Blog

  • Jammu and Kashmir: বড়সড় সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর! কাশ্মীরে এনকাউন্টারে খতম ৪ জঙ্গি

    Jammu and Kashmir: বড়সড় সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর! কাশ্মীরে এনকাউন্টারে খতম ৪ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের শেষেও উত্তপ্ত ভূস্বর্গ। জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) ফের সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াই। বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক বানচাল করল নিরাপত্তা বাহিনী। নিকেশ করা হয়েছে চার জঙ্গি। পুলিশ সূত্রে খবর, এক সন্দেহজনক ট্রাককে অনুসরণ করার পরই সন্ত্রাসবাদীরা গুলি চালাতে শুরু করে। এরপরে জওয়ানরাও তাদের উদ্দেশ্য করে গুলি করে। এরপরে এই এনকাউন্টারে সন্ত্রাসবাদীদের মৃত্যু হয়েছে। খতম হয় ৪ জঙ্গি। জম্মুর পাঞ্জতীর্থী-সিধরা সড়কে আজ সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের সংঘর্ষ শুরু হয়, সূত্রের খবর।

    জঙ্গি নিকেশ

    পুলিশ সূত্রে খবর, জম্মুর সিধরা এলাকায় হাইওয়ের ওপর এক ট্রাককে দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। এর পর সেই ট্রাককে আটক করলে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে জঙ্গিরা। জম্মুর এডিজিপি মুকেশ সিং বলেন, “ওই এলাকায় একটি ট্রাকের সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করা যায়। চেক পোস্টের কাছে ট্রাকটিকে থামায় পুলিশ। সেই সময় লুকিয়ে থাকা জঙ্গিরা নিরাপত্তারক্ষীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা গুলিতে খতম চার জঙ্গিই। কিন্তু, পালিয়ে যায় ওই ট্রাক চালক। তার খোঁজে তল্লাশি চলছে।”  এদিকে মুকেশ সিংয়ের তরফে আরও জানানো হয়, সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে ট্রাকে আগুন লেগে যায়। আগুন নেভানোর জন্য দমকল বাহিনী এসে পৌঁছায় ঘটনাস্থলে। জ্বলন্ত ট্রাক থেকে প্রচুর পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলা-বারুদ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা যায়। এডিজিপি জানান, “৭টি একে রাইফেল, একটি এম৪ কার্বাইন, তিনটি পিস্তল ও অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া গেছে।”

    কড়া নজরদারি এলাকায়

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, আজকের এই ঘটনার পরেই সিধরা এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং পুরো এলাকা ঘেরাও করা হয়েছে। হাইওয়ে দিয়ে যান চলাচলও থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ট্রাক চালককে খুঁজতে চিরুনি তল্লাশি করা হচ্ছে (Jammu and Kashmir)।

    জঙ্গিদের প্রধান উদ্দেশ্য

    সূ্ত্রের খবর অনুযায়ী, অনুমান করা হয়েছে, নববর্ষ উপলক্ষে বড় ধরণের ঘটনা ঘটানো এসব সন্ত্রাসীদের উদ্দেশ্য ছিল। এ ধরণের আরও সন্ত্রাসী হামলার সম্ভাবনা রয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, এটি একটি নতুন অনুপ্রবেশকারী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যা জম্মু থেকে কাশ্মীর উপত্যকায় ভ্রমণ করছিল। এটাও জানা গেছে যে, নতুন বছরের আগে দলটি বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করছিল। ফলে আজকের এই ঘটনায় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এক বড় সাফল্য পেয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী (Jammu and Kashmir)।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘শীত যেমন দেরিতে পড়ছে তেমনি কেষ্ট দেরিতে হলেও তিহার যাবে’’! কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘শীত যেমন দেরিতে পড়ছে তেমনি কেষ্ট দেরিতে হলেও তিহার যাবে’’! কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের গড় থেকেই তাঁকে আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত ও তাঁর দলকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন,”বীরভূমে আজ এতটা রাস্তা এলাম কোথাও তো ঢাকের আওয়াজ শুনলাম না। উন্নয়নও দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলাম না কেউ গুড়-বাতাসাও দিল না। একবছর আগেও ভাবতে পেরেছিলেন এটা? মিটিং মিছিল করতে দিত না। গাঁজা কেসে জেলে ঢোকাত। আজ দেখুন সেই অনুব্রতর হাল। কেমন লাগছে অনুব্রত বাবু?”

    কী বললেন অনুব্রত

    ডিসেম্বর প্রসঙ্গ টেনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, ”আজ ২৭ ডিসেম্বর। ভরসা রাখুন। শীত যেমন একটু দেরিতে পড়ছে তেমনি এই ডাকাতটাও একটু পরে জেলে যাবে। আগে যাবে চড়াম চড়াম অনুব্রত।”তৃণমূলকে ঠোকা দিয়ে তিনি বলেন, ”যদি কেষ্ট মণ্ডলের নিরাপত্তারক্ষী, সামান্য ৩০-৩৫ হাজার টাকা মাইনে পাওয়া লোকের ১৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি হয়, তাহলে ভাবুন মালিকের কত টাকা? মাছ বিক্রেতা তিহারে যাচ্ছে। তাঁর ভাই ভাইপো আরও অনেকে যাবে পিছনে। আপনারা ব্লিচিং দিয়ে এলাকায় এলাকায় গ্রামে গ্রামে ছোট চোর সাফাই করুন। আমরা বড় চোরদের তিহারে পাঠাব।”

    অনুব্রতর গড়ের হানা দিয়ে শাসক তৃণমূল থেকে বীরভূমের  বেতাজ বাদশার বিরুদ্ধে লাগাতার আক্রমণ শানান শুভেন্দু। শুভেন্দুর দাবি, অনুব্রত ব্রিগেডের হাতে নষ্ট হচ্ছে বীরভূমের ভাবমূর্তি। নলহাটির সভায় ঐতিহ্যবাহী বীরভূমের কথাও বলেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি,“আমরা আগে বীরভূমকে বলতাম তারাপীঠ খ্যাত বীরভূম, শান্তিনিকেতন খ্যাত বীরভূম, কবিগুরুর বীরভূম, ভারতের প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জন্মস্থান বীরভূম। আর আজকে সেই বীরভূমে জঙ্গলের রাজত্ব দেখা যাচ্ছে। যার নেপথ্যে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস।”

    আরও পড়ুন: অনুব্রত-গড়ে ভাঙন! তৃণমূল ছেড়ে শুভেন্দুর সভায় বিজেপিতে যোগ কেষ্টর ডেপুটির

    পুলিশকে তোপ

    এদিন নলহাটির সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, আসানসোল জেলে বসে অনুব্রত মণ্ডল ফোন করেছেন। যার প্রমাণ পেয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। সেই খবর তাঁরাও জানতে পেরেছেন বলেও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। একইসঙ্গে পুলিশকে একহাত নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “পুলিশের কী নগ্ন চেহারা! এবার কোথায় যাবেন পুলিশবাবারা? কোর্ট তো চেপে ধরেছে। পুরনো এফআইআরকে হাতিয়ার করে অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ। এই মমতাই এই জেলাতেই ১০টা প্রশাসনিক সভাতে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জেলাশাসক, এসপিকে, মুখ্যসচিবকে, ডিজিপিকে নির্দেশ দিয়ে বলেছেন কেষ্ট যা বলবে তাই করতে হবে। আর এখন কেষ্টকে এখানে রাখতে চাইছে।” এখানেই না থেমে অনুব্রতর তিহাড় যাত্রা নিয়ে কটাক্ষবাণ শানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “এখানে থেকে কচি পাঁঠার ঝোল, অষ্টমীর দিন লুচি আর ছোলার ডাল খাচ্ছে। কিন্তু, তিহাড়ে গেলে এসব জিনিস পাবে না। আর তখন বলবে ১০০ টাকার মধ্যে ৭৫ টাকা আমি কলকাতায় পাঠিয়েছি আর ২৫ চাকা রেখেছি নিজের কাছে। তাই কেষ্টকে দিল্লিতে যেতে দেওয়া হবে না।”

  • Nasal Vaccine: বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর নেজাল ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে না, জানালেন কোভিড টাস্ক ফোর্স প্রধান

    Nasal Vaccine: বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর নেজাল ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে না, জানালেন কোভিড টাস্ক ফোর্স প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন করে করোনা মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। বিশ্বের একাধিক দেশে বাড়ছে কোভিড। এই পরিস্থিতিতে দেশে বুস্টার ডোজ (Booster Dose) নেওয়ার উপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতিমধ্যেই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ভারত বায়োটেকের নেজাল ভ্যাকসিন (Nasal Vaccine) iNCOVACC-কে। নতুন করে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা দেখা দিতেই কোভিড চিকিৎসার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে নেজাল ভ্যাকসিনকে। জানানো হয়েছে, করোনার দুটি টিকা ও বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর এই নেজাল ভ্যাকসিন নেওয়ার আর দরকার নেই। যারা শুধুমাত্র দু’টি টিকা নিয়েছেন, সেই সমস্ত প্রাপ্তবয়স্করাই এটিকে বুস্টার ডোজ হিসেবে নিতে পারেন।

    কারা নিতে পারবেন নেজাল ভ্যাকসিন?

    গত শুক্রবার ভারত বায়োটেকের ইন্ট্রানাসাল কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র। এরপর কোউইন অ্যাপে তা যুক্ত করা হয়। এর দামও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তবে কারা এই ভ্যাকসিন নিতে পারবেন তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে দেশবাসীর। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য জানান, বুস্টার ডোজ হিসেবে এই টিকা (Nasal Vaccine) নেওয়া যাবে। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স যাঁদের, আর যাঁরা আগের দু’টি টিকা কোভ্যাকসিন (Covaxin) বা কোভিশিল্ড (Covishield) নিয়েছেন, তাঁরাই বুস্টার ডোজ হিসেবে এটি নিতে পারবেন। আবার ভ্যাকসিন টাস্ক ফোর্সের প্রধান জানিয়েছেন, যাদের বুস্টার ডোজও নেওয়া হয়ে গিয়েছে, তাঁরা এই নেজাল ভ্যাকসিন নিতে পারবেন না।

    আরও পড়ুন: এখন থেকে বুস্টার ডোজ হিসেবে নিতে পারবেন নেজাল ভ্যাকসিন, দাম কত জানেন?

    বুস্টার ডোজের পর কেন নেওয়া যাবে না নেজাল ভ্যাকসিন?

    কোভিড ওয়ার্কিং গ্রুপের চেয়ারম্যান ডাঃ এনকে অরোরা বলেছেন, “নাকের মাধ্যমে টিকা, এটিকে প্রথম বুস্টার হিসাবে সুপারিশ করা হয়েছে। যদি কোনও ব্যক্তি আগেই বুস্টার ডোজ নিয়ে থাকেন, তবে এটি সেই ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করা হয় না। এটি তাদের জন্য, যাঁরা এখনও সতর্কতামূলক ডোজ বা বুস্টার ডোজ নেননি।” তিনি জানিয়েছেন, যদি কেউ চতুর্থ ডোজ নিতে চায়, তবে এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আর এটিকে ‘অ্যান্টিজেন সিঙ্ক’ বলা হয়। যদি একজন ব্যক্তিকে বারবার একটি নির্দিষ্ট ধরণের অ্যান্টিজেন দিয়ে টিকা দেওয়া হয়, তবে শরীর রেসপন্ড করা বন্ধ করে দেয়, বা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আর এর জন্যই ভ্যাকসিন ছয় মাসের ব্যবধানে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে, যদিও মানুষ তিন মাসের ব্যবধানে নিয়েছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে এটি খুব বেশি সাহায্য করেনি। তাই এই মুহূর্তে চতুর্থ ডোজ নেওয়ার কোনও কারণ নেই।

    কীভাবে কাজ করবে এই নেজাল ভ্যাকসিন?

    ডাঃ অরোরা জানিয়েছেন, এই ভ্যাকসিন (Nasal Vaccine) প্রতিটি নাসারন্ধ্রে চার ফোঁটা, মোট ০.৫ মিলি ড্রপ দিতে হবে। এটি প্রথমে নাক এবং মুখের মাধ্যমে ভাইরাসের প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করবে। এছাড়াও কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াই করার পাশাপাশি সমস্ত শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাস এবং সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে খুব কার্যকর হতে চলেছে। কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় কিনা তার জন্য এই ভ্যাকসিন নেওয়ার পর ১৫ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে।

    ডাঃ অরোরাকে জিজ্ঞেস করা হয়, এই নেজাল ভ্যাকসিন বুস্টার ডোজ হিসেবে নেওয়ার পর আর কোনও বুস্টার ডোজ পরবর্তীতে নিতে হবে কি না। তখন তিনি জানান, এই মুহুর্তে এমন কোনও প্রমাণ নেই যে পরবর্তীতে আরও ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হবে কিনা।

  • Stridhan: স্ত্রীকে স্ত্রীধন থেকে বঞ্চিত করা গার্হস্থ্য হিংসার সামিল! অভিমত হাইকোর্টের

    Stridhan: স্ত্রীকে স্ত্রীধন থেকে বঞ্চিত করা গার্হস্থ্য হিংসার সামিল! অভিমত হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  স্ত্রীকে স্ত্রীধন অথবা অন্য কোনও অর্থনৈতিক সম্পদ থেকে বঞ্চিত করাকেও গার্হস্থ্য হিংসা হিসাবেই ধরা হবে, বলে জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। স্বেচ্ছায় মেয়ের বাড়ির লোকেরা বিয়ের সময় তাঁকে যে উপহার দিয়ে থাকেন তাই হল স্ত্রীধন। অনেক সময় বিয়ের পরে বউয়ের কাছ থেকে সেই সম্পদ কেড়ে নেওয়া হয়। এবার থেকে এই ধরনের ঘটনাকেও গার্হস্থ্য হিংসা বলেই ধরা হবে। একটি মামলার প্রেক্ষিতে একথা জানান হাইকোর্টের একক বেঞ্চের বিচারপতি শুভেন্দু সামন্ত।

    কী বলল আদালত

    বিচারপতি শুভেন্দু সামন্ত বলেন, ‘‘কোনও আর্থিক বা অর্থনৈতিক সম্পদ থেকে মামলাকারীকে বঞ্চিত করা গার্হস্থ্য হিংসা হিসাবেই বিবেচিত হবে। এ ক্ষেত্রে এটা সত্য যে আবেদনকারীকে তাঁর স্ত্রীধন থেকে দীর্ঘদিন বঞ্চিত করে রাখা হয়েছিল। যা অপর পক্ষের হেফাজতে ছিল। এই বাস্তব পরিস্থিতিতে স্ত্রীধন নিজেদের কাছে আটকে রাখাও গার্হস্থ্য হিংসার আওতায় পড়ে।’’ পাশাপাশি, এই মামলায় হাওড়ার এক নিম্ন আদালতের রায়ও খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি সামন্ত। সেই রায়ে হাওড়ার নিম্ন আদালত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের রায় খারিজ করে জানিয়ে দিয়েছিল, বিধবাকে শ্বশুর ও শাশুড়ির তরফে কোনও ধরনের আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন নেই।

    আরও পড়ুন: শিবঠাকুর মণ্ডল মামলায় জামিন অনুব্রতের! এবার ইডির হাত ধরে দিল্লি যাত্রা?

    প্রসঙ্গত, হাওড়া আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই হাইকোর্টে আসেন ওই মহিলা। ২০১০ সালে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হয়। স্বামীর মৃত্যুর দু’দিন পরে কোনও আর্থিক সহায়তা ছাড়াই তাঁকে স্বামীর বাড়ি থেকে বার করে দেওয়া হয়। ফিরে পাননি স্ত্রীধনও। এই প্রেক্ষিতে তিনি মামলা করেন আদালতে। নিম্ন আদালত হয়ে সেই মামলা হাইকোর্টে পৌঁছোয়। হাইকোর্টে সুবিচার পেলেন ওই মহিলা, এমনই অভিমত সমাজকর্মীদের। বহু মহিলাকেই এভাবে স্ত্রীধন থেকে বঞ্চিত করা হয়। এবার থেকে তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হতে পারবেন সুবিচারের আশায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Anubrata Mondal: শিবঠাকুর মণ্ডল মামলায় জামিন অনুব্রতর! এবার কি ইডির হাত ধরে দিল্লি যাত্রা?

    Anubrata Mondal: শিবঠাকুর মণ্ডল মামলায় জামিন অনুব্রতর! এবার কি ইডির হাত ধরে দিল্লি যাত্রা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিবঠাকুর মণ্ডলকে খুনের চেষ্টার মামলায় জামিন পেলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandol)। মঙ্গলবার দুবরাজপুর আদালতে হাজির করানো হয়েছিল তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতিকে। ২ হাজার টাকার বিনিময়ে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছে। ওই মামলার পরবর্তী শুনানি ১ জানুয়ারি। শিবঠাকুরের করা মামলায় অনুব্রতর জামিন হতেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আসানসোল সংশোধনাগারে।

    এবার তিহারের পথে?

    জামিন মিললেও এখনই অস্বস্তি কাটছে না অনুব্রত মণ্ডলের। গরু পাচার মামলাতে আগেই তাঁকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এমনকী এরপর জেলের মধ্যেই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছে আরও এক তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গরু পাচার মামলাতে লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে আরও তথ্য জানতেই অনুব্রতকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। এজন্যে দিল্লি নিয়ে যেতে চাইলেও আইনি লড়াই জারি রয়েছে। মঙ্গলবার ওই মামলার নথিপত্র দুবরাজপুর আদালত থেকে নিয়েছে ইডি। বীরভূমের বালিজুড়ি পঞ্চায়েতের মেজে গ্রামের বাসিন্দা শিবঠাকুর। গত সোমবার তিনি অনুব্রতের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। জানান, ২০২১ সালে অনুব্রত তাঁকে গলা টিপে খুন করার চেষ্টা করেছিলেন। উল্লেখ্য, গরু পাচার মামলায় অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়েছিল ইডি। তাদের আবেদনে সায়ও দেয় দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। কিন্তু শিবঠাকুরের করা এই অভিযোগের পর আপাতত অনুব্রতের দিল্লিযাত্রা থমকে যায়। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রতের গড়ে শুভেন্দুর সভা! কী বার্তা দেবেন বিরোধী দলনেতা?

    এদিন, পুলিশের তরফে আদালতে বেশ কিছু তথ্য দেওয়া হয়। পুলিশের গত্রফে সরকারি আইনজীবী জানান, গত কয়েকদিন ধরে তেমন কোনও তথ্য দেননি অনুব্রত। কিন্তু আজ সকালে মুখ খোলেন তিনি। বেশ কিছু তথ্য দেন। ফলে এই বিষয়ে আরও তথ্য এবং উত্তর জানার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানায় পুলিশ। এমনকী এদিন পুলিশের তরফে আদালতে কেস ডায়েরি পেশ করা হয়। যদিও তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে যে জায়গাতে এই ঘটনা সেখানে এখনও পুলিশ যায়নি। দীর্ঘ সওয়াল জবাব শেষে যদিও আদালত অনুব্রতকে জামিন দেয়। এবার অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা রইল না বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Russia Ukraine War: শান্তি সমঝোতায় ভারতের সাহায্য চায় ইউক্রেন! মোদির আশ্বাস জেলেনস্কিকে

    Russia Ukraine War: শান্তি সমঝোতায় ভারতের সাহায্য চায় ইউক্রেন! মোদির আশ্বাস জেলেনস্কিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার (Russia) সঙ্গে যুদ্ধের ইতি টানতে ‘শান্তি ফর্মুলা’ কার্যকরের জন্য ভারতের সমর্থন চাইলেন ভ্লাদিমির জেলেনস্কি (Ukraine President Volodymyr Zelenskyy)। সে জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) সঙ্গে কথাও বলেছেন তিনি। সোমবার ট্যুইট করে নিজেই সেকথা জানান ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট।

    জেলেনস্কি-মোদি ফোনালাপ

    সোমবার এই ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ট্যুইটে লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। G20-র সভাপতিত্বের জন্য তাঁকে অভিনন্দনও জানিয়েছি। এই মঞ্চেই আমি শান্তি সমঝোতার কথা বলেছি। এর বাস্তবায়ন এখন ভারতের উপর নির্ভর করছে।” এছাড়া যুদ্ধের মধ্যে ইউক্রেনকে মানবিক সাহায্য পাঠানো ও রাষ্ট্রসংঘে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের জন্য ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। ভারতের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইউক্রেনে যে সংঘাত চলছে, তা নিয়ে মোদি এবং জেলেনস্কির আলোচনা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবর্তে আলোচনার টেবিলে বসে যাতে সমস্যার সমাধান করা যায়, সেই বার্তা দিয়েছেন মোদি।

    আরও পড়ুন: ঝটিকা সফরে শুক্রবার শহরে প্রধানমন্ত্রী! বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা করবেন মোদি

    চলতি বছরের নভেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে বসেছিল G20-র সম্মেলন। সেখানে ১০টি পয়েন্টের উপর ভিত্তি করে ‘শান্তি সমঝোতার’ রূপরেখা দিয়েছিলেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, “ইউক্রেনকে তার বিবেক, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ড এবং স্বাধীনতার সাথে আপস করার প্রস্তাব দেওয়া উচিত নয়।” তাঁর দেওয়া শান্তি সমঝোতায় রাশিয়াকে ইউক্রেন থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে। এছাড়া পারমাণবিক নিরাপত্তা, খাদ্য সুরক্ষা, জ্বালানি নিরাপত্তা, রাশিয়ার থেকে বন্দি মুক্তি, ইউক্রেনের আঞ্চলিক অখণ্ডতা পুনরুদ্ধারের কথা বলেছিলেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। পালটা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, পূর্ব ইউরোপের দেশে যাতে সংঘাতে ইতি পড়ে, সেজন্য যে কোনও শান্তি ফেরানোর চেষ্টায় সমর্থন করতে রাজি আছে নয়াদিল্লি। মোদি স্পষ্ট করে দেন যে অবিলম্বে সংঘাতে ইতি টেনে কূটনৈতিকভাবে ও আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পক্ষে আছে ভারত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Darjeeling Municipality: সুপ্রিম দুয়ারে হামরো পার্টি! দার্জিলিং পুরসভায় অনাস্থা ভোট কালই, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Darjeeling Municipality: সুপ্রিম দুয়ারে হামরো পার্টি! দার্জিলিং পুরসভায় অনাস্থা ভোট কালই, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিং পুরসভায় অনাস্থা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে হামরো পার্টি (Hamro Party)। সোমবার, জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে (Jalpaiguri Circuit Bench) হামরো পার্টির আর্জি খারিজ হতেই সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার চিন্তা ভাবনা করছেন অজয় এডওয়ার্ড (Ajay Edward)। সূ্ত্রের খবর, আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনার পরই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    হামরো পার্টির আবেদন খারিজ

    প্রথম বার নির্বাচনে লড়েই গত ফেব্রুয়ারি মাসে দার্জিলিং পুরসভা দখল করে চমকে দিয়েছিল ‘গ্লেনারিজ’ (Glenary’s) কর্তা অজয় এডওয়ার্ডের হামরো পার্টি। কিন্তু দলের মধ্য়ে ফাটল ধরায় আপাতত তাদের হাত থেকে পুরসভা হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সোমবার, কলকাতা হাইকোর্টও জানিয়ে দেয়, আগামী ২৮ ডিসেম্বরই দার্জিলিং পুরসভায় অনাস্থা ভোট হবে। হামরো পার্টির আবেদন খারিজ করে এ দিন এই নির্দেশ দেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। গত নির্বাচনে দার্জিলিং পুরসভার ৩২টি আসনের মধ্যে অজয় এডওয়ার্ডের হামরো পার্টির ঝুলিতে এসেছিল ১৮ আসন। অন্যদিকে, অনিত থাপার BGPM  জিতেছিল ৯টি আসন, তৃণমূল কংগ্রেস ২টি এবং বাকি ৩টি আসন পেয়েছিল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা (GJM)। 

    আরও পড়ুন:কেন্দ্রের বরাদ্দের বছর পার, এখনও শেষ হল না রাজ্যের করোনা প্রস্তুতি

    পুরসভা দখলের পথে প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা পার্টি

    বর্তমান পরিস্থিতিতে হামরো পার্টি থেকে ৬ জন কাউন্সিলর প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা পার্টিতে যোগ দেয়। ফলে প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা পার্টির সংখ্যা দাঁড়ায় ১৪ জন। প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা পার্টির দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের ২ জন তাদের বাইরে থেকে সমর্থন করবে। ফলে প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ জন। তাই তারা দার্জিলিং পুরসভার হামরো পার্টির চেয়ারম্যান রিতেশ পোরতেলের অপসারণ চেয়ে অনাস্থা প্রস্তাব আনে। ২৮ ডিসেম্বর সেই অনাস্থা প্রস্তাবে দিন ধার্য হয়েছে। সেই অনাস্থা প্রস্তাবকে চ্যালেঞ্জ করে এবং তার স্থগিতাদেশ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন পুরসভার চেয়ারম্যান। সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানিয়ে দিলেন, ২৮শে ডিসেম্বরই দার্জিলিং পুরসভার অনাস্থা প্রস্তাবের বৈঠক সংঘটিত হবে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে,পুরসভায় বদল এখন সময়ের অপেক্ষা। শীঘ্রই পুরসভা দখল করতে পারে অনিত থাপার (Anit Thapa) প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা। গত ২৪ নভেম্বর কার্শিয়াঙে হামরো পার্টির পাঁচ কাউন্সিলর যোগ দেন BGPM দলে। তার জেরে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় অজয় এডওয়ার্ডের হামরো পার্টি। এদিকে দুই তৃণমূল কাউন্সিলরও BGPM-কে বাইরে থেকে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণায় আরও টলমলে অজয় এডয়ার্ডের পার্টির ভবিষ্যত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Shraddha Murder Case: আফতাবের ভয়েস স্যাম্পলিং টেস্ট! শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে দিল্লি পুলিশের হাতে রহস্যময় অডিও ক্লিপ

    Shraddha Murder Case: আফতাবের ভয়েস স্যাম্পলিং টেস্ট! শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে দিল্লি পুলিশের হাতে রহস্যময় অডিও ক্লিপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকর হত্যাকাণ্ডে (Shraddha Murder Case) এল নয়া মোড়। এবারে পুলিশের হাতে এল অভিযুক্ত আফতাব আমিন পুনাওয়ালার অডিও রেকর্ড। এই রেকর্ডিংকে ‘বড় প্রমাণ’ বলেই মনে করছে পুলিশ। তবে কি অডিও রেকর্ডিং থেকেই জানা যাবে শ্রদ্ধা খুনের আসল রহস্য? কী জানাল পুলিশ?

    পুলিশের হাতে এল আফতাবের অডিও রেকর্ডিং

    আফতাবের যে নতুন অডিওটি পাওয়া গিয়েছে, তাতে শোনা গিয়েছে, শ্রদ্ধার সঙ্গে কোনও বিষয় নিয়ে তাঁর কথা কাটাকাটি চলছে। আর সেটি পৌঁছে গিয়েছে চরম পর্যায়ে। তদন্তকারীদের দাবি, এই অডিও ক্লিপ পরীক্ষা করার পর বোঝা যাবে যে, ঠিক কী নিয়ে এই দুই লিভ ইন পার্টনারের মধ্যে ঝামেলা চলছিল। আদালতের নির্দেশের পর, সোমবার ফরেন্সিক দল আফতাবের গলার স্বরের নমুনা সংগ্রহ করে। তার পর তা নতুন পাওয়া অডিও রেকর্ডটির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। এর পরেই বেরিয়ে আসবে আসল তথ্য, এমনটাই জানিয়েছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: সময়ের আগেই পৌঁছল গন্তব্যে, ট্রায়াল রানেই সুপারহিট বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

    কেন শ্রদ্ধাকে (Shraddha Murder Case) খুন করা হয়েছিল? কী কারণে এত অত্যাচারের পরেও শ্রদ্ধা সম্পর্কে থেকে গিয়েছিলেন? ঠিক কী কী সমস্যা ছিল দু’জনের মধ্যে? তদন্তকারীদের দাবি, এসবের জবাব পাওয়া যেতে পারে নতুন এই অডিও ক্লিপ থেকে।

    আফতাবের ভয়েস স্যাম্পলিং টেস্ট

    পলিগ্রাফ, নারকো টেস্টের পর এদিন কেন্দ্রীয় ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে আফতাবের ভয়েস স্যাম্পেলও নেওয়া হল। এদিন দিল্লি কোর্ট জানিয়েছে, তদন্তকারী অফিসার যে ভয়েস স্যাম্পেলের দাবি করেছেন, তার অনুমতি দেওয়া হল। এরপরই আফতাব পুনাওয়ালার ভয়েস স্যাম্পেলের অনুমতি দেয় কোর্ট। আদালতের নির্দেশে সিবিআইয়ের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা এই ভয়েস স্যাম্পেল নিয়েছেন। নতুন অডিও ক্লিপের সঙ্গেও তা মিলিয়ে দেখা হবে। আবার এই ভয়েস স্যাম্পলিং নিয়ে আফতাবের আইনজীবী বিরোধিতা করলেও কোর্ট থেকে স্পষ্ট জানানো হয়, একমাত্র নারকো, পলিগ্রাফের মত পরীক্ষার জন্য অভিযুক্তের সম্মতি নেওয়ার প্রয়োজন পরে। ভয়েস স্যাম্পলিং-এর ক্ষেত্রে অনুমতি লাগে না। সেই কারণেই তদন্তকারী অফিসারের অনুরোধে আজ সম্মতি দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত শুক্রবারই আফতাবের জেল হেফাজতের মেয়াদ আরও ১৪ দিন বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গত ২৬ নভেম্বর থেকে তাঁকে হেফাজতেই রাখা হয়েছে (Shraddha Murder Case)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • India Covid: চিনে করোনার বাড়বাড়ন্তের মধ্যেই ভারতে সংক্রমণ খানিকটা কমল

    India Covid: চিনে করোনার বাড়বাড়ন্তের মধ্যেই ভারতে সংক্রমণ খানিকটা কমল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের (India Covid) নতুন ভ্যারিয়েন্ট BF.7-এর সঙ্গে লড়াই করছে প্রতিবেশী দেশ চিন। ভারতে এখনও পর্যন্ত চার জনের শরীরে মিলেছে এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট। বিশেষজ্ঞদের দাবি, চিনে BF.7-এর সংক্রমণ যতটা ভয়াবহ হয়েছে, ভারতের অবস্থা ততটাও খারাপ নয়। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশজুড়ে করোনায় আক্রান্তর সংখ্যা কমল ১০ শতাংশের বেশি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. মনসুখ মাণ্ডব্য সোমবার ভারতীয় মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি এবং প্রস্তুতি নিয়ে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। 

    তবে এরই মধ্যে এসেছে কিছু ভয়েরও খবর। আগ্রার তাজমহলে সম্প্রতি চিন থেকে ফিরে আসা এক ব্যক্তির শরীরে রবিবার করোনা ভাইরাসের (India Covid) অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে। তবে তা কোন ভ্যারিয়েন্ট সেটা এখনও জানা যায়নি। জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য নমুনা লখনউতে পাঠানো হয়েছে। ওই ব্যক্তি কার কার সংস্পর্শে এসেছেন, এখন তা জানার চেষ্টা করছে প্রশাসন। আগ্রা বিমানবন্দর, রেল স্টেশন ও বাস স্ট্যান্ডগুলিতে র‍্যাপিড টেস্ট চালানো হচ্ছে। তাজমহলে কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট ছাড়া ঢুকতে দেওয়া হবে না বলেও নির্দেশিকা জারি করেছে আগ্রা পৌর সংস্থা।

    আরও পড়ুন: সময়ের আগেই পৌঁছল গন্তব্যে, ট্রায়াল রানেই সুপারহিট বন্দে ভারত এক্সপ্রেস 

    এই মুহূর্তে দেশের করোনা পরিস্থিতি কী?

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৯৬ জনের করোনা (India Covid) আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। রবিবার একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২২ জন। গত একদিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৯০ জন। দেশে সব মিলিয়ে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪ কোটি ৪১ লক্ষের বেশি মানুষ। দেশে করোনা থেকে সুস্থতার হার ৯৮.৮ শতাংশ। ৪ বিদেশি পর্যটকের শরীরে মিলেছে করোনার হদিশ।  এর মধ্যে রয়েছেন মায়ানমার থেকে আসা ১ পর্যটকও। এই ৪ বিদেশি পর্যটকেরই খোঁজ মিলেছে বুদ্ধগয়ায়। ব্যাঙ্কক থেকে একই উড়ানে এসেছিলেন এই বিদেশি পর্যটকরা। ওই বিমানে ছিলেন মোট ৩৩ জন যাত্রী। সব যাত্রীর দিকেই লক্ষ্য রেখেছে প্রশাসন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • World Test Championship: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২-০ জয়! বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের ছাড়পত্র কী পাবে টিম ইন্ডিয়া?

    World Test Championship: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২-০ জয়! বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের ছাড়পত্র কী পাবে টিম ইন্ডিয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করার পর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (World Test Championship) পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল ভারত। তার ফলে বিরাট কোহলিদের ফের এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে খেলার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হল। পাঁচটি সিরিজ শেষে টিম ইন্ডিয়ার পয়েন্ট শতকরা ৫৮.৯৩।  তার পরে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা (৫৪.৫৫ পিটিসি)। আর ৭৬.৯২ শতকরা পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তাদের ফাইনালে খেলা প্রায় নিশ্চিত। এখন ঠিক হবে প্যাট কামিন্সদের প্রতিপক্ষ হবে কোন দল। ভারতের সম্ভাবনাই বেশি। কারণ, রোহিত শর্মাদের পরের সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। দুই দল খেলবে চার ম্যাচের সিরিজ। 

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের ছাড়পত্র

    দেখে নেওয়া যাক, কী ফল হলে ভারত সরাসরি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (World Test Championship) ফাইনালে খেলার ছাড়পত্র পাবে-
    ১) ভারত যদি অস্ট্রেলিয়াকে ৪-০ ব্যবধানে হারায় তাহলে শতকরা পয়েন্ট হবে ৬৮.০৬। সেক্ষেত্রে সরাসরি ফাইনালে উঠবে টিম ইন্ডিয়া।
    ২) ভারত যদি ৩-১ কিংবা ৩-০ ব্যবধানে অস্ট্রেলিয়াকে হারায়, তাহলে ৬২.৫০ শতকরা পয়েন্ট দাঁড়াবে টিম ইন্ডিয়ার। সেক্ষেত্রেও অন্য কারও উপর নির্ভর করতে হবে না ফাইনালে ওঠার জন্য।
    ৩) এমনকী ভারত যদি ২-০ বা ১-০ ব্যবধানে যেতে, তাহলে শতকরা পয়েন্ট হবে ৬০.৬২। তাও অবশ্য রোহিত শর্মাদের ফাইনালে খেলার জন্য যথেষ্ট হতে পারে।
    তবে সিরিজ যদি ০-০, ১-১ কিংবা ২-২ ফলে অমীমাংসিত থাকে, তাহলে ভারতের শতকরা পয়েন্ট ৬০-এর নীচে নেমে যাবে। তখন ভারতকে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ম্যাচের দিকে। তখন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ-দক্ষিণ আফ্রিকা এবং শ্রীলঙ্কা-নিউজিল্যান্ড টেস্ট সিরিজের ফল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যাবে।

    আরও পড়ুন: নিজের অটোগ্রাফ দেওয়া জার্সি বিসিসিআই সচিব জয় শাহকে পাঠালেন মেসি

    এখন প্রশ্ন হল, ভারত যদি অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায়, তাহলে কি রোহিতদের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (World Test Championship) ফাইনালে খেলার স্বপ্ন ভেঙে যাবে?
    এই পরিস্থিতিতে অঙ্ক অবশ্যই জটিল হবে। দেখতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কা যেন তাদের আসন্ন টেস্ট সিরিজ হারে। আর এই অঙ্ক তখনই গুরুত্ব পাবে, ভারত যদি ০-১ ব্যবধানে সিরিজ হারে। পরাজয়ের ব্যবধানে বেশি হলে ছিটকে যাবে টিম ইন্ডিয়া। উল্লেখ্য, গতবার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে গিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share