসলি। বছরে চারটি ফসল এখানে খুবই ভালভাবে হয়। ওই এক বিঘা জমি থাকলে একটি পরিবারের ৩-৪ জন হেসে খেলে সারা জীবন  ভাত ,কাপড় পরে বাঁচতে পারবেন। তাই, উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

    পশ্চিমবঙ্গে তিনটি আর্থিক করিডর তৈরি হচ্ছে। খড়গপুর-মোড়গ্রাম, হলদিয়া-রক্সৌল-কলকাতা ও বারাণসী করিডরের জন্য রাজ্য সরকারকে ইতিমধ্যেই প্রথম কিস্তির টাকা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এমনকী সংবাদ মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে ইতিমধ্যেই ল্যান্ডম্যাপ সুনিশ্চিত করছে সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক। সেই মতো এবার হতে চলেছে জমি অধিগ্রহণ। খড়গপুর-মোড়গ্রাম করিডরের জন্য জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়ে গিয়েছে। পোঁতা হয়েছে পিলারও। তবে, পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে হুগলি ঢুকতেই বিপত্তি। নিজেদের জমি ছাড়তে নারাজ হুগলির গোঘাট ২ ব্লকের পশ্চিমপাড়া, গুরুলিয়া- ভাতশালা, লস্করপুকুর, মুল্লুক, মেহেরবানপুর, সাতবেড়িয়ার চাষিরা (Farmers protest)। চাষিদের বক্তব্য,“যে জমির উপর দিয়ে এই হাইওয়ে যাচ্ছে সেই জমি আমাদের কাছে অন্নদাতা মায়ের মত। এই জমি সোনা জমি। উন্নয়নমূলক কাজের জন্য আমরা জমি দিতে রাজি আছি। কিন্তু, যেভাবে জমির মূল্য দেওয়া হবে শুনছি, এত কম দামে আমরা জমি দেব না। তারজন্য যদি আমাদেরকে আন্দোলন করতে হয় আমরা করব। যদি আদালতের দ্বারস্থ হতে হয় আমরা হব। আমাদের জীবন জীবিকার একমাত্র সম্বল ওই জমি,আধা মূল্যে তা দেব না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Smuggling: বৈকুন্ঠপুর বনবিভাগের বেলাকোবা রেঞ্জের বনকর্মীদের হাতে ধৃত এক পাচারকারী, সঙ্গে ছিল ৩ কিলো হাতির দাঁত

    Smuggling: বৈকুন্ঠপুর বনবিভাগের বেলাকোবা রেঞ্জের বনকর্মীদের হাতে ধৃত এক পাচারকারী, সঙ্গে ছিল ৩ কিলো হাতির দাঁত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় তিন কিলো ওজনের হাতির দাঁত পাচার করতে গিয়ে হাতানাতে ধরা পড়ল এক পাচারকারী (Smuggling)। বনদফতরের তৎপরতায় রুখল সেই পাচার। প্রাণী দেহাংশ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সেই অভিযান চালিয়ে বড়সড় সাফল্য পেলেন বৈকুন্ঠপুর বনবিভাগের বেলাকোবা রেঞ্জের বনকর্মীরা। ৩ কিলো ওজনের হাতির দাঁত উদ্ধার করলেন বনকর্মীরা। গ্রেফতার করা হয়েছে পাচারকারীদের।  

    বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেলে বেলাকোবা রেঞ্জের অফিসার সঞ্জয় দত্ত গোপন সূত্রে খবর পান যে হাতির দাঁত পাচার (Smuggling) করা হচ্ছে। ওই দাঁতটি ১৫ লক্ষ টাকায় শিলিগুড়িতে বিক্রি করা হবে, এমনটাও জানতে পারেন তিনি। আর এর জন্য দুই পাচারকারী একটি হাতির দাঁত নিয়ে শিলিগুড়ি দিকে রওনা হয়েছে। 

    খবর পেতেই বেলাকোবার রেঞ্জ অফিসার সঞ্জয় দত্ত তার টিম নিয়ে শিলিগুড়ি তিন বাত্তি এলাকায় অপেক্ষা করতে থাকেন। সেখানে তাঁরা লক্ষ্য করেন তিন বাত্তি এলাকায় একটি লাইন ট্রাক থেকে দুজন ব্যক্তি (Smuggling) নেমে হাতে একটি বস্তা নিয়ে নেমে আসেন। বনকর্মীরা তাঁদের দিকে এগিয়ে যেতেই পালানোর চেষ্টা করেন তারা।    

    এরপর বনকর্মীরা তাঁদের পিছু ধাওয়া করে একজনকে ধরে ফেলে। অন্যজন পালিয়ে যায়। ধৃত ব্যক্তির হাতের বস্তা তল্লাশি করলে সেখান থেকে বেরিয়ে আসে প্রায় তিন ফুট লম্বা তিন কেজি হাতির দাঁত (Smuggling)। সঙ্গে-সঙ্গে ওই পাচারকারীকে গ্রেফতার করে বেলাকবা রেঞ্জ অফিসে নিয়ে আসে বনকর্মীরা।

    আরও পড়ুন: আরজেডি-র সঙ্গ ছেড়ে ফের বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছেন নীতীশ? 
     
    বনদফতর সূত্রে খবর, ধৃতের নাম মনিকান্ত গোয়ালা। বাড়ি আলিপুরদুয়ার জেলায়। অসম থেকে হাতির দাঁত পাচার করে তারা দাঁতটি বিক্রি করতে শিলিগুড়ি (Smuggling) যাচ্ছিলেন। দড় ঠিক হয়েছিল ১৫ লক্ষ টাকা। ধৃতকে আজ জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হয়েছে। পুরো ঘটনা তদন্ত শুরুর পাশাপাশি পালিয়ে যাওয়া পাচারকারীকে গ্রেফতারের জন্য তল্লাশি শুরু করেছে বনদফতর।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Adenovirus: ফের মৃত্যু ২ শিশুর, অ্যাডিনো ভাইরাসে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ১০০ ছুঁইছুঁই

    Adenovirus: ফের মৃত্যু ২ শিশুর, অ্যাডিনো ভাইরাসে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ১০০ ছুঁইছুঁই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমশ বেড়েই চলেছে অ্যাডিনো ভাইরাসের দাপট। রবিবার ভোরে কলকাতার বিসি রায় হাসপাতালে ফের মৃত্যু হল দুই এক রত্তি শিশুর। তাদের শরীরেও ছিল অ্যাডিনো ভাইরাসের উপসর্গ৷ গত ৯ দিনে এই নিয়ে ৩৬টি শিশুর মৃত্যু হল৷ অ্যাডিনোতে মৃত্যুর সংখ্যা খুব শীঘ্রই ১০০-এর গন্ডি পেরোতে চলেছে। ফলে পরপর শিশুমৃত্যুতে আতঙ্ক ক্রমে বাড়ছে অ্যাডিনো ভাইরাস নিয়ে৷

    অ্যাডিনোতে ফের মৃত্যু

    এদিন মারা গিয়েছে মেটিয়াবুরুজ ও মালঞ্চর দুই শিশু। মেটিয়াবুরুজের নাদিয়ালের বাসিন্দা আতিফা খাতুন। গত রবিবার জ্বর-সর্দি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। শুরু হয় চিকিৎসা। চিকিৎসা হলেও তার শারীরিক অবস্থার বিশেষ উন্নতি হয়নি। বরং স্বাস্থ্যের অবনতি হতে থাকে বলে দাবি শিশুর পরিবারের। শিশুটির বয়স এক বছর সাত মাস। এ দিন সকাল ৬টা নাগাদ তার মৃত্যু হয়।

    আবার অন্যদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বনগাঁ মালঞ্চর এক শিশুরও মৃত্যু হয়েছে এদিন। নাম আরমান গাজী। বয়স মাত্র চার মাস। সূত্রের খবর, গত ৬ দিন ধরে সে হাসপাতালে ভর্তি ছিল। কিন্তু শেষে রক্ষা করা গেল না তাকে। রবিবার ভোর চারটে নাগাদ মৃত্যু হয় ওই শিশুর।

    আরও পড়ুন: ফের শিশুমৃত্যু! অ্যাডিনো সংক্রমণ রুখতে এবার বড়দের পরামর্শ স্বাস্থ্য দফতরের

    দু’মাসে মৃতের সংখ্যা ৯৩

    রাজ্য সরকার এবং রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে শিশু মৃত্যু ঠেকাত একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলেও, শিশু মৃত্যু আটকানো সম্ভব হচ্ছে না। আর এই নিয়েই যথেষ্ট চিন্তায় রয়েছে রাজ্যবাসী থেকে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা। দু’মাসে এখনও পর্যন্ত ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরজি কর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মিলিয়ে সেখানেই মৃত্যু হয়েছে ২৫ জন শিশুর। ফলে এই সংখ্যা যে খুব শীঘ্রই ১০০-এর গন্ডি পেরিয়ে যাবে তা বলার অপেক্ষা থাকে না।

    চাপ বাড়ছে হাসপাতালে, আইসিইউ বেডের হাহাকার

    একের পর এক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ায় রাজ্যের পেডিয়াট্রিক চাইল্ড কেয়ার ইউনিটের সমস্ত বেডই প্রায় ভর্তি। বেসরকারি হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক চাইল্ড কেয়ার ইউনিটগুলির অবস্থাও একই রকম।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Nitish Kumar: আরজেডি-র সঙ্গ ছেড়ে ফের বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছেন নীতীশ?

    Nitish Kumar: আরজেডি-র সঙ্গ ছেড়ে ফের বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছেন নীতীশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হতে চলেছে মধুচন্দ্রিমা পর্ব! দূরত্ব বাড়ছে বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) সঙ্গে উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবের (Tejashwi Yadav)। এমনও শোনা যাচ্ছে, লালু প্রসাদের রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (RJD) সঙ্গে গাঁটছড়া ছিন্ন করে নীতীশ ফের হাত ধরতে পারেন বিজেপির (BJP)। জল্পনার পালে হাওয়া দিয়েছে ইদানিং ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনা।

    নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)…

    গত বছর বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ ছেড়ে বিহারে মহাজোটের সরকার গড়েন জনতা দল ইউনাইটেড সুপ্রিমো নীতীশ কুমার। এজন্য লালু প্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সঙ্গে হাত মেলান নীতীশ। উপমুখ্যমন্ত্রীর পদে বসেন তেজস্বী যাদব। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি নানা বিষয়ে তেজস্বীর সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে নীতীশের। এহেন আবহে বিজেপির তরফে সম্পর্ক মেরামতের সংকেত দেওয়া হয় নীতীশকে। কিন্তু তাতে নীতীশ (Nitish Kumar) সাড়া না দেওয়ায় বিজেপি নিশানা করে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে। পাল্টা আক্রমণ করেন নীতীশও।

    দিন কয়েক আগে বিহারের বাল্মীকি নগর লোকসভা কেন্দ্রে ভাষণ দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, প্রতি তিন বছর অন্তর নীতীশ কুমার একবার করে প্রধানমন্ত্রী হতে চান। সেজন্য তিনি দল বদল করেন। নীতীশ সুযোগ সন্ধানী। তিনি বলেন, তবে অনেক আয়া রাম, গায়া রাম হয়ে গিয়েছে। বিজেপির দরজা নীতীশের জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছে চিরদিনের মতো।

    আরও পড়ুুন: ‘ইডি-সিবিআইয়ের অপব্যবহার করা হচ্ছে’, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি বিরোধীদের

    এহেন আবহেও জল্পনা ছড়িয়েছে, নীতীশ ফের বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন। দিন কয়েক আগে নীতীশকে ফোন করেছিলেন অমিত শাহ। রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আর্লেকারকে বিহারের নয়া রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে জানিয়ে ফোন করেন শাহ। গলওয়ানে শহিদ জয় কিশোর সিংয়ের বাবা সরকারি জায়গায় একটি শহিদ বেদি তৈরি করেছিলেন। সেই কারণে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নীতীশ তাঁকে ছাড়িয়ে দেন। এনিয়ে তেজস্বীর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় নীতীশের।

    ১ মার্চ নীতীশের জন্মদিন। সেদিন তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহ বিজেপির অনেকেই। এনিয়েও আরজেডি-জেডিইউয়ের দূরত্ব তৈরি হয়। শনিবার কাটিহারে একটি শ্রাদ্ধবাসরে হাজির ছিলেন নীতীশ (Nitish Kumar)। বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তারা কিশোর প্রসাদের বাবার শ্রাদ্ধ ছিল সেদিন। তারা কিশোর রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের সদস্য। এই অনুষ্ঠানে নীতীশ হাজির হওয়ায় রাজনীতিকদের একাংশের ধারণা নীতীশ ফের হাত ধরতে পারেন বিজেপির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
  • Imran Khan: ইমরানকে ধরতে বাড়িতে গেল পুলিশ, পাকিস্তানের পথে পিটিআই নেতা-কর্মীরা

    Imran Khan: ইমরানকে ধরতে বাড়িতে গেল পুলিশ, পাকিস্তানের পথে পিটিআই নেতা-কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে (Imran Khan) গ্রেফতার করতে বাড়ির দোরগোড়ায় পুলিশ। যদিও প্রিয় নেতাকে গ্রেফতারির হাত থেকে বাঁচাতে রবিবার সকাল থেকে লাহোরে জামান পার্কে ইমরানের বাড়ির সামনে হাজির হয়েছেন হাজার হাজার পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (PTI) পার্টির নেতা-কর্মী-সমর্থক। ঘন ঘন তাঁরা স্লোগান দিচ্ছেন, আগে আমাদের ধরো, তারপর নেতার কথা ভেবো। ঘটনার জেরে এদিন দিনভর উত্তেজনা তামাম পাকিস্তানে।

    ইমরান খান (Imran Khan)…

    পাকিস্তানের নিয়ম অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানরা যেসব উপহার দেন সেগুলি সরকারি ভান্ডার বা তোষাখানায় জমা দিতে হয়। অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ইমরান ওই সব উপহার চড়া দরে বিক্রি করে দিয়েছেন। এই ঘটনার জেরে পাক নির্বাচন কমিশন ইমরানকে পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অক্টোবর মাসে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে আবেদন করেন পিটিআই সুপ্রিমো। যদিও তা খারিজ হয়ে যায়। তার পর থেকে এ পর্যন্ত এই মামলার যতবার শুনানি হয়েছে, সবগুলিতেই অনুপস্থিত থেকেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

    এদিন ফরমান নিয়ে ইসলামাবাদ পুলিশ জামান পার্কে ইমরানের দুয়ারে পৌঁছে যায়। ইসলামাবাদ পুলিশ ট্যুইট-বার্তায় জানিয়েছে, লাহোর পুলিশের সঙ্গে একযোগে অভিযানে নেমেছে তারা। তবে ইমরানের (Imran Khan) বাড়ির সদর দরজা পেরিয়ে ভিতরে ঢুকতে পারেনি। কারণ ইমরানের দলের নেতা ফওয়াদ চৌধুরীর ডাকে জামান পার্কের আশপাশে ভিড় করেছেন পিটিআই নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। পুলিশ ইমরানের বাড়িতে প্রবেশ করতে গেলেই রাস্তায় শুয়ে পড়ছেন তাঁর দলের সমর্থকরা। পুলিশের দাবি, পুলিশ সুপার পদ মর্যাদার এক আধিকারিক ইমরানের বাড়ির ভিতরে ঢুকেছেন। কিন্তু তাঁকে যে ঘরে বসতে দেওয়া হয়েছে সেখানে ইমরানের দেখা মেলেনি।

    আরও পড়ুুন: ‘ইডি-সিবিআইয়ের অপব্যবহার করা হচ্ছে’, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি বিরোধীদের

    ইসলামাবাদ পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রেফতারির পথে যাঁরা বাধার সৃষ্টি করবেন, আইন অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদিও পুলিশের হুঁশিয়ারিকে পাত্তা না দিয়ে প্রতিবাদ করেই চলেছেন ইমরানের দলের নেতা-কর্মীরা। পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী রানা সানাউল্লাহের দাবি, ইমরানের গ্রেফতারির সিদ্ধান্ত আদালতের। এ ব্যাপারে সরকারের কিছুই করার নেই। পুলিশ যখন ইমরানকে (Imran Khan) ধরতে তাঁর বাড়ির দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছেন, তখন ট্যুইট-বার্তায় প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী বলছেন, পাকিস্তান ‘বিকামস এ ব্যানানা রিপাবলিক’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • America: মাঝ আকাশে বিমানে হঠাৎ তীব্র ঝাঁকুনি, গুরুতর জখম হয়ে মৃ্ত্যু ১ জনের

    America: মাঝ আকাশে বিমানে হঠাৎ তীব্র ঝাঁকুনি, গুরুতর জখম হয়ে মৃ্ত্যু ১ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝ আকাশে বিমানে হঠাৎ ঝাঁকুনি, আর তাতেই আঘাত পেয়ে মৃত্যু হল এক বিমানযাত্রীর। ঘটনাটি ঘটেছে আমেরিকায়। তবে এক বড়সড় ঘটনার থেকে রক্ষা পেয়েছে এই বিমানটি। জানা গিয়েছে, এটি ছিল একটি প্রাইভেট বিমান, ফলে এতে মাত্র ৫ জনই লোক  ও দু’জন ক্রু সদস্য ছিল। সূত্রের খবর, বিমানটি নিউ হ্যাম্পশায়ারের কিন থেকে ভার্জিনিয়ার (America) লিসবার্গে যাচ্ছিল, আর তখনই ঘটে এই ঘটনা। মাঝ আকাশে ঝোড়োগতির বাতাসের জেরে বিমানে তীব্র ঝাঁকুনিতে গুরুতর আহত হয় সেই ব্যক্তি। এরপরই বিমানটির জরুরি অবতরণ করিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) জানিয়েছে, একটি বোম্বারডিয়ার চ্যালেঞ্জার ৩০০ নামের প্রাইভেট বিমানটি নিউ হ্যাম্পশায়ারের কিন থেকে ভার্জিনিয়ার লিসবার্গে পাঁচজন যাত্রীকে নিয়ে যাচ্ছিল। বিমানটি কিন বিমানবন্দর থেকে শুক্রবার বিকাল ৩টা ৫৫ মিনিটে উড়ে যায় করে। এর পরেই হঠাৎ আবহাওয়ায় কিছু পরিবর্তন দেখা দিলে বিমানটিতে যাত্রীরা ঝাঁকুনি অনুভব করতে পারে। পরিস্থিতি অনেকটাই খারাপ হয়ে যায়, যার ফলে এক ব্যক্তি গুরুতর জখম হয়। ফলে যাত্রা শুরু করার ২০ মিনিট পরেই  ব্র্যাডলি বিমানবন্দরে বিমানটির জরুরি অবতরণ করানো হয়। এই ঘটনায় রীতিমত আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় বিমানে (America)।

    আরও পড়ুন: এয়ার ইন্ডিয়ার ঘটনার পুনরাবৃত্তি, বিমানের সহযাত্রীর গায়ে মূত্রত্যাগ মদ্যপ পড়ুয়ার!

    এনটিএসবি সূত্রে খবর, বিমানে ঠিক ঘটেছিল তার তদন্ত করতে ককপিট ভয়েস এবং ডেটা রেকর্ডার (ব্ল্যাক বক্স) উদ্ধার করা হয়েছে (America)। এর পাশাপাশি দুজন ক্রু সদস্য এবং বাকি যাত্রীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই এই ঘটনার প্রাথমিক রিপোর্ট পাওয়া যাবে বলে জানা গিয়েছে।

    কেন এই ঘটনা?

    ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ডের মুখপাত্র সারাহ টেলর সেদেশের সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, সেই  যাত্রীর ঠিক কী হয়েছিল বা অন্য কেউ আহত হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে তাঁর কাছে কোনও তথ্য নেই।

    ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) ডাটাবেস অনুসারে এই বিমানটি মিসৌরি ভিত্তিক সংস্থা কনক্সন-এর। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করা হয়নি, সেই সংস্থার তরফে (America)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • PM Modi: ‘ইডি-সিবিআইয়ের অপব্যবহার করা হচ্ছে’, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি বিরোধীদের

    PM Modi: ‘ইডি-সিবিআইয়ের অপব্যবহার করা হচ্ছে’, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির (AAP) নেতা মনীশ সিসোদিয়া। সেই সিসোদিয়ার হয়ে সওয়াল করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) চিঠি লিখলেন দেশের ৮টি রাজনৈতিক দলের ৯ জন নেতা। প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ইডি (ED)-সিবিআইয়ের (CBI) মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। তবে যে ৮টি রাজনৈতিক দল প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছে, তাতে আশ্চর্যজনকভাবে নেই কংগ্রেস। যদিও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন।

    নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)…

    নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) লেখা ওই চিঠিতে সই করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিআরএস প্রধান কে চন্দ্রশেখর রাও। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানও রয়েছেন ওই চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের তালিকায়। এঁরা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীকে লেখা ওই চিঠিতে যাঁরা স্বাক্ষর করেছেন, তাঁরা হলেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লা, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির প্রধান শারদ পাওয়ার, শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব।

    স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে কংগ্রেস নেই। যদিও কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীকে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে জেরা করেছে ইডি। মা ও ছেলেকে গত বছরই জেরা করেছে এই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। চিঠিতে (PM Modi) বলা হয়েছে, আমরা আশা করি, আপনি আমাদের সঙ্গে একমত হবেন যে ভারত এখনও গণতান্ত্রিক দেশ। বিরোধী রাজনৈতিক দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে কাজে লাগিয়ে আদতে সেগুলির অপব্যবহার করা হচ্ছে। যা থেকে মনে হচ্ছে দেশে গণতন্ত্র নেই, রয়েছে স্বৈরতন্ত্র। চিঠিতে আরও লেখা হয়েছে, উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়াই সিবিআই গ্রেফতার করেছে মনীশ সিসোদিয়াকে। তার আগে তাঁর বাড়িতে তল্লাশিও চালানো হয়। বিরোধী দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির নির্লজ্জ আচরণ চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, আমরা গণতন্ত্র থেকে স্বৈরাচারে পরিণত হয়েছি।

    আরও পড়ুুন: মাত্র ৫ আসনে জয়, নাগাল্যান্ডে টাকা উড়িয়ে জয়োৎসব এনপিপি-র

    চিঠিতে (PM Modi) আরও লেখা হয়েছে, প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে, গ্রেফতার করা হয়েছে, বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে এটা হয়ে আসছে। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তাঁদের সিংহভাগই বিরোধী দলের নেতা। তবে যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে ধীর গতিতে। উদাহরণ হিসেবে তাঁরা অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার নামোল্লেখ করেছেন। বছর কয়েক আগে কংগ্রেসে ছেড়ে বিজেপিতে গিয়ে যোগ দিয়েছেন হিমন্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
     
LinkedIn
Share