Blog

  • Gang Rape: স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মধ্যেই গণধর্ষণের শিকার নার্স, নাবালক সহ গ্রেফতার ৩

    Gang Rape: স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মধ্যেই গণধর্ষণের শিকার নার্স, নাবালক সহ গ্রেফতার ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্যকেন্দ্রের (Health Centre) মধ্যেই গণধর্ষণের (Gang Rape) শিকার হলেন এক নার্স (Nurse)। শুক্রবার বিকেলে একা একাই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিষেবা দিচ্ছিলেন ওই নার্স। আচমকাই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়ে এক নাবালক সহ চারজন। হকচকিয়ে যান ওই নার্স। তার পরেই দুষ্কৃতীরা তাঁর হাত-পা বেঁধে গলা চেপে ধরেন। শুরু হয় নৃশংস অত্যাচার। ছত্তিসগড়ের মহেন্দ্রগড় জেলার ছিপাছিপি গ্রামের ঘটনা। ওই ঘটনায় রবিবার সকাল পর্যন্ত অভিযুক্ত নাবালক সহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক অভিযুক্তের খোঁজে চলছে তল্লাশি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন বিকেল তিনটে নাগাদ হাসপাতালে ডিউটিতে ছিলেন ওই নার্স। সেই সময়ই ধর্ষকদের লালসার শিকার হন তিনি। ধর্ষণের (Gang Rape) শিকার ওই নার্সের অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা ধর্ষণের পুরো পর্ব ক্যামেরাবন্দি করে। পুলিশকে জানালে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেয়। ধর্ষকদের হুমকি উপেক্ষা করে ওই তরুণী পুরো ঘটনাটি ফোন করে জানান তাঁর পরিবারকে। পরে দায়ের হয় অভিযোগ। প্রবীণ পুলিশ আধিকারিক নিমেষ বারাইয়া জানান, ওই মহিলা অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    স্বাস্থ্যেকেন্দ্রের মধ্যেই এক নার্স ধর্ষণের (Gang Rape) শিকার হওয়ায় নিরাপত্তার অভাবের অভিযোগে সরব স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাঁদের দাবি, তাঁদের উপযুক্ত নিরাপত্তা চাই। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা না নেওয়া হলে, কাজে যোগ দেবেন না তাঁরা। ঘটনায় সোচ্চার হয়েছে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপিও। ভূপেশ বাঘেল সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভেও দেখিয়েছেন গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা।

    আরও পড়ুন: ৪ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ! স্কুলের স্বীকৃতি বাতিল করল তেলঙ্গানা সরকার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

     

  • Rajiv Gandhi Foundation: বৈদেশিক অনুদানে অনিয়মের অভিযোগ, রাজীব গান্ধীর নামাঙ্কিত দুই সংস্থার লাইসেন্স বাতিল

    Rajiv Gandhi Foundation: বৈদেশিক অনুদানে অনিয়মের অভিযোগ, রাজীব গান্ধীর নামাঙ্কিত দুই সংস্থার লাইসেন্স বাতিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন (Rajiv Gandhi Foundation) ও রাজীব গান্ধী চ্যারিটেবল ট্রাস্টের (Rajiv Gandhi Charitable Trust) বিরুদ্ধে বড়সড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। বাতিল করে দেওয়া হল ওই দুই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার লাইসেন্স। ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্টে এই ব্যবস্থা নিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। এই দুই সংস্থার সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে গান্ধী (Gandhi) পরিবার। বৈদেশিক অনুদানে অনিয়মের অভিযোগে লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে জানান এক আধিকারিক।

    ১৯৯১ সালের ২১ মে তামিলনাড়ুতে সন্ত্রাসবাদীদের ষড়যন্ত্রের বলি হন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। তাঁর স্বপ্ন পূরণে ওই বছরই প্রতিষ্ঠিত হয় রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন (Rajiv Gandhi Foundation)। এই ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী। অন্য ট্রাস্টিদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদিকা প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম। ২০০৯ সাল পর্যন্ত এই ফাউন্ডেশন স্বাস্থ্য, সাক্ষরতা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, নারী ও শিশু উন্নয়ন, প্রতিবন্ধীদের সহায়তা, পঞ্চায়েতি রাজ প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছে। প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, লাইব্রেরি ও অন্য কয়েকটি বিষয় নিয়েও কাজ করেছে। এই ফাউন্ডেশনের পাশাপাশি সোনিয়া আবার রাজীব গান্ধী চ্যারিটেবল ট্রাস্টেরও মাথা। এই সংস্থার সদস্যদের মধ্যে অন্যতম হলেন রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যসভার সাংসদ অশোকএস গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: খাড়্গে হাতের পুতুল! রিমোট কন্ট্রোল থাকবে গান্ধী পরিবারের হাতে, দাবি বিজেপির

    সূত্রের খবর, রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন (Rajiv Gandhi Foundation) ও রাজীব গান্ধী চ্যারিটেবল ট্রাস্টের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের তদন্তভার দেওয়া হতে পারে সিবিআইয়ের (CBI) হাতে। ২০২০ সালের জুন মাসে রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনের (Rajiv Gandhi Foundation) বিরুদ্ধে বিদেশি ফান্ডিংয়ের অভিযোগ ওঠে। তৎকালীন আইনমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ দাবি করেছিলেন রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনে ফান্ডিং করেছে চিন। আইন অনুযায়ী, বিদেশ থেকে টাকা নিতে গেলে সরকারের অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সেটা হয়েছিল কিনা, সে প্রশ্ন ওঠে। তার পরেই শুরু হয় তদন্ত।

    রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনের (Rajiv Gandhi Foundation) পাশাপাশি রাজীবের নামে আরও একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গড়ে উঠেছিল ২০০২ সালে। এটি হল রাজীব গান্ধী চ্যারিটেবল ট্রাস্ট। মূলত গ্রামীণ এলাকায় পিছিয়ে পড়া মানুষদের কল্যাণে কাজ করতে জন্ম হয়েছিল এই সংস্থার। অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল ইন্দিরা গান্ধী মেমরিয়াল ট্রাস্টের বিরুদ্ধেও। যদিও এই সংস্থার বিরুদ্ধে এখনও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলেই সূত্রের খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Xi Jinping: চিনকে প্রয়োজন গোটা বিশ্বের, তৃতীয়বার দেশের সর্বাধিনায়ক হয়েই ঘোষণা জিনপিংয়ের

    Xi Jinping: চিনকে প্রয়োজন গোটা বিশ্বের, তৃতীয়বার দেশের সর্বাধিনায়ক হয়েই ঘোষণা জিনপিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনকে (China) প্রয়োজন বিশ্বের। তৃতীয়বারের জন্য চিনের সর্বাধিনায়ক হওয়ার পর একথাই জানালেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। মাও জে দংয়ের পর তিনিই একমাত্র নেতা যিনি পর পর তিনবার চিনা কমিউনিস্ট পার্টির (CCP) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়লেন। শনিবারই দেশের প্রেসিডেন্ট পদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। যার অর্থ, আগামী পাঁচ বছর কেবল দেশ নয়, দলেরও সর্বেসর্বা তিনিই।

    চিনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি এদিন জিনপিংকে (Xi Jinping) আগামী পাঁচ বছরের জন্য সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করেন। তাঁর বয়স ৬৯। অথচ চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদকের পদে অবসর নেওয়ার বয়স ৬৮ বছর। ইতিমধ্যেই টানা ১০ বছর সাধারণ সম্পাদক থাকার মেয়াদ পূর্ণ করে ফেলেছেন শি জিনপিং। এদিন ফের নির্বাচিত হলেন। পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি এদিন পলিটব্যুরোর ২৫ জন সদস্যকেও বেছে নিয়েছে। এঁরাই নির্বাচিত করবেন স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যদের। নির্বাচিত হওয়ার পর জিনপিংয়ের সহযোগী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন এঁরা। প্রসঙ্গত, এবার পলিটব্যুরোয় কোনও মহিলা প্রতিনিধি নেই। গতবার সাকুল্যে ছিলেন একজন। তিনি অবসর নেওয়ার পর আর কেউ নেই। পার্টির গত পঁচিশ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার এমন ঘটনা ঘটল।

    আরও পড়ুন: অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণ, পাল্লায় চিন, পাকিস্তান!

    তৃতীয়বারের জন্য কর্তৃত্ব পেয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দেন জিনপিং (Xi Jinping)। বলেন, চিনকে প্রয়োজন গোটা বিশ্বের। চিনা প্রেসিডেন্ট বলেন, বিশ্ব ছাড়া চিন উন্নতি করতে পারে না। আবার চিনকেও প্রয়োজন বিশ্বের। তিনি বলেন, চল্লিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে লাগাতার প্রচেষ্টার সুফল মিলেছে। আমরা দুটো মিরাক্যাল ঘটাতে পেরেছি। এক, দ্রুত অর্থনৈতিক বিকাশ এবং দীর্ঘ মেয়াদি সামাজিক স্থায়িত্ব। তিনি বলেন, পার্টি এবং আমাদের লোকজন যে বিশ্বাস করে আমার ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেছেন, কঠোর পরিশ্রম করে আমি তার মর্যাদা রাখব। প্রসঙ্গত, পার্টি এবং দেশ বাদেও সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের প্রধানও নির্বাচিত হয়েছেন শি জিনপিং।

    পার্টি কংগ্রেস শুরু হওয়ার আগে জিনপিংকে (Xi Jinping) বিশ্বাসঘাতক একনায়ক বলে দেগে দিয়ে পোস্টার পড়েছিল চিনের বিভিন্ন এলাকায়। তবে তা যে কোনও কাজে আসেনি জিনপিংকে ফের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করাই তার তার প্রমাণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Imran Khan: এবার ইমরানের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ, আরও বিপাকে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী

    Imran Khan: এবার ইমরানের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ, আরও বিপাকে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগে তাঁকে খুনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন পাকিস্তানের (Pakistan) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। কাঠগড়ায় তুলেছিলেন পাকিস্তান মুসলিম লিগ নওয়াজ (PML-N) নামে সে দেশের একটি রাজনৈতিক দলকে। এবার তাঁর বিরুদ্ধেই খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করলেন পাকিস্তান মুসলিম লিগ নওয়াজের নেতা মহসিন শাহনাওয়াজ রঞ্ঝা। শনিবার ইমরান খানের বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। এর ঠিক একদিন আগেই ইসলামাবাদে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের অফিসের সামনেই রঞ্ঝা আক্রান্ত হন। তার পরের দিনই ইমরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

    দিন কয়েক আগে পাঞ্জাব প্রদেশের মিয়ানওয়ালিতে একটি সমাবেশে যোগ দেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (PTI) পার্টির নেতা ইমরান খান (Imran Khan)। তাঁর অভিযোগ, পাকিস্তান মুসলিম লিগ নওয়াজের নেতারা ধর্মীয় হিংসা ছড়িয়ে দিতে তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ম নিন্দার অভিযোগ আনছেন। পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর পিছনে অন্য খেলা রয়েছে। বন্ধ দরজার পিছনে চারজন আমায় খুনের পরিকল্পনা করছে। তিনি খুন হলে, দেশ চক্রান্তকারীদের কখনও ক্ষমা করবে না বলেও জানান ইমরান।

    ইমরানের (Imran Khan) বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআরে রঞ্ঝা বলেন, তোষাখানা মামলায় বাদী হিসেবে নির্বাচন কমিশনের অফিসে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় আচমকাই তাঁকে আক্রমণ করা হয়। তাঁর দাবি, তাঁকে খুনের চেষ্টা করে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টির নেতা-কর্মীরা। তাঁর গাড়ির কাচও ভেঙে দেওয়া হয়। এফআইআরে আরও বলা হয়েছে, শ্রীনগর হাইওয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এর পরেই কার্যত তাণ্ডব চালান ইমরানের দলের কর্মীরা। এলাকায় ভাঙচুর চালানো হয়। ছোড়া হয় পাথর।

    আরও পড়ুন: “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় ভাণ্ডার তোষাখানা থেকে  ডিসকাউন্ট মূল্যে কেনা উপহার চড়া দরে বিক্রি করে ইমরান (Imran Khan) কী পরিমাণ অর্থ পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই মামলার দীর্ঘ শুনানির পর পাক নির্বাচন কমিশন ইমরানকে জাতীয় পরিষদের সদস্য নন বলে ঘোষণা করে। ইমরানের কেন্দ্রটি শূন্য বলেও ঘোষণা করা হয়। তার পরেই আদালতের দ্বারস্থ হন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী। এই মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হল খুনের চেষ্টার মামলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • UK Prime Minister: কীভাবে নির্বাচিত হবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী? লড়াইয়ে এগিয়ে কে?

    UK Prime Minister: কীভাবে নির্বাচিত হবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী? লড়াইয়ে এগিয়ে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কে হবেন পরবর্তী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister)? এই নিয়েই বর্তমানে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। লিজ ট্রাস সরে দাঁড়ানোর পর থেকে প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার হিসেবে উঠে আসছে দু’ জনের নাম– বরিস জনসন ও ঋষি সুনক। রাজনৈতিক মহল বলছে, জনপ্রিয়তার নিরিখে সুনকের তুলনায় জনসনের পাল্লা ভারী। কিন্তু সমীক্ষা বলছে, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক এগিয়ে রয়েছেন। তবে এ দুজনের বাইরে পেনি মর্ডেন্ট-এর নামও শোনা যাচ্ছে। ফলে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে কে এগিয়ে রয়েছে, এই নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    কীভাবে নির্বাচন করা হবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, যে প্রার্থী দলের ১০০ জন সাংসদের সমর্থন পাবেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) পদের জন্য লড়াই করবেন। প্রার্থীদের ৩৫৭ জন কনজারভেটিভ (টোরি) এমপির মধ্যে কমপক্ষে ১০০ জন দলীয় (কনজারভেটিভ) এমপির সমর্থন প্রয়োজন। ২৪ অক্টোবর প্রথম ব্যালট অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ, সোমবার দুপুরের মধ্যেই প্রার্থীদের কমপক্ষে ১০০ জন সাংসদের সমর্থন দেখাতে হবে। এই দিনেই নির্বাচনের প্রথম ধাপ সম্পূর্ণ করা হবে। যদি মাত্র একজন প্রার্থী ১০০ জন এমপির সমর্থন জোগাড় করতে সক্ষম হন তাহলে তিনিই হবেন দলের নেতা ও পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে আর এমপি ও দলের সদস্যদের ভোটাভুটির প্রয়োজন হবে না।

    আরও পড়ুন: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দৌড় থেকে ঋষিকে সরে দাঁড়াতে ‘চাপ’ দিচ্ছেন বরিস?

    কিন্তু যদি দুইয়ের অধিক প্রার্থী ১০০ জন এমপির সমর্থন পান, তাহলে কনজারভেটিভ এমপিরা ভোটাভুটির মাধ্যমে সবচেয়ে কম ভোট যিনি পাবেন তাঁকে এই দৌড় থেকে বাদ দেবেন। এভাবে প্রার্থীর সংখ্যা দু’জনে নেমে আসার পর এমপিরা আবার দুজনের মধ্যে একজনকে বেছে নেবেন। এরপর পার্টির সদস্যরা অনলাইনে ভোট দেবেন। সবার ভোট হিসেব করে যিনি জয়ী হবেন তিনিই হবেন পার্টির নেতা ও পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister)। এই পুরো নির্বাচনের প্রক্রিয়া ২৮ অক্টোবরের মধ্যেই শেষ করা হবে জানা গিয়েছে। অর্থাৎ, আগামী শুক্রবারের মধ্যে নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

    প্রায় দেড় মাস আগে বরিস জনসন যখন প্রধানমন্ত্রীর (UK Prime Minister) পদ থেকে পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন, তখন ঋষি সুনক ১২০ জনেরও বেশি সাংসদের সমর্থন পেয়েছিলেন। তবে সদস্যদের ভোটে জিতে যান লিজ ট্রাস। আর এবারও জানা গিয়েছে, সুনকের পক্ষে ইতিমধ্যেই ১০০ জন এমপির সমর্থন রয়েছে। অন্যদিকে বরিস ৫৩ জনের সমর্থন পেয়েছেন কিন্তু তাঁর সমর্থকরা দাবি করছেন যে, বরিসও ১০০-র গণ্ডি পেরিয়েছেন। আবার পেনি মর্ডেন্ট পেয়েছেন ২৩ জনের সমর্থন। প্রসঙ্গত, ব্রিটেনের সবথেকে কম সময়ের প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস। গত ৬ সেপ্টেম্বর তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। মাত্র ৪৫ দিনের মাথায় পদত্যাগ করেন তিনি। ফলে এবার এখন এটাই দেখার প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে শেষ পর্যন্ত কে বাজিমাত করতে পারে।

  • bhai phonta:  দুদিন ভাইফোঁটা! জেনে নিন কখন এবং কীভাবে ভাইকে ফোঁটা দেবেন

    bhai phonta: দুদিন ভাইফোঁটা! জেনে নিন কখন এবং কীভাবে ভাইকে ফোঁটা দেবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা/যমের দুয়ারে পড়ল কাঁটা  এই মন্ত্র উচ্চারণ করেই ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দেয় বোনেরা। ভাইয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করে। ভাইয়েরাও বোনেদের জন্য প্রার্থনা করে। আর দাদারা তাঁদের আশীর্বাদী হাত রাখে বোনেদের মাথায় । দিদিরাও ভাইদের বড় হওয়ার আশীর্বাদ করে।  প্রতিবছর কার্তিক মাসের শুক্ল পক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে ভ্রাতৃ দ্বিতীয়া বা ভাই ফোঁটা পালিত হয়। তবে এ বছর ভাই ফোঁটা দুই দিন। কারও মতে ২৬ অক্টোবর ভাই ফোঁটা আবার কেউ কেউ ২৭ অক্টোবর ভাই ফোঁটা পালন করবেন। 

    আরও পড়ুন: জনশ্রুতি, তাঁর নামেই হয়েছে রানাঘাট শহরের নামকরণ, জানুন রণ ডাকাতের কালীপুজোর গল্প

    পঞ্জিকা অনুযায়ী ২৬ অক্টোবর দুপুর ২টো ৪২ মিনিট থেকে দ্বিতীয়া তিথি শুরু হচ্ছে। যা ২৭ অক্টোবর ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। অর্থাৎ ২৬ ও ২৭ অক্টোবর এই দুই দিনই দ্বিতীয়া তিথি থাকবে। শাস্ত্রে ভ্রাতৃ দ্বিতীয়া তিথিটি যম দ্বিতীয়া নামেও পরিচিত। এই তিথিতে নিজের বোন যমুনার বাড়ি যান যম। কাহিনি অনুযায়ী কার্তিক শুক্ল পক্ষের দ্বিতীয়া তিথি বোনের নিমন্ত্রণ স্বীকার করে তাঁর বাড়ি যান যম। সে দিন যমুনার পুজো গ্রহণ করে তাঁর গৃহ ভোজন করেন তিনি। যমুনা আশীর্বাদ চাইলে যম বলেন যে, এই তিথিতে যে ভাই নিজের বোনের বাড়ি গিয়ে তাঁর পুজো স্বীকার করবে ও তাঁর হাতে তৈরি রান্না গ্রহণ করবে, তাঁর ভাগ্যে অকালমৃত্যুর ভয় থাকবে না। 

    আরও পড়ুন: জানুন, সাতের দশকের কলকাতার ডন ‘ফাটাকেষ্ট ও তাঁর কালীপুজোর গল্প‌’

    এই পবিত্র দিনে বোনেরা ভাইয়ের কপালে চন্দনের ফোঁটা দেন। বাস্তুতন্ত্র অনুসারে ভাইকে ফোঁটা দেওযার সময় তাঁর মুখ যেন পূর্ব, উত্তর বা উত্তর-পূর্ব দিকে থাকা উচিত। এই দিনে ভাইকে ফোঁটা দেওয়ার আগে কিছু খাওয়া উচিত নয়। ভাইফোঁটার দিন ভাই-বোনেরা যেন নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করবেন না। ভাইয়ের থেকে পাওয়া উপহার যেমনই হোক না কেন ,তাকে ও তার দেওয়া উপহারকে কখনও অসম্মান করবেন না। ভাইফোঁটার দিন কপালে ফোঁটা দেওযার আগে দুজনেই কিছু খাবেন না। ওই দিন মিথ্যা কথা একেবারেই বলবেন না। পুজোর সময় কালো কাপড় একেবারেই পরবেন না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Extradition: বিজয় মাল্যর প্রত্যর্পণের বিষয়ে বৈঠকে ভারত-যুক্তরাজ্য

    Extradition: বিজয় মাল্যর প্রত্যর্পণের বিষয়ে বৈঠকে ভারত-যুক্তরাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অপরাধমূলক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের চার দিনব্যাপী ৯০তম সাধারণ অধিবেশন শুরু হয়েছে ১৮ অক্টোবর। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে এই  সম্মেলন। ইন্টারপোলের সর্বশেষ অধিবেশন ১৯৯৭ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। অধিবেশন শুরুর দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দিল্লির প্রগতি ময়দানে দেন।   
     
    এই অধিবেশনেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যুক্তরাজ্যের আধিকারকদের, ভারতীয় আধিকারিকরা পলাতক ব্যবসায়ী বিজয় মাল্যর প্রত্যর্পণ চ্যুক্তি “দ্রুত” করার আবেদন জানিয়েছেন। এছাড়াও আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন ইকবাল মিরচির স্ত্রী হাজরা মেমন এবং ছেলে আসিফ এবং জুনায়েদের খুঁজে বের করার বিষয়েও কথা বলেছেন। 

    ২০২০ সালের এপ্রিলে প্রত্যর্পণের নির্দেশের বিরুদ্ধে মাল্যের আবেদন খারিজ করেছিল লন্ডন হাইকোর্ট। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে ব্রিটেনের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করার যে অনুমতি চেয়েছিলেন তিনি, পরবর্তীতে তাও বাতিল হয়ে যায়। হিসেব মতো ২৮ দিনের মধ্যেই প্রত্যর্পণ চ্যুক্তির মাধ্যমে মাল্যকে ভারতে ফিরিয়ে আনার কথা ছিল। কিন্তু অজানা কারণে আড়াই বছর ধরে আটকে রাখা হয়েছে এই প্রত্যর্পণ চ্যুক্তি। মনে করা হচ্ছে মাল্য যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের জন্যে আবেদন করেছেন। 

    আরও পড়ুন: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জয়-পরাজয়ের দৌড়ে কে কোথায় ?

    এই বিষয়ে ওয়াকিবহাল এক আধিকারিক জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্যের ইন্টারপোল প্রতিনিধিদলকে বলা হয়েছিল যে যেহেতু আদালত ইতিমধ্যেই  মাল্যর প্রত্যর্পণের অনুমতি দিয়েছে, তাই ভারতের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার মুখোমুখি হওয়ার জন্য তাঁকে শীঘ্রই প্রত্যর্পণ করা প্রয়োজন।     

    ভারত নীরব মোদী, সঞ্জয় ভান্ডারী সহ অন্যান্য পলাতকদের প্রত্যর্পণের বিষয়টিও উত্থাপন করেছে। উভয়টি মামলাই এখন আদালতে রয়েছে। এছাড়াও মেমন এবং আরও কিছু সাইবার অপরাধীকে খুঁজে বের করার বিষয়েও কথা বলেছে।

    এছাড়া কানাডার প্রতিনিধিদের সঙ্গে কানাডায় বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও কথা হয়েছে ভারতের। গত সপ্তাহেই বেদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর কানাডা প্রশাসনকে তথাকথিত ‘খালিস্থান আন্দোলন’ নিয়ন্ত্রণ করার কথা বলেছিলেন। 

    এই অধিবেশনে ২২টি দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠুক হয়েছে ভারতের। আমেরিকা, ইউকে, কানাডা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, ইউএই, বাংলাদেশ, নেপাল, ওমান, নিউজিল্যান্ট, ভুটান, নাম্বিয়া, বাহারিন, সারবিয়া, মালয়েশিয়া, মঙ্গোলিয়া এবং ইউরোপোল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Teen Pregnancies: হিন্দুদের তুলনায় কৈশোরে মুসলিমদের গর্ভবতী হওয়ার প্রবণতা ৩০ শতাংশ বেশি!

    Teen Pregnancies: হিন্দুদের তুলনায় কৈশোরে মুসলিমদের গর্ভবতী হওয়ার প্রবণতা ৩০ শতাংশ বেশি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অব্যাহত কৈশোরে গর্ভবতী (Teen Pregnancies) হওয়ার প্রবণতা। গর্ভনিরোধক কোনও কিছু ব্যবহার না করার কারণে কৈশোরে মা হচ্ছেন বহু কিশোরী। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, হিন্দুদের (Hindus) চেয়ে কৈশোরে মা হচ্ছেন বেশি মুসলিম (Muslim) কিশোরী। শরীর পুরোপুরি গঠন হওয়ার আগেই মা হওয়ায় ভগ্নস্বাস্থ্য হচ্ছেন কিশোরী মা। যা ভবিষ্যতে তাঁর নিজের শরীরের পক্ষেই ভীষণ ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    সম্প্রতি ডেটা প্রকাশ করে ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেল্থ সার্ভে (NFHS) ৫। তাতেই উঠে এসেছে চোখ কপালে তোলার মতো সব তথ্য। জানা গিয়েছে, ১৫ থেকে ১৯ বছরের মধ্যেই মা হচ্ছেন ৭ শতাংশ ভারতীয় মহিলা। এঁদের মধ্যে আবার মুসলমানদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি। শতাংশের হিসেবে ৮.৪। এর পরে রয়েছে খ্রিস্টান। শতাংশের হিসেবে তাঁরা ৬.৮। সব শেষে রয়েছেন হিন্দু। তাঁদের হার ৬.৫ শতাংশ। এ থেকে স্পষ্ট যে হিন্দুদের তুলনায় কৈশোরে মুসলমানদের গর্ভবতী (Teen Pregnancies) হওয়ার প্রবণতা ৩০ শতাংশ বেশি। এই তথ্য থেকে এও স্পষ্ট গর্ভনিরোধক ব্যবহারে তাঁদের ঘোর অনীহা।

    আরও পড়ুন: জানেন হৃদরোগীর থেকেও করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি কাদের?

    প্রসঙ্গত, বাল্য বিবাহের কারণে হিন্দুদের শাস্তি দেওয়া যায়। কিন্তু মুসলমানদের তা দেওয়া যায় না। কারণ তাঁদের পার্সোলান ল’ রয়েছে। সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে, কৈশোরে গর্ভবতী (Teen Pregnancies) হওয়ার প্রবণতা শহরাঞ্চলের চেয়ে গ্রামাঞ্চলেই বেশি। শিক্ষা এবং সম্পদ যাঁদের কম, তাঁদের পরিবারের ক্ষেত্রেই সচরাচর এটা দেখা যায়। বিবাহিত মহিলাদের মধ্যে ৫৩ শতাংশ মহিলা ১৫ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে মা হন। কৈশোরে গর্ভবতী হওয়ার হার সব চেয়ে বেশি ত্রিপুরায়। শতাংশের হিসেবে ২২। এর পরেই রয়েছে বাংলা। সেখানে এই হার ১৬ শতাংশ। এর পরে রয়েছে যথাক্রমে অন্ধ্রপ্রদেশ, আসাম, বিহার এবং ঝাড়খণ্ড।

    সমাজকর্মীদের মতে, নাবালিকা বিবাহের কারণে দ্রুত বাড়ছে জনসংখ্যা। সমীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মুসলমানদের মধ্যে এই বয়সে সন্তান জন্মদানের হার ২.৪ শতাংশ। সেখানে হিন্দু এবং খ্রিস্টানদের মধ্যে এই হার মাত্র ১.৯ শতাংশ। আরও জানা গিয়েছে, ভারতে গত পাঁচ বছরে নাবালিকা বিয়ের হার ২২২ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Cyclone Sitrang: বাংলায় আছড়ে পড়ছে না সিত্রাং, তবে বৃষ্টি থেকে রেহাই নেই কালীপুজোয়

    Cyclone Sitrang: বাংলায় আছড়ে পড়ছে না সিত্রাং, তবে বৃষ্টি থেকে রেহাই নেই কালীপুজোয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোর আগেই খুশির খবর দিল হাওয়া অফিস। বাংলায় আছড়ে পড়ছে না সিত্রাং। তবে বৃষ্টি থেকে এখনই রেহাই মিলছে না। ঘূর্ণিঝড় আছড়ে না পড়লেও, এর জেরে রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। 

    মৌসম ভবন সূত্রে খবর, আগামী সোমবার থেকে বৃষ্টি শুরু হবে। উপকূল এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রভাব পড়তে পারে কলকাতাতেও (Kolkata)। তবে তিলোত্তমায় ঝোড়ো হাওয়ার থেকে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বেশি। তবে আজ এবং আগামীকাল আকাশ পরিষ্কার থাকবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। সকালে ও রাতের দিকে আবহাওয়া মনোরম থাকবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় শহরের তাপমাত্রা থাকবে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, রাজ্যে এক সপ্তাহেই আক্রান্ত প্রায় ৭ হাজার 

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আন্দামানের নিম্নচাপটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হচ্ছে। আন্দামান সাগর ও পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে এটি আজ গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এরপর পশ্চিম উত্তর-পশ্চিম দিকের বদলে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। আগামীকাল এটি অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে আবার দিক পরিবর্তন করে উত্তর দিক বরাবর অগ্রসর হবে। পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও মধ্য বঙ্গোপসাগরে সোমবার তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। এরপর উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হবে ঘূর্ণিঝড়টি। মঙ্গলবার তা সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্মে পরিণত হয়ে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূল বরাবর সমুদ্রে অবস্থান করবে। এরপর বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকা দিয়ে এটি স্থলভাগে ঢুকতে পারে বলে অনুমান করছেন আবহাওয়াবিদরা। তাই বাংলাদেশে আছড়ে পড়ার আশঙ্কা বেশি।

    তবে ইতিমধ্যেই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে সতর্ক প্রশাসন। প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে সবদিক থেকে। এদিকে মাইকিং চলছে সুন্দরবনের একাধিক এলাকায়। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের মোকাবিলায় বাংলা-ওড়িশা উপকূলে নৌবাহিনীর বিশেষ দল নামানো হয়েছে। এ ছাড়া আকাশপথে নজরদারি চালাচ্ছে উপকূলরক্ষী বাহিনী। নিউ দিঘা থেকে খেজুরি অবধি দীর্ঘ ৭১ কিলোমিটার উপকূল এলাকায় নৌ-বাহিনীর পাশাপাশি নজর রাখতে চলেছে ভারতীয় উপকূলীয় বাহিনী। হলদিয়া থেকে উপকূলীয় বাহিনীর জাহাজে নজর রাখা হচ্ছে। নৌবাহিনীর মোট তিনটি বিশেষ দল এসেছে বিশাখাপত্তনম থেকে।

    সমুদ্রের পাড়ের একাধিক গ্রাম সাময়িক সময়ের জন্যে খালি করা হতে পারে। তারপরেও যদি কেউ সমুদ্রে তলিয়ে যান তা হলে এই বিশেষ ডাইভিং টিম উদ্ধার কাজে নেমে পড়বেন। আর যদি কোথাও মাটির বাড়ি বা পাকা বাড়ির নীচে কেউ চাপা পড়ে যান বা দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে নৌ-বাহিনীর এই বিশেষ দল কাজ করবে। এ ছাড়া ডরনিয়ার বিমানে চেপে চক্কর কাটছে ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী। মাঝসমুদ্রে থাকা পণ্যবাহী জাহাজ ও ভেসল যা আছে তাদের উপকূলে ফেরানোর ব্যবস্থা করছে। 

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, নেভির দুটো ডাইভিং টিম, ৫ খানা ফ্লাড রিলিফ টিম ও বিশেষ নৌকা আনা হয়েছে। এই টিম থাকতে পারে দিঘা ও ফ্রেজারগঞ্জে। এ ছাড়া একটি ফ্লাড রিলিফ টিম ডায়মন্ড হারবারে স্ট্যান্ডবাই হিসাবে রাখা হতে পারে। এই সব দল গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার করা, আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা, রিলিফ মেটিরিয়াল পৌছে দেওয়ার কাজ করবে। নৌ বাহিনীর তরফে এয়ারড্রপ করানোর ব্যবস্থা থাকছে। রাজ্য সরকার সাহায্য চাইলেই ত্রাণ পাঠানো বা উদ্ধার কাজের জন্যে এই টিম ঝাঁপিয়ে পড়বে। এ ছাড়া চিকিৎসকদের একটি দল প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। সাইক্লোনের পরেই তাঁরা বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে যাবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

        

  • Four Year Child Rape Telangana: ৪ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ! স্কুলের স্বীকৃতি বাতিল করল তেলঙ্গানা সরকার

    Four Year Child Rape Telangana: ৪ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ! স্কুলের স্বীকৃতি বাতিল করল তেলঙ্গানা সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হায়দ্রাবাদের একটি বেসরকারি স্কুলে ৪ বছরের শিশু কন্যাকে (Four Year Child Rape) ধর্ষণের ঘটনায় স্কুলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তেলঙ্গানা সরকার। ওই বেসরকারি স্কুলটির স্বীকৃতি বাতিল করে স্কুলটিকে সম্পূর্ণভাবে বন্ধের নির্দেশ দিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী সবিতা ইন্দ্র রেড্ডি। তবে ওই স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের অন্য স্কুলে ভর্তি করানোর ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

    সূত্রের খবর, বিগত দু’মাস ধরে ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করে আসছে স্কুলের এক গাড়িচালক। গুরুতর এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই পুলিশ ওই গাড়ি চালককে গ্রেফতার করেছে এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করার ক্ষেত্রে গাফিলতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে স্কুলের প্রিন্সিপালকেও। তাঁর জেরেই স্কুলের সরকার প্রদত্ত স্বীকৃতি বাতিল করে রাজ্যের শিক্ষা দফতর।

    এই গোটা ধর্ষণের ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। স্কুলের অভিভাবকরাও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তবে আচমকা এইভাবে স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বড় সমস্যায় পড়েছেন পড়ুয়াদের অভিভাবকেরা। সরকার অবশ্য আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছে, সব পড়ুয়াকেই কোনও না কোনও স্কুলে ভর্তি করানো হবে। সরকারি সূত্রে খবর, ওই স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা অন্তত ৭০০। বছরের এই মাঝামাঝি সময়ে এত সংখ্যক পড়ুয়াকে অন্য স্কুলে ভর্তি করানো খুব একটা সহজ কাজ হবে না।

    আরও পড়ুন: বৈবাহিক ধর্ষণ ও গর্ভপাত নিয়ে ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    শিক্ষামন্ত্রী একটি কমিটি গঠন করারও নির্দেশ দিয়েছেন। যে কমিটির মাথায় থাকবেন শিক্ষা দফতরের সচিব। থাকবেন মহিলা ও শিশুকল্যাণ দফতরের সচিবও। স্কুলে পড়ুয়াদের হেনস্থা এবং ধর্ষণের মতো ঘটনা রুখতে কী কী পদক্ষেপ করা যেতে পারে, এক সপ্তাহের মধ্যে সেই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই কমিটিকে।

    এদিকে, তেলঙ্গানার রাজ্যপাল তামিলিসাই সৌন্দরাজন এই ঘটনায় গভীর হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং অপরাধীর বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও-এর কাছে ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছেন।

    অভিযুক্ত ওই ড্রাইভারের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ (এবি) ধারা এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েটিকে ধর্ষণ করা অপরাধে পকসো আইনে (POCSO) পুলিশ মামলা দায়ের করেছে। এছাড়াও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতি ও স্কুল পরিচালনের ক্ষেত্রে ব্যর্থতার অভিযোগে তার বিরুদ্ধেও পকসো আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

LinkedIn
Share