Blog

  • Home Minister: বাংলা নববর্ষে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে আসছেন অমিত শাহ! জোরদার করা হল নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    Home Minister: বাংলা নববর্ষে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে আসছেন অমিত শাহ! জোরদার করা হল নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ এপ্রিল, শনিবার বাংলা নববর্ষ। দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হবে। ওইদিনই মন্দিরে পুজো দিতে আসছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (Home Minister) অমিত শাহ। ভিভিআইপি-র নিরাপত্তা আর ভক্তদের ভিড় সামাল দিতে প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতি তুঙ্গে। এমনিতেই তীব্র দাবদাহে হাঁসফাঁস অবস্থা। তাপমাত্রা লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে এখন ৪০ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছে। এই গরমের মধ্যে ভক্তরা যাতে সুষ্ঠুভাবে পুজো দিতে পারেন তারজন্য সবরকম উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মন্দিরের অছি পরিষদের সম্পাদক কুশল চৌধুরী বলেন, সকাল পাঁচটায় মন্দিরের গেট খুলে দেওয়া হবে। গরমের জন্য নিয়মিত মন্দির চত্বরের চাতালে জল দেওয়া হবে। তাড়াতাড়ি পুজো দিয়ে ভক্তরা যাতে বাড়ি ফিরে যেতে পারেন, তার ব্যবস্থা করা হবে।

    মন্দিরের পুজো দিতে কখন আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী(Home Minister)?

    লক্ষাধিক ভক্ত এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (Home Minister) পুজো দিতে আসবেন বলে নিরাপত্তার বিষয়টি পুলিশ কমিশনারেটের কর্তারা মন্দিরে এসে খতিয়ে দেখে যান। জানা গিয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (Home Minister) বেলা ১০টা নাগাদ আসবেন। সেই সময় মন্দির সাধারণ ভক্তদের জন্য কিছুক্ষণ বন্ধ রাখা হবে। ফলে, তার আগেই বেশিরভাগ ভক্ত যাতে পুজো দিতে পারেন তার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, ভিভিআইপি-র জন্য নিরাপত্তা অনেকটাই জোরদার করা হয়েছে। মন্দিরের কর্মকর্তাদের অনুরোধ, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সকাল সকাল ভক্তরা পুজো দিয়ে বাড়ি ফিরে যান।

    বাংলা নববর্ষে মন্দিরে বিশেষ কী পুজো হবে?

    মন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে মঙ্গলারতি দিয়ে পুজোর সূচনা হবে। সারাদিন জুড়ে নিয়মমাফিক পুজোর পাশাপাশি এদিন বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হবে। হালখাতার বিশেষ পুজো হবে। আর এই পুজো করাতেই হাজার হাজার ভক্ত লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। এবারও গরমে যাতে সমস্যা না হয় তারজন্য ঘণ্টায় ঘণ্টায় মেঝেতে জল সরবরাহ করা হবে। ভোর থেকে মায়ের কাছে পুজো দেওয়ার জন্য মন্দিরের গেট খুলে দেওয়া হয়। মন্দিরের অছি পরিষদের সম্পাদক কুশল চৌধুরী আরও বলেন, লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম হবে। তারজন্য প্রচুর স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করা হবে।

    ভিড় সামাল দিতে কী কী করা হচ্ছে?

    পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভিড় সামাল দিতে দক্ষিণেশ্বর স্টেশনের মুখে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন থাকবে। সেখানে দড়ি দিয়ে ভক্তদের আটকে দফায় দফায় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্কাইওয়াকের নীচ থেকে লাইন দিয়ে হাজার হাজার ভক্ত মন্দিরের দিকে যাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কোনও যানবাহন মন্দিরের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না। মন্দিরে যাতায়াতের একাধিক জায়গায় জলের কাউন্টার করা হবে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ এই দিনে ফি বছর স্নানের ঘাটে ভক্তদের ভিড়ে তিল ধারনের জায়গা থাকে না। সেখানে এবারও বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। মন্দিরের ভিতরে ঢোকার মুখে একাধিক বাঁশের ব্যারিকেড করা হবে। ভক্তদের সেই ব্যারিকেডের ভিতর দিয়ে গিয়ে মন্দিরে পুজো দিতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Covid-19: শহরে করোনা আক্রান্তের মৃত্যু! ভিড় এড়িয়ে চলার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

    Covid-19: শহরে করোনা আক্রান্তের মৃত্যু! ভিড় এড়িয়ে চলার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে প্রখর দাবদাহ, অন্যদিকে করোনা (Covid-19)—সাঁড়াশি আক্রমণে নববর্ষের প্রাক্কালে সাধারণ মানুষের নাভিঃশ্বাস ওঠার উপক্রম। কোভিড সংক্রামিতের সংখ্যা বাড়ছে দেশে। বাদ নেই পশ্চিমবঙ্গও। নতুন বছরের গোড়ার দিকে করোনা নিয়ে তেমন ভ্রুক্ষেপ ছিল না কারও। কারণ, এই রোগে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর খবর সামনে আসেনি। তবে আবার উদ্বেগ বাড়ল এক করোনা রোগীর মৃত্যু ঘিরে। 

    কলকাতায় মৃত্যু

    কলকাতার রিজেন্ট পার্কের বাসিন্দা ভাস্কর দাস (৭৬) করোনায় (Covid-19) সংক্রামিত হয়েছিলেন। তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল বাঘাযতীনের এক বেসরকারি হাসপাতালে। সোমবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়। ওই দিনই বৃদ্ধর কোভিড টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আজ সকালে তিনি মারা যান। পরিবারের লোকজনের দাবি, তিনি উত্তরবঙ্গ বেড়াতে গিয়েছিলেন। তার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮ জন। তার মধ্যে কলকাতায় ১৭ জন। দিন কয়েক আগেও দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ষাটের ঘরে পৌঁছে গিয়েছিল। সেদিক থেকে এটাই ইতিবাচক যে, সংক্রামিতের সংখ্যা কমছে। তবে এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ৩৭০। তার মধ্যে কেউ বাড়িতে থেকে কেউ বা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনকও।

    আরও পড়ুন: কলকাতা-সহ সাত জেলায় জারি তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা! বৃষ্টি নিয়ে কী পূর্বাভাস?

    বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরামর্শ

    গতকালই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, একদিনে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৮৩০ জন। বুধবার দিল্লিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজারের গণ্ডি পার করেছে। গত সাত মাসে এটাই সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ মানুষ অনেকটাই বেপরোয়া হয়ে ওঠায় করোনা নতুন করে মাথা চাড়া দিয়েছে। ভিড় এলাকায় অনেকেই মাস্ক ব্যবহার করছেন না। ফলে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে দ্রুত। শুধু তাই নয়, আম জনতার করোনার টিকা নেওয়ার প্রতি অনীহা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। করোনার (Covid-19) বাড় বাড়ন্তের পিছনে সেটাও একটা বড় কারণ। চিকিৎসকদের একাংশের মতে, করোনা সবচেয়ে বিপজ্জনক বয়স্ক ও শিশুদের পক্ষে। তাই যাঁরা গুরুতর রোগে আক্রান্ত, তাঁদের অবিলম্বে তৃতীয় বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। বিভিন্ন মহলে করোনা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে ঠিকই, তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মত, রাজ্যে করোনার যে ভ্যারিয়েন্ট ধরা পড়েছে, তা হল ওমিক্রন XBB.1.16। যা মানুষের শরীরে দীর্ঘদিন বাসা বেঁধে থাকতে পারছে না। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চললে দিন পনেরোর মধ্যে রোগী সুস্থ হয়ে উঠছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: কলকাতা-সহ সাত জেলায় জারি তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা! বৃষ্টি নিয়ে কী পূর্বাভাস?

    Weather Update: কলকাতা-সহ সাত জেলায় জারি তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা! বৃষ্টি নিয়ে কী পূর্বাভাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা বছর পড়েনি। খাতায় কলমে গরম কাল শুরুও হয়নি। বৈশাখের আগমন বার্তা (Weather Update) দিচ্ছে চৈত্র। শেষ চৈত্রেই ভাজাভাজা হচ্ছে বাংলা। সকাল থেকে অস্বস্তির আবহাওয়া রাজ্য জুড়ে। আবহাওয়া দফতরের তরফে এদিন কলকাতা-সহ সাত জেলায় তাপপ্রবাহের (Heatwave) সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। এক্ষেত্রে শুকনো গরম হাওয়া বইবে। রাজ্যের কোথাও কোনও রকমের বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। 

    তাপপ্রবাহের সর্তকতা

    বৃহস্পতিবার সকালে দেওয়া আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ থেকে কলকাতায় তাপপ্রবাহের সর্তকতা জারি করা হল। কলকাতার পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় তাপপ্রবাহের এলার্ট জারি করা হয়েছে। কাল অর্থাৎ শুক্রবার এবং পরশু অর্থাৎ শনিবার (পয়লা বৈশাখ) এই জেলা গুলি সহ দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় তাপ প্রবাহের সর্তকতা জারি হয়েছে। মালদা ও উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে কাল ও পরশু তাপ প্রবাহের সর্তকতা। আগামী পাঁচদিন বৃষ্টির কোন সম্ভাবনা নেই। তাপমাত্রা ক্রমশ আরও বাড়বে। আগামী তিন দিন হিমালয় সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের সমতল এলাকার তাপমাত্রা আরও ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গে পারদ চড়বে ৪ ডিগ্রির বেশি। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমে লু বইবার আশঙ্কা। 

    আরও পড়ুন: আজ নীল ষষ্ঠী, কেন এই ব্রত পালন করা হয়? জানুন এর মাহাত্ম্য

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আজ কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৮ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। আজ কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রির আশপাশে থাকবে।

    এগিয়ে আসছে গরমের ছুটি

    গ্রীষ্ম কাটতে এখনও প্রায় দুমাস সময় রয়েছে। তার মধ্যে গরম এমনই নখদাঁত বের করেছে যে বেলা সামান্য বাড়তেই রাস্তা থেকে ঘরে ঢুকে পড়ছেন মানুষজন। পরিস্থিতি দেখে তড়িঘড়ি বাচ্চাদের স্কুল সকালে করার কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি গরমের ছুটিও এগিয়ে আনা হয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী ২ মে থেকেই গরমের ছুটি পড়তে চলেছে স্কুলগুলিতে। সেক্ষেত্রে কার্যত মে মাসের শুরু থেকেই গরমের ছুটির সুযোগ মিলছে পড়ুয়াদের। উল্লেখ্য, গত বছরও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ২ মে তারিখে এগিয়ে আনা হয়েছিল ছুটি। বৃহস্পতিবার এই মর্মে সরকারি নির্দেশিকা জারি হতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: অনুব্রতর গড়ে কাজল-কেরিমকে কড়া বার্তা দিলেন সুকান্ত! কী বললেন?

    Sukanta Majumdar: অনুব্রতর গড়ে কাজল-কেরিমকে কড়া বার্তা দিলেন সুকান্ত! কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  “পঞ্চায়েত ভোটে কোন কর্মীর গায়ে যদি হাত পরে, সেই হাতের ব্যবস্থা হবে।”  বুধবার বীরভূমের লাভপুরের সভা থেকে হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মূলত অনুব্রতহীন প্রথম পঞ্চায়েত ভোট হতে চলেছে এই রাজ্যে। কেষ্টর জেলযাত্রার পর এখন কাজল শেখের ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়েছে। তাঁকে তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য করা হয়েছে। কেরিম খানও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। এই সব নেতা পঞ্চায়েত ভোটে সন্ত্রাস করতে পারে। তাই, এদিনের সভা মঞ্চ থেকে তৃণমূলের দাপুটে নেতা কাজল শেখ ও জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কেরিম খানের নাম করে হুঁশিয়ারি দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) । তিনি বলেন,”যদি ইট মারেন পাথর কিন্তু খেতে হবে। পঞ্চায়েত ভোটে আমাদের কোন কর্মীর গায়ে যদি হাত পরে সেই হাতের ব্যবস্থা ভারতীয় জনতা পার্টি করবে, সুকান্ত মজুমদার করবে।  কাজল শেখ ও কেরিম খানই হোক, তার ব্যবস্থা করা হবে। ভয় পাবেন না।”

    মিড ডে মিলের দুর্নীতি নিয়ে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    মিড ডে মিলের দুর্নীতি নিয়েও বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) সরব হন। তিনি বলেন, ১০০ কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। আর সেই টাকা তৃণমূল নেতাদের পকেটে ঢুকেছে। কেন্দ্রীয় সরকার পড়ুয়া পিছু ৬ টাকা করে বরাদ্দ করে। এই রাজ্যেও সেই টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। তাতে দেখা যাচ্ছে কয়েক কোটি পড়ুয়ার নাম বেশি করে দেখানো হয়েছে। রাজ্যের পাঠানো সেই ভুয়ো তালিকা পিছু পড়ুয়াদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে টাকা পাঠানো হয়েছে। কিন্তু, সেই টাকা স্কুলে যায়নি। তৃণমূল নেতাদের পকেটে ঢুকেছে। আর কেন্দ্রীয় টিম রাজ্যে আসার পরও এই দুর্নীতির বিষয়টি সামনে এসেছে।

    লাভপুর থানার ওসিকে কি বললেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    এদিন লাভপুরে সতীর একান্ন পীঠের অন্যতম ফুল্লরাতলা মন্দিরের সামনে থেকে মিছিল করেন সুকান্ত মজুমদার। মিছিলে কর্মী সমর্থকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। পরে, লাভপুর বাসস্ট্যান্ডে সভায় তিনি বক্তব্য রাখেন। ব্যাঙ্গ করে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “আগে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্য লোকে শান্তিনিকেতন দেখতে আসতেন। এখন পর্যটক বেড়ে গিয়েছে। অপা দেখতে পর্যটকেরা আসে। তৃণমূল নেতাদের কচি কচি গার্লফ্রেন্ড। বুড়ো বুড়ো নেতা কচি কচি গার্লফ্রেন্ড। সেই নেতারা গার্লফ্রেন্ডদের জন্য বাগান বাড়ি বানিয়ে রেখেছে।”এরপরেই লাভপুর থানার ওসিকে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তিনি বলেন, “ওসি তৃণমূল নেতায় পরিণত হয়েছে। বালির টাকা খাচ্ছে। প্যান কার্ডের নম্বরটা যদি ইনকাম ট্যাক্সকে দিই, হিসাব দিতে পারবেন তো।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nil Sasthi: আজ নীল ষষ্ঠী, কেন এই ব্রত পালন করা হয়? জানুন এর মাহাত্ম্য

    Nil Sasthi: আজ নীল ষষ্ঠী, কেন এই ব্রত পালন করা হয়? জানুন এর মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিন পালিত হয় নীল ষষ্ঠী (Nil Sasthi)। এদিন অবশ্য ষষ্ঠী তিথি নয়। পুজো হয় না মা ষষ্ঠীরও। তা সত্ত্বেও পালিত হয় নীল ষষ্ঠী। পুজো হয় দেবাদিদেব মহাদেবের (Lord Shiva)। মা ষষ্ঠী মা দুর্গারই এক রূপ। বছরভর নানাভাবে তাঁকে আমরা পুজো করি। মূলত সন্তানের মঙ্গল কামনায় পুজিত হন দেবী ষষ্ঠী। দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী, জামাই ষষ্ঠী, অশোক ষষ্ঠী এই সব দিনে পুজো হয় মা ষষ্ঠীর। এক মাত্র নীল ষষ্ঠীর দিন পুজো হয় মহাদেবের।

    নীল ষষ্ঠী (Nil Sasthi) ব্রত…

    পুরাণ অনুসারে, এই দিনেই মহাদেবের সঙ্গে বিয়ে হয় নীল চণ্ডিকার। মহাদেবের আর এক নাম নীলকণ্ঠ। সব মিলিয়ে এই দিনটি নীল ষষ্ঠী নামেই খ্যাত। এদিন মহাদেবের পাশাপাশি দেবী দুর্গারও পুজো হয়ে থাকে। সন্তান লাভের আশায় এবং সন্তানের মঙ্গল কামনায় অনেকেই নীল ষষ্ঠীর ব্রত করেন। ধন-সম্পদের পাশাপাশি সাংসারিক সুখের আশায়ও অনেকে এই ব্রত (Nil Sasthi) করেন। ব্রতের আগের দিন নিরামিষ খাবার খান ব্রতীরা। পরের দিন সকাল থেকে শুরু হয় নির্জলা উপোস। রাতে শিবের মাথায় জল ঢেলে, পুজো শেষে প্রসাদ গ্রহণ করেন ব্রতীরা। তার পরেই ভঙ্গ হয় ব্রত।

    এ বছর নীল ষষ্ঠী পুজো হবে ১৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। শিবরাত্রিতে যেমন এক রাতে চারবার পুজো হয় মহাদেবের, নীল ষষ্ঠীর দিন তা নয়। এদিন পুজো হবে একবারই। এদিন শিবের সঙ্গে সঙ্গে পুজো হয় দেবী দুর্গারও। যাঁরা মৃতবৎসা তাঁরাও সন্তান কামনায় এদিন ভক্তি ভরে ব্রত করেন নীল ষষ্ঠীর।

    শিবের প্রিয় ফুল ধুতরা, আকন্দ, কলকে এবং অপরাজিতা। এই ফুলগুলির সঙ্গে অবশ্যই দিতে হবে বেলপাতা। শিবের আর এক নাম পঞ্চানন। তাঁর পাঁচটি মুখ। সেই কারণে শিবলিঙ্গের মাথায় যে ফল অর্পণ করা হয়, তা প্রসাদ হিসেবে ভক্ষণ করতে নেই। লোকবিশ্বাস, এই মুখেই গরল পান করে নীলকণ্ঠ হয়েছিলেন দেবাদিদেব (Nil Sasthi)। তবে থালায় যেসব ফলমূল শিবকে নিবেদন করা হয়, সেই প্রসাদ ভক্ষণ করা হয়। এদিন শিবের মাথায় দুধ, গঙ্গাজল ঢালা হয়। কেউ কেউ অবশ্য মধু দিয়েও স্নান করান শিবকে।

     

  • Sukanya Mondal: পেটে ব্যথা! ফের ইডির তলব এড়ালেন কেষ্ট-কন্যা, কী প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর?

    Sukanya Mondal: পেটে ব্যথা! ফের ইডির তলব এড়ালেন কেষ্ট-কন্যা, কী প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ইডির (ED) তলব এড়ালেন তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল (Sukanya Mondal)। বুধবার দিল্লিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল কেষ্ট-কন্যাকে। তবে গত দুবারের মতো এবারও হাজিরা এড়ালেন সুকন্যা। কারণ হিসেবে তিনি পেটে ব্যথার কথা বলেছেন। প্রসঙ্গত, এ নিয়ে তিন-তিনবার ইডির ডাক এড়ালেন সুকন্যা। গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত। বর্তমানে তিহাড় জেলে রয়েছেন এই তৃণমূল নেতা। অনুব্রতর সম্পত্তি সংক্রান্ত খোঁজখবর নিতে সুকন্যাকেও দিল্লিতে তলব করে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, পিতা-পুত্রীকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে। তাই তলব করা হয়েছিল কেষ্ট-কন্যাকে।

    সুকন্যা মণ্ডল (Sukanya Mondal)…

    প্রথমবার তলব করা হলে আইনজীবী মারফত চিঠি দিয়ে সুকন্যা (Sukanya Mondal) কিছু দিন সময় চেয়েছিলেন। ফের তাঁকে ডেকে পাঠানো হয় মার্চ মাসে। সেবারও হাজিরা এড়ান সুকন্যা। বুধবারও দিল্লিতে ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন কেষ্ট-কন্যা। যদিও বর্তমানে বীরভূমের নিচুপট্টির বাড়িতেই রয়েছেন সুকন্যা। অনুব্রত ঘনিষ্ঠদের দাবি, পেটের ব্যথায় ভুগছেন সুকন্যা। সুকন্যা ইডির তলব এড়ালেও অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী সুব্রত হাজরা ওরফে ডালিম বুধবার দিল্লি পৌঁছে গিয়েছেন। তাঁকেও তলব করেছিল ইডি। তদন্তকারীদের অনুমান, গরু পাচারের টাকা লগ্নি করা হয়েছে পেশায় প্রোমোটার ডালিমের নির্মাণ শিল্পেও। সেই কারণেই ডাকা হয়েছে ডালিমকে।

    আরও পড়ুুন: রোজগার মেলায় ফের ৭১ হাজার নিয়োগপত্র বিলি করবেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে, সুকন্যা (Sukanya Mondal) ইডির তলব এড়ানোয় তাঁকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, উনি বাবার সঙ্গে থাকতে চান, তাই এ সব করছেন। বুধবার উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের জনসভায় যোগ দিতে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, আইন আইনের পথে চলবে। হাজিরা এড়ালে তদন্তকারী সংস্থা যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবে। আমার মনে হচ্ছে, বাবার সঙ্গে এক সঙ্গে থাকতে চান। তাই এসব করছেন।

    প্রসঙ্গত, গত বছর অগাস্ট মাসে গ্রেফতার হন অনুব্রত। তার পরে পরেই মণ্ডল পরিবারের সম্পত্তি সংক্রান্ত খোঁজখবর নিতে সুকন্যাকে (Sukanya Mondal) দিল্লিতে ডেকে জেরা করে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার দাবি, মণ্ডল পরিবারের বিপুল সম্পত্তি সম্পর্কে সুকন্যার কাছে প্রশ্ন করা হলে তিনি সদুত্তর দেননি। তিনি জানিয়েছিলেন, ওই সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন তাঁরা বাবা ও হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: ঐতিহাসিক মুহূর্ত! গঙ্গার নিচ দিয়ে ছুটল মেট্রো, যাত্রীদের জন্য খুলছে কবে?

    Kolkata Metro: ঐতিহাসিক মুহূর্ত! গঙ্গার নিচ দিয়ে ছুটল মেট্রো, যাত্রীদের জন্য খুলছে কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বপ্ন সত্যি হল। ইতিহাস সৃষ্টি করল কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro)। নববর্ষের প্রাক্কালে কলকাতা মেট্রোর মুকুটে জুড়ল নয়া পালক। কথায় আছে, ‘মঙ্গলে ঊষা বুধে পা, যথা ইচ্ছা তথা যা’। সেই বুধবারই মেট্রো ছুটল পবিত্র গঙ্গার নিচ দিয়ে। সারা দেশের মধ্যে কলকাতা মেট্রোই যেমন প্রথম ভূগর্ভস্ত রেলপথ, তেমনি নদীর নিচে দিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও সেই প্রথম হওয়ার শিরোপাটাই তারা ধরে রাখল। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা এবং টানটান উত্তেজনারও অবসান ঘটল।

    কীভাবে হল এই অসাধ্য সাধন?

    রেক নম্বর এম আর-৬১২। সময় বুধবার বেলা ১১ টা ৫৫ মিনিট। এই মাহেন্দ্রক্ষণেই গঙ্গা পার হল মেট্রো। মেট্রোপথে জুড়ল দুটি শহর। ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে ওই রেকে ছিলেন মেট্রো রেলের (Kolkata Metro) জেনারেল ম্যানেজার পি উদয়কুমার রেড্ডি। তাঁর সঙ্গী মেট্রো এবং কেএমআরসিএল-এর অন্যান্য পদস্থ কর্তারা। মহাকরণ থেকে গঙ্গার নিচ দিয়ে ট্রেন পৌঁছল হাওড়া ময়দানে। হাওড়া স্টেশনে পৌঁছনোর পর পুজো দিলেন জেনারেল ম্যানেজার রেড্ডি। পরে এম আর-৬১৩ নম্বর রেককেও একইভাবে নিয়ে যাওয়া হয় হাওড়া ময়দানে। 

    সাত মাস চলবে ট্রায়াল রান

    এই ঘটনাকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত আখ্যা দিয়ে জেনারেল ম্যানেজার জানান, আপাতত সাত মাস এসপ্লানেড থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত চলবে ট্রায়াল রান। তারপরই নিয়মিত মেট্রো (Kolkata Metro) চলাচল শুরু হবে। 

    নববর্ষের উপহার

    মেট্রো রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, বহু বাধা-বিঘ্ন পেরনোর পরেই এই সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। কলকাতা ও শহরতলির যাত্রীদের কাছে অত্যাধুনিক পরিবহণ ব্যবস্থা পৌঁছে দিতে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এটি নিঃসন্দেহে বাংলার মানুষের কাছে রেলের পক্ষ থেকে নববর্ষের উপহার।
    মেট্রো রেলের (Kolkata Metro) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৪.৮ কিলোমিটার ভূগর্ভস্ত পথে ট্রায়াল রান শুরু হবে খুব শীঘ্রই। বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে এই বছরের মধ্যেই। যাত্রাপথ খুলে গেলে হাওড়াই হবে গভীরতম স্টেশন, যা ভূপৃষ্ঠ থেকে তেত্রিশ মিটার নিচে। গঙ্গার নিচে ৫২০ মিটার পথ পেরতে মেট্রো সময় নেবে ৪৫ সেকেন্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sanjay Dutt: শ্যুটিংয়ে বোমা ফেটে আহত অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত! কেমন আছেন তিনি?

    Sanjay Dutt: শ্যুটিংয়ে বোমা ফেটে আহত অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত! কেমন আছেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুটিং চলাকালীন আচমকাই সেটে বোমা ফেটে আহত হলেন অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত (Sanjay Dutt)। সূত্রের খবর, বেঙ্গালুরুর কাছেই সঞ্জুবাবা একটি কন্নড় ছবির শ্যুটিং করছিলেন। সেটেই আচমকা বিস্ফোরণ হয়। ঘটনায় হাতে, মুখে এবং কনুইয়ে আঘাত লাগে অভিনেতার। দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায় ছবির কাজ।

    অ্যাকশন দৃশ্যের সময় বিপত্তি

    বর্তমানে দক্ষিণী ছবির শুটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছে অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। বেশ কয়েকটি ছবির কাজ করছেন একসঙ্গেই। তারই মাঝে ঘটল বিপত্তি। এদিন শিডিউল শুটের জন্য ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা। কন্নড় ছবি ‘কেডি’-র সেটে ঘটে এই দুর্ঘটনা। ছবির অ্যাকশন সিক্যুয়েন্সে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা। অধিকাংশ সময়ই তাঁকে অ্যাকশন দৃশ্যে নজর কাড়তে দেখা যায়। দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন কেজিএফ ২-তে। ফাইট মাস্টার রবি বর্মার উপস্থিতিতেই চলছিল এই দৃশ্যের শুটিং। এমনই সময় হঠাৎই একটি বোমা ফেটে যায়, যা শুটের কাজে ব্যবহারের জন্য রাখা ছিল। তখনই একটি বিস্ফোরণের দৃশ্যের সময় বোমাটি একেবারে অভিনেতার সামনেই ফেটে যায়। 

    আরও পড়ুন: চালিয়ে খেলছে চৈত্র! জানেন হাঁসফাঁস গরমে সুস্থ থাকতে কী কী করবেন?

    কন্নড় ছবি ‘কেডি- দ্য ডেভিল’-এ মূল অ্যান্টাগোনিস্টের ভূমিকায় দেখা যাবে সঞ্জয় দত্তকে। ‘কেডি’ ছবির মাধ্যমে সর্বভারতীয় স্তরে পা রাখতে চলেছেন সঞ্জয় দত্ত। কন্নড় ছাড়াও তামিল, তেলুগু, মালয়ালম ও হিন্দি ভাষায় মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবি। এই নতুন ছবির মাধ্যমেই দীর্ঘদিন পর বড়পর্দায় কামব্যাক করছেন শিল্পা শেট্টি। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন ‘মার্টিন’ খ্যাত তারকা অভিনেতা ধ্রুব সারজা। এদিন সঞ্জয়ের আঘাত লাগার পর সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর আপাতত সুস্থ আছেন অভিনেতা। তবে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে নির্মাতারা জানান, সঞ্জয় সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠলেই আবার ছবির কাজ শুরু হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Police: ধৃত কলকাতা পুলিশের সেই এসিপি-র কাছ থেকে মিলল আবাসন দফতরের একাধিক জাল নিয়োগপত্র

    Kolkata Police: ধৃত কলকাতা পুলিশের সেই এসিপি-র কাছ থেকে মিলল আবাসন দফতরের একাধিক জাল নিয়োগপত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারের জাল লাইসেন্স দেওয়ার অভিযোগ ছিল ধৃত কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অফ পুলিশ (এসিপি) সোমনাথ ভটাচার্যের বিরুদ্ধে। এবার তাঁর হেফাজত থেকে মিলল আবাসন দফতরে গ্রুপ সি পদে একাধিক জাল নিয়োগপত্র। যা দেখে চক্ষু চড়কগাছ বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কর্তাদের। লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করার অভিযোগে ধৃত ওই পুলিশ অফিসারকে (Kolkata Police) জিজ্ঞাসাবাদ করে যে সব তথ্য পুলিশের হাতে এসেছে তা দেখে হতবাক বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কর্তারা।

    জাল নিয়োগপত্র উদ্ধার নিয়ে কী বললেন বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কর্তারা?

    এতদিন সোমনাথবাবু (Kolkata Police) পুলিশ হেফাজতে ছিলেন। বুধবারই তাঁকে ফের আদালতে তোলার কথা ছিল। কিন্তু, তাঁর আগে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। মঙ্গলবার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে। এতদিন এই পুলিশ অফিসারের (Kolkata Police) বিরুদ্ধে বারের লাইসেন্স, কলকাতা পুরসভায় চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা তোলার অভিযোগ ছিল। বারের জাল লাইসেন্স তৈরি করার অভিযোগও পুলিশ পেয়েছে। তবে, আবাসন দফতরের বিষয়টি একেবারেই আড়ালে ছিল। পুলিশ অফিসারের (Kolkata Police) বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে এই জাল নথিগুলি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। এই সব জাল নথি তৈরি করার পিছনেও টাকার লেনদেন হয়েছে। ফলে, আবাসন দফতরে চাকরি দেওয়ার নাম করেও তিনি অনেক টাকা তুলেছেন বলে কমিশনারেটের কর্তারা মনে করছেন। কাদের কাছে থেকে সেই টাকা তুলেছেন তা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। আর আবাসন দফতরের জাল নিয়োগপত্র কী করে তৈরি করলেন তা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ আধিকারিকরা জানার চেষ্টা করছে। তবে, এই সব কর্মকাণ্ডের পিছনে আরও অনেকে রয়েছে বলে পুলিশ কর্তাদের সন্দেহ। ইতিমধ্যেই সোমনাথবাবুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাগুইআটির একজনের নাম পুলিশ জানতে পেরেছে। এই সব লেনদেনে তার কী ভূমিকা ছিল তা পুলিশ জানার চেষ্টা করছে। আর আবাসন দফতরের কোনও আধিকারিক যুক্ত রয়েছে কি না তা পুলিশ যাচাই করছে। এমনিতেই ওই পুলিশ অফিসারের ফোনও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। তার কললিস্টে কাদের সঙ্গে নিয়মিত কথা হত তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক কর্তা বলেন, আবাসন দফতর ছাড়াও আর কোন কোন দফতরে জালিয়াতি করেছেন তা জানার চেষ্টা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ মিলে লোকসভায় দেড় লক্ষ বেশি ভোট পাব’, দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ মিলে লোকসভায় দেড় লক্ষ বেশি ভোট পাব’, দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ মিলে লোকসভায় দেড় লক্ষ বেশি ভোট পাব। বুধবার উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের জনসভায় এমনই দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, রায়গঞ্জ কোনওদিন তৃণমূলের ছিল না, আগেও ছিল না, এবারও থাকবে না। এর পরেই তিনি বলেন, রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ মিলে লোকসভায় দেড় লক্ষ বেশি ভোট পাব। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, বিজেপি ১৮টি লোকসভা আসন জেতার পরে তৃণমূলের (TMC) দোকান বন্ধ হয়েছিল। আমি বেরনোর পরে তৃণমূলের দোকান খুলেছিল। এজন্য ক্ষমা চাইছি। সম্প্রতি জাতীয় দলের মর্যাদা খুইয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল।

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন…

    এদিনের জনসভায় শুভেন্দু বলেন, পয়লা বৈশাখের আগে বাংলায়ই সীমাবদ্ধ হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূলের বিরুদ্ধে পরিবারতন্ত্র, তোষণের রাজনীতির তোপও দেগেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, পরিবারতন্ত্র, তোষণের রাজনীতি আর দুর্নীতিমুক্ত বাংলা গড়বে বিজেপি। এনআরসি নিয়ে তৃণমূল যে কেবল রাজনীতি করেছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তৃণমূলকে আক্রমণ শানিয়ে নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, এনআরসি নিয়ে আর ধাপ্পাবাজিতে যাবেন না। রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে অশান্ত হয়ে উঠেছিল হাওড়ার কাজিপাড়া, শিবপুর, হুগলির রিষড়া। কোথাও শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের লক্ষ্য করে ছোড়া হয় বোমা। কোথাও আবার অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। রিষড়ায় রেললাইনে ব্যাপক বোমাবাজি করা হয়। যার জেরে রাতে ঘণ্টা তিনেক ওই রুটে বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল।

    আরও পড়ুুন: ‘অতিচালাকি বরদাস্ত করা যাবে না’, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে কুন্তলের চিঠি নিয়ে মন্তব্য বিচারপতির

    ওই ঘটনার পর রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেছিলেন, একটা বিশেষ সম্প্রদায়কে তৃণমূল কংগ্রেস ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাল করে জানেন এই সম্প্রদায়ের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন তিনি করতে পারেননি। তাই ২০২১ সালে এনআরসির মিথ্যে ভয় দেখিয়ে তাঁদের ব্যাপক ভোট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন। এদিনের জনসভায় রামনবমীর শোভাযাত্রাকে ঘিরে অশান্তির প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, বাংলায় কেন এই অবস্থা? দায়ী কে? পরক্ষণেই তিনি বলেন, সাফ করতে হবে।

    গত বিধানসভা নির্বাচনে গণনাকেন্দ্রে ভোট লুঠ হয়েছে বলেও অভিযোগ শুভেন্দুর। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, এখানে মনোনয়ন হয়েছিল আশি ভাগ জায়গায়। গণনাকেন্দ্রে লুঠ হয়েছে। এই জেলায় জেলা পরিষদের ২৬টার মধ্যে আপনাদেরকে ২টো দেওয়া হয়েছে মাত্র। অথচ আপনারা জিতেছেন ৮-১০টায়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, পদ্মফুলের বান্ডিলকে জোড়াফুল দেখিয়ে এই জেলার গণতন্ত্র ধ্বংস করেছেন আগের জেলাশাসক আয়েশা রানি। আর এখন তৃণমূলকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন এই জেলার জেলাশাসক অরবিন্দ মিনা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share