Blog

  • Visva Bharati: ‘বসন্ত উৎসবের নামে হত তাণ্ডব, বন্ধ করেছি’, বললেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য  

    Visva Bharati: ‘বসন্ত উৎসবের নামে হত তাণ্ডব, বন্ধ করেছি’, বললেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতীতে (Visva Bharati) বসন্ত উৎসবের (Basanta Utsav) নামে ২০১৯ সালে তাণ্ডব দেখেছিলাম। সেই তাণ্ডবই আমরা বন্ধ করেছি। বুধবার বিশ্বভারতীর উপাসনা গৃহে বসে কথাগুলি যিনি বললেন, তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী (Bidyut Chakrabarty)। বসন্ত উৎসবের পরিবর্তে এবার হবে বসন্ত বন্দনা। ৩ মার্চ হবে এই ঋতু বন্দনা।

    বিশ্বভারতী (Visva Bharati) আর বসন্ত উৎসব…

    বিশ্বভারতী আর বসন্ত উৎসব প্রায় সমার্থক হয়ে গিয়েছিল। ফি বছর এই উৎসবে শামিল হতে ভিড় করতেন হাজার হাজার পর্যটক। করোনা অতিমারির নিষেধাজ্ঞার জেরে দু বছর বন্ধ ছিল এই উৎসব। ২০২২ সালেও উৎসব বন্ধ রাখেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। সেবার উৎসব বন্ধ রাখার কারণ হিসেবে ছাত্র আন্দোলনের কথা বলেছিলেন উপাচার্য। এবার তিনি বললেন বসন্ত উৎসবের নামে তাণ্ডবের কথা।

    বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, বিশ্বভারতীতে (Visva Bharati) বসন্ত উৎসবের নামে ২০১৯ সালে তাণ্ডব দেখেছিলাম। সেই তাণ্ডবই আমরা বন্ধ করেছি। তার বদলে করা হচ্ছে বসন্ত বন্দনা। তিনি বলেন, ২০১৯ সালে বসন্ত উৎসব বসন্ত তাণ্ডবে পরিণত হয়েছিল। তাই বন্ধ করেছি। এখন বসন্ত বন্দনা হচ্ছে। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ উৎসব চাননি, চেয়েছিলেন বন্দনা। উৎসবের নামে এই তাণ্ডব হবে, ভাবতে পারেননি রবীন্দ্রনাথ। তাই বিশ্বভারতী এই তাণ্ডব বন্ধ করতে চেয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘সব ক্রিয়ারই বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে’, উদয়নকে মনে করালেন সুকান্ত

    উপাচার্যের অভিযোগ, বসন্ত উৎসবের নামে তাণ্ডবের পিছনে কিছু বুড়ো খোকার ভূমিকা থাকে। তিনি জানান, ৩ মার্চ হবে বসন্ত বন্দনা। এখানে বাইরের কারও প্রবেশাধিকার থাকবে না। উপস্থিত থাকবেন কেবল বিশ্বভারতীর ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। উপাচার্য বলেন, বিশ্বভারতীতে অশিক্ষিত ও অল্প শিক্ষিতের সংখ্যা অনেক বেড়ে গিয়েছে। যাঁরা বিশ্বভারতীর অনেক ক্ষতি করছেন।

    এর আগেও একবার আশ্রমিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) উপাচার্য। তখনও তিনি বলেছিলেন, শান্তিনিকেতনের রাবীন্দ্রিক, আশ্রমিক এবং প্রাক্তনীরা অশিক্ষিত ও অল্প শিক্ষিত। তাঁর কটাক্ষ, বিশ্বভারতীকে কলুষিত করেছেন এঁরা।

    প্রসঙ্গত, অনেকের মতে, ১৯০৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বসন্ত পঞ্চমীতে শমীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে যে ঋতু উৎসবের সূচনা হয়, তারই পরিবর্তিত ও পরিমার্জিত রূপ শান্তিনিকেতনের আজকের এই বসন্ত উৎসব। সরস্বতী পুজোর দিন শুরু হলেও, পরবর্তীকালে সে অনুষ্ঠান বিভিন্ন বছর ভিন্ন ভিন্ন তারিখ ও তিথিতে হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: সকাল থেকেই কলকাতা-হাওড়ায় ইডি-র তল্লাশি অভিযান, এ বার কোন মামলায়?

    ED Raid: সকাল থেকেই কলকাতা-হাওড়ায় ইডি-র তল্লাশি অভিযান, এ বার কোন মামলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিনকন ও টাওয়ার গ্রুপের চিটফান্ড মামলায় বুধবার সকাল থেকেই শহরজুড়ে চলছে ইডি-র তল্লাশি (ED Raid) অভিযান। ইডি সূত্রে খবর, মোট ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।  ৫০-৬০ জন ইডি আধিকারিক অভিযান চালাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে আলিপুরের বর্ধমান রোডে এক আইনজীবী ও গড়িয়াহাটের কেয়াতলা রোডে এক ব্যক্তির বাড়ি। সূত্রের খবর, চিটফান্ড মামলায় একাধিক প্রভাবশালীর হয়ে আইনি লড়াই লড়েছিলেন এই আইনজীবী। তাঁর কাছে লেনদেনের তথ্যও রয়েছে বলে অনুমান ইডি আধিকারিকদের। সেই কারণেই এই তল্লাশি (ED Raid)। এদিন বেশ কিছু নথি দেখিয়ে ওই আইনজীবীকে জেরা করা হচ্ছে বলে খবর।

    তল্লাশিতে ইডি আধিকারিকরা

    সূত্রের খবর, বুধবার সকাল ৭ টা নাগাদ দুটি চিটফান্ড কাণ্ডের তল্লাশিতে (ED Raid) নামেন ইডি আধিকারিকরা। একটি দল যায় কেয়াতলা রোডে। সেখানে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে চলছে তল্লাশি। একটি দল গিয়েছে হাওড়ার জগাছা এলাকায় ও আরেকটি দল আলিপুরের বর্ধমান রোডের একটি আইনজীবীর বাড়িতে। ইডি আর একটি সূত্র জানাচ্ছে, একাধিক মামলার তদন্তে চালানো হচ্ছে এই তল্লাশি অভিযান। যার মধ্যে সারদা মামলাও রয়েছে। ২৪ ঘণ্টা আগেই ভবানীপুর এলাকায় পিজি হাসপাতালের পিছন দিকের একটি পাড়ায় তল্লাশি (ED Raid) অভিযান চালিয়েছিল ইডি। আর্থিক তছরুপের তদন্তকারী এই কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছিল, মঙ্গলবারের ওই তল্লাশি অভিযানের সঙ্গে মোবাইল গেমিং প্রতারণা কাণ্ডের যোগ রয়েছে। তবে বুধবার হাওড়ার যে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে, তিনি সারদা মামলায় বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: এরপর যে নাম সামনে আসবে তাতে বিস্ফোরণ হবে, দাবি গোপাল দলপতির

    বুধবার সকাল ৮টা ৪০মিনিট নাগাদ ইডির (ED Raid) কর্তারা পৌঁছে যান হাওড়া জগাছায় ব্যবসায়ী রামেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে। জগাছার ধারসা পালপাড়া এলাকার বাসিন্দা রামেন্দু টাওয়ার গ্রুপ নামে চিট ফান্ড কোম্পানির মালিক। তবে এ ছাড়াও সৌরবিদ্যুৎ-সহ নানা ব্যবসা এবং বিনিয়োগ সংস্থার সঙ্গে যুক্ত তিনি। কেন্দ্রীয় বাহিনীতে বাড়ি ঘিরে ফেলে দীর্ঘক্ষণ ধরে সেখানে চলছে তল্লাশি (ED Raid)। যদিও এই তল্লাশি প্রসঙ্গে এখনও কোনও তথ্য দেয়নি ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Adenovirus: ফের রাজ্যে অ্যাডিনো ভাইরাসে বলি ৪ শিশু, প্রাণ গেল সদ্যজাতেরও

    Adenovirus: ফের রাজ্যে অ্যাডিনো ভাইরাসে বলি ৪ শিশু, প্রাণ গেল সদ্যজাতেরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অ্যাডিনো ভাইরাসে (Adenovirus) মৃত্যু ৪ শিশুর। কাল রাত থেকে আজ সকালের মধ্যে কলকাতার দুটি সরকারি হাসপাতালে ৪ শিশুর মৃত্যু হল। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ২ ও বি সি রায় শিশু হাসপাতালে ২ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশু মৃত্যুর সংখ্যা অনবরত বেড়েই চলেছে। ফলে এই আবহে তুমুল আতঙ্ক তৈরি হয়েছে রাজ্যজুড়ে। দু’‌দিন আগেই এমন ঘটনা ঘটেছিল কলকাতায়। ফের আজ, বুধবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছে শহর জুড়ে।

    ৪ শিশুর মৃত্যু (Adenovirus)…

    কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে এক ৭ মাসের শিশুর মৃত্যু হয়েছে আজ সকালে। জানা গিয়েছে, চুঁচুড়ার হামিদপুরের এই শিশুর জ্বর, শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকায় ১৯ ফেব্রুয়ারি, চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতাল থেকে রেফার করা হয়। আজ ভোরে মৃত্যু হয় একরত্তির। ওই শিশুর জন্মগত হার্টের সমস্যা ছিল। এর পর শরীরে অ্যাডিনো ভাইরাস মেলে। হাসপাতালের দাবি, অ্যাডিনোর জেরে নিউমোনিয়া সংক্রমণ মিটলেও, হার্টের সমস্যার কারণেই ওই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কলকাতা মেডিক্যালে মৃত দ্বিতীয় শিশুর বয়স মাত্র ২২ দিন। হাওড়ার বাগনানের বাসিন্দা। জ্বর-শ্বাসকষ্ট থাকায়, ১৬ ফেব্রুয়ারি উলুবেড়িয়া হাসপাতাল থেকে রেফার করা হয়। অ্যাডিনো ভাইরাস পাওয়া যায় শিশুর দেহে। এর পর গতকাল রাতে ওই শিশুর মৃত্যু হয় (Adenovirus)।

    আরও পড়ুন: অ্যাডিনো-আতঙ্ক! শিশুমৃত্যু ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেহাল দশা নিয়ে রাজ্যকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    আবার বি সি রায় শিশু হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে চার বছরের একটি শিশুর। গোবরডাঙা এলাকার বাসিন্দা শিশুটি কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিল। তারপর শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দেয়। তখন প্রথমে হাবড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২৬ ফেব্রুয়ারি বি সি রায় হাসপাতালে শিশুকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। আজ, বুধবার ভোর ৪.৫৫ মিনিট নাগাদ মৃত্যু হয় শিশুটির। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নিউমোনিয়ার জেরেই মৃত্যু হয়েছে। এই হাসপাতালেই আজ এক সদ্যজাতেরও মৃত্যু হয়েছে। বারাসতের নবপল্লির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের এক মহিলা রবিবার সন্তানের জন্ম দেন। বারাসত হাসপাতালে জন্ম হয় সেই শিশুর। ওইদিনই ফুলবাগান শিশু হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। প্রচণ্ড শ্বাসকষ্টের সমস্যা ছিল শিশুটির। প্রচণ্ড শ্বাসকষ্টও শুরু হয়। তখন ফুলবাগানের বি সি রায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভেন্টিলেশনে রাখা হয় নবজাতককে। আজ সকালে তার মৃত্যু হয় (Adenovirus)।

    একের পর এক মৃত্যু রাজ্য জুড়ে

    একের পর এক শিশু মৃত্যু আতঙ্ক বাড়াচ্ছে শহরে (Adenovirus)। ১ মার্চ পর্যন্ত ৪২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এর মধ্যে মেডিক্যাল কলেজে এখনও পর্যন্ত ১৫ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। বি সি রায় শিশু হাসপাতালে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। এছাড়াও, পার্ক সার্কাসের ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেলথে ৫, পিয়ারলেস হাসপাতালে ২, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kakali Ghosh Dastidar: ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে ডাকা হয়নি! দলত্যাগ পঞ্চায়েত প্রধান-সহ ২৩ সদস্যের

    Kakali Ghosh Dastidar: ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে ডাকা হয়নি! দলত্যাগ পঞ্চায়েত প্রধান-সহ ২৩ সদস্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ‘দিদির দূত কর্মসূচি’ ঘিরে বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল। এবারে দল থেকেই ইস্তফা দিয়ে দিলেন পঞ্চায়েত প্রধান সহ ২৩ জন সদস্য। অভিযোগ উঠেছে, ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচিতে ডাক মেলেনি তাঁদের। মঙ্গলবার ‘দিদির সুরক্ষাকবচ’ কর্মসূচি উপলক্ষে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakali Ghosh Dastidar) কদম্বগাছি এলাকায় যান। সেখানেই সাংসদের অপেক্ষা করছিলেন তাঁরা। কিন্তু সাংসদ তো আসেনইনি, উল্টে অভিযোগ, তৃণমূলকে ছেড়ে আইএসএফের লোকজনকে নিয়ে দিদির দূত কর্মসূচি সেরেছেন তিনি। আর এই অভিযোগ ঘিরেই মঙ্গলবার শাসকদলের গোষ্ঠীকোন্দল ফের একবার প্রকাশ্যে এল।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার কদম্বগাছি পঞ্চায়েতের হেমন্ত বসু নগর এলাকায় ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচিতে যান সাংসদ ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakali Ghosh Dastidar), বিধায়ক রহিমা মণ্ডল, দেগঙ্গা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মফিদুল হক শাহাজি, অঞ্চল সভাপতি নিজামুল কবির, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আরশাদ উদ জামান-সহ অন্যান্যরা। এর আগে ‘দিদির দূত’দের সাধারণ মানুষের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে, তবে এবারে দলেরই পঞ্চায়েত সদস্যরা ক্ষোভ উগরে দিলেন সাংসদের বিরুদ্ধে। পঞ্চায়েত সদস্যদের দাবি, পঞ্চায়েত অফিসে তাঁরা বসেছিলেন সাংসদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে। কিন্তু সাংসদ সেখানে না গিয়ে একদা আইএসএফের লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরেছেন। এমনকী তাঁদের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণও জানানো হয়নি। ফলে পঞ্চায়েতের প্রধান-সহ তৃণমূলের ২৬ সদস্যের মধ্যে ২৩ জন তাঁদের পদত্যাগপত্র তৃণমূল ভবন এবং সাংসদকে পাঠিয়ে দেন।

    আরও পড়ুন: জি-২০ বৈঠকে যোগ দিতে ভারত সফরে আসছেন চিনা বিদেশমন্ত্রী কিন গাং

    পঞ্চায়েত প্রধানের কী বক্তব্য?

    কদম্বগাছি পঞ্চায়েত প্রধান গৌতম পালদের অভিযোগ, পূর্বসূচি অনুযায়ী দুপুর ৩টের সময় পঞ্চায়েতে সংকল্প অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সাংসদের (Kakali Ghosh Dastidar) আসার কথা ছিল। কিন্তু তিনি পঞ্চায়েত কার্যালয়ের সামনে দিয়ে চলে গিয়েছেন। অফিসে আর ঢোকেননি। এমনকী, ওই পঞ্চায়েতের সদস্যদের ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণও করেননি। এই কারণে সাংবাদিক বৈঠক করে ক্ষোভ উগরে দেন তাঁরা।

    অন্যদিকে বারাসতের এক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আরশাদ উদ জামানের অভিযোগ, সাংসদের গাড়ি থেকে নামার সময় কেউ এক জন তাঁর দিকে পাথর ছুঁড়েছেন। তিনি জখম হন। এর মধ্যে সাংসদ কদম্বগাছি পঞ্চায়েত কার্যালয় সংলগ্ন একটি অনুষ্ঠানবাড়িতে বিশ্রাম করেন। সেখানে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে বেরিয়ে যান। সাংসদ কাকলিও (Kakali Ghosh Dastidar) পঞ্চায়েত সদস্যদের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, কোনও বিক্ষোভ হয়নি। তিনি সুষ্ঠুভাবেই কর্মসূচি করেছেন কদম্বগাছি এলাকায়। বারাসতের সাংসদ এও বলেন, “আমি শুনেছিলাম পঞ্চায়েত অফিসে অন্য কোনও বৈঠক চলছে। তাই আমি সেখানে যাইনি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Natural Remedy: ঘরোয়া উপায়ে নিয়ন্ত্রণে রাখুন উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল

    Natural Remedy: ঘরোয়া উপায়ে নিয়ন্ত্রণে রাখুন উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে জীবনযাত্রার পরিবর্তন, খাদ্যাভ্যাস, দূষণ ও পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে স্বাস্থ্যজনিত সমস্যাও বাড়ছে (Natural remedy)। উচ্চ কোলেস্টেরল এবং উচ্চ রক্তচাপ আজকের বিশ্বের সাধারণ সমস্যাগুলির মধ্যে একটি। বিশেষ করে ভারতে অনেকেই তৈলাক্ত এবং জাঙ্ক ফুড খেতে পছন্দ করেন। আর এর কারণে আমাদের শিরায় প্লাক জমতে শুরু করে। এসব ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাক, ডায়াবেটিস, করোনারি আর্টারি ডিজিজ, হার্ট ফেইলিউর এবং ট্রিপল ভেসেল ডিজিজ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।

    উচ্চ রক্তচাপ এবং উচ্চ কোলেস্টেরল একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। কারণ কোলেস্টেরল প্লাক এবং ক্যালসিয়াম আপনার ধমনীগুলিকে শক্ত এবং সরু করে দেয় (Natural remedy)। এর ফলে, রক্ত পাম্প করার জন্য আপনার হৃদপিণ্ডকে অনেক বেশি চাপ দিতে হবে। তাই রক্তচাপ খুব বেশি হয়ে যায়। যখন শরীর রক্তপ্রবাহ থেকে কোলেস্টেরল পরিষ্কার করতে পারে না, তখন সেই অতিরিক্ত কোলেস্টেরল ধমনীর দেয়ালে জমা হতে থাকে। যখন ধমনীগুলি জমা কোলেস্টেরলের কারণে শক্ত এবং সরু হয়ে যায়, তখন হৃৎপিণ্ডকে রক্ত পাম্প করার জন্যে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। ফলে আপনার রক্তের কোলেস্টেরলও বেড়ে যায়।

    আরও পড়ুন: ‘আর কত খাবেন?’, দলীয় প্রধানকে প্রশ্ন তৃণমূল বিধায়কের

    হার্বাল চা খেয়ে সুস্থ থাকুন (Natural remedy)

    ডায়েটিশিয়ানের মতে, কোলেস্টেরল এবং উচ্চ রক্তচাপ এড়াতে লেমনগ্রাস দিয়ে তৈরি হার্বাল চা (Natural remedy) খেতে হবে। লেমনগ্রাস একটি অত্যন্ত সুগন্ধযুক্ত এবং পুষ্টিকর উদ্ভিদ। হার্বাল চায়ে ভিটামিন এ, কপার, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিড, অ্যান্টি ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়। যা আপনাকে এই সাধারণ সমস্যাগুলি থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে। ভেষজ লেবু চায়ের সাহায্যে কোলেস্টেরল, বিপি, কিডনির রোগ নিরাময় হয়। প্রতিদিন এক কাপ এই চা খেলে বিষণ্ণতা, ঘুমের অভাব, স্থূলতা, হাঁপানি এবং ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা পাবেন। হার্বাল লেমনগ্রাস চা তৈরি করতে প্রথমে এক চা চামচ সূক্ষ্মভাবে কাটা লেমনগ্রাস নিয়ে এক কাপ জল মিশিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। স্বাদ বাড়াতে আদাও যোগ করতে পারেন। এটি দিনে একবার বা দুবার খাওয়া যেতে পারে।    

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • G 20 Meet: জি-২০ বৈঠকে যোগ দিতে ভারত সফরে আসছেন চিনা বিদেশমন্ত্রী কিন গাং

    G 20 Meet: জি-২০ বৈঠকে যোগ দিতে ভারত সফরে আসছেন চিনা বিদেশমন্ত্রী কিন গাং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরে আসছেন চিনা বিদেশমন্ত্রী কিন গাং। ২ মার্চ দিল্লিতে জি-২০ বৈঠকে (G 20 Meet) যোগ দেবেন তিনি। মঙ্গলবার চিনা বিদেশমন্ত্রকের পক্ষ থেকে গাং-এর ভারত সফর নিশ্চিত করা হয়েছে।  

    শেষবার ২০১৯ সালে ভারত সফরে এসেছিলেন তৎকালীন চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইয়র। ভারতীয় নেতৃত্বের পাশাপাশি সেই সময় আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে চিনা বিদেশমন্ত্রী বৈঠক করেছিলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে। মাঝে পূর্ব লাদাখে দুই দেশের মধ্যে সেনা উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় সম্পর্কে অবনতি হয়। সেই তিক্ততাকে কমানোর চেষ্টা চালাচ্ছে দুই দেশই। তারই মাঝে সে দেশের বিদেশমন্ত্রীর ভারত সফরকে (G-20 Meet) নেক নজরেই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে মে মাসে পূর্ব লাদাখে চিনা আগ্রাসনের পর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক বেশ খারাপ হয়। সীমান্ত বরাবর সেনা সরাতে দুই দেশের সামরিক পর্যায়ে একাধিক বৈঠকও (G 20 Meet) হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও চিনে আগ্রাসন থামেনি। সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশে ফের একবার লাল ফৌজের আগ্রাসনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার পারদ বাড়ে।

    আরও পড়ুন: আশ্রম উদ্বোধনে এসেছিলেন পার্থ! টানা পাঁচ ঘণ্টা তল্লাশি-জেরার পর মুখ খুললেন বিভাস

    সীমান্তে উত্তেজনা তৈরির জন্যে আন্তর্জাতিক মহলে বার বার ভারত দুষে এসেছে চিনকে। জি-২০ (G 20 Meet) ভুক্ত দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক শুরুর আগে সীমান্ত ইস্যুতে ফের চিনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। গত লকডাউনের সময় শুরু হওয়া সীমান্ত সংঘাতের অবসান না হলে চিনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক (G-20 Meet)?

    এরপরেই চিনা বিদেশমন্ত্রীর ভারত সফরের ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ভারত সফরকালে চিনা বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে পৃথক বৈঠক হতে পারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (G-20 Meet) সঙ্গেও। 

    আগামী ২ মার্চ জি-২০ ভুক্ত দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে আসছেন মার্কিন বিদেশসচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। ইতিমধ্যে রুশ ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আবেদন জানিয়েছে আমেরিকা। অন্যদিকে, কয়েকদিন আগে যুদ্ধ থামাতে চিনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। এমন পরিস্থিতিতে এই  বৈঠকে যুদ্ধ থামানোর কৌশল নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sachin Tendulkar: সচিনকে শ্রদ্ধা জানাতে ওয়াংখেড়েতে বসতে চলেছে পূর্ণাবয়ব মূর্তি, কবে উন্মোচন?

    Sachin Tendulkar: সচিনকে শ্রদ্ধা জানাতে ওয়াংখেড়েতে বসতে চলেছে পূর্ণাবয়ব মূর্তি, কবে উন্মোচন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার দশ বছর হয়েছে সচিন তেন্ডুলকরের (Sachin Tendulkar)। এবার তাঁকে সম্মান জানানোর অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে মুম্বই ক্রিকেট সংস্থা। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তাঁর লাইফ সাইজের মূর্তি স্থাপন করা হতে চলেছে। সচিন তেন্ডুলকর তাঁর শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ ২০১৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে এই মাঠেই খেলেছিলেন। আর তার দশ বছর পরে এই মাঠেই বসতে চলেছে সচিনের মূর্তি। ২৪ এপ্রিল, সচিনের ৫০তম জন্মদিনে সেই মূর্তির উন্মোচন হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

    কবে সচিনের মূর্তি স্থাপন?

    মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (Sachin Tendulkar) প্রেসিডেন্ট অমোল কালে বলেন, “ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এটা প্রথম মূর্তি হতে চলেছে। এটা কোথায় বসানো হবে আমরা তা সিদ্ধান্ত নেব। উনি ভারতরত্ন পেয়েছেন এবং ক্রিকেটের জন্য তাঁর অবদান কী সেটা সবাই জানেন। ওনার ৫০ বছর বয়সে এমসিএ-র পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি এটা একটা ছোট্ট সম্মান। আমি তিন সপ্তাহ আগে ওনার সঙ্গে কথা বলেছি এবং অনুমতি নিয়েছি।”

    আরও পড়ুন: এমবাপে ও বেঞ্জেমাকে হারিয়ে ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি

    সূত্রের খবর, সচিন তেন্ডুলকরের (Sachin Tendulkar) মূর্তিটি এই বছরের এপ্রিল মাসে তাঁর ৫০ তম জন্মদিনে বা এই বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে বিশ্বকাপের সময় উন্মোচন করা হতে পারে। যদি এপ্রিল মাসে সচিনের মূর্তি স্থাপন করা হয়, তাহলে আইপিএল ২০২৩-এর সময়, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং অন্যান্য ভক্তরা মাস্টার ব্লাস্টারের এই মূর্তিটি দেখার সুযোগ পাবেন।

    কী বললেন ‘মাস্টার ব্লাস্টার’?

    মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে কথা বলার সময় প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক (Sachin Tendulkar) মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের বিশেষ উদ্যোগ সম্পর্কে তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, “এটা একটা আনন্দদায়ক বিস্ময়। এখান থেকেই আমি একজন ক্রিকেটার হয়েছি। আইডিয়াটি আমার সঙ্গে ভাগ করা হয়েছিল এবং আমি যেমন বলেছিলাম যে এটি একটি আনন্দদায়ক বিস্ময় ছিল। আমার ক্যারিয়ার এখান থেকে শুরু হয়েছিল এবং এটি একটি বড় বৃত্তের সমাপ্তির মত। স্মরণীয় ভেন্যুতে ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত। এটি অবিশ্বাস্য স্মৃতির সঙ্গে একটি যাত্রা ছিল এবং আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্তটি এখানে এসেছিল যখন আমরা ২০১১ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিলাম।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Bibhas Adikari: আশ্রম উদ্বোধনে এসেছিলেন পার্থ! টানা পাঁচ ঘণ্টা তল্লাশি-জেরার পর মুখ খুললেন বিভাস

    Bibhas Adikari: আশ্রম উদ্বোধনে এসেছিলেন পার্থ! টানা পাঁচ ঘণ্টা তল্লাশি-জেরার পর মুখ খুললেন বিভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে এসেছে নয়া মোড়! কুন্তল ঘোষ, তাপস মণ্ডল এবং গোপাল দলপতি-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তিনজনের মুখেই শোনা গিয়েছে বিভাস অধিকারীর (Bibhas Adhikari) নাম।  আর এবারে তাঁকেই তলব করেছিল ইডি। আজ টানা পাঁচ ঘণ্টা তল্লাশির পর বিভাস সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, তাঁর ফ্ল্যাটে ইডি কিছুই পায়নি। ফ্ল্যাটে সিল করার পরই যখন ইডির কাছে কারণ জানতে চাওয়া হয়, তখন ইডি আধিকারিকরা জানান, তাদের কাছে খবর ছিল এই ফ্ল্যাটে একাধিক ট্রাঙ্ক ভর্তি টাকা রয়েছে। যদিও পাঁচ ঘণ্টা তল্লাশিতে কিছুই মেলেনি। বিভাস অধিকারীর দাবি, ইডি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে যা যা নথি চেয়েছে সব দেওয়া হয়েছে।

    কী কী বললেন বিভাস?

    কার্তিক বসু স্ট্রিটের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানোর পর তাঁর বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে অস্বীকার করেন নলহাটি ২ নম্বর ব্লকের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি। কোনও ঘোষণা ছাড়াই তাঁর ফ্ল্যাটটি সিল করে দেওয়া হয়েছিল। সে কারণে তিনি ইডির কাছে আর্জি জানিয়েছিলেন ফ্ল্যাটটি খুলে দেওয়ার জন্য। সেই আর্জি মেনে তল্লাশি চালিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ফ্ল্যাটটি খুলে দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘আর কত খাবেন?’, দলীয় প্রধানকে প্রশ্ন তৃণমূল বিধায়কের

    বিভাসের (Bibhas Adhikari) নলহাটির আশ্রমে একাধিক হেভিওয়েট নেতাদের যাতায়াত ছিল। এই প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে জেলবন্দি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর ‘সুসম্পর্ক’ থাকার দাবি উড়িয়ে দিয়ে বিভাস (Bibhas Adhikari) বলেন, “২০১৫ সালে আশ্রম উদ্বোধনের জন্য আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে পাঠিয়েছিলেন। তার থেকে সবাই ভাবে আমার সঙ্গে নাকি তাঁর সম্পর্ক রয়েছে। এমনকী লেনদেনও হয়েছে।” তিনি বলেন, “আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আমার কোনও যোগ নেই। আপনারা তাপস ছাড়া কুন্তল ঘোষ সহ যাদের কথা বলছেন, তাঁদের আমার ছবি দেখিয়ে জিজ্ঞেস করুন, আমাকে চেনে না পর্যন্ত। আমিও ওদের চিনি না।” বিভাসের দাবি, “আমি পাপী হলে শাস্তি পাব। সত্য বলে যদি কিছু থেকে থাকে, তা হলে আমার কিছু হবে না।”

    বিভাসকে তলব ইডির

    সূত্রের খবর, আজ সকাল ১১টায় বিভাসকে সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয়েছিল (Bibhas Adhikari)। কিন্তু সেখানে তাঁকে জেরা না করে মঙ্গলবার দুপুরে বিভাসকে নিয়ে যাওয়া হয় কার্তিক বোস স্ট্রিটের তাঁরই ফ্ল্যাটে। সেখানে সিল ভেঙে ভেতরে ঢোকে ইডি। বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে তল্লাশি। পাশাপাশি, বিভাসকেও সেখানে জেরা করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    উত্তর কলকাতার ১৮ নম্বর কার্তিক বসু স্ট্রিটে বিভাসের ফ্ল্যাট

    সূত্রের খবর, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের গ্রেফতারির পর গত ১৫ অক্টোবর কার্তিক বোস স্ট্রিটের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালায় ইডি। তার পর ফ্ল্যাটটি সিল করে দেয়। তখন থেকে বন্ধ ছিল ফ্ল্যাটটি। ইডি সূত্রে তখন জানা গিয়েছিল, যে ওই ফ্ল্যাটের মালিক বিভাস (Bibhas Adhikari)। বিভাস অধিকারী ‘বেঙ্গল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ অ্যাসোসিয়েশন’-এর সভাপতি ছিলেন। আর এই অ্যাসোসিয়েশনেরই অফিস এই ফ্ল্যাট। একাধিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে, এই ফ্ল্যাটে মাঝেমাঝেই আসতেন বিভাস। নীলবাতি লাগানো গাড়ি করে সেখানে এসে পৌঁছতেন তিনি। রাতের দিকে বড় বড় ব্যাগ নিয়ে আসতেন তিনি। এছাড়াও তাঁর গাড়িতে বেশ কয়েকটি ট্রাঙ্ক তোলা হত। তাঁর সঙ্গে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষীরাও থাকতেন। ওই ফ্ল্যাটে আরও কিছু মানুষের আনাগোনা ছিল। পরে সেখানে টিচার্স ট্রেনিং কলেজের বোর্ড সরিয়ে লাগানো হয় সৎসঙ্গের বোর্ড।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cut Money: ‘আর কত খাবেন?’, দলীয় প্রধানকে প্রশ্ন তৃণমূল বিধায়কের

    Cut Money: ‘আর কত খাবেন?’, দলীয় প্রধানকে প্রশ্ন তৃণমূল বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিলেন তৃণমূলের (TMC) বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন মোল্লা! যে ঘাসফুল প্রতীকে জিতে বিধায়ক হয়েছেন তিনি, সেই দলেরই এক পঞ্চায়েত (Panchayet) প্রধানকে তাঁর প্রশ্ন, আর কত খাবেন (পড়ুন কাটমানি) (Cut Money)? হাতে আর মাত্র ৩ মাস। রাজ্যের শাসক দলের নেতা-কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে কাটমানি খাওয়ার অভিযোগ বিরোধীদের। কোনও কোনও জায়গায় আবার কাটমানি ফেরতের দাবিতেও হয়েছে বিক্ষোভ। তার পরেও বন্ধ হয়নি কাটমানি খাওয়া। বিরোধী ও জনতার সেই অভিযোগকেই কার্যত মান্যতা দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক। করলেন বাপবাপান্তও।

    প্রসঙ্গ কাটমানি (Cut Money)…

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন। সম্প্রতি দিদির দূত কর্মসূচি পালন করতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই কাটমানি খাওয়া নিয়ে প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দেন দলেরই পঞ্চায়েত প্রধানকে। বিধায়কের হুঁশিয়ারি-ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    গিয়াসউদ্দিন বলেন, দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে পঞ্চায়েতে গিয়েছিলাম। কিন্তু পঞ্চায়েত অফিসে তালা মেরে রাখা হয়েছিল। প্রধান, উপপ্রধান, পঞ্চায়েত সদস্য-কেউই আসেননি। সব সদস্যকেই সুবিধা-অসুবিধার কথা বলি। কিন্তু কেউ আসেননি। এর পরেই বিধায়ক বলেন, পঞ্চায়েত কি বাপের সম্পত্তি (Cut Money)? আর তিনটে মাস বাকি আছে। কত বাপের বেটা আমরা দেখে নেব। তিনি বলেন, বাপ সাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়াত। বাপ জন্ম দিয়েছে, কর্ম করেছে? কর্ম করেছে গিয়াসউদ্দিন মোল্লা। গিয়াসউদ্দিন মোল্লা কর্ম করতেই সে খারাপ। আপনারা উত্তর কুসুমের লোক। আপনারা যদি ঠিক থাকেন ৩ মাস পরে পঞ্চায়েত হবে। পঞ্চায়েতের (Cut Money) বুথে বুথে আমরা ভাল এবং শিক্ষিত লোকদের টিকিট দেব।

    আরও পড়ুুন: রাজার হালে ইতি, এখন থেকে জেলের মেঝেতে শুয়েই রাত কাটাবেন পার্থ!

    উত্তর কুসুমের পঞ্চায়েত প্রধান কুতুব লস্কর বলেন, ভদ্রলোক যা বলেছেন, তা মিথ্যে কথা। আমি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সততার সঙ্গে কাজ করছি। আগামিদিনে কী হবে, তার উত্তর জনগণই দেবেন। তিনি বলেন, কে কী বলল তা নিয়ে আমার কিছু যায় আসে না। বিজেপির (BJP) জেলা নেতা সুফল ঘাটু বলেন, রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলি যে দুর্নীতির আখড়া হয়ে গিয়েছে, বিধায়কের কথায়ই তা স্পষ্ট। উত্তর কুসুম পঞ্চায়েতের প্রধান থেকে উপপ্রধান সকলেই দুর্নীতিগ্রস্ত। পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাধারণ মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: মালদায় হৈমন্তী, রয়েছেন তৃণমূল বিধায়কের ছত্রছায়ায়! বিস্ফোরক দাবি খগেন মুর্মুর

    Recruitment Scam: মালদায় হৈমন্তী, রয়েছেন তৃণমূল বিধায়কের ছত্রছায়ায়! বিস্ফোরক দাবি খগেন মুর্মুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে খোঁজ পাওয়া গেল গোপালের দ্বিতীয় স্ত্রী হৈমন্তীর! মালদায় হৈমন্তী! তাও আবার এক তৃণমূল বিধায়কের আশ্রয়ে! অন্তত এমনটাই দাবি করছেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। জানা গিয়েছে, তাঁর লোকসভা কেন্দ্রেই মালদার চাঁচলে একটি হোটেলে সোমবার রাতে খুব গোপনে ঢোকেন হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁকে নিয়ে আসেন এক তৃণমূল বিধায়ক ও তাঁর অনুগামীরা। কয়েকদিন ধরেই ‘নিখোঁজ’ হৈমন্তীকে খুঁজে পেতে মরিয়া তদন্তকারীরা। কোথায় থাকতে পারেন নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় (Recruitment Scam) উঠে আসা এই চরিত্র? এই নিয়েই যখন জোর চৰ্চা চলছে সব মহলে, তখনই হঠাৎ জানা গেল হৈমন্তী রয়েছেন মালদায়।

    অবশেষে হৈমন্তীর খোঁজ!

    খগেন মূর্মূর আরও বিস্ফোরক দাবি, এক তৃণমূল বিধায়কের ব্যবস্থাতেই হোটেলে ওঠেন হৈমন্তী। হৈমন্তীকে চাঁচল থেকে বিহার বা ঝাড়খণ্ড হয়ে নেপালে পাঠানোর ব্যবস্থাও করেন তৃণমূল বিধায়ক। এই গোটা বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে জানাতে চলেছে বিজেপি, এমনটাই জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে গেরুয়া শিবির সিবিআইয়ের দ্বারস্থ হবে বলেও জানা গিয়েছে।

    এদিন খগেন মুর্মু বলেন, “আমি হঠাৎ করে শুনলাম, আমাদের জেলার চাঁচলে, আমার লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যেই পড়ে, ওখানে একটা হোটেলে এসেছিলেন। সেখানে তৃণমূলের বিধায়ক ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। খোঁজখবর করা হচ্ছে। ওখানে থেকে পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোতে চলে যেতে পারেন। কারণ এভাবেই তো পালিয়ে বেড়ান।”

    অন্যদিকে, সাংসদের বক্তব্যের পর সেই হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা গোটা বিষয়টি অস্বীকার করলেও তাদের কথায় অসঙ্গতি ধরা পরে। হোটেলের এক কর্মীকে হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায় কত নম্বর রুমে ছিলেন, এই প্রশ্ন করা হলে তার উত্তরে তিনি বলেন, “আজ সব চেক আউট হয়ে গিয়েছে। কালকে ছিলেন। আজকে সব চেক আউট হয়ে গিয়েছে (Recruitment Scam)।”

    ১০৪টি সংস্থায় ৩০ কোটির লগ্নি!

    অন্যদিকে সংবাদ মাধ্যমের সামনে জোর গলায় কুন্তল বলেন (Recruitment Scam), “নিয়োগ দুর্নীতির সমস্ত টাকা গোপালের স্ত্রী হৈমন্তীর কাছে রয়েছে।” এর পরে ইডি ও সিবিআইয়ের বিশেষ নজরে গোপাল-হৈমন্তীর সংস্থা। ইডি সূত্রে খবর, দু’টি বণিকসভার নেটওয়ার্কের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। সেই নেটওয়ার্কে থাকা কয়েকটি সংস্থার অধিকর্তা স্বামী-স্ত্রী অর্থাৎ গোপাল-হৈমন্তী। ওই নেটওয়ার্কে দেশের অন্তত ১১টি রাজ্যে থাকা ১০৪টি সংস্থা এবার সিবিআইয়ের নজরে। যদিও ওই ১০৪টি সংস্থার মধ্যে বেশিরভাগই এই রাজ্যের। সংস্থাগুলিতে অন্তত ৩০ কোটি টাকা লগ্নি হয়েছে বলে খবর পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সংস্থাগুলির উপর নজর রাখছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও। ফলে কতগুলি সংস্থার মাধ‌্যমে নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন ইডি ও সিবিআই আধিকারিকরা।

    কুন্তল টাকা পাঠিয়েছেন গোপালের অ্যাকাউন্টে

    আবার নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় (Recruitment Scam) ফের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে সিবিআইয়ের হাতে। জানা গিয়েছে, গোপাল দলপতিকে দফায় দফায় টাকা পাঠিয়েছে ধৃত তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষ। গোপালের ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট খতিয়ে দেখে এমটাই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, ২০১৭-র ২৪ নভেম্বর, ৫০ হাজার, ২৫ নভেম্বর, আরও ৫০ হাজার, ২৭ নভেম্বর একলক্ষ টাকা গোপালের অ্যাকাউন্টে জমা করেছিলেন কুন্তল। এরপর ২০২১-এর ২৯ অক্টোবর, কুন্তল ৭০ হাজার টাকা পাঠান গোপালের অ্যাকাউন্টে। সিবিআইয়ের দাবি, এছাড়াও, গোপাল ওরফে আরমানের অ্যাকাউন্টে লক্ষ লক্ষ নগদ টাকা জমা পড়েছে। ২০১৭-য় গোপালের আরমান ট্রেডিংয়ের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয় নগদ ২ লক্ষ টাকা। এরপর ২০২১-এ গোপালের দিল্লির কেজি মার্গের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নগদ ৩ লক্ষ টাকা জমা পড়ে।

    ফলে এত বার করে গোপালকে কেন টাকা পাঠিয়েছে কুন্তল? তাহলে কি গোপাল দলপতিও কোনও ভাবে নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছে? কোথা থেকে এত টাকা পেল কুন্তল? উঠছে একাধিক প্রশ্ন। এই সব কিছুই এখন সিবিআইয়ের স্ক্যানারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share