Blog

  • Yaba: বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে বিএসএফ অভিযানে বাজেয়াপ্ত ১.৭০ কোটি মূল্যের ইয়াবা ট্যাবলেট

    Yaba: বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে বিএসএফ অভিযানে বাজেয়াপ্ত ১.৭০ কোটি মূল্যের ইয়াবা ট্যাবলেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাচারচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ফের বড়সড় সাফল্য পেল কাস্টমস এবং বিএসএফ-এর যৌথ বাহিনী। বিএসএফ এবং কাস্টমসের যৌথ অভিযানে ১৭ হাজার নিষিদ্ধ নেশাদ্রব্য ইয়াবা (Yaba) ট্যাবলেট বাজেয়াপ্ত হল। বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা দক্ষিণ অসমের কাছাড় জেলার অন্তর্গত কাটিগড়ার হিলাড়ায় অভিযান চালিয়ে ১.৭ কোটি টাকার ইয়াবা ট্যাবলেট সমেত এক পাচারকারী জিয়াউর রহমানকে হাতেনাতে আটক করেছে নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী।

    আরও পড়ুন: ‘‘গণতন্ত্র বিপন্ন’’! দার্জিলিং পুরসভায় দল ক্ষমতায় আসার দিনেই তৃণমূল ছাড়লেন বিনয়

    কী জানা গেল?

    বিএসএফ-এর কাছাড়-মিজোরাম ফ্রন্টিয়ারের জনসংযোগ আধিকারিক জানিয়েছেন, গোয়েন্দাসূত্রে খবর পাওয়ার পরেই মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে বিএসএফ-এর ফিল্ড ইন্টেলিজেন্স ইউনিট শিলচরের ১ নম্বর ব্যাটালিয়ন এবং করিমগঞ্জ কাস্টমস ডিভিশনের যৌথ অভিযানে কাটিগড়ার হরিনগর (Yaba) বর্ডার আউট পোস্ট থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের হিলাড়া রেলগেট সংলগ্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। মধ্যরাতে প্রায় ১:২০ মিনিটে মেঘালয়গামী এমএল ০৫ পি ৮৬৫৪ নম্বরের একটি অলটো গাড়ি আটক করে বিএসএফ। তাতে তল্লাশি চালিয়ে মোট ৮৯ প্যাকেটে মোড়া ১৭,০০০ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছে। ট্যাবলেটগুলি গাড়ির বিভিন্ন গোপন খোপে রেখে পাচার করা হচ্ছিল।    

    জানা গিয়েছে, কালো রঙের ২১টি প্যাকেট এবং নীল রঙের ৬৮টি প্যাকেট থেকে এগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে গাড়িকে বাজেয়াপ্ত করে বিপুল পরিমাণের ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারকারী গাড়ির চালককে আটক করে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। 

    জনসংযোগ আধিকারিক আরও জানান ট্যাবলেট প্রতি ন্যূনতম ১ হাজার টাকার হিসেবে বাজেয়াপ্তকৃত ১৭ হাজার ইয়াবা (Yaba)  ট্যাবলেটের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য কম করেও ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা। এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া ৭ হাজার টাকা মূল্যের রেডমি অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোনের হ্যান্ডসেট, মাদকবাহী অলটো কারের মূল্য ২ লক্ষ টাকা ধার্য করেছে বিএসএফ। বাজেয়াপ্তকৃত সব সামগ্রীর সর্বমোট বাজারমূল্য আনুমানিক ১ কোটি ৭২ লক্ষ ৭ হাজার টাকা হবে বলে জানিয়েছেন বিএসএফ আধিকারিক।

    পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বাজেয়াপ্তকৃত ইয়াবা (Yaba) ট্যাবলেট সহ ধৃত পাচারকারীকে করিমগঞ্জ কাস্টম ডিভিশনের আধিকারিকদের কাছে সঁপে দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিএসএফ-এর জনসংযোগ আধিকারিক ইনস্পেক্টর ঝিম্মি এইচ রাঙ্গাটে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Darjeeling: ‘‘গণতন্ত্র বিপন্ন’’! দার্জিলিং পুরসভায় দল ক্ষমতায় আসার দিনেই তৃণমূল ছাড়লেন বিনয়

    Darjeeling: ‘‘গণতন্ত্র বিপন্ন’’! দার্জিলিং পুরসভায় দল ক্ষমতায় আসার দিনেই তৃণমূল ছাড়লেন বিনয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হামরো পার্টিকে ক্ষমতাচ্যুত করে দার্জিলিং (Darjeeling) পুরসভার দখল নিয়েছে অনীত থাপার দল ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা। আস্থা ভোটে তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধেই অনীত থাপার দল জয়ী হয়েছে। আর এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন বিনয় তামাং (Binay Tamang)। করলেন বিস্ফোরক মন্তব্য। বললেন, ‘দার্জিলিঙের গণতন্ত্র বিপন্ন।’ তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার কথাও নিজের মুখে স্বীকার করলেন। ‘দলত্যাগ’ শব্দটি উল্লেখ না করেও দল ছাড়ার বিষয়টি এক রকম স্বীকার করেই নিয়েছেন তিনি। বিনয় তামাং জানিয়েছেন, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে নিজেকে আলাদা করে নিয়েছেন। এর জন্য তৃণমূল যদি দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ সংক্রান্ত কোনও পদক্ষেপ নেয়, তাতে কোনও আপত্তি নেই তাঁর। 
     
    দার্জিলিং (Darjeeling) পুরসভায় ক্ষমতার হস্তান্তর হয়েছে। আগে সেখানে ক্ষমতায় ছিল হামরো পার্টি। কিন্তু আস্থা ভোটে হামরো পার্টিকে সরিয়ে তৃণমূলের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে অনীত থাপার দল। আর এরই মধ্যে বিনয় তামাংয়ের নিজেকে তৃণমূলের থেকে আলাদা করে নেওয়ার সিদ্ধান্তে যে যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়েছে রাজ্যের শাসক দল তা বলাই বাহুল্য। এবার তাহলে কোন দলে নাম লেখাবেন তামাং? এখন এই প্রশ্নেই উত্তাল পাহাড়ের রাজনীতি। বিনয় তামাং জানিয়েছেন, তাঁর পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ খুব তাড়াতাড়ি সামনে আসবে।

    আরও পড়ুন: হাসপাতালে ভর্তি নরেন্দ্র মোদির শতবর্ষ অতিক্রান্ত মা হীরাবেন মোদি

    কী হয়েছে?

    রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, অনীত থাপার সঙ্গে বিনয় তামাংয়ের সম্পর্ক কখনই খুব একটা মধুর ছিল না। বিনয় তামাং পাহাড়ে (Darjeeling) তৃণমূলের মুখ হওয়া সত্ত্বেও, অনীত থাপাকে বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছে দল। আর তাতেই বেজায় ক্ষেপেছেন বিনয়। অনীত থাপার দল ও তৃণমূল দুটি পৃথক সংগঠন হলেও বর্তমানে সমর্থন নিজের কোর্টে রাখতে একে অপরকে সহযোগীতা করছে।

    প্রসঙ্গত, এক বছর আগে বিনয় তামাং (Darjeeling) তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি তৃণমূলের সঙ্গে জোট করে লড়েছিলেন। তখন তিনিই ছিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সুপ্রিমো হিসেবে। তারপর তিনি গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা ছেড়ে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। ২০২১-এর ২৪ অক্টোবর তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। তারপর তিনি দার্জিলিং পুরসভা এবং পরে জিটিএ নির্বাচনে দলকে নেতৃত্ব দেন। এমনকী জিটিএ নির্বাচনে তিনি জয়ীও হন।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sri Lanka T20: শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজে তারুণ্যের উপর ভরসা! একদিনের দলে খুব বেশি পরিবর্তন নেই

    Sri Lanka T20: শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজে তারুণ্যের উপর ভরসা! একদিনের দলে খুব বেশি পরিবর্তন নেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আসন্ন টি-২০ (Sri Lanka T20) সিরিজে ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেবেন হার্দিক পান্ডিয়া। এখনও ফিট নন রোহিত শর্মা। তাই তাঁকে দলে রাখা হয়নি। তবে একদিনের সিরিজে তিনি খেলবেন, নেতৃত্বও দেবেন। ওয়ান ডে ফরম্যাটে রোহিতের ডেপুটি হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে হার্দিককেই। যা থেকে স্পষ্ট, ভবিষ্যতের অধিনায়ক হিসেবে হার্দিককেই ভাবছে বিসিসিআই (BCCI)।

    টি-২০ সিরিজের দল

    শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজে (Sri Lanka T20) বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে আর এক তারকা বিরাট কোহলিকেও। তবে খারাপ পারফরম্যান্সের জেরে বাদ পড়েছেন লোকেশ রাহুল। টি-২০’র পাশাপাশি একদিনের দলে ব্রাত্য ঋষভ পন্থ। আইপিএলের নিলামে ভালো দর পেয়েছিলেন বাংলার পেসার মুকেশ কুমার। তিনি টি-২০ স্কোয়াডে রয়েছেন। ধারবাহিক ভালো পারফরম্যান্সের সুফল পেলেন তিনি। একই সঙ্গে মুকেশ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রাক্তন বিসিসিআই ও সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। তিনি বলেছেন, ‘বাংলায় ভিশন টোয়েন্টি-২০ চালু করেছিলেন সৌরভ। সেই সুযোগই আমাকে এতদূর আসতে সাহায্য করেছে।’

    টি-২০ বিশ্বকাপের রোডম্যাপ

    ২০২৪ সালে টি-২০ বিশ্বকাপের রোডম্যাপ এখন থেকেই তৈরি করে ফেলতে চাইছেন জাতীয় নির্বাচকরা। এক্ষেত্রে তারুণ্যের উপরই ভরসা রাখতে চাইছে বোর্ড। সেই কারণে গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার হাতে নেতৃত্বভার তুলে দেওয়া হয়েছে রোহিতের অনুপস্থিতিতে। আর টি-২০ সিরিজে হার্দিকের ডেপুটি হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে আর এক তারকা ব্যাটসম্যান সূর্যকুমার যাদবকে।

    তবে আগামী বছর দেশের মাটিতে রয়েছে ওয়ান ডে বিশ্বকাপ। সেকথা মাথায় রেখে একদিনের সিরিজে খুব বেশি পরিবর্তনের পথে হাঁটেনি জাতীয় নির্বাচকমণ্ডলী। রোহিত শর্মার নেতৃত্বে বিরাট কোহলি, লোকেশ রাহুলরা খেলবেন শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের সিরিজে। তবে শিখর ধাওয়ানকে এতদিন স্ট্যান্ড ইন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে শিখর একদিনের দলে সুযোগ পাননি। যা দেখে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসন্ন ওয়ান ডে বিশ্বকাপে ধাওয়ান নির্বাচকদের র‌্যাডারে নেই।

    আরও পড়ুন: নিজের অটোগ্রাফ দেওয়া জার্সি বিসিসিআই সচিব জয় শাহকে পাঠালেন মেসি

  • Vande Bharat: মেনুতে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া! হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে স্বপ্নের যাত্রা

    Vande Bharat: মেনুতে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া! হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে স্বপ্নের যাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গের প্রথম ‘বন্দে ভারত এক্সপ্রেস’চালু হবে নতুন বছর থেকেই। আগামী ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই ট্রেনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেও কবে থাকে বন্দে ভারত সাধারণের জন্য চালু হবে তা এখনও জানাতে পারেননি রেল কর্তৃপক্ষ। তবে ইতিমধ্যেই বাঙালির ভুঁড়িভোজের কথা মাথায় রেখে বঙ্গের বন্দে ভারতের বিশেষত্বই হচ্ছে তার মেনু। বাঙালি রুচির কথা ভেবে এখানে আমিষও ঠাঁই পাচ্ছে। নববর্ষ, দুর্গাপুজোর বিশেষ মেনুর পরিকল্পনা হচ্ছে। যাত্রার শুরুতে বিশেষ শ্রেণিতে থাকতে পারে ডাবের জলের আপ্যায়ন। থাকবে চা কফি। বাসমতি চালের ভাত, ভাজা মুগের ডাল,তরকারি,মাছের ঝোল,চিকেন,ফিশ ফ্রাই থাকবে ঘুরে ফিরে। খাবার ঠান্ডা বা গরম থাকার ব্যবস্থা থাকবে। 

    বাঙালিয়ানার ছোঁয়া

    ইতিমধ্যেই লুচি-আলুরদম, লুচি-ছানার ডালনার সঙ্গে নলেন গুড়ের সন্দেশ ও ফিশ ফ্রাইয়ের ব্যবস্থার কথা জানিয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়ে গিয়েছে ভারতীয় রেল বোর্ডের কাছে। ।এ ছাড়াও মেনুতে থাকছে বাজরার রুটি, ভুট্টার রুটির ব্যবস্থা। কেক, ডিমসেদ্ধও থাকছে। মিলবে দই, আইসক্রিম, কোল্ড ড্রিংকস। এই খাবার বা অন বোর্ড ক্যাটারিং ব্যবস্থা সামলাবে আইআরসিটিসি নিজেই৷ হাওড়া এবং নিউ জলপাইগুড়ির মধ্য়ে যাতায়াত করতে গিয়ে যাত্রীরা পাবেন ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার, স্ন্যাক্স। এছাড়া চা,জলের ব্যবস্থাও থাকছে। কেউ যদি হাওড়া থেকে এনজেপি সফর করেন, তবে তাঁকে ট্রেনে  ব্রেকফাস্ট এবং দুপুরের খাবার পরিবেশন করা হবে। আবার যদি কেউ এনজেপি থেকে হাওড়া আসেন তবে ট্রেনে চা-জলখাবার এবং রাতের খাবার পরিবেশন করা হবে। আপনার ট্রেনের টিকিটের মূল্যের  সঙ্গেই খাবারের দাম ধরা থাকবে। আপনি আপনার সময় মতো চেয়ারে বসেই খাবার পেয়ে যাবেন। যাঁরা বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে অন বোর্ড ক্যাটারিংয়ের দায়িত্ব সামলাবেন তাঁদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ঝটিকা সফরে শুক্রবার শহরে প্রধানমন্ত্রী! বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা করবেন মোদি

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনটিতে  ১৬টি সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত চেয়ার কার কোচ রয়েছে। যেখানে আবার প্লেনের মতো দুই ধরনের বসার বিভাগ আছে। একটি হল  ইকোনমি এবং আরেকটি এক্সিকিউটিভ ক্লাস। আধুনিক প্রযুক্তির সেমি হাইস্পিড বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি শতাব্দী এক্সপ্রেসের তুলনায় কিছুটা এগিয়ে রাখতে রেলের তরফে অন্তত এক পিঠে যাত্রার সময় আধ ঘণ্টা কমানোর চেষ্টা চলছে। ভবিষ্যতে আরও এক ঘন্টা সময় বাঁচানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে রেল সূত্রে খবর। সে-জন্য খানা থেকে গুমানি এবং মালদহ থেকে শিলিগুড়ির মধ্যে ট্রেনটির গতিবেগ কিছুটা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anti Corruption Branch: পুলিশি তদন্তের মুখে খোদ পুলিশ-ই! উত্তরবঙ্গে তিন অফিসারের বাড়িতে তল্লাশি

    Anti Corruption Branch: পুলিশি তদন্তের মুখে খোদ পুলিশ-ই! উত্তরবঙ্গে তিন অফিসারের বাড়িতে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির শিকড় এতটাই গভীর যে রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে রাজ্যেরই দুর্নীতি দমন শাখা (Anti Corruption Branch)। সম্প্রতি রাজ্য দুর্নীতিদমন শাখার (ACB) পাঁচ সদস্যের একটি দল উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকজন পুলিশ আধিকারিকের বাড়িতে হানা দেয়। তাদের নজরে রয়েছে বেশ কয়েকজন পুলিশ ইন্সপেক্টর। সঙ্গে বিডিও ও সরকারি আধিকারিকও। তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, দুর্নীতিদমন শাখার দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তাঁদের। 

    সক্রিয় রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখা

    রাজ্যে তখন সদ্য পালাবদল ঘটেছে। মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১২ সালে তৈরি করা হয় রাজ্য দুর্নীতিদমন শাখা (ACB)। উদ্দেশ্য, প্রশাসনকে দুর্নীতিমুক্ত করা। এমনকী, পুলিস-সহ বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকদের গ্রেফতারও করেন দুর্নীতিদমন শাখার আধিকারিকরা। সম্প্রতি জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী কড়া বার্তা দিয়েছেন একাধিকবার।  এবার পুলিশকর্তা ও সরকারি আধিকারিকদের বাড়িতে একযোগে অভিযান শুরু করল রাজ্য দুর্নীতিদমন শাখা (ACB)। 

    গত সোমবার শিলিগুড়িতে মাটিগাড়া থানার আইসি সমীর দেউসার ফ্ল্যাটে হানা দেন দুর্নীতিদমন শাখার আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, দুপুর থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তল্লাশি চলে। উদ্ধার হয় বেশ কিছু নথি ও নগদ টাকা। রেহাই পাননি মালদহের চাঁচলের আইসি পূর্ণেন্দু কুণ্ডুও। ইসলামপুরের আইসি শমীক চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতেও হানা দেয়ে তদন্তকারী আধিকারিকেরা। দুর্নীতি দমন শাখা সূত্রে খবর, গত কয়েক বছর ধরে পুলিশকর্তা, বিডিও ও সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তি ও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ জমা পড়েছে। এমনকী, প্রাথমিক তদন্তে সেই অভিযোগের সত্য়তার প্রমাণ মিলেছে। এরপর অভিযুক্তদের যখন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তখন সদুত্তর দিতে পারেননি তাঁরা। সেকারণেই এই তল্লাশি অভিযান।

    আরও পড়ুন: এখন থেকে বুস্টার ডোজ হিসেবে নিতে পারবেন নেজাল ভ্যাকসিন, দাম কত জানেন?

    সঙ্গত কারণেই তল্লাশি

    বিশেষজ্ঞদের দাবি, এসিবি-র এই সক্রিয়তা আকস্মিক কিছু নয়। শিক্ষায় নিয়োগ-দুর্নীতি থেকে শুরু করে গরু ও কয়লা পাচারের মামলায় রাজ্যের মন্ত্রী, কিছু সরকারি আধিকারিক, এক শ্রেণির পুলিশকর্তার নাম জড়িয়ে যাওয়ায় সরকারের ভাবমূর্তিতে কালি লেগেছে বলে বিরোধী শিবির যখন সরব, সেই সময়ে কালি মোছার পালা গতি পেয়েছে সঙ্গত কারণেই। দুর্নীতি ঠেকাতে তাই নিচু তলার পুলিশ আধিকারিক থেকে সরকারি অফিসারদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিচ্ছে রাজ্য প্রশাসন। এসিবি সূত্রের খবর,রাজ্য সরকারের ১৭ জন অফিসার-কর্মীর বিরুদ্ধে ‘প্রিভেনশন অব করাপশন অ্যাক্ট’ বা দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা রুজু করেছে এসিবি। চলছে হানাদারিও। গত শুক্র ও শনিবার বর্ধমানের কেতুগ্রাম, বর্ধমান শহর, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা এবং উত্তরবঙ্গে অভিযুক্তদের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে এসিবি সূত্রের খবর। ওই অভিযুক্তদের মধ্যে পাঁচ জন পুলিশ অফিসারও আছেন। তদন্তকারীদের দাবি, গত সোমবার উত্তরবঙ্গে তিন পুলিশ আধিকারিকের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। কিন্তু এসিবি-র তদন্তকারীরা কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিকের বাড়িতে তল্লাশি করতে পারেননি। তাঁদের বাড়িতে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় থানায় ইতিমধ্যে বিষয়টি জানিয়েছে এসিবি।

  • Kiren Rijiju: বিচারাধীন মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তিতে পূর্ণ সহযোগিতা করবে কেন্দ্র, বললেন আইনমন্ত্রী

    Kiren Rijiju: বিচারাধীন মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তিতে পূর্ণ সহযোগিতা করবে কেন্দ্র, বললেন আইনমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতে বিচারাধীন মামলাগুলির সমাধানে কেন্দ্র বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ সহযোগীতা করছে। এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। হরিয়ানার কুরুক্ষেত্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক সম্মেলনে আইনমন্ত্রী বলেন,  সারা দেশে বিভিন্ন আদালতে পাঁচ কোটিরও বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

    কী বলেছেন আইনমন্ত্রী?   

    তিনি (Kiren Rijiju) বলেন, “মামলাগুলি সমাধানে বিচার বিভাগকে পূর্ণ সমর্থন করছে কেন্দ্রীয় সরকার। সম্প্রতি বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদ প্রচার করছেন যে কেন্দ্র এবং বিচার বিভাগের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে। দাবি করা হয়েছে সরকার বিচার বিভাগের কর্তৃত্ব দখল করার চেষ্টা করছে। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে সংবিধানকে একটি ধর্মগ্রন্থ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। দেশের জনগণকে বিচার করতে হবে কারা এই ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে চাইছে। বিচারকদের অবশ্যই জনগণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হবে, সরকারের প্রতি নয়। বিচার বিভাগ অবশ্যই দেশের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    তিনি (Kiren Rijiju) আরও বলেন, “বিচারে বিলম্ব করা উচিত নয়। সুপ্রিম কোর্টে এমন অনেক আইনজীবী আছেন যাদের মামলার তারিখ আগে আসে এবং কেউ কেউ বলেন যে আপনি যদি তাদের মামলা দেন, তারা আপনাকে এটি জিততে সহায়তা করবে। ওই আইনজীবীরা একবার হাজিরার জন্য ৩০-৪০ লক্ষ টাকা নেন। বাকিরা কোনও কাজ পান না। কেন এমনটা হবে? নিয়ম সবার জন্য একই হওয়া উচিত।”

    কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju) বলেন, “কিছু আইনজীবী আছেন যারা বড় বড় সব মামলা পরিচালনা করে কোটি কোটি টাকা আয় করেন। বড় আইনজীবীদের পুরো জায়গা দখল করা উচিত নয়, ছোট আইনজীবীদের সুযোগ দেওয়া এবং অন্যদের সঙ্গে মামলা ভাগাভাগি করে নেওয়া উচিত।” তিনি আরও বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরাও নিম্ন আদালতে যেতে পারেন। সর্বোপরি, আদালত তো আদালতই।” 

    আরও পড়ুন: বান্ধবীকে স্ক্রুডাইভার দিয়ে ৫১ বার আঘাত করে খুন করল বাস কন্ডাক্টর 

    এর আগে কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju) রাজ্যসভায় বলেছিলেন যে আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা বেড়েছে। এক্ষেত্রে বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত এ সমস্যা থাকবেই। রিজিজু বিচারক নিয়োগে সরকারের সীমিত ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এটা সংবিধানের চেতনার পরিপন্থী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gujarat High Court: স্বামীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার মিথ্যা অভিযোগ আনা নিষ্ঠুরতার সমান, জানাল গুজরাট হাইকোর্ট

    Gujarat High Court: স্বামীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার মিথ্যা অভিযোগ আনা নিষ্ঠুরতার সমান, জানাল গুজরাট হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবাহিত দম্পতির মধ্যে পারস্পরিক কলহের ঘটনায় গুজরাট হাইকোর্ট (Gujarat High Court) সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দিয়েছে। গুজরাট হাইকোর্ট থেকে জানানো হয়েছে, কোনও স্ত্রী যদি তার জীবন সঙ্গীর (life partner) বিরুদ্ধে মিথ্যা অবৈধ সম্পর্ক বা পরকীয়ার অভিযোগ করেন তাহলে তা নিষ্ঠুরতার সমান। এক ডিভোর্স মামলায় এমনটাই জানিয়েছে গুজরাট হাইকোর্ট।

    ঘটনাটি কী?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গুজরাটের সবরকণ্ঠ এলাকার এক স্কুলশিক্ষক দম্পতির বিয়ে হয়েছিল ১৯৯৩ সালে। ২০০৬ সালে তাঁদের এক ছেলেও হয়। স্বামী দাবি করেছিলেন, ২০০৬ সালেই ঘর ছেড়ে গেছেন তাঁর স্ত্রী, আর ফিরে আসেননি। এর পরে ২০০৯ সালে স্বামী বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা রুজু করেন গান্ধীনগরের আদালতে। গৃহত্যাগ, নিষ্ঠুর ও নির্মম আচরণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন তিনি।

    অন্যদিকে স্ত্রীও বিবাহ বিচ্ছেদ দিতে চাইছিলেন না। তিনিও সেই আবেদনের বিরুদ্ধে আপিল করেন। স্বামীর বিরুদ্ধে তাঁর এক সহকর্মীর সঙ্গে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ করেন ওই মহিলা। আনেন গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগও। কিন্তু স্বামী হাইকোর্টে জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রী মিথ্যা বলছেন। তার বিরুদ্ধে যে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ এনেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এরপর তাঁর স্ত্রীও কোনও কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। ২০১৪ সালে নিম্ন আদালতে বেকসুর খালাস পান স্বামী। বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতিও মেলে।

    আরও পড়ুন: শিবঠাকুর মণ্ডল মামলায় জামিন অনুব্রতর! এবার কি ইডির হাত ধরে দিল্লি যাত্রা?

    তবে এতেই রেহাই নেই স্বামীর। নিম্ন আদালতের রায় মানতে না পেরে স্ত্রী ফের দ্বারস্থ হন গুজরাট হাইকোর্টের (Gujarat High Court)। দাবি করেন, তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন স্বামী। স্বামীর পক্ষের আইনজীবীও আদালতে সওয়াল করেন, ১৬ বছর আগে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছিলেন তাঁর মক্কেলের স্ত্রী। তার পর থেকে আলাদাই ছিলেন স্বামী-স্ত্রী। এর পরে তাঁর মক্কেল যখনই বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করেন, তখনই স্ত্রী ফিরে আসেন। তার পর থেকেই স্বামীর বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যে অভিযোগ আনতে শুরু করেন স্ত্রী। শাশুড়ির সঙ্গেও লাগাতার দুর্ব্যবহার করেন।

    এর পর সব পক্ষের সওয়াল শোনার পরে স্বামীর বিচ্ছেদের আবেদন ফের মঞ্জুর করে আদালত। দুই পক্ষ বিচার করে হাইকোর্ট (Gujarat High Court) রায় দেওয়ার সময় ওই নারীকে ভৎসর্না করে এবং আবেদন খারিজ করে দেয়। এর পরেই বিচারপতি সাফ জানিয়ে দেন, “কোনও প্রমাণ ছাড়া পরকীয়ার অভিযোগ আনা নিষ্ঠুরতার সমান। এক্ষেত্রে ওনার স্ত্রী সেটাই করেছেন।”

  • Covid Vaccine: এখন থেকে বুস্টার ডোজ হিসেবে নিতে পারবেন নেজাল ভ্যাকসিন, দাম কত জানেন?

    Covid Vaccine: এখন থেকে বুস্টার ডোজ হিসেবে নিতে পারবেন নেজাল ভ্যাকসিন, দাম কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত বায়োটেকের তৈরি নেজাল ভ্যাকসিনকে (Covid Vaccine) ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কোউইন অ্যাপে বুক করতে হবে সেই ভ্যাকসিন। সংগ্রহ করতে হবে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে। মঙ্গলবার নেজাল ভ্যাকসিনের দাম ঠিক করে দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, জিএসটি সহ নেজাল ভ্যাকসিনের একটি ডোজের দাম পড়বে এক হাজার টাকা। ভারত  বায়োটেকের তৈরি ন্যাজাল ভ্যাকসিনকে গত সপ্তাহেই অনুমোদন দিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। একটি ভায়াল থেকে দু’জন পাবেন ডোজ। মূলত বুস্টার ডোজ হিসেবে ব্যবহার করা হবে ভ্যাকসিনটি। জানা গিয়েছে, দুই নাকে চার ফোঁটা করে মোট আট ফোঁটায় নিতে হবে ডোজটি। সেক্ষেত্রে এই আট ফোঁটার দাম পড়বে জিএসটি সহ ১০০০ টাকা। জিএসটি ছাড়া দাম ৮০০ টাকা। তবে এই দাম দিতে হবে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে নিলে। সরকারি জায়গা থেকে নিলে ভ্যাকসিনের দাম দিতে হবে ৩২৫ টাকা।

    এই ভ্যাকসিনকে যুক্ত করা হয়েছে কোউইন অ্যাপের সঙ্গে। শুক্রবার এ কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। আগেই ভারত বায়োটেকের নেজাল ভ্যাকসিনকে (Covid Vaccine) ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল এই ভ্যাকসিনকে। বিশ্বের প্রথম নেজাল ভ্যাকসিন হিসেবে ছাড়পত্র পেয়েছে ভারত বায়োটেকের ‘ইনকোভ্যাক’।

    বিশ্বের করোনা পরিস্থিতি 

    কোইউন অ্যাপের মাধ্যমে এই ভ্যাকসিন (Covid Vaccine) নেওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন সবাই। গত শুক্রবার থেকেই সরকারিভাবে করোনা টিকা হিসেবে মান্যতা দেওয়া হয়েছে এই ভ্যাকসিনকে। এই টিকায় কোনও রকম সূঁচ ব্যবহার করা হবে না। ভারতে প্রথমবার এই ধরনের টিকা দেওয়া শুরু হচ্ছে। ভারত সরকারের নিয়ম অনুসারে ১৮ বছরের বেশি বয়সীরা এই টিকা নিতে পারবেন। প্রথমে বেসরকারি হাসপাতালে এই টিকা দেওয়া শুরু হলেও পরে সরকারি হাসপাতালেও পাওয়া যাবে এই টিকা। এমনটাই জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। জানা গিয়েছে ভারত বায়োটেক এই নয়া ভ্যাকসিন তৈরি করেছে ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে। এই ভ্যাকসিন নেওয়া সহজ হলেও, অন্যান্য ভ্যাকসিনের মতো একই রকম সুরক্ষা মিলবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    আরও পড়ুন: আজ থেকেই কোউইন অ্যাপে মিলবে ভারত বায়োটেকের তৈরি ন্যাজাল ভ্যাকসিন 

    চিন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া সহ একাধিক দেশে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ভারতেও আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। বাংলাতেও আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে। বিশ্বে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৬৬ লক্ষ ৭৯ হাজার ৯৩২ জনের। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৫ কোটি ৭৫ লক্ষ ৯৩ হাজার ৪৬৩। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Cold Wave: রাজস্থানে তুষারপাত! হাড় কাঁপানো শীতে জবুথবু উত্তর, পশ্চিম ভারত

    Cold Wave: রাজস্থানে তুষারপাত! হাড় কাঁপানো শীতে জবুথবু উত্তর, পশ্চিম ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়দিনের ছুটি মানে পশ্চিমবঙ্গবাসীর কাছে পিকনিক বা চিড়িয়াখানা ঘুরতে যাওয়া। শীতের আমজে জমিয়ে বড়দিনটা উপভোগ করে বাঙালি। কিন্তু এবার ঠিকঠাক যেন জমল না! কারণ গত ২৫ ডিসেম্বর থেকেই বাংলাতে শীত উধাও। তবে এর ঠিক উল্টো ছবি দেখা যাচ্ছে উত্তর এবং পশ্চিম ভারতে। হাড় কাঁপানো শীতে (Cold Wave) ইতিমধ্যে জবুথবু উত্তর এবং পশ্চিম ভারতের বেশ কিছু রাজ্য। স্কুল-কলেজে গ্রীষ্মকালীন ছুটির কথা শোনা যায়, উত্তর ভারতের বেশ কিছু রাজ্যে এ বছর তীব্র শীতের (Cold Wave) জন্য শীতকালীন ছুটি ঘোষণা করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সরকারগুলি। রাজধানী দিল্লিতে আজ মঙ্গলবারই সবথেকে শীতলতম দিন বলে জানা যাচ্ছে হাওয়া অফিস সূত্রে।

    ব্যাপক পতন হয়েছে পারদে, ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশেই ঘুরছে রাজধানীর তাপমাত্রা। দিল্লি টেক্কা দিয়েছে নৈনিতালকেও। এদিন নৈনিতালের তাপমাত্রা ছিল ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুধু তাই নয়, কুয়াশার চাদরে মুড়ে গেছে সম্পূর্ণ উত্তর এবং পশ্চিম ভারত। যেখানে সাধারণ গাড়ি থেকে ট্রেন চালাতে তো অসুবিধা হচ্ছেই, দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন চালকরা। তার সঙ্গে সঙ্গে বিমান ওঠানামাতেও সমস্যা হচ্ছে, বিভিন্ন রাজ্যের বিমানবন্দরের তরফ থেকে এদিন জানানো হয় যে বিমান ওঠানামার সময়ও পরিবর্তিত হতে পারে সেজন্য সংস্থার সঙ্গে যেন যাত্রীরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। এই প্রবল ঠান্ডা আর শৈত্য প্রবাহের (Cold Wave) জন্য ইতিমধ্যে সমগ্র উত্তর ভারত জুড়ে জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কবার্তা। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই সতর্কতা আরও কিছুদিন জারি থাকবে। তাদের মতে আগামী তিনদিন নাকি এই তীব্র শৈত্যপ্রবাহ চলবে। দিল্লি রাজস্থান পাঞ্জাব এবং হরিয়ানাতে। 

    শৈত্য প্রবাহে (Cold Wave) কাঁপছে মরুরাজ্য

    মরু রাজ্য রাজস্থানে শীতের দাপট সব থেকে বেশি। শৈত্য প্রবাহের (Cold Wave) প্রতিযোগিতায় রাজস্থানে হারিয়ে দিয়েছে শিমলাকে। সিমলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এদিন ছিল ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, অন্যদিকে রাজস্থানের সিকর শহরের তাপমাত্রা এদিন নেমে গেছিল ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে সিকর শহরের মতোই হিমাঙ্কের প্রায় কাছাকাছি নেমে গেছিল কারাউলির তাপমাত্রা। শনিবার রাতে সেখানকার তাপমাত্রা ছিল ০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ‌। প্রসঙ্গত , যে শিকড় শহরে শীতলতম তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে সেখানে গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ মে-জুন মাসে কখনও কখনও তাপমাত্রা ৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। তবে পুরনো রেকর্ড বলছে যে জানুয়ারিতে নাকি শিকড় শহরের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচেও নেমেছে বেশ কয়েকবার অর্থাৎ মরু রাজ্যেও বরফপাতের সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Gujarat: মেয়ের সম্ভ্রম রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যু, গুজরাটে বিএসএফ জওয়ান খুনের মামলায় গ্রেফতার ৭

    Gujarat: মেয়ের সম্ভ্রম রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যু, গুজরাটে বিএসএফ জওয়ান খুনের মামলায় গ্রেফতার ৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে (Gujarat) বিএসএফ জওয়ানকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেফতার করল গুজরাটি পুলিশ। নিজের মেয়ের আপত্তিকর মুহূর্তের ভিডিও ইন্টারনেটে আপলোড করার প্রতিবাদ করেছিলেন মেলজিভাই বাঘেলা নামের ওই বিএসএফ জওয়ান। আর সে কারণেই তাঁকে পিটিয়ে খুন করা হয়।

    কী ঘটেছে? 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত বিএসএফ জওয়ান গুজরাটের (Gujarat) চাকলাসি গ্রামের বাসিন্দা। ছুটিতে তিনি নিজের বাড়িতে এসেছিলেন। মেয়ের এক সহপাঠীর বাড়িতে গিয়ে তার আপত্তিকর ভিডিও অনলাইনে আপলোড করার প্রতিবাদ করেছিলেন তিনি। এর পর ওই ১৫ বছরের কিশোরের পরিবারের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান ওই সেনা জওয়ান। কিছু সময় পরে তা হাতাহাতিতে গিয়ে পৌঁছয়। অভিযোগ, ওই কিশোর এবং তার পরিবারের লোকজন ঘিরে ধরে বিএসএফ জওয়ানকে মারধর করেন। মারতে মারতে মেরে ফেলা হয় তাঁকে। এই খুনের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। কিশোরের পরিবারের মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

     


      

    জানা গিয়েছে, ওই কিশোর বিএসএফ (Gujarat) জওয়ানের মেয়ের সঙ্গে একই স্কুলে পড়ত। দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ, ওই কিশোর সহপাঠিনীর আপত্তিকর ভিডিও অনলাইনে পোস্ট করে। এর পর কিশোরীর বাবা গত শনিবার রাতে স্ত্রী, দুই ছেলে এবং ভাইপোকে নিয়ে হাজির হন ওই কিশোরের বাড়িতে। তার পরেই এই খুনের ঘটনা ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা।

    আরও পড়ুন: ঝটিকা সফরে শুক্রবার শহরে প্রধানমন্ত্রী! বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা করবেন মোদি

    গুজরাটের (Gujarat) খেড়া জেলার নাদিয়াদে এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মেয়েটির বাড়ির লোকজনকে লাঠিসোটা দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। আঘাত করা হয় ধারাল অস্ত্র দিয়েও। ওই বিএসএফ জওয়ানের ছেলেকেও ভীষণ মারধর করা হয়। আপাতত ওই তরুণ গুরুতর আহত। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে ওই বিএসএফ জওয়ানের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share