Blog

  • Robots: দক্ষতার সঙ্গে পুজো করছে রোবট! কর্মসংস্থানের অভাবে দুশ্চিন্তায় পুরোহিতরা

    Robots: দক্ষতার সঙ্গে পুজো করছে রোবট! কর্মসংস্থানের অভাবে দুশ্চিন্তায় পুরোহিতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোবট (Robots) দিনের পর দিন আমাদের জীবনের সঙ্গে নানাভাবে জড়িয়ে পড়েছে। রোবট নিয়ে ধারণা বিশ্বের নানা প্রান্তে নানারকম। আর এবারে দেখা গিয়েছে, রোবটকে দেখা যাচ্ছে পুরোহিতের জায়গায়। শুনতে অবাক লাগলেও এটিই সত্যি। যত সময় এগোচ্ছে তত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা এআই চমক দিয়েই চলেছে। এতদিন দেখা গিয়েছে, শিল্পী কিংবা শিক্ষকদের জায়গা ধীরে ধীরে কেড়ে নিচ্ছে রোবট। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, পুরোহিতদের চাকরিও খেয়ে নিতে পারে রোবটরা (Robots)। আর সেই আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে।

    কেন এই আশঙ্কা?

    ২০১৭ সালে ভারতের এক টেকনোলজি ফার্ম একটি রোবটিক আর্ম তৈরি করেছিল। সেই রোবটটি আরতি করতে পারত। যা দেখে চমকে উঠেছিলেন সকলে। কিন্তু এই ব্যাপারটা চমকের মধ্যেই আবদ্ধ ছিল না, পুরোহিতের জায়গায় রোবটের ব্যবহারের পর থেকই শুরু হয় পুরোহিতদের কর্মের জন্য চিন্তা। সেবার গণেশ পুজোর সময় যন্ত্রকে আরতি করতে দেখে দর্শনার্থীরা অবাক ও মুগ্ধ হয়েছিলেন ঠিকই কিন্তু এর পাশাপাশি শুরু হয় দুশ্চিন্তা।  

    এই ঘটনার পর থেকেই পরবর্তী সময়ে আরও এমন রোবট (Robots) তৈরি হতে শুরু হয়েছে। এই রোবটগুলো হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের বহু ধর্মাচরণে দক্ষ। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই একে মানুষের বিজ্ঞান আরাধনার নয়া অর্জন বলে মনে করছেন অনেকে। তবে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন পুরোহিতরা।

    আরও পড়ুন: ‘কোনওভাবেই জঙ্গি কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না’, ফের জানালেন শাহ

    ধর্ম বনাম এআই

    এমন ভাবেই পুরোহিতদের পরিবর্তে পুজোর সময় রোবট (Robots) রাখা হলে পরবর্তী প্রজন্মে পুরোহিতদের কর্মসঙ্কোচনের পথ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি ধর্ম ও বিজ্ঞানের মধ্যে এক বিতর্কেরও সৃষ্টি হবে। ফলে একদিকে কিছু মানুষ যখন মনে করছেন পুজোতে রোবটের ব্যবহার মানব উদ্ভাবনের একটি নতুন দিগন্তের প্রতিনিধিত্ব করে যা সমাজকে উন্নতির দিকে পরিচালিত করবে। অন্যদিকে কিছু মানুষ উদ্বিগ্ন যে রোবটগুলিকে  ব্যবহার করা হলে এটি ভবিষ্যতের জন্য একটি অশুভ লক্ষণ।

    প্রসঙ্গত, সব মিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়া জুড়েই ধর্মাচরণ ও উপাসনার কাজে রোবটের ব্যবহার যেভাবে বাড়তে শুরু করেছে তাতে খুব শীঘ্রই তা পেশাগত ভাবে পৌরহিত্যের সঙ্গে যুক্তদের সমস্যায় ফেলতে পারে। তবে এখনই এই সমস্যাটা তেমনভাবে দেখা না গেলেও আশঙ্কা কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ‘কোনওভাবেই জঙ্গি কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না’, ফের জানালেন শাহ

    Amit Shah: ‘কোনওভাবেই জঙ্গি কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না’, ফের জানালেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদ (Terrorism) সম্পর্কে মোদি সরকারের (PM Modi) নীতিই হল জিরো টলারেন্স (Zero Tolerance)। কোনওভাবেই জঙ্গি কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না। রবিবার ফের একবার স্পষ্ট করে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন হায়দরাবাদে হয় সিআইএসএফের ৫৪তম রেইজিং ডে প্যারেড। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানেই সন্ত্রাসবাদ নিয়ে মোদি সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, গত ৯ বছর ধরে এনডিএ সরকার সফলভাবে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করে চলেছে।

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন…

    কাশ্মীরে হিংসার ঘটনা আগের চেয়ে অনেক কমেছে। উত্তর-পূর্বে এবং লেফ্ট উইং এক্সট্রিমিজম অ্যাফেকটেড এলাকায় সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম কমেছে। তিনি জানান, সরকারের প্রতি জনগণের আস্থাও বাড়ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদে জড়িত মানুষের সংখ্যাও দিন দিন কমছে। অনেকেই জঙ্গি কার্যকলাপ ছেড়ে আত্মসমর্পণ করছেন। সমাজের মূলস্রোতে ফিরছেন। প্রসঙ্গত, এবারই প্রথম সিআইএসএফের বার্ষিক রেইজিং ডে সেলিব্রেশন হচ্ছে দিল্লির বাইরে, হায়দরাবাদের হাকিমপেটে। এখানেই রয়েছে সিআইএসএফের ন্যাশনাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি অ্যাকাডেমি। সেখানেই হচ্ছে অনুষ্ঠান।

    আরও পড়ুুন: বরাদ্দ প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা, তার পরেও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ?

    ১২ মার্চ সিআইএসএফের প্রতিষ্ঠা দিবস। প্রতি বছর দিনটি মর্যাদার সঙ্গে পালন করে সিআইএসএফ। এতদিন দিল্লিতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলেও, এবার হচ্ছে হাকিমপেটে। এবার সিআইএসএফের এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) স্বয়ং। এখান থেকে তিনি যাবেন কেরল সফরে। সেখানে ত্রিশূরে বীরপুত্র সাকথান থাম্পুরানের প্রাসাদ ঘুরে দেখবেন। এ ব্যাপারে ট্যুইটও করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লিখেছেন, বীরপুত্র সাকথান থাম্পুরান আধুনিক ত্রিশূরের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর নেতৃত্ব দেওয়ার দূরদৃষ্টি এবং জ্ঞান ত্রিশূরকে কেরলের সাংস্কৃতিক রাজধানীতে পরিণত করেছে। এখানে কিছুটা সময় কাটাতে চাই আমি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Japanese Woman: ‘ভারতকে ভালোবাসি’, হোলির দিন যৌন হেনস্থার শিকার হয়ে কী বললেন জাপানি তরুণী?

    Japanese Woman: ‘ভারতকে ভালোবাসি’, হোলির দিন যৌন হেনস্থার শিকার হয়ে কী বললেন জাপানি তরুণী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা ভারতবাসী যখন হোলির উৎসবে মেতে উঠেছিল, সেই দিনই রাজধানীতে ঘটে যায় এক ঘৃণ্য কাজ। হোলির নামে দিল্লিতে এক বিদেশিনীর সঙ্গে অশালীন আচরণের ঘটনায় তোলপাড় দেশ। ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে তিন যুবক। ঘটনাটি নিয়ে নেট মাধ্যমে জোর চর্চা চলছে। গত কয়েকদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে সেই ভিডিওটি। ভিডিওতে দেখা গেছে, কয়েকজন যুবক এক জাপানি মহিলাকে (Japanese Woman) জোর করে রং মাখাচ্ছে। দিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকার এই ভিডিও সাড়া ফেলে দিয়েছিল নেট পাড়ায়। এর পরেই শুক্রবার ভারত ছেড়ে পা রেখেছেন বাংলাদেশে। আর সেখান থেকেই ট্যুইট করে জানিয়েছেন, ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও তিনি ভারতকে ভালোবাসেন।

    ট্যুইট করে কী লিখেছেন?

    শনিবার ট্যুইট করে ওই জাপানি তরুণী (Japanese Woman) লেখেন, “আমি শুনেছিলাম হোলির সকালে রাস্তায় একা কোনও মহিলার বের হওয়া বিপজ্জনক। তাই আমি ৩৫ জন বন্ধুদের গ্রুপের সঙ্গে বেরিয়েছিলাম ভারতীয় এই উৎসব দেখতে। আমি ভিডিওটি দিয়েছিলাম সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু আমি কখনওই ভাবিনি এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে। আমি সেই ভিডিও ডিলিট করে দিয়েছি।” সেই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, “আমি ভারতকে ভালবাসি। এর আগেও বেশ কয়েকবার এখানে এসেছি। আমার ভারতের সবকিছু ভাল লাগে। ভারত ও জাপান চিরকাল ‘টোমোদাচি’ (বন্ধু) হয়ে থাকবে”

    আরও পড়ুন: ১৫ কোটি টাকার জন্য খুন করা হতে পারে সতীশকে, দাবি মহিলার

    কী ঘটেছিল?

    ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, তিন যুবক ‘হোলি হ্যাঁ’ রব তুলে আপত্তিকর ভাবে জাপানি তরুণীর (Japanese Woman) বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে ছুঁচ্ছে। তিন যুবক মিলে মহিলার ওপর বল প্রয়োগ করে তিনজন। একটি যুবক জাপানি তরুণীর মাথায় একটি ডিম ফাটায়। এরপর একজন সেই নির্যাতিতাকে জড়িয়ে ধরতে গেলে তিনি থাপ্পড় মারেন এবং তিনজনের থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে সেখান থেকে চলে যান। তবে পরবর্তীতে ঘটনা নিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেননি নির্যাতিতা। তবে এই ঘটনা নিয়ে নেট মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় শুরু হলে পুলিশ স্বতঃপ্রবৃত্ত মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। ভিডিও দেখে তিনজন অভিযুক্তকে শনাক্ত করে গ্রেফতারও করা হয়। পুলিশ তাদের অভিযান জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং আশা করছে নারীদের প্রতি এমন অশালীন আচরণ হ্রাস পাবে। জানা গিয়েছে, গত শুক্রবারই তিনি বাংলাদেশে চলে যান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Satish Kaushik: ১৫ কোটি টাকার জন্য খুন করা হতে পারে সতীশকে, দাবি মহিলার

    Satish Kaushik: ১৫ কোটি টাকার জন্য খুন করা হতে পারে সতীশকে, দাবি মহিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ কোটি টাকার জন্য খুন করা হয়ে থাকতে পারে সতীশ কৌশিককে (Satish Kaushik)। দিল্লির (Delhi) যে ব্যবসায়ীর খামারবাড়িতে হোলি পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল, তাঁর স্ত্রীর দাবি সতীশকে বিষ দিয়ে থাকতে পারেন তাঁর স্বামী। দিল্লি পুলিশের (Police) কাছে এই মর্মে অভিযোগও জানিয়েছেন ওই মহিলা। একটি চিঠিতে তিনি জানান, তাঁর স্বামীকে ১৫ কোটি টাকা ধার দিয়েছিলেন সতীশ। সেই টাকা ফেরত চেয়ে ব্যবসায়ীর সঙ্গে একবার বিদেশেও দেখা করেন সতীশ।

    সতীশ কৌশিক (Satish Kaushik)…

    ওই মহিলার দাবি, টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে ওঁদের দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কিও হয়েছিল। সতীশকে টাকা ফেরত দিয়ে দেবেন বলে নাকি কথাও দিয়েছিলেন তিনি। ওই মহিলার দাবি, তাঁর স্বামীর খামারবাড়িতে হোলি পার্টিতে এসে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেতা। তাই অভিযোগকারিণীর ধারণা, তাঁর স্বামীই টাকা ফেরত দেওয়া থেকে বাঁচতে সতীশকে বিষজাতীয় কিছু দিয়েছিলেন। সূত্রের খবর, দিল্লির ওই খামারবাড়ি থেকে বেশ কিছু সন্দেহজনক ওষুধ উদ্ধার করেছে দিল্লি পুলিশ। জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য ইতিমধ্যেই তলব করা হয়েছে ওই মহিলাকে।

    ওই মহিলা এমনতর দাবি করলেও, প্রয়াত অভিনেতার (Satish Kaushik) পরিবারের তরফে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। সতীশের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে দিল্লি পুলিশ। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রাখা হয়েছে সতীশের হৃৎপিণ্ড ও রক্তের নমুনা। প্রসঙ্গত, ৯ মার্চ আচমকাই সতীশের প্রয়াণের খবর আসে। তাঁর ম্যানেজার সন্তোষ রাই বলেন, সে রাতে সাড়ে আটটা নাগাদ খাবার খেয়ে শুয়ে পড়েন অভিনেতা। কারণ পরের দিন ভোরের ফ্লাইট ধরে মুম্বই ফেরার কথা ছিল তাঁর। রাত্রি ১১টা নাগাদ আমাকে ডাকেন। ওয়াইফাইয়ের পাসওয়ার্ড ঠিক করে দিতে বলেন। তার পর আমি ঘরে চলে যাই। রাত ১২.০৫ নাগাদ চিৎকার করে আমায় ডাকেন। ছুটে গেলাম ওঁর ঘরে।

    আরও পড়ুুন: বরাদ্দ প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা, তার পরেও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ?

    বললেন, শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। ডাক্তারের কাছে নিয়ে চলো। সন্তোষ বলেন, কিছু দূর এগোনোর পরেই ওঁর (Satish Kaushik) বুকের ব্যথা বাড়তে থাকে। তাড়াতাড়ি চলো বলতে বলতে আমার কাঁধে মাথা দিয়ে বলেন, আমি মরতে চাই না। আমাকে বাঁচাও। সন্তোষ বলেন, হাসপাতাল পৌঁছতে আট মিনিট সময় লেগেছিল। কিন্তু তার আগেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর দাবি, সেদিন সকালেই সতীশ তাঁকে বলেছিলেন, মেয়ে বংশীকার জন্য বাঁচতে চাই। তবে মনে হচ্ছে, বেশি দিন বাঁচব না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED: জমির বিনিময়ে চাকরি কেলেঙ্কারিতে যাদবদের দুর্নীতির পরিমাণ ৬০০ কোটি, দাবি ইডি-র

    ED: জমির বিনিময়ে চাকরি কেলেঙ্কারিতে যাদবদের দুর্নীতির পরিমাণ ৬০০ কোটি, দাবি ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় ইতিমধ্যেই তেজস্বী যাদবের দিল্লির (Delhi) বাড়ি সহ ২৪টি ঠিকানায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে ইডি (ED)। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার দাবি, লালু প্রসাদ যাদব (Lalu Yadavs) যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, তখন চাকরির বিনিময়ে যে জমি নেওয়া হয়েছিল, তার মূল্য ২০০ কোটি টাকারও বেশি। যদিও দুর্নীতি ধরা পড়েছে ৬০০ কোটি টাকার। লালু প্রসাদের পরিবারের যে সম্পত্তির হদিশ ইডি পেয়েছে, তারও দীর্ঘ একটি তালিকা প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বিবৃতি জারি করে ইডি জানিয়েছে, আর্থিক তছরুপের অভিযোগে যে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে, তা থেকে জানা গিয়েছে, লালু প্রসাদের পরিবারের নামে পাটনার প্রমিনেন্ট লোকেশনে বিভিন্ন জমির খোঁজ মিলেছে।

    ইডি (ED) জানিয়েছে…

    লালু প্রসাদ যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন তখন জমির বিনিময়ে চাকরি দিয়ে এই জমি অবৈধভাবে দখল করা হয়েছিল। ইডি (ED) আরও জানিয়েছে, বর্তমানে এই জমির বাজার দর ২০০ কোটি টাকারও বেশি। এই জমিগুলির প্রকৃত মালিক কে, তাঁদেরও চিহ্নিত করা গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। এদিকে, জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় সিবিআই-ও তলব করেছে লালু প্রসাদের পুত্র তথা বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্ব যাদবকে।

    প্রসঙ্গত, জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় চলতি সপ্তাহেই আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদ ও তাঁর স্ত্রী তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবী এবং কন্যা মিসা ভারতীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। তার আগে লালু ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশিও চালানো হয়েছিল। ওই মামলায় লালু প্রসাদ, রাবড়ি দেবী সহ মোট ১৬ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ২৭ ফেব্রুয়ারি সমন জারি করেছিল দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ আদালত।

    ইডির (ED) দফতর থেকে ছাড়া পেয়ে বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে। গুজব ছড়ানো এবং তৈরি করা খবর ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন তিনি। সিজার লিস্ট যাতে সকলের নাম রয়েছে, সেই তালিকাও প্রকাশ করার দাবি জানান তেজস্বী।

    আরও পড়ুুন: বরাদ্দ প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা, তার পরেও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ?

    ইডির দাবি, দিল্লি, পাটনা, রাঁচি এবং মুম্বই সহ ২৪টি ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়ে নগদ ১ কোটি টাকা, ১৯০০ মার্কিন ডলার বিদেশি মুদ্রা, ৫৪০ গ্রাম সোনা, দেড় কেজির বেশি সোনার গয়না যার বাজার মূল্য ১.২৫ কোটি টাকা এবং যাদবদের পরিবারের বিভিন্ন নামে জমির হদিশ মিলেছে। ইডির অভিযোগ, যাদবদের পরিবার ৭.৪ লক্ষ টাকার জমি গ্রুপ ডি চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে নিয়েছিলেন। পরে সেই জমি বিক্রি করা হয় আরজেডির প্রাক্তন বিধায়ক সইদ আবু দোজানাকে। মূল্য নির্ধারিত হয়েছিল সাড়ে ৩ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Allotment: বরাদ্দ প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা, তার পরেও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ?

    Allotment: বরাদ্দ প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা, তার পরেও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের (Central Government) বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে নানা সময় সরব হতে দেখা গিয়েছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee)। বিশেষত কোনও নির্বাচন এসে গেলেই কেন্দ্র টাকা দেয়নি বলে কুম্ভীরাশ্রু বিসর্জন করতে শুরু করেন তৃণমূল (TMC) নেত্রী। রাজনৈতিক মহলের মতে, কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলে আদতে তৃণমূলের দুর্নীতির দিক থেকে জনতার দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    বাংলার জন্য বরাদ্দ (Allotment)…

    জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার বাংলার জন্য বরাদ্দ (Allotment) করেছে ৮৯,৯৬০ কোটি টাকা। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন খাতে কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে। বাংলার রেলওয়ে প্রকল্পের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে মঙ্গলবারই জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। আমরুত ২.০-র জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৩,৬৫০ কোটি টাকা। রেভেনিউ ডেফিসিট গ্র্যান্টস পেমেন্টের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১৩,৫৮৭ কোটি টাকা। গ্রামীণ সড়কের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৩৫৩ কোটি টাকা, ২০২৫ সালের মধ্যে অতিরিক্ত ৫,৫০০ কোটি টাকা। পিএমএওয়াই-জি প্রকল্পে বরাদ্দ হয়েছে ৮,২০০ কোটি টাকা। বাংলায় রাস্তা প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২৫ হাজার কোটি টাকা।

    আরও পড়ুুন: মমতার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন বিশ বাঁও জলে! কেন জানেন?

    শিলিগুড়িতে জাতীয় সড়কের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১ হাজার কোটি টাকা। রাজ্য সরকারের সম্মতি না মেলায় ক্যাপেক্স লোন পায়নি বাংলা। যদিও পরিকাঠামোর উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ (Allotment) হয়েছে ৭,৬০০ কোটি টাকা। ১৯৪৫ সালের আগে যেসব স্কুল গড়ে উঠেছে, সেগুলির উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২৫০ কোটি টাকা। রানিগঞ্জে চার লেনের বাইপাস তৈরির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪১০ কোটি টাকা। শিক্ষাখাতে বরাদ্দ হয়েছে ২,৬৫০ কোটি টাকা। নমামি গঙ্গা প্রকল্পে বরাদ্দের পরিমাণ ১২৩ কোটি টাকা। সর্ব শিক্ষা অভিযান প্রকল্পে রাজ্য সরকার পেয়েছে ৯৫৫ কোটি টাকা। কর আদায়ের প্রেক্ষিতে দেওয়া হয়েছে ১০,৬৪২ কোটি টাকা।

    মাত্র চার মাসে দেওয়া হয়েছে এই পরিমাণ (Allotment) অর্থ। তার পরেও বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ টাকা খয়রাতি করে রাজ্য সরকার খরচ করছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। তার জেরে বন্ধ রয়েছে একশো দিনের কাজের মতো নানা প্রকল্প। অথচ রাজ্য সরকার গলা ফাটাচ্ছে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sovandeb Chattopadhyay: আদিবাসীদের নিয়ে কৃষিমন্ত্রীর করা মন্তব্যের জেরে অনির্দিষ্টকালের বনধ

    Sovandeb Chattopadhyay: আদিবাসীদের নিয়ে কৃষিমন্ত্রীর করা মন্তব্যের জেরে অনির্দিষ্টকালের বনধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসীদের নিয়ে কৃষিমন্ত্রী তথা তৃণমূল (TMC) নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের (Sovandeb Chattopadhyay) করা বিরূপ মন্তব্যের মাশুল গুনল ঝাড়গ্রাম (Jhargram)। তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে শনিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বনধ ডেকেছে আদিবাসীদের সংগঠন ভারত জাকাত মাঝি পারগানা। বনধের জেরে শনিবার ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় সড়ক, রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন বনধ সমর্থনকারীরা। এদিন ঝাড়গ্রামে বেসরকারি বাস চলেনি। রাস্তায় হাতে গোণা যে কটি সরকারি বাস বেরিয়েছিল, অবরোধের জেরে তাও আটকে গিয়েছে মাঝপথে। তবে ব্যাঘাত ঘটেনি জরুরি পরিষেবায়। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আদিবাসীদের অপমান করেছেন। অবিলম্বে তাঁকে আদিবাসী সমাজের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তবেই স্বাভাবিক হবে পরিস্থিতি।

    শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Sovandeb Chattopadhyay) বলেন…

    প্রসঙ্গত, ২১ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বিধানসভায় বঙ্গভঙ্গ বিরোধী প্রস্তাবের আলোচনায় আদিবাসীদের পরিযায়ী ও গোর্খাদের বহিরাগত বলেছিলেন শোভনদেব (Sovandeb Chattopadhyay)। রাজ্যের এক মন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের প্রতিবাদ করেন কুমারগ্রামের বিধায়ক বিজেপির মনোজ টিগ্গা। তিনি বলেন, মন্ত্রী ইতিহাসের অপলাপ করছেন। শোভনদেবের এই মন্তব্যের জেরেই ডাকা হয়েছে অনির্দিষ্টকালের বনধ।

    আরও পড়ুুন: সিমকার্ড বেচে দিন কাটত শান্তনুর! সেখান থেকে বাগানবাড়ি, রেস্তোরাঁ, ধাবা কীভাবে?

    বনধের জেরে এদিন ঝাড়গ্রাম শহরের বুকে শপিং মল থেকে শুরু করে কোর্ট রোড চত্বরের দোকান, জুবলি মার্কেটের দোকান বন্ধ রয়েছে। গজাশিমূলের কাছে অবরোধ করা হয় কলকাতা-মুম্বই ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক। রাস্তা অবরোধ করা হয় লোধাশুলির কাছেও। এলাকার সব দোকানপাট বন্ধ। অবরোধ করা হয় বিনপুর এক নম্বর ব্লকের দহিজুড়ি মোড়েও। বিনপুর ২ নম্বর ব্লকের শিলদা চকেও অবরোধ করেন বনধ সমর্থনকারীরা। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন প্রান্তে অবরোধ করা হয়েছে পথ। বন্ধ রয়েছে দোকানপাট। আদিবাসী সমাজের পক্ষে ডানগা হাঁসদা বলেন, ঝাড়গ্রাম জেলার সমস্ত ব্লকে আমাদের অবরোধ ও বনধ কর্মসূচি চলছে। আমরা আগেই ঘোষণা করেছি এই বনধ অনির্দিষ্টকাল চলবে।

    তিনি বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বিধানসভা কক্ষের মধ্যে মাননীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Sovandeb Chattopadhyay) যে মন্তব্য করেছেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং বেদনাদায়ক। তার প্রতিবাদে আজ আমরা ঝাড়গ্রাম জেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বনধ ডেকেছি। ডানগা হাঁসদা বলেন, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে ভুল স্বীকার করতে হবে। তাঁকে বলতে হবে ভুলবশত বলা হয়ে গিয়েছে। তাহলে আমরা মেনে নেব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • INDIA v AUSTRALIA: শুভমনের শতরান! চতুর্থ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার  বিপক্ষে বড় ইনিংস গড়ার পথে ভারত

    INDIA v AUSTRALIA: শুভমনের শতরান! চতুর্থ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বড় ইনিংস গড়ার পথে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেদাবাদ টেস্টে তৃতীয় দিনের শেষে ভাল জায়গায় ভারত (INDIA v AUSTRALIA)।  তৃতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়া পর্যন্ত টিম ইন্ডিয়া ৯৯ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৮৯ রান তুলেছে। ফর্মে থাকা শুভমন গিলের দুরন্ত শতরানে ভর করে এদিন সহজেই রান তোলে টিম ইন্ডিয়া। দিনের শেষে ৫৯ রান করে ক্রিজে রয়েছেন বিরাট কোহলি ও ১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা। প্রথম ইনিংসের বিচারে অস্ট্রেলিয়ার থেকে এখনও ১৯১ রান পিছিয়ে রয়েছে টিম ইন্ডিয়া। চতুর্থ দিনে ভারতের জন্য প্রথম সেশনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবার নজর থাকবে বিরাটের ব্যাটের দিকে।

    ম্যাচের হাল-চাল

    এই ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া (INDIA v AUSTRALIA)। অজি ব্যাটার উসমান খোয়াজা এবং ক্যামেরন গ্রিনের সেঞ্চুরির সুবাদে অস্ট্রেলিয়া স্কোর বোর্ডে ৪৮০ রান তুলতে সক্ষম হয়। খোয়াজা ১৮০ রান ও গ্রিন করেন ১১৪ রান। এই ইনিংসে ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ৬ উইকেট নেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। অন্যদিকে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে রোহিত শর্মাকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান কুনম্যান। ব্যক্তিগত ৩৫ রানে আউট হয়েছেন হিটম্যান। ৪২ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন চেতেশ্বর পূজারা। মার্ফির বলে আউট হন পূজারা। এদিকে শতরান করে আউট হয়েছেন শুভমন গিল। ১২৮ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন গিল। 

    আরও পড়ুন: ক্রিকেটীয় পিচে কূটনৈতিক সম্পর্ক মজবুত করার পথ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    আমদাবাদের পিচে এমনিতেই বোলাররা সে ভাবে সাহায্য পাননি এখনও। সেই পিচে ঠান্ডা মাথায় চাপ সামলে রান করলেন শুভমন। মারার বল হলে মেরেছেন। ধরে খেলার বল সতর্কতার সঙ্গে রক্ষণ করেছেন। খুচরো রান নিয়ে সচল রেখেছেন স্কোরবোর্ড। অস্ট্রেলিয়ার (INDIA v AUSTRALIA) বিরুদ্ধে ভারতকে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে যেতে হলে কাউকে একটা বড় রান করতেই হবে। শুভমন তার শুরুটা করে দিয়ে গেলেন। গিলের কথায়,’চতুর্থ দিনে বড় স্কোর করার চেষ্টা করবে ভারত। তাঁর মতে কে জানে ম্যাচের পঞ্চম দিনে উইকেট বোলারদের সাহায্য করতে পারে। আর যদি তা হয় তাহলেই ভারতীয় দল বাজি জিততে পারে।’ তৃতীয় দিনের খেলার শেষে শুভমন বলেন, ‘এখানে সেঞ্চুরি করতে পেরে দারুণ লাগছে। এটা আমার আইপিএল হোম গ্রাউন্ড এবং এখানে আমি কিছু রান পেয়ে বেশ খুশি। ব্যাট করার জন্য পিচ বেশ ভালো ছিল।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PML Rules: প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং রুলস সংশোধন করল কেন্দ্র, কেন জানেন?

    PML Rules: প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং রুলস সংশোধন করল কেন্দ্র, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং রুলস (PML Rules), ২০০৫ সংশোধন করল কেন্দ্র। নয়া এই রুলস অনুযায়ী, যাঁরা পলিটিক্যালি এক্সপোজড পার্সনস, তাঁদের যে কোনও ধরনের লেনদেনের (transaction) রেকর্ড রাখতে হবে ব্যাঙ্ক (Bank) এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে। চলতি অর্থবর্ষের ৭ মার্চ থেকেই লাগু হয়েছে এই রুলস। এছাড়াও এনজিও বা নন প্রফিট অর্গানাইজেশনের যাবতীয় লেনদেনের যাবতীয় তথ্যও সংগ্রহ করতে হবে ব্যাঙ্ক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে।

    পলিটিক্যালি এক্সপোজড পার্সনস…

    পলিটিক্যালি এক্সপোজড পার্সনসের সংজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে ওই সংশোধনীতে। বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি যাঁরা কোনও সরকার বা রাজ্যের প্রধান, প্রবীণ রাজনীতিক, প্রবীণ সরকারি কর্মী কিংবা জুডিশিয়াল বা মিলিটারি অফিসার, রাজ্যের কোনও কর্পোরেশনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ এবং কোনও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলের আধিকারিক, তাঁরাই পলিটিক্যালি এক্সপোজড পার্সনস।

    আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ((PML Rules)) নীতি আয়োগের দর্পন পোর্টালের এনজিও ক্লায়েন্টদের তথ্যও নথিভুক্ত করতে হবে। ক্লায়েন্টদের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ হওয়ার পাঁচ বছর পর পর্যন্ত যাবতীয় তথ্য সংরক্ষিত রাখতে হবে। শুধু তাই নয়, সংশোধনীতে আরও বলা হয়েছে, এখন থেকে ব্যাঙ্ক শুধু পলিটিক্যালি এক্সপোজড পার্সনস কিংবা এনজিওর আর্থিক লেনদেনের রেকর্ড মেইনটেইন করবে তাই নয়, যখন এবং যেমন প্রয়োজন লেনদেনের সেই সব তথ্য ইডির কাছেও পাঠিয়ে দেবে।

    ক্রিপ্টোকারেন্সি…

    এদিকে, প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং ((PML Rules)) রুলসের আওতায় ক্রিপ্টোকারেন্সি পড়বে বলেও জানিয়েছে কেন্দ্র। বুধবার এক নির্দেশিকা জারি করে নয়া নিয়মের বিষয়টি জানিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। বিটকয়েনের মতো কারেন্সির পাশাপাশি ভার্চুয়াল সম্পত্তিতেও এবার থেকে কার্যকর হবে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ। ডিজিটাল সম্পদের ওপর নজরদারি বাড়াতেই নয়া নির্দেশিকা আনা হচ্ছে। ক্রিপ্টোকারেন্সির নানা দুর্নীতি আটকাতেও কড়া পদক্ষেপ করছে কেন্দ্র।

    ক্রিপ্টোকারেন্সিতে লগ্নি করে প্রতারিত হয়েছেন অনেকে। তাই এ ব্যাপারে সতর্কবার্তা দিচ্ছে কেন্দ্র। নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যে কোনও ধরনের তথ্য, নম্বর বা টোকেন সব ক্ষেত্রেই আর্থিক লেনদেন থেকে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। এই আর্থিক লেনদেনগুলি আয়কর আইনের আওতায় পড়বে। ডিজিটাল সম্পদ কেনাবেচার আগেও সাবধান হয়ে আর্থিক লেনদেনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: মমতার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন বিশ বাঁও জলে! কেন জানেন?

    প্রসঙ্গত, চলতি অর্থবর্ষে ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে আয়ের ওপর ৩০ শতাংশ কর বসিয়েছে কেন্দ্র। তার জেরেই এই ক্ষেত্রে বাড়ছে অপরাধের সম্ভাবনাও। সেই অপরাধে লাগাম পরাতেই প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং রুলসের আওতায় আসছে লেনদেনের নয়া পদ্ধতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Scam: এবার স্বাস্থ্য দপ্তরে দুর্নীতি! ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে কাজে যোগ দিতে এসে শ্রীঘরে যুবক, কোথায় দেখে নিন

    Scam: এবার স্বাস্থ্য দপ্তরে দুর্নীতি! ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে কাজে যোগ দিতে এসে শ্রীঘরে যুবক, কোথায় দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ শিক্ষক দুর্নীতি (Scam) নিয়ে রাজ্য জুড়ে তোলপাড় চলছে। আদালতের নির্দেশ রাজ্যে শয়ে শয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকার নিয়োগ বাতিল হয়েছে। শুক্রবারই গ্রুপ সি পদে আদালতের নির্দেশে নতুন করে বহু নিয়োগ বাতিল হয়েছে। চাকরি বাতিলের তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝিও রয়েছে। এরইমধ্যে ভুয়ো নথি নিয়ে গ্রুপ ডি পদে চাকরিতে যোগ দিতে গিয়ে ধরা পড়ল এক যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। স্বাস্থ্য দপ্তরে এই ধরনের দুর্নীতির (Scam) ঘটনা ঘটনা ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালের আধিকারিকরা তার কাছে থাকা নিয়োগপত্র দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছেন। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার সঞ্জয় মল্লিক বলেন, নিয়োগপত্র নিয়ে তিনি আমার সঙ্গে দেখা করেন। তারপর নিয়োগপত্রটি জমা দিয়ে কাজে যোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য তিনি বলেন। নিয়োগপত্র দেখেই আমার সন্দেহ হয়। কারণ, স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে এভাবে একজনের নিয়োগপত্র দেওয়া হয় না। আমি চারিদিকে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, এই ধরনের কাউকে স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে পাঠানো হয়নি। ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে ওই যুবক হাসপাতালে এসেছিল। আমরা সঙ্গে সঙ্গে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।

    কে দিল ওই ভুয়ো নিয়োগপত্র? Scam

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য দফতরের গ্রুপ ডি পদে চাকরিতে যোগ দিতে এসেছিল ওই যুবক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম মোক্তার আলি। তার বাড়ি মালদহের ইংলিশবাজার এলাকায়। মোক্তারকে হাসপাতালে বসিয়ে রেখে পুলিশের খবর দেওয়া হয়। পুলিশের কাছে সে স্বীকার করে স্পিড পোস্টে তার কাছে নিয়োগপত্রটি এসেছিল। তবে, এই নিয়োগপত্রের বিনিময়ে সে কত টাকা দিয়েছে তা পুলিশের কাছে স্বীকার করেনি।  মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক আধিকারিক বলেন, পরীক্ষা না দিয়ে সরকারি চাকরি পাওয়া যায় না। এই বিষয়টি সকলের জানা দরকার। একটি চক্র রয়েছে, যারা টাকার বিনিময়ে এভাবে ভুয়ো নিয়োগপত্র দেয়। অনেকে তাদের খপ্পরে পড়ে প্রতারিত হয়। তবে, এই হাসপাতালে এই ধরনের কোনও চক্র রয়েছে কি না তা জানা নেই। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ধৃত যুবককে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ১০ দিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশ ধৃতকে হেপাজতে নিয়ে এই চক্রের সঙ্গে কারা রয়েছে তা জানার চেষ্টা করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share