Blog

  • Joshimath Disaster: প্রবল তুষারপাত, ফের ভূমিধসের আশঙ্কা! আস্তে আস্তে বসছে জোশীমঠ

    Joshimath Disaster: প্রবল তুষারপাত, ফের ভূমিধসের আশঙ্কা! আস্তে আস্তে বসছে জোশীমঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিধসের পর এবার তুষারপাত। জোশীমঠকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক অব্যাহত (Joshimath Sinking)। ভূমিধসের কারণে এলাকার প্রচুর বাড়িতে ফাটল। ‘বিপজ্জনক’ চিহ্নিত করে সেইসব বাড়ি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। গত কয়েক দিনে নতুন করে আর ফাটল ধরেনি সেখানকার কোনও বাড়িতে। কিন্তু সম্প্রতি হিমালয়ের কোলে থাকা এই শহরে শুরু হয়েছে প্রবল তুষারপাত এবং বৃষ্টি। আর এতেই নয়া বিপদের আশঙ্কায় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা। 

    নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা

    প্রশাসনের তরফে শহরের বিপদগ্রস্ত এলাকাগুলি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে গিয়ে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন দেওয়া হলেও, এখনও সেখানকার প্রায় ৬০০টি বাড়িতে বাসিন্দারা রয়ে গিয়েছেন। এই সব বাড়িগুলিতে অল্প ফাটল ধরায় তাদের কেউ অন্যত্র যেতে চাননি। কিন্তু জোশীমঠবাসীর আশঙ্কা, তুষারপাত ও বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ফাটল আরও চওড়া হতে পারে। নতুন করে ভূমিধসও নামতে পারে এলাকায়। তাই আর কোনও অস্থায়ী আশ্রয় শিবির বা মাথা গোঁজার ঠাঁই নয়, এ বার গাড়োয়াল হিমালয়ের ‘ডুবন্ত’ জনপদ জোশীমঠের সকল বাসিন্দাকে পাকাপাকি সরানোর বন্দোবস্ত করতে চাইছে প্রশাসন। চলছে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার চিন্তাভাবনা। খোঁজ চলছে বসবাসযোগ্য উপযুক্ত জমিরও। চামোলির জেলাশাসক হিমাংশু খুরানা জানিয়েছেন, “আমরা এই পুনর্বাসনের জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে পরামর্শ চেয়েছি। আমরা যাতে এই প্রক্রিয়া ভালভাবে চালিয়ে যেতে পারি সেটাই এখন আমাদের প্রথম লক্ষ্য।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের উদ্দেশ্য হল স্থানীয়দের পরামর্শ নিয়ে স্থায়ী বন্দোবস্ত করা।”

    আরও পড়ুন: এবার জানা যাবে জ্ঞানবাপীর ‘শিবলিঙ্গের’ বয়স? পুরাতত্ত্ববিদদের আট সপ্তাহ সময় আদালতের

    ভয় ধরাচ্ছে স্যাটেলাইট চিত্র

    সম্প্রতি জোশীমঠের যে স্যাটেলাইট ছবি ধরা পড়েছে তাতে দেখা গিয়েছে, ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে উত্তরাখণ্ডের পূর্বাংশ ধীরে ধীরে বসে গেছে। একটি গবেষণা সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, এই চারবছরে বেশ অনেকটাই জমি বসে গেছে। প্রতি বছরে সর্বাধিক ১০ সেন্টিমিটার করে জমি তলিয়ে গেছে। গবেষণায় আরও জানা গেছে, উত্তরাখণ্ডের পূর্বাংশ তুলনায় বেশি বসে যাচ্ছে। জোশীমঠের পরিস্থিতি নিয়ে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি সম্প্রতি  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জোশীমঠের বসবাসের ৭০ শতাংশ জায়গা সুরক্ষিত রয়েছে। ভূমিধসের কবলে পড়েছে মাত্র ৩০ শতাংশ। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের যত দ্রুত সম্ভব স্থায়ী বন্দোবস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gyanvapi: এবার জানা যাবে জ্ঞানবাপীর ‘শিবলিঙ্গের’ বয়স? পুরাতত্ত্ববিদদের আট সপ্তাহ সময় আদালতের

    Gyanvapi: এবার জানা যাবে জ্ঞানবাপীর ‘শিবলিঙ্গের’ বয়স? পুরাতত্ত্ববিদদের আট সপ্তাহ সময় আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী (Gyanvapi) মসজিদে পাওয়া ‘শিবলিঙ্গে’-র বয়স নির্ধারণের জন্য কার্বন ডেটিং পরীক্ষা করা যাবে কি না, সে বিষয়ে মতামত জানানোর জন্য আর্কিয়োলজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়াকে আরও ৮ সপ্তাহ সময় দিল বেঁধে দিল এলাহাবাদ হাই কোর্ট।  

    শুক্রবার এএসআই-এর (Gyanvapi) তরফের আইনজীবী হাইকোর্টকে জানান, পুরাতত্ত্ব বিশেষজ্ঞদের মতামত জানাতে আরও কিছু সময় প্রয়োজন। আইনজীবীর আবেদন মেনে পুরাতত্ত্ববিদদের আরও ৮ সপ্তাহ সময় দিল আদালত। আগামী ২০ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে। ওই দিন এএসআই-এর গবেষকদের কার্বন ডেটিং পরীক্ষা করা যাবে কী না সেই সংক্রান্ত মতামত লিখিত জানানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত হাইকোর্ট।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতির অভিযোগ! কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের সিবিআইয়ের

    কেন কার্বন ডেটিং টেস্ট? 

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে পাঁচ হিন্দু মহিলা দাবি করেন, জ্ঞানবাপী মসজিদে রয়েছে শৃঙ্গার গৌরী। যা আপাতত ওজুখানা ও তহখানা নামে পরিচিত। সেখানে পুজোর অধিকার চেয়ে মামলা করেন তাঁরা। মামলাকারীদের আরও দাবি, মসজিদের পশ্চিম দিকের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে। এর পরেই বারাণসী দায়রা আদালতের বিচারক রবিকুমার দিবাকরের নির্দেশে এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। মসজিদের (Gyanvapi) ভিতরে তদন্ত করে তারা। করা হয় ভিডিওগ্রাফিও। এর পরেই ভিডিওর একটি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। তাতে দেখা যায়, মসজিদের ওজুখানার জলাশয়ে শিবলিঙ্গের মতো আকৃতির কিছু একটা। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, সেটি শিবলিঙ্গ। আর মসজিদ কর্তৃপক্ষের দাবি, সেটি পুরানো ফোয়ারার অংশ। হিন্দুত্ববাদীদের একাংশ শিবলিঙ্গের বয়স জানার জন্য কার্বন ডেটিং পরীক্ষার আর্জি জানায় সুপ্রিম কোর্টে। সেই আর্জি খারিজ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। বারাণসী আদালতের মতে, কার্বন ডেটিং হলে শিবলিঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। যা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিপন্থী হবে। কার্বন ডেটিং একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রত্নতাত্ত্বিক কোনও বিষয়ের গবেষণার জন্য যা প্রয়োগ করা হয়। 

    চলতি বছরের ১৭ মে সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছিল, জ্ঞানব্যাপী (Gyanvapi) মসজিদে যে শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে, সেটি রক্ষা করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড় ওই রায় দিয়েছিলেন। ওই রায়ে এও বলা হয়েছিল, মসজিদে মুসলিমদের অধিকারও রক্ষা করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Ice Burial: সময় বাঁচাতে ‘আইস বারিয়াল’ করে দেহ সৎকার চলছে চিনে! কী এই পদ্ধতি?

    Ice Burial: সময় বাঁচাতে ‘আইস বারিয়াল’ করে দেহ সৎকার চলছে চিনে! কী এই পদ্ধতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওমিক্রনের নতুন সাবভ্যারিয়েন্ট বিএফ.৭ এর দাপটে প্রতিদিন চিনে ৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। সেদেশে শুরু হয়েছে মৃত্যু মিছিল। তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা বলছে যে প্রকৃত রিপোর্ট চিন গোপন রাখছে, আসলে বেসরকারিভাবে মৃতের সংখ্যা আরও বেশি চিনে। হাসপাতালে বেড পাওয়া যাচ্ছে না এবং চিনের সৎকার স্থলের কর্মীরা বলছে যে প্রতি মুহূর্তে তাদের ফোন বেজে যাচ্ছে এবং গত ৬ বছরে এমন ব্যস্ততা কখনও দেখেনি তারা। সময় বাঁচাতে তাই নতুন পদ্ধতিতে মৃতদেহ সৎকার শুরু করল চিন।

    আরও পড়ুন: গত ৬ মাসে রাজ্যের দিকে দিকে উদ্ধার বিপুল নগদ, দেখুন কবে, কোথায়

    আইস বারিয়াল (Ice Burial) পদ্ধতি ঠিক কী?

    মৃতদেহ সৎকারের পদ্ধতি হিসেবে নতুন প্রযুক্তি প্রয়োগ করল বেজিং। দাহ করতে বা কবর দিতে সময় বেশি লাগছে সেই কারণে চিনে প্রয়োগ করা হল আইস বারিয়াল বা বরফ সমাধি  (Ice Burial)  পদ্ধতি। নতুন এই প্রযুক্তিতে তরল নাইট্রোজেনকে মাইনাস ১৯৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এনে দেহগুলিকে পাউডারের করা হচ্ছে। এতে নাকি সৎকার খুব দ্রুত হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আইস বারিয়াল  (Ice Burial)  প্রযুক্তি প্রথম ব্যবহার করা হয়েছিল ২০১৬ সালে। একটি সুইডিশ এবং আইরিস কোম্পানি এই পদ্ধতির  (Ice Burial)  আবিষ্কার করেছিল, সৎকারের নতুন পদ্ধতি আধুনিক বিশ্বের সামনে আনার জন্য। যদিও এই পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rajasekhar Mantha: “এভাবে চলতে পারে না”, মামলায় সরকারি আইনজীবীদের অনুপস্থিতি নিয়ে উষ্মা বিচারপতি মান্থার

    Rajasekhar Mantha: “এভাবে চলতে পারে না”, মামলায় সরকারি আইনজীবীদের অনুপস্থিতি নিয়ে উষ্মা বিচারপতি মান্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে (Justice Rajashekhar Mantha) ফের গরহাজির সরকারি আইনজীবীরা। আইনজীবীদের একাংশ এখনও মান্থার এজলাস বয়কট চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতিতে এবার সরব হলেন বিচারপতি মান্থা। কলকাতা হাইকোর্টে সরকারি আইনজীবীদের অনুপস্থিতি নিয়ে এবারে আশঙ্কা প্রকাশ করে বিচারপতি মান্থা বলেন, “এ ভাবে চলতে পারে না! এটা সরকারের জন্যই ক্ষতি! সাংবিধানিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। সমাজের জন্য এটা সুস্থ ব্যবস্থা নয়।”

    হাইকোর্টে গরহাজির সরকারি আইনজীবীরা

    গত ৯ জানুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিলেন আইনজীবীদের একাংশ। বিচারপতির এজলাস বয়কট করা হয়েছিল। এর পর সেই অবস্থান বিক্ষোভ-বয়কট সরিয়ে নেওয়া হলেও ফের অভিযোগ উঠেছে যে, এখনও কিছু আইনজীবী এই বয়কট চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে সওয়ালে অংশ নিচ্ছেন না সরকারি আইনজীবীরা। এই অবস্থায় শুক্রবার একটি আদালত অবমাননার কেসে কলকাতা পুলিশের এক ডিসির হাজিরা মামলায় আসতে বাধ্য হলেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। আর এতেই বিচার ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

    আরও পড়ুন:‘‘আপনার ছেলে হলে…’’, ছাত্র-মৃত্যু মামলায় খড়্গপুর আইআইটির ডিরেক্টরকে তিরস্কার বিচারপতির

    সরকারি আইনজীবীদের মামলায় অংশ নেওয়ার আর্জি জানালেন বিচারপতি ও অ্যাডভোকেট জেনারেল

    বিচারপতি রাজশেখর মান্থার এজলাসে মামলা লড়তে রাজি হচ্ছেন না কোনও সরকারি আইনজীবী। কিন্তু আজই আবার কলকাতা পুলিশের ডিসির হাজিরা মামলা রয়েছে রাজশেখর মান্থার এজলাসেই। শেষে সরকারি আইনজীবীদের বিরোধিতার জেরে এজলাসে মামলা লড়তে এলেন অ্যাডভোকেট জেনারেল। এর পরেই বিচারপতি মান্থা মন্তব্য করেন, “যে ভাবে সরকারি আইনজীবীরা হাজিরা এড়াচ্ছেন, আদালতের কাছে এটা চিন্তার। এজন্য পুলিশের ক্ষতি হচ্ছে। পুলিশ অফিসাররা আইনজীবীর অভাবে এখানে দাঁড়িয়ে নিজেদের বক্তব্য বলছেন। এভাবে চললে প্রশাসনের ক্ষতি।” এর পাশাপাশি এদিন তিনি আইনজীবীদের মামলায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদনও করেছেন।

    সেই সঙ্গে আইনজীবীদের এজলাসে এসে মামলা লড়ার অনুরোধ জানালেন অ্যাডভোকেট জেনারেলও। তিনি বলেন, “মামলায় অংশ নিন, আমার সমর্থন আছে। প্যানেল থেকে নাম বাদ গেলে কিছু করতে পারব না। আমি নিজেও মামলায় অংশ নিয়েছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Kharagpur IIT: ‘‘আপনার ছেলে হলে…’’, ছাত্র-মৃত্যু মামলায় খড়্গপুর আইআইটির ডিরেক্টরকে তিরস্কার বিচারপতির

    Kharagpur IIT: ‘‘আপনার ছেলে হলে…’’, ছাত্র-মৃত্যু মামলায় খড়্গপুর আইআইটির ডিরেক্টরকে তিরস্কার বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খড়্গপুর আইআইটি’র ছাত্রের রহস্যমৃত্যুতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ নিয়ে ডিরেক্টরের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট। এক জন মেধাবী ছাত্রের মৃত্যুকে কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দিতে চাইছেন না, শুক্রবার এমনই পর্যবেক্ষণ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। 

    আদালতের নির্দেশ মতো আগামী ২৪ জানুয়ারি খড়্গপুর আইআইটির ডিরেক্টর ভি কে তিওয়ারির আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই দিন তিনি টোকিও যাচ্ছেন তাই হাজিরা দিতে পারবেন না বলে জানান তিওয়ারি। বিষয়টি আদালতের নজরে নিয়ে আসা হয়। এর পরই বৃহস্পতিবার তিওয়ারির হাজিরার দিন নির্ধারিত করা হয়। শুক্রবার হাই কোর্টে হাজিরা দেন ডিরেক্টর। এদিন বিচারপতি মান্থা তাঁকে ভর্ৎসনা করে বলেন,‘‘আদালতের নির্দেশের পরও তাঁরা (আইআইটি কর্তৃপক্ষ) উদাসীন। এটা উচিত নয়। কোনটা বেশি জরুরি? আদালতের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া নাকি টোকিও যাওয়া? আপনার বাড়িতে ছেলে মেয়ে নেই ? তাদের সঙ্গে এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে কেমন লাগবে ?’’

    আদালতে সওয়াল-জবাব

    বিচারপতি মান্থা আরও বলেন, “প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে বহু মেধাবী ছাত্ররা আইআইটি-তে পড়তে আসে, তাঁরা সুযোগ পেলে দেশ এবং দুনিয়ার উপকারে লাগবে। তাঁরা এভাবে বাধাপ্রাপ্ত হলে বিরাট ক্ষতি হবে।  র‍্যাগিং একটা জঘন্যতম ঘটনা। এটা না আটকানো গেলে ভবিষ্যতে অনেক বড় সমস্যা হবে।” আইআইটি-র ডিরেক্টরের আইনজীবী অনিন্দ্য মিত্র জানান, ওই ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান করছে। এর জন্য অনুসন্ধান কমিটি গড়া (ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি) হয়েছে। এর পর ডিসিপ্লিনারি কমিটি রিপোর্ট দেয়। তার ভিত্তিতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গড়া হয়েছে। এ কথা শোনার পর ডিরেক্টর তিওয়ারিকে উদ্দেশ্য করে বিচারপতি আরও বলেন,  “এখানে মামলাকারিরা গুয়াহাটির প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকেন, সেখান থেকে আসার অর্থ পর্যন্ত নেই। আর আপনি বিষয়টাকে  হালকা ভাবে নিচ্ছেন। আদালতের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন না?”

    আরও পড়ুন: সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের পর এবারে তৃণমূলের যুবনেতা কুন্তলের জোড়া ফ্ল্যাটে ইডির হানা!

    গত ১৪ অক্টোবর খড়্গপুর আইআইটির হস্টেলের ঘর থেকে উদ্ধার করা হয় অসমের বাসিন্দা ফয়জান আহমেদের ঝুলন্ত দেহ। বিটেক মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন তিনি। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, আত্মহত্যা নয়, তাঁকে খুন করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, র‍্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন ওই ছাত্র। শুক্রবার ডিরেক্টর যে রিপোর্ট জমা দেন তার ভিত্তিতে নিজেদের বক্তব্য জানাতে মৃত ছাত্রের পরিবারকে সুযোগ দেয় আদালত। এই মামলায় পুলিশকে বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, ‘‘আপনাদের রিপোর্ট দিতে কত দেরি হবে? ১৫-২০ দিন সময় দেওয়া যাবে না, অনেক দেরি হয়ে যাবে। দয়া করে কোনও পক্ষ নেবেন না। আগামী দিনে কেস ডায়েরি নিয়ে আসবেন। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • SSC Scam: সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের পর এবারে তৃণমূলের যুবনেতা কুন্তলের জোড়া ফ্ল্যাটে ইডির হানা!

    SSC Scam: সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের পর এবারে তৃণমূলের যুবনেতা কুন্তলের জোড়া ফ্ল্যাটে ইডির হানা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট কর্তারা হানা দিলেন হুগলির তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষের ফ্ল্যাটে। আজ, শুক্রবার সকাল থেকে ইডি আধিকারিকরা দু’টি দলে ভাগ হয়ে নিউটাউনে কুন্তলের দু’টি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআইয়ের (CBI) জিজ্ঞাসাবাদের পর এবারে ইডির হানা যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    কুন্তল ঘোষের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ?

    নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের ‘ঘনিষ্ঠ’ তাপস মণ্ডলকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আর এর পরেই উঠে আসে তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষের নাম। তাপস মণ্ডল টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন কুন্তলের বিরুদ্ধে। সিবিআইয়ের দাবি, তাপস তাঁদের জানিয়েছেন, বেআইনি শিক্ষক নিয়োগের ১৯ কোটি টাকা কুন্তলের কাছে পৌঁছেছে। তাপসের দাবি ছিল, ৩২৫ জন শিক্ষক পদপ্রার্থীর কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি টাকা নিয়েছেন কুন্তল। এই সংক্রান্ত নথিও তাঁর কাছে রয়েছে বলে দাবি করেন। তিনি আরও দাবি করেন যে, মোট ২৬০০ চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে নিয়েছেন কুন্তল।

    আরও পড়ুন: সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন! পিছিয়ে গেল মাধ্যমিকের ইতিহাস পরীক্ষা

    আর এর পরেই নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছিল তাঁকে। গত বুধবার বিকেল ৩টের পর নিজাম প্যালেসে হাজিরা দেন তৃণমূলের যুবনেতা। এক ঘণ্টা থাকার পর বেরিয়ে যান। বুধবার দুপুরে নিজাম প্যালেসে এসেছিলেন তাপসের এক প্রতিনিধিও। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও নিজাম প্যালেসে যান তৃণমূল নেতা। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছিলেন কুন্তল। তিনি বলেছিলেন, “আমি যদি টাকা নিতাম, সিবিআই কি এত সহজে আমাকে ছেড়ে দিত?”

    ইডির হানা কুন্তলের ফ্ল্যাটে

    নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদের পরেই আজ সকাল সকাল তাঁর ফ্ল্যাটে হাজির ইডির আধিকারিকরা। নিউটাউনের চিনার পার্ক এলাকায় বিলাসবহুল আবাসনে জোড়া ফ্ল্যাট রয়েছে যুবনেতার নামে। সেই ফ্ল্যাটগুলিতেই চলছে তল্লাশি। ইডি সূত্রে খবর, শুক্রবার সকাল থেকে ইডি আধিকারিকরা দু’টি দলে ভাগ হয়ে কুন্তলের দু’টি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালাচ্ছে। ফলে আজ তল্লাশির পর কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা নথি পাওয়া যায় কিনা, তা নিয়েই জল্পনা বাড়ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sukanta Majumdar: মোদিজিকে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র উপহার দেব! নাড্ডার সামনে প্রতিশ্রুতি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: মোদিজিকে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র উপহার দেব! নাড্ডার সামনে প্রতিশ্রুতি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কৃষ্ণনগর লোকসভা এবার মোদিকে উপহার দেব।” বেথুয়াডহরির সভায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকে (JP Nadda) এমনই প্রতিশ্রুতি দিলেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিন নদিয়ার মানুষকে একজোট হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে সুকান্ত বলেন, “বদলা নিতে হবে। এই বার ২৫ পার কৃষ্ণনগর দিয়ে শুরু হবে। আমরা কথা দিয়েছি, কৃষ্ণনগর লোকসভা এবার মোদিজিকে উপহার দেব। ২৪-এ ধামাকা দেব।”

    প্রাক্তন হবেন মহুয়া

    নদিয়া দক্ষিণ বিজেপির শক্ত ঘাঁটি, এবার নদিয়া উত্তরেও দাগ কাটতে চায় বিজেপি। তাই কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে হারাতেই এককাট্টা নড্ডা, শুভেন্দু, সুকান্তরা। কৃষ্ণনগরে শাসকদলের গোষ্ঠীকোন্দলের সমস্যা দীর্ঘদিনের। দলের অন্দরেই কান পাতলে শোনা যায়, বিধায়ক-সাংসদে রেষারেষি, বিধায়কে-বিধায়কে রেষারেষি, জেলা কমিটির সঙ্গে সাংসদ-বিধায়কদের মনোমালিন্যর অভিযোগ। গত নভেম্বরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নদিয়ায় গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তিনিও এ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন। এই দলাদলিকে হাতিয়ার করেই ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে বাজিমাত করতে চায় গেরুয়া শিবির। এদিন বেথুয়াডহরিতে  বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‌কৃষ্ণনগরের সাংসদ এলাকার সমস্যার কথা সংসদে বলেন না। রাশিয়া, ইউক্রেন, আমেরিকার কথা বলেন। তাই ২০২৪ সালে সুদে আসলে সেই হিসাব নেবেন এলাকার মানুষ। আর তাঁকে প্রাক্তন করে দেওয়া হবে।’‌

    আরও পড়ুন: ‘‘দিদি এত রাগ করো না, স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়’’, মমতাকে কটাক্ষ নাড্ডার

    বাংলা থেকে ২৫ টি আসন জয়ের টার্গেট নিয়েছে বিজেপি। আর তা বাস্তব করতে কার্যত ঝাঁপিয়ে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। সেই লক্ষ্যেই গত লোকসভায় হেরে যাওয়া ২৪টি আসনে পালা করে সভা করার কথা রয়েছে অমিত শাহ এবং জেপি নড্ডার। তারই শুরু হল বেথুয়াডহরি দিয়ে। এদিনের সভায় বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা বলেন, “বাংলার বর্তমান পরিস্থিতি দেখে তাঁর খারপ লাগে। এর পরিবর্তন প্রয়োজন।” তাঁকে বাংলায় পালা বদলের প্রতিশ্রুতিও দেন রাজ্য বিজেপি সাভাপতি সুকান্ত মজুমদার।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • SSC Scam: খারিজ জামিন-সওয়াল, ফের ১৪ দিন জেল হেফাজতে পার্থ, সুবীরেশ সহ ৭

    SSC Scam: খারিজ জামিন-সওয়াল, ফের ১৪ দিন জেল হেফাজতে পার্থ, সুবীরেশ সহ ৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামিনের অনুরোধ, ধর্না দেওয়ার কথা কোনও কিছুই কাজে দিল না আজ। এসএসসি দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ ৭ জনেরই ফের জেল হেফাজত। বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালতের বিচারক এমনই রায় দিলেন। এদিন জামিনের আর্জি করেছিলেন পার্থ চ্যাটার্জি। কিন্তু আজ ফের আর্জি খারিজ করা হয়। পার্থর পাশাপাশি সুবীরেশ, কল্যাণময়দেরও জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পার্থ, সুবীরেশদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি। 

    পার্থর আইনজীবী জামিনের জন্য ধর্না দেওয়ার প্রসঙ্গ এনে বললেন…

    বর্তমানে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে বন্দি পার্থ। এদিন তাঁকে জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষে আলিপুরে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। জামিনের আবেদন জানিয়ে আদালতে সওয়াল করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী। এদিনের শুনানিতে এজলাসে শোরগোল ফেলা মন্তব্য করে বসেন পার্থবাবুর আইনজীবী সেলিম রেহমান। তিনি বলেন, “একটা টাকাও নেননি তিনি, তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয়নি। কোথায় মানি ট্রেইল? কে টাকা দিয়েছে? অযোগ্য প্রার্থীদের কথা বলা হচ্ছে, তাতে তাঁর কী ভূমিকা? তদন্তে কোনও অগ্রগতিও নেই।” তিনি আরও বলেন, “কেস ডায়েরিতে সিক্রেট তথ্য আছে বলে সিবিআই আটকে রাখছে। আর কতদিন এই ‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্র’ বলে সিবিআই সময় পাবে? আইনের কথা বলছে না। এবার তো ‘জলি এলএবি’ সিনেমার মতো ধর্না দিয়ে বসা ছাড়া উপায় থাকবে না। জেল থেকে বেরিয়ে তো শিক্ষা দফতরে চলে যেতে পারবেন না!” সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে সেলিম এ-ও দাবি করেন, কে যোগ্য আর কে অযোগ্য, তা দেখার দায়িত্ব দফতরের ছিল, তাঁর মক্কেলের না। সিবিআই পুরো দোষ তাঁর মক্কেলের উপর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: দেগঙ্গায় ‘দিদির দূত’ সুজিত বসু! মন্ত্রীর সামনেই মারামারি কর্মীদের, প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

    পার্থ সহ আরও ৭ জনের জেল হেফাজতের নির্দেশ

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা, প্রাক্তন সচিব অশোককুমার সাহা, এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় ও দুই মিডলম্যান প্রদীপ সিংহ এবং প্রসন্ন রায়কে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল আলিপুর আদালত। আজ তাঁদের আদালতে তোলা হলে এস পি সিনহার আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত জামিনের আবেদন করে সওয়াল করেন, “তদন্তে গতি নেই। অভিযুক্তকে বার বার প্রভাবশালী বলা হচ্ছে। অথচ তিনি প্রভাবশালী নন।” ফলে পার্থর পাশাপাশি এঁদেরও জামিনের আর্জি খারিজ করে আরও ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

     

  • Ambikesh Mahapatra: ১১ বছর পর কার্টুনকাণ্ড থেকে নিষ্কৃতি! ‘‘গণতন্ত্রপ্রিয় নাগরিকের জয়’’, প্রতিক্রিয়া অম্বিকেশ মহাপাত্রর

    Ambikesh Mahapatra: ১১ বছর পর কার্টুনকাণ্ড থেকে নিষ্কৃতি! ‘‘গণতন্ত্রপ্রিয় নাগরিকের জয়’’, প্রতিক্রিয়া অম্বিকেশ মহাপাত্রর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ১১ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর কার্টুনকাণ্ড থেকে নিষ্কৃতি পেলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নের অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্র।  শুক্রবার ক্রবার রাতে আদালতের এক নির্দেশনামা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে একথা জানিয়েছেন অধ্যাপক নিজে। আদালতের এই নির্দেশকে নাগরিকের বাকস্বাধীনতার জয় বলে দাবি করেছেন তিনি। 

    কী ঘটেছিল

    ২০১২ সালে রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে সরিয়ে মুকুল রায়কে তাঁর জায়গায় বসানোর পরে সত্যজিতের ফেলুদা-কাহিনি ‘সোনার কেল্লা’র সংলাপ বসানো একটি মিম শেয়ার করেন অম্বিকেশ। ফেসবুকে ব্যঙ্গচিত্র বা মিম শেয়ার করার অভিযোগে ২০১২ সালে‌র ১২ এপ্রিল অম্বিকেশকে গ্রেফতার করে পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিশ। পরে জামিন পান। কিন্তু চার্জশিট দিয়ে মামলা চালিয়ে যাচ্ছিল পুলিশ। ২০২১-এর সেপ্টেম্বরে আলিপুরের মুখ্য বিচারবিভাগীয় বিচারকের কাছে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন অম্বিকেশ। এর পরে আলিপুরের অতিরিক্ত দায়রা বিচারকের এজলাসে আবেদনের শুনানি হয়।  অম্বিকেশ এ দিন ‘সোনার কেল্লা’র সংলাপের ঢঙেই বলছেন, ‘‘এত দিনে মামলাটা ‘ভ্যানিশ’ হল!’’সঙ্গে আগে যে তৃণমূল নেতারা আয়োজন করে তাঁকে মারধর করেছিলেন তাঁদের গ্রেফতারি দাবি করেছেন অধ্যাপক।

    আরও পড়ুন: সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের পর এবারে তৃণমূলের যুবনেতা কুন্তলের জোড়া ফ্ল্যাটে ইডির হানা!

    অম্বিকেশের দাবি 

    আইনিভাবে মামলা প্রত্যাহারের পর এদিন অম্বিকেশবাবু বলেন, এই মামলার কোনও আইনি সারবত্তা ছিল না। রাজ্য সরকার তার পুলিশ ও গুন্ডাদের দিয়ে মামলাটাকে জীবিত রেখেছিলেন। অম্বিকেশের কথায়, ‘‘একটি কার্টুন শেয়ার করার জন্য আমি পাড়ায় শাসক দলের কর্মীদের নিগ্রহ, হুমকি, পুলিশি জুলুমের শিকার হয়েছি। লকআপে রাত কাটাতে হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সচিবালয়, পুলিশ থেকে নিম্ন আদালতকে কাজে লাগিয়ে এত দিন অনর্থক হেনস্থা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এঁদের বিরুদ্ধে আমার জয় মানে গণতন্ত্রপ্রিয় নাগরিকেরই জয়!’’তিনি দাবি করেন, মমতা ক্ষমতায় আসার পর থেকে তাঁর স্বৈরতান্ত্রিক চেহারাটা বেরিয়ে পড়েছিল। কেউ তার সমালোচনা করতে পারবে না, ব্যঙ্গ করতে পারবে না। করলে হামলা করবে। এখনো বিভিন্ন পোর্টেলের লোকজনকে ডেকে ধমকাচ্ছে, তৃণমূল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Indian Navy: ২৩ জানুয়ারি নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে সাবমেরিন ভগির, জানুন বিস্তারিত

    Indian Navy: ২৩ জানুয়ারি নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে সাবমেরিন ভগির, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের উদ্যোগে নৌবাহিনীকে (Indian Navy) ঢেলে সাজানোর কাজ চলছে। কয়েকদিন আগেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জাহাজ ধ্বংসকারী মিসাইল বরাদ্দ করেছে নৌবাহিনীর (Indian Navy) জন্য। এবার ২৩ জানুয়ারি মুম্বাইতে কালভরি-শ্রেণির পঞ্চম সাবমেরিন ‘ভগির’ অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে নৌসেনায়, এমনটাই জানা যাচ্ছে বিভিন্ন সূত্রে। জানা যাচ্ছে ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত  থাকবেন ভারতীয় নৌবাহিনীর (Indian Navy) প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার। সাবমেরিনটি ফ্রেঞ্চ নেভাল গ্রুপের সহযোগিতায় মুম্বই-এর মাজগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড তাদের ‘প্রজেক্ট ৭৫’-এর অধীনে নির্মাণ করেছে বলে জানা গেছে। সাবমেরিনটি প্রায় এক মাস আগে মুম্বইতে আনা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের পর এবারে তৃণমূলের যুবনেতা কুন্তলের জোড়া ফ্ল্যাটে ইডির হানা! 

    সাবমেরিনটির খুঁটিনাটি তথ্য

    সাবমেরিনের দৈর্ঘ্য ৬৭.৫ মিটার এবং প্রস্থ যথাক্রমে ৬.২ মিটার। ‘আইএনএস ভগির’-এর গতি প্রতি ঘণ্টায় ২০ কিমি এবং নিমজ্জিত হয় ৩৭ কিমি প্রতি ঘণ্টায়। এই সাবমেরিনটি অত্যাধুনিক স্টিল দিয়ে নির্মিত হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। এই ডুবোজাহাজটিতে রয়েছে স্টেলথ প্রযুক্তি। 

    আরও পড়ুন: আজ হঠাৎ পারদ পতন! তবে সরস্বতী পুজো কাটবে গরমেই! কী বলছেন আবহবিদরা?

    ভারতের নৌবাহিনীর (Indian Navy) ইতিহাসে ভগির

    ১৯৭৩ সালের ১ নভেম্বর প্রথম ভগিরের উদ্বোধন হয়েছিল। বেশ কয়েকটি অপারেশনাল মিশনে অংশগ্রহণ করেছিল ভগির।  প্রায় তিন দশক ধরে দেশকে সেবা করার পরে ২০০১ সালে সাবমেরিনটি অবসর নেয়।
    পরবর্তীকালে, নৌসেনার ঐতিহ্য মেনে পুরনো ভগিরের নামেই নামাঙ্কিত করা হয় নতুন সাবমেরিনের।  ১২ নভেম্বর, ২০২০ সালে নতুন ভগিরের উদ্বোধন করা হয়। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভগির প্রথম সমুদ্র যাত্রা শুরু করে। গত ১ বছর ধরে সমুদ্রে ট্রায়ালে ছিল ভগির।

    আরও পড়ুন: সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের পর এবারে তৃণমূলের যুবনেতা কুন্তলের জোড়া ফ্ল্যাটে ইডির হানা!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share