Blog

  • Abhijit Gangopadhyay: গ্রুপ-ডি নিয়োগের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি! ওএমআর শিট সবার সামনে আনার নির্দেশ হাইকোর্টের

    Abhijit Gangopadhyay: গ্রুপ-ডি নিয়োগের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি! ওএমআর শিট সবার সামনে আনার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাদা উত্তরপত্র জমা দিয়েও ৪৩ নম্বর পেয়েছেন একাধিক পরীক্ষার্থী!নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগের পরে ওএমআর শিটে বিকৃতির (OMR sheet Corruption) অভিযোগ উঠল গ্রুপ ডি নিয়োগ পরীক্ষার ক্ষেত্রেও। পরীক্ষায় পেয়েছেন শূন্য। অথচ স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)-এর সার্ভারে দেখা যাচ্ছে, গ্রুপ ডির সেই প্রার্থী পেয়েছেন ৪৩। সিবিআইয়ের পেশ করা নথি নিয়েই মঙ্গলবার সরব কলকাতা হাইকোর্ট। 

    কী বলল আদালত

    গ্রুপ ডি নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে মামলা করেছিলেন লক্ষ্মী টুঙ্গা। এই মামলায় বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন, মোট ২৮২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০০ জনের ওএমআর শিটেই এই বিকৃতির অভিযোগ উঠেছে। ওই ১০০ জন গ্রুপ ডি প্রার্থীর উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) জনসমক্ষে আনার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি। তবে তার আগে এই নিয়ে বৈঠকে বসার কথা বলেন তিনি। আগামী ১৪ ডিসেম্বর স্কুল সার্ভিস কমিশনের দফতরে বৈঠক করবেন সিবিআই, মামলাকারীর আইনজীবী এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রতিনিধিরা। সূত্রের খবর, স্কুল সার্ভিস কমিশনের বাজেয়াপ্ত করা হার্ডডিক্স এবং ওএমআর শিট খতিয়ে দেখা হবে ওই বৈঠকে। এরপর আগামী ২১ ডিসেম্বর প্রাথমিক রিপোর্ট হাইকোর্টে জমা দেবে সিবিআই। এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: ‘‘ঢাকি সমেত বিসর্জন দিয়ে দেব’’, প্রাথমিক শিক্ষকের প্যানেল বাতিলের হুঁশিয়ারি বিচারপতির

    উল্লেখ্য, গাজিয়াবাদের সার্ভার থেকে এসএসসিতে নিয়োগ পরীক্ষার বেশ কিছু উত্তরপত্র মিলেছিল। তার মধ্যে রয়েছে গ্রুপ ডি নিয়োগ পরীক্ষার খাতা। সেগুলি যাচাই করে সিবিআই দেখে, পূর্ব মেদিনীপুরের এক প্রার্থী উত্তরপত্রে পেয়েছেন দুই। এমনকি, ওই জেলার এক জন উত্তরপত্রে পেয়েছেন শূন্য। অথচ এসএসসির সার্ভারে দেখা গিয়েছে, তাঁরা পেয়েছেন ৪৩ নম্বর। এই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মঙ্গলবারই ১০০ জন গ্রুপ ডি প্রার্থীর উত্তরপত্র প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে। সেগুলি দেখে যাচাই করতে হবে যে, ওই প্রার্থীদের জন্য ভুয়ো সুপারিশ করা হয়েছে কি না।

    আরও পড়ুন: মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নিজেদের হাইকোর্ট ভাবে! তোপ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • G20: ‘ভারতকে নিয়ে কৌতুহলী বিশ্ব’, জি-২০ সম্মেলন নিয়ে সর্বদল বৈঠকে বললেন মোদি

    G20: ‘ভারতকে নিয়ে কৌতুহলী বিশ্ব’, জি-২০ সম্মেলন নিয়ে সর্বদল বৈঠকে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী দলের প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে চা খেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। কারও দিকে তাকিয়ে হাসলেন। হালকা রসিকতাও হল। কারওবা হাত ধরলেন। সোমবার জি-২০ (G20) সম্মেলন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকের এই ছিল ছবি। এদিনের ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গোটা বিশ্বকে ভারতের শক্তি প্রদর্শন করার একটা সুবর্ণ সুযোগ হল এই জি-২০-র সভাপতিত্ব। তিনি বলেন, এই সম্মেলন নিয়ে গোটা বিশ্বের কৌতুহল এবং আকর্ষণ রয়েছে ভারতের দিকে। এই সম্মেলন সফল করাটা যে একটা টিমওয়ার্ক এবং এজন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

    সর্বদলীয় বৈঠক…

    এদিন সর্বদলীয় এই বৈঠকটি হয়েছে রাষ্ট্রপতি ভবনে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আয়োজিত ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজু জনতা দল সুপ্রিমো নবীন পট্টনায়েক, সিপিআইএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে সহ বিভিন্ন দলের প্রধানরা। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। তাঁরই পাশে বসেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। এদিনের সর্ব দলীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না টিআরএস প্রেসিডেন্ট কে চন্দ্রশেখর রাও এবং জনতা দল ইউনাইটেড সুপ্রিমো লালন সিং। লালু প্রসাদের আরজেডিও এড়িয়ে গিয়েছেন এই বৈঠক। 

    এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জানান, এক বছর ধরে যে সব অনুষ্ঠান হবে, সেজন্য প্রচুর মানুষ ভারতে আসবেন। দেশের যেসব জায়গায় জি-২০ (G20) গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির বৈঠক হবে, সেখানে পর্যটন ও স্থানীয় অর্থনীতি চাঙা হবে। তিনি এও বলেন, জি-২০-র সভাপতিত্ব পাওয়া কোনও একজনের কৃতিত্ব নয়, এই কৃতিত্ব গোটা দেশের।  চলতি বছরের নভেম্বরের ১৫ তারিখে জি-২০ সম্মেলনের আসর বসে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে। ওই সম্মেলনেই আগামী বছর জি-২০ সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় ভারতের হাতে। উল্লেখ্য যে, জি ২০-র (G20) সদস্য দেশগুলি হল, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইটালি, জাপান, রিপাবলিক অফ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

    আরও পড়ুন: জলবায়ু পরিবর্তন, সন্ত্রাসবাদ এবং অতিমারির মোকাবিলা করতে হবে একযোগে, বললেন মোদি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Pele: কেমন আছেন ‘ফুটবলের রাজা’ পেলে? কী বললেন তাঁর কন্যারা?

    Pele: কেমন আছেন ‘ফুটবলের রাজা’ পেলে? কী বললেন তাঁর কন্যারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলের (Pele) স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তায় তাঁর অনুরাগীরা। কারণ সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে, কয়েকদিন আগে শ্বাসকষ্টের কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল নয়। ব্রাজিলের একাধিক সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, পেলে মৃত্যুর মুখে রয়েছেন। কিন্তু এইসব দাবি সত্যি নয়, ‘গুজব’ বলে জানিয়ে দিলেন তাঁর মেয়ে ফ্লাভিয়া। তিনি জানালেন, তাঁর বাবা অসুস্থ হলেও তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। অন্য এক মেয়ে কেলিও বললেন, ‘একটু ভাল হলেই বাড়ি ফিরবেন বাবা।’

    পেলের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে কী বললেন তাঁর মেয়ে?

    ফ্লাভিয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবো টিভি-তে বললেন, “অনেকে বলছেন বাবা মৃত্যুর মুখে রয়েছেন। তাঁকে রাখা হয়েছে ‘প্যালিয়াটিভ কেয়ার’-এ। যাঁরা এই খবর প্রচার করছেন, তাঁরা ঠিক করছেন না। আমাদের বিশ্বাস করুন। পরিস্থিতি একদমই তেমন নয়।”

    পেলের অন্য মেয়ে কেলি জানান, ৩ সপ্তাহ আগে বাবা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ কারণে তাঁর ফুসফুসে সমস্যা হয়েছিল, সেই কারণে তাঁর শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছিল। তিনি আরও বলেন ‘‘বাবা অসুস্থ। ওনার বয়স হয়েছে। এখন শ্বাসকষ্টের চিকিৎসা চলছে। এখনই তিনি বিদায় নিচ্ছেন না। একটু ভাল হলেই বাড়ি ফিরবেন। (Pele) ”

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি ফ্রান্স-ইংল্যান্ড, জানুন ম্যাচের দিনক্ষণ

    সংবাদমাধ্যম থেকে কী জানা গিয়েছিল?

    কয়েক দিন আগে খবর পাওয়া যায় যে চিকিৎসকরা বলেছেন, বর্তমানে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলের (Pele) উপরে কেমোথেরাপিও কোন প্রভাব ফেলছে না। ফলে তাঁকে এখন প্যালিয়াটিভ কেয়ারে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। যাদের অবস্থা খুবই খারাপ শুধুমাত্র তাদেরকেই এই ইউনিটে রাখা হয়। উল্লেখ্য, দীর্ঘ দিন ধরে কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন পেলে। গত বছর সেপ্টেম্বরে অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল তাঁর। তাঁর কেমোথেরাপিতে কোনও কাজ দেয় নি বলেই তাঁকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু আজ এইসব খবরের কোনও ভিত্তি, সত্যতা নেই বলে জানিয়ে দিলেন তাঁর দুই মেয়ে।

    অন্যদিকে ফুটবল কিংবদন্তি পেলের (Pele) ভক্তরা বিশ্বজুড়ে তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন। পেলের ভক্তরা তাঁর পোস্টার দিয়ে তাঁর সুস্থতা কামনা করছেন। ফলে আজ তাঁর পরিবারের সদস্যদের থেকে শারীরিক অবস্থার কথা জানা গেলে অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছেন পেলের অনুরাগীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Electrification: রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যুৎ না পৌঁছনোর সমস্যা মেটাতে বিশেষ কমিটি গঠন হাইকোর্টের

    Electrification: রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যুৎ না পৌঁছনোর সমস্যা মেটাতে বিশেষ কমিটি গঠন হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখনও অনেক প্রত্যন্ত গ্রাম রয়েছে, যেখানে এখনও বিদ্যুতের আলো (Electrification) পৌঁছয়নি। সূর্য ডুবলে টর্চলাইট বা কেরোসিনের আলোই ভরসা। আর সেই অন্ধকার রাস্তার সুযোগ নিয়ে দেদারে চলছে বহু অনৈতিক কাজকর্ম। একটি জনস্বার্থ মামলায় অভিযোগ ওঠে অন্ধকার রাস্তায় ঘটছে ধর্ষণের মতো ঘটনা। সেই মতো প্রত্যন্ত কতগুলি রাস্তায় আলো নেই, তা জানতে চায় হাইকোর্ট। সেই রিপোর্ট আসতেই বড় পদক্ষেপ নিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রত্যন্ত গ্রাম সহ রাজ্যের কোন কোন রাস্তায় বিদ্যুতের অভাব রয়েছে বা বিদ্যুৎ পৌঁছয়নি তা খতিয়ে দেখতে  ৪ সদস্যের কমিটি গঠন করল আদালত। এই নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ।

    জেলাভিত্তিক কমিটিতে রাখা হয়েছে সেই জেলার জেলাশাসক বা তাঁর মনোনীত কোনও প্রতিনিধি, জেলার পুলিশ সুপার বা তাঁর কোনও প্রতিনিধি, বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার আঞ্চলিক ও জোনাল ম্যানেজার এবং মামলাকারী আইনজীবী নীলাদ্রি সাহাকে।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের জন্যে জমি নিলে, ক্ষতিপূরণ দিতে হবে কেন্দ্রীয় হারেই, নির্দেশ হাইকোর্টের

    কেন এই নির্দেশ?

    রাজ্যে পর পর কয়েকটি ধর্ষণের ঘটনায় জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত। সম্প্রতি অন্ধকার (Electrification) রাস্তায় একটি ধর্ষণের ঘটনাও সামনে এসেছে। সেই বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে মামলার শুনানিতে।

    রাজ্যের কোথায় কোথায় এখনও বিদ্যুৎ (Electrification) পৌঁছয়নি, বিদ্যুৎ দফতর এবং বণ্টন সংস্থার কাছে সেই রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছিল হাইকোর্ট। সেখানে দেখা যায় রাজ্যের অনেক রাস্তাতেই এখনও বিদ্যুতের আলো নেই। রাজ্যের তরফে জানানো হয়, অনেক জায়গায় বাতি লাগানোর কাজ চলছে। রাজ্যের বিদ্যুৎ সরবরাহ আগের থেকে ভাল। আগামী ৩০ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। শুরুতে পুরুলিয়ার জন্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পুরুলিয়ার পর অন্য জেলাতেও এমন কমিটি গঠনের পথে হাঁঠতে চায় হাই কোর্ট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Jhalda Municipality: ফের ধাক্কা রাজ্যের, ঝালদায় প্রশাসক বসানোর নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট

    Jhalda Municipality: ফের ধাক্কা রাজ্যের, ঝালদায় প্রশাসক বসানোর নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে কলকাতা হাইকোর্টে ঝালদা পুরসভা নিয়ে ফের ধাক্কা খেল রাজ্য। পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভায় (Jhalda Municipality) প্রশাসক (Administrator) নিয়োগ সংক্রান্ত রাজ্য সরকারের নির্দেশিকায় স্থগিতাদেশ (Stay Order) দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে বলে আদালত জানিয়েছে। আর আগামী এক মাস ঝালদা পুরসভার যাবতীয় দায়িত্ব সামলাবেন পুরুলিয়ার জেলাশাসক।

    প্রশাসক নিয়োগে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    ঝালদা পুরসভায় (Jhalda Municipality) প্রশাসক নির্বাচনের জন্য ৩ ডিসেম্বর, শনিবার ঠিক করা হয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল সরকার শুক্রবার রাতেই পুরসভায় প্রশাসক বসিয়ে দেয়। এরপর রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করেন ওই পুরসভার কংগ্রেস কাউন্সিলর। আর এই মামলাতেই এবার হাইকোর্টে ধাক্কা খেল রাজ্য। আগামী মাস পর্যন্ত প্রশাসক নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিয়েছে বিচারপতি অমৃতা সিনহা। এর ফলে তৃণমূল ও কংগ্রেস কেউই প্রশাসক নিয়োগ করতে পারবে না।

    তৃণমূল জবা মাছোয়াকে চেয়ারপার্সন হিসাবে নিয়োগ করতে চেয়েছিল। কিন্তু সেই আশায় জল ঢেলে দিল হাইকোর্টের নির্দেশ। আবার আস্থা ভোটে জয়ী হওয়ার পর শীলা চট্টোপাধ্যায়কে চেয়ারপার্সন করতে চেয়েছিল কংগ্রেস। কিন্তু স্থগিতাদেশের ফলে কোনও নিয়োগই হবে না। ফলে এদিন বিচারপতি অমৃতা সিনহা পুরসভার যাবতীয় কাজের দায়িত্ব দিল পুরুলিয়ার জেলাশাসককে।

    কী ঘটেছিল ঝালদা পুরসভায়?

    ঝালদার বিরোধী কংগ্রেস কাউন্সিলাররা গত ২১ নভেম্বর তাঁরা একটি আস্থা ভোট ডাকেন। সেই আস্থা ভোটের পর অপসারিত হন চেয়ারম্যান। নিয়ম অনুযায়ী আস্থা ভোটের ৭ দিনের মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যানকে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ করতে হয়। সেই অনুযায়ী ভাইস চেয়ারম্যানকে একটি সভা ডাকতে বলেন তাঁরা। এর মধ্যেই ভাইস চেয়ারম্যানও পদত্যাগ করেন। ফলে পুর আইন অনুযায়ী, তিনজন বিরোধী কাউন্সিলার ২৯ নভেম্বর একটি সভা ডাকেন এবং সেই সভায় ঠিক হয় ডিসেম্বর মাসের ৩ তারিখ চেয়ারম্যান নির্বাচন হবে। কিন্তু আগেই রাজ্য সরকার গত ২ তারিখ ঝালদা পুরসভায় (Jhalda Municipality) প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্ত জানিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে।

    সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেহেতু ঝালদা পুরসভায় কোনও চেয়ারম্যান নেই তাই রোজকার কাজ চালাতে একজন প্রশাসক নিয়োগ করবে রাজ্য সরকার। সরকারের সেই নির্দেশিকা অনুযায়ী ইতিমধ্যেই প্রশাসক সেই কার্যভার গ্রহণ করেছেন। আর এই নিয়েই আদালতের দ্বারস্থ হয় কংগ্রেস কাউন্সিলর।

    বিচারপতির প্রশ্নের মুখে রাজ্য সরকার

    পুরসভায় (Jhalda Municipality) প্রশাসক নিয়োগে রাজ্যের হস্তক্ষেপ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সরকারকে। বিচারপতি প্রশ্ন করেছেন, “রাজ্য কীভাবে এই প্রক্রিয়ার মধ্যে হস্তক্ষেপ করে?” এরপর বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ভাইসম্যানের পদত্যাগ নিয়ে। “ঝালদা পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান কার কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন?” রাজ্যকে প্রশ্ন করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। রাজ্য এর উত্তরে জানায়, তিনি পদত্যাগ করেছেন, কিন্তু কার কাছে সেটা জানা নেই।

    এর পর আদালতে ভাইস চেয়ারম্যানের আইনজীবী জানান, গত ২৮ নভেম্বর এসডিও-র কাছে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন তিনি। বিচারপতি জানতে চান, সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে যে তার কোনও লিখিত প্রতিলিপি আছে কিনা। কিন্তু আইনজীবী জানান মৌখিক ভাবে পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন এসডিও। এই যুক্তি মানতে নারাজ বিচারপতি অমৃতা সিনহা। যেহেতু নিয়ম অনুযায়ী প্রশাসক নিয়োগ করেননি ভাইস চেয়ারম্যান, তাই এই প্রশাসক নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিয়েছে বিচারপতি অমৃতা সিনহা। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ৩ জানুয়ারি।

  • Kashmiri Pandits: কাশ্মীরি পন্ডিতদের অনলাইনে হুমকি চিঠি দিল জঙ্গি সংগঠন

    Kashmiri Pandits: কাশ্মীরি পন্ডিতদের অনলাইনে হুমকি চিঠি দিল জঙ্গি সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর প্যাকেজে জম্মু ও কাশ্মীরের অসংখ্য পন্ডিতের (Kashmiri Pandits) কর্মসংস্থান হয়েছে। কাশ্মীরি পন্ডিতদের (Kashmiri Pandits) উপর অত্যাচারের কাহিনী নতুন কিছু নয়। এবার প্রধানমন্ত্রী প্যাকেজে যাঁরা কাজ পেয়েছেন, সেই সব কাশ্মীরি পন্ডিতদের ভয় দেখাচ্ছে মৌলবাদী জঙ্গি সংগঠনগুলি।  এমনটাই অভিযোগ কাশ্মীরি পন্ডিতদের। অনলাইন হুমকিপত্রে কাজের স্থান উল্লেখ করে কমপক্ষে ৫৬জন পন্ডিত কর্মচারীর নাম প্রকাশ করেছে সন্ত্রাসবাদীরা। 

    অল মাইগ্রেন্ট ডিসপ্লেসড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন কাশ্মীর (এএমডিইএকে)-এর সভাপতি রুবন সাপ্রো, সংবাদমাধ্যমকে বলেন, জঙ্গি হুমকির পরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন পন্ডিতরা। কর্মচারীরা আতঙ্কিত। প্রধানমন্ত্রী প্যাকেজের অধীনে নিয়োগ করা পন্ডিত কর্মীদের হুমকি চিঠি  kashmirfight.com-এ পোস্ট করা হয়েছিল। বর্তমানে ওই ওয়েবসাইট ব্ল্যাক লিস্টেড।

    পুলিশের বিবৃতি

    পুলিশ আধিকারিকরা বলেন,ব্লগটি লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গিরা চালাচ্ছে। অনলাইন হুমকি চিঠিতে জঙ্গিরা ৫৬ জন কাশ্মীরি পণ্ডিত (Kashmiri Pandits) কর্মচারীর পোস্টিং স্থান সহ একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এটি কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmiri Pandits) একটি ছোট্ট তালিকা, যাঁদের প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের অধীনে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    রুবন সাপ্রু আরও বলেন, জঙ্গিরা ৫৬জন পন্ডিত কর্মচারীর নাম প্রকাশ করেছে। এটি একটি গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। সরকারের উচিত এই ঘটনার তদন্ত করা। কীভাবে জঙ্গিরা উপত্যকায় কর্মরত পণ্ডিত কর্মচারীদের সম্পর্কে তথ্য পেয়ে যাচ্ছে, তা আশ্চর্যের বিষয়। তালিকায় নাম থাকা কর্মচারীরা খুবই আতঙ্কিত। সবাই ভয়ে আছেন।

    আরও পড়ুন: দিল্লি গেলেন মমতা! দেখা হবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে, একান্তে কথা হবে কি?

    চলতি বছরে হত্যা করা হয় পন্ডিত রাহুল ভাটকে

    প্রসঙ্গত, ২০১০ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর চাকরির প্যাকেজের অধীনে নিয়োগ করা প্রায় ৫০০০ পণ্ডিত কর্মচারী  উপত্যকায় তাঁদের কাজের জায়গায় উপস্থিত হতে পারছেন না। চলতি বছরের ১২ মে থেকে নিরাপত্তার দাবিতে আন্দোলন করছেন তাঁরা। কারণ মধ্য কাশ্মীরের বুদগাম জেলার চাদুরাতে তহসিল অফিসের ভিতরে ঢুকে পণ্ডিত কর্মচারী রাহুল ভাটকে জঙ্গিরা গুলি করে হত্যা করেছিল। এরপর থেকে উপত্যকায় জঙ্গিদের হাতে আরও দুই পণ্ডিত নিহত হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Anubrata Mondal: বিপাকে অনুব্রত! তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজের আবেদনের শুনানি পিছোল

    Anubrata Mondal: বিপাকে অনুব্রত! তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজের আবেদনের শুনানি পিছোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টে পিছিয়ে গেল অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)বিরুদ্ধে করা এফআইআর খারিজের মামলা। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রতের বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)- মামলা করেছিলেন। সেই মামলা খারিজের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। দ্রুত শুনানির আর্জিও জানান কেষ্ট। কিন্তু সেই মামলার প্রতিলিপি এখনও হাতে পায়নি তদন্তকারী সংস্থা। সোমবার উচ্চ আদালতে মামলার শুনানিতে এমনই জানাল ইডি। তাই, নিজেদের অবস্থান জানাতে আরও কিছুটা সময় চাইল তদন্তকারী সংস্থা। তার ভিত্তিতে আগামী ১৬ ডিসেম্বর দুপুর ২টোয় মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলে জানান বিচারপতি বিবেক চৌধুরী।

    আদালতে সওয়াল

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-এর করা মামলায় জামিনের আবেদন নিয়েও হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। সেই মামলাটিরও শুনানি রয়েছে ১৬ ডিসেম্বর। দুই মামলাতেই তাঁর হয়ে আদালতে সওয়াল করছেন বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিবাল। আগামী দিনে অনুব্রত মণ্ডলের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে এই দুই মামলার উপর। ইডির করা এফআইআর খারিজের মামলা রয়েছে বিচারপতি বিবেক চৌধুরীর এজলাসে। অন্যদিকে সিবিআই-এর করা মামলায় জামিনের আর্জির শুনানি রয়েছে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির এজলাসে।

    আরও পড়ুন: ফের বেঁফাস অখিল গিরি, অশীতিপর শিশিরকে কী ভাষায় আক্রমণ করলেন জানেন?

    প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যেতে তৎপর ইডি। তা নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টেও মামলা চলছে। তার মধ্যেই উচ্চ আদালতে ইডির মামলা খারিজের আর্জি জানান অনুব্রত। সেই মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে নিজেদের অবস্থান জানাতে বলেছিল উচ্চ আদালত। তখনই আদালতের কাছে সময় চেয়ে নেন ইডির আইনজীবী। সেইমতোই এদিন ইডিকে কিছুটা সময় দিল আদালত। গরুপাচার মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতিকে (Anubrata Mondal) গ্রেফতার করে সিবিআই। কিন্তু অনুব্রতর আইনজীবীদের দাবি, টাকা নেওয়ার প্রমাণ এখনও পেশ করতে পারেনি সিবিআই। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mamata Banerjee: দিল্লি গেলেন মমতা! দেখা হবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে, একান্তে কথা হবে কি?

    Mamata Banerjee: দিল্লি গেলেন মমতা! দেখা হবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে, একান্তে কথা হবে কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি-২০ আন্তর্জাতিক সম্মেলনের প্রস্তুতি বৈঠকে অংশ নিতে দিল্লি গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ৪ দিনের সফরে রাজধানীতে গেলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সাক্ষাত হবে না বলেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি ভবনে, জি-২০ সম্মেলনের প্রস্তুতি বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। অন্য রাজ্যের পাশাপাশি এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন উপলক্ষ্যে একাধিক অনুষ্ঠান হবে পশ্চিমবঙ্গেও। দেশের মোট ৪০টি রাজনৈতিক দলের সভাপতিকে এই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে যোগ দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। 

    মোদি-মমতা সাক্ষাত

    দিল্লি সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলাদা করে বৈঠকের বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি, বলে এদিন জানান মমতা।  কলকাতা ছাড়ার আগে মমতা বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নয় তৃণমূলের প্রধান হিসাবে দিল্লিতে যাচ্ছেন তিনি। সেই মতো সোমবার দিল্লি রওনা হন মমতা। আজই জি-২০ সংক্রান্ত বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে মোদি-মমতার সাক্ষাৎ হওয়ার কথা। তবে বৈঠকের বাইরে দু’জনের ব্যক্তিগত বৈঠক হবে কি না, সে দিকে নজর ছিল রাজনৈতিক বৃত্তের অনেকেরই। মমতা অবশ্য সোমবার সকালে স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে মোদির আলাদা করে বৈঠক হবে না।

    আরও পড়ুন: ‘সারের কমতি মানে আগামী দিনে খাদ্যের ভাঁড়ারে টান’, জি ২০ সম্মেলনে বললেন মোদি

    আগামী বছর জি-২০ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করতে চলেছে ভারত। সেই উপলক্ষে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছে, দেশ জুড়ে মোট ২০০টি বৈঠক হবে। যার প্রথম ধাপ হিসাবে দেশের রাজনৈতিক দলগুলির প্রধানদের বৈঠকে ডেকেছেন মোদি।

    অজমেঢ় যাবেন মমতা

    মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজমেঢ় যাবেন। সেখানে আজমেঢ় শরিফ এবং পুস্কর মন্দির দর্শন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজমেঢ় শরিফ থেকে পুষ্কর যাওয়ার ট্রেনের ব্যবস্থা করেছিলেন। আজমেঢ় শরিফে খাজা মইনুদ্দিন চিস্তির দরগায় যাবেন মমতা। এর পাশাপাশি রাজস্থানের পুষ্করের ব্রহ্মা মন্দিরেও যাবেন তিনি।  সেই মতো প্রস্তুতিও শুরু করেছে রাজস্থানের কংগ্রেস সরকার। আগামিকাল মঙ্গলবার বিকেলেই দিল্লি ফিরে আসবেন মমতা। সূত্রের খবর, রাজধানীতে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন তিনি। বুধবার দলের সাংসদদের সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন মমতা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • WhatsApp Beta: চলছে পরীক্ষা, শীঘ্রই নতুন ২১টি ইমোজি নিয়ে হাজির হবে হোয়াটসআপ

    WhatsApp Beta: চলছে পরীক্ষা, শীঘ্রই নতুন ২১টি ইমোজি নিয়ে হাজির হবে হোয়াটসআপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: WhatsApp-এর 2.22.25.12 ভার্সন এখন Google Play Beta প্রোগ্রামের মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে।  সম্প্রতি iOS, Android , Windows সহ একাধিক প্ল্যাটফর্মে অ্যাপ্লিকেশনটির কানেকশন টেস্টিং শুরু হয়েছে। WABetaInfo ওয়েবসাইটের রিপোর্ট অনুযায়ী, অ্যাপ্লিকেশনটি বর্তমানে একুশটিরও বেশি নতুন ইমোজির উপর কাজ শুরু করেছে যা আগামীদিনের আপডেটে পাওয়া যাবে।

    আরও পড়ুন: ভারতে ২৩ লক্ষেরও বেশি অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করল হোয়াটসঅ্যাপ, কেন জানেন?

    বর্তমান ইমোজিগুলিকেও ডিজাইন করার কাজ চলছে

    কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল যে অ্যান্ড্রয়েডের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ বিটা (WhatsApp Beta) বেশ কয়েকটি নতুন ইমোজি যোগ করবে 2.22.8.8 আপডেট সহ সাম্প্রতিক ইউনিকোডে। পাশাপাশি, বর্তমান ইমোজিগুলিকেও নতুনভাবে ডিজাইন করার কাজ চলছে।

    আরও পড়ুন: আরও এক নতুন ফিচার আনছে হোয়াটসঅ্যাপ, জানুন কন্ট্যাক্ট কার্ড সম্পর্কে

    নীচের ছবিতে দেখা যাচ্ছে, হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp Beta) আরও আটটি ইমোজির ডিজাইন আপডেট করার পরিকল্পনা করেছে। এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ২১টি নতুন ইমোজি। যা আগামীদিনের আপডেটে পাওয়া যাবে। হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp Beta) ৮টি পুরনো ইমোজি নতুনভাবে ডিজাইন করেছে এবং সেগুলি ইতিমধ্যেই এই বিটা ভার্সেনে দেখা যাচ্ছে।

    কিছু ইউজার যাঁরা Google Play থেকে নতুন আপডেটেট বিটা ভার্সেন আপলোড করেছেন, তাঁরা আটটি নতুন ইমোজি দেখতে পাবেন। কিন্তু বাকি একুশটি এই মুহূর্তে দেখা যাবে না।

    আরও পড়ুন: নিজেকেই মেসেজ করার নতুন ফিচার ‘মেসেজ ইওরসেলফ’ আনল হোয়াটসঅ্যাপ

    Stable version কবে আসবে, সে ব্যাপারে কিছু জানা যাচ্ছে না। সবটাই টেস্টিং-এর পর্যায়ে রয়েছে। কোনও উল্লেখযোগ্য সমস্যা খুঁজে না পাওয়া গেলে এটি শীঘ্রই পাওয়া যাবে।

    আরও পড়ুন: স্ক্রিনশট ব্লক থেকে গ্রুপের সদস্য সংখ্যা বাড়ানো, হোয়াটসঅ্যাপের পাঁচটি নয়া ফিচার সম্পর্কে জানুন…

    তারিখ অনুসারে মেসেজ সার্চ করার বৈশিষ্ট্য WhatsApp বিটা ইতিমধ্যেই iOS-এ পরীক্ষা করা শুরু করেছে। ব্যবহারকারীরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট দিনের বার্তাগুলি খতিয়ে দেখতে পারবেন। বৈশিষ্ট্যটির সাহায্যে একটি চ্যাট সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বিবরণ সন্ধান করা সহজ হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Suvendu Adhikari: অভিষেকের সভার জবাবে একুশে কাঁথিতেই পাল্টা সভা শুভেন্দুর?

    Suvendu Adhikari: অভিষেকের সভার জবাবে একুশে কাঁথিতেই পাল্টা সভা শুভেন্দুর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত শনিবারই শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দুর্গ কাঁথিতে সভা করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি শান্তিকুঞ্জের কাছেই প্রভাত কুমার কলেজের মাঠে হয়েছিল সেই সভা। এবার সেই একই মাঠে সভা করতে চলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ২১ ডিসেম্বর কাঁথিতে সভা করতে পারেন শুভেন্দু। জানা গিয়েছে, এখনও সভা করার অনুমতি মেলেনি প্রশাসনের তরফ থেকে, তাই এই বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেই রেখেছে গেরুয়া শিবির। 

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার থেকেও বেশি মানুষ টানতে মরিয়া রাজ্য বিজেপি। ধারণা করা হচ্ছে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সভায় ২ লক্ষেরও বেশি মানুষের সমাবেশ হতে পারে। সভার অনুমতি পেলেই বিজেপির তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

    আরও পড়ুন: এসএসসি-তে ২১ হাজার পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৯ হাজার ওএমআর শিটে বিকৃতি! আদালতে দাবি সিটের

    কেন এই সভা?  

    গত শনিবার দুই হাই ভোল্টেজ সভায় উত্তাল হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) গড় কাঁথিতে সভা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, উল্টোদিকে অভিষেকের লোকসভা ক্ষেত্র ডায়মন্ডহারবারে সভা করেন শুভেন্দু। দুই সভার সুই মঞ্চ থেকে নাম না করে একে অপরের দিকে নিশানা দাগেন দুই হেভি ওয়েট নেতা। 

    বিজেপি সূত্রে খবর, এবার কাঁথি থেকেই অভিষেকের অভিযোগ এবং কটাক্ষের পাল্টা জবাব দেবেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)৷ সম্ভবত আগামী ২১ ডিসেম্বর কাঁথিতে পাল্টা সভা করবেন শুভেন্দু অধিকারী৷ বিজেপির পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই প্রশাসনের কাছে সভা করার অনুমতি চাওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, কাঁথি কলেজ মাঠ অথবা কাঁথি রেল স্টেশন সংলগ্ন ময়দানে সভার পরিকল্পনা নিয়েছে গেরুয়া শিবির। 

    কাঁথির সভা থেকে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করেছেন অভিষেক। সরাসরি করেছেন দুর্নীতির অভিযোগ৷ অভিষেক দাবি করেন, তমলুক এবং কাঁথিতে লোকসভা উপনির্বাচন হলে তৃণমূলই জিতবে৷ তবে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ‘বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচাগ্র মেদিনী’- এই পন্থা নিয়ে চলছে বিজেপি। বিশেষত অভিষেকের তোলা অভিযোগের জবাব না দিলে বার্তা যেতে পারে বলেই মত গেরুয়া শিবিরের৷ অভিষেক এবং শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) এই মৌখিক যুদ্ধ নতুন নয়৷ অতীতেও একজনের সভার পাল্টা সভা করেছেন অন্য নেতা৷ পরস্পরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগও এনেছেন তাঁরা৷ এবার কাঁথির সভা থেকে শুভেন্দু অভিষেককে কী জবাব দেন, এখন তাই দেখার পালা।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share