Blog

  • Same Sex Marriage: সমলিঙ্গ বিয়ের স্বীকৃতি ইস্যুতে অবস্থান জানাতে কেন্দ্রকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের

    Same Sex Marriage: সমলিঙ্গ বিয়ের স্বীকৃতি ইস্যুতে অবস্থান জানাতে কেন্দ্রকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমলিঙ্গ বিয়ে (Same Sex Marriage) নিয়ে কেন্দ্র ও অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটারামানিকে নোটিশ পাঠাল দেশের শীর্ষ আদালত। আজ, শুক্রবার পাঠানো হয় নোটিশ। সমলিঙ্গ বিয়ে নিয়ে দুটি আবেদন জমা পড়েছিল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। আবেদনকারীরা জানিয়েছিলেন, স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্টে তাঁদের বিয়ে নিবন্ধীকৃত হোক। এ ব্যাপারেই কেন্দ্র ও অ্যাটর্নি জেনারেলের অভিমত জানতে চেয়ে নোটিশ (Notice) পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট।

    সময় মাত্র চার সপ্তাহ…

    সুপ্রিম কোর্টের যে বেঞ্চে সমলিঙ্গ বিয়ের (Same Sex Marriage) স্বীকৃতি চেয়ে করা আবেদনের শুনানি চলছে, ওই বেঞ্চে রয়েছেন দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি হিমা কোহলি। কেন্দ্রকে নোটিশ পাঠানোর আগে তাঁরা প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতোগির কাছে এই আবেদনের নির্যাস শোনেন। তার পরেই পাঠানো হয় নোটিশ। চার সপ্তাহের মধ্যে এব্যাপারে কেন্দ্রকে তাদের বক্তব্য জানাতে বলেছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    সমলিঙ্গ বিয়ের (Same Sex Marriage) স্বীকৃতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে যে দুটি আবেদন জমা পড়েছিল, তার একটি করেছিলেন জনৈক সুপ্রিয় চক্রবর্তী ও অভয় ঢ্যাং। এঁরা হায়দ্রাবাদের বাসিন্দা। আর দ্বিতীয় আবেদনটি করেছিলেন পার্থ ফিরোজ মেহরোত্রা এবং উদয় রাজ। আবেদনে বলা হয়েছে, সমলিঙ্গ বিয়েকে স্বীকৃতি না দিলে সংবিধানের ১৪ ও ২১ নম্বর ধারায় সাম্যের অধিকার এবং জীবনের অধিকার লঙ্ঘিত হয়।

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে ধাক্কা খেল স্কুল সার্ভিস কমিশন! এবার কি সুপ্রিম দুয়ারে যাবে রাজ্য সরকার?

    প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে দেশের শীর্ষ আদালত এক ঐতিহাসিক রায়ে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৩৭৭ নম্বর ধারাটি বাতিল বলে ঘোষণা করে। ওই ধারায় সমলিঙ্গ মানুষের যৌন সম্পর্ককে অপরাধ বলে গণ্য করা হত। ১৮৬৫ সালে ব্রিটিশ সরকারের চালু করা ওই ধারা ব্রিটেনেই বাতিল হয় তার ঠিক ১০২ বছর পরে। তবে ভারতে তা চালু ছিল। সুপ্রিম কোর্টের যে সাংবিধানিক বেঞ্চ ওই ধারাটি বাতিল করেছিলেন, তার অন্যতম সদস্য ছিলেন দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়।

    দেশের শীর্ষ আদালত ধারাটি বাতিল করলেও, সরকার এখনও এ ব্যাপারে কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি। সেই কারণেই থমকে রয়েছে সমলিঙ্গ বিয়ের স্বীকৃতি। যার জেরে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে সুপ্রিয় চক্রবর্তী ও অভয় ঢ্যাংকে। একই কারণে সুপ্রিম কোর্টের শরণ নিতে হয়েছে পার্থ ফিরোজ মেহরোত্রা ও উদয় রাজকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Aftab Poonawala: আট ঘণ্টা ধরে চলল পলিগ্রাফ টেস্ট, কী কী জিজ্ঞেস করা হল আফতাবকে?

    Aftab Poonawala: আট ঘণ্টা ধরে চলল পলিগ্রাফ টেস্ট, কী কী জিজ্ঞেস করা হল আফতাবকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্ত প্রেমিক আফতাব আমিন পুনাওয়ালার (Aftab Poonawala) নার্কো ও পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি চেয়েছিল দিল্লি পুলিশ। আদালতের নির্দেশে ইতিমধ্যেই আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্ট শুরু হয়েছে। গতকাল দিল্লির রোহিণীর ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি (এফএসএল)-এ প্রায় আট ঘণ্টা ধরে তার পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয়। এই টেস্ট চলাকালীন তাকে প্রায় ৪০টি প্রশ্ন করা হয়। শুক্রবার তাকে আবারও ডাকা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

    বুধবারই তার (Aftab Poonawala) পলিগ্রাফ টেস্ট করার কথা ছিল, কিন্তু সূত্রের খবর অনুযায়ী, আফতাব জ্বরে ভুগছে। আর সেই কারণে বুধবার তার পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা যায়নি। বৃহস্পতিবারের পলিগ্রাফ পরীক্ষার সময় সে সহযোগিতা করলেও অতিরিক্ত হাঁচির কারণে কিছু রেকর্ডিং পরিস্কার হয়নি। তাই আজও তাকে আবার পরীক্ষার জন্য ডাকা হতে পারে। এফএসএল সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই আফতাবের পলিগ্রাফ পরীক্ষার রিপোর্ট জানা যাবে। প্রসঙ্গত, পলিগ্রাফ টেস্টের অপর নাম ‘লাই ডিটেক্টর’ টেস্ট অর্থাৎ অভিযুক্ত মিথ্যা বলছেন কি না, তা যাচাইয়ের পরীক্ষা।

    আরও পড়ুন: শ্রদ্ধা খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রের সন্ধান মিলল! আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্টের পরই তদন্তে নয়া দিক

    পলিগ্রাফ টেস্টে কী কী জিজ্ঞেস করা হল?

    বৃহস্পতিবার এই পলিগ্রাফ টেস্ট শুরু হয় সকাল ১১টা ৫০ মিনিট থেকে এবং তার রক্তচাপ মাপা সহ বেশ কিছু প্রাথমিক পরীক্ষা করা হয়। জানা গিয়েছে যে, আফতাবকে (Aftab Poonawala) প্রশ্নগুলো হিন্দিতে করা হলেও সে ইংলিশে উত্তর দেয়।

    ১) পলিগ্রাফ টেস্টের সময়, আফতাবকে তার শৈশব, তার বন্ধুবান্ধব ও লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধা ওয়ালকরের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হয়।

    ২) শ্রদ্ধার সঙ্গে আফতাবের সম্পর্ক ঠিক কেমন ছিল, দিল্লি বা মুম্বইয়ের ফ্ল্যাটে কীভাবে তাঁদের দিন কাটত, এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়।

    ৩) এরপর শ্রদ্ধাকে খুন করার ব্যাপারে বিশদে জিজ্ঞেস করা হয়। জিজ্ঞেস করা হয়, কী কারণে সে শ্রদ্ধাকে খুন করল, কখন সে এই অপরাধ ঘটালো, খুনের পর কীভাবে সে প্রমাণ লোপাট করল ইত্যাদি।

    ৪) শ্রদ্ধার সঙ্গে ডেটিং শুরু হওয়ার পর কী কী হয়েছিল এবং কেন সে শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করার পর ফেলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তাও জিজ্ঞসা করা হয়।

    ৫) আফতাবের কাছে পলিগ্রাফ পরীক্ষায় জানতে চাওয়া হয়েছে, তিনি শ্রদ্ধার মোবাইল ফোনটি কোথায় ফেলেছে। সূত্রের খবর, তার উত্তর অনুযায়ী ফোনটির খোঁজ শুরু হয়েছে।

    ৬) শ্রদ্ধার দেহকে একাধিক অংশে কেটে ফেলার জন্য যে ধরণের অস্ত্র ব্যবহার করেছিল আফতাব সে সম্পর্কেও তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল।

    শ্রদ্ধা ও আফতাবের বন্ধুদের বয়ান রেকর্ড

    ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশ শ্রদ্ধা ও আফতাবের (Aftab Poonawala) বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ও তাঁদের বয়ান ১৬৪ ধারার অন্তর্গত রেকর্ড করেছে। উভয়ের বন্ধুরাই বলেছে যে শ্রদ্ধাকে আফতাব মারধর করত এবং তাঁকে প্রাণে মারার হুমকিও দিয়েছিল। পুলিশ শ্রদ্ধা ও আফতাবের বন্ধু, যিনি বেঙ্গালুরুতে থাকেন, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে। আবার শ্রদ্ধার এক বন্ধু রজত শুক্লা জানিয়েছেন, আফতাব সিগারেট দিয়েও শ্রদ্ধার গায়ে ছেঁকা দিত। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে এইসব তথ্যই পাওয়া গিয়েছে তাদের বন্ধুদের থেকে।

    উল্লেখ্য, এরই মধ্যে তদন্তে নেমে দিল্লি পুলিশ আফতাবের (Aftab Poonawala) ফ্ল্যাট থেকে পাঁচটি ছুরি উদ্ধার করে, যা ফরেন্সিকে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ মনে করছে এই ছুরিগুলি দিয়েই আফতাব শ্রদ্ধার দেহ টুকরো টুকরো করে। আবার পুলিশ শ্রদ্ধার চোয়ালে কিছু চুলের দাগ দেখতে পেয়েছে, যেটাকে ডিএনএ টেস্টে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বলছে, সম্ভবত আগামী সপ্তাহে আফতাবের নার্কো টেস্টও করা হবে।

  • Unemployment Percentage: দেশে ফের একপ্রস্ত কমল বেকারত্বের হার, কত হল জানেন?

    Unemployment Percentage: দেশে ফের একপ্রস্ত কমল বেকারত্বের হার, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একপ্রস্ত কমল দেশে বেকারত্বের হার (Unemployment Percentage)। চলতি বছরে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর (September) এই ত্রৈমাসিকে বেকারত্বের হার ৯.৮ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৭.২ শতাংশ। এক বছর আগে এই সময় দেশে বেকারত্বের হার ছিল ৯.৮ শতাংশ। আরও জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন এই ত্রৈমাসিকে শহরাঞ্চলে (Urban) ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ছেলেমেয়েদের মধ্যে বেকারত্বের হার ছিল ৭.৬ শতাংশ। ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিস (NSO) সূত্রেই এ খবর মিলেছে।

    কোভিড অতিমারি পরিস্থিতিতে…

    কোভিড অতিমারি পরিস্থিতিতে গোটা বিশ্বেই বেড়ে গিয়েছিল বেকারত্বের হার (Unemployment Percentage)। ভারতেও ছবিটা ছিল প্রায় একই রকম। তার পর গোটা বিশ্ব ঘুরে দাঁড়াতে না পারলেও, ভারত পেরেছে। দেশে বেকারত্বের লেখচিত্র হু হু করে নেমেছে। সম্প্রতি দেশে শ্রমশক্তির একটি সমীক্ষা করা হয়। পিরিয়ডিক লেবার ফোর্সের সার্ভে থেকেই জানা যাচ্ছে, দেশে বেকারত্বের হার ক্রমেই পড়তির দিকে।

    ওই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, কেবল মহিলাদের মধ্যেই নয়, পুরুষদের মধ্যেও কমেছে বেকারত্বের হার (Unemployment Percentage)। এক বছর আগে এই হার ছিল ৯.৩ শতাংশ। চলতি বছর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর এই ত্রৈমাসিকে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬.৬ শতাংশে। অথচ চলতি বছর জুন-জুলাই মাসেও এই হার ছিল ৭.১ শতাংশ। আরও জানা গিয়েছে, পনের বছর কিংবা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে শ্রমশক্তির হারও বেড়েছে অনেকটাই। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর এই ত্রৈমাসিকে শ্রমশক্তির হার বেড়েছে ৪৭.৯ শতাংশ। এক বছর আগে এই হার ছিল ৪৬.৯ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: ‘ডিসেম্বর সিনড্রোম’! ভয় পেয়েই কি বিরোধী দলনেতাকে নিজের ঘরে ডাকলেন মুখ্যমন্ত্রী?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, গত দু দশক ধরে ভারতে বেকারত্বের হার (Unemployment Percentage) ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। যদিও করোনা অতিমারি পরিস্থিতিতে কয়েকটি ক্ষেত্রে এই হার কমে গিয়েছিল। এই ক্ষেত্রগুলি হল, ম্যানুফ্যাকচারিং, ইনফ্রাকস্ট্রাকচার, হসপিটালিটি, অটোমোবাইল এবং ইন্সুরেন্স। এই ক্ষেত্রগুলিতে কাজের ধারা অব্যাহত রাখতে খুবই কষ্ট করতে হয়েছে সংস্থাগুলিকে।

    অতিমারি পরিস্থিতিতে অনেকেই কাজ হারিয়েছিলেন। কর্মসংস্থানের হারও ছিল কম। বিশেষজ্ঞদের মতে, যাঁরা চুক্তির ভিত্তিতে নিযুক্ত হয়েছিলেন, তাঁদের সিংহভাগকেই নিদারুণ সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। তবে এখন যে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে, তার প্রমাণ ওই রিপোর্টেই বলেও অভিমত তাঁদের।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mandal: জামিনের আবেদনই করলেন না, আরও ১৪ দিন জেল হেফাজতেই কেষ্ট

    Anubrata Mandal: জামিনের আবেদনই করলেন না, আরও ১৪ দিন জেল হেফাজতেই কেষ্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার (Cattle smuggling case) মামলায় জেলেই অনুব্রত। এবারও জামিন পেলেন না বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। জেল হেফাজতের মেয়াদ ফুরনোয় তাঁকে শুক্রবার সকালে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে তোলা হয়। এদিন তৃণমূল নেতার জামিনের আবেদনই জানানো হয়নি। ফলে সিবিআইয়ের (CBI) আবেদনে মান্যতা দিয়ে ফের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি জেলে থাকবেন। ওইদিন ফের তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে।

    এখনই দিল্লি নয়

    চলতি সপ্তাহে অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যেতে পারছে না ইডি। দিল্লি হাইকোর্টে অনুব্রত-মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল। রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেন অনুব্রত। তাঁকে দিল্লি নিয়ে জেরা করতে নির্দেশ জারি করতে রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে আবেদন জানায় ইডি। সেই আবেদনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অনুব্রত। দিল্লি হাইকোর্টে মামলার শুনানি  হবে ১ ডিসেম্বর। তাই আপাতত দিল্লি যেতে হচ্ছে না অনুব্রতকে। অন্যদিকে শুক্রবার দিল্লিতে ইডি-র (ED) সদর দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হয়েছেন অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডল (Sukanya Mondal )। এই নিয়ে ততীয়বার হাজিরা দিলেন তিনি। আগামী ২৮ নভেম্বর রাইসমিল মালিক সঞ্জীব মজুমদারকেও তলব করেছে ইডি। 

    আরও পড়ুন: ভয় দেখিয়ে টিকিট হাতিয়ে নেন কেষ্ট! আসল লটারি বিজেতার দাবিতে তোলপাড়

    আদালতে কী হল

    এদিন অনুব্রতকে আদালতে তোলা হলে তাঁর আইনজীবীর জামিনের আবেদন না জানানো নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। পরে বাইরে বেরিয়ে আইনজীবীরা জানান, তাঁরা এবার জামিন চেয়ে উচ্চ আদালতে যাবেন, তাই আর এখানে জামিনের আর্জি জানাননি। এদিকে এজলাসে আজ কেস ডায়রি অনুব্রতর হাতে তুলে দেন সিবিআইয়ের আইনজীবী। তদন্ত কোন পর্যায়ে আছে তা নিয়ে সিবিআইয়ের আইনজীবীকে প্রশ্ন‌ও করেন বিচারক। তবে এদিন বিশেষ একটা স‌ওয়াল-জবাব হয়নি। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সিবিআই আধিকারিকরা বোলপুরে হানা দিয়ে মূলত অনুব্রত মণ্ডলের লটারিতে কোটি টাকার জেতার রহস্য ভেদ করতে উঠে পড়ে নামেন। আসল লটারির টিকিট যিনি জিতে ছিলেন অর্থাৎ সেই নুর আলির নানুরে বড় শিমুলিয়ার বাড়িতে হানা দেন। সেখান থেকে পাওয়া নথিতে সিবিআই আধিকারিকরা সন্তুষ্ট না হলে তাকে শান্তিনিকেতনের অস্থায়ী ক্যাম্পে ডেকে পাঠানো হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Mithun Chakraborty: বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ির বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারেন ‘মহাগুরু’, কী কী ছিল মেনুতে?

    Mithun Chakraborty: বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ির বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারেন ‘মহাগুরু’, কী কী ছিল মেনুতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর একেই পাখির চোখ করে প্রচারে নেমেছেন বিজেপি। বিজেপির তরফে প্রত্যন্ত এলাকায় জনসংযোগে নানা কর্মসূচি রয়েছে মিঠুন চক্রবর্তীর (Mithun Chakraborty)। গতকাল প্রচারে গিয়েছিলেন পুরুলিয়া। আর আজ বাঁকুড়া। আর তিনি প্রচারের দ্বিতীয় দিনেই পৌঁছে গিয়েছেন শালতোড়ার বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ির বাড়িতে। আর সেখানে গিয়েই মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। অন্যদিকে টিভির পর্দার সেই ডিস্কো ডান্সার, মহাগুরুকে খাওয়াতে পেরে আপ্লুত চন্দনা।

    শালতোড়ার বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ির বাড়িতে ‘মহাগুরু’

    বৃহস্পতিবার সকালে ১০.৪৫ নাগাদ বাঁকুড়ায় জেলা কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন মিঠুন (Mithun Chakraborty)। তারপর মণ্ডল কমিটির সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি। সেখান থেকে বেরিয়ে বেলা আড়াইটে নাগাদ গঙ্গাজলঘাঁটি ব্লকের কেলাই গ্রামে বিধায়ক চন্দনা বাউরির বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সেখানে তাঁর সঙ্গে গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার। তাঁরা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদেরকে ফুল, মালা, উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান গ্রামের মহিলারা।

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে ধাক্কা খেল স্কুল সার্ভিস কমিশন! এবার কি সুপ্রিম দুয়ারে যাবে রাজ্য সরকার?

    খাবারে কী কী ছিল?

    মহাগুরুর (Mithun Chakraborty) আতিথেয়তায় কোনও ত্রুটি রাখেননি চন্দনা। নিজের হাতে সকাল থেকে অনেক পদ রান্না করেন তিনি। তার পর সাংগঠনিক বৈঠকেও যোগ দিতে যান তিনি। এমনকি খেতে দেওয়ার জন্য চন্দনা নিজের হাতেই বানায় শালপাতা। দুপুরে ‘মহাগুরু’র পাতে চন্দনা সাজিয়ে দেন ভাত, মাছ, সঙ্গে পাঁচমেশালি তরকারি, ডাল ও নায়কের পছন্দের আলু পোস্ত। শেষপাতে ছিল চাটনি, মিষ্টি। খাওয়ার মাঝেই মিঠুন বলেন, ‘‘এ খাবারে মিশে রয়েছে ভালবাসা। এ খাবার এমনিই ভাল হয়ে যায়। এটাই আমার পছন্দের খাবার। চন্দনা নিজে হাতে শালপাতা তৈরি করে এনে তাতে আমায় খেতে দিয়েছে।”

    আপ্লুত চন্দনা বাউড়ি

    মিঠুন চক্রবর্তীকে (Mithun Chakraborty) নিজের হাতে রান্না করা খাবার খাওয়াতে পেরেছেন বলে অত্যন্ত আনন্দিত চন্দনা। বৃহস্পতিবার ভোর তিনটে থেকে রান্নার আয়োজন শুরু করেছিলেন তিনি। তিনি এদিন বলেন, “ছোটবেলায় টিভির পর্দায় মহাগুরুকে দেখেছিলাম। ভাবতে পারিনি তিনি কোনও দিন আমার বাড়িতে আসবেন বা আমার হাতের রান্না খাবেন। নিজে হাতে তাঁকে খাবার পরিবেশন করে আমি ধন্য।”

  • Agni 3: অগ্নি-৩ এর সফল উৎক্ষেপণ, শঙ্কায় চিন, পাকিস্তান!

    Agni 3: অগ্নি-৩ এর সফল উৎক্ষেপণ, শঙ্কায় চিন, পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নি ৩-র (Agni 3) সফল উৎক্ষেপণ করল ভারত। এটি মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। বুধবার ওড়িশার আবদুল কালাম দ্বীপ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় অগ্নি ৩ ক্ষেপণাস্ত্রটি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে খবরটি। পরীক্ষাটি রুটিন পরীক্ষা বলেও জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের তরফেও জানানো হয়েছে, এদিন ওড়িশা উপকূল থেকে মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এটি যাবতীয় মাপকাঠিও পেরিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফেও জানানো হয়েছে, স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ডের তত্ত্বাবধানে প্রস্তুতির অঙ্গ হিসেবে রুটিন উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত দূরত্বের ভিত্তিতে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। তারাও জানিয়েছে, পুরো প্রক্রিয়ায় যাবতীয় মাপকাঠি পূরণ করেছে অগ্নি ৩।

    অগ্নি প্রাইম…

    এর আগে অগ্নি প্রাইম (Agni Prime) নিউ জেনারেশন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রেরও সফল উৎক্ষেপণ করেছে ভারত। সেবারও উৎক্ষেপণ হয়েছিল ওড়িশা উপকূলের অদূরে। অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণের জেরে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এক লপ্তে অনেকখানি এগিয়ে গিয়েছিল ভারত। পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের সময় অগ্নি প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্রটি এর সর্বোচ্চ পাল্লা পর্যন্ত যায়। পরীক্ষার সমস্ত দিকগুলি সফলভাবে পাশও করে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এনিয়ে তৃতীয়বার সফল্যের গণ্ডী পার হল অগ্নি প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্র। নিখুঁত এবং বিশ্বাসযোগ্যভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র।

    অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণ হওয়ার পর এবার সাফল্য এল অগ্নি ক্ষেপণাস্ত্র সিরিজের তৃতীয় সংস্করণ অগ্নি ৩ (Agni 3) মিসাইলের ক্ষেত্রেও। ২০০৬ সালের ৯ জুলাই প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে সেই মিসাইল উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। সেবার অবশ্য মেলেনি কাঙ্খিত সাফল্য। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারেনি সেই ক্ষেপণাস্ত্র। মুখ থুবড়ে পড়ে গিয়েছিল সমুদ্রে গিয়ে। তার পর ফের পরীক্ষামূলকভাবে অগ্নি ৩ মিসাইলের উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। ২০০৭ সালে দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় পাশ করে ওই মিসাইল। তার পরের বছরই সফল হয়েছিল তৃতীয় পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণও।

    আরও পড়ুন: সফল উৎক্ষেপণ অগ্নি-৪ ক্ষেপণাস্ত্রের, আওতায় ভারতের প্রতিবেশীরা

    জানা গিয়েছে, অগ্নি ৩ (Agni 3) ক্ষেপণাস্ত্রটি ৩ হাজার ৫০০ কিমি দূরের কোনও লক্ষ্যবস্তুতেও নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে। পারমাণবিক অস্ত্র বহনেও সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র। অগ্নির এই সফল উৎক্ষেপণ চিন এবং পাকিস্তানকে চাপে রাখবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। কারণ ভারতের এই দুই প্রতিবেশী দেশও চলে আসছে এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লায়।

    প্রসঙ্গত, অগ্নি ১-৫ ক্ষেপণাস্ত্রগুলির নকশা এবং ডেভলপমেন্ট করেছে ডিআরডিও। নিয়োজিত করা হয়েছে দেশের সেবায়। প্রসঙ্গত, অগ্নি ক্ষেপণাস্ত্র সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ছোট ও মাঝারি পাল্লার। আঘাত হানতে পারে ৭০০ থেকে ৫ হাজার কিমি পর্যন্ত দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Pakistan Army Chief: পাকিস্তানের নয়া সেনাপ্রধান আসীম মুনির, কেন জানেন?

    Pakistan Army Chief: পাকিস্তানের নয়া সেনাপ্রধান আসীম মুনির, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার নয়া সেনাপ্রধানের (Pakistan Army Chief) নাম ঘোষণা করল পাকিস্তান (Pakistan)। নতুন সেনাপ্রধান হতে চলেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসীম মুনির (Asim Munir)। এই আসীম মুনির এক সময় পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর প্রধান ছিলেন। তিনি এখন জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ারের স্থলাভিষিক্ত হতে চলেছেন। চলতি মাসেই পাক সেনাপ্রধানের (Pakistan Army Chief) পদে অবসর নেবেন জাভেদ বাজওয়া। এই পদে তিনি ছিলেন ছ’বছর। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীই এ খবর জানিয়েছেন। নয়া সেনা জেনারেল পদে আসীম মুনিরের নিয়োগ প্রসঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাওয়াজা আসিফ বলেন, সেনাপ্রধান পদে আসীম মুনিরের নিয়োগ মেধার ভিত্তিতে। যা কিছু করা হয়েছে, তা আইন ও সংবিধান মেনেই। প্রসঙ্গত, এদিন সেনাপ্রধান পদে মুনিরের নাম ঘোষণা করেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাওয়াজা আসিফ-ই।

    কাদের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া হল মুনিরকে?

    প্রসঙ্গত, পাক সেনা হেডকোয়ার্টার্সের তরফে ছ’জনের একটি নামের তালিকা আগেই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের (Pakistan PM Shehbaz Sharif) অফিসে। যাঁদের নাম পাঠানো হয়েছিল, তাঁরা সবাই সিনিয়র-মোস্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল। সেনা হেডকোয়ার্টার্সের তরফে যাঁদের নাম পাঠানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য, তাঁরা হলেন কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসীম মুনির, কোর কমান্ডার রাওয়ালপিন্ডি লেফটেন্যান্ট জেনারেল শাহিদ সামসাদ মির্জা, চিফ অফ জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজাহার আব্বাস, প্রেসিডেন্ট ন্যাশনাল ডিফেন্স বিশ্ববিদ্যালয় লেফটেন্যান্ট জেনারেল নুমান মাহমুদ, কোর কমান্ডার বাহাওয়ালপুর লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফৈয়জ হামিদ এবং কোর কমান্ডার গুজরানওয়ালা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মহম্মদ আমের।

    আরও পড়ুন: ইতালির এই শহরে বসবাস করলেই পাবেন ২৫ লক্ষ টাকা, যাবেন নাকি?

    তালিকায় ছ’জনের নাম থাকলেও, সূত্রের খবর ছিল, সেনাপ্রধানের (Pakistan Army Chief) দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন তিনজন। এঁরা হলেন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজাহার আব্বাস, লেফটেন্যান্ট জেনারেল শাহিদ সামসাদ মির্জা এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসীম মুনির। মির্জা এবং আব্বাসকে ভারত সংক্রান্ত পুরনো ঘোড়া হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামা জঙ্গি হামলার সময় পাক গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সের প্রধান ছিলেন মুনির। এই মুনির সেই সময় পাকিস্তানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। কূটনৈতিক মহলের মতে, ভারতকে চাপে রাখতে সেই মুনিরের নামেই সিলমোহর দিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Calcutta High Court: ডিএ-র দাবিতে আন্দোলনকারীদের গ্রেফতারি দুর্ভাগ্যজনক, বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Calcutta High Court: ডিএ-র দাবিতে আন্দোলনকারীদের গ্রেফতারি দুর্ভাগ্যজনক, বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) তোপের মুখে রাজ্য সরকার। এবারও তোপ দাগলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhya)। ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে গ্রেফতারির ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। হাইকোর্টের ওই কর্মীকে গ্রেফতারির পরেও ছাড়া হয়নি। প্রসঙ্গত, এসএসসি মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলা চলাকালীনই স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই মন্তব্য করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    ডিএর দাবিতে…

    বকেয়া ডিএর দাবিতে বুধবার লেনিন মূর্তির পাদদেশ থেকে বিধানসভা পর্যন্ত অভিযানের ডাক দিয়েছিল সরকারি কর্মীদের তিরিশটি সংগঠন। তিরিশটি সংগঠনের যৌথমঞ্চের বিধানসভা অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমারকাণ্ড বাঁধে। পূর্ব কর্মসূচি অনুযায়ী মিছিল ডোরিনা ক্রসিং হয়ে রানি রাসমণি রোডে আন্দোলনকারীদের মিছিল পৌঁছতেই পথ আটকায় পুলিশ। ডিএর দাবিতে আন্দোলনকারীদের রুখতে তৈরি করা হয় ত্রিস্তরীয় ব্যারিকেড। এর মধ্যে দুটি ভেঙে এগিয়ে যান আন্দোলনকারীরা। ধর্মতলা থেকে মিছিল বিধানসভার দিকে এগোতেই রুখে দেয় পুলিশ। বকেয়া ডিএ চাওয়ায় পুলিশ কয়েকজনকে ঘুষিও মারে বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত হন কয়েকজন। টেনে হিঁচড়ে চ্যাংদোলা করে আন্দোলনকারীদের তোলা হয় গাড়িতে। পুলিশের ধাক্কাধাক্কি থেকে রেহাই পাননি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীরাও। এঁদের মধ্যে অনেকের দাবি, ডিএ বকেয়া থাকায় তাঁরা পেনশনে অনেক টাকা কম পাচ্ছেন। ওই ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়।

    আরও পড়ুন: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে হস্তক্ষেপ অনভিপ্রেত, সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র

    কেবল একবার নয়, নানা সময়ে হাইকোর্ট জানিয়েছে যে ডিএ হল সরকারি কর্মীদের আইনি অধিকার। এটি প্রাপ্য। ডিএ দিতেই হবে। তা নিয়ে মামলা চলছে দীর্ঘদিন ধরে। রাজ্যের করা পুনর্বিবেচনার আর্জি ইতিমধ্যেই খারিজ করে দিয়েছে আদালত। হাইকোর্ট যখন নির্দেশ দিচ্ছে সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা দিতে হবে, তখন সেই কথা কার্যত শুনছে না রাজ্য সরকার। এর পর গতকাল একে একে গ্রেফতার করা হয় আন্দোলনকারীদের। আইনজীবী মহলের একাংশের মতে, সেই কারণেই এদিন এহেন মন্তব্য করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    এদিকে, ডিএ নিয়ে এখনও অবস্থান বদলায়নি রাজ্য সরকার। কলকাতা হাইকোর্ট তিন মাসের বকেয়া ডিএ মেটানোর যে নির্দেশ দিয়েছে, তা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে রাজ্য সরকার। সেই মামলার শুনানি এখনও শুরু হয়নি। দেশের শীর্ষ আদালত কী রায় দেয়, আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে ডিএর দাবিদাররা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Dhulagarh: ‘হিজাব বিতর্কে’ ভাঙচুর ধূলাগড়ের স্কুলে, বন্ধ হয়ে গেল পরীক্ষা  

    Dhulagarh: ‘হিজাব বিতর্কে’ ভাঙচুর ধূলাগড়ের স্কুলে, বন্ধ হয়ে গেল পরীক্ষা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার হিজাব বির্তক (Hijab Controversy) হাওড়ার (Howrah) স্কুলে। মঙ্গলবার ঘটনার জেরে পরীক্ষা বাতিল করতে হয় হাওড়ার সাঁকরাইলের ধূলাগড়ি আদর্শ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে। হিজাব বিতর্কে অশান্ত হয়েছিল কর্নাটক (Karnataka)। এবার সেই একই বিতর্ক দেখা গেল এ রাজ্যেও।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    ঘটনার সূত্রপাত সোমবার। প্রতিদিনের মতো এদিনও সাঁকরাইলের ধূলাগড়ের (Dhulagarh) ওই স্কুলে দশম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীরা হিজাব পরে স্কুলে আসে। হিজাব পরে স্কুলে প্রবেশ করা যাবে না বলে আপত্তি তোলে দ্বাদশ শ্রেণির একদল ছাত্র। তাদের দাবি, যদি হিজাব পরে স্কুলে আসা যায়, তাহলে তারাও নামাবলী গায়ে দিয়ে স্কুলে আসবে। নামাবলী গায়ে দিয়ে স্কুলে এলে তাদের প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে। সেই মতো মঙ্গলবার দ্বাদশ শ্রেণির পাঁচ ছাত্র নামাবলী গায়ে দিয়ে স্কুলে আসে। এবার প্রতিবাদ জানায় ওই স্কুলের দশম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির হিজাব পরা ছাত্রীরা।

    কেবল ওই ছাত্রীরাই নয়, নামাবলী গায়ে দিয়ে আসা পড়ুয়াদের নামাবলী খুলতে বলেন ধূলাগড়ের (Dhulagarh) ওই  স্কুল কর্তৃপক্ষও। স্কুলে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা চলছে। পরীক্ষা শেষে বৈঠকে বসে ম্যানেজিং কমিটি। সেখানেও সিদ্ধান্ত হয়, ইউনিফর্ম পরেই স্কুলে আসতে হবে ছাত্রছাত্রীদের। অন্য কোনও ধর্মীয় পোশাক পরে স্কুলে আসতে বারণ করা হয় পড়ুয়াদের। তার পরেও মঙ্গলবার থেকে তিন চারজন পড়ুয়া নামাবলী গায়ে দিয়ে স্কুলে আসে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি শুরু হয় পড়ুয়াদের মধ্যে। উত্তেজিত কয়েকজন ছাত্রছাত্রী স্কুলের চেয়ার টেবিল উল্টে দেয়। স্কুলের মধ্যে ভাঙচুরও চালায় তারা।

    আরও পড়ুন: হিজাব-আইনের বিরোধিতা, জ্বলছে ইরান! পুলিশের গুলিতে নিহত অন্তত ৫০জন প্রতিবাদী

    ধূলাগড়ের (Dhulagarh) ওই স্কুলের টিটার ইনচার্জ অরিন্দম মান্না বলেন, স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির বৈঠক হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কোনও ধর্মীয় পোশাক পরে স্কুলে আসতে পারবে না পড়ুয়ারা। কিন্তু কয়েকজন ছাত্র গায়ে নামাবলী জড়িয়ে এলে ঝামেলা শুরু হয়। প্রশাসনের নির্দেশে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে দু পক্ষের অভিভাবকদের ডাকা হবে এবং ফের ম্যানেজিং কমিটির বৈঠক ডাকা হবে। কর্নাটকে হিজাব বিতর্কের রেশ এখনও মেলায়নি। হাইকোর্ট হয়ে মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। হাইকোর্ট পরে জানিয়ে দেয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব পরা মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • FIFA World Cup: শেষ ম্যাচে জয় চাই! স্পেনের সঙ্গে ড্র করে নকআউটের আশা জিইয়ে রাখল জার্মানি

    FIFA World Cup: শেষ ম্যাচে জয় চাই! স্পেনের সঙ্গে ড্র করে নকআউটের আশা জিইয়ে রাখল জার্মানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্পেনের বিপক্ষে শেষ ১৫ মিনিটে লড়াকু ফুটবল খেলে ম্যাচ অমীমাংসিত রাখল জার্মানি। বাঁচিয়ে রাখল নকআউটে যাওয়ার আশা। গ্রুপের শেষ ম্যাচে কোস্টারিকাকে হারাতে হবে তাদের। তবে তাহলেও নিশ্চিত হবে না নক আউট পর্যায়। স্পেনকে জিততেই হবে জাপানের বিপক্ষে। 

    জমজমাট গ্রুপ ‘ই’

    একদিকে জার্মানি অন্যদিকে স্পেন। কাতার বিশ্বকাপের অষ্টম দিনে হাই ভোল্টেজ ম্যাচ।  ধারে-ভারে একে অপরকে পাল্লা দেয় বিশ্ব ফুটবলের শক্তিশালী দুই টিম। তবে ফুটবল বিশ্বযুদ্ধে শুরুটা ভাল হয়েছে স্পেনের। কোস্টারিকাকে ৭-০ গোলে হারায় তারা। অন্যদিকে জার্মানি প্রথম ম্যাচে জাপানের কাছে হেরে যায়। এদিন ৪-১-২-৩ ফর্মেশনে দল নামিয়েছিল স্পেন। অন্যদিকে ৪-২-৩-১ দল নামিয়েছিল জার্মানি। প্রথমার্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই স্পেনের দাপট ছিল বেশি। তবে ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ১-১ ড্র হয়ে যায়। আর এই ম্যাচ ড্র হওয়ার ফলে  জার্মানি নকআউটে যাওয়ার আশা জিইয়ে রাখল। আর স্পেনের অপেক্ষা একটু দীর্ঘ হল। এ ছাড়াও এই ‘ই’ গ্রুপের অন্য ম্যাচে এদিন কোস্টারিকা জাপানকে হারিয়ে দেওয়ায় এই গ্রুপের লড়াই এখন জমে গিয়েছে। এখন গ্রুপের যা পরিস্থিতি, তাতে চারটি দলই নকআউটের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। তবে সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে স্পেন। জাপানের বিপক্ষে ড্র করলেই তাঁরা পরবর্তী পর্যায়ে চলে যাবে। তবে জার্মানিকে হারাতে হবে কোস্টারিকাকে। বড় গোলের ব্যবধানে জয় চাই তাঁদের।

    আরও পড়ুন: জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস জাপানের, আজ রাতেই ব্রাজিল-সার্বিয়া

    গ্রুপ ‘এফ’ -এর লড়াই

    গ্রুপ ‘এফ’-এর লড়াইও জমজমাট। এ দিন বেলজিয়ামকে হারিয়ে চমকে দিয়েছে মরক্কো। আবার ক্রোয়েশিয়া দুরন্ত ছন্দে কানাডাকে হারিয়ে দিয়ে গ্রুপ টেবলের শীর্ষে উঠে এসেছে। ছিটকে গিয়েছে কানাডা। তবে এই গ্রুপের প্রথম তিন দলেরই অর্থাৎ-ক্রোয়েশিয়া,মরক্কো এবং বেলজিয়ামের নকআউট ওঠার সুযোগ রয়েছে।

    গতকালের ম্যাচের ফলাফল:

    মরক্কো ২ : বেলজিয়াম ০  

    কোস্টারিকা ১ : জাপান ০

    স্পেন ১ : জার্মানি ১

    ক্রোয়েশিয়া ৪: কানাডা ১

    আজকের ম্যাচ:

    সার্বিয়া-ক্যামেরুন (দুপুর সাড়ে ৩টে)

    দক্ষিণ কোরিয়া-ঘানা (সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা)

    ব্রাজিল-সুইৎজারল্যান্ড (রাত সাড়ে ৯টা)

    পর্তুগাল-উরুগুয়ে (রাত সাড়ে ১২টা)

LinkedIn
Share