Blog

  • Delhi Liquor Scam: দিল্লি সরকারের আবগারি নীতি কী? বিতর্কের মূল কারণ কী?

    Delhi Liquor Scam: দিল্লি সরকারের আবগারি নীতি কী? বিতর্কের মূল কারণ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২১ সালের ১৬ নভেম্বর নতুন আবগারি নীতি আনে দিল্লি সরকার। দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া আবগারি দফতরের দায়িত্বে। মদ কেনার পাশাপাশি বিক্রির পদ্ধতিতেও বেশ কিছু বদল আনা হয়। নতুন আবগারি নীতিতে সরকারি মদের দোকানগুলি বন্ধ করে বেসরকারি মদের দোকানগুলিকে মদ বিক্রির অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়। এর পর গত ২ মে দিল্লির আবগারি নীতি সংশোধন করে নয়া নীতি মন্ত্রিসভায় প্রস্তাবিত হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া ৩০ জুলাই নতুন মদ নীতি সম্পূর্ণ বাতিল ঘোষণা করেন। তিনি জানিয়েছেন, ১ অগাস্ট থেকে শুধুমাত্র সরকারি মালিকানাধীন মদের দোকান থেকেই মদ বিক্রি করা যাবে।

    কী নিয়ে বিতর্ক?

    আবগারি নয়া নীতিতে মদের হোম ডেলিভারি, ভোর তিনটে পর্যন্ত মদের দোকান খোলা রাখা, লাইসেন্সধারী মদ বিক্রেতাদের সীমাহীন ছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ৩০ জুলাই ২০২২ সালে তা বাতিল করা হয়। আপ সরকারের দাবি ছিল এই নতুন আবগারি নীতির ফলে মদের কালোবাজারি বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি রাজস্ব আদায় বাড়বে। কিন্তু এই নীতি কার্যকর করতেই আবগারি লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে বেনিয়ম এমনকী আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে থাকে।

    আরও পড়ুন: আরও অস্বস্তিতে আপ, এক বছরের মধ্যেই গ্রেফতার কেজরিওয়াল ‘ঘনিষ্ঠ’ দুই মন্ত্রী

    নতুন মদ নীতিতে অনিয়মের কারণেই দিল্লি সরকারের আবগারি বিভাগের বিরুদ্ধে তদন্ত নামে সিবিআই। ফলে নতুন আবগারি নীতি চালুর ঠিক ৮ মাস পর তা প্রত্যাহার করা হয়। বলা হয়, নতুন নীতিতে পদ্ধতিগত কিছু সমস্যা রয়েছে। এর পর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সরকার পুরনো আবগারি নীততে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারে প্রতিনিধি তথা লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয়কুমার সাক্সেনা সরকারের এই নতুন নীতিতে বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়েছিলেন। সেই সংক্রান্ত মামলারই তদন্ত করছে সিবিআই। এর পাশাপাশি তিনি দিল্লির মুখ্য সচিবকে নতুন মদ নীতির ‘অবৈধ প্রণয়ন, সংশোধনী এবং বাস্তবায়নে অফিসার এবং সরকারি কর্মচারীদের ভূমিকা’ নিয়ে বিশদ রিপোর্ট জমা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর পর এই মামলায় তদন্তে নেমেই গতকাল গ্রেফতার করা হল আবগারি দফতরের দায়িত্বে থাকা দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে।

  • Manish Sisodia: আরও অস্বস্তিতে আপ, এক বছরের মধ্যেই গ্রেফতার কেজরিওয়াল ‘ঘনিষ্ঠ’ দুই মন্ত্রী

    Manish Sisodia: আরও অস্বস্তিতে আপ, এক বছরের মধ্যেই গ্রেফতার কেজরিওয়াল ‘ঘনিষ্ঠ’ দুই মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের গ্রেফতার দিল্লির আপ মন্ত্রী (Manish Sisodia)। মাত্র ৯ মাসের ব্যবধান। এর আগে গত মে মাসে হাওয়ালার মাধ্যমে বেআইনি ভাবে টাকা লেনদেনের অভিযোগে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। আর এবারে ২৬ ফেব্রুয়ারি অন্য এক তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই গ্রেফতার করল দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে (Manish Sisodia)। রবিবার বেশ কয়েক ঘণ্টা টানা জেরার পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। আবগারি নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২৬ ফেব্রুয়ারি তলব করা হয়েছিল সিসোদিয়াকে। সকাল ১০টা নাগাদ সিবিআই দফতরে হাজিরও হয়ে যান দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী। শুরু হয় জেরা। শেষমেশ এদিন সন্ধের দিকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

    দিল্লির মন্ত্রীর গ্রেফতারে বিপাকে আপ শিবির

    সত্যেন্দ্রর গ্রেফতারির পর এবারে দলের প্রধান কেজরিওয়ালের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত সিসোদিয়ার গ্রেফতারিতে ফের ‘অস্বস্তি’তে আপ শিবির। গত বছরের ৩০ মে এক বড় পদক্ষেপ নিয়েছিল ইডি। মানি লন্ডারিং কেসে দিল্লি সরকারের মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তে উঠে এসেছিল যে, ২০১৫-১৬ সালে কলকাতার একটি সংস্থার সঙ্গে হাওয়ালা লেনদেনে যুক্ত ছিলেন তিনি। ৪.৮১ কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য উঠে এসেছিল। মনে করা হচ্ছে যে এই টাকা সরাসরি জমি কেনার জন্য বা দিল্লি এবং তার আশেপাশে কৃষি জমি কেনার জন্য নেওয়া ঋণ পরিশোধের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। সত্যেন্দ্র কেজরিওয়ালের খুব ‘ঘনিষ্ঠ’ নেতা বলে পরিচিত। আর সেই কারণেই কেজরিওয়ালের মন্ত্রিসভাতেও বড় দায়িত্ব দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু তাঁর গ্রেফতারিতে বড় ধাক্কা খেয়েছিল আম আদমি পার্টি।

    আরও পড়ুন: আবগারি দুর্নীতি কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী

    এবার সেই ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই ফের গ্রেফতার আরও এক আপ মন্ত্রী, যিনি দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীও। মণীশ সিসোদিয়াও ঘনিষ্ঠ নেতা কেজরিওয়ালের। আবগারি নীতি মামলায় গত বছরেই সিসোদিয়ার বাড়ি-সহ আরও বেশ কয়েকটি এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল সিবিআই। প্রায় ১৪ ঘণ্টা ধরে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছিল। এর পর তাঁর ব্যাঙ্ক লকারও খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। গত অগাস্টেই সিসোদিয়া এবং আরও ১৪ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। এর পর একাধিকবার তাঁকে তলব করে জেরা করার পর গতকাল অবেশেষে গ্রেফতার করে সিবিআই।

  • Governor of West Bengal: নিশীথের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল! রাজ্য সরকারকে কড়া বার্তা 

    Governor of West Bengal: নিশীথের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল! রাজ্য সরকারকে কড়া বার্তা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল দিনহাটায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের ওপর হামলার ঘটনায় এদিন কড়া বিবৃতি দিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল (Governor of West Bengal) সিভি আনন্দ বোস। সঙ্গে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল।

    কী বললেন রাজ্যপাল (Governor of West Bengal)

    রাজভবন থেকে জারি করা প্রেস বিবৃতি অনুযায়ী রাজ্যপাল বলছেন, আমি হতবাক হয়ে গেছি একজন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর ওপর এমন বর্বরোচিত হামলার ঘটনায়। ঐতিহাসিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংস্কৃতির পীঠস্থান হল এই বাংলার মাটি। সেখানে এধরনের ঘটনা মোটেও কাম্য নয়।
    রাজ্যপাল আরও বলেন, বিভিন্ন মহল থেকে তাঁর কাছে দাবি আসছে আইন শৃঙ্খলার অবনতির কারণে এ রাজ্যে সংবিধানের ৩৫৫ ধারা প্রয়োগ করার জন্য। রাজ্য সরকারকে এদিন গণতন্ত্রের পাঠও দিয়েছেন রাজ্যপাল। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের অংশ হল বিক্ষোভ এবং আন্দোলন, কিন্তু হিংসা এবং সন্ত্রাসের অনুপ্রবেশ কখনই কাম্য নয়। সমাজবিরোধীরা যারা আইনকে নিজের হাতে তুলে নিতে চায়, তাদের কড়া হাতে দমন করার কথাও রাজ্য সরকারকে মনে করিয়েছেন রাজ্যপাল। পুলিশকে নিরপেক্ষ থাকার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তাঁর মত, পুলিশ এবং প্রশাসনের অফিসাররা কোনও  নির্দিষ্ট পক্ষের হয়ে এবং ভয়ের কাছে নত হয়ে কাজ করবেন না এটাই বাংলার মানুষ চায় সবসময়। পুলিশকে তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে আইন শৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনও রকমের শিথিলতাকে যেন প্রশয় না দেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গের সমাজকে এভাবে গুণ্ডারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা বলেও তিনি একহাত নিয়েছেন রাজ্য সরকারকে। বিভিন্ন মহলের ধারনা শাসক দলের গুণ্ডাদের হাতে পশ্চিমবঙ্গের সমাজ চলে গিয়েছে এবং পুলিশ নিধিরাম সর্দার, এটাই এদিন বলতে চেয়েছেন রাজ্যপাল। নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে ব্যক্তিগত ভাবে কথাও তিনি বলেছেন বলে জানিয়েছেন রাজ্যপাল। এমন ঘটনা ঘটলে রাজ্যপাল যে চোখ কান বন্ধ করে থাকবেনা এবং রাজ্যের যেকোনও প্রান্তে আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে যে তিনি  হস্তক্ষেপ করবেন সেটাও এদিন রাজ্য সরকারকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তিনি। সরকার যেন অবিলম্বে রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে এবং সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয়, এই আবেদনও রেখেছেন তিনি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

       

  • Manish Sisodia:  আবগারি দুর্নীতি কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী

    Manish Sisodia: আবগারি দুর্নীতি কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ আশঙ্কাই সত্যি হল। গ্রেফতার হলেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী আম আদমি পার্টির নেতা মনীশ সিসোদিয়া (Manish Sisodia)। রবিবার বেশ কয়েক ঘণ্টা টানা জেরার পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এদিন তলব করা হয়েছিল সিসোদিয়াকে। সকাল ১০টা নাগাদ সিবিআই দফতরে হাজিরও হয়ে যান দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী। শুরু হয় জেরা। শেষমেশ এদিন সন্ধের দিকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

    আবগারি নীতি মামলা…

    আবগারি নীতি মামলায় (Liquor Policy Case) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২৬ ফেব্রুয়ারি তলব করা হয়েছিল সিসোদিয়াকে (Manish Sisodia)। সেই মতো এদিন সকালে সিবিআই দফতরে হাজির হন তিনি। তখনই বুঝে যান এদিনই গ্রেফতার হতে পারেন তিনি। সেই কারণে সিবিআই দফতরে ঢোকার আগে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৭-৮ মাসের জন্য জেলে যাচ্ছি।

    এদিন সকাল ১০টা নাগাদ বাড়ি থেকে বের হন সিসোদিয়া। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে রোড শো করেন। পরে যান সিবিআই দফতরে। সিবিআই দফতরে ঢোকার আগে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী (Manish Sisodia) বলেন, আমি ৭-৮ মাস জেলে থাকব। আমার জন্য দুঃখ করবেন না, গর্বিত হবেন। অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে ভয় পান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাই তিনি আমাকে একটি ভুয়ো মামলায় ফাঁসিয়ে দিতে চান। তিনি বলেন, আমাদের লড়াই করা উচিত। আমার স্ত্রী প্রথম দিন থেকে আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তবে তিনি এখন অসুস্থ এবং বাড়িতে একা। তাঁর যত্ন নেবেন। আর আমি দিল্লির ছেলেমেয়েদের বলতে চাই, কষ্ট করে পড়াশোনা কর। বাবা-মায়ের কথা শোনো।

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে ত্রিবেণীর কুম্ভস্নানের প্রসঙ্গ! কী বললেন মোদি

    শনিবার একটি সংবাদ চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছিলেন, মনীশ সিসোদিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছে সিবিআই। আমাদের সূত্র বলছে, রবিবার তাঁকে গ্রেফতার করা হবে। এটা খুবই দুঃখজনক। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই দুর্নীতির প্রমাণ নষ্ট করতে একাধিক পদক্ষেপ করেছেন সিসোদিয়া (Manish Sisodia)। সিসোদিয়া ও অন্যান্য সন্দেহজনকরা বারবার তাঁদের ফোন বদলেছেন। প্রায় ১.৩৮ কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণাকে ধামাচাপা দিতেই এসব করা হয়েছে বলে অভিযোগ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। তাদের এও দাবি, অন্তত ৩৬ জন অভিযুক্ত গত বছরের মে থেকে অগাস্ট মাস পর্যন্ত ১৭০টি মোবাইল ফোন ব্যবহার করেছেন বা নষ্ট করে ফেলেছেন। এর মধ্যে থেকে ১৭টি ফোন বাজেয়াপ্ত করা হলেও, সেখানে তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোগ তদন্তকারীদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Mysterious Death: রিজেন্ট পার্কে একই পরিবারের তিনজনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে রহস্য

    Mysterious Death: রিজেন্ট পার্কে একই পরিবারের তিনজনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে রহস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একই পরিবারের তিনজনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে রহস্য (Mysterious Death)। রবিবার সকালের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলকাতার রিজেন্ট পার্ক (Regent Park) এলাকায়। মৃতদের নাম বিজয় চট্টোপাধ্যায়, তাঁর স্ত্রী রাণু চট্টোপাধ্যায় ও তাঁদের মেয়ে ঐন্দ্রিলা চট্টোপাধ্যায়। মৃ্ত্যুর কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    রহস্য মৃত্যু…

    রিজেন্ট পার্কের ১৯৬/১ মহাবিষ্ণু অ্যাপার্টমেন্টের ফার্স্ট ফ্লোরে থাকতেন চট্টোপাধ্যায় পরিবার। পরিবারের কর্তা বিজয়। তিনি ব্যবসা করতেন। চট্টোপাধ্যায় দম্পতির মেয়ে ঐন্দ্রিলা আইনের ছাত্রী ছিলেন। পুলিশ ও  স্থানীয় সূত্রে খবর, মাস ছয়েক আগে ওই ফ্ল্যাটে ভাড়ায় আসেন চট্টোপাধ্যায় পরিবার। তবে এলাকার কারও সঙ্গে তাঁরা বিশেষ মেলামেশা করতেন না। এই ছ মাসে কোনও আত্মীয়-স্বজনকেও তাঁদের বাড়িতে আসতে দেখা যায়নি। দিন চারেক ধরে ওই পরিবারের কাউকে ফ্ল্যাট থেকে বের হতে দেখা যায়নি বলে দাবি স্থানীয়দের। ফ্ল্যাট থেকে পচা গন্ধও বের হতে থাকে। এতেই সন্দেহ গাঢ় হয় প্রতিবেশীদের। খবর দেওয়া হয় পুলিশে।

    আরও পড়ুুন: এবারে ওষুধের তীব্র সংকট পাকিস্তানে, শেষের পথে জীবনদায়ী ওষুধ, বন্ধ অস্ত্রোপচার

    এদিন সকালে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে উদ্ধার করে তিনজনের ঝুলন্ত দেহ (Mysterious Death)। মৃতদেহ তিনটির পাশ থেকে কোনও সুইসাইড নোট মেলেনি। তবে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, আর্থিক অনটনের জেরেই এই ঘটনা ঘটতে পারে। বিজয়ের এক প্রতিবেশী বলেন, ওঁরা স্বামী-স্ত্রী প্রায়ই ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে থাকতেন। কথা হয়নি কখনও। বাড়িতে ঝগড়াঝাঁটি হয়েছে বলেও শুনিনি। ফ্ল্যাটের আর পাঁচটা পরিবারের মতোই শান্তির জীবন যাপন করতেন। তিনি বলেন, অবশ্য এই ছ মাসে কখনও কোনও আত্মীয়কে ওঁদের বাড়িতে আসতে দেখিনি। কারও সঙ্গে বিশেষ মেলামেশাও করতেন না। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ব্যবসা ঠিকঠাক না চলায় আর্থিক সংকটে পড়েছিল ওই পরিবার। তাই আত্মহত্যার (Mysterious Death) সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনজনে। এই ঘটনার পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Pakistan: এবারে ওষুধের তীব্র সংকট পাকিস্তানে, শেষের পথে জীবনদায়ী ওষুধ, বন্ধ অস্ত্রোপচার

    Pakistan: এবারে ওষুধের তীব্র সংকট পাকিস্তানে, শেষের পথে জীবনদায়ী ওষুধ, বন্ধ অস্ত্রোপচার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে গোটা দেশ! এর আগেই জানা গিয়েছিল, খাবারের জন্য রাস্তায় মারামারি করছে মানুষ। গমের দাম আকাশ ছোঁয়া। এবারে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাতেও পড়েছে এর প্রভাব। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে প্রতিবেশি দেশ পাকিস্তান। সূত্রের খবর, পাকিস্তানে অর্থনৈতিক মন্দার উত্তাপ এখন তার ‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থায়’ পৌঁছেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধের জন্য হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। প্রয়োজনীয় ওষুধ বা অপরিহার্য ওষুধের উপাদান (এপিআই) আমদানি করা যাচ্ছে না। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এর ফলে হাসপাতালে অস্ত্রোপচারও হচ্ছে না এবং অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) মাত্র দুই সপ্তাহের ওষুধ ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বাকি রয়েছে।

    চরম সংকটে প্রতিবেশি দেশ পাকিস্তান

    চরম দুরাবস্থা পড়শি দেশ পাকিস্তানে। কোষাগারে বিদেশী মুদ্রার ভাণ্ডারে টান। চরম অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দেশটি। এর মাঝেই পর্যাপ্ত ওষুধের অভাবে ভেঙে পড়েছে পাকিস্তানের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। নেই জীবনদায়ী ওষুধ। বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডার তলানিতে এসে ঠেকেছে, আমদানি করা যাচ্ছে না গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ। যার ফলে দেশীয় ওষুধ প্রস্তুতকারকদের উপর জোর দিচ্ছে সরকার। এমনকি অলিখিত ভাবে চিকিৎসকদের উপর ফতোয়া জারি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের বলা হচ্ছে বেশি অপারেশন না করতে। রোগী কম দেখতে।

    মাত্র দুই সপ্তাহের ওষুধ মজুত রয়েছে

    পাক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বর্তমানে অপারেশন থিয়েটারে মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের জন্য চেতনানাশক ওষুধ অ্যানেসথেসিয়া মজুত রয়েছে। হার্ট, ক্যানসার এবং কিডনির মত রোগের অস্ত্রোপচারের জন্য যা অত্যাবশ্যকীয় একটি ওষুধ। ওষুধের ঘাটতি এবং সেগুলো তৈরিতে প্রয়োজনীয় উপাদানের কারণে ওষুধ কোম্পানিগুলো ওষুধের পণ্য কমিয়ে দিয়েছে। এ কারণে হাসপাতালের রোগীরা বিপাকে পড়েছেন।

    ছাঁটাই শুরু চিকিৎসাক্ষেত্রে

    মনে করা হচ্ছে, ওষুধের ঘাটতি শুধু রোগীদের নয়, বহু মানুষের কর্মসংস্থানকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। চিকিৎসাক্ষেত্রে শুরু হয়েছে ছাঁটাই। কর্মহীন হচ্ছে বহু মানুষ। ফলে এটি মানুষের দুর্দশা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

    ঋণ দিচ্ছে না ব্যাঙ্কগুলো

    ওষুধ উৎপাদনকারীরা এ সংকটের জন্য বর্তমান আর্থিক ব্যবস্থাকে দায়ী করছেন। তারা বলেছেন, কাঁচামাল আমদানি করার জন্য লেটার অব ক্রেডিটের (এলসি) ছাড়পত্র দিচ্ছে না বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলো। পাকিস্তানের ওষুধ শিল্প প্রায় পুরোটাই আমদানি নির্ভর। মোট ওষুধের ৯৫ ভাগ কাঁচামালই ভারত, চিনসহ অন্যান্য দেশগুলো থেকে আসে। কিন্তু ডলার সঙ্কটের কারণে কাঁচামাল করাচি বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে আটকে আছে।

    পাকিস্তানের ওষুধ উৎপাদনকারীরা বলছেন, দেশের মুদ্রার মান কমে যাওয়া, তেলের দাম বৃদ্ধি ও পরিবহণ খরচ বাড়ায় ওষুধের দাম বেড়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি যাতে বিপর্যয়ের দিকে না যায় সেজন্য সরকারের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (পিএমএ)। তবে, কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ না নিয়ে এখনও ঘাটতির পরিমাণ নির্ধারণের চেষ্টা করছে। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের খুচরা ওষুধ বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি ওষুধের সংকট নিয়ে একটি সার্ভে চালিয়েছে সরকার। তারা জানিয়েছেন, বাজারে এখন খুব সাধারণ কিন্তু অতি জরুরি প্যানাডোল, ইনসুলিন, ব্রুফেন, ডিসপ্রিন, ক্যালপল, তাগরাল, নিমেসুলেদে, হেপামারজ, বুসকোপান এবং রিভোট্রিলের মত ওষুধগুলো পাওয়া যাচ্ছে না।

    গত মাসেই (জানুয়ারি) পাকিস্তান ফার্মাসিউটিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার অ্যাসোসিয়েশনের (পিপিএমএ) কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাঈদ ফারুক বুখারি জানিয়েছিলেন, ওষুধ উৎপাদন প্রায় ২৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তিনি সতর্কতা দিয়ে বলেছিলেন, যদি আগামী ৪-৫ সপ্তাহ কাঁচামাল আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকে তাহলে ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দেবে।

  • Rupankar Bagchi: অরিজিৎ সিং- এর ছবিতে কমেন্ট করে নেটিজেনদের কটাক্ষের মুখে রূপঙ্কর

    Rupankar Bagchi: অরিজিৎ সিং- এর ছবিতে কমেন্ট করে নেটিজেনদের কটাক্ষের মুখে রূপঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরিজিৎ সিং- এর ছবিতে কমেন্ট করে ফের বিপাকে রূপঙ্কর বাগচী (Rupankar Bagchi)। কমেন্টে শুধু লিখেছেন ‘ভালোবাসা নিও’। আর এতেই রেগে আগুন অরিজিতের ভক্তরা। হু ইজ কেকে ম্যান… এই মন্তব্যের রেশ শেষ হতে না হতেই কলকাতায় কনসার্টে মৃত্যু হয় কেকে- র। তারপর থেকেই কেকে ভক্তদের রোষানলে জ্বলে পুড়ে যাচ্ছেন রূপঙ্কর। বিতর্ক যেন পিছুই ছাড়ছে না। বিভিন্ন কাজ, এমনকী মিও আমরের সঙ্গে চুক্তিও হারাতে হয়েছে তাঁকে। সেই পুরোনো ঘটনাকেই মনে করালেন ভক্তরা। অরিজিতের ছবিতে একটি মাত্র মন্তব্য করতেই রে-রে করে উঠলেন শিল্পীর ভক্তরা।

    কী ঘটেছে? 

    এমনিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব বেশি অ্যাক্টিভ নন অরিজিৎ সিং। সদ্য ফেসবুকের ডিসপ্লে পিকচার বা ডিপি বদল করেছেন তিনি। অরিজিতের ফেসবুক প্রোফাইলে আবার সেই পুরনো ডিপি। যাতে মাথা নীচু করে স্টেজকে প্রণাম করছেন গায়ক। সেই ছবিতে লাভ প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রূপঙ্কর (Rupankar Bagchi)। পাশাপাশি সেই ছবির কমেন্ট বক্সে তিনি লিখেছেন, ‘ভালোবাসা নিও’। আর পাঁচজনের মত কমেন্ট করেন রূপঙ্কর। তারপর? অরিজিত ভক্তদের কথায়, আর যাই হোক ওকে নিয়ে ছেলেখেলা না। কেউ কেউ সোজা জিজ্ঞেস করলেন, “হূ ইজ অরিজিত ম্যান?” এক নেটিজেন লেখেন, ‘আবার অরিজিৎ সিংকে নিয়ে ইনসিকিউরিটিতে ভুগছেন নাকি? অন্য এক নেটিজেন লেখেন, ‘ওর উপর নজর দেবেন না প্লিজ। ওকে বাঁচতে দিন।’ যদিও একথার উত্তর দেন নি রূপঙ্কর।

    আরও পড়ুন: “কোনও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই তৃণমূলের”, রাহুলের খোঁচার জবাব মহুয়ার 

    রূপঙ্করের (Rupankar Bagchi) পাশে দাঁড়িয়েছেন এক নেটিজেন। তিনি লিখেছেন, ‘অনভিপ্রেত, সে কথা একবাক্যে সবাই স্বীকার করে নিয়েছে এমন কী উনি নিজেও। আবেগের বশে হোক বা যে কোন কারণেই হোক, উনি যা বলে ফেলেছেন, তা যদি নিন্দনীয় হয়, তবে পরবর্তীতে যে পরিকল্পিত আক্রমণ আপনারা করে চলেছেন, তা নিন্দার যোগ্য।’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • New Flyover: নিউ টাউন ও সেক্টর ফাইভকে জুড়তে নয়া ফ্লাইওভার, কবে খুলবে এই উড়ালপুল, জানুন…

    New Flyover: নিউ টাউন ও সেক্টর ফাইভকে জুড়তে নয়া ফ্লাইওভার, কবে খুলবে এই উড়ালপুল, জানুন…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরবাসীদের জন্য ফের এক সুখবর! সূত্রের খবর, ২ মাসের মধ্যেই সল্টলেকের সেক্টর ৫ থেকে নিউটাউনকে সংযোগকারী একটি নতুন ফ্লাইওভার (New Flyover) খুলতে চলেছে। ৬০০ মিটার দীর্ঘ এই ফ্লাইওভার চালু হলে বর্তমান ফ্লাইওভারগুলির ওপর চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। হাউজিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন বা হিডকোর তরফে জানানো হয়েছে যে, এই ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজ খুব দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। এপ্রিল মাসের শেষ নাগাদই এটার কাজ সম্পন্ন হবে।

    সেক্টর ফাইভ ও নিউটাউন সংযোগকারী উড়ালপুল

    নিউ টাউন থেকে সল্টলেক পাঁচ নম্বর সেক্টর হয়ে কলকাতা যাওয়ার মূল রাস্তা একটিই। বক্স ব্রিজ দিয়ে সে পথে গাড়ি যাতায়াত করে। ওই রাস্তায় প্রতিদিন বাড়ছে গাড়ির চাপ। বিকল্প পথ রয়েছে, যেটি নিউ টাউনের বলাকা আবাসন থেকে এসে লোহার ব্রিজ পার হয়ে বিধাননগর পুর এলাকার মহিষবাথান দিয়ে গিয়ে পড়েছে রিং রোডে। তবে ওই লোহার সেতুটির অবস্থাও ভাল নয়। তাই সেটি ছোট গাড়ি এবং মোটরবাইকের জন্য খোলা আছে। ফলে সেখানেই নতুন সেতু করছে হিডকো। সূত্রের খবর, কেষ্টপুর খালের উপরে মহিষবাথানের কাছে রিং রোড থেকে বলাকা আবাসন পর্যন্ত যাবে উড়ালপুলটি।

    আরও পড়ুন: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১৪): ১৬ বছর ধরে আটকে দাঁইহাট-মন্তেশ্বর-মেমারি রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ

    সেক্টর ৫-এর পিছনের রিং রোডকে নিউটাউনের মেন রোডের দক্ষিণ-পূর্বের এক্সটেনশনকে সঙ্গে যুক্ত করবে নতুন ফ্লাইওভারটি। বিশ্ববাংলা গেটের কাছে নারকেলবাগান মোড়ে এই উড়ালপুলটি (New Flyover) এসে নামবে নিউটাউনে। এই ফ্লাইওভারটি চালু হলে বিমানবন্দর বা বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টার থেকে শহরের দিকে যেতে এই নয়া ফ্লাইওভার (New Flyover) ব্যবহার করতে পারবেন গাড়িচালকরা।

    হিডকোর এক আধিকারিক বলেন, “উড়ালপুলটি হয়ে গেলে, বিমানবন্দর বা বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টার থেকে শহরের দিকে যাওয়া গাড়ি চালকরা নারকেলবাগানে ডানদিকে মোড় নেওয়ার পরিবর্তে সরাসরি এমএআর-এর দক্ষিণ-পূর্ব এক্সটেনশনে যেতে পারবেন। রাস্তাটি কেষ্টপুর খালের উপর দিয়ে সেতুতে নিয়ে যাবে, সেক্টর ভি-এর রিং রোডে।”

    ফলে এই উড়ালপুলটি শুরু হয়ে গেলে শহরবাসীদের জন্য তো সুবিধা হবেই। এই ফ্লাইওভারটি বিশেষ করে অফিসে যাতায়াতকারীদের জন্য খুব উপকারী হবে। তাঁদের যাতায়াতের জন্য অনেক কম সময়ও লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Abduction: অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ, মালদহে গ্রেফতার কিশোর

    Abduction: অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ, মালদহে গ্রেফতার কিশোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টম শ্রেণির এক নাবালিকা ছাত্রীকে অপহরণের (Abduction) অভিযোগ দ্বাদশ শ্রেণি পাঠরত এক কিশোরের বিরুদ্ধে। বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। গভীর রাতে পার্শ্ববর্তী রাজ্যের একটি স্টেশনে জিআরপির (GRP) হাতে ধরা পড়ে যুগলে। নাবালিকাকে পরিবারের হাতে তুলে দেয় জিআরপি। নাবালিকার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় থানার পুলিশ গ্রেফতার করে ওই কিশোরকে। ওই কিশোরের দাবি, তারা একে অপরের সঙ্গে এক বছর ধরে ভালোবাসার সম্পর্কে আবদ্ধ। যদিও নাবালিকার মায়ের অভিযোগ, তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। ছেলেটি তাঁর মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছিল। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার একটি গ্রামের ঘটনায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।

    অপহরণের অভিযোগ…

    স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকার দ্বাদশ শ্রেণিতে পাঠরত এক কিশোরের সঙ্গে‌ অষ্টম শ্রেণিতে পাঠরত ওই ছাত্রীর ভালোবাসার সম্পর্ক (Abduction) রয়েছে এক বছর ধরে। ওই কিশোরের দাবি, বিয়ে করবে বলে শনিবার তারা ঘর ছাড়ে। যদিও কিশোরীর পরিবারের দাবি, বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে তাদের নাবালিকা মেয়েকে বাইকে করে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়েছিল ওই কিশোর। রাত বারোটা নাগাদ ঝাড়খণ্ডের একটা স্টেশনে তাদের আটকায় জিআরপি। সেখানে নাবালক ছেলেটির মাসির বাড়ি। কিশোরীর পরিবারের অভিযোগ, ট্রেনে করে কিশোরীকে পঞ্জাব নিয়ে চলে যাওয়ার ছক কষেছিল ওই কিশোর। জিআরপি দুই পরিবারে খবর দিয়ে ছেলে মেয়েদের তাদের হাতে তুলে দেয়।

    আরও পড়ুুন: রাত পোহালেই সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচন, সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী

    যদিও ওই কিশোরীর মা হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় কিশোরের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পরে ওই কিশোরকে গ্রেফতার করেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। ওই কিশোরীর মা বলেন, আমার মেয়ে প্রতিবেশী হিসেবে শুধু ছেলেটিকে চিনতো। কোনও রকম প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। শনিবার আমার মেয়ে স্কুলে যাচ্ছিল। মাঝ রাস্তায় ছেলেটি বাইকে করে জোর করে তাকে তুলে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ঝাড়খন্ডে (Abduction) তার মাসির বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল তারা। জিআরপি ধরতে না পারলে ট্রেনে করে আমার মেয়েকে পাঞ্জাব নিয়ে চলে যেত। যদিও কিশোরের দাবি, আমি ওকে অপহরণ করিনি। ওর সম্মতিতেই বিয়ের জন্য গিয়েছিলাম আমরা। প্রসঙ্গত, ভারতের আইন অনুযায়ী, ছেলে এবং মেয়ে দুইজনেই বিবাহযোগ্য নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • By Election: রাত পোহালেই সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচন, সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী

    By Election: রাত পোহালেই সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচন, সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই সাগরদিঘি (Sagardighi) বিধানসভার উপনির্বাচন (By Election)। পশ্চিমবঙ্গের সব রাজনৈতিক দলের নজর এখন এই বিধানসভা উপনির্বাচনের দিকে। কারণ কিছুদিন পরেই রাজ্যে হতে চলেছে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayet Election )। তার আগে এটা যে একটা মহড়া হতে চলেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সোমবার সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য সব রকমের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এই উপনির্বাচনে রয়েছে ২৪৫টি সাধারণ বুথ ও একটি অক্সিলিয়ারি বুথ। ১০০% বুথেই থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    উপনির্বাচন…

    ২৪৬টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে। থাকছে ২২টি ক্যুইক রেসপন্স টিম, তিনটি এইচ আর এফ এস, তিনজন জোনাল ম্যাজিস্ট্রেট, ২২টি পুলিশ সেক্টর। সেগুলির পরিচালনায় থাকবেন একজন করে এ এস আই। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ সব জায়গাতেই একসঙ্গে যাবে। ফলে কোনও সমস্যা হলে ততক্ষণাৎ তা সমাধান করতে সুবিধা হবে। সাগরদিঘি উপনির্বাচনে (By Election) ভোট কর্মী থাকছেন ১৩০০জন। মহিলা পরিচালিত বুথ থাকছে একটি। গরমের কারণে ভোটকর্মীরা যাতে অসুস্থ হয়ে না পড়েন, তাই সংশ্লিষ্ট সকলকে দেওয়া হয়েছে হেল্থকিট। ডিসিআরসি সেলে থাকছে অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি। স্থানীয় হাসপাতালগুলিকে সব দিক থেকেই প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ভুয়ো কলেজ, জাল ডিগ্রি, নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে তাজ্জব ইডি

    প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলেও বুথের বাইরে ভোটারদের লাইন সামলানোর জন্য বুথ পিছু দুজন করে লাঠিধারি পুলিশ থাকবে। আগামিকাল সকাল সাড়ে ৫টায় শুরু হবে মকপোল। মানুষ ভোট দিতে পারবেন সকাল সাতটা থেকে সন্ধে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত। রবিবার সন্ধে সাড়ে ৬টা থেকে এই ২৪৬টি বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে লাগু হতে চলেছে ১৪৪ ধারা। থাকবে আগামিকাল ভোট (By Election) শেষ না হওয়া পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সাগরদিঘি বিধানসভা উপনির্বাচনে মোট ভোটার ২ লক্ষ ৪৫ হাজার ৮২৫জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৫৩৩জন। মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ২১ হাজার ২৮৭জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৫জন। সার্ভিস ভোটার রয়েছেন ২৯১জন। আশি বছরের উর্ধ্বে ভোটার রয়েছেন ২ হাজার ২৬৮জন। পি ডব্লিউ ডি ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ৫৩২জন। ১৮-১৯ বছর বয়সী ভোটার রয়েছেন ৬ হাজার ২৫১জন। ২০১৬ সালে ভোটার টার্ন আউট ছিল ৮২.৭৪ শতাংশ। ২০২১ সালে ছিল ৭৮.৮২ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share