Blog

  • Turkey Earthquake: বিপদের দিনে বন্ধুর পাশে, তুরস্ক-সিরিয়ায় আরও ত্রাণ পাঠাল ভারত

    Turkey Earthquake: বিপদের দিনে বন্ধুর পাশে, তুরস্ক-সিরিয়ায় আরও ত্রাণ পাঠাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার তুরস্ক- সিরিয়ায় (Turkey Earthquake) আরও ত্রাণ পাঠাল ভারত। প্রাণদায়ী ওষুধ এবং ত্রাণ নিয়ে সে দেশে উড়ে গিয়েছে সি-১৭ মিলিটারি ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট। এ নিয়ে ভারত থেকে সাত নম্বর বিমান ত্রান নিয়ে গেল সে দেশে। তুরস্কে ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে ২৮ হাজার। ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী একটি ফিল্ড হাসপাতাল তৈরি করেছে। হাতায়ে একটি স্কুল ভবনে ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাসপাতাল তৈরি করেছে। এই ৬০ পারা ফিল্ড হাসপাতালের কাজ শুরু করেছে। সেকেন্ড-ইন-কমান্ড লেফটেন্যান্ট কর্নেল আদর্শ জানান, “শনিবার পর্যন্ত ৩৫০ জন রোগী পেয়েছি এবং রবিবার সকাল থেকে ২০০ রোগী পেয়েছি।”

    এদিকে উদ্ধারকাজের (Turkey Earthquake) জন্য ভারত সরকার চালু করেছে ‘অপারেশন দোস্ত’। তার অধীনেই ভারতের বায়ুসেনা উদ্ধারকারী দল, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠায়। উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জামও রয়েছে তালিকায়।

    ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্ক 

    গত ৬ ফেব্রুয়ারি শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের জেরে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে তুরস্ক (Turkey Earthquake) এবং সিরিয়া। তুরস্কের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে প্রায় ছয় হাজার বাড়ি ভেঙে পড়েছে। বড় ভূমিকম্পের পর শতাধিক ছোট ছোট কম্পন অনুভূত হয় সে দেশে। ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজারের বেশি মানুষের।

    আরও পড়ুন: ১২৮ ঘণ্টার লড়াইয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার তুরস্কের ২ মাসের ‘বিস্ময় শিশু’  

    প্রথমবার রিখটার স্কেলে ৭.৮ কম্পন অনুভূত হয়। তারপর ৭.৬ ও তৃতীয়বার ৬.০। বড় ভূমিকম্পে পর পর তিনবার কেঁপে ওঠে দুই দেশ, তুরস্ক- সিরিয়া। তুরস্ক যে ভূমিকম্পের প্রাণঘাতী আক্রমণের জেরে কার্যত পরিণত হয়েছে মৃত্যুনগরীতে।

    ভূমিকম্পের (Turkey Earthquake) কেন্দ্রবিন্দু ছিল তুরস্কের গাজিয়ানটেপ এলাকা। এই এলাকায় সিরিয়া সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় প্রভাব পড়েছে সেখানেও। শুধু তুরস্ক বা সিরিয়াই নয়, প্রবল ভূমিকম্পের কেঁপে উঠেছে পার্শ্ববর্তী লেবানন, ইজরায়েলের মতো দেশও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Turkey Earthquake: ১২৮ ঘণ্টার লড়াইয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার তুরস্কের ২ মাসের ‘বিস্ময় শিশু’

    Turkey Earthquake: ১২৮ ঘণ্টার লড়াইয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার তুরস্কের ২ মাসের ‘বিস্ময় শিশু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৬ ফেব্রুয়ারি শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের জেরে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে তুরস্ক (Turkey Earthquake) এবং সিরিয়া। তুরস্কের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে প্রায় ছয় হাজার বাড়ি ভেঙে পড়েছে। বড় ভূমিকম্পের পর শতাধিক ছোট ছোট কম্পন অনুভূত হয় সে দেশে। ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজারের বেশি মানুষের। 

    এ নিয়ে দুই দেশে শোকের পরিবেশের মধ্যেও পাওয়া যাচ্ছে অলৌকিকভাবে বেঁচে থাকার খবর। তেমনই একটি ঘটনা ঘটেছে তুরস্কের (Turkey Earthquake) দক্ষিণে অবস্থিত হাতাইয়ে। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সে দেশে ধসে পড়া এক বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ১২৮ ঘণ্টা পর দু মাসের জীবিত শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে হাত তালি এবং উল্লাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত উদ্ধারকর্মী এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা।

    জারি রয়েছে উদ্ধারকাজ 

    প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করেও তুরস্কে (Turkey Earthquake) ভূমিকম্পের পাঁচ দিন পর শনিবার অনেককে জীবিত উদ্ধার করেন উদ্ধারকর্মীরা। সে দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে জানানো হয়, শনিবার উদ্ধার হওয়া লোকজনের মধ্যে দুই বছরের শিশু, ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ও ৭০ বছরের বৃদ্ধাও রয়েছেন।   

    তুরস্ক ও পার্শ্ববর্তী দেশ সিরিয়ায় আঘাত হানা ভুমিকম্পটির, রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৭.৮। এই ভূমিকম্পকে সবচেয়ে প্রাণঘাতী বলে উল্লেখ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০০৩ সালে ইরানে এক ভূমিকম্পে প্রাণ গিয়েছিল ৩১ হাজার মানুষের।

    আরও পড়ুন: কানাডার আকাশে ওড়া ‘রহস্যময় বস্তু’ গুলি করে নামাল মার্কিন ফাইটার জেট

    এই ভূমিকম্পের কারণে কেবল তুরস্কেই (Turkey Earthquake) মৃত্যু হয়েছে ২১ হাজার ৮৪৮ জনের। শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। আর সিরিয়ায় প্রাণ গিয়েছে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি মানুষের।

    বলা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনে এই ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে যেতে পারে ৫০ হাজার। ২০০৩ সালে ইরানে ভূমিকম্পের বলি হয়েছিলেন ৩১ হাজার মানুষ। অনেকের মতে, সেই নজিরও ভেঙে দিতে চলেছে তুরস্ক এবং সিরিয়া।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Ramesh Bais: পদত্যাগ কোশিয়ারির, মহারাষ্ট্রের নয়া রাজ্যপাল রমেশ বইস

    Ramesh Bais: পদত্যাগ কোশিয়ারির, মহারাষ্ট্রের নয়া রাজ্যপাল রমেশ বইস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদত্যাগ করলেন মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি। রবিবার তাঁর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্ম (Draupadi Murmu)। তাঁর বদলে মহারাষ্ট্রের নয়া রাজ্যপাল হিসেবে বেছে নেওয়া হল রমেশ বইসকে (Ramesh Bais)। কেবল মহারাষ্ট্র নয়, আরও ১১টি রাজ্যে নিয়োগ করা হচ্ছে নয়া রাজ্যপাল। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখের জন্য নতুন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ করেছেন রাষ্ট্রপতি। রবিবার সকালে মোট ১২টি রাজ্যের রাজ্যপাল বদলের নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি। এই দফায় যে রাজ্যগুলির রাজ্যপাল বদল হচ্ছে সেগুলি হল মহারাষ্ট্র, সিকিম, ঝাড়খণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, অসম, অন্ধ্রপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, মেঘালয় এবং বিহার। অরুণাচল প্রদেশের রাজ্যপাল শ্রী রাধাকৃষ্ণণ মাথুরকেও বদলি করে লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

    রমেশ বইস…

    তবে এ সবের মধ্যে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হল রমেশ বইসের (Ramesh Bais) নিয়োগ। তিনি ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল ছিলেন। রাজভবনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাজ্যপাল কোশিয়ারি এবার পড়াশোনা, লেখালিখি এবং অবসর জীবন যাপন করবেন বলে ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। কোশিয়ারি প্রবীণ আরএসএস নেতা। তিনি মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। পার্লামেন্টের দুই কক্ষের সদস্যও ছিলেন কোশিয়ারি। ২০১৯ সালে রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হয় তাঁকে। রাজ্যপাল হিসেবে কার্যকালে তাঁর সঙ্গে একাধিকবার উদ্ধব ঠাকরে সরকারের বিবাদ হয়। বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে নানা সময় খবরের শিরোনামে এসেছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: ‘রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার হাল বেহাল’, রাজ্যপালকে চিঠি সুকান্তের

    মহা বিকাশ আগাড়ি সরকারের পতনের পরেও একাধিকবার উদ্ধব ঠাকরে শিবিরের সঙ্গে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছিল কোশিয়ারির বিরুদ্ধে। মহারাষ্ট্রের নায়ক শিবাজিকে অবমাননার অভিযোগে তাঁর পদত্যাগও দাবি করেছিল শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে শিবির। প্রসঙ্গত, ওই সময় তিনি বলেছিলেন, শিবাজি পুরনো দিনের আইকন।  সপ্তাহ তিনেক আগে আচমকাই ট্যুইট করে অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত জানান মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল (Ramesh Bais)। তিনি লিখেছেন, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি, এটা আমার কাছে অত্যন্ত সম্মানের বিষয়। গত তিন বছরে আমি প্রচুর সম্মান পেয়েছি। মহারাষ্ট্রের মানুষ আমাকে যে ভালবাসা দিয়েছেন, তা ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু এবার রাজনৈতিক দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার সময় এসেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • US Jet: কানাডার আকাশে ওড়া ‘রহস্যময় বস্তু’ গুলি করে নামাল মার্কিন ফাইটার জেট

    US Jet: কানাডার আকাশে ওড়া ‘রহস্যময় বস্তু’ গুলি করে নামাল মার্কিন ফাইটার জেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কানাডার আকাশে ওড়া ‘অজ্ঞাত বস্তু’ গুলি করে নামাল কানাডা-মার্কিন সেনা (US Jet)। এর একদিন আগেই আলাস্কাতে একটি অজ্ঞাত বস্তু গুলি করে নামিয়েছিল আমেরিকা। এই নিয়ে এটি দ্বিতীয় ঘটনা। এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত এখনও তা জানা যায়নি। তবে জানানো হয়েছে, কানাডা এবং আমেরিকা এফ-২২ যুদ্ধবিমান উড়িয়ে অজ্ঞাত বস্তুটিকে গুলি করিয়ে নামায়। কানাডার প্রধানমন্ত্রী নিজে এই অজ্ঞাত বস্তু গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    কী জানা গেল? 

    উল্লেখ্য, এর আগে আমেরিকার আকাশে উড়তে দেখা গিয়েছিল একটি চিনা বেলুনকে। মিসাইল ছুড়ে সেই বেলুনকে নামায় মার্কিন সেনা (US Jet)। সেই বেলুন নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করে এক রিপোর্টে বলা হয়েছিল, ভারত ও জাপান-সহ বেশ কয়েকটি দেশকে নিশানা করেছে চিনের এই ‘গুপ্তচর’ বেলুন। এই আবহে ৪০টি ‘বন্ধুরাষ্ট্র’কে সতর্ক করেছিল আমেরিকা। প্রথম থেকেই অভিযোগ ছিল, হোয়াইট হাউজের গোপন তথ্য জানতে হানা দিচ্ছে চিনের গুপ্তচর বেলুন। আমেরিকার পর পর লাতিন আমেরিকার আকাশেও দেখা গিয়েছিল সেই বেলুনটি। এই পরিস্থিতিতে চিনের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে আমেরিকার। সেক্রেটারি অ্যান্টনি ব্লিনকেন তাঁর চিন সফর বাতিল করেছেন।

    একটি টুইট করেন কানাডার (US Jet) প্রধানমন্ত্রী। ট্যুইটে ট্রুডো লেখেন, ‘‘কানাডার আকাশে একটি অপরিচিত বস্তু উড়তে দেখে আমি সঙ্গে সঙ্গে গুলি করে নামানোর নির্দেশ দিয়েছি। নোরাড কমান্ড ওই বস্তু গুলি করে নামিয়েছে। কানাডা এবং আমেরিকার যৌথ প্রচেষ্টায় এই অভিযান সফল হয়েছে।’’ 

    আরও পড়ুন: জটে জমি আটকে রেল-৪: থমকে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ৪ প্রকল্প

    জানা গেছে, এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের (US Jet) সঙ্গেও কথা হয়েছে ট্রুডোর। এমনকী কানাডার প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রীও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। দু’দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা এই বিষয়ে একসঙ্গে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নির্দেশে আলাস্কার (US Jet) উত্তর উপকূলের কাছে প্রায় ৪০,০০০ ফুট উচ্চতায় একটি ছোট গাড়ির আকারের উড়ন্ত বস্তুকে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংস করে। পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল প্যাট রাইডার জানান, বৃহস্পতিবার আমেরিকার আকাশসীমায় এই বস্তুটি প্রথম দেখা যায়। এটি কোথা থেকে এসেছে তা এখনও জানা যায়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Delhi Mumbai Expressway: দিল্লি থেকে মুম্বই যেতে সময় লাগবে মাত্র ১২ ঘণ্টা! রবিবারে মোদির হাতে উদ্বোধন দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ের

    Delhi Mumbai Expressway: দিল্লি থেকে মুম্বই যেতে সময় লাগবে মাত্র ১২ ঘণ্টা! রবিবারে মোদির হাতে উদ্বোধন দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি থেকে মুম্বই যাওয়ার জন্য এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি করছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ সেই এক্সপ্রেসওয়ের কিছুটা অংশের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে৷ রবিবার ওই অংশের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামীকাল এই এক্সপ্রেসওয়ের সোহনা-দাউনা অংশ উদ্বোধন করবেন মোদি। দিল্লি থেকে দৌসা হয়ে লালসট পর্যন্ত ২৪৬ কিলোমিটার রাস্তা আগামিকাল থেকে সাধারণ যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে৷ নতুন এই রাস্তা দিয়ে দিল্লি থেকে জয়পুরে যেতে এখন থেকে সময় লাগবে মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টা। আগে লাগত ৫ ঘণ্টা। নতুন রাস্তার ফলে যাতায়াতের সময় এক ধাক্কায় দেড় ঘণ্টা কমবে বলে জানা গিয়েছে।

    সেজে উঠেছে দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের একটা অংশ

    দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ের মোট ১৩৮৬ কিলোমিটার পথ তৈরির কেন্দ্রীয় প্রকল্পটির জন্য ১২ হাজার ১৫০ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। তবে এই এক্সপ্রেসওয়ের সব থেকে বড় বিষয় হল, রাস্তাটি সম্পূর্ণ হলে দিল্লি থেকে মুম্বই যাওয়ার জন্য এখন যেই সময় লাগে তার চেয়ে অন্ততপক্ষে ৫০ শতাংশ কম সময় লাগবে। আগে সড়ক পথে দিল্লি থেকে মুম্বই যেতে সময় লাগত প্রায় ১ দিনের মত, ২৪ ঘণ্টা। নতুন রাস্তাটি খুলে গেলে সেটা নেমে আসবে ১২ ঘণ্টায়! তার মানে, এই পথে ১০-১২ ঘণ্টা সময় কম লাগবে।

    এই এক্সপ্রেসওয়ের ফলে কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে?

    দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়েটি মোট ছটি রাজ্যের মধ্যে দিয়ে যাবে। সেই রাজ্যগুলি হল দিল্লি, হরিয়ানা, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট ও মহারাষ্ট্র। আবার এটি কিছু গুরুত্বপূর্ণ শহরকেও নতুন করে যুক্ত করবে। যেমন–কোটা, ইন্দোর, জয়পুর, ভোপাল, ভদোদরা, সুরাট। এছাড়াও এই এক্সপ্রেসওয়ের ফলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ এয়ারপোর্টে পৌঁছনো হয়ে যাবে আগের থেকে সহজ। যুক্ত করবে ১৩টি বন্দরকে। আসন্ন গ্রিন ফিল্ড এয়ারপোর্ট, যেমন জেওয়ার এয়ারপোর্ট বা নাভি মুম্বই এয়ারপোর্টে পৌঁছনোটাও এর ফলে সহজ হয়ে উঠবে।

    কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি এই এক্সপ্রেস কিছু ছবি ও ভিডিও ট্যুইটারে শেয়ার করেছেন৷ মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল হয়েছে৷ অনেকেই গড়কড়ির সেই ট্যুইট রিট্যুইট করেছেন৷ সেই তালিকায় রয়েছেন আনন্দ মাহিন্দ্রাও৷

  • National Anthem: অভিষেকের মঞ্চে ‘ভুল’ জাতীয় সঙ্গীত! ‘ভাইপো’-কে কটাক্ষ শুভেন্দু-সুকান্তর

    National Anthem: অভিষেকের মঞ্চে ‘ভুল’ জাতীয় সঙ্গীত! ‘ভাইপো’-কে কটাক্ষ শুভেন্দু-সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভুল জাতীয় সঙ্গীত গাইলেন রাজ্যের শাসকদলের নেতারা, তাও আবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনেই। ভরা মঞ্চে সেই ভুল গানের সঙ্গে গলা মেলাতেও দেখা গেল অভিষেককে। এদিন আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে শনিবার কোচবিহারের মাথাভাঙায় সভা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পঞ্চায়েত ভোটকে সামনে রেখে দলের স্থানীয় নেতৃত্বকে বার্তা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। আর সেখানেই ঘটে গেল বিপত্তি। ভরা মঞ্চে গাইলেন জাতীয় সঙ্গীত, আর সেটিতে অজস্র ভুল। নেই সঠিক শব্দ, নেই কোনও সুর। এই ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হতে শুরু হয়েছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার অভিষেককে কটাক্ষ করে ট্যুইট করেছেন।

    জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা করা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    এইবারের ঘটনাই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার ভুল গেয়ে জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা করতে দেখা গিয়েছে শাসকদলের নেতা-নেত্রীদের। গত বছর পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথির সাংগঠনিক জেলার যুব তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে কাঁথি শহরে সভা করেছিল তৃণমূল। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মৎস্য মন্ত্রী অখিল গিরি, জেলা তৃণমূল চেয়ারম্যান অভিজিৎ দাস, জেলা সাধারণ সম্পাদক তরুণ জানা ও যুব তৃণমূল জেলা সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি সহ কাঁথি পুরসভার কাউন্সিলর এবং জেলা নেতৃত্ব বৃন্দ। সেই মঞ্চেই উঠেছিল জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা করার অভিযোগ।  সভা শেষে জাতীয় সঙ্গীত শুরু করেছিলেন রিনা দাস।

    আর আজও ঘটল সেই একই ঘটনা। আজ ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথাভাঙা সফর। মাথাভাঙা কলেজ ময়দানে সভা ছিল অভিষেকের। সেখানেই সভা শেষে শুরু হয় ভুলে ভরা জাতীয় সঙ্গীত। ‘তব শুভ নামে জাগে’- এই কথার পরিবর্তে দুবার বলা হয়েছে ‘তব শুভ আশিষ মাগে’। আবার ‘জনগণমঙ্গলদায়ক’-এর পরিবর্তে বলা হয়েছে ‘জনগণমঙ্গলনায়ক’। ফলে যেমন শব্দে ভুল রয়েছে, তেমনি নেই কোনও সুর। যেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যের ভুল ধরতে এগিয়ে থাকেন, অন্যের টিপ্পনি করতে ছাড়েন না, সেখানে তিনি কীভাবে নির্দ্বিধায় ভুল জাতীয় সঙ্গীত গাইলেন ও তার অবমাননা করলেন, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    শুভেন্দুর কটাক্ষ ‘ভাইপো’-কে

    এদিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া নিয়ে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, এদিন মাথাভাঙায় জাতীয় সঙ্গীত ভুল গেয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “ওকে বলুন আগামী একমাস জাতীয় সঙ্গীত পড়তে আর আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তা বলতে। তারপরেই তিনি যেন রাজনৈতিক সভায় যান।”

    সুকান্ত মজুমদারের ট্যুইট

    মাথাভাঙায় এই ঘটনার পর কটাক্ষ করতে ছাড়েননি রাজ্যের বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি ট্যুইট করে লেখেন, “আপনি জাতীয় সঙ্গীতকে সম্মান করতে এবং সঠিকভাবে গাইতেও পারেন না! এটি লজ্জার।”  

  • Pakistan: বেলআউট প্যাকেজ পেতে ‘কঠোর’ পদক্ষেপ করতে চলেছে পাকিস্তান!

    Pakistan: বেলআউট প্যাকেজ পেতে ‘কঠোর’ পদক্ষেপ করতে চলেছে পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার (IMF) থেকে এ পর্যন্ত ১৪ বার ঋণ নিয়েছে পাকিস্তান (Pakistan)। তবে তার একটিও শোধ করেনি ইসলামাবাদ। দেশের আর্থনীতির হাঁড়ির হাল। জিনিসপত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া। কমেছে পাকিস্তানি রুপির মূল্যও। ডলারের মূল্যের ১২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে এক ডলারের মূল্য ২৫০ পাকিস্তানি রুপির সমান। দেশের অর্থনীতির এই করুণ দশায়ও পাকিস্তানকে বড় ধাক্কা দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার। পাকিস্তানকে দেওয়া ১.১ বিলিয়ন ডলারের কিস্তি বন্ধ করে দিয়েছে আইএমএফ। দেশের অর্থনীতির হাল এমনই যে ক্রমেই ঋণখেলাপির দিকে এগোচ্ছে ভারতের এই প্রতিবেশী দেশটি।

    অর্থনীতির হাঁড়ির হাল…

    দেশে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় ক্রমেই কমছে। বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডারে রয়েছে ২.৯ বিলিয়ন ডলার। পাকিস্তানের এই চরম দুর্দশার দিনেও আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার ইসলামাবাদকে বেলআউট (Bail Out) প্যাকেজ দিচ্ছে না। অথচ এই মুহুর্তে এই বেলআউট প্যাকেজের খুব প্রয়োজন শাহবাজ শরিফের দেশের। তলানিতে ঠেকে যাওয়া দেশের অর্থনীতি যাতে একেবারে ভেঙে না পড়ে, তাই প্রয়োজন বেলআউট প্যাকেজের। জানা গিয়েছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার থেকে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ পেতে পাকিস্তান (Pakistan) কর আরোপ করতে চলেছে। কর বাবদ দেশটি ১৭০ বিলিয়ন তুলতে চাইছে।

    আরও পড়ুুন: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মোদির ওপরই ভরসা হোয়াইট হাউসের

    পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী ইশাক দার বলেন, ঋণ শোধ করার জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার থেকে দেশ একটি টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশানসের একটি মেমোরান্ডাম পেয়েছে। বেলআউট প্যাকেজ নিয়ে দুই দেশই আলোচনা চালাচ্ছে। গত দশ দিন ধরে সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর ইসলামাবাদ ছেড়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের প্রতিনিধি দল। তার পরেও সুরাহা হয়নি। এর পর হবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা।

    পক্ষকাল আগে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছিলেন, ক্ষমতাসীন পিডিএম জোট তার দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক কেরিয়ার বলি দিতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, ঋণ কর্মসূচি পুনরুজ্জীবিত করতে আন্তর্জাতিক মুদ্র তহবিলের কঠোর শর্ত মেনে নিতে প্রস্তত। পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী বলেন, কয়েকটি ক্ষেত্রে আর্থিক সংস্কার জরুরি। এটা করতে হবে পাকিস্তানের স্বার্থেই। দেশের অর্থনীতির এই করুণ দশার জন্য পাকিস্তানের (Pakistan) তেহরিক-ই-ইনসাফ পরিচালিত সরকারকে দুষেন তিনি। এর পরেই তিনি বলেন, এই সংস্কার যন্ত্রণাদায়ক, তবে জরুরি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Women’s T20 World Cup: রবিবার মেয়েদের টি-২০ বিশ্বকাপে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান, কখন ও কোথায় দেখবেন ম্যাচ?

    Women’s T20 World Cup: রবিবার মেয়েদের টি-২০ বিশ্বকাপে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান, কখন ও কোথায় দেখবেন ম্যাচ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গিয়েছে মহিলা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এবারে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে শুরু হয়েছে মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আর আগামীকাল ফের মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। প্রথম ম্যাচ হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে। শ্রীলঙ্কা জিতেছে সেই ম্যাচে। ভারতীয় দল আগামীকাল তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। ফলে এই ম্যাচে যে ক্রিকেটপ্রেমীদের সবার চোখ থাকবে টিম ইন্ডিয়ার দিকেই, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এই ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। বারবার তীরে এসে তরী ডুবেছে ভারতের মহিলা দলের। ফলে এবারে হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জয় করতে মরিয়া ভারতের সিনিয়র মহিলা ক্রিকেট টিম।

    কবে কোথায় খেলা হবে?

    রবিবার ভারত প্রথম ম্যাচে খেলতে নামবে চির প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। কেপটাউনে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই ম্যাচ শুরু হবে ভারতীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টায়। অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলাদের টি২০ বিশ্বকাপ জেতার পর এবার ভারতের সিনিয়র মহিলা দল বিশ্বকাপ জয় করতে পার কিনা সেটাই এখন দেখার।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণির ভেল্কিতে ধরাশায়ী অস্ট্রেলিয়া! ইনিংস ও ১৩২ রানে নাগপুর টেস্ট জিতল ভারত

    ভারত বনাম পাকিস্তান টি-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচটি কোথায় হবে?

    ভারত বনাম পাকিস্তান মেয়েদের টি-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচটি হবে কেপটাউনের নিউল্যান্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে।

    কোথায় দেখা যাবে এই ম্যাচ?

    স্টার স্পোর্টসে দেখা যাবে এই ম্যাচ। টিভিতে স্টার স্পোর্টস ১ ও ২-তে দেখা যাবে ভারতের মেয়েদের ম্যাচ। লাইভ স্ট্রিমিং দেখতে হলে ডিজনি প্লাস হটস্টারের সাবস্ক্রিপশন নিতে হবে। এছাড়াও দর্শকরা জিও টিভি অ্যাপ্লিকেশনেও দেখতে পাবেন টি-২০ বিশ্বকাপ ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং।

    ভারতীয় দলের টি-২০ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: হরমনপ্রীত কৌর, স্মৃতি মান্ধানা, যস্তিকা ভাটিয়া, হারলিন দেওল, রাজেশ্বরী গায়কোয়াড়, জেমাইমা রডরিগজ, অঞ্জলি সারভানি, দীপ্তি শর্মা, রেণুকা সিং, দেবিকা বৈদ্য, পূজা বস্ত্রকার, শেফালি ভার্মা, রাধা যাদব, রিচা ঘোষ, শিখা পাণ্ডে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PM Modi: ত্রিপুরার জনসভায় বাম-কংগ্রেসকে একযোগে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর, কী বললেন জানেন?

    PM Modi: ত্রিপুরার জনসভায় বাম-কংগ্রেসকে একযোগে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরায় (Tripura) বিজেপি (BJP) সরকারের ভূয়সী প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) মুখে। শনিবার নির্বাচনী প্রচারে দুটি জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথম সভাটি করেন আমবাসায়। সেই সভায় তৃণমূলের নামোচ্চারণই করলেন না প্রধানমন্ত্রী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ত্রিপুরায় তৃণমূলকে ধর্তব্যের মধ্যেই আনছেন না প্রধানমন্ত্রী। তবে ওই সভায় তাঁর নিশানায় ছিল বাম এবং কংগ্রেস। তিনি বলেন, কংগ্রেস ও বাম উন্নয়নের দিক থেকে ত্রিপুরাকে পিছিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু আমাদের সরকার মাত্র পাঁচ বছরে ত্রিপুরাকে দ্রুত উন্নয়নের পথে নিয়ে এসেছে। গত পাঁচ বছরে ত্রিপুরায় ডবল ইঞ্জিন সরকার মানুষের উন্নয়নে কাজ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন…

    প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় সভাটি করেন রাধাকিশোরপুরে। দুটি জনসভা থেকেই গত পাঁচ বছরে ত্রিপুরা কীভাবে বদলে গিয়েছে, তার খতিয়ান তুলে ধরেন মোদি। এটা করতে গিয়ে হীরা শব্দটি ব্যবহার করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, এইচ ফর হাইওয়ে, আই ফর ইন্টারনেট, আর ফর রোডওয়েজ, এ ফর এয়ারওয়েজ। এই চারটি জিনিসে ভর করেই বদলে গিয়েছে ত্রিপুরা। ত্রিপুরার উন্নতির জন্য ত্রিশক্তির ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, এই ত্রিশক্তি হল আবাস, আরোগ্য এবং আয়।

    প্রধানমন্ত্রীর দাবি, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যে ৩ লক্ষ মানুষ পাকা বাড়ি পেয়েছেন। সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো বৃদ্ধি এবং আয়ুষ্মান ভারতের সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপির জমানায় রাজ্যের মানুষের আয় বেড়েছে বলেও দাবি প্রধানমন্ত্রীর। তিনি বলেন, আমাদের দল ত্রিপুরার সরকারে আসার পর সপ্তম বেতন কমিশনের মাধ্যমে বর্ধিত হারে বেতন পাচ্ছেন সরকারি কর্মীরা।

    আরও পড়ুুন: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মোদির ওপরই ভরসা হোয়াইট হাউসের

    ত্রিপুরায় ২৫ বছর ক্ষমতায় ছিল বামেরা। বামেদের সেই আমলকে চাঁদার জমানা বলে কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বাম কংগ্রেসকে একযোগে নিশানা করে তিনি বলেন, জনগণের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত দুই দল আবার হাত মিলিয়েছে। মাথায় রাখবেন, ওদের একটা ভোট দেওয়া মানে ত্রিপুরাকে আবার পিছিয়ে দেওয়া। তিনি বলেন, কেরলে দুই দল কুস্তি করলেও, ত্রিপুরায় দোস্তি করছে।

    কংগ্রেস জমানার তুলনায় তাঁর সরকারের আমলে আদিবাসী ও দলিতদের জন্য কত বেশি অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে, তার খতিয়ানও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সমাজকর্মী বিক্রম বাহাদুর জামাতিয়াকে সম্মানিত করতে পেরে আমার সরকার গর্বিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sukanta Majumder: ‘রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার হাল বেহাল’, রাজ্যপালকে চিঠি সুকান্তের   

    Sukanta Majumder: ‘রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার হাল বেহাল’, রাজ্যপালকে চিঠি সুকান্তের   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি লিখলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder)। চিঠিতে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যদের বেআইনি নিয়োগ বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। শনিবার রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের হাতে ওই চিঠি তুলে দেন সুকান্ত। বিজেপির রাজ্য সভাপতির মতে, রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার হাল বেহাল। আদালতের নির্দেশে শিক্ষায় দুর্নীতির তদন্তে প্রশ্নের মুখে রাজ্য সরকার। রাজ্যপালকে লেখা চিঠিতে সুকান্ত রবীন্দ্রনাথ, বিবেকানন্দ, বঙ্কিমচন্দ্র, জগদীশচন্দ্র বোস, বিদ্যাসাগর, আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, নেতাজির বাংলার কথার উল্লেখ করেছেন। রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে তলানিতে না যায়, সেই কারণেই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদনও জানান তিনি।

    সুকান্ত জানান…

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার জেরে ইতিমধ্যেই চাকরি খুইয়েছেন বহু শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারী। সে প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সুকান্তের (Sukanta Majumder) দাবি, ইউজিসি-র গাইড লাইন না মেনেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতেও বেআইনিভাবে উপাচার্যদের নিয়োগ করেছেন। সেই সব উপাচার্যদের নিয়োগ বাতিল করার আবেদন জানান সুকান্ত। রাজ্য সরকারের নানা অনিয়ম সহ রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা রাজ্যপালকে জানান সুকান্ত। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, উনি (রাজ্যপাল) আশ্বস্ত করে বলেছেন, সবার উপরে সংবিধান, তার উপরে কিছু নেই। এর আগে যিনি রাজ্যপাল ছিলেন, মাননীয় লা গণেশনের সময় লোকায়ুক্ত গঠন করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তা আইন মেনে হয়নি। এ নিয়ে রাজ্যকে জানিয়েছেন নয়া রাজ্যপাল। এজন্য বিধানসভার আগামী অধিবেশনে অর্ডিন্যান্স জারি হবে।

    সুকান্ত বলেন, রাজ্যপাল জানিয়েছেন দুর্নীতির সঙ্গে জিরো টলারেন্স নীতি তাঁর। পাশাপাশি বলেছেন, রাজনীতিতে হিংসার কোনও জায়গা নেই। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় হিংসার ঘটনা ঘটেছে। এই সব ব্যাপারেই ওঁর সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। সুকান্ত (Sukanta Majumder) জানান, রাজ্যপালের ভূমিকায় তিনি খুশি। তাঁর কথায়, এই যে লোকায়ুক্তের কথা বললাম, আমাদের রাজ্যপাল যে সেটা অসাংবিধানিক বলে রাজ্যকে জানিয়ে দিয়েছেন তা সংবাদমাধ্যমের সামনে আনেননি তিনি। সুকান্ত বলেন, আগামী দু এক দিনে আরও অনেক কিছু দেখতে পাবেন।

    আরও পড়ুুন: ‘মাটির নীচে টাকা রাখলেও, তা খুঁড়ে বের করব’, আলিপুরদুয়ারে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
LinkedIn
Share