Blog

  • Jitendra Tewari: আসানসোল কম্বলকাণ্ডে নয়ডা থেকে সস্ত্রীক গ্রেফতার জিতেন্দ্র তিওয়ারি, নিন্দা বিজেপির

    Jitendra Tewari: আসানসোল কম্বলকাণ্ডে নয়ডা থেকে সস্ত্রীক গ্রেফতার জিতেন্দ্র তিওয়ারি, নিন্দা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশ গ্রেফতার করল সস্ত্রীক জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে (Jitendra Tewari)। নয়ডায় যমুনা এক্সপ্রেস ওয়ে থেকে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে । গত বছর ডিসেম্বর মাসে আসানসোলের রামকৃষ্ণডাঙায় কম্বল বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন জিতেন্দ্র তেওয়ারি এবং তাঁর স্ত্রী চৈতালি তেওয়ারি। ওই অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। সেই অভিযোগেই গ্রেফতার করা হয়েছে জিতেন্দ্র তেওয়ারি এবং চৈতালি তেওয়ারিকে। এমনিতেই দুর্নীতি ইস্যুতে শাসক দল বেশকিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে। সেই আবহে জিতেন্দ্র তেওয়ারির (Jitendra Tewari) গ্রেফতারকে প্রতিহিংসার রাজনীতি বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।

    ঘটনাক্রম….

    গত বছর ১৪ ডিসেম্বর কম্বল বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল আসানসোলে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং আসানসোল পুরনিগমের বিরোধী দলনেত্রী চৈতালি। সেখানেই ঘটে দুর্ঘটনা। কম্বল নেওয়ার জন্য শুরু হয় হুড়োহুড়ি। তাতে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় ৩ জনের। আহত হন বেশ কয়েক জন।

    ডিসেম্বর মাসে ওই ঘটনার পরেই চৈতালি তেওয়ারিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে জিতেন তেওয়ারির (Jitendra Tewari) ফ্ল্যাটে যান দুর্গাপুর-আসানসোল পুলিশ কমিশনারেটের কর্মীরা। এই আবহে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর চৈতালি তেওয়ারির আবেদন মেনে তাঁকে অন্তর্বর্তিকালীন রক্ষাকবচ দেয় হাইকোর্ট। কিন্তু ১০ ফেব্রুয়ারি পাল্টা একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা চৈতালির বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন। এর পরই হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেন জিতেন্দ্র এবং চৈতালি। কিন্তু বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ তাঁদের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। সেই একই আবেদন নিয়ে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন জিতেন। শুক্রবার তাঁর আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তার মাঝেই গ্রেফতার হলেন সস্ত্রীক জিতেন্দ্র তেওয়ারি (Jitendra Tewari)।

    এই ঘটনায় নিন্দায় সরব হয়েছে বিজেপি

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “যার পরিবার বস্ত্রদান অনুষ্ঠানে জামা কাপড় নিতে এসেছিল, সে সুপ্রিম কোর্ট অবধি যাচ্ছে আইনজীবী নিয়ে জিতেন তিওয়ারিকে গ্রেফতার করতে। হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে যিনি আইনজীবী হন, তার কী ফিজ হয় সকলেই জানেন। যে ব্যক্তি এই টাকা দিতে পারছেন, তিনি পোশাক বিতরণ অনুষ্ঠানে গিয়ে লাইন দেন কখনও? এটা পুরোপুরি তৃণমূল কংগ্রেসের চক্রান্ত।”

    একইসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, কিছুদিন আগে জিতেন্দ্র তিওয়ারির বাড়িতে পুলিশ গিয়েছিল। তাও রাতেরবেলা। সিসিটিভি ফুটেজও আছে। যাওয়া, সার্চ করা বা এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে যাতে তিনি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে যান, দাবি সুকান্তের। বিজেপির রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, মানসিক চাপ তৈরি করার জন্য এসব করা হচ্ছে।

    এই ঘটনায় বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূল প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে। এই মামলায় কাউকে গ্রেফতার করা যায় না। বিশেষ করে যখন তাঁর আগাম জামিনের আবেদন আদালতে বিচারাধীন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আইন আদালত মানে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISL Final 2023: চিন্তা সুনীল ফ্যাক্টর! আজ আইএসএল খেতাব জিততে মরিয়া এটিকে মোহনবাগান

    ISL Final 2023: চিন্তা সুনীল ফ্যাক্টর! আজ আইএসএল খেতাব জিততে মরিয়া এটিকে মোহনবাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০২ সালে সবুজ-মেরুন জার্সিতে পেশাদার ফুটবলে পথচলা শুরু। আজ সেই সবুজ-মেরুন জার্সিরই পথের কাঁটা ঘরের ছেলে সুনীল ছেত্রী। সুনীলকে আটকে ট্রফি জিততে মরিয়া এটিকে মোহনবাগানও। বিগত দুই বছরে ট্রফি জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছেও খালি হাতেই আইএসএল (ISL) মরসুম শেষ করতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে (ATK Mohun Bagan)। একবার ফাইনাল ও একবার সেমিফাইনাল থেকেই ছিটকে গিয়েছিল সবুজ মেরুন। আজ, শনিবার আইএসএল ট্রফি জিতে সেই আক্ষেপ ভুলতে চায় জুয়ান ফেরান্দোর দল।

    সুনীল ফ্যাক্টর 

    দেখতে দেখতে কেটে গেছে ২৩টা বছর। তবু এখনও অদম্য। অবসর নিয়ে কখনও মুখ খোলেননি। তবে এটাই হতে পারে সুনীল ছেত্রীর কাছে শেষ মরশুম। বেঙ্গালুরু এফসি–কে আইএসএল এ চ্যাম্পিয়ন করেই ফুটবলকে বিদায় জানানোর পরিকল্পনা আছে সুনীলের।  চলতি আইএসএল-এ চারটি গোল করেছেন। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাঁর পা থেকে গোল এসেছে। প্লে অফে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে এবং সেমিফাইনালের প্রথম পর্বের ম্যাচে মুম্বই সিটি এফসি–র বিরুদ্ধে। ফাইনালে এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধেও তিনি একটা ফ্যাক্টর। 

    আরও পড়ুন: ভারত ছাড়া এশিয়া কাপ হয় না! শোয়েব আখতারের কথায় সমালোচনার ঝড় পাকিস্তানে

    জিততে মরিয়া প্রীতম

    আইএসএলের তিন মরশুমে দুই দল মোট ছয়বার একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে। তার মধ্যে চারটি ম্য়াচ জিতেছে এটিকে মোহনবাগান, একটি ম্যাচ ড্র হয়েছে এবং মাত্র একটি ম্যাচ জিতেছে বেঙ্গালুরু এফসি। এ বার মরসুমের প্রথম ম্যাচে বেঙ্গালুরুকে ১-০ হারায় এটিকে মোহনবাগান। তবে ফিরতি লিগে ২-১-এ জিতে মধুর প্রতিশোধ নেয় বেঙ্গালুরু। তবে এই ম্যাচে ফের জয় চায় এটিকে। মোহনবাগান অধিনায়ক প্রীতম কোটাল জানেন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ জীবনে বারবার আসে না। আর রানার্স হলে কেউ মনে রাখে না। প্রীতমের কথায়, “আমরা জিততে এসেছি, জিতেই মাঠ ছাড়ব। মাথা গরম নয়, স্বাভাবিক ফুটবল খেলাটাই লক্ষ্য।”

    কোথায় ম্যাচ?

    ১৮ মার্চ, শনিবার, পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম, ফতোরদা, গোয়ায় আয়োজিত হবে আইএসএলের ফাইনাল ম্যাচটি।

    কখন শুরু খেলা?

    সন্ধে ৭.৩০টা থেকে এটিকে মোহনবাগান-বেঙ্গালুরু এফসির ফাইনাল ম্যাচটি শুরু হবে।

    কোথায় দেখবেন খেলা?

    টেলিভিশনে স্টার স্পোর্টস নেটওয়ার্কের একাধিক চ্যানেল এবং অনলাইনে হটস্টার অ্যাপ ও জিও টিভিতে দর্শকরা ফাইনাল ম্যাচটি দেখতে পারবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kiran Bhai Patel: থাকতেন পাঁচতারায়, নিতেন জেড-প্লাস নিরাপত্তা! কাশ্মীরে গ্রেফতার ভুয়ো পিএমও অফিসার

    Kiran Bhai Patel: থাকতেন পাঁচতারায়, নিতেন জেড-প্লাস নিরাপত্তা! কাশ্মীরে গ্রেফতার ভুয়ো পিএমও অফিসার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  প্রধানমন্ত্রীর অফিসের আধিকারিক সেজে কাশ্মীর ঘুরতেন এক জালিয়াত। গোটা প্রশাসন বোকা বনে গিয়েছিল তার আদব কায়দা, কথাবার্তা, ধোপদুরস্ত পোশাকের কাছে। জেড প্লাস নিরাপত্তাও পেতেন ওই জালিয়াত। পরে পুলিশের জালে জড়িয়ে পড়েন তিনি। ধৃতের নাম কিরণ ভাই প্যাটেল (Kiran Bhai Patel)।

    কী বলছেন ওই ভুয়ো অফিসারের স্ত্রী

    কিরণের (Kiran Bhai Patel) স্ত্রী মালিনী প্যাটেল অবশেষে মুখ খুললেন। নিজের স্বামীর বিরুদ্ধে ওঠা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন মালিনী। তাঁর দাবি, ‘আমার স্বামী কোনও ভুল করতেই পারেন না। তিনি একজন ইঞ্জিনিয়ার এবং আমি একজন ডাক্তার। আমার স্বামী ইঞ্জিনিয়ার হওয়ায় উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সেখানে গিয়েছিলেন আর কিছুই নয়। তিনি কোনও অন্যায় করেননি। সেখানে আমাদের আইনজীবী বিষয়টি দেখছেন। আমার স্বামী কখনও কারও সঙ্গে কোনও অন্যায় করতে পারেন না।’ 

    কী পরিচয়ে ঘুরতেন ওই ভুয়ো অফিসার

    জানা গিয়েছে, কিরণ ভাই প্যাটেল (Kiran Bhai Patel) নিজেকে পিএমও-র আধিকারিক পরিচয় দেয়। তার দাবি, পিএমও-র ‘স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ক্যাম্পেন’ বিভাগের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর পদে রয়েছে সে। চলতি বছরের শুরুর দিকে কাশ্মীরে গিয়ে সেখানকার আধিকারিকদের সঙ্গে ‘বৈঠক’ পর্যন্ত করেন কিরণ ভাই প্যাটেল (Kiran Bhai Patel)। পরে অবশ্য সত্যিটা সামনে চলে আসে। জানা গিয়েছে, অন্তত দশ দিন আগেই কিরণ ভাই প্যাটলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল পুলিশের তরফে। বৃহস্পতিবার আদালতের এক ম্যাজিস্ট্রেট কিরণ ভাই প্যাটেলকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠালে গোটা ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। এদিকে গ্রেফতারির দিনই কিরণ ভাই প্যাটেলের নামে এফআইআর করা হয়েছিল কিনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে। সূত্রে কাশ্মীর সফরের সময় কিরণ ভাই প্যাটেলের সঙ্গে সশস্ত্র নিরাপত্তা রক্ষী থাকতেন। এদিকে বুলেটপ্রুফ মহিন্দ্রা স্কর্পিও এসইউভি গাড়িও দেওয়া হয়েছিল তাকে। সরকারি টাকায় পাঁচ তারা হোটেলেও রাত্রি যাপন করেন তিনি।  তার ট্যুইটার বায়োতে ​​কিরণ দাবি করেছে, সে ভার্জিনিয়ার কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি, আইআইএম ত্রিচি থেকে এমবিএ এবং কম্পিউটার সায়েন্সে এমটেক এবং বিই কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেছে।

    জানা গিয়েছে, কিরণ (Kiran Bhai Patel) প্রথমবার ফেব্রুয়ারিতে উপত্যকায় যান। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সম্প্রতি। তাতে দেখা গিয়েছে যে সে মিলিটারি ভ্যানের কনভয়ের সঙ্গে ভ্রমণ করছে। প্যারামিলিটারি গার্ডরা তার নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে। শ্রীনগরের লালচকের ক্লক টাওয়ারের সামনে দাঁড়িয়ে ছবির জন্য পোজ দিতেও দেখা গিয়েছে তাকে। জানা গিয়েছে, তার দ্বিতীয় কাশ্মীর সফরে প্রশাসন সতর্ক হয়ে যায়। গোয়েন্দাদের রিপোর্ট পাওয়ার পর কিরণের ‘ব্যাকগ্রাউন্ড চেক’ হয়। পরে মার্চ মাসে তাঁর তৃতীয় সফরের সময় শ্রীনগরে এক হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয় কিরণকে। এদিকে জালিয়াতি বুঝতে না পারায় দুই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। অপরদিকে গুজরাট পুলিশও এই তদন্তের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Imran Khan: দুর্ঘটনার করলে ইমরানের কনভয়, বাড়ির দখল নিল পাক পুলিশ

    Imran Khan: দুর্ঘটনার করলে ইমরানের কনভয়, বাড়ির দখল নিল পাক পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসলামাবাদ (Pakistan) যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার মুখে প্রাক্তন পাক প্রেসিডেন্ট ইমরান খানের (Imran Khan) কনভয়। কনভয়ে একটি গাড়ি উল্টে যায়। শনিবার তোষাখানা মামলার শুনানিতে হাজিরা দিতে ইসলামাবাদ কোর্টে যাচ্ছিলেন ইমরান। সেই সময়ই ঘটে দুর্ঘটনাটি। দুর্ঘটনায় পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (PTI) সুপ্রিমোর কোনও ক্ষতি হয়নি বলেই সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর।

    ইমরান খানের (Imran Khan) বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বিদেশ থেকে যেসব মূল্যবান উপহার ইমরান পেয়েছিলেন, পরে সেগুলি কম দামে তিনি কিনে নেন বলে অভিযোগ। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে এর পেছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রই দেখছেন ইমরান। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, সব মামলায় জামিন পাওয়ার পরেও পিডিএম সরকার আমাকে গ্রেফতার করতে চায়। আমি তাদের দুরভিসন্ধি জানার পরেও ইসলামাবাদে যাচ্ছি। কারণ আমি আইনের শাসনে বিশ্বাস করি। তবে ওদের দুরভিসন্ধি সকলের বোঝা উচিত। এর পরেই ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা দেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী। পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাঁর কনভয়ের একটি গাড়ি। একটি ভিডিও ট্যুইটে ইমরান বলেন, আমি ইসলামাবাদ আদালতের দিকে যাচ্ছি। তবে দুর্ভাগ্যবশত দুর্ঘটনার কারণে আমার একটু দেরি হয়ে গিয়েছে। তাঁরা আমাকে গ্রেফতারের সব তোড়জোড় করেই রেখেছিলেন।

    আরও পড়ুুন: সীমান্তে বাড়ছে চিনা ফৌজের দাপাদাপি! মোকাবিলায় প্রস্তুত ভারতও, বললেন সেনা প্রধান

    এদিন ইমরানের (Imran Khan) হাজিরা উপলক্ষে কোর্ট চত্বরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোর্টে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ইসলামাবাদে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। গত নভেম্বরে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। একটি জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময়ই এই ঘটনা ঘটে। গুলি লাগে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর পায়ে। সেই ঘটনার কথা মাথায় রেখে এদিন আদালত চত্বরে ব্যবস্থা করা হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার।

    এদিকে, এদিন সকালে ইমরান ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা দিতেই তাঁর বাড়িতে ঢুকে পড়ে পুলিশ। বাড়ি চত্বরেই তৈরি হয়েছিল দলীয় কর্মীদের শিবির। জানা গিয়েছে, সেই শিবির উচ্ছেদ করতেই পুলিশ ঢোকে। ইমরানের বাড়ির বাইরে ব্যাপক ধরপাকড় হয়। চলে গুলিও। বাসভবনের সামনেই খণ্ডযুদ্ধ বাঁধে পিটিআই কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের। পিটিআই কর্মীদের পুলিশ লাঠিপেটা করেছে। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, এদিন ইমরানের (Imran Khan) বাড়ির দখল নিয়েছে পুলিশ। সে খবর পেয়ে ফের একটি ট্যুইট করেন ইমরান। লেখেন, এরই মধ্যে পঞ্জাব পুলিশ জামান পার্কে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। সেখানে আমার স্ত্রী বুশরা বিবি একা রয়েছেন। কোন আইনে তারা এটা করছে? এটি লন্ডন পরিকল্পনার একটি অংশ। সেই পরিকল্পনায় পলাতক নওয়াজ শরিফকে একটি নিয়োগে সম্মত হওয়ার বিনিময়ে ক্ষমতায় আনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ফের তলব ‘কালীঘাটের কাকু’-কে! কী জানতে চায় সিবিআই?

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ফের তলব ‘কালীঘাটের কাকু’-কে! কী জানতে চায় সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে (SSC Scam) ‘কালীঘাটের কাকু’ (Kalighat r Kaku) ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে আবার তলব করল সিবিআই (CBI)। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় নিজাম প্যালেসে (Nizam Palace) সুজয়কৃষ্ণকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবারই তাঁকে সমন পাঠানো হয়েছে, বলে সিবিআই সূত্রের খবর।

    কুন্তল ও শান্তনুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা 

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC Scam) ধৃত কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সুজয়ের ‘ঘনিষ্টতা’র প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। সোমবার সুজয়কে তাঁর ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি আনতে বলা হয়েছে। সুজয়ের আর্থিক লেনদেনের বিষয়টিও গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখতে চান বলে সিবিআই সূত্রে খবর। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC Scam) গত বুধবার কালীঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়। এবার শুধু সুজয় নন তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত সমস্ত নথিও আনতে বলা হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে শান্তনুর বিপুল সম্পত্তির হদিশ! শনিবার হুগলির বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি ইডির

    সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর একাধিক কোম্পানি

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত তাপস মণ্ডল প্রথম সুজয়ের নাম প্রকাশ্যে আনেন। পরে তাঁর নাম উঠে এসেছিল গোপাল দলপতি ওরফে আরমান গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখেও। সিবিআই সূত্রে খবর, তদন্তেও বার বার সুজয়ের নাম উঠে এসেছে। তার পরেই সুজয়কে তলব করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে সুজয় জানিয়েছিলেন তিনি তাপস মণ্ডল এবং গোপাল দলপতিকে চেনেন না। কিন্তু কুন্তলকে চেনেন। সিবিআই-এর দাবি, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর একাধিক কোম্পানি রয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৬টি কোম্পানির তথ্য পাওয়া গেছে। এই কোম্পানিগুলি বিভিন্ন নামে রেজিস্ট্রেশন করা রয়েছে। এই কোম্পানিগুলির লেনদেন, কারা ডিরেক্টর রয়েছেন এবং এই কোম্পানিগুলো কী কাজ করত, তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর বয়ান খতিয়ে দেখা হয়েছে বলে সিবিআই-এর দাবি। তাপস মণ্ডল, কুন্তল ঘোষ এবং গোপাল দলপতির বক্তব্যের সঙ্গে সুজয়ের বয়ানের ক্রস ভেরিফিকেশন করা হয়েছে। এরপরই ফের কালীঘাটের কাকুকে ডেকে পাঠাল সিবিআই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manish Kothari: দাম শুনলে চোখ কপালে উঠবে! মণীশের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ

    Manish Kothari: দাম শুনলে চোখ কপালে উঠবে! মণীশের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি ছিলেন তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) হিসাবরক্ষক। তৃণমূলের এই নেতার সংস্পর্শে এসে তিনিও বাড়িয়ে নিয়েছেন তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ। যা দেখে চোখ কপালে ওঠার জোগাড় ইডির তদন্তকারীদের। গরু পাচারের টাকায় ওই সব সম্পত্তি মণীশ কোঠারি (Manish Kothari) কিনে থাকতে পারেন বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। শান্তিনিকেতন থানার রূপপুরের বিভিন্ন এলাকায় মণীশের নামে ১৫ বিঘে জমির খোঁজ মিলেছে। ওই পরিমাণ জমির বাজারমূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা। ইডির দাবি, অনুব্রতর গরু পাচারের কালো টাকা এভাবেই সাদা করা হয়েছে। ২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে জমিগুলি কেনা হয়েছে।

    ইডির তলব…

    গরু পাচার মামলায় অনুব্রত গ্রেফতার হওয়ার পর ইডি তলব করে তাঁর ঘনিষ্ঠদের। সেভাবেই ডেকে পাঠানো হয়েছিল মণীশকে। মঙ্গলবার টানা প্রায় ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, বেশ কিছু বিষয়ে অনুব্রতর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন মণীশ। জানিয়েছেন অনেক তথ্য।

    অনুব্রতর হিসাবরক্ষকের কাজ করার পাশাপাশি তাঁকে বুদ্ধিও জোগাতেন মণীশ (Manish Kothari)। কোন সম্পত্তিতে কীভাবে টাকা বিনিয়োগ করলে, কালো টাকা সাদা হয়ে যাবে, সেসব পরামর্শ অনুব্রতকে দিতেন মণীশই। এই মণীশেরই পরামর্শে মেয়ের নামে একাধিক ভুয়ো সংস্থা বানিয়েছেন অনুব্রত। ইডির দাবি, রূপপুর, গোপালনগর, কঙ্কালীতলা, দ্বারকানাথপুর, সুরুল সহ বোলপুরের প্রায় সব মৌজাতেই মণীশের জমি রয়েছে। রূপপুরের বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, স্থানীয় আদিবাসীদের কাছ থেকে জোর করে ওই সব জমি দখল করেছেন মণীশ। এক্ষেত্রেও কাজে লাগানো হয়েছে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতির প্রভাব। ইডির দাবি, গরু পাচারের প্রোটেকশন মানি হিসেবে অনুব্রত যে কোটি কোটি টাকা পেয়েছেন, সেই টাকাই মণীশের নামে জমি কেনায় কাজে লাগানো হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে শান্তনুর বিপুল সম্পত্তির হদিশ! শনিবার হুগলির বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি ইডির

    এদিকে, গত বুধবার দিল্লিতে ইডির অফিসে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের। আরও কিছুদিন সময় চেয়ে নিয়েছেন তিনি। আগামী ২০ মার্চের মধ্যে তাঁকে ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অনুব্রত, মণীশ (Manish Kothari) এবং সুকন্যাকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • DA: ডিএ আন্দোলনকারীদের ডিজিটাল নন কো-অপারেশন শুরু, মঞ্চে নৌশাদও

    DA: ডিএ আন্দোলনকারীদের ডিজিটাল নন কো-অপারেশন শুরু, মঞ্চে নৌশাদও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবি চলছে আন্দোলন। শহিদ মিনার চত্বরে গত ৫১ দিন ধরে ধর্না-অবস্থান করছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা (State Government Employees)। তাঁদের অনশন আন্দোলন চলছে ৩৭ দিন ধরে। আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও তীব্র করতে এবার ডিজিটাল নন কো-অপারেশনের (Digital Non Cooperation) পথে হাঁটলেন আন্দোলনকারীরা। তাঁরা জানান, বিভাগীয় দফতরের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আসা কোনও নির্দেশ পালন করবেন না তাঁরা। ব্যক্তিগত মোবাইল, ল্যাপটপেও ডেটা খরচ করে আর কোনও কাজ করা হবে না। কোনও নির্দেশ দেওয়ার প্রয়োজন হলে তা অফিসিয়ার মেইল মারফত জানাতে হবে। অফিসের নির্ধারিত সময়ের বাইরে কোনও কাজও তাঁরা করবেন না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন।

    ডিএ (DA) আন্দোলনকারীদের বক্তব্য…

    সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কাজের সময়। এই আবহে অফিসের বাইরে অনলাইন মিটিং করবেন না আন্দোলনকারীরা। মিড-ডে মিলের খতিয়ান জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাড়ি বসে কাজ করতে হয় শিক্ষকদের। আজ, শনিবার থেকে সে সবও বন্ধ। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের (DA) তরফে জানানো হয়েছে, অফিস টাইম শেষ হয়ে গেলেও, পরীক্ষা শেষে খাতা স্কুল থেকে পাঠিয়ে দেওয়ার কাজ করবেন শিক্ষকরা।

    এদিকে, আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিতে এদিন শহিদ মিনার চত্বরে ধর্নামঞ্চে অনশনে বসেন ভাঙড়ের বিধায়ক আইএসএফের নৌশাদ সিদ্দিকি। ৪২ দিন পর জেল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন নৌশাদ। তখনই তিনি ডিএ আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন। এদিন ধর্নামঞ্চে গিয়ে তিনি বলেন, এখন শুধু কলকাতায় এই আন্দোলন চলছে। আগামিদিনে বাংলার গ্রামাঞ্চলেও এই আন্দোলন ছড়িয়ে দিতে হবে।

    আরও পড়ুুন: যত মত তত পথ! ‘‘উপাসনার অনেক পদ্ধতি, লক্ষ্য একটাই’’, বললেন মোহন ভাগবত

    প্রসঙ্গত, বকেয়া ডিএর (DA) দাবিতে ২০ ও ২১ ফেব্রুয়ারি টানা দু দিন সরকারি দফতরে কর্মবিরতি পালন করেছিলেন আন্দোলনকারী সরকারি কর্মীরা। ১০ মার্চ রাজ্যজুড়ে ধর্মঘট পালন করেন। তার পরেও ডিএ-র দাবি মেনে নেওয়া হয়নি সরকারের তরফে। বকেয়া ডিএ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, কত চাই? কত দিলে সন্তুষ্ট হবেন? দয়া করে আমার মুণ্ডটা কেটে নিন, তাহলে যদি আপনারা সন্তুষ্ট হন। আমাকে যদি পছন্দ না হয়, তাহলে আমার মুণ্ডটা কেটে নিন। কিন্তু এর থেকে বেশি আমার থেকে আর পাবেন না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Covid New Variant: ফের করোনা আতঙ্ক! ইজরায়েলে সন্ধান মিলল নতুন ভ্যারিয়েন্টের

    Covid New Variant: ফের করোনা আতঙ্ক! ইজরায়েলে সন্ধান মিলল নতুন ভ্যারিয়েন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও বিশ্বজুড়ে করোনা আতঙ্ক। এবার ইজরায়েল থেকে এল উদ্বেগ বার্তা। জানা গিয়েছে বিদেশ সফর সেরে ইজরায়েলে ফিরেছিলেন এক দম্পতি, তখনই দেখা যায়, দুজনের শরীরেই ধরা পড়েছে করোনা ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট (covid new variant)। এই নতুন প্রজাতি নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। দেখা যাচ্ছে, এই নতুন প্রজাতিটি বিএ.১ বা ওমিক্রন এবং বিএ.২ (ওমিক্রনের সাব-ভেরিয়েন্ট)-এর মিশ্রণ। প্রসঙ্গত কয়েকমাস আগে ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়েন্ট বিএফ ৭ ব্যাপক সংক্রমণ ছড়িয়ে ছিল সমগ্র চিনে।

    আরও পড়ুন: আজ পাপমোচিনী একাদশী, জানেন এর তাৎপর্য? এক নজরে পুজো-বিধি

    কী জানাল ইজরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    ইজরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে যে, আক্রান্ত ব্যক্তিদের জ্বর, মাথার যন্ত্রণা, গায়ে ব্যথা রয়েছে। তবে সেগুলি কিছুই খুব সাংঘাতিক মাত্রায় নয়। তাঁদের গুরুতর চিকিৎসারও দরকার পড়ছে না। সন্দেহ করা হচ্ছে, ওই তরুণ দম্পতি নিজেদের সন্তানের দ্বারা সংক্রমিত হয়েছেন। ইজরায়েলের এক কোভিড বিশেষজ্ঞের কথায় , এক্ষেত্রে দুটি করোনা প্রজাতির মিশ্রণ দেখা যাচ্ছে। একে অন্যের সংস্পর্শে এলে ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্টগুলি (covid new variant) মিশে যাওয়ার চেষ্টাই করে।

    আরও পড়ুন: সীমান্তে বাড়ছে চিনা ফৌজের দাপাদাপি! মোকাবিলায় প্রস্তুত ভারতও, বললেন সেনা প্রধান

    করোনার বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্টগুলি (covid new variant) নিয়ে বিশ্ববাসীকে সচেতন করবে ‘হু’

    ইতিমধ্যেই ইজরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রক হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে মাস্ক পরার নিয়ম প্রত্যাহার করে নিয়েছে। তার পরেই দেশ জুড়ে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানিয়েছে, ওমিক্রনের ক্রমাগত জেনেটিক বিবর্তন সম্পর্কে তারা অবগত। বিষয়টিকে নজরে রাখা হচ্ছে। তাদের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, তারা অতিমারির বর্তমান পরিস্থিতি ও সক্রিয় ভ্যারিয়েন্টগুলি সম্পর্কে জানাতে থাকবে। হু-র বক্তব্য, ‘‘এতে গোটা বিশ্বের ভ্যারিয়েন্ট-চিত্র সম্পর্কে ভালোভাবে বোঝা সম্ভব হবে।’’

     

    আরও পড়ুন: মার্কিন এয়ার ফোর্সের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি পদে ভারতীয় বংশোদ্ভুত রবি চৌধুরী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • TMC: শিয়রে পঞ্চায়েত-লোকসভা ভোট! তাই কি সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতে মরিয়া তৃণমূল?

    TMC: শিয়রে পঞ্চায়েত-লোকসভা ভোট! তাই কি সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতে মরিয়া তৃণমূল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দাবি করেছেন, এখনও সুরক্ষিত আছে সংখ্যালঘু ভোট। কিন্তু, সদ্য সমাপ্ত সাগরদিঘি বিধানসভা উপ-নির্বাচনের ফল কিন্তু অন্য ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে কি থাবা বসিয়েছেন বিরোধীরা? মুসলিম ভোটাররা সরে যাচ্ছেন তৃণমূলের (TMC) পাশ থেকে? দলীয় সূত্রে খবর, বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত খোদ তৃণমূল সুপ্রিমোও। আর এই পরাজয়ের জেরেই ব্যাপক রদবদল ঘটানো হয়েছে তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলে।

    সংখ্যালঘু ভোট সুরক্ষিত?

    শুক্রবার, কালীঘাটে (Kalighat) বসেছিল দলের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বৈঠকে যোগ দেননি উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী। যদিও, এর পরেও সংখ্যালঘু ভোট সুরক্ষিত বলে বৈঠকে দাবি করেন মমতা। বৈঠকে তিনি বলেন, ‘‘সংখ্যালঘুরা আমাদের সঙ্গে আছে, সংখ্যালঘু ভোট কমেনি।’’ তবে দলীয় সূত্রের খবর, মুখে যাই বলুন না কেন তৃণমূলনেত্রী, মুসলিম ভোটের একাংশ যে শাসক দলের থেকে দূরে সরে গিয়েছে, তা ভালই টের পেয়েছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রমাণ স্বরূপ, সাগরদিঘি উপ-নির্বাচনে গতবারের তুলনায় অনেকটাই ভোট কমেছে তৃণমূলের (TMC)। ২ বছরে ভোটপ্রাপ্তির হার ৫০.৯৫ থেকে ৩৪.৯৩ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৫০,২০৬ ভোটে তৃণমূল জিতেছিল সাগরদিঘিতে। সেখানে তারা এ বার হেরেছে ২২ হাজারেরও বেশি ভোটে।

    সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি বদল

    সাগরদিঘি উপ-নির্বাচনে হার যে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে অস্বস্তি ও উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছিল, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে দলের সিদ্ধান্তে। উপ-নির্বাচনের পরেই, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক নিশ্চিত করতে একের পর এক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফল প্রকাশের পরে হারের কারণ জানতে পাঁচজনের কমিটি তৈরি করেন তৃণমূলনেত্রী। পাশাপাশি, ফুরফুরা শরিফের দায়িত্ব ফিরহাদ হাকিমের থেকে নিয়ে বিধায়ক তপন দাশগুপ্তকে দেন। আর শুক্রবারের বৈঠকে একাধিক বদলের ঘোষণা করেন মমতা। দলে সংখ্যালঘু মুখদের গুরুত্ব বাড়ানো হয়েছে। যেমন, দলের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি বদলে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এত দিন এই পদে ছিলেন হাড়োয়ার বিধায়ক হাজি নুরুল ইসলাম। তাঁর জায়গায় মমতা নিয়ে এলেন দলের যুব নেতা তথা ইটাহারের বিধায়ক মোশারফ হোসেনকে। মোশারফ উত্তর দিনাজপুর জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতিও। হাজি নুরুলকে সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওই সেলের চেয়ারম্যান পদের। সেই পদে এত দিন ছিলেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। 

    আরও পড়ুুন: ‘রাহুল গান্ধী দেশ-বিরোধী টুলকিটে পরিণত হয়েছেন’, কংগ্রেসকে নিশানা নাড্ডার

    তবে, গুরুত্ব বাড়ানো হয়েছে গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লারও। তাঁকে মুর্শিদাবাদ ও মালদহ জেলার সংগঠন দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সিদ্দিকুল্লাকে সহযোগিতা করতে দলের আরও দুই সংখ্যালঘু নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এঁরা হলেন মোথাবাড়ির বিধায়ক তথা রাজ্যের সেচ প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন এবং রাজ্যসভার সাংসদ নাদিমুল হক। হাজি নুরুলকে সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি থেকে চেয়ারম্যান করার পাশাপাশি বসিরহাট জেলার তৃণমূলের (TMC) চেয়ারম্যানের পদে রাখা হয়েছে।

    মমতার শুক্রবারের ঘোষণাগুলো কার্যত প্রমাণ করে যে, সাগরদিঘির উপ-নির্বাচনের ফলে শাসক শিবির থরহরিকম্পমান। তাই এখন আসন্ন পঞ্চায়েত ও ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক ফেরাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে শাসক দল। এখন দেখার, এই রদবদলের কী প্রভাব পড়ে বা আদৌ কোনও প্রভাব পড়ে কি না!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে শান্তনুর বিপুল সম্পত্তির হদিশ! শনিবার হুগলির বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি ইডির

    ED Raid: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে শান্তনুর বিপুল সম্পত্তির হদিশ! শনিবার হুগলির বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ( Bengal Recruitment Scam )  বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Shantanu Banerjee ) বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেতে শনিবার সকাল থেকেই আলাদা আলাদা দল করে হুগলির একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ইডির আধিকারিকরা (ED Raid)। তার মধ্যে রয়েছে, ব্যান্ডেলের বালির মোড় এবং ব্যান্ডেল চার্চের কাছের দু’টি বাড়িও। তালিকায় রয়েছে বলাগড়ের চাদরার একটি রিসর্ট। ইডি (ED Raid) সূত্রে খবর, এই দুই সম্পত্তির সঙ্গেই যোগ রয়েছে শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রীর। 

    রিসর্টে তল্লাশি

    ইডি সূত্রে খবর, শান্তনু গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই চাদরার এই রিসর্টে তালা। সেই তালা ভাঙতে না পেরে এদিন বড় বড় হাতুড়ি আনান গোয়েন্দারা। হাতুড়ি দিয়ে তালা ভেঙে রিসর্টে ঢোকেন তদন্তকারীরা। সেখানে ঘরে ঘরে তল্লাশি (ED Raid) জারি রয়েছে। বলাগড়ে ১০ বিঘা জমির উপর রিসর্ট তৈরি করে শান্তনু। মোটা টাকা বিনিয়োগ করেই যে এই ঝাঁ চকচকে রিসর্টটি তৈরি হয়েছে সে ব্যাপারে কোনও সংশয় নেই গোয়েন্দাদের। শনিবার সকাল দশটা নাগাদ এই রিসর্টে আসেন ইডির আধিকারিকরা। গেটের তালা ভেঙে রিসর্টে ঢোকেন তাঁরা। এরপর ভিতরের ঘরগুলির একের পর এক তালা ভাঙেন তাঁরা। সম্পত্তির পরিমাণ জানাতে এবং এই সংক্রান্ত অন্য নথির খোঁজে দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে তল্লাশি (ED Raid)।

    আরও পড়ুন: আইনজীবী সঞ্জয় বসুকে রক্ষাকবচ! হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে ইডি

    ব্যান্ডেলের বাড়িতে তল্লাশি

    ব্যান্ডেলের বালির মোড়ে শান্তনুর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কার নামে কয়েক বছর আগে তিরিশ লক্ষ টাকায় একটি দোতলা বাড়ি কেনা হয়। শনিবার সকালে ইডি আধিকারিকরা (ED Raid) সেই বাড়িতেও হানা দেন। বালির মোড়ের দোতলা বাড়ির তালা ভাঙার চেষ্টার পর পিছনের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢোকেন ইডি আধিকারিকরা। শান্তনুর বেআইনি কাজকর্মের নথির খোঁজ পেতে এই বাড়িতেও জোরদার তল্লাশি (ED Raid) চলছে। এর মধ্যেই ইডির নজরে আসে চুঁচুড়া জগুদাসপাড়ায় শান্তনুর একটি ফ্ল্যাট। সেই বাড়িতেও হানা দেয় ইডির একটি দল। কিন্তু সেই ফ্ল্যাটের চাবি না পাওয়ায় সরাসরি ফ্ল্যাটের প্রোমোটার অয়নের বাড়িতে হানা দিয়েছেন তাঁরা। এর আগে স্কুলের নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ড প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক বার হানা চালিয়েছে ইডি। গ্রেফতারও করা হয়েছে একাধিক অভিযুক্তকে। তবে সম্প্রতি ইডির নজরে হুগলি তৃণমূলের বহিষ্কৃত যুব নেতা শান্তনু এবং কুন্তল ঘোষ। ইতিমধ্যেই তাঁদের সঙ্গে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের অভিযোগও উঠে এসেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share