Blog

  • Indian Coast Guard Day: ১ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা দিবস

    Indian Coast Guard Day: ১ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা দিবস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছর প্রায় ২৭৯ জনকে বাঁচিয়েছে ভারতের উপকূলরক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard Day)। এমনটাই জানালেন বাহিনীর আইজি ইকবাল সিং চৌহান। এও জানিয়ে রাখলেন, শুধু মানব-জীবন রক্ষাই নয়, পরিবেশ রক্ষার বিষয়েও সজাগ তাঁরা।

    আগামীকাল, অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ডের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা দিবস (Indian Coast Guard Day)। দেশজুড়ে ধুমধামের সঙ্গে পালন করা হবে উপকূলরক্ষী বাহিনীর এই বিশেষ দিনটি। সেই উপলক্ষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে উপকূলরক্ষী বাহিনীর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার বলেন, ২০২২ সালে ২৭৯ জনকে বাঁচিয়েছে উপকূলরক্ষী বাহিনী। এখনও পর্যন্ত প্রায় ১২ হাজার জীবন বাঁচিয়েছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। 

    সদা-সতর্ক ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ড

    দেশের পশ্চিম ও দক্ষিণ উপকূলের তুলনায় পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ক্ষেত্রের পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক ও শান্ত বলে উল্লেখ করেও চৌহান মনে করিয়ে দেন, উপকূল রক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard Day) সদা-সতর্ক রয়েছে। আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই। এই প্রেক্ষিতেই তিনি বলেন, উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের অন্তর্গত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সেই আওতায় সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের সাগর এবং ওড়িশার গোপালপুর ও পারাদ্বীপে রেডার স্টেশন কার্যকর করা হয়েছে। আরও কয়েকটি রেডার স্টেশন শীঘ্রই নির্মাণ হবে। তবে, সেগুলি কোথায় বসবে, সে বিষয়ে তিনি খোলসা করেননি।

    বর্তমান শক্তি…

    চৌহান জানান, ভবিষ্যতের পরিস্থিতি ও প্রয়োজনীয়তা বিচার করে শক্তি বৃদ্ধির পথে ক্রমশ এগিয়ে চলেছে উপকূলরক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard Day)। তিনি জানান, এই মুহূর্তে ২০০টি জাহাজ ও ১০০টি বিমানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোচ্ছে বাহিনী। বর্তমানে ছোট-মাঝারি-বড় মিলিয়ে রয়েছে ১৫৮টি জাহাজ। দ্রুতগামী প্যাট্রল ভেসেলের সংখ্যা প্রায় ৫০। ১১৫ মিটার বা তার বেশি লম্বা জাহাজ রয়েছে ২৭টি। এছাড়াও বাকি সব মিলিয়ে রয়েছে প্রায় ৬৭টি জাহাজ। ১২টি জাহাজ নির্মাণপর্বে রয়েছে। 

    বাহিনীর ইতিহাস

    কোস্ট গার্ড আইনের মাধ্যমে ১৯৭৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ড বা ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard Day)। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোরারজী দেশাই ১৯৭৮ সালের ১৯ অগাস্ট উপকূলরক্ষী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন। সেই সময় বাহিনীর হাতে ছিল মাত্র সাতটি জাহাজ। সেই থেকেই নির্ভিকভাবে ভারতের সুদীর্ঘ উপকূলের নিরন্তর রক্ষা করে চলেছে উপকূলরক্ষী বাহিনী।

  • CBI: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইকেই কাঠগড়ায় তুললেন বিচারপতি বসু

    CBI: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইকেই কাঠগড়ায় তুললেন বিচারপতি বসু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়- এর পর এবার সিবিআইয়ের (CBI) কাজ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন হাইকোর্টের আরও এক বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। বিচারপতির অভিযোগ, ইচ্ছে করে তদন্তে দেরি করছে সিবিআই। মঙ্গলবার নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানিতে বিচারপতি বসু জানান, সিবিআইয়ের ভূমিকাকে তিনি সন্দেহের চোখেই দেখছেন।    

    মঙ্গলবার নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি বসুর (CBI) এজলাসে। সেখানে তিনি সিবিআইয়ের আইনজীবীর উদ্দেশে তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘‘আমার মনে হচ্ছে, আপনারা ইচ্ছাকৃত ভাবে তদন্তে দেরি করাচ্ছেন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘যত দ্রুত সম্ভব সমাজ থেকে জঞ্জাল সরিয়ে উপযুক্ত ব্যক্তিদের জায়গা করে দিতে হবে।’’  

    উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানিতে মুখবন্ধ খামে রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই (CBI)। সিবিআইয়ের হয়ে আইনজীবী যে সওয়াল করছেন, তার সঙ্গে ওই রিপোর্টের কোনও মিল নেই বলে জানিয়েছেন বিচারপতি বসু। বিচারপতি বসু আরও বলেন, ‘‘দেশের অন্যতম প্রধান তদন্তকারী সংস্থার কাছে এমন ভুল আশা করা যায় না। সিবিআইয়ের রিপোর্টের সঙ্গে আইনজীবীর দেওয়া তথ্যের কোনও মিল নেই। এমনটা হল কী করে?’’ বিচারপতি বলেন, ‘‘আপনাদের ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ হচ্ছে। কাগজপত্র-সহ সমস্ত তথ্য তিন বার যাচাই করে পাঠানো উচিত।’’ আগামী বৃহস্পতিবার ফের সিবিআইকে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: অমর্ত্যর বাড়ি সম্পর্কিত যে কাগজ মমতা দেখাচ্ছেন, তা অপ্রাসঙ্গিক, সাফ জানালেন উপাচার্য     

    এদিন এসএসসির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আদালত। এসএসসি- র বিচারপতি বসু বলেন, ‘‘সব কি আদালতের দায়িত্ব? আপনারা যে ভাবে যুক্তি দিচ্ছেন, তাতে মনে হচ্ছে কেউ ঠকিয়ে চলে গেলেও, চুপ করে বসে থাকবেন। চুপ থাকবেন তো? এত ভয় কেন? যা হয়েছে, মুছে এগিয়ে চলুন। নিজের ক্ষমতা কেন প্রয়োগ করছেন না? এসএসসি-র চেয়ারম্যানকে বলুন, অযোগ্যদের বরখাস্ত করে যোগ্যদের চাকরি দিতে।’’ 

    মঙ্গলবারই সিবিআইয়ের (CBI) এক আধিকারিককে তদন্ত থেকে বাদ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় এমনও নির্দেশ দেন যে, ওই তদন্তকারী কর্তা যেন কোনও তদন্তের ফাইল স্পর্শ করতে না পারেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • Andhra Pradesh: অন্ধ্রের নতুন রাজধানী বিশাখাপত্তনম! দিল্লিতে ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডির

    Andhra Pradesh: অন্ধ্রের নতুন রাজধানী বিশাখাপত্তনম! দিল্লিতে ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশের নতুন রাজধানী হচ্ছে বিশাখাপত্তনম। আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও রাজধানী হিসেবে সেই বিশাখাপত্তনমকেই বেছে নিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডি (Andhra New Capital)। দিল্লিতে  ইন্টারন্যাশনাল ডিপ্লোমেটিক অ্যালায়েন্সের সভায় মঙ্গলবার এই ঘোষণা করেন তিনি৷ এদিন জগন বলেন, “আজ আপনাদের বিশাখাপত্তনমে আমন্ত্রণ জানাতে এসেছি, যা কিনা আগামী দিনে আমাদের রাজধানী হতে চলেছে।” ঠিক কবে তিনি বিশাখাপত্তনমে সরে যাচ্ছেন, তা যদিও নির্দিষ্ট করে জানাননি জগন। তবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই রাজধানীতে স্থানান্তরণ সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন।

    শহরকে সাজানোর পরিকল্পনা

    উপকূলবর্তী ওই শহরকে ঢেলে সাজানোর কথাও ঘোষণা করেন জগন মোহন। তিনি বলেন,”আগামী ৩-৪ মার্চ বিশাখাপত্তনমে একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। সেখানে আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।” বর্তমানে অন্ধ্র প্রদেশের রাজধানী অমরাবতী। সেই অমরাবতী আদৌ রাজধানী থাকবে কিনা তা নিয়ে মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। অন্ধ্র হাইকোর্ট অমরাবতীকেই রাজধানী করার ব্যাপারে রায় দিয়েছে। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মামলা উঠেছে সর্বোচ্চ আদালতে। তার মধ্যেই রাজ্যের রাজধানী বিশাখাপত্তনমে করার ঘোষণা করলেন জগন রেড্ডি।

    আরও পড়ুন: ‘৩৭০ ধারা থেকে তিন তালাক বাতিল…, আমার সরকার নির্ভীক সরকার’, বললেন রাষ্ট্রপতি  

    জগনের যুক্তি

    নয় বছর আগে অখণ্ড অন্ধ্রপ্রদেশ ভাগ হওয়ার পর বিভাজিত রাজ্যের রাজধানী করা হয়েছিল অমরাবতীকে। কিন্তু গত ৩ বছরে দুবার রাজ্যের রাজধানী বিশাখাপত্তনমে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন জগন মোহন রেড্ডি। কিন্তু দুবারই আদালতে মামলার কারণে তাঁকে পিছিয়ে আসতে হয়। কিন্তু এবার শোনা যাচ্ছে রাজ্যের আধিকারীকদের বিশাখাপত্তনমে দফতর খোলার জায়গা দেখাতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। জগনের যুক্তি, রাজ্যের মানুষ চাইলে রাজধানী হিসেবে বিশাখাপত্তনম, চেন্নাই ও হায়দ্রাবাদের সঙ্গে একমাত্র পাল্লা দিতে পারবে। উপকুলবর্তী বিশাখাপত্তনম বরাবর অন্ধ্রের অর্থনীতিকে মজবুত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, বলে মনে করেন তিনি। আগেও বিশাখাপত্তনম থেকে কাজকর্ম সামলেছেন জগনমোহন রেড্ডি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Adani: ক্ষতির মুখে আদানি গোষ্ঠী, তিন দিনেই হাওয়া ১১.৮ লক্ষ কোটি টাকা

    Adani: ক্ষতির মুখে আদানি গোষ্ঠী, তিন দিনেই হাওয়া ১১.৮ লক্ষ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়সড় আর্থিক ক্ষতির মুখে গৌতম আদানির সংস্থা (Adani)। আদানি গ্রুপকে নিয়ে হিনডেনবার্গ রিসার্চের একটি চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট সামনে এসেছে। রিপোর্ট প্রকাশের পরই  সংস্থাটির অধীন তাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শেয়ারমূল্য তিন দিনে প্রায় ৬৫ বিলিয়ন ডলার কমেছে। 

    ফোর্বসের তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির তালিকায় গৌতম আদানি (Adani) তিন থেকে আটে নেমে এসেছেন। এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি গৌতম আদানির সংস্থার বিরুদ্ধে গত সপ্তাহে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে নিউইয়্ররকের শর্ট–সেলার হিনডেনবার্গ। এই রিপোর্টে আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে ‘কর্পোরেট জগতের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জালিয়াতির’‌ অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া আদানি গ্রুপের ঋণের পরিমাণ ও তাদের ট্যাক্স হেভেন ব্যবহার নিয়েও এই রিপোর্টে কিছু বিশেষ তথ্য দেওয়া হয়েছে।   

    রবিবার এক বিবৃতি জারি করে আদানি (Adani) গ্রুপ হিনডেনবার্গের বিরুদ্ধে ভারত ও তার প্রতিষ্ঠানের ওপর আক্রমণের অভিযোগ এনেছে। প্রায় ৪০০ পৃষ্ঠার বিবৃতিতে আদানি  গ্রুপ জানায়, স্থানীয় আইন মেনেই সবকিছু করেছে সংস্থা। আইন অনুযায়ী যেসব তথ্য প্রকাশ করার, তা করেছে।

    আরও পড়ুন: ‘৩৭০ ধারা থেকে তিন তালাক বাতিল…, আমার সরকার নির্ভীক সরকার’, বললেন রাষ্ট্রপতি  

    এরপরেই আদানি (Adani) গ্রুপের প্রতিষ্ঠান আদানি ট্রান্সমিশন ও আদানি টোটাল গ্যাসের শেয়ারমূল্য সোমবার ২০ শতাংশ পড়ে যায়। এছাড়া আদানি গ্রিন এনার্জির শেয়ারের মূল্য ১৬ শতাংশ কমেছে।

    ‘লাইভ মিন্ট’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু সোমবারই আদানি গ্রুপের ছ’টি শেয়ারে ১.৫৩ লক্ষ কোটি টাকা খোয়া গিয়েছে। শুধুমাত্র একটি শেয়ারই ওপরের দিকে উঠেছে।

    এক নজরে কোন শেয়ারের কত পতন?

    • আদামি উইলমার: সোমবার বিএসইতে (বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ) পাঁচ শতাংশ পতনের মুখে পড়েছে। প্রতিটি শেয়ারের দাম পড়ছে ৪৯১.৪৫ টাকা। 
    • আদানি টোটাল গ্যাস: সোমবার বিএসইতে ২০ শতাংশ (প্রতিটি শেয়ারের দাম ৫৮৬.৯ টাকা) পতনের মুখে পড়েছে আদানি টোটাল গ্যাস। আপাতত প্রতিটি শেয়ারের দাম পড়ছে ২,৩৪৭.৬৫ টাকা।
    • আদানি গ্রিন এনার্জি লিমিটেড: আজ বিএসইতে ১৯.৯৯ শতাংশ পতনের মুখে পড়েছে আদানি গ্রিন এনার্জি লিমিটেড। আজ বাজার বন্ধের সময় প্রতিটি শেয়ারের দাম ঠেকেছে ১,১৮৭.৭ টাকা। আজই ৫২ সপ্তাহের সর্বনিম্ন স্তরে নেমে গিয়েছিল।
    • আদানি ট্রান্সমিশন: সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে ১৪.৯১ শতাংশ পতন হয়েছে। সকালের দিকে তো ৫২ সপ্তাহের সর্বনিম্ন স্তরে নেমে গিয়েছিল (প্রতিটি শেয়ারের দাম ১,৬০৭.৮ টাকা)। তারপর কিছুটা উত্থান হয়ে প্রতিটি শেয়ারের দাম দাঁড়িয়েছে ১,৭১০.১ টাকা।
    • আদানি পাওয়ার: আজ পাঁচ শতাংশ কমে গিয়েছে আদানি পাওয়ারের শেয়ারের দাম। আপাতত প্রতিটি শেয়ারের দাম ঠেকেছে ২৩৫.৬৫ টাকায়।
    • আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকোনমিক জোনস লিমিটেডের শেয়ার: শেয়ার বাজারে আদানি গ্রুপের রক্তক্ষরণের মধ্যে দিনের শুরুতে কিছুটা আশার আলো দেখিয়েছিল আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকোনমিক জোনস লিমিটেডের শেয়ার। ছুঁয়ে ফেলেছিল আপার সার্কিট। কিন্তু বাজার বন্ধের সময় সেটিও ‘লাল’ জোনে চলে গিয়েছে। ০.২৯ শতাংশ কমে প্রতিটি শেয়ারের দাম দাঁড়িয়েছে ৫৯৬.৮৫ টাকা।
    • আদানি এন্টারপ্রাইজের শেয়ার: আদানি গ্রুপের দুর্দশার মধ্যে একমাত্র মুখরক্ষা করেছে আদানি এন্টারপ্রাইজের শেয়ার। প্রতিটি শেয়ারের দাম ৪.২১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,৮৭৮.৫ টাকা। একটা সময় ‘আপার সার্কিট’ ছুঁলে ফেলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • Draupadi Murmu: ‘৩৭০ ধারা থেকে তিন তালাক বাতিল…, আমার সরকার নির্ভীক সরকার’, বললেন রাষ্ট্রপতি

    Draupadi Murmu: ‘৩৭০ ধারা থেকে তিন তালাক বাতিল…, আমার সরকার নির্ভীক সরকার’, বললেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সার্জিক্যাল স্ট্রাইক থেকে সন্ত্রাসবাদ দমনে কড়া পদক্ষেপ, লাইন অফ কন্ট্রোল থেকে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল, ৩৭০ ধারা থেকে তিন তালাক বাতিল, এসব কাজ করে আমার সরকার পরিচিত হয়েছে নির্ভীক সরকার হিসেবে। মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনের শুরুতে সংসদে ভাষণ দিতে গিয়ে এ কথাই বললেন রাষ্ট্রপতি (President) দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। গোটা বিশ্ব ভারতের (India) দিকে তাকিয়ে রয়েছে বলেও জানান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য এমন এক ভারত তৈরি করা যেখানে মানুষ প্রকৃত অর্থেই আত্মনির্ভর হবেন।

    রাষ্ট্রপতি উবাচ…

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, আজ দেশে একটি স্থায়ী, নির্ভীক সরকার রয়েছে। যা বড় স্বপ্ন পূরণের ক্ষেত্রে সহায়ক। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা রদ, তিন তালাক রদের মতো সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গ টেনে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমার সরকার বড় সিদ্ধান্ত নিতে অকারণ কালক্ষেপ করেনি। তিনি বলেন, সব চেয়ে বড় বদল এসেছে প্রতিটি ভারতীয়ের মানসিকতায়। তাঁরা আজ আত্মবিশ্বাসে টগবগ করে ফুটছেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, এই কারণেই ভারত সম্পর্কে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মূল্যায়নও বদলে গিয়েছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান ভারত আত্মবিশ্বাসী। দেশকে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখে সারা বিশ্ব। আন্তর্জাতিক সমস্যার সমাধানও করছে ভারত। তিনি বলেন, নির্ভয় ও শক্তিশালী সরকারের হাত ধরেই নতুন স্বপ্ন দেখছে ভারত। সমস্যা মেটাতে শর্টকার্ট নয়, স্থায়ী সমাধান করেছে এই সরকার।

    আরও পড়ুুন: অযোধ্যায় রামলালার বিগ্রহ তৈরির পাথর আসছে নেপাল থেকে! জানেন এই শীলার মাহাত্ম্য?

    রাষ্ট্রপতি বলেন, কোভিডের সময় সারা বিশ্ব যেখানে সংকটের মধ্যে পড়েছে কিন্তু ভারত এই সমস্যার মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। বিশ্বব্যাপী দারিদ্রের মধ্যেও দেশবাসীর হাতে ২৭ লক্ষ কোটি টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে, যেন অতিমারির সময় তাঁদের খাদ্য সংকটে পড়তে না হয়। তিনি (Draupadi Murmu) বলেন, সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্তভাবে গোটা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। ২০৪৭ সালের মধ্যে এই সরকার দারিদ্রমুক্ত ভারত গড়বে বলেও জানান রাষ্ট্রপতি। গত ন বছরে একাধিক ক্ষেত্রে উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে ভারত উঠে এসেছে বলেও জানান তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা গিয়েছে। ওই দেশগুলি নানা সমস্যায় জর্জরিত। কিন্তু আমার সরকার দেশবাসী স্বার্থে এমন সব সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারত ভাল জায়গায় রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

  • Ajit Doval: আমেরিকা পৌঁছলেন অজিত ডোভাল, কী নিয়ে বৈঠক করতে জানেন?

    Ajit Doval: আমেরিকা পৌঁছলেন অজিত ডোভাল, কী নিয়ে বৈঠক করতে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকা (US) পৌঁছলেন ভারতের (India) জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) অজিত দোভাল (Ajit Doval)। সোমবার সকালে তিনি ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন। জানা গিয়েছে, ইনিশিয়েটিভ ফর ক্রিটিক্যাল অ্যান্ড এমার্জিং টেকনোলজিজ নিয়ে আলোচনা হবে দু পক্ষের মধ্যে। প্রসঙ্গত, ওয়াশিংটনের সঙ্গে দোভালের এ নিয়ে এটাই হতে চলেছে প্রথম বৈঠক। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে ওই বৈঠক হবে। ভারতের তরফে যেমন উপস্থিত থাকবেন ডোভাল, তেমনি আমেরিকার তরফে হাজির থাকবেন জ্যক সুলিভান। বৈঠক হবে হোয়াইট হাউসে।

    মাইলস্টোন…

    ভারত মার্কিন নানা আলোচনা নিয়ে যাঁরা খবরাখবর রাখেন সেরকমই এক আধিকারিক বলেন, ভারত মার্কিন স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের পরবর্তী সব চেয়ে বড় মাইলস্টোন হল ইনিশিয়েটিভ ফর ক্রিটিক্যাল অ্যান্ড এমার্জিং টেকনোলজিজ। দোভালের (Ajit Doval) সঙ্গে এই আলোচনার পর ফের হবে পরবর্তী পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। সেই আলোচনায় উঠে আসবে ভারতের স্বার্থের নানা বিষয়। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে গিয়েছে উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধি দল। পাঁচজনের ওই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ভারতের প্রিন্সিপাল সায়েন্টিফিক অ্যাডভাইজার, ইসরোর চেয়ারম্যান, প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সায়েন্টিফিক অ্যাডভাইজার, টেলি কমিউনিকেশন দফতরের সেক্রেটারি এবং ডিআরডিওর ডিজি। ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেলিগেশনের একটি দলও গিয়েছে আমেরিকার প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলতে।

    আরও পড়ুুন: ভারত-চিন যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে রাহুলকে একহাত নিলেন জয়শঙ্কর, কী বললেন বিদেশমন্ত্রী?

    জানা গিয়েছে, গত বছর জাপানের টোকিওতে হয় কোয়াড সম্মেলন। ওই সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পার্শ্ব বৈঠক হয়। সেখানেই ইনিশিয়েটিভ ফর ক্রিটিক্যাল অ্যান্ড এমার্জিং টেকনোলজিজ নিয়ে দুপক্ষে প্রাথমিক কথাবার্তাও হয়। তার জেরেই হচ্ছে এবারের বৈঠক। হোয়াইট হাউসের ওই বৈঠকে ওয়াশিংটন এবং নয়াদিল্লির আলোচনার মূল কেন্দ্রে থাকবে স্ট্র্যাটেজিক, কমার্সিয়াল এবং সায়েন্টিফিক অ্যাপ্রোচ। বিশেষ জোর দেওয়া হবে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে। এক আধিকারিক জানান,  ইনিশিয়েটিভ ফর ক্রিটিক্যাল অ্যান্ড এমার্জিং টেকনোলজিজের মাধ্যমে ভারত একটা বার্তা পাঠাতে পারে। ভারত যে আমেরিকার বিশ্বস্ত একটি পার্টনার, সেই বার্তাও পৌঁছে দেওয়া হবে। ভারত এবং আমেরিকা দুই গণতান্ত্রিক দেশ কীভাবে আরও মজবুত সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের আশা, ভারত এবং আমেরিকা সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করতে সক্ষম হবে এই বৈঠকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     

               

  • Rajnath Singh: সীমান্ত সুরক্ষিত, ভয় নেই! সর্বদলীয় বৈঠকে বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: সীমান্ত সুরক্ষিত, ভয় নেই! সর্বদলীয় বৈঠকে বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গালওয়ান সংঘর্ষের পর থেকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সদা সজাগ ভারতীয় সেনা। তাই কোনও ভয়ের কারণ নেই। দেশবাসী নিরাপদ রয়েছে সীমান্ত সুরক্ষিত রয়েছে, বলে জানালেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বাজেট অধিবেশনের আগে সোমবার সর্বদলীয় বৈঠকে রাজনাথ বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি-পরিকল্পনার জন্য আজ দেশের সীমান্ত সুরক্ষিত। যার ফলে দেশের মানুষ অনেক শান্তিতে রয়েছেন।”

    আলাপচারিতা

    আগামী বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে। আগামী বছর, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে এটাই নরেন্দ্র মোদি সরকারের পূর্ণাঙ্গ বাজেট। বাজেট অধিবেশন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এদিন সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। এদিন দুপুর সাড়ে ৩টে নাগাদ সংসদ ভবনেই সর্বদলীয় বৈঠক হয়। বিরোধী দলগুলির প্রতিনিধিরা যেমন বাজেট অধিবেশন নিয়ে তাঁদের প্রত্যাশা প্রকাশ করেন, তেমনই সুষ্ঠুভাবে বৈঠক করার জন্য বিরোধীদের কাছে আবেদন করেন সংসদীয় মন্ত্রী। ২৭ টি রাজনৈতিক দলের মোট ৩৭ জন নেতা যোগ দিয়েছিলেন এদিনের সর্বদল বৈঠকে। 

    আরও পড়ুন:মমতার পাশে নেই কেষ্ট! অনুব্রত-হীন বীরভূমে মুখ বাঁচাতে নয়া কৌশল তৃণমূলের?

    ছিল না কংগ্রেস

    সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংসদ উপনেতা রাজনাথ সিং, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী, পীযূষ গোয়াল, ভি মুরালিধরন প্রমুখরা। তৃণমূল নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুখেন্দু শেখর রায় সহ প্রমুখ বিরোধী নেতাদের উপস্থিতিতে এদিনের বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু কংগ্রেস থেকে কোনও নেতাই উপস্থিত ছিলেন না বৈঠকে।  ফলে তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। এদিনের সর্বদলীয় বৈঠকে সমস্ত দল যোগ দিলেও হাজির ছিলেন না মল্লিকার্জুন খাড়্গে, অধীর চৌধুরী সহ কংগ্রেসের কোনও প্রতিনিধি। যদিও এদিনের সর্বদলীয় বৈঠক তাঁরা বয়কট করেননি, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ভারত জোড়ো আন্দোলন নিয়েই ব্যস্ত,তাই যোগ দেয়নি কংগ্রেস, এমনটাই জানানো হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mid Day Meal: ৮১ জন পড়ুয়ার জন্যে ৭ কিলো চাল! স্কুল পরিদর্শনে এসে অবাক কেন্দ্রীয় দল

    Mid Day Meal: ৮১ জন পড়ুয়ার জন্যে ৭ কিলো চাল! স্কুল পরিদর্শনে এসে অবাক কেন্দ্রীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৮১ জন পড়ুয়ার জন্যে মাত্র ৭ কিলো চাল। রাজারহাটের বনমালিপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (Mid Day Meal) পরিদর্শনে এসে হতবাক কেন্দ্রীয় দল। সোমবার বেলা ১২টার দিকে স্কুলে এসে পৌঁছন কেন্দ্রের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। স্কুলে পৌঁছেই কথা বলেন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে। এরপর ক্লাসরুমে পড়ুয়াদের সঙ্গেও কথা বলেন। এরপরেই সোজা রান্নাঘরে ঢুকে যান কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। ঘুরে দেখেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি। রান্নায় ব্যবহৃত সরঞ্জাম খতিয়ে দেখেন তাঁরা। 

    কী জানতে চায় কেন্দ্রীয় দল? 

    রান্নার পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা (Mid Day Meal) সম্পর্কে বেশ কিছু প্রশ্নও করেন তাঁরা। কর্মীদের জিজ্ঞেস করেন, কবে তৈরি হয়েছে রান্নাঘর? কতজন কর্মী রান্না করেন? কী কী রান্না হয়? কী তেল ব্যবহার হয় রান্নার জন্য? রান্নার জল কোথা থেকে আনা হয়? আদৌ গ্লাভস পড়া হয় কী না, ইত্যাদি ইত্যাদি। চাল- মশলাও হাতে নিয়ে দেখেন তাঁরা।

    রাজ্যে মিড ডে মিল পরিস্থিতি খতিয়ে (Mid Day Meal) দেখতে এসে কেন্দ্রীয় পরিদর্শক দল সোমবার উত্তর ২৪ পরগনায় যায়। জেলার বিভিন্ন স্কুল ঘুরে দেখার কথা তাঁদের। তার আগে দলটি বিকাশ ভবনে একটি বৈঠক করে। ৯ জনের দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন উত্তরাখণ্ডের জিবি পন্থ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টিবিজ্ঞানের অধ্যাপিকা অনুরাধা দত্ত।

    জেলায় পরিদর্শনে বেরোনোর (Mid Day Meal) আগে অনুরাধা দত্ত জানান, এটি রুটিন পরিদর্শন। দেশের প্রতিটি রাজ্যেই মিড ডে মিল পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে কেন্দ্রীয় দল। তিনি আরও জানান, মিড ডে মিলের বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের যে ৩২টি সূচক আছে, সেগুলির ভিত্তিতেই সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়। 

    কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা প্রশ্ন (Mid Day Meal) করেন, “৮১ জন বাচ্চার জন্য মাত্র ৭ কেজি চাল কেন?” উত্তরে রাঁধুনি বলেন, “বাচ্চারা ১০০ গ্রাম ভাতও খেতে পারে না। নষ্ট করে। তাই অল্প করে রান্না করা হয়।” তুলনায় আলুর পরিমাণ বেশি থাকা নিয়ে রাঁধুনি জানান, পড়ুয়ারা আলু খেতে ভালবাসে।

    আরও পড়ুন: উদ্ধার কুন্তল-শান্তনুর ফোনের ডিলিট করা চ্যাট, জেরা করতে ফের ইডির তলব যুব তৃণমূল নেতাকে

    কেন্দ্রীয় দল আসার আগেই রাজ্য (Mid Day Meal) প্রশাসনের তরফে মিড ডে মিল রান্নায় নিযুক্ত ব্যক্তিদের নতুন অ্যাপ্রন, গ্লাভস দেওয়া হয়। এ বিষয়ে পরিদর্শক দলের প্রশ্ন, “সব দিন কি এগুলো পরে থাকেন?” কর্মীরা উত্তরে বলেন, “গ্লাভস পরলেও বাকিগুলো সব সময় পরা হয় না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     

     

     

  • Suvendu Adhikari: জেলায় জেলায় মিড ডে মিলের পরিদর্শনে বেরল কেন্দ্রীয় দল, রিপোর্টের দিকে বিশেষ নজর শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: জেলায় জেলায় মিড ডে মিলের পরিদর্শনে বেরল কেন্দ্রীয় দল, রিপোর্টের দিকে বিশেষ নজর শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিড ডে মিল তদন্তে রাজ্যে এসেছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। সোমবার অভিযানে দিল্লির ১১ জনের একটি দল। চার জেলায় গিয়ে বিভিন্ন স্কুলে খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। সূত্রের খবর, সোমবার সকালে পরিদর্শনে বেরনোর আগে শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বিকাশ ভবনে বৈঠক করেন তাঁরা। এরপর জেলায় জেলায় মিড ডে মিল প্রকল্পের অগ্রগতি দেখতে বেরিয়ে পড়ে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। ৪ জেলার সফর শুরু আজ উত্তর ২৪ পরগনা দিয়ে। মিড ডে মিল নিয়ে সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখার পর কেন্দ্রকে রিপোর্ট জমা দেবে তাঁরা। অন্যদিকে এই ইনস্পেকশন নিয়ে উৎসাহী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, এ ব্যাপারে কী রিপোর্ট জমা পড়ে সে দিকে নজর রাখবেন তিনি।

    মিড ডে মিলের পরিদর্শনে বেরল কেন্দ্রীয় দল

    সূত্রের খবর, সোমবার সকাল সাড়ে ন’টার কিছুটা সময় পর তাঁরা বিকাশ ভবনের উদ্দেশে রওনা হন। এর পর বিকাশভবনে পৌঁছন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বিকাশ ভবনে বৈঠক করেন তাঁরা। এরপরেই তদন্তে বেরিয়ে পড়েন তাঁরা। জানা গিয়েছে, আজ উত্তর ২৪ পরগনার কয়েকটি স্কুলে যাবেন। এর পর আরও ৩ টি জেলায় যাবেন তাঁরা। নজরে রয়েছে শিলিগুড়িও। তবে এই তালিকায় আরও বেশ কিছু জেলার সংযোজন করতে পারেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা, সেটা জানা যাচ্ছে। ১১ জনের প্রতিনিধি দল কয়েকটি ভাগে বিভিন্ন জেলাতেও যেতে পারে বলে খবর। সূত্রের খবর, চার জেলা ঘোরার পর কলকাতা হয়ে এই টিম দিল্লি যাবে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট পেশ করবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে সুপারিশ পাঠাবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক।

    আরও পড়ুন: মিড ডে মিলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এল কেন্দ্রীয় দল, আজ থেকেই শুরু পরিদর্শন

    মিড ডে মিল নিয়ে শুভেন্দুর বক্তব্য

    রাজ্যে বিভিন্ন জায়গা থেকে মিড ডে মিলের খাবারের গুণমান নিয়ে একাধিক বার প্রশ্ন উঠেছে। কখনও শিশুদের খাবারে মিলেছে সাপ, কখনও আবার টিকটিকি, ইঁদুর। আবার আর্থিক দুর্নীতিরও অভিযোগ উঠে এসেছে। গত সপ্তাহে ট্যুইটে শুভেন্দু দাবি করেন, বগটুইয়ে মৃতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে মিড ডে মিলের টাকা থেকে। এর পরই রাজ্যে মিড ডে মিল প্রকল্পের অগ্রগতিতে কেন্দ্রীয় দল আসছে বলে জানান তিনি।

    এদিন তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল কী রিপোর্ট দেয় সে দিকে তাকিয়ে থাকব। মিড ডে মিলের টাকা থেকে বগটুইতে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা নয়। এটা ফাইনানসিয়াল ক্রাইম। বিডিও, ডিএমদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া দরকার। অডিটের পর কেন্দ্র সরকার এমনটা করবে। আমি যখন অভিযোগ করেছি তখন তা প্রমাণের দায়িত্ব আমার। আমি প্রমাণ দেওয়ার পর নিশ্চয় কেন্দ্র সরকার ব্যবস্থা নেবে।”

    ফলে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের তদন্ত করার পর মিড ডে মিলের সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে অবশেষে কেন্দ্রকে কী রিপোর্ট দেয় তাঁরা, সেটার অপেক্ষায় রাজ্যবাসী।

  • West Bengal Weather: শীতের বিদায় এখনই নয়, বৃহস্পতিবার থেকেই ফিরবে শীত! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    West Bengal Weather: শীতের বিদায় এখনই নয়, বৃহস্পতিবার থেকেই ফিরবে শীত! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে পারদের ওঠা-নামা জারি। জানুয়ারির শুরুতেই হাড়কাঁপানো ঠান্ডা পেয়েছে রাজ্যবাসী। তারপর ধীরে ধীরে বেড়েছে তাপমাত্রার পারদ। এরপর একেবারেই শীত বিদায় নিয়েছিল শহর থেকে। তবে ফের বিগত দু’দিনে তাপমাত্রা কমে গেল। রবিবারই শীতের প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছিল। এর পর আজ সোমবার এক ধাক্কায় আরও কিছুটা পারদ পতন শহরে। আজ ভোর থেকে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে শিরশিরে ঠান্ডার ইনিংস শুরু হয়ে গেল৷ ফলে শেষবেলায় শীতের দাপুটে স্পেলের দেখা মিলতে পারে। এমনটাই পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের।

    কলকাতার আবহাওয়া

    আজ শহরে এক ধাক্কায় তাপমাত্রা প্রায় ২ ডিগ্রি নামল। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছল ১৫.৮ ডিগ্রিতে। গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৪ ডিগ্রি। আকাশ পরিষ্কার থাকবে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ও ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।

    আরও পড়ুন:মমতার পাশে নেই কেষ্ট! অনুব্রত-হীন বীরভূমে মুখ বাঁচাতে নয়া কৌশল তৃণমূলের?

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৪৮ ঘন্টা অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি বুধবার সকালের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের সবকটি জেলার আবহাওয়া শুকনো থাকবে। এরপর মঙ্গলবার ও বুধবার তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি বাড়লেও, বৃহস্পতিবার বার থেকে তাপমাত্রা ফের ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের। আগামী বৃহস্পতিবারের পর থেকে আবারও মিনি শীতের স্পেল আসতে চলেছে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। তবে শীতের স্পেল চলবে আগামী রবি থেকে সোমবার পর্যন্তই।

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    আগামী তিন দিন কুয়াশার দাপট থাকবে উত্তরবঙ্গে। মূলত শুষ্কই থাকবে আবহাওয়া। শুধুমাত্র দার্জিলিং, কালিম্পং এর পার্বত্য এলাকায় বুধবার পর্যন্ত হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সিকিমেও হালকা বৃষ্টি ও পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত হতে পারে। যদিও দার্জিলিং পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী পাঁচ দিন একই রকম তাপমাত্রা থাকবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share