Blog

  • West Asia Conflict: পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের আঁচে গুচ্ছ পদক্ষেপের কথা ঘোষণা পাক-পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর

    West Asia Conflict: পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের আঁচে গুচ্ছ পদক্ষেপের কথা ঘোষণা পাক-পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের (West Asia Conflict) আঁচ লাগল পাকিস্তানের গায়েও। দেশটির পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফ জনসাধারণকে সুরক্ষা দিতে ও সম্পদের উপযুক্ত বিলি-বণ্টনের জন্য একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা (Pakistan) ঘোষণা করেছেন।

    জ্বালানি বাঁচাতে পদক্ষেপ (West Asia Conflict)

    এই বিশেষ পদক্ষেপগুলির মধ্যে রয়েছে, প্রাদেশিক মন্ত্রীদের জন্য সরকারি জ্বালানি সরবরাহ স্থগিত করা, সরকারি আধিকারিকদের গাড়ির জন্য পেট্রোল ও ডিজেল ভাতায় অবিলম্বে ৫০ শতাংশ কমানো, সরকারি দফতরে ‘ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম’ নীতি চালু করা এবং ১০ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা। তিনি আরও ঘোষণা করেন, যেসব সরকারি অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে সাংস্কৃতিক উৎসব হর্স অ্যান্ড ক্যাটেল শো-ও, আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

    মরিয়ম নওয়াজ শরিফের পোস্ট

    এক্স হ্যান্ডেলে মরিয়ম নওয়াজ শরিফ একটি দীর্ঘ পোস্টে এই সব পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “এই অঞ্চলে যে সংঘাত চলছে, তার জেরে ব্যতিক্রমী একটি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে, তার প্রেক্ষিতে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া এবং সম্পদ দায়িত্বশীলভাবে ব্যবস্থাপনার জন্য আমি কিছু বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পেট্রোলিয়াম সঙ্কট সমাধান না হওয়া পর্যন্ত প্রাদেশিক মন্ত্রীদের জন্য সরকারি জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ থাকবে। সরকারি আধিকারিকদের গাড়ির পেট্রোল ও ডিজেল ভাতা অবিলম্বে ৫০ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দিয়েছি (Pakistan)।” প্রাদেশিক মন্ত্রী এবং প্রবীণ সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে থাকা প্রোটোকল গাড়ির সংখ্যাও সীমিত করা হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত জরুরি প্রয়োজনে কেবল একটিই গাড়ি ব্যবহার করার অনুমতি থাকবে (West Asia Conflict)।

    ‘ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম’

    তিনি জানান, সরকারি দফতরগুলিতে ‘ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম’ নীতি কার্যকর হবে এবং কেবল প্রয়োজনীয় কর্মীরা অফিসে উপস্থিত থাকবেন। ১০ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। তবে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা চলবে। এই সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি অনলাইন ক্লাস নিতে পারবে। তিনি বলেন, নাগরিকদের সুবিধার জন্য ই-বিজনেস পরিষেবা এবং “মরিয়ম কি দস্তক” পরিষেবা চালু থাকবে (Pakistan)। সরকারি কাজ অনলাইন মিটিং ও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে হবে (West Asia Conflict)। মুখ্যমন্ত্রী জানান, জ্বালানি সরবরাহের ওপর কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে প্রতিটি জেলায় জেলা পেট্রোলিয়াম মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ ব্যবস্থা

    তিনি বলেন, পাঞ্জাব ইনফর্মেশন টেকনোলজি বোর্ডকে পেট্রোলিয়াম পণ্যের জন্য একটি ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ ব্যবস্থা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যেখানে জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ অংশ নেবে। মরিয়ম এও বলেন, “ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম নীতির অধীনে কেবল অতিরিক্ত সহায়ক কর্মীদের যাতায়াত সীমিত থাকবে, সরকারি কাজ কোনওভাবেই বন্ধ হবে না (West Asia Conflict)।” পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী বেসরকারি খাতকেও যেখানে সম্ভব ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম ব্যবস্থা চালু করা, অপ্রয়োজনীয় অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলা এবং কর্মস্থলে কেবল জরুরি কর্মী রাখার পরামর্শ দিয়েছেন (Pakistan)। তিনি বলেন, “জেলা প্রশাসনকে পরিবহণ ভাড়া কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাঞ্জাবজুড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের সরবরাহ এবং দামের ওপরও নজরদারি চালানো হবে।”

    এই কঠিন সময়ে তিনি জনগণকে অপ্রয়োজনীয় অনুষ্ঠান, গভীর রাতের কেনাকাটা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মজুত করা থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানান। পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েল ও ইরানের সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব পাকিস্তান সরাসরি অনুভব করেছে। শুক্রবার সরকার পেট্রোল ও হাই-স্পিড ডিজেলের দাম (Pakistan) প্রতি লিটারে ৫৫ রুপি বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে (West Asia Conflict)।

     

  • Indian Army: অবসর নিচ্ছেন বর্তমান জিওসি-ইন-সি, এপ্রিল থেকে সেনা ইস্টার্ন কমান্ডের দায়িত্বে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভিএমবি কৃষ্ণন

    Indian Army: অবসর নিচ্ছেন বর্তমান জিওসি-ইন-সি, এপ্রিল থেকে সেনা ইস্টার্ন কমান্ডের দায়িত্বে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভিএমবি কৃষ্ণন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পরিবর্তন হবে। এই রদবদলের ফলে সেনাবাহিনীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডের নেতৃত্ব বদলাবে এবং নতুন করে নিয়োগ হবে ভাইস চিফ অফ আর্মি স্টাফ পদে।

    সেনা উপ-প্রধান হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরজ শেঠ

    বর্তমানে পুনে-স্থিত সেনার সাদার্ন কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরজ শেঠ (Lt Gen Dhiraj Seth) আগামী ১ এপ্রিল থেকে নয়াদিল্লিতে ভাইস চিফ অফ আর্মি স্টাফ (VCOAS) হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। এই পদটি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে চিফ অফ আর্মি স্টাফের (সেনাপ্রধান) পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ। ভাইস চিফের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে সেনাবাহিনীর অপারেশনাল পরিকল্পনা, আধুনিকীকরণ, নীতি বাস্তবায়ন এবং বিভিন্ন ফরমেশনের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখা। পাশাপাশি সামরিক কমান্ড ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও এই পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    আর্মার্ড কোরের অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরজ শেঠ

    লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেঠ আর্মার্ড কোরের অফিসার এবং তিনি ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বর মাসে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড ও স্টাফ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪-এর জুলাইতে সাদার্ন কমান্ডের প্রধান হওয়ার আগে তিনি মথুরায় অবস্থিত সেনাবাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্ট্রাইক ফোর্স ২১ স্ট্রাইক কোরের কমান্ডার ছিলেন। এছাড়াও তিনি অতীতে একটি স্বতন্ত্র আর্মার্ড ব্রিগেড, একটি আর্মার্ড ডিভিশন, এবং দিল্লি এরিয়া-র কমান্ডার হিসেবে কাজ করেছেন। কর্মজীবনের শুরুর দিকে তিনি অ্যাঙ্গোলায় রাষ্ট্রসংঘ মিশনে মিলিটারি অবজারভার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরজ শেঠ খড়্গওয়াসলার ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির প্রাক্তনী। পাশাপাশি তিনি ওয়েলিংটনের ডিফেন্স সার্ভিসেস স্টাফ কলেজ, নয়াদিল্লির ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ এবং অস্ট্রেলিয়ার এআইসিএসসি-তে উচ্চতর সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

    ওয়েস্টার্ন কমান্ডের নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল পুষ্পেন্দ্র সিং

    এই নেতৃত্ব পরিবর্তনের ফলে সেনাবাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ওয়েস্টার্ন কমান্ডেও নতুন কমান্ডার আসছেন। বর্তমান ভাইস চিফ অফ আর্মি স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল পুষ্পেন্দ্র সিং (Lt Gen Pushpendra Singh) আগামী ১ এপ্রিল থেকে ওয়েস্টার্ন আর্মি কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। তিনি এই পদে লেফটেন্যান্ট জেনারেল মনোজ কুমার কাটিয়ারের স্থলাভিষিক্ত হবেন। চণ্ডীমন্দিরে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন কমান্ড পাকিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার সামরিক প্রস্তুতি এবং অপারেশন পরিচালনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লেফটেন্যান্ট জেনারেল পুষ্পেন্দ্র সিং এলিট প্যারাশুট রেজিমেন্ট (প্যারা) স্পেশাল ফোর্সেস থেকে উঠে আসা অফিসার। স্পেশাল ফোর্সেস থেকে খুব কম সংখ্যক অফিসারই কখনও একটি আর্মি কমান্ডের নেতৃত্ব পেয়েছেন। ভাইস চিফের পদ থেকে কমান্ডে যাওয়াকে পদাবনতি হিসেবে মনে হলও, আদতে তা নয়। সেনায় বিষয়টি সেভাবে দেখা হয় না। ভারতীয় সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য অনুযায়ী, শীর্ষ পদে ওঠার আগে সিনিয়র অফিসারদের স্টাফ ও ফিল্ড কমান্ড—দু’ধরনের অভিজ্ঞতা দেওয়া হয়।

    ইস্টার্ন কমান্ডে নতুন প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভিএমবি কৃষ্ণন

    আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হচ্ছে ইস্টার্ন কমান্ডে। বর্তমানে সেনা সদর দফতরে কোয়ার্টারমাস্টার জেনারেল হিসেবে কর্মরত লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভিএমবি কৃষ্ণন (Lt Gen VMB Krishnan) আগামী ১ এপ্রিল থেকে ইস্টার্ন কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ (জিওসি-ইন-সি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। কলকাতায় সদর দফতর থাকা ইস্টার্ন কমান্ড চিনের সঙ্গে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC)-এর পূর্বাঞ্চলীয় অংশ— বিশেষ করে অরুণাচল প্রদেশ ও সিকিমের সামরিক পরিস্থিতি সামলায়। পাশাপাশি এই কমান্ড মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সীমান্ত এবং গোটা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা ও অপারেশন তদারকি করে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল কৃষ্ণন এর আগে ১৭ কোরের কমান্ডার ছিলেন, যা চিন সীমান্তে অপারেশনের জন্য গঠিত সেনাবাহিনীর মাউন্টেন স্ট্রাইক ফরমেশন। এছাড়া তিনি সেনা সদর দফতরে ডিরেক্টর জেনারেল অব ইনফরমেশন টেকনোলজি হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাম চন্দর তিওয়ারির স্থলাভিষিক্ত হবেন, যিনি জানুয়ারি ২০২৪ থেকে ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং চলতি মাসেই অবসর নিতে চলেছেন।

    সাদার্ন কমান্ডে নতুন প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল সন্দীপ জৈন

    লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরজ সেঠ দিল্লিতে যাওয়ায় সাদার্ন কমান্ডের নতুন প্রধান হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সন্দীপ জৈন (Lt Gen Sandeep jain)। বর্তমানে তিনি সাদার্ন কমান্ডের চিফ অব স্টাফ হিসেবে কর্মরত। লেফটেন্যান্ট জেনারেল জৈন এতদিন পর্যন্ত কমান্ডের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদে ছিলেন এবং অপারেশনাল ও প্রশাসনিক কাজকর্মে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁকে আর্মি কমান্ডার পদে উন্নীত করা ভারতীয় সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব কাঠামোর স্বাভাবিক অগ্রগতিরই প্রতিফলন। এর আগে তিনি অম্বালায় অবস্থিত ২ কোর, যা খড়্গ কোর নামেও পরিচিত, তার কমান্ডার ছিলেন। এটি পশ্চিম সীমান্তে সেনাবাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্ট্রাইক ফরমেশন। পুনে-ভিত্তিক সাদার্ন কমান্ড উপদ্বীপীয় ভারতের বিভিন্ন সামরিক গঠন ও ইউনিটের তত্ত্বাবধান করে। উত্তরাঞ্চলের কমান্ডগুলির তুলনায় এই অঞ্চলে সরাসরি সীমান্ত উত্তেজনা তুলনামূলকভাবে কম হলেও, প্রশিক্ষণ, লজিস্টিক অবকাঠামো, অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং কৌশলগত রিজার্ভ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সাদার্ন কমান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই পরিবর্তন

    ভারতীয় সেনাবাহিনীর এই নেতৃত্ব পরিবর্তন কেবল প্রশাসনিক রদবদল নয়। এর মাধ্যমে সেনাবাহিনীর কৌশলগত পরিকল্পনা, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং সামরিক প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে চিন ও পাকিস্তান সীমান্তে বাড়তে থাকা নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে এই নতুন নেতৃত্ব সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ সামরিক কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

  • T20 World Cup 2026: “দারুণ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য আইসিসি ও আমার বন্ধু জয় শাহকে অভিনন্দন” বার্তা ফিফা সভাপতির

    T20 World Cup 2026: “দারুণ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য আইসিসি ও আমার বন্ধু জয় শাহকে অভিনন্দন” বার্তা ফিফা সভাপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ-পাকিস্তান বোর্ডের তরফে হাজারো বিতর্ক সৃষ্টির পরেও সফল আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026)। চ্যাম্পিয়ন ভারত (Team India)। পর পর দু’বার, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত। রবিবার সূর্যকুমার যাদবের দল ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ২০২৪ সালে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে ট্রফি জিতেছিল ভারত। তার পর ফের বিশ্বসেরা টিম সূর্য। ক্রীড়া জগতে আইসিসি তথা ভারতের সাফল্যকে কুর্নিশ করছেন সকলেই। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহকে আইসিসি পুরুষদের টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬ সফলভাবে আয়োজন করার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    ভারতীয় দলের জার্সি হাতে ছবি শেয়ার

    নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ভারতীয় দলের জার্সি হাতে একটি ছবি শেয়ার করে ইনফান্তিনো আইসিসি এবং জয় শাহকে শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে তিনি ভারতীয় ক্রিকেট দলকেও রেকর্ড তৃতীয় টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের জন্য অভিনন্দন জানান। ইনফান্তিনো লিখেছেন, “আরেকটি দারুণ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য আইসিসি এবং আমার বন্ধু জয় শাহকে অভিনন্দন। আরেকটি শিরোপার জন্য ভারতকে অনেক অভিনন্দন। তোমাদের অসাধারণ দেশটি পরিদর্শন করার পর আমি জানি, এটি তোমাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।” উল্লেখ্য, রবিবার আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ভারত নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে পরাজিত করে টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬ জয় করে। এই জয়ের মাধ্যমে ভারত প্রথম দল হিসেবে ঘরের মাটিতে টি-২০ বিশ্বকাপ জেতে এবং টানা দু’বার (২০২৪ ও ২০২৬) শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করে। এছাড়া ভারতই প্রথম দল যারা তিনবার (২০০৭, ২০২৪ ও ২০২৬) টি-২০ বিশ্বকাপ জয় করল।

    দুই জনপ্রিয় খেলার মেলবন্ধন

    এর আগে ফেব্রুয়ারিতে ইতালির মিলানে জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এবং জয় শাহের মধ্যে সাক্ষাৎ হয়। বিশ্বের দুই জনপ্রিয় খেলাধুলা—ফুটবল ও ক্রিকেটের প্রশাসনিক প্রধানদের এই সাক্ষাৎকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখা হয়। সেই সময় ইনফান্তিনো সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে জয় শাহের ক্রিকেটের উন্নয়নে অবদানের প্রশংসা করেন এবং ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তনের জন্য শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি তিনি খেলাধুলার মাধ্যমে বিশ্বকে একত্রিত করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতে সহযোগিতার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন।

  • Assembly Election 2026: “ভোটের সময় বাংলায় এত হিংসা কেন?” রাজ্যকে প্রশ্ন মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

    Assembly Election 2026: “ভোটের সময় বাংলায় এত হিংসা কেন?” রাজ্যকে প্রশ্ন মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Assembly Election 2026) সময় বাংলায় এত কেন হিংসা হয়? রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে এই প্রশ্ন করলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। ভোট হবে অহিংস, শান্তিপূর্ণ! তা না হলে কারওর রেয়াত নেই। সোমবার বাংলায় এসে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ রাজ্য়ের উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকদের ‘ক্লাস’ নিলেন জ্ঞানেশ কুমার। আরও বেশি কড়া হাতে নির্বাচন সামাল দিতে হবে বলেই মত তাঁর। এদিন রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকের পর কমিশনের ফুল বেঞ্চ বৈঠকে বসেছে রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে।

    রাজ্য প্রশাসনকে ধমক নির্বাচন কমিশনের

    কমিশনের তরফে বেআইনি অস্ত্র, মদ ও বেআইনি অর্থ লেনদেনের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক আধিকারিকদের দ্রুত এই ধরনের বেআইনি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সতর্ক করেছে কমিশন। জ্ঞানেশ কুমার বলেছিলেন, “অন্য রাজ্যে এত হিংসা দেখা যায় না। বাংলাতেই কেন ভোটের সময় এত অশান্তি? সব রাজনৈতিক দলগুলি আমাদের কাছে অভিযোগ করেছে। এবার এই সব চলবে না।” কোনও রকম বোমা-পিস্তলের খবর যেন না থাকে, বারেবারে জেলাশাসকদের সতর্ক করা হয়। পদের ‘মোহ’ ভুলে বাংলায় শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তিনি আরও বলেন, “জেলাশাসক হন বা পুলিশ কমিশনার, গাফিলতি দেখলে রেয়াত নেই। কেউ পালাতে পারবেন না। নির্বাচনের পর দোষী সাব্যস্ত হলে পদক্ষেপ তাঁদের বিরুদ্ধে অনিবার্য।” এমনকি নির্বাচন পরবর্তী হিংসার অভিযোগ এলেও ‘শেষ দেখে ছাড়বেন’ বলে জানিয়ে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। এ দিন যখন এসপি-ডিএম ও পুলিশ আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক চলছিল, সেখানে এডিজি আইন-শৃঙ্খলা বীনিত গোয়েলকে কড়া ধমক দেন তিনি। একেবারে প্রথমের সারিতেই বসেছিলেন বিনীত গোয়েল। কথা হচ্ছিল নার্কোটিক্স অ্যাডভাইজারি বোর্ড নিয়ে। জ্ঞানেশ জানতে চান, অন্য রাজ্যের মতো বাংলায় কেন নার্কোটিক্স অ্যাডভাইজারি বোর্ড নেই? সূত্রের খবর, এই প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন বিনীত গোয়েল। আর তখনই ধমক দেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।

    বিজেপি’র ১৬ দফা দাবিপত্র

    সোমবার কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠকে মোট ১৬ দফা দাবিপত্র পেশ করে বিজেপি। বাংলায় নির্বাচনকালীন হিংসা, কারচুপি-সহ নানাবিধ ইস্যুতে সুর চড়ায় তাঁরা। বৈঠক শেষে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমরা কমিশনের কাছে ভয়মুক্ত নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি।” এছাড়াও ‘কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদ্ব্যবহার’ করতে হবে কমিশনের কাছে আর্জি করেন বিজেপি নেতা।

    নবান্নে জরুরি বৈঠক মুখ্যসচিবের

    নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকের পর নবান্নে জরুরি বৈঠক ডাকেন মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। ওই বৈঠকে জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও বিভিন্ন পুলিশ কমিশনারেটের কর্তারা ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দেন। সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজ্য প্রশাসনের বৈঠকে যে নির্দেশ ও পর্যবেক্ষণ উঠে এসেছে, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কমিশনের বৈঠকের পর মুখ্যসচিবকে রিপোর্ট দেওয়ার প্রথা থাকায় এই বৈঠক ডাকা হয়। জেলার নির্বাচনী প্রস্তুতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।

  • Civic Volunteers: পুলিশ না হয়েও বদলি তিন সিভিক ভলান্টিয়ার! কীভাবে? ভবানী ভবনের নির্দেশে জোর বিতর্ক

    Civic Volunteers: পুলিশ না হয়েও বদলি তিন সিভিক ভলান্টিয়ার! কীভাবে? ভবানী ভবনের নির্দেশে জোর বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের সদর দফতর ভবানী ভবন-এর (Bhawani Bhavan) এক কড়া নির্দেশে তিন মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ারকে (Civic Volunteers) তাঁদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁরা নিজেদের নির্দিষ্ট এক্তিয়ার লঙ্খন করে পুলিশের মতো আচরণ করেছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গেও অভব্য আচরণ করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা কেবল পুলিশকে সহায়তা করা, নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়া বা পুলিশের ক্ষমতা প্রদর্শন করা নয়। তবে, বদলির বিজ্ঞপ্তি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সিভিক ভলান্টিয়াররা পুলিশ বা সরকারি কর্মচারী নন। তাহলে, কীসের ভিত্তিতে তাঁদের বদলি করতে পারে রাজ্য সরকার? উঠছে প্রশ্ন।

    অভিযোগের প্রকৃতি (Civic Volunteers)

    এর আগে, সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়ে একটি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট তার রায়ে সাফ জানিয়েছিল, সিভিক ভলান্টিয়াররা কোনও ভাবেই পুলিশ নয়। ওই মামলায় হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) নিয়োগ করা যাবে না। সরকারি নীতিতেও পুলিশের মূল কাজে তাঁদের যুক্ত না থাকার কথা বলা হয়েছিল সেই মামলায়। এক কথায় সিভিক ভলান্টিয়াররা যে পুলিশ নন, তা সাংবিধানিক ভাবেই স্পষ্ট করেছিল রাজ্যের উচ্চ আদালত। তার পরেও কোন ভিত্তিতে ভবানী ভবন থেকে তিন মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ারের বদলির বিজ্ঞপ্তি (Bhawani Bhavan) জারি হল? এই প্রশ্ন এখন প্রশাসনের কাছে বড় প্রশ্ন।

    ভবানী ভবনের হস্তক্ষেপ

    প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা কঠোর অবস্থান নেন। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাঁদের অবিলম্বে বদলি বা দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই তিন সিভিক ভলান্টিয়ারের (Civic Volunteers) বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে অহেতুক হেনস্থা এবং ট্রাফিক বা অন্যান্য ডিউটির সময় নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়েছিল।

    নির্দেশিকার অনুস্মরণ

    কলকাতা হাইকোর্ট এবং রাজ্য সরকার ইতিপূর্বেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) কাজের পরিধি নির্দিষ্ট করে দিয়েছিল। এই ঘটনার মাধ্যমে প্রশাসন বার্তা দিতে চাইছে যে, সেই নির্দেশিকা অমান্য করলে কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না। পুলিশ মহলের মতে, সিভিক ভলান্টিয়াররা মূলত জনপরিষেবা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সাহায্য করার জন্য নিযুক্ত। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ ওঠায় পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে বাকিদেরও সতর্ক করা হল, যাতে তাঁরা নির্ধারিত গণ্ডির মধ্যে থেকে কাজ করেন।

  • Daily Horoscope 10 March 2026: কাজে সফল হবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 10 March 2026: কাজে সফল হবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    বৃষ

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মিথুন

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কর্কট

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) বাড়তি আয় করতে গেলে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    সিংহ

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) ধৈর্য্য ধরুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) সমাজের কাজে সাফল্য।

    তুলা

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যাত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগী হয়ে উঠবেন।

    ৩) প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) চোখ কান খোলা রেখে বিশ্বাস করুন।

    ধনু

    ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মকর

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় সমস্যা ও খরচ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মীন

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে। কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ২) প্রেমে মাত্রাছাড়া আবেগ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Major Swathi Shantha Kumar: রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ সম্মানে ভূষিত সেনার মহিলা অফিসার মেজর স্বাতী শান্তা কুমার

    Major Swathi Shantha Kumar: রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ সম্মানে ভূষিত সেনার মহিলা অফিসার মেজর স্বাতী শান্তা কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বশান্তি রক্ষা এবং লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রসংঘের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রমীলা অফিসার মেজর স্বাতী শান্তা কুমার (Major Swathi Shantha Kumar)। তাঁর পরিচালিত “ইকুয়াল পার্টনার্স, লাস্টিং পিস” (Equal Partners, Lasting Peace) প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক স্তরে বিশেষ প্রশংসায় ভূষিত হয়েছে। মেজর স্বাতী বর্তমানে দক্ষিণ সুদানে রাষ্ট্রসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে (UNMISS) কর্মরত। শান্তি বজায় রাখার প্রক্রিয়ায় মহিলা ও পুরুষকে সমানভাবে শামিল করার লক্ষ্যেই তাঁর এই বিশেষ উদ্যোগ।

    পুরস্কারের প্রেক্ষাপট (Equal Partners, Lasting Peace)

    সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তি স্থাপনের (Equal Partners, Lasting Peace)  কাজে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং লিঙ্গভিত্তিক সংবেদনশীলতা প্রসারে মেজর স্বাতীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়েছে। তাঁর ‘ইকুয়াল পার্টনার্স, লাস্টিং পিস’ প্রজেক্টটি মূলত এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি যে— দীর্ঘস্থায়ী শান্তি তখনই সম্ভব, যখন সমাজের সকল স্তরের মানুষের, বিশেষ করে নারীদের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।

    বিদেশে ভারতের গৌরব

    ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন দক্ষ আধিকারিক হিসেবে বিদেশের মাটিতে এই সম্মাননা প্রাপ্তি দেশের জন্য এক বিশাল গৌরব। দক্ষিণ সুদানের মতো কঠিন ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাঁর এই মানবিক ও প্রশাসনিক কাজ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। রাষ্ট্রসংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মেজর স্বাতী স্থানীয় মহিলা সমাজকে মূলধারার শান্তি আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করতে এবং তাঁদের সুরক্ষায় বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিয়েছেন। শান্তিরক্ষা (Equal Partners, Lasting Peace)  মিশনে ভারতীয় সেনাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য রয়েছে। মেজর স্বাতী শান্তা কুমারের এই কৃতিত্ব কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং এটি বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় নারীশক্তির জয়গান এবং বৈশ্বিক শান্তি রক্ষায় ভারতের দায়বদ্ধতারই প্রতিফলন।

    ৫,০০০-এরও বেশি নারীর জীবনকে সুরক্ষিত করেন

    মেজর স্বাতী শান্তা কুমারের (Major Swathi Shantha Kumar) এই প্রচেষ্টা ৫,০০০-এরও বেশি মহিলার জন্য একটি নিরাপদ এবং আরও সহায়ক পরিবেশ তৈরি করেছে, যা তাঁদেরকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে অর্থপূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করতে সক্ষম করেছে। এই উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে আস্থা ও আত্মবিশ্বাস তৈরিতেও সাহায্য করেছে, দক্ষিণ সুদানের সংঘাত-প্রবণ অঞ্চলে প্রচারণা উন্নত করেছে। রাষ্ট্রসংঘ উল্লেখ করেছে, এই উদ্যোগ ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতি ভবিষ্যতের শান্তিরক্ষা মিশনের (Equal Partners, Lasting Peace)  জন্য একটি শক্তিশালী উদাহরণ স্থাপন করেছে। এই কাজের ভূমিকা প্রমাণ করে কীভাবে ভঙ্গুর অঞ্চলে নারী-নেতৃত্ব স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতায় অবদান রাখতে পারে।

  • Ramakrishna 599: “মা, তোমার নামগুণ করে বেড়াব—দেহটা একটু তার দিয়ে এঁটে দাও, সেখানকার মতো! সিদ্ধাই চাইবার জো নাই!”

    Ramakrishna 599: “মা, তোমার নামগুণ করে বেড়াব—দেহটা একটু তার দিয়ে এঁটে দাও, সেখানকার মতো! সিদ্ধাই চাইবার জো নাই!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে অক্টোবর
    পূর্ণজ্ঞান—দেহ ও আত্মা আলাদা—শ্রীমুখ-কথিত চরিতামৃত

    পূর্বকথা—মিয়জিয়াম দর্শন ও পীড়ার সময় প্রার্থনা 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—অনেকদিন হল,—আমার তখন খুব ব্যামো। কালীঘরে বসে আছি,—মার কাছে প্রার্থনা করতে ইচ্ছা হল! কিন্তু ঠিক আপনি বলতে পাল্লাম না। বললুম,—মা হৃদে বলে তোমার কাছে ব্যামোর কথা বলতে। আর বেশি বলতে পাল্লাম না—বলতে বলতে অমনি দপ্‌ করে মনে এলো সুসাইট্‌ (Asiatic Society’s Museum) সেখানকার তারে বাঁধা মানুষের হাড়ের দেহ (Skeleton) অমনি বললুম (Kathamrita), মা, তোমার নামগুণ করে বেড়াব—দেহটা একটু তার দিয়ে এঁটে দাও, সেখানকার মতো! সিদ্ধাই চাইবার জো নাই!

    “প্রথম প্রথম হৃদে বলেছিল,—হৃদের অণ্ডার (under) ছিলাম কি না—‘মার কাছে একটু ক্ষমতা চেও।’ কালীঘরে ক্ষমতা চাইতে গিয়ে দেখলাম ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছরের রাঁড়—কাপড় তুলে ভড়ভড় করে হাগছে। তখন হৃদের উপর রাগ হল—কেন সে সিদ্ধাই চাইতে শিখিয়ে দিলে।”

    শ্রীযুক্ত রামতারণের গান — ঠাকুরের ভাবাবস্থা

    গান:

    আমার এই সাধের বীণে, যত্নে গাঁথা তারের হার ৷
    যে যত্ন জানে, বাজায় বীণে, উঠে সুধা অনিবার ॥
    তানে মানে বাঁধলে ডুরী, শত ধারে বয় মাধুরী ৷
    বাজে না আলগা তারে, টানে ছিঁড়ে কোমল তার ॥

    ডাক্তার (গিরিশের প্রতি) — গান এ-সব কি অরিজিন্যাল (নূতন)?

    গিরিশ — না, Edwin Arnold-এর thought (আর্নল্ড সাহেবের ভাব লয়ে গান)।

    রামতারণ প্রথমে বুদ্ধরচিত হইতে গান গাহিতেছেন (Kathamrita):

    জুড়াইতে চাই, কোথায় জুড়াই,
    কোথা হতে আসি, কোথা ভেসে যাই।
    ফিরে ফিরে আসি, কত কাঁদি হাসি,
    কোথা যাই সদা ভাবি গো তাই ॥
    কর হে চেতন, কে আছে চেতন,
    কত দিনে আর ভাঙিবে স্বপন?
    কে আছে চেতন, ঘুমায়ো না আর,
    দারুণ এ-ঘোর নিবিড় আঁধার,
    কর তম নাশ, হও হে প্রকাশ,
    তোমা বিনা আর নাহিক উপায়,
    তব পদে তাই শরণ চাই ॥

    এই গান শুনিতে শুনিতে ঠাকুর ভাবাবিষ্ট হইয়াছেন।

    গান—কোঁ কোঁ কোঁ বহরে ঝড়।

    সূর্যের অন্তর্যামী দেবতাদর্শন

    এই গানটি সমাপ্ত হইলে ঠাকুর বলিতেছেন (Ramakrishna), “এ কি করলে! পায়েসের পর নিম ঝোল! —

    “যাই গাইলে—‘কর তম নাশ’, অমনি দেখলাম সূর্য—উদয় হবা মাত্র চারদিকের অন্ধকার ঘুচে গেল! আর সেই সূর্যের পায়ে সব শরণাগত হয়ে পড়ছে!”

    রামতারণ আবার গাইতেছেন:

    (১)   —   দীনতারিণী দূরিতবারিণী, সত্ত্বরজঃতমঃ ত্রিগুণধারিণী,
    সৃজন পালন নিধনকারিণী, সগুণা নির্গুণা সর্বস্বরূপিণী।

    (২)   —   ধরম করম সকলি গেল, শ্যামাপূজা বুঝি হল না!
    মন নিবারিত নারি কোন মতে, ছি, ছি, কি জ্বালা বল না ॥

    এই গান শুনিয়া ঠাকুর (Ramakrishna) আবার ভাবাবিষ্ট হইলেন।

    রাঙা জবা কে দিলে তোর পায়ে মুঠো মুঠো।

  • Bangladesh: জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় ভারতের দ্বারস্থ বাংলাদেশ, স্কুল-কলেজে দেওয়া হল ছুটি

    Bangladesh: জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় ভারতের দ্বারস্থ বাংলাদেশ, স্কুল-কলেজে দেওয়া হল ছুটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধোপে টিকল না ভারত দখলের হম্বিতম্বি! শেষমেশ সেই ভারতের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশকে। জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ ভারতের কাছেও সাহায্য চেয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় তেল সংস্থা ইন্ডিয়ান ওয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড (IOCL) এবং অসমের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড (NRL) থেকে চার মাসের মধ্যে ৫০,০০০ টন ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে।

    জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলা (Bangladesh)

    এদিকে, নিদারুণ জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলা করতে আজ, সোমবার থেকে  জেরে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। মধ্যপ্রাচ্যে যে সংঘাত চলছে, তার জেরে দেশে জ্বালানি সঙ্কট আরও তীব্র হয়ে ওঠায় ঈদের ছুটি এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। এই পদক্ষেপের ফলে বিদ্যুতের ব্যবহার কমবে এবং যানজটও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার জেরে সাশ্রয় হবে জ্বালানি। বাংলাদেশ সরকারের কর্তাদের মতে, আবাসিক হল, শ্রেণিকক্ষ, ল্যাবরেটরি এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র চালানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রচুর পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। তাই ঈদের ছুটি আগেই ঘোষণা করলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমবে।

    স্কুল-কলেজে তালা

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলগুলি ইতিমধ্যেই পুরো রমজান মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ব্যবহারের প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে প্রতিদিনের সীমা নির্ধারণ করেছে। এর পাশাপাশি বেসরকারি কোচিং সেন্টার এবং বিদেশি পাঠ্যক্রমভিত্তিক স্কুলগুলিকে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি সঙ্কটের দরুন বাংলাদেশ সরকার পরিচালিত চারটি সার কারখানার কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। এ বিষয়ে এক সরকারি আধিকারিক বলেন, “বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং আমদানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং ব্যবহার কমাতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”

     

  • BJP Fact Checks: তৃণমূলকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে কটাক্ষ, মুখের মতো জবাব দিল বিজেপি

    BJP Fact Checks: তৃণমূলকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে কটাক্ষ, মুখের মতো জবাব দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাম্প্রতিক বঙ্গ সফরকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূলের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়েছে। তৃণমূলের একটি দাবিকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে উল্লেখ করে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখা সেটির সত্যতা যাচাই করে পাল্টা জবাব দেয়।

    তৃণমূলের দাবি (BJP Fact Checks)

    রাষ্ট্রপতির সফরের সময় প্রোটোকল ভঙ্গের অভিযোগ তুলে তৃণমূল একটি ভিডিও-সহ পোস্টে দাবি করে, “প্রধানমন্ত্রী বারবার রাষ্ট্রপতির পদকে সম্মান করার বড় বড় কথা বলেন। কিন্তু এই ছবিটি ভালো করে দেখুন। দেশের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে আছেন, আর প্রধানমন্ত্রী আরামে চেয়ারে বসে রয়েছেন। রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মানের সব দাবি তখনই ফাঁপা মনে হয়, যখন এমন দৃশ্য তাঁর পদকে অবহেলার ইঙ্গিত দেয়।” ভিডিওতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এটা আপনার জন্য। আপনি কি রাষ্ট্রপতিকে—যিনি একজন নারী এবং একজন আদিবাসী নেতা—সম্মান করেন? তাহলে রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে আর আপনি বসে আছেন কেন? আমি আপনাদের সবাইকে দেখালাম, আমরা রাষ্ট্রপতিকে সম্মান করি, কিন্তু তারা করে না। এই ছবিই প্রমাণ করে কে সম্মান করে, আর কে করে না।”

    বিজেপির জবাব

    এর জবাবে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির তরফে এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “টিএমসির ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি আবার সক্রিয়। টিএমসির তৈরি করা ক্ষোভের আসল সত্য হল, ভারতরত্ন প্রদান অনুষ্ঠানের সময় সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী, পুরস্কার প্রদান চলাকালীন উপস্থিত অন্যরা বসে থাকেন। এখানে শিষ্টাচার ভঙ্গের কোনও ঘটনা ঘটেনি।” তারা আরও বলে, “মাননীয়া রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতরত্ন এলকে আডবাণীকে ঘিরে একটি মর্যাদাপূর্ণ মুহূর্তকে তুচ্ছ রাজনৈতিক লাভের জন্য বিকৃত করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদটির মর্যাদা রক্ষা করুন এবং ভুয়ো তথ্য ছড়াবেন না।” এ কথা বলার সময় বিজেপি প্রায় দু’বছরের পুরানো একটি ভিডিও-ও শেয়ার করে। ঘটনাটি ঘটে ৩১ মার্চ ২০২৪-এ, যখন রাষ্ট্রপতি মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী মোদি এলকে আডবাণীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করেন।

    রাষ্ট্রপতির উষ্মা

    শনিবার রাষ্ট্রপতি দার্জিলিংয়ে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে পশ্চিমবঙ্গ সফরে এলে শুরু হয় বিতর্ক। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি প্রশ্ন তোলেন, কেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন না? তিনি বলেন, “সাধারণত রাষ্ট্রপতি এলে মুখ্যমন্ত্রীর উচিত উপস্থিত থেকে স্বাগত জানানো, এবং অন্য মন্ত্রীরাও থাকেন। কিন্তু তিনি আসেননি। রাজ্যপাল বদল হওয়ায় তিনি আসতে পারেননি। তবে তারিখ নির্ধারিত থাকায় আমি এসেছি।” তিনি আরও বলেন, “মমতা আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলার মেয়ে। তিনি কেন অসন্তুষ্ট, তা আমি জানি না।” অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি এও বলেন, “আমি জানি না কেন রাজ্য প্রশাসন সেখানে সভা করার অনুমতি দেয়নি। আজকের অনুষ্ঠান এমন জায়গায় হচ্ছে যেখানে মানুষের আসা কঠিন। হয়তো রাজ্য সরকার আদিবাসীদের কল্যাণ চায় না!”

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘লজ্জাজনক ও নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “যাঁরা গণতন্ত্র ও আদিবাসী সমাজের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করেন, তাঁরা সবাই হতাশ। নিজে আদিবাসী সমাজ থেকে উঠে আসা রাষ্ট্রপতি মহোদয়ার প্রকাশ করা বেদনা ও ক্ষোভ ভারতের মানুষের মনে গভীর দুঃখের সৃষ্টি করেছে।” ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাষ্ট্রপতির সফরে কোনও প্রোটোকল লঙ্ঘন হয়নি। বিজেপি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে।” তিনি আরও দাবি করেন, অনুষ্ঠানস্থলের দুর্বল প্রস্তুতি সম্পর্কে রাজ্য সরকার আগেই জানিয়েছিল রাষ্ট্রপতির দফতরকে।

     

LinkedIn
Share