Blog

  • Calcutta High Court: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অর্থ নয়ছয়! মামলায় রাজ্যের অর্থসচিবকে জুড়তে বলল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অর্থ নয়ছয়! মামলায় রাজ্যের অর্থসচিবকে জুড়তে বলল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের প্রায় আড়াই লক্ষ কোটি টাকা নয়ছয় করেছে রাজ্য এই অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলায়  রাজ্যের অর্থসচিবকে জুড়তে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। একই সঙ্গে যে কেন্দ্রীয় সংস্থা ক্যাগ (কম্পট্রোলার এবং অডিট জেনারেল)-এর রিপোর্টের ভিত্তিতে রাজ্যের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে, তাদেরও এই মামলায় যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ।  আগামী ৩০ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    মামলাকারীদের দাবি

    নবান্নের বিরুদ্ধে হিসেব ও সিবিআই তদন্ত চেয়ে  আদালতে জনস্বার্থ মামলাটি করেন বিজেপির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি অবশ্য বিজেপি নেতা হিসাবে নয় একজন সাংবাদিক হিসাবে মামলা করেছেন।  তিনি ছাড়াও মামলাকারীদের মধ্যে রয়েছেন আইনজীবী সুমনশঙ্কর চট্টোপাধ্যায় এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মী ঋত্বিক পাল। রাজ্যের বিরুদ্ধে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ আনা হয়। একই সঙ্গে এই ঘটনার সিবিআই তদন্তেরও দাবি করেছিলেন তিনি। 

    এর আগে রাজ্যকে দেওয়া কেন্দ্রের অর্থ অন্য খাতে খরচ করা নিয়ে সরব হয়েছিলেন রাজ্যের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। মামলাকারীরা জানিয়েছেন, পুরসভা ও নগরোন্নন দফতরের ৩০ হাজার কোটি টাকার কোনও হিসাব মেলেনি। অন্য দিকে পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রেও ৮১ হাজার ৮৩৯ কোটির হিসাব দেওয়া হয়নি। শিক্ষাক্ষেত্রেও হিসাব না দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের বিরুদ্ধে ২.২৯ লক্ষ কোটি টাকার খরচের হিসাবে গরমিলের অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে বিজেপি নেতা

    কেন্দ্রের তরফ থেকে যে সব টাকা পাঠানো হয়েছে, তা কোন কোন খাতে খরচ হয়েছে, তার কোনও নথি নেই বলে দাবি করেছেন মামলাকারীরা। মামলাকারীর দাবি, ক্যাগ রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই এই মামলা করা হয়েছে। তাই ক্যাগ-কে যুক্ত করার কথা বলেছে আদালত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Bank Locker: ব্যাঙ্কে লকার সংক্রান্ত চুক্তি পুনর্বীকরণ হয়নি! ভয় নেই, মেয়াদ বাড়াল আরবিআই

    Bank Locker: ব্যাঙ্কে লকার সংক্রান্ত চুক্তি পুনর্বীকরণ হয়নি! ভয় নেই, মেয়াদ বাড়াল আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাঙ্কে লকার ভাড়া নেওয়া গ্রাহকদের সঙ্গে সংশোধিত চুক্তি জমা দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি করল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। আরবিআই-এর নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্য়ে ব্যাঙ্কগুলিকে গ্রাহকদের সঙ্গে লকার ভাড়া দেওয়া সংক্রান্ত চুক্তি পুনর্বীকরণের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। এর আগে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানিয়েছিল, ১ জানুয়ারি ২০২৩ সালের মধ্যে লকার পুনর্নবীকরণ চুক্তি শেষ করতে হবে ব্যাঙ্কগুলিকে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক গ্রাহক নতুন চুক্তি রিনিউ না করার জন্য সময় সীমা আরও বাড়ানো হল ৷ 

    নতুন নির্দেশিকা

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্দেশ অনুযায়ী, কেউ নতুন চুক্তি স্বাক্ষর না করায় যদি ব্যাঙ্ক তাঁর লকার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে, তাহলে সেটি  তুলে নেওয়া হবে। নতুন নির্দেশিকায় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ‘আরবিআই-এর নজরে এসেছে, এখনও প্রচুর সংখ্যক গ্রাহক সংশোধিত চুক্তিপত্র জমা দিতে পারেননি। বহু ক্ষেত্রেই ১ জানুয়ারির মধ্যে চুক্তি সম্পাদনের কথা ব্যাঙ্কগুলি গ্রাহকদের জানাতেও পারেনি।’ নতুন নির্দেশিকায় ব্যাঙ্কগুলিকে জানানো হয়েছে, আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সব গ্রাহককে লকার ভাড়া নিয়ে সংশোধিত চুক্তি জমা দেওয়ার কথা জানিয়ে দিতে হবে।  এর পর আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৭৫ শতাংশ গ্রাহকের সঙ্গে চুক্তি সেরে ফেলতে হবে।

    আরও পড়ুন: প্রযুক্তি বিশ্বে এগিয়ে চলেছে দেশ! ‘টেকনোলজি হাব’-এর জন্য প্রস্তুত গ্রামীণ ভারতও

    এর আগে গত বছর আগস্ট মাসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক একটি বয়ান জারি করে সেফ ডিপোজিট লকার, সেফ কাস্টোডি আর্টিক্যাল ফেসিলিটি নিয়ে নির্দেশ জারি করেছিল ৷ বলা হয়েছিল, ১ জানুয়ারি ২০২৩ সালের মধ্য়ে লকার পুনর্নবীকরণ চুক্তি শেষ করতে হবে ব্যাঙ্কগুলিকে। কিন্তু বেশির ভাগ গ্রাহক সংশোধিত চুক্তি স্বাক্ষর না করায় সময় সীমা বাড়ানো হল ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত ৷ এবার যাতে সময়ের মধ্যে এই কাজ সম্পূর্ণ করা যায় তার জন্য ব্যাঙ্কগুলিকে সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ৷

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • S Jaishankar: জয়শঙ্করের মুখে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রশস্তি, কেন জানেন?  

    S Jaishankar: জয়শঙ্করের মুখে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রশস্তি, কেন জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর (Atal Behari Bajpayee) ভূয়সী প্রশংসা করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ১৯৯৮ সালে নিউক্লিয়ার টেস্টের (Nuclear Test) পর বাজপেয়ী কীভাবে নিজস্ব কৌশলে কূটনৈতিক সমস্যার সমাধান করেছিলেন, এদিন তা-ই মনে করিয়ে দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্কর মনে করিয়ে দেন, ওই নিউক্লিয়ার টেস্টের পর দু বছরের মধ্যেই বিশ্বের প্রধান দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে ফেলেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী।

    অটল বিহারী বাজপেয়ী…

    নয়াদিল্লিতে অটল বিহারী বাজপেয়ী স্মারক বক্তৃতায় যোগ দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। তাঁর আগে বলতে উঠেছিলেন সিঙ্গাপুরে ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত বিলাহারি কৌশিকান। তাঁর পরে বক্তৃতা দিতে উঠে জয়শঙ্কর অটল বিহারী বাজপেয়ীর অকুণ্ঠ প্রশংসা করেন। তিনি জানান বাজপেয়ী বিদেশমন্ত্রী হিসেবেও সফল। আমেরিকা ও রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের গাঁটছড়া শক্ত করতে তাঁর কী ভূমিকা ছিল, তাও মনে করিয়ে দেন। বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পারস্পরিক সংবেদনশীলতা এবং পারস্পারিক স্বার্থের যে মৌলিক বিষয়গুলি নিয়ে এখন চিনের সঙ্গে কথা হচ্ছে, তার সিংহভাগ কৃতিত্ব অটল বিহারী বাজপেয়ীর।

    আরও পড়ুুন: মঙ্গলে কুন্তল-তাপসকে বসিয়ে মুখোমুখি জেরা! নীলাদ্রির ‘পরিচয়’ মিলবে এদিনই?

    জয়শঙ্কর জানান, সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা করতে ভয় পেতেন না বাজেপয়ী। তাঁর বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গিরও এদিন অকুণ্ঠ প্রশংসা করেন বিদেশমন্ত্রী। সন্ত্রাসবাদ দমন করতে তিনি সমস্ত রকম পন্থা অবলম্বন করেছিলেন। ১৯৯৮ সালে পোখরানে নিউক্লিয়ার টেস্ট করে ভারত। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে জয়শঙ্কর বলেন, ওই পরীক্ষা নিয়ে ভাবতে হবে না। সেই পরীক্ষার পর কীভাবে দৌত্য সফল করেছিলেন বাজপেয়ী, সেটাই আমাদের স্মরণ করতে হবে। বিদেশমন্ত্রী বলেন, ওই পরীক্ষার মাত্র দু বছরের মধ্যেই আমরা বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে ফেলেছিলাম। তাদের আমরা পাশে পেয়েছিলাম। জয়শঙ্কর বলেন, সেই সময় আমি জাপানে পোস্টিং ছিলাম। ওই পরীক্ষার জেরে জাপানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে প্রভাব পড়েছিল। কিন্তু আমরা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সাহস পাচ্ছিলাম। তিনি বলেছিলেন, আমরা কোনও না কোনও পথ (সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে) খুঁজে পেয়ে যাব। তিনি বলেন, তাঁর সেই কথা আমি আজও ভুলিনি। তাঁর প্রজ্ঞা এবং দূরদৃষ্টির কথা ভাবলে আমি আজও বিস্মিত হই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Shooting in USA:  আমেরিকায় ফের বন্দুকবাজের হামলা! দেশবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

    Shooting in USA: আমেরিকায় ফের বন্দুকবাজের হামলা! দেশবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ক্যালিফোর্নিয়ায় চিনা নববর্ষের উৎসবে হামলার পর আবার বন্দুকবাজের হামলা আমেরিকায়। এ বার আইওয়া প্রদেশের ডেস মোইনেস শহরের একটি স্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন দুষ্কৃতীরা। গুলির আঘাতে মৃত্যু হয়েছে দুই ছাত্রের। জখম স্কুলের এক শিক্ষক। আমেরিকার ওই যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সোমবার আচমকাই হানা দেন বন্দুকবাজেরা। স্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকেন। দুষ্কৃতীদের গুলিতে জখম শিক্ষকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। 

    পরপর হামলা

    ডেস মোইনেস পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তাঁরা নাবালক কি না, স্পষ্ট নয় তা-ও। ঘটনার পর স্কুল থেকে পালিয়ে যান দুষ্কৃতীরা। ওই বন্দুকবাজদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। পরে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শহরের রাস্তায় একটি গাড়ি আটক করা হয়। সেখান থেকে তিন জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। স্কুলে হামলার পিছনে এদের যোগ থাকতে পারে বলে অনুমান। অন্য দিকে, উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার হাফ মুন বে শহরে পৃথক দুটি হামলায় মৃত্যু হয়েছে মোট সাত জনের। আহত আরও অনেকে। তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কয়েক জনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: মন্দার জের! ব্যাপকহারে কর্মী ছাঁটাই মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলিতে

    দেশবাসীর নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে

    আমেরিকায় একের পর এক বন্দুকবাজের হামলার ঘটনায় দেশবাসীর নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে। একদিন আগেই আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেরে পার্ক শহরে বন্দুকবাজের হামলায় অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয় বলে খবর।  সেখানে চিনা নববর্ষ উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষের জমায়েত হয়েছিল। স্থানীয় সময় রাত ১০ টা নাগাদ সেখানেই মেশিনগান নিয়ে ঢুকে পড়ে এক বন্দুকবাজ।  ঢুকেই এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান কমপক্ষে ১১ জন। আহত হন আরও ৯ জন। নিমেষে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    এক রেস্তোরাঁ মালিক সিউং ওন চোই জানিয়েছেন, ‘‘তিন জন দৌড়ে আমার রেস্তোরাঁয় এসে ঢুকেই ভিতর থেকে সদর দরজা বন্ধ করে দেন। চিৎকার করে আমাকে বলেন, এক বন্দুকবাজ মেশিন গান নিয়ে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। এলোপাথাড়ি গুলি চালাচ্ছে।’’ চোইয়ের আরও দাবি, বন্দুকবাজের কাছে বহু কার্তুজ রয়েছে। এক বার মেশিন গান ফাঁকা হয়ে যাওয়ার পর তিনি আবার তাতে গুলি ভরে নিচ্ছেন এবং এলোপাথাড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন। পরে পুলিশ ঘিরে ফেললে নিজের শরীরে গুলি করে আত্মঘাতী হন অভিযুক্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Dattatreya Hosabale: মইরাং-এর আইএনএ মেমোরিয়াল আধুনিক ভারতের তীর্থস্থান, বললেন দত্তাত্রেয় হোসবালে

    Dattatreya Hosabale: মইরাং-এর আইএনএ মেমোরিয়াল আধুনিক ভারতের তীর্থস্থান, বললেন দত্তাত্রেয় হোসবালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের ১২৬তম জন্মদিনে মণিপুরে পরাক্রম দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেন আরএসএসের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবালে (Dattatreya Hosabale)। এই মুহূর্তে চার দিনের মণিপুর সফরে রয়েছেন তিনি। নেতাজিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে দত্তাত্রেয় হোসবালে বলেন, “মইরাং- এ ভারতীয় সেনার এই মেমোরিয়াল আধুনিক ভারতের কাছে তীর্থস্থান।” 

    কী বললেন আরএসএস সম্পাদক? 

    এদিন দত্তাত্রেয় (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, “ভারতমাতার সর্বশ্রেষ্ঠ পুত্র নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে আমার বিনম্র শ্রদ্ধা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি। তাঁর অদম্য চেতনা এবং অবিস্মরণীয় কাজগুলি সমস্ত ভারতীয়দের জন্য চিরকালই অনুপ্রেরণাদায়ক হয়ে থাকবে।” 

    গোটা দেশজুড়ে পরাক্রম দিবস পালন করছে আরএসএস (Dattatreya Hosabale)। এদিন মণিপুরের মইরাং- এ আইএনএ মেমোরিয়ালে নেতাজির মূর্তিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান দত্তাত্রেয় হোসবালে। তিনি আরও বলেন, “ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আইএনএ-এর মহান আত্মত্যাগ এবং যুদ্ধের কারণেই কোটি কোটি ভারতীয় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে তাদের আওয়াজ তুলতে এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে উত্সাহিত হয়েছিল। মুম্বাইয়ের নৌবাহিনীর বিদ্রোহ আইএনএর আন্দোলন এবং কয়েক হাজার পুরুষ ও মহিলার আত্মত্যাগের কথা আমরা ভুলতে পারি না।”  

    মণিপুরের বিষ্ণুপুর জেলার একটি ছোট শহর মইরাং (Dattatreya Hosabale)। ইম্ফল থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে মইরাং-এর গুরুত্ব অপরিসীম। সুভাষচন্দ্র বসুর আজাদ হিন্দ বাহিনী ব্রিটিশ বাহিনীকে এই মইরাং- এই পরাজিত করে ভারতে প্রবেশ করেছিল। ১৯৪৪-এর ১৪ এপ্রিল এই মইরাং-এ নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর নেতৃত্বে প্রথমবার ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি ভারতের তিরঙ্গা পতাকা উত্তোলন করে।

    আরও পড়ুন: নেতাজিই আদর্শ! তাঁর দেখানো পথেই এগিয়ে চলার বার্তা দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    এখানেই গড়ে উঠেছে একটি ওয়ার মিউজিয়াম। আগেও এখানে একটি স্মৃতিসৌধ ছিল, কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে (Dattatreya Hosabale) তা ধুঁকতে বসেছিল। এমনকী এখানে নেতাজির যে মূর্তিটি ছিল, কয়েক বছর আগে দুষ্কৃতীরা তা ভাঙচুর করেছিল। সম্প্রতি ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মির ওয়ার মিউজিয়ামের কাজ শেষ হয়েছে মণিপুরে। ভারতের উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের বিষ্ণুপুর জেলার মইরাং-এ এই ‘ওয়ার মেমোরিয়াল’ তৈরি করা হয়েছে। তাছাড়াও এখানে স্থাপন করা হয়েছে উত্তর-পূর্বের সবচেয়ে উঁচু পতাকাও। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kuntal Ghosh: মঙ্গলে কুন্তল-তাপসকে বসিয়ে মুখোমুখি জেরা! নীলাদ্রির ‘পরিচয়’ মিলবে এদিনই?

    Kuntal Ghosh: মঙ্গলে কুন্তল-তাপসকে বসিয়ে মুখোমুখি জেরা! নীলাদ্রির ‘পরিচয়’ মিলবে এদিনই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির যুব তৃণমূল (TMC) নেতা কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh) নিয়োগ দুর্নীতিতে সাড়ে ১৯ কোটি টাকা তুলেছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন তাপস মণ্ডল (Tapas Mondal)। ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন কুন্তল। পরে তিনি দাবি করেন, তাপসকে তিনি ৫০ লক্ষ টাকা দেননি বলে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। প্রশ্ন হল, তাপস না কুন্তল, কে সত্য বলছেন? এর উত্তর খুঁজতে মঙ্গলবার তাপস ও কুন্তলকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হবে বলে ইডি সূত্রের খবর।

    নীলাদ্রি ঘোষ…

    কুন্তলের আরও অভিযোগ, তাপসের পাশাপাশি জনৈক নীলাদ্রি ঘোষ হুমকি দিয়ে তাঁর কাছে টাকা আদায় করতেন। নীলাদ্রিকে চেনেন বলে জানিয়েছেন তাপসও। সোমবার বিধাননগর হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর সিজিও কমপ্লেক্সে ফিরে আসার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে কুন্তল (Kuntal Ghosh) বলেন, নীলাদ্রি হল তাপস মণ্ডলের দালাল। এই দুর্নীতিতে আর কেউ জড়িত কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাপসকে জিজ্ঞাসা করলে সব উত্তর মিলবে।

    আরও পড়ুুন: ‘স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে’, অনুযোগ প্রধানমন্ত্রীর

    এই মামলায় নীলাদ্রির পাশাপাশি নাম জড়িয়েছে গোপাল দলপতি ও তাপস মিশ্রেরও। তাপস মণ্ডলের দাবি, এই তিনজনই তাঁর পরিচিত এবং তাঁর অফিসে এঁদের যাতায়াতও ছিল। তাঁর দাবি, চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া টাকা ফেরতের জন্যই নীলাদ্রিকে কুন্তলের কাছে পাঠিয়েছিলেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ তাপস নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত। এর আগেও তাঁকে ইডির তরফে একাধিকবার তলব করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলাকালীনই তাপস দাবি করেন, হুগলির তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল () শিক্ষক পদপ্রার্থীদের কাছ থেকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রায় ১৯ কোটি টাকা নিয়েছেন।

    এদিকে, দুটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানোর সময় কুন্তলের (Kuntal Ghosh) একটি নোটবুক ও বেশ কয়েকটি নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। সেই নথিতে রয়েছে একাধিক সাংকেতিক চিহ্নও। সেই সাংকেতিক চিহ্নের পাঠোদ্ধার করার চেষ্টা চলছে। এর আগে তাপসের কাছ থেকেও নথিসমৃদ্ধ একটি ডায়েরিও উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। কুন্তল ও তাপসকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার সময় এসবই মিলিয়ে দেখা হবে। দুজনের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথিতে কোনও মিল রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

     

  • United Nations: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিতে ভারতের পাশে যুক্তরাজ্য!

    United Nations: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিতে ভারতের পাশে যুক্তরাজ্য!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সের পরেই এবার রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (United Nations) স্থায়ী সদস্যপদের জন্য ভারতকে খোলাখুলিভাবে সমর্থন জানাল ব্রিটেন। ভেটো ক্ষমতাসম্পন্ন দু’টি দেশের সমর্থন মেলায় এবার নয়াদিল্লি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়া অনেকটাই সহজ হতে চলেছে বলেই মনে করছেন। ব্রিটিশ হাইকমিশনার আলেকজান্ডার এলিস বলেন, “আমরা অবশ্যই ভারতকে ইউএনএসসি-এর সদস্য হওয়ার দাবিতে সমর্থন করি। ইউএনএসি-র সংস্কারগুলি প্রাতিষ্ঠানিক, বাস্তবতা কম।”  

    তিনি আরও বলেন, “প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন করা কঠিন। কিন্তু আমাদের সেটা করতে হবে। ইউএন (United Nations) এবং ইউএনএসসি- তে কিছু দেশ এসেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে। পরে কিছু দেশ আসে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মতো। আমরা চাইব ভারত একটি কার্যকরী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলুক।”

    তিনি অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক (United Nations) কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এবং ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন- এর উদাহরণও দেন। বলেন, দেশগুলি আজকের বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, “ভারতও অর্থ ঋণ দিয়েছে।” ব্রিটিশ হাইকমিশনার আরও বলেন, যে দ্বীপ রাষ্ট্রগুলির আরও বেশি সমর্থন প্রয়োজন।

    ভেটো ক্ষমতাসম্পন্ন দু’টি দেশের সমর্থন মেলায় এবার নয়াদিল্লি (United Nations) নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়া অনেকটাই সহজ হতে চলেছে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, এই ইস্যুতে এর আগে ভারতকে সমর্থনের কথা শোনা গিয়েছে আমেরিকা ও রাশিয়ার গলাতেও। তবে এখনও পর্যন্ত এই নিয়ে চিনের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই প্রস্তাব পাশ করানোর ক্ষেত্রে ভারতের কাঁটা হতে পারে চিন। কারণ বেজিংয়ের কাছেও রয়েছে ভেটো ক্ষমতা। যা প্রয়োগ করে এই প্রস্তাব আটকে দিতে পারেন তাঁরা। গত দু’বছর ধরে সীমান্ত সংঘাতের জেরে ভারত-চিন সম্পর্কে অনেকটাই অবনতি হয়েছে। যার প্রভাব ভারতের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রেও পড়তে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।

    সমর্থন ফ্রান্সেরও 

    গত কয়েক বছর ধরেই রাষ্ট্রসংঘের অমূল সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা (United Nations) রয়েছে বলে সওয়াল করে আসছে ভারত। এই নিয়ে আন্তর্জাতিক সংগঠনের মঞ্চেই বিদেশমন্ত্রী জয়শংকরের নেতৃত্বে ‘Maintenance of International Peace and Security: New Orientation for Reformed Multilateralism’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য ভারতকে খোলাখুলিভাবে সমর্থনের কথা বলেন রাষ্ট্রসংঘের ফরাসি রাষ্ট্রদূত নিকোলাস দে রিভেরে। ভারত ছাড়াও জার্মানি, ব্রাজিল এবং জাপানকেও নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য সমর্থন জানিয়েছে ফ্রান্স।

    আরও পড়ুন: “অল ইজ নট ওয়েল ইন লাদাখ”, ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রীকে ওয়াংচুক

    রাষ্ট্রসংঘের আলোচনা সভায় ঠিক কি বলেছেন (United Nations) ফরাসি রাষ্ট্রদূত? তাঁর কথায়, “ফ্রান্স নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের পক্ষে। নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলেও মনে করি আমরা। বিশ্বের নতুন শক্তিগুলির উত্থান মেনে নিতে হবে। নিরাপত্তা পরিষদে তাঁদের উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Indian Railway: আইডিয়াল ট্রেন প্রোফাইল চালু করল ভারতীয় রেল, কেন জানেন?

    Indian Railway: আইডিয়াল ট্রেন প্রোফাইল চালু করল ভারতীয় রেল, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আইডিয়াল ট্রেন প্রোফাইল চালু করল ভারতীয় রেল (Indian Railway)। রেলের রাজস্ব বাড়ানোর পাশাপাশি ম্যাক্সিমাম ক্যাপাসিটি ইউটিলাইজেশনও রেলের উদ্দেশ্য। প্রতিটি মেইল (Mail), এক্সপ্রেসে (Express) টিকিটের চাহিদা কত, তা দেখতেই এই ব্যবস্থা। প্রশ্ন হল, কী এই আইডিয়াল ট্রেন প্রোফাইল? আইডিয়াল ট্রেন প্রোফাইল হল একটি সিট ক্যাপাসিটি অপটিমাইজেশন ডিসিশান সাপোর্ট। এটি করা হয়েছে কোনও একটি নির্দিষ্ট দিনে কোনও একটি ট্রেনের কত সিট এবং কোন শ্রেণি বুকিং হয়েছে, তা জানতে। ভারতীয় রেলের এক আধিকারিকের কথায়, সব ট্রেনে অ্যাকোমোডেশনের চাহিদা এক থাকে না। ট্রেন বিশেষে এটি আলাদা আলাদা হয়। কারণও আলাদা আলাদা।

    ভারতীয় রেল…

    এই কারণগুলির মধ্যে রয়েছে, বিকল্প ট্রেনের ব্যবস্থা, অ্যাকোমোডেশন, ওরিজিন ডেস্টিনেশন পেয়ার, টাইমিং ইত্যাদি। ঐতিহ্যগতভাবে ভারতীয় রেলে (Indian Railway) অ্যাকোমোডেশনের ব্যবস্থা করা হত কোনও একটি ট্রেনের ইতিহাস ঘেঁটে। যে নির্দিষ্ট রুটে ট্রেনটি চলে, সেখানে যাত্রী কেমন হয়, তাঁদের চাহিদাই বা কেমন এসব খতিয়ে দেখা হত। রেলের ওই আধিকারিক জানান, আইডিয়াল ট্রেন প্রোফাইল ব্যবস্থা চালু হয়ে যাওয়ায় এই কাজটিই হয়ে গেল অনায়াস। এই প্রোফাইলের মাধ্যমে রেলের কর্তারা জানতে পারবেন, বিভিন্ন জোনের ট্রেনের যাত্রীদের প্রোফাইল সেল। তার জেরে চাহিদা অনুযায়ী যাত্রীদের জন্য করা যাবে অ্যাকোমোডেশনের ব্যবস্থা। বিভিন্ন মরশুমে এবং ছুটির দিনগুলিতে বিভিন্ন ট্রেনে টিকিটের চাহিদা বাড়ে। এই প্রোফাইলের মাধ্যমে ওই ট্রেনগুলিরও একটি নির্ভুল তথ্য পাওয়া যাবে। যার জেরে একদিকে যেমন ভারী হবে রেলের পকেট, তেমনি চাহিদা মিটবে যাত্রীদেরও।

    আরও পড়ুুন: ‘স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে’, অনুযোগ প্রধানমন্ত্রীর

    রেল (Indian Railway) সূত্রে খবর, পাইলট প্রজেক্ট শুরু হয়েছিল সাতটি জোনালে। এগুলি হল, ইস্টার্ন, সেন্ট্রাল, নর্দান, সাউদার্ন, সাউথ সেন্ট্রাল, ওয়েস্টার্ন এবং ওয়েস্ট সেন্ট্রাল রেলওয়ে। এই আইডিয়াল ট্রেন প্রোফাইল ব্যবস্থা এ পর্যন্ত প্রয়োগ করা হয়েছে ভারতীয় রেলের ২০০টি ট্রেনের ওপর। এতদিন রেলের বিভিন্ন কাজের জন্য বাইরে থেকে সফটওয়্যার আনানো হলেও, আইডিয়াল ট্রেন প্রোফাইল তৈরি করেছেন রেলের কর্মীরাই। রেলের নিজস্ব ওই দলের নেতৃত্বে ছিলেন সেন্টার অফ রেলওয়ে ইনফর্মেশন সিস্টেমসের আর গোপালকৃষ্ণণ। টানা দু বছরেরও বেশি সময়ের চেষ্টায় শেষমেশ হয়েছে লক্ষ্যপূরণ।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

     

  • Layoffs: আমেরিকায় কর্মী ছাঁটাইয়ের ধুম! ভিসার মেয়াদ শেষে নতুন চাকরি না পেলে প্রবাসী ভারতীয়দের ছাড়তে হবে দেশ

    Layoffs: আমেরিকায় কর্মী ছাঁটাইয়ের ধুম! ভিসার মেয়াদ শেষে নতুন চাকরি না পেলে প্রবাসী ভারতীয়দের ছাড়তে হবে দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটারের পর থেকে গণ ছাঁটাইয়ের পথে হেটেছে মেটা, অ্যামাজন, মাইক্রোসফট, গুগলের মত একাধিক সংস্থা। রাতারাতি কর্মী ছাঁটাইয়ে বেকার হয়ে পড়বেন বিপুল সংখ্যক কর্মী। তবে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে মার্কিন মুলুকে চাকরি করা ভারতীয় কর্মীদের। আমেরিকায় প্রবাসী ভারতীয়রা পাগলের মত চাকরি খুঁজছেন, কারণ চাকরি যাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে নতুন চাকরি না পেলে তাঁদের দেশে ফিরে যেতে হবে। ফলে তাঁদের কাজের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নতুন চাকরি খুঁজে পেতে বিদেশে রীতিমত লড়াই করতে হচ্ছে। এমনকি আচমকাই চাকরি চলে যাওয়ায় আমেরিকার মত দেশে বাস করাও তাঁদের পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

    মার্কিন মুলুকে হাজার হাজার প্রবাসী ভারতীয় কর্মী ছাঁটাই

    কিছুদিন আগেই গুগল থেকে প্রায় ১২ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, মার্কিন মুলুকে মন্দার আশঙ্কায় তড়িঘড়ি এই কর্মী ছাঁটাই করছে মাইক্রোসফট, গুগলের মত টেক জায়ান্টগুলি। গুগলের ১২,০০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর সামনে আসতেই বিশ্বের প্রযুক্তি জগতে তৈরি হয়েছে আশঙ্কার পরিবেশ। বিশ্বজুড়ে কোম্পানির বিভিন্ন শাখায় এই ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া চলবে। এর মধ্যে অনেক কর্মীই ভারতীয়। ওয়াশিংটন পোস্টের মতে, গত বছরের নভেম্বর থেকে প্রায় ২ লক্ষ আইটি কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ভারতীয় আইটি কর্মী এইচ-১বি এবং এল১ ভিসায় রয়েছেন। ফলে তাঁদের মেয়াদ শেষের আগে আমেরিকায় বা অন্য জায়গায়  চাকরি খুঁজতে নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এমন অনেক চাকরি হারানো প্রবাসী ভারতীয় কর্মী তাঁদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।

    আরও পড়ুন: মন্দার জের! ব্যাপকহারে কর্মী ছাঁটাই মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলিতে

    ভারতীয়দের ভিসার সমস্যা আমেরিকায়

    এইচ-১বি অধীনে থাকা প্রবাসী ভারতীয় কর্মীদের চাকরি যাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে নতুন চাকরিতে যোগ দিতে হবে। তা না হলে, তাঁদের দেশে ফিরে যেতে হবে। এই পরিস্থিতিতে অ্যামাজন কর্মী গীতা জানিয়েছেন, মাত্র তিন মাস আগে আমেরিকায় এসেছিলেন তিনি। কিন্তু এই সপ্তাহে তাঁকে বলা হয় আগামী ২০ মার্চে তাঁকে বরখাস্ত করা হবে। তিনি এইচ-১বি ভিসায় রয়েছেন, ফলে তাঁকে ৬০ দিনের মধ্যে একটি নতুন চাকরি খুঁজতে হবে ,নয়তো তাঁকে ভারতে ফিরে আসতে হবে।

    আরও এক কর্মী সীতা জানিয়েছেন, ১৮ জানুয়ারি মাইক্রোসফট থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে তাঁকে। তিনি একজন ‘সিঙ্গল মাদার’। তাঁর ছেলে হাই স্কুল জুনিয়র ইয়ারে, কলেজে ভর্তির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেছেন, “এই পরিস্থিতি আমাদের জন্য সত্যিই কঠিন।”

    ফলে এটি দুর্ভাগ্যজনক যে হাজার হাজার আইটি কর্মচারী ছাঁটাইয়ের সম্মুখীন হচ্ছে, বিশেষ করে যারা এইচ-১বি ভিসায় রয়েছেন, তাঁদের বেশি প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। কারণ তাঁদের একটি নতুন চাকরি খুঁজে বের করতেই হবে নয়তো দেশ ছাড়তে হবে। 

     

  • Parakram Diwas: নেতাজিই আদর্শ! তাঁর দেখানো পথেই এগিয়ে চলার বার্তা দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    Parakram Diwas: নেতাজিই আদর্শ! তাঁর দেখানো পথেই এগিয়ে চলার বার্তা দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ এক অন্য সকাল। আর পাঁচটা দিনের তুলনায় চেনা শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ একেবারেই অচেনা। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে পরাক্রম দিবসে (Parakram Diwas) কলকাতায় সভা আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের। তাঁর বক্তব্য শোনার জন্য আরএসএস কর্মীরা মুখিয়ে ছিলেন। সভার শুরুতে কুচকাআওাজ করেন আরএসএস কর্মীরা। সভা মঞ্চে ছিল নেতাজির বিশাল ছবি। বাংলায় লেখা, ‘নেতাজি লহ প্রণাম’।

    নেতাজিই আদর্শ

    পরাক্রম দিবসের (Parakram Diwas) অনুষ্ঠানে এদিন সকাল দশটায় মঞ্চে ওঠেন মোহন ভাগবত। নেতাজিকে আদর্শ করেই এগিয়ে চলার বার্তা দেন তিনি। তুলে ধরেন নেতাজির কর্মকাণ্ড, তাঁর পরিশ্রম ও দেশের প্রতি আনুগত্যের কাহিনী তুলে ধরেন মোহন ভাগবত। তিনি আরও বলেন, ‘মেধা তো অনেরকই থাকে। কিন্তু সেই মেধাকে কীভাবে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হয়। তা দেখিয়েছিলেন নেতাজি। তিনি সমষ্টির জন্য ভাবতেন। তিনি চেয়েছিলেন দেশকে স্বাধীন করতে। কখনও নিজের জন্য ভাবেননি। এই পথ আমাদের সকলের মেনে চলা উচিত। ব্যক্তির উন্নতি নয়, সমাজের প্রতিটি মানুষের কথা ভাবতে হবে।’

    এখানেই থামেননি আরএসএস প্রধান। নেতাজির দেখানো পথেই সংঘ পরিবার যে এগিয়ে যাবে, সে কথাও বলেছেন ভাগবত। তাঁর কথায়, ‘সংঘের কাজকর্ম নেতাজির মতাদর্শে, তাঁর দেখানো পথেই চলছে। আমরাও সবাইকে নিয়ে চলতে চাই। নেতাজি জীবনে অনেক ত্যাগ করেছেন। আমরাও তাই নির্বাচনে লড়ি না। আমাদের আলাদা কোনও পরিচিতি দরকার নেই। আমাদের লক্ষ্য সবাইকে নিয়ে চলা, দেশকে আরও শক্তিশালী করা। নেতাজি ছিলেন উচ্চশিক্ষিত। চাইলেই তিনি ইংরেজ সরকারের অধীনে মোটা মাইনের চাকরি করতে পারতেন। কিন্তু সেই পথে তিনি যাননি। বরং বেছে নিয়েছিলেন কঠিন সংগ্রামের পথ। তিনি দেশ গঠনে ব্রতী হয়েছিলেন। দেশের জন্য তিনি সব কিছু ত্যাগ করেছিলেন। এটাই ছিল তাঁর জীবনের তপস্যা। নিজের নাম হবে ভেবে করেননি। বরং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংসারের মায়া ত্যাগ করে দেশের হয়ে কাজ করেছিলেন।’

    আরও পড়ুন: নেতাজির জন্মদিনটি পালিত হয় পরাক্রম দিবস হিসেবে, কেন জানেন?

    দেশকে স্বাধীন করার লড়াইয়ে নেতাজিকে পরতে পরতে বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল। পরাক্রম দিবসে (Parakram Diwas) সেই প্রসঙ্গ টেনে মোহন ভাগবত বলেন, ‘নেতাজি দেশের জন্য লড়তেন। তার জন্য তাঁকে কম বিরোধীতার মুখে পড়তে হয়নি। কিন্তু নিজেদের মধ্যে লড়াইয়ে কখনও তিনি বিশ্বাসী ছিলেন না। তাই তো কংগ্রেস ছেড়ে অন্য দল গড়েছিলেন।’ উল্লেখ্য, শহীদ মিনারে আরএসএসের সভায় যোগ দিয়েছিলেন রাজ্য বিজেপির একাধিক নেতাও। ছিলেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারি, দিলীপ ঘোষ, রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদাররা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

LinkedIn
Share