Blog

  • Pakistan: ভারতকে জব্দ করতে গিয়ে চিনের থেকে অস্ত্র কিনে ডাহা ঠকল পাকিস্তান, জানুন বিশদে

    Pakistan: ভারতকে জব্দ করতে গিয়ে চিনের থেকে অস্ত্র কিনে ডাহা ঠকল পাকিস্তান, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে (India) জব্দ করতে গিয়ে বন্ধু দেশের কাছে ডাহা ঠকল পাকিস্তান। পাকিস্তান (Pakistan) সম্প্রতি বেশ কিছু অস্ত্রশস্ত্র কেনে চিনের (China) কাছ থেকে। সেই অস্ত্রেই ধরা পড়ল ত্রুটি। দামে সস্তা হওয়ায় বাজারে চিনা পণ্যের ব্যাপক চাহিদা। তবে সেগুলির কোনওটিই বেশি দিন টেঁকে না। তবে দামে সস্তা হওয়ায় অনেকেই তা কেনেন। ঠকেনও। এই যেমন পাকিস্তান। সম্প্রতি বেজিং থেকে আননেমড এরিয়াল ভেহিক্যাল কিনেছিল ইসালামাবাদ। চিনের তরফে মানববিহীন এই ড্রোন পাকিস্তানে পাঠানোও হয়েছিল। সেই ড্রোনগুলিতেই মিলেছে মারাত্মক ত্রুটি।

    ত্রুটির পর ত্রুটি…

    কেবল ওই ড্রোনগুলিই নয়, আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রের বরাতও চিনকে দিয়েছিল পাকিস্তানের সরকার। সেই ক্ষেপণাস্ত্র এসেও গিয়েছে পাকিস্তানে। ত্রুটি মিলেছে তাতেও। জানা গিয়েছে, সিএইচ ৪ মানববিহীন ড্রোন তৈরি করে চিনা সংস্থা এলিট। সেই সংস্থাই পাঠিয়েছিল ড্রোনগুলি। কিন্তু সেগুলির অবস্থা দেখে মাথায় হাত পাকিস্তানের সামরিক কর্তাদের। তাঁরা দেখেছেন, চিন থেকে আমদানি করা ওই ড্রোনগুলির কোনওটির ডানা ভাঙা, তো কোনওটায় রয়েছে বড় মাপের যান্ত্রিক ত্রুটি। একটি ড্রোনের তো আবার এক্সস্ট ম্যানিফোল্ড ভাঙা। ড্রোনের ভেতরে থাকা গ্যাস নির্গমণে সাহায্য করে এই এক্সস্ট ম্যানিফোল্ড। অন্য একটি ড্রোনের টার্বোচার্জারেই রয়েছে একটি বড়সড় ফাটল। সমস্যা রয়েছে ইঞ্জিনেও। চিন থেকে আমদানি করা আকাশ থেকে ভূমিতে থাকা শত্রু সেনা ঘাঁটি ধ্বংস করতে ব্যবহৃত এআর ২ ক্ষেপণাস্ত্রেও ত্রুটি রয়েছে (Pakistan)।

    আরও পড়ুুন: ‘‘মোটা দা টুকি’’! জেলের ভিতর টিটকিরি দুই ছিঁচকের, রেগে আগুন ‘হেভিওয়েট’ পার্থ

    একটি ক্ষেপণাস্ত্রে আবার যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা গিয়েছে। সেই কারণে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি লক্ষ্যবস্তু খুঁজে পাওয়ার ক্ষমতা হারিয়েছে। চিন থেকে কেনা ওই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রগুলি মেরামত করতে ফের চিনে পাঠিয়েছে পাকিস্তান। তবে সেগুলি আদৌ মেরামত করা যাবে কিনা, তা নিয়ে সন্দিহান পাক সেনার শীর্ষ কর্তাদের একাংশ। বন্ধু দেশ চিনের কাছে ঠকে গিয়ে হতাশ পাকিস্তান। সেই কারণে চিন নয়, পশ্চিমের দেশগুলি থেকে ড্রোন ও অন্যান্য অস্ত্রশস্ত্র কিনতে চাইছে শাহবাজ শরিফের দেশ। শোনা যাচ্ছে, এস ১০০ ইউএভি ড্রোন কিনতে অস্ট্রিয়ার অস্ত্র নির্মাণকারী সংস্থা স্কিবেলের দ্বারস্থ হয়েছে ইসলামাবাদ। এজন্য ওই ড্রোনের কর্মক্ষমতা সম্পর্কে তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে পাক সরকার। দেশের (Pakistan) অর্থনীতির হাঁড়ির হাল। এমতাবস্থায় কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা দিয়ে অস্ত্র কিনতে গিয়ে ডাহা ঠকেছে পাকিস্তান। এখন দেখার, এই ঘটনা পাক-চিন সম্পর্কে ছাপ ফেলে কিনা!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Presidency Jail: প্রেসিডেন্সি জেল সুপারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৭ দিন জেল, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Presidency Jail: প্রেসিডেন্সি জেল সুপারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৭ দিন জেল, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার হাইকোর্টের (High Court) তোপে প্রেসিডেন্সির জেল (Presidency Jail) সুপার। খোদ জেল সুপারকে জেলে ভরার হুঁশিয়ারি হাইকোর্টের। প্রেসিডেন্সি জেলের সুপার দেবাশিস চক্রবর্তীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দিল আদালত। জরিমানা অনাদায়ে ৭ দিন জেলে রাখার নির্দেশ বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তর ডিভিশন বেঞ্চের।

    বিকাশ মিশ্র…

    আদালতের নির্দেশের পরেও জেলে না রেখে হাসপাতালে রাখা হয়েছল কয়লা পাচার মামলায় অভিযুক্ত বিকাশ মিশ্রকে (Bikash Mishra)। আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে অবমাননা রুল জারি করে। আদালত জানায়, জেলের প্রধানের এমন ভূমিকা দেখে আদালত চোখ বুজে থাকতে পারে না। না হলে জেলের সবার ওপর অবিচার করা হবে। এদিন প্রেসিডেন্সি জেলের সুপার আদালতে হাজির ছিলেন। তিনি নিঃশর্ত ক্ষমাও চান। রাজ্যের সব থেকে বড় সংশোধনাগারের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। বিচারাধীন বন্দি বিকাশ সুস্থ হওয়া সত্ত্বেও কেন তাঁকে জেলে না রেখে হাসপাতালে রাখা হয়েছিল, সেই প্রশ্নও করেন বিচারপতি। এই অপরাধে জরিমানার নিদান দেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ (High Court)। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জরিমানা বাবদ ১০ হাজার টাকা না দিলে, সাত দিনের সরল জেল যাপনের নির্দেশও দিয়েছেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ।

    আরও পড়ুুন: ‘সিবিআই কান অবধি পৌঁছে গেছে…’, কালীঘাটের কাকু সম্পর্কে বললেন সুকান্ত

    প্রসঙ্গত, এর আগে সশরীরে হাইকোর্টে হাজিরা দিয়ে ক্ষমা চেয়েছিলেন প্রেসিডেন্সি জেলের সুপার দেবাশিস। কিন্তু আদালত তাঁকে ক্ষমা করেনি। ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, রাজ্যের সব চেয়ে বড় জেলের সুপারের এহেন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ মানা যায় না। বিকাশকে হাসপাতালে রাখা সম্পর্কে সিবিআইয়ের বক্তব্য ছিল, আদালত (High Court) বলে দিয়েছিল বিকাশ যদি অসুস্থ না থাকেন, তাহলে হাসপাতাল থেকে জেলে পাঠাতে হবে তাঁকে। কিন্তু সুস্থ হয়ে যাওয়ার পরেও তাঁকে হাসপাতালে রেখে দেওয়া হয়েছিল। সিবিআইয়ের অভিযোগ, জেল কর্তৃপক্ষ আদালত অবমাননা করেছেন। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার আরও অভিযোগ, বিকাশ জেলের বদলে হাসপাতালে থাকায় মামলায় অন্যরকম প্রভাব তৈরির চেষ্টা হয়েছে। আদালতও আগের দিন হাসপাতালকে অভিযুক্তর পক্ষীশালা বলে উল্লেখ করেছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Adenovirus: হু-হু করে বাড়ছে অ্যাডিনো! ইন্টারনেট দেখে শিশুর চিকিৎসা করাচ্ছেন কি? সতর্কবার্তা পুরসভার

    Adenovirus: হু-হু করে বাড়ছে অ্যাডিনো! ইন্টারনেট দেখে শিশুর চিকিৎসা করাচ্ছেন কি? সতর্কবার্তা পুরসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাডিনো ভাইরাস আতঙ্কে কাঁপছে গোটা রাজ্য। কোভিডের পর এবার নয়া আতঙ্কের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস। ইতিমধ্যেই রাজ্যের একাধিক জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। জানা গিয়েছে, বাংলায় একাধিক শিশু এই ভাইরাসের বলি হয়েছে। শহর থেকে জেলা, হাসপাতালগুলিতে ভিড় বাড়ছে শিশুদের। এই পরিস্থিতিতে এবার নয়া নির্দেশিকা জারি করল কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ। চিকিৎসক থেকে নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, কাকে কোন দায়িত্ব পালন করতে হবে তা বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়।

    পুরসভা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যাচ্ছে, আলাদা আলাদা করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সকলকেই। মেডিক্যাল অফিসার থেকে শুরু করে ‘আশা’ কর্মীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে দায়িত্ব। এমনকী স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির পক্ষ থেকেও সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুরসভার পক্ষ থেকে।

    মেডিক্যাল অফিসারদের জন্য কী কী নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে?

    শিশুদের অভিভাবকের কথা শুনে পরীক্ষা করতে হবে। বাড়িতেই চিকিৎসা সম্ভব নাকি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে, তা জানাতে হবে। শিশুর শারীরিক অবস্থা কেমন থাকছে সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে। বাড়িতে রাখলে অভিভাবকদের বুঝিয়ে দিতে হবে, কী দেখে তাঁরা সতর্ক হবেন।

    নার্সদের কী করতে হবে?

    কোনও শিশু জ্বর, কাশি নিয়ে পুরসভার স্বাস্থ‌্যকেন্দ্রে এলেই অভিভাবককে জিজ্ঞেস করতে হবে, কতদিন ধরে জ্বর আসছে। অপ্রয়োজনে গুচ্ছ গুচ্ছ অ‌্যান্টিবায়োটিক নয়। জানতে হবে, জ্বর কেমন থাকছে, খেতে অনীহা দেখা যাচ্ছে কি না, প্রস্রাবে কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না। বিপদ বুঝলেই দেরি না করে মেডিক্যাল অফিসারের কাছে পাঠাতে হবে।

    অন্যদিকে, স্বেচ্ছাসেবক স্বাস্থ্যকর্মী এবং ‘আশা’ কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে জানবেন শিশুদের অসুস্থতা প্রসঙ্গে। কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র তথা স্বাস্থ‌্যবিভাগের মেয়র পারিষদ অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, ৭০০ আশাকর্মী রয়েছেন কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডে। এছাড়াও রয়েছেন ১০০ দিনের স্বাস্থ‌্যকর্মীরা। আজ থেকে এদের প্রত্যেকে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে শিশুদের স্বাস্থ‌্য পরীক্ষা করবেন।

    ফার্মাসিস্টদের নির্দেশিকা

    ফার্মাসিস্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া যেন কোনও রকম ওষুধ কাউকে না দেওয়া হয়। মেডিক্যাল অফিসারদের দেওয়া প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ দিতে হবে। কোন ওষুধ কখন খেতে হবে, তা অভিভাবকদের ভাল ভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে। শিশুরা অসুস্থ হলে কোনো ভাবেই ফেলে রাখা রাখা যাবে না বাড়িতে, এমনই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে পুরসভা কর্তৃপক্ষের তরফে।

    আমজনতার জন্যেও পুরসভার নির্দেশিকা

    অন্যদিকে অভিভাবকদের উদ্দেশ্যেও বলা হয়েছে, ইন্টারনেট দেখে কোনও রকমের চিকিৎসা করা যাবে না। তাই কলকাতা পুরসভার নির্দেশিকা, “শিশুর তুমুল জ্বর, কাশিতে নিজেরা ইচ্ছেমত চিকিৎসা করবেন না। পরামর্শ নিন রেজিস্টার্ড মেডিক‌্যাল প্র্যাকটিশনারের।”

  • Partha Chatterjee:  ‘‘মোটা দা টুকি’’! জেলের ভিতর টিটকিরি দুই ছিঁচকের, রেগে আগুন ‘হেভিওয়েট’ পার্থ

    Partha Chatterjee: ‘‘মোটা দা টুকি’’! জেলের ভিতর টিটকিরি দুই ছিঁচকের, রেগে আগুন ‘হেভিওয়েট’ পার্থ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে আপাতত প্রেসিডেন্সি জেলেই দিন কাটছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee)। মাসের পর মাস খারিজ হয়ে যাচ্ছে জামিনের আবেদন। এই দুঃখের মধ্যেও নতুন জ্বালাতনে পড়েছেন পার্থ। আগে দলের ভিতরে নিজের দেহের ওজনের কারণে মস্করার শিকার হতেন। তবে তা হত আড়ালে। কিন্তু এখন টিটকিরি শুনতে হচ্ছে জেলের মধ্যেও। তাও আবার ছিচকে চোরেদের কাছে। দুই ছিঁচকে চোর নাজেহাল করে তুলেছে পার্থর জেল-জীবন।   

    গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই আলিপুর প্রেসিডেন্সির জেলে নিজের সেল থেকে বের হন না তিনি। কিন্তু নিজের সেলের ভিতরেও দুদণ্ড শান্তি নেই! দিনেরবেলায় যখন বিশ্রাম নিচ্ছেন কিংবা পায়চারি করছেন, ঠিক তখনই ভেসে আসছে ‘মোটু টুকি, মোটু টুকি’ ডাক। গত কয়েকদিন ধরে প্রতিনিয়ত চলছে এমনটা। ঘটনায় রেগে আগুন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী (Partha Chatterjee)। তাঁকে কি না বডি শেমিং! অভিযোগ জানিয়েছেন জেল কর্তৃপক্ষের কাছে।   

    এরপরই জেল কর্তৃপক্ষ জানতে পারে পার্থর (Partha Chatterjee) পাশের সেলে থাকা দুই ছিঁচকে চোরই ‘মোটা মোটা’ বলে জ্বালাচ্ছে তাঁকে। শেষ অবধি ওই দু’জনকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সেলের থেকে অনেকটা দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়।

    মুসা অধ্যায় 

    এদিকে কয়েক দিন আগেই জঙ্গি মুসার তাড়া খেয়ে জেলের ভিতর পড়ে গিয়ে থুতনি ফেটে গিয়েছে তাঁর! তাতেও রক্ষা নেই। এ আবার এক নতুন জ্বালা (Partha Chatterjee)। জানা গিয়েছে, ঠোঁট কেটে গেছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর। আঘাত লেগেছে থুতনিতেও। বুধবার এসএসকেএম হাসপাতালের ডাক্তারদের একটি টিম জেলে গিয়ে দেখেও আসেন তাঁকে। জেল সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে মুসা পার্থর দিকে তাক করে মলভর্তি মগ ছুড়ে মেরেছিল। এরপরই পালাতে গিয়ে মুখে, কাঁধে চোট পান তিনি। আঘাত পেয়েছেন ঠোঁটেও।

    আরও পড়ুন: “আমার সাহেব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়”, বিস্ফোরক ‘কালীঘাটের কাকু’

    গ্রেফতারির পর থেকেই বার বার কটাক্ষের শিকার হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। একেবারে শুরুর দিয়ে তাঁকে দেখা মাত্রই কিছু বন্দি অনবরত “চোর, চোর’’ বলে টিপ্পনি কাটত। তখনও জেল কর্তৃপক্ষ উৎপাত করা ওই বন্দিদের অন্যত্র সরিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Asansol: জিতেন্দ্র-জায়া চৈতালি-সহ পাঁচ জনের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ আদালতের

    Asansol: জিতেন্দ্র-জায়া চৈতালি-সহ পাঁচ জনের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোল (Asansol) পদপিষ্ট মামলায় প্রাক্তন মেয়র তথা বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির স্ত্রী চৈতালি তিওয়ারির আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। গ্রেফতারি থেকে বাঁচতে কলকাতা হাইকোর্টে রক্ষা কবচের আবেদন করেছিলেন চৈতালি। বৃহস্পতিবার চৈতালির আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ। চৈতালির এই মুহূর্ত থেকে আর কোনও রক্ষাকবজ থাকল না।

    এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর চৈতালির আবেদন মেনে তাঁকে অন্তর্বর্তীকালীন রক্ষাকবচ দিয়েছিল হাইকোর্ট। যদিও তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিন্তু চৈতালি (Asansol) তদন্তে সাহায্য করছে না বলে অভিযোগ করে পুলিশ। তাঁকে বারবার নোটিস দিয়েও কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। এমনকী, তিওয়াড়ি দম্পতিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

    আসানসোলে (Asansol) কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে মানুষ মারা গিয়েছিল। এই কাণ্ডে নাম জড়িয়ে যায় চৈতালির। বাড়িতে পুলিশ এসে খোঁজ পর্যন্ত করেছিল। নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে জিতেন্দ্র তিওয়ারির স্ত্রী চৈতালি আগাম জামিনের আবেদন করেন। যা দিল না কলকাতা হাইকোর্ট।

    আরও পড়ুন: ‘‘মোটা দা টুকি’’! জেলের ভিতর টিটকিরি দুই ছিঁচকের, রেগে আগুন ‘হেভিওয়েট’ পার্থ

    কী অভিযোগ চৈতালির বিরুদ্ধে? 

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর আসানসোলে (Asansol) শিবচর্চা ও কম্বল বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। আসানসোলের সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং আসানসোল পুরনিগমের বিরোধী দলনেত্রী চৈতালি তিওয়ারি। শুভেন্দু নিজের হাতে কিছু কম্বল বিতরণ করেছিলেন। শুভেন্দু ওই অনুষ্ঠান স্থল ছাড়ার পরেই কম্বল নেওয়ার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায় ওই এলাকায়। সেখানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় তিনজনের। আহত হন অনেকে।

    এই ঘটনায় নাম জড়িয়ে যায় জিতেন্দ্রর স্ত্রী চৈতালির (Asansol)। অভিযোগ ছিল, পুলিশের কাছ থেকে ওই কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানের জন্য কোনও লিখিত অনুমতি নেওয়া হয়নি। এই ঘটনায় মামলা দায়ের হয়। আর তাতেই বিপাকে পড়েন জিতেন্দ্র-জায়া।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • India China: সেনা প্রত্যাহার করলে তবেই স্বাভাবিক হবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক! চিনকে স্পষ্ট বার্তা ভারতের

    India China: সেনা প্রত্যাহার করলে তবেই স্বাভাবিক হবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক! চিনকে স্পষ্ট বার্তা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সংঘাতের আবহেই বেজিংয়ে বৈঠকে বসলেন ভারত এবং চিনের বিদেশমন্ত্রকের প্রতিনিধিরা। ২০১৯ সালের জুলাই মাসে শেষ এ ধরনের বৈঠক হয়েছিল। মাঝে কোভিড এর কারণে এই বৈঠক ভার্চুয়াল মাধ্যমে হয়েছিল। এই বৈঠকে দু’পক্ষই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সৈন্যসংখ্যা কমিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উপর জোর দেয়। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-চিন সীমান্তের ফরোয়ার্ড পোস্ট থেকে সেনা প্রত্যাহার করলে তবেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছে ভারত। বেজিং থেকেই চিনকে সেই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    সেনা সরানোর দাবি

    বিদেশ মন্ত্রকের একটি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, যদিও পূর্বাঞ্চলে সেনা সরিয়ে নেওয়া নিয়ে কার্যকরী কোনও আলোচনা এই বৈঠকে হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। তবে দুই দেশের আলোচনার পর যে যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, “কোনও বিবাদ কিংবা সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হলে দুই দেশের সেনাবাহিনী আলোচনার ভিত্তিতে কিংবা কূটনীতির মাধ্যমে সমাধানসূত্র খুঁজবে।”  প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সংঘাত নিয়ে বুধবার বেজিংয়ে ভারতের তরফে এই বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করেন বিদেশ মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব (পূর্ব এশিয়া)। চিনের তরফে প্রতিনিধিত্ব করেন সে দেশের বিদেশ মন্ত্রকের সীমান্ত এবং সমুদ্র বিষয়ক বিভাগের সচিব।

    আরও পড়ুন: এবার পাইলট নিয়োগে জোর এয়ার ইন্ডিয়ার, বেতন শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

    ২০২০ সালের মে’তে পূর্ব লাদাখ সীমান্তে সংঘাত শুরুর পর ভারত-চিন সীমান্ত বিষয়ক ‘ওয়ার্কিং মেকানিজম ফর কনসাল্টেশন অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশন’ সক্রিয় করা হয়। একাধিকবার দু’দেশের মধ্যে সামরিক এবং কূটনৈতিক পর্যায়ের আলোচনা হয়েছে। তাতে কিছুটা বরফ গললেও স্থায়ী সমাধানসূত্র এখনও মেলেনি। ভারত স্পষ্ট করে দিয়েছে, সীমান্তে সংঘাতের সমাধান না হলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে স্বাভাবিকত্ব ফিরবে না। যদিও চিনের বরাবরের দাবি, সীমান্ত সংঘাতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কোনও যোগ নেই। অবশেষে বহুবার আলোচনার পর লাদাখের প্যাংগঙ হ্রদ, গোগরা এবং হট স্প্রিং অ়ঞ্চল থেকে সেনা সরিয়ে নেয় দু’পক্ষ। তবে দেপসাং এবং ডেমচক এলাকা নিয়ে এখনও ঐক্যমত্যে পৌঁছতে পারেনি দুই দেশ। বিতর্কিত দুই অঞ্চলে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছে দুই দেশের সেনা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • CBI: এলাহাবাদ হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির বিরুদ্ধে মামলা সিবিআইয়ের, কেন জানেন?

    CBI: এলাহাবাদ হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির বিরুদ্ধে মামলা সিবিআইয়ের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় তিনিই করতেন বিচার। এবার তাঁরই বিচার হবে। এলাহাবাদ হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এস এন শুক্ল ও তাঁর স্ত্রী শুচিতা তিওয়ারির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল সিবিআই (CBI)। আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে দায়ের ওই হয়েছে মামলা। ওই দম্পতির বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির অভিযোগ এনেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার দাবি, এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad HC) বিচারপতি থাকাকালীন এস এন শুক্ল ও তাঁর স্ত্রীর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২.৪৫ কোটি টাকা।

    সিবিআই…

    এই প্রথম নয়, এর আগেও এস এন শুক্লর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছিল সিবিআই। সেটা ২০১৯ সাল। তখন এলাহাবাদ হাইকোর্টে কর্মরত ছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর বিরুদ্ধে, বেআইনিভাবে প্রসাদ ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স নামে একটি প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ভর্তির পক্ষে রায় দিয়েছিলেন বিচারপতি এস এন শুক্ল। সেই মামলা এখনও সিবিআইয়ের আদালতে বিচারাধীন। বস্তুত, সেই প্রথম কোনও কর্মরত বিচারপতির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছিল।

    দ্বিতীয় বার যে মামলা শুক্লর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে, তাতে সিবিআইয়ের (CBI) অভিযোগ, ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কর্মরত থাকার সময় বিচারপতি শুক্ল ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী শুচিতার আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন ২ কোটি ৪৯ টাকা সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। সিবিআইয়ের অভিযোগ, বিচারপতি পদে থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করেই ওই সম্পত্তি সংগ্রহ করেছেন শুক্ল ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ‘সিবিআই কান অবধি পৌঁছে গেছে…’, কালীঘাটের কাকু সম্পর্কে বললেন সুকান্ত

    এর আগে শুক্লর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছিল ফেডারেল এজেন্সি। সেটা ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাস। লখনউ ভিত্তিক প্রসাদ ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স নিয়ে একটি মামলার রায় দিতে গিয়ে তিনি জুডিশিয়ার কোরাপশন করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। তার ভিত্তিতেই জমা দেওয়া হয় চার্জশিট। বুধবার সিবিআয়ের তরফে জানানো হয়, আগে যে তদন্ত হয়েছে, সূত্র মারফত তাতে জানা গিয়েছে এস এন শুক্ল একজন পাবলিক সার্ভেন্ট। এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চে ছিলেন তিনি। দুর্নীতিমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পদ করেছেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী শুচিতা তিওয়ারিও একই অভিযোগে অভিযুক্ত। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্ট থেকে অবসর নেন বিচারপতি শুক্ল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sourav Ganguly: মহারাজের ভূমিকায় কে প্রায় নিশ্চিত! সৌরভের বায়োপিকের শ্যুটিং শুরু শীঘ্রই

    Sourav Ganguly: মহারাজের ভূমিকায় কে প্রায় নিশ্চিত! সৌরভের বায়োপিকের শ্যুটিং শুরু শীঘ্রই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বায়োপিক তৈরির আলোচনা দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল। সৌরভের চরিত্রে কে অভিনয় করবেন তা নিয়েও চর্চা তুঙ্গে চলছিল। সূত্র অনুযায়ী জানা গেছে রণবীর কাপুরকেই বায়োপিকে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাবে। এ জন্য তিনি শীঘ্র কলকাতাতেও আসবেন। আরও জানা গেছে তিনি ইডেন গার্ডেন্স, সৌরভের বাড়ি, বরিশা ক্লাব, মোহনবাগান ক্লাবের মত জায়গায় তিনি ঘুরে দেখবেন। প্রতিটা জায়গার সঙ্গে যুক্ত প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক। অর্থাৎ, সৌরভের সঙ্গে যুক্ত প্রতিটা জায়গায় তিনি ঘুরবেন। শ্যুটিং শুরু হলে তাঁকে এইসব জায়গাতেই আসতে হবে। সৌরভের চরিত্রে কে মানানসই হবেন তা নিয়েও তুঙ্গে ওঠে চর্চা। সৌরভ আগেই জানিয়েছিলেন, তাঁর চরিত্রে অভিনয় করতে তিনি চান রণবীর কপুর বা হৃত্বিক রোশনকে। সিদ্ধার্থ মালহোত্রাদের নামও শোনা যাচ্ছিল। এরমধ্যে হৃত্বিককে না পাওয়া যাওয়ায় রণবীরকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।

    কবে থেকে শুরু হবে শ্যুটিং

    সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। অতীতে সঞ্জয় দত্তের বায়োপিকে অভিনয় করেছিলেন রণবীর কপুর। ফলে তাঁর কেরিয়ারে এটা দ্বিতীয় বায়োপিক হতে চলেছে। সব কিছু ঠিক থাকলে অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হতে পারে সৌরভের জীবনী চিত্র তৈরির কাজ। প্রাথমিক ভাবে খরচ ধরা হয়েছে ২০০ কোটি টাকা মতো। প্রয়োজনে বাড়তে পারে টাকার অঙ্ক। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের আগে একাধিক ক্রিকেটারের বায়োপিক তৈরি হয়েছে। সচিন তেন্ডুলকর, মহেন্দ্র সিং ধোনি, মহম্মদ আজহারউদ্দিনের বায়োপিক আগেই তৈরি হয়েছে। ২০২১ সাল থেকে সৌরভের বায়োপিক তৈরি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় থেকেই কাজ শুরু হয়ে গিয়েছিল। চিত্রনাট্য লেখার কাজ শেষের দিকে বলে জানা গিয়েছে। তবে চিত্রনাট্যের কাজ এগিয়ে গেলেও কাস্টিং নিয়ে এতদিন সমস্যা চলছিল, অবশেষে সেটা মিটল।

    আরও পড়ুন: ‘সিবিআই কান অবধি পৌঁছে গেছে…’, কালীঘাটের কাকু সম্পর্কে বললেন সুকান্ত

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • IND-W Vs AUS-W: মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিতে আজ ভারত-অস্ট্রেলিয়া দ্বৈরথ, কখন-কোথায় দেখবেন ম্যাচ?

    IND-W Vs AUS-W: মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিতে আজ ভারত-অস্ট্রেলিয়া দ্বৈরথ, কখন-কোথায় দেখবেন ম্যাচ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে আজ মাঠে নামছে ভারতের মেয়েরা। দক্ষিণ আফ্রিকায় আইসিসি মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বৃহস্পতিবার ভারতের সামনে অস্ট্রেলিয়া। ইতিহাস অজিদের পক্ষে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে তিনবার মুখোমুখি সাক্ষাতে তিনবারই জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। সেই ইতিহাস বদলানোর চ্যালেঞ্জ রিচাদের সামনে।

    পালা বদলের লড়াই

    ছোটদের পর এবার বড়দের পালা। কিছুদিন আগেই প্রথমবার মেয়েদের অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ খেতাব দেশে এনেছিলেন শেফালি ভার্মা, রিচা ঘোষরা। এ বার রিচাদের সামনে সিনিয়র মেয়েদের টিমকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করার লড়াই। টুর্নামেন্টে সম্ভবত সবচেয়ে কঠিন হার্ডল টপকাতে পারলেই কাপ জয়ের দোড়গোড়ায় পৌঁছে যাবে হরমনপ্রীতরা। প্রতিপক্ষ পাঁচবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বজয়ী অস্ট্রেলিয়া। গতবার এই অস্ট্রেলিয়ার কাছে ফাইনালে হেরেই তীরে এসে তরী ডোবে হরমনপ্রীত কউর অ্যান্ড কোম্পানির। তবে এবার পালা বদলের লক্ষ্যে টিম ইন্ডিয়া। ভারতের সেরা বাজি শিলিগুড়ির মেয়ে রিচার কথায়,’যাই ঘটুক, ওরা আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলা থেকে সরে না। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অ্যাটাক করে। আমাদের টিমেও এমন ব্যাটার আছে, যারা আক্রমণাত্মক খেলতে পারে। আমরা অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারি। এমন নয় যে আমরা ওদের হারাতে পারি না বা পারব না। আমরা দেশের মাটিতে গত সিরিজেই ওদের হারিয়েছি। এর আগেও আমরা ওদের হারিয়েছি। তবে এটা সত্যি যে ওরা শক্তিশালী দল। কিন্তু আমরা ওদের হারাতেই পারি।’

    আরও পড়ুন: মাইল ফলক ছুঁলেন হরমনপ্রীত! আইসিসি টি-২০ মহিলা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত

    ম্যাচ-এর সময়

    কোথায় ম্যাচ?

    নিউল্যান্ডস স্টেডিয়াম, কেপ টাউনে ম্যাচ আয়োজিত হবে।

    কখন শুরু ম্যাচ?

    ম্যাচ শুরু সন্ধে ৬.৩০টায়, টস হবে তার আধ ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ ৬টায়।

    কোথায় দেখা যাবে খেলা?

    ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার স্টার স্পোর্টস নেটওয়ার্কে। পাশাপাশি হটস্টার অ্যাপেও এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখা যাবে।

    ভারতীয় দলের টি-২০ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: হরমনপ্রীত কউর, স্মৃতি মান্ধানা, যস্তিকা ভাটিয়া, হারলিন দেওল, রাজেশ্বরী গায়কোয়াড়, জেমাইমা রডরিগজ, অঞ্জলি সারভানি, দীপ্তি শর্মা, রেণুকা সিং, দেবিকা বৈদ্য, পূজা বস্ত্রকার, শেফালি ভার্মা, রাধা যাদব, রিচা ঘোষ, শিখা পাণ্ডে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kalighater Kaku: “আমার সাহেব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়”, বিস্ফোরক ‘কালীঘাটের কাকু’

    Kalighater Kaku: “আমার সাহেব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়”, বিস্ফোরক ‘কালীঘাটের কাকু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কয়েক দিন ধরেই ‘কালীঘাটের কাকু’- কে (Kalighater Kaku) নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এই কালীঘাটের কাকুর নাম প্রথম নিয়েছিলেন নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত তাপস মণ্ডল। বহু বিতর্কের পর প্রকাশ্যে এলেন ‘কালীঘাটের কাকু’। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বেহালার বাসিন্দা সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র এক বিস্ফোরক দাবি করেন। তিনি বলেন, “আমার সাহেব, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।” সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের এই মন্তব্যের পরেই বিতর্কের ঝড় উঠেছে। 

    সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত পৌঁছনোর চেষ্টা হচ্ছে। আর সেটা করতে গিয়ে তাঁর পর্যন্ত (Kalighater Kaku) এসে থেমে যাচ্ছে তদন্ত। সুজয়কৃষ্ণ আরও বলেন, “আমার যে সাহেব, পৃথিবীর কারও ক্ষমতা নেই তাঁকে ছোঁবে। কারণ তাঁর নাম কেউ নিতে পারবে না। তাঁর সঙ্গে কেউ দেখা করতে পারবে না। তাঁর সঙ্গে কেউ ফোনে কথা বলতে পারবে না। সেই অবধি কোনও লোক পৌঁছতে পারবে না। তাই চেষ্টা করা হচ্ছে, আপনারা ভাল বুঝবেন, সেই করতে গিয়ে আমি অবধি এসে থেমে যেতে হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: ০২২ টেটের ৭ প্রশ্নে ভুল, মামলা দায়ের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে  

    সুজয়কৃষ্ণ (Kalighater Kaku) আরও জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অভিষেকের হয়ে নিউআলিপুরে চাকরি করেন। কী কাজ করেন তা পরিষ্কার করে বলেননি। ২০০৯ সাল থেকে তিনি অভিষেকের অফিসে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন। শুধু চাকরিই করেন, প্রোমোটিং বা কোনও ব্যবসা নেই বলে দাবি করেন।  

    কীভাবে দুর্নীতি মামলায় নাম জড়ালো এই ‘কালীঘাটের কাকুর’? 

    তাপস মণ্ডল এবং দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত গোপাল দলপতিদের থেকে এই (Kalighater Kaku) নাম জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কতটা ভূমিকা রয়েছে এই প্রশ্নের উত্তরে সুজয়কৃষ্ণ  বলেন, “আমার নিজের দাদার মেয়ে, তার একটা চাকরি করে দিতে পারিনি। আমি যদি এতই প্রভাবশালী হতাম, তাহলে দাদার মেয়ের একটা চাকরি করে দিতে পারতাম না! নিজের মেয়ের একটা চাকরি করে দিতে পারতাম!” 

    এ বিষয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য, “কালীঘাটের কাকু (Kalighater Kaku) সম্পর্কে আমাদের কাছে যা তথ্য উঠে আসছে, ২০০৯ সাল থেকে ইনি…কোম্পানিতে যুক্ত ছিলেন। সেখানে অমিত, লতা, রুজিরা যুক্ত। কালীঘাটের কাকু হচ্ছে কান। এ বার কানে হাত পড়েছে যখন, মাথা টানতে আর বেশি দেরি নেই।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
LinkedIn
Share