Blog

  • Flu Cases: আবহাওয়ার পরিবর্তনে বাড়ছে সংক্রমণ, সতর্ক থাকার পরামর্শ কেন্দ্রের

    Flu Cases: আবহাওয়ার পরিবর্তনে বাড়ছে সংক্রমণ, সতর্ক থাকার পরামর্শ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বেশ কয়েকটি অংশে দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা, দীর্ঘস্থায়ী কাশি সহ গত দু মাসে প্রচুর পরিমাণে ইনফ্লুয়েঞ্জা (Flu Cases) ঘটনা রিপোর্ট করা হয়েছে। কোভিড মহামারী নিয়ে ২ বছর লড়াই করার পরে, ফ্লু আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে।  

    ভারত জুড়ে প্রচুর জ্বর এবং ফ্লুতে আক্রান্ত (Flu Cases) হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ জানিয়েছে, যে এটি ইনফ্লুয়েঞ্জা A সাবটাইপ H3N2 ভাইরাসের কারণে হচ্ছে।

    H3N2 ভাইরাস অন্যান্য সাব ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় বেশি ক্ষতিকারক। বিশেষজ্ঞরা মতে গত দু-তিন মাস ব্যাপক হারে বেড়েছে এই ভ্যারিয়েন্ট। 

    লক্ষণগুলির মধ্যে সাধারণত রয়েছে, অবিরাম কাশি এবং জ্বর। সাম্প্রতিক ক্ষেত্রে, অনেক রোগী এই লক্ষণগুলির কথা জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, ইনফ্লুয়েঞ্জার অন্যান্য  সাব-ভ্যারিয়েন্টগুলির তুলনায় H3N2 ভাইরাসে আক্রান্তরা বেশি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    ক্লিনিকাল ট্রায়াল বিশেষজ্ঞ ডাঃ অনিতা রমেশ বলেছেন যে, ইনফ্লুয়েঞ্জার (Flu Cases) নতুন স্ট্রেন প্রাণনাশক নয়। তবে কিছু রোগীকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে ভর্তি হতে হয়েছে হাসপাতালে। কিছু উপসর্গ কোভিডের মতো, তবে রোগীদের কোভিড পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে।

    আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যোগ ব্যায়াম শেখানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে সৌদি আরব

    আইসিএমআর ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কী কী করণীয় (Flu Cases), তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ), সারা দেশে কাশি, সর্দি এবং বমি বমি ভাবের ক্রমবর্ধমান ক্ষেত্রে নির্বিচারে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছে। 

    মেডিকেল সংস্থা একটি বিবৃতিতে জারি করে (Flu Cases) বলেছে, “আমরা ইতিমধ্যে কোভিডের সময় Azithromycin এবং Ivermectin এর ব্যাপক ব্যবহার দেখেছি এবং এটিতে উপকারও পাওয়া গিয়েছে। অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের আগে এটি ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ কি না আগে তা জানা প্রয়োজন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pee Gate: এয়ার ইন্ডিয়ার ঘটনার পুনরাবৃত্তি, বিমানের সহযাত্রীর গায়ে মূত্রত্যাগ মদ্যপ পড়ুয়ার!

    Pee Gate: এয়ার ইন্ডিয়ার ঘটনার পুনরাবৃত্তি, বিমানের সহযাত্রীর গায়ে মূত্রত্যাগ মদ্যপ পড়ুয়ার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই খবরের শিরোনামে এসেছিল এয়ার ইন্ডিয়া (Pee Gate)। ভালো কোনও কারণে নয়, বরং এক অদ্ভুত কারণে। এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে সহযাত্রীর কম্বলে প্রস্রাবের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল দেশজুড়ে। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল এবার আমেরিকান এয়ারলাইন্সের বিমানেও। নিউ ইয়র্ক থেকে নয়াদিল্লিগামী বিমানে মদ্যপ অবস্থায় সহযাত্রীর গায়ে প্রস্রাব করার অভিযোগ উঠল এক ছাত্রের বিরুদ্ধে। 

    ঠিক কী ঘটেছে? 

    জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় রাত ৯টা ১৬ মিনিটে বিমানটি রওনা দেয় (Pee Gate)। শনিবার নয়াদিল্লিতে রাত ১০টা ১২ মিনিটে সেটি অবতরণ করে। এই বিমানেই এক যাত্রী আরেক পুরুষ যাত্রীর গায়ে প্রস্রাব করে দেন। তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলেই জানা যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যোগ ব্যায়াম শেখানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে সৌদি আরব

    আরও জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত এক মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া (Pee Gate)। ঘুমন্ত অবস্থায় তিনি প্রস্রাব করে দেন সহযাত্রীর গায়ে। ওই যাত্রী পরে বিমানের ক্রু সদস্যদের বিষয়টি জানান। তবে পড়ুয়া ক্ষমা চেয়ে নেওয়ায় বিষয়টি পুলিশের কাছে আর জানাতে চাননি তিনি। তাঁর মতে, অভিযোগ জানালে ওই পড়ুয়ার কেরিয়ার সমস্যা্র মুখে পড়ত। তাই তিনি এই নিয়ে আর জল ঘোলা করেননি। কিন্তু উড়ান সংস্থা বিষয়টিকে হালকা ভাবে নিতে রাজি নয়। বিমানের পাইলটের অভিযোগের ভিত্তিতে পরে অভিযুক্তকে দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। 

    উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ নভেম্বর নিউ ইয়র্ক থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে দিল্লি ফেরার সময় ৭০ বছর বয়সি এক বৃদ্ধার কম্বলে মূত্রত্যাগ করেন এক ব্যক্তি (Pee Gate)। পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আপাতত জামিনে মুক্তি রয়েছেন তিনি। এই ঘটনার ছায়াই যেন নতুন করে দেখা গেল আমেরিকান এয়ারলাইন্সের বিমানে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

     

  • Saudi Arabia: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যোগ ব্যায়াম শেখানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে সৌদি আরব

    Saudi Arabia: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যোগ ব্যায়াম শেখানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে সৌদি আরব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর যোগ ব্যায়ামের (Saudi Arabia) বিশেষ প্রভাব রয়েছে। সেই গুরুত্ব বিবেচনা করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যোগ ব্যায়াম শেখানো ও যোগ ব্যায়ামকে পরিচিত করার উদ্যোগ নিচ্ছে সৌদি যোগা কমিটি। শনিবার এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে সে দেশের সংবাদমাধ্যম আরব নিউজ।  

    ‘ডেভেলপমেন্ট এন্ড প্রমোশন অব নিউজ স্পোর্টস গেমস ইন ইউনিভার্সিটিস’ নামের একটি অনুষ্ঠান সৌদি যোগা কমিটির চেয়ারম্যান নউফ আল-মারওয়াই জানিয়েছেন, যোগ ব্যায়াম ছড়িয়ে দিতে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি করবেন তারা।

    যোগ ব্যায়াম বিশ্বের অন্যতম পুরোনো শারীরিক কসরতগুলোর মধ্যে একটি। এই ব্যায়ামের বিকাশ ঘটেছিল ভারতেই। সাধারণ ভারতীয়দের মধ্যে যোগ ব্যায়াম জনপ্রিয় করতে কাজ করছে ভারত সরকার। 

    সৌদি যোগা কমিটির (Saudi Arabia) চেয়ারম্যান আরও জানিয়েছেন, যোগ ব্যায়ামকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরিচিত করা ছাড়াও পুরো সৌদি আরবে এটি ছড়িয়ে দিতে চান তারা। এজন্য যোগ ব্যায়ামে সেরাদের নিয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা বলেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: এখনই জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন নেই, ফিসচুলার সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে গিয়েও জেলেই ফিরতে হল অনুব্রতকে

    মারওয়া (Saudi Arabia) বলেন, যোগা মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ভিশন ২০৩০ অনুযায়ী খেলাধুলায় স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভালো করতে সাহায্য করবে এই ব্যায়াম।

    যোগব্যায়ামের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন আসনগুলির রয়েছে বহুমুখী উপকারিতা । এর মাধ্যমে আপনি শরীরের বিভিন্ন ধরণের রোগ কমাতে পারেন। যেমন- হাঁটুর ব্যথা, পায়ের ব্যথা, ঘাড়ে ব্যথা, স্ত্রী রোগ কোষ্ঠকাঠিন্য,উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসের মতন নানান কঠিন ব্যাধি । প্রত্যহ যোগব্যায়ামের সাহায্যে সারাজীবন তরুণ এবং সুস্থ থাকা যায়।

    যোগাভ্যাসের প্রচারে ভারতের উদ্যোগ

    প্রাচীন কাল থেকেই যোগ চর্চার অভ্যাস ভারতীয় সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সেই ঐতিহ্যের কথা বিবেচনা করেই ভারতের যোগকে আন্তর্জাতিক স্তরে সম্প্রসারিত করতেই যোগ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত সরকার। ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে ২১ জুন দিনটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পরের বছর অর্থাৎ ২০১৫সালের ২১ জুন তারিখ থেকে বিশ্ব জুড়ে যোগ দিবস পালন করা শুরু হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Anubrata Mondal: এখনই জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন নেই, ফিসচুলার সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে গিয়েও জেলেই ফিরতে হল অনুব্রতকে

    Anubrata Mondal: এখনই জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন নেই, ফিসচুলার সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে গিয়েও জেলেই ফিরতে হল অনুব্রতকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার আদালতের শুনানি চলাকালীন বিচারককে ফিসচুলার সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন গরুপাচার মামলায় অভিযুক্ত বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। আজ, অর্থাৎ শনিবার কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় অনুব্রতকে। কিন্তু চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হল এখনই জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন নেই তাঁর। অগত্যা জেলেই ফিরতে হল তৃণমূলের এই দাপুটে নেতাকে। 

    সকাল থেকেই অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্যে তোড়জোড় চলছিল আসানসোল জেলে। তারপর বেলা একটু বাড়তেই অনুব্রত মণ্ডলকে আসানসোল সংশোধনাগার থেকে নিয়ে গাড়ি রওনা দিল জেলা হাসপাতালের দিকে। জেলা হাসপাতালেও সকাল থেকে ছিল প্রস্তুতি। প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল হাসপাতাল চত্বরে। 

    শুক্রবার আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে ভার্চুয়াল সুনামির সময় তিনি (Anubrata Mondal) জানিয়েছিলেন, তিনি ফিসচুলায় কষ্ট পাচ্ছেন। চিকিৎসা প্রয়োজন। বিচারক নির্দেশ দিয়েছিলেন, যথাসাধ্য ভাল চিকিৎসা দেওয়ার। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে বিশেষ এমার্জেন্সি নেই অনুব্রত মণ্ডলের। নেই সার্জিক্যাল এমার্জেন্সিও। শারীরিক সমস্যার জন্য যে সমস্ত ওষুধ তিনি খাচ্ছেন, সেগুলি যথেষ্ট বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    হাসপাতাল সূত্রে খবর, অনুব্রতর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের পক্ষ থেকে ছ’জনের একটি টিম তৈরি করে দেওয়া হয়। দু’জন নার্স ও একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট ছাড়া সেই দলে ছিলেন তিনজন চিকিৎসক। তাঁদের মধ্যে একজন মেডিক্যাল অফিসার, একজন সার্জেন ও একজন এমারজেন্সি চিকিৎসক। শনিবার এই বিশেষ ছ’জনের দল অনুব্রত মণ্ডলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। হাসপাতালে পৌঁছনোর পর প্রায় ৩০ মিনিট ধরে অনুব্রত মণ্ডলের শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন চিকিৎসকদের একটি প্রতিনিধি দল।

    আরও পড়ুন: জামিন পেলেন না সিসোদিয়া, আরও দুদিন বাড়ল সিবিআই হেফাজতের মেয়াদ, পরবর্তী শুনানি ১০ মার্চ

    অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়ে হাসপাতাল সুপার নিখিল চন্দ্র দাস বলেন, সার্জিক্যাল ও মেডিসিনের ডাক্তাররা চিকিৎসা করেছেন। এই মুহূর্তে সার্জিক্যাল কোনও এমার্জেন্সি নেই। এ দিন অনুব্রত মণ্ডলের ব্লাড প্রেসার ছিল ১০৬/৮০ , পালস রেট ৮২ , অক্সিজেন মাত্রা ৯৬ শতাংশ ও ওজন ৯৫ কেজি।

    অনুব্রতর মণ্ডলের রক্তচাপ ১০৬/৮০, পালস রেট ৮২ এবং রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৬ শতাংশ। হাসপাতালের সুপার জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে অনুব্রত মণ্ডলের ওজন ৯৫ কেজি। কয়েকদিন আগে তাঁকে যখন স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে আসা হয়, তখন তাঁর ওজন ছিল ৯১ কেজি। অর্থাৎ ৪ কেজি ওজন বেড়েছে অনুব্রতর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Manish Sisodia: জামিন পেলেন না সিসোদিয়া, আরও দুদিন বাড়ল সিবিআই হেফাজতের মেয়াদ, পরবর্তী শুনানি ১০ মার্চ

    Manish Sisodia: জামিন পেলেন না সিসোদিয়া, আরও দুদিন বাড়ল সিবিআই হেফাজতের মেয়াদ, পরবর্তী শুনানি ১০ মার্চ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামিন পেলেন না মণীশ সিসোদিয়া (Manish Sisodia)। তাঁকে আরও দুদিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। আবগারি দুর্নীতির তদন্তে সহযোগিতা করছেন না, এই অভিযোগে শনিবার দিল্লির প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার আরও তিন দিনের হেফাজতের দাবি জানান সিবিআই পক্ষের বিশেষ আইনজীবী। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই আদালত আরও দুদিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেয়। 

    আবগারি কেলেঙ্কারিতে সিসোদিয়াকে (Manish Sisodia) গ্রেফতার করার পর আজই সিসোদিয়ার পাঁচ দিনের সিবিআই হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়েছে। আজ তাঁকে আদালতে হাজির করে সিবিআই।  সিবিআইয়ের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, তদন্তে কোনও প্রকার সহযোগিতা করছেন না সিসোদিয়া। সিসোদিয়া আইনজীবী এদিন আদালতে বলেন, “অসহযোগিতা হেফাজতের ভিত্তি হতে পারে না।”

    এদিন সিসোদিয়ার (Manish Sisodia) আইনজীবী আরও জানান, তাঁর মক্কেলের স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ। তিনি বলেন, ‘‘সিবিআইয়ের অদক্ষতা কখনওই জামিন না পাওয়ার কারণ হতে পারে না।’’ শেষ পর্যন্ত সিবিআই- এর আবেদনই আংশিক মেনে নেন বিচারক। দুদিনের হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয় সিসোদিয়াকে।

    আরও পড়ুন: পর্যটন শিল্পের বিকাশে ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’- এ জোর মোদি সরকারের

    প্রসঙ্গত, আবগারী দুর্নীতি মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েক দফায় প্রায় ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে গত রবিবার মণীশ সিসোদিয়াকে (Manish Sisodia) গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সোমবার তাঁকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে হাজির করানো হলে বিচারক ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন। এর পরে মঙ্গলবার জেল থেকেই দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। পাঁচ দিনের হেফাজতের সময়সীমা শেষ হওয়ায় শনিবার তাকে আদালতে হাজির করানো হয়। 

    আদালতে সিবিআই দাবি করেছে, তাদের বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গিয়েছেন প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী। আবগারি নীতির প্রথম খসড়ার অন্তত ৬টি বিষয়ের ব্যাখ্যা দিতে পারেননি সিসোদিয়া।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast:  বোমা বিস্ফোরণে উড়ল তৃণমূল নেতার বাড়ি, কোথায় দেখে নিন?

    Bomb Blast: বোমা বিস্ফোরণে উড়ল তৃণমূল নেতার বাড়ি, কোথায় দেখে নিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বোমা বিস্ফোরণে (Bomb Blast) উড়ে গেল তৃণমূল নেতার বাড়ি। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের পাঁড়ুই থানার ভেড়ামারি গ্রামে। তৃণমূল নেতার নাম হাফিজুল শেখ। তিনি তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির সদস্য। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে শাসক দলের নেতার বাড়িতে এরকম বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ শেখ রিন্টু এবং শেখ গোলাম নামে দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। গত চারদিন ধরে এই জেলায় এত পরিমাণ বোমা এবং আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনায় জেলা জুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    তৃণমূল নেতার বাড়িতে কী করে বোমা বিস্ফোরণ হল?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতার বাড়ির গোয়াল ঘরে চারটি  ড্রামের মধ্যে বোমা (Bomb Blast) রাখা ছিল। শুক্রবার রাতে সেই বোমা ভরতি ড্রাম কোনওভাবে নীচে পড়ে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। গোয়াল ঘরে থাকা বেশ কয়েকটি ছাগলও মারা যায়। বিস্ফোরণে (Bomb Blast) তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে তৃণমূল নেতার কংক্রিটের বাড়ি একেবারে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, রাতে আচমকাই বিকট শব্দে গোটা গ্রাম কেঁপে ওঠে। প্রথমে কী হয়েছে তা বুঝতে পারিনি। ঘর থেকে বেরিয়ে দেখি, হাফিজুলের বাড়়ির একাংশ ভেঙে পড়েছে। এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, ওই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে আগে থেকে বোমা মজুত ছিল, না বিরোধীরা বোমা রেখে ছিল তা তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। তবে, পুলিশি তদন্তে ওই তৃণমূল কর্মী দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে দলগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বীরভূম জেলায় পাল্লা দিয়ে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ১ মার্চ নানুর থানা এলাকায় বেশ কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্র পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে। ২ মার্চও নানুর থানা এলাকা থেকে ৩ ড্রাম ভর্তি বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে ৩ মার্চ সাঁইথিয়ার বাতাসপুর এলাকায় প্রচুর পরিমাণে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। আর ৩ মার্চ রাতে সাঁইথিয়ার পর পাঁড়ুই থানা এলাকায় তৃণমূল নেতার আস্ত একটি বাড়িই কার্যত উড়ে গেল। বিরোধীদের বক্তব্য, পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, বোমা বারুদের ভর কেন্দ্র হয়ে উঠছে এই জেলা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Anubrata Mondal: ইডিকে দিল্লি-যাত্রার সবুজ সঙ্কেত, আবেদন নাকচের সঙ্গে অনুব্রতকে জরিমানাও হাইকোর্টের

    Anubrata Mondal: ইডিকে দিল্লি-যাত্রার সবুজ সঙ্কেত, আবেদন নাকচের সঙ্গে অনুব্রতকে জরিমানাও হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে দিল্লি যেতেই হচ্ছে কেষ্টকে। দিল্লি যাত্রা আটকাতে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল৷ কিন্তু সেই আবেদনে সাড়া দিল না কলকাতা হাইকোর্ট৷ বরং মামলা সংক্রান্ত তথ্য লুকনো এবং আদালতের সময় অপচয়ের জন্য অনুব্রত মণ্ডলকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছেন বিচারপতি বিবেক চৌধুরী৷

    আরও অস্বস্তিতে অনুব্রত মণ্ডল

    এদিন কলকাতা হাইকোর্টে জোর ধাক্কা অনুব্রত মণ্ডলের। খারিজ হয়ে গেল অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) আবেদন। অনুব্রত মণ্ডলকে কোনও আইনি রক্ষাকবচ দিল না কলকাতা হাইকোর্ট। দিল্লি যাত্রা আটকাতে কোনও নির্দেশ দিল না কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে আপাতত গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা থাকছে না। তাই ইডি যে কোনও দিন জেরা করার জন্য তাঁকে দিল্লি নিয়ে যেতে পারে।

    তবে শুধু যে আবেদন খারিজ হয়েছে, তা নয়, তাঁকে জরিমানাও করা হয়েছে। কারণ আদালতের পর্যবেক্ষণ, দিল্লি এবং কলকাতা, দুই হাইকোর্টের দুই রাজ্যের শীর্ষ আদালত থেকে তথ্য লুকিয়ে হয়রানি করেছেন অনুব্রত। ফলে তাঁকে ১ লক্ষ টাকার জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি বিবেক চৌধুরী।

    বিচারপতির প্রশ্নের মুখে কেষ্টর আইনজীবী

    শনিবার আদালতে শুনানি চলাকালীন তৃণমূল নেতার আইনজীবী জানান, শারীরিক ভাবে অনুব্রত অসুস্থ। যার প্রেক্ষিতে ইডি জানায় প্রয়োজনে দিল্লি এইমসে চিকিৎসার বন্দোবস্ত হবে অনুব্রতের (Anubrata Mondal)। বিচারপতি বিবেক চৌধুরীর এজলাসে অনুব্রতের আইনজীবী জানান, দিল্লি হাইকোর্টে ইডি মৌখিক ভাবে আশ্বাস দিয়েছিল ওই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হাজিরা করানো হবে।

    এরপরেই বিচারপতি বিবেক চৌধুরীর পর্যবেক্ষণ, এটা গুরুত্বপূর্ণ মামলা। আর নির্দেশনামাতেও কিছু নেই। ৪ মাস ধরে ইডির মৌখিক আশ্বাসের পর আলাদা করে নির্দেশনামায় বিষয়টি উল্লেখ করা প্রয়োজন হল কেন? বিচারপতির প্রশ্ন, “এখানে বার বার দেখেছি মৌখিক আশ্বাস নির্দেশনামায় উল্লেখ করতে বলেন। তবে দিল্লি হাইকোর্টে এটা করলেন না কেন? যেখানে আপনাদের অভিযোগ হচ্ছে ইডি আপনাদের মিথ্যা মামলায় জড়াচ্ছেন।”

    পাল্টা অনুব্রতর আইনজীবী জানান, “আমরা পেশাগত সৌজন্যতার ওপর ভরসা রেখেছিলাম। গত ২১ ডিসেম্বর জেল কর্তৃপক্ষকে ইডি ইমেল করে জানায় এখনই কোনও পদক্ষেপ করা হবে না। কিন্তু তারপরও কেন এমন করছে ইডি? ১৭ ডিসেম্বর দিল্লি হাইকোর্টে শুনানি রয়েছে। ওই দিন পর্যন্ত রক্ষাকবচ দেওয়া হোক।”

    অন্য দিকে, অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) নিশানা করেন ইডির আইনজীবী। তিনি বলেন, “এক অন্য হাইকোর্ট থেকে অন্য হাইকোর্টে আবেদন করছেন অনুব্রত। তথ্য গোপন করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ছুটির দিনে আদালতের সময় নষ্ট করা হয়েছে। একজন আইনজীবী হিসেবে বলব, বড় জরিমানা করা উচিত।” প্রশ্ন করেন, “পছন্দের রায় না পেতেই কি বার বার আদালত পরিবর্তন? এমনকি, শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টে জানানো হয়েছে এখান থেকে মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। অথচ শুনানি হচ্ছে। অনুব্রত একজন নীতিহীন বিচারপ্রার্থী।”

    এরপর দুপক্ষের বক্তব্য শুনে বিচারপতি বিবেক চৌধুরী অনুব্রতর আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন ও কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি আদালত। উল্টে একই মামলা ২টি আদালতে করে আদালতের সময় নষ্ট করায় অনুব্রতকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Destination Wedding: পর্যটন শিল্পের বিকাশে ‘ডেস্টিনেশন  ওয়েডিং’- এ জোর মোদি সরকারের

    Destination Wedding: পর্যটন শিল্পের বিকাশে ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’- এ জোর মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিককালে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং (Destination Wedding) একটি জনপ্রিয় বিষয় হয়ে উঠেছে। দূর-দূরান্তে গিয়ে বিয়ের আসর বসানোকেই বলে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং। সাধারণত বিত্তশালীরাই এভাবে অন্য জায়গায় বিয়ের আসর বসিয়ে থাকেন। এবার এই ট্রেন্ডের কথা শোনা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখেও। প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব, কোনও দম্পতি এই ভাবে বিয়ে করার পরিকল্পনা করলে তাঁদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে। এতে মধ্যবিত্ত, উচ্চ-মধ্যবিত্তরা আরও উৎসাহিত হবেন। মূলত মধ্যবিত্তদেরও এই ট্রেন্ডে সামিল করে পর্যটনে জোয়ার আনতে চাইছে কেন্দ্র।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    শুক্রবার বাজেট পরবর্তী ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে পর্যটন বিভাগকে চাঙ্গা করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এই আলোচনায় অন্যতম বিষয় ছিল ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’ (Destination Wedding)। তিনি বলেন, “কিছু মানুষের কাছে ‘ট্যুরিজম’ শব্দটা একেবারেই সৌখিন শব্দ। তাঁরা মনে করেন এটি উচ্চ মধ্যবিত্তদের বিষয়। কিন্তু দেশে এর একটা সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিপ্রেক্ষিত রয়েছে। এই শিল্পের দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে মধ্যবিত্ত, উচ্চ-মধ্যবিত্তদের মধ্যেও। ডেস্টিনেশন ওয়েডিংয়ের জন্য স্পেশাল প্যাকেজ এনে দেখা যেতে পারে।”

    তিনি আরও বলেন, “পর্যটন ক্ষেত্রকে শিখরে পৌঁছতে গেলে আমাদের নতুন কোনও ভাবনা নিয়ে আসতে হবে। অনেকেই ইদানীং ডেস্টিনেশন ওয়েডিং- এর (Destination Wedding) জন্য বিদেশে যান। ভারতের রাজ্যগুলি কি গন্তব্য বিবাহের জন্য একটি বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারে না? আমি মনে করি, আমাদের দেশে এমন পরিবেশ তৈরি হওয়া উচিত যখন গুজরাতের জনগণ তামিলনাড়ুতে গিয়ে সেখানকার সংস্কৃতি অনুসারে বিয়ে করতে উদ্যোগী হবে। ধরা যাক, কারও যদি দু’টি সন্তান থাকে, তা হলে তার দুই সন্তানকে আলাদা রাজ্যে গিয়ে বিয়ে দেওয়ার কথাও ভাবতে পারেন মানুষ। যেমন এক জনের বিয়ে হোক অসমিয়া সংস্কৃতি অনুযায়ী এবং অন্য জনের পঞ্জাবি রীতিনীতি মেনে।”

    এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশের উচ্চবিত্ত মানুষজনের মধ্যে বেশ কয়েক বছর ধরেই বিদেশে গিয়ে বিয়ে করার চল। তবে এখন মধ্যবিত্ত এবং উচ্চমধ্যবিত্তওরাও বিদেশে যাচ্ছেন বিয়ে সারতে। আমরা কিন্তু এখনও এই দিকে কাজ করছি না। কয়েকটি জায়গায় অবশ্য এই নিয়ে টুকটাক কাজ চলছে। তবে আমাদের ভাবনা আরও বড় করতে হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Virat-Anushka: বৃন্দাবন, হৃষীকেশের পর এবার মহাকালেশ্বর মন্দির, জ্যোতির্লিঙ্গে পুজো দিলেন বিরাট-অনুষ্কা

    Virat-Anushka: বৃন্দাবন, হৃষীকেশের পর এবার মহাকালেশ্বর মন্দির, জ্যোতির্লিঙ্গে পুজো দিলেন বিরাট-অনুষ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই ভারত-অস্ট্রেলিয়ার চতুর্থ টেস্ট ম্যাচ৷ তার আগেই সস্ত্রীক উজ্জয়িনীর মহাকাল জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দিরে গেলেন বিরাট কোহলি (Virat-Anushka)। বিরাটের পরনে ছিল ধুতি, গেঞ্জি, গলায় রুদ্রাক্ষের মালা, আর অনুষ্কা পরেছেন বেবি পিঙ্ক রংয়ের শাড়ি। মন্দিরের ঠাকুরের মন্দিরের চৌকাঠে বসে ছিলেন দুজনেই। তাঁদের সেই মন্দির দর্শনের ছবি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়ের বেগে ভাইরাল হচ্ছে।



    ব্যাটে রানের খরা বিরাটের

    টেস্ট ক্রিকেটে ফর্মে নেই বিরাট কোহলি। ২০১৯ সালের পর থেকে তিনি আর টেস্ট ক্রিকেটে রান পাননি। ২০২২ সালে সাদা বলের ক্রিকেটে তিনি রানে ফেরার পর আশা করা হয়েছিল টেস্টে তাঁকে চেনা ছন্দে দেখা যাবে। কিন্তু তা হয়নি। তিনটে টেস্টেই তিনি ব্যর্থ হলেন, তাঁর ব্যাট থেকে হাফ সেঞ্চুরি আসেনি। আর এই তৃতীয় টেস্টে হারের পরই উজ্জয়িনের মহাকালেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দিরে গেলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী অনুষ্কা শর্মা। তিনি সেখানে গিয়ে বাবা মহাকালের ভষ্ম আরতিতে যোগ দেন। ম্যাচ হারের পরের দিনই মহাকালেশ্বর মন্দিরে যাওয়াটা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।

    অনুষ্কা কী বললেন?

    অনুষ্কা সংবাদমাধ্যমে বলেন, “আমরা এখানে মহাকাল মন্দিরে প্রার্থনা জানাতে এবং দর্শনের জন্য এসেছি।” মহাকাল মন্দিরে তাঁরা যে প্রার্থনা জানাতে গিয়েছিলেন সেখানকার একাধিক ভিডিও এবং ছবি ভাইরাল হয়েছে। তাঁদের মন্দিরের দরজার কাছে অন্যান্য ভক্তদের সঙ্গে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে এই ভিডিওতে (Virat-Anushka)। এদিন মন্দির চত্বরে বিরুষ্কাকে দেখতে অনুরাগীরা ভিড়ও করেছিলেন।

    প্রসঙ্গত, এবছরের শুরুতেও বিরুষ্কা তাঁদের মেয়ে ভামিকার সঙ্গে ঋষিকেশ এবং বৃন্দাবনও গিয়েছিলেন। বৃন্দাবনে থাকাকালীন, তাঁরা বাবা নিম করোলির আশ্রমেও গিয়েছিলেন৷ পাশপাশি, ঋষিকেশেও তাঁরা স্বামী দয়ানন্দ আশ্রম দর্শনে গিয়েছিলেন৷ তবে এবার মন্দিরে যাওয়ার কারণ নিয়েই চর্চা শুরু হয়েছে (Virat-Anushka)।

    ৯ মার্চ পরবর্তী ম্যাচে নামবে ভারত। আহমেদাবাদে সেই টেস্টে জিততে না পারলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে প্রবেশ করতে পারবে না ভারত। ফলে পরের ম্যাচটা জিততেই হবে। আর তাই বিরাট মন্দির গিয়েছেন প্রার্থনা করতে, এমনটাই ধারণা অধিকাংশের। এবার এটাই দেখার পরবর্তী ম্যাচে বিরাটকে নিজের ছন্দে দেখা যায় কিনা (Virat-Anushka)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Suvendu Adhikari: মমতা সরকার স্বৈরাচারী! কংগ্রেস নেতার গ্রেফতারের প্রতিবাদে মুখর শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: মমতা সরকার স্বৈরাচারী! কংগ্রেস নেতার গ্রেফতারের প্রতিবাদে মুখর শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মুখর হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বগটুই গণহত্যা, আনিস খান খুন কিংবা পুরুলিয়ার ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের ইস্যুর মতোই কৌস্তভ বাগচীর গ্রেফতারির প্রতিবাদে রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতার বাইরে বেরিয়ে আন্দোলন জোরদার করার ডাক দিলেন শুভেন্দু।

    শুভেন্দু যা বললেন

    শুভেন্দু বলেন, ‘সম্প্রতি মমতা সরকারের দুর্নীতি, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যে কয়েকজন যুবক সোচ্চার হয়েছেন তাঁদের মধ্যে কৌস্তভ অন্যতম। তাঁর দ্রুত মুক্তির দাবি করি। পুলিশ যে কায়দায় রাত তিনটের সময় ওঁর বাড়িতে গিয়ে হামলা চালিয়েছে তার প্রতিবাদ করছি। আমরা সোচ্চার হব।’ একই সঙ্গে কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘‘কংগ্রেসকে স্মরণ করাতে চায়, ২০২১ সালে নন্দীগ্রামের জনগণ যখন আমাকে সামনে রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিল, তার পরে ভবানীপুরের উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কম্পার্মেন্টাল চিফ মিনিস্টার হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা করেছিলেন, এমএলএ হওয়ার জন্য, মুখ্যমন্ত্রীত্ব পদ বাঁচানোর জন্য৷ তখন এই প্রদেশ কংগ্রেস প্রকাশ্যে প্রার্থী না দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন ঘোষণা করেছিল৷ সঠিক সময়ে তৃণমূল নেত্রী কংগ্রেসকে সেই প্রতিদান ফিরিয়ে দিচ্ছেন!’’

    কেন গ্রেফতার কৌস্তভ

    উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি উপনির্বাচনে কংগ্রেসের জয়ের পরে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর আত্মহত্যা এবং তাঁর গাড়িচালকের মৃত্যু নিয়ে ‘অনেক কথা’ জানেন, বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার জেরেই শুক্রবার পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করেন কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী। সেখানে তিনি তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন আমলা দীপক ঘোষের একটি বইয়ের প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে ‘ব্যক্তি আক্রমণ’ করেন বলে অভিযোগ। এরপরই শুক্রবার গভীর রাতে কৌস্তভের ব্যারাকপুরের বাড়িতে বড়তলা থানার পুলিশ গিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে।

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েতে ভোট দেবে না কালনার এই আদিবাসী গ্রাম, কেন জানেন?

    কৌস্তভের পাশে থাকার কথা বললেও এ প্রসঙ্গে শুভেন্দুর দাবি, ‘‘কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতা কপিল সিব্বল এবং মনু সিংভি যেভাবে প্রতিদিন মমতার সরকারকে সাহায্য করছেন, ঠিক একইভাবে কৌস্তভ বাগচীকেও নিজেদের সহকর্মী হিসেবে তাঁরা সাহায্য করবেন, দ্রুত জামিনের বিষয়ে লড়বেন এটা আমি ওনাদের কাছে আশা করব৷’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share